Previous
Next

সর্বশেষ


Tuesday, August 4

কানাইঘাটে যুবদলের শক্তি প্রদর্শন, তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির বিরুদ্ধে বি/ক্ষো/ভ

কানাইঘাটে যুবদলের শক্তি প্রদর্শন, তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির বিরুদ্ধে বি/ক্ষো/ভ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :

বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী যুবদল কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা এবং পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে অনুষ্ঠিত পথসভায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাজ উদ্দিন সাজু সভাপতিত্ব করেন।

পথসভা যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিক আহমদ এবং পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন রশিদ মামুন।

সভায় বক্তব্য রাখেন কানাইঘাট পৌর যুবদলের আহ্বায়ক রুবেল আহমদ ও যুবদল নেতা শহিদ আহমদ। বক্তারা তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুল আলম (মেম্বার), শামিম আহমদ বাদল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল আহমদ, মারুফ আহমদ, রুহুল আমিন, উপজেলা যুবদলের সাইফুর ইসলাম, দেলওয়ার হোসেন, মানিক উদ্দিন, রুবেল তালুকদার, খায়রুল ইসলাম, সুমন আহমদ, কুতুব সরকার, রহিম উদ্দিন, শামিম আহমদ, সালেক আহমদ, সাহাব উদ্দিন, সামিম আহমদ, সাদেকুর রহমান, বাবলু, দুলাল তালুকদার, পাপ্পু, এনাম উদ্দিনসহ উপজেলা ও পৌর যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পৌর যুবদলের মাতাব, সেলিম, আছবেল, হাছান, সাকিল, মারুফসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বন্ধ লোভাছড়া পাথর কোয়ারী নিয়ে নতুন আশার আলো, মাঠে ডিএমডি পরিচালক

বন্ধ লোভাছড়া পাথর কোয়ারী নিয়ে নতুন আশার আলো, মাঠে ডিএমডি পরিচালক


নিজস্ব প্রতিবেদক :

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী দেশের অন্যতম প্রাচীন লোভাছড়া পাথর কোয়ারী। কোয়ারীর বর্তমান অবস্থা, পরিবেশগত পরিস্থিতি এবং জব্দকৃত পাথরের অবস্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (ডিএমডি)-এর পরিচালক মো. রুহুল আমীন। একই সঙ্গে আয়োজিত গণশুনানিতে ব্যবসায়ী, শ্রমিক, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় বাসিন্দারা এক কণ্ঠে লোভাছড়া পাথর কোয়ারী দ্রুত খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

সোমবার (৩ আগস্ট) পরিচালক মো. রুহুল আমীন লোভাছড়া কোয়ারী এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের জব্দ করা বিপুল পরিমাণ পাথরের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাপস চক্রবর্তী তুষার এবং উপজেলা ভূমি অফিসের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে পাথর ব্যবসায়ী, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা লোভাছড়া পাথর কোয়ারী পুনরায় চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, কোয়ারী বন্ধ থাকায় হাজারো শ্রমিক ও ব্যবসায়ী চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ লিখিত ও মৌখিকভাবে তাদের মতামত তুলে ধরেন। অধিকাংশ বক্তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় লোভাছড়া পাথর কোয়ারী পুনরায় চালুর আহ্বান জানান।

জানা গেছে, ২০২০ সালের মার্চ মাসে লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর লিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উত্তোলিত প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ ঘনফুট পাথর পরিবেশ অধিদপ্তর জব্দ করে। একই সময় সরকারি সিদ্ধান্তে লোভাছড়াসহ দেশের সব পাথর কোয়ারী বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর জব্দকৃত পাথরের মালিকানা ও নিলাম নিয়ে একাধিক ব্যক্তি উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন।

এদিকে, গত বছর জব্দকৃত পাথরের মধ্যে ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথর তিন মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে সব পাথর উত্তোলন করতে না পারায় ক্রেতা উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় লোভাছড়া পাথর কোয়ারী চালুর বিষয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে ডিএমডির পরিচালক মো. রুহুল আমীন বলেন, “সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করে দেশের সব পাথর কোয়ারী চালুর বিষয়ে আন্তরিক। লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে আইনি জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে দ্রুত লোভাছড়া পাথর কোয়ারী পুনরায় চালু হবে। এতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন এবং সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

কানাইঘাটে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের আলোচনা সভা

কানাইঘাটে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের আলোচনা সভা


নিজস্ব প্রতিবেদক
:

“জীবনের টেকসই সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান, কার্যকর উদ্যোগসমূহকে করি বেগবান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কানাইঘাটে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে কমিউনিটি মোবিলাইজেশন প্রোগ্রাম ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় কানাইঘাট পৌরসভার রামপুরে সীমান্তিক অফিসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গর্ভবতী ও নবজাতকের মায়েদের মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব, শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সুষম পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আলোচনা সভায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রাখেন কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আবুল হারিছ। তিনি বলেন, জন্মের পরপরই শিশুকে মায়ের শালদুধ খাওয়ানো এবং প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান নিশ্চিত করা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির (এসএমসি) অর্থায়ন ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং সীমান্তিকের বাস্তবায়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এইচএ আমিনুল ইসলাম, এএইচআই সাইদ আহমদ, প্যারামেডিক তাহমিনা আক্তার সেবি, উপজেলা সুপারভাইজার মো. আবুল কালাম এবং সিএম মিলি রানী দাস।

অনুষ্ঠানে গর্ভবতী ও নবজাতকের মায়েসহ প্রায় ৩০ জন নারী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাতৃদুগ্ধের পুষ্টিগুণ এবং শিশুর সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় এবং জেএমপি পদ্ধতির মাধ্যমে শিশুদের পুষ্টির অবস্থা নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা প্রদান করা হয়।

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মাতৃদুগ্ধ পান নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। 

Friday, July 31

কানাইঘাট উপজেলা ছাত্র জমিয়তের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন, নতুন কমিটি ঘোষণা

কানাইঘাট উপজেলা ছাত্র জমিয়তের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন, নতুন কমিটি ঘোষণা


নিজস্ব প্রতিবেদক:

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ কানাইঘাট উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৩টায় কানাইঘাট বাজারস্থ দি রয়েল রেস্টুরেন্টে এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

কাউন্সিলে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওলানা গিয়াস উদ্দিন। যৌথভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মুশাহিদ ও আব্দুর রহমান শাকির।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা উত্তর জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মুফতি ইবাদুর রহমান ক্বাসেমী। প্রধান বক্তা ছিলেন সিলেট জেলা উত্তর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিজ জাকির হোসাইন।

কাউন্সিল অধিবেশন শেষে সিলেট জেলা উত্তর ছাত্র জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন ২০২৬-২০২৮ সেশনের জন্য ২১ সদস্যবিশিষ্ট কানাইঘাট উপজেলা ছাত্র জমিয়তের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। এতে আব্দুল কুদ্দুস মিসবাহ সভাপতি এবং মুশররফ হোসাইন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা উত্তর জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের বারবার নির্বাচিত সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা গোলাম আম্বিয়া কয়েস, কানাইঘাট উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আলতাফ হোসেন, জেলা উত্তর জমিয়তের যুববিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান, পৌর জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আজির উদ্দিন, যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ জামাল উদ্দিন, প্রবাসী জমিয়ত নেতা শহিদুল্লাহ সিদ্দিকী, জেলা উত্তর ছাত্র জমিয়তের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু তালহা তোফায়েলসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

কাউন্সিলে বক্তারা সংগঠনকে আদর্শিক, সাংগঠনিক ও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নবগঠিত কমিটির সফলতা কামনা করেন।


কানাইঘাটে পথসভার মধ্যে হারাল নাহিদ ইসলাম ও তার পিএসের মোবাইল

কানাইঘাটে পথসভার মধ্যে হারাল নাহিদ ইসলাম ও তার পিএসের মোবাইল

 


নিজস্ব প্রতিবেদক:

হবিগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনার পরও সিলেটের কানাইঘাটে বিপুল জনসমাগমের মধ্য দিয়ে দলটির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় স্থানীয় জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

বৃহস্পতিবার(৩০ জুলাই) পথসভা চলাকালে এবং কর্মসূচি শেষে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পৃথক পোস্টে কানাইঘাটবাসীর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তার পোস্টে লিখেছেন, "ভারী বৃষ্টি, দীর্ঘ চার ঘণ্টার অপেক্ষা, সন্ত্রাসী বাহিনীর অব্যাহত হুমকি উপেক্ষা করে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার জুলাই পদযাত্রায় লাখো মানুষের ঢল। কানাইঘাটবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।"

দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমও তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে কানাইঘাটের পদযাত্রাকে জুলাই মাসের সবচেয়ে বড় পদযাত্রা হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে অতিরিক্ত জনসমাগমের মধ্যে সবাইকে নিজেদের মোবাইল ফোন নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তবে পথসভা শেষে স্টেজ থেকে নামার পর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং তার ব্যক্তিগত সহকারীর (পিএস) মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়। পরে কানাইঘাট ত্যাগের আগে এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনসিপি সিলেট জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কানাইঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলটির চূড়ান্ত প্রার্থী হাফিজ বুরহান উদ্দিন ইউসুফ।

এ বিষয়ে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “গতকাল এনসিপির পথসভা শেষে মোবাইল ফোন হারানোর বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।”

কানাইঘাটে মসজিদ থেকে ফেরার পথে হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু

কানাইঘাটে মসজিদ থেকে ফেরার পথে হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু


নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের কানাইঘাটে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজিজুর রহমান (৩৯) নামে এক যুবক  মারা গেছেন। হামলার ১৪ দিন পর শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভোরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় । নিহত আজিজুর রহমান কানাইঘাট উপজেলার ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের আগফৌদ (নারাইনপুর) গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিত হামলার শিকার হন আজিজুর রহমান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয় লোকজন প্রথমে তাকে গাছবাড়ী বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিসিইউ)-এ টানা ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. করিবুন নেছা বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় ১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন,আলমগীর, বাবলু আহমদ, হেলাল আহমদ, বিলাল আহমদ, জুনেদ আহমদ, জাহেদ আহমদ, রাজু আহমদ, নাহিয়ান আহমদ, ইয়াহিয়া আহমদ ও আব্দুর রহিম। তাদের সবার বাড়ি একই উপজেলার আগফৌদ (নারাইনপুর) গ্রামে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আসামিদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিবাদ ও বাধা দেওয়ায় তারা আজিজুর রহমানের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আজিজুর রহমানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। আজ আহত ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কানাইঘাটে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কানাইঘাটে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক:
আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালনের লক্ষ্যে কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া ফেরদৌস। সভায় সরকারের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী দিবসটি সফল ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাপস চক্রবর্তী তুষার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুন রশিদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার সাজ উদ্দিন সাজু, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিফতাহুল ইসলাম, কানাইঘাট থানার সেকেন্ড অফিসার জহিরুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার শাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলমাছ উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাস্টার ফয়ছল আহমদ, পৌর বিএনপির সভাপতি নুরুল হুসেন বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আমানুর রশীদ চৌধুরী, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, পৌর জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি জুবায়ের ইউসুফসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা।

সভায় বিএনপি, জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস কানাইঘাটে স্বতঃস্ফূর্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে উদযাপনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ লক্ষ্যে প্রশাসন, রাজনৈতিক দল এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, সরকারের নির্দেশনা ও পরিপত্র অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের সকল কর্মসূচি যথাযথ মর্যাদায় বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত সব কর্মসূচিতে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

কানাইঘাটের জনসমাগমে উচ্ছ্বসিত নাহিদ-সারজিস-পাটোয়ারীরা, জানালেন কৃতজ্ঞতা

কানাইঘাটের জনসমাগমে উচ্ছ্বসিত নাহিদ-সারজিস-পাটোয়ারীরা, জানালেন কৃতজ্ঞতা


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সিলেটের কানাইঘাটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ‘জুলাই জাগরণ’ পদযাত্রা ও পথসভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কর্মসূচি শেষে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দলের শীর্ষ নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৩টায় কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনার কারণে নির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তন আসে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে কানাইঘাট উত্তর বাজারে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেটের হবিগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনার পরও কানাইঘাটে বিপুল জনসমাগম এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন হওয়ায় স্থানীয় জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।

পথসভা চলাকালে এবং কর্মসূচি শেষে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পৃথক পোস্টে কানাইঘাটবাসীর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম লিখেন, "ভারী বৃষ্টি, দীর্ঘ চার ঘণ্টার অপেক্ষা, সন্ত্রাসী বাহিনীর অব্যাহত হুমকি উপেক্ষা করে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার জুলাই পদযাত্রায় লাখো মানুষের ঢল। কানাইঘাটবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।"

দলের মুখ্য সংগঠক নাসির উদ্দিন পাঠোয়ারী লিখেন, "বাংলাদেশ জাগবে, লড়াই চলবে। সিলেটের কানাইঘাটবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।"

দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তার পোস্টে লিখেন, "জুলাই পদযাত্রার সবচেয়ে বড় পথসভা! সিলেটের কানাইঘাট যেন জনসমুদ্র!"

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু লিখেন, "প্রিয় কানাইঘাটবাসী, অজস্র ভালোবাসা আপনাদের প্রতি। এত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্যেও আপনারা যে ভালোবাসা ও সাহস দেখিয়েছেন, তা ইতিহাস হয়ে থাকবে।"


কানাইঘাটে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন এনসিপির পথসভা

কানাইঘাটে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন এনসিপির পথসভা


নিজস্ব প্রতিবেদক :

কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কানাইঘাটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ‘জুলাই জাগরণ’ পদযাত্রা ও পথসভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৩টায় কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনার কারণে কর্মসূচি বিলম্বিত হয়। পরে সন্ধ্যা ৭টায় কানাইঘাট উত্তর বাজারে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সড়কপথে কানাইঘাটে আনা হয়। কর্মসূচিকে ঘিরে পৌর শহর ও আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল।

পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।

উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক সৈয়দ শরিফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক বুরহান উদ্দিন ইউসুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের মুখ্য সংগঠক নাসির উদ্দিন পাঠোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মুজাহিদ এবং জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু। এছাড়া সিলেট জেলা, মহানগর ও কানাইঘাট উপজেলা এনসিপি এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, ‘জুলাইয়ের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে’ এনসিপি সারাদেশে ‘জুলাই জাগরণ’ পদযাত্রা পরিচালনা করছে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ তুলে তারা বলেন, হবিগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জে কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলায় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়িত। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

বক্তারা আরও দাবি করেন, বিএনপি জুলাইয়ের চেতনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনার চেষ্টা করছে। তারা অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে এনসিপির কর্মসূচিতে হামলার পেছনে বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাদেরও মদদ রয়েছে। পাশাপাশি গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে এনসিপির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তারা হুঁশিয়ারি দেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে সারাদেশের ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

পথসভায় কানাইঘাটে স্বতঃস্ফূর্ত জনসমাগম এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করায় স্থানীয় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।এ

Thursday, July 30

কানাইঘাটে এনসিপির মঞ্চ প্রস্তুত, ক'ড়া নি'রা'প'ত্তা'য় পদযাত্রা আজ

কানাইঘাটে এনসিপির মঞ্চ প্রস্তুত, ক'ড়া নি'রা'প'ত্তা'য় পদযাত্রা আজ


নিজস্ব প্রতিবেদক :

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলার ঘটনার পর সিলেটের কানাইঘাটে দলটির পদযাত্রা ও গণসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে উত্তর বাজারে পথসভার জন্য বিশাল মঞ্চ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলজুড়ে পুলিশের টহল ও নিরাপত্তা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে সিলেট-জকিগঞ্জ মহাসড়ক হয়ে কানাইঘাটে পৌঁছাবেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। সফরে থাকছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. মাহমুদা মিতু, মুখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ দলের শীর্ষ নেতারা।

পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, দুপুর ২টায় কানাইঘাট দারুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে শায়িত উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে সফরের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন তারা। পরে পদযাত্রা উপজেলা সদর প্রদক্ষিণ করে বিকেল ৩টায় কানাইঘাট উত্তর বাজারে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে অনুষ্ঠিত হবে পথসভা ও গণসংযোগ কর্মসূচি।

কর্মসূচিকে সফল করতে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা ও উপজেলা এনসিপি। উত্তর বাজারে নির্মিত হয়েছে বিশাল মঞ্চ, সাজানো হয়েছে সভাস্থল। স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কর্মসূচি উপলক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এনসিপি সিলেট জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ বুরহান উদ্দিন ইউসুফ বলেন, “কানাইঘাটে এনসিপির পদযাত্রা ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এ কর্মসূচি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, সারা দেশে অনুষ্ঠিত এনসিপির কর্মসূচিগুলোর মধ্যে কানাইঘাটের আয়োজন অন্যতম সফল হবে।”

তিনি আরও বলেন, “কর্মসূচি সফল করতে উপজেলাজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এটি একটি বড় রাজনৈতিক সমাবেশে রূপ নেবে।”

এদিকে, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

Wednesday, July 29

কানাইঘাটের নতুন ইউএনও’র যোগদান, দায়িত্ব পালনে চাইলেন সবার সহযোগিতা

কানাইঘাটের নতুন ইউএনও’র যোগদান, দায়িত্ব পালনে চাইলেন সবার সহযোগিতা


নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের কানাইঘাটে নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন সুমাইয়া ফেরদৌস। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসনে যোগদান করেন। এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবাগত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তাকে স্বাগত জানান। 

সরকারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গত ১৩ জুলাই সুমাইয়া ফেরদৌস সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২৭ জুলাই তাকে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়। ৩৬তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের এ কর্মকর্তা এর আগে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

সুমাইয়া ফেরদৌসের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাসিমপুর গ্রামে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী মুদাব্বির হোসেন সিলেট এমসি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। চাকরি জীবনে তিনি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শাখার কর্মকর্তা (আরডিসি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

কানাইঘাটে দায়িত্ব পালনের শুরুতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজসহ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি কানাইঘাটের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।