Previous
Next

সর্বশেষ


Tuesday, September 22

কানাইঘাটে নাদিয়াতুল কুরআনের ফাইনাল ২৪ ডিসেম্বর

কানাইঘাটে নাদিয়াতুল কুরআনের ফাইনাল ২৪ ডিসেম্বর


নিজস্ব প্রতিবেদক :

নাদিয়াতুল কুরআন বাংলাদেশ কানাইঘাট উপজেলা শাখার ফাইনাল পরীক্ষা আগামী ২৪ ডিসেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দারুল হাদিস কানাইঘাট মাদরাসায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ফাইনাল পরীক্ষা আয়োজন উপলক্ষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দারুল হাদিস কানাইঘাট মাদরাসার মিলনায়তনে উপজেলা শাখার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা শাখার সভাপতি হযরত মাওলানা শামসুদ্দীন দুর্লভপুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হযরত মাওলানা ক্বারী মাশুক আহমদ ধনপুরীর পরিচালনায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে পরীক্ষার প্রস্তুতি, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন ক্বারী মাওলানা তাজউদ্দীন মুক্তাপুরী ও হাফিজ মাওলানা শাহিন আহমদ দুর্লভপুরী।

এ সময় উপস্থিত আইম্মায়ে মাসাজিদের মধ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ক্বারী মাওলানা খলিলুর রহমান ধনপুরী, হাফিজ মাওলানা মারুফ আহমদ কান্দেবপুরী, মাওলানা নজরুল ইসলাম গোয়াইনঘাটী, মাওলানা শরীফ আহমদ, মাওলানা সালমান উদ্দিন, মাওলানা সাদিকুর রহমান, মাওলানা আব্দুর রশীদ রাসেল, হাফিজ মাওলানা শাহরিয়ার আহমদ, মাওলানা শামীম আহমদ, মাওলানা কবির আহমদ, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা সালমান আহমদ, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, মাওলানা কাওছার আহমদ, মাওলানা দুলাল আহমদ, মাওলানা বিলাল আহমদ, মাওলানা মোস্তফা হোসাইন, মাওলানা আশিকুর রহমান, মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মাওলানা মিযানুর রহমান, মাওলানা আতিকুর রহমান, মাওলানা আতাউর রহমান, মাওলানা মঈনুল ইসলাম ও ক্বারী মাওলানা হারুনুর রশীদ চতুলীসহ অনেকে।

বৈঠকে ব্যাপক আলোচনা ও পর্যালোচনার পর আগামী ২৪ ডিসেম্বর ফাইনাল পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

নাদিয়াতুল কুরআন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় এবার চারটি জামাতে শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে। জামাতগুলো হলো— ৩০ পারা কুরআন শরিফ, ৫ পারা কুরআন শরিফ, আমপারা এবং নাদিয়া কায়দা।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ বছর চারটি জামাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৫০০ জন ছাড়িয়ে যাবে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণকে সামনে রেখে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

Sunday, September 20

কানাইঘাটে নবাগত ইউএইচএফপিওকে সিএইচসিপি এসোসিয়েশনের ফুলেল শুভেচ্ছা

কানাইঘাটে নবাগত ইউএইচএফপিওকে সিএইচসিপি এসোসিয়েশনের ফুলেল শুভেচ্ছা


নিজস্ব প্রতিবেদক :

কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) এসোসিয়েশন, কানাইঘাট উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

রোববার(২০ সেপ্টেম্বর)  বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচএফপিও কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সিএইচসিপি এসোসিয়েশন কানাইঘাট উপজেলা শাখার সভাপতি হেলাল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মতিনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে নেতৃবৃন্দ নবাগত ইউএইচএফপিও ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর সঙ্গে  মতবিনিময় করেন। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও,এমওডিসি,মেডিকেল অফিসারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে নবাগত ইউএইচএফপিও ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায় কানাইঘাটে দায়িত্ব পালনকালে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Saturday, September 19

কানাইঘাটে বাড়তি বিলের অভিযোগে ইউএনওর দ্বারে দুই গ্রাহক

কানাইঘাটে বাড়তি বিলের অভিযোগে ইউএনওর দ্বারে দুই গ্রাহক


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, ভুল মিটারে বকেয়া বিল যুক্ত করা, সময়মতো বিল না দিয়ে একসঙ্গে কয়েক মাসের বিল প্রদানসহ নানা অভিযোগ করেছেন দুই গ্রাহক। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া অভিযোগে গ্রাহক অশোক রঞ্জন দে উল্লেখ করেন, তার নিজের ও মায়ের নামে পৃথক চারটি বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ রয়েছে। তিনি নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছেন। তবে আগস্ট মাসে তার মা জ্যোৎস্না রানী দে’র নামে থাকা মিটার নম্বর ১০৫৮০৩১৯৪২২৩৭-এর বিলে ওই মাসের ১ হাজার ৭৭৯ টাকা বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে ১৭ হাজার ৮৩২ টাকা ‘বিবিধ বকেয়া’ হিসেবে যোগ করা হয়। ফলে মোট বিল দাঁড়ায় ১৯ হাজার ৭০০ টাকা।

অশোক রঞ্জন দে’র অভিযোগ, অতিরিক্ত এই ১৭ হাজার ৮৩২ টাকা কীসের জন্য যুক্ত করা হয়েছে, তা জানতে তিনি পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন তাকে জানানো হয়, ‘অশোক দে (ডিশ)’ নামে বাণিজ্যিক মিটার নম্বর ১০৫৮০৩১৯৪২২৩৬-এর জুন ২০১৯ সালের বকেয়া বিল তার মায়ের নামে থাকা মিটারে যুক্ত করা হয়েছে। তবে অশোক রঞ্জন দে দাবি করেন, তার নামে এমন কোনো বাণিজ্যিক মিটারই নেই।

বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসে যোগাযোগ করেও প্রতিকার না পাওয়ায় তিনি ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান।

অন্যদিকে, উপজেলার ৩ নম্বর দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামের গ্রাহক মোস্তাক আহমদ বেবুল অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ও পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগ এনে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইউএনও বরাবরে আরেকটি লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগে তিনি জানান, তার বাড়িতে আগে পোল্ট্রি খামার থাকায় শিল্প মিটার সংযোগের মাধ্যমে বসতবাড়ির বিদ্যুৎ ব্যবহার করতেন। তখন মাসে প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা বিল আসত। পরবর্তীতে পোল্ট্রি খামার বন্ধ হয়ে গেলে ওই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে গত মে মাসে বসতবাড়ির জন্য নতুন আবাসিক মিটার সংযোগ নেন।

মোস্তাক আহমদ বেবুলের অভিযোগ, মে মাসে নতুন সংযোগ দেওয়ার পর মে, জুন ও জুলাই—এই তিন মাসের কোনো বিল তাকে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে তিনি সড়কের বাজার অভিযোগ কেন্দ্র ও কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করেন। পরে আগস্ট মাসে তার আবাসিক মিটারের বিপরীতে ১৪ হাজার ৯৯৮ টাকার বিল দেওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, এলাকায় তীব্র লোডশেডিং থাকা সত্ত্বেও আবাসিক মিটারে এত বেশি বিল আসায় তিনি বিষয়টি নিয়ে অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে বরং হয়রানির শিকার হয়েছেন।

অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, মে মাস থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার মিটারে ১ হাজার ৮৩২ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব দেখানো হয়েছে। ইউনিটপ্রতি ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা পর্যন্ত হারে বিল হিসাব করা হয়েছে। তবে তার দাবি, এ সময়ে তিনি সর্বোচ্চ প্রায় ৭০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন।

একসঙ্গে চার মাসের বিল প্রদান এবং অতিরিক্ত বিলের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের গাফিলতি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, কানাইঘাটের কয়েকজন পল্লীবিদ্যুৎ গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, গত কয়েক মাস ধরে অনেক গ্রাহক আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিল পাচ্ছেন। তাদের দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহে লোডশেডিং থাকলেও বিলের ক্ষেত্রে এর কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার মিলছে না বলে অভিযোগ তাদের।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের কর্মকর্তারা বলেন, গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব অনুযায়ী বিল প্রদান করা হচ্ছে। কোনো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে দেখা হয়।

Friday, September 18

ক্যালিগ্রাফিতে জাতীয় মঞ্চে কানাইঘাটের জাহিদুলের চমক

ক্যালিগ্রাফিতে জাতীয় মঞ্চে কানাইঘাটের জাহিদুলের চমক


নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয় পর্যায়ের ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করেছেন সিলেটের কানাইঘাটের হাফেজ মাওলানা জাহিদুল ইসলাম। রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারিতে আয়োজিত ‘Art of Faith Exhibition 2026’-এর ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতায় দুই শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণের মধ্য থেকে শীর্ষ ৫-এর মধ্যে স্থান অর্জন করেছেন বলে জানিয়েছেন জাহিদুল ইসলাম।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১১ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও বিদেশের দুই শতাধিক শিল্পী অংশ নেন। ক্যালিগ্রাফির পাশাপাশি পেইন্টিং, রেজিন আর্ট, টেক্সচার আর্ট, মিক্সড মিডিয়া, ভাস্কর্য ও সিরামিকসহ বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়।

জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজনে শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নেওয়ার ঘটনায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন জাহিদুল ইসলামের আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসী। তাঁদের মতে, এই অর্জন তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিভার স্বীকৃতির পাশাপাশি কানাইঘাটের জন্যও আনন্দ ও গর্বের বিষয়।

জাহিদুল ইসলাম মসজিদ-মাদ্রাসার খেদমতের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে ক্যালিগ্রাফি শিল্পচর্চা করে আসছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যালিগ্রাফিকে তিনি শখের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পেশা হিসেবেও এগিয়ে নিচ্ছেন এবং এ শিল্পের মাধ্যমে আয় করছেন।

পাশাপাশি সিলেটের Tanvir’s Calligraphy Academy-এর প্রশিক্ষক হিসেবেও তিনি কাজ করছেন বলে জানা গেছে। সেখানে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ক্যালিগ্রাফি শেখানোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।

জাতীয় পর্যায়ের এই আয়োজনে অংশগ্রহণ ও শীর্ষ পাঁচে স্থান পাওয়ার বিষয়টি কানাইঘাটের শিল্প-সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ক্যালিগ্রাফি শিল্পে জাহিদুল ইসলাম তাঁর চর্চা অব্যাহত রেখে ভবিষ্যতে আরও সাফল্য অর্জন করবেন।



বিশ্বজয়ী হাফেজ কামরুজ জামান কামিলকে রাজাগঞ্জে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

বিশ্বজয়ী হাফেজ কামরুজ জামান কামিলকে রাজাগঞ্জে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা


নিজস্ব প্রতিবেদক:

৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেটের কানাইঘাটের মেধাবী মুখ,আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী হাফেজ কামরুজ জামান কামিলকে রাজাগঞ্জে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন এর সভাপতি হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মা হাদুল আরবী আল আলমী সিলেট ওর প্রতিষ্টাতা মাওলানা তফজ্জুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মাওলানা শামসুল ইসলাম, মাওলানা ইব্রাহীম আলি,মাওলানা আবদুল জলিল পারকুলী,কানাইঘাট প্রেস ক্লাবের সহ সভাপতি সাংবাদিক তাওহীদুল ইসলাম,মাওলানা আবদুল্লাহ আল হোসাইন, লেখক ও ছড়াকার শাহজাহান শাহেদ।

উপস্থিত ছিলেন রাজাগঞ্জ জমিয়তের  উপদেষ্টা মাও.আবদুল জলিল,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাও.হারুনুর রশীদ,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা আবদুর রহমান,মাওলানা আহমদ শফি,মাওলানা সুফিয়ান আহমদ,ছাত্র জমিয়ত রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন এর সভাপতি মাওলানা ইমদাদ আমীন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজ জামিল আহমদ, আইমান আহমদ,শিব্বির আহমদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাফেজ কামরুজ জামান কামিল শুধু কানাইঘাটের নয়, পুরো সিলেট তথা বাংলাদেশের গর্ব। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে বিশ্বজয় করে সে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। তার এই অর্জন আগামী প্রজন্মের হাফেজদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে হাফেজ কামরুজ জামান কামিল বলেন, "আমার এই অর্জন আমার একার নয়, এটি আমার মা-বাবা, আমার ওস্তাদ এবং কানাইঘাট-রাজাগঞ্জবাসীর দোয়ার ফসল। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আমি আজীবন কোরআনের খেদমতে থাকতে পারি।"

পরে তাকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন শাখা এবং ছাত্র জমিয়ত রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন উভয় শাখার দায়িত্বশীলগন। শাখা সভাপতি হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম এর দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Thursday, September 17

কানাইঘাটে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার

কানাইঘাটে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কানাইঘাটে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সময়ে পৃথক অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আরও চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সাতজনকে গ্রেফতারের পর বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই সোহাগ চৌধুরী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার ৩ নম্বর দিঘীরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের সড়কের বাজারস্থ শাহজাহান কমপ্লেক্সের সামনে পাকা সড়কে চেকপোস্ট বসান। এ সময় একটি সিএনজি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন জকিগঞ্জ পৌরসভার নরসিংহপুর গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে কবীর আহমদ, আব্দুর রহিমের ছেলে হাছান আহমদ এবং কানাইঘাটের খলাছড়া গ্রামের মাসুক আহমদের ছেলে সিএনজি চালক সাবলু।

পুলিশের দাবি, তাদের কাছ থেকে ভারতীয় ১৭০ প্যাকেট পঞ্চগুড়ী, ১৮ প্যাকেট মহাস্নানের দ্বাদশ জল, ৯ প্যাকেট অএটজট ও ৮০ প্যাকেট ফটকাসহ চোরাচালানে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে গ্রেফতার তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

অন্যদিকে, থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি আশিক উদ্দিন (৩৭) এবং আরও তিন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। আশিক উদ্দিন উপজেলার সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের তাহির আলীর ছেলে।

গ্রেফতার অন্যরা হলেন, লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের কালিজুরী গ্রামের আমির আলীর ছেলে সমছুদ্দিন, একই গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে শাহিন আহমদ এবং বড়চতুল ইউনিয়নের লখাইগ্রামের মৃত আজই মিয়ার ছেলে মানিক উদ্দিন।

কাতারে বিশ্বজয় কানাইঘাটের হাফেজ কামরুজ জামানের

কাতারে বিশ্বজয় কানাইঘাটের হাফেজ কামরুজ জামানের


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কাতারে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা–২০২৬-এ প্রথম স্থান অর্জন করে বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার কৃতি সন্তান হাফেজ কামরুজ জামান কামিল। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই সাফল্যে আনন্দ ও গর্বের সৃষ্টি হয়েছে তাঁর পরিবার, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে।

হাফেজ কামরুজ জামান কামিল কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউনিয়নের খালপাড় পশ্চিম গ্রামের মরহুম হাফিজ আব্দুল মতিনের ছেলে। তাঁর এই আন্তর্জাতিক অর্জনে উজ্জ্বল হয়েছে কানাইঘাটের পাশাপাশি বাংলাদেশের নাম।

জানা গেছে, কামরুজ জামান কামিল রাজাগঞ্জের পারকুল জামেয়া আল-মুতলিব খয়রুন নেছা মাদরাসা থেকে পবিত্র কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করেন। পরে তিনি সিলেটের আল মাহাদুল আরাবি আল আলামি মারকায মাদিনাতুস সালাম মাদরাসায় ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি সেখানে ৮ম সমমান শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছেন। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই তিনি কাতারে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

প্রতিযোগিতায় প্রায় ৪৬টি দেশের তিন শতাধিক হাফেজ অংশগ্রহণ করেন। একাধিক ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্ত পর্বে ওঠেন কামরুজ জামান কামিল। চূড়ান্ত পর্বে আট দেশের ৩০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন।

কাতার চ্যারিটির সহযোগিতায় দেশটির ইমাম মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব মসজিদে এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে কামরুজ জামান কামিলকে ১০ হাজার কাতারি রিয়াল পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ পুরস্কারের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমন সাফল্য অর্জন করায় কামরুজ জামান কামিলকে নিয়ে গর্বিত তাঁর পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী। তাঁর এ অর্জন কুরআন হিফজের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সক্ষমতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাঁর এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআন হিফজ ও কুরআনিক শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

সড়ক সংস্কারে সহায়তা, প্রবাসে নিহত দুই পরিবারের পাশে 'কানাইঘাট অ্যাসোসিয়েশন মেজরটিলা'

সড়ক সংস্কারে সহায়তা, প্রবাসে নিহত দুই পরিবারের পাশে 'কানাইঘাট অ্যাসোসিয়েশন মেজরটিলা'


নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাছবাড়ী-হরিপুর সড়কের সাময়িক মেরামতে এগিয়ে এসেছে কানাইঘাট অ্যাসোসিয়েশন মেজরটিলা। সড়কটির সংস্কারের জন্য সংগঠনটির পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রবাসে দুর্ঘটনায় নিহত কানাইঘাটের লামার তালুক গ্রামের দুই রেমিট্যান্সযোদ্ধা আলিম উদ্দিন ও খালিক উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কানাইঘাট অ্যাসোসিয়েশন মেজরটিলার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব সহায়তা প্রদান করা হয়।

সমিতির সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমিতির উপদেষ্টা ও ৮ নম্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুর রহমান, সহসভাপতি জসিমউদদীন, কোষাধ্যক্ষ মো. সাইদুর রহমান নাবিল, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন, ফিরুজ আহমেদসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সাময়িক সংস্কারে সহযোগিতার পাশাপাশি প্রবাসে দুর্ঘটনায় নিহত দুই রেমিট্যান্সযোদ্ধার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ। ভবিষ্যতেও কানাইঘাট অ্যাসোসিয়েশন মেজরটিলা এলাকার মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

Tuesday, September 15

মালিক নাহার মেমোরিয়াল একাডেমির এডহক কমিটির সভাপতি খয়রুল ইসলাম চৌধুরী

মালিক নাহার মেমোরিয়াল একাডেমির এডহক কমিটির সভাপতি খয়রুল ইসলাম চৌধুরী


নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার মালিক নাহার মেমোরিয়াল একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের ম্যানেজিং (এডহক) কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে কলেজ পরিদর্শক শেখ মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে চার সদস্যবিশিষ্ট এডহক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

বোর্ডের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪-এর ৬৪ ধারা অনুযায়ী এ এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে কমিটির মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি দৈনিক সিলেটের জমিন পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তাঁর সম্পাদনায় নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ম্যাগাজিন ‘মাসিক চিকিৎসা বার্তা’।

এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “মালিক নাহার মেমোরিয়াল একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হওয়ায় আমি অত্যন্ত গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই দায়িত্ব যেমন আমার জন্য সম্মানের, তেমনি এটি একটি বড় দায়িত্বও। শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠন এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব। বিদ্যালয়কে একটি আদর্শ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”

Saturday, September 12

কানাইঘাটের উন্নয়নে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করুন: এমপি মুফতি আবুল হাসান

কানাইঘাটের উন্নয়নে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করুন: এমপি মুফতি আবুল হাসান


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরপ্রধানের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান। এ সময় তিনি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড যথাযথ পরিকল্পনা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি ও বাস্তবায়নের পরিসংখ্যান সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরেন তারা।

সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের শূন্য পদ পূরণের বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে এমপি আবুল হাসান বলেন, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। শিগগিরই কানাইঘাট-গাজী বুরহান উদ্দিন সড়কের উন্নয়নকাজ শুরু হবে। পাশাপাশি গ্রামীণ সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কানাইঘাট পৌরসভার টেকসই উন্নয়ন, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে কানাইঘাট-জকিগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা পূরণে এসব উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হবে। উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সরকারি কর্মকর্তাদের আরও নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মতবিনিময় সভা শেষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ক্রীড়া সামগ্রী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্লাবের মধ্যে বিতরণ করেন সংসদ সদস্য মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারাও তুলে দেন তিনি।

পরে তিনি কানাইঘাট মহিলা কলেজ পরিদর্শন করেন। সেখানে কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য, শিক্ষক, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়কালে কলেজের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের কথা সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরেন শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা। এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এমপি আবুল হাসান বলেন, কলেজের সার্বিক পাঠদান কার্যক্রম সচল রাখা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে এমপিওভুক্ত করার জন্য তিনি তার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌসসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কানাইঘাট সমিতির উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

কানাইঘাট সমিতির উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান


৬৬ কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও এককালীন বৃত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী কানাইঘাট উপজেলার ৬৬ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে কানাইঘাট সমিতি,সিলেট মহানগর। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলতে প্রথমবারের মতো এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করে সংগঠনটি।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কানাইঘাট পৌর শহরের আল-রিয়াদ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

কানাইঘাট সমিতি সিলেট মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যাংকার বদরুল আমিন হারুনের সভাপতিত্বে এবং সমিতির শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক প্রিন্সিপাল আহমদ সালেহ বিন মালিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সমিতির সেক্রেটারি মো. জাকারিয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ফুলবাড়ি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা জাকির হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ হান্নান, মনসুরিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা খলিলুর রহমান, সমিতির উপদেষ্টা মাস্টার জালাল উদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা ফয়ছল আহমদ, কানাইঘাট পৌর বিএনপির সভাপতি নুরুল হোসেন বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী এ কে এম ওলি উল্লাহ, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, কানাইঘাট পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ইকবাল হোসাইন, জৈন্তিয়া উন্নয়ন পরিষদ কানাইঘাট শাখার সভাপতি মুহিবুর রহমান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি শমসের আলম।

কানাইঘাট সমিতির দায়িত্বশীলদের মধ্যে বক্তব্য দেন সহ-সভাপতি শামসুন নুর, সাংগঠনিক সম্পাদক নুর উদ্দিন, সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল গফুর, মহি উদ্দিন জাবেরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি দেওয়া শুধু তাদের উৎসাহিত করে না, বরং সমাজের অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত করে। কানাইঘাট সমিতি সিলেট মহানগর প্রথমবারের মতো উপজেলার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়ায় বক্তারা সংগঠনটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আশিক উদ্দিন চৌধুরী কানাইঘাট সমিতি সিলেট মহানগরের নেতৃবৃন্দ এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পরে অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মোট ৬৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও এককালীন বৃত্তি তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কানাইঘাটে প্রাক্তনদের পদচারণায় মুখর জামেয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া ফাজিল মাদ্রাসা

কানাইঘাটে প্রাক্তনদের পদচারণায় মুখর জামেয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া ফাজিল মাদ্রাসা


নিজস্ব প্রতিবেদক:

জামেয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, তালবাড়ীর প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(১২ সেপ্টেম্বর) প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের আয়োজনে মাদ্রাসার হলরুমে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

দীর্ঘদিন পর প্রিয় শিক্ষাঙ্গনে ফিরে এসে বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসায় অধ্যয়ন ও শিক্ষকতা করা প্রাক্তন ছাত্র-শিক্ষকরা একত্রিত হন। স্মৃতিচারণ, মতবিনিময় ও আনন্দঘন আড্ডায় দিনটি পরিণত হয় প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। প্রাক্তনদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে মাদ্রাসার পুরো প্রাঙ্গণ। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক জামাল উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সরকারি শিক্ষক ও প্রাক্তন ছাত্র মো. কুতুব উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে। কোরআন তেলাওয়াত করেন মাদ্রাসার ছাত্র হাফিজ রুম্মান আহমদ। 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শরীফ আহমদ। পুনর্মিলনী ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাফিজ মাওলানা আনওয়ার হোসাইন খান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মজলিসুল মুফাসসিরিনের সহকারী সেক্রেটারি মাহমুদুর রাহমান দিলওয়ার। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল একেএম হেলাল আহমদ চৌধুরী, মাওলানা সাইফুল আলম, মাওলানা মাশুক আহমদ, মাওলানা কামাল উদ্দিন, সাংবাদিক এহসানুল হক জসীম, কবি সরওয়ার ফারুকী। এসময় মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষক ও ছাত্রদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নাজমুস সাকিব,মুসলেহ উদ্দিন,এডভোকেট আবু সাদিক,মতিউর রহমান,ফয়েজ উদ্দিন সহ মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক এবং বিপুলসংখ্যক প্রাক্তন ছাত্র। 

বক্তারা মাদ্রাসার গৌরবময় ইতিহাস এবং শিক্ষা ও দ্বীনি খেদমতে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেন। তারা বলেন, জামেয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া ফাজিল মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে জ্ঞানচর্চা, নৈতিক শিক্ষা ও দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। মাদ্রাসার উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা আরও বেগবান করতে প্রাক্তন ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্র-শিক্ষকরা নিজেদের শিক্ষাজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী, শিক্ষক ও প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় অনেকের মধ্যে দেখা যায় আবেগঘন পরিবেশ। পুরোনো স্মৃতিচারণ আর পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে পুনর্মিলনী হয়ে ওঠে অত্যন্ত আনন্দমুখর।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদ্রাসার বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত সবাই অংশ নেন।

Friday, September 11

কানাইঘাটে মাস্টার নুরুল হোসেইন শিক্ষা ট্রাস্টের মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ

কানাইঘাটে মাস্টার নুরুল হোসেইন শিক্ষা ট্রাস্টের মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কানাইঘাটে মাস্টার নুরুল হোসেইন শিক্ষা ট্রাস্টের উদ্যোগে ৫ম মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় দক্ষিণ লক্ষীপ্রসাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। মাস্টার নুরুল হোসেইন শিক্ষা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাস্টার নুরুল হোসেইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন ট্রাস্টের সদস্য সচিব মাহবুব আলম বাবুল ও যুবনেতা ডালিম আহমদ। অনুষ্ঠানে মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে নগদ অর্থ ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও রাজনীতিবিদ প্রফেসর এম. ফরিদ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়চতুল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইসলাম উদ্দিন, কবি ও কলামিস্ট মিলন কান্তি দাস এবং মোহনা সাহিত্য সংসদের সভাপতি শিপুল আমিন চৌধুরী,ট্রাস্টের উপদেষ্টা কবির হোসেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলাম,সিলেট মহানগর ফুলকুড়ি আসরের সভাপতি আব্দুস সবুর,শিক্ষক শামিম আহমদ, আবুল কালাম,স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি সাইদুর রহমান, রণজিত রাম দাসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মুস্তাকিম আল রাফি। 

বক্তারা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে পরিবার, শিক্ষক ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মাস্টার নুরুল হোসেইন শিক্ষা ট্রাস্টের এ মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করে অতিথিবৃন্দ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।