Showing posts with label কৃষি বার্তা. Show all posts
Showing posts with label কৃষি বার্তা. Show all posts

Friday, July 17

কানাইঘাটে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু

কানাইঘাটে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে উপজেলার বড়চতুল ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ব্লকে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ চলবে।

এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বড়চতুল ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে মিলনায়তনে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন বড়চতুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালিক চৌধুরী। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মোহাম্মদ আব্দুল হাসানের প্রতিনিধি ও জেলা খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শিব্বির আহমদ, বড়চতুল ইউনিয়ন খেলাফত মজলিসের সভাপতি মামুন আহমদ, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শামীম আহমদ বাদল, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল পরিচয় তৈরি করা হবে। এর ফলে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষি যন্ত্রপাতি ও সেচ সুবিধা, কৃষি বীমা, কৃষিপণ্যের বাজার সংক্রান্ত তথ্য, প্রশিক্ষণ এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়া ও ফসলের রোগবালাই বিষয়ক তথ্য পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ সুবিধার আওতায় শুধু ফসল চাষিরাই নন, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ খামারিরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন। অবহিতকরণ সভায় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে উপজেলার একমাত্র বড়চতুল ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে কৃষক কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

কৃষক কার্ড চালু হলে সরকারি কৃষিসেবা আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে এবং প্রকৃত কৃষকেরা সরাসরি এর সুফল ভোগ করতে পারবেন। তারা আরও বলেন, কৃষকের ডিজিটাল পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার ফলে সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দ্রুত এবং সঠিকভাবে প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। আগামী শনিবার থেকে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্লকের সব কৃষককে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিক তথ্য দিয়ে নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে। প্রথম ধাপে বড়চতুল ইউনিয়নের ওই ব্লকে প্রায় ১ হাজার ৬৫০ জন কৃষককে নিবন্ধনের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে নিবন্ধনকালে কৃষকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাদেরও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।


Monday, June 29

কানাইঘাটে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

কানাইঘাটে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের কানাইঘাটে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল (পিএফএস) কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ১২টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

কংগ্রেসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণীরা অংশগ্রহণ করেন। পার্টনার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত পিএফএসের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকদের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রশিক্ষণবঞ্চিত কৃষকদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি নতুন উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি এবং কৃষিপণ্যের মূল্য শৃঙ্খল গড়ে তোলার বিষয়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহদী হাসান শাকিলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শামসুজ্জামান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ রায়।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার শাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন এবং উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি আমানুর রশিদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও কৃষক প্রতিনিধিরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সিলেট অঞ্চলের মাটি কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হলেও প্রতিবছর হাজার হাজার হেক্টর জমি অনাবাদী পড়ে থাকে। ফলে খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে এ অঞ্চল এখনও কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। অনাবাদী জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যেই সরকারের উদ্যোগে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসের মতো কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।



Monday, April 13

কানাইঘাটে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

কানাইঘাটে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সরকারিভাবে বিনামূল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এ প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান শাকিল।

এ সময় উপজেলার ১৪ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে জনপ্রতি ৫ কেজি করে আউশ ধানের বীজ এবং ২০ কেজি করে সার বিতরণ করা হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে দেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষকদের উন্নয়ন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে নানা প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রাপ্ত বীজ ও সার সঠিকভাবে ব্যবহার করে উপজেলার সব কৃষি উপযোগী জমিকে চাষের আওতায় আনতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ রায়সহ মাঠপর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।



Wednesday, June 25

কানাইঘাটে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

কানাইঘাটে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক ::

কানাইঘাটে আধুনিক, বিষমুক্ত ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি উন্নয়নে “পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস” অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বুধবার(২৬ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই কংগ্রেসের আয়োজন করা হয়। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এবং ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ' প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই কংগ্রেসে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনের রূপরেখা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আক্তারের সভাপতিত্বে ও সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শষ্য) দেবল সরকারের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সিলেট কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক মোস্তফা ইকবাল আজাদ। 

শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি অফিসার বিশ্বজিত রায়। বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ জিলানী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী পনিরুজ্জামান। 

উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ, সাংবাদিক আব্দুন নুর, মুমিন রশিদ, আমিনুল ইসলাম, সুজন চন্দ অনুপ। বক্তব্য রাখেন, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, কৃষি উদ্যক্তা রহমত উল্লাহ, ফয়জুল হাসান, স্বপ্না রানী দাস প্রমুখ। এছাড়াও পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসের সদস্যগণ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Tuesday, December 3

কানাইঘাটে সোনালি ধানের ঘ্রাণে মাতোয়ারা কৃষক

কানাইঘাটে সোনালি ধানের ঘ্রাণে মাতোয়ারা কৃষক


মাহবুবুর রশিদ:

কানাইঘাটের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন শোভা পাচ্ছে আমনের সোনালী ধান। যতদূর চোখ যায় শুধু সোনালী ফসলের সমারোহ। মাঝেমধ্যে বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ-সবুজের ধানের শীষ। পাকা ধানের মৌ-মৌ গন্ধে মাতোয়ারা চারপাশের ফসলী মাঠ। মাঠজুড়ে মনের আনন্দে কৃষকরা আমন ধান কাটতে শুরু করেছেন। সোনালী ফসল ঘরে তুলতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। আমন ধানের ফলন ভালো হওয়ায় কানাইঘাটের কৃষকের মুখে সাফল্যের হাসি ফুটেছে।

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,মাঠে মাঠে কৃষকেরা মনের আনন্দে গান গেয়ে ধান কাটছেন, কেউ আবার ধান মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত। কৃষাণীরাও ধান রাখার জন্য মাঠ সাজাতে ব্যস্ত রয়েছেন। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই কারো। কোনো কোনো জায়গায় হারভেস্টার মেশিন দিয়েও ধান কাটতে দেখা গেছে। ইদানীং ধান মাড়াই কলের কদরও বেড়েছে বেশ। কেউ ধান দিয়ে আবার কেউ টাকার বিনিময়ে মাড়াই কল ভাড়া করছেন। 

তবে এ বছর আমন ধানের ফলন ভালো হলেও ধান কাটার শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে বেশ কয়েকজন কৃষক জানান। ধানকাটা শ্রমিকের মজুরি বেশি হওয়ায় কেউ কেউ পরিবারের লোকজন নিয়েই জমির ধান কাটছেন।
 
উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা সোনালী আমন ধানের ফসল সঠিকভাবে যাতে করে কৃষকরা ঘরে তুলতে পারেন এজন্য তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। 

কানাইঘাট পৌরসভার ধর্মপুর গ্রামের জাহিদ হাসান নামের একজন চাষী বলেন,'তিনি ৬ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন,ভালো ফলন হয়েছে এতে তিনি সন্তুষ্ট।'

পৌরসভার কান্দিগ্রামের দিলদার আহমদ শিবলু নামের আরেক চাষী বলেন''অন্য বছরের তুলনায় আমন ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে।'

কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিশ্বজিত রায় জানান,‘চলতি বছরে প্রকৃতি ও আবহাওয়া অনুকূল থাকায় কানাইঘাট উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করা যাচ্ছে। এবছর ১৫,৬৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন আমাদের কৃষক ভাইয়েরা। কৃষকরা যাতে করে তাদের পাকা ধান নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে পারেন এ জন্য কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।' 


Monday, October 30

কানাইঘাটে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

কানাইঘাটে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক::

কৃষি কর্মসূচি প্রণোদনার আওতায় ক্ষুদ্র-প্রান্তিক ও উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন তহবিলের অর্থায়নে কানাইঘাটে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সরিষা বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের সামনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বীজ ও সার বিতরণের শুভ উদ্বোধন করেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা নাসরীনের সভাপতিত্বে ও কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় সরিষা, ভুট্টা, চিনাবাদাম, মুগ, পেঁয়াজ, সূর্যমুখী, গম ও মসুর উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ২ হাজার ৪৩৫ জন কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।

এছাড়াও রবি মৌসুমে উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল (এডিপি) এর অর্থায়নে সরিষা উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে ২’শ জন কৃষকের মাঝে অনুরূপ বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। এসব বীজ ও সার ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।


সার ও বীজ বিতরণকালে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জামাল উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা বেগম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম হারুন, লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান মাও. জামাল উদ্দিন, দিঘীরপাড় পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ।

Monday, June 19

কানাইঘাটে বিনামূল্যে সার-বীজ পেল ৮৫০ জন কৃষক

কানাইঘাটে বিনামূল্যে সার-বীজ পেল ৮৫০ জন কৃষক


নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের কানাইঘাটে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার(১৯ জুন) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২২-২৩ অর্থবছরে খরিপ-২/২০২৩-২৪ মৌসুমে আমন প্রনোদনা কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে এ বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জির সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হায়দার আলীর পরিচালনায় বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমদাদুল হক, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা বেগম, কানাইঘাট সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক আফসার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন। বিপুল সংখ্যক কৃষকদের উপস্থিতিতে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধনকালে উপজেলা চেয়ারম্যান মুমিন চৌধুরী ও নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি বলেন, বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারনে দেশে কৃষি বিপ্লব ঘটেছে। সরকার সারাদেশের লক্ষ লক্ষ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহ অন্যান্য কৃষি সামগ্রী ও কৃষি প্রণোদনা দেয়ার কারনে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণতা অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের কল্যাণে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় কৃষকরা প্রণোদনা পেয়ে উন্নত জাতের ধানের বীজ আবাদ করে অধিক ফসল উৎপাদন করে স্বাবলম্বি হচ্ছেন। বিনামূল্যে বীজ ও সারের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে আগামী আমন মৌসুমে কানাইঘাট উপজেলার সকল কৃষি জমিগুলো চাষাবাদের আওতায় নিয়ে আসার জন্য তারা কৃষকদের প্রতি আহবান জানান। 

অনুষ্ঠান শেষে উপজেলার ৮৫০ জন প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ৫ কেজি করে উন্নত ফলনশীল আমন ধানের বীজ ও ২০ কেজি করে সার বিতরণের উদ্বোধন করা হয়। 


Friday, December 2

কানাইঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

কানাইঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি




মাহবুবুর রশিদঃ

কানাইঘাটের বির্স্তীণ ফসলের মাঠ জুড়ে এখন শোভা পাচ্ছে আমনের সোনালী ধান। যতদূর চোখ যায় শুধু সোনালী ফসলের সমারোহ। মাঝেমধ্যে বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ-সবুজের ধানের শীষ। চারিদিকে ভেসে আসছে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ। চলতি বছরের বন্যায় আউশ ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পর কৃষকরা নতুন করে স্বপ্ন দেখেন ঘুরে দাঁড়ানোর। আমন ধান চাষ করে সফল হয়েছেন চাষীরা। ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে সাফল্যের হাসি ফুটেছে। তাঁরা এখন আনন্দে ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,মাঠে মাঠে কৃষকেরা মনের আনন্দে গান গেয়ে ধান কাটছেন, কেউ আবার ধান মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত। কৃষাণীরাও ধান রাখার জন্য মাঠ সাজাতে ব্যস্ত রয়েছেন। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই কারো। কোনো কোনো জায়গায় হারভেস্টার মেশিন দিয়েও ধান কাটতে দেখা গেছে। ইদানীং ধান মাড়াই কলের কদরও বেড়েছে বেশ। তবে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে জমি আবাদ বেশি হওয়ায় ধান কাটা শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে বেশ কয়েকজন কৃষক জানান। উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা সোনালী আমন ধানের ফসল সঠিকভাবে যাতে করে কৃষকরা ঘরে তুলতে পারেন এজন্য তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। 

কানাইঘাট পৌরসভার শিবনগর গ্রামের সালমান আহমদ নামের একজন চাষি বলেন,‘অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এবছর আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে,এতে আমি খুশি’।

সদর ইউনিয়নের গোসাইনপুর  গ্রামের সেলিম উদ্দিন নামের আরেক কৃষক বলেন,‘অনুকূল আবহাওয়া ও ধানের রোগবালাই কম থাকায় অন্য বছরের তুলনায় আমন ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে’। 

কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.এমদাদুল হক জানান,‘চলতি বছরের বন্যায় আউশ ধানের ক্ষতি হলেও এবছর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় আমন ধানের রেকর্ড বাম্পার ফলন উৎপাদন হয়েছে। উপজেলায় আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫৬১৭ হেক্টর, সে লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে আমাদের কৃষক ভাইরা ১৫৬২০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন। কৃষকরা যাতে করে তাদের পাকা ধান নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে পারেন এ জন্য কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে’। 




Thursday, November 24

কানাইঘাটে কৃষকের মাঝে সার ও ধানের বীজ বিতরণ

কানাইঘাটে কৃষকের মাঝে সার ও ধানের বীজ বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক: 

২০২২-২৩ অর্থবছরে রবি মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কানাইঘাটে বিনামূল্যে হাইব্রিড বীজ সহায়তা এবং উফশী বোরোধান বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। 

কানাইঘাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের আয়োজনে বৃহস্পতিবার(২৪ নভেম্বর)  দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জির সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল হারিছের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমদাদুল হক, বক্তব্য দেন সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি  এম.এ হান্নান, শিক্ষা কর্মকর্তা গোপাল চন্দ্র সূত্রধর, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আব্দুন নুর, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সাতবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান আবু তায়্যিব শামীম, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান মাও. জামাল উদ্দিন, দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন প্রমুখ। 

বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, কৃষি বান্ধব বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারনে কৃষি সেক্টরের বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। দেশের উন্নয়নের চালিকা শক্তি কৃষকরা যাতে করে কম জমিতে বেশি ফলন উৎপাদন করতে পারেন এজন্য নতুন নতুন ধানের জাত ও বীজ উদ্ভাবন হচ্ছে। দেশের লক্ষ লক্ষ কৃষকদের মাঝে সরকারি ভাবে বিনামূল্যে ধান সহ সবজাতের বীজ ও সার বিতরণ করার পাশাপাশি কৃষি প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।

কানাইঘাটে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা যাতে করে তাদের জমিতে বোরো ধান উৎপাদন করতে পারেন এজন্য উপজেলার ৩ হাজার ৭’শ জন কৃষককে উন্নত জাতের হাইব্রীড ও ২ হাজার ১’শ ৫০ জন কৃষকদের মাঝে উফশী বোরোধান বীজ এবং জনপ্রতি ২০ কেজি করে সার দেয়া হচ্ছে। 

এসব বীজ ও সার কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃষকদের প্রতি উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি আহবান জানান। 

বীজ ও সার বিতরণ শেষে কৃষি প্রণোদনার আওতায় ধান কাটা ও ধান রোপনের দু’টি উন্নতজাতের মেশিন বিতরণ করা হয়।

Monday, November 14

কানাইঘাটে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

কানাইঘাটে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কানাইঘাটে ২০২২-২৩ মৌসুমে বিগত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে রবি শস্য (গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, শীতকালীন পেয়াঁজ, মুগ, মশুর) আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। 

সোমবার(১৪ নভেম্বর)  বিকেল ৪টায় উপজেলা সভা কক্ষে কানাইঘাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে শীতকালীন সবজি বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী। 

নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জির সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী এমদাদুুল হকের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব সরকার। বিগত ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সিলেট অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা যাতে করে তাদের সকল ফসলি জমিতে ধানের পাশাপাশি রবি শস্য ফলিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে এজন্য সরকার বিনামূল্যে সব ধরনের বীজ ও সার বিতরণ করছে। এতে করে কানাইঘাটের কয়েক’শ কৃষক নিজেরা স্বাবলম্বি হওয়ার পাশাপাশি খাদ্য শস্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করবেন। তিনি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের এসব বীজ ও সার যথাযথ ব্যবহার করার জন্য আহবান জানান। 

অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগী কৃষকদের হাতে এসব বীজ ও সার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বারের আইনজীবি সেলিম উদ্দিন, বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, ইতিমধ্যে হাজারো কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন জাতের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২-২৩ মৌসুমে উপজেলার আরো ২২৫০ জন কৃষককে রবি শস্য ও জনপ্রতি ২০ কেজি করে সার এবং ১৮৫০ জন কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন জাতের সবজি বীজ বিতরণ করা হয়েছে। 



Monday, November 7

প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনতে হবে -কানাইঘাটে জেলা প্রশাসক

প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনতে হবে -কানাইঘাটে জেলা প্রশাসক


নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবর রহমান বলেছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করতে সিলেটের প্রতি ইঞ্চি জমিতে খাদ্য শস্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিনামূল্যে সার, ধান ও তৈল জাতীয় বীজ প্রদান সহ প্রনোদনা দেয়া হচ্ছে। 

তিনি আরো বলেন, আমন ধান কাটার পরে সিলেট অঞ্চলে হাজার হাজার একর অনাবাদী জমি পড়ে থাকে, এসব জমিতে বুরো ধান লাগানো সহ সব ধরনের শাক-সবজি ও তৈল জাতীয় খাদ্য শস্য উৎপাদনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। 

জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান  সোমবার(৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারন অফিসের উদ্যোগে আয়োজিত উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক সমাবেশ ও সরিষা বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জির সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার হায়দার আলীর পরিচালনায় উপজেলার তিন শতাধিক কৃষকের মধ্যে ২ কেজি করে সরিষার বীজ বিতরণকালে জেলা প্রশাসক আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন করার পর দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ করার লক্ষ্যে সবুজ বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন। তারই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী নেতৃত্বের কারনে দেশে কৃষি বিপ্লবের সূচনার মধ্য দিয়ে আজ খাদ্য উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।

কৃষক সমাবেশ ও সরিষা বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল্লাহ শাকির, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনমুন নাহার আশা, সিলেট বিএডিসি’র উপ সহকারী কৃষি প্রকৌশলী আব্দুল কুদ্দুস, কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলাম পিপিএম। বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী এমদাদুল হক, বীরমুক্তিযোদ্ধা সুবেদার আফতাব উদ্দিন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সাতবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান আবু তায়্যিব শামীম, কৃষক সুয়েব আহমদ। কানাইঘাটে ধান, খাদ্য শস্য উৎপাদন বাড়াতে জনপ্রতিনিধি ও কৃষকরা সুরমা ডাইক মেরামত, অনাবাদী জমি কৃষি ক্ষেতের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সেচ ব্যবস্থাকরণ সহ বিভিন্ন দাবী-দাওয়া জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবর রহমানের কাছে তুলে ধরলে তিনি কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান। 

কৃষক সমাবেশের আগে জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান কানাইঘাট পৌরসভার রামপুর গ্রামে সরকার কর্তৃক দেয়া ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘর, কানাইঘাট থানা পরিদর্শন করেন। এছাড়াও তিনি উপজেলা প্রশাসন চত্ত্বরে নির্মিত আনসার ভিডিপি ব্যারাকের উদ্বোধন করেন। 

 


Thursday, October 13

কানাইঘাটে অসময়ে তরমুজ চাষে আশিকের বাজিমাত

কানাইঘাটে অসময়ে তরমুজ চাষে আশিকের বাজিমাত

 



মাহবুবুর রশিদ:

সিলেটের কানাইঘাটে অসময়ে তরমুজ চাষ করে বাজিমাত করেছেন আশিকুর রহমান নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি ইউটিউব দেখে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন তিনি। 

আশিকের বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের বাউরবাগ পশ্চিম গ্রামে। তিনি গাছবাড়ী জামিউল উলুম কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী।

আশিকুর রহমান জানান,গত বছর পরীক্ষামূলক অল্প জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করেন তিনি । লাভজনক হওয়ায় এ বছর দ্বিগুণ জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি। তরমুজ চাষে তাঁর এ সফলতার খবর এখন এলাকার মানুষের মুখে মুখে। একই মাঠে তিনি চাষ করেছেন  ‘ব্ল্যাক সুইট ’ ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ ‘ইওলো গোল্ড’ ও ‘পাকিজা’ জাতের তরমুজ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশের খুঁটি ওপরে চিকন দড়ি দিয়ে জালের মতো তৈরি করা হয়েছে মাচা। মাচায় ঝুলছে চার রঙের তরমুজ। সাদা জালি ব্যাগ দিয়ে রশিতে বেঁধে রাখা রয়েছে প্রতিটি তরমুজ। কিছু তরমুজ পরিপক্ক হওয়ায় বিক্রির উদ্দেশ্যে আলাদা করে কেটে রাখছেন বাগানের মালিক আশিক।

আশিকুর রহমান বলেন, 'মালচিং পেপারের দাম অনেক বেশি । তরমুজের বীজসহ সবমিলিয়ে তার খরচ পড়েছে ৩৫ হাজার টাকা। ১৬ শতক জমি বর্গা নিয়ে তরমুজ চাষ করছেি'। ব্যাপক আকারে তরমুজের চাষাবাদ করতে তিনি উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতা চান। নিজস্ব জমি থাকলে আরও বেশি জায়গা নিয়ে তরমুজ চাষ করতে পারতেন বলেও জানান আশিক।'

মালচিং পদ্ধতিতে আশিকের তরমুজ বাগান দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন গ্রাম থেকে ছুটে আসছেন লোকজন। কারণ,এ অঞ্চলে নতুন এ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ আশিকুর রহমানই প্রথম শুরু করেন। তরমুজ চাষ ছাড়াও মালচিং পদ্ধতিতে এবছর শষাও চাষ করছেন এই তরুণ। নিজের পাশাপাশি এই কাজে অন্যদেরও আগ্রহী করার চেষ্টায় এই তরুণ উদ্যেক্তা। নতুন পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে সফল হওয়ায় আশিকের পরিবারের লোকজনও খুশি।

আশিকের বাবা ইলিয়াস আলী বলেন,‘আমরা সবসময় বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করি। আমার ছেলে পড়াশোনার পাশাপাশি সবজি চাষে আমাকে সহযোগিতা করে। সে নতুন পদ্ধতিতে তরমুজ ও শষা চাষ করছে, এতে আমরা পরিবারের সবাই খুশি।’

মালচিং পদ্ধতির সুবিধা সম্পর্কে আশিক বলেন, 'এ পদ্ধতিতে প্রথমে মালচিং পলিথিন দিয়ে বীজতলা নির্মাণ করা হয়। এরপর মালচিং পেপারে মুড়িয়ে বীজ জমিতে রোপণ করা হয়। এবার বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার পর মালচিং পেপার ছিদ্র করে দেওয়া হয়। যেহেতু বীজগুলো পলিথিন দিয়ে মোড়ানো থাকে, তাই কোনো কীটপতঙ্গ আক্রমণ করতে পারে না। ফলে কীটনাশক ব্যবহারেরও প্রয়োজন হয় না। মালচিং পেপারে বীজতলায় সূর্যের তাপ কম লাগে,ফলে বীজতলার জায়গা ঠান্ডা থাকে। সাধারণ এ পদ্ধতিতে গাছ তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠে,ফলনও ভালো হয়।'

সম্প্রতি আশিকের তরমুজ বাগান পরিদর্শনে যান কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.এমদাদুল হক। তিনি বলেন,' মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে ওই শিক্ষার্থীর খোঁজখবর আমরা শুরু থেকেই নিচ্ছি ।  কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সব ধরনের সহায়তাও দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।'


Wednesday, June 1

 মুন্সিগঞ্জের সবজি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে

মুন্সিগঞ্জের সবজি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে


 

মুন্সিগঞ্জের উৎপাদিত সবজি গত কয়েক বছরের মতো এবারও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি শুরু হয়েছে। ঢাকা থেকে পাইকাররা এসে জেলার বিভিন্ন আড়ত থেকে বিষমুক্ত সবজি কিনে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতারসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছেন।

এ ছাড়া মুন্সিগঞ্জে উৎপাদিত হাজারো মণ সবজি প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে ঢাকার কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, পিরোজপুর, বরিশালসহ অন্যান্য জেলায়।

 

 

সদররের আড়তদাররা জানান, এবার মুন্সিগঞ্জের সদর ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে চাষ হয়েছে করলা, উস্তা, চিচিঙ্গা, লাউ, চালকুমড়া, ধুন্দলসহ বিভিন্ন সবজি। ঢাকা থেকে পাইকরারা এসে এবার এসব সবজি কিনে নিয়ে বিদেশে পাঠাচ্ছেন।

এবার মুন্সিগঞ্জের বাজারে সবজির সরবারহ বেড়েছে। এতে দামও কমেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি সবজিতে কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা। মুন্সিগঞ্জের আড়তগুলোতে এখন প্রতি কেজি করলা ২০ টাকা, চিচিঙ্গা, ধুন্দল মাত্র ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে অসময়ে সিলেটসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যার পানিতে মুন্সিগঞ্জের কৃষিজমিগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এতে কৃষকের অনেক সবজি তলিয়ে যাচ্ছে। তাই উৎকণ্ঠায় রয়েছেন কৃষকরা। একদিকে বাজারে প্রচুর সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে, অন্যদিকে বন্যার পানিতে কৃষিজমি প্লাবিত হতে শুরু করায় তারা অনেকে নিচু জমির অপরিপক্ব সবজিও কেটে বিক্রির জন্যও নিয়ে এসেছেন বাজারে।

মুন্সিগঞ্জের বজ্রযোগিনী, রামপাল, মহাখালী, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সোনারং-টঙ্গিবাড়ী, আবদুল্লাহপুর ইউনিয়ন ও তার আশপাশের জমিগুলোতে প্রতি বছর এ মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে চাষ হয় করলা, কহি, ধুন্দল, লাউ, চালকুমড়া, ঝিঙা, বেগুনসহ অন্যান্য সবজি। কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে এখানকার বেশ কিছু কৃষক সমন্বিত বালাইনাশকের মাধ্যমে জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ না করে ও ফাঁদ পেতে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করছেন। যে কারণে উৎপাদন বেড়েছে।

 

 

সরেজমিনে মুন্সিগঞ্জের বজ্রযোগিনী বাজার ও বটতলা বাজরের সবজির আড়তগুলোয় দেখা যায়, আড়তগুলো সবজিতে ভরে আছে। পাইকারদের হাঁকডাকে মুখর দুটি বাজার। শত শত মণ সবজি রয়েছে আড়তগুলোয়। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা এখান থেকে সবজি কিনছেন।

 

 

বজ্রযোগীনি বাজারের আক্তার ট্রেড্রার্সের মালিক আক্তার হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার আড়তে সাপ্লাইয়ের গাড়ি আসে। এখান থেকে প্যাকিং করে সরাসরি বিমানবন্দরে চলে যায়। ব্যবসায়ীরা এ সবজি দুবাই পাঠান। তিনি আরও বলেন, শুধু আমার আড়তেই এই মৌসুমে প্রতিদিন এক হাজার মণের ওপরে সবজি বিক্রি হয়েছে। তবে এ বছর সবজির দাম কিছুটা কম।

অপর ব্যবসায়ী ইউসুফ সেখ বলেন, আমরা কৃষকের বিষমুক্ত সবজি আনি। আমাদের বাজারের সবজি দুবাই, কাতার, কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে যায়। আবার দেশের মধ্যে ময়মনসিংহ, বরিশাল, রংপুর, দিনাজপুর, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ঢাকা, গাজীপুরের বিভিন্ন আড়তে যায়।

বজ্রযোগিনী এলাকার কৃষক সুমন বলেন, ৭ গন্ডা (৪৯) শতাংশ জমিতে সবজি চাষ করছি। ৪০ হাজার টাকা খরচ হইছে। এ পর্যন্ত ১৭/১৮ হাজার টাকা বিক্রি করছি। কিন্তু সিলেটের বন্যায় জমি তলিয়ে যাচ্ছে। এখন তো সবই লস হইব। যদি বন্যা না হইত, তাহলে এবার আরও লাভবান হইতাম।

কৃষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সার, বীজ, কীটনাশকের দাম বাজারে বেশি। তবে সবজির দাম নেই। তার ওপর সিলেটের বন্যায় আমাদের সবজি সব তলিয়ে যাচ্ছে। আমরা এখন একেবারে নিরুপায় হয়ে পড়েছি। সহযোগিতা পেলে আরও সবজি উৎপাদন করতে পারব।

মুন্সিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচারক মো. খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের তত্ত্বাবধানে একটি প্রকল্পের আওতায় ওই এলাকার কৃষকরা বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত শতভাগ বিষমুক্ত সবজি উৎপাদিত হয়নি। তবে আমাদের পক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপাদিত সবজি দেশের অন্যান্য এলাকার সবজির তুলনায় গুণগতমান ভালো। আমাদের তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত সবজি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়।

কৃষকের জমি আগাম পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, মানুষ খাল-বিল ভরাট করে পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা বন্ধ করে যত্রতত্র হাউজিং প্লট তৈরি করছে। ফলে পানি নামতে পারছে না। এ কারণে অসময়ে কৃষকের জমি তলিয়ে যাচ্ছে।

Wednesday, November 24

কানাইঘাটে ‘মালচিং’ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে সফল  আশিক

কানাইঘাটে ‘মালচিং’ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে সফল আশিক



মাহবুবুর রশিদ::


সিলেটের কানাইঘাটে ইউটিউব দেখে মালচিং পদ্ধতিতে ‘ব্ল্যাক সুইট তরমুজ’ চাষে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছেন আশিকুর রহমান নামের এক মাদরাসা শিক্ষার্থী। তরমুজ চাষে তাঁর এ সফলতার খবর এখন এলাকার মানুষের মুখে মুখে। কারণ মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের খবর এর আগে কানাইঘাটে কোথাও শোনা যায়নি।

আশিকুর রহমান উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের বাউরবাগ পশ্চিম গ্রামের ইলিয়াস আলীর ছেলে। তিনি গাছবাড়ী জামিউল উলুম কামিল মাদরাসা ফাজিল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করেছেন এই তরুণ। সম্প্রতি মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তরমুজ বাগানে পরিচর্যায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন আশিকুর রহমান। মাত্র ১৪ শতক জমি বর্গা নিয়ে তরমুজ চাষ শুরু করেন। এখন তার জমিতে ছোট ছোট মাচায় ঝুলছে কালো রঙের তরমুজ। সাদা জালি ব্যাগ দিয়ে রশিতে বেঁধে রাখা রয়েছে প্রতিটি তরমুজ। তরমুজ বাগানের মাঝে মাঝে চাষ করেছেন শষাও। আর ক’দিন পর তরমুজগুলো বিক্রি শুরু করবেন । মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের এ বাগান দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন গ্রাম থেকে ছুটে আসছেন লোকজন।  

তরমুজ চাষি শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমি কৃষক পরিবারের সন্তান। লেখাপড়ার পাশাপাশি বাড়িতে বসে না থেকে বাবাকেও কৃষি কাজে সাহায্য করি। করোনাকালে হঠাৎ ইউটিউবে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের ভিডিও দেখে আমি এ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হই। অনেকটা শখের বসে তরমুজ চাষ করে সফল হয়েছেন আশিক।

আশিকুর রহমান বলেন, মালচিং পেপারের দাম অনেক বেশি । তরমুজের বীজসহ সবমিলিয়ে তার খরচ পড়েছে ২৫ হাজার টাকা। ব্যাপক আকারে তরমুজের চাষাবাদ করতে তিনি উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতা চান। নিজস্ব জমি থাকলে আরও বেশি জায়গা নিয়ে তরমুজ চাষ করতে পারতেন বলে  জানান আশিক।

আশিকের বাবা ইলিয়াস আলী বলেন,‘আমরা বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করি। নতুন পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে আমি খুবই খুশি।’

মালচিং পদ্ধতির সুবিধা সম্পর্কে আশিক বলেন, এ পদ্ধতিতে প্রথমে মালচিং পলিথিন দিয়ে বীজতলা নির্মাণ করা হয়। এরপর মালচিং পেপারে মুড়িয়ে বীজ জমিতে রোপণ করা হয়। এবার বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার পর মালচিং পেপার ছিদ্র করে দেওয়া হয়। যেহেতু বীজগুলো পলিথিন দিয়ে মোড়ানো থাকে, তাই কোনো কীটপতঙ্গ আক্রমণ করতে পারে না। ফলে কীটনাশক ব্যবহারেরও প্রয়োজন হয় না। মালচিং পেপারে বীজতলায় সূর্যের তাপ কম লাগে,ফলে বীজতলার জায়গা ঠান্ডা থাকে। সাধারণ এ পদ্ধতিতে গাছ তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠে,ফলনও ভালো হয়।

কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো.এমদাদুল হক বলেন,‘আমরা মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে ওই শিক্ষার্থীর সফল হওয়ার খবরটি জেনেছি। এ পদ্ধতি আমাদের এখানে একেবারে নতুন একটি বিষয়। দুই একদিনের মধ্যে আমি বাগানটি পরিদর্শনে যাব। ওই শিক্ষার্থীকে যতটা সম্ভব সহযোগিতার চেষ্টা করব।



Wednesday, June 30

কানাইঘাটে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

কানাইঘাটে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কানাইঘাটে  সরকারিভাবে   কৃষকদের   মাঝে   বিনামূল্যে   আউশ ধানের বীজ, সার বিতরণ করা হয়েছে। 

বুধবার সকাল সাড়ে১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষি অফিসের আয়োজনে২০২০-২১ মৌসুমে রোপা আমন ধানের প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায়   উপজেলার   ৩৮০   জন   কৃষকের   মাঝে   বীজ   ও   সার   বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন কালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমিন   চৌধুরী   বলেন,   বর্তমান   সরকার   দেশকে   খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণ  করতে   কৃষি   প্রণোদনার   উপর   সর্বোচ্চ   বরাদ্ধ দিয়েছে, যার কারনে দেশের চালিকা শক্তি কৃষক সমাজ সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বিভিন্ন জাতের সার, বীজ, কিটনাশক সহ কৃষি প্রণোদনা পেয়ে ধান সহ সব ধরনের ফসলের উৎপাদন বাড়াতে সক্ষম   হয়েছেন।

কানাইঘাটে   আউশ   ,   আমন,   বুরো   ধান   সহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন আরো বাড়াতে কৃষকদের প্রতি তিনি আহবান জানান। এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানবীর আহমদ সরকার সহ মাঠ পর্যায়ে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা কৃষকের পাশে থেকে ফসলে উৎপাদন বাড়াতে ভূমিকা রাখায় তাদের কাজের প্রতি   প্রশংসা   করেন   ।   

নির্বাহী   কর্মকর্তা   সুমন্ত ব্যানার্জির সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানবীর আহমদ   সরকারের   পরিচালনায়   সার   ও   বীজ   বিতরণকালে   বিশেষ অতিথি   হিসাবে   উপস্থিত   ছিলেন   উপজেলা   আওয়ামী লীগের সভাপতি   পৌর   মেয়র   লুৎফুর   রহমান,   উপজেলা   ভাইস   চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল্লাহ শাকির, মহিলা  ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা বেগম,   কানাইঘাট   থানার   অফিসার   ইনচার্জ   তাজুল   ইসলাম পিপিএম সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ। 

কৃষি প্রণোদনার আওতায় উপজেলার ৩৮০ জন কৃষকের মধ্যে জন প্রতি ৫কেজি করে উফশি আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার, ১০কেজি   এমওপি   সার   বিতরণ   করা   হবে   বলে   কৃষি   কর্মকর্তা তানবীর আহমদ সরকার জানান।

Tuesday, June 8

কানাইঘাটে নির্মিত হচ্ছে ধানের সাইলো

কানাইঘাটে নির্মিত হচ্ছে ধানের সাইলো


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :

দেশব্যাপী কৃষকের ধান সংরক্ষণে সাইলো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সহজ হবে। কেননা কৃষকের কাছ থেকে সরকারি ধান ক্রয় করে ৫ হাজার টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন বিশিষ্ট এসব সাইলোতে সংরক্ষণ করবে সরকার। সারা দেশে ৩০টি এই বিশাল আকারের সাইলো নির্মাণে ব্যয় হবে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের কাজ শেষ হবে।


দেশের বিভিন্ন স্থানে ধান শুকানো, সংরক্ষণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ আধুনিক ধানের সাইলো নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পটি সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির অভিযোজন বলে মনে করা হচ্ছে। এসব সাইলোতে কীটনাশকবিহীন মজুদ ব্যবস্থার মাধ্যমে ২ থেকে ৩ বছর শস্যের পুষ্টিমান বজায় রাখা, আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মজুদ শস্যের মান নিয়ন্ত্রণ করা এবং নিরাপদ ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাদ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।


আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।


এসব সাইলো কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, টাঙ্গাইল সদর, ফরিদপুর সদর, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, জামালপুরের মেলান্দহ, শেরপুরের শ্রীবর্দী উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, নোয়াখালী সদর, কুমিল্লা সদর, দিনাজপুর সদর, বিরল, ঠাকুরগাঁও সদর, পঞ্চগড়ের বোদা, লালমনিরহাটের হাতিবান্দা, নওগাঁর শিবপুর, রানীনগর, পাবনার ঈশ্বরদী, বগুড়ার শেরপুর, নন্দীগ্রামে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল, সিলেটের কানাইঘাট, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, সুনামগঞ্জ সদর, নড়াইল সদর, কুষ্টিয়ার কুমারখালী, পটুয়াখালী সদর, কলাপাড়া, ভোলার চরফ্যাশন প্রকল্প এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Sunday, April 11

কানাইঘাটে ধান কাটা উৎসবের উদ্বোধন,  বাম্পার ফলনে খুশি কৃষকরা

কানাইঘাটে ধান কাটা উৎসবের উদ্বোধন, বাম্পার ফলনে খুশি কৃষকরা


নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় এ বছর রেকর্ড পরিমাণ বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা দারুন খুশি। 

উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে নিরাপদে ধান কেটে ফসল ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য মাঠে গিয়ে কৃষকদের নানা ভাবে পরার্মশ দিচ্ছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমদ সরকার। 

এদিকে,  বুধবার বিকেলের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাতবাঁক ইউনিয়নের  চাতল হাওরে   গিয়ে  বোরো ধান  কাটার উৎসবের   উদ্বোধন   করেন   উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি। এ সময় কাঁচি নিয়ে মাঠে গিয়ে কৃষকদের সাথে বোরো ধান কাটেন নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমদ সরকার, থানার অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলাম পিপিএম,   সাতবাঁক   ইউনিয়ন   পরিষদের   চেয়ারম্যান   আব্দুল   মান্নান,   দিঘিরপার ইউনিয়ন   পরিষদের   চেয়ারম্যান   আলী   হোসেন   কাজল   সহ   বিভিন্ন   দপ্তরের   সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।  

ধান   কাটার উৎসবের সময় নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি   বলেন,  করোনাকালীন  সময়ে  দেশের চালিকা  শক্তি  কৃষক সমাজ মাঠে গিয়ে খাদ্যের উৎপাদন বাড়িয়েছেন। যার কারণো আমার খাদ্যের সংকটে পড়িনি।সরকারের নানা মুখী পরিকল্পনা ও কৃষকদের বিভিন্ন উন্নত জাতের বোরো ধানের বীজ প্রদান সহ কৃষি প্রনোদনা দিয়ে সহযোগিতা করার কারণে এ বছর সারাদেশে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে ফসল তাড়াতাড়ি ঘরে তোলার জন্য তিনি কৃষকদের প্রতি আহবান জানান। 

কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমদ সরকার জানান, এ বছর কানাইঘাট উপজেলায়  রেকর্ড পরিমাণ ৬  হাজার ২০০ হেক্টর  জমিতে উন্নতজাতের বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে মাঠ পর্যায়ে ফসলের তদারকী সহ কৃষকরা উন্নতজাতের হাইব্রিড ধান আবাদ করায় ফলন বাম্পার হয়েছে। কৃষকরা যাতে করে ধান পাকার সাথে সাথে কম খরচে ঘরে তুলতে পারেন এজন্য ধান কাটার যান্ত্রিক বাহন ব্যবহার কারার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

Tuesday, April 6

কানাইঘাটে ধান কাটার আধুনিক ৩টি মেশিন কৃষকের মাঝে হস্তান্তর

কানাইঘাটে ধান কাটার আধুনিক ৩টি মেশিন কৃষকের মাঝে হস্তান্তর

 


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কানাইঘাটে সরকারি ভর্তুকীর মাধ্যমে ৩ জন কৃষকের মাঝে আধুনিক ধান কাটা ও ধান মাড়াইয়ের মেশিন হস্তান্তর করা হয়েছে। 

উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে মঙ্গলবার দুুপুর ১২ টার দিকে আলিম ইন্ডাস্ট্রীজের ২২ লক্ষ ২৫হাজার টাকা মূল্যের ধান কাটা ও মাড়াইয়ের আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ হারভেস্টার মেশিন ও ধান কাটার কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার মেশিন হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমিন চৌধুরী, নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি বলেন, সরকার কৃষকদের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যাতে করে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান কম খরচে ঘরে তুলতে পারেন। এজন্য সরকার প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার কৃষি মেশিনারী যন্ত্রপাতি কিনে ভর্তুকীর মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মেশিন প্রদান করছে। এতে করে কৃষকরা অনেক সুফল পাবেন এবং শ্রমিক ছাড়াই মেশিনের মাধ্যমে কম সময়ের মধ্যে কানাইঘাটের কৃষকরা ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তুলতে পরবেন।

কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমদ সরকার বলেন, সাতবাঁক ইউপির আবুল কালামকে ১৪ লক্ষ টাকা সরকারী ভাবে ভর্তুকী দিয়ে ২২ লক্ষ টাকা মূল্যের হারভেস্টার মেশিন প্রদান করা হয়েছে। এ মেশিনের সাহায্যে ঘন্টায় ১ একর জমির ধান কাটা সহ ২০ মন ধান ঘণ্টায় মজুদ করা যাবে। ৩টি কৃষি যন্ত্রপাতি মেশিন বিতরণের মাধ্যমে উপকৃত হবেন এলাকার সর্বস্তরের কৃষকরা এবং পর্যায়ক্রমে প্রতিটি এলাকায় এ ধরনের মেশিন কৃষকদের মাঝে সরকারী ভর্তুকীর মাধ্যমে আমরা প্রদান করব।

এ সময় অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী রিয়াজ মাহমুদ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিংকু চক্রবর্তী, দৈনিক দিনরাত পত্রিকার সম্পাদক মুজিবুর রহমান ডালিম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, ইউপি সদস্য ছাব্বির আহমদ, হেলাল আহমদ, যুবলীগ নেতা শাহাব উদ্দিন সহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

Wednesday, July 1

কানাইঘাটে কৃষকের মধ্যে মৌসুমি বীজ ও প্রণোদনা বিতরণ

কানাইঘাটে কৃষকের মধ্যে মৌসুমি বীজ ও প্রণোদনা বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:   
‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, নিরাপদ সবজি উপহার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় কানাইঘাটে ২০২০-২১ মৌসুমে পারিবারিক কৃষির আওতায় সবজি পুষ্টি বাগান স্থাপনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ/চারা, সার, বেড়া, পরিচর্যা ও সাইনবোর্ড সরবরাহ সহায়তা বাবদ কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উদ্যোগে সম্মেলন কক্ষে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ২৮৮জন কৃষকদের মধ্যে ১৫ জাতের সবজির বীজ ও কৃষি প্রণোদনার চেক প্রদানের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বারিউল করিম খান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. তানভীর আহমদ সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সজীব সরকার, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ২৮৮জন কৃষকের মধ্যে এ প্রণোদনা বিতরণ করা হবে।
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খান বলেন, ‘কৃষকরা হচ্ছেন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চালিকাশক্তি। কৃষকদের কল্যাণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ং সম্পন্ন। কৃষি সেক্টরের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এর সুফল দেশবাসী ও আমরা সবাই পাচ্ছি। করোনা পরিস্থিতির সময়ে প্রতিটি সেক্টরে বিপর্যয় ঘটলেও কৃষি সেক্টরের উন্নতি সাধিত হয়েছে। আমাদের কৃষকরা ধান সহ অন্যান্য মৌসুমি ফসল উৎপাদনে কৃতিত্ব রেখেই যাচ্ছেন। তিনি কৃষকদের সরকারী ভাবে বিনামূল্যে বিতরণকৃত বীজ সঠিকভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে লাগিয়ে সবজি উৎপাদনে সাফল্য বয়ে আনার জন্য আহ্বান জানান।’
কানাইঘাট নিউজ ডটকম/০১ জুলাই ২০২০    

Sunday, April 12

 কানাইঘাটে কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

কানাইঘাটে কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
কানাইঘাটে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সরকারিভাবে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। 

রবিবার সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যেগে আয়োজিত বীজ ও সার বিতরণের সূচনা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমিন চৌধুরী ও নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খান।



এ সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে লক্ষিপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের কয়েকজন প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে জনপ্রতি ৫ কেজি উন্নতমানের ধানের বিজ ২০ কেজী ডিএপি ও ১০কেজী এমপিও সার বিতরণ করা হয় ।


এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর  সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সজীব সরকার,  কানাইঘাট প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দীন,সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ,সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক শাহীন অাহমদ প্রমুখ    ।

কানাইঘাট নিউজ ডটকম /১২ এপ্রিল ২০২০