Showing posts with label তথ্য প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label তথ্য প্রযুক্তি. Show all posts

Thursday, June 18

১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত

১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত

 


১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বৃহস্পতিবার আমিরাতের মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন ও কানাডার মতো যেসব দেশ একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, সেই তালিকায় যুক্ত হলো দেশটি।

মন্ত্রিসভার এক প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে অবশ্যই ১৫ বছরের কম বয়সীদের তৈরি করা অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ ও নিষ্ক্রিয় করতে হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করা হলে আমিরাতে সেসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য প্ল্যাটফর্মগুলোকে ১২ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের বরাত দিয়ে দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সর্বনিম্ন বয়স ১৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, এই কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তৈরি, ব্যবহার কিংবা পরিচালনা করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

‌‌‘‘তারা এসব প্ল্যাটফর্মের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা বা ফিচার ব্যবহারের সুযোগও পাবে না। এই শিশুরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা আদানপ্রদান, পোস্ট, মন্তব্য, শেয়ার করা এবং কোনও পাবলিক গ্রুপ, ওপেন চ্যানেল বা বড় কোনও ইন্টারেক্টিভ স্পেসেও যুক্ত হতে পারবে না।’’

গত ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার পর আরও কয়েকটি দেশ এই পথ অনুসরণ করে। এর মধ্যে ব্রিটেনও চলতি সপ্তাহে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

ডব্লিউএএম বলেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম ও টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর কাছে কোনও প্ল্যাটফর্ম এই নিয়ম অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

এসব ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে সতর্কবার্তা পাঠানো, প্ল্যাটফর্মটিকে আংশিক বা পুরোপুরি ব্লক করে দেওয়া কিংবা প্রযোজ্য প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা। - সূত্র: এএফপি।

Sunday, June 14

চীনের চাপে ২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি থেকে সরে যাচ্ছে মেটা

চীনের চাপে ২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি থেকে সরে যাচ্ছে মেটা

 

চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ম্যানুস কেনার ২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি থেকে সরে আসছে মেটা। প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে কার্যক্রম আলাদা করার কাজ শুরু করেছে মেটা। বন্ধ করা হয়েছে তথ্য আদান–প্রদানও।

প্রযুক্তি নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে প্রায় দুই মাস আগে বেইজিং ম্যানুস বিক্রির নির্দেশ দিয়েছিল। এর পরই মেটা প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ব্যবস্থায় প্রবেশ বন্ধ করে দেয়। এখন দুই প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

খবর অনুযায়ী, ম্যানুসের সহপ্রতিষ্ঠাতারা প্রতিষ্ঠানটি আবার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহের আলোচনা করছেন। এতে চীনা অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নতুন কাঠামো তৈরি হতে পারে। ভবিষ্যতে হংকংয়ের বাজারে তালিকাভুক্তির পরিকল্পনাও থাকতে পারে।

চীনের এ সিদ্ধান্ত দেখাচ্ছে, কৌশলগত প্রযুক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে বেইজিং আরও কঠোর হচ্ছে। শুধু ম্যানুস নয়, দেশটির অন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি বিনিয়োগ গ্রহণেও সরকারি অনুমোদনের বিষয়টি সামনে এসেছে।

এদিকে মেটার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হলেও ম্যানুস নতুন সুবিধা চালু করছে। বিভিন্ন অনলাইন সেবা ও ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ চলছে। ২০২৫ সালে ম্যানুসের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রদর্শনী ব্যাপক আলোচনায় আসে। পরে মেটা প্রতিষ্ঠানটি কিনে নেওয়ার ঘোষণা দেয়।

তবে চীনা সংশ্লিষ্টতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন—দুই দেশেই প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মেটা ও ম্যানুস এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

Saturday, June 13

বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর প্রতিযোগিতায় সিঙ্গাপুর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর প্রতিযোগিতায় সিঙ্গাপুর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

 ইদানীংকাল এটা পরিষ্কার যে প্রতিটি স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা সেমিকন্ডাক্টরের ওপর নির্ভর করে চলছে।

সেমিকন্ডাক্টরের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা তীব্রতর হওয়ায়, সিঙ্গাপুর তার প্রতিযোগিতামূলক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার জন্য চাপের মধ্যে রয়েছে।

দেশটি বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০টি চিপের মধ্যে প্রায় একটি উৎপাদন করে এবং বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর সরঞ্জাম উৎপাদনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশের জোগান দেয়। এই শিল্পটি সিঙ্গাপুরের মোট দেশজ উৎপাদনে প্রায় ৬ শতাংশ অবদান রাখে এবং ৩৫,০০০-এরও বেশি মানুষকে কর্মসংস্থান প্রদান করেছে।

যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে চলমান প্রযুক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলকে নতুন রূপ দিয়েছে, এশিয়া জুড়ে নিজেদের কার্যক্রম বৈচিত্র্যময় করতে চাওয়া সংস্থাগুলোর কারণে সিঙ্গাপুর লাভবান হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটি বিশ্বব্যাপী প্রতি দশটি চিপের মধ্যে একটি উৎপাদন করে, কিন্তু ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার কারণে এর থেমে থাকার কোনো সুযোগ নেই।

কিন্তু শিল্প বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে দেশের অবস্থান ধরে রাখতে উদ্ভাবন এবং প্রতিভায় ক্রমাগত বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে।

সম্পূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খলায় পরিচালিতঃ

সিঙ্গাপুরের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সূচনা হয় ১৯৬৮ সালে, যখন বহুজাতিক চিপ নির্মাতারা এখানে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম স্থাপন শুরু করে।

কয়েক দশক ধরে, এটি অ্যাসেম্বলি এবং টেস্টিং কার্যক্রম থেকে বিকশিত হয়ে চিপ ডিজাইন, উৎপাদন, প্যাকেজিং, টেস্টিং এবং সরঞ্জাম উৎপাদন পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ইকোসিস্টেমে পরিণত হয়েছে।

সিঙ্গাপুর সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মিঃ অ্যাং উই সেং বলেছেন, সিঙ্গাপুরের অন্যতম প্রধান শক্তি হলো এর সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমের ব্যাপকতা।

উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন চিপ ডিজাইনার ব্রডকম এবং মার্ভেলের সিঙ্গাপুরে ডিজাইন ও গবেষণা কার্যক্রম রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সদর দফতর অবস্থিত কোয়ালকম এবং তাইওয়ানের মিডিয়াটেক সহ অন্যান্য বিশ্বব্যাপী চিপ কোম্পানিগুলোরও এখানে উপস্থিতি রয়েছে।

ভ্যালু চেইনের আরও নিচের দিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক গ্লোবালফাউন্ড্রিজ ও মাইক্রন এবং তাইওয়ানের ইউনাইটেড মাইক্রোইলেক্ট্রনিক্স কর্পোরেশন (ইউএমসি) ওয়েফার ফ্যাব্রিকেশন প্ল্যান্ট পরিচালনা করে, যা অটোমোটিভ থেকে শুরু করে এআই পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পের জন্য চিপ উৎপাদন করে।

এছাড়াও, বিশ্বের শীর্ষ ১০টি আউটসোর্সড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি ও টেস্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি সিঙ্গাপুরে অবস্থিত – এই ক্ষেত্রটি ক্রমশ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, কারণ চিপগুলো আরও জটিল হয়ে উঠছে।

সঠিক পথে প্রতিযোগিতা করাঃ

বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত চিপ উৎপাদনে সিঙ্গাপুরের শক্তি নিহিত নেই। তিন ন্যানোমিটারের নিচের অত্যাধুনিক সেমিকন্ডাক্টরগুলো এখনও মূলত তাইওয়ান এবং দক্ষিণ কোরিয়াতেই উৎপাদিত হয়।

এর পরিবর্তে, মিঃ অ্যাং বলেন, দেশটি পরিপক্ক এবং বিশেষায়িত প্রযুক্তিতে একটি বিশেষ স্থান তৈরি করেছে।

এগুলো হলো এমন চিপ যা বহু বছর ধরে ব্যবহৃত উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এদের নির্ভরযোগ্যতা ও স্থিতিশীলতার জন্য সমাদৃত।

এগুলো সাধারণত যানবাহন, ওয়াই-ফাই রাউটার ও গৃহস্থালি যন্ত্রপাতির মতো ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স এবং শিল্প রোবটিক্সে পাওয়া যায়।

মিঃ অ্যাং আরও বলেন, সিঙ্গাপুর এমন সব ক্ষেত্রেও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে যেখানে উৎপাদনের গুণমান, নির্ভরযোগ্যতা এবং ইকোসিস্টেমের গভীরতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, “বিশেষায়িত, পরিপক্ক এবং স্বতন্ত্র প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রে আমরা খুবই শক্তিশালী, যেখানে নির্ভরযোগ্যতা, উৎপাদন ক্ষমতা, গুণমান এবং ইকোসিস্টেমের গভীরতা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ।”

“আমরা সঠিক পথেই প্রতিযোগিতা করি; আজকের বড় কেন্দ্রগুলো যা করছে তা অনুকরণ করে ততটা নয় … বরং অপরিহার্য হয়ে … এবং আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে, একটি বিশ্বস্ত সাপ্লাই চেইন স্থিতিস্থাপকতা কেন্দ্র হিসেবে।”

আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের চাপঃ

কিন্তু সিঙ্গাপুর এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে, যারা সেমিকন্ডাক্টর বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাইছে।

মিঃ অ্যাং উল্লেখ করেছেন যে, বিনিয়োগের স্থান নির্ধারণের সময় এই ধরনের কোম্পানিগুলো জমি, শক্তি, পানি, মেধা এবং খরচের মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, “অন্যান্য দেশগুলোও সিঙ্গাপুরের মতো বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অত্যন্ত জোরালো প্রণোদনা দিচ্ছে, শিল্প পার্ক তৈরি করছে এবং চেষ্টা করছে।”

মিঃ অ্যাং বলেন, “আসল চ্যালেঞ্জ হলো, সিঙ্গাপুর সঠিক অর্থনৈতিক সুবিধা এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ, সঠিক সক্ষমতা প্রদান অব্যাহত রাখতে পারবে কি না।”

তিনি আরও বলেন যে, সিঙ্গাপুরের পদক্ষেপকে শুধু বিনিয়োগ আকর্ষণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না।

এছাড়াও, কর্মীদের সঠিক দক্ষতা নিশ্চিত করা, স্থানীয় সংস্থাগুলোর ভ্যালু চেইনে উপরের দিকে উঠে আসা এবং উন্নত প্যাকেজিং, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স ও ফোটোনিক্সের মতো উদীয়মান প্রযুক্তিগুলোকে গবেষণা প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমর্থন করাও প্রয়োজন।

মেধা ও উদ্ভাবনের ওপর বাজিঃ

নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে সিঙ্গাপুর গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ করছে এবং একই সাথে মেধা প্রবাহকে প্রসারিত করছে।

সরকার তার ‘গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোগ ২০৩০’ পরিকল্পনার অধীনে ৩৭ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার (২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বরাদ্দ করেছে, যার লক্ষ্য হলো উন্নত উৎপাদন এবং সেমিকন্ডাক্টরসহ কৌশলগত খাতগুলোতে সিঙ্গাপুরের সক্ষমতা জোরদার করা।

বুধবার (১০ জুন) ট্যাম্পিন্সে মার্কিন সেমিকন্ডাক্টর সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক বৃহৎ প্রতিষ্ঠান অ্যাপ্লায়েড ম্যাটেরিয়ালস-এর নতুন উৎপাদন কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী গান কিম ইয়ং বলেন, এই খাতে বিনিয়োগ অবশ্যই সিঙ্গাপুরকে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে তার ভূমিকা শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং একই সাথে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

এই কেন্দ্রটি সেই ধরনের বিনিয়োগের একটি উদাহরণ, যা সিঙ্গাপুর তার সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আকর্ষণ করতে চায়।

৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্রকল্পটি প্রায় ১,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন ও এআই-চালিত উৎপাদনের মতো ক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এশিয়াজুড়ে সেমিকন্ডাক্টর বিনিয়োগের প্রতিযোগিতা তীব্রতর হওয়ায়, মিঃ অ্যাং বলেন, সিঙ্গাপুরের উচিত নয় তার প্রতিবেশীদেরকে শুধুমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা।

এর পরিবর্তে, তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের ভূমিকা হওয়া উচিত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে সক্ষমতাগুলোকে সংযুক্ত করা এবং সামগ্রিকভাবে এই অঞ্চলে বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়তা করা।

মিঃ অ্যাং বলেন, "আমাদের একে অপরকে প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখা উচিত।"

"সিঙ্গাপুরকে সবকিছু একা করতে হবে না। আমরা সমন্বয়কারী হতে পারি।"

-সিএনএ- অবলম্বনে

Thursday, June 11

এআই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন, গ্রকের প্রকৌশলীকে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ

এআই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন, গ্রকের প্রকৌশলীকে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করায় চাকরি হারানোর অভিযোগ করেছেন ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের সাবেক এক প্রকৌশলী। ডেভিন কিম নামের ওই প্রকৌশলী ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে মামলা করেছেন।

তার অভিযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট ‘গ্রক’-এর নিরাপত্তা নিয়ে বারবার সতর্ক করার পর তাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিম বলেন, গ্রক ভুলভাবে ব্যবহার হলে বৈষম্য ছড়াতে পারে। এমনকি বিপজ্জনক তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গ্রক এর আগেও বিতর্কিত আচরণের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছিল। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে অনুমতি ছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায়ও গ্রক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

কিমের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি নিরাপত্তার চেয়ে দ্রুত প্রযুক্তি বাজারে আনার বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তবে মামলায় সরাসরি ইলন মাস্ককে দায়ী করা হয়নি।

অভিযোগের তীর প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তার দিকে। কিমের দাবি, নিরাপত্তা নিয়ে তার সতর্কতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কিম আগে থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেছেন।

তিনি এখন এআই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মামলায় ক্ষতিপূরণ ও আর্থিক জরিমানা চেয়েছেন কিম। তবে এক্সএআই ও স্পেসএক্স এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

বিভ্রাট কাটিয়ে সচল ফেসবুক

বিভ্রাট কাটিয়ে সচল ফেসবুক

 

কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ২০ মিনিট পর সচল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক।

শুক্রবার (১২ জুন) রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মেটার মালিকানাধীন এই প্ল্যাটফর্ম আবার স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে।

এর আগে আজ সন্ধ্যা ৭টার পর হঠাৎ করেই বিশ্বজুড়ে মেটার এই জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে বিপর্যয় দেখা দেয়। মেটার অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ব্যবহারে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েন লাখ লাখ ব্যবহারকারী। এমনকি যারা আগে থেকেই লগইন অবস্থায় ছিলেন, তাদের অ্যাকাউন্টও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘লগআউট’ হয়ে যায়।

অবশেষে রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশে ফেসবুকের সেবা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে এই বিভ্রাটের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি।

Thursday, April 9

কানাইঘাটে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সম্পন্ন

কানাইঘাটে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সম্পন্ন


নিজস্ব প্রতিবেদক :

৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে কানাইঘাটে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা, দশম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার ও বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্টল স্থাপন করে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব উদ্ভাবিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রকল্প, পরিবেশ বিষয়ক মডেলসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্রদর্শনী উপস্থাপন করেন। মেলায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীর উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহদী হাসান শাকিল। সমাপনী দিনে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় বিজয়ী প্রতিষ্ঠান ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাপস চক্রবর্তী তুষার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. সুবল চন্দ্র বর্মণ, কৃষি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ রায়, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রাণ কৃষ্ণ হাওলাদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার শাখাওয়াত হোসেন এবং কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

বক্তারা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উঠতে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

Tuesday, December 24

যেসব ভুলে বিস্ফোরণ হতে পারে আপনার ল্যাপটপ

যেসব ভুলে বিস্ফোরণ হতে পারে আপনার ল্যাপটপ

 


আজকাল বাড়ি, অফিস, স্কুল বা কলেজে অন্যতম প্রয়োজনীয় গ্যাজেট হয়ে দাঁড়িয়েছে ল্যাপটপ। আর তাই অফিসের কাজের জন্য হোক বা পড়াশোনার সূত্রে অনেককেই ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে বাড়ির বাইরে বের হতে হয়।

চালাতে গিয়ে ল্যাপটপ মাঝে মাঝে গরম হয়ে যায়। যা অনেকেই অবহেলা করেন। তবে আপনার এই ছোট্ট ভুলেই ল্যাপটপ বিস্ফোরণ হতে পারে। জেনে নিন কীভাবে ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখতে পারবেন-

১. ল্যাপটপের কুলিং ফ্যান খুবই জরুরি একটি জিনিস। পুরোনো ল্যাপটপে অতিরিক্ত গরম হওয়ার সমস্যা বেশি দেখা যায়। ল্যাপটপ পুরোনো হলে তার ফ্যান মেরামত করতে হবে। ল্যাপটপের কুলিং ফ্যান এটিকে অতিরিক্ত তাপ থেকে রক্ষা করে। ল্যাপটপের কুলিং ফ্যান যদি ঠিকমতো কাজ করে তাহলে ল্যাপটপের বাইরে থেকেই গরম বাতাসের প্রবাহ অনুভব করা যায়। যদি খুব কম বের হয় বা বাতাস বের না হয় তাহলে কুলিং ফ্যান মেরামত করতে হবে।

২. ল্যাপটপের নিচে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের অভাবে অতিরিক্ত গরম হওয়ার সমস্যাও হতে পারে। কম্পিউটারটিকে উঁচু স্থানে রেখে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। এছাড়াও আমরা বায়ুচলাচলের জন্য ল্যাপটপ কুলিং ম্যাটও কিনে নিতে পারেন।

৩. ল্যাপটপ কোলে রেখে ব্যবহার করা একেবারেই ঠিক নয়। এর জন্য একটি ল্যাপ ডেস্ক ব্যবহার করা উচিত। একটি ল্যাপ ডেস্ক ল্যাপটপকে ঠান্ডা রাখতে ধারাবাহিক বায়ুপ্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

৪. ল্যাপটপ কখনই সরাসরি সূর্যের আলোতে বের করে কাজ করা উচিত নয়। সূর্যের আলোর কারণে ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হওয়ার সমস্যা হতে পারে। এটি বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে দেখা যায়। বাইরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে, আমাদের ল্যাপটপটিকে ঠান্ডা জায়গায় রাখতে হবে।

Monday, December 23

২০২৪ সালের সেরা গেমস

২০২৪ সালের সেরা গেমস

 ২০২৪ সালের সেরা গেমস

ফাইল ছবি

মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ২০২৪ সালের অ্যাপ স্টোর পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা, নকশা এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে অসাধারণ ভূমিকা রাখার জন্য এ বছর ১৭টি অ্যাপ এবং গেম স্বীকৃতি পেয়েছে।

২০২৪ সালের সেরা গেমস কোনটি দেখে নিন-

আইফোনের সেরা গেম: এএফকে জার্নি। এটি একটি অ্যাডভেঞ্চার গেম। নির্মাতা: ফারলাইট গেমস

আইপ্যাডের সেরা গেম: স্কোয়াড বাস্টার্স। মাল্টিপ্লেয়ার স্ট্র্যাটেজির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি যুদ্ধনির্ভর গেম। নির্মাতা: সুপারসেল

ম্যাকের সেরা গেম: থ্যাংক গুডনেস ইউ’আর হিয়ার। হাস্যরসাত্মক চরিত্র এবং ব্যতিক্রমী প্লটের জন্য জনপ্রিয় একটি অ্যাডভেঞ্চার গেম। নির্মাতা: প্যানিক ইনকরপোরেটেড।

অ্যাপল ভিশন প্রো সেরা গেম: থ্রাশার: আর্কেড ওডিসি। আর্কেড ঘরানার একটি গেম। নির্মাতা: পাডল এলএলসি।

অ্যাপল আর্কেড সেরা গেম: বালাত্রো প্লাস। কৌশল এবং পরিকল্পনার মিশ্রণে তৈরি একটি কার্ড গেম। নির্মাতা: প্লেস্ট্যাক লিমিটেড