Showing posts with label ফটো সংবাদ. Show all posts
Showing posts with label ফটো সংবাদ. Show all posts

Tuesday, September 12

Sunday, November 8

Friday, June 12

Sunday, December 21

Thursday, December 18

Saturday, December 13

Tuesday, September 9

আসুন সবজিভোজীদের নিয়ে ভুল ধারণাগুলো শুধরে নিই

আসুন সবজিভোজীদের নিয়ে ভুল ধারণাগুলো শুধরে নিই


কানিউজ ডেস্ক:: যারা মাংসজাতীয় খাদ্য কম পছন্দ করেন বা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় সবজি জাতীয় খাবারই বেশি রাখেন তাদের নিয়ে অনেক মিথ বা ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। আসুন এ ব্যাপারে সত্যগুলো জেনে নেয়া যাক। মিথ : সবজিভোজীদের দেহে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে। বাস্তব : একটা সময়ে পুষ্টিবিদরাও এমনটাই মনে করতেন। কিন্তু এখন এই ভুল ধারণার অবসান হয়েছে। এখন আমরা প্রায় সবাই জানি যে, সবজিভোজীরাও তাদের খাবার থেকে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন পেয়ে থাকেন। আপনি যদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বৈচিত্রময় ফল-মূল ও শাক-সবজি রাখতে পারেন তাহলে প্রোটিনের কোনও ঘাটতি হবেনা। মিথ : সবজিভোজীরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতিতে ভোগেন। বাস্তব : যারা দুধ বা পনির খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন তাদের ব্যাপারেই সাধারণত এ ভুল ধারণাটা করা হয়ে থাকে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষাণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, সবুজ ও পাতাবহুল সবজিতেও প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। এছাড়া আরও দেখা গেছে যে, সবজিভোজীরাই বরং হাড় ক্ষয়জনিত রোগে কম আক্রান্ত হন। কারণ সবজিজাতীয় খাদ্য সহজেই হজম হয়। ফলে মানবদেহ সবজিজাতীয় খাদ্য থেকেই সবচেয়ে সহজে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে পারে। মিথ : সবজিভোজীদের খাদ্যাভ্যাস ভারসাম্যহীন। ফলে তারা সাস্থ্যহানির ঝুঁকিতে থাকেন। বাস্তব : সত্য কথাটি হল সবজিজাতীয় খাদ্যে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন বা চর্বি কোনও কিছুরই ঘাটতি নেই। এছাড়া সবজিজাতীয় খাদ্য থেকেই মানবদেহের জন্য জরুরি টুকিটাকি পুষ্টি উপাদানগুলো পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। মিথ : বয়স্কদের জন্যই সবজিজাতীয় খাদ্য বেশ উপযোগী। কিন্তু শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন পেতে হলে মাংস খাওয়াটা জরুরি। বাস্তব : সবজি থেকে আসুক আর মাংস থেকেই আসুক সব প্রোটিনেরই পুষ্টিগুন এক। সব প্রোটিনই অ্যামাইনো অ্যাসিড থেকে উৎপন্ন হয়। আর শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য ১০ ধরনের মৌলিক অ্যামাইনো এসিড দরকার। মাংসের মতো শাক-সবজিতেও এই ১০ প্রকার অ্যামাইনো এসিডের সবকটি পাওয়া যায়। মিথ : মানুষ মাংসাশী প্রাণী। বাস্তব : মানুষ হয়তো সহজেই মাংস হজম করতে পারে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, মানবদেহ মূলত উদ্ভিদজাতীয় খাদ্যগ্রহণেই বেশি উপযোগী। প্রাণীজগতের উদ্ভিদভোজী প্রজাতিগুলোর সঙ্গেই আমাদের পরিপাকতন্ত্রের মিল বেশি। অথচ মাংসাশী প্রজাতির প্রাণীগুলোর সঙ্গে মানুষের পরিপাকতন্ত্রের কোন মিলই নেই। মানুষের মাংসাশী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানত যুক্তি দেখানো হয় যে, মানুষের মাংস চিরে খাওয়ার মতো দাঁত রয়েছে। কিন্তু সত্য হল প্রাণী জগতের উদ্ভিদভোজী প্রজাতিগুলোরও এই দাঁত আছে। আর তাছাড়া মানুষ যদি মাংসাশী প্রাণীই হত তাহলে মাংস খাওয়ার ফল হিসেবে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারে আক্রান্ত হতোনা।

Wednesday, September 3

Wednesday, August 27

আজকে তাদের ঘুমের ছুটি

আজকে তাদের ঘুমের ছুটি


কানিউজ ডেস্ক: ঘুমে বিভোর। কোন নড়নচড়ন নেই। কুকুর অথবা বিড়ালই তার কোলবালিশ। মাঝে মাঝে তাকে জড়িয়েও ধরছে। কিচ্ছুটি বলছে না প্রাণী। কারণ, সে তো অবুঝ। তার জড়িয়ে ধরা প্রাণীরও ভালো লাগছে। দেখলে মনে হয় আগের জনমে এরা সহোদর ছিল। এমনই কিছু দুর্লভ ছবি
নিয়ে এই আয়োজন।

Sunday, January 26

Wednesday, January 15

Saturday, August 3

Saturday, July 6

মেয়ে’র মা হচ্ছেন কেট

মেয়ে’র মা হচ্ছেন কেট

২০১১সালের প্রথম দিকে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন কেট-উইলিয়ামস। বিয়ের পর থেকেই রাজবাড়ির পঞ্চম প্রজন্মের আসার অপেক্ষায় দিন গুণছিল ব্রিটেন। সে অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে। তবে সবার আগ্রহ ছিলো রাজ পরিবারের নতুন অতিথি ছেলে না মেয়ে হবে।

তবে কেট মিডলটন একটি কন্যা সন্তান চাইছেন। ইতোমধ্যে সেই ইচ্ছে পূরণ হবে বলে ভবিষ্যৎ বাণী করেছেন কেটের ঘনিষ্ঠজন।

কেট মিডলটনের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আত্নীয় লিলিয়ান লোয়ারস ভবিষ্যত বানী করেছেন, রানির ঘরে আসতে চলেছে ফুটফুটে শিশুকন্যা। আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মা হবেন কেট। তার এই ভবিষ্যত বাণীর উপর ভিত্তি করেই একটি নিউজ ওয়েব সাইট সংবাদ প্রকাশ করেছে। তারা বেশ গুরুত্বের সাথেই এ ভবিষ্যত বাণী গ্রহন করে ছেপেছে। কারন এর আগেও তার দেয়া ভবিষ্যত বাণী সত্যি হয়েছিলো।

কেট মিডলটনের গর্ভবতী হওয়ার বিষয়েও তিনি ভবিষ্যত বাণী করেছিলেন। লিলি মনে করছেন দুপুর দুটো থেকে রাত বারটার মধ্যে সন্তানের জন্ম দেবেন কেট। এমনকি শিশুর ওজন ২ দশমিক ২৬ কেজি হবে বলেও ভবিষ্যত বাণী করেছেন লিলিয়ান।

Friday, June 28

গোপন বিয়ে!

গোপন বিয়ে!

বলিউড সুপারস্টার জন আব্রাহাম এবং বিপাশা বসুর প্রেম কাহিনী নিয়ে বেশ রসায়ন হয়েছিল বলিউডে। এই দু’জনের রোমান্স নিয়ে পর্দার বাইরেও আগ্রহ তৈরি করে সবার মাঝে। কিন্তু সে প্রেম ভেঙে দিয়ে নতুন প্রেমে জড়ান আব্রাহাম। গর্জিয়াস অ্যান্ড গ্ল্যামারাস গার্ল বিপাশা বসুকে রেখে আব্রাহাম প্রিয়া রাঞ্চাল নামের এক তরুণীর প্রেমে মজেন। প্রেমিকের মন বলে কথা। তাই গ্ল্যামার এখানে বাজেয়াপ্ত!

প্রিয়া রাঞ্চাল এবং জন আব্রাহামের এ প্রেম নিয়েও গুঞ্জন কম ছড়ায়নি। সম্প্রতি আবার তারা আলোচনায় এলেন। জন ও প্রিয়া বিয়ে করেছেন এমন গুজব চলছে বলিউডে। আর এয়ারপোর্টে দু’জনকে এক সাথে ক্যামেরা বন্দি করে সে খবরটি আরেকটু উসকে দিলো ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো।
ভারতীয় সংবাদকর্মীদের কাছে খবর আসে জন ও প্রিয়া বিদেশ ভ্রমণ শেষে দেশে ফিরছেন। এ খবরে মুম্বাইয়ের বিমান বন্দরে ছুটে যান সবাই। জন আব্রাহাম বের হতেই সবাই তাদের যুগল ছবি তুলতে থাকে। আব্রাহাম ছবি তুলতে বাঁধা দিলেও থামানো যায়নি ক্যামেরাম্যানদের।
অনেকটা ক্যাজুয়াল পোশাকেই ছিলেন আব্রাহাম। শার্ট-ট্রাউজারের সাথে সেন্ডেল পড়ে ছুটির দিনের আমেজে ছিলেন এই বলিউড হার্টথ্রব। এই জুটিকে একসাথে আবিষ্কারের পর গুঞ্জন শুরু হয় হানিমুন সেরে এসেছেন তারা!
এর আগে আব্রাহাম ও প্রিয়ার একটি ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। তখনই তাদের সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। 
আব্রাহামের গোপন বিয়ে!
ছবি তুলতে বাধা দিচ্ছেন জন 
নাম বদলানো তারকারা

নাম বদলানো তারকারা

শোবিজ জগতের অন্যতম একটি আলোচিত বিষয় হলো নাম বদল। সিনেমা জগতে পা রেখেই নাম বদলের প্রবণতা দেখা যায় অভিনেতা অভিনেত্রীদের। স্থান-কাল-পাত্র ভেদে এ নাম বদলানোর পেছনে রয়েছে ধর্মীয় প্রেক্ষাপট, কারো ভাগ্য বদলে সাফল্য পাওয়ার চেষ্টা, কেউবা একটু কেতাদুরস্ত শর্টকাট নামের দিকে ঝোকার চেষ্টা! অবশ্য তারকাদের এসব নামবদলের মাধ্যমে ভাগ্য সুপ্রসন্ন করার চেষ্টা যুগে যুগে সফল হয়েছে।
যে নামে সারা জীবন পরিচিতি পেয়ে এসেছেন সেই নামটিকেই শোবিজে এসে বদলে ফেলেন একজন তারকা। কেউ কেউ আংশিক নাম বদলান কেউবা পুরোটাই। এমন কয়েকজন বলিউড তারকাকে নিয়ে এই প্রতিবেদন।

পর্দার জনপ্রিয়তা আনতেই নিজেদের নাম পরিবর্তন করেছেন বলে মনে করেন ‘দেওল’ পরিবারের তিন তারকা! ধর্মেন্দ্রর পুরো নাম ছিলো ধর্মেন্দ্র সিং দেওল। সানি দেওলের নাম ছিলো অজয় সিং দেওল এবং ববি দেওলের নাম ছিলো বিজয় সিং দেওল।
বলিউড তারকা জিয়া খানের আসল নাম ছিলো নাফিসা খান। শোবিজ জগতে এসে তার নাম জিয়া খান হয়। সাফল্য লাভ করার আগেই ঝরে যান এই অমিত প্রতিভাবান এই তারকা। (সম্প্রতি তিনি আত্মহনন করেন।)
বলিউডের ‘ট্রাজিডি কিং’ দিলীপ কুমারকে সবাই এ নামেই চেনে। অথচ তার এই নামের আড়ালে ঢাকা পরে গেছে আসল নাম মোহাম্মদ ইউসুফ খান। মুম্বাইয়ের 'মুঘলে আযম' দিলীপ কুমার দাপটের সাথে রূপালী পর্দায় বিচরন করেছেন। এখন তিনি বয়সের ভারে ন্যূজ্ব। থাকেন সবার আড়ালেই।
বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক জিতেন্দ্র। এই নায়কও পর্দায় তার নাম বদলেছেন। তার মূল নাম ছিলো রবি কাপুর। এই রবি কাপুর বললে এখন কয়জনই বা চিনবে তাকে?
বলিউড পারফেক্টশনিষ্ট আমির খানের পুরো নাম আমির হোসাইন খান। বলিউডে তিনি আমির খান নামে পরিচিত। হোসাইনটা বাদ দিয়েছেন তিনি।
তিনিও বলিউড সুপারস্টার। তার পুরো নাম রাজিব হরি ওম ভাটিয়া। কি ঘাবড়ে গেলেন এই নাম শুনে? জি, তিনিই অক্ষয় কুমার। এই পোশাকি নামটিই এখন বলিউড সুপারস্টারের মূল নাম হিসেবে পরিচিত।
দাবাং স্টার সালমান খানের পুরো নাম আবদুর রশিদ সেলিম সালমান খান। নামের বাকি অংশ বাদ দিয়ে তিনি এখন সালমান খান নামেই পরিচিত। সংক্ষেপে অনেকে সাল্লু্ও ডাকেন তাকে।
শিল্পা শেঠীর আসল নাম অশ্বিনী শেঠী। বলিউডে এসে হয়ে যান তিনি শিল্পা শেঠী।
চিকনি চামেলি ক্যাটরিনা কাইফের আসল নাম ক্যাটরিনা তারকুট্টি । বলিউডে আসার পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এই তারকা নিজের নাম বদলে ফেলে শেষে কাইফ জুড়ে দেন।
বলিউড অভিনেত্রী বানুরেখা গনেসা। তাকে এই নামে কেউ চেনে না। কারণ বলিউডে তিনি রেখা নামেই সুপরিচিত।
প্রীতি জিনতার আসল নাম প্রিতম জিনতা সিং। প্রিটিওমেন খ্যাত এই নায়িকা সিনেমায় এসে প্রীতি জিনতা হয়ে যান।
‘জেমস’ এবং ‘সরকার’ সিনেমায় মাধ্যমে বলিউড জগতে পরিচিতি পান নিশা কোটাহরি (Nisha Kotahari)। এই আবেদনময়ী নায়িকার আসল নাম প্রিয়াঙ্কা কোটাহরি।
টুইঙ্কেল বাজপাই হিসেবে টেলিভিশন মিডিয়ায় আসেন তিনি। আর বলিউড সিনেমায় পা রেখে হয়ে যান টিয়া বাজপাই। তার এই নাম বদলানোর পেছনে পরিচালক বিক্রম ভাটের ইচ্ছেকে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়াও বলিউডে আরো কয়েক ডজন তারকার দেখা পাওয়া যায় যারা সংস্কারে আচ্ছন্ন হয়ে ক্যারিয়ারের খাতিরে নানাভাবে তাদের নাম বদলে ফেলেছেন।

Monday, June 24


পাওয়ার ফ্লাওয়ার

:: পরিবর্তন ডেস্ক ::
একটি স্থির চিত্র কখনো কখনো স্থিরতার সংজ্ঞাকে পাল্টে দেয়। কলকল করে কথা বলে উঠে সে। যেমনটা চীনা প্রবাদে আছে, ' একটি ছবি হাজার শব্দের কথা বলে।' তখন সেই স্থিরচিত্র আর স্থির থাকে না। স্থিরচিত্রগুলো চোখের সামনে আসা মাত্রই আমাদের মনোজগতে ভাঙচুর শুরু হয়। আবেগে ভাসায় আমাদের।
১. পাওয়ার ফ্লাওয়ার :
কবি মহাদেব সাহা লেখেছিলেন, ‘ফুল কই শুধু অস্ত্রের উল্লাস।’ বিশ্বময় এখন কেবল অস্ত্রের ঝনঝনানি। অস্ত্রের শাসনে ভালোবাসা এখন নতজানু। তবে এই পেশি দাপটের কাছে ফুল হাতে ভালোবাসার এক বার্তা নিয়েই প্রতিবাদ করেছিলেন জেইন রোজ নামের এক মার্কিন তরুণী। ১৯৬৭ সালে ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদেই তার এই 'পাওয়ার ফ্লাওয়ার' ব্যতিক্রমী বিক্ষোভ প্রর্দশন। ছবিটি তুলেছিলেন মার্ক রি-বন্ড।
কাটাতারে বাঁধা জীবন
২. কাটাতারে বাঁধা জীবন :
চারপাশে তার কাটাতারে ঘেরা, শুধু স্বপ্নটাকে যায়নি বাঁধা। আর তাই কাটাতারের সীমানা অতিক্রম করে পরিবারের কাছে ফিরছে এক শিশু...। এ যেন জীবন সংগ্রামের এক অনন্য দলিল।
আহাজারি
৩. আহাজারি :
শাষকগোষ্ঠীর বন্দুক সবসময় আহাজারির জন্ম ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি। মুক্তির কথা বলে বন্দিই করেছে, প্রাণ বাচাঁনোর কথা বলে প্রাণ নিয়েছে। যুক্তরাস্ট্রের কেন্টস্টেট এ ন্যাশনাল গার্ডের গুলিতে নিহত হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা ১৪ বছরের এই কিশোরের ছবিটি তুলেছিলেন মেরি অ্যান। ১৯৭০ সালের ৪ মে তোলা এ ছবিটি বিখ্যাত পুলিৎজার পুরস্কারও অর্জন করে। তবে মৃতদেহটি শুধু অশ্রু আর শোষণের একটি প্রতীক ছাড়া আর কিইবা পেয়েছে?
মানবতা এবং নৃশংসতা
৪. মানবতা এবং নৃশংসতা :
মানুষ যুদ্ধের কথা বলে আবার মানুষই শান্তির কথা বলে। জেমস নেচওয়ের তোলা এই ছবিটি বলে দেয় নৃশংতার রূপ আসলে কেমন। রুয়ান্ডার গণহত্যা এবং ভয়াবহ নির্যাতনের জ্বলন্ত স্থিরচিত্র এটি।
শ্বেত সভ্যতা
৫. শ্বেত সভ্যতা !
শুধু কালো হওয়ার কারণে কতো নির্যাতনই না সইতে হয়েছে কালোদের। বিশ্ব শাসনকারী সভ্য সাদা চামড়ার (শ্বেতকায়) মানুষগুলো এই কালোদের পথের পশু-প্রাণীর চেয়ে বেশি ঘৃণার চোখে দেখতো। এই শোষণের একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ছবিটির মাধ্যম। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলাইনা থেকে ১৯৫০ সালে ক্ল্যাসিক ছবিটি তুলেছিলেন ইলিয়ট এরোইট।
 সভ্যতা বন্দি
৬. সভ্যতা বন্দি !
সময়ের সাথে এগিয়ে মানুষের নানা আবিষ্কারে পৃথিবী সভ্য হচ্ছে। প্রচলিত এই বাক্যটি মিথ্যা প্রমাণ করে পৃথিবী পিছনের দিকে হেঁটে যায়, যখন এমন চিত্র প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের নগ্নরুপ প্রকাশ্যে চলে আসে। আবুগারিব কারাগার মানব সভ্যতার সবচেয়ে বড় কলঙ্কের নাম। আবুগারিব কারাগারে মার্কিনিদের হাতে বন্দি নির্যাতনের চিত্রটি আবারো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আমরা আজও সভ্য হইনি।
পার্থক্য !
৭. পার্থক্য !
উগান্ডা। পৃথিবীর বাইরের কোনো গ্রহ নয়। এ বিশ্বেরই একটি অংশ। অথচ দুনিয়ার অন্য প্রান্ত জানে না সেই দেশে বেঁচে থাকার মানেটা কি। জীবনের অর্থ সেখানে ধূসর। যেখানে ক্ষুধা মেটানোই দায় সেখানে পুষ্টিকর খাবার শব্দটি অর্থহীন অপলাপ মাত্র। উগান্ডার কেন এ পরিণতি সে কথা থাক। শুধু এই ছবির মাধ্যমে বিশ্ববাসী আরেকবার জেনেছে এই কালো হাতটি একটি শিশুর আর সাদা হাতটি একটি মধ্যবয়স্ক মানুষের। মানবিক আদালতে এই সভ্যতার মুখোশ উন্মোচনের ভার থাকল সেই মানুষের হাতেই। ১৯৮০ সালে উগান্ডার দুর্ভিক্ষের পর শরণার্থী শিবির থেকে এ ছবিটি তুলেছিলেন মিকি ওয়েলস।
ধ্বংসস্তূপে ধূসর স্মৃতি
৮. ধ্বংসস্তূপে ধূসর স্মৃতি :
সবশেষ ! প্রকৃতি কেড়ে নিয়েছে সব। ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে সব স্বপ্ন মুহুর্তেই ধংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। এই ধংস স্তুপের পাশে বসে প্রিয় মানুষটির ছবি হাতে কাঁদছেন এক অসহায় স্বজন। ২০০৮ ভূমিকম্পের পর চীনের সিচুয়ান প্রদেশ থেকে তোলা হয় কালজয়ী এই ছবিটি।
বাবা একটু দাড়াও !
৯. বাবা একটু দাড়াও !
কলম্বিয়ার সড়কে মার্চপাস্ট করে যাচ্ছিলো একদল সৈনিক। সে সৈনিকদের মধ্যে নিজের বাবাকে দেখে দৌড়ে আসে ছোট্ট এক শিশু। চিৎকার করে ডাকতে থাকে... ''বাবা একটু দাঁড়াও, আমার জন্য অপেক্ষা করো...। তুমি কি আবার ফিরে আসবে? কবে আসবে?'' ছোট্ট মুখে হাজারো প্রশ্ন। বাবার প্রতি শিশুমনের উত্তাল ভালবাসার অসাধারণ এ ছবিটি ১৯৪০ সালে তুলেছিলেন ক্লড পি. ডেটলফ।
শেষ চেষ্টা !
১০. শেষ চেষ্টা !
কবি বলেছেন, 'একবার না পারিলে দেখো শতবার।' কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ কথাটা মোটেই খাটে না। যেমনটা ছবির এই মানুষটি নাটুইন টাওয়ারে হামলার পর বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টা করেছিলেন। এই বহুতল ভবন থেকে এভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তিনি। দুর্ভাগ্য, চেষ্টাটা সফল হয়নি তার। অন্যদিকে বিরল আর বেদনাদায়ক ওই মূহুর্তটি ধারণ করতে সফল হয়েছিলেন এপি’র ফটোগ্রাফার রির্চাড ড্র। এ নিয়ে অবশ্য তাকে অনেক সমালোচনা আর তিরস্কার শুনতে হয়েছে। তার মতো ফটোগ্রাফারকে 'লোভী' বলতেও ছাড়েননি অনেকে।(পরিবর্তন ডটকম)

Wednesday, June 12