আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। তবে, দলের একাধিক নেতা সিটি নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। এ অবস্থায় দলগতভাবে অংশ না নিলেও প্রার্থী নিয়ে চলছে চরম দ্বন্দ্ব।বিএনপি সাবেক সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সভাপতি এম এ হক কেন্দ্রীয় বিএনপির বরাত দিয়ে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। সিটি নির্বাচনেও বিএনপি অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এদিকে, নগরীতে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ডেকে এক সভায় সম্প্রতি মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ঘনিষ্ঠজন ও সাবেক মহানগর বিএনপি সভাপতি ও কাউন্সিলর আরিফুল হক চৌধুরী।অবশ্য নগর উন্নয়ন কমিটির এই সাবেক চেয়ারম্যান আরিফুল হক চৌধুরী অনেক আগ থেকেই নীরবে চালিয়ে আসছিলেন। অন্যদিকে জেলা বিএনপির একাংশের প্রার্থী হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সামসুজ্জমান জামানকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দলের আর কয়েকজন নেতা প্রচারণা চালাচ্ছেন মেয়র প্রার্থী হিসেবে।এ অবস্থায় বিএনপি দলগতভাবে অংশ না নিলেও মেয়র পদে প্রার্থীতা নিয়ে কোনো সমঝোতা বা সিদ্ধান্ত আপাতত হচ্ছে না বলে সূত্র জানিয়েছে।তবে, বিএনপির একটি বড় অংশ আরিফুল হক চৌধুরীকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে চান।
এর কারণ হিসেবে মহানগর বিএনপির এক শীর্ষ নেতা জানান, সিলেটে এম সাইফুর রহমানের সব উন্নয়ন কার্যক্রম আরিফুল হক চৌধুরীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন হয়েছে। এছাড়াও আরিফুল সিটি কাউন্সিলর ছিলেন বলে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি যোগ্যাতায় এগিয়ে। প্রার্থী হিসেবে অনেক আগ থেকেও প্রচারণা চালিয়েছেন আরিফুল।অপরদিকে, জেলা বিএনপির বেশিরভাগ নেতাই এখন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সামসুজ্জমান জামানকে প্রার্থী হিসেবে যোগ্য মনে করছেন। এ নিয়ে তারা প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।তবে, এই দুইজন ছাড়াও মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি নেতাদের এ পর্যন্ত প্রচারণা চালাচ্ছেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসিম হোসেইন, সহ সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কমিশনার আবদুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন সিলেটসহ ৪ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সিলেটে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে প্রার্থীরা মনোয়ন পত্র সংগ্রহ শুরু করেছেন। নির্বাচন অফিস নির্বাচনে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সিলেটের আলাপ.কম
এর কারণ হিসেবে মহানগর বিএনপির এক শীর্ষ নেতা জানান, সিলেটে এম সাইফুর রহমানের সব উন্নয়ন কার্যক্রম আরিফুল হক চৌধুরীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন হয়েছে। এছাড়াও আরিফুল সিটি কাউন্সিলর ছিলেন বলে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি যোগ্যাতায় এগিয়ে। প্রার্থী হিসেবে অনেক আগ থেকেও প্রচারণা চালিয়েছেন আরিফুল।অপরদিকে, জেলা বিএনপির বেশিরভাগ নেতাই এখন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সামসুজ্জমান জামানকে প্রার্থী হিসেবে যোগ্য মনে করছেন। এ নিয়ে তারা প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।তবে, এই দুইজন ছাড়াও মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি নেতাদের এ পর্যন্ত প্রচারণা চালাচ্ছেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসিম হোসেইন, সহ সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কমিশনার আবদুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন সিলেটসহ ৪ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সিলেটে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে প্রার্থীরা মনোয়ন পত্র সংগ্রহ শুরু করেছেন। নির্বাচন অফিস নির্বাচনে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সিলেটের আলাপ.কম
খবর বিভাগঃ
রাজনীতি
সর্বশেষ সংবাদ
সারাদেশ
.jpg)
0 comments:
পাঠকের মতামতের জন্য কানাইঘাট নিউজ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়