Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Thursday, July 23

জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি অধিবেশন ৩০ জুলাই

জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি অধিবেশন ৩০ জুলাই


সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে কানাইঘাটে কার্যনির্বাহী কমিটির সভা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির জরুরি অধিবেশন আগামী ৩০ জুলাই ২০২৬ ইং, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে এ অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছে।

গত ১৬ জুলাই ২০২৬ ইং, বৃহস্পতিবার বাদ যোহর জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মাওলানা নজরুল ইসলাম তোয়াকুলী দলের আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা আলিমুদ্দীন শায়খে দুর্লভপুরীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎ শেষে দলের কার্যক্রম বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আগামী ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রধান দফতর জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দারুল হাদিস কানাইঘাট মাদরাসা মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি অধিবেশন আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা শামসুদ্দীন দুর্লভপুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও হরিপুর বাজার মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা হিলাল আহমদ শায়খে হরিপুরী, সহ-সভাপতি মাওলানা আজমত উল্লাহ আকুনী, কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুবাশ্বির রামপ্রসাদী, কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল ও ঐতিহ্যবাহী লাফনাউট মাদরাসার নাযিম মাওলানা ফয়জুল করিম লামাকুটাপাড়ি, কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ক্বারী মাওলানা হারুনুর রশীদ চতুলী এবং মাওলানা এনামুল হাসান সোনাপুরীসহ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলরা।( বিজ্ঞপ্তি)

Thursday, June 18

জুবাইদা রহমান রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করছেন

জুবাইদা রহমান রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করছেন

 


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ডা. জুবাইদা রহমান আপন মেধায় এবং মননে উদ্ভাসিত এক মহীয়সী নারী।

ডা. জুবাইদা রহমান জন্মদিনের আড়ম্বরতা বা জাঁকজমক আয়োজন সমর্থন করেন না জানিয়ে মঈন খান আরও বলেন, আজকের এই জন্মদিনেও সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে। জুবাইদা রহমান মেধাবী প্রজন্ম তৈরিতে সব সময়ই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণ এবং রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দিনটি উপলক্ষ্যে রাজধানীর মহাখালী টি অ্যান্ড টি মহিলা কলেজ মিলনায়তনে কোরআন খতম, শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ, পথ শিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণ এবং গাছের চারা রোপন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পরে ড. আব্দুল মঈন খান কলেজ মাঠে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে নিম গাছ রোপন করেন। পথশিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সহ সম্পাদক ডাক্তার পারভেজ রেজা কাঁকন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক কৃষিবিদ মাহবুবুল হক বাচ্চু, ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার উমাশা উমায়ুন চৌধুরী, সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাইদ খান।

এর বাইরে যুবদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার গালিব হাসান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) যুগ্ম মহাসচিব ডাক্তার ফারুক আহমেদ, ড্যাবের আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, ড্যাবের সহ প্রচার সম্পাদক ডা. ইকরামুল ইসলাম সৌরভ, ডাক্তার মেহেদী হাসান, সরকারি মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. তানজিম রুবায়েদ আফিফ, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্য মাহমুদুল হাসানসহ তিনটি মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Wednesday, June 17

পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, অথচ জামায়াত এমপি জন্মেছেন ১৯৮১ সালে!

পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, অথচ জামায়াত এমপি জন্মেছেন ১৯৮১ সালে!

 


জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংসদে দেওয়া তার নিজের দাবি এবং নির্বাচনী হলফনামায় উল্লিখিত জন্মতারিখের মধ্যে এক বিশাল ও অবাস্তব অসঙ্গতি প্রকাশ পাওয়ায় এই বিতর্কের সূত্রপাত।

মূল ঘটনার সূত্রপাত ঘটে জাতীয় সংসদের একটি অধিবেশনে মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের ওপর আলোচনার সময়। ওই অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীকে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে আইনগতভাবে চিহ্নিত করার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এমন প্রেক্ষাপটে সংসদে নিজের অবস্থান ও বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে এমপি আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার নিজের পরিবারের অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল অবদান রয়েছে।

গত ১৪ জুন সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করে দেওয়া সেই বক্তব্যে তিনি বলেন, 'আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা (বাবা-চাচা) ৭ ভাই, ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।'

এই চাঞ্চল্যকর বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই সচেতন মহল ও অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তিরা তার নির্বাচনী হলফনামা এবং ব্যক্তিগত নথিপত্র খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। আর তাতেই বেরিয়ে আসে এক অবিশ্বাস্য ও গাণিতিকভাবে অসম্ভব এক বৈপরীত্য। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তার হলফনামা এবং উন্মুক্ত তথ্যকোষ উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমের জন্ম তারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি।

নিজের বক্তব্যের শেষ দিকে এই সংসদ সদস্য নিজেও বলেন, তার জন্ম ১৯৮১ সালে।

এই জন্মসাল সামনে আসার পরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তার বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। নেটদুনিয়ায় তীব্র সমালোচনা ও ট্রল করে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যদি তার পিতা শহীদই হয়ে থাকেন, তবে যুদ্ধ শেষ হওয়ার দীর্ঘ ১০ বছর পর অর্থাৎ ১৯৮১ সালে আব্দুল মুনতাকিমের জন্ম কীভাবে সম্ভব হলো?

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা হিসাব কষে বলছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের হিসাব অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ৪৪ বছর ১১ মাস, যা ১৯৮১ সালের জন্মতারিখের সাথে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বা যুদ্ধে শহীদ হওয়া কোনো পিতার পক্ষে ১৯৮১ সালে সন্তান জন্ম দেওয়া কেবল অলৌকিক বা গাণিতিকভাবেই অসম্ভব নয়, বরং এটি একটি চরম ও হাস্যকর মিথ্যাচার।

সংসদে দেওয়া এই স্ববিরোধী বক্তব্য নিয়ে এখন পর্যন্ত জামায়াত নেতা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বা তার দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

Tuesday, June 16

আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনোই একসঙ্গে যায় না: মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনোই একসঙ্গে যায় না: মির্জা ফখরুল

 


আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি এবং যাবেও না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি বিপ্লবী দল নয়, এটা লিভারেল ডেমোক্রেট পার্টি। যা সবাইকে ধারণ করে।

এসময় বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্র পুনরায় চালুর চেষ্টা করতে হবে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করছে। অন্যদিকে, মালিকপক্ষের লোকেরা অনেক সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করছেন।

তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি ও সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচার চলাচ্ছে। সবাই মিলে এসব অপপ্রচার রুখে দিতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এসময় ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারে বিশেষ কমিটি চায় বিরোধী দল

সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারে বিশেষ কমিটি চায় বিরোধী দল

 


বিদ্যমান সংবিধানে আংশিক সংশোধনের পরিবর্তে সামগ্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে সংসদীয় বিশেষ কমিটি চায় বিরোধী দল। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার সংবিধান সংস্কার কমিটির সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিলে তবেই বিরোধী দল এতে অংশ নেবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদের এলডি হলে সংসদ বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এ কথা বলেন তিনি। এ সময় বিরোধী দলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মাদ তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই সনদ’ সংসদে বাস্তবায়ন করা না হলে তা রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করা হবে। আমরা নরম বিরোধী দলও না, আবার গরম বিরোধী দলও না। জনগণ একটি যৌক্তিক বিরোধী দলের ভূমিকা দেখতে পাবে।

তিনি বলেন, বিরোধী দল সংসদে গণভোটের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়ন, ব্যাংকিং খাতের সংকট, প্রবাসীদের সমস্যা এবং সীমান্তে পুশ ইনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ দিয়েছে। প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, মার্চে উপস্থাপনের কথা থাকলেও জুনে সম্পূরক বাজেট পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মাধ্যমে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। অর্থবছরের শেষ দিকে তড়িঘড়ি করে বিপুল অর্থ ব্যয় অপচয় ও অনিয়মের ঝুঁকি বাড়ায়। অর্থবছর জুন-জুলাইয়ের পরিবর্তে ডিসেম্বর-জানুয়ারি করলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন ইস্যু অত্যন্ত সংবেদনশীল হলেও এ বিষয়ে সংসদে দেওয়া নোটিশ নিয়ে গড়িমসি করা হচ্ছে। এমনকি একপর্যায়ে নোটিশটি সংসদের কার্যসূচি থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপ্রয়োজনীয় প্রশংসা বা স্তুতি করে সংসদের সময় নষ্ট করা উচিত নয়। জনগণের পক্ষে কথা বলাই সংসদ সদস্যদের প্রধান দায়িত্ব। অতীতে দেশে একদিকে সরকারনির্ভর বিরোধী দল, অন্যদিকে সংসদ বর্জন ও সংঘাতমুখী বিরোধী দলের চর্চা দেখা গেছে। এ দুই ধারার কোনোটি অনুসরণ করবে না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের স্বার্থে যৌক্তিক বিষয়ে সরকারকে সমর্থন দেওয়া হবে, প্রয়োজনে সমালোচনাও করা হবে। আমরা বগলদাবা বিরোধী দল হবো না, আবার এমন আচরণও করব না যাতে জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়। প্রয়োজনে ওয়াকআউট করা হলেও দীর্ঘমেয়াদি সংসদ বর্জনের পথে না যাওয়ার কথাও জানান তিনি।