Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts

Friday, April 26

আইফোনে ফেসবুক ‘চ্যাট হিডস’ অ্যাপ

আইফোনে ফেসবুক ‘চ্যাট হিডস’ অ্যাপ

এবারে আইফোন এবং আইপ্যাডের জন্য ফেসবুক চ্যাট নিয়ে এল ফেসবুক। শুধু অ্যানড্রইড ঘরানা নয়, বরং অ্যাপল ঘরানার ভোক্তাদের লাইভ চ্যাট সুবিধা নিশ্চিত করতেই এ অ্যাপ তৈরি করেছে ফেসবুক। সংবাদমাধ্যম সূত্র এ তথ্য দিয়েছে।

এ অ্যাপের মাধ্যমে কাজের সময়েও ফেসবুক চ্যাট অব্যাহত রাখা যাবে। এতে বারবার লগইন ও লগআউটের ঝামেলা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। ‘চ্যাট হিডস ’ নামে এ অ্যাপ ফিচারে পপআপ করে চ্যাট উপভোগ করা যাবে আইফোন এবং আইপ্যাডে।

ঘরোয়া ভোক্তাদের জন্য হোম অ্যাপ তৈরির ঘোষণায় এ সেবাভুক্ত হচ্ছে ফেসবুক। অ্যানড্রইড সিস্টেমের জন্য ফেসবুক অ্যাপ থাকলেও অ্যাপল ঘরানার পণ্যের জন্য এটি নব্য সংযোজিত চ্যাট সার্ভিস।

এরই মধ্যে অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে এ ‘চ্যাট হিডস’ পাওয়া যাচ্ছে। তবে এ অ্যাপ পুরোপুরি কার্যকর হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে ফেসবুক সূত্র জানিয়েছে।
৯ মাসেই ১০০ কোটিতে পৌঁছবে অ্যানড্রইড!

৯ মাসেই ১০০ কোটিতে পৌঁছবে অ্যানড্রইড!

স্মার্টফোনের জোয়ারে ভাসছে অ্যানড্রইড। স্মার্টফোনের মানেই যেন অ্যানড্রইড। রাতারাতি বিশ্বপ্রযুক্তির চেহারা বদলে এ সিস্টেম অতীতের সব রেকর্ডকেই ছাড়িয়ে গেছে।

আগামী ৯ মাসের মধ্যেই আরও ১০০ কোটি অ্যানড্রইড সিস্টেমের পণ্য বাজারে আসবে। এমনটাই বললেন গুগল নির্বাহী চেয়ারম্যান এরিক স্মিড।

প্রসঙ্গত, গুগলের তত্ত্ববধানে পাঁচ বছর আগেই অ্যানড্রইড সিস্টেম আত্মপ্রকাশ করে। শুরুতে আলোড়ন না তুললেও এখন বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। এক অ্যানড্রইডই বিশ্বের পিসির বাজারে ধস নামে। এখানে জায়গা করে নেয় স্মার্টফোন।

এ প্রসঙ্গে গুগল নির্বাহী চেয়ারম্যান এরিক স্মিড বলেন, আসছে ৬ থেকে ৯ মাসের ব্যবধানে নতুন করে ১০০ কোটি অ্যানড্রইড গ্রাহক তৈরি হবে। আর এ সংখ্যা দ্বিগুণ হতে সময় লাগবে ১ থেকে বড়জোড় দুবছর।

অ্যানড্রইড সিস্টেমে প্রতিদিনই নিত্যনতুন চমক আর্বিভূত হয়। এ মুহূর্তে বিশ্বের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটিং সিস্টেম অ্যানড্রইড। আর বিশ্বব্যাপী অ্যানড্রইড সিস্টেম ভোক্তার সংখ্যা ৭৫ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০ কোটি গ্রাহকের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে গুগলের অ্যানড্রইড।
অচিরেই ৫টি দেশে মজিলা ফায়াফক্স অপারেটিং সিস্টেম

অচিরেই ৫টি দেশে মজিলা ফায়াফক্স অপারেটিং সিস্টেম

মজিলার ফারাফক্স অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) ঘোষণার পর পণ্যটি সম্পর্কে এ মুহূর্তের তথ্য এটি প্রথম “অপেন ওয়েব”র সমস্ত পণ্যে চলবে। মজিলার পরিকল্পনা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান যে ‘উন্মুক্ত-মোবাইল প্লাটফর্মে’ এ বছরই আসছে পণ্যটি।

অল থিঙ্কসডি প্রতিবেদনে নিশ্চিতভাবে জানানো হয় ‘ফায়ারফক্স ওএস’ প্রথমত বিশ্বের উত্থানশীল বাজারগুলোতে পৌছাবে। কারণ যেসব যায়গায় ফায়ারফক্স শক্তিশালী অস্তিত্ব করতে সক্ষম হয়েছে তা পর্যবেক্ষণে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তথ্য মতে, আগামী ১১ জুন থেকে পণ্যটি প্রকাশের কাজ শুরু হবে। মজিলার তালিকায় থাকছে ভেনিজুয়েলা, পোলেন্ড, পর্তূগাল, স্পেন এবং ব্রাজিল।

এদিকে এলজি, হুয়াওয়ে, অলক্যাটেল এবং সনির মত নামিদামি স্মার্টফোন প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান সম্মতি দিয়েছে  ফায়ারফক্স প্লাটফর্মে নির্দিষ্ট স্মার্টফোন প্রকাশ করবে তাদের ব্র্যান্ড নামের অধীনে।

উল্লেখ্য, এ বছরের মোবাইল ওয়ার্ল্ড কঙগ্রেসে অরক্যাটল এবং জেডটিই নিজ নিজ ফায়ারফক্স ওএস হ্যান্ডসেট প্রদর্শন করে। যে সময় জেডটিই ‘উন্মুক্ত হ্যান্ডসেট’ সম্পর্কে জানায় এটি বিশ্বের প্রথম মজিলা ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম চালিত হ্যান্ডসেট হবে। তথ্য মতে, জেডটিই’র প্রধান প্রযুক্তি বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের অফিসিয়াল জেডটিই প্রেস সেন্টারে পাওয়া গেছে।

এছাড়া প্রত্যাশিদের চাহিদা অনুযায়ী ‘ওএস’টি হবে ওপেন সোর্স এবং ওয়েব স্টাইল ইউজার ইন্টারফেস সুবিধা প্রদান করবে। স্পষ্ট বিষয়ের মধ্যে আরেকটি সুবিধাজনক বিষয় হচ্ছে নির্দিষ্ট প্লাটফর্মের জন্য অ্যাপস তৈরিতে উন্নয়কদের পে করতে হবেনা তবে অ্যাপলের আইওএস’র অনুরুপ নয়। যার ফলে ফায়ারফক্স স্মার্টফোন কার্যকারিতা সক্রিয় এবং গতিশীলভাবে বাড়িয়ে নেওয়া যাবে।

কিন্তু বর্তমান পাওয়া তথ্যের সারিতে ফায়ারফক্স ওএস ভিত্তিক সব ফোনের দাম কেমন হতে পারে সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ নেই।

অবশ্য বাজার বিবেচনামুলক দাম আশা করা যেতে পারে এমনটা আশার কথা বলছে বিশ্লেষকরা। কারণ বিগত বছরগুলোতে মজিলা পণ্যে নির্ধারিত মূল্য বিবেচনা করলে এটাই অনুমান করা যায়।
অনলাইনে মিডিয়াসহ সবই হবে ২০২০ সালে

অনলাইনে মিডিয়াসহ সবই হবে ২০২০ সালে

ইন্টারনেটের বয়স ৪০ পেরিয়েছে। সাইবার আক্রমণ, মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট এবং নতুন মোবাইল অ্যাপলিকেশনের হাত ধরে আজ বিশ্বের অবিচ্ছেদ্য একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম।

আসছে ২০২০ সালে এটি হবে অপরিহার্য। অর্থাৎ বিশ্বের অধিকাংশ নাগরিকের কাছেই পৌঁছে যাবে ইন্টারনেটের সুফল। গুগল চেয়ারম্যান এরিক স্মিডও এমনই বক্তব্য ছুড়ে সারাবিশ্বে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন।

ব্যবসা, বিপণন এবং ভার্চুয়াল যোগাযোগ এ তিন পথই এখন ইন্টারনেটের দখলে। ইন্টারনেট অদূর ভবিষ্যতে  বিশ্বের পুরো কার্যক্রমকেই শাসন ও নিয়ন্ত্রণ করবে। গবেষকেরা এসব তথ্য ব্যাখ্যা দিয়েই সুস্পষ্ট করে চলেছেন।

এ মুহূর্তে বিশ্বের ১৭০ কোটি সক্রিয় ইন্টারনেট গ্রাহক আছে। আর বিশ্বের জনসংখ্যা এখন ৬৭০ কোটি। তাই নিশ্চিতভাবেই ২০২০ সালের ইন্টারনেট জনসংখ্যা বিশ্বের মূল জনসংখ্যার কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। তখন মিডিয়াসহ সবই হবে অনলাইনে।

এ ভবিষ্যৎ ভাবনায় ২০২০ সালে ইন্টারনেট জনসংখ্যা হবে ৫০০ কোটি। দ্য ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন এ তথ্য দিয়েছে। সুতরাং অনলাইন কারিগরি শৈলীতে এটি বিশ্বের সামনে নব যুগের সূচনা করবে।

অনলাইনে গবেষকেরা বলছেন, ২০১০ সালের আগামী ১০ বছরে ইন্টারনেট বিশ্বের বিপ্লব সূচিত হবে। বিশ্বের উন্নত আর উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে ক্রমেই ডিজিটাল বৈষম্য কমে আসবে। ইন্টারনেট ব্যবহারের গাণিতিক প্রবৃদ্ধিতে আফ্রিকা ৬.৮, মধ্যপ্রাচ্যে ২৮.৩ এবং এশিয়া ১৯.৪ ভাগ এগিয়েছে।

২০২০ সালে বিশ্বের বহু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত হবে। এ জন্য মোবাইল ফোন হবে সবচেয়ে সক্রিয় মাধ্যম। আর ইন্টারনেট সংস্কৃতিতে বহু ভাষার অবাধ চর্চা হওয়ায় গ্রাহক সংখ্যাও বাড়বে।

শুধু স্থবির কম্পিউটার নয়, তারহীন ইন্টারনেট এবং স্মার্ট পণ্যের বদৌলতে বিশ্ব এখন তথ্য ও যোগাযোগের অপ্রতিরোধ্য সংযোগমাধ্যম। ইন্টারনেট সংযুক্ত আছে এমন কম্পিউটারের সংখ্যা এখন ৫৭ কোটি ৫০ লাখ। সিআইএ ফ্যাটবুক সূত্র এ তথ্য দিয়েছে।

চৌম্বক আবহের নেটওয়ার্কের পিছু ছুটবে বিশ্বের ইন্টারনেট গতিপ্রকৃতি। এ নেটওয়ার্কে সংশ্লিষ্ট কারো দূরে সরে থাকা সত্যিই কঠিন হবে।

এদিকে ১৬ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশে এখন সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুকের নিবন্ধিত গ্রাহক ৩৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। প্রসঙ্গত, ২০০০ সালে বাংলাদেশের সক্রিয় ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ১ লাখের কাছে। কিন্তু ২০১২ সালের শেষদিকে এসে তা ৮১ লাখের পেরিয়ে গেছে। জনসংখ্যার হিসাবে এ প্রবৃদ্ধি শতকরা ৫ ভাগ।

এ ইন্টারনেট প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশও ২০২০ সালে সফলভাবেই এগিয়ে যাবে। আর এ লক্ষ্যের পথ ধরে এগোবে ২০২১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের স্বপ্নও। নিশ্চিতভাবেই এ অর্জনে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যম আয়ের দেশে তালিকাভুক্ত হবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা।