Showing posts with label দর্শনীয় স্থান. Show all posts
Showing posts with label দর্শনীয় স্থান. Show all posts

Saturday, September 28

সৌদি ভ্রমণে একাই যেতে পারবেন নারীরা

সৌদি ভ্রমণে একাই যেতে পারবেন নারীরা

 


মানুষ সামাজিক জীব হলেও প্রকৃতির সাথে মিশে থাকা বা একা থাকার প্রবণতা কম বেশি সবার মাঝেই লক্ষ করা যায়। আর যে কি না একা ভ্রমণ বা সোলো ট্রাভেলিং জীবনে একবার হলেও করেছেন, নিঃসন্দেহে এটি তার জীবনে সবচেয়ে আনন্দময় অভিজ্ঞতাগুলোর একটি হিসেবে মনের গভীরে দাগ কেটে থাকবে। তবে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একজন ছেলের জন্য একা ভ্রমণ যতটা না সহজ, একজন মেয়ের জন্য ঠিক ততটাই কঠিন। 

তবে সময়ের সাথে, মানসিক এবং সামাজিক সব বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে আসছেন নারীরা; বেরিয়ে পড়ছেন নতুন অভিজ্ঞতা খোঁজে। দেশে কিংবা বিদেশে, কোথাও বেড়াতে গেলে নারীরা সবার প্রথমে যেটা নিশ্চিত করেন তা হচ্ছে, সুরক্ষা ও নিরাপত্তা। সে সব দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবকে এখন শীর্ষে রাখতেই হয়।  

চলুন, সৌদিতে নারীদের জন্য সুরক্ষিত এবং দর্শনীয় এমন কয়েকটি স্থানের নাম এবং সেখানকার অভিজ্ঞতার বিস্তারিত তথ্যাদি জেনে নেই।
  
ঐতিহাসিক জেদ্দা 
সৌদি আরবের প্রাচীন শহর জেদ্দা যেন আরবের বুকে এক লুকানো রত্ন। এটি পশ্চিম দিকে মক্কা থেকে মাত্র ঘণ্টাখানেক দূরে লোহিত সমুদ্রতীরে অবস্থিত। উপকূলীয় এই শহরটির আরেক নাম ‘মক্কার প্রবেশদ্বার’। অতীতের সব প্রাচীন বিস্ময় আর বর্তমানের জীবন্ত সংস্কৃতি যেন মিলেমিশে পথ চলছে জেদ্দায়। ইউনেস্কো স্বীকৃত সৌদির আটটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের একটি হিসেবে ২০১৪ সালে যুক্ত হয় জেদ্দা। এখানকার গোলকধাঁধার মতো ব্যস্ত রাস্তা থেকে সরু গলিগুলো ঘেরা চমৎকার প্রবাল-পাথরের দালানে। ‘রাওয়াশিন’ নামে পরিচিত বারান্দাগুলোর কাঠের জটিল নকশা। এখানকার প্রাচীন বাড়িগুলোর বেশিরভাগই আধুনিক আর্ট গ্যালারি কিংবা ক্যাফে।
এই বছরই ঐতিহাসিক জেদ্দায় একটি বুটিক হোটেল হিসেবে উদ্বোধন করা হয়েছে নাম, ‘বেইত জোখদার’। এক সময় সাধারণ জেদ্দাবাসীদের বসবাস ছিল এই বাড়িগুলোয়। প্রতিটি বাড়ি অত্যন্ত যত্ন সহকারে পুনরুদ্ধার করে পর্যটকদের বসবাসের উপযোগী করে তুলেছেন সেখানকার ইতিহাসবিদ, স্থানীয় শিল্পী, কারিগর এবং স্থপতিদের একটি দল। এখানকার অন-সাইট রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সৌদি খাবারের স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন অতিথিরা। আর ছাদের বারান্দায় বিশ্রাম নিতে নিতে উপভোগ করতে পারবেন সুস্বাদু কফি। 

পাথরের শহর হেগরা 
মরুভূমি ঘেরা হেগরা শহরের অবস্থান সৌদি আরবের আল-উলা প্রদেশে। শহরটি তৈরি করেছিল আরবের প্রাচীন জনপদ নাবাতেনরা। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত সৌদির সর্ব প্রথম স্থান এটি। প্রায় ২ হাজার বছরের প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী এখানকার ১১১টি সমাধি। প্রতিটিতেই দেখা মিলে পাথরে খোদাই করা আরবীয় শিলালিপির নকশা। দিনভর ঐতিহাসিক নানান জায়গা চষে বেড়াতে পারবেন হেগরায়। রাউইস নামে পরিচিত, স্থানীয় গল্পকারদের থেকে শুনতে পারবেন নাবাতিয়ানদের গল্প। আল-উলার ওল্ড টাউনে ঘুরে দেখতে পারবেন হাজার বছরের পুরানো কাদামাটির ভবনের ধ্বংসাবশেষ।  

এ বছর টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থানগুলোর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে হেগরার ডার ট্যানটোরা হোটেল। এর অবস্থান, ওল্ড টাউনের সংস্কার করা একটি অংশে। ঐতিহ্যবাহী কাদামাটির কাঠামোকে ভেতরের দিক থেকে বুটিক স্টাইলের আবাসনে রূপান্তরিত করা হয়েছে। 

লোহিত সাগরের রাজ্য 
৯০টিরও বেশি দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ, অপূর্ব সব সৈকতপ্রান্তর এবং ছোট-বড় নানা আকারের মরুভূমি টিলা, সব মিলিয়ে অপূর্ব রূপ সৌদির লোহিত সাগরের। এর তলদেশে ২৮ হাজার বর্গকিলোমিটার বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে রয়েছে লুকানো এক রাজ্য। গাঢ় নীল পানির গভীরে রঙিন  এক বাস্তুতন্ত্রের বাস। সেখানে দেখা মিলে বিরল প্রজাতির প্রবালে ঘেরা প্রাচীর, সুপ্ত আগ্নেয়গিরি, প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং বিশাল পর্বতের গিরিখাত। এখানে হোটেলের নিজস্ব পুলতো পাবেনই, সাথে সত্যিকার অভিযান চাইলে অংশ নিতে পারেন সেইলিং, স্নরকেলিং, কায়াকিং, উইন্ডসার্ফিং এবং প্যাডেলবোর্ডিংয়ের মতো উত্তেজনাপূর্ণ বিভিন্ন জলক্রীড়ায়। লোহিত সাগরের বুকে একটি নির্জন ব্যক্তিগত দ্বীপে অবস্থিত স্ট. রেজিস রেড সি রিসোর্ট। পানির ওপর বিলাসবহুল ভিলায় ঘেরা এই রিসোর্ট থেকে সরাসরি চলে যেতে পারবেন সেরা সব ডাইভিং স্পটগুলোতে। ডুবে বেড়াতে পারবেন স্বচ্ছ সমুদ্রের তলদেশ। 

দিরিয়াহ 
সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাস্থল দিরিয়াহ, যার আরেক নাম ‘পৃথিবীর শহর’। শহরটি অবস্থিত রিয়াদে প্রদেশে। শহরটির কেন্দ্রে অবস্থিত ইউনেস্কো  ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত আত-তুরাইফ। জায়গাটিকে সৌদি সংস্কৃতির আঁতুড়ঘর বলা হয়। এখানকার প্রতিটি কাঠামো নিজস্ব গল্প বলে; প্রতিফলিত করে প্রাচীন সৌদি সভ্যতার উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও সহনশীলতা, জীবনযাপন এবং সমাজ গড়ে তোলার গল্প। ঐতিহাসিক থেকে আধুনিক নানা ধরনের আরবীয় খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে যেতে হবে, বুজাইরি টেরেসে। এখানকার দুইটি সাধারণ রেস্তোরাঁ, তকিয়া এবং মাইজ-এর কথা না বললেই নয়! স্থানীয় শিল্প ও নিদর্শনগুলো খুঁজে পাবেন গ্যালারিতে। ঐতিহাসিক আরবি ক্যালিগ্রাফি শিখে বিশেষ দিরিয়াহ ফন্টে লিখে নিতে পারেন আপনার নামও। 

দিরিয়াহ ভ্রমণের সবচেয়ে মোক্ষম সময় শীতকাল। থাকার জন্য বেছে নিতে পারেন, দিরিয়াহ-এর সবচেয়ে সুপরিচিত স্থাপত্য কিংডম সেন্টারের ফোর সিজনস হোটেলে। এছাড়াও, নির্মাণাধীন আছে বাব সামহান নামে আরও একটি হোটেল। 

নারীদের বিশেষ দল 
রিয়াদ থেকে আল-উলা হয়ে জেদ্দার সফরে একা যেতে চাইলে যোগ দিতে পারেন নারীদের বিশেষ একটি দলে। সৌদির বিভিন্ন প্রাকৃতিক বৈচিত্র এবং ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট জুড়ে নারীদের জন্য একটি বিশেষ অভিজান চালু করেছে ইন্ট্রেপিড ট্রাভেলারস। সফরে আরবীয় ইতিহাসের পথ ধরে যেতে যেতে স্বাদ নিতে পারবেন মুখরোচক নানা খাবারের, পরিচিত হতে পারবেন স্থানীয় নারীদের সাথে। ঘুরে দেখতে পারবেন বিশেষ একটি লেবুর খামার, অংশ নিতে পারবেন রান্নার ক্লাসে। এছাড়াও আছে মাটির পাত্র তৈরির কর্মশালা। স্থানীয় নারী গাইডরা শোনাবে শহরগুলোর গল্প। আর জেদ্দায় দেখা হবে সৌদির প্রথম নারী গাইডের সাথে। থাকবে নৌভ্রমণ ও স্নরকেলিং এর মত আনন্দময় সব ব্যবস্থা।  

নির্দিষ্ট কোন পোশাকবিধি আছে কি? 
অনেকেরই ধারণা, সৌদিতে ঘুরতে গেলেই পরতে হবে আবায়া। তবে সেটি ঠিক নয়। সময়ের সাথে সাথে সৌদি আরবে ফ্যাশনেও এসেছে অনেক পরিবর্তন। তবে সৌদি নারীরা সাধারণত শালীন পোশাক পরেন, যেমন হাতাসহ টপস এবং হাঁটুর নিচ অব্দি স্কার্ট বা প্যান্ট। এ ধরনের পোশাক সূর্যের তাপ থেকে ত্বককে রক্ষা করে। লম্বা ঢিলেঢালা পোশাক, স্কার্ট, কার্ডিগান, ঢিলেঢালা সুতি শার্ট, লিনেন প্যান্ট, সানগ্লাস, সান হ্যাট, সানক্রিম এবং লিপ বাম সঙ্গে নিলেই চলবে। 
  
পরিকল্পনা ও যাতায়াত
ঝামেলাহীন পরিকল্পনার জন্য সৌদি ট্যুরিজম অথরিটি স্বাস্থ্যসেবা, কল করার উপায় এবং প্রয়োজনীয় নম্বরসহ নানা প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে। সৌদি আরবে যাতায়াত বেশ নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং সহজ। ট্যাক্সি ছাড়াও রাইড-শেয়ারিং অ্যাপ উবার এবং কারিম সর্বত্রই পাওয়া যায়। আর নিজে গাড়ি চালাতে চাইলে হার্টজ, বাজেট বা এভিসের মতো কোম্পানির কাছ থেকে সহজেই গাড়ি ভাড়া নিতে পারেন। শুধু ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং ক্রেডিট কার্ড সাথে রাখতে হবে এবং বীমা কিনে নিতে হবে।

Friday, September 27

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: 

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হবে দিবসটি। শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবসটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘পর্যটন শান্তির সোপান’। পর্যটনের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উপযোগিতাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া এই দিবসের লক্ষ্য।

ভ্রমণপিপাসুরা বলছেন, স্পটগুলো পর্যটকদের কাছে নিরাপদ করে তুলে ধরতে পারলেই দেশের পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। এমনকি দেশের বাইরে থেকেও আমাদের দেশে প্রচুর পর্যটক আসবে।

পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেসরকারি উদ্যোগে পর্যটকদের জন্য নানা উদ্যোগ তারা নিয়েছেন এবং নিচ্ছেন। দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলো নিরাপদ করতে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। সরকার এ বিষয়ে মনোযোগী হলে দেশের পর্যটকরা বিদেশের প্রতি আকৃষ্ট কম হবেন।

এদিকে, পর্যটন দিবসে সারা দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে এক ছাদের নিচে আনতে দিনব্যাপী বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। এ উৎসবে এয়ারলাইন্স, হোটেল, রিসোর্ট, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, ট্যুরিস্ট-ভেসেল, ট্রাভেল এজেন্ট ও ট্যুর অপারেটর প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। অংশগ্রহণ করবে বিভিন্ন জেলার পর্যটন পণ্য ও সেবা প্রদানকারীরা।

কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে, র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৭টায় আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সামনের সড়কে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হবে দিবসটি।

এছাড়া প্রতি বছরের মতো এবারও আলোচনা সভার আয়োজন করবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া জানান, বেবিচকের সদর দফতর অডিটোরিয়াম হলে এই দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করা হবে।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডব্লিউটিও) উদ্যোগে ১৯৮০ সাল থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

    Friday, October 4

    পর্যটন ভিসায় সৌদি গিয়ে ভুলেও করা যাবে না যেসব কাজ

    পর্যটন ভিসায় সৌদি গিয়ে ভুলেও করা যাবে না যেসব কাজ

    সম্প্রতি প্রথমবারের মতো পর্যটন ভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। ৪৯টি দেশের নাগরিকরা দেশটিতে ভ্রমণের সুযোগ পাবে। তবে দেশটিতে ভ্রমনে গিয়ে যে কাজগুলো ভুলেও করা যাবে না, সেগুলোর একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। 

    যৌনতা প্রকাশ পায় এমন আচরণ
    এমন কোনো আচরণ করা যাবে না যাতে যৌনতা প্রকাশ পায়। এই ধরনের অপরাধের জন্য গুণতে হবে তিন হাজার সৌদি রিয়াল। একই অপরাধ আবার করার জন্য জরিমানা ছয় হাজার ডলার।
    উচ্চ শব্দে গান বাজানো
    কোনো আবাসিক এলাকায় যথাযথ অনুমতি ছাড়া উচ্চ শব্দে গান বাজানো যাবে না। এক্ষেত্রে এক বা একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ জানালে দায়ীকে শাস্তি পেতে হবে। প্রথমবারের জন্য ৫০০ সৌদি রিয়াল আর পরবর্তীতে প্রত্যেক বারের জন্য এক হাজার রিয়াল করে গুণতে হবে।
    নামাজের সময়ে গান বাজানো
    নামাজের সময় কেউ গান বাজালে ১০০০ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। একই অপরাধে পরবর্তীতে দিতে হবে ২০০০ রিয়াল করে।
    পোষা প্রাণীর বিষ্ঠা
    পোষা প্রাণীর বিষ্ঠা পরিষ্কার না করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এজন্য প্রথমবারের শাস্তি ১০০ রিয়াল জরিমানা, পরবর্তীতে ২০০ রিয়াল।
    যেখানে সেখানে থুথু ও ময়লা ফেলা
    নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া কেউ ময়লা ফেললে কিংবা যেখানে সেখানে থুথু ফেললে ৫০০ রিয়াল জরিমানা করা হবে। দ্বিতীয়বার একই কাজের জন্য ১০০০ রিয়াল গুণতে হবে।
    বয়স্ক আর প্রতিবন্ধীদের আসন
    গণপরিবহনে ভুল করে বয়স্ক আর প্রতিবন্ধীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে বসে গেলেই বিপদ। মাশুল দিতে হবে ২০০ ইউরো। দ্বিগুণ গুণতে হবে একই অপরাধ আবার করলে।
    পাবলিক প্লেসে বাধা অতিক্রম করলে
    পাবলিক প্লেসে কর্তৃপক্ষের ঘেরাও করা জায়গা অতিক্রম করলে একবারেই ৫০০ রিয়ালের জরিমানা। পরবর্তীতে হবে দ্বিগুণ জরিমানা।
    পাবলিক প্লেসে যথাযথ পোশাক পরা
    পাবলিক প্লেসে সৌদি আরবের ড্রেস কোডের সঙ্গে যায় না এমন পোশাক পরা যাবে না। এমনকি পোশাকে অপবিত্র আর অশ্লীল কোনো প্রতীকও থাকা চলবে না। কেউ অন্তর্বাস বা ঘোমানোর পোশাক পরে বাইরে বের হলেও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই তিন ক্ষেত্রেই প্রথমবার ১০০ আর পরবর্তীতে ২০০ রিয়াল করে জরিমানা দিতে হবে।
    পোশাকে নগ্নতা
    পাবলিক প্লেসে আপনার পোশাকে এমন কোনো ভাষা, ছবি বা প্রতীক থাকা যাবে না যা বৈষম্য ও বর্ণবাদ, পর্নগ্রাফি বা মাদকের ব্যবহার উসকে দিতে পারে। এজন্য প্রথমবারই ৫০০ ইউরো গুণতে হবে।
    গণপরিবহন ও দেয়ালে লেখালেখি
    অনুমতি ছাড়া পাবলিক পরিবহন অথবা দেয়ালে লেখালেখি, আঁকাআঁকি করলে প্রথমবারের শাস্তি ১০০ রিয়াল জরিমানা। একই জরিমানা হবে বর্ণবাদী বা কোনো প্রচার সংক্রান্ত স্লোগান বা ছবি দিলেও। ১০০ রিয়াল মাশুল দিতে হবে বাণিজ্যিক প্রচারপত্র বিলি করার জন্যেও।
    কাউকে আক্রমণ করা
    শারীরিক বা মৌখিকভাবে কাউকে আক্রমণ করা যাবে না। এমন কর্মকাণ্ডে কেউ ভয় পেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে ১০০ রিয়াল গুণতে হবে।
    অগ্নি প্রজ্বলন
    ভুল করেও পাবলিক প্লেস বা পার্কে আগুন জ্বালিয়ে ফেললে শাস্তি ১০০ রিয়াল।
    লাইন ভাঙলে ৫০ রিয়াল
    অনুমতি ছাড়া পাবলিক প্লেসের অপেক্ষারত লাইন অতিক্রম করলে ৫০ রিয়াল জরিমানা গুণতে হবে।
    বৈদ্যুতিক বা লেজার বিম ব্যবহার
    বৈদ্যুতিক কোনো কিছু বা লেজার বিম ব্যবহার করে কাউকে ভয় দেখালে বা ক্ষতি করলে প্রথমবারের শাস্তি ১০০ রিয়াল, পরবর্তীতে ২০০ করে।
    ছবি বা ভিডিও তোলা
    অনুমতি ছাড়া কারো ছবি তুললে বা ভিডিও করলে বড় ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একইভাবে অনুমতি ছাড়া তোলা যাবে না দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো ঘটনার ছবি। এসব ক্ষেত্রে প্রথমবারের শাস্তি ১০০০ রিয়াল। একই অপরাধ আবার করলে গুণতে হবে ২০০০ রিয়াল।
    সূত্র: ডয়েচে ভেলে

    Friday, September 13

    পূজার ছুটিতে পোখরা

    পূজার ছুটিতে পোখরা

    ভ্রমণ ডেস্ক  ::

    নেপাল ঘুরে আসবেন ভাবছেন? তাহলে কাঠমান্ডুর পরই গুনতে হবে পোখরা শহরকে। আরাম-আয়েশে ঘুরবেন কিংবা অভিযান চালাবেন, সব কাজেই দারুণ বন্ধুবৎসল এই শহর। কাঠমান্ডু থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরের শহরের নাম পোখরা। আসছে পূজার ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন পাহাড়ি শহরটিতে।

    পোখরাকে বলা হয় ‘মাউন্টেন ভিউ’। সত্যিই তো তাই! এই শহরের চূড়ায় দাঁড়ালেই দেখা দেয় হিমালয় পর্বতমালা। এখান থেকে হেলিকপ্টার ভাড়া করে যাওয়া যায় মুক্তিনাথে। সেখানে গেলে মন মুক্ত পাখির মতো ডানা মেলে উড়তে চায়। খানিকটা দূরত্বে রয়েছে ফেওয়া লেক। পোখরায় বেড়াতে গেলে নেই জায়গাটি হয়ে উঠবে মনোরঞ্জনের কেন্দ্রবিন্দু। ফেওয়া লেকের জলে নৌভ্রমণের আনন্দ নিন। লেকের জলেই পেয়ে যাবেন বারাহি মন্দির।
    ডেভিস ফল নামক একটি জায়গা আছে পোখরায়। এটির ধারে এসে দাঁড়ালে জলকণায় ভিজে যাবে শরীর। এর ঠিক অপর দিকেই রয়েছে মহেন্দ্র গুহা। চুনা পাথর দিয়ে গঠিত এটি। প্রচুর বাদুড়ের দেখা মেলে এখানে। এর কিছুটা দূরে চেমেরি গুহা অবস্থিত।
    রোমাঞ্চকর খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম বাঞ্জি জাম্প। পোখরায় বাঞ্জি জাম্পের সুযোগ অনেক পুরনো আমল থেকেই চালু রয়েছে। দিন দিন তার জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। এছাড়া উপভোগ করতে পারবেন প্যারাগ্লাইডিং। পোখরায় রয়েছে এই অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সুযোগ। অবসর কাটাতে পোখরায় সাইক্লিং করতে পারেন। উপভোগের সঙ্গে দারুণ ব্যায়াম তো হবেই।
    আকাশ ও সড়কপথে নেপাল যাওয়া যায়। আকাশপথে খরচটা বেশি আর সময় ও শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা বেশি হবে সড়কপথে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে কাঠমান্ডু এবং কাঠমান্ডু থেকে ঢাকা চলাচল করে প্রতিদিন। পৌঁছাতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো। কাঠমান্ডু ঘোরা শেষ হলে বাসেই যেতে পারেন পোখরা।

    Monday, August 19

    ঘুরে এলাম লোভাছড়া

    ঘুরে এলাম লোভাছড়া

    রাসেল আল-হাদীঃ
    দিনটি ছিলাে মঙ্গলবার। ঘড়ির কাটায় তখন সকাল ৯টা। সাহিত্য সংগঠন‌'মোহনা পাঠক ফোরাম'এর আয়োজনে আমরা প্রায় ১২০ জন সদস্যের একটি দল রওয়ান হই প্রাকৃতিক নৈসর্গের অপর নাম 'লোভাছড়া'য়। খাসিয়া জৈয়ন্তিয়া পাহাড়ের কোলজুড়ে সবুজ বর্ণিল গাছপালার ঘন রঙে আচ্ছাদিত হয়ে আছে মহান রাব্বুল আলামীন'র অপরুপ নিদর্শন,খনিজ সম্পদে ভরপুর  কানাইঘাটের মুলাগুল ও লোভাছড়া চা বাগান। ইঞ্জিন চালিত নৌকা হঠাৎ হঠাৎ ঢেউ খেলিয়ে চলে যাচ্ছে। নদী কিনারায় কানাইঘাটের বিখ্যাত শাক-সবজির বাগান। দূরে পাহাড়ের বুকে সূর্যরশ্মি। এসব মিলিয়ে যেন আমাদের এক অচীনপুরের দেশ ভ্রমণ। সুরমা পেরিয়ে আমাদের যাত্রা লোভাছড়ায়, শুরু হলো এক চঞ্চলতা, সামনে মনোরম সৌন্দর্য দেখলে চঞ্চলতা তো আসেই। রোদ্রের তাপে ছটফট, আবার নদীর পানি ছিটে ছিটে উঠছে নৌকায়, আছড়ে পড়ছে আমাদের চোখে-মুখে ও হাতে-শরীরে। যেন 'রোদ-মেঘ শিয়াল বুড়ির বিয়া'। এ যেমন আরো মুগ্ধকর বর্ণনাতীত স্বাদ। শুরুতেই হাফ নাস্তা করে সকাল ১১টায় নুনছড়া খাল হয়ে নৌকা ভিড়ে ঝুলন্ত ব্রীজ সংলগ্ন। সুরমা নদীর দু'প্রান্তে কাজ করছে শতশত শ্রমিক, মেশিনের মাধ্যমে উত্তোলন করছে পাথর। দেখার স্বাদই আলাদা। এবার চা বাগানের পথে,বেশ আনন্দ  উপভোগ করছি। ধোলা মাটির রাস্তা দিয়ে যত দূর এগোনো যায়, চোখে পড়ে চা বাগানের মাঝে গাছগুলো সারি সারি সাজানো। এর সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবেনা তা হতেই পারেনা। কী সুন্দর লোভাছড়া! চারদিক সবুজের সমারোহ। সীমান্তের ওপারে মেঘালয়ের পাহাড়গুলো যেন আমাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। রহমতের বৃষ্টি পড়ায় চা'র গাছ হয়ে উঠছে সুজলা, সুফলা ও সবুজের রঙেমাখা। পথ চলতে নজরে পড়ে দুটি মাজার, দেখি শাহ মুখন ও শাহ দয়াল সাবের মাজার, যদিও তাঁদের সাথে পরিচিতি নেই, তবুও সালাম-তিলাওয়াত করে রওয়ানা দিই 'চিন্তারবাজার'র দিকে। কেন জানি বাজারের এ নাম! পথে ঠান্ডার আড্ডা শেষে আবারও নৌকাযোগে মুলাগোল নয়াবাজারের দিকে হারিছ চৌধুরী একাডেমিতে বালিশ / ফুটবল খেলার পর দুপুরের  খাবার ও স্কুলের হল রুমের জম্পেশ আড্ডা শেষে আবার নৌকা যোগে গন্তব্যের পথে। 




    Saturday, August 10

    ঈদের ছুটিতে দক্ষিণবঙ্গে ঘোরাঘুরি

    ঈদের ছুটিতে দক্ষিণবঙ্গে ঘোরাঘুরি

    ঈদ মানেই তো ঘোরাঘুরি! অনেকেই চেষ্টা করেন সময়টাকে কাজে লাগিয়ে মনটাকে উৎফুল্ল করতে। এবারের দীর্ঘ ছুটি কাজে লাগিয়ে ঘুরে আসতে পারেন দক্ষিণবঙ্গ। দেশের যেকোনো জায়গা থেকে সড়ক ও নদীপথে যেতে পারবেন। দেখে নিন এই সময়ে দক্ষিণবঙ্গের কোন জায়গাগুলো ঘোরার জন্য উপযোগী-

    সাতলা
    সাতলা
    সাতলার লাল শাপলা
    বরিশাল শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে উজিরপুর উপজেলা। সেখানেই প্রায় ২০০ একরজুড়ে বিস্তৃত একটি বিল রয়েছে, যা লাল শাপলার রাজ্য নামে সর্বাধিক পরিচিত। তবে এই বিলের মূল নাম ‘সাতলা’। হারতা ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, আষাঢ় থেকে কার্তিক—এই পাঁচ মাস সাতলা বিলে ফোটে লাল শাপলা। ভোর থেকে সকাল আটটা এবং পড়ন্ত বিকেলে শাপলার রূপ-সৌন্দর্য বেশি।
    গত কয়েক বছরে লাল শাপলার এই অভয়ারণ্য ভ্রমণপিপাসুদের কাছে একটি আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠেছে। জায়গাটিতে গেলে দেখতে পাবেন এক নিটল বাংলার মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্যের। সবুজ বিলে লাল শাপলাগুলো দেখে মনে হবে এই বিলের পরতে পরতে হাজার হাজার বাংলাদেশের পতাকা ছড়িয়ে আছে। এমন দৃশ্য দেখে চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারো।
    ভীমরুলি
    ভীমরুলি
    পেয়ারার হাট
    ঝালকাঠি জেলার স্বরূপকাঠি থেকে শুরু, আর কয়েক কিলোমিটার দূরের আটগর-কুরিয়ানায় শেষ হয়েছে এই হাট। সেখানে গেলেই দেখবেন সারি সারি নৌকা। নৌকাগুলোর আকার বেশ ছোট, পেয়ারার ভারে প্রায় ডুবুডুবু অবস্থা। ওই বাজারে প্রতিদিন এভাবেই পেয়ারা বোঝাই শত শত নৌকা নিয়ে বিক্রেতারা খুঁজে বেড়ায় পাইকারদের। যা পর্যটকদের খুব ভালোভাবে আকৃষ্ট করে।
    এটি এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম পেয়ারা বাজার। এখানে শুধু বাণিজ্যই হয় না, এটি এখন জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রও বটে। এ বছর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে জমে উঠেছে এই বাজার। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত জমজমাট থাকবে, এরমধ্যেই ঘুরে আসতে পারেন স্বল্প খরচে।
    করমজল
    করমজল
    সুন্দরবনের করমজল
    একদিনে যারা সুন্দরবন ঘুরতে চান তাদের জন্য করমজল আদর্শ জায়গা। সুন্দরবনের পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের অধীনেই এই পর্যটন কেন্দ্রটি। মংলা থেকে ইঞ্জিন নৌকায় চড়লে করমজলের জেটিতে পৌঁছা যাবে এক থেকে দেড় ঘণ্টায়। পর্যটন কেন্দ্রটির শুরুতেই বিশাল আকৃতির মানচিত্র সুন্দরবন সম্পর্কে সাম্যক ধারণা দেবে। মানচিত্র পেছনে ফেলে বনের মধ্যে দক্ষিণে চলে গেছে আঁকাবাঁকা কাঠের তৈরি হাঁটা পথ। যার নাম মাঙ্কি ট্রেইল।
    করমজলে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে একটি সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার। যার উপরে উঠে সুন্দরবনের উপরিভাগের সবুজাভ নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে যে কেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য। এখানকার কাঠ বিছানো পথটা খুবই পরিচিত। এর দুই ধারে ঘন জঙ্গল। দুই পাশে বাইন, কেওড়া আর সুন্দরী গাছের সারি।
    রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি
    রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি
    রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়ি। কবির জীবন ও সাহিত্যের অনেক কিছুই এই বাড়ির সঙ্গে জড়িত। বাড়িতে প্রবেশ করতেই পাবেন আম, কাঁঠাল, জাম, জামরুল ও তালগাছের শীতল ছায়া। আর ভেতরে প্রবেশ করলেই দেখতে পাবেন রবি ঠাকুরের ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র। সেখানে আরো আছে সেই সময়ের দুর্লভ ছবি, পালকি, পালঙ্ক, তিনি যে নৌকায় চড়ে পদ্মায় ঘুরতেন সেই নৌকাসহ অনেক কিছু।
    পদ্মা নদীর ঢেউয়ের আকৃতির প্রাচীর বেষ্টিত তিনতলার পিরামিড বাড়িটির দিকে দূর থেকে তাকালে মনে হবে, অসাধারণ একটি প্রতিকৃতি যেন কাগজ দিয়ে তৈরি। বাড়িটির চারপাশে রয়েছে সবুজ ঘাসের গালিচা, তার ওপর নানা রঙের ফুল গাছের সমারোহ। আর সৌন্দর্য বিলিয়ে দেয়া ঝাউ গাছ, সেই সঙ্গে পাখির কলতান, আশপাশের প্রাকৃতির সৌন্দর্য যেকোনো পর্যটককে মুগ্ধ করবে।
    ষাটগম্বুজ মসজিদ
    ষাটগম্বুজ মসজিদ
    ষাটগম্বুজ মসজিদ
    বাগেরহাট পুরো জেলাই ইউনেস্কোর হেরিটেজ সাইট। যেখানে আছে ১৫ ও ১৬ শতাব্দীর অসংখ্য মসজিদ। এর মধ্যে ‘ষাটগম্বুজ মসজিদ’ অন্যতম। বাগেরহাট শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোকিটার দূরের সুন্দরঘোনা গ্রামে অবস্থিত ষাটগম্বুজ মসজিদটি। উপমহাদেশের বিখ্যাত ইসলাম প্রচারক খান জাহান আলী নির্মিত মসজিদটির নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই।
    মসজিদে প্রবেশের প্রধান ফটকের ডান পাশে রয়েছে বাগেরহাট জাদুঘর। এখানে প্রাচীন মুদ্রা, পোড়ামটির ফলকসহ খানজাহান আমলের অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে। আছে খানজাহানের দিঘির ঐতিহ্যবাহী ‘কালা পাহাড়’ ও ‘ধলা পাহাড়’ কুমিরের মমি।
     সুত্র ডেইলি বাংলাদেশ

    Saturday, June 22

    মন ভোলাতে ঘুরে আসুন ভোলাগঞ্জ

    মন ভোলাতে ঘুরে আসুন ভোলাগঞ্জ

    বৃষ্টির ভেলায় চড়ে মন ভোলাতে যেতে পারেন ভোলাগঞ্জ। ধলাই নদের অসাধারণ রূপ, সারি সারি পাথর তোলার দৃশ্য, সবুজ পাহাড়ে বন্দী সাদা পাথর আর পাহাড় থেকে পাথরছুঁয়ে গড়িয়ে পড়া স্ফটিক-স্বচ্ছ জল যে দেখবে সে-ই মুগ্ধ হবে।

    এখানে এলে দেখতে পাবেন- চারদিকে সাদার রঙা পাথর আর পাথর। সামনে সবুজ পাহাড়, সেখান থেকে গড়িয়ে পড়ছে প্রচণ্ড স্রোতের স্বচ্ছ শীতল জল, আর সে জলের সঙ্গে আছে সাদা পাথরও। কতটা অপরূপ, কতটা মনোমুগ্ধকর তা বলে বোঝানোর নয়। মন ভোলানো মনোমুগ্ধকর এই ‌ভোলাগঞ্জ সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
    ভোলাগঞ্জে দেশের সর্ববৃহৎ পাথর কোয়ারির অবস্হান। মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে বর্ষাকালে ঢল নামে। ধলাই নদীতে ঢলের সঙ্গে নেমে আসে পাথর। পরবর্তী বর্ষার আগমন পর্যন্ত চলে পাথর আহরণ। এই সাদা পাথরের দেশ দেখতে সিলেট নগরীর আম্বরখানা থেকে সিএনজিতে উঠে ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর এল সি ঘাটে যেতে পারেন। ভাড়া জনপ্রতি ১৪০ টাকা, সময় লাগবে প্রায় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
    স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর বর্ষাকালে জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে সাদা পাথর গড়িয়ে আসে ধলাই নদীতে। তাই এই নদীতে পাথরের বিপুল মজুদ। এই পাথর দিয়ে পঞ্চাশ বছর চালানো যাবে- এই হিসাব ধরে ১৯৬৪-১৯৬৯ সাল পর্যন্ত সময়কালে সোয়া দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে প্রকল্প। সাদা পাথর ও তার স্বচ্ছ জল দেখতে আসা দর্শনার্থীদের কাছে ধলাই নদী ও খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড় আর সীমান্ত এলাকার মতোই সমান জনপ্রিয় রোপওয়েটি। যদিও ১২ বছর ধরে রোপওয়েটির বেকার জীবর-যাপণ।
    মজার ব্যাপা হল, এলাকাটি দেখতে অনেকটা ব-দ্বীপের মতো। ধলাই নদী বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে প্লান্টের চারপাশ ঘুরে আবার একীভূত হয়েছে। এ কারণেই স্থানটি পর্যটকদের কাছে এত আকর্ষণীয়।
    শুষ্ক মৌসুমে এলে দেখা যায় পাথর আহরণের দৃশ্য। প্রধানত গর্ত খুঁড়ে পাথর উত্তোলন করা হয়। ৭/৮ ফুট নিচু গর্ত খোঁড়ার পর কোয়ারিতে পানি উঠে যায়। পানি উঠে গেলে শ্যালো মেশিন দিয়ে কোয়ারির পানি অপসারণ করে শ্রমিকরা পাথর উত্তোলন করে। এর বাইরে ‘শিবের নৌকা’ পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন করা হয়।
     সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

    Thursday, June 13

    চীনা গণমাধ্যমে ষাটগম্বুজ মসজিদ

    চীনা গণমাধ্যমে ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাট নিয়ে গবেষণা, অনুসন্ধান, বিশ্লেষণ কম হয়নি। তারপরও প্রতিনিয়ত তৈরি হয় নতুন গল্প, মেলে নতুন সব তথ্য। উপমহাদেশের বিখ্যাত ইসলাম প্রচারক খান জাহান আলী নির্মিত ‘ষাট গম্বুজ মসজিদ’ এর গম্বুজ কয়টি তা নিয়েও মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। সম্প্রতি চীনা ইংরেজি ভাষার সংবাদ চ্যানেল সিজিটিএন-এ ষাটগম্বুজ মসজিদ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

    শুধু ষাটগম্বুজ মসজিদের বৈশিষ্ট্য ও সৌর্ন্দযই নয়, বাগেরহাটের বিভিন্ন মসজিদের কথাও তুলে ধরা হয়েছে এতে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ অবস্থিত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা বাগেরহাটে। ওই জেলার ৫০ বর্গকিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে ৩৬০টি মসজিদ।
    চীনা এই গণমাধ্যমের প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘দ্য লস্ট সিটি উইথ কমপ্লিট মেমোরিস: মস্ক সিটি অব বাগেরহাট’। এর বাংলা অনুবাদ করলে দাঁড়ায়— স্মৃতিঘেরা হারানো শহর: মসজিদের শহর বাগেরহাট।
    বাগেরহাট পুরো জেলাই ইউনেস্কোর হেরিটেজ সাইট। যেখানে আছে ১৫ ও ১৬ শতাব্দীর অসংখ্য মসজিদ। এর মধ্যে ষাট গম্বুজ মসজিদ, সিঙ্গাইর মসজিদ, রেজা খোদা মসজিদ, জিন্দা পীর মসজিদ, ঠান্ডা পীর মসজিদ, বিবি বেগুনি মসজিদ, চুনাখোলা মসজিদ, নয় গম্বুজ মসজিদ, রণবিজয়পুর মসজিদ, দশ গম্বুজ মসজিদ উল্লেখযোগ্য। এ কারণেই বাগেরহাট শহরকে ইউনেস্কো ১৯৮৩ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

    ওই প্রতিবেদনের কাভারে ব্যবহার করা হয় এই ছবিটি
    ওই প্রতিবেদনের কাভারে ব্যবহার করা হয় এই ছবিটি

    বাগেরহাট জেলার প্রাচীনতম মসজিদ ষাট গম্বুজ মসজিদ। এটি খান জাহান আলী নির্মাণ করেছিলেন, যদিও এই মসজিদের গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। ১৫ শতাব্দীর তৈরি এই মসজিদ রাজমহল থেকে পাথর এনে, অনেক বছর ধরে অনেক অর্থ খরচ করে নির্মিত হয়েছিল। এক গম্বুজ বিশিষ্ট সিঙ্গাইর মসজিদ বাগেরহাটের সুন্দরঘোনা গ্রামে অবস্থিত, এটিও পঞ্চদশ শতকে নির্মিত মসজিদ, দর্শনীয় এই অসাধারণ মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে আছে অলঙ্কৃত মেহরাব।
    চীনা গণমাধ্যমটি মনে করিয়ে দিয়েছে, মার্কিন ব্যবসা-সংক্রান্ত ম্যাগাজিন ফোর্বসের দৃষ্টিতে বিশ্বের ১৫ হারানো শহরের তালিকায় বাগেরহাট অন্যতম। সেজন্যই তারা প্রতিবেদনটির এমন শিরোনাম করেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, ‘১৪৫৯ সালে খান জাহানের মৃত্যুর পর বাগেরহাট পরিণত হয় জঙ্গলে। শতাব্দী পর এটি আবিষ্কৃত হয়েছে।’
    ষাটগম্বুজ মসজিদসিজিটিএনের ‘নো এশিয়া বেটার’ অর্থাৎ ‘এশিয়াকে ভালোভাবে জানুন’ সিরিজের অংশ হিসেবে এবার বাংলাদেশ তথা বাগেরহাট নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাগেরহাটের মসজিদগুলো প্রাচীনকালে বাংলার মুসলিম স্থাপত্যের পরিচয় বহন করে। পঞ্চদশ শতকে ইসলাম ধর্মের প্রচারক উলুঘ খান জাহান শহরটি গড়ে তোলেন। এর আগে খলিফতাবাদ নামে পরিচিত ছিল এটি। এখানে মধ্যযুগীয় ইসলামি শহরের সব বৈশিষ্ট্য সংরক্ষিত আছে।’
    সিজিটিএন আগে সিসিটিভি-নাইন ও সিসিটিভি নিউজ নামে পরিচিত ছিল। বেইজিং ভিত্তিক চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশনের অংশ চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক গ্রুপের সংবাদ চ্যানেল এটি।

    Tuesday, June 4

    ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন পাহাড়-নদী-অরণ্যে

    ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন পাহাড়-নদী-অরণ্যে

    ভ্রমণ ডেস্ক ::

    ঈদের ছুটিতে সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে যেমন সময় কাটাতে পছন্দ করেন, তেমনই প্রকৃতির টানে ছুটেও যান অনেকে। 

    ঈদের ছুটিতে তাই পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দেখা যায় উপচেপড়া ভিড়।
    বেড়ানোর জায়গা হিসেবে কারোর পছন্দ নদী-সমুদ্র, কারোর বা আবার পাহাড়। আবার অনেকেই ছুটে যান প্রাকৃতিক কোনো বনাঞ্চলেও। এই ছুটিতে পাহাড়-নদী-অরণ্যের আপনি কোথায় যাচ্ছেন, তা ঠিক করুন এখনই।
    কক্সবাজার (ফাইল ছবি)

    কক্সবাজার: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন কেন্দ্র অবশ্যই কক্সবাজার। বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম এ সমুদ্র সৈকতে সারা বছরই পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। ঈদের ছুটিতেও কক্সবাজারে ভ্রমণ-পিপাসুদের উপচেপড়া ভিড় থাকে। কক্সবাজারে সমুদ্রের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে গেলে নানা মানের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট পাবেন। উপভোগ করতে পারবেন নানা ধরনের সামুদ্রিক খাবারের স্বাদও। কক্সবাজার যেতে চাইলে ঢাকার কলাবাগান, সায়েদাবাদ, কল্যাণপুর থেকে নানা বাস যায়, তার একটিতে সওয়ার হতে হবে আপনাকে।
    সেন্টমার্টিন (ফাইল ছবি)

    সেন্টমার্টিন: অনেকেই শুধু কক্সবাজার ঘুরে আসে, সেন্টমার্টিন পর্যন্ত আর যান না। কক্সবাজার গিয়ে সেন্টমার্টিনে না যাওয়া মানে আপনার সমুদ্র-দর্শন অপূর্ণ থেকে যাওয়া। কক্সবাজার গেলে তাই অবশ্যই বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল এই দ্বীপে ঘুরে আসুন। আগে যারা শুধু কক্সবাজার গিয়েছেন তারা সরাসরি সেন্টমার্টিন ঘুরে আসতে পারেন। রাজধানীর কলাবাগান, কল্যাণপুর, সায়েদাবাদ থেকে টেকনাফ পর্যন্ত নানা কোম্পানির বাস যায়। টেকনাফ থেকে জাহাজে করে যেতে হবে নারিকেলজিঞ্জিরা বা সেন্টমার্টিনে। তবে জাহাজের টিকেট আগে থেকেই কেটে রাখা ভালো।
    চট্টগ্রাম: কক্সবাজারের পাশাপাশি চট্টগ্রামেও ঘুরতে যেতে পারেন। এ জেলার পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে অনেক পর্যটক যান। ফয়েস লেক নামে থিম পার্কও খুব নামকরা। চট্টগ্রামে গেলে পাহাড়ে ঘেরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও ঘুরে আসতে পারেন। থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল রয়েছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। রাজধাণীর কলাবাগান, কল্যাণপুর, সায়েদাবাদ থেকে বাসে করে আপনি চট্টগ্রামে যেতে পারবেন।
    সুন্দরবন (ফাইল ছবি)

    সুন্দরবন: ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে। দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত হলেও ঘুরতে যাওয়ার জন্য খুলনা অংশে যাওয়াই ভালো। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জন্য বিখ্যাত সুন্দরবনে যেতে চাইলে কলাবাগান, কল্যাণপুর, গাবতলী থেকে বাসে করে যেতে হবে। খুলনা শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল পাবেন। এ ছাড়া বন-বিভাগের রেস্ট হাউজগুলোতেও থাকতে পারবেন।
    সিলেট: পূণ্যভূমি সিলেটকে চা পাতার জন্য দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশ বলা হয়। সিলেটে রয়েছে শাহজালাল, শাহ পরানের মাজার। এ মাজার প্রাঙ্গণেই রয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রের কালজয়ী নায়ক সালমান শাহ’র মাজার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে অন্যতম জাফলং। এটি দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমি খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং। সিলেটে আরও দেখতে পারেন লালাখাল ও বিছানাকান্দি। যেতে পারেন রাতারগুলেও। আর এর ফাঁকে কোনো একটি চা-বাগানে ঢুঁ মারতে পারেন। রাজধানীর কলাবাগান, সায়েদাবাদ থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস ছেড়ে যায়।
    শ্রীমঙ্গল: শ্রীমঙ্গলকে অনেকেই জেলা ভেবে ভুল করে থাকেন, আসলে এটি মৌলভীবাজার জেলার একটি উপজেলা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গল দেশ-বিদেশের পর্যটকের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। শ্রীমঙ্গলে রয়েছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাইক্কার বিলসহ নানা দর্শনীয় স্থান। বর্ষায় শ্রীমঙ্গল সাজে অপরূপ রূপে। শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য রয়েছে ভালো মানের বেশ কিছু হোটেল। এ ছাড়া এখানে গড়ে গ্রান্ড সুলতান টি-রিসোর্ট, দুসাই রিসোর্টসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট গড়ে উঠেছে।
    রাঙ্গামাটি: পার্বত্য চট্টগ্রামের এই জেলা যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম লীলাভূমি। এ জেলার সাজেক ভ্যালি পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় স্থান। বর্ষাকালে এটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। পাহাড়ের উপর তুলার মতো মেঘ রাশি উপভোগ করতে যেতে হবে সাজেক ভ্যালিতে। এ জেলার কাপ্তাই লেক আরেকটি দর্শনীয় স্থান। রাজধানীর কলাবাগান, কল্যাণপুর ও সায়েদাবাদ থেকে রাঙামাটি যেতে পারবেন। এখানে থাকার জন্য হোটেলের পাশাপাশি ছোট ছোট কটেজ পাবেন।
    খাগড়াছড়ি: ভ্রমণ-পিপাসুদের কাছে খাগড়াছড়িও একটি প্রিয় নাম। খাগড়াছড়ির আকাশ-পাহাড়ের মিতালী আপনাকে মুগ্ধ করবে। রয়েছে উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যতা। এখানে গিয়ে যেদিকেই তাকাবেন শুধু সবুজ আর সবুজ চোখে পড়বে। রাঙামাটির মতো রাজধানীর কলাবাগান, কল্যাণপুর ও সায়েদাবাদ থেকে খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন।
    বান্দরবান: মেঘের সাথে যারা মিতালি গড়তে চান, তারা যেতে পারেন বান্দরবান। এখানে নানা পাহাড়ের বুকে মেঘ ছুঁয়ে দেখা যাবে। নীলগিরি, স্বর্ণমন্দির, মেঘলা, শৈল প্রপাতের মতো আরও অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে এখানে। বান্দরবান শহরে থাকার মতো রয়েছে অনেক হোটেল। ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে বান্দরবানে যাওয়া যায়। ট্রেনেও যেতে পারেন বান্দরবান, এক্ষেত্রে প্রথমে চট্টগ্রামে যেতে হবে, তারপর সেখান থেকে যেতে হবে বান্দরবান।