Showing posts with label সংস্কৃতি. Show all posts
Showing posts with label সংস্কৃতি. Show all posts

Thursday, September 12

কিংবদন্তি শাহ আবদুল করিমের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

কিংবদন্তি শাহ আবদুল করিমের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রখ্যাত বাউল শিল্পী শাহ আবদুল করিমের দশম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১২ সেপ্টেম্বর। ২০০৯ সালের এই দিনে মারা যায় তিনি।

শাহ আবদুল করিম বাংলা বাউল গানের একজন কিংবদন্তি। ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তার জন্ম।
সুনামগঞ্জের কালনী নদীর তীরে বেড়ে ওঠা শাহ আব্দুল করিমের গান ভাটি অঞ্চলে জনপ্রিয় হলেও শহরের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায় তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি প্রায় পাঁচ শতাধিক গান লিখেছেন।
বাংলা একাডেমির উদ্যোগে তার ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়। শাহ আব্দুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন। 
শাকুর মজিদ তাকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন ভাটির পুরুষ নামে একটি প্রামাণ্য চিত্র। এছাড়াও সুবচন নাট্য সংসদ তাকে নিয়ে শাকুর মজিদের লেখা মহাজনের নাও নাটকের ৮৮টি প্রদর্শনী করেছে।

Saturday, August 17

কবি শামসুর রাহমানের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

কবি শামসুর রাহমানের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিউজ ডেস্ক::

কবি, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শামসুর রাহমানের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শামসুর রাহমান স্মৃতিপরিষদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ প্রকাশের পরপরই সচেতন পাঠকমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। তার পরবর্তী গ্রন্থগুলো পাঠকদের ক্রমেই তার প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে।
কবি শামসুর রাহমানের ৬০টির বেশি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও শিশুতোষ, অনুবাদ, ছোটগল্প, উপন্যাস, আত্মস্মৃতি, প্রবন্ধ-নিবন্ধের গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি সাংবাদিক হিসেবে ১৯৫৭ সালে কর্মজীবন শুরু করেন দৈনিক মর্নিং নিউজ-এ। ১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি দৈনিক বাংলা ও সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৮৭-তে সামরিক সরকারের শাসনামলে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এরপর তিনি অধুনা নামে একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শামসুর রাহমান আদমজি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছেন।
১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্ম নেয়া এই কবিকে তার ইচ্ছানুযায়ী ঢাকার বনানী কবরস্থানে, মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

Sunday, June 2

আবু সালেহ্ মো: মাছুমের ঈদের ছড়া

আবু সালেহ্ মো: মাছুমের ঈদের ছড়া

ঈদের ছড়া


ঈদ এলে হয় সবাই খুশি 
আমি কিন্তু না।
ব্যর্থ আমি ছেলে মেয়ের 
পূরণে বায়না।

নতুন জামা নতুন জোতা
বায়না আরো কত।
বউ চায় জামদানী শাড়ি 
আমার মাথা নত।

মাসের শেষে পকেট খালি 
কেমনে তাদের বলি?
কেউ বুঝেনা অল্প আয়ে
কেমন করে চলি।

রমজান মাস থাকলে ভালো 
সারা বছরময়।
খানা পিনার থাকতো লিমিট 
রোধ হত অপচয়।

Saturday, May 11

 সাহিত্য সাধনায় কানাইঘাট

সাহিত্য সাধনায় কানাইঘাট

মিলন কান্তি দাস::
সিলেট জেলার অন্যতম একটি উপজেলা হচ্ছে কানাইঘাট। খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত সুরমা নদীর তীরঘেষা উপজেলা কানাইঘাট। সমাজ, শিক্ষা, সাহিত্য, অর্থনীতি প্রতিটি ক্ষেত্রে কানাইঘাট এগিয়ে যাচ্ছে।

কানাইঘাটের তরুণদের একটি অংশ বর্তমানে সাহিত্যচর্চায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। অংশটা সংখ্যাগত দিক থেকে হয়তো নগণ্য, তবে তাদের কর্মতৎপরতা ও লক্ষ্য অবশ্যই অগ্রগণ্য, ইতিবাচক ও ফলপ্রসু। 

কানাইঘাটের বর্তমান প্রজন্মের তরুণ কবি ও সাহিত্যিকরা কানাইঘাটের সাহিত্যাঙ্গনে ইতিমধ্যেই নবজাগরণের সৃষ্টি করেছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মও আগামীর কানাইঘাট অবশ্যই আজকের সাহিত্যিকদের কর্মসাধনার সুফল ভোগ করবেন। বিগত শতাব্দীতে কানাইঘাটের কৃতিসন্তানদের মধ্যে সাহিত্য সাধনায় যাদের নাম পাওয়া যায় তাদের মধ্যে গীতিকবি মরহুম শাহ ইব্রাহীম তশনা, মরহুম আব্দুল মতিন জালালাবাদী, মরহুম ফয়জুর রহমান, গীতিকবি মরহুম ক্বারী সোলায়মান, মরহুম ডাঃ মোঃ শামসউদ্দিন প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

বর্তমান সময়ের যারা সাহিত্যজগতে পদচিহ্ন রেখে চলেছেন, তাদের মধ্যে কবি খলিলুর রহমান, ড্রাগ সুপার (অব) আব্দুল জলিল চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ মহি উদ্দিন, পুলিশ কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিন, কবি আব্দুল মতিন, কলামিস্ট অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী, কবি সরওয়ার ফারুকী, গবেষক মোশতাক চৌধুরী, কবি আব্দুল কাহির, কবি ও কলামিস্ট মিলন কান্তি দাস, রম্য লেখক মাহবুবুর রশিদ, সাংবাদিক লুৎফুর রহমান তোফায়েল, গবেষক আসিফ আযহার, কলামিস্ট জাকারিয়া আল হেলাল, লেখক হারুনুর রশীদ, কবি শামসীর হারুনুর রশীদ, গবেষক আব্দুর রহিম, প্রকাশক নাসির উদ্দিন, প্রকাশক আলমগীর চৌধুরী, কবি শিপুল আমিন চৌধুরী, কবি মিনহাজ বিন এবাদ, কবি আল আমিন সিদ্দিকী, ছড়াকার ও শিশু সাহিত্যিক রোমান হাফিজ, প্রকাশক জুনায়দুর রহমান, কবি রিয়াজ উদ্দিন, লেখক এহসানুল হক জসিম, প্রবাসী কবি হেলাল ইসহাক, লন্ডন প্রবাসী ইকবাল আহমদ, সাংবাদিক তাওহীদুল ইসলাম, প্রবাসী উপন্যাসিক এম এ পলাশ, সাংবাদিক ও কবি শাহীন আহমদ, কবি আতিকুর রহমান মনজু, কদর উদ্দিন শিশির, আমিন উল্লাহ আখতার, কবি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, গীতিকার শাহজাহান শাহেদ, গীতিকার সোলায়মান আল মাহমুদ, কবি আব্দুল বাসিত, ছড়াকার ইমরান চৌধুরী, কবি ও সাংবাদিক সুজন চন্দ অনুপ, কবি এম ইউ শাকিল, আব্দুল্লাহ আল হাসান, আরিফ উর রহমান, জাহেদ হোসেন জয় এর নাম উল্লেখযোগ্য।

  • কানাইঘাট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি লেখালেখির জগতে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন। তাঁর রচিত কয়েকটি গ্রন্থ ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ‘দৃষ্টিপাত’, স্রষ্টা যেথায় সৃষ্টি মাঝে’ অন্যতম। বর্তমানে তিনি অবসর জীবন যাপনের পাশাপাশি লেখালেখি অব্যাহত রেখেছেন। তাঁর জন্মস্থান কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের বীরদল (আগফৌদ) গ্রামে। 

  • ড্রাগ সুপার (অব) আব্দুল মতিন কানাইঘাটের একজন সাহিত্যিক। তাঁর লেখা উপন্যাসের নাম- ‘কোয়ালালামপুরে যখন বৃষ্টি নামল’। তাঁর জন্মস্থান ঝিঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের ঝিঙ্গাবাড়ী কোনাগ্রামে।

  • উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিন চাকুরী জীবনের পাশাপাশি সাহিত্য সাধনায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শমূলক একটি বই লিখে ইতিমধ্যে প্রশংসিত হয়েছেন। তাঁর জন্মস্থান কানাইঘাট পৌরসভার ধর্মপুর গ্রামে। 

  • নিয়মিত লিখালিখি করে যাচ্ছেন চরিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী। অনলাইন শিক্ষা বিষয়ক পত্রিকা ‘দৈনিক শিক্ষা’তে তিনি নিয়মিত শিক্ষামূলক কলাম লিখে যাচ্ছেন।

  • শিক্ষাবিদ আব্দুল মতিন কানাইঘাট সড়কের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন সাহিত্য সাধনায়। ২০১৯ সালের একুশে বইমেলায় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ব্যাতিক্রমী অভিনিবেশ’ প্রকাশিত হয়।

  • গবেষক মোশতাক চৌধুরী চাকুরী জীবনের পাশাপাশি নিজেকে নিয়মিত নিয়োজিত রেখেছেন সাহিত্য সাধনায়। ইতিমধ্যেই এই গবেষকের গবেষণাধর্মী তিনটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বইগুলো হলো ‘জৈন্তা রাজ্যের ইতিবৃত্ত’, ‘কাছাড়ের ইতিহাস ঐতিহ্য ও নান্দনিকতা’, ‘মরমী কবি শাহ ইব্রাহীম তশনা’। মোশতাক চৌধুরীর জন্ম কানাইঘাট দীঘিরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের ধনমাইর মাটি গ্রামে। 

  • সাহিত্য চর্চায় আরেক নিবেদিত নাম আব্দুর রহিম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাহিত্যচর্চায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ- ‘কানাইঘাটের উলামায়ে কেরাম’। তাঁর জন্ম কানাইঘাট দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের গড়াইগ্রামে। 
  • কানাইঘাটের সাহিত্য বোদ্ধাদের একজন কবি সরওয়ার ফারুকী। সরওয়ার ফারুকী’র মৌলিক কবিতাগুলি ইতিমধ্যে বৃহত্তর সিলেটের সাহিত্যাঙ্গনে পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তার তিনটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো হলো ‘রুদ্ধ রুহের স্বর’, ‘মাটিতে মাটির চিন’ সরওয়ার ফারুকীর প্রোপিতামহ মরমী সাধক, ইসলামী চিন্তাবিদ ও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা শাহ ইব্রাহীম তশনা। ইতিমধ্যে তিনি ‘শাহ ইব্রাহীম তশনা’র বাউল গানের সংকলন’ গ্রন্থ সংকলন করেছেন। গ্রন্থটি দেশীয় লোকগীতি ও বাউলগীতি গবেষণা ও চর্চায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সরওয়ার ফারুকীর জন্ম কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের বাটইশাইল গ্রামে।

  •  নিরবে নিভৃতে সাহিত্য সাধনা চালিয়ে যাচ্ছেন বুলবুল চৌধুরী। বর্তমানে তিনি একুশে টেলিভিশনে কর্মরত। তার পাশাপাশি তিনি পেন্সিল নামের একটি জনপ্রিয় প্রকাশনার অন্যতম কর্ণধার। তার বাড়ি কানাইঘাট পৌরসভার বায়মপুর গ্রামে।
  • কাব্যচর্চায় আরেক অগ্রজ ব্যক্তিত্ব আব্দুল কাহির। সুদীর্ঘ প্রবাস জীবনে বিভিন্ন ম্যাগাজিনে নিয়মিত কবিতা লিখতেন। ইতিমধ্যে কবি আব্দুল কাহির এর ৬টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো হলো স্বাধীনতার প্রাণ, শতাঞ্জলি, ব্যথাঞ্জলি, প্রেমাঞ্জলি, প্রণয়োল্লাস, বিজয় পথ। আব্দুল কাহিরের জন্ম কানাইঘাট সাতবাক ইউনিয়নের ভাড়ারীমাটি গ্রামে।


  • ছড়াকার ও কলামিস্ট মিলন কান্তি দাস ২০১৯ সালের একুশে বইমেলায় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন’ প্রকাশিত হয়। তিনি কানাইঘাট পৌরসভার ডালাইচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিক্ষকতা জীবনের পাশাপাশি সাহিত্য চর্চায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

  • রম্য লেখক মাহবুবুর রশিদ। তার দুইটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বইগুলো হলো ‘দাঁত খুলে হাসি’ ও ‘খালি পেটে হাসি’। তিনি কানাইঘাটের প্রথম অনলাইন সংবাদ কানাইঘাট নিউজ ডট কম এর সম্পাদক। তার জন্ম কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের গোসাইনপুর গ্রামে।

  • মাওলানা শামসীর হারুনুর রশীদ মাদ্রাসা শিক্ষকতার পাশাপাশি দীর্ঘদিন থেকে তিনি সাহিত্য সাধনায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বিগত ২০১৯ সালের একুশে বই মেলায় তাঁর প্রকাশিত ‘কাব্যে মহানবী ও নিবেদিত কবিতা’ ব্যাপক প্রশংসিত হয়। 

  • লন্ডন প্রবাসী উপন্যাসিক এম.এ পলাশ লেখালেখির জগতে বেশ প্রশংসিত। তিনি ইতিমধ্যে কয়েকটি উপন্যাস লিখে পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তাঁর উপন্যাসগুলো হলো- দ্যা চার্মিং কিলার, অদৃশ্য মানবী, ময়নাপাখি, রহস্যময় রমণী। তাঁর জন্মস্থান কানাইঘাট পৌরসভার বায়মপুর গ্রামে। 

  • জাহিদ হোসেন রাহীন- কানাইঘাটের আরেকজন সম্ভাবনাময় তরুণ। যিনি একধারে একজন সফল সাহিত্য সংগঠক, প্রচ্ছদ ডিজাইনার, ক্যালিওগ্রাফার। শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত এই সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব কর্মক্ষেত্রে ব্যাপক সৃজনশীলতার পরিচয় রেখে চলেছেন।
  •  সাহিত্য সংগঠক নাসির উদ্দিন। তার সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘ত্রৈমাসিক অনুপ্রাণন’ পত্রিকাটি কানাইঘাটের ইতিহাস ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্মারকগ্রন্থ। তিনি অনুপ্রাণন সম্পাদক ও কানাইঘাট সাহিত্য সংসদের সাহিত্য সম্পাদক। তার পৈতৃক নিবাস কানাইঘাট লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের মমতাজগঞ্জ গ্রামে।

  •  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কৃতি ছাত্র সাংবাদিক এহসানুল হক জসীম সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাহিত্য ও গবেষণায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তার প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ- ‘বাংলাদেশে ইসলামী রাজনীতির ব্যাবচ্ছেদ’। 

  • তাওহীদুল ইসলাম পেশায় একজন সাংবাদিক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি নিজেকে লিখালিখির কাজেও নিয়োজিত রেখেছেন। তার লেখা দুইটি বই ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ‘কানাইঘাট ইনডেক্স’ ও ‘আলোকিত কানাইঘাট’, ‘মায়ের ভালোবাসার যত অবহেলা’।

  •  আলমগীর চৌধুরী অনুপ্রাণন পত্রিকার উপসম্পাদক। তার বাড়ি মমতাজগঞ্জ গ্রামে। ছড়াকার লুৎফুর রহমান তোফায়েল পেশায় সাংবাদিক। দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি প্রচ্ছদ শিল্পী হিসাবেও তার ব্যাপক পরিচিতি। তার প্রথম প্রকাশিত ছড়াগ্রন্থ হচ্ছে- ‘ছন্দ ছড়ায় মনের কথা’। তার বাড়ি কানাইঘাট লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের কাড়াবাল্লায়। 


  • শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের কৃতি শিক্ষার্থী আসিফ আযহার। যিনি ইতিমধ্যে ইতিহাস বিষয়ে গবেষণা বই প্রকাশ করেছেন। তার লেখা প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হলো- ‘ইতিহাসের পাঠশালায়’ (প্রাচীন যুগ), ‘ইতিহাসের পাঠশালায়’ (মধ্যযুগ), ‘সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ (প্রাচীন যুগ), ‘খেলাফতের ইতিবৃত্ত’, খ্রীস্টধর্মের গোড়ার কথা, ‘রোমান সভ্যতার ইতিকথা’। দ্যা ওয়ান মিনিট ম্যানেজার (অনুবাদ গ্রন্থ)।

Sunday, February 18

বইমেলায় সাইফুল ইসলাম জুয়েলের দুটি বই

বইমেলায় সাইফুল ইসলাম জুয়েলের দুটি বই

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তরুণ লেখক সাইফুল ইসলাম জুয়েলের রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাস ‘চাঁদনী’ ও শিশুতোষ গল্পের বই ‘পিংকুর গাছবন্ধু’। গত চার বছরের ধারায় এবারও তিনি বড়দের ও ছোটদের—এই দুই ক্যাটাগরিতে একটি করে বই বের করেছেন।

উপন্যাসটি সম্পর্কে লেখক সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘গতবছর একই প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘দূর দ্বীপবাসিনী’ বইটির ব্যাপক সাড়ার পর আবারও উপন্যাস লেখায় হাত দিই। তবে আমার প্রতিটি বইয়ের মধ্যে কিছুটা মৌলিক পার্থক্য থাকে। গতবারের রোমান্টিক উপন্যাসের পর এবার তাই লিখলাম এক রহস্যময় অভিযান নিয়ে। যে অভিযানের প্রতি পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে রোমাঞ্চ আর টানটান উত্তেজনা। চাঁদনী উপন্যাসটিতে রয়েছে বাস্তবতার সাথে কিছুটা কল্পনার মিশেল। মূলত দুই আদিবাসী তরুণ-তরুণীর প্রণয় ও তার পরবর্তী বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ নিয়ে কাহিনি সাজানো হয়েছে। আশা করছি উপন্যাসটি পাঠকের মন জয় করতে পারবে।’
বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্রুব এষ। প্রকাশক অনিন্দ্য প্রকাশ। ১২৮ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ২০০ টাকা। রহস্য ও রোমাঞ্চকর ধাঁচের এ বইটির পাওয়া যাবে বইমেলার ১৩ নম্বর প্যাভিলিয়নে।
"/
এ উপন্যাসটি ব্যতিতও লেখকের আরও একটি বই এবার বাজারে আসছে। শিশুতোষ গল্পের বই ‘পিংকুর গাছবন্ধু’—এর প্রকাশক সিটি পাবলিশিং। উপহার হিসেবে গাছ পেলে কেমন হয়? গাছ কী করে মানুষের বন্ধু হতে পারে? শুধু কি অক্সিজেন সরবরাহ করে, এজন্যই? নাকি অন্য কোনো বিষয়ও থাকতে পারে! ‘পিংকুর গাছবন্ধু’ বইটি মেলায় পাওয়া যাবে ৫৫৩ নং স্টলে। সোহেল আশরাফের প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণে রয়েল সাইজের সম্পূর্ণ রঙিন আট পৃষ্ঠার বইটির মূল্য পঞ্চাশ টাকা।
এ নিয়ে সাইফুল ইসলাম জুয়েলের মোট বইয়ের সংখ্যা পৌঁছালো দশে। অন্য বইগুলো হলো—বৃত্তের ভেতর বাহির, ভালোবাসি বলেই, তপুর গোয়েন্দাগিরি, প্রেম বালিকা, কোথায় খুঁজি তারে, তপুর গোয়েন্দাগিরি-২: হিরামন পাহাড়ের রহস্য, এলিয়েন ভূত এবং দূর দ্বীপবাসিনী।
দৈনিক ইত্তেফাকের ফান সাপ্লিমেন্ট ‘ঠাট্টা’র বিভাগীয় সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন এ সময়ের সম্ভাবনাময় তরুণ লেখক সাইফুল ইসলাম জুয়েল। গল্প, উপন্যাস ছাড়াও রম্যজগতে তার দখল রয়েছে।