Showing posts with label কানাইঘাটের জন প্রতিনিধি. Show all posts
Showing posts with label কানাইঘাটের জন প্রতিনিধি. Show all posts

Saturday, June 18

কানাইঘাটে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ,আটকে পড়াদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও পুলিশ

কানাইঘাটে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ,আটকে পড়াদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও পুলিশ


নিজস্ব প্রতিবেদক :

টানা ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কানাইঘাট উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। উপজেলার ৯০ ভাগ এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। হাওর এলাকা দিয়ে পানি বাড়া অব্যাহত থাকায় পানিতে তলিয়ে গেছে ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নতুন নতুন এলাকা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ বাড়ি-ঘর ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। কানাইঘাট থানা পুলিশের পাশাপাশি সেনা সদস্যরা বানভাসি নারী-পুরুষ শিশুদের উদ্ধার করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসছেন। গ্রামীণ এলাকার বেশিরভাগ সড়ক, রাস্তাঘাট বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

২০০০ এর পরে এটি সবচেয়ে বড় বন্যা বলে মনে করছেন অনেকে। যেভাবে পানি বাড়ছে তা অব্যাহত থাকলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হতে পারেন কানাইঘাট উপজেলার মানুষ; এমন আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

১৯৮৮ সালের বন্যার পর এতবড় বন্যা আর কেউ দেখেননি। উঁচু উঁচু গ্রাম পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। সিলেটের সাথে কানাইঘাট সদরের সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Thursday, July 8

কানাইঘাটে সরকারি ঘর পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক

কানাইঘাটে সরকারি ঘর পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক


নিজস্ব প্রতিবেদক :

মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত কানাইঘাট উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ঘর পরিদর্শন করেছেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ এইচ এম মাহফুজুর রহমান। 

তিনি  বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় এবং বিকেল ২টায় উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের সোনাতনপুঞ্জি ও কাঁঠালতলায় মনোরম পরিবেশে নির্মিত ১০৬টি ঘর পরিদর্শন করে প্রতিটি ভূমিহীন পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এএইচএম মাহফুজুর রহমান উপকার ভোগীদের কোন অভাব অভিযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার দেওয়া প্রতিটি টিনশেডের পাকা ঘর মজবুত ও সুন্দর ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। তারা এসব ঘর ও জমি পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এখানে শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন। 

পরিদর্শন কালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যারা ঘর পেয়েছেন তাদের জন্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এসব ঘর আপনারা সব সময় সুন্দর ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখবেন। কোন ঘরের নির্মাণ কাজে ত্রুটি বিচ্ছুতি থাকলে আমরা কাজ করে দেবো সবাই এখানে এক সাথে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে থাকবেন। পর্যায়ক্রমে মসজিদ, স্কুল সহ আপনাদের জীবন মানের উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি বলেন, কানাইঘাটে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে সরকারি অর্থায়নে ভূমিহীন ২৬৮টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। বেশির ভাগ ঘরে ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে বাদবাকী ঘরে কিছুদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। পুর্নবাসিতরা যাতে করে বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে পারেন এজন্য বেশ কয়েকটি ডিপ টিউবওয়েল বসানো হয়েছে এবং সোনাতনপুঞ্জিতে ডিপ টিউবওয়েলের পাশাপাশি ব্যবহারের জন্য পুকুর দেওয়া হয়েছে। 

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের উন্নত জীবন যাপনের জন্য আমরা সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জেমসলিও ফারগুশন নানকা, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার নুরুল ইসলাম, চতুল ভূমি অফিসের তসিলদার আব্দুল ওয়াদুদ, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম, ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাওলানা আহমদ হোসেন প্রমুখ।  

Wednesday, June 16

কানাইঘাট উপজেলা সিএইচসিপি এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

কানাইঘাট উপজেলা সিএইচসিপি এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন


নিজস্ব প্রতিবেদক :

কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপিদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ সিএইচসিপি এসোসিয়েশন কানাইঘাট উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ও দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১২ জুন) কানাইঘাট উপজেলা হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 


দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা হাসপাতালের ইউএইচ এন্ড এফপিও ডা: অভিজিৎ শর্ম্মা 


নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সভাপতি পদে মোঃ হেলাল আহমদ ,সাধারণ সম্পাদক পদে সুকান্ত চক্রবর্তী,সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শামীমা বেগম ও কোষাধ্যক্ষ পদে আব্দুল মতিন নির্বাচিত হন।


এসোসিয়েশনের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার  শিবনগর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মাহবুবুর রশিদ ,সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জাকির হোসেন  ও জেসমিন বেগম দায়িত্ব পালন করেন।


পরে নতুন কমিটিকে ফুল দিয়ে বিদায়ী কমিটি বরণ করে নেয়। 





   


   


Thursday, March 18

কানাইঘাট পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়রের সঙ্গে বাজার বণিক সমিতির শুভেচ্ছা বিনিময়

কানাইঘাট পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়রের সঙ্গে বাজার বণিক সমিতির শুভেচ্ছা বিনিময়


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :

কানাইঘাট পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র লুৎফুর রহমানের সঙ্গে কানাইঘাট বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। 

বৃহস্পতিবার বিকেল ২টায় কানাইঘাট পৌরসভার কার্যালয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় কালে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলতাফ হোসেন,সহ-সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর ইসলাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হেকিম শামীম, কোষাধ্যক্ষ নজির উদ্দিন প্রধান, সদস্য হেলাল উদ্দিন, বাজার লেসি করামত হাজী, ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন, মুজিবুর রহমান প্রমুখ। 

এ সময় ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্ধ নব-নির্বাচিত মেয়রের নিকট ট্রেড লাইসেন্সের ফিঃ কমানো, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস বরাদ্ধ, বাজার এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন, বাজারের ড্রেন সংস্কার, বাজার মসজিদের অজুখানার উন্নয়ন, বাজার প্রহরীর বেতন বৃদ্ধি করার দাবী উত্থাপন করেন। 

মেয়র লুৎফুর রহমান তাদের দাবি-দাওয়া পুরনের জন্য আশ্বস্থ করে বলেন, পৌর পরিষদের সভায় আলোচনা সাপেক্ষে সকল উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। 


Friday, September 8

স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব : কানাইঘাটের প্রাক্তন এমপি মরহুম হাবিবুর রহমান

স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব : কানাইঘাটের প্রাক্তন এমপি মরহুম হাবিবুর রহমান


আলিম উদ্দিন আলিম : হাবিবুর রহমান কানাইঘাট উপজেলার চতুল পরগনার রতনপুর গ্রামে ১৯১৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন সমাজসেবী নাজির হাতিম আলী। হাতিম আলী বহু বৎসর যাবৎ উত্তর সিলেট লোকের বোর্ডের মেম্বার ছিলেন এবং জৈন্তা অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকান্ডে তার বিশেষ অবদান রয়েছে। হাতিম আলীর তিন পুত্র সন্তানের মধ্যে হাবিবুর রহমান ছিলেন সবার বড়। স্থানীয় পাঠশালায় অধ্যয়ন শেষে ১৯৩২ সালে হাবিবুর রহমান কানাইঘাট এম.এ স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৩৯ সালে জৈন্তা হাইস্কুল থেকে বৃত্তিসহ মেট্টিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। হাবিবুর রহমান এম.সি কলেজ থেকে ১৯৪১ সালে আই.এ এবং ১৯৪৩ সালে বি.এ পাস করেন। বি.এ পাস করার পর আইন শাস্ত্র অধ্যয়নের জন্য তিনি ঢাকা ল কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে প্রথম হয়ে ১৯৪৫ সালে এল.এল.বি ডিগ্রি অর্জন করেন ও স্বর্ণপদকে ভূষিত হন। ১৯৪১ সালে আসাম প্রাদেশিক মুসলিম ছাত্র ফেডারেশন গঠিত হয়। এর উদ্যোক্তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। তিনি ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ছাত্র ফেডারেশনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ১৯৪৬ সালে তিনি সিলেট জেলা বারে আইন ব্যবসা শুরু করেন। জৈন্তা অঞ্চলের তিনিই সর্বপ্রথম আইনজীবি। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সিলেট বারের সদস্য ছিলেন। ১৯৪৬ সালের নির্বাচন উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জৈন্তা নির্বাচনী এলাকা থেকে মুসলিমলীগের প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্ধিতা করে জমিয়তুল উলামায়ে হিন্দের প্রার্থী মেীলভী ইব্রাহিম আলী চতুলীর কাছে পরাজিত হন। ১৯৪৯ সালে মাওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওর্দী, শেখ মুজিবুর রহমান সহ মুসলিমলীগের নেতা কর্মীগণ ‘মুসলিমলীগ’ পরিত্যাগ করে ‘আওয়ামী মুসলিমলীগ’ গঠন করেন। ১৯৫৪ সালে এর নাম হয় ‘আওয়ামীলীগ’। এসময় তিনি আওয়ামীলীগে যোগ দিয়ে সিলেট জেলা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে তিনি আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসাবে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট নির্বাচনী এলাকা থেকে এম.এন.এ নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তার সিলেটের বাসভবন পুড়িয়ে দেয়। এসময় তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পেয়ে ভারতের শিলং চলে যান। শিলং হাসপাতালে চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে নির্বাচিত এম.এন.এ হিসাবে সিলেটের উত্তরাঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের তৎপরতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর তিনি সিলেট সদরের প্রশাসক নিযুক্ত হয়ে সিলেটের আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে হাবিবুর রহমান জৈন্তা এলাকা থেকে পুনরায় বাংলাদেশ পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৮ সালে হাবিবুর রহমান ৫৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। 
তথ্য সূত্র : জৈন্তিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য।