নিজস্ব প্রতিবেদক:
জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের সুরমা নদীর নওয়াগাঁও সরকারি বালুমহালকে কেন্দ্র করে ইজারাদার ও বালু উত্তোলনের বিরোধিতাকারীদের মধ্যে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে বালুমহালের কানাইঘাট অংশের কায়স্তগ্রাম ও বড়দেশ এলাকা পরিদর্শন করেছেন কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া ফেরদৌস।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে তিনি ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাপস চক্রবর্তী তুষার, স্থানীয় ভূমি অফিসের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কানাইঘাট থানা পুলিশের সদস্যরা।
পরিদর্শনকালে ইউএনও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বালু উত্তোলন নিয়ে তাদের বিভিন্ন অভিযোগ ও উদ্বেগের কথা শোনেন। এ সময় তিনি স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে বলেন, নওয়াগাঁও বালুমহালটি জকিগঞ্জ উপজেলার সুরমা নদীর নির্ধারিত অংশে অবস্থিত। বালুমহালের নির্ধারিত এলাকার বাইরে কানাইঘাট অংশে বালু উত্তোলন বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের সার্বক্ষণিক নজরদারি রয়েছে।
তিনি বালুমহালের ইজারাদারকে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে কোনো ধরনের বালু উত্তোলন না করার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশ দেন। পরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের ইউএনও সুমাইয়া ফেরদৌস জানান, বালুমহাল এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি দেখতে পান, ইজারাদার নির্ধারিত স্থান থেকেই বালু উত্তোলন করছেন। তবে বালুমহালের নির্ধারিত এলাকার বাইরে থেকে বালু উত্তোলন না করার জন্য ইজারাদারকে স্পষ্টভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বালুমহালের নির্ধারিত সীমানার বাইরে যাতে বালু উত্তোলন না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

0 comments:
পাঠকের মতামতের জন্য কানাইঘাট নিউজ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়