তানিমের খুনীদের গ্রেফতারের দাবীতে কানাইঘাট কলেজ ছাত্রলীগের মানববন্ধন

Kanaighat News on Wednesday, January 17, 2018 | 10:52 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট সরকারি কলেজ শাখার ত্যাগী ছাত্রলীগ কর্মী তানিম খানের খুনীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং মামলার আসামীদের মদদদাতাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবীতে কানাইঘাট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে ছাত্রলীগ কর্মী তানিম খানের খুনীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। সেই সাথে সিলেটের টিলাগড় কেন্দ্রিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মদদদাতা এবং তানিম সহ ছাত্রলীগের যে সকল নেতাকর্মী পূর্বে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছেন তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়। মানববন্ধন উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগ নেতা আফজল হোসেন রিজভী, উপজেলা তৃণমূল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াহিয়া ডালিম, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাহেদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ চৌধুরী, উপজেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সভাপতি রেজোয়ানুল করিম আফজল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাহির কাহার, পৌর সভাপতি অনুপ কান্তি, তারেক আহমদ, কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা অজয়, রিয়াজ, সেলিম, আতিক, সুলতান সহ ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

দুর্দান্ত ফিচারের স্মার্টফোন আনল হুয়াওয়ে অনার

phone.gif


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
চীনা স্মার্টফোন কোম্পানি হুয়াওয়ের সাব ব্র্যান্ড অনার বুধবার মধ্যম বাজেটের মধ্যে দুর্দান্ত ফিচারের অনার ৯ লাইট নামের একটি স্মার্টফোন লঞ্চ করেছে।

ফোনটি ২১ জানুয়ারি থেকে ফ্লিপকার্টে বিক্রি শুরু হবে। ফোনটি ভারতের বাজারে এসেছে। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ফোনটি চিনের বাজারে এসেছিল।

অনার ৯ লাইট নামের এই ফোনটি হুয়াওয়েইর সর্বশেষ মধ্যম বাজেটের ফোন। ফোনটিতে আছে ৫.৬৫ ইঞ্চির, ২১৬০x১০৮০ পিক্সেল, ১৮:৯ ‘ফুলভিউ’ এলসিডি ডিসপ্লে। ফোনটির সামনে এবং পেছনে ১৩ পিক্সেলের দুটি ক্যামেরা আছে। এছাড়া উভয় পাশে ২ মেগাপিক্সেলের একটি করে সেকেন্ডারি ক্যামেরাও আছে। মোট চারটি ক্যামেরা আছে ফোনটিতে।

নতুন ফোনটির প্রসেসরটি হলো ২.৩৬ গিগাহার্টজ কিরিন ৬৫৯। র‌্যাম ৩জিবি/৪জিবি সাথে ৩২/৬৪জিবি স্টোরেজ। ব্যাটারি ৩০০০ এমএএইচ।

ভারতের বাজারে ফোনটির দাম রাখা হচ্ছে ১১ হাজার থেতে ১৫ হাজার টাকা। আর বাংলাদেশের বাজারে ফোনটির দাম পড়তে পারে প্রায় ১৮ থেকে ২২ হাজার টাকা।

‘সবকিছুতে সরকারের যোগসাজশ আবিষ্কার করেন কেন?’

15_0.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
ঢাকা উত্তর সিটি উপনির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সবকিছুতে সরকারের যোগসাজশ আবিষ্কার করেন কেন? আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর প্রার্থীদের নামও চূড়ান্ত করেছিল, যা অন্য কোনো দল করতে পারেনি।’

কাদের বলেছেন, যেহেতু আদালত উপনির্বাচন স্থগিত করেছেন, তাই এখন কিছু বলা যাবে না।

জাতীয় নির্বাচনের আগে ডিএনসিসি নির্বাচন বাস্তবসম্মত হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা নির্বাচন কমিশনের বিষয়, তারাই জানে। আদালতের নির্দেশে যেখানে স্থগিত হয়েছে, সেখানে এ নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, হাইকোর্ট এ নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন। হাইকোর্টের এ সিদ্ধান্ত যতক্ষণ বহাল থাকবে, এ সময়ের মধ্যে কাউন্সিলরদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হলে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করা হবে। তাই কাউন্সিলরদের নাম এ মুহূর্তে ঘোষণা করা হবে না।

তিনি বলেন, ‘যদি হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়, তখন আমাদের প্রস্তুতকৃত তালিকা আমরা প্রকাশ করব।’

এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রার্থী আমরা দিয়েছি। এটা যদি আবার রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) করার বিষয় আসে, তখন সময়ই বলে দেবে।’

এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে কাদের বলেন, ‘আমি খোঁজ-খবর নিচ্ছি। এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


সূত্র: বিডি লাইভ।

আগামী বাজেটে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

1485109667.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি ও জাতীয়করণ সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, আগামী বাজেটের সময় বেসরকারি স্কুলের এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পড়ালেখার মান—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালার আলোকে এমপিওভুক্তি ও সরকারীকরণ করা হবে।

বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারের শরিক তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কোন কোন স্কুল এমপিওভুক্ত, কোন কোন স্কুল সরকারিকরণ, সেটা একটা নীতিমালার ভিত্তিতে করছি। আমরা যখন বলেছি, নিশ্চয়ই সব কিছু বিবেচনা করে একটা তালিকা করে এগুলোর অবস্থান দেখে পরবর্তী বাজেট যখন আসবে তখন সিদ্ধান্ত নেব।’

সবশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে সরকার। এরপর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি বন্ধ আছে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকটি শর্তে ‘শিগগিরই’ নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিভুক্ত করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু এমপিওভুক্ত করা নয়, শিক্ষাকে মানসন্মত শিক্ষা যাতে হয় আমরা সেই উদ্যোগ নেব। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি, এক-একজন এক একটা দাবি নিয়ে চলে আসছে। আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি। তবে এটা করতে গেলে আমাদের বাজেটে কতটাকা আছে তা দেখতে হবে। কোন স্কুল এটা পাওয়ার যোগ্য কী না, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কত?”

সরকার কারিগরি শিক্ষার উপর জোর দেবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একটি করে মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউ ও একটি করে মহিলা কারিগরী স্কুল প্রতিষ্ঠা আমরা করব।’

সম্প্রতি এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন করেন ননএমপিও বেসরকারি শিক্ষক ও ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষক। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে সম্প্রতি কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

সূত্র: বিডি লাইভ।

জমিয়তে উলামার আন্তর্জাতিক প্রবাসী সমন্বয় কমিটি ঘোষণা


নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্হিবিশ্বে জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে জমিয়তে উলামার আর্ন্তজাতিক প্রবাসী সমন্বয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আমীর আল্লামা আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী ও মহা সচিব আল্লামা নজরুল ইসলাম তোয়াকুলী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বর্হিবিশ্বে জমিয়তে উলামাকে শক্তিশালী করার জন্য জমিয়তে উলামার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলীকে সমন্বয়কারী করে ১২১ সদস্য বিশিষ্ট দলের আন্তর্জাতিক প্রবাসী সমন্বয় কমিটির ঘোষণা করা হয়।

কানাইঘাট পাথর কোয়ারিতে ১৫টি লিস্টার মেশিন ধ্বংস


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী লোভাছড়া পাথর কোয়ারি থেকে ইজারার শর্ত অমান্য করে যান্ত্রিক চালিত মেশিনের সাহায্যে বড় বড় গর্ত তৈরি করে পাথর উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। ইজারার নির্দেশ অমান্য করে কতিপয় পাথর ব্যবসায়ীরা কোয়ারীর লীজ এবং লীজ বর্হিভূত এলাকা থেকে কয়েক শ’ বড় বড় গর্ত তৈরি করে পাথর উত্তোলন করায় পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন পাথর কোয়ারিতে অভিযান অব্যাহত রাখলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন চলছে। বুধবার(১৭ জানুয়ারি) বেলা দেড়টায় ইউএনও তানিয়া সুলতানার নেতৃত্বে পাথর কোয়ারি এলাকায় ইজারার শর্ত অমান্য করে বড় বড় পুকুরের মতো গর্ত তৈরি করে পাথর উত্তোলনকালে ১৫টি লিস্টার মেশিন ধ্বংস করা হয়। পাথর কোয়ারির ক্ষতবিক্ষত সাউদগ্রাম, বড়গ্রাম, ডাউকেরগুল, তেরহালী, সতিপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু কোয়ারিতে অভিযানের খবর পেয়ে যারা গর্ত থেকে যান্ত্রিক চালিত মেশিনের সাহায্যে পাথর উত্তোলন করছে সেই সব পাথর ব্যবসায়ীরা তাদের যন্ত্রপাতি অন্যত্র সরিয়ে ফেলেন। অভিযানকালে কয়েকজন পাথর ব্যবসায়ীর নামের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য ইউএনও অভিযানের সময় উপস্থিত কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) নুনু মিয়াকে নির্দেশ দেন। কোয়ারিতে অভিযানকালে ইউএনও স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান কোয়ারি এলাকায় প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা ইজারা শর্ত লংঘন করে পরিবেশের ক্ষতি করে পাথর উত্তোলন করছেন তাদের নামের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব পাথর খেকো ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না। দু’একদিনের মধ্যে তাদের সঠিক তালিকা করে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে। অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওসি (তদন্ত), সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার, লোভাছড়া বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার সহ উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

কানাইঘাটে চুরি হওয়া মোটর সাইকেল উদ্ধার


নিজস্ব প্রতিবেদক: গত শনিবার রাতে বাজেখেল গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শমসের আলমের পুত্র পাথর ব্যবসায়ী তাহের আহমদ একটি দায়ূন ১০০ মোটর সাইকেল নিজ বাড়ী থেকে দুর্বৃত্তরা চুরি করে নিয়ে যায়। গত মঙ্গলবার বিকেল অনুমান ৩টার সময় চুরি হয়ে যাওয়া মোটর সাইকেলটি কানাইঘাট উত্তর বাজারের ব্যবসায়ী ধনপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশে দেখে মোটর সাইকেলটির মালিক তাহের আহমদ গাড়ীটি নিজের বলে দাবী করেন। এ সময় বাজারে আগত পথচারীরা সেখানে জটলা বাঁধলে ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বাজারের ব্যবসায়ীদের জানান, তিনি নাম্বার বিহীন মোটর সাইকেলটি বীরদল গ্রামের জনৈক কাওছার আহমদের নিকট থেকে ৩৪,০০০/- টাকায় ক্রয় করেছেন। আর ১৪,০০০/- টাকা পরিশোধ করেছেন। মোটর সাইকেলটি ক্রয় করার সময় বীরদল গ্রামের যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ ও শাহেদ আহমদের উপস্থিতিতে টাকার লেনদেন হয়। চোরাই মোটর সাইকেলটি উদ্ধার করার পর যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ ও শায়েদ আহমদ উপস্থিত হয়ে সালিশদের জানান কাওছার মোটর সাইকেলটি আবুল হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে, টাকা লেনদেনের সময় তারা উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে বিষয়টি জেনে কানাইঘাট থানা পুলিশ উদ্ধার হওয়া মোটর সাইকেলটি থানায় নিয়ে আসে।

কানাইঘাটে দ্বৈত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

Kanaighat News on Tuesday, January 16, 2018 | 10:48 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট বিষ্ণুপুর যুব সমাজের উদ্যোগে ১ম এ্যাপোলো দ্বৈত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় বিষ্ণুপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। খেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য আজিজুলের পরিচালনায় উদ্বোধনী খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আহাদ। টুর্নামেন্টে উদ্বোধক ছিলেন কানাইঘাট পৌর আ’লীগের আহবায়ক জামাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- কানাইঘাট পৌর আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক খলিলুর রহমান, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুন নুর। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আলা উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, শাহীন আহমদ, মুমিন রশিদ, যুব নেতা আলমগীর হোসেন, ছাত্র নেতা জামিল আহমদ জুয়েল, সাহেদ আহমদ, রহমত উল্লাহ, রেজাউল করিম আফজল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমুখ। মাসব্যাপী এ দ্বৈত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী খেলায় ৪টি দল অংশগ্রহণ করে কানাইঘাট থানা পুলিশ ও ভাটিদিহি ষ্টার লাইট দল দ্বিতীয় রাউন্ডে উত্তীর্ণ হয়। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথি ওসি আব্দুল আহাদ টুর্নামেন্ট সফল ভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য খেলা পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দকে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

শায়খুল হাদীস আল্লামা নসিব আলী কানাইঘাটী রাহ. এর সংক্ষিপ্ত জীবনী


মু'তাসিম বিল্লাহ সাদী: হযরত মাওলানা নসিব আলী (রাহ.) একটি নাম,একটি চলন্ত কুতুব খানা,যে নামের সাথে একটি লাইব্রেরীর ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে ৷ যখনই কারো মুখে তাঁর নাম শুনি,তখনই বিশাল একটি কুতুবখানার আমেজ উপলব্ধি করি ৷ যে সকল আহলে ইলমরা নিজের জীবনের সবকিছু বিলীন করে দিয়ে শুধুমাত্র দারস তাদরিস ও কিতাব মোতালায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন তাঁদের মধ্যে মাওলানা নসিব আলী রাহ.অন্যতম ৷ তিনি ১৯৫৯ সালের ৭ই জুলাই আলেম ওলামা জন্ম দেয়ার উর্বরভূমি সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার পৌর এলাকার কান্দেবপুর গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ৷ তাঁর পিতার নাম আবদুল আলী ও মাতার নাম আয়েশা বেগম ৷ ভাই-বোন চার জনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট ৷ 

শিক্ষা জীবন : মুখে ভাষা ফোটার পর জ্ঞানের সোনার চামচ মুখে দিয়ে বর্ণ পরিচয়ের শুরু হয় গ্রামের সাবাহী মক্তবে ও সাথে সাথে নিজ চাউরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন ৷ কিন্তু তাঁর মমতাময়ী মাতা তাকে ইলমে ওহি শিক্ষা দেওয়ার জন্য সব সময় ছিলেন ব্যাকুল ৷ ঘটনাক্রমে একদিন তাঁর মা জননী হযরত মাওলানা আবদুল লতিফ শায়খে চাউরী রাহ.কে অনুরোধ করে বললেন "হযরত আমার ছেলেকে আপনি মাদরাসায় নিয়ে যান ৷ আপনার মত একজন আলেম বানান"৷ মায়ের কথা মত তিনি তাকে নিয়ে কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসায় মক্তব ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন ৷ শায়খে চাউরী রাহ.ছিলেন একজন কিতাবের উইপোকা ,যার একমাত্র নেশা ও পেশা ছিল কিতাব মোতালা করা ৷ তাঁর তত্বাবধানে তিনি মক্তব ৪র্থ শ্রেণি থেকে মুখতার জামাত পর্যন্ত অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে লেখাপড়া করেন ৷ এরপর উচ্চ শিক্ষালাভের প্রবল বাসনা নিয়ে শায়খুল হাদিস আল্লামা নূর উদ্দীন গহরপুরী রাহ.এর প্রতিষ্টিত মাদরাসা জামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরে জালালাইন জামাতে ভর্তি হন ৷ সেখানেই তিনি হযরত গহরপুরীর তত্বাবধানে অত্যন্ত সুনাম ও কৃতিত্বের সাথে তাকমিল ফিল হাদিস পর্যন্ত লেখাপড়া করে বোর্ডের অধীনে ফাইনাল পরীক্ষায় স্কলারশীপ নম্বর পেয়ে প্রথমস্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন ৷ এমনকি প্রতিটি পরীক্ষাসহ বোর্ডের ক্লাসে ও তিনি প্রথম স্থান অধিকার করে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করেন ৷ তিনি যে সকল মহামনীষীর কাছ থেকে ইলমে দীন হাসিল করে ছিলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক'জন হলেন-শায়খুল হাদিস আল্লামা নূরউদ্দীন গরহপুরী রাহ.,শায়খুল হাদিস মুখলিছুর রহমান কিয়ামপুরী,শায়খুল হাদিস আব্দুল বাসিত বরকতপুরী রাহ.শায়খুল হাদিস গিয়াস উদ্দীন বালিয়া রাহ.শায়খুল হাদিস ফয়জুল বারী শায়খে মহেষপুরী রাহ.,শায়খুল হাদিস মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস লক্ষিপুরী,শায়খুল হাদিস আল্লামা আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী প্রমুখ।
তাঁর ইলমের পন্ডিত্যের ব্যাপারে বড়দের মন্তব্য 
(ক) জামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুর মাদরাসা যাঁদেরকে নিয়ে গর্ব করতো;তিনি তাঁদেরই একজন।তেমনি হযরত গহরপুরী রহ. তাঁর মায়ার ও যোগ্য যেসকল ছাত্র নিয়ে নিজেকে গর্বিত মনে করতেন। হযরত কানাইঘাটি হুজুর রহ. ছিলেন তাঁদের প্রথমসারির একজন। তাঁর ব্যাপারে আল্লামা নুরুদ্দীন গহরপুরি হুজুর রহ. গর্ব করে বলেছিলেন- ‘আমার জামেয়ার কুতুবখানা (গ্রন্থাগার) যদি আগুনে জ্বলেও যায়, আর আমার নসিব আলী থাকে, তাহলে কুতুবখানার সকল কিতাব আছে মনে করবো’। 
(খ) মাওলানা নসিব আলী রাহ.পরীক্ষায় সকল প্রশ্নোত্তোর আরবিতে লেখতেন ৷ মুখতসর জামাতে বোর্ডের পরীক্ষার আরবি ব্যাকরণের সর্বোচ্চ কিতাব "শরহে জামী" পেপার গাছবাড়ী মুযাহির উলুম কওমি মাদরাসার সুদীর্ঘ ৪৫বৎসরের মুহতামিম, খলিফায়ে আল্লামা বায়মপুরী রাহ.হযরত মাওলানা হাবীবুর রহমান রাহ.দেখে বলেন, আমার জীবনে কত পেপার দেখেছি কিন্তু তাঁর শরহে জামীর পেপার দেখে আমি আর্শ্চয্য হয়েগেছি যে এত সুন্দর আরবি এবারত যা একজন আরবী ভাষাবীদ লেখতে ও হিমশিম খাবে ৷ আমি তাকে ৫০ মার্কের স্থলে ৫২দিয়েছি ৷ এরপর তিনি তাঁর খোঁজখবর নিয়ে পরিচিত হন ৷ 

(গ) তাঁর সহপাঠী গাছবাড়ী এলাকার দলইরকান্দি মাওলানা সিদ্দীকুর রহমান যখন দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায় উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে চলে গেলেন ৷ তখন তিনি মাওলানা সিদ্দীকুর রহমান সাহেবের কাছে প্রায় আরবিতে পত্র লিখেন ৷ সেকালে দারুল উলুম দেওবন্দের কৃতি ছাত্র,আরবি সাহিত্যিক মাওলানা তালহা ফতেহপুরী হাফি.যিনি আরবিস্থান থেকে দেওবন্দে কোনো মেহমান সুভাগমন করলে তিনি দেওবন্দের মুল মাকসুদ ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে দরতেন ৷ এতে আরবের শায়েখ,ডক্তর,সাংবাদিক ও কলামিষ্টগণ তাঁর আরবি সাহিত্যের পান্ডিত্য দেখে আজমি বলে মনে করতেন না ৷ একবার মাওলানা ফতেহপুরী তাঁর আরবি পত্র দেখে বলেন, তিনি কোন আরবি বিশ্ববিদ্যিলয়ের আরবি প্রভাষক,তখন মাওলানা সিদ্দীকুর রহমান বলেন, তিনি কোনো আরবি ইউনিভার্সিটির প্রভাষক নয় বরং তিনি হলেন বাংলার একজন কওমি মাদরাসার ছাত্র ও আমার সহপাঠী ৷ সাথে সাথে মাওলানা ফতেহপুরী বলেন আমি বহু আরবি সাংবাদিক,কলামিষ্ট ও ডক্তরগণের পত্র পড়েছি ও উত্তর দিয়েছি কিন্তু এতো উচ্চ মানের সাহিত্য ও ভাষা জীবনের প্রথম এই দেখলাম ৷ এই হলো তাঁর জ্ঞানের অবস্থা ৷

( ঘ) তাঁর মেধা ও স্মৃতি শক্তি ছিলো অতুলনীয় ৷ জীবনে মেধার সঙ্গে মুতালাআর অপরূপ সমন্বয় ছিলো। তিনি কঠোর পরিশ্রমী ও নিবিষ্টমনে একাগ্রতার সঙ্গে প্রচুর মুতালাআহ করতেন। ফলে যেকোনো মাসআলার দলীল-প্রমাণ, আইম্মায়ে মাযাহিবের মতামত, নির্ভরযোগ্য শরাহ-শুরূহাতের রেফারেন্স এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি মনে হতো তাঁর ঠোঁটস্থ ছিলো।তেমনি শরহুল হাদীসের ক্ষেত্রেও তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ছিলো। শারিহীনে হাদীসের আরবী ভাষ্য ও মতামত যেকোনো মজলিসে যেকোনো মুহূর্তে নির্দিধায় বলতে পারতেন।

 কর্মজীবন : জ্ঞানের সাগর ইলম ও আমলের এ বীরডুবুরী সতৃষ্ণ এ ভ্রমণ কর্মজীবনের শুভ সূচনা করেন শিক্ষকতার মাধ্যমে ৷ তাকমিল ফিল হাদিসের পরীক্ষার পর পরই তাঁর প্রিয় উস্তাদ ও মুর্শিদের নির্দেশে জামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুর মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ৷ শিক্ষকতার প্রথম জীবনেই সম্মানীত শিক্ষকগণের সাথে তিনি সিহাহ সিত্তাহসহ দরসে নেজামির গুরুত্বপূর্ণ কিতাবাসমূহ সিংহ সাবকের ন্যায় পাঠ দান করেন ৷ তাঁর পাঠ দানের সুনিপুণ দেখে আল্লামা গহরপুরী রাহ. স্বয়ংতাকে বুখারী শরীফের দরস দিতে নির্দেশ করেন ৷ গহরপুর মাদরাসায় দেড় যুগের বেশি সময় বুখারী শরীফসহ সিহাহ সিত্তাহের কিতার দারস প্রদানে দেশের একজন প্রথম সারির শায়খুল হাদিস হিসেবে সুপরিচিতি ও সুখ্যাতি লাভ করেন ৷ মরহুম নসিব আলী সাহেব তাঁর জীবদ্ধশায় একাধিক মাদরাসায় কালা হাদদাছানা কালা হাদদাছানা বলে শায়খুল হাদীসের আসন অলঙ্কৃত করেছেন ৷ যথাক্রমে- রাজাগঞ্জ মাদরাসা কানাইঘাট,বাহরুল উলুম বালিঙ্গা মাদরাসা বিয়ানী বাজার,হাড়িকান্দী মাদরাসা জকিগঞ্জ,আজিমগঞ্জ মাদরাসা বড়লেখা,কুলিয়াচর মাদরাসা কিশোরগঞ্জ,শ্রীরামপুর মাদরাসা সিলেট,মৃত্যুর পূর্বমূহুর্ত বরুণা মাদরাসায় ৷ সুদীর্ঘ সময় দীনের খেদমত করে তাঁর কাছ থেকে হাজার হাজার ছাত্র জ্ঞান আহরণ করে আজ দেশে-বিদেশে দীনের খেদমতে নিয়োজিত আছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- হযরত মাওলানা নূরুল ইসলাম আহমদাবাদী,বিশিষ্ট সাহিত্যিক,কলামিষ্ট,গবেষক হযরত মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম,বিশিষ্ট মুফাসসিরে কোরআন যুবের আহমদ আনসারী, হযরত মাওলানা জামিল আহমদ সাহেব সাহেব জাদায়ে আল্লামা বায়মপুরী রাহ., হাফেজ মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু মুহতামিম গহরপুর মাদরাসা প্রমুখ ৷ 

আকাবিরদের প্রতি হযরতের ভালোবাসা ,পাঠদানের পদ্ধতি ও রচনাবলী : (ক) মুহাদ্দিস হযরাতগণ হাদীস পড়ানোর সময় সাধারণত বর্ণনাকারীদের সর্বপ্রথম বর্ণনাকারী কোনো সাহাবীর নাম উচ্চারণের সময় 'রাজিয়াল্লাহু আনহু' পড়ে থাকেন। কিন্তু সাহাবীর পরের বর্ণনাকারী যেমন তাবেয়ী বা তবে তাবেয়ীদের জন্য দোআমুলক কিছু পাঠ করেন না। এটাই সাধারণ নিয়ম। কিন্তু এখানে হুজুরের বৈশিষ্ট ছিল, প্রত্যেক হাদীস পাঠের পর বলতেন 'রাজিয়াল্লাহু আনহু ওয়া আনহুম'। অর্থাত: বর্ণনাকারী সকলকে তিনি দোআয় শরীক রাখতেন। যদি কোনো ছাত্র এবারত পড়ার সময় 'ওয়া আনহুম' বলেনি, এতে হুজুর মারাত্মক রাগান্বিত হয়ে বলতেন "যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা হাদীস পেলাম তাদেরকে দোয়া না দেয়া অকৃতজ্ঞতার পরিচয়"। তাই হযরতের দরসে যারাই এবারত পড়তেন খুব সতর্ক হয়ে পড়তেন। এটা ছিল পূর্বসূরীদের প্রতি হুজুরের আন্তরিক মহব্বতের বহি:প্রকাশ। (খ.)দরসে নেজামির কঠিন থেকে কঠিনতর কিতাবাদী এমনভাবে দারস প্রদান করেন যে সকল শ্রেণির ছাত্ররা সমানভাবে বুঝতে সক্ষম হতো ৷ যারা তাঁর দরসে বসার সৌভাগ্য হয়েছে তারা অপকটে তা স্বীকার করেন ৷( গ) দারস ও তাদরীস, কিতাব মুতালাআহ এবং নিষ্ঠার সঙ্গে ইলমে হাদীসের খেদমত করাই ছিল তাঁর জীবনের মূল পেশা এবং নেশা। শিক্ষকতা এবং কিতাব মুতালাআহ ছাড়া তাঁর আর কোনো কাজ ছিল না। ছাত্রদের তারবিয়াত,শিক্ষা-দীক্ষার উন্নতি এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মাণ উন্নয়ন ও সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টির পেছনে তিনি থাকতেন সদা তৎপর। তিনি সবসময় ছাত্র-শিক্ষক, কিতাব এবং মুতালাআকেই নিজের পরিবার মনে করেন। যারাই তার খেদমতে থাকে, ধনী হোক গরীব হোক, তাদের তৈল-সাবানের টাকা থেকে নিয়ে অধিকাংশ পড়ালেখার খরচ নিজের তানহা থেকে প্রদান করেন। তিনি মনে করতেন আমার এই সামান্য প্রচেষ্টায় একজন ছাত্র আলেম হলে আমার নাজাতের ওসিলা হবে ৷ (ঘ.)আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কলমের সাহায্যে তা'লিমপ্রাপ্ত জাতির সুযোগ্য ইলমে হাদিসের এ মুখলিছ খাদেম দারস ও তাদরিসের পাশাপাশি কয়েকখানা গুরুত্বপূর্ণ কিতাব ও রচনা করেছেন ৷ তাঁর প্রকাশিত রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে "ইফাদাতুল আহাদিসিয়া" যা ইলমে হাদিসের ওপর এক দুর্লভ কিতাব ৷ এ ছাড়া তিনি আরো মূল্যবান তিন চারটি গ্রন্থ রচনা করেছেন,কোনো এক সুহৃয়বান ব্যাক্তি তা প্রকাশ করার জন্য তাঁর কাছ থেকে নিয়ে ছিলেন কিন্তু দুর্ভাগ্য সে ব্যাক্তি আর তা প্রকাশ করেননি তিনিও তার খোঁজখবর নেননি ৷ * তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রায় সময় বলতেন দুনিয়ার মোহে পড়ে তোমরা নিজের ইলম ও আমলকে বরবাদ করে দিও না ৷ * আমাদের আকাবিরদের যিন্দেগীতেই আমাদের সমস্যার সমাধান নিহিত ৷ তাই আমাদের আকাবিরদের জীবনী বেশি করে মোতালাআ করা একান্ত জরুরী ৷ দুনিয়া বিমুখ গুমনাম এক আল্লাহর ওলি : যুগে যুগে এমন কিছু আল্লাহর নেক বান্দারা অতিবাহিত হয়েছেন, যারা ইলম ও আমলকে সবকিছুর উপর প্রাধান্য দিয়েছেন। তাদের কেউ কেউ ছিলেন, চিরকুমার। এমন কিছু ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে শায়েখ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দা রাহিমাহুল্লাহ কিতাবও রচনা করেছে। নাম দিয়েছেন- আলউলামুল উযযাব আল্লাযিনা কাদ আছারুল ইলমা আলায যাওয়াজ'। আজবধি এধারা অব্যাহত আছে। সেসব মনিষীরা আমাদের মাঝে আজ ও আছেন। বছর এক আগে আমাদের থেকে বিদায় নেন, ভারতের শায়খুশ শুয়ুখ আমিরুল মুমিনিনা ফিল হাদিস, শায়খ ইউনুস রাহিমাহুল্লাহ। যাকে মাওলানা যাকারিয়া কান্দলবি রহ. সম্বোধন করে বলেছিলেন- তুমি কি বুখারি পড়াতে চাও নাকি আমার মেয়েকে বিবাহ করতে চাও? দু'টোর একটি তোমাকে চয়ন করতে হবে। তিনি বুখারি অধ্যয়নকেই চয়ন করেছিলেন। তারপর আর কখনো বিয়ে করেন নি। আমাদের চোখের সামনে, বর্তমানেও দারুল দেওবন্দ'র প্রতিটা ইটপাথর যার কাছে ঋণী; তিনি হলেন, আরেক চিরকুমার আলেম, দেওবন্দের ভাইস প্রিন্সিপাল মাও. আব্দুল খালিক মাদরাসি হাফিজাহুল্লাহ।এধারায় মাওলানা নসিব আলি রাহ. ছিলেন এক চিরকুমার চলন্ত কুতবখানা ৷ তিনি প্রাতিষ্টানিক লেখাপড়া সমাপ্ত করার পর তার স্নেহময়ী মাতা তাকে বিবাহের জন্য অনেক পিড়াপিড়ি করলে তিনি বলেন, বর্তমানে মেয়েদের মাঝে দীন ও পর্দাপুশিদা নেই বলে চলে আমি কোনো মেয়েকে বিবাহ করবো ! এরপর ও সুন্নাতে নববী ও আপনাদের নির্দেশে বিবাহে রাজি আছি ৷ কিন্তু বিবাহের ৩দিনের মাথায় বেখালে স্ত্রীরির সামান্য হাতের পর্দা খোলা দেখে মাকে বলেন আমি বার বার বলেছি বিবাহ করবো না ৷ যে মেয়ের পর্দার প্রতি খেয়াল নেই সে মেয়েকে আমি আর রাখতে চাইনা ৷ তাই তিনি তালাক দিয়ে সারাটি জীবন চির কুমারিত্ব গ্রহণ করে দীনের খেদমত করে চলেগেছেন ৷ তিনি ছিলেন দুনিয়া বিমুখ গুমনাম এক আল্লাহর ওলি ৷ বাড়ি ঘর সবকিছু আত্মীয় স্বজনকে দান করে দিয়ে নিজে মাথা গোছানোর জন্য ও একটি ঘর তৈরি করেননি ৷ তাঁর জীবনটি ছিলো একবিতা বাস্তব নমুনা "ওয়াতন ছে হাম করেঙ্গে কিয়া মাদ্রাসা হো ওয়াতন আপনা - মরেঙ্গে হাম কিতাবো পর ওয়ারক্ব হোগা কাপন আপনা"। ঘর বাড়ি দিয়ে আমি কি করবো,মাদরাসা হবে আমার ঘর,মৃত্যুবরণ করবো কিতাবের ওপর কাপন হবে কিতাবের পাতা ৷ বায়আত ও খেলাফত লাভ : তিনি ছিলেন সুন্নাতে নববীর একমূর্তপ্রতীক ৷ যেভাবে সুন্নাতের ওপর আলম করতেন তেমনি ভাবে মুস্তাহাবের ও প্রতি ছিলেন খুবই যত্নশীল।যে নামাযে বড় আওয়াজে ক্বেরাত পড়া হয় সেসব নামাজে ইমাম সাহেব যদি মাসনুন ক্বেরাত দিয়ে নামাজ না পড়ান তাহলে তিনি খুব মনোক্ষুন্ন হতেন।যেভাবে ইলমে জাহিরী শায়খুল হাদীস আল্লামা নূর উদ্দীন গহরপুরী রাহ. র কাছ থেকে হাসিল করেছিলেন,তেমনিভাবে ইলমে বাতিনী তথা আত্মশুদ্ধির জন্য হযরত গহরপুরীর হাতে বায়আত গ্রহণ করলে আল্লামা গহরপুরী তাঁর মাঝে ইলমে মারিফতে ও ভরপুর দেখে অতি অল্প দিনে তাকে খেলাফত ও ইজাজত প্রদান করেন ৷ প্রচার বিমুখ এ আল্লাহর ওলি সবসময় নিজেকে গোপন রাখতেন ৷ তাই তাঁর কাছে আত্মশুদ্ধির জন্য অনেক লোক বায়আত গ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করলে তিন মোটেই রাজি হতেননা, বরং অন্যের কাছে বাআতের কথা বলতেন ৷ এরপর ও অনেক পিড়াপিড়ি পর একেবারে হাতেগুনা কয়েকজনকে বায়আত গ্রহণ করেন ৷ আমাদের জানামতে একমাত্র মাওলানা শাহ নেওয়াজ সাহেবকে ইজাজত প্রদান করেছেন ৷ 

ইন্তেকাল : মানুষ মরণশীল তাই সবাই একদিন না একদিন মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন গ্রহণ করতে হবে ৷ কিছু কিছু মানুষ চলে যাওয়ার পর আলেম সমাজ ও ইলমি পরিমন্ডলে যে ক্ষতি হয় তা সহজে পূর্ণ হওয়ার মত নয় ৷ হযরত কানাইঘাটী রাহ.প্রায় বছর দু,এক ধরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লেও চলছে বুখারী শরীফের দারস নির্ধারিতভাবে ৷ তাঁর দারস তাদরিসে কোনো প্রকার ব্যাঘাত ঘটনি ! বিগত ২৮ জানুয়ারী শারীরিক অবস্থা অবনতি দেখা দিলেও বুখারী শরীফের দারস শেষ করে চলে যান ডাক্তারের কাছে ৷ কে জানে এ দারস ছিলো তাঁর জীবনের শেষ দারস ও মহান প্রভুর সান্নিধ্যে চলে যাওয়ার প্রারম্ভিকতা ৷ ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ভর্তি করা হয় সিলেট ইবনে সীনা হাসপাতালে ৷ দিন দিন তাঁর শরীরের অবস্থা অবনতি দেখা দিলে সাপ্তাহ খানেক সেখানে থাকার পর ডাক্তদের নির্দেশে সিলেট উসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে সাড়ে ৩ঘন্টা অতিবাহিত হয়ার পর ৬ই জানুয়ারী রাত ১.৩০ মিনিটে তাঁর অসংখ্য শিষ্য-শাগরিদ,ভক্ত-অনুরক্ত ও আত্মীয় -স্বজনকে শোকসাগরে ভাসিয়ে আল্লাহ তাআলার সান্নিধ্যে চলে গেছেন ৷ ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন ৷ ঐদিন বাদ আসর তাঁর দীনি শিক্ষা জীবনের প্রথম সোপান কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসা মাঠে হাজার হাজার আলেম উলামা ও জনসাধারনের অংশগ্রহণে নামাযে জানাযা অনুষ্টিত হয় ৷ জানাযার নামায পড়ান তাঁরই উস্তাদ কানাইঘাট মাদরাসার শায়খুল হাদীস ও মুহতামিম আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস লক্ষিপুরী হাফিজাহুল্লাহ ৷ পরে তাঁর নিজ গ্রাম কান্দেবপুর মসজিদের গোরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয় ৷ আল্লাহ তাআলা তাঁর দীনি খেদমতগুলো কবুল করুন এবং মানুষ হিসেবে তাঁর জীবনের ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাতের উচ্চ মাকাম নসীব করুন ,আমিন ৷ ————— পরিশেষে সবার কাছে অনুরোধ করছি তত্ত্বগত কোনোপ্রকার ভুল হলে অথবা যারা হুজুরের কাছে পড়েছেন, আশা করব আপনাদের স্মৃতি থেকে হুজুর সম্পর্কে কমেন্ট করে আমাদেরকে জানালে পরবর্তিতে আমরা সংশোধন করে আরও সমৃদ্ধ করবো ৷

পানির মান পরীক্ষা করবে ‘রাজহাঁস’

C9mklLHW0AATBeT_1.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
প্রযুক্তিবিদ্যার উন্নয়ন মানুষের জীবনকে অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে। আর এতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে রোবট। তারই ধারাবাহকতায় সিঙ্গাপুরের প্রধান জলাধারে পানির মান পরীক্ষার জন্য কতগুলো রোবট রাজহাঁস ছাড়া হয়েছে। এ ধরনের পাঁচটি যান্ত্রিক রাজহাঁস ইতোমধ্যেই পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে।

এদের কাজ হবে সিঙ্গাপুর শহরে পানি সরবরাহের প্রধান হ্রদে ভেসে বেড়ানো এবং পানির মানের দিকে নজর রাখা। হাঁসের ঝাঁকের সঙ্গে মিশে এই রোবটগুলো ঘুরে বেড়াবে। কিন্তু রোবটের তালায় থাকবে প্রপেলার এবং পানি পরীক্ষার যন্ত্র।

এ ব্যাপারে চ্যানেল নিউজ এশিয়া জানিয়েছে, এ ধরনের পাঁচটি যান্ত্রিক হাঁস ইতোমধ্যেই পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে। এদের কাজ হবে সিঙ্গাপুর শহরে জল সরবরাহের প্রধান হ্রদে ভেসে বেড়ানো এবং পানির মানের দিকে নজর রাখা। কিন্তু রোবটের তালায় থাকবে প্রপেলার এবং পানি পরীক্ষার যন্ত্র। ওয়্যারলেস প্রযুক্তির মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ পরীক্ষার ফলাফল পৌঁছে দেয়া হবে কর্তৃপক্ষের কাছে।

সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ম্যানডার চিট্রে এ প্রসঙ্গে জানান, প্রথমে তারা ছোট পাখির মডেল বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু আকৃতিতে বড় বলে তারা রাজহাঁসের রোবট বানানোর সিদ্ধান্ত নেন। এই রোবটগুলো এমনভাবে বানানো হয়েছে যাতে ছোট নৌকা, ডিঙ্গি বা কায়াকের আঘাত লাগলেও এদের কোনো ক্ষতি হবে না।

পাশাপাশি পানি পরীক্ষার জন্য এখন থেকে বিজ্ঞানীদের আর জলাধারেও যেতে হবে না।

সূত্র: বিবিসি

শীতে হাত-পা উষ্ণ রাখবে ঝাল খাবার

5.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
হাতের সঙ্গে হাত ঘষছেন, কিন্তু কিছুতেই উষ্ণ হচ্ছেনা না। পায়েরও একই অবস্থা। মোজা পরেও লাভ হচ্ছে না। শীতকালে একটি বড় সমস্যা হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া।

শীতে যদি এমন সমস্যায় পড়ে থাকেন তাহলে ঝাল খাবার খান। গবেষকরা এমন তথ্যই দিয়েছেন। জেনে নিন আরো কিছু উপায়-

ঝাল খাবার:
ঝাল খাবার রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ঝাল খাবার খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। ফলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। শীতে রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে সাধারণত হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে থাকে। তাই ঝাল খাবার খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

তৃষ্ণা না পেলেও পানি পান করুন:
শীতে বেশিরভাগ মানুষই পানি পান করা কমিয়ে দেয়। পানি ঠাণ্ডা থাকার কারণে এবং তৃষ্ণা কম পাওয়ার কারণে পানি পান করা হয়না বললেই চলে। কিন্তু শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে শীতেও পরিমিত পানি পান করা জরুরী। এতে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকবে এবং হাইপোথারমিয়া হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে।

সিগারেট, কফি, অ্যালকোহল বাদ:
এই শীতে নিকোটিন, ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল তিনটি উপাদানই বাদ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। কারণ নিকোটিন এবং ক্যাফেইন রক্তনালীকে সংকুচিত করে এবং রক্ত সঞ্চালনে বাধা দেয়। ফলে হাত এবং পায়ের স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া বাধা প্রাপ্ত হয়ে সেগুলো শীতল হয়ে যায়।

ঢিলে-ঢালা পোশাক:
শীতে ঢিলে পোশাক পরলে তা স্পেস হিটারের কাজ করে। শীতে উষ্ণতার জন্য হাত এবং পা ঢেকে রাখতে হবে। তবে হাত মোজা এবং পা মোজা একটু ঢিলে হলে দ্রুত হাত-পা উষ্ণ হবে। এতে মাঝে আঁটকে থাকা বাতাস ইনসুলেটরের কাজ করে। ফলে হাত-পা গরম থাকে।

আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খান:
মাছ, মাছের তেল এবং আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে ধমনীর প্রসারিত থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে। তাই ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধি মাছ, সবুজ শাক, আয়রন সমৃদ্ধ সবজি ও ফল খেতে থাকুন পুরো শীত জুড়ে।

ব্যায়াম:
বাইরের বাতাসের ভয়ে হাঁটা কিংবা দৌড়ানো হয়না। আবার ঘরে কিংবা জিমেও ব্যায়াম করতে আলসেমি লাগে। শীতে হাত এবং পা-সহ পুরো শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে ব্যায়াম করুন নিয়মিত। নিয়মিত ব্যায়াম করলে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে এবং শরীরের তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রিত থাকে।

জন আব্রাহাম সম্পর্কে বোমা ফাটালেন বিপাশা

13_0.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
বলিউডে এক সময়ের আলোচিত জুটি বিপাশা বসু ও জন আব্রাহাম। তাদের প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে হয়েছে অনেক নাটক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর পরিণতি পায়নি। বর্তমানে অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে বেশ সুখেই সংসার করছেন অভিনেত্রী বিপাশা বসু।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রেমিক জন আব্রাহাম সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

টাইমস ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিপাশা বলেন, আমি অন্য ১০ জন নারীর মতো একজন সাধারণ নারী। অন্য ১০ জন নারীর মতোই আমার জীবনে প্রেম এসেছে। আমি আমার সম্পর্ক ঠিকিয়ে রাখার জন্য ১০০ ভাগ চেষ্টা করেছি। কিন্তু কপালে যা ছিল তাই হয়েছে। তবে এটা ঠিক আমার পক্ষ থেকে আমি সঠিক ছিলাম।

সাক্ষাৎকারে বিপাশা বসু নিজের সম্পর্ক, বিয়ে ও সংসার জীবন নিয়ে কথা বলেছেন।সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয় অভিনেতা জন আব্রাহামের সঙ্গে তো আপনার দীর্ঘ কয়েক বছরের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কটা আসলে কেন ভাঙলো সেটা এখনও রহস্য। কেন ভাঙলো বলবেন প্লিজ? বিপাশা বসু কোনো সংকোচ না করেই বলেন, আসলে সম্পর্ক হচ্ছে বিশ্বাসের জায়গা। সেই বিশ্বাসটা যদি কেউ ভাঙে, কেউ যদি প্রতারণা করে সেটা মেনে নেয়া যায় না। আমিও এক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার হয়েছি। তাই সম্পর্কটা ভেঙেছিল।

আপনি কি আবার প্রেমে পড়বেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বিপাশা বলেন, হ্যাঁ। আমি প্রেম সম্পর্কে অনেক সচেতন। আমি একজন সহজ, অসীম বিশ্বাসী মেয়ে। তবে আমি বিশ্বাস করি একাই ভালো। নারী হিসেবে আমি একাই ভালো থাকতে পারি। সূত্র: অর্থসূচক

শীতের অপূর্ণতা দিয়ে হারিয়ে গেছে অতিথি পাখিগুলো

36942304_303.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এবার যেন শীতের প্রকৃত স্বাদের মহত্ত্ব পাচ্ছে বাঙালি জাতি! শীতের সকালে ঘন কুয়াশার ধোঁয়ায় ক্ষেত থেকে মটরশুটি তুলেছেন কখনো? গায়ে চাদর জড়িয়ে চোখ-মুখে ভেজা কুয়াশা মেখে গাছ থেকে নামানো খেজুর রস খেয়েছেন কখনো? গরম ভাপা পিঠা তাড়াতাড়ি খেতে গিয়ে মুখ পুড়িয়েছেন কখনো? শীতের দ্রষ্টব্য এখন উত্তরে ওই হিমেল হাওয়া। নবান্ন না থাক, আল্পনা না থাক শীতকাল তবু চেনা যায়। ধানে-গানে-পিঠে-পুলিতে, খেজুরের রসে কিংবা অতিথি পাখির কূজনে।

শীতের কাছে মানুষের অনেক পাওনা কিন্তু সব পাওনা যেন দিতে পারছেনা শীত। অপূর্ণতার ছায়া যেন কোথাও করেছে ভর। আকাশটা কেমন শূন্য মনে হচ্ছে ঝিলগুলো খাঁ খাঁ করছে কাউকে পাওয়ার আশায়। কি এমন অপূর্ণতা?

ধানে-গানে-পিঠে-পুলিতে কিংবা খেজুরের রসে ভরে উঠছে গ্রাম বাংলা তবুও কিসের কূজনের ডাক যেন শুনতে পাই না।

উত্তরের এমন ফুরফুরে হাওয়া। এ সময়টাতেই যেন ডানা ছড়িয়ে দিত কূজন ডাকা অতিথি পাখিরা। ডানা মেলে ভেসে আসে উত্তরের অতিথি শীতের পাখিরা। প্রতি বছরই ওরা আসে। ঝাঁকে ঝাঁকে। নানা রং আর আকৃতির সেসব পাখির কূজনে মুখরিত হয় নদীপাড়, বিল-ঝিল, বন-বাদাড়সহ পুরো বাংলা। প্রতি শীতেই বাংলাদেশের জলাশয়গুলো ছেয়ে যায় যাযাবর পাখির ঢলে। ওদেরই আশেপাশে ভিড় জমায় বিচিত্র সব দেশি পাখি। শুভ্র আকাশে, নিষ্পন্দ বাতাসে ওরা মেলে ধরে ডানা। সৌন্দর্যে অতিথি পাখির আনাগোনা যেন ভিন্ন এক মাত্রা যোগ করে শীতের পূর্ণতায়।

অক্টোবরের শুরু থেকেই অতিথি পাখিদের আগমন শুরু হয় বাংলাদেশে। শীতটা কাটিয়ে আবার ওরা পাড়ি জমায় নিজ দেশে। এরই ভেতর পাখি প্রেমিকরা মন ভরে দেখে নেয় তাদের। প্রতি বছর এ সময়ের জন্য অপেক্ষা করে অনেকেই। কিন্তু এখন জানুয়ারির মাঝামঝি চলছে এবার যেন কিছু একটা হয়েছে। বংলাদেশর ঝিলগুলো এমনিতেই অতিথি পাখির জন্য বিখ্যাত। এবার এই প্রথমবারের মতো দেখা গেল, ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি সেখানে লুটোপুটি খেলছে না।

কি হয়েছে ওদের? ঝিলগুলো কি তাদের লুটোপুটি খেলার আর উপযোগী নেই? ওরা বুঝলো বুঝি বসবাসের জন্য অনুকূল পরিবেশ আর নেই এদেশে। দেরি করেনি ওরা আর, দ্রুতই চলে গেছে বাঙালির ঐতিহ্য থেকে। প্রতি বছরই অল্প কিছু পাখি পরিবেশের অবস্থা দেখার জন্য আসে। এরা ফিরে গিয়ে দলের পাখিদের জানায় পরিবেশের অবস্থা কী রকম। এ পাখিগুলো যদি ফিরে গিয়ে বলে পরিবেশ তাদের অনুকূলে নেই তাহলে মৌসুমে আর কোনো অতিথি পাখির দেখা মিলবে না। অতিথিরা অন্য আশ্রয়েই চলে যাবে বাংলাকে ছেড়ে।

লাখো লাখো পাখি এ সময়টাতে কোথা থেকে উড়ে আসে, আবার কোথায় যেন মিলিয়ে যায়। প্রায় দুই হাজার বছর ধরে চলে আসছে পাখিদের এই সাময়িক আসা-যাওয়া। পাইস্টোসিন হিমযুগে পৃথিবীর উত্তর বরফে ঢেলে গেলে বাঁচার তাগিদে পাখিরা ওই অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয় দক্ষিণ গোলার্ধে। অবস্থা বদলে গেলে পাখিরা আবার ফিরে আসে নিজ ভূখন্ডে এভাবে পাখিদের জীবন জন্ম নেয় স্থানান্তরে এ যাওয়া-আসা। দিনের আলো যখন উত্তর গোলার্ধে কমতে থাকে, পাখিরা প্রজননের দেশান্তরে যাওয়ার জন্যে চঞ্চল হয়ে ওঠে ওরা।

দেশান্তরী এসব পাখির মূল বাসভূমি শীতপ্রধান এলাকা। সাইবেরিয়াসহ হিমালয়ের বনাঞ্চলে এদের বাস। শীত বাড়তেই এরা পাড়ি জমায় হাজার মাইল দূরদেশে। প্রাণী বিজ্ঞানীদের কথায়, বাংলাদেশের পাখি দুই শ্রেণির। আবাসিক আর অনাবাসিক। অতিথি পাখিরা অনাবাসিক শ্রেণির।

শীতের মৌসুমে আসা অতিথি পাখিদের মধ্যে রয়েছে বালিহাঁস, পাতিহাঁস, লেজহাঁস, পেরিহাঁস, চমাহাঁস, জলপিপি, রাজসরালি, লালবুবা, পানকৌড়ি, বক, শামুককনা, চখাচখিম সারস, কাইমা, শ্রাইক, গাঙ কবুতর, বনহুর, হরিয়াল, নারুন্দি, মানিকজোড় নাম না জানা কতো কি পাখি। প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪-১৫ প্রজাতির হাঁস ছাড়াও গাগিনি, গাও, ওয়েল, পিগটেইল, ডাটাস্মক, থাম, আরাথিল, পেরিক্যান, পাইজ, শ্রেভির, বাটান এসব পাখি এসে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাখিদের মধ্যে পৃথিবীর চৌম্বক শক্তিকে সূক্ষ্মভাবে উপলব্ধি করার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা আছে। পথের নিশানা এদের ভুল হয় না কখনো। কোথায় কত উচ্চতায় অনুকূলে বাতাস মিলবে, সেটি অনুভব করার শক্তিও আছে এদের। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাসও এরা আগেভাগেই পেয়ে যায়। সে জন্যে নিজ দেশে যখন শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে, তখনই দেশত্যাগ করতে শুরু করে ওরা।

এই বেদওয়াতী অতিথিরা, ওরা কেন আসবে বাংলাদেশে? কী এমন আকর্ষণ আছে এখানে? ওদের আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই তো শুরু হয় পাখি শিকারিদের আনাগোনা। শিকারির রক্তে জাগে খুনের নাচন। বন্দুকের নলে চকচকে করে লোভ। ৭৩-এ বন্যা জন্তু (সংরক্ষণ) অধ্যাদেশ অনুসারে জীবজন্তু হত্যা, ফাঁদ পেতে ধরা বা অন্য কোনো উপায়ে ক্ষতি করা আইনত দন। কাগুজে এ আইনের ভয়ে শিকারিরা দমে না। শৌখিন পাখি শিকারিদের উপদ্রব তাতে খানিকটা কমলেও পেশাদার পাখি শিকারিদের তৎপরতা একটুও কমেনি। শীতের পাখি আসা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাওর এলাকায় ধূম পড়ে যায়। নানা রকমের জাল, পিঞ্জর, ফাঁদ তৈরির প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। হাওর এলাকায় মানুষের নির্ভরতা বছরে একটি মাত্র ফসলের উপরে, সে কারণে অনেকেই শীত মৌসুমে পাখি শিকার করেই জীবিকা নির্বাহ করে। পাখি শিকার মানেই নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা আর নৃশংসতা। বাজারে দশ-বিশ-একশ টাকায় অতিথি পাখি বিক্রি হতে দেখা যায়। রাতের বেলা জালের সাহায্যে ফাঁদ পেতে বন্দি করা হয় পাখিদের। দিনে এয়ারগান, বন্দুক, রিভলবার- এসব ব্যবহার করে মারা হয়। এখানে একটি ব্যাপারে দৃষ্টি দেওয়া দরকার যে, পাখি শিকারের অস্ত্র হিসেবে প্রধানত এয়ারগান ব্যবহার করা হয়। কার্যকারিতার দিক থেকে পাখি মারা ছাড়া আর কোনো কাজে এয়ারগানের ব্যবহার নেই। এয়ারগান কেনা আর লাইসেন্স করার উদ্দেশ্য একটাই পাখি শিকার।

আমাদের দেশ, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ কতৃপক্ষরা এসব যে জানেন না, তা নয়। ভালোই জানেন তারা। কিন্তু সব জেনেও কেন এয়ারগান ব্যবহার অবৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে না?

শুধু সৌন্দর্যই নয়, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যও পাখিদের বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজন আছে। পাখি হলো প্রকৃতির কীটনাশক। পাখির সংখ্যা কমে গেলে কীটপতঙ্গের অত্যাচারে অসম্ভব হয়ে পড়বে ফসল ফলানো। সেটিই যদি হয়, তাহলে নির্ভর করতেই হবে কীটনাশকের ওপর। কিন্তু এটি তো পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর। যে দেশে পাখি বেশি সে দেশে পর্যটকের সংখ্যাও বেশি। কাজেই পাখি ঘাটতি অবশ্যই উদ্বেগের ব্যাপার।

যে পাখি নিসর্গকে এত সুন্দর করে, চোখকে এত প্রশান্তি দেয়, সৌন্দর্য চেতনাকে এত আলোড়িত করে, নিরীহ সে পাখির প্রাণ নেওয়াতে কী এত সুখ মানুষের?

পাখিরা আসুক। ওদের কলকাকলীতে ভরে উঠুক আমাদের চারপাশ। শিকারির বন্দুকের আঘাতে যেন ডানা ভেঙে থুবড়ে না পড়ে কোনো পাখি। সেক্ষেত্রে প্রচলিত আইনকে প্রয়োগ করতে হবে কার্যকরভাবে। তৎপরতা বাড়াতে হবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রশাসনকে। পাশাপাশি হাওর এলাকার মানুষদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান দরকার। মানুষের ক্ষুধায় সবকিছু দাহ্য, পাখি তো বটেই। প্রকাশ্যে রাজপথে পাখির বিপণন বন্ধ হলে যে পাখি শিকার প্রবণতা কমে যাবে, সেটি সহজেই বোঝা যায়। পাখি নিধনের তান্ডব বন্ধে বেশি কিছু নয়, ওদের জন্য শ্রেফ একটু ভালোবাসা, একটু প্রাণবিক উষ্ণতা চাই। আমাদের, এ মানুষদেরই তো অতিথি ওসব বর্ণিল পাখি।

আমরা চাই সবকিছু চাপিয়ে সুন্দর অতিথি পাখিময় শীতের সকাল। সরকার যদি এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পাখিদের আসা-যাওয়ায় প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।
সূত্র: বিডি লাইভ।

কলম্বিয়ায় নির্মাণাধীন সেতু ধসে নিহত ১০

C9mklLHW0AATBeT_2.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
কলম্বিয়ায় নির্মাণাধীন একটি সেতু ধসে পড়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। সোমবার দেশটির কেন্দ্রীয় অঞ্চলে দুর্ঘটনার ঘটনাটি ঘটেছে।

কলম্বিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন নয়জন। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় অপর একজনের মৃত্যু হয়। সেতু ধসে পড়ার ঘটনায় আরো দু’জন নিখোঁজ রয়েছেন।

মেটা এলাকার বেসামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরিচালক জর্জ দিয়াজ জানান, সেতু ধসের ঘটনায় আহত এবং নিহত সকলেই নির্মাণ শ্রমিক ছিল। কারণ, সেটি নির্মাণীধনি ছিল।

তিনি আরো জানান, দুইশ ৮০ মিটার উপর থেকে নিচে পড়ে যান শ্রমিকরা। ওই সময় ২০ জন শ্রমিক সেতুর উপর কাজ করছিলেন।
সূত্র : বিবিসি

নারায়ণগঞ্জে সংঘর্ষে মেয়র আইভীসহ অর্ধশতাধিক আহত

4.png


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
নারায়ণগঞ্জ শহরে চাষাঢ়া এলাকায় মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমর্থকদের মধ্যে ফুটপাথে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে সংর্ঘষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়াসহ দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই শতাধিক শর্ট গানের ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

এলাকাবাসী জানায়, নারায়ণগঞ্জ শহরে ফুটপাথে মঙ্গলবার থেকে হকারদের বসতে বলেন শামীম ওসমান। বিকেল ৪টার দিকে চাষাড়ায় শহীদ মিনারের কাছে হকাররা বসে। সোয়া ৪টার দিকে মেয়র আইভী তার সমর্থকদের নিয়ে শহীদ মিনারের দিকে রওনা দেন। তিনি কিছু হকারদের ফুটপাথ থেকে তুলে দেন। এক পর্যয়ে সায়েম প্লাজার কাছে শামীম ও আইভীর সমর্থদের মধ্যে সংর্ঘষ বেঁধে যায়। প্রথমে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে পরে তাদের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয় বলে জানা যায়।

নগরীর চাষাঢ়া থেকে দুই নং রেল গেইট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে হকারদের সমর্থনে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান রাজপথে নেমে এসে হকারদের পক্ষ নিয়ে বঙ্গবন্ধু সড়কে অবস্থান করেন। আহত আইভী প্রাথমিক চিকিৎসার পর নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে অবস্থান নেন।

কানাইঘাট বাণীগ্রাম ইউপি আ'লীগের বর্ধিত সভা ! ইকবাল ও বাবলু আ’লীগের কেউ নয়


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট ৭নং দক্ষিণ বানীগ্রাম ইউপি আ’লীগের এক বর্ধিত সভা গত ৩১ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি আ’লীগের সভাপতি মাষ্টার সিরাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদের পরিচালনায় বর্ধিত সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই সাথে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বানীগ্রাম ইউপির বানীগ্রামের সিরাজুল হকের পুত্র ইকবাল আহমদ একই গ্রামের ছিফত উল্লাহর পুত্র বাবলু এলাকায় আ’লীগের নাম ব্যবহার করে নানা ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে লিপ্ত থাকায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে উল্লেখ করে ইকবাল আহমদ ও বাবলু ইউপি আ’লীগ ও সংগঠনের কোন ওয়ার্ড অথবা উপজেলা আ’লীগের কোন কমিটিতে তাদের নাম নেই এবং তারা কোনদিন আ’লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না, এদের সাথে আওয়ামী পরিবারের কেউ সম্পর্ক না রাখার জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় সভায়। সেই সাথে আ’লীগ নামধারী ইকবাল আহমদ ও বাবলু এলাকায় কোন ধরনের সমাজ বিরোধী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরি প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

কানাইঘাটে নদীতে ডুবে যাওয়া শিশু রাজের এখনো সন্ধান মেলেনি

Kanaighat News on Monday, January 15, 2018 | 10:46 PM


আমিনুল ইসলাম : কানাইঘাট বাজারস্থ সুরমা নদীর তীরে স্কুল ছাত্র রিমন চন্দ্র রাজের মায়ের আহাজারীতে সুরমা পাড়ের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। রবিবার থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল নদীতে ডুবে যাওয়া রাজকে উদ্ধার করতে সকল প্রচেষ্টা চালিয়েও কোন সন্ধান মিলেনি তার। সোমবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে রাজের সন্ধান না পাওয়ায় আপাতত উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন। ফায়ার সার্ভিসের লোকজনও ছেলের সন্ধান না পাওয়ায় স্বামী হারা লিলি রানী চন্দ্র পাগলপ্রায়। তাহার কান্নার আহাজারীতে কামারপট্টি সুরমা পাড়ের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। অল্প বয়সে স্বামীর মৃত্যুর পর বড় ছেলে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী রনি ও ছোট ছেলে রাজকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস করছেন। গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলসাইন গ্রামের স্বামী রবিন্দ্র চন্দ্রের সাথে সংসার সাজিয়ে ছিলেন লিলি চন্দ্র। ছোট ছেলে রাজের জন্মের ৫ মাসের মাথায় ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে স্বামীকে হারান তিনি। এর পর থেকে
দুই ছেলেকে নিয়ে লিলির শেষ আশ্রয় হয় কানাইঘাট বাজারস্থ কামারপট্রিতে। স্কুল পড়ুয়া এই দুই ছেলের মধ্যে রাজ ছিল মেধাবী। তাই রাজকে নিয়ে মা লিলি চন্দ্রের ছিল অনেক স্বপ্ন। এখন রাজের মায়ের কেবল সুরমার কাছে মিনতি রাজ নয় অন্তত রাজের দেহটি চান তিনি। এদিকে সিলেট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মজনু মিয়া জানান, ২দিন ধরে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করেও শিশু রাজের সন্ধান পাননি। তাদের ধারণা, যেখানে সে ডুবেছিল সে প্রান্তে নদীর স্রোত থাকায় হয়তো অন্য প্রান্তে নদীর তলদেশে তার লাশ চলে গেছে। শীতের মৌসুম হওয়ায় লাশ পানিতে ভাসতে সময় যাচ্ছে। একাধিক ডুবুরী নদীতে নামাতে হাজারো মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, গোটা সিলেটে পদ অনুযায়ী একজন মাত্র ডুবুরী রয়েছে। তাও আবার সিলেটের নন তার কর্মস্থল নারায়নগঞ্জের নদী ফায়ার স্টেশনে।

কানাইঘাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে পাঠদান ব্যাহত


নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষক সংকটের কারণে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সিলেটের কানাইঘাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম মুখ তুবড়ে পড়েছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের ২৭জন শিক্ষকের মধ্যে বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সহ কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৮জন শিক্ষক। সাড়ে ৬শত শিক্ষার্থীকে ৭জন শিক্ষক পাঠদান করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। এতে করে শিক্ষার্থীদের সার্বিক পাঠদান ব্যবস্থা মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। শিক্ষকরা সঠিক ভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করাতে পারছেন না। ৬ষ্ট শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ১০টি সেকশনে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে শিক্ষক স্বল্পতার কারণে বিঘ্ন ঘটছে। কমার্স বিভাগ থাকলেও দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই বিভাগের কোন শিক্ষক স্কুলে নিয়োগ না দেওয়ায় কমার্সে লেখাপড়া করতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুষেন রঞ্জন তালুকদার কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন, কানাইঘাট উপজেলার সেরা শিক্ষার্থীরা এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করে থাকেন। মেধাবী শিক্ষার্থীরা এখানে লেখাপড়ার সুযোগ পেলেও দীর্ঘদিন ধরে ২৭জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৮জন দিয়ে আমরা জোড়াতালি দিয়ে ছাত্রদের পাঠদান করে যাচ্ছি। এতে করে শিক্ষার্থীদের যেভাবে পাঠদান করার কথা সেটি আমরা করতে পারছি না। শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি ৫জন কর্মচারীর স্থলে বর্তমানে ১জন, অফিস সহকারী ২জনের মধ্যে ১জন রয়েছেন। শিক্ষক সংকট থাকার পরও সাড়ে ৬শতাধিক শিক্ষার্থীকে ৮জন শিক্ষক অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে পাঠদান করায় এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় উপজেলার মধ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি ১ম স্থান অধিকার করে থাকে। সম্প্রতি জেএসসি পরীক্ষায় ১১৫জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১৫টি এ+ সহ ১১৪জন শিক্ষার্থী সাফল্যের সাথে উত্তীণ হয়েছেন। স্কুলের অভিভাবক ও সচেতন মহল শিক্ষক সংকট দূর করার জন্য নানা ভাবে সরকারের বিভিন্ন দফতরে তদবীর চালিয়ে আসলেও তার কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। স্থানীয় সংসদ সদস্য বিরোধী দলীয় হুইপ আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন স্কুলের স্বাভাবিক পাঠদান অব্যাহত রাখতে শিক্ষক সল্পতা দূর করার জন্য আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু তারপরও আমরা শিক্ষক সংকট দূর হচ্ছে না। প্রধান শিক্ষক সুষেন রঞ্জন তালকুদার বলেন আমি স্কুলের প্রশাসনিক কাজ সহ সবকিছু করে থাকি। ৭জন শিক্ষক কী করে এত শিক্ষার্থীর ক্লাস নিবেন এটা সকলকে ভাবতে হবে। তিনি বলেন, স্কুলের শিক্ষক স্বল্পতা দূর করতে পারলে সিলেটের মধ্যে কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় সার্বিক ফলাফলের দিক থেকে একটি সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে, যে আশা আকাঙ্খা নিয়ে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এ স্কুলে পাঠান সেই প্রত্যাশা আমরা পূরণ করতে পারব।

হংকংয়ের হোটেলে জোড়া খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ১

Kanaighat News on Sunday, January 14, 2018 | 9:09 PM

19.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
হংকংয়ের বিলাসবহুল রিজ-কার্লটন হোটেলে রোববার এক শিশু ও এক নারীকে কুন করা হয়েছে। জোড়া খুনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক বিদেশী নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ।

স্থানীয় দৈনিক অ্যাপল ডেইলি’র বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, নিহত দুইজন ও গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি সকলেই কোরিয়ান নাগরিক। নিহত নারীর বয়স ৪০ বছর। অপরদিকে শিশুটির বয়স ৭ বছর। তারা কয়েকদিন আগে হোটেলটিতে ওঠেন।

পুলিশ জানায়, নিহতরা সবাই বিদেশী নাগরিক। তারা রোববার সকালে খবর পান, হোটেলের একটি কক্ষে এক নারী ও পুরুষ মারামারি করছে। পুলিশ হোটেলে প্রবেশের পর নারী ও শিশুর মৃতদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ রুমে অবস্থানরত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

হোটেল রিজ কালর্টন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোন জবাব দেয় নি।

দিনাজপুরে শীতের পিঠার জমজমাট ব্যবসা

5.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
উত্তরের সীমান্ত জেলা দিনাজপুররে শীতের তীব্রতাকে হার মানিয়েছে শীতের পিঠা। প্রচণ্ড শীতে জবুথবু মানুষগুলোও শীতকে উপেক্ষা করে শীতের পিঠা খেতে ছুঁটছে দোকান-রেস্তোরায়।

বারো মাসে তেরো পার্বণের আমাদের এই বাংলাদেশে এখন শীতকাল। একেক পার্বণকে ঘিরে যেমন নানান আয়োজন করা হয়, তেমনি বাঙালির ঘরে ঘরে এ শীতের কুয়াশা ভেজা সকাল ও সন্ধ্যায় পিঠাপুলির আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যগতভাবেই। শীতের এই পিঠে উৎসবকে ঘিরে শহরের চিত্রটাও ভিন্ন।

নাগরিক ব্যস্ততা আর যান্ত্রিক সভ্যতার কারণে এখন আর যেমন বারো মাসে তেরো পার্বণ হয় না, তেমনি ইচ্ছে থাকলেও এখন আর মানুষ ঘরে বানানো পিঠা খেতে পারছে না অনেকেই। আর শহরবাসীর এই শীতকালীন রসনা বিলাসে তাই রাস্তার মোড়ে মোড়ে জমে ওঠে বাহারি পিঠার পসরা।

দোকানীরা পিঠা বানয়ে স্বাদ মিটায় শহরের মানুষের। তেমনি ধানের জেলা দিনাজপুরের অলিতে গলিতে, মোড়ে মোড়ে জমে উঠেছে এসব শীতের পিঠার দোকান। অফিসগামী বা বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে তাই অনেককেই দেখা যায় পিঠা খেতে।

আর শহরবাসীর রসনার তৃপ্তি মেটাতে গিয়ে এক শ্রেণির মানুষের উপার্জন হচ্ছে এখান থেকেই। যা তাদের জীবনযাপনে সাহায্য করে। শুধু যে কর্মজীবী মানুষরাই এই পিঠা খেয়ে থাকেন, তা কিন্তু নয়। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাস্তার ধারের পিঠার দোকানের উপর নিভর্রশীল হয়ে উঠছে দিনকে দিন। তাইতো গাড়ি থামিয়ে রাস্তা থেকে ভাপা কিংবা চিতই পিঠা কিনতেও দেখা যায় অনেককে। আবার কেউ কেউ কর্মস্থল শেষ করে ফিরতি পথে পরিবারের সদস্যদের জন্যও পিঠা নিয়ে যাচ্ছেন।

পিঠার মধ্যে রয়েছে ভাঁপা (ভাকা) পিঠা, তেলের (অন্দশা) পিঠা, নুন (নুনিয়া) পিঠা, পাটি সাপটা পিঠা, চিতই (চিতুয়া) পিঠা, পানি পিঠা সহ নানান বাহারী পিঠা উল্লেখযোগ্য।

দিনাজপুর শহরের মালদহপট্টি সাধনার মোড় সংলগ্ন পিঠার দোকানে আসা পিঠা ক্রেতা মজিবর রহমান জানালেন, তার স্ত্রী শারমিন বাজারের পিঠা খেতে ভালোবাসেন। তাই তিনি ভাপা পিঠা প্রায়ই কেনেন। তাছাড়া বাড়িতে এখন পিঠা তৈরি করা সম্ভব হয় না। পথের ধারের পিঠাই ভরসা।

১৯ বছর ধরে পিঠা বিক্রি করেন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মজিবর। তিনি জানান, নারিকেল ও খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভাপা পিঠা। দামও বেশ হাতের নাগালেই। ভাপা পিঠা ৫ টাকা করে বিক্রি করেন তিনি। প্রতিদিন ২ শতাধিক পিঠা বিক্রি হয় তার। দিনে তিনি লাভ প্রায় ৩'শ টাকা।

সূত্র: বিডি লাইভ।

ওয়ানপ্লাস ৬ বাজারে আসছে জুনে

Untitled-1-233.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
চীনা নির্মাতা ওয়ানপ্লাস পর নতুন ফোন এনে বেশ শোরগোল তৈরি করেছে। অল্প কিছুদিন আগে ওয়ানপ্লাস ৫টি বাজারে আসার পরপরই ওয়ানপ্লাস ৬ কবে আসবে তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়।

এ ব্যাপারে সম্প্রতি সিনেটের এক সাক্ষাতকারে কিছু তথ্য জানিয়েছেন ওয়ানপ্লাসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিট লাও।

তার ভাষ্যমতে, ওয়ানপ্লাস ৬ আসছে ২০১৮ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের শেষে। অর্থাৎ জুনের শেষ সপ্তাহ অথবা জুলাইয়ের শুরুতে। এর আগে ওয়ানপ্লাস ৫ ফোনটিও ২০১৭ সালের একই সময় বাজারে এসেছিল।

পিট লাও বলছেন, ফোনটিতে কোয়ালকমের নতুন ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ ব্যবহার করা হবে। তবে এ ছাড়া আর কিছু জানা যায়নি।

এবছর ওয়ানপ্লাস ৬ এর পর ৬টি এর দেখা মিলবে কিনা সে বিষয় তিনি কিছু জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি ওয়ানপ্লাস ও অপ্পোর সংযুক্ত মূল কোম্পানি ভিভো সরাসরি ডিসপ্লের মধ্যেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর সমৃদ্ধ ফোন উন্মোচন করার পর অনেকেই ধারণা করছেন প্রযুক্তিটি ওয়ানপ্লাস ৬ এও দেখা যাবে। এখন অপেক্ষার পালা নতুন কি ডিজাইন নিয়ে ওয়ানপ্লাস হাজির হয়।

শীতে ঘর হোক মশামুক্ত

25.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
শীতকাল এলেই মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। স্প্রে ব্যবহার করে আর মশারি টানিয়ে মশা থেকে আর কতোটুকুইবা রক্ষা পাওয়া যায়। আবার সব কাজ মশারির ভিতরে বসে করা সম্ভবও না। তাই মশা তাড়াতে প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

# মশা সাধারণত গরম আবহাওয়া পছন্দ করে। সাথে যদি হয় গুমোট বাতাস, তাহলে তো কথাই নেই। তাই আপনার বাসা সবসময় ঠাণ্ডা রাখতে চেষ্টা করুন। মশার উৎপাত অনেকখানি কমে যাবে।

# মশারা সুগন্ধি পছন্দ করে না। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঘরে এয়ার ফ্রেশনার দিতে পারেন। এছাড়া নিজের শরীরে পারফিউম ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাবেন।

# কিছু নির্দিষ্ট রঙ আছে যেগুলো মশাদের আকৃষ্ট করে। তাই মশা থেকে বেঁচে থাকতে চাইলে এই আকর্ষণী রঙ পরিহার করতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, মশারা নীল, লাল ও কালো রঙ পছন্দ করে। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই তিন রঙের পোশাক পরিহার করুন। মশা থেকে মুক্তি পাবেন।

# অনেক সময় ঘরে মশার কয়েল বা স্প্রে কোনোটাই থাকে না। তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে চাইলে ঘরে থাকা লেবু অর্ধেক করে কেটে নিন। এবার লেবুর কাটা জায়গায় কতোগুলো লবঙ্গ বসিয়ে দিন। বাড়ির যেখানে মশার উপদ্রব বেশি সেখানটায় লেবুগুলো রেখে দিন। মশারা দৌঁড়ে পালাবে।

# 'লেমন গ্রাস' নামে এক ধরণের ঘাস জাতীয় গাছ আছে। লেমন গ্রাস থেকে এক ধরণের তীব্র সুগন্ধ বের হয়। যে সুগন্ধ আবার মশারা সহ্য করতে পারে না। সুতরাং বাড়িতে এই গাছ থাকলে মশারা দূরেই থাকবে। মাটির টবেও এই গাছ লাগানো যায়।

১০০ মিলিয়ন ইউরোম্যান মেসি!

messi-20180105172648.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
বার্সেলোনার সঙ্গে গত নভেম্বর চুক্তি নবায়ন করেছেন লিওনেল মেসি। ২০২১ সাল পর্যন্ত এ চুক্তির অধীনে মেসি বছরে ৩০ মিলিয়ন ইউরো করে আয় করবেন, এমনটা জানিয়েছিল স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম।

তবে ‘ফুটবল লিকসে’ প্রকাশিত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ফরাসি ওয়েবসাইট ‘মিডিয়াপার্ট’ অবিশ্বাস্য এক দাবি করেছে। চার বছর মেয়াদি সেই চুক্তির অধীনে মেসির বাৎসরিক আয় নাকি ১০০ মিলিয়ন ইউরো!

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সংগঠন ইউরোপিয়ান ইনভেস্টিগেশন কোলাবরেশনসের (ইআইসি) সংবাদকর্মীরা গত ২৫ নভেম্বর মেসির স্বাক্ষরিত সেই চুক্তিপত্র দেখে এ দাবি করেছেন, যা ফাঁস করেছে ‘ফুটবল লিকস’। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘মিডিয়াপার্ট’ এই ইআইসির সদস্য।

তাদের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আগামী চার বছরে শুধু মেসির জন্য ৪০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি অর্থ খরচ হবে বার্সার। অর্থাৎ বার্সার চুক্তি থেকে বছরে মেসির মোট আয় দাঁড়াচ্ছে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর কিছু বেশি।

অঙ্কটা শুনে চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো। কারণ, কোনো ফুটবলারেরই আয় এত বেশি নয়। তবে কর পরিশোধের পর মেসির প্রকৃত আয়ের অঙ্ক দাঁড়াচ্ছে ৫০ মিলিয়ন ইউরো।

‘ফুটবল লিকসে’র সেই ফাঁস করা তথ্যতে নেইমারের আয়ের হিসাবেও গরমিল ধরা পড়েছে। এর আগে জানা গিয়েছিল পিএসজিতে নেইমারের বার্ষিক আয় ৩০ মিলিয়ন ইউরো। কিন্তু ওয়েবসাইটটি জানিয়েছে, নেইমারের প্রকৃত আয় প্রায় ৩৭ মিলিয়ন ইউরো।

বার্সায় নতুন চুক্তির অধীনে শুধু ‘নির্ধারিত’ পারিশ্রমিক হিসেবেই মেসি বছরে মোট ৭১ মিলিয়ন ইউরো করে আয় করছেন। সে হিসেব অনুযায়ী ক্যাম্প ন্যুতে চার বছরে শুধু পারিশ্রমিক হিসেবে মেসির মোট আয় হবে ২৮৪ মিলিয়ন ইউরো। এর সঙ্গে চুক্তি ‘সাইনিং বোনাস’ হিসেবে ৬৩.৫ মিলিয়ন ইউরো আর ‘লয়্যালিটি বোনাস’ হিসেবে ৭০ মিলিয়ন ইউরো যোগ করলে মোট অঙ্কটা দাঁড়াচ্ছে ৪১৭.৫ মিলিয়ন ইউরো!

বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত বার্সায় থাকলে ‘লয়্যালিটি বোনাস’ পাবেন মেসি। তবে পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলারটির আয়ের অঙ্ক এর চেয়েও বেশি হতে পারে। কারণ তাঁর চুক্তিপত্রে আরও কিছু শর্ত রয়েছে। এই চার বছরে মেসি বার্সার ন্যূনতম ৬০ শতাংশ ম্যাচ খেললে অতিরিক্ত আরও ১.৯ মিলিয়ন ইউরো বোনাস পাবেন। এ ছাড়া বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলে প্রায় ১২ মিলিয়ন ইউরো বোনাস পাবেন মেসি।

সূত্র: বিডি লাইভ।

প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় হবে: শিক্ষামন্ত্রী

Nahid-120171221095013-20171230120222.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশের প্রতিটি জেলায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

আজ রবিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম, আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের জন্য উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম করতে এ উদ্যোগ নেয়া হবে।

নাহিদ বলেন, এ কার্যক্রমের আওতায় সরকারের বর্তমান মেয়াদে ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত দেশে ৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে এবং ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এর ধারাবাহিকতায় দেশে সরকারি উদ্যোগে আরও ৮টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ চলছে। এর মধ্যে ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ ইতোমধ্যে মহান জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭’ জাতীয় সংসদে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এছাড়া ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ’, ‘লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর’, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এভিয়েশন অ্যান্ড এরোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’, ‘হাজী আসমত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ’, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর’ এবং ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,’ নামে আরও ৬টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণের কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

সূত্র: বিডি লাইভ।

কানাইঘাটে সুরমা নদীতে তলিয়ে যাওয়া শিশু রাজের খোঁজ মিলেনি


নিজস্ব প্রতিবেদক: গত শনিবার বিকেল ২টার দিকে কানাইঘাট বাজার কামারপট্টি সংলগ্ন সুরমা নদীতে গোসল করতে গিয়ে পৌরসভাস্থ ডালাইচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী শিশু রিমন দাস রাজ (১১) নিখোঁজের ২দিন পরও কোন সন্ধান মিলেনি তার। গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলসাইন গ্রামের মৃত রবিন্দ্র দাসের ছেলে রাজের জন্মের ৫ মাস বয়সে তার বাবা মারা গেলে মা লিলি রানী দাসের সাথে মামার বাড়ি কানাইঘাট রাজারস্থ কামারপট্টি বাসায় বসবাস করত সে। পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, গত শনিবার স্কুল ছুটির পর বাসায় এসে বই রেখে দুই সহপাটির সাথে সুরমা নদীতে গোসল করতে যায় রাজ। সাতাঁর না জানায় রাজ নদীতে নামতেই পানিতে তলিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক আত্মীয় স্বজনরা ঘটনাস্থল সুরমা নদীতে তল্লাশি চালিয়ে তার কোন সন্ধান পান নি। শনিবার রাতেই বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস সিলেটকে জানানো হলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল রবিবার বিকেল ৩টা থেকে নদীতে অভিযান চালালেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাজের কোন সন্ধান পায়নি তারা। এ সময় সুরমা নদীর উভয় পাড়ে শত শত উৎসুক জনতা ভীড় করতে দেখা যায়। কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদ সুরমা নদীর ঘাটে উপস্থিত ছিলেন। শিশু রাজের মা লিলি দাসের বুকফাটা আর্তনাদ করতে দেখা গেছে।

প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমা সমাপ্ত

12.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমা শেষ হয়েছে। রাজধানীর অদূরে টঙ্গীর তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আজ সকাল সোয়া ১১টার দিকে শেষ হয়।

ইজতেমা ময়দানে দেশি বিদেশি মুসল্লিসহ মুসলিম উম্মাহর মাগফিরাত-নাজাত কামনা করে সকল মুসলমানদের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যের এবং কোরান ও সুন্নার অলোকে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে মোনাজাত করা হয়। রোববার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়।

এবারই প্রথম বারের মতো বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত বাংলা ভাষায় পরিচালনা করা হয়েছে। ৩৫ মিনিট স্থায়ী আখেরি মোনাজাতের প্রথম ১৪ মিনিট আরবিতে ও পরের ২১ মিনিট বাংলায় পরিচালিত হয়।

আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন ঢাকার কাকরাইল জামে মসজিদের পেশ ইমাম তাবলিগ জামাতের শুরা সদস্য হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের। মোনাজাতে সারা বিশ্বের মুসলমান জাতির সুখ, শান্তি, কল্যাণ, অগ্রগতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

আখেরি মোনাজাতে লাখো লাখো মুসল্লির আমিন আমিন ধ্বনিতে টঙ্গীর তুরাগ তীর ও আশপাশের এলাকা মুখরিত হয়ে উঠে। সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ভাবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা প্রথম পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাতে দেশের ১৬টি জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং ৮৮টি দেশের বিদেশী মুসল্লিসহ ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষ অংশ গ্রহণ করে বলে ধারণা করছে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটি।

আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. জাহিদ হাসান রাসেল, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান মতিসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, র‌্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।

কানাইঘাটে যাত্রীবাহী নৌকা চলাচলে বাধা,অভিযোগ দায়ের

 নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট সুরমা নদীর কানাইঘাট পূর্ব বাজার খেয়াঘাট সংলগ্ন নদীতে যাত্রীবাহী নৌকা চলাচলে বাধা প্রদানের  অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ১০ জানুয়ারি বুধবার এর প্রতিকার চেয়ে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসী।

অভিযোগে জানা যায়, মুলাগুল-কান্দলা নয়াবাজার হইতে এলাকার লোকজন যাত্রীবাহী নৌকা যোগে কানাইঘাট বাজারের সুরমা নদীর খেয়াঘাট পর্যন্ত যাতায়াত করেন। কিন্তু ইদানীং একটি প্রভাবশালী মহল পূর্ব বাজার খেয়াঘাট সংলগ্ন সুরমা নদীতে মধ্যখানে রশি দিয়ে সীমাণা নির্ধারণ করে তাদের নৌকা চলাচলে বাধা প্রদান করছে।
ফলে এলাকার যাত্রী  ও নৌকার মালিকেরা চরম বিড়ম্বনার স্বীকার হচ্ছেন।

কানাইঘাটে পুলিশ সুপার ! নাশকতামূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধে পুলিশকে সহযোগিতা করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট উত্তর সার্কেলের এডিশনাল পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খাঁন বলেছেন কানাইঘাটে সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে যাতে করে কোন দুষ্কৃতিকারী ও জঙ্গী গোষ্ঠী বিস্ফোরক দ্রব্য ও চোরাচালানী তৎপরতা চালাতে না পারে এজন্য সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। জঙ্গী ও নাশকতা মূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধ ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স গ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে যে কোন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড দমন করতে পুলিশকে সব ধরনের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান। সেই সাথে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে কোন অপরাধী চক্র বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে আসতে না পারে এজন্য তাদের তথ্য পুলিশকে দেয়ারও আহবান জানান তিনি। আবুল হাসনাত খাঁন গত শনিবার বিকেল ৪টায় কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির বড়বন্দ বাজারে কানাইঘাট থানা পুলিশের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক সূধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদের সভাপতিত্বে ও ওসি (তদন্ত) নুনু মিয়ার পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি আমিনুল ইসলাম সরকার, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান জেমস্ লিও ফারগুসন নানকা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, উপজেলা জাপার সভাপতি এডভোকেট আব্দুর রহিম । বক্তব্য রাখেন, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, উপজেলা জাসদের সভাপতি বাবুল আহমদ প্রমুখ।

ইক্বরা বাংলাদেশ স্কুল কানাইঘাট শাখার উদ্বোধন

Kanaighat News on Saturday, January 13, 2018 | 9:12 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: ইক্বরা বাংলাদেশ স্কুল, কানাইঘাট শাখার শুভ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এক সূধী সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল শনিবার বিকেল ২টায় কানাইঘাট পৌরসভাস্থ রায়গড় স্কুল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। স্কুল শাখার সভাপতি মাওঃ নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মাওঃ দেলোয়ার হোসাইনের পরিচালনায় স্কুল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুল প্রধান মাওলানা বদরুল হাসান রায়গড়ী।  প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম আল্লামা আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব আব্দুল মুমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা, মাসিক পাথেয়’র সম্পাদক মাওঃ মাসঊদুল কাদির,কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন,কানাইঘাট নিউজের সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ,লুগাতুল আরবিয়া উপশহর মাদ্রাসা শায়খুল হাদিস তাহুরুল হক, বিশ্বনাথ আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাম্মাদ আলমগীর, কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম নজরুল ইসলাম মোল্লা। বক্তব্য রাখেন, মাওঃ নুরুল ইসলাম নোমানী, আব্দুল মতিন, রশিদ আহমদ, মাওঃ গোলাম কিবরিয়া,  ছাত্রনেতা আসাদ উদ্দিন, আজাদুর রহমান, আফতাব উদ্দিন, যুবনেতা আবুল হারিছ প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব আব্দুল মুমিন চৌধুরী বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য ইক্বরা বাংলাদেশ কানাইঘাট স্কুল শাখা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। কানাইঘাটকে শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে নেওয়ার জন্য মান সম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলতে হবে, যাতে করে আমাদের নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় অনুশাসন মেনে আগামী দিনের দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যেতে পারে। ইক্বরা স্কুল সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্কুল পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, স্ট্যান্ডার্ট ওয়ান থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করতে ধর্মীয় মূল্যবোধকে লালন করে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন।

জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ৩জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২০জন। দূর্ঘটনার জন্য সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর রাস্তার জায়গা দখল করে খাম্বা রাখাকে দায়ি করছেন এলাকাবাসী। জাতীয় এবং স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর খাম্বা সরায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। উপজেলা প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিলেট থেকে ছেড়ে আসা বিরতী বাস নং সিলেট-জ-১১-০৪৬৮ সাথে সিলেট পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ এর খাম্বা বোঝাই ট্রাক নং-চট্ট-মোট্ট-ট-১১-৫৯৯০ এর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে ১ শিশু ও দুই নারীসহ ৩জন নিহত হন। নিহতরা হলেন- মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউরা গ্রামের তপন তালুকদারের শ্রী শুক্লা রানী (২০), তার শিশু কন্যা ইতপা রানী (৫), তার শাশুড়ী অমকা রানী (৫৫)। এছাড়া আহতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মিলন চার্য (৩২) তার স্ত্রী শিপ্রা চার্য (২৩) জৈন্তাপুর উপজেলা দরবস্ত ইউনিয়নের ভাইটগ্রামের মৃত সাইফ উল্লার ছেলে হাবিবুর রহমান (৫০) অহত অন্যদের নাম পাওয়া যায়নি। ঘটনার সংবাদ পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মাইনুল জাকির, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এদিকে ঘটনার পর থেকে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। স্থানীয় জনতা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ দরবস্ত অফিসের সম্মুখে বিক্ষোভ করেন। এলাকাবাসী জানান- অপরিকল্পিতভাবে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ সড়কের দুই পাশ্বের ফুটপাত দখল করে খাম্বা রাখা এবং সড়কের মধ্যে ট্রাক দাঁড় করিয়ে লোড-আনলোড করার কারণে রাস্তা পারাপার হতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে জনসাধারণকে। এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী বরাবরে এলাকাবাসী আবেদন এবং জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে স্বচিত্র সংবাদ প্রকাশ করলেও সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ খাম্বা না সরিয়ে প্রতিনিয়ত খাম্বা রেখে সড়কের দু’পাশ দখল করে রেখেছে। দূর্ঘটনার দায়ভার সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এবং স্থানীয় জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনকে নিতে হবে বলে জানান এলাকাবাসী। এবিষয়ে জানতে চাইলে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খানঁ মোঃ মাইনুল জাকির বলেন- ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছি। চেয়ারম্যানসহ গন্যমান্যদের নিয়ে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চালাছি।

কানাইঘাটে তিন দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা সমাপ্ত


নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘উন্নয়নের রোল মডেল, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে কানাইঘাটে তিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা সমাপ্ত হয়েছে। শনিবার সেরা ৩টি স্টলের মধ্যে ক্রেস্ট ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরষ্কার প্রদান করা হয়। তবে এবারের ৩দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলার আয়োজন নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দায়সারা ভাব এবং প্রচার প্রচারণায় ঘাটতি থাকায় উন্নয়ন মেলার মূল উদ্দেশ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে পৌঁছে দেয়া তেমন সম্ভব হয়নি বলে মেলায় আগত দর্শকরা জানিয়েছেন। বিশেষ করে মেলাকে আকর্ষণীয় করতে যতটুকু প্রচার প্রচারণা চালানো দরকার তা চোখে তেমন পড়েনি। বিশিষ্টজনেরা উন্নয়ন মেলার দাওয়াত পর্যন্ত পাননি। স্বয়ং উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি উপজেলা পরিষদের একজন নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। অথচ তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলায় তিনি কোন দাওয়াত পাননি। অনেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন দফতরের সরকারী কর্মকর্তাদের অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। তবে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা বলেন উন্নয়ন মেলায় কোন ধরনের অব্যবস্থাপনা থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সকলের প্রতি অাহবান জানিয়েছেন। সেই সাথে তিনি সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে উন্নয়ন মেলার স্বার্থক হয়েছে বলে দাবী করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে মেলায় অংশগ্রহণকারী ১ম স্থান অধিকারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২য় স্থান অধিকারী উপজেলা সমবায় অফিস এবং ৩য় স্থান অধিকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের কর্মকর্তাদের হাতে এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকটি স্টল, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুসি কান্ত হাজং, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুল, বাণীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন সহ কয়েকটি দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

কানাইঘাট প্রেসক্লাবের আধুনিক ভবন নির্মাণে মতবিনিময় সভা


নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঐতিহ্যবাহী কানাইঘাট প্রেসক্লাবের আধুনিক ভবন নির্মাণ ও পেশাগত উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মরত কানাইঘাটের সাংবাদিকদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কানাইঘাট প্রেসক্লাবের হল রুমে শনিবার বেলা ২টায় প্রেসক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুলের সভাপতিত্বে এ মত বিনিময় সভায় প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ ও তার সম্ভাব্য বাজেটের বিষয়ে বিষদভাবে আলোচনা হয়। বক্তারা এ বড় ধরণের বাজেট সংগ্রহ করতে কানাইঘাটের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সহায়তা কামনা করেন। এর পর আলোচনায় উঠে আসে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষেনের বিষয়টি। এতে বক্তারা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনটিভির সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক প্রধান ইমজার সাবেক সভাপতি ও কানাইঘাট প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এডভোকেট মঈনুল হক বুলবুল। ক্লাবের সহ সভাপতি আব্দুর রব, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমান, সহ সম্পাদক আব্দুন নুর, কোষাধ্যক্ষ মিসবাহুল ইসলাম চৌধুরী, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ, সিনিয়র সদস্য বাবুল আহমদ, কাওছার আহমদ, দৈনিক ভোরের পাতার সিলেট ব্যুারো চীফ জয়নাল আবেদীন, নিউজ চেম্বার ডট কমের সম্পাদক তাওহিদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সদস্য আমিনুল ইসলাম, শাহীন আহমদ, আলা উদ্দিন, সুজন চন্দ অনুপ, জসীম উদ্দিন, সহযোগী সদস্য মুমিন রশিদ, মাহফুজ সিদ্দিকী, আহমেদুল কবির মান্না। মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা স্বরুপ উপহার প্রদান করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুল।

সাফল্য ব্যর্থতার বিচার করবে জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

Kanaighat News on Friday, January 12, 2018 | 8:27 PM

PM-3.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০১৪ সালে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আজকের এই দিনে আমি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলাম। আজ আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে হাজির হয়েছি। আমার ওপর যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছিলেন, আমি প্রাণপণ চেষ্টা করেছি আপনাদের মর্যাদা রক্ষা করার। কতটুকু সফল বা ব্যর্থ হয়েছি সে বিচার করবে জনগণ।

শুক্রবার জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে এই ভাষণ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার বাংলাদেশসহ কয়েকটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও একযোগে সম্প্রচার করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশ স্বাধীন করেছেন একটি আদর্শ ও চেতনা ধারণ করে। বাংলাদেশের মানুষকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অশিক্ষার হাত থেকে মুক্ত করে একটি সুন্দর জীবন নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে স্বাধীনতার সংগ্রাম করেছিলেন। ২৪ বছরের সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ তিনি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার (বঙ্গবন্ধু) সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই আমার একমাত্র ব্রত। ‘বাংলার মানুষ যেন অন্ন পায়, বস্ত্র পায়, উন্নত জীবনের অধিকারী হয়’-জাতির পিতার এই উক্তি সর্বদা আমার হৃদয়ে অনুরণিত হয়। তাই সর্বদা আমার একটাই প্রচেষ্টা-কীভাবে বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে অর্থবহ করব, স্বচ্ছল ও সুন্দর করে গড়ে তুলব।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, 'সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আশা করি, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে সহায়তা করবে।'

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো কোনো মহল আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা করতে পারে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জনগণ অশান্তি চায় না। নির্বাচন বয়কট করে আন্দোলনের নামে জনগণের জানমালের ক্ষতি— এটা আর এদেশের জনগণ মেনে নেবে না।

দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্ম পাবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। দেশের অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সচেতন হয়ে দেশবাসীকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে চলবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলব, ইনশাল্লাহ।'

সূত্র: বিডি লাইভ।

গোপনে থাক ৫ কথা

secret-whisper-in-ear-1.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
অনেক সময় কাছের মানুষদের কাছ থেকেও গোপন রাখতে হয় কিছু কথা। কেননা এসব কথা প্রকাশ পেলে সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে, আর বন্ধু হয়ে যেতে পারে শক্রু। তাই নিজের অন্তত ৫ বিষয়ে অন্যদের সঙ্গে আলাপ করাই ভালো। সেগুলো হচ্ছে-

সম্পদ: টাকা ছাড়া জীবন অচল। আবার এই টাকাই অনেক সময় নানা অশান্তির জন্ম দেয়। অনেক সময় প্রাণনাশের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।  তাই আপনার যত পয়সাই থাকুক না কেন, এগুলোর প্রচার থেকে বিরত থাকুন। নিজের সম্পদের কথা কখনওই ফলাও করে বলতে নেই। তা গোপন রাখাই শ্রেয়।

অপমান:  কথায় বলে, চড় খেয়ে বাপেকেও বলতে হয় না। নিজের অপমান গোপন রাখাই শ্রেয়। কেননা অপমানের খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। সামান্য অপমান তখন বহুগুণ হয়ে ফিরে আসে। তাই নিজের অপমানগুলিকে নিজের ভিতরে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ভক্তি: এ বিষয়টিও জনসমক্ষে বলে বেড়ানোর মতো নয়। কারণ ভক্তির মধ্যে নিহিত থাকে আত্মনিবেদন। তা প্রকাশ্যে এলে আত্ম-বিচ্ছিন্ন হয়। ভক্তির যাবতীয় মহিমা লুপ্ত হয়।

একান্ত বিষয়: নিজের একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলিকে নিজের কাছেই রাখুন। অন্য লোক তাকে আপনার দুর্বলতা বলে মনে করতে পারে।

দান: দান দক্ষিণার কথা সব সময়ে গোপন রাখাই ভাল। কারণ এটি জানাজানি হলে দাতার মধ্যে আত্মম্ভরিতা দেখা দেয়। ফলে দান তার মহিমা হারায়। এতে আপনি যাকে ভালোবেসে দান করলেন, তিনিও অপমানিত বোধ করতে পারেন।

উ. কোরিয়াকে নিয়ে উত্তেজনা, ইউরোপ যাচ্ছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী

22.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার বাল্টিক রাষ্ট্র ও ইউরোপীয় অন্যান্য দেশে সফর শুরু করতে যাচ্ছেন। উত্তর কোরিয়া প্রশ্নে তার কঠোর অবস্থানের পক্ষে সমর্থন জোরদার করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তিনি এ সফর করছেন। খবর এএফপি’র।

দক্ষিণ কোরিয়ায় আসন্ন শীতকালীন অলিম্পিক উপলক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা শীতল হওয়া সত্ত্বেও শিনজো অ্যাবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়ে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ বজায় রাখার ওপর জোর দেন।

অ্যাবে এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, বুলগেরিয়া, সার্বিয়া ও রোমানিয়া সফর করবেন। এই প্রথমবারের মতো জাপানের প্রধানমন্ত্রীর এসব দেশ সফর করতে যাচ্ছেন।

দেশ ত্যাগের আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেসব জরুরি সমস্যার মোকাবেলা করছে সেই বিষয়ে অন্যান্য জরুরি বিষয়ে আমি আমাদের সহযোগিতার বিষয়টি সকলকে নিশ্চিত করতে চাই।’

অ্যাবে আরও উল্লেখ করেন যে, বাণিজ্যিক সম্পর্কোন্নয়নে ৩০টির বেশী কোম্পানির প্রতিনিধি তার সফরসঙ্গী হচ্ছেন। তিনি এ সফরকালে এসব দেশের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ দেশগুলোর সঙ্গে চীনের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইউরোপের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় ১৬ দেশের মধ্যে অ্যাবে এ ছয়টি দেশ সফর করছেন। আগামী বুধবার অ্যাবের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, চীন এক ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়ে মেগা প্রকল্প ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের জোরদার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

খালেদা জিয়াকেও উকিল নোটিশ পাঠানো হবে: কাদের

Obaidul-Kader-1.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করেছেন, বিএনপির দুর্নীতির ঘটনা রূপকথাকেও হার মানায়। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভুয়া নোটিস পাঠানোয় খালেদা জিয়াকেও নোটিস পাঠানো হবে।

আজ শুক্রবার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে জিয়া পরিবারের দুর্নীতির খবর তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। এসব তথ্য সংবাদমাধ্যম দিয়েছে। এগুলো প্রমাণিত। প্রধানমন্ত্রীর সৎ সাহস আছে বলে তিনি সত্যকে তুলে ধরেছেন। কিন্তু এতে বিএনপি নেতাদের অন্তর্জ্বালা শুরু হয়ে গেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মিথ্যা উকিল নোটিশ পাঠানোর জন্য তাদেরও উকিল নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। অপেক্ষা করুন। পদ্মাসেতুর অবকাঠামো নির্মাণে দুর্নীতি হচ্ছে-এমন অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মামলার মুখোমুখি হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ফখরুল সাহেব বলছেন পদ্মাসেতুর ডিজাইনে ভুল আছে। ডিজাইনে ভুল থাকলে তথ্য উপাত্ত নিয়ে আসুন। প্রমাণ না দেখাতে পারলে আপনাকেও মামলার মুখোমুখি হতে হবে।

আওয়ামী লীগের শীতবস্ত্র বিতরণ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের রাজনীতি নিষ্ঠুর হয়ে গেছে। অথচ রাজনীতি তো প্রতিপক্ষকে বিষোদ্‌গার করার জন্য নয়। আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দলকে শীতার্তদের পাশে দাঁড়াতে দেখিনি। পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ নগদ ৩২ লাখ টাকা ও ৩৭ হাজার কম্বল বিতরণ করেছে। 
সূত্র: বিডি লাইভ।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩