Previous
Next

সর্বশেষ


Thursday, December 3

সিলেটে পাথর কোয়ারি খুলে দিতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম

সিলেটে পাথর কোয়ারি খুলে দিতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম



সিলেট :: সিলেটের সকল পাথর কোয়ারী খুলে দিতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন বৃহত্তর সিলেট পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। তারা  বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর)  দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এ আল্টিমেটাম দেন।


একই সাথে উপরোক্ত সময়ের মধ্যে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে চুড়ান্ত কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।

বৃহত্তর সিলেট পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক আব্দুল জলিল মেম্বারের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগীয় ট্রাক মালিক ঐক্য পরিষদ ও সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সভাপতি গোলাম হাদী ছয়ফুল।

সিলেট বিভাগীয় ট্রাক, পিকআপ ও কাভর্ডভ্যান শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকার, সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটো রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ জাকারিয়া, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মইনুল ইসলাম, সিলেট জেলা ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরি সভাপতি মোঃ আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট বিভাগীয় ট্রাক-পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আমির উদ্দিন, সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের দফতর সম্পাদক আফজল চৌধুরী, ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই আজাদ, এয়ারপোর্ট স্টোন ক্রাশার মালিক সমিতির সভাপতি হাজী নাসির উদ্দিন, জাফলং স্টোন ক্রাশার মালিক সমিতির সভাপতি বাবলু বখত, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস উদ্দিন লিপু, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শওকত আলী বাবুল, ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম।

বৃহত্তর সিলেট পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ নুরুল আমীন ও সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সাংগঠনিক সম্পাদক শাব্বীর আহমদ ফয়েজের যৌথ পরিচালনায় মানববন্ধ ও সামাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সিনিয়র সহ সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, সাধারণ সম্পাদক পুলক কবির চৌধুরী, সিলেট জেলা ট্রাক-পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি মোঃ জুবের আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, প্রচার সম্পাদক সামাদ রহমান, দফতর সম্পাদক বাবুল আহমদ, কোষাধ্যক্ষ রাজু আহমদ তুরু, নির্বাহী সদস্য শরিফ আহমদ, আলী আহমদ, আব্দুল মতিন, আব্দুল জলিল, বিল্লাল আহমদ, সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের দক্ষিণ সুরমা-মোগলাবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি কাউছার আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ, শাহপরাণ থানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি ফুল মিয়া, সম্পাদক আজিজুর রহমান রহিম, ফেঞ্চগঞ্জ উপজেলা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাসেল আহমদ টিটু, সম্পাদক আহমদ লালু মিয়া, জৈন্তাপুর উপজেলা আাঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক সুনিল দেবনাথ, কানাইঘাট আাঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক ও জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, পশ্চিম গোয়াইনঘাট আাঞ্চলিক কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান, সম্পাদক মুজিবুর রহমান, পূর্ব গোয়াইনঘাট আাঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোঃ ছবেদ মিয়া, সম্পাদক আব্দুর রহিম, কোম্পনীগঞ্জ আাঞ্চলিক কমিটির সভাপতিআব্দুল হান্নান, সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, গোলাপগঞ্জ আাঞ্চলিক কমিটির সভাপতি বদরুল ইসলাম, সম্পাদক সায়েল আহমদ, বিয়ানীবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মানিক উদ্দিন, সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাবুল, জকিগঞ্জ উপজেলা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রুবেল আহমদ, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জালালাবাদ থানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি কালা মিয়া, সম্পাদক আলমগীর, ওসমানীনগর থানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সুরুজ আলী, সম্পাদক বাবুল মিয়া, বালাগঞ্জ আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি শ্রী সুজিব চন্দ্রগুপ্ত বাচ্চু, সম্পাদক মাহমুদ আব্দুন নুর, বিশ^নাথ থানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি আলাল মিয়া, সম্পাদক মকবুল ইসলাম, সিনিয়র সহ সভাপতি সৈয়দ সালেহ আহমদ শাহনাজ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, জাফলং পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম, সহ সভাপতি ইসমাঈল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, কানাইঘাট মুলাগুল পাথর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন প্রমূখ

Wednesday, December 2

কন্ঠশিল্পী স্বাধীন বাবুর কন্ঠে শাহীন চৌধুরীর নষ্ট পিরিত-২

কন্ঠশিল্পী স্বাধীন বাবুর কন্ঠে শাহীন চৌধুরীর নষ্ট পিরিত-২

 

আসছে এ প্রজন্মের জনপ্রিয় সুরকার ও কন্ঠশিল্পী স্বাধীন বাবুর কন্ঠে “নষ্ট পিরিত-২” শিরোনামের গানটি।

এ গানের কথা লিখেছেন কবি ও সাংবাদিক শাহীন আহমেদ চৌধুরী।

গানটি ফোক ঘরানায় বিচ্ছেদ সুরে রুপদেয়া হয়েছে।
শ্রোতাদের কথা মাথায় রেখে এ গানের মিউজিক কম্পোজ করা হয়েছে।

গানটি নিয়ে কন্ঠ শিল্পী ও সুরকার স্বাধীন বাবু বলেন, এমন মাটির গান, তৈরী হলে কখনোই শ্রোতার হৃদয় থেকে মুছে যাবে না। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই ফোক গানের চাহিদা থাকবে।

গীতিকার শাহীন চৌধুরী বলেন, এটি আমার লেখা প্রথম গান
“নষ্ট পিরিত-২”।
আসলে কবিতার পাশাপাশি স্বাধীন বাবু’র গান শুনে খুবই গান লিখতে ইচ্ছে হলো,তাই নষ্ট পিরিত-২ শিরনামে গানটি তাকে দিলাম।
সুরটাও অনেক ভাল্লাগলো তার হাত ধরেই গানের ভুবনে আমার পথ চলা শুরু।
গানটি রিলিজ হলেই শ্রোতারা বলবে গানটি কেমন লিখেছি।
গানটি শ্রোতাদের নন্দিত হবে বলে আমি আশা রাখছি।

Tuesday, November 24

করোনা সংক্রমণ, কঠোর হচ্ছে কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসন

করোনা সংক্রমণ, কঠোর হচ্ছে কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শীতের শুরুতে করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। সবাইকে মাস্ক ব্যবহার সহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জী মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছেন।


এরই প্রেক্ষিতে সোমবার আলেম উলামাদের সাথে মতবিনিময়ের পর আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চতুল বাজারে করোনা থেকে জনসাধারণকে সচেতন করার জন্য মাস্ক বিতরণের পাশাপাশি সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করার জন্য বাজারে সচেতনা মূলক কার্যক্রম চালান নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জী।


এ সময় তিনি ভোক্তা অধিকার আইনে বাজারের দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৬ হাজার টাকা এবং মাস্ক না পরার কারনে ৩ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নগদ ৪’শ টাকা জরিমানা আদায় করেন।


নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা শীত মৌসুমে বেড়েই চলছে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি সবাই যাতে করে মাস্ক পরেন এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছি এবং সবাইকে মাস্ক পরা সহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি। এখন থেকে জনসাধারণকে মাস্ক ব্যবহার করতে মোবাইল কোর্টে জরিমানার পাশাপাশি উপজেলার প্রত্যেকটি হাটবাজারে অভিযান চালানো হবে। শীঘ্রই সকল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আমরা বৈঠকে বসবো, বাজারে যারা কেনাকাটার জন্য আসবেন তাদেরকে মাস্ক পরে আসতে হবে, এক্ষেত্রে ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দকে আমরা বিভিন্ন ধরনের সু-পরামর্শ প্রদান করব।


তিনি বলেন, সরকার যাতে করে আমরা সবাই ভালো থাকি এজন্য সবপদক্ষেপ নিয়েছেন, ইতিমধ্যে সকল সরকারি অফিসে নো-মাস্ক, নো-সার্ভিস কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।


প্রসঙ্গত, দেশে করোনার প্রাদুর্ভাবের শুরুতে কানাইঘাটে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যুসহ কয়েক’শ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। শীতের শুরুতে গত এক সপ্তাহে নতুন করে কানাইঘাটে ৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে।

Monday, November 23

কানাইঘাটে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

কানাইঘাটে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন


কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ

কানাইঘাটে যুবনেতা আলম উদ্দিন আলমের উপর থেকে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। 

রবিবার বিকাল ৪টায় উপজেলার বড়বন্দ বাজারে যুব সমাজ ও এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। 

এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেলিম আহমদের পরিচালনায় যুব সমাজের পক্ষ হতে বাবুল আহমদ ও সচেতন মহলের পক্ষে মোঃ হারিছ উদ্দিন সহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন। এ সময় তারা আলম উদ্দিন আলমের উপর থেকে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন গত ৬ আক্টোবর জৈন্তাপুর থানায় ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ এনে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে সে মামলায় যুব নেতা আলমকে পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানোর উদ্দ্যেশে সর্ব শেষ ৩ নাম্বার আসামী করা হয়েছে। 

অথচ আলম এ বিষয় কিছুই জানেন না দাবি করে বক্তারা বলেন একটি পক্ষ পূর্ব শত্রুতার জেরে আলমকে হয়রানীর করার জন্য এ মামলায় জড়িয়েছে। যার কারনে আলম অতি সহজে মামলা থেকে জামিন পেয়েছেন।  কিন্তু বর্তমানে বাদিনীকে দিয়ে তাকে প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন থানায় আরো মামলায় ঢুকানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে। 

তাই তারা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্ঠি আর্কশন করে বলেন ঘটনাটি সঠিত ভাবে তদন্ত করে অবিলম্বে আলম উদ্দিন আলমের উপর থেকে হয়রানী মুলক মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহার করার জোর দাবী জানিয়েছেন। উল্লেখ্য গত ২৫ সেপ্টেম্বর জৈন্তাপুর উপজেলার হেমু করিছের ব্রীজের দক্ষিণ মোড়ে তানজিনা নামের এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে এমন অভিযোগ এনে কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির ভাউরবাগ ২য় খন্ড গ্রামের আজিজুল হকের মেয়ে তানজিনা আক্তার জৈন্তাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। থানার মামলা নং ০৩ তাং ০৬/১০/২০২০ইং।

Sunday, November 22

কানাইঘাটে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং এর  আউটলেট শাখা উদ্বোধন

কানাইঘাটে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং এর আউটলেট শাখা উদ্বোধন


নিজস্ব প্রতিবেদক  :

কানাইঘাটের গাছবাড়ী বাজারে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং এর  আউটলেট শাখার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।  শনিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী বাজারে ব্যাংক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে এ শাখার শুভ উদ্বোধন করেন দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড সিলেট বিভাগীয় এভিপি মির অাবু সাইম। সিটি ব্যাংক লিমিটেড এজেন্ট ব্যাংকিং গাছবাড়ী শাখার আয়োজনে ৭ নং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদ অাহমদের সভাপতিত্বে ও সংবাদকর্মী মারুফ অাহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অামন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৮ নং ঝিংগাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান অাব্বাস উদ্দিন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জয়েন্ট সেক্রেটারী তাওহীদুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক  মাহবুবুর রশিদ, সমাজসেবী বুরহান উদ্দিন, যুব সংগঠক মহি উদ্দিন জাবের।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড সিলেট বিভাগীয় এভিপি মির অাবু সাইম বলেন,’ প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ মানুষকে সহজে সকল প্রকার ব্যাংকিং লেনদেনের আওতায় এনে সব ধরণের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করাই সিটি ব্যাংকের উদ্দেশ্য। সিটি ব্যাংকের এ শাখায় গ্রাহকদের জন্য সেভিংস, কারেন্ট, বেতন-ভাতা, ছাত্র-ছাত্রী ও অন্যান্য একাউন্ট খোলা, নগদ অর্থ উত্তোলন ও জমা, অন্য ব্যাংক বা একাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার রেমিট্যান্সের অর্থ প্রদান, পল্লী বিদ্যুতের বিল, গ্যাস বিল, মোবাইল বিল প্রদান, ক্ষুদ্র ও কৃষি ঋণের আবেদন গ্রহন, ডিপিএস/ফিক্সড ডিপোজিট সেবা গ্রহণ ও স্কুল কলেজের বেতন গ্রহণের সুবিধাসহ সব ধরণের ব্যাংকিং সেবার সু-ব্যবস্থা রয়েছে। গাছবাড়ী অঞ্চলের সকল শ্রেণিপেশার মানুষ এ ব্যাংকে আধুনিক ও যুগোপযোগী ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন।’ উক্ত সভায় এজেন্ট উদ্যােক্তা রিজওয়ানুল করিম, সিটি ব্যাংকের ম্যানেজার তোফায়েল অাহমদ, সমাজকর্মী হিফজুর রহমান, ব্যবসায়ীমহল, গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

Friday, November 20

শ্রমিকলীগ সভাপতির মৃত্যুতে আলমগীর কবীরের শোক

শ্রমিকলীগ সভাপতির মৃত্যুতে আলমগীর কবীরের শোক

 

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :

জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ও পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টু'র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কানাইঘাট উপজেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবীর।


সেই সাথে তিনি মরহুমের রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ।


ফজলুল হক মন্টু আজ ভোর ৪ ঘটিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্কয়ার হসপিটালে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ।

কানাইঘাট পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের মতবিনিময়

কানাইঘাট পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের মতবিনিময়

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

তৃণমূল যুবলীগকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কানাইঘাট পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় কানাইঘাট উত্তর বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।


উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সদস্য অাহমদ সোলেমানের সভাপতিত্বে  যুবলীগ নেতা এম. দেলোয়ার হোসেন রুবেলের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তরুণ সমাজ কর্মী কানাইঘাট উপজেলা যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মুমিন।


মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন যুবলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন হেলালী,নিজাম উদ্দিন,জাকারিয়া, কামাল,অাবুল হাসনাত,শাহাব উদ্দিন,এম.হোসেন শাহিদ,শিহাব উদ্দিন কাকা,

উপস্থিত ছিলেন হারুন উদ্দিন হারন,অারিয়ান অাশিক,ছাত্রলীগ নেতা মিজান প্রমুখ।


প্রধান অতিথি'র বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল মুমিন বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  স্বপ্নের সোনার বাংলা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে যুব সমাজকে এগিয়ে এসে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

Thursday, November 19

কানাইঘাটের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা গিয়াসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

কানাইঘাটের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা গিয়াসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন


নিজস্ব প্রতিবেদক  :

কানাইঘাট দিঘীরপার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিনকে  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। 

জানা যায় গত বুধবার বিকেল ৫টার দিকে বার্ধক্য জনিত কারনে বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন তার দ্বিতীয় বাড়ী লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির বড়খেওড় গ্রামের নিজ বাড়ীতে মৃত্যুবরন করেন। ইন্নালিল্লাহি ..... রাজিউন। 

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি ২ স্ত্রী, ৬ ছেলে ও ৭ মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।  বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় স্থানীয় সুরতুন নেছা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় এতে এলাকার সর্বস্তরের লোকজন শরীক হন। 

জানাজা পূর্বে রাষ্ট্রীয় ভাবে তাকে সম্মান প্রদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানার্জি এর নেতৃত্বে থানা পুলিশ। পরে তার লাশ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বড়খেওড় জামে মসজিদ গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। 

জানাজা পূর্ব গিয়াস উদ্দিনের স্মৃতিচারন করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল মুমিন চৌধুরী, লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ ফয়েজ আহমদ সহ তার কয়েকজন সহকর্মী বীরমুক্তিযোদ্ধা। 

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন অত্যন্ত সুনামের সহিত নির্বাচিত হয়ে দিঘীরপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে ছিলেন। এলাকায় একজন সমাজসেবী ব্যক্তি হিসাবে সর্বমহলে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি ছিলেন। 

এক সময় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ী হচ্ছে দর্পনগর পূর্ব গ্রামে পরে তিনি বড়খেওড় গ্রামে পৃথক বাড়ী করে সেখানে বসবাস করে আসছিলেন। এ দিকে বীরমুক্তিযোদ্ধা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিনের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, দিঘীরপার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সমছু চৌধুরী, নাজমুল হক, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুল ও সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন সহ নেতৃবৃন্দ।  

Sunday, November 15

কানাইঘাটে বাজারে আফতাব মেডিকেল হলের যাত্রা শুরু

কানাইঘাটে বাজারে আফতাব মেডিকেল হলের যাত্রা শুরু

 

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :

কানাইঘাট পৌরসভার দক্ষিণ বাজারে আফতাব মেডিকেল হলের যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেলে এ ফার্মেসীর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

আফতাব মেডিকেল হলের যাত্রা উপলক্ষে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট কানাইঘাট বাজার বণিক সমিতির সদস্য ইফতেকার আলম,ডঃসারোয়ার জাহান,মাওলানা জামাল উদ্দিন, মাওলানা রফিক উদ্দিন, বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাসুক উদ্দিন প্রমুখ।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে দোয়া পরিচালনা করেন কানাইঘাট দক্ষিণ বাজার মসজিদের ইমাম  আব্দুল হেকিম।


আফতাব মেডিকেল হল পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন এ-ফার্মেসির প্রোপ্রাইটর ডঃ কামরুজ্জামান। 

 


Friday, November 13

কানাইঘাট পৌরসভার ৩নং ও ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের মতবিনিময়

কানাইঘাট পৌরসভার ৩নং ও ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের মতবিনিময়



নিজস্ব প্রতিবেদক  :


তৃণমূল যুবলীগকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্য কানাইঘাট পৌরসভার ৩নং ও ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় কানাইঘাট উত্তর বাজারে অনুষ্ঠিত হয়। 


আওয়ামী লীগ নেতা পিসি রফিক উদ্দিনের সভাপতিত্বে  যুবলীগ নেতা হেলাল আহমদ হেলালী ও দেলোয়ার হোসেন রুবেলের যৌথ পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তরুণ সমাজ কর্মী কানাইঘাট উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য আব্দুল্লাহ আল মুমিন।


মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন যুবলীগ নেতা নিজাম উদ্দিন, সেলিম উদ্দিন, এনাম উদ্দিন, কামাল অাহমদ, শাহাব উদ্দিন,আবুল হাসনাত,শিহাব উদ্দিন কাকা,আবুল হুসেন,আরিয়ান আশিক,শহীদ,হারুনুর রশীদ,ছাত্রলীগ নেতা নাইম আহমদ তারিন,তোফায়েল আমিন সোহাগ,জুনেদ আহমদ,শিবলু আহমদ,তোফায়েল, খালিক,হাবিব উল্লাহ প্রমুখ।


প্রধান অতিথি'র বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল মুমিন বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  স্বপ্নের সোনার বাংলা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে যুব সমাজকে এগিয়ে এসে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। 


Monday, November 9

কানাইঘাট সীমান্ত থেকে এসআই আকবর গ্রেফতার

কানাইঘাট সীমান্ত থেকে এসআই আকবর গ্রেফতার

 

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :


সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যার নেপথ্যে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে (বরখাস্তকৃত) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের একটি দল তাকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে। ২৮ দিনের মাথায় কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট পিবিআই’র পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান।  তিনি জানান, পিবিআই একটি দল কানাইঘাট এলাকায় যাচ্ছে।


জানা যায়, পুলিশ হেফাজতে ১১ অক্টোবর নগরীর আখালিয়া এলাকার যুবক রায়হান আহমদ মারা যাওয়ার ঘটনায় এসএমপির এসআই আকবরসহ ৪ জনকে সাময়িক বহিস্কার ও ৩ জনকে প্রত্যাহার করা হয়। বরখাস্তদের মধ্যে রয়েছেন কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ ও টিটু দাস। প্রত্যাহার হওয়া তিনজন হলেন- এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেন।



বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান । তিনি জানান, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পথে কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত থেকে জেলা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।


কানাইঘাটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা,প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া

কানাইঘাটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা,প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া

 

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :

কানাইঘাটে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সোমবার সকাল থেকে দুই গ্রামের লোকজন লাটি সোটা নিয়ে জড়ো হচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। যেকোন সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।


জানা যায়, চতুলের এক ব্যক্তি  কানাইঘাট বাজারে দুর্লভপুর গ্রামের কোন এক ব্যবসায়ীর দোকানে সদাই করার পর জটলা দেখা দেয়। পরবর্তীতে ব্যবসায়ী ক্রেতাকে মারপিট করে এবং ক্রেতা অন্য দোকানে গিয়ে আশ্রয় নিলে সেখানে মারপিটের শিকার হয়৷




এ নিয়ে এলাকার মুরব্বীয়ানরা বিষয়টি দেখে দিবেন বলে আশ্বশ্ত করলেও তা উপেক্ষা করে সোমবার সকাল থেকে দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।


বিস্তারিত আসছে...

Saturday, November 7

কানাইঘাটে একটি ধর্ষণ মামলা নিয়ে এলাকায় তোলপাড়

কানাইঘাটে একটি ধর্ষণ মামলা নিয়ে এলাকায় তোলপাড়

 


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক  :: মামলা মোকদ্দমা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির বাখালছড়া গ্রামে নিজের নাবালিকা মেয়েকে অন্যের হাতে তুলে দিয়ে অপর পক্ষকে ফাঁসানোর জন্য ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রানির ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এলাকাবাসী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তা না হলে এ নিয়ে গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে সরজমিনে গত শুক্রবার বিকেল ২টায় বাখালছড়া গ্রামে গিয়ে এলাকার অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ সর্বস্তরের লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাখালছড়া গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর পুত্র আব্দুল হান্নান গংদের সাথে প্রতিবেশী একই গ্রামের রহিম উদ্দিন রমুর পুত্র আব্দুল জব্বার গংদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি সহ পাল্টাপাল্টি মামলা মোকদ্দমা চলছে। র্সবশেষ গত ১৮ অক্টোবর আব্দুল হান্নান গংদের লোকজন আব্দুল জব্বারের বসত বাড়িতে চড়াও হয়ে তার ভাই তৌহিদুর রহমান ও তার ৫ মাসের অন্তসত্বা স্ত্রী রোজিনা বেগমকে ২ দফা বেদড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত আহত করলে কানাইঘাট থানায় আব্দুল হান্নান পক্ষের ৯ জনের বিরোদ্ধে আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে দরখাস্ত মামলা দায়ের করলে পুলিশ সরজমিনে ঘটনাস্থল তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ২৩ অক্টোবর অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করে।

স্থানীয়রা জানান, মারপিটের কারনে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় প্রচুর রক্তক্ষরণের কারনে রুজিনা বেগমের গর্ভের ৫ মাসের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। ২১ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গর্ভপাত হয়ে ৫ মাসের একটি মৃত পুত্র সন্তান প্রসব করেন রুজিনা বেগম। এ ঘটনায় রুজিনার স্বামী তৌহিদুর রহমান বাদী হয়ে তার স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি ভাবে নির্যাতনের কারনে গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ার কারনে আব্দুল হান্নান ও তার পুত্র আব্দুল কাদির, তাদের আত্মীয় সোনামিয়ার পুত্র সেলিম উদ্দিন (টাইগার সেলিম) ও তার ভাই ডালিম, করিম, নিজাম সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে কানাইঘাট আমল গ্রহণকারী আদালতে গত ৪ নভেম্বর একটি দরখাস্ত মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত দরখাস্ত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করে আসামীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কানাইঘাট থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। আব্দুল হান্নান গংদের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা দায়েরের পর আব্দুল জব্বার ও তার মামলার সাক্ষী ও পরিবারের লোকজনকে ফাঁসানোর জন্য আব্দুল হান্নানের পরিবারের লোকজন নানা ধরনের ফন্দী আটেঁন। সরেজমিনে তদন্তকালে বাখালছড়া সহ আশপাশের গ্রামের কয়েকজন বীরমুক্তিযোদ্ধা সহ অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আব্দুল জব্বার ও তার মামলার সাক্ষীদের ফাঁসানোর জন্য এলাকার কতিপয় ২/৩ জন প্রভাবশালী লোকজনদের কু-পরামের্শ আব্দুল হান্নান তার ১৬ বছরের অবিবাহিত কিশোরী মেয়েকে গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ২টার দিকে পুকুরে গোসল করতে গেলে আব্দুল জব্বার ও তার মামলার সাক্ষী বাখালছড়া গ্রামের মৃত শফিকুল হকের পুত্র গ্রামের মসজিদের মুতওয়াল্লী আব্দুস সালাম (৫০) ও একই গ্রামের মৃত খলিল মিয়ার পুত্র হবিবুর রহমান (৭০) পুকুর থেকে তুলে নিয়ে পাশর্^বর্তী একটি জঙ্গলে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে আব্দুস সালাম ও হাবিবুর রহমান পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে মর্মে অভিযোগ এনে ভিকটিমকে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করেন। পরে এ তিন জনের বিরুদ্ধে আব্দুল হান্নানের পুত্র আব্দুল কাদির (২৮) বাদী হয়ে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল আদালতে ৪ নভেম্বর নারী ও শিশু মোকদ্দমা নং- ৫৫৫ দায়ের করেন। আদালত বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কানাইঘাট থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। দরখাস্তে আব্দুল কাদির উল্লেখ করেছেন তার বোনকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর কানাইঘাট থানায় অভিযোগ করতে আসলে পুলিশ অভিযোগ নেয়নি।

কিন্তু দরখাস্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার এসআই স্বপন চন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, থানায় এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে ভিকটিমের পরিবারের কেউ আসেনি। এ ধরনের ধর্ষণের ঘটনা বাখালছড়া গ্রামে ঘটেনি বলে তারা তাৎক্ষণিক খোঁজখবর নিয়ে জানতে পেরেছেন। তার ধারনা মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আব্দুল জব্বার ও তার মামলার সাক্ষীদের ফাঁসানোর জন্য মূলত এ ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হতে পারে। ঘটনাটি গভীর ভাবে তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে এস.আই স্বপন চন্দ্র সরকার জানান।

এ ধর্ষণ মামলার আসামী আব্দুল জব্বার কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, তার বসত বাড়িটি জোরপূর্বক ভাবে দখল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল হান্নান গংরা পায়তারা চালিয়ে আসছেন, বিভিন্ন সময় তার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা করেছে। এসব হামলা এবং তার ভাইয়ের স্ত্রীর গর্ভের সন্তান আব্দুল হান্নান ও তার পরিবারের লোকজন বেদড়ক মারপিট করে নষ্ট করে দেয়ায় এবং মৃত সন্তান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রসব করার ঘটনায় তিনি কানাইঘাট থানা ও আদালতে পৃথক মামলা করেন। এসব মামলা দায়েরের পর থেকে আব্দুল হান্নানের পরিবারের লোকজন তাকে সহ তার মামলার সাক্ষীদের ধর্ষণ সহ নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে হয়রানি করবে বলে হুমকি প্রদান করায় কয়েকদিন পূর্বে থানায় এ সংক্রান্ত জিডিও করেন। তার দাবী আব্দুল হান্নান তার মেয়েকে এলাকার কয়েকজনের হাতে তুলে দিয়ে ধর্ষণ করিয়ে এখন আমি সহ আমার মামলার দুইজন সাক্ষীর বিরুদ্ধে সেই ধর্ষণের মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। ঘটনার দিন তিনি সিলেট শহরে ছিলেন। জব্বারের মামলার সাক্ষী হবিবুর রহমান ও আব্দুস সালাম বলেন, তারা জব্বারের পক্ষে মামলার সাক্ষী দেয়ার কারনে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আব্দুল হান্নান তার মেয়েকে দিয়ে ধর্ষণ মামলা দিয়ে তাদের হয়রানির চেষ্টা করছে। বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার সাথে তারা যদি জড়িত থাকেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক, নতুবা যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান তারা। এলাকার অনেকের সাথে কথা বললেও ধর্ষণের ঘটনা তারা জানেন না, এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে নিরীহ লোকজনদের হয়রানি করায় এলাকায় তোলপাড়ও চলছে বলে সবাই জানান। ভিকটিম ও মামলার বাদীকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে অনেকে জানিয়েছেন।

ধর্ষণ মামলার বাদী আব্দুল কাদির ও তার মা আমিনা বেগমের সাথে কথা হলে মা আমিনা বেগম বলেন, তার মেয়েকে ধর্ষণ করে নিখোঁজ করেছে মামলার আসামীরা। বর্তমানে তার মেয়ে কোথায় রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেয়ের কোন সন্ধান পাচ্ছেন না তিনি। আব্দুল কাদির বলেন, তার বোন ওসমানী হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি রয়েছে, অনেক কথার সদোত্তর না দিয়ে বলেন মামলায় যাদের আসামী করা হয়েছে তারাই তার বোনকে ধর্ষণ করেছে। এলাকাবাসী বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সহ এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে থানা পুলিশকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। থানার ওসি মোঃ শামসুদ্দোহা পিপিএম জানান ধর্ষনের মামলা নিয়ে কাউকে অযথা হয়রানী করার সুযোগ নেই। ঘটনাটি আমরা তদন্ত করে দেখছি কার এর সাথে জড়িত তাদের চিহ্নিত হলে ধর্ষনের ঘটনা সত্যি হলে সেই আলোকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।