হাসপাতালের টয়লেটে নবজাতকের লাশ!

Written By Shimanter Dak on Thursday, October 23, 2014 | 11:44 AM


মেহেরপুর: জেলার জেনারেল হাসপাতালের মা ও শিশু ওয়ার্ডের টয়লেট থেকে অজ্ঞাত এক নবজাতকের লাম উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায় টয়লেট পরিষ্কার করতে গিয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা লাশটি দেখতে পেয়ে চিৎকার করে ওঠে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়া হয়।পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।এ নিয়ে নান গুঞ্জন চলছে। জানা যায়, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় মা ও শিশু ওয়ার্ডের টয়লেট পরিষ্কার করতে যান কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এ সময় টয়লেটের প্যানের মধ্যে তারা নবজাতকের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদত হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠান। স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের অসাধু কিছু নার্স ও আয়া মিলে কারও অবৈধ গর্ভপাত ঘটিয়েছে। পরে মরদেহটি টয়লেটে ফেলে দেয়। এমন অবৈধ গর্ভপাতের ঘটনা মাঝেমধ্যেই হাসপাতালে ঘটে বলে অভিযোগ স্থানীয় মানুষের। হাসপাতালের বিভিন্ন লোকের চক্ষু ফাঁকি দিয়ে কীভাবে টয়লেটে মরদেহ পড়ে থাকে তা নিয়ে চলছে নানান সমালোচনা। হাসপাতালে ভূমিষ্ঠ হওয়া কোনো শিশুর মরদেহ এটি নয় দাবি করে জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. বিপুল কুমার বিশ্বাস জানান, গত কয়েকদিন কতগুলো শিশু ভূমিষ্ঠ হয়েছে এবং তারা বর্তমানে কোথায় আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাছাকাছি সময়ে আমিরাত যাচ্ছেন তাঁরা


ঢাকা: কাছাকাছি সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আগামী সপ্তাহে তাঁরা আলাদা আলাদা কর্মসূচিতে যোগ দিতে দেশটি সফর করবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ২৮ অক্টোবর দেশটি সফরে যাবেন। তিনি দুবাইয়ে বিশ্ব ইসলামী অর্থনৈতিক ফোরামের দশম বৈঠকে অংশ নেবেন। ফিরবেন ৩০ অক্টোবর। প্রেসিডেন্টের সফরের আগেই দ্বিপক্ষীয় সফরে ২৫ অক্টোবর আবু ধাবি যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রেসিডেন্টের সফরের আগের দিন (২৭ অক্টোবর) তিনি দেশে ফিরবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২৯ ও ৩০ অক্টোবর দুবাইতে অনুষ্ঠেয় পাইরেসি কনফারেন্সে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। তিনটি সফরের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে। আজ বিকালে মন্ত্রণালয়ের আনক্লজ সভাকক্ষে মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী দু’টি হাই প্রোফাইল সফর এবং তার নিজের সফর সম্পর্ক গণমাধ্যমকে ব্রিফ করবেন।

মঞ্চ প্রস্তুত,অপেক্ষা খালেদার


নীলফামারী: আজ নীলফামারীতে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার জনসভা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর খালেদা জিয়া নীলফামারীতে আসছেন।তার এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার ২০ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। খালেদা জিয়াকে দেখতে সকাল থেকেই জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে জনসভাস্থলের দিকে ছুটে আসছেন ২০ দলের নেতাকর্মীরা। জনসভা সফল করতে মঞ্চের যাবতীয় কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।মাঠের উত্তর পূর্ব কোণে বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় মঞ্চের কাজ শেষ হয়।ঢাকা থেকে নিয়ে আসা সুমি ডেকোরেটর ও তাহের মাইক হাউস মঞ্চ নির্মাণ ও সাউন্ড সিস্টেমের কাজ করেছেন। জনসভা স্থলের চারদিকে লাগানো হয়েছে ২২৫টি মাইক ও বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ছোট-বড় দু’শতাধিক ব্যানার। জনসভায় আগত মানুষদের দেখভাল করতে শত শত স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ করা হয়েছে। জেলা সদরের বাহিরে থেকে আসা বিভিন্ন যানবাহনগুলোকে পার্কিং করে রাখতে শহরের বাহিরে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। নীলফামারী প্রধান সড়কের ধারে নির্মাণ করা হচ্ছে শতাধিক তোরণ। এছাড়া নানা রঙের পোস্টার লিফলেট আর ব্যানারে ছেয়ে গেছে গোটা জেলার শহর-বন্দর, হাট-বাজার ও গাঁ-গ্রাম। সাজ সাজ রব পড়ে গেছে গোটা জেলায়। বৃহস্পতিবার নীলফামারী শহরের বড় মাঠে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় খালেদা জিয়া বক্তব্য দেয়ার কথা। বিকালে বক্তব্য দেয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই মানুষ ছুটে আসছেন জনসভা মঞ্চের দিকে। এদিকে সমাবেশে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে সকাল থেকে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা ছুটে আসছেন সমাবেশস্থলের দিকে। জেলা জামায়তের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সমাবেশে তারা তিন লক্ষ কর্মী সমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে। দেশব্যাপী গুম-খুন-নির্যাতন, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলা-গ্রেপ্তার, হয়রানি বন্ধ, ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগাম নির্বাচনের দাবিতে স্থানীয় ২০ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় বিকাল ৪টায় বক্তব্য শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।প্রিয় নেত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ছুটে আসছে বিএনপি ও জোট নেতাকর্মীরা। শুধু তাই নয়, ভোর থেকেই নীলফামারীর বিভিন্ন উপজেলার হাজার হাজার নারী-পুরুষ জনসভাস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন। ২০০০ সালের ২০ জুলাই নীলফামারী বড় মাঠে খালেদা জিয়া চার দলীয় জোটের জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দিয়েছিলেন। তবে তার মাঝে বেগম জিয়া সর্বশেষ নীলফামারী এসেছিলেন ২০০৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর। সেসময় তিনি ৪ দলীয় জোটের পক্ষে ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় জেলা শহরের শহীদ মিনার চত্বরে পথসভা এবং জেলার ডোমার উপজেলা বাজার চত্বরে বক্তব্য দিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে নীলফামারীর ৪ আসনেই বিএনপি তথা চার দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভরাডুবি ঘটেছিল। দীর্ঘদিন পর খালেদা জিয়ার নীলফামারী আগমন ঘিরে ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীরা যেন উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে। এছাড়া নীলফামারীতে খালেদা জিয়াকে বরণে এবং জনসভায় যোগ দিতে ২০ দলীয় জোটের বিভিন্ন দলের কেন্দ্রিয় নেতারা ঢাকা থেকে বুধবার রাতেই নীলফামারীতে এসে অবস্থান নিয়েছেন। এদিকে, সভামঞ্চ ও এর আশপাশের এলাকার সার্বিক নিরাপত্তায় এরই মধ্যে সমাবেশস্থলে অবস্থান করছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর (সিএসএফ) চৌকস একটি দল। এছাড়া পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোড়দার করা হয়েছে গোটা জেলা শহর জুড়ে। স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি রংপুর থেকে নীলফামারী নিয়ে আসা হয়েছে পুলিশের অতিরিক্ত আর আর এফ (রেঞ্জ রির্জাভ ফোর্স)। বেগম জিয়ার জনসভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন থেকে পুলিশ প্রশাসন সকল প্রকার সহযোগিতা করছেন বলে জানান বিএনপির কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, নীলফামারীর এই জনসভা থেকে অবৈধ সরকারের পতনের ডাক দিতে পারেন আমাদের জোটনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।গত ৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনকে প্রতিহত করতে গিয়ে নীলফামারীতে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের অসংখ্য নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। তাই বর্তমান সরকারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে অবৈধ সরকার পতনের আন্দোলন নীলফামারীর জনসভা থেকে শুরু করা হবে বলে তিনি জানান। এর আগে বুধবার বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সড়ক পথে নীলফামারীর উদ্দেশে ঢাকাস্থ নিজের গুলশানের বাসভবন ছাড়েন খালেদা জিয়া। বগুড়া জেলা সার্কিট হাউসে রাত্রিযাপন শেষে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নীলফামারীর উদ্দেশে বগুড়া ছাড়বেন তিনি। বগুড়া থেকে রংপুরে হয়ে নীলফামারী জেলা সার্কিট হাউসে পৌঁছাবেন খালেদা জিয়া। সেখানে দুপুরের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম শেষে বিকাল ৪টায় ২০ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন।

ফেসবুক বান্ধবীর উত্যক্তের অভিযোগে থানায় নালিশ


কানিউজ ডেস্ক: ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় মহিলাদের হেনস্থা করা বা নানা আপত্তিকর ছবি পোস্ট করে মানসিক নিগ্রহ করার ঘটনায় আইনি শাস্তি হয়েছে একাধিক ব্যক্তির। সোশ্যাল মিডিয়ায় মহিলাকে উত্যক্ত করার অভিযোগ প্রায়ই জমা পড়ে সাইবার সেল-এ। প্রথা ভেঙে একেবারে উল্টো পথে হাঁটল গুজরাত! সোশ্যাল মিডিয়ায় এক যুবতীর ক্রমাগত জ্বালাতনে নাজেহাল হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন এক বছর সাতাশের যুবক। আর এহেন অভিযোগ পেয়ে খানিকটা হলেও আশ্চর্য গুজরাত পুলিশের সাইবার সেল। গুজরাতের আনন্দনগরের ঘটনা। পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযোগ দায়ের করেছেন আরিহান্ত নামে এক যুবক। বছর সাতাশের আরিহান্ত ব্যবসায়ী। আরিহান্তের অভিযোগ, ২০১১ সালের জুলাইয়ে একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে পরিচয় হয় মেয়েটির সঙ্গে। প্রোফাইলে সুন্দর ছবি দেখে তিনি মুগ্ধ হয়ে মেয়েটির সঙ্গে চ্যাট শুরু করেন তিনি। তাঁদের মধ্যে প্রায় এক বছর মতো চ্যাট চলতে থাকে। এরপর একদিন তাঁরা দেখাও করেন। দেখা করার পর থেকেই আরিহান্তের কাছে মেয়েটি নানা রকম দামি উপহার চাওয়া শুরু করে। তখনই আরিহান্তের সন্দেহ দানা বাঁধে। আরিহান্তের কথায়,'আমি মেয়েটিকে এড়িয়ে যাওয়া শুরু করি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিই। মেয়েটি আমার মায়ের মোবাইল নম্বর জোগাড় করে। এবং গত দু'বছর ধরে ওই নম্বরে ফোন করে আমার পরিবারকে উত্যক্ত করছে।' আরিহান্তের অভিযোগের তদন্তের জন্য আরিহান্তের কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস চেয়েছে পুলিশ। সাইবার সেলের আধিকারিকদের বক্তব্য, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে মহিলাদের উত্যক্ত করার অভিযোগ প্রচুর জমা পড়ে। কিন্তু কোনও মহিলার বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ এই প্রথম।

ইসলামে চুরির শাস্তি

Written By Shimanter Dak on Wednesday, October 22, 2014 | 9:25 PM


ইসলাম ডেস্ক,কানাইঘাট নিউজ: চুরি একটি মারাত্মক অপরাধ। সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটছে। ইসলামে চুরি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। হোক নবজাতক চুরি হোক কিংবা অন্য মালামাল হোক। সব ধরণের চুরিকে ইসলাম বড় অপরাধ হিসাবে উল্লেখ করেছে। ইসলামে চুরির শাস্তি ভয়াবহ। মানব রচিত দণ্ডবিধির মতো কোরআনের আইন শুধু অপরাধ ও শাস্তি বর্ণনা করেই ক্ষান্ত হয় না, বরং প্রত্যেক অপরাধ ও শাস্তির সঙ্গে খোদাভীতি ও পরকালের চেতনা উপস্থাপন করে মানুষের ধ্যান-ধারণাকে এমন এক জগতের দিকে ঘুরিয়ে দেয়, যার চেতনা মানুষকে যাবতীয় অপরাধ ও গোনাহ থেকে পবিত্র করে দেয়। অন্যের মাল হেফাজতের জায়গা থেকে বিনা অনুমতিতে গোপনে নিয়ে যাওয়াকেই সংজ্ঞাগত দিক থেকে ও সাধারণ পরিভাষায় চুরি বলা হয়। কোরআন চারটি অপরাধের শাস্তি স্বয়ং নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত করেছে। শরিয়তের পরিভাষায় এগুলোকে হদ বলা হয়। যেসব অপরাধের শাস্তিকে আল্লাহর হক হিসাবে নির্ধারণ করেছে, সেসব শাস্তিকে হুদুদ বলা হয়। ইসলামী শরিয়তে হুদুদ মাত্র পাঁচটি- ডাকাতি, চুরি, ব্যভিচার ও ব্যভিচারের অপবাদ- এ চারটির শাস্তি কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। মহান আল্লাহতায়ালা বলেন, যে সব পুরুষ ও নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও তাদের কৃতকর্মের সাজা হিসাবে। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি। আল্লাহ পরাক্রান্ত, জ্ঞানময়। (সূরা মায়েদা-৩৮)। দণ্ডগত শাস্তিকে অবস্থানুযায়ী লঘু থেকে লঘুতর, কঠোর থেকে কঠোরতর এবং ক্ষমাও করা যায়। এ ব্যাপারে বিচারকদের ক্ষমতা অত্যন্ত ব্যাপক; কিন্তু হুদুদের বেলায় কোনো সরকার, শাসনকর্তা অথবা বিচারকও সামান্যতম পরিবর্তন, লঘু অথবা কঠোর করার অধিকার রাখে না। স্থান বা কালক্রমে এর কোনো পার্থক্য হয় না এবং কোনো শাসক বা বিচারক তা ক্ষমাও করতে পারে না। হুদুদের বেলায় সুপারিশ করা এবং তা শ্রবণ করা দুই-ই নাজায়েজ। রসুল (সা.) এ ব্যাপারে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। হুদুদের শাস্তি পরিবর্তন ও লঘু করা যায় না এবং কেউ ক্ষমাও করার অধিকারী নয়। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সামগ্রিক ব্যাপারে সমতা বিধানের উদ্দেশ্যে অপরাধ এবং অপরাধ প্রমাণের শর্তাবলীও অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। তাই চুরি প্রমাণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্তগুলোর কোনো ত্রুটি অথবা সন্দেহ দেখা দেওয়ার কারণে চোরের হাত কাটা যাবে না বটে; কিন্তু এ অবস্থায় সে সম্পূর্ণ মুক্তও হয়ে যাবে না; বরং তাকে অবস্থা অনুযায়ী অন্য দণ্ড দেওয়া হবে। যদিও সব চুরির ক্ষেত্রে একটা বিধান থাকলেও নবজাতক চুরি একটা নতুন ভার্সন। যা সামাজিক ও মানবিক দিক থেকেও একটা বড় ধরনের অবক্ষয়ের শামিল। কেননা একজনের নবজাতক অন্যজনের কাছে বেড়ে উঠবে ভিন্ন নামে, ভিন্ন পরিচয়ে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং যার নবজাতক চুরি হয়ে যায় তার মনের দীর্ঘস্থায়ী জ্বালা চোরের জন্য অভিশাপের নজরানা হয়ে থাকবে চিরকাল; যা তার জন্য কোনোভাবেই সুখকর নয়। অতএব সবার উচিত এ ধরনের গর্হিত কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের অনুসারী হয়ে বিকশিত মানুষে রূপান্তরিত হওয়া।তাই ইসলাম চুরির ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

দাঁত না মাজলে ক্যান্সার!


ডেস্ক নিউজ,কানাইঘাট নিউজ দাঁতের সঠিক যত্ন না নিলে একদিকে যেমন দাঁতে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, ঠিক তেমনই দাঁতে পোকা, মুখের ভিতরে ঘা এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হবে নিত্যসঙ্গী। কিন্তু এখানেই ভোগান্তির ইতি নয়। দাঁত এবং মুখের যথাযথ যত্ন না নিলে আপনার অজান্তেই জীবনে প্রবেশ করতে পারে ওরাল ক্যান্সার। ওরাল ক্যান্সার শুধুমাত্র মুখের ভিতরের আস্তরণের উপর প্রভাব ফেলে তা নয়, মুখের ভিতরের হাড়, মাংসপেশি এবং শিরা আস্তে আস্তে নষ্ট করে দেয়। সময়মতো চিকিৎসায় মুখের ক্যান্সারও সেরে যায়, কিন্তু সমস্যা হল বেশিরভাগ মানুষই বুঝতে পারেন না যে তাঁদের এই রোগ হয়েছে। তাই অসাবধানতা এবং অবহেলার মাসুল চোকাতে হয় নিদারুণ ভাবে। ওরাল ক্যান্সার সম্পর্কে নিজের এবং প্রিয়জনদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে জেনে রাখুন কয়েকটি বিশেষ তথ্য। লক্ষণ মুখের ভিতরে ঘা যা কোনও ওষুধেই সারে না এবং ১৫ দিনের বেশি সময় ধরে রয়েছে। মুখের ভিতরে বা গলার কাছে লাম্প কিছু গিলতে বা চিবোতে গেলে অসহ্য যন্ত্রণা গাল ভিতরের চামড়া মোটা হতে থাকা মুখে অসাড় ভাব দীর্ঘদিন ধরে গলা ধরে থাকা মুখের ভিতরে সাদা বা লাল প্যাচ চোয়াল বা জিভ নাড়াতে কষ্ট হওয়া নকল দাঁত থাকলে তা মুখের ভিতরে সঠিকভাবে না বসা মাড়ি আলগা হয়ে দাঁত নড়বড়ে হয়ে যাওয়া কথা বলতে কষ্ট হওয়া মুখের ভিতরে বা ঠোঁটে রক্তপাত এর একটিও লক্ষণ আপনার বা আপনার পরিচিত কারও মধ্যে দেখতে পেলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই বাঞ্ছনীয়। সতর্কতা অবলম্বন করুন- তামাক জাতীয় দ্রব্য যেমন সিগারেট, পাইপ, চুরুট কিংবা পান, জর্দা, খৈইনি, পান মশলা জাতীয় জিনিস থেকে দূরে থাকুন। মদ্যপানও যত সম্ভব কম করুন। চড়া রোদে রাস্তায় বেরোলে ঠোঁটের চারপাশে সানস্ক্রিন লোশন বা লিপবাম লাগাতে ভুলবেন না। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল সুষম আহার। পুষ্টির অভাবে রোগের সম্ভাবনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।তাই খাওয়া-দাওয়ার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন। বছরে অন্তত দু'বার দাঁতের ডাক্তারের কাছে গিয়ে চেকআপ করান। সামান্য অস্বাভাবিকতাকেও অবহেলা করবেন না।

পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখতে গুগলের পদক্ষেপ


অনলাইন ডেস্ক : জি-মেলের নিরাপত্তা এবার আরও বাড়ানো হচ্ছে। আপনার মেলবক্সকে সুরক্ষিত রাখতে গুগল নিয়ে এসেছে নয়া ‘সিকিউরিটি কি’। এটি এক ধরনের ‘ইউএসবি কি’ যা গুগল ক্রোমে লগ ইন করার সময় আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। লগ ইন করতে যেমন পাসওয়ার্ড লাগে সে তো লাগবেই, পাশাপাশি সিকিউরিটি কি-ও লাগবে। যাতে গুগল বুঝতে পারে, আপনার জায়গায় অন্য কেউ এই পাসওয়ার্ড দিচ্ছে না।তথ্য-প্রযুক্তির যে যুগে আমরা বাস করছি, সেখানে দ্বিস্তরীয় পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাও অনেক সময় সুরক্ষিত থাকছে না। আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া ও তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ওঁৎ পেতে রয়েছে হ্যাকরারা। ইউজারদের এই সমস্যা বুঝতে পেরে ব্যবস্থা নিচ্ছে গুগল। তবে আপনাকে এই ‘ইউএসবি কি’ কিনতে হবে গ্যাঁটের কড়ি খরচ করে। অনলাইনে কিনতে পারেন এই ‘কি’। ইউ২এফ ভেন্ডারের কাছে পাবেন এটি। এখন জি-মেলের দ্বিস্তরীয় পাসওয়ার্ড সিস্টেমে মোবাইল ফোনে এসএমএসে পাসওয়ার্ড আসে যা প্রতিবার লগ ইন-এর সময় বদলে যায়।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এম.এ হান্নান,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : সাউদিয়া মার্কেট,দোকান নং-২,কানাইঘাট উত্তর বাজার,সিলেট। +৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩