শফীর সঙ্গে প্রশাসনের দফায় দফায় বৈঠক

Kanaighat News on Thursday, July 2, 2015 | 11:25 PM


চট্টগ্রাম: হেফাজতের ঘোষিত শুক্রবারের কর্মসূচি নিয়ে হেফাজত নেতাদের সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারে হেফাজতে ইসলামের আল্টিমেটাম শুক্রবার শেষ হচ্ছে। হেফাজত বলছে জুমার নামাজের আগে লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করা না হলে সারাদেশে বাদ জুমা বিক্ষোভ করা হবে। এর পর থেকে প্রশাসন চিন্তায় পড়ে যায়। পরে হেফাজত নেতাদের সঙ্গে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। হেফাজতে ইসলামের আমিরের প্রেস সচিব মাওলানা মুনির আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত দুদিনে পর পর দুই দফা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা হেফাজত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বুধবার বিকেল ৩টায় হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের এডিশনাল এসপি নাঈমুল হাসান, এএসপি রবীউল ইসলাম এবং হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইসমাঈল। কর্মকর্তারা কুশল বিনিময় শেষে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ইস্যুতে মাঠ পর্যায়ে কোনো কর্মসূচি না দিতে হেফাজত আমিরকে অনুরোধ জানান। জবাবে তিনি অবিলম্বে লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার হাফিজ আক্তারের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের এএসপি রবীউল ইসলাম এবং হাটহাজারী থানার ওসি মোহাম্মদ ইসমাঈল হেফাজত আমিরের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা শুক্রবারের বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি স্থগিত করতে হেফাজত আমিরকে অনুরোধ করেন। এসময় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শহীদুল হক টেলিফোনে হেফাজত আমিরকে একই অনুরোধ করেন। হেফাজত আমির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে অবিলম্বে লতিফ সিদ্দিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘একজন অপরাধীকে কোনো বিচার ছাড়া আপনারা কিভাবে ছেড়ে দিলেন?’ তিনি বলেন, ‘আত্মস্বীকৃত মুরতাদ লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা ছাড়া উলামা-মাশায়েখ ও তৌহিদী জনতা শান্ত হবে না। আমরা কোনো রাজনৈতিক দাবি করছি না। এটা ঈমান-আক্বিদা ও ইসলামের ইজ্জত-সম্মানের প্রশ্ন। এ বিষয়ে বর্তমানে পুরো জাতি একতাবদ্ধ।’ হেফাজত আমির শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

৩৯ স্ত্রীসহ ১৪৭ সদস্যের পরিবার (ভিডিও)


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: একসঙ্গে ৩৯ স্ত্রী, ৯৪ সন্তান আর ১৪ পুত্রবধূসহ ১৪৭ সদস্যের পরিবার! হ্যাঁ, এই নিয়েই ভারতের মিজোরাম রাজ্যের বাসিন্দা জিয়ানো চানার সংসার। নাতি-নাতনি মিলে পরিবারের মোট সদস্য দুই শতাধিক। মিজোরাম শহর থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে বখতয়াং গ্রামের একটি চারতলা বাড়িতে থাকেন জিয়ানো চানার পরিবারের সদস্যরা। বাড়িটিতে ঘর আছে প্রায় ১০০টি। হাতের কড় গুনে স্ত্রীদের নাম বলেন জিয়ানো চানা। তিনি জানান, মাত্র ১৭ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের সময় প্রথম স্ত্রী জাথিয়াংগিরের বয়স ছিল ১৯ বছর। এর পর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। ২০০০ সালে শেষ বিয়ে করেন তিনি। সেটাও হয় মাত্র ১৯ বছর বয়সী সিয়ামির সঙ্গে। প্রতিদিন সকাল হলেই বাড়ির পুরুষরা বেরিয়ে পড়েন কর্মসংস্থানে। নিজের ও অন্যের জমিতে চাষাবাদ, পশু পালন, বন থেকে কাঠ সংগ্রহ এবং পোলট্রি ফার্মে কাজ করেন তাঁরা। আর পরিবারের নারীরা বাড়িতে বসেই সামলান ঘরকন্নার কাজ। খাবারের জন্য জিয়ানোর পরিবারে প্রতিদিন লাগে ২০০ পাউন্ড চাল এবং ১৩০ পাউন্ড আলু। ভ্যানে চাপিয়ে প্রতিদিন বাজার করতে হয়। দূর থেকে এলে কারো মনে হবে, প্রতিদিনই যেন এ বাড়িতে আয়োজন হয় বিশাল ভোজ অনুষ্ঠানের। ভোটের সময় জিয়ানোর বড় পরিবারকে রীতিমতো জামাই আদরে সমীহ করেন নেতা-নেত্রীরা। জিয়ানো বলেন, ‘ভোট এলেই নেতারা গ্রামে ঢুকে সোজা আমার বাড়িতেই আগে পা রাখেন। আসলে একসঙ্গে এতগুলো ভোট বলে কথা তো!’ জিয়ানো বলেন, পরিবার সামলাতে গিয়ে প্রতিবেশীদের সাহায্য তিনি যথেষ্টই পান। একটু-আধটু ঠাট্টা-ইয়ার্কি করলেও বিপদে-আপদে সব সময়ই প্রতিবেশীরা হাত বাড়িয়ে দেন। ভিডিও লিংক:-https://www.youtube.com/watch?v=WebTR66FJPc

কানাইঘাটে তরুণের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার ॥ গ্রেফতার ৪


নিজস্ব প্রতিবেদক: নিখোঁজের ২ দিন পর বৃহস্পতিবার কানাইঘাট থানা পুলিশ জৈন্তাপুর উপজেলার ওসমান গনি নিশাত নামে ১৮ বছরের এক তরুনের জবাইকৃত ক্ষত বিক্ষত লাশ উপজেলার বড়চতুল ইউপির দুর্গাপুর স্কুল এন্ড কলেজের অদূরে ক্ষেতের মাঠ থেকে উদ্ধার করেছে। পুলিশ লাশের সুরত হাল রিপোর্ট তৈরি শেষে সিলেট ওমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে। এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ৪ জন কে আটক করে বৃহস্পতিবার কানাইঘাট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। আটককৃতরা হল নিহত ওসমান গনি নিশাতের প্রতিবেশী ও বন্ধু জৈন্তাপুর উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম কান্দিগ্রামের মৃত বাবুল মালাকারের ছেলে মুকুল মালাকার (২৫), একই গ্রামের মৃত মঈন উদ্দিনের ছেলে ফখরুজ্জামান (১৯), চাক্তা গ্রামের মাওঃ সুলেমান আহমদের ছেলে রেজওয়ান আহমদ (১৯) ও কানাইঘাট উপজেলার হারাতৈল ইন্দ্রকোনা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে নজমুল ইসলাম ফয়সল (২১)। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কানাইঘাট চতুল বাজারে মুদি ব্যবসায়ী জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউপির মৃত আব্দুল জলিলের পুত্র মন্তাজ আলী ময়না (৪৫) গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তার সন্তান ওসমান গনি নিশাত (১৮) কে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রেখে বাড়ীতে চলে যান। রাত সাড়ে ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে ছেলেকে বাড়ীতে যেতে বলেন ব্যবসায়ী মন্তাজ আলী ময়না। কিন্তু ঐ দিন রাতে ওসমান গনি নিশাত বাড়ীতে ফিরে না গেলে তার আত্মীয় স্বজন সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজে তাকে না পেয়ে গত বুধবার জৈন্তাপুর মডেল থানায় ছেলে নিখোঁজের জিডি করেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল অনুমান ১১টার দিকে চতুল বাজার সংলগ্ন দুর্গাপুর স্কুল এন্ড কলেজের অদূরে ক্ষেতের মাঠে কেয়া বনে স্থানীয় লোকজন এক তরুনের গলা কাটা ক্ষত বিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখে কানাইঘাট থানা পুলিশকে খবর দেন। এতে এলাকায় জানাজানি হলে নিহত ওসমান গনি নিশাতের লাশ তার আত্মীয় স্বজনরা এসে সনাক্ত করেন। পরে থানার ওসি (তদন্ত) সফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করা হয়। যে ৪ জনকে এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার দায়ে আটক করা হয়েছে তারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বলে থানার ওসি (তদন্ত) সফিকুল ইসলাম কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন। গ্রেফতারকৃতরা ওসমান গনি নিশাতের প্রতিবেশি ও বন্ধু এবং ঘটনার দিন মঙ্গলবার রাতে নিশাতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নেশা জাতীয় দ্রব্যও পান করে তারা। তবে কি কারনে এ লৌহমর্ষক হত্যকান্ড সংঘটিত হয়েছে তা তদন্ত করে হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত সবাইকে গ্রেফতর করা হবে বলে ওসি (তদন্ত) সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন। আটককৃত মকুল মালাকার, রেজওয়ান, সুলেমান, নজমুল ইসলাম ফয়সলকে হত্যাকান্ডের মামলার আসামী করা হবে বলে তিনি জানান। নিহতের পিতা ব্যবসায়ী মন্তাজ আলী ময়না বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

মানবাধিকার সম্মাননা এ্যাওয়ার্ড পেলেন ইউপি চেয়ারম্যান মুবস্বির আলী


নিজস্ব প্রতিবেদক: সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় এশিয়ান জার্নালিস্ট হিউম্যান রাইটস এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন কর্তৃক মানবাধিকার সম্মাননা এ্যাওয়ার্ড-২০১৫ পেয়ে ভূষিত হয়েছেন কানাইঘাট বড়চতুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুবস্বির আলী। গত বুধবার ঢাকা শাহবাগ, কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এক আড়ম্বর অনুষ্ঠানে অতিথিদের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান মুবস্বির আলীর হাতে মানবাধিকার সম্মাননা এ্যাওয়ার্ড-১৫ তুলে দেন এজাহিকাফ এর কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতি হাসনাইন সাজ্জাদী ও মহাসচিব লায়ন সালাম মাহমুদ। এক প্রতিক্রিয়ায় চেয়ারম্যান মুবস্বির আলী বলেন, এ পুরস্কার প্রাপ্তি তাঁকে জনসেবার কাজে আরো উদ্বুদ্ধ করবে। এদিকে বড়চতুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুবশির আলী এজাহিকাফ কর্তৃক মানবাধিকার সম্মাননা এ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সদস্য সুবেদার আফতাব উদ্দিন, বড়চতুল ইউপি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার উমর আলী, বড়চতুল ইউপি আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জামিল আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আম্বিয়া, চতুল বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সেক্রেটারী আতাউর রহমান বাবুল, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, বড়চতুল ইউপি যুবলীগের আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম রুবেল, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক, সায়েম সহ বড়চতুল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সহ সকল ইউপি সদস্যবৃন্দ।

শার্শায় কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য আটক


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: লাখ টাকার ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যসহ একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার গভীর রাতে যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ- সাতক্ষীরা সড়ক থেকে ভারতীয় পণ্যসহ কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়। তবে এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি। বিজিবি জানায়, বুধবার গভীর রাতে নাভারণ-সাতক্ষীরা সড়কে একটি কাভার্ডভ্যান ধাওয়া করলে পাচারকারীরা কাভার্ড ভ্যানটি ফেলে পালিয়ে যান। পরে ভ্যানে তল্লাশি করে অবৈধভাবে সীমান্ত পথে নিয়ে আসা ভারতীয় উন্নতমানের থান কাপড় ৩৮৬১ মিটার, ৫৩০টি জর্জেট শাড়ি, ১০০টি ব্যাগ ও ৭৫টি ক্যাটালগ জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৭ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা। আটক হওয়া পণ্য বেনাপোল কাস্টমস শাখায় জমা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানায় বিজিবি। ২৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আব্দুর রহিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাকিস্তানে ট্রেন লাইনচ্যুত, সেনা অফিসারসহ নিহত ১২


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে একটি ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে চার সেনা অফিসারসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির গুজরানওয়ালা শহরের কাছে বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই সেনা অফিসার ও পুলিশ পরিবারের সদস্য। খবর ডনের। পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন ইউনিট কমান্ডারও রয়েছেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল অসিম বাজওয়া নামের এক কর্মকর্তা টুইটারে জানিয়েছেন, সেনা সদস্যদের বহনকারী একটি বিশেষ ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুৎ হয়ে জামকে চাত্তাহ এলাকার একটি খাদে পড়ে যায়। অপর এক টুইটে তিনি ১২ জন নিহতের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এ পর্যন্ত আটজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্তত ৮০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে আহতদের সমন্বিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, লাহোর থেকে টেকনিক্যাল ও মেডিকেল স্টাফসহ একটি উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া হেলিকপ্টার ও অন্যান্য উদ্ধারকারীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।

৫ বছর পর পাচার হওয়া ৭৪ তরুণী দেশে ফিরেছে


যশোর প্রতিনিধি: 'আর যেতে চাইনা ভারতের বোম্বে'। 'দেশেই থাকতে চাই'। করুণ আর্তনাদ ভারতের বোম্বের বিভিন্ন নিষিদ্ধ পল্লি থেকে দেশে ফেরা তরুণীদের। ওরা শাস্তি চায় পাচারকারীদের। লোমহর্ষক কাহিনী জানান দেশে ফেরা এসব তরুণীরা। মিথ্যা আশ্বাসে ভালো কাজের প্রলোভনে প্রতারিত হয়ে ভারতে পাচার হওয়া ৭৪ তরুণী দীর্ঘ ৫ বছর পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বেনাপোল স্থলপথে বাংলাদেশে ফেরত অাসে। ভারতের বনগাঁ মহাকুমা পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে স্থলবন্দর দিয়ে হস্তান্তর করে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে গ্রহণ করে পোর্টথানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদেরকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় ভারত সরকার। ফেরত আসা তরুণীদের বাড়ি যশোর. নড়াইল, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরিশাল, ঢাকা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বলে জানায় ইমিগ্রেশন ওসি আসলাম হোসেন খান। বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশন ওসি আসলাম খান জানান, সাংসারিক অস্বচ্ছলতার কারণে গত ৩ থেকে ৫ বছর আগে দালালের খপ্পড়ে পড়ে মিথ্যা আশ্বাসের প্রলোভনে পড়ে সীমান্ত পথে ভারতে যায় এসব নারীরা। বিউটি পার্লার, স্কুল, বাসাবাড়ী, নার্সারীসহ বিভিন্ন কাজের নাম করে দালাল চক্র তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে বোম্বের নিষিদ্ধ পল্লীতে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করে। কয়েক জনকে বাসা বাড়ী, হোটেল-রেঁস্তরাসহ অন্ধ জগতে ঠেলে দেয়া হয়। এক পর্যায়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ মোম্বাই শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। পরবর্তীতে দু'দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরে তারা। পাচারের শিকার নারীরা যদি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চায় তাহলে তাদের আইনি সহয়তা করবেন বলে জানান যশোর রাইটস এর নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক।

add

 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : সাউদিয়া মার্কেট,দোকান নং-২,কানাইঘাট উত্তর বাজার,সিলেট। +৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩