খালেদা জিয়ার নামে সমন

Kanaighat News on Monday, July 25, 2016 | 3:28 PM


নড়াইল: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ কর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন নড়াইলের একটি আদালত। আগামী ২৩ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার নড়াইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতের বিচারক মো. জাহিদুল আজাদ এই নির্দেশ দেন। গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর জেলার কালিয়া উপজেলার চাপাইল গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান মো. রায়হান ফারুকী ইমাম বাদী হয়ে ৫০০/৫০১/৫০২ ধারায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। রায়হান ফারুকী মামলায় অভিযোগ করেন, “আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন মানুষ। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের প্রতি অসীম শ্রদ্ধাশীল এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যার প্রতিও দৃঢ় বিশ্বাসী। “বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সকল কথা ও কাজের প্রতি অসীম শ্রদ্ধাশীল একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক। “অপরদিকে উপরোক্ত আসামি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারসন। গত ২১/১২/১৫ তারিখ সন্ধ্যায় তিনি ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে ত্রিশ লাখ শহীদ হয়েছেন বলা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কতজন শহীদ হয়েছেন, তা নিয়ে বির্তক আছে।’ “এ ছাড়া তিনি একই সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে তাকে ইঙ্গিত করে বলেন `তিনি স্বাধীনতা চাননি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশ চাননি।` আসামির এই বক্তব্য বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রচারিত হয় এবং পরের দিন ২২/১২/১৫ তারিখে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়।” (ঢাকাটাইমস

হরিণ হত্যা মামলায় খালাস পেলেন সালমান


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ফুটপাতবাসীকে গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের মামলা থেকে আগেই মুম্বাই হাইকোর্ট থেকে খালাস পেয়েছিলেন সালমান খান। কিন্তু, মহারাষ্ট্র সরকার ফের ওই মামলা নিয়ে শীর্ষ আদালতে যাওয়ার কথা বলেছে। এ বার রেহাই মিলল কৃষ্ণসার হত্যা মামলা থেকেও। ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হত্যা এবং চিনকারা শিকার মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন সালমান খান। সোমবার যোধপুর আদালত এক রায়ে তাঁকে নির্দোষ বলে জানিয়েছে। ১৯৯৮ সালে ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ে গিয়ে বিলুপ্তপ্রায় ওই দুই প্রজাতির হরিণ হত্যা মামলায় নাম জড়িয়েছিল বলিউডের সুপারস্টারের। দু’টি মামলাতেই নিম্ন আদালত সালমানকে এক ও পাঁচ বছরের সাজা শুনিয়েছিল। নিম্ন আদালতে দোষী সব্যস্ত হওয়ার পর সালমান উচ্চ আদালতে আপিল করেছিলেন। একই সঙ্গে আপিল করেছিলেন রাজস্থানের উচ্চ আদালতেও। মে মাসে হাইকোর্টের শেষ শুনানি ছিল। কিন্তু, সেই সময় এই মামলায় রায় ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছিল। এ দিনের রায়ের পর আর সাজা ভোগ করতে হবে না ভাইজানকে।

ক্যামেরা ক্রয়: জার্মানি যাওয়া হচ্ছে না সেই যুগ্মসচিবের


ঢাকা: সরকারি ক্যামেরা কিনতে জার্মানি যাওয়া হচ্ছে না তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রেস) মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের। একটি ক্যামেরা দেখতে তিন কর্মকর্তার বিদেশ যাত্রার খবর প্রকাশের পর সমালোচনার ঝড়ের মুখে বাতিল করা হয়েছে তার যাত্রা। তবে বাকি দুই সরকারি কর্মকর্তা কালই ঢাকা ছাড়ছেন জার্মানির উদ্দেশে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই দুই কর্মকর্তা হলেন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুহা. শিপলু জামান। জানতে চাইলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রেস) মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘বেশিকিছু বলতে পারবো না। তবে আমি বিদেশ যাচ্ছি না।’ গত ২১ জুলাই ঢাকাটাইমসে ‘ক্যামেরা ক্রয়: জার্মানিতে তিন কর্মকর্তার ‘প্রমোদভ্রমণ’-এর আয়োজন’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, এই সংবাদ প্রকাশের পর তথ্য মন্ত্রণালয়ে তোলপাড় শুরু হয়। এ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে। সময় পেয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এনিয়ে খোশগল্পেও মাতেন মাঝে মধ্যে। বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সফর বাতিল করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘কর্মকর্তাদের বিদেশভ্রমণে যে ব্যয় হবে তা দরপত্রের মোট টাকার মধ্যে আগে থেকেই হিসাবে করে ধরা হয়েছে। কর্মকর্তারা নিজেদের টাকায় নয়, ক্যামেরা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচেই বিদেশ যাচ্ছেন।’ ক্যামেরা ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি কেনার ব্যাপারে গত ১৪ জুলাই উপসচিব নিলুফার নাজনীন স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে একসেট ডিজিটাল ক্যামেরা ও সরঞ্জামাদির প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশনের নিমিত্ত জার্মানিতে গমনের জন্য নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাদের অনুকূলে (ভ্রমণ সময় ব্যতীত) সরকারি মঞ্জুরি জ্ঞাপন করছি।’ প্রজ্ঞাপনে ভ্রমণের শর্তে বলা হয়েছে, এটি সরকারি ভ্রমণ বলে গণ্য হবে। ভ্রমণকারীরা দেশীয় মুদ্রায় বেতন-ভাতাদি পাবেন। তাদের যাবতীয় ব্যয়ভার আয়োজক সংস্থা বহন করবে। অনুমোদিত সময়ের অতিরিক্ত সময় তারা বিদেশে অবস্থান করতে পারবেন না। ভ্রমণ শেষে দেশে ফিরে সাত দিনের মধ্যে যথাযথভাবে অংশগ্রহণের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। কেবল এবারই নয়, নানা সময় কেনাকাটা বা অভিজ্ঞতা অর্জনের নামে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের বিদেশে ভ্রমণের রীতি আছে। একে সরকারি কর্মকর্তারাই ‘প্রমোদ ভ্রমণ বলে থাকেন। কখনো কখনো পরিবারের সদস্যদেরও নিয়ে যান কর্মকর্তারা। আর নানা কৌশলে সেই টাকাও রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে আদায় করেন তারা। এ নিয়ে গণমাধ্যমে নানা সময় সমালোচনাও হয়েছে। কিন্তু এই রীতি এখনো চালু আছে। (ঢাকাটাইমস/

ই-মেইল ফাঁস: ডেমোক্রেট প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ডেমোক্রেটিক দলের কয়েক শীর্ষ নেতার গোপন ইমেইল ফাঁসের জের ধরে রোববার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) প্রধান ডেবি ওয়াসারম্যান শুল্জ। জাতীয় দলের কনভেনশনের মাত্র একদিন দলের সাবেক মনোনয়ন প্রত্যাশী বার্নি স্যান্ডার্স ও তার সমর্থকদের চাপের মুখে তিনি এই ঘোষণা দিলেন। সিএনএনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো এ খবর জানিয়েছে। ফিলাডেলফিয়ায় ডেমোক্রেটেদের সোমবার (২৫ জুলািই) থেকে চারদিনের জাতীয় কনভেনশন শুরু হতে যাচ্ছে। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন ডেমোক্রেট নেতারা। দেশটিতে এই প্রথম একজন নারীকে দলীয় প্রার্থী করতে চলেছে আমেরিকার একটি প্রধান রাজনৈতিক দল। কিন্তু সম্মেলন শুরু হওয়ার আগেই সমস্যা দেখা দিল। উইকিলিকস ওয়েবসাইটে গত ২২ জুন ডেমোক্রেট দলের ৭ নেতার ১৯ হাজারের বেশি ইমেইল প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায়, ডেমোক্রাটিক দলের নেতারা সেনেটার বার্নি স্যান্ডার্স যাতে প্রার্থী না হতে পারেন সেজন্য চেষ্টা চালিয়েছিলেন। কিছু নেতা স্যান্ডার্সের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তার নির্বাচনী প্রচারণা নিয়েও তাদের আস্থা ছিল না। এমনকি তাকে নিয়ে নানা বিদ্রুপ ও সমালোচনা করেছিলেন কয়েকজন নেতা। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ভার্মন্ট অঙ্গরাজ্যের সিনেটর স্যান্ডার্স বলেন,‘আমি মনে করি এসব ইমেল ফাঁস হওয়ার পর ডেমোক্রেট ন্যাশনাল কমিটিতে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন ডেবি ওয়াসারম্যান শুল্জয়ের। তার পদত্যাগ করা উচিত।’ যার ফলে রোববার শুল্জয়ের এই ঘোষণা। এমনকি কনভেনশনে বক্তৃতা দাতাদের তালিকা থেকেও নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন শুল্জ। নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে দলের জন্য সঠিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। স্যান্ডার্সে অভিযোগ মেনে নিয়ে আরো তিনি বলেন,‘প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন প্রক্রিয়া চলাকালে দলের নেতাদের সবসময় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা উচিত।’ তিনি মনে করেন ২০১৬ সালের এই ঘটনাটি নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে এ নিয়ে বিক্ষুব্ধ স্যান্ডার্সের সমর্থকরা। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে রোববার ফিলাডেলফিয়ার কনভেনশন স্থলের দিকে রওয়ানা হয়েছেন হাজার হাজার সমর্থক। তাদের ধারণা দলের শীর্ষ নেতারা স্যান্ডার্সের প্রচারণায় স্যাবোটাজ করার চেষ্টা করেছে। এই ঘটনার পর রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট নির্চানের লড়াইয়ে ডেমোক্রেটরা কতটা একতাবদ্ধ থাকবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী হিলারির প্রতি আনুষ্টানিক সমর্থন ব্যক্ত করেছেন স্যান্ডার্স।

আপনার টুথপেস্ট টিউবের এই দাগগুলো লক্ষ্য করেছেন? জানেন কেন থাকে?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: টুথপেস্টের টিউবের ছবি দিয়ে এই পোস্টে দাবি করা হয়, টুথপেস্ট টিউবের একেবারে শেষপ্রান্তে লাল, সবুজ বা কালো যে স্ট্রাইপগুলো থাকে সেগুলো টুথপেস্টের উপাদান সম্পর্কে বিশেষ বার্তা দেয়। কীরকম? ফেসবুকে এই ধরনের একটি পোস্ট হয়তো চোখে পড়েছে আপনার। কয়েকটা টুথপেস্টের টিউবের ছবি দিয়ে এই পোস্টে দাবি করা হয়, টুথপেস্ট টিউবের একেবারে শেষপ্রান্তে লাল, সবুজ বা কালো যে স্ট্রাইপগুলো থাকে সেগুলো টুথপেস্টের উপাদান সম্পর্কে বিশেষ বার্তা দেয়। কীরকম? বলা হয়, সবুজ দাগের অর্থ, এই টুথপেস্ট একেবারে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। নীল দাগের অর্থ, এই টুথপেস্টে প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গেই মেশানো রয়েছে কিছু ওষুধ। লাল দাগের অর্থ, প্রাকৃতিকের সঙ্গে রাসায়নিক উপাদানের সংমিশ্রণ। কালো দাগের অর্থ, এই টুথপেস্টে সমস্ত ধরনের উপাদানই সংমিশ্রিত রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই দাবির সত্যতা কতখানি? টুথপেস্ট নির্মাতারা জানাচ্ছেন, আদপে ফেসবুকের অজস্র ভুয়ো পোস্টের মতো এটিও একটি লোক-ঠকানো পোস্ট। টুথপেস্ট টিউবের এই রঙিন দাগগুলোর সঙ্গে টুথপেস্টের উপাদানের কোনও সম্পর্কই নেই। টুথপেস্ট কোন উপাদান দিয়ে তৈরি তা লেখা থাকে টিউবের গায়েই। কাজেই আলাদা করে কোনও সাংকেতিক চিহ্নের সাহায্যে তা জানানোর দরকার পড়ে না। আসলে কারখানায় টুথপেস্ট টিউব তৈরির সময়ে এই দাগগুলি ব্যবহার করা হয় টিউবের সংখ্যা গণনা ও তার প্যাকেজিং-এর সুবিধার্থে। এই দাগগুলিকে বলা হয় আই মার্ক, বা কালার মার্ক, বা প্রিন্টেড মার্ক। কারখানায় স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যখন টুথপেস্ট টিউব তৈরি করে ও তাকে বাক্স বন্দি করে তখন যন্ত্রের লাইট বিম টিউবের গায়ে লাগানো এই আই মার্কের মাধ্যমেই বুঝতে পারে কতগুলি টিউব নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, কিংবা কখন যন্ত্র চালু হবে এবং কখন বন্ধ হবে। কাজেই এই দাগ যান্ত্রিক কাজের সুবিধার্থে তৈরি করা একটি সাংকেতিক ভাষামাত্র। এর সঙ্গে টুথপেস্টের উপাদানের কোনও সম্পর্কই নেই।

আল্লাহর রঙে রঙিন হওয়ার আহ্বান


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ইয়াহুদি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায় সব সময় ইসলাম ও মুসলমানদের ব্যাপারে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকতো। সে প্রেক্ষিতে আল্লাহ তাআলা মুসলমানদেরকে তাদের ঈমানের বিদ্বেষ পোষণকারী চক্রান্তকারীদের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইয়াহুদি ও নাসারাগণ প্রতিনিয়ত এ অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে যে, তোমাদেরকে তাদের মতাদর্শের রঙে রঞ্জিত করে দিবে। মুসলমানদের সতর্ক করতে আল্লাহ তাআলা বলেন- (হে নবি আপনি তাদের বলুন) আমরা আল্লাহরই বর্ণে রঞ্জিত; আল্লাহ অপেক্ষা কে শ্রেষ্ঠতম রঞ্জনকারী? এবং আমরা তারই ইবাদাতকারী (উপাসক)।’ (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৩৮) এ আয়াতে দুটি বিষয়ে প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে- ১. নাসারা তথা খ্রিস্টানরা বলতো আমাদের এক প্রকার রঙ আছে যা মুসলমানদের নেই। তাদের স্থিরকৃত রং ছিল হলুদ। তাদের নিয়ম ছিল, যখন কোনো শিশুর জন্ম হতো, অথবা কেউ যখন তাদের দ্বীনে দীক্ষিত তখন তাকে সে রঙে ডুব দেয়ানো হতো। তারপর তারা বলতো এবার সে খাঁটি খ্রিস্টান হয়ে গেল। আল্লাহ বলেন দিলেন, হে মুসলমানগণ! তোমরা বলে দাও, তাদের পানির রং ধুলে তা শেষ হয়ে যায়। ধোয়ার পর এর কোনো প্রভাব বাকি থাকে না। বরং প্রকৃত রং তো হলো আল্লাহর দ্বীন ও মিল্লাতের রং; আমরা আল্লাহর দ্বীনকে গ্রহণ করেছি। এ দ্বীন যে গ্রহণ করে সে সর্ব প্রকার মলিনতা থেকে পবিত্র হয়ে যায়। ২. দ্বীনকে রং বলে এ দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, রং যেরূপ চোখে অনুভব করা যায়; অনুরূপ মুমিনের ঈমানেরও আলামত রয়েছে, যা তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ এবং সকল কাজ-কর্মে ফুটে উঠা উচিত। পরিশেষে… আল্লাহ তাআলা যে রং দ্বারা সমগ্র পৃথিবীকে রাঙিয়ে তুলতে চান, তা হলো- মানবমণ্ডলীর কাছে তিনি যে আসমানি গ্রন্থসহ শেষ রাসুল প্রেরণ করেছেন, তাঁর মাধ্যমে কুরআনের মতাদর্শ দ্বারা সারা পৃথিবী জুড়ে একটি ঐক্যবদ্ধ মানবতাবোধ গড়ে তোলা। যেখানে থাকবে না কোনো হিংষা-বিদ্বেষ, গোত্র প্রীতি ও স্বজন প্রীতি, থাকবে না কোনো বর্ণ প্রীতি; সমাজের সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায় ও ইনসাফ। সবার মাঝে বিরাজ করবে এক আল্লাহর গুণগান। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইসলামের রঙে রঙিন হওয়ার তাওফিক দান করুন। সকল প্রকার অন্যায়, জুলুম ও অত্যাচারসহ ভ্রান্ত মতবাদ ও আক্বিদা বিশ্বাস থেকে হিফাজত করুন। আমিন।

বেশি খেলেও আর বাড়বে না মেদ

বেশি খেলেও আর বাড়বে না মেদ

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পেটের মেদ সবার জন্যই একটি অস্বস্তিকর বিষয়। কিন্তু কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকের ক্ষেত্রেই ব্যায়াম করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো খাদ্য তালিকায় রাখলে পেটের মেদ কমতে কিছুটা হলেও সহায়তা করবে।

কাঠবাদাম:
কাঠবাদামে প্রচুর প্রোটিন ও ফাইবার আছে। অল্প কিছু কাঠবাদাম অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা রাখতে পারে। ফলে ক্ষুধাও কম লাগে। প্রতিদিন বেলা ১১টা অথবা বিকাল ৪-৫ টায় ৬-৭ টা কাঠবাদাম খেয়ে নিন।

আখরোট:
গবেষণায় দেখা গেছে, আখরোট ওজন কমানোর সাথে সাথে শরীরে মেদ জমতেও দেয় না।
 
আপেল:
আপেলে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এটি আমাদের পেটে সহজে মেদ জমতে দেয় না। আপেল আমাদের মেটাবলিজম ত্বরান্বিত করে, প্রচুর মিনারেল আর ভিটামিন যোগায়।
 
কমলা:
কমলাতে আছে প্রচুর ভিটামিন সি। ওজন কমানর জন্য তাই যখনই আপনার মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছা করবে, একটা কমলা খেয়ে নিন।
 
পেয়ারা:
আপেলের মত পেয়ারাতেও আছে হাই ফাইবার। তাই পেয়ারার মৌসুমে পেয়ারা খেলেও আপনি অযথা পেটের মেদ বেড়ে যাওয়া অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
 
আমলকী:
রোগব্যাধি, অতিরিক্ত ওজন দূরে রাখতে আর প্রতিদিনের দরকারি ভিটামিন সি পাওয়ার জন্য দুইটি আমলকী যথেষ্ট।
 
তিসি:
তিসি আর তিসির তেলে আছে প্রচুর ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা কিনা মাছের তেলের চাইতে কয়েক গুণ বেশি! প্রচুর ওমেগা ৩ থাকার কারণে দেহের মেটাবলিজমের হার বাড়াতে তিসির কোন জুরি নেই। প্রতিদিন ১ চা চামচ তিসির তেল খেলে আপনি আপনার দেহে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখতে পারবেন।
 
গ্রিন টি:
প্রতিদিন অন্তত তিন কাপ গ্রিন টি শরীর থেকে সর্বোচ্চ ৭০ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলতে পারবে।

ওটমিল:
ওটমিল আমাদের পেট অনেকক্ষণ ভরা রাখতে পারে। তাই অল্প একটু খেলে অনেকক্ষণ আর কিছু খেতে ইচ্ছা করে না। হজমে সহায়তা করে আর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এতে খুব দ্রুত পেটের মেদ কমতে শুরু করে।

টক দই:
পেটের মেদ কমাতে টক দইয়ের ভূমিকা অনেক। ভালো ফল পেতে প্রতিদিন অন্তত একবাটি দই খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩