ফলোআপ: কানাইঘাটে ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষ ! পিতা-পুত্রের হাতের আঙ্গুল কর্তন

Kanaighat News on Wednesday, December 7, 2016 | 9:12 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির বাউরভাগ ২য় খন্ড গ্রামে ক্ষেতের জমির ধান কাটাকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৬জনের মধ্যে দুই জনের হাতের আঙ্গুল কেটে ফেলা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। কানাইঘাট থানায় উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেছেন। জানা যায়, একখন্ড ফসলী জমির মালিকানা নিয়ে বাউরভাগ ২য় খন্ড গ্রামের লনি গোপাল শুক বৈদ্য ও সুদির শুক বৈদ্যের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আদালতের রায়ে দলিল ও রেকর্ড সূত্রে লনি গোপাল বৈদ্য বিরোধ পূর্ণ ৩৩ শতক ফসলি জমির ভোগ দখল থেকে প্রতি বছর ধান ক্ষেত করে আসছিলেন। সম্প্রতি সুধীর শুক বৈদ্য লনি গোপালের লাগানো ক্ষেতের পাকা ধান কাটার পায়তারা করলে তিনি বাদী হয়ে গত সোমবার থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ এ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অপরদিকে উক্ত ভূমি খন্ডটি মালিকানা দাবী করে সুধির শুক বৈদ্য লনি গোপালের লাগানো ক্ষেতের ধান গত মঙ্গলবার সকাল অনুমান সাড়ে ৮টার দিকে কেটে নেওয়ার সময় লনি গোপাল বৈদ্যের পরিবারের লোকজন এতে বাঁধা প্রদান করেন। এসময় প্রতিপ সুদীর বৈদ্যের লোকজন দেশীয় ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে লনি গোপাল বৈদ্যের উপর হামলা করলে হামলায় লনি গোপাল বৈদ্য (৫২) ও তার পুত্র দিলীপ শুক বৈদ্য (৩০) গুরুতর রক্তাক্ত আহত হন। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের জখম রয়েছে। আশংকজনক অবস্থায় এ দুজনকে সিওমেক হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লনি গোপালের ডান হাতের একটি আঙ্গুল ও তার ছেলে দিলীপ শুক বৈদ্যের বাম হাতের দু’টি আঙ্গুল কেটে ফেলেন। আহত হন লনি শুক বৈদ্যের ভাই ছানা শুক বৈদ্য (৫২) ও প্রতিপরে মাখন বৈদ্য (৫০) ও তার ভাই আশু বৈদ্য (৪০), সুধীর বৈদ্য। আহতদের মধ্যে গোপাল বৈদ্য, দিলিপ বৈদ্য, মাখন বৈদ্য ও আশু বৈদ্য বর্তমানে সিওমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ধান কাটা নিয়ে উভয় পক্ষ থানায় পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন।

কানাইঘাটে জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সপ্তাহ পালন


নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সপ্তাহ-১৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে কানাইঘাটে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর উদ্যোগে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিস থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালী পরবর্তী উপজেলা মিলনায়তন হলে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ডিজিএম নজরুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার তপন কুমার দাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া। বক্তব্য রাখেন, এলাকা পরিচালক প্রভাষক বীনা রানী সরকার, এজিএম অশোক নেয়াজ, কানাইঘাট কমিউনিটি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুন নুর, সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, সাংবাদিক সুজন চন্দ অনুপ, ছাত্রনেতা ইয়াহইয়া ডালিম সহ জোনাল অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। প্রধান অতিথি তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে হলে সবাইকে সচেতন হবে। অযথা বিদ্যুৎ অপচয় না করে, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য সর্বসাধারনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।

৪০ আরোহী নিয়ে পাকিস্তানে বিমান বিধ্বস্ত

৪০ আরোহী নিয়ে পাকিস্তানে বিমান বিধ্বস্ত

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ইসলামাবাদে যাওয়ার পথে ৪০ জন আরোহী নিয়ে পাকিস্তনের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান পরিবহন সংস্থার পিআইএর একটি
বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটি দুপুরে উত্তরাঞ্চলীয় শহর চিত্রল থেকে ইসলামাবাদের দিকে যাচ্ছিল।

রেডিও পাকিস্তানের বরাত দিয়ে ডনের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার বিকালে ইসলামাবাদের অ্যাবটাবাদের কাছে ফ্লাইট পিকে-৬৬১ বিধ্বস্ত হয়।

তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় পুলিশ জানায়, ওই বিমানটির যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।

খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা লাইক শাহ বলেন, প্রদেশের হাভেলিয়ান শহরের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন।

ভারতে লিঙ্গ বৈষম্য নেই:‌ ক্যাটরিনা

ভারতে লিঙ্গ বৈষম্য নেই:‌ ক্যাটরিনা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা বা ইংল্যান্ডে যখন প্রশাসনিক পদের শীর্ষে বসেননি মহিলারা, তখন ভারতের ক্ষমতা শীর্ষে পৌঁছে গেছেন মহিলারা, একটি আলোচনা সভায় বললেন ক্যাটরিনা কাইফ। মহিলাদের সামাজিক অবস্থান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ক্যাটরিনা বললেন, ভারতে এখনও মহিলারা সুরক্ষিত। সারা পৃথিবীতেই এখনও সমাজ পুরুষ প্রধান। সেখানে মহিলাদের স্বাধীনতার বিষয়টি একটুও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। একমাত্র ভারতেই অনেকাংশ বিষয়টি আলাদা। এখানে অনেকদিন আগেই মহিলারা ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছে গেছেন। আমেরিকা বা ইল্যান্ডেরও আগে।

একথা ঠিক এখনও পারিবারিক হিংসায় নানা সময়ে আক্রান্ত হন মহিলারা। অত্যাচার চলে তাঁদের উপর। কিন্তু অত্যাচার সহ্য করে চুপ করে থাকা বদলে অনেকেই এখন উত্তর দিতে শিখেছেন। অনেকেই এখন পুলিসের কাছে অভিযোগও জানান অনেকে। কিন্তু কয়েকজন সামাজিক নিয়মের ভয়ে চুপ করে থাকেন। এখন বোধহয় সময় এসেছে বাইরে বেরিয়ে অভিযোগ জানানোর।

সূত্র- আজকাল

যে গাছের স্পর্শ আত্মহত্যায় বাধ্য করবে!

যে গাছের স্পর্শ আত্মহত্যায় বাধ্য করবে!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: অবাক হলেও সত্য ড্রেনড্রকনাইট মরডেইস নামে গুল্ম প্রজাতির গাছটির পাতা কিংবা কাণ্ডের স্পর্শ আপনাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করবে।

উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা বলেছেন, ড্রেনড্রকনাইট মরডেইস নামে গুল্ম প্রজাতির গাছটির পাতা বা কাণ্ডের স্পর্শ শরীরে ভয়ংকর যন্ত্রণা সৃষ্টি করে। গাছের হুল শরীরে বিঁধলে যে ব্যথা শুরু হয়, তা দুই বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ব্যথায় কোনো কাজ তো দূরের কথা ঘুমানোও অসহনীয় হয়ে ওঠে। যা মানুষ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। তাই এ গাছটি ‘আত্মহত্যার গাছ’ বলে পরিচিত। ইংরেজিতে যা সুইসাইড ট্রি।

উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গাছটি অস্ট্রেলিয়ায় বেশি হয়। এটি গেম্পি গেম্পি এবং মুনলাইটার নামেও পরিচিত। গাছটির পাতা ও কাণ্ড একধরনের কাঁটায় আচ্ছাদিত। ওই কাঁটা শরীরে উচ্চ নিউরোটক্সিন নির্গত করে, যা এক দুঃসহ যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে তা মানসিক চাপ হয়ে আত্মহত্যায় রূপ নেয়।

রিয়ালের সাবেক কোচ রিয়ালের মুখোমুখি হতে আগ্রহী নন

রিয়ালের সাবেক কোচ রিয়ালের মুখোমুখি হতে আগ্রহী নন
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলর লড়াইয়ে সাবেক ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হবার আগ্রহ খবই কম বায়ার্ন মিউনিখের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তির।

মঙ্গলবার অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয়লাভ করেছে বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নরা। তারপরও ‘ডি’ গ্রুপ থেকে দিয়েগো সিমিওনের দলকে টপকাতে পারেনি জার্মান ক্লাবটি। যে কারণে কাগজে কলমে শক্তিশালী কোন একটি দলকেই নক আউট পর্বে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে যাচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখ।

এই মুহুর্তে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদকে পাবার সম্ভাবনাই বেশি। যাদেরকে ২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা এনে দিয়েছিলেন আনচেলত্তি। তবে সেটি নির্ভর করছে ‘এফ’ গ্রুপে রিয়ালের শির্ষস্থান পাবার ওপর।

তবে যাই হোক এই মুহূর্তে আনচেলত্তির সান্তিয়াগো বার্নাব্যু সফরের ইচ্ছা খুবই কম। তিনি বিইন স্পোর্টসকে বলেন, ‘আমি যে এখনই রিয়ালের মোকাবেলা করতে চাইনা সেটি সত্যি। তবে এ জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। কারণ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মোকাবেলা করবে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে তিনি বলেন, গ্রুপ সেরা হোক কিংবা ২য় স্থান নিয়ইে হোক এই পর্বে উঠে আসা দলগুলোর অধিকাংশই বেশ শক্তিশালী। তাই সেখানে কঠিন লড়াই করতে হবে।’

আজ নোয়াখালী মুক্ত দিবস

আজ নোয়াখালী মুক্ত দিবস
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আজ ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক-হানাদার মুক্ত হয় নোয়াখালী জেলা। মুক্তিসেনারা এইদিন জেলা শহরের পিটিআইতে হানাদার ও রাজাকারদের প্রধান ঘাঁটির পতন ঘটিয়ে নোয়াখালীর মাটিতে উড়িয়েছিলেন বিজয়ের পতাকা।

২৫ মার্চের পর মুক্তিযোদ্ধারা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে নোয়াখালীকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। এরপর বহুকষ্টে পাকিস্তানী সেনারা ২৩ এপ্রিল নোয়াখালী দখল করে নেয়। দখলদার বাহিনী জেলা শহরের শ্রীপুর, সদরের রামহরিতালুক, গুপ্তাংক, বেগমগঞ্জের কুরিপাড়া, গোপালপুর ও আমিশ্যাপাড়ায় নির্বিচারে হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। এ সময় হায়নাদাররা হত্যা করে অসংখ্য নারী-পুরুষ ও শিশুকে। গান পাউডার দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এরপর দেশের অভ্যন্তরে ও ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আবার অস্ত্র হাতে মাঠে নামে মুক্তিযোদ্ধারা। কোম্পনীগঞ্জের বামনী, তালমাহমুদের হাট, ১২ নং স্লুইস গেইট, সদরের ওদারহাট, করমবক্স, বেগমগঞ্জের ফেনাকাটা পুল, রাজগঞ্জ, বগাদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা।

নোয়াখালীকে হানাদার মুক্ত করার লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রস্তুতি যখন প্রায় চুড়ান্ত, ঠিক তখনই ৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে মাইজদী পিটিআই ও বেগমগঞ্জ টেকনিক্যাল হাইস্কুল ক্যাম্প ছেড়ে কুমিল্লা সেনানিবাসের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যেতে থাকে পাকিস্তানী মিলিটারি ও মিলিশিয়ারা। এ সময় বেগমগঞ্জ-লাকসাম সড়কের বগাদিয়া ব্রিজ অতিক্রম করতেই সুবেদার লুৎফুর রহমান ও শামসুল হকের নেতৃত্বাধীন মুক্তি বাহিনীর হামলায় অসংখ্য পাক মিলিটারি ও মিলিশিয়া নিহত হয়।

মুক্ত দিবসের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাম্মেল হক মিলন, মুক্তিযোদ্ধা এবিএম ফজলুল হক বাদল ও মুক্তিযোদ্ধা এনাম আহসান জানান, ৭ ডিসেম্বর ভোররাত থেকে মুক্তিযোদ্ধারা নোয়াখালীকে শত্রুমুক্ত করার চুড়ান্ত অপারেশন শুরু করেন। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধারা একযোগে চতুর্দিক থেকে আক্রমন চালিয়ে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তার টেকনিক্যাল হাইস্কুলের রাজাকার ক্যাম্প মুক্ত করে।

একইদিন জেলা শহরের মাইজদি কোর্ট ষ্টেশন, জিলা স্কুল, দত্তেরহাট নাহার মঞ্জিল মুক্ত করে অকুতভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা। এদিন সকাল ৯টার দিকে পাক আর্মি ও রাজাকারদের প্রধান ঘাঁটি মাইজদি পিটিআই চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলেন মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান টের পেয়ে পিটিআই ক্যাম্পের ভেতরে অবস্থানরত রাজাকাররা এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে পার্শ্ববর্তী সরকারি আবাসিক এলাকার এক ব্যক্তি মারা যান। পাল্টা গুলি চালায় মুক্তিযোদ্ধারাও। গুলির শব্দে কেঁপে উঠে পুরো শহর।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে অন্ধকার নেমে আসার সাথে সাথে ক্যাম্প ছেড়ে পালাতে থাকে রাজাকাররা। বিপরীত দিক থেকে গুলি বন্ধ হলে মুক্তিযোদ্ধারা ক্যাম্পের ভেতরে গিয়ে দেখতে পান সেখানে বহু রাজাকারের লাশ পড়ে আছে। আরো কয়েকজন রাজাকার ধরা পড়ে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে। এভাবে ৭ ডিসেম্বর মুক্ত হয় নোয়াখালী জেলা।

তবে স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের গনকবর আজও সংরক্ষিত হয়নি । বিশেষ করে মাইজদি পিটিআই হানাদারদের ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতাকামীদের হত্যার পর জেনারেল হাসপাতালের পেছনে গর্ত করে পুঁতে রাখা হত। তাদের কবরগুলি আজও সংরক্ষিত হয়নি।

এদিকে আজ নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে দিনটি পালন করবে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। এ উপলক্ষে মাইজদি পিটিআই সংলগ্ন বিজয় মঞ্চে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধের গান ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত হবে।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩