Previous
Next

সর্বশেষ


Tuesday, December 11

কানাইঘাটে সেলিম উদ্দিনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন

কানাইঘাটে সেলিম উদ্দিনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন এমপির কানাইঘাট উপজেলা প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কানাইঘাট মধ্যবাজারে এ কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। কার্যালয় উদ্ধোধন শেষে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক জাপার সাবেক উপজেলা সভাপতি সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে এবং
উপজেলা যুব সংহতির আহবায়ক আলমাছ উদ্দিনের পরিচালনায় কার্যালয় উদ্বোধন পরবর্তী আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাব্বির আহমদ, কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন, সিলেট জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি বাহার খন্দকার, আব্দুশ সহিদ লস্কর বশির, যগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সিলেট মহানগর যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, সহিদুর রহমান তাহের, কানাইঘাট উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক সার্জেন্ট আলা উদ্দিন মামুন,এডভোকেট আব্দুর রহিম, আব্দুল মালিক মাষ্টার সহ জাপা সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কানাইঘাট নিউজ ডটকম/১১ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং
কানাইঘাটে বায়মপুরীর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণায় নামলেন সেলিম

কানাইঘাটে বায়মপুরীর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণায় নামলেন সেলিম

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
বৃহত্তর সিলেটের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী (রহঃ) এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন এমপি। মাজার জিয়ারত শেষে এমপি সেলিম উদ্দিন কানাইঘাট বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে লাঙ্গল মার্কার পক্ষে প্রচারণা চালান। এ সময় তার সাথে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আল্লামা মুহাম্মদ ইদ্রিছ বিন লক্ষীপুরী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাব্বির আহমদ, কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন, সিলেট জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি বাহার খন্দকার, আব্দুশ সহিদ লস্কর বশির, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সিলেট মহানগর যুব সংহতির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, সহিদুর রহমান তাহের, কানাইঘাট উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক সার্জেন্ট আলা উদ্দিন মামুন, সিরাজুল হক, এডভোকেট আব্দুর রহিম, আব্দুল মালিক মাষ্টারসহ জাপা ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কানাইঘাটে সাংবাদিকদের সাথে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী উবায়দুল্লাহ ফারুকের মতবিনিময়

কানাইঘাটে সাংবাদিকদের সাথে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী উবায়দুল্লাহ ফারুকের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে ২৩দলীয় জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেছেন, দেশপ্রেমিক ও ইসলাম প্রিয় জনতা আগামী ৩০ ডিসেম্বর তাদের মুল্যবান ভোট প্রদান করে সিলেট-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করবে। জনতার গণজোয়ার কেউ ঠেকাতে পারবে না। ধানের শীষের পক্ষে আলেম-উলামা সহ সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ দাবী করে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন, কানাইঘাট-জকিগঞ্জে বিএনপি,জামায়াত,খেলাফত মজলিস, সহ ধর্মীয় মুল্যবোধে বিশ^াসী সকল দল ও ২৩দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। বিজয় ইনশাআল্লাহ্ আমাদের সু-নিশ্চিত। ২৩ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক মঙ্গলবার দিনব্যাপী কানাইঘাটে ধানের শীষের সমর্থনে সভা-সমাবেশ শেষে বিকেল ৪টায় কানাইঘাট প্রেসকাব কার্যালয়ে স্থানীয় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় বলেন, সিলেট-৫ আসনে ২৩ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হওয়ার জন্য দলগত ভাবে বিএনপি, জামায়াত, ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থীরা জোটের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে আসছিলেন। কিন্তু আল্লাহর মেহেরবাণীতে জোটের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ আসনে আমাকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে ২৩ দলীয় জোটের প্রার্থী নির্বাচিত করেছেন। এখন থেকে জোটের নেতাকর্মীরা পারস্পরিক ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করার জন্য মাঠে-ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। তিনি নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, এ জনপদের মাটিতে আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী (র:) সহ অসংখ্য আলেম উলামা পীর মাশায়েখের জন্ম হয়েছে, তাদের সম্মান আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, তাঁর দাদা মাওলানা ইব্রাহিম আলী কানাইঘাট গাছবাড়ী জামিউল উলুম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং তাঁর পিতা মাওলানা শফিকুল হক কানাইঘাট আকুনী ক্বওমী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি ১৯৭৭ইং থেকে ঢাকার বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে আসছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বারিধারা জামেয়া মোহাম্মদিয়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। কানাইঘাট-জকিগঞ্জের মানুষের সাথে তার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। বিজয়ী হলে দলমতের উর্দ্ধে উঠে দূর্নীতি মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও নির্বাচনী এলাকার কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড তরান্বিত ও ধর্মীয় আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলা, বেকারত্ব দুরীকরণে ও শিক্ষার মান উন্নয়নে এলাকায় নতুন স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা এবং বিভিন্ন বৃত্তি মুলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন। সিলেট-৫ আসনের ভোটাররা যাতে করে শান্তিপূর্ণ উৎসব মূখর পরিবেশে ভয়ভীতির উর্দ্ধে উঠে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এ জন্য নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের দাবী জানান। মতবিনিময় সভায় জকিগঞ্জ-কানাইঘাট উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃ বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কানাইঘাট নিউজ ডটকম/১১ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং
নকল চার্জার চেনার সহজ উপায়

নকল চার্জার চেনার সহজ উপায়

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:

আজকাল বাজারে আসল চার্জারের বদলে বিক্রি করা হচ্ছে নকল চার্জার। যেগুলো ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হতে পারে আপনার মোবাইলটির। তাই আসল চার্জার কেনার কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। কীভাবে চিনবেন নকল চার্জার তা নিচে দেওয়া হলো।

স্যামসাং: স্যামসাংয়ের আসল ও নকল চার্জারের পার্থক্য খুঁজে বের করা বেশ কঠিন। চার্জারের ওপর প্রিন্ট করা লেখা দেখে বুঝতে হবে। যদি চার্জারের ওপর ‘অ+’ ও ‘মেড ইন চায়না’ লেখা থাকে, তবে সেটি নকল হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

অ্যাপল চার্জার: বাজারে অ্যাপলের নকল চার্জার ভর্তি। খুব সহজে এই নকল চার্জারগুলোকে আসল চার্জারের থেকে আলাদা করা যায় না। নকল অ্যাপল চার্জারের অ্যাপেল লোগো একটি বেশি কালো দেখায়।

শাওমি চার্জার: সাধারণত চার্জারের তারের দৈর্ঘ্য মেপে নকল চার্জার চেনা সম্ভব। আপনার বাড়িতে ইতিমধ্যেই একই আসল চার্জার থাকলে সেই চার্জারের আয়তন ও তারের দৈর্ঘ্যরে সঙ্গে নতুন চার্জারের আয়তন ও তারের দৈর্ঘ্য মিলিয়ে দেখুন। আলাদা হলে নতুন চার্জার নকল হওয়ার সভাবনা বেশি।

ওয়ানপ্লাস চার্জার: খুব সহজেই ওয়ানপ্লাস নকল চার্জার কেনা সম্ভব। যদি চার্জিং এর সময় চার্জারের আলো ব্লিঙ্ক না করে তবে তা নকল চার্জার। আসল চার্জারে ফোন চার্জিং এর সময় এই আলো ব্লিঙ্ক করে।

হুয়াওয়ে চার্জার: চার্জারের উপরের বারকোড মিলিয়ে হুয়াওয়ে চার্জার নকল কি-না তা জানা যায়। এই বারকোড না মিললে তা অবশ্যই নকল চার্জার।

গুগল পিক্সেল চার্জার: পিক্সেল স্মার্টফোনের সঙ্গে ফাস্ট চার্জার দেয় গুগল। নতুন চার্জারে ফোন চার্জ হতে আগের থেকে বেশি সময় লাগলে বুঝতে পারবেন গুগল পিক্সেল ফোনের জন্য কেনা নতুন চার্জারটি নকল।
যেভাবে দূর করবেন খাবারের ফরমালিন

যেভাবে দূর করবেন খাবারের ফরমালিন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশে ফরমালিন ছাড়া খাবার জাতীয় কোনো কিছু বাজারে পাওয়া খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ফরমালিনযুক্ত খাবার খেয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন যদিও সুষম খাদ্য খাওয়া উচিত। তবে ভয়ঙ্ককর ব্যাপার হচ্ছে, মাছ, ফল ও সবজি সুস্বাস্থ্যের পরিবর্তে উল্টো আমাদের স্বাস্থ্যহানি করে। কারণ ফরমালিনযুক্ত খাবার বাজারে সয়লাব।
এছাড়া বাজারের বেশিরভাগ ফল ও শাক-সবজি রাসায়নিকে ভরপুর। আমরা অনিচ্ছা সত্ত্বেও প্রতিদিন বিষ খেয়ে চলেছি। যা থেকে হতে পারে বিভিন্ন রোগ।
জেনে নিন কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মাছ, ফল ও সবজি থেকে  ফরমালিন দূর করতে পারবেন।
ফল ও সবজি:
* যে কোনও ফল বা সবজি খাওয়ার আগে ১০ মিনিট লবণ মেশানো গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখুন।

* যেসব ফল ও সবজির খোসা ফেলে দেওয়া যায়, সেগুলোর খোসা ফেলে দিন। যেমন: পেঁয়াজ, আলু, অ্যাভাকাডো, আপেল, আদা, আম, গাজর, মূলা ইত্যাদি। প্রথমত এসব ফল ও সবজি ধুয়ে নিন, তারপর খোসা ফেলে দিন। খোসা ছাড়ানোর পর আবারো ধুয়ে নিন।

* পানি দিয়ে ফল ও সবজি ধুয়ে ফেলুন, এরপর একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ফল ও সবজি ভালো করে মুছে ফেলুন। তারপর খান।

মাছ:
* রান্নার আগে ১ ঘণ্টা লবণ মেশানো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মাছ। এতে ফরমালিনের পরিমাণ ৯০ শতাংশ কমে যায়। এছাড়া প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ধুয়ে তারপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও মাছে থাকা ফরমালিনের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়।

* মাছ রান্না করার আগে এক হাঁড়ি পানিতে ৫ চা চামচ ভিনিগার মিশিয়ে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। দূর হবে ফরমালিন।

* শুঁটকি মাছ ফরমালিনমুক্ত করতে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। এরপর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে আরও এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তারপরই রান্না করুন।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
সব দেশকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশের তালিকায় সবার আগে জায়গা করে নিয়েছে পশ্চিম ইউরোপের একটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশ ‘মোনাকো’। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এই দেশটির মাথাপিছু আয় প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ডলার। মোনাকো কখনো তাদের অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ করে না। তবে ধারণা করা হয় যে, তাদের বাৎসরিক জিডিপি আয় প্রায় ৫.৭৪৮ বিলিয়ন ডলার। আয়ের প্রধান উৎস পর্যটন, প্রাইভেট ও সরকারি ব্যাংকিং খাত (ফরেন কোম্পানি রিজার্ভ)। মোনাকোতে বিশ্বের অনেক নামিদামি আন্তর্জাতিক ব্যাংক রয়েছে, যারা তাদের গ্রাহকদের গোপনীয়তা রক্ষা করে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে প্রতি বছর প্রায় ১.৫ মিলিয়ন পর্যটক আসে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জুয়ার আসর বসে মন্টে কার্লোতে। এটিই জুয়াড়িদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। মোনাকো সরকার ১৯২৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে মোনাকো গ্রান্ড প্রিক্স (কার রেইস প্রতিযোগিতা) আয়োজন করে থাকে। এটি প্রতি বছরই মে মাসে আয়োজন করা হয়। মোনাকো কখনো তাদের আধিবাসীদের উপর ট্যাক্স আরোপ করে না। তবে ২০১৬ সালে মোনাকো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে ট্যাক্স ট্রান্সপারেন্সি চুক্তি করেছে, যা ২০১৮ সাল নাগাদ কার্যকরী হতে পারে। মোনাকো একটি দেশ যেখানে কোনো কৃষি বা গ্রাম নেই। দেশটির পুরোটাই শহর। দেশটির ভৌগলিক অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়, মোনাকো ১৯৯৩ সালের ২৮মে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। এটি রিপাবলিক অব জেনোয়া থেকে ১২৯৭ সালে ৮ জানুয়ারি স্বাধীনতা লাভ করে। সাংবিধানিক নাম প্রিন্সিপালিটি অব মোনাকো। দাফতরিক ভাষা ফ্রেঞ্চ। দাফতরিক ভাষা ফ্রেঞ্চ হলেও তারা বিভিন্ন ধরনের ভাষা ব্যবহার করেন। স্থানীয়দের মোনগাস্ক ও মোনাকান নামে ডাকা হয়। পতাকা হুবহু ইন্দোনেশিয়ার মতো, তবে আয়তনে ভিন্নতা আছে। আয়তন প্রায় ২.০২০ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ৩৭ হাজার ৩০৮ এর মতো। তিন দিকে ফ্রান্স আর অন্যদিকে ভূমধ্যসাগর। ইতালির খুব কাছাকাছি। মুদ্রা ইউরো। গড় আয়ু ৮৯ বছরের বেশি। মোনাকোতে ১২৫ দেশের মানুষ বসবাস করে। রাজধানী মন্টে কার্লো ক্যাসিনোর জন্য বিখ্যাত।
ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
সীমান্ত ঘেঁষা সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টসহ ৮ জন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। সোমবার দুপুরে সিলেট জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রতীক বরাদ্দ রিটার্নিং কর্মকর্তা এম কাজী এমদাদুল ইসলাম। নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন সাবেক এমপি ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান হাফিজ আহমদ মজুমদার, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বর্তমান এমপি ও বিরোধী দলীয় হুইপ সেলিম উদ্দিন, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জমিয়ত নেতা মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা ফয়জুল মুনির চেীধুরী (সিংহ), ইসলামী ঐক্যজোট এম এ মতিন চৌধুরী (মিনার), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. শহিদ আহমদ চৌধুরী (হারিকেন), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো. নুরুল আমিন (হাত পাখা), গণ ফোরাম’র মো. বাহার উদ্দিন আল রাজী (উদীয়মান সূর্য) প্রতীক পেয়েছেন। প্রতীক পেয়েই প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। গানে-গীতে সমর্থকরা প্রার্থীদের গুনগান গেয়ে বেড়াচ্ছেন ভোটারের দ্বারে দ্বারে। ভোটের আমেজ শুরু হয়েছে সীমান্তের গ্রাম-গঞ্জে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাপার প্রার্থী নৌকা ও লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচনে লড়ছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগে রয়েছেন সিংহ প্রতীকে বিদ্রোহী প্রার্থী ফয়জুল মুনির চৌধুরী। বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টে একক প্রার্থী। ভোটারদের ধারণা লড়াই হবে ত্রিমুখী। নৌকা, লাঙ্গল, ধানের শীষের মধ্যেই চূড়ান্ত লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মনে করেন, বিদ্রোহী প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলতে পারবেন না। জকিগঞ্জ-কানাইঘাট নৌকার ঘাঁটি। সাধারণ মানুষের কাছে নৌকার প্রার্থী হাফিজ আহমদ মজুমদারের ব্যপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। জকিগঞ্জ-কানাইঘাটসহ বৃহত্তর সিলেটে তাঁর প্রতিষ্ঠিত হাফিজ মজুমদার শিক্ষা ট্রাস্ট শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। বিগত সময়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে যে উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছেন এ জন্য সকল মহলেই তিনি প্রশংসিত। ব্যক্তি হাফিজ আহমদ মজুমদারকে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ ভালোবাসে। উন্নয়নের স্বার্থে সাধারণ ভোটার নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ। এদিকে এ আসনটি মহাজোটের বাইরে থাকায় লাঙ্গল প্রতীকে লড়ছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বর্তমান এমপি সেলিম উদ্দিন। বিগত নির্বাচনে সেলিম উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এ আসন থেকে নির্বাচিত হন। এবার তিনি মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু শেষ সময়ে আসনটি মহাজোট উন্মুক্ত ঘোষণা করায় এককভাবে ভোটে নেমেছেন। জাতীয় পার্টি নেতাকর্মীরা জানান, বিগত সময়ে এ আসন থেকে জাতীয় সংসদে সবচাইতে বেশী সময় প্রতিনিধিত্ব করেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা। গত ১০টি নির্বাচনে ৪ বার জাতীয় পার্টির প্রার্থী সংসদে গেছেন। জকিগঞ্জ-কানাইঘাট জাতীয় পার্টির দূর্গ। সেলিম উদ্দিন এমপি বিগত সময়ের চাইতে সকল এমপির চাইতে সিলেট-৫ আসনে বেশী উন্নয়ন করেছেন। তিনি জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীসহ সর্বস্থরের মানুষের ভোট পেয়ে আবারো নির্বাচিত হবেন। অপরদিকে, বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টে ধানের শীষ প্রতীকে একক প্রার্থী জমিয়ত নেতা মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। জমিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখে জামায়াতকে হাটিয়ে নিয়ে এসেছে ধানের শীষ। এবারের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের বড় চমক এটাই। দীর্ঘ ২৩ বছর পর এ আসনের বিএনপি নেতকর্মীরা ঐক্যফ্রন্ট নেতার হাতে ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে উজ্জীবত হয়ে উঠেছেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে সর্বশেষ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ৪ দলীয় জোট গঠনের কারণে আসনটিতে জামায়াত নেতা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী পাল্লা প্রতীকে বিএনপি জোটের প্রার্থী ছিলেন। এরমধ্যে ২০০১ সালের নির্বাচনে জামায়াত নেতা মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী নির্বাচিত হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে হাফিজ আহমদ মজুমদারের কাছে ৩১ হাজার ৬৩ ভোটে পরাজিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও এ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থীরা জোটের মনোনয়ন চেয়ে পাননি। ২৩ বছর পর এবার বিএনপি থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছিলেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন। কিন্তু, জামায়াত ও জমিয়ত তার পিছু ছাড়েনি। জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী ও জমিয়তের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের কাছে ধানের শীষ চেয়ে বসে। এতে কপাল পুড়ে বিএনপি নেতা মামুনুর রশিদ মামুনের। বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট জামায়াতের প্রার্থীকে আউট করে জমিয়তের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে। এরপরও সন্তুষ্ট বিএনপি নেতাকর্মীরা। তারা মনে করেন, জামায়াত থেকে জমিয়ত প্রার্থীকে নিয়ে ভোটের মাঠে সহজে কাবু করা সম্ভব। জামায়াতের হাতে ধানের শীষ তুলে দিলে প্রতীকটাও বির্তকিত হত। যুদ্ধপরাধীর আখ্যা দিয়ে মানুষ জামায়াতকে বর্জন করতো। জমিয়তের প্রার্থীকে দিয়ে বিজয় সম্ভব। জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের বেশী ভোটার ইসলামীক দলের সমর্থক। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে মাওলানা উবায়দুল হক উজিরপুরী মিনার প্রতীকে ইসলামী ঐক্যজোট থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে ক্বওমী ঘরনার বিশাল ভোট ব্যাংক থাকায় তিনি বিজয়ী হন। এবারের নির্বাচনেও জমিয়তের প্রার্থীকে দিয়ে ক্বওমীপন্থী ভোট ধানের শীষের পক্ষে আনা সম্ভব। জামায়াতের প্রার্থী থাকলে তা সম্ভব হত না।
নোটিশ :   কানাইঘাট নিউজ ডটকমে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক