কানাইঘাটে এসএসসি ও সমমনা পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে মতবিনিময়

Written By Shimanter Dak on Sunday, February 1, 2015 | 8:00 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিরোধী জোটের টানা অবরোধ কর্মসূচী এবং দেশব্যাপী ৭২ ঘন্টার হরতালের কারনে এসএসসি ও সমমনা পরীক্ষার সময় সূচী পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী বুধবার থেকে পুণরায় দেশব্যাপী এসএসসি ও সমমনা পরীক্ষা কানাইঘাটে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে কানাইঘাট থানা পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে রোববার বেলা ১টায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষা সম্পর্কে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, কেন্দ্র সচিব, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ছাড়াও জনপ্রতিনিধি আনসার ভিডিবি’র সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া তার বক্তব্যে বলেন, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর যেন বলী আপনার আমার সন্তান পরীক্ষার্থীরা না হন তার জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বুধবার থেকে পুণরায় অনুষ্ঠিতব্য এস.এস.সি ও সমমনা পরীক্ষা কানাইঘাটে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শিক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষা দিতে পারেন তার জন্য সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে অতিরিক্ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ও আনসার ভিডিবি সদস্যদের মোতায়েন করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। কেউ নাশকতামূলক কর্মকান্ড করলে তাৎক্ষণিক আইনের আওতায় তাকে আনা হবে। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ তাদের মতামত তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। পরীক্ষার্থীরা যাতে করে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে পারেন তার জন্য কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার, রাতদিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন, যানবাহনের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরন এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের রাস্তায় পুলিশি টহল জোরদারের পরামর্শ দেন তারা। সড়কের বাজার স্কুল, গাছবাড়ী মর্ডাণ একাডেমী, সুরতুন নেছা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় এবং কানাইঘাট মনসুরিয়া পরীক্ষা কেন্দ্রে আশপাশ এলাকা ঝুকিপূর্ণ উল্লেখ করে নিরাপত্তা জোরধারের দাবী জানান শিক্ষকবৃন্দ। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা আশ্বাস দেওয়া হয়। সভাপতির বক্তব্যে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরী বলেন, কানাইঘাটে এস.এস.সি ও সমমানের পরীক্ষার ৬টি কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সুযোগে কোন দুষ্কৃতিকারী চক্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নাশকতার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে চিন্থিত না হওয়ার জন্য তিনি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আশ্বস্থ করে আরো বলেন, ইতিমধ্যে কানাইঘাটে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সড়কের বাজার ও গাছবাড়ী বাজার, মনসুরিয়া মাদ্রাসা পয়েন্টে পুলিশের একাধিক টিম রাতদিন টহল দিচ্ছে। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সবকিছু করা হবে বলে তিনি জানান।

কানাইঘাটে বিএনপি ও যুবসমাজ থেকে দেড় শতাধিক নেতাকর্মীর আওয়ামীলীগে যোগদান


নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি ও যুবসমাজ থেকে আওয়ামীলীগের যোগদান উপলক্ষে কানাইঘাট বড়চতুল ইউপি আ’লীগের উদ্যোগে এক যোগদান অনুষ্ঠান গত শনিবার বিকেল ৫টায় চতুল ঈদগাহ বাজারে অনুষ্টিত হয়। ইউপি আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুহিবুল হকের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও ফয়সল উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় যোগদান অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক আহমদ, এড. আব্দুস সাত্তার, এড. মামুন রশিদ, ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, কাউন্সিলার ফখরুদ্দিন শামীম, আ’লীগের সদস্য মোঃ জাকারিয়া, এড. ইয়াহিয়া, শাহীন আহমদ, আব্দুর রশিদ, কয়সর আহমদ মেম্বার, মাহবুবুর রহমান, নুরুল আম্বিয়া, আফতাব উদ্দিন, জামিল আহমদ, যুবলীগ নেতা হাবিব উল্লাহ প্রমুখ। যোগদান অনুষ্ঠানে বড়চতুল ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে আ’লীগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যুবদল, ছাত্রদল এবং যুব সমাজের প্রায় ১৫০ শতাধিক নেতাকর্মী আ’লীগে যোগদান করেন। যোগদান কৃতদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আ’লীগ নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেই মুহুর্থে উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড বানচাল করার জন্য বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশে দেশে অরাজকতা তৈরি করার জন্য ২০ দলীয় জোট বোমা বাজির মাধ্যমে নিরীহ লোকজনকে হত্যা করছে। এসব কর্মকান্ড প্রতিহত করার জন্য দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

কানাইঘাটে যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ


জসিম উদ্দিন : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে বিদ্যুৎ, ক্যাবল টিভি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং চলমান অবরোধ ও হরতালের সমর্থনে কানাইঘাট গাছবাড়ী বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে যুবদল ও ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।যুবদল নেতা হারুন রশিদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রদল নেতা আশিকুর রাহমানের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৮নং ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামাল উদ্দিন।এতে আরো উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা বাহার উদ্দিন, জাকারিয়া আহমদ, বিলাল উদ্দিন,আলিম উদ্দিন,শাহিন আহমদ, ইলিয়াস আহমদ, কিবরিয়া আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য জসিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, মাছুম আহমদ, তুফায়েল আহমেদ, জিল্লুর রাহমান, ছাত্রদল নেতা জাকারিয়া আহমদ, ছালিম আসলাম,ইকবাল আহমদ রাজু, বিলাল আহমদ রুবেল, এখলাছ উদ্দিন,দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল কুদ্দুছ, রুবেল আহমদ, আব্দুস ছাত্তার প্রমুখ। মিছিল পরবর্তী এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,চলমান সংকট থেকে উত্তরনের একমাত্র পথ শেখ হাসিনার পদত্যাগ। আইন আদালতকে ব্যবহার করে অবৈধ সরকার আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বাধা দান করছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের বিদ্যুৎ, ক্যাবল টিভি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা আওয়ামী সরকার নগ্ন ভীতু চেহারার বহিঃপ্রকাশ। তারা হরতাল অবরোধ সফলে সকল রাজপথে বেরিয়ে আসায় ২০ দলের নেতা কর্মী সহ সবাইকে ধন্যবাদ জানান। কানাইঘাট উপজেলায় মিথ্যা মামলা ও হয়রানী বন্ধ না হলে ও নেতা কর্মীদের বাসা বাড়িতে পুলিশী তল্লাশী বন্ধ না হলে প্রশাসনকে আর কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

বাণিজ্যমেলা থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

Written By Shimanter Dak on Saturday, January 31, 2015 | 9:28 PM


ঢাকা: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাণিজ্যমেলা থেকে মাইনুদ্দিন রাসেল (২৬) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরের দিকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অনন্ত কুমার রায় জানান, মাইনুদ্দিন বাণিজ্য মেলার ২৩ নম্বর স্টলে কাজ করে। শুক্রবার দিবাগত রাতে কাজ শেষে খাওয়া-দাওয়া করে দোকানের আরও দুই কর্মচারীসহ সে ঘুমাতে যায়। শনিবার সকালে মাইনুদ্দিনের ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় বাকি দু’জনের সন্দেহ হয়। পরে আশপাশের লোকজনকে খবর দিয়ে তারা এসে মাইনুদ্দিনকে মৃত দেখতে পায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানান এসআই অনন্ত। মাঈনুদ্দিন রাসেল নোয়াখালীর কবিরহাটের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

শিরোপা জিতলেন সেরেনা উইলিয়ামস


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রুশ টেনিস তারকা মারিয়া শারাপোভাকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের নারী এককের শিরোপা জিতলেন মার্কিন শীর্ষ বাছাই সেরেনা উইলিয়ামস। শনিবার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত ফাইনালে রুশ তারকা শারাপোভার বিপক্ষে সেরেনার জয়টি এসেছে ৬-৩, ৭-৬ (৭/৫) গেমে। এই জয়ে কিংবদন্তি টেনিস তারকা মার্টিনা নাদ্রাতিলোভার ১৮ গ্র্যান্ডস্ল্যাম জয়ের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেলেন সেরেনা। টেনিসের গ্র্যান্ডস্ল্যাম আসরে তাঁর শিরোপা এখন ১৯টি। সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্ল্যাম জয়ের রেকর্ড গড়তে সেরেনার সামনে বাধা এখন কেবল স্টেফিগ্রাফ (২২ শিরোপা)। এটি সেরেনা উইলিয়ামসের ষষ্ঠ অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শিরোপা। গত এক সপ্তাহ ধরে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন সেরেনা উইলিয়ামস। যে কারণে শুক্রবার ভালভাবে অনুশীলনও করতে পারেননি তিনি। তবে শনিবার ফাইনালে শারাপোভার বিপক্ষে জয় পেতে মোটেও বেগ পেতে হয়নি বর্তমান বিশ্বের এই শীর্ষ প্রমীলা টেনিস সুপারস্টারকে। সেরেনা-শারাপোভা ফাইনালটা বৃষ্টি বিড়ম্বনায় পড়েছে শুরুতে; ম্যাচ শুরু হয়েছে নির্ধারিত সময়ে অনেকটা সময় পরে। লড়াই শুরুর পর শারাপোভার চ্যালেঞ্জ জয় করে প্রথম সেট সহজেই জিতেছেন সেরেনা। দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন শারাপোভা। যদিও তাতে করে সেরেনার শিরোপা জয়ে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেননি তিনি। এই জয়ের সুবাদে গ্র্যান্ডস্ল্যাম শিরোপার সংখ্যায় সাবেক টেনিস গ্রেট মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা ও ক্রিস এভার্টকে ছাড়িয়ে গেছেন সেরেনা উইলিয়ামস। আর ৩টি গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিততে পারলে জার্মানির সাবেক টেনিস তারকা স্টেফি গ্রাফের সঙ্গে সর্বকালের সেরা গ্র্যান্ডস্ল্যাম জয়ী টেনিস তারকার রেকর্ডটি ভাগাভাগি করতে পারবেন সেরেনা। অবশ্য চলতি বছরই সেই সুযোগ রয়েছে ৩৩ বছর বয়সী এই মার্কিন টেনিস তারকার সামনে। কেননা, বছরের আরও ৩টি গ্র্যান্ডস্ল্যাম আসর এখনো বাকি রয়েছে। আসরগুলো হচ্ছে- ফরাসি ওপেন, উইম্বলডন টেনিস এবং ইউএস ওপেন।

খুলনায় বিএনপির ভিন্ন কৌশল!


আলমগীর হান্নান: বিএনপির চলমান আন্দোলনে দলটির বড় পদবীধারী নেতারা গ্রেফতার হচ্ছেন না। ধরা পড়ছে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। মামলা হলেও শীর্ষ নেতারা থাকছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। ধরা না পড়লেও তারা রাজপথে সক্রিয় না থাকায় মহানগর বিএনপি’র তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। রাজপথে নিষ্ক্রিয়তার জন্য মহানগর শাখার শীর্ষ নেতাদের দায়ী করছেন তারা। অন্যদিকে, মামলা ও গ্রেফতার পরবর্তী সময়ে দলের পক্ষ থেকে আইনী সহায়তা না করায় রাজপথ থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন কেসিসি’র বিএনপিপন্থী কাউন্সিলররাও। এদিকে শীর্ষ নেতারা বলছেন, সরকারের দমন-পীড়নের কারণে কৌশল অবলম্বন করেই সামনে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট আহুত অবরোধের ২৬তম দিন ছিল শনিবার। এরমধ্যে সারা দেশব্যাপী এবং জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে হরতাল পালিত হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে খুলনার রাজপথে পদবীধারী অধিকাংশ নেতাকে দেখা যায়নি বলেও অভিযোগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। খানজাহান আলী থানার একাধিক কর্মীর অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে দলীয় কোনো কর্মসূচি পালিত হয় না দীর্ঘদিন। এমনকি সারাদেশে আরাফাত রহমান কোকোর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হলেও খানজাহান আলী থানা এলাকায় হয়নি। মহানগর শাখা আয়োজিত জানাজায়ও থানার শীর্ষ কোনো নেতা উপস্থিত ছিলেন না। খুলনা থানা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল জলিল খান কালাম ও সোনাডাঙ্গা থানার সভাপতি আনোয়ারুল কাদির খোকনের দীর্ঘদিন রাজনীতির সাথে কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও নেতা-কর্মীদের অভিযোগ। নগরীর ১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি বেলায়েত হোসেনকে চলমান আন্দোলনে দেখতে পান না কর্মীরা। প্রথম দু’একদিন সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শিকদার। কিছুদিন আগে তিনি চার মাসের জন্য তাবলীগে চলে গেছেন বলে নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন। এছাড়া, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবীর মাসুম, ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি সেলিম খান, ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি কাউন্সিলর শেখ শওকাত আলী, ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ১০নং ওয়ার্ড সভাপতি শেখ দাউদ আলী, ১১নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. আশরাফ হোসেন, ১৩ নম্বরের সভাপতি শাহীন তালুকদার, ১৪ নম্বরের সভাপতি বয়োবৃদ্ধ জহর মীর ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জামাল উদ্দিন, ১৭, ১৮, ২১ ও ২২নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, রাজুল হাসান রাজু, উত্তম কুমার ঘোষ ও আফজাল হোসেন পিয়াস, ২৫নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবু ও সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবাল লিটন, ২৮নং ওয়ার্ড সভাপতি শেখ মুহম্মদ আলীকেও চলমান আন্দোলনে রাজপথে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। আবার, ১৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ডিনো জেলহাজতে রয়েছেন, তবে সভাপতি আলমগীর হোসেন বাদশার নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ কর্মীরা। ১২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনি ক্ষমতাসীনদের সাথে সখ্যতা বজায় রেখে চলেন বলে অভিযোগ তারই অনুসারীদের। এজন্য আন্দোলন-সংগ্রামে তাকে দেখা যায় না। ২৮নং ওয়ার্ডের বিএনপি কর্মী মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, অহিংস কর্মসূচি আপোষহীনভাবে চালিয়ে নিতে চাই। কিন্তু নেতাদেরইতো রাজপথে দেখি না। ৩১নং ওয়ার্ডের সেলিম ওরফে বড় মিয়া বলেন, এসব পানসে কর্মসূচিতে কিচ্ছু হবে না। নেতাদের রাজপথে থাকতে হবে। এছাড়া নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মী বলেন, ৫ জানুয়ারির কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি নিয়ে সারাদেশে যখন টান-টান উত্তেজনা তখনও খুলনা ছিল সম্পূর্ণ নিরুত্তাপ। টানা অবরোধেও খুলনা শান্তিপূর্ণ। খুলনা বিএনপি’র কার্যক্রম হল- মিছিলগুলো পিটিআই মোড় থেকে শুরু হয়ে আহসান আহমেদ রোড, স্যার ইকবাল রোড হয়ে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। আর সমাবেশগুলো দলীয় কার্যালয়ের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ থাকে বলেও অভিযোগ তাদের। ফলে অঙ্গ-সংগঠনগুলির আন্দোলনেও চাঙ্গাভাব আসছেনা না বিএনপির। মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুজ্জামান আরিফ চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিন ভারতে রয়েছেন বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। ফলে সাধারণ সম্পাদক এসএম কামাল একাই চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলন। সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেল একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রদলের কতিপয় নেতা-কর্মী মিছিল-সমাবেশে আসলেও রাজপথ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্যাম্পাস নিরুত্তাপ। নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, মহানগর যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কার্যক্রম দলীয় কার্যালয় কেন্দ্রিক। আন্দোলনে শ্রমিক দলের ভূমিকা নেতা-কর্মীদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। মহানগর শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুর রহিম দুদু পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে ক্ষমতাসীনদের সাথে সখ্যতা বজায় রেখে চলেন। আর সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান নিজে দলীয় কার্যালয়ের সামনের সমাবেশে আসলেও সাংগঠনিক পরিসীমা বাড়াতে পারেননি বলেও অভিযোগ তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের। মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম-সম্পাদক ও ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ ও আমজাদ হোসেন এবং নগর কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবুসহ ১৭১ সদস্যের মহানগর কমিটির অর্ধশতাধিক নেতার পদধুলি রাজপথে পড়ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের। আবার, বিএনপির সমর্থনে নির্বাচিত ২৩ জন কাউন্সিলর খুলনা সিটি কর্পোরেশনে প্রতিনিধিত্ব করছেন। তবে তাদের মধ্যে দুই-তিনজন ব্যতীত অন্যদেরও রাজপথে দেখতে পান না নেতা-কর্মীরা। এ ব্যাপারে ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও নগর যুবদলের সহ-সভাপতি প্যানেল মেয়র মো. আনিসুর রহমান বিশ্বাস বলেন, আমি আমার অবস্থান থেকে রাজপথে ছিলাম, আছি আর দলীয় চেয়ারপারসনের নির্দেশনা মোতাবেক থাকবো। তার নির্দেশনা ব্যতীত কোনো ব্যক্তি স্বার্থের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না। জাতীয়তাবাদী কাউন্সিলর ফোরামের আহ্বায়ক ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মাহবুব কায়সার বলেন, সুবিধাবাদী নীতি ও পরস্পর বোঝা-পড়ার অভাবে কাউন্সিলররা চলমান আন্দোলনে সম্পৃক্ত হচ্ছেন না। স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ১০নং কাউন্সিলর মো. ফারুক হিল্টন বলেন, মামলায় জড়ালে বা গ্রেফতার হলে দলীয় কর্ণধাররা সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে আসেন না। এদিকে, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম বললেন, আমি বৈকালিতে আছি। বুকে অপারেশন, হাঁটুর ব্যথা ও ডায়াবেটিকসের কারণে খুলনায় যাওয়া হয় না। আমি সব আন্দোলনে আছি। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ক্ষুব্ধতা ও হতাশার সত্যতা স্বীকার করে মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম বলেন, চেয়ারপারসন অবরুদ্ধ অবস্থায় তার প্রিয় সন্তানকে হারিয়েছেন। তারপরও দেশের মানুষের স্বার্থে ও গণতন্ত্র রক্ষার্থে তিনি অপোষহীন। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বিএনপি’র আন্দোলন যতই তীব্র হচ্ছে সরকার দমন-পীড়নের মাত্রা ততই বাড়িয়ে দিচ্ছে। এসব কারণে কর্মসূচি পালনে কিছুটা কৌশল অবলম্বন করতে হচ্ছে। সময়ের প্রয়োজনেই দলীয় সর্বশক্তি প্রয়োগ করা হবে। ----- ঢাকাটাইমস

২০ দল বিষফোঁড়া হয়ে দংশন করছে


ঢাকা: ২০ দল বিষফোঁড়া হয়ে বিষাক্ত সাপের মতো দংশন করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তারা সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মারছে। যারা এসব করবে তাদের বিরদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শনিবার এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এম.এ হান্নান,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : সাউদিয়া মার্কেট,দোকান নং-২,কানাইঘাট উত্তর বাজার,সিলেট। +৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩