কানাইঘাটে কোন প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না:লক্ষীপুরী হুজুর

Written By Shimanter Dak on Friday, March 6, 2015 | 9:27 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসার মুহতামিম ও কানাইঘাট বাজার জামে মসজিদের খতিব আল্লামা মোহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষীপুরী বলেছেন, আলেম উলামা ও মনিষীদের পুণ্যভূমি কানাইঘাটে কোন প্রকার অনৈসলামিক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। তিনি আরো বলেন, কানাইঘাট বাজার ও আশপাশ এলাকায় মদ, জোয়া, মিকির খেলা, বেশ্যাপনা, নারীদের অবাদ বিচরণ, সন্ত্রাসী ও অপরাধ মূলক কর্মকান্ড, সহ সকল প্রকার বিজাতীয় প্রচার প্রচারনা বন্ধ এবং বাজারে শান্তিশৃঙ্খলা ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশ বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সহ দলমতের উর্ধ্বে উঠে সবাইকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। কানাইঘাটের ঐতিহ্যগত সুনামকে ধরে রাখার জন্য আমাদের সবাইকে অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আল্লামা লক্ষীপুরী শুক্রবার বিকেল ২টায় কানাইঘাট পূর্ব বাজারে আল-ইসলাহ ইসলামি সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে কানাইঘাট বাজার ও আশপাশ এলাকায় সকল প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবীতে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। মাওঃ ইসমাইল দুর্লভপুরীর সভাপতিত্বে ও মাওঃ ফখরুল ইসলামের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কানাইঘাট কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস ও নাইবে মুহতমিম আল্লামা আলিম উদ্দিন দুর্লভপুরী, আল্লামা শামসুদ্দিন দুর্লভপুরী, কানাইঘাট পৌরসভার মেয়র লুৎফুর রহমান, কানাইঘাট বাজার জামে মসজিদের মুতয়াল্লি মাওঃ ফজলুল করিম, মাওঃ আব্দুল হক গবিন্দপুরী, মাওঃ জমিল আহমদ, মাওঃ ক্বারী হারুনুর রশিদ, আল-ইসলাহ ইসলামি সমাজ কল্যাণ পরিষদের দায়িত্বশীল মাওঃ আব্দুল মুমিন, মাওঃ এবাদুর রহমান, মাওঃ জয়নুল আবেদীন, মাওঃ নজির আহমদ, মাওঃ এবাদুর রহমান, কানাইঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খোকন, কানাইঘাট প্রেসকাবের সভাপতি এম.এ হান্নান। রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য রাখেন রফিক আহমদ, আব্দুল হেকিম শামীম, মাসুক আহমদ, মোঃ আব্দুল্লাহ, রুহুল আমিন, আজমল হোসেন, পৌর কাউন্সিলার হাফিজ নুর উদ্দিন, মাওঃ আব্দুশ শাকুর, মাওঃ আব্দুল হামিদ, এড. আবু সিদ্দিক, মাওঃ কাওছার আহমদ, মাওঃ হাফিজ নজির আহমদ, মাওঃ হা. নজরুল ইসলাম, মাওঃ দেলোয়ার হোসেন, মাওঃ ফজলুর রহমান, মাওঃ হা. জালাল আহমদ, মাওঃ আজির উদ্দিন সহ বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আল্লাহর শোকরই মুমিনের শ্রেষ্ঠ গুণ


ইসলাম ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: সৃষ্টির সেরা জীব হিসাবে আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। এজন্য তাকে দেয়া হয়েছে সর্বোত্তম আকৃতিও। তাকে দান করেছেন সর্বোচ্চ সম্মান ও মর্যাদা। আর অন্যসব সৃষ্টিকে নিয়োজিত রেখেছেন মানুষেরই কল্যাণে। ইরশাদ হচ্ছে- নিঃসন্দেহে আমি সৃষ্টি করেছি মানবজাতিকে সর্বোত্তম আকৃতিতে (সূরা তিন, আয়াত-৪)। অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে- অবশ্যই আমি সম্মান দান করেছি আদম সন্তানকে। (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত-৭০)। বিশ্বজগতের সবকিছু পশু-পাখি, গাছ-পালা, নদী-সাগর, পাহাড়-পর্বত, চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র ও আসমান-জমিন সবকিছুকে আল্লাহতায়ালা সৃষ্টি করেছেন মানুষের জন্য এবং নিয়োজিত রেখেছেন মানুষেরই কল্যাণে। ইরশাদ হচ্ছে- তিনি ওই সত্তা যিনি তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন জমিনের সবকিছু। (সূরা বাকারা, আয়াত-২৯)। অন্যত্র ইরশাদ করেছেন- আর তিনি (আল্লাহ) তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে সবকিছু। (সূরা জাসিয়া, আয়াত-১৩)। এছাড়াও আল্লাহতায়ালা মানুষকে দান করেছেন অসংখ্য-অগণিত নেয়ামত। ইরশাদ করেছেন- যদি তোমরা আল্লাহর নেয়ামত গণনা করতে থাক তাহলে (গণনা করে) তোমরা তা শেষ করতে পারবে না। (সূরা ইবরাহিম, আয়াত-৩৪)। এখন প্রশ্ন হল কেন আল্লাহ আমাদের এতসব নেয়ামত দান করলেন? এবং এ নেয়ামত লাভ করার পর আমাদের করণীয় কী? দয়ালু আল্লাহ এ প্রশ্নের উত্তরও আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। আমাদের করণীয় সম্পর্কে নির্দেশ করে নাজিল করেছেন- হে লোক সকল; তোমরা ইবাদত কর তোমাদের ওই রবের যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকেও সৃষ্টি করেছেন। (সূরা বাকারা, আয়াত-২১)। অন্যত্র নাজিল করেছেন- তোমরা আমাকে স্মরণ কর তাহলে আমিও তোমাদেরকে স্মরণ রাখব। আর আমার শোকর ও কৃতজ্ঞতা আদায় কর, আমার প্রতি অকৃতজ্ঞ হইও না। (সূরা বাকারা আয়াত ১৫২)। বান্দা হিসেবে সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে, আল্লাহর জিকির, ইবাদত এবং শোকর ও আনুগত্যের জন্য রবের পক্ষ থেকে এ আদেশ নাজিলই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু মানবস্রষ্টা, মানব প্রকৃতি ও মানব দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ অবগত। তাই তিনি শোকর ও আনুগত্যের বিপরীতে পুরস্কারের ঘোষণা করলেন আর অকৃতজ্ঞতা ও নাফরমানির বিপরীতে শাস্তির হুশিয়ারি শোনালেন। ইরশাদ করলেন- যদি তোমরা শোকর আদায় কর তাহলে অবশ্যই আমি তোমাদেরকে (নেয়ামত) বৃদ্ধিই করে দেব। আর যদি শোকর আদায় না কর (তাহলে জেনে রেখ) নিঃসন্দেহে আমার শাস্তি অত্যন্ত কঠিন। (সূরা ইবরাহিম, আয়াত-৭)। সুতরাং অবশ্যই আমাদের নেয়ামতের শোকর আদায় করতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, শোকর আদায়ের তরিকা কী? কোন নেয়ামতের শোকর আমরা কোন তরিকায় আদায় করব? প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী নেয়ামত লাভের পর মুখে মুখে আলহামদুলিল্লাহ বললেই কি শোকর আদায় হয়ে যাবে? এভাবে শোকর আদায় করলেই কি আমরা পুরস্কার লাভের যোগ্য বিবেচিত হব? আরব শায়খ আলী তানতাভী (রহ.) বলেছেন, ‘না, এভাবে শোকর আদায় করে শোকর আদায়ের শর্তে নেয়ামত বৃদ্ধি করে দেয়ার যে ঘোষণা দরবারে ইলাহি থেকে দেয়া হয়েছে, আমরা তার হকদার কিছুতেই হতে পারব না। আর যথার্থ অর্থে এটাকে শোকর আদায়ও বলা যায় না।’ তিনি লিখেছেন- ‘শোকর আদায় এমন বিষয় নয় যে, মৌখিক আলহামদুলিল্লাহ বললেই তা আদায় হয়ে যাবে। মুখে মুখে হাজারবার আলহামদুলিল্লাহ বললেও নেয়ামতের যথার্থ শোকর আদায় হবে না। নেয়ামতের যথার্থ শোকর আদায়ের অর্থ হল, প্রাপ্ত নেয়ামত থেকে প্রয়োজনগ্রস্ত ব্যক্তিকে সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা। সুতরাং ধনীর শোকর আদায় হল দরিদ্রকে দান করা, সবলের শোকর আদায় হল দুর্বলকে সহায়তা করা, সুস্থের শোকর আদায় হল অসুস্থের সেবা করা এবং শাসকের শোকর আদায় হল প্রজাদের জন্য ন্যায়-বিচার। তো আমি যদি তৃপ্ত থাকি আর আমার প্রতিবেশী যদি ক্ষুধার্ত থাকে, আমি যদি আরাম-আয়েশে থাকি আর আমার প্রতিবেশী যদি শীত-গরমে কষ্ট করে তাহলে সামর্থ্যানুযায়ী প্রতিবেশীর খোঁজখবর নেয়া এবং সাধ্যানুযায়ী তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করাই হবে আমার পক্ষ থেকে নেয়ামতের যথার্থ ও কার্যত শোকর আদায়। তো আমরা যদি মৌখিক শোকর আদায়ের সঙ্গে সঙ্গে উল্লিখিত পদ্ধতিতে কার্যতও শোকর আদায় করি তাহলে শোকর আদায়ের শর্তে নেয়ামত বৃদ্ধি করে দেয়ার যে ঘোষণা দরবারে ইলাহি থেকে দেয়া হয়েছে, আমরা তার হকদার অবশ্যই হব ইনশাআল্লাহ। আর নেয়ামতের যথার্থ শোকর আমরা যদি আদায় না করি তাহলে ‘আমার শাস্তি অত্যন্ত কঠিন’ এ সতর্কবাণীরই ‘মিসদাক’ আমরা হব। আর এ শাস্তির সর্বনিু এবং দুনিয়াবি পরিণাম কী হবে তাও আল্লাহ জানিয়ে দিয়েছেন। তা হল প্রাপ্ত নেয়ামত হাতছাড়া হওয়া। ইরশাদ করেছন- (হে নবী) আপনি বলুন, ইয়া আল্লাহ! হে রাজত্বের মালিক! যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করেন আর যার থেকে ইচ্ছা করেন রাজত্ব ছিনিয়ে নেন এবং যাকে ইচ্ছা ইজ্জত-সম্মান দান করেন আর যাকে ইচ্ছা অপমান-অপদস্ত করেন। (সূরা আল-ইমরান, আয়াত-২৬)। এ আয়াতের তাফসিরে মুফাসসিররা লিখেছেন, কোনো শাসক যদি রাজত্ব লাভ করার পর ন্যায় ও ইনসাফের সঙ্গে রাজ্য শাসন না করেন অর্থাৎ রাজত্বের যে নেয়ামত আল্লাহ তাকে দান করেছেন তিনি যদি এর যথার্থ শোকর আদায় না করেন তাহলে আল্লাহ তার থেকে রাজ্য ছিনিয়ে নেন। শায়খ আলী তানতাভী (রহ.) শোকর আদায়ের যে তরিকা পেশ করেছেন তা কোরআনে নির্দেশিত তরিকা। শোকর আদায়ের এ তরিকা কোরআনই আমাদের শিক্ষা দিয়েছে। সূরা দুহায় আল্লাহতায়ালা নবী আলাইহিস সালামকে তিনটি নেয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে ওই নেয়ামতের শোকর আদায়ের তরিকা শিক্ষা দিয়েছেন। ইরশাদ করেছেন- তিনি (আল্লাহ) কি আপনাকে ইয়াতিম পেয়ে আশ্রয় দান করেননি? এবং তিনি কি আপনাকে (দ্বীন ও শরিয়তের) জ্ঞানশূন্য পেয়ে জ্ঞান দান করেননি? এবং তিনি কি আপনাকে অভাবগ্রস্ত পেয়ে অভাবমুক্ত করেননি? (সূরা দুহা, আয়াত ৬-৮)। এর পরপরই এসব নেয়ামতের শোকর আদায়ের তরিকা শিক্ষা দিয়ে ইরশাদ করেছেন- সুতরাং ইয়াতিমের প্রতি আপনি কঠোর হবেন না। আর (অভাবগ্রস্ত) প্রার্থীকে আপনি ধমক (দিয়ে ফিরিয়ে) দেবেন না। আর আপনার রবের নেয়ামতের কথা আপনি আলোচনা করুন। (সূরা দুহা, আয়াত ৯-১১)। কোরআনে নবী আলাইহিস সালামকে মম্বোধন করে প্রকৃত অর্থে আল্লাহতায়ালা উম্মতকেই শিক্ষা দিয়েছেন। তাই আমাদের উচিত রাব্বে কারিম আমাদের যাকে যে নেয়ামত দান করেছেন সে নেয়ামতের যথার্থ শোকর আদায় করা। অর্থাৎ প্রাপ্ত নেয়ামত থেকে নিজ নিজ সাধ্য ও সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনগ্রস্তদের সাহায্য-সহযোগিতা করা। এটা যদি আমরা করতে পারি তাহলেই দূর হতে পারে আমাদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিভেদ-বৈষম্য এবং ফিরে আসতে পারে শান্তি ও ঐক্য। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।

হোলিতে হিন্দুদের নিরাপত্তায় পাকিস্তানে মানব প্রাচীর


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: করাচির একটি মন্দিরে হোলি উৎসব উদযাপনের সময় মানব প্রাচীর রচনা করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের নিরাপত্তা দিয়েছে দেশটির একটি ছাত্র সংগঠন। করাচির স্বামী নারায়ণ মন্দিরে পাকিস্তানের ন্যাশনাল স্টুডেন্ট ফেডারেশন (এনএসএফ) ওই মানব প্রাচীর রচনা করে। ভিন্ন ভিন্ন বিশ্বাসের সহাবস্থান এবং ধর্মীয় ও নৃতাত্বিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠনটি প্রায়ই এ ধরণের অভিনব পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। এনএসএফ এর এক সদস্য তাদের সংগঠনকে আইয়ুব খানের এনএসএফ এরও আগে গঠিত একটি ‘প্রগতিশীল বামপন্থী সংগঠন’ হিসেবে বর্ণনা করেন। এর আগে সংগঠনটি ইমামবারগাহর শিয়া মুসলিমদের জন্যও একই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পাকিস্তানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অনেকে বেড়ে গেছে। বেশ কয়েকদিন আগে দেশটির নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন লস্কর-ই-জাংভী এব সিপাহ-ই-সাহাবার হামলায় শিয়া সম্প্রদায়ের শ’খানেক মানুষ নিহত হয়েছে। এছাড়া দেশটিতে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের উপরও প্রায়ই হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানের জনসংখ্যার মাত্র ২ শতাংশ হিন্দু। হিন্দুদের উপর লাগাতার নিপীড়নের অভিযোগ এনে ২০১২ সালে বেশ কিছু পরিবার দেশত্যাগী হয়।

ওজন বাড়ানোর ১০ টিপস


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পৃথিবী জুড়ে যেখানে স্বাস্থ্য কমানোর ধুম, সেখানে মোটা হওয়ার টিপস? খুব অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? আপনি অবাক হলেও, অনেকেই কিন্তু খুশিই হবেন। কেননা ওজন বাড়াবার টিপসগুলো তার জন্য এক রকম স্বস্তির নিঃশ্বাস বয়ে আনবে৷ শারীরিকভাবে ক্ষীণকায় ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রায়ই শোনা যায় কীভাবে যে মোটা হওয়া যায়, এত খাই কিন্তু মোটা হই না কেন। হতাশার এই মুহূর্ত থেকে মুক্তি দিতে ঢাকাটাইমসের পক্ষ থেকে তাদের জন্য দেয়া হলো ১০টি টিপস। যা আপনার ওজন বাড়াতে সহায়ক হবে। ১. ঘুম থেকে উঠে বাদাম ও কিসমিস খান ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় অল্প জলে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন ৷সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন। ২. প্রচুর শাক সবজি ও ফল খান ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে। যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন। ৩. খাবারের পরিমাণ বাড়ান খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন। ৪. বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে। ৫. খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে ভাজা খাবার ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির স্যালাড। ৬. জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সাথে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো বটেই, তাছাড়া ব্যায়ামের ফলে খিদেও পাবে আর মন ভরে খেতে পারবেন। তবে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ট্রেনারের নির্দেশে ব্যায়াম করতে হবে। নাহলে হিতে বিপরীত হবার আশঙ্কা। ৭. ‘মাড়যুক্ত’ ভাত খান অধিকাংশ মানুষই ভাতের মাড় ফেলে দেয়৷ মাড় ফেলে দিয়ে ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায় মাড়ের সঙ্গে। ওজন বাড়াতে চাইলে ভাতের মাড় না ফেলাই ভালো। এর ফলে ভীষণ উপকার হবে ওজন বাড়াতে। আতপ চালের মাড় ভাত মজাও লাগবে খেতে। ৮. ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু খান ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন। ৯. কমান মেটাবলিজম হার মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনও কাজ করবেন না। ১০. খাদ্য তালিকায় বিশেষ খাবার আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি। এরপরেও যদি ওজন না বাড়ে তাহলে চিকিৎকের সাহায্যে শরীর পরীক্ষা করে যদি কোনো রোগ পাওয়া যায়, তার চিকিত্সা করাতে হবে। পেটের অসুখ, কৃমি, আমাশয় অথবা কোনো সংক্রামক রোগ থাকলে পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করলেও ওজন কমে যেতে থাকে। অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকলেও ক্রমাগত ওজন কমে যেতে থাকে। এমন হলে বিশ্রাম, নিদ্রা ইত্যাদি বাড়িয়ে রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে হবে।

ত্বকীর খুনীদের বিচার না হলে...


নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহম্মদ ত্বকীর খুনীদের বিচার না হলে নারায়ণগঞ্জে পশুদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হবে। ত্বকী হত্যার দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকালে নগরীর ২ নং রেলগেটস্থ সৈয়দ আলী চেম্বারের সামনে রাস্তায় সন্ত্রাস নির্মুল ত্বকী মঞ্চ আয়োজিত এক সমাবেশে ঐক্য ন্যাপের আহ্বায়ক পঙ্কজ ভট্টাচার্য একথা বলেন। তিনি বলেন, খুনি খন্দকার মোশতাক সরকার বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের বিচার বন্ধের জন্য ইনডেমিনিটি আইন প্রণয়ন করেছিল। এখনকার পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে বর্তমান সরকার ত্বকী হত্যাকা-ের বিচার বন্ধে অঘোষিত ইনডেমিনিটি জারি করেছে। ত্বকীর খুনি নরপশুদের বিচার না হলে নারায়ণগঞ্জ পশুদের রাজত্বে পরিণত হবে। এসময় অর্থনীতিবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহম্মদ বলেন, নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও ত্বকী হত্যাকা-ের বিচার চায় সেখানে ত্বকী হত্যাকা-ের বিচার করতে সরকারের সমস্যাটা কোথায়? ওসমান পরিবার ক্ষমতার জোরে নারায়ণগঞ্জে একটি অন্ধকার জগৎ গড়ে তুলেছে। প্রধানমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা দিয়ে ওসমান পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন। ত্বকীকে যারা খুন করেছে তারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। যুদ্ধাপরাধী, মানবতাবিরোধীদের বিচার বিলম্বে হলেও হয়েছে, তেমনি ত্বকী হত্যার বিচার হবে। বিচার হলে ত্বকীর বাব-মা হারানো সন্তানকে ফিরে পাবেন না, কিন্তু ত্বকীর মতো অন্য শিশু কিশোরদের জীবন নিরাপদ হবে। নারায়ণগঞ্জ মাফিয়া গডফাদাদের রাজত্বে পরিণত হলেও একই সাথে ত্বকী হত্যাকা-ের প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ বিরামহীন প্রতিরোধের জমিনে পরিণত হয়েছে। এসময় ত্বকীর বাবা ও সন্ত্রাস নির্মুল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বী বলেন, ‘আমাদের দেশে তদন্তকারী সংস্থাগুলোতে পেশাদার দক্ষ কর্মকর্তা থাকলেও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের কারণে তারা সঠিকভাবে তদন্ত করতে পারেনা। ২০১৩ সালের ১মার্চ এমন এক বিকালে ত্বকীকে অপহরণ করা হয়। চাষাঢ়ায় সায়াম প্লাজার সামনে থেকে অপহরণ করে তিন তলায় শামীম ওসমানের ক্যাডারের অফিসে নিয়ে প্রথমে ত্বকীকে রাখা হয়। পরে সায়াম প্লাজা থেকে নিয়ে যাওয়া হয় চাষাঢ়া শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে রাত ৯টায় আল্লামা ইকবাল রোডে আজমেরী ওসমানের টর্চার সেলে নিয়ে ত্বকীকে খুন করা হয়। সেদিন আজমেরী ওসমানের টর্চার সেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাসময়ে অভিযান চালালে ত্বকীকে বাঁচানো যেত। যে দেশে জাতীয় সংসদে শিশু হত্যাকারী দাঁড়িয়ে মানুষকে নীতি কথা শোনায় সে দেশের মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে না। ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব ও নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি বাসসের উপ-প্রধান কবি হালিম আজাদ বলেন, ত্বকী হত্যার প্রতিবাদে যারা সক্রিয় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীরা নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তিনি সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমানকে ত্বকী হত্যাকা-ের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্তকারী সংস্থার প্রতি আহবান জানান। ত্বকী মঞ্চের আহবায়ক রফিউর রাব্বির সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাসুম, জেলা সিপিবি সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, জেলা ন্যাপ সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, জেলা বাসদের সমন্বয়ক নিখিল দাস, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ ঘোষ বাবু ও সাধারণ সম্পাদক মনি সুপান্থ প্রমুখ। পরে একটি মিছিল বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চাষাঢ়া শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

কানাইঘাটের বিশিষ্ট সমাজসেবী হাদে হোসেনের ইন্তেকাল


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট পৌরসভার শিবনগর গ্রাম নিবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী মোঃ হাদে হোসেন ইন্তেকাল করেছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় ঢাকার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাদে হোসেন মারা যান। ইন্নালিল্লাহি..............রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি ৩ ছেলে ২ মেয়ে স্ত্রী সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার বাদ আসর হাদে হোসেনের জানাজার নামায শিবনগর জামে মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় এলাকার বিপুল সংখ্যক লোকজন শরীক হন। পরে তার লাশ গ্রামের গুরুস্তানে সমাহিত করা হয়। এদিকে এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী সমাজসেবী হাদে হোসেনের মৃত্যুতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, কানাইঘাট প্রেসকাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম.এ.হান্নান, দপ্তর সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সদস্য মাহবুবুর রশিদ, আব্দুন নুর, কানাইঘাট উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি কলামিষ্ট মো: মহিউদ্দিন,সাধারন সম্পাদক আহমদ হোসেন,স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলার মস্তাক আহমদ সহ এলাকার বিশিষ্টজন।

আন্দোলন দমনে পুলিশকে গণহত্যার লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে


ঢাকা: আন্দোলনকারীদের হত্যার দায়মুক্তির আইনই শেষ আইন নয়, ভবিষ্যতে আরও আইন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আন্দোলন দমনে গণহত্যার লাইসেন্স প্রদান করার পর এখন সরকার হত্যার দায়মুক্তির আইন করছে। আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শাসকগোষ্ঠীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই- এই আইন শেষ আইন হবে না, ভবিষ্যতে আরও আইন হবে। অসাংবিধানিক, মৌলিক ও মানবাধিকার হরণকারী কোন আইন আপনাদের রক্ষা করতে পারবে না। আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় কর্তা ব্যক্তিদের। নারকীয় কর্মকাণ্ডের সকল রেকর্ড জনগণ সংগ্রহ করেছে। বিবৃতিতে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার নামে নৈতিকতা বিবর্জিত প্রহসনমূলক একটি নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা লুণ্ঠন করে বিশ্ববেহায়া সরকার এখন জনগণের সঙ্গে প্রতারণায় লিপ্ত। যে সংসদে ১৫৪ জনই বিনাভোটে নির্বাচিত, বাকি ১৪৬ আসনে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা মিলেমিশে বাটোয়ারায় নির্বাচিত। এমনকি এরশাদসহ তার দলের বেশ কয়েকজনকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ার পরও জোরপূর্বক নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ অনেক বিরোধী প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেয়নি এবং অনেক প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পরও ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। গত ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনী নাটকে এবার ঠিক উল্টোভাবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর আওয়ামী লীগ দলীয় এবং জাতীয় পার্টির (এরশাদ) অনেক প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। মূলত আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্রে কখনোই বিশ্বাসী ছিল না বরং প্রতিবারই গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। বর্তমানেও তারা গণতন্ত্রের মোড়কে একদলীয় বাকশাল কায়েমের তৎপরতায় লিপ্ত। বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, এদেশের গণতন্ত্রকামী সংগ্রামী জনগণ সবসময় একদলীয় একনায়কতন্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এখনও রক্তঝরা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শাসকগোষ্ঠীর সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের যশোরের বাসভবনে বোমা হামলা চালিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। যশোরের বিএনপি’র শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের বাসায়ও একযোগে বোমা হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এই ঘৃণ্য তৎপরতার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তিনি বলেন, গণমানুষের ন্যায্য আন্দোলনকে প্রতিহিংসার স্টিম রোলার চালিয়ে স্তব্ধ করা যাবে না। বরং দ্রোহের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দিকে দিকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। গণআন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সেই দাবানলেই অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার মসনদ জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে। তিনি বলেন, বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোট গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক জোট। আমরা জাতীয় রাজনৈতিক সংকট সমাধানে আলোচনা, সংলাপ-সমঝোতায় বিশ্বাসী। জাতীয় এবং জাতিসংঘসহ সকল আন্তর্জাতিক মহলের সংকট নিরসনের সকল উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি। সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই সরকারি মহলের শুভবুদ্ধির উদয় হবে বলে জনগণ আশা করে। অন্যথায় উদ্ভূত যে কোন পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এম.এ হান্নান,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : সাউদিয়া মার্কেট,দোকান নং-২,কানাইঘাট উত্তর বাজার,সিলেট। +৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩