কানাইঘাটে প্রধান শিক্ষকের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, স্মারকলিপি

Kanaighat News on Saturday, September 23, 2017 | 11:15 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঐতিহ্যবাহী কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট থাকার পরও স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মঈনুল হককে অন্যত্র বদলীর ঘটনায় স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রধান শিক্ষকের বদলী প্রত্যাহারের দাবীতে স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা শনিবার বিকেল ৪টায় স্কুল প্রাঙ্গনে মানববন্ধন পরবর্তী মৌনমিছিল সহকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবের স্মারকলিপি প্রদান করেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক কর্তৃক স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মইনুল হককে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে বদলীর পত্র প্রেরণ করেন। স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে ২৭ জন শিক্ষকের স্থলে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক সহ ৯ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষক মইনুল হককে অন্যত্র বদলীর সংবাদ পেয়ে স্কুলের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।  শনিবার স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমানে অধ্যয়নরত প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী স্কুলের সুষ্ঠু পাঠদান অব্যাহত রাখতে প্রধান শিক্ষক মঈনুল হকের অন্যত্র বদলী প্রত্যাহারের জন্য প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগমের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে প্রেরণ করেন। এছাড়া ই-মেইলের মাধ্যমে উক্ত স্মারকলিপির কপি শিক্ষার্থীরা মহাপরিচালক বরাবরে পাঠিয়েছেন। স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে শিক্ষক সংকট রয়েছে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষক মইনুল হক সহ মাত্র ৯ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। এরমধ্যে প্রধান শিক্ষককে অন্যত্র বদলী করা হলে শিক্ষকদের সংখ্যা ৮ জনে নেমে আসবে। যার ফলে স্কুলের সুষ্ঠু পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হবে। শিক্ষক সংকট থাকার পরও প্রধান শিক্ষক মইনুল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতি বছর শিক্ষার্থীরা জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফলাফল করে আসছেন। তার অন্যত্র বদলী স্কুলের সুষ্ঠু পাঠদানের স্বার্থে প্রত্যাহারের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালকের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অর্থায়ন : শর‘য়ী দৃষ্টিভঙ্গি


আব্দুল মতিন: ইসলাম মানবজাতিকে পরিচালনার জন্য কমপ্লিট প্যাকেজ নিয়ে এসেছে, যার পরিপূর্ণ অনুসরণ ও অনুকরণ বিশ্বকে শান্তি এবং নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদন করতে পারে। এ ধর্ম সম্পদ উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট তরীকাহ্ বর্ণনা করেছে। মূলত আল্লাহ্ই সম্পদের মালিক। আর তিনি মানবজাতিকে সম্পদ ব্যবহারের প্রতিনিধি বানিয়েছেন। সুতরাং মানবজাতিকে সম্পদের প্রতিনিধি হিসেবে সম্পদের আসল মালিক আল্লাহ্ তা উপার্জন ও ব্যয় করার ব্যাপারে যে শর্তারোপ করেছেন তা পালন করতে হবে। মানিলন্ডারিং হলো অবৈধ অর্থ বা সম্পত্তিকে বৈধ রূপ দেয়ার প্রক্রিয়া। আরো ব্যাপকভাবে বলা যেতে পারে: মানিলন্ডারিং হল, অবৈধ পন্থায় অর্জিত সম্পদের মূল হিসাবকে গোপন করা। আর সম্পদ গোপন করা হয় বিদেশে পাচার অথবা অন্য দেশের ব্যাংকে জমা রাখার মাধ্যমে। অথবা সে সম্পদ জমা বা বিনিয়োগ করা হয় কোন বৈধ খাতে। মানিলন্ডারিংয়ের কতগুলো উদ্দেশ্য থাকে। যেমন: ক. আয়ের অবৈধ প্রকৃতি, উৎস, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন করা। খ. আইন ফাঁকি দেওয়া। গ. বিদেশে বা দেশে পাচার করা। ঘ. আইনের অধীন রিপোর্টিং আড়াল করা। ঙ) সম্পৃক্ত অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ, প্ররোচনা প্রদান বা সহায়তা করা। মানিলন্ডারিংয়ের ব্যাপারে ইসলামের অবস্থান: মানিলন্ডারিংয়ের আরবী প্রতিশব্দ ‘গসীলুল আমওয়াল’। ইসলামী শরীয়তে মানিলন্ডারিং বা গসীলুল আমওয়াল কোনটিই সরাসরি আসেনি। কিন্তু ইসলাম এমন শব্দ ব্যবহার করেছে যা মানিলন্ডারিং বা গসীলুল আমওয়াল থেকেও আরো ব্যাপক অর্থবোধক। আর তা হলো ‘আল-মালুল হারাম’ বা ‘হারাম সম্পদ’ ‘আল-কাসবুল হারাম’ বা ‘হারাম উপার্জন’ ও ‘আল-কাসবু গইরুল মাশরু’ বা ‘অবৈধ উপার্জন’। বিংশ শতাব্দীতে সারাবিশ্বে মানিলন্ডারিং নামক আর্থিক অপরাধ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং এ অপরাধ বন্ধে দেশে দেশে নানান আইন তৈরি হয়। কিন্তু ইসলাম অনেক বছর পূর্বেই সম্পদের ব্যাপারে, বিশেষ করে হারাম সম্পদের ব্যাপারে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছে। ইসলাম হালালকে হালাল বলে উল্লেখ করে হালালভাবে অর্থ উপার্জনের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছে। আর হারামকে হারাম হিসেবে বর্ণনা করে তা অপরাধের পথ হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং তা থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন রাস্তা তুলে ধরেছে। আল-কুরআন অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভক্ষণের উপর সাধারণভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন: ‘আর তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরের মাল গ্রাস করো না এবং জানা সত্তে¡ও অসৎ উপায়ে লোকের মাল গ্রাস করার উদ্দেশে তা বিচারকের নিকট নিয়ে যেও না।’ সূরাহ্ আল-বাকারাহ্, আয়াত: ১৮৮। অনুরূপভাবে আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন: ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা পরস্পর সম্মতিক্রমে ব্যবসা ব্যতীত অন্যায়ভাবে একে অন্যের সম্পদ গ্রাস করো না।’ সূরা আন-নিসা, আয়াত: ২৯। আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন: ‘এবং তিনি তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষণা করেন ও নিষিদ্ধ করেন হারাম বস্তুসমূহ।’ সূরা আরাফ: ১৫৭। আর এতে সন্দেহ নাই যে, মানিলন্ডারিংয়ের টাকা অবৈধভাবে উপার্জিত ও অপবিত্র। রাসূল (সা.) বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছেন: ‘(মনে রাখবে) তোমাদের জীবন, সম্পদ, ইজ্জত পরস্পরের মধ্যে যেমন হারাম; তেমনি আজকের এ দিন এ শহরে হারাম।’ মুসলিম (১২১৮)। এই হাদীসটি মানুষের সম্পদ রক্ষা ও অন্যের সম্পদ অবৈধ পন্থায় গ্রহণ করা না করার প্রতি নির্দেশ করে। এ হাদীসটি এক সাধারণ (আম) হাদীস যা সকল প্রকার আর্থিক ও অর্থনৈতিক অপরাধকে অন্তর্ভুক্ত করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘মানুষের সামনে এমন একটি যুগ আসবে, যখন কেউ কি উপায়ে ধন-সম্পদ উপার্জন করলো, হারাম না হালাল উপায়ে- এ ব্যাপারে কেউ কোনো প্রকার পরোয়া করবে না।’ (বুখারী, ১৯৭৭)। এ হাদীসটি রাসূল (সা.)-এর ভবিষ্যতবাণী। তাই মানুষকে সম্পদ উপার্জনের ব্যাপারে সর্তক থাকতে হবে। কেননা রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পবিত্র আর তিনি পবিত্র বস্তুই গ্রহণ করেন।’ মুসলিম (১০১৫)। হারাম সম্পদ থেকে গঠিত যেকোন ভালো কাজ যা দেখতে সুন্দর, এর ব্যাপারে ইসলামের অবস্থান স্বচ্ছ ও পরিষ্কার; যদিও তা আর্থিক ইবাদত বা শারীরিক ইবাদত হোক অথবা উভয় ইবাদত এক সাথে হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেছেন, ‘পবিত্রতা ছাড়া নামায কবুল হয় না এবং আত্মসাৎ বা খেয়ানতের সম্পদ থেকে সাদ্কাহ কবুল হয় না।’ (সহীহ মুসলিম)। আবার হজ্জের ব্যাপারে হাদীসে এসেছে, ‘যখন কোন ব্যক্তি হালাল খরচে হজ্জের জন্য বের হয়ে আরোহীর উপর পা রাখে বলে: লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক। তখন আসমান হতে এক আহ্বানকারী আহ্বান করে বলে: লাব্বাইকা ওয়া সা‘দাইক। তোমার পাথেয় হালাল, তোমার আরোহণের পশু হালাল, তোমার হজ্জ কোন কিছুর দ্বারা আচ্ছাদিত না হয়ে কবুল করা হল। আর যখন কোন ব্যক্তি অবৈধ খরচে হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হয়ে সফরের জন্তুর উপর পা রেখে লাব্বাইকা বলে, তখন আকাশ হতে এক আহ্বানকারী বলতে থাকে লা লাব্বাইকা ওয়ালা সা‘দাইক। তোমার পাথেয় হারাম, তোমার খরচ হারাম আর তাই তোমার হজ্জ কবুল হবে না।’ (তাবরানী ফিল আওছাত, ৫/২৫১, হাদীস নং ৫২২৮)। ইসলাম এ কথা বলে দিয়েছে যে, যে ব্যক্তি হারাম সম্পদ জমা করবে, আর যে ব্যক্তি হারাম সম্পদের উপর বেঁচে থাকবে তার এসম্পদগুলো জাহান্নাম যাওয়ার কারণ হবে। হাদীসে এসেছে: ‘যে রক্ত-মাংস অবৈধ আয়ে বৃদ্ধি পায় জাহান্নামের আগুন তাকে আগে গ্রাস করবে।’ (মুসতাদরাক, ৪/১৪১, হাদীস নং-৭১৬৩। সহীহ ইবনে হিব্বান, ১২/৩৭৮। সুনানে তিরমিযী, ২/৫১২)। সুতরাং অবৈধ পন্থায় অর্জিত সম্পদ যে বিপদের কারণ তা আলোচনার মাধ্যমে স্পষ্ট। আকলী (বুদ্ধিভিত্তিক) দলীল: শরী‘আর উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্পদ সংরক্ষণ করা এবং সেই সম্পদ দিয়ে অর্থনীতির উন্নয়ন করা। কিন্তু মানিলন্ডারিং এমন একটি অপরাধ যা অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়, কৌশলে অন্যায়-অবৈধ ও হারাম পন্থায় অর্থ উপার্জনের রাস্তাগুলোকে খুলে দেয়। সন্ত্রাসী কার্যের সংজ্ঞায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯-এর দ্বিতীয় অধ্যায়ের আলোকে বলা যেতে পারে যে, ক. কোন ব্যক্তি, সত্তা বা বিদেশী নাগরিক কর্তৃক বাংলাদেশের অখন্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা বা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য জনসাধারণ বা জনসাধারণের কোন অংশের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে সরকার বা কোন সত্তা বা কোন ব্যক্তিকে কোন কার্য করতে বা করা হতে বিরত রাখতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে- প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তির ক্ষতি সাধন, হত্যা, গুরুতর আঘাত, আটক বা অপহরণ করা বা চেষ্টা করা কিংবা অন্যকে এরূপ কার্যে প্ররোচনা, সহায়তা দেওয়া কিংবা এতদউদ্দেশ্য সাধনকল্পে বিস্ফোরক দ্রব্য, দাহ্য পদার্থ ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার বা নিজ দখলে রাখা। খ. অন্যকোন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘিœত বা সম্পত্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ অপরাধ করা, চেষ্টা করা, কাউকে প্ররোচিত করা। গ. আন্তর্জাতিক কোন সংস্থার কোন কার্য বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ অপরাধ করা, চেষ্টা করা, কাউকে প্ররোচিত করা, সহায়তা করা। গ. জ্ঞাতসারে কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অর্থ সম্পদ ভোগ বা দখলে রাখলে। সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নের ব্যাপারে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি: সন্ত্রাস একটা মারাত্মক অপরাধ যার উদ্দেশ্য হলো বিশৃংখা সৃষ্টি করা। যা মানুষের শান্তি বিনষ্ট করে। যা জান-মাল, বাড়ি-ঘর, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল-চিকিৎসালয়, শিল্প-কারখানা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস করে। আর ইসলাম কখনোই এ ধরনের কার্যক্রমকে সমর্থন করে না। আর যারা এ ধরনের কার্যের সাথে জড়িত সেখানে অর্থায়নকে ইসলাম আরোও সমর্থন করে না। এ ব্যাপারে আল্লাহ্ বলেন, ‘সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা‘আলা কঠোর শাস্তিদাতা।’ সূরা মায়িদাহ্ : ০২। ‘আর এমন কিছু লোক রযেছে যাদের পার্থিব জীবনের কথাবার্তা তোমাকে চমৎকৃত করবে। আর তারা সাক্ষ্য স্থাপন করে আল্লাহকে নিজের মনের কথার ব্যাপারে। প্রকৃতপক্ষে তারা কঠিন ঝগড়াটে লোক। আর যখন ফিরে যায় তখন চেষ্টা করে যাতে জমিনে অকল্যাণ সৃষ্টি করতে পারে এবং শস্যক্ষেত্র ও প্রাণনাশ করতে পারে। আল্লাহ্ তা‘আলা ফাসাদ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা পছন্দ করেন না।’ সূরা বাকারাহ্: ২০৪-২০৫। রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোন বিদআতীকে (ইসলামের পরিপন্থী কোনো নতুন মতবাদ সৃষ্টিকারী) আশ্রয় দেয় তার ওপরও আল্লাহর লা‘নত।’ -সহীহ মুসলিম, কিতাবুল আযাহী। ইমাম শাওকানী নাইনুল আওতার (৮/১৫৮) গ্রন্থে বলেছেন, ‘মুহদিস’ হলো ওই ব্যক্তি যে এমন কাজ করে যার দ্বারা পৃথিবীতে অশান্তি ও বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় ফাতওয়া পরিষদ ‘হাইআতু কিবারিল উলামা’ উল্লিখিত আয়াত ও হাদীসের আলোকে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, সন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকান্ডে অর্থায়ন হারাম ও এমন একটা অপরাধ যার কারণে শরয়ীভাবে শাস্তির যোগ্য। বিশ্বের প্রতিটি দেশে এন্টি-মানিলন্ডারিং আইন থাকলেও তা প্রতিরোধ করতে অক্ষম। মানিলন্ডারিংয়ের ফলে যেমন দেশের জনগণের অধিকার হরণ করা হচ্ছে তেমনি এ অর্থ বিদেশে পাচারের মাধ্যমে দেশের ক্ষতি হচ্ছে। অপরদিকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে বিশ্বে আজ অশান্তি বিরাজ করছে। সুতরাং মানুষ যদি অর্থ উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ইসলমী আইন অনুসরণ করে তাহলে বিশ্বে শান্তির ছায়া নেমে আসবে।
 লেখক: অফিসার, শরী‘আহ্ সেক্রেটারিয়েট, এক্সিম ব্যাংক

কানাইঘাটে ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া গৃহশিক্ষক গ্রেফতার


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট মনসুরিয়া কামিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার ৫দিন পর কানাইঘাট কলেজের ছাত্র এনাম উদ্দিন (২৪) কে আটক করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার নারাইনপুর খলা গ্রামে আত্মগোপনে থাকা এনাম উদ্দিনকে গ্রেফতার করে থানার এসআই পিযুষ কান্তি দেবনাথ। এ সময় মাদ্রাসা ছাত্রী (১৩)কে উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, কানাইঘাট সদর ইউপির রাধানগর গ্রামের এক ব্যবসায়ীর মেয়ে মনসুরিয়া মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে একই গ্রামের আব্দুল মন্নান বটই এর পুত্র কলেজ শিক্ষার্থী এনাম উদ্দিন গৃহ শিক্ষক হিসাবে পড়াত। এই সুযোগে এনাম উদ্দিন ঐ ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে গত মঙ্গলবার ঐ ছাত্রীকে বাড়ী থেকে পালিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ঐ ব্যবসায়ী তার মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় কানাইঘাট থানায় গত বৃহস্পতিবার একটি সাধারণ ডায়রী করেন। পরে ঐ ছাত্রীর বাবা জানতে পারেন তার মেয়ের গৃহ শিক্ষক একই গ্রামের এনাম উদ্দিন তার মেয়েকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। পুলিশ ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করার জন্য এনামের বড় ভাই আজির উদ্দিনকে আজ শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আটক করে তার কাছ থেকে জবানবন্দীর সূত্র ধরে আত্মগোপনে থাকা এনাম উদ্দিনকে ঐদিন সন্ধ্যার দিকে নারাইনপুর খলা গ্রামের তার বোনের বাড়ী থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে, উদ্ধার করা হয় অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রীকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মাদ্রাসা শিক্ষার্থী পুলিশি হেফাজতে ও এনাম উদ্দিনকে থানা হাজতে রাখা হয়েছে। থানার এসআই পিযুষ কান্তি দেবনাথ জানিয়েছেন, এনাম উদ্দিন ও মাদ্রাসা ছাত্রীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ প্রেমিক জুটি নিজ ইচ্ছায় বাড়ী থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ছাত্রী অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে মেয়ের বাবা জানিয়েছেন, তার অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে এনাম উদ্দিন ফুসলিয়ে অপহরণ করেছে।

কানাইঘাটে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৬


মিছবা উল হক চৌধুরী : কানাইঘাট-দরবস্ত সড়কের দরবস্ত ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সড়ক দূর্ঘটনায় সিএনজি ড্রাইভার সহ ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সিলেট থেকে কানাইঘাটগামী সিএনজি ( সিলেট থ-১২৯২৮১) দরবস্ত ৪নং ইউনিয়ন অতিক্রম করার সময় ছোট্ট একটি শিশু গাড়ির সামনে পড়লে শিশুটিকে বাঁচাতে গিয়ে সিএনজি ড্রাইভার কবির সহ গাড়ির আরো ৫ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। এসময় গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহতদের জৈন্তা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। তাতক্ষণিক আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

কানাইঘাটে দূর্গা পূজা উপলক্ষে হিন্দু-সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে উপজেলা বিএনপির মতবিনিময়

Kanaighat News on Friday, September 22, 2017 | 10:11 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজাকে সামনে রেখে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন, কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় কানাইঘাট পূর্ব বাজারস্থ বিএনপির কার্যালয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপজেলার ৩৫টি পূজামন্ডপে উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুন রশিদ মামুনের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা শুভেচ্ছা স্বরূপ পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পৌর বিএনপির সভাপতি কাউন্সিলর হাজী শরিফুল হক, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি কাউন্সিলার আবিদুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবুল বাশার সহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এ সময় জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রিংকু চক্রবর্তী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সহ সভাপতি সলিল চন্দ্র দাস, বাবু সুদিপ্ত কুমার দাস, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ভজন লাল দাস, পৌর শাখার সভাপতি শ্যামল চন্দ্র দাস, পূজা উদ্যাপন পরিষদ নেতা বাবুল চন্দ্র দাস, সুব্রত চন্দ্র দাস, উপজেলা ছাত্র-যুব-ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিধান চৌধুরী সহ বিভিন্ন মন্ডপের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকবৃন্দের হাতে বিএনপির সভাপতি মামুন রশিদের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদানের টাকা তুলে দেওয়া হয়। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে পৌর বিএনপির সভাপতি কাউন্সিলার শরিফুল হক শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় সম্প্রীতিকে অটুট রেখে সকল ধর্মের মানুষ বসবাস করে আসছেন। বিএনপি হিন্দু সম্প্রদায়কে কখনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মনে করে না, আমরা একে অন্যের ধর্মের উৎসবে সবসময় অংশগ্রহণ করে থাকি। ধর্মীয় সংখ্যালঘু বলে কাউকে খাটো করতে বিএনপি চায়না। অতিতের মতো কানাইঘাটে প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপে বিএনপির পক্ষ থেকে সহযোগিতার হাত ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে। পূজা উদ্যাপন পরিষদ সহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিএনপির পক্ষ থেকে সব সময় তাদের ধর্মীয় উৎসবে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তাজ উদ্দিন, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমদ, তাতি দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কিবরিয়া, জেলা ছাত্রদলের সদস্য বদরুল আলম, ছাত্রনেতা রেজোয়ান আহমদ হৃদয়, আব্দুর রহমান, আবু হেনা রনি, বাবুল আহমদ সোহাইব, মেহেদি হাসান রিজভী প্রমুখ।

কানাইঘাটে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৪ ডাকাত গ্রেফতার


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট দিঘীরপাড় পূর্ব ইউপি মাছুগ্রাম এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি কালে কানাইঘাট থানা পুলিশ দেশীয় ধারালো অস্ত্র, একটি ভূয়া নাম্বারপ্লেট লাগানো পিকআপ সহ ৪ পেশাদার ডাকাতকে আটক করেছে। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ৪ ডাকাতকে স্থানীয় সড়কের বাজার থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা যায়, একটি পিকআপ গাড়ী নিয়ে গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা স্থানীয় মাছুগ্রাম এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করে। এ সময় ঐ এলাকায় প্যাট্রোল ডিউটিরত থানার এসআই রাজীব মন্ডলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ডাকাতদের পিছু নিয়ে সড়কের বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে একটি ধারালো তরবারি, খাসিয়া দা, ছুরা, লোহার রড, সাবল, মেগ লাইট, রশি, দুইটি গামছা ও লেমিনিটিং করা সিলেট-মেট্রো-ন-১১-০২৬৫ খোলা নাম্বার প্লেইট উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলো কানাইঘাট উপজেলার মিকিরপাড়া গ্রামের আব্দুল খালিকের পুত্র আসকর আলী @ আসকার আলী, এরালীগুল গ্রামের সিরাজুল হকের পুত্র হেলাল আহমদ, গোলাপগঞ্জ উপজেলার বড়গ্রামের সফর উদ্দিনের পুত্র নাজিম উদ্দিন, বিয়ানীবাজার উপজেলার দক্ষিণ ফারিহাবহর গ্রামের মৃত ফজর আলীর পুত্র কুখ্যাত ডাকাত মনসুর আলম। কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আহাদ কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন, থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত ৪ ডাকাতের বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তারা ডাকাতি সহ সবধরনের অপরাধের সাথে জড়িত। তাদের মধ্যে বিয়ানীবাজারের মনসুর আলম একজন কুখ্যাত ডাকাত। কানাইঘাট উপজেলায় যাতে করে কোন ধরনের ডাকাতি ও অন্যান্য বড় ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড সংঘটিত করতে না পারে এজন্য পুলিশ ব্যাপক তৎপর রয়েছে। গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

Kanaighat News on Thursday, September 21, 2017 | 8:52 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঐতিহ্যবাহী কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় স্কুল হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মঈনুল হকের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিনের উপস্থাপনায় পুরষ্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম। বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুন্সী তোফায়েল হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ তারিকুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন, স্কুলের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক হোসেন আহমদ, সহকারী শিক্ষক আব্দুশ শুক্কুর, ক্রীড়া শিক্ষক ব্রজ মোহন সিংহ প্রমুখ। স্কুলের স্টুডেন্ট ক্যাবিনেট ও স্কাউট দলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসব মুখর এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়া স্কুলের সাংস্কৃতিক দল দেশাত্মবোধক মনোমুগ্ধকর গান এবং নাটিকা, কৌতুক পরিবেশন করে অনুষ্ঠানস্থলকে মাতিয়ে রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার গুণগত মান পরিবর্তন ও বিশ্বায়নের এ যুগে আমাদের শিক্ষার্থীদের যুগপোযোগী করে তোলার জন্য নানা ধরনের যুগান্তকারী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি ঐতিহ্যবাহী কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনামকে ধরে রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের আহবান জানিয়ে বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শিক্ষার উন্নয়নে শিক্ষকদের যেমন দায়িত্ববোধ রয়েছে, পাশাপাশি সন্তানদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য অভিভাবকদের আরো সচেতন হওয়ার আহবান জানান। অনুষ্ঠান শেষে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সেরা শিক্ষার্থী, জেএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত এবং বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণকারী সেরা দল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩