কানাইঘাট পৌর এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল দশা

Kanaighat News on Sunday, May 31, 2015 | 11:46 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি রাস্তার বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। এজন্য পৌর কর্তৃপক্ষের চরম ব্যর্থতা ও উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে কানাইঘাট পৌর সভার অন্তর্ভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সহ গ্রামীণ রাস্তাগুলোর টেকসই সংস্কার ও উন্নয়ন না করে বর্ষা মৌসুমের শুরুতে কিছু রাস্তার সংস্কারের কাজ শুরু করায় জনদুর্ভোগ কমাতে গিয়ে পৌর মেয়র লুৎফর রহমান নিজেই জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছেন বলে সর্বস্তরের মানুষ জানিয়েছেন। বিশেষ করে কানাইঘাট উত্তর বাজার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন হইতে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির এমনিতেই বেহাল দশা। সড়ক ও জনপদের এই সড়কটির দীর্ঘদিন ধরে কোন ধরণের সংস্কার ও উন্নয়ন মূলক কাজ না হওয়ার ফলে রাস্তার খানাখন্দক উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বড়বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর রাস্তার দু’পাশে অপরিকল্পিত ভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বহুতলা ভবন, গড়ে উঠায় রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমে কাদা জলে জনসাধারণের যাতায়াত এবং যানবাহন চলাচলে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। জনদুর্ভোগ কমাতে পৌর কর্তৃপক্ষ কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় করে রাস্তার একপাশে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের লক্ষ্যে সপ্তাহ দিন পূর্বে এক্সলেভটর দিয়ে মাটি খোঁড়ে খননের কাজ করে। একদিকে রাস্তার মধ্যখানে খননের মাটি জমে উক্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, এর যেন শেষ নেই। গত কয়েকদিনের টানা ভারি বর্ষণের ফলে রাস্তা কাদা জল জমে একাকার হয়ে গেছে। পাশাপাশি অপরিকল্পিতভাবে এক্সলেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি খননের ফলে প্রায় ২ শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ীর করিডোর ভেঙে যাচ্ছে। এর ফলে বাসাবাড়ী, দোকান-পাট অনেকটা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। তার উপরে রয়েছে বেশ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি। এগুলি যেকোন সময় ধসে পড়ে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটতে পারে। মাটি খননের পর থেকে পৌর কর্তৃপক্ষ জনদুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে না আসায় পৌর মেয়র লুৎফুর রহমানের চরম ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর কোন টেকসই উন্নয়ন হয়নি। যার ফলে রাস্তার খানাখন্দক উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় পৌর বাসীসহ উপজেলার জনসাধারণকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। এর মধ্যে কানাইঘাট পৌর কার্যালয় থেকে শ্রীপুর টুক, পৌর কার্যালয় থেকে নকলা ব্রীজ পর্যন্ত, উপজেলা পরিষদ সম্মুখ হইতে মহেষপুর খলা হয়ে কলেজ পর্যন্ত, পৌর কার্যালয় থেকে কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় হয়ে সুরমা ডাইক, মহেষপুর থেকে দুর্লভপুর, খেয়াঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে বায়মপুর পর্যন্ত রাস্তাগুলোর বেহাল দশা। এছাড়া গ্রামীণ অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোর টেকসই উন্নয়ন না হওয়ায় বছর যেতে না যেতেই পূর্বের চেহারায় ফিরে যাচ্ছে। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন কানাইঘাট পৌর শহরে এসে রাস্তা-ঘাটে করুল দশা দেখে ধিক্কার দেন। এতে করে কানাইঘাটের ইমেজ ক্ষুন্ন হচ্ছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়নের ব্যাপারে পৌর মেয়র লুৎফুর রহমানের কাছে ভোক্তভোগীরা গেলে তিনি তাদের সান্ত্বনা না দিয়ে অবাঞ্ছিত কথাবার্তা বলেন বলে অনেকে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে মেয়র লুৎফুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পৌর এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন চলছে। এতে করে কিছুটা দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে তা মাস দিনের মধ্যে কেটে যাবে।

কানাইঘাট লোভাছড়া চা- বাগানের সত্ত্বাধিকারী নানকার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: লোভাছড়া চা বাগানের সত্ত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জেমস্ লিও ফারগুশন নানকা ও তার পরিবারের সদস্য এবং এলাকার লোকজনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে লোভাছড়া চা-বাগান রক্ষা কমিটির ডাকে গতকাল শনিবার বিকেল ৩টায় কানাইঘাট পূর্ব বাজারস্থ ডাক বাংলা মাঠে এক বিরাট সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ পরগনা সালিশ সমন্বয় কমিটির সভাপতি জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা শাহাব উদ্দিনের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সুব্রত চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা আ’লীগ নেতা জমির উদ্দিন প্রধান, উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ চৌধুরী, দিঘীরপার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ আহমেদ, গোয়াইনঘাট সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, জৈন্তাপুর উপজেলার চারকাটা ইউপির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ হক, কানাইঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নাজমুল হক, ডেপুটি কমান্ডার শাহাব উদ্দিন, পৌর আ’লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের প্রাচীনতম লোভাছড়া চা-বাগানটি জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তাদের ভাষায় কতিত দানবীর ও ভূমি খেকো রাগীব আলী তার জবর দখল দারিত্বে ব্যর্থ হয়ে বাগানের সত্ত্বাধিকারী জেমস্ লিও ফারগুশন নানকা ও তার পরিবারের সদস্য এবং এলাকার প্রতিবাদী মানুষের বিরুদ্ধে রাগীব আলী তার বাহিনী দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী নির্যাতন সহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দায়েরের মাধ্যমে হয়রানীর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। অবিলম্বে নানকা সহ নিরীহ মানুষের উপর থেকে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে বৃহত্তর জৈন্তা থেকে রাগীব আলীর বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা হুশিয়ারী উচ্চারন করেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আ’লীগ নেতা রিংকু চক্রবর্তী, সুবেদার আফতাব উদ্দিন, আব্দুর রশিদ মেম্বার, আব্দুল লতিফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ সমছুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান, মাষ্টার মনোহর আলী, জেলা যুবলীগ নেতা আব্দুল হেকিম শামীম, ইউপি সদস্য দুদু মিয়া, কয়সর আহমদ, নাজমুল ইসলাম হারুন, জাকির হোসেন, প্রকাশ চন্দ প্রমুখ। প্রতিবাদ সভা শেষে নানকার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রেরণ করা হয়।

জিয়াউর রহমানের ৩৪তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল


নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৪তম সাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল গত শনিবার ছাত্রদলের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রহুল আমিন,পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আর.এ বাবলু,সদস্য সচিব দেলোয়ার হুসেন,উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক দেলোয়ার হুসেন, যুগ্ন -আহবায়ক জাকির হুসেন,সিলেট ছাত্রদল নেতা বদরুল ইসলাম,রাসেল চৌধূরী ইমরান আহমদ,আবুল ফয়েজ,রহুল আমিন,প্রিন্স্ সুহেল,জাহাঙ্গির আলম,রাজু,কিবরিয়া জুয়েল প্রমূখ।

জিয়াউর রহমানের ৩৪তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কানাইঘাটে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৪তম সাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৫টায় কানাইঘাট বাজারস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে পৌর বিএনপির সভাপতি কাউন্সিলার শরীফুল হকের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুল বাশারের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শমসের আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হোসেন বুলবুল, বিএনপি নেতা আজিজুল হক, নজরুল ইসলাম, ফারুক আহমদ, নুরুল আমিন, মোঃ তাজ উদ্দিন, নুরুল হক, জাফর আহমদ, ছাত্রদল নেতা মুশফিক হাছান কবির, আইশামুজ্জামান, তাজুল ইসলাম, কয়সর আহমদ, রুহুল আমিন, মাহবুবুর রশিদ, মেহেদি হাসান, আম্বিয়া, নজরুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভায় দেশের এই ক্রান্তি লঘেœ গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ঠিকিয়ে রাখার স্বার্থে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রেখে যাওয়া আদর্শ বাস্তবায়নে সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। আলোচনা সভা শেষে জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট নয় কানাইঘাটের অভিভাবক ও শিক্ষক মন্ডলী


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এবারের এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট জনক ফলাফল অর্জন করতে পারেনি কানাইঘাটের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরা। ফলাফলে সন্তুষ্ট নয় অভিভাবক ও শিক্ষক মন্ডলী। পুরো উপজেলায় স্কুল পর্যায়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১৩জন শিক্ষার্থী। উপজেলার মোট ২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মোট ১৫৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১২৮২ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮২.৩৩%। উপজেলার ২২টি স্কুলের মধ্যে কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২৬ জনের মধ্যে ৪টি এ প্লাস সহ ১১৫, রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১টি এ প্লাস ৭৫ জনের মধ্যে ৪৪, বীরদল এন.এম.একাডেমী ৭৩ জনের মধ্যে ৬০, বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয় ৬৩ জনের মধ্যে ৫৯, ছোটদেশ উচ্চ বিদ্যালয় ৬২ জনের মধ্যে ৬১, চরিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ জনের মধ্যে ৮২, গাছবাড়ী মর্ডাণ একাডেমী ১৬০ জনের মধ্যে ১৩২, ঝিঙ্গাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় ৭৩ জনের মধ্যে ৭১, সড়কের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৩১ জনের মধ্যে ১১৩, আলহাজ্ব বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ জনের মধ্যে ৩৮, বীরদল অগ্রগামী উচ্চ বিদ্যালয় ৩৭ জনের মধ্যে ২৩, বড়চতুল উচ্চ বিদ্যালয় ২২ জনের মধ্যে ১৩, জুলাই আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৮ জনের মধ্যে ১টি এ প্লাস সহ ৫৫, কাড়াবালা বিদ্যানিকেতন ২০ জনের মধ্যে ১৩, মুলাগুল হারিছ চৌধুরী একাডেমী ৪০ জনের মধ্যে ৩৫, সুরাইঘাট উচ্চ বিদ্যালয় ৫৪ জনের মধ্যে ৪৫, সুরমা উচ্চ বিদ্যালয় ৯৯ জনের মধ্যে ৮৩, সুরতুননেছা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৬ জনের মধ্যে ৪২, কানাইঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ২৭ জনের মধ্যে ১৯, মালিক নাহার মেমোরিয়াল একাডেমী উপজেলার মধ্যে ৪৬ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৬টি এ প্লাস সহ ৪৫, মানিকগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৭ জনের মধ্যে ১টি এ প্লাস সহ ৫২ এবং ভোকেশনাল পর্যায়ে সুরতুন নেছা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ২৫ জনের মধ্যে ২১, হারিছ চৌধুরী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ২৯ জনের মধ্যে ২৫জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। উপজেলা পর্যায়ে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ১২টি মাদ্রাসা থেকে মোট ৫১৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৭৮জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৯২.৪৫%।

কিছুক্ষন পরেই অনলাইন প্রেসক্লাবের কার্যালয় উদ্বোধন হচ্ছে

Kanaighat News on Friday, May 29, 2015 | 8:02 PM

সব প্রস্ততি সম্পন্ন করা হয়েছে, কিছুক্ষন পরেই সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের  নব কমিঠির অভিষেক অনুষ্টান  ও কার্যালয় উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে |মধুবন সুপার মার্কেটে ৪র্থ তলায় অবস্থিত অনলাইন সাংবাদিকেদর ঐক্যের প্রতিক ’সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব’ কার্যালয়  ড. রাগীব আলী মিলনায়তনে অনুষ্টিত হচ্ছে এতে সকল সদস্য, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিমনা,  শুভাকাঙ্ক্ষীরা‘জৈষ্টমাসের কাঠাল পাকা রোদ আর মধ্য বিকেলের হঠাত বৃষ্টি কে উপেক্ষা করে সিলেটের সকল পেশার মানুষ এই মিলন মোহনায় আসতে শুরু করেছেন,|
মধুবন সুপার মার্কেটে ৪র্থ তলায় অবস্থিত অনলাইন সাংবাদিকেদর ঐক্যের প্রতিক ’সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবর আঙিন সাজানো হয়েছে বর্নীল করে এই বর্নীল অনুষ্টানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দৈনিক সিলেটের ডাকের সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি উপমহাদেশের প্রখ্যাত দানবীর ও ড. রাগীব আলী।
অনুষ্ঠানে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার সকল সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার জন্য সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ মকসুদ অনুরোধ জানিযেছেন।

বিপথগামী স্বামীকে সুপথে আনতে স্ত্রীর করনীয়

Kanaighat News on Thursday, May 28, 2015 | 7:55 PM


ইসলাম ডেস্ক: আপনার স্বামী যদি হন এমন একজন, যিনি নামাজ পড়েন না, অথবা দাড়ি শেভ করেন, অথবা গান শোনায় অভ্যস্ত, অথবা সিনেমায় আসক্ত, অথবা নোংরা ভাষায় কথা বলেন, কিংবা যদি হয় সেন্টিমেন্টাল বা গোঁয়ার টাইপের, অথবা কৃপণ প্রকৃতির, অথবা এমন বহু রকমের দোষে দুষ্ট। আর আপনি তার এসব আচরণ বদলাতে চান। প্রাণপণে কামনা করেন, যেনো সে শুধরে যায়। যন্ত্রণায় আর পরিতাপে দগ্ধ হয়ে আপনি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন− কীভাবে আমি তার ওপর প্রভাব খাটাতে পারি? কী করে তাকে আমি শোধরাতে পারি? তাকে বদলাতে পারি? তাকে ভালো করে, সুস্থ করে সুপথে ফিরিয়ে আনতে পারি? তাহলে আপনার জন্যে এই টিপসগুলো অবলম্বন করা একান্ত জরুরি । ১. নিজে ত্রুটিমুক্ত থাকুন : আপনি যেসব দোষ আপনার স্বামীর দেহ-মন কিংবা আচরণ থেকে বদলে ফেলতে চান, প্রথমত আপনাকে সে-সব আচরণ থেকে অবশ্যই দূরত্ব বজায় রাখতে হবে । কোনোক্রমেই সে সব আচরণ তার সামনে যেনো প্রকাশ পেয়ে না যায়, সে জন্যে সাবধান থাকুন । ২. তাকে বলুন, সে একজন ভালো মানুষ : এটা আপনাকে ও আপনার স্বামীকে সব রকমের মনমালিন্য থেকে দূরে রাখবে । তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে । তার দোষগুলো তার সামনে উপস্থাপন না করে বরং কৌশলে বোঝানোর চেষ্টা করুন, তার এ কাজটি করা তেমন ভালো হয় নি । ৩. চূড়ান্ত সময় বেঁধে দেবেন না : অনেকবার হয়তো ভেবেছেন চূড়ান্ত কোনো সময় বেঁধে দেবেন। ভেবেছেন বলবেন, ‘যদি এটা বন্ধ না হয়, তাহলে কিন্তু চললাম, নিজের পথ বেছে নিলাম।’ এভাবে সময় বেঁধে দিয়ে সম্পর্ক আদৌ ঠেকানো যায় না । মনোবিদদের মতে, আপনি যদি সত্যিই সম্পর্ক অথবা সংসার টিকিয়ে রাখতে চান, তাহলে এহেন ‘শেষ কথা তত্ত্ব’ থেকে বেরিয়ে আসুন। ৪. ভালো বই পড়তে দিন : হ্যাঁ, ভালো বই তাকে পড়তে দেয়া একটি অসাধারণ কাজ হবে । তবে এটা তাকে সরাসরি দিলে, সে অন্যকিছু ভাবতে পারে । তাই ভালো কিছু বই তার চারপাশে রেখে দেয়ার ব্যস্থা করুন । তার শোবার ঘরে, গাড়ির সামনের বক্সে কিংবা ড্রয়িংরুমেও রাখতে পারেন । তবে তাকে পড়তে অনুরোধ করবেন না । ৫. ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা পরিহার করুন : ‘তোমার আচরণ অসহনীয়। আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো’—এ ধরনের হুঁশিয়ারি কিছুটা ক্ষমতায়নের কাজ করে। ভাবখানা এমন যেন পুরো ব্যাপারটির নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে চলে আসছে। কিন্তু একবারও কি ভেবেছেন আখেরে এর পরিণতি কী । মনে রাখবেন, পরিবারে পুরুষ তার থেকে ক্ষমতাধর কাউকে সহ্য করে না । ৬. তার সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করুন : স্বামী অথবা সঙ্গীটি যদি আরেকটি সম্পর্ক বজায় রাখেন, আসক্ত হন, পরিবারের চেয়ে কর্মক্ষেত্র অথবা অন্যত্র বেশি আগ্রহী হন, তাহলে বুঝতে হবে সে নিজের ভেতরে সুখী হবার প্রেরণা পাচ্ছে না । সে জানে, তার কাজটি ভুল। তার যে অনুতাপ হয় না, তা নয়। সমস্যা হলো, তার মনের ভেতরে সুপথে আসার, শুদ্ধ হওয়ার তাগিদ নেই। সঙ্গীকে সুপথে আসতে প্রাণিত করতে তার সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করতে হবে । ৭. প্রমাণ করুন, আপনি তার একান্ত অনুগত : নারীর ভালোবাসায় পুরুষ গলে যাবে ঠিকই, কিন্তু সেজন্য নারীকে হতে হবে এমন নম্র ও শান্ত এবং এতটা ধীমতি ও প্রণতিপরায়ণা যে, পুরুষ অনুভব করে যেনো আপনি তার ‘একান্ত অনুগত’ এবং ‘তার বাসনায় পরিচালিত’। আপনি তার হাতের থেকেও বেশি অনুগত হয়ে যান এবং তার দিবাস্বপ্নের চেয়ে অধিক সজাগ থাকুন । ৮. তাকে বেশি বেশি সময় দিন : স্বামীর আচরণ ভালো লাগছে না বলে তার থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবেন না । এতে সে আরো মন্দ লোকদের দলে ভিড়ে যাবার সুযোগ পাবে । তার কাছাকাছি থাকুন । তাকে আপনার কাজে সহায়তা করার সুযোগ দিন। বোঝান, সে ছাড়া আপনার একদম ভালো লাগে না। এ চেষ্টায় একবার নিরত হলেই পেয়ে যাবেন তাকে প্রভাবিত করার চাবিকাঠি। ৯. আপনিই আগে ক্ষমা চান : দাম্পত্যে ঝগড়া কার হয়না বলুন? কিন্তু ঝগড়া হলেই গাল ফুলিয়ে বসে থাকবেন না, কিংবা স্বামীর থেকে নিজেকে আলাদা করে নেবেন না। নিজের দোষ কম হোক অথবা বেশি, নিজেই উদ্যোগী হয়ে ক্ষমা প্রাথনা করুন। যদি অন্য স্বামীর দোষ হয়ে থাকে, তাহলেও তাকে দোষারোপ করবেন না। তাতে সে কখনও আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে পারবে না। ১০. রাগের কারণ বুঝতে চেষ্টা করুন : বিয়ের পর আবিষ্কার করলেন আপনার স্বামী মাঝেমধ্যে রেগে যান। প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে সচেতন হোন । রাগের কারণ বুঝতে চেষ্টা করুন। তারপর তাকে জানান যে, এখন আর সে একা নয়, আপনিও তার সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করতে পারেন । মনে রাখবেন, নারীকে সৃষ্টি করা হয় নি পুরুষের মাথার অংশ থেকে, যেনো সে মর্যাদায় পুরুষকে ছাড়িয়ে না যায়। পুরুষের পায়ের অঙ্গ থেকেও সৃষ্টি করা হয় নি তাকে, যেনো সে পুরুষের কাছে অবহেলার পাত্র না হয়। নারীকে বের করা হয়েছে পুরুষের পাঁজর থেকে, যেনো সে থাকে তার বাহুর নীচে, হৃদয়ের কাছে। যেনো পুরুষ তাকে ভালোবাসতে পারে এবং তার থেকে ভালোবাসা পেতেও পারে।নারীর ভালোবাসা ও সহমর্মিতা এমন চমৎকার এক ঝরনার উৎসরণ ঘটাতে পারে, যার পরশ পেলে অনায়াসে গলে যাবে পুরুষের মস্তিষ্ক। যেমন পানির গভীরতা পাথরকেও নরম করে ফেলে এবং গলিয়ে দেয় । কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই জেগে উঠবে তার হৃদয়, তার বিবেক। ঘুম ভাঙবে তার চেতনার। সচেতন হবে সেতার সম্পদ ও ভবিষ্যতের ভাবনায়। সংগৃহীত

ভিন্ন স্বাদের চাইনিজ খাবার “মাশরুম রাইস”


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রোজ রোজ সেই একই ভাত-তরকারী কারই বা খেতে ভালো লাগে? যদি একটু ভিন্ন স্বাদের বাহার চান ডাইনিং টেবিলে, তাহলে আজই রেঁধে ফেলুন সুস্বাদু মাশরুম রাইস। মজাদার এই খাবারটি তৈরি করতে সময় লাগে খুবই অল্প। তাছাড়া চাইনিজ কোন ডিশ হোক বা দেশি কারি, মাংসের যে কোন আইটেমের সাথেই ভালো লাগবে এই রাইসটি। রেসিপি দিচ্ছেন ফারাহ তানজীন সুবর্ণা। উপকরণ বাটন মাশরুম – ১ টিন (৪৫০ গ্রাম) কালিজিরা চাল – দেড় কৌটা বা পট (কন্ডেন্সড মিল্কের কৌটা) পেঁয়াজ – ১ টা (কুচি) রশুন – ৫ কোয়া (কুচি) কাঁচা মরিচ – ৩/৪ টা (কুচি) গোল মরিচ গুঁড়ো – ১/৩ চা চামচ সয়া সস – ১ টেবিল চামচ লবণ – স্বাদ মত টেস্টিং সল্ট – ১/৩ চা চামচ মাখন – প্রয়োজন মত প্রণালী -টিনের বাটন মাশরুম পানি ঝরিয়ে পাতলা করে স্লাইস করে নিয়ে একটু খানি আটা দিয়ে ভাল করে ধুয়ে রাখুন। -চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। পাতিলে বেশি করে পানি দিয়ে ফুটতে দিন। তারপর সেই ফুটন্ত পানিতে চাল দিয়ে ঝরঝরে ভাত রান্না করে পানি ঝরিয়ে চালনি বা কোন বড় থালায় উপরে ছড়িয়ে দিন ফ্যানের বাতাসে রেখে দিন। -মাঝে মাঝে হালকা হাতে কাঁটা চামচ দিয়ে একটু উল্টে পাল্টে দিতে হবে যাতে ভাত এক্কেবারে ঝরঝরে হয়ে যায়। -প্যানে মাখন দিয়ে পেঁয়াজ আর রশুন কুঁচি দিয়ে হালকা ভেজে মাশরুম স্লাইস, কাঁচা মরিচ কুঁচি আর একটু খানি লবন দিয়ে ৫/৭ মিনিট ভেঁজে ভাত, স্বাদ মত লবণ, সয়া সস আর টেস্টিং সল্ট দিয়ে ভাল করে হালকা হাতে নেড়ে সব কিছু মিশিয়ে নিতে হবে। -তারপর ৭/৮ মিনিট ভেজে চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে। বাসায় পেঁয়াজ কলি থাকলে চুলা থেকে নামানোর মিনিট দুয়েক আগে কুচোনো পেঁয়াজ কলি ছড়িয়ে দিলে দেখতে আরো সুন্দর লাগবে, খেতেও ভাল লাগবে। সংগৃহীত

মোবাইল ফোনের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে ত্বকের!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মোবাইলফোন ছাড়া একমুহূর্ত চলা কি সম্ভব? অবশ্যই না। দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হল মোবাইলফোন। যার প্রয়োজনীয়তা সবকিছু উর্ধে, এবং বাস্তবেও তাই। কিন্তু আপনি কি জানেন এই মোবাইলফোনের কারণে আপনার ত্বকের কতটা ক্ষতি হচ্ছে? হয়তো ভাবছেন ত্বকের ক্ষতি হওয়ার পিছনে মোবাইলফোন কেন কারণ হয়ে দাঁড়ালো! চলুন তাহলে জেনে নিই মোবাইলফোন কীভাবে আমাদের ত্বকের ক্ষতি করছে। ত্বকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমন ফোনে অনেক ময়লা থাকে যার থেকে এটিতে জার্ম এবং ব্যাকটেরিয়া আক্রমন ঘটে যার কারণে ত্বকে দেখা দেয় লাল বর্ণের রেশ সমস্যা। তাছাড়া অনেকেই আছেন যারা বাথরুমে ফোন নিয়ে যায় এই কারণেও ত্বকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমন ঘটে। তাই প্রতিদিন ফোন পরিষ্কার করুন। সেলফোনের কারণে আপনি রাত জাগেন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এই কথার মানে টি! আপনি দীর্ঘসময় রাত জেগে ফোন ব্যবহার করেন যার জন্য আপনার চোখের চারপাশে দেখা দেয় ডার্কসার্কেল। আপনি যদি রাতে ঠিক মতো না ঘুমান তার প্রভাব চেহারায় পরে ও ত্বক দেখায় নিষ্প্রাণ এবং চোখের চারপাশ ফুলে যায়। তাই রাতে সঠিক সময়ে ঘুমাতে যান এবং ফোন বিছানার আশেপাশে না রেখে দূরে রাখুন। ফোন আপনার ত্বক পুড়িয়ে ফেলে ফোন দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করার কারণে খুব গরম হয়ে যায় যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। ফোনের গরম তাপ ত্বকের মেলানিন উৎপাদনে বাঁধা দিয়ে থাকে এবং ত্বকে দেখা দেখা দেয় অপ্রত্যাশিত কালো দাগ। ত্বকে বলিরেখা দেখা দেয় আপনি যদি দীর্ঘ সময় ধরে ফোনে চেটিং করতে থাকেন চোখের চারপাশে বলিরেখা দেখা দিবে, শুধু এইটুকুই এর কারণে ত্বকেও দেখা দিবে বলিরেখার সমস্যা যার জন্য ত্বক দেখাবে প্রাণহীন ও বয়স্ক। তাই প্রয়োজন ছাড়া খুব বেশি ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ফোনের কারণে ত্বকে হতে পারে এলার্জি সম্প্রতি একটি গবেষণায় বলা হয়েছে যে যাদের এলার্জির সমস্যা রয়েছে তাদের যথাসম্ভব ফোন কম ব্যবহার করাই ভালো কারণ ফোনের কেস গুলো তৈরি করা হয় নিকেল, কোবাল্ট ও ক্রোমিয়াম জাতীয় ধাতব পদার্থ দিয়ে। শুনতে অন্যরকম লাগলেও ফোনের এই ধাতু গুলো ত্বকের এলার্জি সমস্যা বাড়িয়ে দেয় ত্বক লাল বর্নের হয় এবং ফোস্কাও দেখা দেয়। তবে আইফোন বা এন্ডড্রয়েড ফোনের ব্যবহারকারীদের কোন ভয় নেই কারণ এই ফোনগুলোর নিকেল বা কোবাল্ট উপাদান পরীক্ষা করা হয়নি।

৬ কেজি আটায় শিশু বন্ধক!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আর্থিক প্রয়োজনে হরহামেশাই মানুষ বন্ধক নিচ্ছে। সেই আদিকাল থেকেই বহমান লেনদেনের এই আর্থিক প্রথাটি। মানুষ সাধারণত: মূল্যবান অলঙ্কার বা জমি জমা গচ্ছিত রেখে অবস্তাপন্ন ব্যক্তি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নগদ অর্থ ধার নিয়ে থাকে। তাই বলে নিজের সন্তানকে বন্ধক দেয়ার কথা কে কবে শুনেছে! কিন্তু সব অসম্ভবের দেশ ভারতে এই চরম নিষ্ঠুরতার একাধিক ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি। গত ৫ বছর ধরে মধ্যপ্রদেশের এক ভূস্বামীর জমিতে কাজ করে আসছিল ১৪ বছরের শান্তারাম। মাত্র পাঁচ হাজার রুপি আর ৬ কেজি আটার বিনিময়ে ৯ বছরের শিশু শান্তারামকে বন্ধক দিয়েছিলেন তার অসহায় বাবা-মা। দিনে দিনে সেই বন্ধকের টাকা সুদের জটিলতায় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বন্ধকী ছেলেকে আর মুক্ত করতে পারেননি তারা। সম্প্রতি এনডিটিভি’তে এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ১৫ বছরের শান্তারামকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে। বন্ধকী অবস্থায় অমানুষিক পরিশ্রম করতে হত শান্তারামকে। গত ৫ বছর ধরে প্রতিদিন ক্ষেতে গড়ে ১২ ঘণ্টা অব্দি কাজ করেছে শিশুটি। বিনিময়ে তার পরিবারকে দেয়া হয়েছে বছরে মাত্র ১শ কেজি গম। আমি কাজ ছেড়ে যেতে চাইলেই মালিক আমাদের ঋণের সঙ্গে আরো সুদ যোগ করতেন। এভাবেই তার কাছে আমাদের পাহাড় পরিমাণ দেনা জমেছে। এই দেনা শোধ না করা অব্দি আমার মুক্তি নেই। আমাকে বুড়ো হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কাজ করতে হবে। কাজ করতে করতেই আমি একদিন শেষ হয়ে যাব। বন্দি অবস্থায় এনডিটিভি’র কাছে এভাবেই নিজের কষ্টের কথা বর্ণনা করেছিল শান্তারাম। এই কাহিনী প্রচারিত হওয়ার পরপরই টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। রোববার শান্তারমসহ বেশ কিছু বন্ধকী শিশুকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। এ ঘটনায় মধ্যপ্রদেশের হারদা জেলার বাসিন্দা শান্তারামের নিয়োগ কর্তাকেও আটক করেছে জেলা প্রশাসন। তবে হারদা প্রশাসন এর আগে দাবি করেছিল, তাদের জেলায় কোনো শিশু শ্রমিক নেই। রাজ্য সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা তিমারনি জেপি সাচাং তখন এনডিটিভি’কে বলেছিলেন, তাদের টিম বিভিন্ন গ্রামে অনুসন্ধান চালিয়েছে। কিন্তু একটি বন্ধকী শিশু শ্রমিকও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু বুধবার ওই জেলার প্রশাসক সান্তারামের সঙ্গে ১২ এবং ১০ বছরের আরো দু’জন শিশুকে উদ্ধার করেছে। এদের দুজনকে ৩ হাজার এবং ৪ হাজার রুপির বিনিমিয়ে বন্ধক রাখা হয়েছিল বলে ওই সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে। এদিকে ‘সিনারগি সন্তান’ নামেরস্থানীয় এক এনজিও বলছে, কেবল হারদা জেলাতেই রয়েছে ২ হাজারের বেশি বন্ধকী শিশু শ্রমিক।

মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে ৪ জন লোক ভালো বললে


ইসলাম ডেস্ক: হাদিসে আছে, আবূল আসওয়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি মদীনায় এসে উমার ইবনে খাত্ত্বাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট বসলাম। অতঃপর তাঁদের পাশ দিয়ে একটি জানাযা পার হলে তার প্রশংসা করা হল। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ওয়াজেব (অনিবার্য) হয়ে গেল।’ অতঃপর আর একটা জানাযা পার হলে তারও প্রশংসা করা হলে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ওয়াজেব হয়ে গেল।’ অতঃপর তৃতীয় একটা জানাযা পার হলে তার নিন্দা করা হলে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ওয়াজেব হয়ে গেল।’ আবুল আসওয়াদ বলেন, আমি বললাম, কী ওয়াজেব হয়ে গেল? হে আমীরুল মু’মিনীন!’ তিনি বললেন, আমি বললাম, যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, যে মুসলিমের নেক হওয়ার ব্যাপারে চারজন লোক সাক্ষ্য দেবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।’’ আমরা বললাম, আর তিনজন?’ তিনি বললেন, তিনজন হলেও।’’ আমরা বললাম, আর দু’জন?’ তিনি বললেন, দু’জন হলেও।’’ অতঃপর আমরা এক জনের (সাক্ষ্য) সম্পর্কে আর জিজ্ঞাসা করলাম না। [বুখারি ১৩৬৮,২৬৪৩, তিরমিযি ১০৫৯, নাসায়ি ১৯৩৪, আহমদ ১৪০, ২০৪, ৩২০, ৩৯১]

চুল কোঁকড়া করুন সাধারণ টিস্যু পেপার দিয়েই


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আপনি চাইলে ঘরে বসেই কেবল সাধারণ টিস্যু পেপার দিয়ে কোঁকড়া করে নিতে পারবেন আপনার সুন্দর চুলগুলো। কোন আয়রন বা দামী কোন স্টাইলার লাগবে না। যেতে হবে না পার্লারেও। কীভাবে? আছে খুব সহজ একটি উপায়। উপকরণ -টিস্যু পেপার (কিচেন ন্যাপকিন বা একটু ভারী টয়লেট টিস্যু হলে ভালো, আপনি চাইলে কাপড়ের টুকরো ব্যবহার করতে পারেন) -পানি পদ্ধতি -চুল ভালো করে আঁচড়ে নিন। তারপর চুলে ভালো মত পানি স্প্রে করে নিন। চুল কাকভেজা হবে না, কিন্তু ভেজা ভেজা হবে। পানি দিতে না চাইলে হেয়ার স্প্রেও ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনেকটা স্প্রে ব্যবহার করতে হবে। -টিস্যুকে লম্বা টুকরো করে নিন। এবার চুলের একদম নিচ থেকে শুরু করে চুল আস্তে আস্তে টিস্যুর সাথে পেঁচাতে থাকুন। -পেঁচিয়ে একদম উপরের দিকে চলে এলে আস্তে করে টিস্যুতে গিঁট দিয়ে দিন। -যত শক্ত করে চুল পেঁচাবেন ও গিঁট দেবেন, চুল ততই বেশী কোঁকড়া কোঁকড়া হবে। -চুল শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। যত বেশী সময় রাখবেন, কোঁকড়া ভাবটা তত সুন্দর আসবে। চাইলে রাতে করে ঘুমাতেও পারেন। -তারপস আস্তে আস্তে টিস্যু পেপার গুলো খুলে নিন। বেশী সোজা চুল হলে খোলার পর হেয়ার স্প্রে ছিটিয়ে দিন, চুল অনেকটা সময় সেট থাকবে।

লোক দেখানো আমলের পরিণতি ভয়াবহ


ইসলাম ডেস্ক: আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যে ব্যক্তির বিচার করা হবে, সে হবে একজন (ধর্মযুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী) শহীদ। তাকে আল্লাহ্‌র নিকট উপস্থিত করা হবে। অতঃপর আল্লাহ্‌ পাক তাকে (দুনিয়াতে প্রদত্ত) নেয়ামতসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিবেন। আর সেও তা স্মরণ করবে। এরপর আল্লাহ্‌ তাআলা তাকে জিজ্ঞেস করবেন, দুনিয়াতে তুমি কি আমল করেছ? উত্তরে সে বলবে, আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য (কাফেরদের সাথে) লড়াই করেছি। এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়েছি। তখন আল্লাহ্‌ বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ, বরং তোমাকে যেন বীর-বাহাদুর বলা হয়, সেজন্য তুমি লড়াই করেছ। আর (তোমার অভিপ্রায় অনুযায়ী) তোমাকে দুনিয়াতে তা বলাও হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে আদেশ দেওয়া হবে। তখন তাকে উপুড় করে টেনে-হিঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। অতঃপর সে ব্যক্তিকে বিচারের জন্য উপস্থিত করা হবে, যে নিজে দ্বীনী ইলম শিক্ষা করেছে এবং অপরকে শিক্ষা দিয়েছে। আর পবিত্র কুরআন অধ্যয়ন করেছে (এবং অপরকে শিক্ষা দিয়েছে)। তাকে আল্লাহ্‌ পাকের দরবারে হাযির করা হবে। অতঃপর তিনি তাকে নেয়ামতসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিবেন এবং সেও তা স্মরণ করবে। অতঃপর আল্লাহ্‌ তাআলা তাকে জিজ্ঞেস করবেন, এই সমস্ত নেয়ামতের শুকরিয়া জ্ঞাপনের জন্য তুমি কি আমল করেছ? উত্তরে সে বলবে, আমি স্বয়ং দ্বীনী ইলম শিক্ষা করেছি এবং অপরকে শিক্ষা দিয়েছি এবং তোমার সন্তুষ্টির নিমিত্তে কুরআন তেলাওয়াত করেছি। তখন আল্লাহ্‌ বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। আমার সন্তুষ্টির জন্য নয়, বরং তুমি এজন্য ইলম্ শিক্ষা করেছ, যেন তোমাকে ‘বিদ্বান’বলা হয় এবং এজন্য কুরআন অধ্যয়ন করেছ, যাতে তোমাকে‘ক্বারি’ বলা হয়। আর (তোমার অভিপ্রায় অনুযায়ী ) তোমাকে বিদ্বান ও ক্বারীও বলা হয়েছে। অতঃপর (ফেরেশতাদেরকে) তার সম্পর্কে নির্দেশ দেওয়া হবে। সুতরাং তাকে উপুড় করে টানতে টানতে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। অতঃপর এমন এক ব্যক্তিকে বিচারের জন্য আল্লাহ্‌র দরবারে উপস্থিত করা হবে, যাকে আল্লাহ্ তাআলা বিপুল ধন-সম্পদ দান করে বিত্তবান করেছিলেন। তাকে আল্লাহ্‌ তাআলা প্রথমে প্রদত্ত নেয়ামতসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিবেন। আর সে তখন সমস্ত নেয়ামতের কথা অকপটে স্বীকার করবে। অতঃপর তিনি তাকে জিজ্ঞেস করবেন, এই সমস্ত নেয়ামতের শুকরিয়ায় তুমি কি আমল করেছ? উত্তরে সে বলবে, যে সমস্ত ক্ষেত্রে ধন- সম্পদ ব্যয় করলে তুমি সন্তুষ্ট হবে, তোমার সন্তুষ্টির জন্য সেসব খাতের একটি পথেও ব্যয় করতে ছাড়িনি। আল্লাহ্‌ তাআলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। আমার সন্তুষ্টির জন্য নয়; বরং তুমি এই উদ্দেশ্যে দান করেছিলে, যাতে তোমাকে বলা হয় যে, সে একজন ‘দানবীর’। সুতরাং (তোমার অভিপ্রায় অনুসারে দুনিয়াতে) তোমাকে ‘দানবীর’বলা হয়েছে। অতঃপর (ফেরেশতাদেরকে) তার সম্পর্কে নির্দেশ দেওয়া হবে। নির্দেশ মোতাবেক তাকে উপুড় করে টানতে টানতে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে । সূত্রঃ ওয়েবসাইট

কানাইঘাটে খালে নবজাতকের লাশ! নিষ্পাপ শিশুটি কার পাপের ফসল?

Kanaighat News on Tuesday, May 26, 2015 | 10:03 PM

 নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট উপজেলার ৬নং সদর ইউনিয়ের বীরদল ছোটফৌদ গ্রামের বীরদল খালে এক নবজাতকের লাশ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,মঙ্গলবার মাছ ধরার জন্য এক যুবক খালে নামলে এ নবজাতকের লাশ দেখতে পায়।  এ ঘটনায় এলাকায় নানা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নিষ্পাপ শিশুটি কার পাপের ফসল?

কানাইঘাটে কাবিখার চাল আত্মসাত, মারামারি!থানায় মামলা রেকর্ড



মো: মাহতাব আহমদ(সেলিম)
: কানাইঘাট সদর ইউপির নিজ চাউরা উত্তর বড়কান্দি পূর্ব জামে মসজিদের সংস্কারের জন্য সিলেট-৫ আসনের এমপি আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন কর্তৃক কাবিখা প্রজেক্ট থেকে বরাদ্ধকৃত ৬ টন চাউলের টাকা আত্মসাতের কেলেংকারী নিয়ে সংঘর্ষে আম্বিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কানাইঘাট থানায় ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড হয়েছে। থানার মামলা নং- ০৭ তাং- ১৬/০৫/১৫ইং। জানা যায়, নিজ চাউরা উত্তর বড়কান্দি জামে মসজিদের সংস্কার ও সোলারের জন্য স্থানীয় এমপি সেলিম উদ্দিন কয়েক মাস পূর্বে কাবিখা প্রজেক্ট থেকে ৮টন চাউল বরাদ্ধ দেন। সম্প্রতি উক্ত চাউলের ডিও লেটার উত্তোলন করে চাউল বিক্রির টাকা প্রজেক্ট কমিটির সভাপতি বড়কান্দি গ্রামের আলা উদ্দিন বরই আত্মসাত করেছেন এমন অভিযোগ এনে গত ১৫ মে বড়কান্দি জামে মসজিদে জুম্মার নামাজের পর একই গ্রামের আমির আলীর পুত্র প্রজেক্ট কমিটির সদস্য আম্বিয়া (৩৫) এর সাথে আলা উদ্দিন বরইর কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ঐ দিন রাত ১০টার দিকে আম্বিয়া স্থানীয় সুরাইঘাট বাজারে গেলে আলা উদ্দিন বরই ও তার দুই পুত্র তাকে মেঘ লাইট দিয়ে পিটিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করে। গুরুতর আহত আম্বিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ সিলেট ওমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় প্রজেক্ট কমিটির সেক্রেটারী নিজ উচারা উত্তর বড়কান্দি গ্রামের মৃত বশির আহমদের পুত্র শরিফ উদ্দিন (২৬) বাদী হয়ে মসজিদের সংস্কারের জন্য বরাদ্ধকৃত কাবিখা চাউলের টাকা আত্মসাত এবং আম্বিয়াকে গুরুতর জখমের ঘটনায় থানায় আলা উদ্দিন বরই (৫২) তার পুত্র হুমায়ুন রশিদ (২২), ইমরান আহমদ (২০) কে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত পূর্বক মামলাটি এফআইআর করে।

সিলেটে স্থাপন হচ্ছে ১১টি ফায়ার স্টেশন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিলেটে আরও ১১টি নতুন ফায়ার স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নগরীতে চার ও উপজেলায় হবে সাতটি স্টেশন। বর্তমানে পাঁচটি ফায়ার সার্ভিস পুরো জেলার সেবা দিতে হিমশিম খাওয়া জরুরি ভিত্তিতে এই ১১টি স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরমধ্যে তিনটির নির্মাণ কাজ চলছে। বাকি ৮টি পরিকল্পনা ও জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সিলেট ফায়ার সার্ভিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সিলেট ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে ফেঞ্জুগঞ্জ উপজেলার ফায়ার স্টেশন। এছাড়া বটেশ্বর সেনানিবাস, জৈন্তাপুর দু’টি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। এছাড়া, নগরীর আম্বরখান, মদীনা মার্কেট, শিবগঞ্জ ও শাহজালাল উপশরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আর অন্য উপজেলার মধ্যে বিশ্বনাথ, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাটে ফায়ার স্টেশনের জন্যে জমি অধিগহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট বিভাগে বর্তমানে ১৬টি ফায়ার স্টেশন চালু রয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৫টি। সেগুলো হলো, নগরীর তালতলায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় ফায়ার স্টেশন, দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও জকিগঞ্জ স্টেশন। সিলেটের ৬টি মেট্রোপলিটন থানার দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রথম দুটি স্টেশনই ভরসা। এই দুটি ফায়ার স্টেশনই নগরীর প্রায় ৫০ হাজার ভবনের অগ্নি নির্বাপণে একমাত্র ভরসা। অভিযোগ রয়েছে, দিনে দিনে বহুতল ভবন নির্মাণ বেড়ে চলায় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্টেশন দুটি। নগরীতে আরও কয়েকটি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে উঠে। এমন প্রেক্ষাপটেই ২০১০ সালে নগরীর আম্বরখান, মদীনা মার্কেট, শিবগঞ্জ ও শাহজালাল উপশরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে। সে ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু জানায়নি মন্ত্রণালয়। তবে, ইতোমধ্যে তিনটি উপজেলায় নির্মাণ কাজ শুরু ছাড়াও ৪টিতে জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। সূত্র জানিয়েছে, নানাবিধ সমস্যায় সিলেট ফায়ার সার্ভিস। এখানে প্রথম শ্রেণীর ফায়ার স্টেশন একটি। সিলেট ফায়ার সার্ভিসই বিভাগের একমাত্র প্রথম শ্রেণীর স্টেশন। এছাড়া আর সবকটি স্টেশনই দ্বিতীয় শ্রেণীর। এগুলোর সবক’টি স্টেশনেরই গাড়ির সংখ্যাও দু’তিনটি করে। বড়ধরণের দুর্ঘটনা ঘটলে নির্ভর করতে হয় সিলেট ফায়ার সার্ভিসের উপর। সিলেট ফায়ার সার্ভিসের ৮টি গাড়ির বিভাগের দুর্যোগ মোকাবেলায় একমাত্র ভরসা। সংশ্লিষ্টদের মতে, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি হয় সবচে বেশি ও দ্রুত সময়ে। আগুন লেগে গেলে মুহূর্তে ছাই হয়ে যায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ। তালতলাস্থ সিলেট ফায়ার স্টেশনের পর ২০০৬ সালে দক্ষিণ সুরমা ফায়ার স্টেশন স্থাপন করা হযেছিলো। এর সক্ষমতাও খুব দুর্বল। মাত্র তিনটি গাড়িই এই স্টেশনের মূল সহায়। ফলে তালতলাস্থ ফায়ার স্টেশনই একমাত্র ভরসা। সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ড্রিফেন্স এর সহকারী পরিচালক শহিদুর রহমান বলেছেন, আমরা চেষ্টা করছি অগ্নিকা- ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে। এক্ষেত্রে সেবা বাড়ানোটাই বড় চ্যালেঞ্জ। এই লক্ষে বটেশ্বর সেনানিবাস, জৈন্তাপুরে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে ফেঞ্চুগঞ্জ ফায়ার স্টেশন। এছাড়া জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে বিশ্বনাথ, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট উপজেলার ফায়ার স্টেশনের জন্যে। পরিকল্পনায় রয়েছে, নগরীর আম্বরখান, মদীনা মার্কেট, শিবগঞ্জ ও শাহজালাল উপশরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন।

অবৈধ বিলবোর্ড ভেঙে ফেলার ঘোষণা আনিসের


ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, উত্তরের দুই-তৃতীয়াংশ বিলবোর্ডই অবৈধ। আমি সবসংস্থাকে বলেছি আমরা সব অবৈধ বিলবোর্ড ভেঙে ফেলব। মঙ্গলবার দুপুরে ডিএনসিসির ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০নং ওয়ার্ড পরিদর্শনের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন আনিসুল হক। আনিসুল হক বলেন, কাল রাতে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। এতে এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। গুলশানের এ এলাকায় ওয়াসার কোনো স্যুয়ারেজ লাইন নেই। তাহলে কিভাবে এলাকার পানি যাবে? এভাবে চলতে দেয়া যায় না। ওয়াসাকে বিনীত অনুরোধ- আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি। এলাকার স্যুয়ারেজ ব্যবস্থা সচল করি। তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সহযোগিতা চেয়ে বলেন, আমরা কোথায় বর্জ্য ফেলবো তা খোঁজে পাচ্ছি না। বর্জ্য ফেলার কোনো জায়গা নেই। এজন্য বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে লিখেছি। তাদের বহু জায়গা বছরের পর বছর ধরে পড়ে আছে। তারা আমাদেরকে অন্তত দুই বছরের জন্য দুই-তিন কাঠা জমি বরাদ্দ দিক। তাহলেই আমরা আমাদের কমিটমেন্ট বাস্তবায়ন ‍করতে পারবো। মেয়রের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম এনামুল হক, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মাসুদ আহসান প্রমুখ।

যে কারণে ভারতের কৃষকেরা আত্মহত্যা করে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিতে চাষ করা তুলা ধ্বংস হয়ে যাবার পর এবছরের ফেব্রুয়ারিতে রাম রাও নারায়ণ পঞ্চলেনভর বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। মহারাষ্ট্র প্রদেশের এই কৃষক তার জমি থেকে আয়ের আশা হারিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিলেন। এনিয়ে টানা তৃতীয় বছরের মতো তার জমিতে ফসল হয়নি। প্রথম বছর খরার কারণে এবং পরবর্তী দুবছর অসময়ে বৃষ্টির কারণে। কৃষিকাজ এবং মেয়ের বিয়ের জন্য নেয়া প্রায় ৩৫ হাজার ডলারের সমান ঋণে এখন ডুবে আছেন পঞ্চলেনভর। জানেন না কিভাবে আবার নিজের পায়ে দাঁড়াবেন। তিনি আশায় আছেন, কর্তৃপক্ষ হয়তো তার মতো কৃষকদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে। পঞ্চলেনভর বলেন, ‘সরকারের উচিত কৃষকদের ঋণ মওকুফ করে দেয়া। এখন আমরা যে ক্ষতিপূরণ পাচ্ছি তা তিনগুণ করা উচিত। সরকার যে দামে ফসল কিনে নেয়, সেই দামেই ফসল বিক্রি করতে তিনি বাধ্য। অন্তত তার আত্মহত্যার চেষ্টাটা ব্যর্থ হয়েছে, সবাই তার মতো ভাগ্যবান নয়।’ ভারতের অপরাধ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে, গত ২০ বছরে দেশটিতে প্রায় ৩ লাখ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। অসময়ে বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টির কারণে গত কয়েক সপ্তাহে ভারতের বিভিন্ন অংশে অনেক ফসল ধ্বংস হয়েছে, দারিদ্র্যপীড়িত কৃষকরা পড়েছেন আরো হতাশায় এবং তাদের অনেকে নিজেকে ঠেলে দিয়েছেন মৃত্যুর মুখে। রাজ্য সরকারের হিসাবে, এবছরের প্রথম চার মাসেই মহারাষ্ট্রের ২৫৭ জন কৃষক নিজেদের জীবন কেড়ে নিয়েছেন। মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে এর পরের গ্রামটির বাসিন্দা, জানাবারি ঘোদাম সেই ব্যথা এখন টের পাচ্ছেন। তার স্বামী রমেশ ঘোদাম দুমাস আগে আত্মহত্যা করেছেন। ঘোদাম বলেন, অর্থচিন্তাই তার স্বামীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। তার প্রায় তিন হাজার ডলারের ঋণ ছিল এবং তার ফসলও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এখন অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করেই তাকে জীবন অতিবাহিত করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আমার জীবনে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। জমির ফসল ধ্বংস হয়ে গেছে, এখন সেটি একটি শূন্য জমি এবং এ মৌসুমেও নতুন করে চাষ করা যাবে না। বাড়িতে রান্না করার মতো খাবার নেই বললেই চলে। ছেলে-মেয়েকে নিয়ে একা হয়ে পড়েছি আমি। এমনকি ঘোদামের ঘরটি অন্ধকার। গত দুমাস যাবত বিদ্যুৎ বিল দিতে না পারায় সংযোগও কেটে দেয়া হয়েছে। আর ২০ বছর বয়সী কন্যাসন্তানের বিয়ে দেয়ার মতোও কোন টাকা তার কাছে নেই। পঞ্চলেনভারের গ্রামে একদল কৃষক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এখানকার প্রধান কৃষিপণ্য তুলা, কিন্তু বিশ্ববাজারে তুলার দাম কমে যাওয়া এবং চীনের তুলার চাহিদার কারণে তাদের আশা খুব ক্ষীণ। সরকার এবং মিল মালিকদের বেঁধে দেয়া দামের বাইরে তাদের যাবারও উপায় নেই। ওই দলের একজন কৃষক, ভাস্কর দেওভালভার ব্যাখ্যা করে বলছিলেন যে, পুরো গ্রামটি নির্ভর করে কৃষিকাজের ওপরে। অধিকাংশ কৃষকই স্থানীয় মহাজনদের কাছে দেনাগ্রস্থ, যারা ২৫ শতাংশ সুদে ঋণ দিয়ে থাকে। তার স্বপ্ন এখন কলেজপড়ুয়া ছোট ছেলেকে নিয়ে। দেওভালভার প্রার্থনা করেন, তার পুত্র যেন পড়ালেখা করে শহরে একটি চাকরি পায়। তিনি বলেন, কৃষিকাজ করে কোন ভবিষ্যৎ নেই, অনেক বিনিয়োগ করেও কোন লাভ নেই এখানে। জমিতে কোন উৎপাদন নেই, অপরদিকে ব্যাংক এবং মহাজনদের চাপের মুখে কৃষকদের জন্য নিজেদের জীবন কেড়ে নেয়া ছাড়া কোন উপায় থাকে না।

'সালাহ উদ্দিন কোন সাক্ষাৎকার দেননি'


নিউজ ডেস্ক: বিএনপির যুগ্ম-মহাসিচব সালাহ উদ্দিন আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেশি-বিদেশি কোনো গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেননি' বলে জানিয়েছেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও দলটি মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন। মঙ্গলবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। বাংলাদেশি একটি দৈনিককে সালাহ উদ্দিন সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এমন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। ড. আসাদুজ্জামান বলেন, "ভারতে আইনের শাসন রয়েছে। তাদের নিয়ম-নীতির বাইরে কোনো সাক্ষাৎকার দেয়া সম্ভব নয়। হাসপাতালে আনা-নেয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কিছু কথা বলেছেন। ওই কথার ওপরেই কিছু তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে।" ‘সালাহ উদ্দিন সাহেবের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ এবং আমাদের দলের দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি আমাদের নিশ্চিত করেছেন তিনি কোনো সাক্ষাৎকার দেননি’ যোগ করেন তিনি। বিএনপি মুখপাত্র বলেন, "ঢাকার কিছু পত্রপত্রিকায় তার সাক্ষাৎকারের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। সঠিক তথ্য ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করলে সালাহ উদ্দিন সাহেব ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। উনি নিখোঁজ হওয়ার পর আপনারা যেভাবে মানবিক দিক বিবেচনা করে সংবাদের গুরুত্ব দিয়েছেন। এখনো মানবিকভাবে বিষয়টা বিবেচনা করবেন।" এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমরা গতকাল এই বিষয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছি এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে আলদাভাবে প্রতিবাদ পাঠিয়েছি। তাদেরকে বলেছি- সালাহ উদ্দিন আহমেদের সাক্ষাৎকারের বিষয়টা সত্য নয়।" সংবাদ সম্মেলনে সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি বলেন, "শিলং হাসাপাতালে সালাহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়। ভারত সরকার তার নিরাপত্তার বিষয়ে যথেষ্ট যত্নশীল।" তিনি বলেন, "ওই হাসপাতালটি হাই-সিকিউরিটি সম্পন্ন। ওখানে প্রবেশ করতে হলে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শরীর স্কানিং করতে হয়। সাংবাদিক, পত্রিকা, কলম-কাগজ ও মোবাইলসহ পাবলিকের কোনো বিষয় নিয়ে প্রবেশ করতে পারে না।" জনি বলেন, "সালাহ উদ্দিন সাহেবকে ভারত সরকার আশ্রয়, নিরাপত্তা ও উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।"

মরণ একদিন আসবেই


ইসলাম ডেস্ক: মরণ থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। প্রত্যেক জীবিত প্রাণীর মরণ অপরিহার্য। মরণ হতে কেউ পরিত্রান পেলে সৃষ্টিকুলের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি মুহাম্মাদ (ছাঃ) ই পেতেন। তাকেও মরণ স্বীকার করতে হয়েছে। মরণ আল্লাহর পক্ষ হতে সৃষ্টিকুলের জন্য অবধারিত। আল্লাহর তা’আলা বলেনঃ “নিশ্চয়ই আপনারও মরণ হবে এবং তাদেরও মরণ হবে”। (যুমার-৩০) অত্র আয়াত দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, সৃষ্টির সেরা এবং সকল নবীর মধ্যমণি হওয়া সত্ত্বেও রাসূল (ছাঃ) মরণের আওতা বর্হিভূত নন। অতএব, কোন মানুষ মরণের আওতার বাইরে যেতে পারে না। আরও প্রতীয়মান হয় যে, সকলকেই পরকালের চিন্তায় মনযোগী হতে হবে, এবং পরকালের কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে। আল্লাহ তা’আল অন্যত্র বলেনঃ “আপনার পূর্বেও আমি কোন মানুষকে অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মরণ হলে তারা কি চিরজীবি হবে? প্রত্যেককে মরণের স্বাদ আস্বাদন করতে হবে, আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি, এবং আমার কাছেই তোমাদেরকে ফিরে আসতে হবে”। (আম্বিয়া-৩৪-৩৫) আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, পূর্বাপর কোন মানুষ চিরদিন থাকবে না একদিন না একদিন তাকে মরণের বিশেষ কষ্ট অনুভব করতেই হবে। আর অসুখ-বিসুখ, দুঃখ-কষ্ট এবং শরীরের সুস্থতা ও নিরাপত্তা উভয়ই পরীক্ষার মাধ্যম। আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র বলেনঃ “প্রত্যেক প্রানীকে মরণের স্বাদ আস্বাদন করতে হবে, আর তোমরা ক্বিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা পাবে। তারপর যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে সফলতা লাভ করবে, আর পার্থিব জীবন একমাত্র ধোঁকার সম্পদ”। (আল ইমরান-১৮৫) অত্র আয়অত দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, কোন প্রণী মরণের হাত থেকে রেহাই পাবে না। অবশ্যই কর্মের ফল পাবে। আর পার্থিব জীবন একমাত্র ধোঁকার সম্পদ। আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র বলেনঃ “যদি আল্লাহ লোকদেরকে তাদের অন্যায় কাজের কারণে পাকড়াও করতেন, তবে ভূপৃষ্ঠে চলমান কোন কিছুকেই ছাড়তেন না। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুত সময় পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন । অতঃপর নির্ধারিত সময়ে যখন তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন এক মুহুর্তও বিলম্বিত কিংবা তরান্বিত করতে পারবে না”। (নাহল-৬১) মহান আল্লাহ বলেনঃ “হে মুমিনগণ! তোমাদের ধন-সম্পদ সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে। যারা এ কারণে গাফেল হয়, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত”। (মুনাফিক্বন-৯) “ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, একবার রাসূল (ছাঃ) আমার শরীরের এক অংশ ধরে বললেন, পৃথিবীতে অপরিচিত অথবা পথযাত্রীর ন্যায় জীবনযাপন কর। আর প্রতিনিয়ত নিজেকে কবরবাসী মনে কর”। ( বুখারী, ৫০৪৪) “আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলতেন, যখন সন্ধ্যায় অবস্থান করছ তখন আর সকালের জন্য অপেক্ষা কর না; আর যখন সকালে অবস্থান করছ তখন সন্ধ্যার জন্য অপেক্ষা কর না। তোমরা সুস্থতার মধ্য হতে কিছু সময় অসুস্থতার জন্য রেখে দাও এবং তোমার জীবদ্দশায় মৃত্যর পাথেয় যোগার করে নাও”। (বুখারী, রিয়াযুছ ছালেহীন ৫৭৪) অত্র হাদীসদ্বয়ে বলা হয়েছে, (১) দুনিয়াতে অপরিচিত অবস্থায় থাকা ভাল। (২) পথিক যেমন গাছের ছায়ায় আরামের জন্য অল্প সময় বসে মানুষের জীবন তেমন। (৩) প্রত্যেককে কবরের সদস্য মনে করা উচিত। (৪) সকাল হলে সন্ধ্যা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা হলে সকাল পর্যন্ত বেঁচে থাকার আশা করা যায় না। মহান আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “আল্লাহর সত্তা ব্যতীত সবকিছুই ধ্বংস হবে। চূড়ান্ত সিন্ধান্ত তাঁর হাতেই থাকবে এবং তাঁর নিকটেই ফিরে যেতে হবে”। ( সূরা, ক্বাছাছঃ ৮৮) উল্লেখিত আয়াত হতে বুঝা যায় যে, আল্লাহ ব্যতীত সব কিছুই ধ্বংসশীল। আল্লাহ ব্যতীত পৃথিবীর কোন কিছুই চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ তা’আলা অপর এক আয়াতে বলেন, “পৃথিবীর সব কিছুই ধ্বংস হয়ে যাবে। একমাত্র আপনার মিহিমান্বিত প্রতিপালক ছাড়া”। (রাহমান ২৬-৩৭) আয়াতের অর্থ এই যে, ভূপৃষ্ঠে যত পরাক্রমশালী রাজা বাদশাহ, জিন মানব রয়েছে সব কিছুই ধ্বংসশীল। সবার মরণ একদিন আসবেই। একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত পৃথিবীর কোন কিছুই চিরস্থায়ী থাকার যোগ্যতা রাখে না। আল্লাহ তা’আলা অন্য এক আয়াতে বলেন, “মরণ তোমাদেরকে ধরবেই, যদিও তোমরা সুদৃঢ় দুর্গের ভিতর অবস্থান কর না কেন”। ( নিসা ৭৮) এ থেকে বুঝা যায়, মানুষ মরণের ভয়ে যত মযবুত প্রসাদে থাকুক না কেন, মরণ তাকে গ্রাস করবেই। আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র বলেন, “আপনি বুলন, তোমরা যে মরণ থেকে পলায়ন করতে চাও, সেই মরণ তোমাদের মুখামুখি হবেই”। (জুম’আঃ ৮) উক্ত আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, মরণ অবশ্যই আসবে আজ নয়তো কাল। সুতরাং মরণ থেকে পলায়ন করার সাধ্য কারো নেই। এ ব্যাপারে হাদীসে এসেছে “ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী করিম (ছাঃ) বলেছেন, আপনার উচ্চ মর্যাদার মাধ্যমে আমি আশ্রয় চাই। আপনি ব্যতীত কোন সত্তা নেই। আপনি এমন সত্তা যার মরণ নেই অথচ জিন মানুষের মরণ রয়েছে”। (বুখারী, ২/১০৯৮ পৃঃ তাওহীদ অধ্যায়)। অত্র হাদীস দ্বারা প্রমানিত হয় যে, জিন ও মানুষের মরণ হবেই। মরণের কোন বিকল্প নেই। মরণের নির্ধারিত সময় রয়েছে। মানুষের মরণ নির্ধারিত সময়ের আগে-পিছে হবে না। স্বভাবিক মরণ অথবা নিহত হওয়া অথবা ডুবে যাওয়া অথবা যানবাহন র্দূঘটনায় মারা যাওয়া অথবা পুড়ে মারা যাওয়া কিংবা কোন প্রাণী খেয়ে ফেলা, এক কথায় যেভাবেই মরণ ঘটুক না কেন: তা পূর্ব হতেই নির্ধারিত। যেখানে যেভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে সেখানে সেভাবেই ঘটবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, “প্রত্যেক সম্প্রদায়ের মরণের একটি নির্ধারিত সময় রয়েছে, যখন তাদের নির্ধারিত সময় এসে যাবে, তখন তারা এক মূহুর্ত পিছেও যেতে পারবে না আগেও যেতে পারবে না”। (ইউনুসঃ ৪৯) আল্লাহ তাআলা অন্যত্র বলেন, “আল্লাহর আদেশ ছাড়া কেউ স্বেচ্ছায় মরতে পারে না। মরণের জন্য একটি নির্ধারিত সময় রয়েছে (যা আগে পিছে হয় না)”। (আলে ইমরানঃ ১৪৫) প্রত্যেক মানুষের মরণ আল্লাহ তাআলার কাছে মরণের দিন, তারিখ, সময়, স্থান ও পদ্ধতি লিপিবদ্ধ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পূর্বে ও পরে কারও মৃত্য হবে না। এমতাবস্থায় মরণের ব্যাপারে কারও হতবুদ্ধি হয়ে পড়ার কোন অর্থ নেই সূরা ইউনুস ৪৯, হিজর ৫, মুমিনুন ৪৩, মুনাফিকূন ১১ ও নাহল ৬১ নং আয়াতে অনুরুপ আলোচনা রয়েছে। “আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) এর স্ত্রী উম্মে হাবীবা তার প্রার্থনায় বললেন, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার স্বমী আল্লাহর রাসূল, আর আমার পিতা আবু সুফিয়ান ও আমার ভাই মুয়াবিয়ার সাথে বেঁচে থাকার ও সুখ ভোগ করার সুযোগ দান কর। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, তখন নবী করিম (রাঃ) বললেন, তুমি আল্লাহর নিকট নির্ধারিত সময় নির্ধারিত দিন ও নির্ধারিত রুযির বৃদ্ধি চাইলে, অথচ নির্ধারিত রুযি দিন ও সময়ের এক মুহুর্ত পরে ও আল্লাহ কোন কিছু ঘটাবেন না। তুমি যদি আল্লাহর নিকট জাহান্নামের শাস্তি এবং কবরের শাস্তি হতে পরিত্রান চাইতে তাহলে তোমার জন্য উত্তম হত”। (মুসলিমঃ ২/৩৩৮পৃঃ)। অত্র হাদীসে বলা হয়েছে যে, মানুষের বেচে থাকর নির্ধারিত যে সময় রয়েছে তার এক মুহুর্ত আগ পিছে হবে না। যেকোন মুহুর্তে মরণ ঘটতে পারে, কাজেই জীবনের আশা ভরসা ত্যাগ করে, সর্বদা আল্লাহর নিকট কবর ও জাহান্নামের শাস্তি হতে পরিত্রাণ চাওয়া উচিত।

মুশফিকের শুভেচ্ছা বার্তা


ঢাকা: আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ফেসবুকে দিয়েছেন ভিডিও বার্তা। টুইটারেও ভক্তদের জানিয়েছেন শুভেচ্ছা। মুশফিক লেখেন, ‘আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে দশ বছর থাকার জন্য শিক্ষক, কোচ এবং ভক্তদের জানাচ্ছি ধন্যবাদ।’ ২০০৫ সালের ২৬ মে লর্ডস টেস্ট দিয়ে শুরু হয়েছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ার। ধারাবাহিকতার পরিচয় দিয়ে দশ বছর ধরে সেই থেকে আছেন জাতীয় দলে। টেস্টে একটা ডাবল সেঞ্চুরিও আছে তার।

বাংলাদেশে কোনো নির্বাচনই নির্দলীয় হয় না


ঢাকা: বাংলাদেশে কোনো নির্বাচনই নির্দলীয় হয় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র্র কুমার (এসকে) সিনহা। মঙ্গলবার বিকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘নারীর প্রতি সহিংসতা যুগান্তকারী রায়: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ২য় খণ্ড’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসকে সিনহা বলেন, কয়েকদিন আগে ইউরোপিয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। বিচার বিভাগকে সহায়তা দিতে তারা সব সময় কয়েক মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। কিন্তু এবার আমি তাদের অনুদান দিতে নিষেধ করেছি। কেননা তারা মূলত গ্রাম্য সালিশ এবং গ্রাম্য আদালতের ক্ষেত্রে এ অনুদান দেয়। সেখানে স্থানীয় মাতব্বররা বিচার করেন। এতে করে ওই সালিশের যে রায় তা সঠিক হয় না। কারণ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কোনো না কোনো দলকে সমর্থন করেন। যে কারণে তার পছন্দের ব্যক্তি রায় পায়, অপছন্দের ব্যক্তিরা রায় পায় না। নারী নির্যাতন নিয়ে কাজ করা সংগঠনদের প্রতি প্রধান বিচারপতি বলেন, কিছু আইন আছে যেগুলো উপনিবেশিক ধ্যান ধারণায় তৈরি করা হয়েছে। যেগুলোর অনেকটাই কালো বিধান। এগুলো আপনারা তুলে ধরুন যাতে সংশোধন হয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, জুনে আমি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যাবো। আমার কাছে তথ্য আছে যে, এখানে কিছু মহিলা আছে যারা নিরাপরাধ, কিন্তু মিথ্যা মামলায় আটক আছে। আমি মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকে এ তথ্যগুলো দিয়েছিলাম কিন্তু তার কোনো ব্যবস্থা হয়নি। সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, আপিল বিভাগের বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি ইমান আলী, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম প্রমুখ।

জকিগঞ্জ উপেজলা নব-গঠিত ছাত্রদল কমিটিকে অভিনন্দন


নব-গঠিত জকিগঞ্জ উপেজলা ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কানাইঘাট-জকিগঞ্জের সাবেক সাংসদ,সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কাহির চৌধূরী,কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধূরী,সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন রশীদ মামুন,কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রুহুল আমিন,পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আর.এ.বাবলু ও সদস্য সচিব দেলোয়ার হুসেন এক যৌথ বিবৃতিতে জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং সুন্দর,সুষ্ঠ একটি কমিঠি উপহার দেওয়ার জন্য ক্দ্রেীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান পাপলু,সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমদ-সাধারণ সম্পাদক রাহাত চৌধূরী মুন্নাকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন।(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

পাগলের আছাড়ে শিশুর মৃত্যু


ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় খাইরুল (২৫) নামে এক পাগলের আছাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন সাগরের বোন ঝুমা আক্তার (৬)। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কান্দানিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাব্বির হোসেন সাগর কান্দানিয়া বাজার সংলগ্ন আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর ছেলে। সাগরের বাবা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু জানান, তার সন্তানদের জামা কিনে দেওয়ার জন্য সন্তানদের নিয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে খাইরুল তাদের গতিরোধ করে সড়কের উপর আছাড় দিয়ে সাগরকে হত্যা করে। এরপর ঝুমার উপরও আক্রমণ চালায়। আহত ঝুমাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ফুলবাড়ীয়া থানার ওসি রিফাত খান রাজিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে।

৩ বছরের মধ্যে ক্ষমতায় যাবো'


নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে আগামী ৩ বছরের মধ্যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের ঘোষণা দিয়েছে সদ্য আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক দল আম জনতা খেলাফত পার্টি। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়্যদানা হায়দার আলী চৌধুরী এ ঘোষণা দেয়। হায়দার আলী বলেন, "আমি আমার রূহানি ক্ষমতা দিয়ে তিন বছরের মধ্যে আম জনতা খেলাফত পার্টিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসাবো। কেননা ২০০৮ সালে আমার ক্ষমতা দিয়েই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসিয়েছিলাম।" তিনি বলেন, "২০১৪ সালের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসার পেছনে আমার অবদান সবচেয়ে বেশি।" সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমি আয়েশী জীবন ছেড়ে দরবেশি জীবন-যাপন করছি। দরবেশরা চাইলে অনেক কিছুই করতে পারে!" হায়দার আলী বলেন, "বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পটপরিবর্তনে দরবেশদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। দরবেশরা পাক-ভারত উপমহাদেশের ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করছেন।" তিনি বলেন, "বর্তমানে দেশে দরবেশদের সু-দৃষ্টি না থাকায় বাংলায় বহু ক্ষমতাসীনের চরম পতন হয়েছে।" তিনি বলেন, "দেশ ও জাতি আজ চরম ইমেজ সংকটে পড়েছে। এ সংকট থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না।" রাজনীতির নামে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ এভাবে চোখের সামনে একটি ‘বেআইনি সন্ত্রাসী’ রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে যাবে তা কখনও মেনে নেওয়া যায় না। দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে দেশ ও জনগণের পাশে দাঁড়ানো আমার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য,’ যোগ করেন আম জনতা খেলাফত পার্টির এই নেতা

ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় স্কুলশিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


ঢাকা: রাজধানীর হলিক্রিসেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্লে শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে (৫) ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্কুলের শিক্ষক মো. মিনহাজ উদ্দিনকে (২৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক তানজীনা ইসমাইল এ রায় দেন। একইসঙ্গে আসামিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ দুই লাখ টাকার মধ্যে এক লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দিতেও আদেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি মিনহাজ উদ্দিনকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এরপর তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১১ মার্চ শিশু ছাত্রীকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে স্কুলের বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিন। এ সময় রক্তক্ষরণ শুরু হলে মিনহাজ পালিয়ে যায়। ওই ছাত্রী বাসায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার মাকে সব জানায়। এরপর তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার দিন শিশু ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। এরপর সেদিনই এ শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। গত বছরের ২৬ জুন ঘটনাটি তদন্ত করে মিরপুর থানার এসআই মতিউর রহমান শিক্ষককে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ২৯ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন ট্যাইব্যুনাল।

রাশিয়া, ন্যাটোর পাল্টাপাল্টি সামরিক মহড়া


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া এবং পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো একই দিনে পাল্টাপাল্টি সামরিক মহড়া শুরু করেছে। রুশ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে ২৫০টি যুদ্ধবিমান এবং ১২ হাজার সৈন্য। অন্যদিকে, আর্কটিক অঞ্চলে অর্থাৎ নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডে ন্যাটো সামরিক মহড়ায় অংশ নিচ্ছে জোটের নয়টি দেশ। পাল্টাপাল্টি এই মহড়া এমন সময় হচ্ছে যখন ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সম্পর্কে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চারদিনের এই মহড়ায় বিভিন্ন পাল্লার যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণান্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হবে। এছাড়া, দূরপাল্লার বোমারু বিমান থেকে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মহড়া চালানো হবে। মস্কো থেকে বিবিসির ক্যারোলাইন ওয়াট জানাচ্ছেন, কয়েক মাস পর রাশিয়া সেন্টার-২০১৫ নামে ব্যাপক একটি সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা করেছে। চারদিনের এই মহড়া তারই প্রস্তুতি বলে মনে করা হচ্ছে। একই দিনে শুরু হওয়া ন্যাটো জোটের একটি সামরিক মহড়ায় অংশ নিচ্ছে জোটের নয়টি দেশ। নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের সীমানায় দু’সপ্তাহের এই সামরিক মহড়ায় থাকবে ১১৫টি যুদ্ধবিমান এবং নটি দেশের ৩৬০০ সৈন্য। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার যুদ্ধবিমানগুলো দফায় দফায় নরডিক এলাকার দেশগুলোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। তারই প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার নিকটবর্তী ঐ অঞ্চলে ন্যাটোর এই সামরিক মহড়া। গত মাসে নরডিক এলাকার দেশগুলো অর্থাৎ নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক এবং আইসল্যান্ড এক যৌথ ঘোষণায় রাশিয়ার বর্তমান আগ্রাসী তৎপরতা ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

মালয়েশিয়ার গণকবর থেকে লাশ উত্তোলন শুরু


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় আবিষ্কৃত গণকবরগুলো থেকে মৃতদেহ উত্তোলনের কাজ শুরু হয়েছে। থাই সীমান্তে খুঁজে পাওয়া কবরগুলো বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের অভিবাসীদের বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মালয়েশিয়ার থাই সীমান্তবর্তী এলাকার জঙ্গলে এখন পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া গেছে মোট ১৩৯টি গণকবরের। বিবিসি জানিয়েছে, মুক্তিপণের জন্য জঙ্গলের গোপন আস্তানায় পাচারকারিরা অভিবাসীদের আটকে রাখতো এবং আটককৃত অভিবাসীদের মধ্যে যারা মারা গেছেন, তাদের মৃতদেহ ওই কবরগুলোতে রয়েছে বলে ধারণা স্থানীয় প্রশাসনের। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে সমুদ্র পাড়ি দেয়া কয়েক হাজার অভিবাসীকে মাঝ সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিবাসনের উদ্দেশ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে পাড়ি দেয়া অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই পাচারকারীদের হাতে প্রাণ দিয়েছেন। এদিকে, ভাসমান অভিবাসীদের সাহায্যে ‘ভাসমান নৌ-ঘাঁটি’ স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে থাইল্যান্ড। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা- জঙ্গলে যেসব শিবির পরিত্যাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে, সেগুলো পাচারকারীরা পরিত্যাগ করে পালিয়ে গেছে থাইল্যান্ডে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে চলমান কঠোর অভিযান শুরু হওয়ার পর। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে সংখলা প্রদেশে এই ধরনের অনেকগুলো গণকবরের সন্ধান পাওয়ার পর এই অভিযান শুরু করে থাই সরকার। জঙ্গলের শিবিরগুলোতে অনেক অভিবাসীকে কাঠ ও কাঁটাতারের তৈরি ‘মানব খাঁচা’য় আটকে রাখা হতো। মালয়েশিয়ার জাতীয় পুলিশ প্রধান খালিদ আবু বকর জানান, জঙ্গলে এমন অনেক চিহ্ন পাওয়া গেছে যেগুলো নির্যাতনের প্রমাণ বহন করছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অমানবিকতার এই নিদর্শনে আমরা স্তম্ভিত’।

মোদি সরকারের ১ বছর


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আজ ২৬ মে ভারতে নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি, তথা এনডিএ জোট সরকারের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। গত বছর এই দিনে অর্থাৎ ২০১৪ সালের ২৬ মে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি এবং এর মাধ্যমে সরকার গঠন করেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। গত এক বছরে বিজেপি সরকার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বাতন্ত্রের ছাপ রেখে বিশ্ব দরবারে ভারত ও ক্ষমতাসীন দল ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করলেও বৈপরীত্যও কিছু কম নেই বলে জানিয়েছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। কোনো কোনো সময় ধরা পড়েছে বিজেপি'র প্ব্রচলিত ধারণা বাইরে গিয়ে চিন্তাভাবনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সাহস এবং ভবিষ্যতের জন্য দূরদর্শী পরিকল্পনা। আবার বিভিন্ন সময় মোদি সরকারের বিভিন্ন কার্যকলাপে বিতর্কও কম হয়নি। বিজেপি সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে গোটা বছরজুড়ে দেশটি জুড়ে অন্তত ২০টি সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। প্রত্যেক সভাতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার মথুরার সভা দিয়ে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ধারাবহিকতা শুরু হয়েছে। এনডিএ জোট সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে খোলা চিঠিও লিখেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চিঠিতে তিনি বলেন, 'এনডিএ সরকার অর্থনৈতিক দুর্বলতা কাটিয়ে প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করেছে। ক্ষমতায় আসার পরই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে লাগাম টেনেছে এ সরকার। কালো টাকার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল। পাশাপাশি কালো টাকার বিরুদ্ধে কঠোর আইনও প্রণয়ণ করা হয়েছে।' তিনি আরো বলেন, 'কংগ্রেস শাসনামলের মতো নীতিপঙ্গুত্বের শিকার নয় এনডিএ সরকার। দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে দেশের সম্পদের স্বচ্ছতার সাথে নিলামের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনতার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে শৌচাগার গড়ে তোলা হচ্ছে। আইআইটি, আইআইএম এবং এইমসের মতো প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পাশাপাশি শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্যও ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশকে পরিষ্কার করতে শুরু হয়েছে স্বচ্ছ ভারত অভিযান।' এছাড়া শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম পেনশনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর কথাও মোদি তার চিঠিতে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, 'জনসেবাই এ সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। তাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, প্রধান সেবক হিসেবেই মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই।' এদিকে, বিজেপি'র ক্ষমতাগ্রহণের এক বছর পূর্তির দিনে মোদি সরকারকে ভারতের সবচেয়ে অযোগ্য সরকার বলে অভিহিত করেছে কংগ্রেস। নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ‘এক ব্যক্তির সরকার’ চালানো ও প্রতিরক্ষা খাত ধ্বংসের অভিযোগ এনেছে দলটি। গত শনিবার এনডিএ সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি প্রতিবেদন পেশ করে কংগ্রেস। এতে নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে দেশের ‘গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে হত্যা করার’ অভিযোগ আনে দলটি। প্রতিবেদন পেশ করে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, 'মোদি শব্দের অর্থ ‘গণতান্ত্রিক ভারতের হত্যা (মার্ডার অব ডেমোক্রেটিক ইন্ডিয়া)’। জয়রাম বলেন, 'প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে মোদি সরকার। সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী দেশের কথা ভাবতেন। কিন্তু মোদি দেশের তুলনায় বিদেশের স্বার্থ নিয়েই বেশি ভাবছেন।' প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৬ মে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনের প্রশস্ত চত্বরে চার হাজারেরও বেশি অতিথির উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী। তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। তার সাথে তেইশজন মন্ত্রীও শপথ গ্রহণ করেন।

কানাইঘাটে মহিলা সহ তিন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক

Kanaighat News on Monday, May 25, 2015 | 7:53 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে এক মহিলা সহ ৩ গাঁজা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে থানার এএসআই মোস্তফা পৌরসভার নন্দিরাই গ্রাম সংলগ্ন পশ্চিম মাঠ থেকে গাঁজা বিক্রির সময় নয়াখলা গ্রামের মৃত ডাইল হাজীর পুত্র মাদক সেবী ও গাঁজা ব্যবসায়ী গোলাম রব্বানী (৫০) এবং দলইমাটি গ্রামের মৃত আজিজুল হকের পুত্র এতিম আলী (২২) কে ১৫০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করেন। অপরদিকে সোমবার বিকেলে গাছবাড়ী বাজার বাসস্ট্যান্ড থেকে নিজ গাছবাড়ী গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের নাসিমা বেগম (২২) কে ২০০ গ্রাম গাঁজা সহ থানার এসআই কামাল আটক করেন। আটককৃত নাসিমা বেগমের স্বামী গিয়াস উদ্দিন গাছবাড়ী এলাকার চিহ্নিত মাদক ও গাঁজা ব্যবসায়ী। সে বিভিন্ন মাদক মামলার পলাতক আসামী। এ ব্যাপারে আটককৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশ মাদকদ্রব্য আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেছে।

আকাশে এসব কিসের আলামত?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মুম্বই বিমানবন্দর থেকে রওনা দেওয়ার জন্য তৈরি ছিল বিমানটি। গন্তব্য ছিল আহমেদাবাদ। কিন্তু রানওয়ে ছাড়ার ঠিক আগে বিমানচালক হঠাতই আবিষ্কার করেন, রানওয়ের খুব কাছে আকাশে কমলা ও হলুদ রঙের প্যারাশুটের মতো কিছু উড়ছে। একটা নয়, পাঁচ-পাঁচটা।।এই দৃশ্য দেখে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি চালক। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানান এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলারকে। একটুও দেরি না করে খবর দেওয়া হয় গোয়েন্দা দফতরকে। ওই বস্তুগুলি রিমোট কন্ট্রোল চালিত প্যারাশুট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নাশকতার আশঙ্কায় এই ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তার বেষ্টনী আরও জোরদার করা হয়েছে মুম্বই বিমানবন্দর চত্ত্বরে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে মুম্বই পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ। তবে বস্তুগুলি আদতে কী এবং কোথায়ই বা সেগুলি অবতরণ করল সেবিষয়ে এখনও অন্ধকারে গোয়েন্দারা।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি থেকে সরে আসলো বিএনপি?


ঢাকা: শেখ হাসিনা সরকারকে পদত্যাগ করে অবিলম্বে নির্বাচনের দাবি থেকে কি বিএনপি সরে আসলো? সম্প্রতি বিএনপির নমনীয়তায় এ বিষয়টি পরিষ্কার না হলেও রবিবার বিএনপির মুখপাত্র ও দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপনের আজকের(রবিবার) বক্তব্যে এমন আভাসই পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে-২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ভোটারবিহীন নির্বাচনকে কি তাহেল বৈধতা দিলো বিএনপির নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট? অথচ বিএনপি-জামায়াত পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচন বানচাল করতে নজিরবিহীন জ্বালাও পোড়াও করে। এর পাশাপাশি মানুষ হত্যা ছাড়াও গত তিন মাসের টানা আন্দোলনে বহু মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করার অভিযোগে দলটি অভিযুক্ত।এ নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের নামে এরই মধ্যে দুই সহস্রাধিক মামলাও হয়েছে। বিএনপির বর্তমান মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন রবিবার এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘২০১৯ সালের নির্বাচনও সরকার একতরফাভাবে করতে চাইছে।তবে সেটি বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেয়া হবে না।’ তার এই ব্রিফিংয়ের পর আমাদের অফিসে অনেকেই ফোন করে জানতে চেয়েছেন তাহলে বিএনপি কি মধ্যবর্তী নির্বাচেনের দাবি থেকে সরে আসলো? রিপনের এমন বক্তব্যে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘বিএনপি হয়তো তাদের অনঢ় অবস্থান থেকে সরে এসেছে। এজন্যই তারা এখন নরম শুরে কথা বলছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি আর তুলছে না। দৃশত গত তিন মাসের টানা আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার পরই বিএনপি নরম সুরে কথা বলতে শুরু করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘বিএনপি তাদের দাবিতে এখনও অটল আছে।’ ‘কিন্তু দলের মুখপাত্র তো বলছে আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচন বিনা চ্যালেঞ্জে ছাড়বে না’- এমন প্রশ্নের জবাবে হান্নান শাহ বলেন, ‘তার এ বক্তব্যের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে আমি মনে করি বিএনপি তাদের অবস্থান থেকে পিছপা হয়নি।’ গত তিন সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের অজুহাতে বিএনপি তিন মাসের টানা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করে। তখন দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সিটি নির্বাচনের পর আবার নতুন আন্দোলন শুরু হবে। কিন্তু নতুন আন্দোলনের কোনো লক্ষণতো নেই, বরং এখন দল গোছানোর কথা বলে সময় পার করছে বিএনপি। বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেয়ার শুরু থেকেই সতর্কভাবে সব কিছু পরিচালনা করছে। বিএনপির কোনো কৌশলই ধোপে টিকছে না। ফলে এখন অনেকটা ‘ধীর চলো’ নীতিতেই এগোচ্ছে দলটি।

কামরুলকে “জনপ্রিয় টেবিল ব্যক্তিত্ব” বললেন নাসিম


ঢাকা: খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে জনপ্রিয় টেবিল ব্যক্তিত্ব বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। ২৯ মে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা সফল করতে এ যৌথ সভা আয়োজন করে দলটি। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের নাম বলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ। এরপর যখন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য শুরু করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তখন পাশে বসা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, মাননীয় মন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ভাইয়ের নাম বলা হয়নি। এসময় দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ বলেন, আমি আগেই বলেছি এখানে উপস্থিত কোনো নেতার নাম বাদ পড়ে গেলে আমাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে চিনে না বাংলাদেশে এমন সাংবাদিক নেই। তিনি পরিচিত ও জনপ্রিয় টেবিল ব্যক্তিত্ব। এ সময় হেসে ওঠেন কামরুল। প্রসঙ্গত, প্রায়ই বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বক্তব্য দিয়ে থাকেন ঢাকা মহানগর আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

খুলনা বিভাগে বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার


ঢাকা: সরকারের সঙ্গে মালিক-শ্রমিকদের বৈঠকে সমঝোতা হওয়ায় খুলনা বিভাগে শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার বিকালে সচিবালয়ে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মালিক-শ্রমিকদের বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। ১৯ মে ফরিদপুরে তিন পরিবহন শ্রমিককে আটকের প্রতিবাদে প্রথমে খুলনা বিভাগের ছয় জেলায় পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়। একই কারণে ২২ মে থেকে খুলনা বিভাগের দূরপাল্লার ও অভ্যন্তরীণ সব রুটে শুরু হয় ধর্মঘট। পরে এই ধর্মঘট বেশব্যাপী ছাড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। ধর্মঘটের সাত দিনের মাথায় সমঝোতা হওয়ায় শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়।

রমজানের অপেক্ষায় মোমিন


আলম শামস: হিজরি সনের শাবান মাস শুরু হয়েছে। আর কয়েক দিন পরই মাহে রমজান। ঈমানদার মুসলিম নর-নারী এ মাসটির অপেক্ষায় দিন গুনতে থাকেন। তারা শুধু অপেক্ষা করেন কবে থেকে শুরু হবে রমজান মাস। রমজান মাসের জন্য আগে থেকেই তারা নিজেকে প্রস্তুত করে তোলেন। তারা একটি রুটিন তৈরি করেন আগের রমজান থেকে এবারের রমজানে কী কী নেক আমল বেশি করবেন। গত বছরের রমজানে যদি একবার পবিত্র কোরআন খতম দিয়ে থাকেন তাহলে এবার ইচ্ছা রাখেন দুইবার দেয়ার। অর্থাৎ সবকিছুতেই মোমিনরা চান আগের তুলনায় বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে রত থাকতে। তাই একজন মোমিন রমজান আসার আগেই নিজেকে রমজানের জন্য প্রস্তুত করে তোলেন। বাহ্যিকভাবে আমরা যেমন স্কুল-কলেজের পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার জন্য অনেক আগে থেকেই নিজেকে গড়ে তুলি আর সব সময় মাথায় পরীক্ষায় ভালো ফলের চিন্তা ঘুরপাক খায়, তেমনি যারা মোমিন তারা রমজানকে স্বাগত জানানোর জন্য অনেক আগে থেকেই তৈরি হয়ে থাকেন। রমজানের দিনগুলো কীভাবে কাটাবেন তা তারা আগে থেকেই ঠিক করে খোদার কাছে দোয়া করতে থাকেন; যার ফলে আল্লাহ তায়ালা তাদের দোয়া কবুল করেন এবং তাদের সুস্থ রেখে রমজানের ইবাদত করতে সাহায্য করেন। আমরাও যদি এখন থেকে পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি নিতে থাকি আর আল্লাহ তায়ালার কাছে এখন থেকেই দোয়া করতে শুরু করি, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সুস্থ রাখ আমি যেন আগত রমজানে আগের তুলনায় অনেক বেশি ইবাদত-বন্দেগি, দান-খয়রাত, কোরআন পাঠসহ সব পুণ্যকর্ম বেশি বেশি করতে পারি। গত বছরের তুলনায় এবার বেশি ইবাদতে রত থেকে কাটানোর যদি ইচ্ছা থাকে আর আল্লাহকে লাভ করার আশা থাকে তাহলে অবশ্যই এখন থেকেই নিয়ত করে সে অনুযায়ী প্রস্তুত হয়ে যাওয়া উচিত। আর না হয় রমজান চলে আসবে আর মনে মনে ভাবব যে, হায়! রমজান মাস চলে এলো আর আমি এর জন্য তৈরিই হইনি। শুধু রোজা রাখলেই কি রমজান মাসের সার্থকতা? রোজাও রাখতে হবে এবং বেশি বেশি নফল ইবাদতও করতে হবে। যদি এখন থেকেই রমজানের প্রস্তুতি না নেই তাহলে দেখা যাবে আমরা তারাবির নামাজে অংশ নিতে পারছি না নানা ব্যস্ততার কারণে, মসজিদে পবিত্র কোরআনের মধুর তেলাওয়াত শুনতে যেতে পারছি না অন্য কোনো কাজের চাপে, ঠিকমতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে পারছি না, রাতে দেরিতে ঘুমানোর জন্য তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতে পারছি না, এছাড়া আরও অনেক নেক কর্মে অংশ নিতে পারছি না। আর এভাবে ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে রমজান মাস অতিবাহিত হয়ে গেল। পরে আফসোস করা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। তাই এখন থেকেই যদি সবাই চিন্তা করে রাখেন যে, আমি আমার অফিসের কাজ এভাবে এতটার মধ্যে গুছিয়ে নেব যেন আমি তারাবির নামাজে অংশ নিতে পারি, যারা ব্যবসা করেন তারাও ঠিক করে নিতে পারেন এতটা থেকে আমাকে মসজিদে অবস্থান করতেই হবে, যারা ছাত্র তারা এখন যদি পড়ালেখা কিছুটা বেশি করেন তাহলে রমজানের ইবাদতে সুবিধা হবে। এভাবে আমরা যে যেই স্থানে থাকি না কেন আমরা যদি এখন থেকেই নিজেকে রমজানের জন্য প্রস্তুত করে তুলি তাহলে দেখব রমজানের রাতগুলো কত সুন্দর ইবাদতে কাটে। যারা ব্যবসায়ী রয়েছেন তারাও এখন থেকেই ভাবতে পারেন কমপক্ষে রমজান মাসে বেশি মুনাফা করব না, সবাই যেন স্বাচ্ছন্দ্যভাবে বাজার-সদাই করে রোজা পালন করতে পারে এ ব্যবস্থা করার। আর এর ফলে একজন ব্যবসায়ী যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করবেন, তেমনি লাখো মানুষ যে স্বাচ্ছন্দ্যে রোজা পালন করে আনন্দ পেল তারও সে অংশীদার হবেন। হজরত রাসুলে করিম (সা.) রমজানের আগে শাবান মাসে অনেক বেশি ইবাদত করতেন আর তিনি (সা.) রমজান ছাড়াও প্রতি মাসে নফল রোজা রাখতেন। আমরাও যদি তাঁর সুন্নত অনুযায়ী প্রতি মাসে কয়েকটি করে নফল রোজা রাখতাম তাহলে আর রমজানের রোজা কোনো কষ্ট মনে হতো না। এছাড়া আমরা যদি মনের সব দুর্বলতা ঝেড়ে ফেলে দিয়ে রমজানের জন্য পুরোপুরি এখন থেকেই প্রস্তুত হই তাহলেও রমজানের রোজা কোনো কষ্টই মনে হবে না। যেহেতু আরও কিছুদিন অবশিষ্ট রয়েছে পবিত্র মাহে রমজানের, তাই এখন থেকেই আমাদের সবার উচিত নিজেকে পরিপূর্ণভাবে রমজানের জন্য প্রস্তুত করে গড়ে তোলা।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩