Monday, February 26

১২ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে

১২ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে

55-48.jpg



কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
বেসরকারি ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়কে শোকজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদের মধ্যে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে কোনো ধরনের উদ্যোগ না নেয়ায় সেগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে।

গতকাল রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে এমন সিদ্ধান্তের জন্য ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের পাঠগ্রহণে কোনো ক্ষতি হবে না। তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত থাকবে। ভর্তি হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়েই তারা লেখাপড়া করতে পারবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ৫১ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৯টি স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম শুরু করেছে। বাকি ৩২টির মধ্যে ১২টি ন্যূনতম কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ওইসব প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে এর আগে তাদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও আইনের বিধান কেন তারা প্রতিপালন করেনি-এই মর্মে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু উল্লিখিত ১২টিই নয়, স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যাওয়া, বার্ষিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন না নেওয়া বা আইনের বিভিন্ন দিক লঙ্ঘন করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছেও ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তারা সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারলে আইন এবং ইতোপূর্বে মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি থেকে পাঠানো পত্রে বর্ণিত নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউজিসি সূত্র জানায়, স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়া তথাকথিত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ও আছে। ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়কেও শোকজ করা হবে। সেই হিসাবে শোকজপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও বাড়বে।

গত বছর জানুয়ারিতে আলটিমেটাম দেওয়া ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র সাতটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেছে। বাকিগুলোর কোনোটি জমি কিনেছে, কোনোটি আংশিক কার্যক্রম শুরু করেছে। রাজধানীর শুক্রাবাদ এলাকায় মার্কেট দখল করে এবং ডজনখানেক ভাড়াবাড়িতে কার্যক্রম চালানো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করে এক কর্মকর্তা বলেন, বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। তারা স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার দাবি করলেও বেশিরভাগ কার্যক্রম ভাড়া বাড়িতেই চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, স্থায়ী ক্যাম্পাসে প্রোগ্রাম চালানোর কথা বলে অনুমতি নিয়ে তা ভাড়া বাড়িতে চালাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। শুধু এটিই নয়, আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় একই ধরনের কাজ করছে।

ওইসব বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের রাস্তায় নামিয়ে নিজেদের বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভয়ও দেখাচ্ছে। তাই মন্ত্রণালয়-ইউজিসি ওইসব অসৎ ব্যক্তির খারাপ উদ্দেশ্য মাথায় রেখে এগোচ্ছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হবে- যাতে তারা অসৎ কাজ করতে না পারে। ছাত্রছাত্রীর অভাবে একসময় বন্ধ হয়ে যাবে। তবে এ পরিস্থিতি তৈরির আগে তাদের ‘ভালো’হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন গণমাধ্যকে বলেন, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যলয়ের হালনাগাদ অবস্থা আমাদের কাছে আছে। আমরা তা পর্যালোচনা করছি। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু সবাইকে আইনের অধীনে আসতে হবে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এটা নিশ্চিতের পর কেউ ব্যবসা করলে করতে পারেন। কিন্তু বেপরোয়াভাবে কাউকে চলার সুযোগ দেওয়া হবে না। আমাদের উদ্দেশ্য- তারা (বিশ্ববিদ্যালয়) আইনের অধীনে চলবে। তাই তাদের তাগিদ দেওয়া হবে। পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: বিডি লাইভ।
গাছে গাছে আমের মুকুল, ছড়াচ্ছে ঘ্রাণ

গাছে গাছে আমের মুকুল, ছড়াচ্ছে ঘ্রাণ

2.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় আমের মুকুল জানান দিচ্ছে মধুমাসের আগম বার্তা। এখানকার বাতাস এখন আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে ভরপুর।

শহর থেকে গ্রাম-গঞ্জে সর্বত্র আম গাছগুলো তার মুকুল নিয়ে হলদে রঙ ধারণ করে সেজেছে এক অপরূপ সাজে।

উপজেলা তাড়াশে সরেজমিনে, মুকুলে মুকুলে ছেয়ে আছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। চারদিকে ছড়াচ্ছে মুকুলের সুবাসিত ঘ্রাণ। তবে এবারও আমের ফলন নির্ভর করছে বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন এই উপজেলার বাসিন্দা।

আম বলতে এক সময় উত্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীকেই বোঝাত। কিন্তু এবার তাড়াশ ছোট-বড় ও মাঝারি গাছগুলোর অবস্থা অনেকটা ভিন্ন।

উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আমের মুকুল আসার আগে-পরে যেমন আবহাওয়ার প্রয়োজন, এখানে তা বিরাজমান। ডিসেম্বরের শেষ থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত আম গাছে মুকুল আসার আদর্শ সময়। এ সময়ে মুকুলের প্রধান শত্রু কুয়াশা। এখন পর্যন্ত কুয়াশা কম এবং আকাশে উজ্জ্বল রোদ থাকায় আমের মুকুল সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। কিছু গাছের মুকুলে পাথরদানা দেখা গেলেও এতে ক্ষতির কিছু নেই।

এবার গাছে যে পরিমাণে মুকুল এসেছে পাথরদানার কারণে আমের ফলন তেমন ব্যাহত হবে না। আরও জানা যায়, আমের ফলন বাড়াতে খুব বেশি কষ্ট করতে হয় না। সংশ্লিষ্টরা একটু সতর্ক হলেই শতভাগ ফলন পাওয়া সম্ভব।

সাধারণত আমের মুকুল আসার পর হোপার পোকার আক্রমণ ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগ হয়ে থাকে। এজন্য আমের গুটি মটর দানার মতো হওয়ার পর দুইবার গাছে কীটনাশক স্প্রে করতে অনেককে পরামর্শ দেয়া হয়। প্রতি লিটার পানিতে মেশাতে হবে ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের তরল কীটনাশক ০.২৫ গ্রাম। আর দানাদার কীটনাশক হলে ০.২ গ্রাম। এর সাথে ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাকনাশক ০.২ গ্রাম। এই নিয়মে আম গাছে কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। এতে আম গাছ পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে এবং ভালো ফলন হবে।

উপজেলার রানীরহাট চককলামুলার এলাকার আবুখায়ের সহ আরো কয়েক ব্যক্তি জানান, বাড়ির আশপাশে বিভিন্ন জাতের শতাধিক আম গাছ লাগিয়েছেন। ইতোমধ্যে এসব গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরো কয়েক সপ্তাহ লাগবে।

তারা আরো জানান, মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলোতে। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। সেই মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মানুষের চোখে ভাসছে স্বপ্ন।

সূত্র: বিডি লাইভ।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

1513333162.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মেঘনা-গোমতী সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে গৌরীপুর পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৩৫ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

আজ সোমবারও নারায়ণগঞ্জের মদনপুর থেকে গোমতী সেতু পর্যন্ত এ যানজট রয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকা পড়ে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকাগামী বড় একটি ট্রাক মেঘনা-গোমতী সেতুর পশ্চিম প্রান্তে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা অংশে বিকল হয়। রেকার এসে ট্রাকটি সরাতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এ সময় ঢাকাগামী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় মহাসড়কে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। এ যানজট এখনও অব্যহত আছে।
যুদ্ধবিরতি সমঝোতার পরও সিরিয়ায় হামলা

যুদ্ধবিরতি সমঝোতার পরও সিরিয়ায় হামলা

5.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
শনিবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেও বিদ্রোহী অধ্যূষিত অঞ্চলে সেনা আক্রমণ চালিয়েছে সিরিয়া।

রাজধানী দামাস্কের পার্শ্ববর্তী পূর্ব ঘুটায় গত এক সপ্তাহে সিরিয়ার সরকারী বাহিনীর বোমা হামলায় ৫০০র বেশী মানুষ মারা গেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

রোববার যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতে সিরিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে রাশিয়াকে অনুরোধ করেছে ফ্রান্স ও জার্মানি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে ফোন-আলাপে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল এবং ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। তবে যুদ্ধবিরতির সমেঝাতা অনুযায়ী, ইসলামী জঙ্গী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে পারবে সিরিয় ও রুশ সেনাবাহিনী।

শনিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তের কয়েক ঘন্টা পরই বিদ্রোহী অধ্যূষিত এলাকায় আক্রমণ চালায় সিরিয় সরকারি বাহিনী। ত্রাণ সংস্থা সিরিয়ান অ্যামেরিকান মেডিক্যাল সোসাইটি বিবিসিকে জানায়, তাদের একটি হাসপাতালে আসা রোগীদের উপসর্গ দেখে ধারণা করা হচ্ছে যে এখানে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

পূর্ব ঘুটার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার লক্ষ্যে সিরিয় সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বলে রোববার জানানো হয় সরকারি ও বিদ্রোহী পক্ষ থেকে। এরমধ্যে ইরান জানিয়েছে, তারা 'যুদ্ধবিরতি'র সিদ্ধান্তকে সম্মান করবে, তবে যুদ্ধবিরতির আওতার বাইরে থাকা অঞ্চলে ইসলামী জঙ্গীগোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসন অব্যাহত রাখবে তারা। বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের প্রধান সমর্থক ইরান ও রাশিয়া।

যুদ্ধবিরতির বাইরে কারা?
পূর্ব ঘুটার বিদ্রোহীরা বেশ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতির খসড়ায় ইসলামিক স্টেট, আল কায়েদা ও নুসরা ফ্রন্ট অন্তর্ভূক্ত নেই। নুসরা ফ্রন্ট পূর্বে আল কায়েদার সাথে সম্পৃক্ত ছিল। বর্তমানে তারা হায়াত তাহরির-আল-শামস নামে কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট। সিরিয় সরকার বলেছে, হায়াত তাহরির-আল-শামসের উপস্থিতির কারণেই পূর্ব ঘুটর দখল নিতে আগ্রাসন চালাচ্ছে তারা।

পূর্ব ঘুটার বর্তমান অবস্থা কী?
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস পূর্ব ঘুটাকে 'ভূ-পৃষ্ঠে নরক' হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছেন। সিরিয়ান অবজার্ভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে গত এক সপ্তাহে সিরিয়ার সরকারী বাহিনীর ক্রমাগত বোমা হামলায় ৫০০র বেশী সাধারণ মানুষ মারা গেছে। যাদের মধ্যে অন্তত ১২১ জন শিশু।

যদিও বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে সিরিয় সরকার। তাদের ভাষ্যমতে শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে তারা। সূত্র: বিবিসি
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের ৮২তম জন্মদিন আজ

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের ৮২তম জন্মদিন আজ

4_0.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি, বীর শ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩৬ সালের এই দিনে সদর উপজেলার (মহিখোলা) বর্তমান নূর মোহাম্মদ নগরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

দিবসটি পালন উপলক্ষে নূর মোহাম্মদ নগরে স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ, র‌্যালি, গার্ড অব অর্নার প্রদান, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক শেখ নূর মোহাম্মদ দরিদ্র পিতা মো. আমানত শেখ ও মাতা মোসা. জেন্নাতা খানমের আশা ছিল ছেলে বড় হয়ে লেখাপড়া শিখে মানুষের মত মানুষ হয়ে দেশের মুখ উজ্জল করবে। কিন্তু ডানপিটে নূর মোহাম্মদ লেখাপড়ায় বেশিদূর এগোতে পারেননি। স্থানীয় বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত অবস্থায় তার শিক্ষা জীবনের অবসান ঘটে।

১৯৫৯ সালের ১৪ মার্চ নূর মোহাম্মদ তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রেজিমেন্টে যোগদান করেন এবং কৃতিত্বের সঙ্গে প্রশিক্ষণ শেষে একই বছরের ৩ ডিসেম্বর দিনাজপুর সেক্টরে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন।

এরপর ১৯৭০ সালের ১ জুলাই যশোর সেক্টর হেড কোয়ার্টারে বদলি হয়ে আসেন। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধকালে ল্যান্সনায়েক নূর মোহাম্মদ ৮ নং সেক্টরে সাবেক ইপিআর ও বাঙ্গালি সেনাদের নিয়ে গঠিত একটি কোম্পানীতে যোগদান করেন।

১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নূর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গোয়ালহাটি গ্রামের সম্মুখ যুদ্ধে একটি টহলের নেতৃত্ব দিচ্ছেলেন। সঙ্গী ছিল আরো ৪ জন সৈন্য। তারা পার্শ্ববর্তী ছুটিপুর পাক হানাদার বাহিনীর ঘাঁটির ওপর নজর রাখছিলেন। পাকবাহিনী টের পেয়ে বিপদজনক অবস্থার মুখে টহলদারী মুক্তিযোদ্ধাদের ফাঁদে ফেলার পরিকল্পনা করে।

হানাদারদের এ পরিকল্পনা বুঝে উঠতেই নূর মোহাম্মদ সঙ্গীদের নিয়ে হানাদার বাহিনীর ঘাঁটি আক্রমণ করেন। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। মারাত্মক আহত হলেন সঙ্গী নান্নু মিয়া। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে হানাদারদের মর্টার শেল মারাত্মকভাবে জখম করে নূর মোহাম্মাদকে।

মৃত্যু আসন্ন বুঝে তিনি সিপাহী মোস্তফা কামালের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিয়ে আহত নান্নু মিয়াকে নিয়ে সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলেন। উপায়োন্তর না পেয়ে তারাও তাই করলেন, কিন্তু একটি এসএলআর রেখে যান মারাত্বক আহত কমান্ডারের কাছে। নূর মোহাম্মাদ মৃত্যুপথযাত্রী হয়েও এসএলআর নিয়ে শেষবারের মত ঝাঁপিয়ে পড়েন হানাদারদের উপর সেখানেই তিনি শহীদ হন। পরবর্তীতে নিকটবর্তী একটি ঝোঁপের মধ্যে এ বীরের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ সঙ্গী সৈনিকদের প্রতি যে ভালবাসা প্রদর্শন করেন এবং মৃত্যু নিশ্চিত বুঝে দেশের জন্য আবারো হানাদারদের খতমের জন্য একা ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতার পথ সুগম করার চেষ্টা চালিয়ে দেশপ্রেমের যে প্রমাণ রেখেছেন তার কোন তুলনা নেই।

যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন এদেশের মাটিতে নূর মোহাম্মাদের রক্তের গন্ধ পাওয়া যাবে। যতদিন এ জাতি থাকবে ততদিন নূর মোহাম্মাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
পানিতে পড়া মোবাইল ঘরে বসেই ঠিক করবেন যেভাবে

পানিতে পড়া মোবাইল ঘরে বসেই ঠিক করবেন যেভাবে

পোন.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
অসাবধানতার কারণে হঠাৎ করেই আপনার শখের ফোনটি পানিতে পড়ে গেলো। ভাবলেন সব শেষ! এই ভাবনা বাদ দিয়ে যদি খুব জলদি কিছু কাজ সম্পন্ন করতে পারেন তবে ঘরে বসেই নিজের মোবাইল অক্ষত অবস্থাতেই ফেরত পেতে পারেন।

জেনে নিন ঘরে বসেই পানিতে পরে যাওয়া মোবাইল ফোন ঠিক করার উপায়গুলো।

সুইচ অন করবেন না:
জলে পড়া ফোন আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। ভুল করেও তা অন করার চেষ্টা করবেন না। প্রথমেই ব্যাক কভার, ব্যাটারি, সিম, মেমরি কার্ড ইত্যাদি জিনিস খুলে ফেলুন এবং আলাদা করে রাখুন।

ভালো করে শুকিয়ে নিন:
যতটা শুকনো কাপড় দিয়ে মোছা যায় মুছে ফেলুন। তার পর বাড়িতে যদি ভ্যাকিউম ক্লিনার থাকে তা দিয়ে ভেতরের বাড়ি জল শুষে নেয়া যেতে পারে। যদি না থাকে তাও কোনও সমস্যা নেই। হেয়ার ড্রায়ার দিয়েও কাজ চলতে পারে। ভালো করে ব্লোয়ার চালিয়ে ফোনের বাড়তি জল শুকিয়ে ফেলুন। তবে সাবধানে, খুব বেশি দিলে ফোন ‘জ্বলেও’ যেতে পারে।

চালের মধ্যে ফোনটি ডুবিয়ে রাখুন:
ব্লোয়ার চালিয়ে জল শুকিয়ে নিলেই যদি ভাবেন ফোন ঠিক হয়ে গেল, তা কিন্তু হবে না। ফোনের ভেতরে একবার জল ঢুকে গেলে যন্ত্রাংশের ভেতরে জলীয় বাস্প জমে থাক। সেটা কিন্তু ব্লোয়ারে বেরবে না। এর জন্য খানিকটা শুকনো চাল নিয়ে একটি এয়ার টাইট প্যাকেটের মধ্যে ভরুন। তার মধ্যে ফোনটিকে খানিকটা ডুবিয়ে প্যাকেটটি বন্ধ করে অন্তত তিন দিন রেখে দিন। মনে রাখবেন সবুরে মেওয়া ফলে। চাল খুব ভালো জলীয় বাস্প শুষে নিতে পারে। ফলে ফোনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা জলীয় বাস্প টেনে বার করে আনবে। ও হ্যাঁ, চালে রাখার আগে চার্জার, হেডফোন ইত্যাদি ফুটোগুলো টিস্যু দিয়ে বন্ধ করতে ভুলবেন না।

এরপর ফোন আবার ব্যবহার করতে পারেন। একটা কথা মনে রাখা প্রয়োজন, ফোন কতক্ষণ জলের মধ্যে ডুবে ছিল, কতক্ষণ পরে ফোন বাঁচাতে এ সব জিনিস আপনারা করেছেন, তার ওপর নির্ভর করছে ফোনের বেঁচে ওঠার আশা কতটা রয়েছে। যত দেরি হবে বা যতটা বেশি জল ঢুকবে, ফোনের বাঁচার আশা ততই কমবে।
সন্তান লালন-পালনে অনেক ক্ষেত্রে পুরনো ‘নিয়মই’ ভালো

সন্তান লালন-পালনে অনেক ক্ষেত্রে পুরনো ‘নিয়মই’ ভালো

16.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
ছোটরা আর আগের মতো বড়দের শ্রদ্ধা করে না, এরকম কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যায়৷ কিন্ডার গার্টেন বা শিশুদের স্কুলের শিক্ষকরাও শিশুদের আচরণে খুব সন্তুষ্ট নন৷ কেন এমনটা হচ্ছে এবং কিভাবে এর সমাধান সম্ভব? এনিয়ে ডয়েচে ভেলে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে-

কিন্ডার গার্টেন:
কিন্ডার গার্টেনে তিন বছরের শিশুদের যা করতে বলা হয় তাই করার কথা, কিন্তু না, ওরা নিজের ইচ্ছা মতোই খেলছে, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষক যা বলছেন শিশুরা ঠিক তার উল্টোটা করছে৷ অথচ শিক্ষক তেমন কিছুই বলতে পারছেন না৷ এরকম ঘটনা প্রায়ই ঘটছে বলে জানিয়েছেন কিন্ডার গার্টেনের একজন শিক্ষক৷

প্রাইমারি স্কুল:
প্রাইমারি স্কুলেও প্রায় একই অবস্থা৷ শিক্ষকের কথা শুনতে পাচ্ছে না এমন ভাব আজকাল অনেক শিশুর মধ্যেই লক্ষ্য করা যায়৷

সমীক্ষা যা বলছে:
শিক্ষক এবং শিশু লালন-পালন বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফোর্সা-র করা এক সমীক্ষায় জানা যায়, আজকের শিশুদের মধ্যে অমনোযোগিতা, ‘অভদ্র’ আচরণ এবং সামাজিকভাবে মিশতে অক্ষমতা লক্ষ্য করা যায়৷

অনেক মা-বাবার যা ধারণা:
অনেক বাড়িতেই সেরকম কোনো নিয়ম কানুন নেই৷ কারণ, তারা মনে করেন, বাড়িতে বেশি শাসন করলে শিশুরা মুক্তভাবে বড় হতে পারবে না, কিংবা ‘শাসন’ শিশুদের স্বাধীন চিন্তার মানুষ হওয়া কঠিন করবে৷

শিশুদের ভিন্ন ধারণা:
সন্তানকে আগের দিনের মতো শাসন করা উচিত, সন্তানের সব ইচ্ছা মেনে নেওয়া সন্তান মানুষ করার সঠিক পন্থা নয়- এমনটি অনেক শিশুও মনে করে৷ সমীক্ষাটি করা হয়েছে ৮ থেকে ১৫ বছর বয়সি ছেলে-মেয়েদের নিয়ে৷ সেখানে অনেক শিশুই বলেছে এ কথা৷

‘না’ কে মেনে নেয়া:
এ বিষয়ে পরিবার বিষয়ক এক বিশেষজ্ঞ বেশ স্পষ্ট করেই বলেছেন, বড়দের প্রতি সম্মান দেখানো এবং তাদের শ্রদ্ধা করা শৈশব থেকেই শিখতে হয়৷ শিখতে হয় শাসন মেনে নেয়া৷ তাছাড়া শাসন করতে গিয়ে যখন ‘না’ করা হয়, সেই ‘না’ মেনে নেয়াও শিখতে হয়৷ যদিও এই ‘না’ করার কারণে মা, বাবা অনেক সময় সন্তানের কাছে সাময়িকভাবে অপ্রিয়ও হতে পারেন৷

মা-বাবাকেই উদ্যোগী হতে হবে:
শিশুরা হোমওয়ার্ক থেকে শুরু করে সারাদিন আর কী কী করবে তার একটা তালিকা করে দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ এবং রাতের খাবার একসাথে খাওয়া উচিত, যাতে সারাদিন কে কী করেছে তা নিয়ে আলোচনা করা যায়৷ নিয়ম তৈরি করে দেওয়া মানে নিজের সন্তানকে নিরাপত্তা, নিশ্চয়তা দেওয়া৷

ক্লিয়ার রুলস:
নিয়মের মধ্যে থেকেও মানুষ মুক্তচিন্তার, উদার মানসিকতার হতে পারে৷ বাড়িতে কিছু নিয়ম-কানুন আর শাসন থাকলে সন্তানরা যে কোনো জায়গায় সহজে খাপ খাওয়াতে পারে৷ যাদের বাড়িতে নিয়মের কোনো বালাই নেই, তাদের সন্তানদের কর্মজীবনেও নিয়ম মেনে চলতে অসুবিধা হয়৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ মানুষ হতে শিশুদের প্রয়োজন ‘ক্লিয়ার রুলস’৷
তিন ফরমেটেই নেতৃত্বে সরফরাজকে চান কোচ আর্থার

তিন ফরমেটেই নেতৃত্বে সরফরাজকে চান কোচ আর্থার

17022137_1953513358215088_1576924625189796765_n.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
সরফরাজ আহমেদ তিন ফরমেটেই পাকিস্তান ক্রিকেটের নেতৃত্ব দেয়ার সঠিক ব্যক্তি বলে মনে করছেন দলটির কোচ মিকি আর্থার। তবে পাকিস্তান ক্রিকেটের মঙ্গলের জন্য তাকে বিশ্রামে রাখতে হবে বলেও স্বীকার করেন দক্ষিণ আফ্রিকার আর্থার।

স্থানীয় পাকপ্যাসন ডট নেটকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আর্থার বলেন, ‘আমার মতে সরফরাজ তিন ফরমেটেই পাকিস্তান ক্রিকেটের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি। তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটি খুবই ভালো দিক। এখন আমাদের যা দরকার, তা হচ্ছে দীর্ঘ বিদেশ সফরের পর তাকে কিছুটা বিশ্রাম দেয়া, যাতে তিনি নতুন করে শুরু করতে পারেন। তিনি কোনো রকম সমস্যা ছাড়াই তিন ফর্মেটের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্য।’

একই সঙ্গে পেসার হাসান আলীর প্রশংসা করে পাকিস্তান কোচ বলেছেন, সংক্ষিপ্ত ভার্সনের ক্রিকেট থেকে টেস্ট ক্রিকেট পর্যন্ত খেলার যোগ্যতা রয়েছে তার। এ পর্যন্ত দুটি টেস্ট খেলেছেন তিনি। যেখানে তার পারফর্মেন্স ছিল নিখাঁদ। এ সময় মাত্র ছয় উইকেট পেলেও তিনি প্রতিশ্রুতিশীল একজন খেলোয়াড় হিসেবে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

আর্থার বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, হাসান আলী টেস্টে আরো উন্নতি করবেন। আমার বিশ্বাস যত দিন যাবে ততই তিনি নিজেকে আরো সেরা হিসেবে গড়ে তুলবেন। একসময় আমাদের জন্য অসাধারণ খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হবেন।
এবারের জয় বাংলা কনসার্টে থাকছে ৮ ব্যান্ড

এবারের জয় বাংলা কনসার্টে থাকছে ৮ ব্যান্ড

6_0.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক '৭ মার্চের ভাষণ'-এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কয়েকবছর ধরে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ‘'জয় বাংলা কনসার্ট'।

৭ মার্চ বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য কনসার্টটির আয়োজক ইয়াং বাংলা। তবে আগের মতো এবারের আয়োজনে নেই পুরনো ব্যান্ডের উপস্থিতি।

এ প্রজন্মের ৮টি ব্যান্ড মাতাবে আসর। অংশ নিচ্ছে আর্টসেল, চিরকুট, পাওয়ারসার্জ, লালন, আর্বোভাইরাস, ক্রিপটিক ফেইট, শূন্য ও নেমেসিস।

কনসার্টে ব্যান্ডগুলো তাদের নিজস্ব গান ছাড়াও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের বেশ কিছু গান পরিবেশন করবে।

এদিকে, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
পাপুয়া নিউ গিনিতে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প

পাপুয়া নিউ গিনিতে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প

1519610517237.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
পাপুয়া নিউ গিনির দক্ষিণাঞ্চলীয় পার্বত্য প্রদেশে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

সোমবার ভোরে পার্বত্য প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে পোরগেরা থেকে ৮৯ কিলোমিটার, প্রায় ৫৫ মাইল দূরে প্রচণ্ড ভূকম্পে অঞ্চলটি কেঁপে ওঠে। খবর প্রকাশ করেছে এবিসি ও সিবিএস নিউজ।

ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিক-ভাবে কোন হতাহতের খবর এখনো পাওয়া যায়নি। এ ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরো বেশি খবর নেয়ার চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে রাজধানী পোর্ট মোরসবি থেকে প্রায় ৫৬০ কিলোমিটার দূরে পাপুয়া নিউ গিনির প্রধান দ্বীপের কেন্দ্রস্থলের কাছে ভূপৃষ্ঠের ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি।

পাপুয়া নিউ গিনি সরকারের ভূতত্ত্ব ব্যবস্থাপনা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ক্রিস ম্যাকি বলেন, ভূকম্প সংগঠিক এলাকায় প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস। তিনি আরো বলেন, বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে ভূমিকম্পের আভাস ভালমতো পাওয়ার পর ঐ অঞ্চল থেকে অনেককে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। প্রদেশটি খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ। পোরগেরা একটি বৃহৎ স্বর্ণখনি বেষ্টিত এলাকা, যেখানে ২৫০০ স্থানীয় মানুষ কাজ করে।
সু চির বিচার চাইলেন দুই নোবেলজয়ী নারী

সু চির বিচার চাইলেন দুই নোবেলজয়ী নারী

photo-1519615403.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
কক্সবাজারে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনে কাঁদলেন ইয়েমেনের নোবেল বিজয়ী তাওয়াক্কল কারমান ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের নোবেল বিজয়ী মেরেইড ম্যাগুয়ার।

রোববার বিকেলে উখিয়ার মধুছড়া ক্যাম্প ঘুরে সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তাঁরা।

ব্রিফিংয়ে তাওয়াক্কল কারমান ও মেরেইড ম্যাগুয়ার বলেন, গত ২৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত রাখাইনে যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও অমানবিক বর্বরতা চলছে, মিয়ানমার সরকার তার দায় এড়াতে পারে না। অং সান সু চি একজন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হয়েও তাঁর সামরিক বাহিনী গত ছয় মাস সে দেশে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে আগুন দিয়ে সে আগুনে শিশুদের নিক্ষেপ করার মতো জঘন্যতম অপরাধ করেছে। তাদের সেনা, পুলিশ, উগ্রপন্থী রাখাইনদের লোমহর্ষক ঘটনা বিশ্ববাসী দেখেছে, যা ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে দুই নোবেল বিজয়ী বলেন, রোহিঙ্গা নারীদের যেভাবে ধর্ষণ, উৎপীড়ন ও নির্যাতন করা হয়েছে, এ জন্য অং সান সু চি ও তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার হওয়া উচিত। নোবেল বিজয়ীরা বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়সহ মানবিক সহায়তা প্রদান করার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ স্থানীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন তাঁরা।

নোবেল বিজয়ীরা ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে ক্যাম্প কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে জানতে চান রোহিঙ্গারা কেমন আছে? জবাবে ডেপুটি সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহীন জানান, সব ধরনের মানবিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এর পরে দুই নোবেল বিজয়ী সরাসরি চলে যান মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। যেখানে রয়েছে ধর্ষিতা, গুলিবিদ্ধসহ অসংখ্য নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ। সেখানে নোবেল বিজয়ীরা মিয়ানমারে ধর্ষণের শিকার চার রোহিঙ্গা নারীর সঙ্গে একান্তে কথা বলেন।

দীর্ঘ সময় তাঁদের সঙ্গে কথা বলে নোবেল বিজয়ীরা বেরিয়ে যাওয়ার পরে ওই চার নারী সাংবাদিকদের জানান, নোবেল বিজয়ীরা জানতে চান তাঁদের ওপর নির্যাতনের কথা। সেইসঙ্গে ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া, বাড়িঘরে লুটপাট ও যুবক ভাইদের ধরে নিয়ে গণগ্রেপ্তার, গুলি করে নির্বিচারে হত্যার নির্মম কাহিনী শুনে দুই নোবেল বিজয়ী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বলে জানান রোহিঙ্গা নারীদের টিম লিডার জাহেদা বেগম (৩১)।

এরপর নোবেল বিজয়ীরা গুলিবিদ্ধ, হাত-পা কাটা, চোখ উপড়ে ফেলা এমন ক্ষতবিক্ষত কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নোবেল বিজয়ীরা সেখানে জড়ো রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করেন, রোহিঙ্গাদের বর্বরোচিত হামলার জন্য অং সান সু চিকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার দিয়ে মিয়ানমারকে ফেরত নিতে হবে।

বাংলাদেশ সফররত শান্তিতে নোবেলজয়ী তিন নারীর মধ্যে ইরানের শিরিন এবাদির আজ সোমবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর করার কথা রয়েছে।
কোম্পানিগঞ্জে পাথর কোয়ারি ধসে নিহত ৪

কোম্পানিগঞ্জে পাথর কোয়ারি ধসে নিহত ৪

6.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
সিলেটের কোম্পানিগঞ্জের ভোলাগঞ্জে পাথর উত্তোলনের সময় মাটি চাপায় চার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। পাথর তোলার সময় মাটি ধসে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার রাত ১০টার দিকে হাজিরডেগনার সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামসুল আলম।

নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সুনামগঞ্জের উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের মতিউর রহমান (৩০) ও রুহুল মিয়া (২২)। বাকি অন্য দুজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, উপজেলার কালাইরাগ এলাকায় রাতের আঁঁধারে জেনারেটর চালিয়ে ৭০-৮০ ফুট গর্ত করে পাথর তুলছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। এক পর্যায়ে মাটি ধসে চাপা পড়েন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এরপর রাতে ওই দুইজনের এবং সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আরও দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া দুর্ঘটনার পরপর আহত রকিবুল, ফিরোজ আলী ও রুহেলকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং কোয়ারির লেবার সর্দার আব্দুর রউফকে (৫০) আটক করা হয় বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা সামসুল।
আজ সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

আজ সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

3_0.jpg

কানাইঘাট নিউজ:
বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচিতে বাধা এবং পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আজ রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিএনপি।

গত শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঢাকা মহানগরের সকল থানায় থানায় এবং সারাদেশের জেলা ও মহানগরে এই প্রতিবাদ মিছিল করবে দলটি।

বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে দেড় শতাধিক নেতা কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। হামলায় ২৫০ নেতাকর্মীকে আহত হয়েছে। এই হামলার প্রতিবাদে সোমবার সারা দেশে জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে। ঢাকা মহানগরীতে থানায় থানায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা নয়া পল্টনে জনসভার অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ অনুমতি না দেওয়ার প্রতিবাদে কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচি দিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু পুলিশি হামলায় সে কর্মসূচীও পণ্ড হয়ে যায়। এর পরে ওইদিন বিকালেই আজকের এই নতুন কর্মসূচী দেয় দলটি।

সূত্র: বিডি লাইভ।

Sunday, February 25

লোভাছড়া পাথর কোয়ারিতে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে

লোভাছড়া পাথর কোয়ারিতে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত শনিবার কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারির একটি গভীর গর্ত থেকে পাথর উত্তোলনের সময় পাথরের চাকা ধসে পড়ে নিহত পাথর শ্রমিক ফরমান উল্লাহ (৫০) এর লাশ ময়না তদন্তের পর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে কানাইঘাট থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। ফরমান উল্লাহর লাশ সিলেট সিওমেক হাসপাতালে মর্গে একদিন পড়ে থাকার পর আজ রবিবার থানার এস.আই সঞ্জিত কুমার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করার পর লাশের ময়না তদন্ত হয়েছে। এদিকে একের পর এক লোভাছড়া পাথর কোয়ারিতে শ্রমিকদের প্রাণহানী ও দূর্ঘটনার মতো ঘটনা ঘটলেও অদ্যাবধি পর্যন্ত দায়ী পাথর খেকো চক্রের বিরুদ্ধে কোন ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় কোয়ারিতে শ্রমিকদের প্রানহানীর মতো ঘটনা রফাদফার মাধ্যমে শেষ করা হয়। যার কারণে কোয়ারিতে বেপরোয়া ভাবে অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন করে থাকে পাথর খেকোচক্র। গত শনিবারের প্রানহানির ঘটনাটি নিহতের পরিবারের সাথে আপোষে রফাদফা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কোয়ারির নিয়ন্ত্রণকারীরা। ফরমান উল্লাহ নিহতের ঘটনায় গর্তের মালিক স্থানীয় সাউদগ্রামের আনোয়ার হোসেন আনইসহ অবৈধ ভাবে পাথরের গর্তের দায়ী মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা জানিয়েছেন। থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ নুনুমিয়া জানান কোয়ারিতে গর্তে মাটি চাপা পড়ে নিহত ফরমান উল্লার লাশের ময়না তদন্ত হয়েছে। এব্যাপারে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ঝুকিপূর্ণ গর্ত থেকে শ্রমিকদের দিয়ে পাথর উত্তোলনের দায়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে জানান।
কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারি পরিদর্শনে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা

কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারি পরিদর্শনে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারি এলাকা আজ রবিবার পরিদর্শন করেছেন, খনিজ সম্পদ ব্যুরো,সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। লোভাছাড়া পাথর কোয়ারির লিজ বর্হিভূত মেছার চর এলাকা থেকে অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলনের ঘটনায় মেছারচর গ্রামসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকির সম্মুখীন এমন অভিযোগ এনে মেছারচর গ্রামবাসীর পক্ষে স্থানীয় ইউ.পি সদস্য আব্বাস উদ্দীন সম্প্রতি মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে মহামান্য বিচারক বিষয়টি সরজমিনে তদন্ত করে ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য খনিজ সম্পদ ব্যুরো পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগের পরিচালক ও সিলেটের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ প্রদান করেন। রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। রবিবার বিকাল ২টায় তদন্ত কমিটির প্রধান, পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগের পরিচালক মোঃ সালাহ উদ্দিন চৌধুরী, কমিটির সদস্য খনিজ সম্পদ ব্যুরোর সহকারী পরিচালক মোঃ আলমগীর কবির ও সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আব্দুল্লাহ সরেজমিনে মেছারচর ও পাথর কোয়ারির সতিপুর, বাজেখেল, ভালুকমারা, কান্দলা, সাউদগ্রাম ও পশ্চিমপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তদন্ত কমিটির কর্মকর্তারা স্থানীয় বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলেন এবং পাথর কোয়ারির বর্তমান কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি লুসিকান্ত হাজং ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা। কোয়ারি এলাকা পরিদর্শন শেষে তদন্ত কমিটির কর্মকর্তাদের সাথে স্থানীয় সাংবাদিকরা কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বলেন, মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিটের আবেদনের প্রেক্ষিতে এখানে এসেছি, এর বেশি কিছু বলা যাবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তদন্তকালে কমিটির কর্মকর্তারা লোভাছড়া পাথর কোয়ারির এলাকার ধ্বংসযজ্ঞ দেখে হতবাক হন। কোয়ারিতে ইজারার শর্ত লঙ্গন করে শত শত বিশাল আকৃতির গভীর গর্ত ও লোভা নদীর উভয় পার কেটে পাথর উত্তোলন অব্যাহত থাকলে এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় নেমে আসবে বলে তারা মনে করেন। এছাড়া কোয়ারির বর্তমান অবস্থার সার্বিক রিপোর্টও তৈরি করেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এখন থেকে কোয়ারির সার্বিক বিষয় তদারকীর জন্য সিলেটের জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ইবতিজা হাসান নামে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষনিক সেখানে অবস্থান করবেন বলে নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা জানান। এদিকে গত শনিবার কোয়ারির একটি গর্ত থেকে পাথর উত্তোলন কালে ফরমান উল্লাহ নামক এক পাথর শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার পর আজ রবিবার খনিজ সম্পদ ব্যুরো, পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা কোয়ারিতে আসছেন এমন সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পাথর ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা গা ঢাকা দেন এবং কোয়ারি থেকে যন্ত্রপাতি সরিয়ে ফেলা হয়।
মেসির এমন ফ্রি–কিক শেষ কবে দেখেছেন?

মেসির এমন ফ্রি–কিক শেষ কবে দেখেছেন?

0a4e8ca99223d25a6700937e7ba4d04e-5a929a5f38e4f.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
ফুটবল গতির খেলা, পরতে পরতে উত্তেজনা। সারাক্ষণই তো এতে কী হয়, কী হয় ব্যাপার! কিন্তু রেফারি বক্সের আশপাশে ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজালেই সবকিছু কেমন যেন ঠান্ডা হয়ে আসে। ওটা আসলে চাপা উত্তেজনা। রক্তনালির নাচন আটকে দর্শকেরা তৈরি হন ‘বিশেষ’ কিছু দেখতে। লিওনেল মেসির কাছ থেকে সেই ‘বিশেষ’ নিশ্চয়ই দেখেছেন গতরাতে!

জিরোনার বিপক্ষে ততক্ষণে ২-১ গোলে এগিয়ে বার্সেলোনা। একটি করে গোল করেছেন লুইস সুয়ারেজ ও মেসি। ৩৬ মিনিটে জিরোনার ডি বক্সের বাইরে ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজান রেফারি। শটটা কে নেবেন তা বোঝাই যাচ্ছিল। মেসিই এগিয়ে এলেন ফ্রি-কিকটা নিতে। জিরোনার খেলোয়াড়েরাও মানবদেয়াল বানিয়ে তৈরি। কিন্তু মেসি সেই মানবদেয়ালকেই ফাঁকি দিলেন কী অসাধারণ কেতায়!

ফ্রি-কিকের ক্ষেত্রে ৯৬ শতাংশ সময়েই ‘মানবদেয়াল’-এর ভাবনা থাকে বলটা তাঁদের মাথার ওপর দিয়ে মারা হবে। এ কারণে ফ্রি-কিক নেওয়ার সময় ‘মানবদেয়াল’-এ দাঁড়ানো খেলোয়াড়েরা স্বাভাবিকভাবেই লাফ দেন, যেন বলটা তাঁদের মাথায় লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ফ্রি-কিক মারা এবং ঠেকানোর এটাই প্রথাগত চিন্তা। কিন্তু ‘জিনিয়াস’ হলে ভিন্ন কথা। মেসি করলেন কী, শট নিলেন জিরোনা ‘মানবদেয়াল’-এর নিচ দিয়ে!

জিরোনার খেলোয়াড়েরা যে লাফ দেবেন এটা তো মেসি আগেই জানতেন। তাই মাটি কামড়ানো শটে তাঁদের পায়ের তল দিয়ে বল পাঠিয়েছেন জালে। গোলরক্ষক ডান প্রান্তে ঝাঁপিয়ে পড়লেও বেশি কিছু করতে পারেননি।
অনেক খেলোয়াড় যেখানে গোটা ক্যারিয়ারেই এমন একটা গোল করতে পারলেই বর্তে যান, সেখানে মেসির স্মিত উল্লাস দেখে খটকা লাগতেই পারে। এমন গোল মেসি আগেও করেছেন। সে কারণেই এই আত্মনিয়ন্ত্রণ? নাকি কিছুদিন আগে নানা মারা যাওয়ার প্রভাব? সে যা-ই হোক না কেন, জিরোনার বিপক্ষে এই গোলটি দিয়ে মেসি কিন্তু ফুটবলরসিকদের স্মৃতিকাতর করে তুলেছেন।

বার্সেলোনার হয়ে মেসির এমন গোল এই প্রথম। আর্জেন্টিনার জার্সিতে এর আগে ‘ফ্রি-কিক আন্ডার দ্য ওয়াল’ থেকে গোল করেছেন ২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে; উরুগুয়ের বিপক্ষে। তবে বার্সার ‘নস্টালজিক’ সমর্থকেরা কিন্তু কাল রাতে মেসির গোলটি দেখে মনে মনে ফিরে গিয়েছিলেন তাঁর পূর্বসূরির কাছে—রোনালদিনহো!

২০০৬, ভেরডার ব্রেমেন! মনে পড়ে? ম্যাচের ১৩ মিনিটে ফ্রি-কিক পেয়েছিল বার্সা। জার্মান ক্লাবটির ‘মানবদেয়াল’-এর সবাই যে লাফ দিয়েছিলেন তা নয়। কিন্তু যাঁরা লাফ দিয়েছিলেন তাঁদের পায়ের তল দিয়েই ‘রোনি’ বল পাঠিয়েছিলেন জালে। এর ছয় বছর পর ব্রাজিলিয়ান ক্লাব অ্যাটলেটিকো মিনেইরোয় থাকতেও ফিগুইরেনেসোর বিপক্ষে একইভাবে গোল করেছিলেন রোনালদিনহো। মজার ব্যাপার হলো, ‘রোনি’র সেই গোলের পরদিনই সিয়েনার বিপক্ষে ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন আন্দ্রে পিরলো। কীভাবে? সেই ‘আন্ডার দ্য ওয়াল’!

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ের বিপক্ষে সেই গোলের পর মেসি কিন্তু স্মরণ করেছিলেন রোনালদিনহোসহ আরেকজনকে—তিনি ইতালিয়ান ফুটবলে ‘আর্কিটেক্ট’ এবং জুভেন্টাসে ‘মোৎজার্ট’খ্যাত আন্দ্রে পিরলো। মেসির ভাষ্য ছিল, ‘দেয়ালের নিচ দিয়ে ফ্রি-কিক? রোনালদিনহো এবং পিরলো সম্প্রতি এভাবে গোল করেছে। আমি পারব কি না তা নিয়ে মনের মধ্যে একটু সন্দেহ থাকলেও শেষ পর্যন্ত বাজিটা ধরে জিতেছি।’

‘আন্ডার দ্য ওয়াল’ ফ্রি-কিক আসলেই একধরনের বাজি। প্রতিপক্ষ ‘মানবদেয়াল’-এর খেলোয়াড়দের লাফ দেওয়ার সঙ্গে শট নেওয়ার টাইমিং নিখুঁত হতে হয়। এ ছাড়া গোলরক্ষকের পজিশন দেখে শট নেওয়াও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। মেসির মতো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও এ কাজে পারঙ্গম। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে থাকতে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে এমন গোল রয়েছে রোনালদোর। রিয়াল মাদ্রিদে আসার পর একইভাবে ফাঁকি দিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখকেও।

রোনালদিনহো ‘আন্ডার দ্য ওয়াল’ ফ্রি-কিকে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি পরিচিত এবং সফলও। ২০১১ সালে সান্তোসের বিপক্ষেও একইভাবে গোল করেছিলেন সাবেক এ ব্রাজিলিয়ান। তাঁরই একসময়কার জাতীয় দল সতীর্থ রিভালদো বার্সেলোনায় থাকতে এসি মিলানের বিপক্ষে গোল করেছিলেন ‘মানবদেয়াল’-এর নিচ দিয়ে।

ভীষণ খ্যাতিমানদের বাইরে এই পথে হেঁটেছেন জাভি আলোনসো, কাইল ওয়াকার এবং কেভিন ডি ব্রুইনও। কিন্তু কাল মেসি সেই একই পথে যেভাবে হাঁটলেন, তা নিকট অতীতে শেষ কবে দেখেছেন? প্রথমআলো
ডিম পাড়ছে ১৪ বছরের বিস্ময়বালক!

ডিম পাড়ছে ১৪ বছরের বিস্ময়বালক!

9_0.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
ডিম পেড়ে খবরের শিরোনামে ১৪ বছরের বিস্ময়বালক। ইন্দোনেশিয়ার ওই নাবালকের দাবি, ২ বছরে ২০টি ডিম পেড়েছে সে। শুধু মুখে বলেই ক্ষান্ত হয়নি সে, প্রমাণ দিতে একঘর ডাক্তারদের সামনে ২ খানা ডিম পেড়েও দেখিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ওই বিস্ময়বালক।

আর এই ঘটনার পরই ঘুম উড়েছে গোটা দেশের চিকিৎসক মহলের। কী করে সম্ভব? কীভাবে এটা করে দেখাছে ১৪ বছর বয়সই খুদে। চুলচেরা বিশ্লেষণে সত্য উদঘাটনে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসরা আগেই জানিয়েছেন, মানবদেহে ডিম্বাশয় থাকলেও ডিম পাড়ার মতো কোনও বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া ঘটে না। বিজ্ঞানসম্মতভাবে এমনটা কখনই সম্ভব নয়। তবে ওই বালকের মলদ্বার থেকে কীভাবে একের পর ডিম বেড়িয়ে আসছে, তা জানতে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়ার চিকিৎসকরা।

এখন ইন্দোনেশিয়ার শেখ ইউসুফ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ওই বিস্ময়বালক। তাকে নিয়ে নানান গবেষণা চালাচ্ছে তাবড় তাবড় ডাক্তারবাবুরা। রহস্যের সত্য জানতে 'মানুষের ডিম' কেটে চিকিৎসকরা দেখতে চাইছে, ওই ডিমের ভিতরে আসলে কী আছে! ডিমের ভেতরে কি আদৌ কুসুম জাতীয় কিছু রয়েছে তা পরীক্ষা করে দেখতে চাইছে গবেষকরা। এমনকী ওই বালকের মলদ্বারেও চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। সূত্র: জি নিউজ
অর্ধেক দামে লুমিয়া ফোন!

অর্ধেক দামে লুমিয়া ফোন!

lumia-denim-930-780.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
গত বছর মাইক্রোসফট ঘোষণা দিয়ে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় লুমিয়া ফোনের। কিন্তু এখনো স্টকে রয়েছে বেশ কিছু ফোন। ওয়ারহাউজ খালি করতে এবার লুমিয়া ফোন বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে মাইক্রোসফট। এসব ফোন অর্ধেক দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

পুরাতন মডেলের অব্যবহৃত বিভিন্ন মডেলের লুমিয়া ফোন বিক্রি হচ্ছে মাইক্রোসফটের স্টোরে। এসব মডেল হলো-লুমিয়া ৯৫০, লুমিয়া ৯৫০ এক্সএল, লুমিয়া ৫৫০ এবং লুমিয়া ৫৬০।

কেউ এসব মডেলের লুমিয়া ফোন কেনার জন্য অনলাইনে অর্ডার করলে কোনো শিপিং চার্জ ছাড়াই ঘরে পৌঁছে দিয়ে আসবে মাইক্রোসফট। বিশ্বের যেকোনো দেশে থেকেই এই ফোন কেনার জন্য অর্ডার দেয়া যাবে।

মাইক্রোসফটের স্টোরে বিক্রির জন্য রাখা লুমিয়া ফোনগুলোর মধ্যে হাইএন্ড সিরিজের ফোন লুমিয়া ৯৫০ এক্সএল। এ ফোনটিতে রয়েছে ৫.৭ ইঞ্চির অ্যামোলিড ডিসপ্লে। ডিসপ্লের রেজুলেশন ১৪৪০x২৫৬০ পিক্সেল। এতে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৮১০ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে।

ছবির জন্য লুমিয়া ৯৫০ এক্সএল ফোনটিতে ২০ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা রয়েছে। হ্রাসকৃত মূল্যে ফোনটি এখন বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪৯৯ ডলারে।

অন্যদিকে সবচেয়ে কম দামি ফোন লুমিয়া ৫৫০। এ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৩৯ ডলারে। এতে আছে ৪.৭ ইঞ্চির এইচডি ডিসপ্লে। এছাড়াও, লুমিয়া ৯৫০ বিক্রি হচ্ছে ৩৯৯ ডলারে। লুমিয়া ৬৫০ ফোনটির এখনকার মূল্য ১৯৯ ডলার।
মৃত্যুর আগে শ্রীদেবীকে দেখে এতটুকুও অসুস্থ মনে হয়নি

মৃত্যুর আগে শ্রীদেবীকে দেখে এতটুকুও অসুস্থ মনে হয়নি

hhh.JPG


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দুবাইয়ে পারিবারিক এক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী শ্রীদেবী। যেখানে তাকে দেখে এতটুকুও অসুস্থ বলে মনে হয়নি কারও। যার প্রমাণ মিলেছে ভারতের নন্দিত সংগীতশিল্পী সনু নিগমের পোস্ট করা একটি ভিডিও টুইটের মাধ্যমে। এই ভিডিওতে বিয়ের অনুষ্ঠানে শ্রীদেবীর জীবনের শেষ মুহূর্তের কিছু অংশ দেখা গেছে!

শনিবার রাতেই ভিডিওটি টুইট করে সনু লিখেছেন, ‘তার শেষ ভিডিও। রেস্ট ইন পিস, শ্রীদেবী।’

৫৪ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলো শ্রীদেবীর। পারিবারিক সূত্রে খবর, শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে দুবাইতে পারিবারিক একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েই এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী বনি কাপুর ও ছোট মেয়ে খুশি।
ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় নেইলপলিশের ‘টক্সিক ট্রিও’

ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় নেইলপলিশের ‘টক্সিক ট্রিও’

Nail-polish-680x450.gif



কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
নেইলপলিশ না দিলে যেন স্টাইলটাই সম্পূর্ণ হয় না। তাই আমরা অনেকেই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে দেখে নেই নখের এই রংগুলো ঠিকঠাক আছে কিনা! পোশাকের সাথে মিলিয়ে নেইলপলিশ কিনি। অনেকে আবার পাঁচ নখে পাঁচ রং দেন!

নেইলপলিশের ব্র্যান্ড, রঙের পছন্দ, নেইল আর্ট সব যেন আমাদের উৎসবের অংগ, সাজের অনুসংগ। এমনকি ব্যাক্তিত্বের প্রকাশ। কিন্তু নেইলপলিশ কি স্বাস্থ্যের জন্য ভাল? নখে দিনের পর দিন যে ক্যামিক্যাল আমরা ব্যবহার করে চলেছি তা কি আমাদের ত্বকের ক্ষতি করছে কোন কারণে? আর আমরা তো শুধু ওই রং টুকুই দেই না। নেইলপলিশ দিলে হাত-পা যাতে সুন্দর লাগে সেজন্য আগে থেকেই মেনিকিওর পেডিকিওর করি। এজন্য যা যা ব্যবহার করি সেগুলি কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর?

বিজ্ঞানীরা বলছেন, হাত-পায়ের যত্নে ব্যবহার করা বিউটি প্রডাক্টগুলো ত্বকের জন্য ভাল নয় মোটেও। এগুলোতে থাকা টক্সিক রাসায়নিকগুলো সিরিয়াস স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যান্সার প্রিভেনশন ইন্সটিটিউট এবং স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ডা. থিউ কচ বলেন এই ক্যামিকেলগুলো নারীর উর্বরতার সমস্যা থেকে শুরু করে ক্যান্সারের কারণও হতে পারে!

নেইল কেয়ার পণ্যগুলো ক্ষারীয় এবং বিভিন্নরকম ক্ষতিকর উপাদানে সমৃদ্ধ থাকে। এগুলো কোনটাই আমাদের ত্বকের সাথে মানিয়ে নিতে পারে না। এর অপকারিতাগুলো আমরা সাথে সাথেই দেখতে পাই না। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এগুলো বয়ে আনতে পারে জীবনের ঝুঁকি।

গবেষণায় দেখা গেছে, নেইলপলিশে থাকে টলুইন, ফর্মালডিহাইড এবং dibutyl phthalate। এগুলো সবই টক্সিক রাসায়নিক পদার্থ যা আমাদের ত্বকের সংপর্শে আসা উচিৎ নয়।

টলুইন হল এক প্রকারের সলভেন্ট যা নখের উপর একপ্রকার আবরণ তৈরি করে এবং নেইলপলিশের রং ঠিক রাখে। আপনি জানলে অবাক হবেন যে, গবেষণায় দেখা গেছে, এই রাসায়নিক আপনার কেন্দ্রীয় নার্ভাস সিস্টেমে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং গর্ভধারণে ঝুঁকির সৃষ্টি করে।

এই সলভেন্ট আসলে পেট্রলকে ঠিক রাখতে ব্যবহার করা হয়। ফর্মালডেহাইড ব্যবহার করা হয় নখ শক্ত করার জন্য এবং অন্যান্য নখের যত্নে। অথচ এটি একটি কারসিনোজেন। যার ডাক নাম বলা যায় ‘টক্সিক’, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

রাসায়নিক টলুইন, ফর্মালডিহাইড এবং ডিবুটিল ফটালেট যে কোন নেইল কেয়ার পণ্যে থাকবেই। এই ৩ টক্সিক ট্রিও এর সাথে আরও অনেক রাসায়নিক নিত্য যোগ হচ্ছে।

সবচেয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হন যারা বিউটি পার্লারগুলোতে এই রাসায়নিকগুলো নিয়ে কাজ করেন। কারণ তাদেরকে ক্রমাগত এগুলো হাতে নিতে হয়। অসংখ্য মানুষকে তারা রোজ নেইল কেয়ার সেবা প্রদাণ করেন। এইসন রাসায়নিকের প্রভাবে ধীরে ধীরে অসুস্থ হতে থাকেন তারা। তাদের ত্বকের ক্ষতি হয়, চোখে সমস্যা হয় এবং বিভিন্ন এলার্জিজনিত সমস্যা হয়।

ডা. কচ এর গবেষণা অনুযায়ী এই রাসায়নিকগুলো মনোযোগের সমস্যা, স্মৃতি শক্তি হ্রাস করা সহ অন্যান্য নিউরোলজিকাল সমস্যার জন্যও দায়ী।

নিজেকে সুন্দর হিসেবে তুলে ধরতে চাই আমরা সবাই। মানুষ মাত্রই নিজেকে আরও সুচারু রূপে তুলে ধরতে চায়, প্রশংসা পেতে চায়। কিন্তু নিজের স্বাস্থ্যের চেয়ে জরুরী নয় কিছুই। যতই ভাল ব্রান্ডের পণ্য হোক না কেন নেইলপলিশে টক্সিক ট্রিও থাকবেই। তাই সবসময় নেইলপলিশ ব্যবহার বন্ধ করুন। ব্যবহার করুন, কিন্তু কোন বিশেষ অকেশনে। আর নিজের হাত-পায়ের যত্নে আর পার্লারের ভরসা নয়। ভেষজ উপায় গ্রহণ করুন ঘরেই। সূত্র: ভোরের কাগজ
'পিএসজির প্রতি টান নেইমার-এমবাপের রক্তে নেই'

'পিএসজির প্রতি টান নেইমার-এমবাপের রক্তে নেই'

neymar-mbappe-750x430.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
ঘরের মাঠে লিগ ওয়ানে মার্শেইয়ের মুখোমুখি হবে পিএসজি। কিন্তু মাঠে নামার আগে নিরুত্তাপ দলের দুই তারকা নেইমার ও কাইলিয়ান এমবাপে। এই দুই খেলোয়াড়ের এমন আচরণে খেপেছেন সাবেক পিএসজি খেলোয়াড় পিঁয়েরে দুক্রোক। প্রশ্ন তুলেছেন নেইমার-এমবাপের দল প্রতি ভালোবাসা নিয়েও।

বার্সা থেকে নেইমারকে কিনতে ২২২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে হয়েছে পিএসজিকে। তারপরেই স্থান এমবাপের। মোনাকো থেকে ফরাসি ফরোয়ার্ডকে ধারে আনলেও তার পেছনে পিএসজির কাতারী মালিকের খরচ ১৮০ মিলিয়ন ইউরো।

দুক্রোক এবার আঙুল তুলেছেন দুজনের নিজেকে উপস্থাপন করার ধরন নিয়ে। মনে-প্রাণে পিএসজির হয়ে খেলেন না নেইমার-এমবাপে, এমন সন্দেহ তার, ‘আসলে পিএসজির প্রতি টান এ দুজনের রক্তে নেই। আদ্রিয়ান রাবিওট কিংবা কিমপেমবের মত যারা প্যারিসে বড় হয়েছে, তাদের দেখলেই বিষয়টা বুঝতে পারবেন।’

মৌসুমের প্রথম পিএসজি-মোনাকো ম্যাচ হৃদয় দিয়ে খেলেননি এ তারকা, এমন অভিযোগও দুক্রোকের। সেই ম্যাচে মার্শেইয়ের মাঠ থেকে ২-২ গোলে ড্র করে ফেরে প্যারিসের জায়ান্টরা।

‘ওই ম্যাচটা ছিল এমবাপের প্রথম পিএসজি-মার্শেই ম্যাচ। সে পিএসজি একাডেমিতে খেলে বড় হয়নি। তাই খেলার গুরুত্বটা বুঝতে পারবে না। তাকে আরও পাঁচ-ছয়টি এরকম ম্যাচ খেলতে হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ম্যাচে সে কেমন আচরণ করে সেটাও খেয়াল রাখতে হবে।’
রংপুর সিটির সাবেক মেয়র ঝন্টু আর নেই

রংপুর সিটির সাবেক মেয়র ঝন্টু আর নেই

rangrur--ex-meyor.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক : রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু আর নেই। রোববার বিকেলে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ২৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান রংপুর সিটির সাবেক মেয়র সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

রোববার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে তার একমাত্র ছেলে রিয়াজ আহমেদ হিমন জানান।

গত ৩১ জানুয়ারি রাতে স্ট্রোক করলে ঝন্টুকে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। তখন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক তোফায়েল হোসেন ভুঁইয়া বলেছিলেন, “মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ঝন্টু সাহেবের বাম হাত ও পা অনুভূতিহীন হয়ে গেছে।”

পরদিন তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় ল্যাব এইড হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ল্যাব এইড থেকে পরে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু। গত ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে লড়লেও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি।

সিটি করপোরেশনের মেয়র ছাড়াও ঝন্টু রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য, রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং রংপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন।
সূত্র: বিডি লাইভ।
রাশিয়ার ওপর অলিম্পিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

রাশিয়ার ওপর অলিম্পিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

19.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
রাশিয়ার ওপর থেকে অলিম্পিকস নিষেধাজ্ঞা তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি বা আইওসি।

তবে শর্ত দেওয়া হয়েছে- দক্ষিণ কোরিয়ার পিয়ংচ্যাংয়ে চলতি শীতকালীন অলিম্পিকসে আর কোনো রুশ অ্যাথলেটের শরীরে নিষিদ্ধ বলবর্ধক পাওয়া গেলে সিদ্ধান্ত বদলানো হবে।

এছাড়া, নিষেধাজ্ঞা পিয়ংচ্যাং অলিম্পিকস শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলবত থাকবে। অর্থাৎ আজ (রোববার) অলিম্পিকসের সমাপনী প্যারেডেও রুশ অ্যাথলেটরা রাশিয়ার পতাকা বহন করতে পারবে না।

রাশিয়ার সোচিতে ২০১৪ সালের শীতকালীন অলিম্পিকসে সরকারি মদতে রুশ অ্যাথলেটদের বিরুদ্ধে দেদারসে নিষিদ্ধ মাদক ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পর গত ডিসেম্বরে আইওসি রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলো।

তবে তদন্তে যেসব রুশ অ্যাথলেটের বিরুদ্ধে সোচিতে মাদক ব্যবহারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি তেমন ১৬৮ জন পিয়ংচ্যাংয়ে অংশ নিয়েছেন। দুটি সোনা সহ ১৬টি পদক তারা জিতেছেন।

পিয়ংচ্যাং অলিম্পিকসে দুজন রুশ অ্যাথলেটের শরীরে নিষিদ্ধ মাদক পাওয়ার পর প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল রাশিয়ার ওপর আদৌ নিষেধাজ্ঞা উঠবে কিনা।

তবে আইওসি প্রেসিডেন্ট টমাস বাক বলেছেন, পিয়ংচ্যাংয়েও দুজন রুশ অ্যাথলেটের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবহারে প্রমাণ পাওয়া গেলেও এর পেছনে রুশ অলিম্পিক কমিটির কোনো ভূমিকা থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে এ ঘটনায় পিয়ংচ্যাংয়ের সমাপনী অনুষ্ঠানেও রাশিয়ার পতাকা বহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবত রাখা হয়েছে।

কেন রুশ অলিম্পিক কমিটি নিষিদ্ধ হয়েছিল? রুশ অলিম্পিক কমিটির একজন চিকিৎসক, গ্রীগরি রডচেনকভ, ফাঁস করে দেন সোচিতে ২০১৪ সালের শীতকালীন অলিম্পিকসে সরকারের মদতে নিয়ম করে রুশ অ্যাথলেটদের ব্যাপক মাত্রায় নিষিদ্ধ বলবর্ধক করতে দেওয়া হয়েছিল।

রডচেনকভ, যিনি সোচি অলিম্পিকসের সময় রাশিয়ার ডোপিং পরীক্ষার ল্যাবরেটরির দায়িত্বে ছিলেন, অভিযোগ করেছিলেন ওপর মহলের নির্দেশে তিনি রুশ অ্যাথলেটদের মূত্রের বহু নমুনা বদলে দিয়েছিলেন। রডচেনকভ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে রয়েছেন।

এই অভিযোগের পর ডোপিং বিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থার একটি তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, ২০১২ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রাশিয়ায় সরকারি মদতে এই ডোপিং কারসাজির ফলে তাদের এক হাজার অ্যাথলেট বেআইনি সুবিধা পেয়েছে। এরপর ডিসেম্বর রুশ অলিম্পিক কমিটিকে নিষিদ্ধ করা হয়।

তবে শনিবার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময় আইওসির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা নিকোল হোভার্তজ মন্তব্য করেন, 'এই ঘটনাকে পেছনে রেখে আমাদের সামনে এগুতে হবে'। সূত্র: বিবিসি
সিলেটের নতুন ডিসি নুমেরী জামান

সিলেটের নতুন ডিসি নুমেরী জামান

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিলেট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহসহ ২২ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে তিন জেলার ডিসি পদে রদবদল করা হয়েছে। রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বিভাগীর পর্যায়ের এই ছয় জেলা ছাড়াও যশোর, চাঁদপুর, কুমিল্লা, বান্দরবান, নেত্রকোণা, সাতক্ষীরা, শরিয়তপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রাঙামাটি, কক্সবাজার, ঝিনাইদহ, ভোলা, কুড়িগ্রাম, নরসিংদী, হবিগঞ্জে নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব দেওয়ান মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নুমেরী জামানকে সিলেটের ডিসি করা হয়েছে। 
 সূত্র: সিলেট ভিউ।

Saturday, February 24

কানাইঘাট পাথর কোয়ারিতে লাশের মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে

কানাইঘাট পাথর কোয়ারিতে লাশের মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারির গভীর গর্ত থেকে পাথর উত্তোলনের সময় পাথরের চাকা ধসে পড়ে এক পাথর শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল অনুমান ৭টার দিকে লোভাছড়া পাথর কোয়ারির সাউদগ্রামে। নিহত পাথর শ্রমিক ফরহান উল্লাহ (৫০)। সে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার কাইলা গ্রামের মৃত আমান উল্লাহর পুত্র। পাথরের চাকা ধ্বসে পড়ে ফরহান উল্লাহর ঘটনাস্থলে মৃত্যু হলে তার লাশ পাথরের গর্তের মালিক স্থানীয় সাউদগ্রামের আনোয়ার হোসেন আনই ও তার স্বজনরা এবং প্রভাবশালী পাথর খেকো চক্র গুম করার চেষ্টা করে। জানা গেছে, নিহত এ শ্রমিকের লাশ সিওমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মামলা না করে নিহতের পরিবারকে কিছু আর্থিক অনুদান দিয়ে রফাদফার চেষ্টা করছে লোভাছড়া পাথর কোয়ারির নিয়ন্ত্রনকারী পাথর খেকো চক্র ও ইজারাদার কর্তৃপক্ষ। পাথর কোয়ারিতে এক শ্রমিকের প্রাণ হানির সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানার নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি লুসিকান্ত হাজং দুপুর ১টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩টি সেইভ মেশিন, প্রায় ৩’শ ফুট পাইপ পুড়িয়ে ধ্বংস করেন লুসিকান্ত হাজং এবং শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় সাউদগ্রামের গিয়াস উদ্দিনের পুত্র রেজা আহমদ (২৫) কে আটক করেন। পরে তাকে শনিবার রাতে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৭টার দিকে পাথর কোয়ারির সাউদগ্রাম মৌজার পাথর ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন আনইর ঝুকির্পূণ গভীর গর্ত থেকে পাথর শ্রমিক ফরহান উল্লাহ সহ আরো কয়েকজন শ্রমিক পাথর উত্তোলন করার সময় পাথরের বড় একটি চাকা গর্তের মধ্যে ধ্বসে পড়লে ফরহান উল্লাহর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এ সময় তার সাথে থাকা আরো কয়েকজন শ্রমিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পাথর শ্রমিক ফরহান উল্লার মৃত্যুর খবরটি ধামাচাপা দিতে তার লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে না এনে দ্রুত সিওমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নিহত শ্রমিক ফরহান উল্লাহ’র পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, অভাবের তাড়নায় দু-মুঠো ভাত জোগাড় করতে এলাকার বেশ কিছু শ্রমিকের সাথে ফরহান উল্লাহ লোভাছড়ায় আনোয়ার হোসেন আনই এর গর্তে কাজ করতে আসেন। কিন্তু পাথর খোকেদের হিংস্র থাবায় তার কপালে সে সুযোগ ঘটেনি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কোয়ারীতে গর্তের মাটি চাপা পড়ে পাথর শ্রমিক ফরহান উল্লাহর মৃত্যু হয়েছে, তার লাশ সিওমেক হাসপাতালে রয়েছে। তাৎক্ষণিক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার ভূমি লুসিকান্ত হাজং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সাউদগ্রামের আনোয়ার হোসেন আনইর গর্তে এ প্রাণ হানির ঘটনা ঘটেছে। এব্যাপারে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হবে। সাউদগ্রাম এলাকায় লীজ বর্হিভূত পাথর উত্তোলন বন্ধ এবং এব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গর্তের মালিক আনোয়ার হোসেন আনই’র সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। প্রসজ্ঞত যে, প্রতিবছর লোভাছড়া পাথর কোয়ারী থেকে গর্ত তৈরি করে পাথর উত্তোলনে শ্রমিকদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। অনেক শ্রমিকের লাশ কোয়ারির নিয়ন্ত্রনকারী ইজারাদার ও পাথর খেকো চক্র গুম করে ধামাচাপা দিয়ে থাকেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় পাথর শ্রমিক ফরহান উল্লাহ নিহতের ঘটনায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ দেয়া হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
 সিলেটের ১৯ আসনে নির্বাচন করবে জমিয়ত: বিভাগীয় কর্মী সমাবেশে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

সিলেটের ১৯ আসনে নির্বাচন করবে জমিয়ত: বিভাগীয় কর্মী সমাবেশে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিলেটের ১৯ আসনে প্রার্থী দেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা ময়দানে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিলেট বিভাগের কর্মী সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়ে ১৯ আসনের প্রার্থীদেরও পরিচয় করিয়ে দেন নেতৃবৃন্দ। তবে সংবাদ মাধ্যমে প্রার্থীদের নাম আগামীকাল রবিবার পাঠানো হবে বলে জানান প্রচার বিভাগের দায়িত্বে থাকা মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী। সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা শায়খ আব্দুল মুমিন বলেন- দেশে এখন আইনের শাসন নেই। সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় ঠিকে থাকতে চাইছে। বিরোধী মতকে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য এমন কোনো পন্থা নেই যা সরকার করছে না। সরকারের এসব অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপ দেশের জন্য শুভ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন- প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আর এটা সরকারকেই করতে হবে। সকল দলের উপস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দাফন হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সিলেট বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মাওলানা শায়খ জিয়া উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- সিলেট বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব ও সুনামগঞ্জ জেলার সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল বসীর। সিলেট জেলার সহ-সম্পাদক মাওলাা আব্দুল মালিক কাসেমি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ জেলার সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ জেলা জমিয়তের ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা তাফহিমুল হক’র যৌথ পরিচালনায় সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ সভাপতি আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আল্লামা কাসেমী বলেন- দেশ এক নজিরবিহীন সংকটের ভেতর দিয়ে চলছে। সরকারি দলের দমন নীতির ফলে দেশের মানুষ চরম উদ্বিগ্ন। সরকার ভালো আছে, তবে দেশের মানুষ ভালো নেই। দমন নীতি পরিহার করে দেশের উন্নয়নে মনোযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি। মাওলানা কাসেমী আরও বলেন- দেশের প্রতিটি সেক্টরে অনিয়ম আর দুর্নীতির মহৌৎসব চলছে। শিক্ষাখাতে চলছে নকল আর প্রশ্নফাঁসের মহড়া। যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙ্গে পড়েছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন- জাতির এই দুর্দিনে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচন হবে জাতীয় মুক্তির সোপান। নির্বাচনে সিলেটের ১৯ টি আসনে জমিয়তের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেন তিনি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আল্লামা হবিগঞ্জি বলেন- জমিয়ত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী একটি আদর্শবাহী দল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জমিয়ত দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ কওে যাচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে জমিয়তের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি। জমিয়তের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক সাংসদ এডভোকেট শাহীনুর পাশা চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের যে হিড়িক পড়েছে তা জাতির জন্য খুবই লজ্জাজনক। প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্মকে ঘোর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে ধ্বংসের পথ থেকে বাঁচাতে জমিয়তের বিকল্প নেই। জমিয়ত ক্ষমতায় গিয়ে প্রথমেই প্রশ্ন ফাঁস বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা জহিরুল হক ভূঁইয়া, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফি, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দেী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তাফাজ্জুল হক আজিজ, মাওলানা মুহাম্মদ উল্লাহ জামি, মাওলানা ফজজুল করিম কাসেমী, সহকারি মহাসচিব মাওলানা আতাউর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মাওলানা ফয়যুল হাসান খাদিমানী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রিন্সিপাল মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সমাজসেবা সম্পাদক আলহাজ্ব আতিকুজ্জামান, সহকারি সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মতিউর রহমান গাজীপুরী, ইউরোপ জমিয়তের সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল হাফিজ, মাওলানা আব্দুল আজিজ সিদ্দীকি, ইউকে জমিয়তের সিনিয়র সহ সভাপতি মুফতি আব্দুল মুন্তাকিম, ইউকে জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মামনুন মুহি উদ্দীন, ইউকে জমিয়ত নেতা মাওলানা নূরে আলম হামিদী, মাওলানা আবুল হাসান, মাওলানা মুদ্দাসির, মাওলানা সৈয়দ জুবায়ের আহমদ, মাওলানা আব্দুর রব, চট্রগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক শিব্বীর আহমদ সন্দিপী, হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মনির, যুব জমিয়তের সাবেক সভাপতি মাওলানা জিয়উল হক কাসেমী, কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক মাওলানা আব্দুল গফফার ছয়ঘরী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জয়নুল আবেদীন, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মুফতি জাকির হোসাইন, মুফতি মনির হাসোইন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলার উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আব্দুস গলমকাপনী, মাওলানা শায়খ মুকাদ্দাস আলী, মৌলভীবাজার জেলা জমিয়তের সভাপতি শায়খ মাওলানা আব্দুল মালিক, সহ সভাপতি মাওলানা বদরুল ইসলাম, মাওলানা জামিল আহমদ আনসারি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল আজিজ, হবিগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক মুফতি সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলার সহ সভাপতি মাওলানা আফসর উদ্দীন, সহ সম্পাদক মাওলানা হাম্মাদ গাজীনগরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুশতাক গাজীনগরী, সিলেট জেলার সহ সভাপতি মাওলানা মুশাহিদ আলী, মুফতি মুজিবুর রহমান, শামছুদ্দীন বানীগ্রামী, মহানগর জমিয়তের সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ আব্দুর রহমান সিদ্দীকি, সহ সভাপতি মাওলানা খয়রুল হোসেন, ইকরামুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক ফখরুয যামান, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, যুব জমিয়ত কেন্দ্রীয় সভাপতি শারফুদ্দীন ইয়াহইয়া, সাধারণ সম্পাদক মুফতি গোলাম মওলা, ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি নাসির উদ্দীন খাঁন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুর রহমান, জেলার যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আসরারুল হক, সহ সম্পাদক নূর আহমদ কাসেমী, চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ছালিম কাসেমী, সহ সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আব্দুস সামাদ, মাওলানা সদরুল আমিন, মাওলানা মুখতার আহমদ, ছাত্র জমিয়ত সুনামগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ত্বাহা হোসাইন, মৌলভীবাজার জেলার সভাপতি মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান, প্রবাসি জমিয়ত নেতা মাওলানা বিলাল উদ্দীন, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শিব্বীর আহমদ, ইউসুফ খাদিমানী, সিলেট সদর উপজেলার সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাজিম উদ্দীন, কানাইঘাট জমিয়তের সভাপতি মাওলানা শফিকুল হক, সাধারণ সম্পাদক মুফতি এবাদুর রহমান, বিয়ানীবাজার উপজেলার সভাপতি মাওলানা আব্দুস শহিদ, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আব্দুল খালিক, জৈন্তাপুর উপজেলার সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কবির আহমদ, গোয়াইনঘাট উপজেলার সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মতিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলার সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল মতিন নাদিয়া, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহফুয আহমদ, জকিগঞ্জ উপজেলার সহ সভাপতি মাওলানা জাওয়াদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বিলাল আহমদ ইমরান, দক্ষিণ সুরমার সভাপতি মাওলানা শরিফ আহমদ শাহান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আজির উদ্দীন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মাওলানা ফিরোজ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম, ওসমানীনগর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুখতার হোসাইন, বিশ্বনাথ উপজেলার সভাপতি মাওলানা জহির উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শিব্বীর আহমদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মুফতি আব্দুল মুছব্বির, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ফজল উদ্দীন, জেলা যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা ওলিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সল আহমদ, মহানগর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান আহমদ, জেলা ছাত্র জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ উদ্দীন প্রমুখ।
কানাইঘাট উমরগঞ্জে ২দিন ব্যাপী তাফসিরুল কুরআন মাহফিল

কানাইঘাট উমরগঞ্জে ২দিন ব্যাপী তাফসিরুল কুরআন মাহফিল

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৬,২৭ ফেব্রুয়ারি কানাইঘাট উপজেলা সদরের উমরগঞ্জে শায়খ ওলিউর রহমান (রহ:) স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে স্হানীয় উমরগঞ্জ মাদরাসা সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১০ম তাফসিরুল কোরআন মাহফিল। ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ট আলেম আল্লামা ইব্রাহিম আলী তশ্না (রহ:) এর স্মৃতি বিজড়িত জনপদে ২দিন ব্যাপী আয়োজিত এই তাফসির মাহফিলে সিলেট জেলাভিত্তিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বুখারী শরীফসহ চারটি হাদীসগন্হ মুখস্তকারী হাফেজ মুহিব্বুল্লাহ সিরাজীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। আল্লামা ইব্রাহিম তশ্না (রহ:) এর সাহেবজাদা শায়খ ওলিউর রহমান (রহ:) এর নামানুসারে গঠিত পরিষদের ১০ম তাফসিরুল কুরআন মাহফিলের ১ম দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করবেন বিশ্ববরেণ্য আলেমে দ্বীন, বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ক্বাসেমিয়া নরসিংদী কামিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন আব্দুল্লাহ জাফরী। তাফসির পেশ করবেন মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা আবু তায়্যিব (সৎপুরী), হাফেজ মাওলানা রায়হান উদ্দিন (আমেরিকা), পীরে কামিল মাওলানা আব্দুল গফফার (রায়গড়ী), মাওলানা সোয়াইব আহমদ আশরাফী (হবিগঞ্জ)। তাফসিরের ২য় দিন প্রধান অতিথির আলোচনা পেশ করবেন চট্রগ্রাম আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের খতিব আওলাদে রাসুল (সা:) হযরতুল আল্লাম সাইয়্যেদ আনোয়ার হোসাইন তাহের জাবিরী আল-মাদানী। তাফসির পেশ করবেন দেশবরেণ্য মুফাসসির মাওলানা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারী (পীর সাহেব, টেকেরহাট, মাদারীপুর), আমেরিকার কার্লিফোনিয়া ইসলামিক সেন্টারের শাহ ময়নুল ইসলাম ফারুকী, পীরে কামিল মাওলানা রশিদুর রহমান ফারুক (সাহেবজাদায়ে বরুণী), প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন প্রিন্সিপাল মাওলানা হাফিজুর রহমান (অধ্যক্ষ, ঝিংগাবাড়ী ফাযিল মাদরাসা) এবং কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত পরিবেশন করবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী হাফেজ খোবায়বুল হক তানিম (ঢাকা)। এছাড়াও ২দিন ব্যাপি এ তাফসিরে সিলেটের বরেণ্য উলামায়ে কেরামগণ মহাগ্রন্হ আল কোরআন থেকে আলোচনা পেশ করবেন। শায়খ ওলিউর রহমান (রহ:) স্মৃতি পরিষদের ১০ম এ তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্হিত থাকবেন এটিএন বাংলার ভাইস প্রেসিডেন্ট মুস্তাফিজুর রহমান, বিসমিল্লাহ হেলপি হ্যান্ডসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আব্দুশ শুকুর সিদ্দিকী, কানাইঘাট এসোসিয়েশন লন্ডনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করবেন শায়েখ ওলিউর রহমান স্মৃতি পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শায়খুল হাদীস আব্দুল্লাহ (ছোটদেশী), পরিষদের উপদেষ্টা মাওলানা হুদুর রহমান (ঢালাইছরি), শায়খুল হাদীস মাওলানা ইলিয়াস এবং হাফেজ নাজমুল ইসলাম ফারুকী। পরিষদের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিদিন দুপুর ১২ ঘটিকা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মাহফিল চলবে। উক্ত মহতি মাহফিলে উপস্হিত হতে সর্বস্হরের তৌহিদী জনতাকে শায়েখ ওলিউর রহমান (রহ:) স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।(বিজ্ঞপ্তি)
কানাইঘাটের লােভাছড়ায় পাথর তুলতে গিয়ে শ্রমিক নিহত

কানাইঘাটের লােভাছড়ায় পাথর তুলতে গিয়ে শ্রমিক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক:কানাইঘাটের লোভাছড়া পাথর কোয়ারিতে পাথর চাপায় ফরহান উল্লাহ(৫৫) নামের এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার কাইলা গ্রামের মৃত আমান উল্লাহর ছেলে। শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় লোভাছড়া পাথর কোয়ারির সাউদগ্রামে পাথরের চাকা ধ্বসে এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। এদিকে শ্রমিকের মৃত্যুর খবর ধামাচাপা দিতে কোয়ারির গর্তের মালিক আনোয়ার হোসেন উরফে আনাই ও তার সহযোগী প্রভাবশালী পাথর খেকো চক্র ইতিমধ্যে শ্রমিকের লাশ সরিয়ে তড়িঘড়ি করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছেন । শ্রমিক মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কানাইঘাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুসিকান্ত হাজং ও কানাইঘাট থানা পুলিশ।
কানাইঘাটে নবাব চৌধুরী এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট কর্তৃক দুটি বিদ্যালয়ে আলমারী প্রদান

কানাইঘাটে নবাব চৌধুরী এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট কর্তৃক দুটি বিদ্যালয়ে আলমারী প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাটে নবাব চৌধুরী এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট কর্তৃক দুটি বিদ্যালয়ে আলমারী প্রদান করা হয়েছরর। সম্প্রতি উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউ'পির বীরদল অগ্রগামী উচ্চ বিদ্যালয় ও গ্রীনবার্ড কিন্ডার গার্টেনে এ স্টীল আলমারী প্রদান করা হয়। আলমারী দুটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন নবাব চৌধুরী এডুকেশন এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী ব্যাংকার আহমেদ ইকবাল চৌধুরী'র পিতা মাষ্টার বশির আহমদ চৌধুরী ও নুরুল আমীন চৌধুরী। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Friday, February 23

কানাইঘাটে মেছো বাঘের চারটি ছানা উদ্ধার

কানাইঘাটে মেছো বাঘের চারটি ছানা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট দিঘীরপাড় পূর্ব ইউ.পির শাহপুর গ্রামের সাবেক ইউ.পি সদস্য বশির উদ্দিনের বাড়ির পাশের খোলা মাঠ থেকে স্থানীয় জনতার হাতে ৪টি মেছো বাঘের ছানা স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়েছে। শুক্রবার সকাল অনুমান ৭টা দিকে আড়াই মাস বয়সের এ ৪টি মেছো বাঘের ছানা আটকের পর এলাকার হাজারো মানুষ বাঘের বাচ্চাগুলি দেখার জন্য বশির উদ্দিনের বাড়ীতে ভিড় জমান। বাঘের ছানা আটকের সংবাদ পেয়ে উপজেলা বিট কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম শুক্রবার দুপুরে সেখানে গিয়ে বাচ্চাগুলি উদ্ধার করে বিট কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। বিট কর্মকতা শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউ.পি মূলাগুলের ফরেস্ট ডিপ জঙ্গলে এ ৪টি বাঘের ছানা অবমুক্ত করা হবে। তবে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন মেছো বাঘের ছানাগুলোর মা’কে এলাকায় খোঁজাখুঁজির পরও পাওয়া যায়নি।
কানাইঘাটে আল উস্ওয়াহ জামিয়া মাদানিয়া ফুযালা পরিষদ গঠন

কানাইঘাটে আল উস্ওয়াহ জামিয়া মাদানিয়া ফুযালা পরিষদ গঠন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: গত বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাদ যোহর কানাইঘাট ডাক বাংলাে হল রুমে কানাইঘাট উপজেলার অধিবাসী জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরার ফাযিলদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাওলানা মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় "আল উস্ওয়াহ জামিয়া মাদানিয়া ফুযালা পরিষদ কানাইঘাট উপজেলা" নামে একটি সামাজিক সংস্থা গঠন করা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মাওলানা মাহমুদুর রহমানকে সভাপতি, মাওলানা আব্দুল কাদিরকে সাধারণ সম্পাদক, হাফিজ মাওলানা জালাল উদ্দীনকে অর্থ সম্পাদক ও হাফিজ জামাল উদ্দীনকে প্রচার সম্পাদক করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরার মহা পরিচালক মুফাক্কিরে ইসলাম আল্লামা শায়খ জিয়া উদ্দীন বলেন,আপনারা দ্বীনে ইসলামের খাদিম, সমাজের প্রতিটি রন্দ্রে রন্দ্রে ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিতে হবে। দ্বীনের জন্য নিজের জান-মাল খরচ করতে হবে। নির্যাতিত-নিপিড়ীত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সর্বপরি মানব সেবায় আপনারা ঐক্যবদ্ধ ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা আশরাফুল মাখলুকাত। আপনাদের চরিত্র সুন্দর হতে হবে। আপনাদের মধ্যে থাকতে হবে উস্ওয়ায়ে হাসানা! তিনি আরও বলেন গুণিজনের সম্মান, আলীম-উলামার তা'জীম ও সর্বসাধারণের সাথে যথাযত সদাচারণ করতে হবে।

Thursday, February 22

কানাইঘাট টু সিলেট গেইটলক বাস চালু

কানাইঘাট টু সিলেট গেইটলক বাস চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট শহরে নিয়মিতো যাতায়াতকারী যাত্রী সাধারণের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেেিত অবশেষে চালু হলো কানাইঘাট টু সিলেট গেইটলক বাস সার্ভিস। বৃহস্পতিবার কানাইঘাট উত্তরবাজার বাসস্ট্যান্ড হতে এই বাস সার্ভিসের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। বিকাল ৪টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে গেইটলক বাস সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন করেন, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট তামাবিল বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি নূর উদ্দিন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন লষ্কর, সহ সাধারণ সম্পাদক সেকু মিয়া, কোষাধক্ষ্য মুজিব সরকার, কানাইঘাট বানীগ্রাম ইউ.পির চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা মাসুদ আহমদ, বড়চতুল ইউপির চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হোসেন, জেলা বিএনপি নেতা অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, নুরুল হোসেন বুলবুল, কানাইঘাট প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সহ সম্পাদক আব্দুন নূর, ক্রীড়া সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ, বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সদস্য মুসা মিয়া, সুনা মিয়া, কবির মিয়া, কানাইঘাট বাসষ্ট্যান্ডের ম্যানেজার শ্রমিক নেতা ফিরোজ মিয়া, মনি বাবু চৌধুরী প্রমুখ। এখন থেকে প্রতিদিন কানাইঘাট উত্তর বাজার বাস স্ট্যান্ড থেকে সকাল ৮ এবং ৯টায় এবং বিকাল ৪টায় গেইটলক বাস সিলেট শহর পর্যন্ত যাতায়াত করবে। যাত্রীরা যাতে করে আরামদায়ক পরিবেশ এবং কম সময়ের মধ্যে সিলেটে যেতে পারেন, এ জন্য সিলেট তামাবিল লাইনে আধুনিক বাস সার্ভিস চালুরও ঘোষণা দেন বাস মিনিবাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
দলীয় প্রধানের পদেও অযোগ্য নওয়াজ শরীফ

দলীয় প্রধানের পদেও অযোগ্য নওয়াজ শরীফ

6.jpg



কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে দলীয় প্রধানের পদেও অযোগ্য ঘোষণা করেছে। এর ফলে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে প্রধানমন্ত্রীর পদ হারানো নওয়াজ শরীফ দল থেকেও অব্যাহতি পেলেন।

সুপ্রিম কোর্ট গত বছর দুর্নীতির অভিযোগে নওয়াজ শরীফকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয়। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে এসেছেন।

পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত বুধবার এক রায়ে বলেছে, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তার অপসারণের ঘটনা তাকে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ বা পিএমএল-এনের সভাপতির পদেও অযোগ্য করে দিয়েছে। এ কারণে দলীয় সভাপতি হিসেবে তিনি এতদিন যেসব সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তার সব বাতিল বলে গণ্য হবে।

এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে আগামী দু’সপ্তাহ পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সিনেট নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়নের সিদ্ধান্ত। মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ব্যাপারে দল এখন নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

প্রধান বিচারপতি সাকিব নিসার  বলেছেন, 'নির্বাচন কমিশন দলীয় সব কাগজপত্রে পিএমএল-এনের প্রধানের পদ থেকে নওয়াজ শরীফকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে তিনি এতদিন যেসব সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তার সবই বাতিল বলে গণ্য হবে।'

সুপ্রিম কোর্টের এ নির্দেশকে নওয়াজ শরীফের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। নওয়াজ শুরু থেকে দাবি করে এসেছেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।

পাকিস্তানের আদালতে নওয়াজ শরীফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একটি মামলার শুনানি চলছে এবং আগামী মাসে তার রায় হওয়ার কথা রয়েছে।

পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে পিএমএল-এনের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন রয়েছে এবং আগামী মাসের গোড়ার দিকে অনুষ্ঠেয় উচ্চকক্ষের নির্বাচনেও দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: পার্সটুডে
বাংলাদেশে দুর্নীতি কমেছে: টিআই

বাংলাদেশে দুর্নীতি কমেছে: টিআই

18.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) দুর্নীতির ধারণা সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশে দুর্নীতি তুলনামূলক কমেছে। শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭তম। গত বছর এই অবস্থান ছিল ১৫ তম।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০১৭ তুলে ধরেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
পিছিয়ে গেল ডিএনসিসি উপ-নির্বাচনের শুনানি

পিছিয়ে গেল ডিএনসিসি উপ-নির্বাচনের শুনানি

13.jpg

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচন ও ১৮টি নতুন ওয়ার্ড এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৮টি নতুন ওয়ার্ডের নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের আবেদনের ওপর আজ বৃহস্পতিবার শুনানি হয়নি।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ ‘নট টু ডে’ আদেশ দেয়। এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি দুই সপ্তাহ শুনানি মুলতবি করেছিল আপিল বিভাগ।

নির্বাচন কমিশনের জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামালের পক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড মোহম্মদ আশরাফ-উজ-জামান খান আদালতে বলেন, জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামালের ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে আজ তিনি আদালতে আসতে পারেননি। এজন্য এ আবেদনের শুনানি পেছানো দরকার।

এরপর আদালত ‘নট টু ডে’ (আজকে নয়) আদেশ দেন। পরে মোহম্মদ আশরাফ-উজ-জামান খান সাংবাদিকদের জানান, আজ আদালত ‘নট টু ডে’ আদেশ দেয়ায় এ আবেদনগুলোর শুনানি একদিনের জন্য পেছালো।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩০ নভেম্বর মেয়র আনিসুল হকের আকস্মিক মৃত্যুর পর ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচনের জন্য গত ৯ জানুয়ারি তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
৭ মাসে মাছ রপ্তানিতে আয় ২৩৩৯ কোটি টাকা

৭ মাসে মাছ রপ্তানিতে আয় ২৩৩৯ কোটি টাকা

17.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার বা ২ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা; যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬.০৯ শতাংশ বেশি। আর অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৯ কোটি ৩৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা মোট হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৩.৯৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

এতে জানানো হয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫২ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রথম ৭ মাসে ৩০ কোটি ৪৯ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬.০৯ শতাংশ বেশি।

ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই মেয়াদে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ৭.৫৫ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এ খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩২ কোটি ৯১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৭-১৮ অর্থবছরেরর প্রথম ৭ মাসে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮.৬৪ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২৩ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসের চেয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় ৫৯.২৩ শতাংশ বেড়েছে।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৬.৯২ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে রপ্তানিতে আয় বেড়েছে ৩৩.৩৮ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে চিংড়ি রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। আর এই সময়ে আয় হয়েছে ২৯ কোটি ৩৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪.৫৩ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২৮ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রপ্তানি আয় ৩.১৯ শতাংশ বেড়েছে।

আলোচ্য সময়ে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২.৪০ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।
পেরুতে যাত্রীবাহী বাস গিরিসঙ্কটে, নিহত ৪৪

পেরুতে যাত্রীবাহী বাস গিরিসঙ্কটে, নিহত ৪৪

10.jpg


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক :
পেরুতে যাত্রীবাহী একটি বাস রাস্তা থেকে ছিটকে প্রায় ১০০ মিটার গভীর গিরিসঙ্কটে পড়ে অন্তত ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

চলতি বছর পেরুতে বাস দুর্ঘটনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানীর ঘটনা এটি। দুর্ঘটনাটি যে জায়গায় ঘটেছে সেই আরেকিপা অঞ্চলের গভর্নর জামিলা ওসারিও এক টুইটে বলেছেন, 'পেরুর জাতীয় পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী এ পর্যন্ত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।'

বাসটিতে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিল বলে জানিয়েছে পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রে লাতিনো; কিন্তু তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে পুলিশ। যাত্রীর সংখ্যা আরো বেশি হবে বলে মন্তব্য পুলিশের। তাদের যুক্তি, পথে বাসটিতে যেসব যাত্রী উঠেছিল প্রাথমিক রেজিস্ট্রারে তাদের উল্লেখ নেই।

আরেকিপা অঞ্চলের ওকোনা জেলার পানামেরিকানা সুর মহাসড়কের একটি বাঁকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট পেদ্রো পাবলো কুইজিনস্কি।

পেরুতে প্রায়ই বাস দুর্ঘটনা ঘটে। এর জন্য দেশটির অনিরাপদ সড়ক ও চালকদের দক্ষতার অভাব দায়ী বলে মনে করা হয়। এর আগে জানুয়ারির প্রথমদিকে দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চলে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর যাত্রীবাহী একটি বাস খাদে পড়ে অন্তত ৪৮ জন নিহত হয়েছিল। সূত্র: বিডি নিউজ

Wednesday, February 21

কানাইঘাট মাদ্রাসার ইসলামী মহা-সম্মেলনে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল

কানাইঘাট মাদ্রাসার ইসলামী মহা-সম্মেলনে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক: আর্ন্তজাতিক ইসলামী ব্যক্তিত্ব দারুল উলূম দেওবন্দের বিশিষ্ট মুহাদ্দিস আল্লামা মুফতি খুরশেদ আনোয়ার বলেছেন, বিশ্বব্যাপী আজ তাগুতি শক্তিগুলো ইসলাম ও মুসলমান ধ্বংসে আধা জল খেয়ে ময়দানে বিরাজমান। এজন্য মুসলমানরা ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে কাজ করতে হবে। বিদেশী মেহমান বলেন, বাতিলরা বিভিন্ন ছদ্ম নামে সমাজে ধুম্রজাল সৃষ্টির জন্য তাদের মিশন চালিয়ে যাচ্ছে। ওদের কালো থাবা থেকে আমাদেরকে হেফাজত রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন দেশে কাদিয়ানি, লা-মাযহাবী আর আহলে হাদিস জামায়াত শুধুমাত্র মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা সৃষ্টির জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে,এসকল ফিতনা থেকে বিশ্ব মুসলিমকে রক্ষা করার জন্য একমাত্র দেওবন্দী উলামায়ে কেরাম নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় দারুল উলূম দেওবন্দের অবদান অনস্বীকার্য। বুধবার শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রহ. এর স্মৃতি বিজড়িত জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম দারুল হাদিস কানাইঘাট মাদ্রাসার বার্ষিক ইসলামী মহা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। জামেয়ার মহা-পরিচালক শায়খুল হাদিস আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষীপুরীর সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাওঃ ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলীর পরিচালনায় মহা সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, শায়খুল হাদিস আল্লামা আব্দুল মতিন ,আল্লামা আলিমুদ্দীন শায়খে দুর্লভপুরী, আল্লামা ইয়াহিয়া মাহমুদ, আল্লামা মাহমুদুল হাসান রায়গড়ী, আল্লামা শামসুদ্দিন দুর্লভপুরী, মাওঃ হাসান জামিল, মাওঃ রেজাউল করিম আবরার, মাওঃ হাফিজ হারুনুর রশীদ, মাওঃ আব্দুল খারিলক চাক্তা, মাওঃ আহমদ আল চিল্লা, মাওঃ বুরহান উদ্দীন রেঙ্গা, মাওঃ মুবশ্বির আলী, মাওঃ শিহাব উদ্দিন, মাওঃ মুখলিসুর রহমান রাজাগঞ্জী। মহা সম্মেলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন,বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব আব্দুল মোমিন চৌধুরী, জকিগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান রাজনীতিবিদ মাসুক আহমদ, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল কাহির চৌধুরী, সিলেট প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এম.এ হান্নান, সাবেক পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, সাঁতবাক ইউপি চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশ, বড়চতুল ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন চতুলী, থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদ, জেনারেল কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মাওঃ ইসমাইল দুর্লভপুরী,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা সহ কানাইঘাট পৌরসভার সকল কাউন্সিলরবৃন্দ। ইসলামী এ মহা-সম্মেলতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, বিশ্বজয়ী হাফিজ জাকারিয়া। মহা সম্মেলনে লক্ষাধিক মুসলিম জনতার উপস্থিতিতে জামেয়ার ফাজিল ৬০ জন আলেম ও হাফেজদেরকে দস্তারে ফজিলত প্রদান করা হয়। দস্তারে ফজিলত প্রদান করেন, জামেয়ার মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষীপুরী ও শায়খুল হাদিস আল্লামা আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী।
নোটিশ :   কানাইঘাট নিউজ ডটকমে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক