Saturday, August 23

সুন্দরবনের কুমির বিলপ্তির পথে


মাওলা বক্স, কয়রা(খুলনা): সুন্দরবনে কুমির আজকাল আর তেমন দেখা যায়না। শীতকালে নদীর কিনারে রোদ পোহাতে দেখা যেত। কুমির খুবই হি¯্র প্রাণী।বনের বাওয়ালীদের মুখেশোনা যায়,জলে কুমির ডাংগায় বাঘ। এদের সাতে দেখা হলে জিবন বাচানো কঠিন হয়ে পড়ে। কুমিরের প্রধান খাবার মাছ।কিন্তু মাছ খেয়ে এরা নিবৃত থাকেনা বনের জীবযন্তু এমনকি জেলে- বাওয়ালীদের সুযোগ পেলে খেয়ে ফেলে।কুমীর উভচর প্রাণী ,ডাংগায় ও জলে এদের বসবাস। তবে বেশীভাগ সময় এরা পানিতে বাস করে। ডিম পাড়ার সময় তারা বনের ভেতরে গিয়ে ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ফোটায়।একটা স্ত্রী কুমির ৫০টির বেশী ডিম পাড়ে।ডিম ফুনানো বাচ্চাদের কুমির তেমন একটা খোজ নিতে পারেন্ াওই সুযোগে পুরুষ কুমির বাচ্চা খেয়ে ফেলে। যেকারনে কুমির বংশ বিস্তারে বাধা হয়ে দাড়ায়। একটা বড় কুমির ২০ফুটের মত লম্বা হয়। বিশাল দেহী এ প্রাণীকে সবাই ভয় পায়। এমনকি বনের রাজা বাঘ কুমিরকে এড়িয়ে চলে। বাগে পেলে কুমির বাঘকেও খেয়ে ফেলে। অনেক সময় আধিপত্য বিস্তার করতেযেয়ে বাঘ কুমিরের লড়াই হয়, তাতে কুমির জিতে যায়্ কুমিরের দেহের উপরের আবারন খুবই শক্ত বন্দুকের গুলি তার গায়ে বিধেনা। যেকারনে বাঘ কুমিরকে কিছু করতে পারেনা। সুত্র মতে খাতা কলমে গোটা সুন্দর ৫”শ কুমির থাকলেও বাস্তবে তা দেখা যায়না। কুমিরের আয়ুস্কাল সর্ম্পকে আজ পর্যস্ত কোন প্রাণী বিশরদ সঠিক তথ্য দিতে পারেনি ।তবে অনেকের মতে এরা ২’শ বছর পর্যন্ত বেছে থাকে। কুমির বিশাল লেজের সাহায্যে শিকার করে থাকে। কুমিরের দু’টি চোখ মাথার উপরি বাগে অবস্তিত,চোখ দু’টি পানির উপরে রেখে সারা শরির পানির ভেতর লুকিয়ে রাখে। কুমিরের নিশানা খুবই প্রখর ,বহু দুরথেকে শিকার দেখে পানিতে ডুবদিয়ে বস্তুর কাছে গিয়ে লেজের আঘাত করে ধরেূূূ ফেলে। কুমির কোন কিছু টাটকা খেতে পছন্দ করেনা তাই পচা মরা খাবার তার প্রিয় খাদ্য। কুমির একবার মানুষের মাংস খেলে কুমির আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে।কুমিরের চামড়ার মূল্য অনেক। একটা কুমিরের চামড়ার দাম ২/৩ লাখ টাকায় বিক্রি হয় বলে সূত্রে জানাগেছে। কুমিরের গায়ের চামড়া গন্ডারের গায়ের চামড়ার মত পুরু তাই বন্দুকের গুলি তার গায়ে বিধেনা। রাতের বেলায় চোরা শিকারীরা টর্চ লাইটের আলো দিলে কুমির আলোর দিকে অগ্রসর হয়। শিকারী তখন বর্শার ফলাদিয়ে কুমিরের নরম গলায় সজোরে বিধিযে দিয়ে তাকে হত্যা করে তার শরীর থেকে মূল্যবান চামড়া খুলে পাচার কারিদের নিকট বেচেদেয়। এই ভাবে চোশিকারীরা সুন্দরবনের কুমির নিধন করে অধিক মুনাফা আয় করছেবলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়। এব্যাপারে এসিএফ কেরামত আলীর সাথে কথ হয় তিনি বলেন,সুন্দরবনের ১৫৮০৩কি:মি:বিশালএ বনে রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী জনবল ও যানবাহনের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় কম যেকারনে চোরা শিকারী ,বনদস্যুসহ বিভিন্ন চক্র অপতৎপরতা বন্ধ করা সম্ভব হয়ে উঠেনা। তবুও দ্বায়িত্বেনিয়োজিত বনবিভাগের লোকেরা সদা সর্বদা গোটা বনকে এধরনের অপচেষ্টা রোধ করার জন্য তৎপর।

শেয়ার করুন

0 comments:

পাঠকের মতামতের জন্য কানাইঘাট নিউজ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়