Tuesday, October 29

দুই বছর নিষিদ্ধ হলেন সাকিব

দিন কয়েক ধরে ফিসফাস চলছিল ক্রিকেটমহলে। অবশেষে সত্য হলো গুঞ্জন। আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি থেকে নিষিদ্ধ হলেন সাকিব আল হাসান। তার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২ বছর। 

মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে খবর বেরোনোর পরেই শুরু হয় কানাঘুষা। সারাদেশের মানুষ একসঙ্গে হতবাক হয়ে যায় এমন খবরে। 
সাকিবের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মুলত ফিক্সিং সম্পর্কিত! না, তিনি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো কেলেঙ্কারি কাজ করেননি। তার কাছে এমন কুপ্রস্তাব নিয়ে এসেছিল জুয়াড়িরা। তবে এ প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। 
জুয়াড়ির প্রস্তাব অনুযায়ী ম্যাচ না পাতালেও আইসিসির আইন ভঙ্গ করেছেন সাকিব আল হাসান। তাই তাকে শাস্তির আওতায় আনে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বরাবরই কঠোর অবস্থানে থেকেছে আইসিসি। 
আইসিসির দুর্নীতি দমন নীতিমালার ২.৪.৪ ধারা অনুসারে কেউ যদি আইসিসির দুর্নীতি দমন কোডের অধীন কোনো দুর্নীতিতে জড়ানোর প্রস্তাব পায় অনতিবিলম্বে তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণী আইসিসিকে জানাতে হবে। কিন্তু কোনো কারণবশত জানাতে ব্যর্থ হলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬ মাস এবং সর্বোচ্চ ৫ বছর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার বিধান রেখেছে আইসিসি। 
ম্যাচ পাতানোতে না জড়ালেও প্রস্তাব পাওয়ার ব্যাপারে আইসিসিকে কিছুই জানাননি সাকিব। আইসিসির ব্ল্যাকলিস্টে থাকা এক জুয়াড়ির কল লিস্ট ধরে তদন্তের সময় এটি ধরে ফেলে আইসিসি দুর্নীতি দমন বিভাগ ‘আকসু’। 
এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্তের সময় আবার আইসিসিকে সাহায্য করেছিলেন সাকিব। সেখানে আত্মপক্ষ সমর্থনও করেছেন তিনি। তদন্তের মুখে জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবকে হালকাভাবে নিয়েছিলেন বলেই আইসিসিকে জানানো হয়ে উঠেনি। তবে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন সাকিব। 
তদন্তে সাহায্য করায় টাইগার অলরাউন্ডারের শাস্তি কিছুটা কম দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। 
শাস্তি কমানোর আবেদন করলে এ মেয়াদ আরও কিছুটা কমতে পারে বলে জানা যায়। তবে সেটা ৬ মাসের কম হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আপিল করার ব্যাপারে সবধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছেন সাকিব। নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় শুধু সাকিব নন, বড় ধাক্কা পেল জাতীয় দলও। 
 সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

0 comments:

পাঠকের মতামতের জন্য কানাইঘাট নিউজ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়