ইসলামের বিধান অনুযায়ী, ঈদের তিন দিন কোরবানি দেয়া যায়। তাই যারা গতকাল সোমবার ঈদের প্রথম দিন কোরবানি দেননি আজ তারা কোরবানি দিচ্ছেন।
মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও কোরবানি দিচ্ছেন রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, চকবাজার, বকশিবাজার এলাকার অনেক বাসিন্দারা।
ইসলামের বিধান অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়াও জিলহজ্জ মাসের ১১ তারিখ
(দ্বিতীয় দিন) এবং ১২ তারিখ (তৃতীয় দিন) দিনেও পশু জবাই করা যায়। যদিও
বেশিরভাগ মানুষই ঈদের দিনটিকে পশু কোরবানির জন্য বেছে নেন, তারপরও কসাই
সংকটের কারণে অনেকেই ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দিতে বাধ্য হয়।
নবাবপুর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, গতকাল কসাই পাইনি। একজন আসবে বলেছিলো কিন্তু আসেনি। তাই বাধ্য হয়েই আজ কোরবানি করছি।
মালিবাগ আবুল হোটেল এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আমার প্রায় ৩ মণ ওজনের গরু
ঈদের দিন সকালে কেটে দেয়ার জন্য ৮ হাজার টাকা চেয়েছে কসাই। কেউ ৭ হাজার
বলেছে। তাই আমি এত টাকা খরচ না করে আজ কোরবানির সিদ্ধান্ত নেই।
বাংলামোটর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ঈদের পরের দিন অনেকে ইচ্ছা করে
কোরবানি দেন। তবে অনেকেই কসাইয়ের অতিরিক্ত মজুরির এবং কসাই সংকটের কারণে আজ
কোরবানি দিচ্ছেন।
আজ যারা পশু কোরবানি দিচ্ছেন তাদের বর্জ্য অপসারণে সকাল থেকেই কাজ শুরু
করেছে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তবে অনেক বাসিন্দাকেই নিজ
দায়িত্বে বর্জ্য অপসারণ করতে দেখা গেছে। আর কোথাও আংশিক বর্জ্য থাকলে তা
সিটি কর্পোরেশন থেকে অপসারণ করা হচ্ছে। তবে গতকালের মতো আজও সিটি
কর্পোরেশনের পশু কোরবানির নির্ধারিত স্থানে কোনো পশু কোরবানির চিত্র দেখা
যায়নি।
সূত্র:
ডেইলি বাংলাদেশ
খবর বিভাগঃ
সারাদেশ
0 comments:
পাঠকের মতামতের জন্য কানাইঘাট নিউজ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়