এবার মোহাম্মদপুরে শিশুর পায়ুপথে বাতাস

Kanaighat News on Wednesday, August 31, 2016 | 11:44 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক শিশু শ্রমিকের পায়ুপথে বাতাস দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আরন নামে ১১ বছর বয়সী ওই শিশুটির দুই সহকর্মী এই কাজ করেছে বলে জানা গেছে।। বুধবার বিকাল পাঁচটার দিকে কাটাসুরের মেঘলা অটোমোবাইল গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অসুস্থ আরনকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়েছে। গ্যারেজের মালিক মো. মিন্টু ঢাকাটাইমসকে বলেন, আরনের গ্রামের বাড়ি ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায়। সে আমার গ্যারেজে কাজ করত। বিকালে গ্যারেজের দুই শ্রমিক রাব্বি ও শরিফুল কমপ্রেসার মেশিন দিয়ে তার পায়ুপথে বাতাস দেয়। পরে তার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আমি ও আমার মা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক বাচ্চু মিয়া। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুটির অস্ত্রোপচার শুরু হবে। গত ২৪ আগস্ট রাজধানীর ভাটারায় মামুন নামে ফার্নিচার দোকানের এক কর্মচারীর পায়ুপথ দিয়ে পেটে বাতাস ঢোকানোর অভিযোগ পাওয়া যায়। এর আগে জুলাই মাসে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে কারখানার মধ্যে এক পোশাক শ্রমিককে পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া গত বছরের ৪ আগস্ট খুলনার টুটপাড়া এলাকায় একটি মোটর গ্যারেজে পায়ুপথে পাইপের মাধ্যমে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা করা হয় রাকিব হাওলাদার নামে এক কিশোরকে। ওই ঘটনায় দুজনের ফাঁসির রায় হয়েছে। (ঢাকাটাইমস/

বিমানের জরুরি অবতরণ, আহত ১২ যাত্রী

বিমানের জরুরি অবতরণ, আহত ১২ যাত্রী

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের একটি বিমান আয়ারল্যান্ডের শ্যানন বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। এ ঘটনায় শিশুসহ আহত হয়েছে ১২ জন। বিমানে মোট ২০৭ জন যাত্রী এবং ১৩ জন ক্রু ছিল।

বিবিসি সূত্রে এখবর জানা গেছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানান, বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ৬টার দিকে বোয়িং ৭৬৭-৩০০ বিমানটি জরুরি অবতরণ করে। অবতরণের পরপরই ১০ জন যাত্রী ও দুইজন ক্রুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে বিমানটির লন্ডনের হিথ্রু বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল। আহতদেরকে আয়ারল্যান্ডের লিমেরিক কাউন্টির ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) পক্ষ থেকে বলা হয়, উড়ন্ত বিমানে আরোহীদের আহত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ খারাপ আবহাওয়া জনিত ঝাঁকুনি।

কানাইঘাটে জনতার হাতে মহিষ চোর আটক


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির কুখ্যাত অপরাধী ইসলাম উদ্দিন(৩০) কে মহিষ চুরির সময় স্থানীয় জনতা আটক করে উত্তম মাধ্যম দিয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশের কাছে বুধবার সোপর্দ করেছে। জানা যায়, ইউপির এরালীগুল গ্রামের বশাই মিয়ার পুত্র বিভিন্ন মামলার আসামী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ইসলাম উদ্দিন গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ইউপির বড়খেওড় গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামের বাড়ীতে তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে বাড়ীর বাতান থেকে ৮টি মহিষ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ীর লোকজন টের পেয়ে ইসলাম উদ্দিন সহ তার সহযোগীদের ধরার চেষ্টা করলে গ্রামের আশপাশ থেকে আরো লোকজন এগিয়ে এসে ইসলাম উদ্দিনকে আটক করতে সক্ষম হলেও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ডাঃ ফয়াজ উদ্দিন ও ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সামছুল ইসলামকে অবগত করে করে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে আজ বুধবার ধৃত ইসলাম উদ্দিনকে থানায় সোপর্দ করা হয়। মহিষের মালিক নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কয়েকদিন পূর্বে ঐ ইসলাম উদ্দিন তার বাতান থেকে একটি মহিষ চুরি করে নিয়ে যায়। এব্যাপারে তিনি থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রসজ্ঞত যে, গ্রেফতারকৃত ইসলাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানার মামলা নং- ২১, তাং- ৩০/০৫/২০১৬ইং, ধারা- ১৪৩/৩২৩/৩৮৬/৫০৬ পেনাল কোড।

কানাইঘাটে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা মৎস অধিদপ্তর ও প্রশাসনের উদ্যোগে বিল নার্সারী স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কানাইঘাটের উন্মুক্ত জলাশয় নকলা ও আন্দু জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বুধবার নকলা উন্মুক্ত জলাশয়ে ২ লক্ষ টাকা মূল্যেল ৬৭৮ কেজি বিভিন্ন জাতের পোনা মাছ অবমুক্ত করন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুলতান আহমদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুন্সী তোফায়েল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র শাহা, কানাইঘাট পৌরসভার কাউন্সিলার তাজ উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন, সাংবাদিক আব্দুন নুর, মৎস্য অফিসের সহকারী হানিফ আহমদ ও মাছের ঠিকাদার ছাত্রলীগ নেতা শাহাব উদ্দিন। এর আগে গত সোমবার আন্দু নদী জলাশয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৩৬০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক সাঈদে'র মুক্তির দাবীতে কানাইঘাট বাজার ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট বাজারের নোয়াম সেন্টারের স্টার পয়েন্ট কাপড়ের দোকানের মালিক অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে সে দেশের পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী শাহিদ আহমদের মুক্তির দাবীতে সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে কানাইঘাট বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বাদ আসর বাজার ত্রিমোহনী পয়েন্টে সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে ভারতে গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী শাহিদ আহমদ কোন জঙ্গী গোষ্ঠী বা মৌলবাদী সংগঠনের সাথে জড়িত নয় দাবী করে ব্যবসায়ীরা তার মুক্তির ব্যাপারে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, কানাইঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খোকন, বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জেলা যুবলীগের সদস্য আব্দুল হেকিম শামীম, কানাইঘাট পৌরসভার কাউন্সিলার ব্যবসায়ী ইসলাম উদ্দিন, হাজী জালাল আহমদ, খসরুজ্জামান পারভেজ, হারুনুর রশিদ, আবুল বাশার, শরিফ উদ্দিন, গোলাম আম্বিয়া, ফয়সল আহমদ, মাহবুবুর রহমান, হাফিজ রিয়াজ উদ্দিন, ছাত্রনেতা ইয়াহিয়া ডালিম, শাহেদ আহমদ, আবুল হাসনাত প্রমুখ।

কানাইঘাটে জামায়াতের ডাকা হরতালে প্রভাব পড়েনি


নিজস্ব প্রতিবেদক: জামায়াতের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে প্রভাব পড়েনি কানাইঘাটে। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর ফাঁসি বহাল থাকায় বুধবার (৩১ আগস্ট) সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় জামায়াত। হরতাল শুরুর পর থেকে কানাইঘাটে জামায়াত-শিবিরের কোনো নেতাকর্মীকে মিছিল কিংবা পিকেটিং করতে দেখা যায়নি। কানাইঘাটে জনজীবনে কোন প্রভাব পড়েনি। পৌর শহরের দোকানপাঠ খোলা ছিল, ব্যাংক-বীমায় স্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে।

কানাইঘাট লেখক ফোরাম'র তৃতীয় সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট লেখক ফোরামের উদ্যোগে তৃতীয় সাহিত্য আড্ডা বুধবার বিকেল ৪টায় কানাইঘাট ডাক বাংলায় অনুষ্ঠিত হয় । কানাইঘাট লেখক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক মাহবুবুর রশিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় উক্ত সাহিত্য আড্ডায় সমসাময়িক বিষয়ের উপর আড্ডায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাবেক ছাত্রনেতা কানাইঘাট পৌর আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক মোঃ জামাল উদ্দিন, কানাইঘাট কমিউনিটি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুন নুর, সাহিত্য আড্ডার সদস্য ছাত্রনেতা আজমল হোসেন, সুয়েব আহমদ,সমির উদ্দিন,আজিজুল হক বাবর, জামাল উদ্দিন, আবুল হোসেন, সাকিল আহমদ, হারিছ উদ্দিন, রুবেল আহমদ সাগর, আবুল ফয়েজ প্রমুখ। সাহিত্য আড্ডায় লেখক ফোরামের পরিধি আরো বাড়ানো এবং কানাইঘাটের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তী লেখক ফোরামের উদ্যোগে সাহিত্য আড্ডা আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ডাক বাংলায় অনুষ্ঠিত হবে।

নিখোঁজের নতুন তালিকায় ৪০ জন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, নিখোঁজ হওয়া ৪০ জনের একটি নতুন তালিকা করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের হেডকোয়ার্টার্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানিয়ে বলেন, নিখোঁজদের সন্ধানে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। শহীদুল হক বলেন, নিখোঁজদের মধ্যে অনেকেই জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রথমে র‌্যাব একটি বড় তালিকা করেছিল। তারা প্রথমে অতটা যাচাই-বাছাই করতে পারেনি। পরে স্পেশাল ব্র্যাঞ্চের (এসবি) সহায়তায় নিখোঁজদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৪০ জনের নতুন একটি তালিকা করেছে। তিনি বলেন, এদেরকে খুঁজে বের করাই আমাদের কাজ। বিপদগ্রস্ত কেউ যদি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায় তাকে সব ধরনের আইনি সহযোগিতা করা হবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এদের কেউ যদি ফৌজদারি অপরাধে জড়িত না থাকে তাহলে এখনো ফিরে এলে পুলিশ তাদের সহায়তা করবে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফিরে আসতে পারে। নিখোঁজদের মধ্যে ছাত্রই বেশি।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি আস্তানায় তামিমের সন্ধান মেলে। সেখানে তার সঙ্গে আরো কয়েকজন ছিল। তাদের প্রথমে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। কিন্তু তারা তা না করে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে।’ তামিমের অবস্থানের তথ্য দিয়ে যে গোয়েন্দারা সাহায্য করেছে, শর্তমতে তাদেরকে পুরস্কারের টাকা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

আল্লাহ মানুষকে যেভাবে পরীক্ষা করবেন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মানুষের ওপর বিভিন্ন সময় বিপদাপদ ও বালামুসিবত আপতিত হয়। তবে সব বালা-মুসিবতই আজাব ও শাস্তিস্বরূপ নয়; বরং তা বান্দার ঈমানি পরীক্ষা ও ধৈর্য যাচাই করার অন্যতম মাধ্যম। ধৈর্যশীল বান্দা হিসেবে আল্লাহর দরবারে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করা সহজ কথা নয়। এ কারণেই আল্লাহ তাআলা অত্র আয়াত দ্বারা বান্দাকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, বিপদ-মুসিবত শুধু আজাবই নয় বরং তা আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের পরীক্ষা বা মাধ্যমও বটে। আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে কিছু ভয় ও ক্ষুধা দ্বারা, ধন-সম্পদের ক্ষতি ও প্রাণহানি এবং ফল-ফসলের ক্ষতি দ্বারা পরীক্ষা করব। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।’ (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৫৫) পূর্ববর্তী আয়াতে আল্লাহ তাআলা শহিদদের ব্যাপারে বলেছেন, যাঁরা ধৈর্যের চরম উৎকর্ষ দেখাতে পেরেছেন, তারাই সফলকাম হয়েছে। তারাই সম্মানের অধিকারী। এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করার ঘোষণা দিয়েছেন। সুতরাং তাঁর নৈকট্য অর্জনকারীদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। বান্দাকে পরীক্ষা করার লক্ষ্য হলো ফলাফল দুনিয়ার মানুষের সামনে প্রকাশ করে দেয়া। বান্দাকে সব সময় কঠিন বিষয়ে পরীক্ষা করা হবে, বিষয়টি এমন নয় বরং সামান্য বিষয় নিয়েও পরীক্ষা হতে পারে। যেমন- প্রয়োজন দেখা দেয়া সত্ত্বেও হারাম ও অবৈধ সম্পদ থেকে আত্মরক্ষা করা; রোজা পালনসহ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের সময় অস্থির ও ভয় না পাওয়া। তাছাড়া সম্পদে সুদ-ঘুষ, আত্মসাৎ, অবৈধ বেচা-কেনা এবং সম্পদ অর্জনের শরিয়াত পরিপন্থী যে কোনো উপায় বর্জন করা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ-দুর্বিপাকে সম্পদের ক্ষতি সাধিত হলে, মালামাল ‍চুরি হয়ে গেলে কিংবা আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়ে গেলে সর্বক্ষেত্রে ধৈর্যধারণ করা। রোগ-ব্যাধিতে, আঘাত-প্রতিঘাতে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ধৈর্যশীলতার পরিচয় দেয়া। এ সবই আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য পরীক্ষা। পরিশেষে… আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে মানুষের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে। এ পরীক্ষা ধন-সম্পদের ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে হতে পারে, ক্ষুধা-তৃষ্ণার কষ্টের মাধ্যমেও হতে পারে। এমনকি এ পরীক্ষা প্রাণের বিনিময়েও হতে পারে। এ সকল কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার একমাত্র উপায় হলো সবর তথা ধৈর্য অবলমবন করা আর আল্লাহ তাআলার বিধান মোতাবেক তাঁর সিদ্ধান্তের ওপর সন্তুষ্ট থাকা। তবেই আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সকল বিপদ ও মুসিবতে কুরআনের বিধান মেনে নেয়ার তাওফিক দান করুন। ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার মাধ্যমে মাওলার নৈকট্য অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সপ্তাহে ৭ দিনের নয়, যে দিনের নাম আছে পবিত্র কুরআনে…


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ হলো মহিমান্বিত আল কুরআন। এই পবিত্র কুরআনই মুসলমানদের নাজাতের জন্য যথেষ্ট। মুসলমানদের সকল সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে নির্ভার যোগ্য উৎসও এটি। আমরা সকলে জানি, ৭ দিনে এক সপ্তাহ। কিন্তু পবিত্র কুরআনে সপ্তাহের কয় দিনের নাম উল্লেখ রয়েছে সেটা সম্পর্কে কি আমরা অবগত? ৭ দিনের মধ্যে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সপ্তাহের ২ দিনের নাম উল্লেখ করেছেন। যেগুলো হচ্ছে: শনিবার ও শুক্রবার। শনিবার: পবিত্র কুরআনে আস-সাবত তথা শনিবার উল্লেখ রয়েছে সূরা নিসা-তে ৪৭ নম্বর আয়াতে। এই আয়াতে বলা হয়েছে, ‘হে যারা গ্রন্থ প্রদত্ত হয়েছ(আহলে কিতাব), যা আমরা অবতীর্ণ করেছি(যেহেতু) তা তোমাদের সাথে যা আছে তাকে সমর্থন করে, (সুতরাং) তোমরা তার(কুরআন) প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, এর(সেদিন আসার) পূর্বে যে(দিন), আমরা চেহারাগুলোকে বিকৃত করে পৃষ্ঠের দিকে করে দেব অথবা যেভাবে আমরা শনিবারের(নির্দেশ অমান্য কারীদের) অধিকারীদের প্রতি অভিশাপ বর্ষণ করেছিলাম তেমনি তাদের প্রতিও অভিশাপ বর্ষণ করব; এবং আল্লাহর আদেশ অবশ্যই বলবত হয়ে থাকে।’ এছাড়াও সূরা বাকারা’র ৬৫ নম্বর ও সূরা আ’রাফে’র ১৬৩ নং আয়াতে শনিবার এর উল্লেখ রয়েছে। শুক্রবার: পবিত্র কুরআনে জুমা তথা শুক্রবার মাত্র একটি আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে। সূরাটির নাম হচ্ছে জুমু’আ। এই সূরার ৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘হে বিশ্বাসীগণ! জুমআর দিনে যখন নামাযের জন্য আহবান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ কর, এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর যদি তোমরা জান!’

খালেদা জিয়া জঙ্গিদের লালনপালন করছেন : সিলেটে নৌ-পরিবহণমন্ত্রী


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ লালনপালন করছেন বেগম খালেদা জিয়া ও তার দল বিএনপি এমন মন্তব্য করেছেন নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শাহজাহান খান। বুধবার (৩১ আগস্ট) সিলেটে দক্ষিণ সুরমার কামাল বাজার সংলগ্ন মাঠে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গণভোজ ও জঙ্গি বিরোধী সমাবেশে মন্ত্রী এ কথা বলেন। নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাড়ি জ্বালানো, ঘরবাড়িতে অগ্নি-সংযোগ, পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করার জন্য খালেদা জিয়াকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত ছিলেন জিয়াউর রহমান, তার বিচার সৃষ্টিকর্তা করেছেন। মন্ত্রী আরো বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় জন কেরি বাংলাদেশের পাশে আছেন। আর এটা খালেদা জিয়া মেনে নিতে পারছেন না। এতে তাঁর গা জ্বালাপোড়া করছে। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট লুৎফুর রহমান, সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ দক্ষিণ সুরমার উদ্যোগে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।

এক চার্জেই চলবে ২৯ দিন, দাম হাতের নাগালেই

এক চার্জেই চলবে ২৯ দিন, দাম হাতের নাগালেই

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মোবাইল পি২৪১ এসওএস মডেলের ইমার্জেন্সি ফোন বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশের স্থানীয় নতুন মোবাইলফোন ব্র্যান্ড ডিগো। ফোনটির ৭ হাজার ৫০০ মিলি-অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার ব্যাটারির নামই দেওয়া হয়েছে পাওয়ার হাউজ।

ডিগো মোবাইল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের সবচেয়ে বেশি মিলি আম্পিরের ব্যাটারির ফোনটি এক চার্জেই চলবে ২৯ দিন এবং এই ফোন থেকে এক সঙ্গে তিনটি ফোনে চার্জ দেওয়া যাবে। অর্থাৎ এটি পাওয়ার ব্যাংক হিসাবেও ব্যবহার করা যায়। এই ফোনটির ব্যাটারিটিও আলাদাভাবে পাওয়ার ব্যাংক হিসাবে ব্যবহার করা যায়, ফলে ভ্রমণ পিপাসুরা লম্বা সফরে এই ফোনটি সঙ্গে নিতে পারেন।

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা এই ফোনটি ব্যাকআপ ফোন এবং পাওয়ার ব্যাংক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। জরুরি প্রয়োজনে ফোনটির এসওএস ফিচারের মাধ্যমে পূর্ব নির্ধারিত পাঁচজন ব্যক্তির কাছে স্বয়ংক্রিয় ফোন ও এসএমএস চলে যাবে। বিপদে পড়লে তীব্র আওয়াজের প্যানিক অ্যালার্ম ব্যবহার করে সাহায্য নেওয়া যাবে। বয়স্করা এসব সেবা ব্যবহার করে সহায়তা নিতে পারবেন। ওয়্যারলেস এফএম রেডিও এবং বক্স স্পিকারের কারণে সঙ্গীত প্রেমীরা নির্ঝঞ্ঝাট গান শুনতে পারবেন হেড ফোন ছাড়াই।

ডুয়াল সিম সুবিধার এই ডিভাইসটিতে রয়েছে ২.৪ ইঞ্চি ডিসপ্লে ইউনিট,একটি রিয়ার ক্যামেরা, সুপার ব্রাইট টর্চ, জিপিএস, এসওএস, ব্লুটুথ, ওয়্যারলেস এফএম, বক্স স্পিকার ছাড়াও আরও বেশ কিছু নতুন ফিচার।

ফোনটির দাম ২ হাজার ৬৯০ টাকা। সঙ্গে পাওয়া যাবে ইউএসবি এলইডি লাইট এবং একাধিক ফোনে চার্জ দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত থ্রি-ইন ওয়ান চার্জার ক্যাবল।

প্রসঙ্গত, নেপালের সর্বশেষ শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরই মূলত চীন এই উদ্ভাবনী ফোনটি তৈরি করে। রেডক্রিসেন্ট এই ইমার্জেন্সি ফোনটির প্রায় ১ লাখ ইউনিট সহায়তার উদ্দেশ্যে সে সময় নেপাল পাঠিয়েছিলো।

সালমানের নতুন ছবিতে গাইছেন অরিজিৎ সিং!

সালমানের নতুন ছবিতে গাইছেন অরিজিৎ সিং!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ক্ষমা চাওয়া সত্ত্বেও 'সুলতান' থেকে অরিজিৎ সিং-এর গান 'জগ ঘুমিয়া' বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন সালমান। অরিজিতের বহু চেষ্টার পরও তার ফোন তোলেননি বা মেসেজের কোন জবাব দেননি সালমান।

অভিমানে অরিজিৎ ঠিক করেছিলেন, আর কোনদিন সালমানের জন্য গান গাইবেন না তিনি। কিন্তু না, অভিমানের ওই জায়গা থেকে সরে এসেছেন কলকাতার ওই কণ্ঠশিল্পী।

কবির খান পরিচালিত সালমানের 'টিউবলাইট' ছবির জন্য গান গাইতে চলেছেন অরিজিৎ সিং। নিজের মুখেই সে কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

অরিজিৎ বলেন, আবারও তার গান ছবি থেকে বাদ দেওয়া হবে কিনা এসব নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। আমার কাজ শুধু গান গেয়ে যাওয়া, বাকিটা তো আমার হাতে নেই।

তবে এ কথাও জোর দিয়ে অরিজিৎ জানিয়েছেন যে, তাকে গান গাওয়া থেকে কেউ আটকাতে পারবেন না, সে তিনি যেই হোন না কেন।

আদার ডিটক্স পান করে কমিয়ে ফেলুন শরীরের বাড়তি মেদ

আদার ডিটক্স পান করে কমিয়ে ফেলুন শরীরের বাড়তি মেদ
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ডায়েটের পাশাপাশি পেটের মেদ কমানোর জন্য আদার ডিটক্স পান করা যেতে পারে। ডিটক্স পেটের মেদ কাটাতে সাহায্য করে। আদার এই ডিটক্স শুধু পেটের নয়, এটি ঊরুর মেদও কমাতে সাহায্য করে থাকে।

উপকরণ
    ১. আদার কয়েকটি টুকরো
    ২. ১-১.৫ লিটার পানি

প্রণালি
    ১. চুলায় ১-১.৫ লিটার পানি দিন
    ২. এর পর এতে আদা টুকরো দিয়ে দিন
    ৩. পানি ফুটে এলে নিম্ন আঁচে ১৫ মিনিট জ্বাল দিন
    ৪. ঘন হয়ে এলে এটি ছেঁকে আদা ও পানি আলাদা করে নিন
    ৫. ঠান্ডা হয়ে গেলে পান করুন।

যেভাবে পান করতে হবে
প্রতিদিন কমপক্ষে এক লিটার আদাপানি পান করুন। প্রতিদিনকার আদাপানি প্রতিদিন তৈরি করে নিন। এটি আপনার ওজন হ্রাস করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দেবে। আদা শরীরের আর কী উপকারে আসে, তা জেনে নেয়া যাক।

কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে
আদা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ওবেসিটি বা স্থূলতার কারণে যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে, সেগুলো প্রতিরোধ করে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ করতে
আদা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অন্যতম উৎস। British Journal of Nutrition-এর মতে, আদার প্রদাহরোধী ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

অ্যান্টিইনফ্লামেশন সমৃদ্ধ উপাদান
আদার পানি দেহের ইনফ্লামেশন কমিয়ে দিয়ে জয়েন্টের ব্যথা কমিয়ে দিয়ে থাকে। ‘Journal of Medicinal Food’ প্রকাশিত আর্টিকেল থেকে জানা যায়, আদা অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদানসমৃদ্ধ একটি মসলা, যা বাতের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে থাকে।

যাঁরা অন্তঃসত্ত্বা
আদা শরীরে কড়া উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। সে জন্য অন্তঃসত্ত্বারা আদা খেলে, প্রিম্যাচিওর শিশু জন্মের আশঙ্কা বেড়ে যায়। এ জন্য গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই আদা এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষত প্রেগন্যান্সির শেষ সপ্তাহগুলোতে তো আদা একেবারেই খাবেন না।

যাঁরা ওজন বাড়াতে চান
যাঁরা রোগা হতে চান, তাঁদের জন্য আদা বিশেষ উপকারী হলেও যাঁরা শীর্ণকায়, ওজন বাড়াতে আগ্রহী তাঁদের অবশ্যই আদা এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ আদা খিদে কমায়। এ ছাড়া শরীরের চর্বি গলানোর প্রক্রিয়ায় আদা বিশেষ সহায়ক। সে জন্য যাঁরা ওজন বাড়াতে চান, আদা তাঁদের কোনো কাজে আসবে না।

ডায়বেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যাঁরা ওষুধ খান
আদা ডায়াবেটিসের লেভেল কমাতে কার্যকর হলেও যাঁরা ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত ওষুধ খান, তাঁদের ডায়েট চার্ট থেকে চিরতরে ডিলিট করে দিতে হবে আদাকে। একই কথা প্রযোজ্য উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্যও। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যাঁরা নিয়মিত ওষুধ খান, তাঁদেরও অবশ্যই আদাকে এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রতিদিন পান করুন আদাপানি। দেহের মেদ কমানোর পাশাপাশি এটি আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। তবে সবার জন্যই আদাপানি যে উপকার বয়ে আনবে, তা কিন্তু নয়। এটি নির্ভর করে শরীরের অবস্থার ওপর। শারীরিক অবস্থার ভিন্নতার কারণে আদা অনেকের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণও হতে পারে। তাই এই পানীয় পানের আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

শরীরের নানা রোগ উপশমে আদার উপকারিতা অপরিসীম। রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও আর্থারাইটি, মাইগ্রেন, কাশি, ডায়ারিয়া, গ্যাস, কনস্টিপেশন, হার্টের সমস্যা, ডায়বেটিস, হাই-কোলেস্টেরলের মতো বিবিধ রোগ প্রতিরোধে আদার জুড়ি মেলা ভার। এমনকি ক্যানসারের কোষ বৃদ্ধিতেও বাদ সাধে মাটির নিচের এই ফসল।

রোগ প্রতিরোধে আদার উপকারিতার কথা মাথায় রেখে, বিভিন্ন ওষুধ তৈরিতেও আদা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে আদার গুণ জানার পরই যদি কেউ মুড়ি-মুড়কির মতো আদা খেতে শুরু করেন, তাহলেও বিপদ হতে পারে।

কারণ, আদা যেমন অনেক ক্ষেত্রে শরীরের পরম বন্ধু, আবার কিছু ক্ষেত্রে তা শরীরের চরম শত্রুও বটে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় হোটেল সৌদি আরবে

বিশ্বের সবচেয়ে বড় হোটেল সৌদি আরবে

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এবার সৌদি আরবে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হোটেল। সৌদি আরবের মক্কা শহরের ‘আবরাজ কুদাই’ নামের সেই হোটেলকেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় হোটেল বলে অনুমান করা হচ্ছে। হোটেলটি তৈরি করতে খরচ হবে আনুমানিক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার।

এছাড়াও জাঁকজমক ও রাজকীয়তা দেখে হোটেলটিকে একটি ছোট শহর বলে মনে হতে পারে অনেকের। নির্মাণাধীন এই হোটেলটি ২০১৭ সালে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

এই হোটেলের মূল আকর্ষণ হল, এই হোটেলে থাকবে ১০,০০০ ঘর, ৭০টি রেস্তোরাঁ এবং ৫টি হেলিপ্যাড। ১.৪ মিলিয়ন বর্গমিটার স্থান জুড়ে বিস্তৃত এই হোটেলে রয়েছে ১২টি উঁচু টাওয়ার। এছাড়াও ফুড কোর্ট, বাস স্টেশন, কনভেনশন সেন্টার, শপিং মল, অতিরিক্ত কয়েকটি বলরুম— এই হোটেলটিকে একটি ছোট্ট শহরের রূপ দিয়েছে।

সৌদি আরবের অর্থ মন্ত্রণালয় এই হোটেলটির জন্য যে অঙ্কের টাকা বরাদ্দ করেছে তা প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলার। এই বিল্ডিংটির নকশা প্রস্তুত করেছে দার-আল-হান্দাশ গ্রুপ।

এছাড়া হোটেলটির বিল্ডিং-এর উপরের পাঁচটি ফ্লোর সৌদি আরবের রাজপরিবারের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।

গৃহকর্মী নির্যাতন: ক্রিকেটার শাহাদাতের বিরুদ্ধে ৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

গৃহকর্মী নির্যাতন: ক্রিকেটার শাহাদাতের বিরুদ্ধে ৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার কাজী শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান নিত্যের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন মামলার বাদি খন্দকার মোজাম্মেল হক, চিকিৎসক মাধবী কর্মকর ও নুসরত ফাতেমা। আজ বুধবার ঢাকার পাঁচ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজীনা ইসলাম তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।  

এর আগে গত ২৪ অগাস্ট আদালতে সাক্ষ্য দেন নির্যাতনের শিকার শিশু হ্যাপী। তিনি বলেন- 'আমি ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেনের বাসায় কাজ করতাম। সাত মাস কাজ করেছিলাম। কাজ করতে ভালো লাগত না। এ জন্য শাহাদাতের স্ত্রী বকাঝকা করত। দুর্ঘটনায় আমার পা ভেঙে যায়। এ জন্য চিকিৎসা নেই। আসামিরা আমাকে কোনো রকম খুন্তির ছ্যাঁকা দেননি। মামলার করার সময় আমাকে কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই। আমি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডাক্তারের কাছে কিছু বলেছি কি না, আমার খেয়াল নেই।'

গত ২২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের  বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের মামলায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামি শাহাদত ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী হ্যাপীকে শারীরিক নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামি ক্রিকেটার কাজী শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান নিত্য বর্তমানে আদালতের আদেশে জামিনে আছেন।

এর আগে মামলাটিতে গত বছরের ৪ অক্টোবর শাহাদাতের স্ত্রী জেসমিন জাহান নিত্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়। এরপর ওই বছরের ৫ অক্টোবর শাহাদাত আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তারও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর গত ১ ডিসেম্বর মহানগর দায়রা জজ নিত্যের এবং গত ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট শাহাদাতের জামিন মঞ্জুর করলে তারা কারামুক্ত হন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, মিরপুরের ২ নম্বর সেকশনের এইচ ব্লকের ৫ নম্বর রোডে শাহাদাতের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করত হ্যাপি। গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর সাংবাদিক কলোনির ৩ নম্বর রোডের মাথায় হ্যাপিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন মিরাজ উদ্দীন নামে এক ব্যক্তি।

এরপর গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিক খন্দকার মোজাম্মেল হক মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় শাহাদাত ও তার স্ত্রী নিত্য শাহাদাতকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে তাদের বিরুদ্ধে শিশুটিকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়। এরপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর গৃহপরিচারিকা মাহফুজা আক্তার হ্যাপি (১১) আদালতে হাজির হয়ে জবানবন্দি প্রদান করেন।

সোমালিয়ার রাষ্ট্রপতির বাসভবনের কাছে বিস্ফোরণ: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

সোমালিয়ার রাষ্ট্রপতির বাসভবনের কাছে বিস্ফোরণ: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫
কানাইঘাট ন ডেস্ক: সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুতে রাষ্ট্রপতির বাসভবনের কাছের জনপ্রিয় এক হোটেলের বাইরে জিহাদিদের আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার পুলিশ এ কথা জানায়।

মোগাদিসু পুলিশ প্রধান বিশার আবশির গেদি বলেন, সেখানে এ হামলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। হামলায় আরো ৪৫ জন আহত হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মঙ্গলবারের ওই হামলায় নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছে। হামলার সময় ওই হোটেলে থাকা কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছে।

এর আগে এ হামলার ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও ২৮ জন আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শুক্রবার


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ ও জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। আগামী শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এ সভা হবে। বুধবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা জানাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১। এই রকম সংবাদ আরো পেতে হলে এই লেখার উপরে

বিএনপি থেকে শিরিন সুলতানার পদত্যাগ!

বিএনপি থেকে শিরিন সুলতানার পদত্যাগ!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন ৯০ এর তুখোড় ছাত্র নেত্রী অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা। কদিন আগে যে দলটির নতুন কমিটি হলো তাতে তিনি স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পান। এ পদের পূর্বের কমিটিতে ছিলেন নাটোরের রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে দুলু উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

পদত্যাগের কথা জানিয়ে শিরিন সুলতানা বিডিলাইভকে বলেন, এক নেতার এক পদ বাস্তবায়নে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবদাী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

প্রসঙ্গত, গুলশান কিংবা নয়াপল্টন বিএনপির যে কোনো ধরনের কর্মসূচিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানার উপস্থিতি সরব। গণমাধ্যম কর্মীরা বিএনপির যেসব নেতা-নেত্রীদের খুব সহজে পেয়ে থাকেন তাদের মধ্যেও অন্যতম তিনি।

অ্যাডভোকেট হলেও শিরিন সুলতানাকে ওকালতি পোশাকে সচরাচর দেখা যায় না। তবে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আদালতে হাজিরা দিতে গেলে কালো অ্যাপ্রোন পরে তার পাশে থাকেন সব সময়। আর সে কারণে খালেদা জিয়ারও স্নেহধন্য ছিলেন তিনি।

তাই দলের কাউন্সিলে নতুন পদ পাবেন এমন আশার সঞ্চার হয়েছিল শিরিনের মধ্যে। ৯০ দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা শিরিনের অনুসারীদেরও প্রত্যাশা ছিল নতুন কমিটিতে তিনি যুগ্ম-মহাসচিব পদে দায়িত্ব পাবেন। কিন্তু প্রত্যাশানুযায়ী পদ না পেয়ে অবেশেষ পদত্যাগ করলেন তিনি।

চুল পড়া রোধে পুরুষেরা যা করবেন

চুল পড়া রোধে পুরুষেরা যা করবেন
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চুল পড়া বর্তমান সময়ের একটি খুব সাধারণ কিন্তু ভয়াবহ সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে এটা যে কেবল নারীদের সমস্যা তা নয়। অল্প বয়সে মাথার চুল পড়ে যাওয়া ছেলেদের জন্য ভীষণ দুশ্চিন্তার। কেনোনা বয়সের সাথে সাথে মাথার চুল কমে আসা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও টিনেজার বা কিশোর ছেলেদের মাথায় টাক পড়ে যাওয়া খুবই বিব্রতকর ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার।

চুল পড়ার জন্য অনেকাংশে দায়ী থাইরয়েড গ্রন্থি, রক্তস্বল্পতা, ওজন কমানোর জন্য খাওয়া-দাওয়া একদম কমিয়ে দেয়া চুল পড়ার কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাকব্রাশ করে চুল আঁচড়ালে সাধারণত কপাল চওড়া হয় ছেলেদের। তবে আজ জেনে নিই কিভাবে চুল পড়া সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করতে পারেন ছেরেরা।

চুল পরিষ্কার রাখা :
চুল পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে আপনার নিয়মিত চুল পরিষ্কার না করার বাজে অভ্যাস। চুল পড়া রোধে নিয়মিত চুলের যত্ন নিন। নিয়মিত চুল না ধুলে মাথার ত্বকে ময়লা জমে খুশকির জন্ম হয়, যা চুল পড়ার অন্যতম কারণ। আর খেয়াল রাখুন চুল ধোয়ার জন্য আপনার ব্যবহার করা শ্যাম্পু যেন অবশ্যই হালকা হয়।

পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন গ্রহণ :
আমাদের চুলের গঠনের অন্যতম উপাদান হল কেরাটিন, যা কিনা অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে তৈরি এক ধরনের প্রোটিন। নতুন চুল গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে। মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন। সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন এ উপাদান। মনে রাখবেন ভেতর থেকে পুষ্টি না সরবরাহ করতে পারলে বাইরের কিছুই চুল পড়া থেকে রক্ষা করতে পারবেনা।

জিঙ্ক ও আয়রন গ্রহণ :
জিঙ্ক আর আয়রন আমাদের মাথার ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সবচেয়ে বেশী ভূমিকা রাখে। আর মাথার চুল পড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী কারণগুলোর একটি হল মাথার ত্বকে অক্সিজেনের সল্পতা। তাই চুল পড়া বন্ধ করতে জিঙ্ক আর আয়রন বেশী বেশী গ্রহণ করুন। যেমন মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান। আপনি আপনার খাবার তালিকায় এই খাবারগুলো রাখতে ভুলবেন না।

ভিটামিন :
ভিটামিন কেবল মাত্র আমাদের দেহের সুস্থতার জন্যই জরুরী নয় বরং আমাদের চুলের জন্য ও এটা ভীষণ জরুরী। ভিটামিন- 'এ' মাথার ত্বক থেকে উপকারি সিরাম সরবরাহ করে আর ভিটামিন এ মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তাই চুল পড়া রোধ করতে চাইলে সবার আগে নিশ্চিত করুন আপনার শরীর যাতে পর্যাপ্ত ভিটামিন পায়।

তেল ম্যাসাজ :
চুল পড়া কমাতে আপনার জন্য আরও একটি কার্যকরী টিপস হলো চুলে তেল ম্যাসাজ করা। দিনে কিছুটা সময় নিয়ে আপনার মাথায় এসেন্সিয়াল অয়েল যেমন বাদাম তেল, অলিভ অয়েল বা নারিকেল হালকা ম্যাসাজ করুন। এতে মাথার ত্বক সুস্থ থাকবে ও চুল পড়ার পরিমাণ কমে আসবে।

ভেজা চুল না আঁচড়ানো :
যাদের চুল পড়ার পরিমাণ বেশী তাদের জন্য একটাই পরামর্শ তা হল ভেজা চুল আঁচড়াবেন না। ভেজা অবস্থায় চুল ভীষণ দুর্বল থাকে আর অল্প একটু টান পড়লেই চুল গোঁড়া থেকে উঠে আসে। তাই চুল আগে ভালভাবে শুকিয়ে তারপর আঁচড়ান। আর চেষ্টা করুন বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করা।

পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের রস :
চুল পড়া প্রাকৃতিক উপায়ে বন্ধ করতে চাইলে পেঁয়াজ, ও রসুনের যে কোনো একটি বেছে নিন চুলের যত্ন করার জন্য। আপনি চাইলে শুধুমাত্র পেঁয়াজের রস নিয়ম করে চুলে লাগিয়েই উপকার পেতে পারেন।

গ্রিন টি :
চুল পড়ার বিরুদ্ধে খুব কাজের অস্ত্র হিসেবে আপনাকে সাহায্য করতে পারে গ্রিন টি। গ্রিনটির দুইটি টি- ব্যাগ এক কাপ পরিমাণ পানিতে ফুটিয়ে ফুটন্ত পানি ঠাণ্ডা করুন। এরপর এই ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া পানিটুকু আপনার চুলের গোড়াসহ সারা চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন এবং পড়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন।

মেথি :
চুল পড়া বন্ধ করতে মেথি আপনার উপকারে আসতে পারে। ১ টেবিল চামচ মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে উঠে বেঁটে তা মাথায় লাগান। হালকা ম্যাসাজ করে আধাঘণ্টা পর চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়ার পরিমাণ কমে আসছে।

কালোজিরা :
মাথায় নতুন চুল গজাতে কালোজিরার তুলনা হয়না। এখন বাজারে হরহামেশাই কালোজিরার তেল কিনতে পাওয়া যায়। আপনি চাইলে মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করতে পারেন আবার ইচ্ছে করলে কালোজিরা খেতে পারেন।

ধূমপান ও অ্যালকোহল :
যদি চান মাথায় অকালে টাক না পরুক তাহলে আজই ধূমপান ও অ্যালকোহলকে না বলুন। ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণের ফলে রক্ত দূষিত হয় ও মাথার ত্বকে সঠিক পরিমাণে রক্ত সরবরাহ না হওয়ায় মাথার চুল পড়ে যেতে দেখা যায়। তাই সবার আগে ধূমপান আর অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।

অতিরিক্ত চিন্তা :
ছেলেদের মাথার চুল পড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হল অতিরিক্ত চিন্তা করা ও মানসিক অবসাদে ভোগা। যতোটা পারুন নিজেকে হাসিখুশি রাখতে চেষ্টা করুন। আর খেয়াল রাখুন আপনার মাথার ত্বকে যেন কখনই ঘাম অতিরিক্ত সময় জমে থেকে শুকিয়ে না যায়। মাথার ত্বকে অতিরিক্ত ঘামভাবও চুল পড়ার জন্য দায়ী।

পানি :
চুল পড়ার জন্য অন্যতম কারণ হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে আপনার শরীরের পানি ঘাটতি বা কম পানি পান করার প্রবণতা। চুল পড়া রোধ করতে চাইলে সবার আগে শরীরকে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করুন। আপনার এই ছোট্ট চেষ্টা টুকুই চুল পড়া কমিয়ে তুলবে।

যেভাবে মোদির সহায়তায় সাংবাদিকদের প্রাণ রক্ষা

যেভাবে মোদির সহায়তায় সাংবাদিকদের প্রাণ রক্ষা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৎপরতায় প্রাণ বাঁচল বেশ কয়েকজন সাংবাদিক এবং ফটোসাংবাদিকের।  গুজরাটের সৌরাষ্ট্রে নর্মদা সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

সেখানকার উপমুখ্যমন্ত্রী নিতিন পটেল জানিয়েছেন, অজি-৩ বাঁধের জল ছাড়ার জন্য সুইচ টিপে মোদি স্রোতের দিকে তাকান। সে সময় তিনি দেখেন, তীব্র বেগে ছুটে আসা জলস্রোতের গতিপথে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কিছু সাংবাদিক এবং অনুষ্ঠানের ছবি তুলছেন কয়েকজন চিত্রসাংবাদিক। পানি সেই দিকেই যাচ্ছে, কাজে ব্যস্ত সাংবাদিকদের সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই।

এ অবস্থা দেখে প্রধানমন্ত্রীই প্রথম বাম হাত তুলে দাঁড়িয়ে থাকা সাংবাদিকদের সরে যেতে বলেন। তখনই গুজরাটের মন্ত্রী এবং সরকারি কর্মকর্তারাও দেখতে পান বিপজ্জনক জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন বেশ কয়েকজন সাংবাদিক।

দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী পিছন ফিরে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলছেন এবং হাত দিয়ে স্রোতের দিকে দেখাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিও হাত নেড়ে সাংবাদিকদের সরে যেতে বলেন। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সরে যান সাংবাদিকেরা। কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যেই তীব্র জলস্রোত আছড়ে পড়ে সেখানে।

গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী হঠাৎই সাংবাদিকদের দেখতে পান। তিনি সময়মতো সতর্ক না করলে তারা হয়তো ভেসেই যেতেন।

আল্লাহর মেহমান হওয়ার সৌভাগ্য


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কাবা শরিফের জিয়ারাত একজন মুসলমানের জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। সে সুবাদে আল্লাহর মেহমান হিসেবে কাবা শরিফ দেখার মহাসৌভাগ্যের অধিকারী হতে যাচ্ছি আমরা। গতকাল পর্যন্ত ৬২ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রীসহ সারা বিশ্ব থেকে আল্লাহর ঘরের লাখ লাখ মেহমান পবিত্র নগরী মক্কা এবং মদিনায় অবস্থান করছেন। তারা মহান প্রভুর মেহমান হয়ে পবিত্র নগরী মক্কা, মিনা, আরাফাত ময়দান, মুজদালিফায় হাজির হয়ে সুউচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা করবেন, ‘লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক; লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক; ইন্নাল হামদা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক; লা শারিকা লাক’। অর্থ : ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির; তোমার কোনো শরিক নেই; সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার; তোমার কোনো শরিক নেই।’ ঢাকার আশকোনায় অবস্থিত হজক্যাম্প থেকে বিমানবন্দরের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং-৭৭৭ বিজি ১০৭৩ ফ্লাইটে সকাল পৌনে ১০টায় আমাদের যাত্রা শুরু হয় জেদ্দার পথে। যেহেতু আমাদের গন্তব্য পবিত্র নগরী মক্কায়, তাই বিমানবন্দরের কার্যক্রম সম্পন্নের পূর্বেই আশকোনার হজক্যাম্পে ইহরামের কাপড় পরিধান, নামাজ আদায় এবং সংক্ষিপ্ত দোয়া করে নিলাম। কারণ জেদ্দায় পৌঁছার আগেই আমাদের নির্ধারিত মিকাত অতিক্রম হয়ে যাবে। মিকাত অতিক্রম করার পূর্বিই ইহরাম বাঁধতে হয়। তাছাড়া বিমানে ইহরাম বাঁধতে এবং পরিধেয় কাপড় পরিবর্তন করে ইহরামের কাপড় পরিধানে সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া তা দেখতেও দৃষ্টিকটু। ছয় ঘণ্টার দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে আমাদের বহনকারী বিমানের ফ্লাইট জেদ্দা বিমানবন্দরে অবতরণ করে স্থানীয় সময় বেলা ৩টায়। যেখানে বাংলাদেশের সঙ্গে তিন ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান। আমাদের নিয়ে যাওয়া হলো হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত হজ টার্মিনালে। বিশাল টার্মিনাল, চারদিক খোলা। এ টার্মিনাল শুধু হজযাত্রীদের জন্য ব্যবহার হয়। আনন্দের বিষয় হলো- এই হজ টার্মিনালের স্থপতি একজন বাংলাদেশি। এফ আর খান নামে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের সিয়ার্স টাওয়ারের স্থপতি ফজলুর রহমান খান। হজ টার্মিনালে সৌদি নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিকরাও হজযাত্রীদের সেবায় আন্তরিকভাবে নিয়োজিত। বাংলাদেশ থেকে আসার সময় আশকোনা হজক্যাম্পের প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে সৌদি মুদ্রা এন্ডোর্স করে আসার সময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সহজে সৌদি আরবের মোবাইল কোম্পানির সিম সংগ্রহে একটি কুপন দেয়, যা এ হজ টার্মিনালে থাকা মোবাইল কোম্পানির ছয়টি বুথের যে কোনোটিতে দেখালেই ৫ রিয়াল টক-টাইমসহ ফ্রি সিম সরবরাহ করে। ফলে সহজেই দেশের সঙ্গে যোগাযোগে বিশেষ সুবিধা হয়। দীর্ঘ বিমান ভ্রমণের পর সুস্থ ও সুন্দরভাবে জেদ্দা হজ টার্মিনালে পৌঁছে হজযাত্রীরা দেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কুশলবিনিময়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। হজযাত্রীদের জন্য এ টার্মিনালে রয়েছে ইমিগ্রেশন কাউন্টার। ইমিগ্রেশন পুলিশ হজের ভিসা দেখে ছবি ও আঙুলের ছাপ নিয়ে আমাদের পাসপোর্টের নির্দিষ্ট পাতায় সিল মারে। এ সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই হজযাত্রীদের মালামাল বেল্টে চলে আসে। হজযাত্রীদের সহযোগিতায় সেখানে আরো রয়েছে মুয়াল্লিমদের কাউন্টার। যারা হজযাত্রীদের সুষ্ঠুভাবে পবিত্র নগরী মক্কার নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়া, খাওয়া-দাওয়াসহ হজের বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করে থাকে। যাদের রয়েছে নির্দিষ্ট নম্বর। আমাদের মু্য়াল্লিম নম্বর ২২। হজ টার্মিনালের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে লাল-সবুজ পতাকা অনুসরণ করে আমরা পৌঁছে গেলাম হজ টার্মিনালে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ প্লাজায়’। এ হজ কার্যালয়ে কর্মরত সবাই বাংলাদেশি। তথ্যসেবা, চিকিৎসা সহায়তার পাশাপাশি পাসপোর্ট বা হজযাত্রী নিয়ে কোনো সমস্যা হলে প্রশাসনিক দলের সদস্যরা তা সমাধান করে দেন। বাংলাদেশ প্লাজায় হজযাত্রীদের সেবা প্রতি বছরের ন্যায় এবারো এখানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হজযাত্রীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য, খাদ্য, পানিসহ নানা ধরনের সেবা দিচ্ছে। আশকোনার হজক্যাম্পেও সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক অস্থায়ী কার্যালয় খুলে হজযাত্রীদের নানা ধরনের সেবা দিচ্ছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) হজক্যাম্পে সহায়তা ও চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র খুলেছে, যা প্রশংসার দাবি রাখে। আল্লাহ তাআলা সকল সেবাদানকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে উত্তম কল্যাণ দান করুন। বিশেষ করে পুরো বিশ্ব থেকে আগত সকল হজযাত্রীকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে হজের কার্যক্রম আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

হরতাল ডেকে মাঠে নামলো না জামায়াত

হরতাল ডেকে মাঠে নামলো না জামায়াত
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর কাসেম আলীর রিভিউ খারিজের প্রতিবাদে সারা দেশে আজ ১২ ঘণ্টার হরতালের ডাক দেয় জামায়াত। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাদের এই কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

এদিকে হরতাল ডেকে সকাল থেকে মাঠে নেই জামায়াতের কোন নেতাকর্মী। হরতালের সমর্থনে দেশের কোথাও কোনো পিকেটিংয়ের খবর পাওয়া যায়নি।

রাজধানীসহ সারা দেশে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। হরতালের প্রভাব নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। সকাল থেকেই গণপরিবহনে অন্যান্য দিনের মতোই ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

হরতালে নাশকতা ঠেকাতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়েছে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার মীর কাসেম আলীর রিভিউ আবেদন আপিল বিভাগ খারিজ করে দেয়ার পর ১২ ঘণ্টার এ হরতালের ডাক দেয় জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সদস্য এম আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধে ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি

ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধে ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধে ১৮ মাসে ১০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে জাতিসংঘের সংশোধিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। জাতিসংঘের সংশোধিত এই তালিকায় বলা হয়, এর আগে ৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল।

তবে নিহতের সংখ্যা আরো অনেক বেশি বলেও জাতিসংঘ জানিয়েছে। আজ বুধবার আলজাজিরা এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির রাজধানী সানা থেকে জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়কারী জেমি ম্যাকগোলড্রিক গতকাল মঙ্গলবার জানা, সংশোধিত তালিকায় নতুন এই সংখ্যা ইয়েমেনের বিভিন্ন দপ্তর ও চিকিৎসা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। কারণ অনেক এলাকায় এসব চিকিৎসা সুবিধা চালু নেই এবং সরকারিভাবে লিপিবদ্ধের আগেই কবর দেওয়া হচ্ছে।

‘আমরা জানি নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি তবে নির্দিষ্ট সংখ্যা কত সেটা জানাতে পারছি না’ বলে জানিয়েছেন জেমি ম্যাকগোলড্রিক।

তিনি বলেন, আমরা দেওয়া নিহতের সংখ্যা সম্ভবত অসম্পূর্ণ কেননা আমরা মৃতের সংখ্যা স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম থেকেও নিয়েছি। তবে অনেক এলাকায় এই কার্যক্রম চালু নেই।

অনেক মানুষকে মেরে গণনাভুক্ত করার আগেই কবর দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের সঠিক সংখ্যা রেকর্ড রাখার কোন উপায় আমাদের হাতে নেই বলেও জেমি ম্যাকগোলড্রিক জানায়।

চলতি বছরে কর্মকর্তা ও এইড গ্রুপ জানিয়েছিল, ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধে ৬৫০০ মানুষ মারা গেছে যার বেশিরভাই বেসামরিক নাগরিক।

গাছবাড়ী মাদ্রাসা'র সাবেক শিক্ষক ফয়াজ অাহমদ আর নেই


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কানাইঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্টান গাছবাড়ী জামিউল উলুম কামিল মাদরাসার সাবেক শিক্ষক মাষ্টার ফয়াজ অাহমদ(৮০) আর নেই। গতকাল মঙ্গলবার বাদ সন্ধ্যা তিনি তার অাগফৌদ নারাইনপুরস্থ গ্রামের বাড়ীতে ইন্তেকাল করেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় গাছবাড়ী জামিউল উলুম কামিল মাদরাসা মাঠে তার জানাযা নামাজ অনুষ্টিত হয়েছে । মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে, ৩ মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।

টাকা না দিয়ে অনুভূতি জমা রাখবে এটিএম মেশিন

টাকা না দিয়ে অনুভূতি জমা রাখবে এটিএম মেশিন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রতিদিন কতো রকমের ঘটনা ঘটে আর সঙ্গে রয়েছে নিত্য নতুন প্রযুক্তি। এরই ধারাবাহিকতায় নিউজিল্যান্ডের একটি শহরে ভিন্ন রকম এক এটিএম মেশিন বসানো হয়েছে।

মনে করতেই পারেন এটিএম মেশিনের আবার ভিন্নতা কি? কারণ এ মেশিন থেকে টাকা জমা দেয়া বা তোলা যাবে না। টাকা দেয়ার বদলে এই যন্ত্র মানুষের আবেগ বা অনুভূতি জমা রাখবে।

যন্ত্রটিতে একটি স্পর্শকাতর স্ত্রীন রয়েছে, যেটিতে মানুষের ১ হাজার বিভিন্ন ধরনের অনুভূতি দেখানো হয়। সেগুলো স্পর্শ করে শহরের বাসিন্দারা তাদের কান্ন হাসির মতো বিভিন্ন রকমের অনুভূতি জমা করতে পারবে বা জানাতে পারবে।

নিউজিল্যান্ডের ওয়াংগারেই শহরে একটি প্রকল্পের আওতায় এ যন্ত্রটি বসানো হয়েছে। এর আগে ওয়েলিংটন এবং অকল্যান্ডে যন্ত্রটি বসানো হয়। উদ্যোক্তাদের আশা, এর ফলে শহরের মানুষের অনুভূতি সম্পর্কে সহজেই একটা স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে।

এটির পরিকল্পনাকারী, শিল্পী ভেনেসা ক্রোয়ি বলছেন, 'মানুষের অনুভূতি আর অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে যন্ত্রের ভূমিকা রাখার বিষয়টি জানার জন্যই তার এ ধরনের একটি যন্ত্রের কথা মাথায় আসে।' স্থানীয় কম্যুনিটির অনুরোধে যন্ত্রটি ওয়াংগারেই শহরে বসানো হয়।

স্থানীয় কম্যুনিটি মুখপাত্র অ্যাশ হলওয়েল বলেন, 'এই যন্ত্রটি বসানোর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, টাকা আর অর্থনৈতিক উন্নতি হিসাবের বাইরে, মানুষের মনের খবর রাখা। তাছাড়া এর বাইরে আরো জানার চেষ্টা করা যে, একটি শহরের বাসিন্দা হিসাবে আমরা কেমন আছি? আমাদের চাহিদগুলো পূরণ হচ্ছে কি না।”

এই যন্ত্রটি শুধুমাত্র একটি স্থানেই থাকবে না, এটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বসানো হবে, যাতে সব বাসিন্দার মনোভাব সম্পর্কে জানা যায়।

স্বর্ণের চেয়ে দামী চা পাতা!

স্বর্ণের চেয়ে দামী চা পাতা!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চা এর মূল্য স্বর্ণের চেয়েও বেশি! হ্যাঁ, এমন একটি বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছিল ২০০২ সালে যখন চীনের ঐতিহ্যবাহী চা হিসেবে পরিচিত ‘দা হং পাও’ চা পাতা মাত্র ২০ গ্রাম কেনার জন্য একজন ধনী ক্রেতা প্রায় ২৮ হাজার ডলার খরচ করেছিলেন।

আসল ‘দা হং পাও’ চা পাতার এর মূল্য পরিমাণগত দিক দিয়ে শুধু স্বর্ণের মূল্যের সমানই নয়, বরং তা স্বর্ণের মূল্যের চেয়েও ৩০ গুণ বেশি। এক গ্রাম দা হং পাও চা পাতা কেনার জন্য আপনাকে ব্যয় করতে হবে ১ হাজার ৪০০ ডলার এবং এক পাত্র চা পাতার জন্য ১০ হাজার ডলার। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি চা।

দক্ষিণ চীনের কুয়াশাচ্ছন্ন নদীতীর শহর ফুজিয়ানের এক চা ব্যবসায়ী জিয়াও হু সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেন, ‘এই চা পাতা দেখলে এটাকে একজন ভিক্ষুকের যোগ্য খাবার বলেই মনে হতে পারে কিন্তু এটার মূল্যটা একজন সম্রাটের জন্য উপযুক্ত এবং বুদ্ধের মতো যাদের হৃদয় আছে তাদের জন্য।’

পাহাড়ে ঘেরা ফুজিয়ানের উয়িশান শতাব্দী ধরে চায়ের জন্য বিখ্যাত। জিয়াও এবং তার পরিবার বহু প্রজন্ম ধরে চা ব্যবসায় জড়িত। নিজেদের বাগান থেকে দা হং পাও চা পাতা সংগ্রহ করেন।

জিয়াও হু বলেন, ‘এখন প্রকৃত দা হং পাও চা গাছ তেমন একটা দেখাই যায় না। আর চাইলেই এই চায়ের চাষ বাড়ানোও অসম্ভব। এই কারণে প্রকৃত দা হং পাও চা পাতা পাওয়া যায় খুবই সামান্যই। এর ওপর আছে সরকারের নিয়ন্ত্রণ। চীনের কয়েকজন বিশেষ ব্যবসায়ীই মূলত সংগ্রাহকদের কাছ থেকে আসল দা হং পাও চা পাতা কেনেন।’

তিনি বলেন, ‘এখনো পাহাড়ের মাঝে বসন্তের সময় গিয়ে চা দেবতা লু ইউকে ডাকেন, যেন গাছে নতুন কান্ড আসে।’

উশিয়ান অঞ্চলে অনেক কম দামেও দা হং পাও চা পাতা পাওয়া যায়। মোটামুটি মানের দা হং পাও এক কেজি মাত্র ১০০ ডলারেই কেনা যায়। কিন্তু প্রকৃত সংস্করণ অত্যন্ত উচ্চ মূল্যেই বিক্রি করা হয়।

স্থানীয় একজন চা মাস্টার জিয়াংনিং উ বলেন, ‘প্রকৃত দা হং পাও চা পাতা খুবই দামি, এক কথায় বললে অমূল্য। কারণ মূল চা গাছ এখন খুব কমই আছে। বছরে মাত্র কয়েক শ’ গ্রাম প্রকৃত দা হং পাও উৎপাদিত হয় এবং গাছগুলো সব সময় সশস্ত্র পাহারায় থাকে।

ক্রিকেটের প্রচারে বাংলাদেশীদের সাথে কাজ করতে চায় কোরিয়া ক্রিকেট এ্যাসোসিয়েশন

Kanaighat News on Tuesday, August 30, 2016 | 11:02 PM


আব্দুল্লাহ আল-মাহবুব,কোরিয়া:
কোরিয়াতে ক্রিকেটের প্রচারে বাংলাদেশীদের সাথে কাজ করতে চায় কোরিয়া ক্রিকেট এ্যাসোসিয়েশন। আজ আনসানে ইপিএস বাংলা ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই বলেছেন কোরিয়া ক্রিকেট এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী জেনারেল ও আইসিসির কোরিয়া প্রতিনিধি কিম মে ইয়ং। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ , পাকিস্থান, ভারত ও আরও ক্রিকেট খেলুড়ে দেশদের নিয়ে বড় ধরণের গ্লোবাল টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা করছে কোরিয়া ক্রিকেট এ্যাসোসিয়েশন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতি সোহেল রানার উপস্থাপনায় ইপিএস বাংলা ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উপকমিটির প্রধান মেহেদী হাসান বলেন "ইপিএ্সে এসেও আমরা এধরণের প্রোগ্রাম করে প্রমান করছি যে আমরা কতটা সংগ্রামী। ভবিষ্যতে আরও বড় ধরণের প্রোগ্রাম করে যান্ত্রিক জীবনে একটু হলেও আনন্দ বিনোদোন দেওয়ার চেষ্টা করব ইপিএস ভাইদের'। ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উপকমিটির সহকারী প্রধান শান্ত শেখ বলেন '' ইপিএস বাংলা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট কোরিয়ার ক্রিকেট ভবিষ্যতে বড় ভুমিকা রাখবে''।তিনি একথাও বলেন যে, ''সারা সপ্তাহ হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করেও এত বড় টুর্নামেন্টের আয়োজন করে ইপিএস বাংলা কমিউনিটি প্রমান করেছে তারা কতটুকু সামর্থ্যবান ও সামাজিক দ্বায়িত্বশীল কমিউনিটি''। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আনসান সিটিস্থ আনসান মাইগ্রেন্ট সেন্টারের ম্যানেজার মুন সন মি, স্পন্সরকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আশিয়ান মার্ট অ্যান্ড হালাল ফুডের মালিক জনাব মতিন, এস.এন.ফুডের মালিক জনাব ছোটন বিসেকে সভাপতি হাবিল উদ্দিন ও সেক্রেটারী সরোয়ার কামাল।

কানাইঘাটে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ভবন উদ্বোধন


নিজস্ব প্রতিবেদক: গ্রামীণ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে ব্যাংকিং সেবা  পৌছে দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে কানাইঘাটে একটি বাড়ি একটি খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের পাশে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যায়ে নবনির্মিত এ ভবনের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাষ্টার মহি উদ্দিন,পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কানাইঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ হারুন রশীদ এবং উপজেলার ৯টি ইউ'পির নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

কানাইঘাট উপজেলা ইউপি চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন সমিতির নতুন কমিটি গঠন


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা ইউ'পি চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কানাইঘাট সদর ইউপির চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদকে সভাপতি, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান জেমস্ লিও ফারগুসন নানকাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির চেয়ারম্যান ডাঃ ফয়াজ আহমদকে সহ-সভাপতি, ৭নং দক্ষিণ বানীগ্রাম ইউপির চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদকে সাধারণ-সম্পাদক, দিঘীরপাড় ইউপির চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল, ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্বাস উদ্দিনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৫নং বড়চতুল ইউপি চেয়ারম্যান মাওঃ আবুল হোসাইন চতুলীকে দপ্তর ও কোষাধ্যক্ষ, রাজাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলামকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং সাতবাঁক ইউপির চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশকে সদস্য করে সর্ব সম্মতিক্রমে ৯ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরীকে। কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে এক সভা উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির কার্যালয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান জেমস্ লিও ফারগুসন নানকার সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দলমতের উর্ধ্বে উঠে কানাইঘাটের আর্তসামাজিক উন্নয়নে একসাথে কাজ করতে হবে। সভায় বিগত পরিষদের হিসাব নিকাশ তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, সাতবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মস্তাক আহমদ পলাশ। এদিকে কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা মঙ্গলবার উপজেলা সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক বাবুলের চিকিৎসার জন্য কানাইঘাট উপলা পরিষদের আর্থিক অনুদান


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার কানাইঘাট প্রতিনিধি অসুস্থ বাবুল আহমদকে কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য আর্তিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলা সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাষ্টার মহি উদ্দিন এবং ৯টি ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের উপস্থিতিতে অসুস্থ সংবাদকর্মী বাবুল আহমদের হাতে চিকিৎসার জন্য নগদ ১০,০০০/- টাকার অনুদান তুলে দেওয়া হয়। এ সময় কানাইঘাট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন, সাংবাদিক আব্দুন নুর প্রমুখ।

ইসলামের মর্মবাণী


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্মের উৎপত্তি ও বিকাশ মূলত মানুষকে কেন্দ করেই। প্রতিটি ধর্মই মানুষের প্রয়োজনের দিকটির প্রাধান্য দিয়েছে। মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার প্রতিটি মুহূর্তে ধর্ম তার আবেদনময়ী হাত প্রসারিত করেছে। প্রতিটি ধর্মের মূলধারা মানবতার পক্ষে। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে ধর্মীয় আচরণ সবসময় মানবতাকে স্পর্শ করতে পারেনি। তবে এ অভিযোগ ইসলামের বিরুদ্ধে করা যাবে না। ইসলাম মানবতাবাদ ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী একটি ধর্ম। এ কথা শুধু স্লোগানসর্বস্ব নয় বরং প্রায়োগিক ক্ষেত্রে এর উজ্জ্বল নজির বিদ্যমান। ইসলামের সহজাত ধারা মানবতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি বহমান। ইসলামের প্রদীপ্ত শিখার দ্রুত বিচ্ছুরণের পেছনে এটি বিশেষ কারণ হিসেবে চিহ্নিত। ইসলাম একটি মানুষকে মাতৃগর্ভ থেকে কবর পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্তে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিয়েছে। যে কোনো দুর্যোগ ও সংকটে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। জীবনের পদে পদে ইসলামের করুণামিশ্রিত হাতছানি মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে। ইসলাম মানুষের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও মমত্ববোধের যে বীজ বপন করে দিয়েছে তার নজির আর কোথাও পাওয়া যাবে না। ইসলামের মর্মবাণী হচ্ছে মানুষের জন্য, জীবনের জন্য সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও সহানুভূতি। মানুষের প্রয়োজনে মানুষ। সভ্যতার মূল উপাদান মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ আঞ্জাম দিয়েছে ইসলাম। ইসলামের আদর্শে আদর্শবান কারো জন্য মানুষের প্রয়োজনকে খাটো করে দেখার কিংবা এ ব্যাপারে উদাসীন থাকার কোনো অবকাশ নেই। এ জন্য প্রতিটি মুসলমানকে মানবতাবাদী হওয়া তার ইমান ও আদর্শের দাবি। মানুষের হিতকামী হওয়া ইসলামের আদর্শ। মানুষের কল্যাণ ও সমাজের প্রয়োজনকে বড় করে দেখার শিক্ষা দিয়েছে ইসলাম। মানুষ তার নিজের প্রয়োজনে যত না ব্যতিব্যস্ত হবে তার চেয়ে বেশি উদগ্রীব হতে হবে অন্যের প্রয়োজন পূরণে। ইসলামের নবী আর্তমানবতার সেবায় অনন্য উদাহরণ স্থাপন করে গেছেন। মানুষের দুঃখ, দুর্দশা, ব্যথা-বেদনা ও পীড়ন-দহনে তিনি যেমন ব্যথিত হতেন, তেমনি তা লাঘবের জন্যও গ্রহণ করতেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। একজন নগণ্য মানুষও যে কোনো সমস্যায় পড়ে তার কাছে এলে তিনি তাকে কোনো দিন নিরাশ করেননি। মানুষের প্রতি এমন দরদী অন্তর থাকা চাই প্রতিটি মুসলমানের।

সিজারিয়ান না নরমাল ডেলিভারি, কোনটি ভালো

সিজারিয়ান না নরমাল ডেলিভারি, কোনটি ভালো
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে গর্ভবতী মায়েরা বেশীরভাগ সিজার করে বাচ্চা জন্ম দিতে পছন্দ করেন। সিজারিয়ান করানো খুব সাধারণ ব্যাপার হলেও এটা একটা বড় অপারেশন তাই এর নিজস্ব কিছু ঝুঁকি থাকে। এজন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ ছাড়া ডাক্তার সিজারিয়ান করানোর পরামর্শ দেন। গর্ভাবস্থায় কোনো জটিল সমস্যা যদি সৃষ্টি না হয় তাহলে ভ্যাজাইনাল বার্থ বা নরমাল ডেলিভারি নিরাপদ। নরমাল ডেলিভারি শুধু বর্তমান গর্ভাবস্থার জন্যই ভালো নয় বরং পরবর্তীতে গর্ভধারণের জন্যও ভালো।

কখনো কখনো মা ও বাচ্চার জীবন রক্ষার্থে সিজারিয়ান করতে হয়, সেই পরিস্থিতিতে প্রশ্নাতীত ভাবেই সিজারিয়ান করানোটা হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ। আবার এমনও হতে পারে যে, আপনি কোন বিশেষ দিনে বিশেষ উপায়ে বাচ্চার জন্ম দিতে চান তখন ডাক্তার আপনাকে সিজারিয়ান করানোর পরামর্শ দেন। তবে আপনার এই সিদ্ধান্ত আপনার স্বাস্থ্য ও জীবনধারায় বিশেষ প্রভাব ফেলে। আর বর্তমানে চারজনের মধ্যে একজন শিশু সিজারিয়ানের মাধ্যমে জন্ম নেয়। BBC ও Guardian এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

পরিকল্পিত সিজারিয়ানে মায়ের সুবিধা সমূহ-
# প্রসব বেদনা সহ্য করতে হয় না
# অনেক বেশি রক্তক্ষরণ হয় না
# ভ্যাজাইনাল ইনজুরি হয় না

পরিকল্পিত সিজারিয়ানে মায়ের অসুবিধা সমূহ-
# অনেকদিন হাসপাতালে থাকতে হয়
# শিশুর জন্মের পরও ব্লিডিং হলে অনেক ক্ষেত্রে গর্ভ অপসারণ করে ফেলতে হয় একে হিস্টেরেক্টমি বলে।

# হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।
# ইউটেরাইন ইনফেকশন এর ঝুঁকি বাড়ে।
# অপারেশনের পরে ব্যাথা হয় যা প্রায় কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

পরবর্তীতে সন্তান ধারণের সময় এক্টোপিক বা টিউবাল প্রেগনেন্সি, প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্লাসেন্টা অ্যাক্রিটা এবং প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন এর সমস্যাগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পরিকল্পিত সিজারিয়ানে বাচ্চার অসুবিধা সমূহ-
# ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে রাখতে হয়
# শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা থাকে
# ব্রেস্ট ফিডিং এর অভ্যাস গড়ে উঠতে দেরি হয়

The Australian study তাদের এক গবেষণায় দেখেছে যে, সিজারিয়ান করানো মায়েদের মধ্যে মানসিক প্রতিকূলতার প্রভাব প্রাকৃতিক প্রসবের মায়েদের চেয়ে বেশি হয়।

প্রাকৃতিক প্রসবের সুবিধা -
# নরমাল ডেলিভারি হলে মা কয়েক ঘন্টা পরই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক কাজ শুরু করতে পারে।

# এ অবস্থায় ভালোভাবে বাচ্চার জন্ম হয়ে গেলে বাচ্চা শান্ত থাকে।

# বাচ্চার জন্মের পর মা শারীরিক ও মানসিক শক্তি লাভ করে। এর মাধ্যমে সে শান্তি ও অর্জনের বিস্ময়কর অনুভূতি পায়।

# নরমাল ডেলিভারিতে বাচ্চাকে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জন্ম নিতে হয় তাঁতে বাচ্চার ফুসফুস শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার জন্য প্রস্তুত ও শক্তিশালী হয়।

প্রাকৃতিক প্রসবের অসুবিধা -
# নরমাল ডেলিভারি অস্বস্তিকর ও কষ্টকর।

# নরমাল ডেলিভারি নোংরা মনে হতে পারে। শরীর থেকে অনেক ঘাম, অ্যামনিওটিক তরল, রক্ত এবং বাচ্চার জন্মের পর প্লাসেন্টা বা নাড়ি বের হয়।

# ইনজুরি হতে পারে। অনেক সময় সেলাই লাগতে পারে।

সফল ভাবে বাচ্চা প্রসবের জন্য যে কাজ করা প্রয়োজন এবং যে কাজ করা ঠিক না সেগুলো জেনে নিন।  প্রাকৃতিক ভাবে বাচ্চা প্রসবের জন্য একজন স্বাস্থ্য কর্মী বা ধাত্রীর প্রয়োজন। যিনি পুরো কাজটাকে সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন করাতে পারবেন। প্রসবের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিষ গুলো জীবাণু মুক্ত করে নিতে হবে।

# বিজ্ঞানীদের মতে সদ্যজাত বাচ্চার নাড়ীতে প্রচুর আয়রন থাকে যা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যে বাচ্চার শরীরে উৎপন্ন হয়না। তাই জন্মের অন্তত ২ মিনিট পরে নাড়ী কাটা ভালো যাতে শিশু অনেক বেশি আয়রন নিয়ে নিতে পারে।

# জন্মের পরপর বাচ্চাকে শাল দুধ খাওয়াতে হবে। বাচ্চাকে বুকের দুধ দিলে বাচ্চা এবং মা উভয়ের জন্যই ভালো। বুকের দুধ বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং মাকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে, বাচ্চা ও মায়ের বন্ধন দৃঢ় হয়।

যুক্তরাজ্যের National Institute for Clinical Excellence এর মতে, ‘সকল মহিলাদেরই অধিকার আছে বাচ্চার জন্মের পদ্ধতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার। কিন্তু তাদের এই সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে তাদেরকে সাহায্য করার জন্য সঠিক পরামর্শ দেয়াও জরুরি’।

মহিলাদের জন্য বাচ্চার জন্মের দিনটা অনেক মোহনীয় ও স্মরণীয় একটি দিন।

যেসব প্রাণী ভূমিকম্প হওয়ার আগেই বুঝতে পারে (ভিডিও)


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিডিলাইভ রিপোর্ট: কিছু প্রাণীর অস্বাভাবিক আচরণ থেকে অনুমান করা যেতে পারে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস। যেমন হঠাৎ করে গর্ত থেকে সাপ, ব্যাঙ, ইদুর বের হয়ে আসলে। গৃহপালিত পশুপাখি অস্বাভাবিক আচরণ করলে। হঠাৎ কোন গ্যাস মাটি ফুরে উপরে আসলে। ২০০৮ সালে চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্প আঘাত হানার আগেই শত শত ব্যাঙ রাস্তায় উঠে এসেছিল। সেটা দেখে কেউ সতর্ক হয়নি। কিন্তু সত্যিই যখন বিপর্যয়টা এসে গেল ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে! প্রায় ৭০ হাজার প্রাণহানি!! এ ব্যাপারে কিছু তথ্য : ১) ৩৭৩ খ্রি. পূর্বে গ্রীসের হেলিস সিটি ভূমিকম্পে ধ্বংস হওয়ার একদিন পূর্বেই ঐ এলাকা ছেড়ে ইঁদুর, সাপ এবং বেজি অন্যত্র চলে যায়। ২) ইউরেকা শহরে Times-Standard newsroom এর ঘটনা (জানুয়ারী ২০০৯)। সফি নামের একটি কুকুর ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার কয়েক সেকেন্ড পূর্বে ফ্লোরে নাক ঘষে কিছু আন্দাজ করতে পারে। এরপর তার মালিকের সাথে অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। মালিক সহ সফি বাইরে যাওয়ার পরপরই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। যা সিসি টিভির ক্যামেরা বন্দি হয়। ৩) Zoological Society of London’s Journal of Zoology ‘র এক স্টাডি মতে গবেষকগণ জানান কুনোব্যাঙ (toad) এর মাধ্যমে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পাওয়া যেতে পারে। ইটালীর লা’একুইলা (L’Aquila) সিটিতে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পের (৬ এপ্রিল ২০০৯) কয়েকদিন পূর্বে উক্ত স্থান ছেড়ে বেশ কিছু কুনোব্যাঙ তাদের বংশবিস্তার স্থান পরিবর্তন করে অন্যত্র চলে যায়। এই ভূমিকম্পে ১০০ এর মত প্রাণহানি ঘটে। বিজ্ঞানীগণ কুনোব্যাঙের এ ধরনের আচরণ থেকেই এই সিদ্ধান্তে আসেন।

বাজারে এসেছে নতুন মনিটর

বাজারে এসেছে নতুন মনিটর

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এইচপি ২০ভিএক্স মডেলের আইপিএস এলইডি মনিটর বাজারে এনেছে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড।

মনিটরটির পর্দার মাপ ৫০ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার। মনিটরটিতে একটি ভিজিএ, একটি এইচডিএমআই ও একটি ডিভিআই-ডি পোর্ট আছে। ১৬০০ বাই ৯০০ পিক্সেল রেজল্যুশনের মনিটরটির ১৭৮ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল

বাংলাদেশে কাশ্মীর নীলাদ্রি, স্বর্গীয় প্রকৃতির হাতছানি

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরকে পৃথিবীর স্বর্গ বলা হয়। আর এর মোহনীয় প্রকৃতি সকলকেই মুগ্ধ করে। তবে বাংলাদেশে বাস করে ভারত কিংবা পাকিস্তানের কাশ্মীরে যাওয়া খুব ব্যয়বহুল। আবার সকলের পক্ষে সেখানে যাওয়ার সামর্থ নেই। তবে কাশ্মীরের মত একই রকম লোভনীয় প্রকৃতি রয়েছে বাংলাদেশেই।

দেশের মধ্যে মােটামুটি কম খরচেই পুরোপুরি কাশ্মীরের প্রকৃতির ছোয়া নিতে পারেন। সুনামগঞ্জ জেলার টেকেরঘাটে চুনাপথরের পরিত্যাক্ত খনির লাইমস্টোন লেক। স্থানীয় লোকজন একে নীলাদ্রি লেক বলে।

নিজ চোখে না দেখলে হয় বিশ্বাসই করতে পারবেননা পানির রঙ এতটা নীল আর প্রকৃতির এক মায়াবী রুপ। মাঝের টিলা গুলা আর ওপাড়ের পাহাড়ের নিচের অংশটুকু বাংলাদেশ এর শেষ সিমানা। বড় উচু পাহাড়টিতেই সীমানা কাটা তারের বেড়া দেওয়া আছে। এই লেকটি এক সময় চুনা পাথরের কারখানার কাচামাল চুনা পাথরের সাপ্লাই ভান্ডার ছিল যা এখন বিলীন।

কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে শ্যামলী/মামুন/এনা বাস যায় সুনামগঞ্জ ভাড়া ৫৫০ টাকা। সুনামগঞ্জ থেকে নতুন ব্রীজ পার হয়ে মোটর সাইকেল নিয়ে যেতে হবে। চাইলে টেকেরঘাট পর্যন্ত সরাসরি মোটর সাইকেল রিজার্ভ নিতে পারেন। এক্ষেত্রে ভাড়া ৩০০-৫০০ টাকা নিতে পারে আর মাঝপথে যাদুকাটা নদী পার হতে জনপ্রতি ভাড়া ৫ টাকা আর মোটর সাইকেল এর ভাড়া ২০ টাকা।

এছাড়া আপনি সুনামগঞ্জ থেকে লাউড়ের গড় পযন্ত মোটর সাইকেলে করে যেতে পারেন ভাড়া ২০০ টাকা তারপর যাদুকাটা নদী পার হয়ে বারেক টিলা থেকে ১২০ টাকা ভাড়ায় টেকেরঘাট যেতে পারবেন। এখানে উল্লেখিত মোটর সাইকেল এর ভাড়া যেটা উল্লেখ আছে সেটা পুরা বাইকের ভাড়া মানে একটা বাইকে ২ জন যেতে পারবেন। তবে মোটর সাইকেলের ভাড়া আগে দামাদামি করে নিবেন।

কোথায় থাকবেনঃ
বড়ছড়া বাজারে রেস্ট হাউজ আছে ২০০-৪০০ টাকায় থাকা যায়। বারেক টিলা পার হয়েই বড়ছড়া বাজার। চাইলে টেকেরঘাট থেকে হেটেও আসতে পারবেন বড়ছড়া বাজারে। এছাড়াও লেকের পাশে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি চুনা পাথরের কারখানা আছে তার গেস্ট হাউজে থাকতে পারবেন যদি খালি থাকে।

niladri-tekerghat-sunamganj-02

এছাড়া সুনামগঞ্জে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকার মধ্যে থাকার জন্যে হোটেল ভাড়া পাবেন।
সেখানের কয়েকটি হোটেলের মধ্যে রয়েছে-
হোটেল নূর-পূর্ববাজার স্টেশন রোড সুনামগঞ্জ
হোটেল সারপিনিয়া-জগন্নাথবাড়ী রোড, সুনামগঞ্জ।
হোটেল নূরানী, পুরাতন বাস স্ট্যান্ড, সুনামগঞ্জ।
হোটেল মিজান, পূর্ব বাজার-সুনামগঞ্জ।
হোটেল প্যালেস, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন রোড
সুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্ট।

00

কোথায় খাবেনঃ
বারেক টিলাতে খাবারের হোটেল আছে, এছাড়াও বড়ছড়া বাজারে খেতে পারেন অথবা লেকের পাশেই টেকেরঘাট একটা ছোট বাজার আছে। একটি মাত্র খাবারের হোটেল আছে সেখানে।

0

সাবধানতা:
সীমান্ত এলাকা তাই সাবধানে থাকুন এবং সীমানার খুব কাছাকাছি না যাওয়ার চেষ্টা করুন। আর লেকের পানিতে সাতার না জানলে না নামাই ভালো। নামলেও বেশি দূরে যাবেন না। কারন এখান থেকে খুব পরিমানে চুনা পাথর উঠানো হতো যার ফলে লেক অত্যাধিক গভীর।
বাংলাদেশে কাশ্মীর নীলাদ্রি, স্বর্গীয় প্রকৃতির হাতছানি

‘শুটার’ দিয়ে স্বপ্নের প্রথমধাপ এগুলেন জারা

‘শুটার’ দিয়ে স্বপ্নের প্রথমধাপ এগুলেন জারা
কাহহার সামি: চড়াই-উৎরায়ের মধ্য দিয়ে বর্তমান দেশিও চলচ্চিত্র সময় পার করছে। এর মধ্যে অনেক নতুন নতুন মুখের আগমন ঘটলেও কিছু দিন পর তার মধ্য থেকে অনেকেই হারিয়ে যাচ্ছেন। আবার অনেকেই আছেন নিজের স্বপ্নের টানে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। এমনি একজন স্বপ্নলোভা মেয়ে সানিয়া জামান জারা। যার স্বপ্নই হলো একজন ভালো অভিনেত্রী হওয়া।

স্বপ্ন যখন বাস্তবে রুপ নেয় তখনতো আর কোনো কথায় থাকে না। আসছে ঈদে ‘শুটার’ শীর্ষক ছবিটির মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে মিষ্টি এই মেয়ের। রাজু চৌধুরীর পরিচালনায় ‘শুটার’ ছবিটিতে জারার বিপরীতে দেখা যাবে অ্যাকশন হিরো শাহ রিয়াজকে। এতে আরো দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খানকে, তার বিপরীতে রয়েছেন নবাগত শবনম বুবলি।

‘শুটার’ ছাড়াও জারা আরো দুইটি সিনেমা কাজ করছেন। শাহনেওয়াজ শানুরের পরিচালনায় ‘বুকের মাঝে প্রেমের আগুন’-এতে তার নায়ক হিসাবে থাকছেন বাপ্পী চৌধুরী, ‘ভালোবাসি তাই ভালোবেসে যাই’ ছবিতে জারার বিপরীতে আছেন নবাগত সুমন। ছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করছেন জাবেদ ও অ্যাপলো।

সিনেমা ক্যারিয়ার নিয়ে জারা বলেন, ‘অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন আমার ছোটবেলা থেকেই। চেষ্টা করছি ভাল অভিনয় করার। নিয়মিত চলচ্চিত্রে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। এ জন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। আশা করি আমার অভিনীত সিনেমা গুলো দর্শকদের ভালো লাগবে।’

উল্লেখ্য, এফ এ সুমনের জনপ্রিয় গান ‘জানরে তুই’-এর মডেল হয়ে শোবিজে জারার অভিষেক। এরপর বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে তাকে।

সাদ্দামের রক্তে লেখা কোরআন শরীফ নিয়ে মহাবিপদে ইরাক

সাদ্দামের রক্তে লেখা কোরআন শরীফ নিয়ে মহাবিপদে ইরাক

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সাদ্দাম হোসেন নিজের দেহের ২৭ লিটার রক্ত দিয়ে সমগ্র পবিত্র কোরআন শরীফ লিখে এক অনন্য কীর্তির জন্ম দিয়ে গেছেন, যা ধ্বংস করা নিয়ে মহাবিপদে পড়েছে সরকার।

সাদ্দাম হোসেন তার শাসনামলে ১৯৯০ দশকের শেষের দুই বছর কোরআন লেখার জন্য নিয়মিত রক্ত দান করেন। তার শরীর থেকে একজন নার্স নিয়মিত রক্ত নিতেন। আর একজন ক্যালিগ্রাফি শিল্পী সেই রক্ত দিয়ে পবিত্র কোরআনের আয়াত লিখতেন।

২০০৩ সালে ইরাকে আগ্রাসন চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এতে পতন হয় সাদ্দামের। পরে তাকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়।

এরপর প্রায় পাঁচ বছর পর্যন্ত সাদ্দামের রক্তে লেখা কোরআনের কথা গোপন ছিল। কিন্তু, প্রায় আট বছর আগে তিনটি পাল্লা দিয়ে সুরক্ষিত কোরআনটির কথা জানাজানি হয়ে যায়। এরপর থেকে এ পর্যন্ত ইরাকের আগ্রাসন পরবর্তী কর্তৃপক্ষ দ্বিধাগ্রস্ত রয়েছে যে, তারা কি কোরআনটি ধ্বংস করে ফেলবে না সংরক্ষণ করবে।

সাদ্দামের ২৭ লিটার রক্তে লেখা কোরআন শরীফ নিয়ে মহাবিপদে পড়েছে ইরাকবর্তমানে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত সবচেয়ে বড় মসজিদটির সংগ্রহশালায় সাদ্দামের রক্তে লেখা কোরআনটি রাখা হয়েছে। গত তিন বছর ধরে এই কোরআনটি জনসাধারণের দৃষ্টির আড়ালে রাখতে তালাবদ্ধ রয়েছে।

নিষিদ্ধ সংগ্রহশালাটিতে প্রবেশ করতে হলে একটি প্যাঁচানো পথ অনুসরণ করতে হয়। এর পাশেই একটি সরকারি অফিস ছিল, যার মাধ্যমে এখানে প্রবেশ আটকানো হয়। ইরাকের আগ্রাসন পরবর্তী শিয়া শাসকরা খুবই সতর্ক, যাতে এমন কোনো প্রতীক ফের জনপ্রিয় হয়ে না ওঠে যা বাথ পার্টিপন্থী জনগণকে সাহসী না করে তোলে।

এ কারণে সরকারি শাস্তির ভয়ে ইরাকেরা সুন্নিরা সাদ্দামের রক্তে লেখা কোরআনের ভল্টটির দরজা খুলতে ভয় পেয়ে আসছে। এছাড়া তারা মনে করে, যদি পবিত্র কোরআনের এ কপিটির সঙ্গে যথাযথ সম্মানজনক আচরণ না করে, তারা ভয়ংকর গজবের শিকার হতে পারে।

সাদ্দামের পর থেকে ইরাক শাসন করছে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিতরা। এ পর্যন্ত চারটি সরকার ক্ষমতার মসনদে বসেছে। তারা সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছে মার্কিনদের স্বার্থ উদ্ধারে।

ইরাকের সুন্নি অনুদান তহবিলের প্রধান শেখ আহমেদ আল সামারাই বাগদাদের সাদ্দাম নির্মিত ওই মসজিদটির মিনারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, এখান যা আছে তা অমূল্য, নিশ্চিতভাবেই এটি লাখ লাখ ডলার মূল্যবান এক সম্পদ।

তবে শেখ সামারাই মনে করেন, সাদ্দাম রক্ত দিয়ে কোরআন লিখিয়ে ভুল করেছিলেন। কারণ এমনটি করা হারাম।

এমন মনোভাব সত্ত্বেও ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনকালীন হাঙ্গামার মাঝে পর থেকে রক্তে লেখা কোরআনের পাতাগুলো রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা করে আসছেন সামারাই। তিনি প্রথমে পাতাগুলো নিজের বাসায় লুকিয়ে রাখেন। পরে নিরাপত্তার কারণে তার আত্মীয়-স্বজনদের বাসায়ও এগুলো লুকিয়ে রাখেন।

তিনি বলেন, আমি জানতাম যে, এগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আমাকে জবাবদিহি করতে হবে, তারপরেও আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু, বর্তমানে এগুলোকে হেফাজত করা সহজ হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ভল্টটিতে ঢোকার তিনটি চাবি রয়েছে। তবে কোনোটিই এক জায়গায় নেই। আমার কাছে একটি, এখানকার পুলিশ প্রধানের কাছে একটি এবং আরেকটি বাগদাদের পূর্বাঞ্চলে রাখা আছে।

ভল্টটিতে কাউকে ঢোকার অনুমতি দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য একটি কমিটি আছে বলেও জানান শেখ সামারাই।

সাদ্দামের রক্ত দিয়ে কোরআন লেখার কাজটি করেছিলেন ক্যালিগ্রাফার আব্বাস শাকির জুদি আল বাগদাদি। সাদ্দাম নিজে তাকে ফোন করে ডেকে নিয়ে কোরআন লেখার কাজটি দেন। পরে দু’বছর ধরে আল বাগদাদি সাদ্দামের পাশে বসে কোরআন লেখেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া স্টেটের বাসিন্দা আল বাগদাদি। টেলিফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এখন আর এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না। এটি আমার জীবনের বেদনায়দায়ক অংশ, যা আমি ভুলে যেতে চাই।

আগে সাদ্দামের স্মারকগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া খুব সহজ ছিল। যেমন আগ্রাসনকালে ২০০৩ সালের এপ্রিলে মার্কিন নৌসেনারা সাদ্দামের মূর্তি অপসারণ করেছিল।পরবর্তীতে সারা দেশেই বাথ পার্টির নেতাদের মূর্তি ভাঙা হয়।

ওই সময় সাদ্দাম ও তার দলের নেতাদের স্মারকগুলো অপসারণ করা সহজ ছিল। কিন্তু, বর্তমানে সাদ্দামের স্মৃতিগুলো সরিয়ে ফেলাটা অনেকটাই জটিল হয়ে গেছে। কারণ এসবের অনেক কিছুই ইরাকের পরিচিতিমূলক নির্দশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যেমন: বাগদাদের কেন্দ্রস্থলে সামরিক প্যারেড ময়দানে অবস্থিত আড়াআড়িভাবে রাখা দুটি তলোয়ার, যা ইস্তাম্বুলের হাজিয়া সোফিয়া মসজিদ বা দামেশকের পুরাতন শহরগুলোর মতোই পরিচিতিমূলক।

আহমেদ চালাবিসহ ইরাকের অনেক বিখ্যাত রাজনীতিকই সাদ্দামের সংশ্লিষ্ট যে কোনো কিছুই নির্মূলের ব্যাপারে অনড়।

ইরাককে বাথ পার্টিমুক্ত করার জন্য গঠিত জাতীয় কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন চালাবি। তার মতে, সাদ্দামের যে কোনো নির্দশনই ইরাকের জনগণের মানসিকতার জন্য ধ্বংসাত্মক। কারণ এসব সাদ্দামের সমগ্রতাবাদী শাসনের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং এমন এক ব্যক্তির কথা মনে করিয়ে দেয়, যিনি শয়তানের প্রতিমূর্তি।

তবে এর সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে সাদ্দামকে অপসারণে প্রধান ভূমিকা পালনকারী এবং তার বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি কার্যকরকারী মোয়াফ্ফাক আর রুবাই।

ইরাকের এই সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, সাদ্দাম ইরাককে শাসন করেছেন। তিনি আমাদের ইতিহাসের অংশ। তিনি আমাদের ইতিহাসের একটি বাজে অংশ হলেও আমরা পছন্দ করি বা না করি তিনি অনেক বৈচিত্রও সৃষ্টি করেছিলেন। ওই জমানার নজিরগুলো ধ্বংস করা আমাদের উচিত নয়। ভালো-মন্দ যাই থাকুক তা রেখে দেয়া উচিত যেন আমরা এর থেকে শিক্ষা নিতে পারি।

২০০৫ সালে ইরাক সরকার একটি কমিটি গঠন করেছিল, যার কাজ ছিল সাদ্দামের সংশ্লিষ্ট প্রতীকগুলো অপসারণের কাজ দেখভাল করা। অবশ্য ইরাকের প্রধানমন্ত্রী নূর আল মালিকির মুখপাত্র আলি আল মুসাভির কথায় স্পষ্ট যে, সাদ্দামের সব কিছু অপসারণের ব্যাপারে সরকারের দোলাচলের বিষয়টি।

যেখান থেকে সাদ্দামের আড়াআড়ি তরবারি দেখা যায়, এমন একটি জায়গায় অবস্থিত অফিসে বসে মুসাভি বলেন, সাদ্দাম জমানায় নির্মিত সবকিছু অপসারণ করা আমাদের জন্য উচিত হবে না।

তিনি বলেন, রাস্তায় সাদ্দাম মূর্তিগুলো রাখার মোটেই সুযোগ নেই। কিন্তু, সাদ্দামের রক্তে লেখা কোরআন আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত। কারণ এটি সাদ্দামের বর্ববরতার নিদর্শন, তার এমনটি করা মোটেই উচিত হয়নি।

তবে মুসাভির মতে, সাদ্দামের রক্তে লেখা কোরআনটি ইরাকের কোনো সরকারি জাদুঘরে রাখা উচিত হবে না। কারণ কোনো ইরাকি দেখতে চাইবেন না।সম্ভবত এই কোরআনটি কোনো ব্যক্তিগত জাদুঘরে পাঠানো হবে, যেমনটি ঘটেছে হিটলার এবং স্টালিনের জমানার ক্ষেত্রে।

বর্তমানে ইরাকে জাতীয় পর্যায়ে সাদ্দাম হোসেন এবং তার ৩০ বছরের শাসনামলের স্মারকগুলো সংরক্ষণের বিষয়ে তুমুল বিতর্ক হচ্ছে।

আমাদের লক্ষ্য সবগুলো ম্যাচে জয় লাভ করা: জাহানারা

আমাদের লক্ষ্য সবগুলো ম্যাচে জয় লাভ করা: জাহানারা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আসন্ন আয়ারল্যান্ড সফরে সবগুলো ম্যাচই জিততে চান বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক জাহানারা আলম। আয়ারল্যান্ড সফর নিয়ে আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে জাহানারা বলেন, '২০১২ সালের পর আবারো আয়ারল্যান্ড সফরে যাচ্ছি আমরা। আমাদের লক্ষ্য সবগুলো ম্যাচে জয় লাভ করা।'

এবারের আয়ারল্যান্ড সফরে দু'টি করে টুয়েন্টি টুয়েন্টি ও ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। টি-২০ দিয়ে শুরু হবে সফর। ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দুই ম্যাচের টি-২০ সিরিজ। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর প্রথম ও ১০ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ও শেষ ওয়ানডে খেলতে নামবে জাহানারার দল।

সফরের এই চারটি ম্যাচেই জয় পেতে চান জাহানারা, '২০১২ সালে আমরা আয়ারল্যান্ড সফর করেছিলাম। চার বছর পর আবারো আয়ারল্যান্ড সফরে যাচ্ছি। এই চার বছরে আমাদের অভিজ্ঞতা অনেক বেড়েছে। আমরা আগের চেয়ে অনেক ভালো দলে পরিণত হয়েছি। তাই আমাদের লক্ষ্য সফরের চারটি ম্যাচ জয়।'

আগামী ২ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ। মূল লড়াইয়ে নামার আগে সেখানকার কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেয়ার সুযোগটা খুব কমই পাচ্ছে তারা। তারপরও সেখানকার কন্ডিশনে কোন সমস্যা হবে না বলে মনে করেন জাহানারা, "প্রথম টি-২০ ম্যাচের আগে দু'দিন অনুশীলনের সুযোগ পাবো আমরা। ওই দু'দিনেই কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে হবে। আশা করছি, কোন সমস্যা হবে না।"

সমাজ ও দেশের ভালোর জন্য কিছু করব: গিয়াস উদ্দিন সেলিম

সমাজ ও দেশের ভালোর জন্য কিছু করব: গিয়াস উদ্দিন সেলিম
মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ: মনপুরা সিনেমায় নতুন এক আবির্ভাব গিয়াস উদ্দিন সেলিমের। এর আগে মঞ্চনাটকের মতো বোদ্ধাদের শিল্পী ছিলেন। টিভি নাটক আর বিজ্ঞাপনও নির্মাণ করেছেন বিস্তর। কিন্তু মনপুরায় এসে সব পাল্টে গেল। পাল্টে গেলেন তিনিও। গিয়াস উদ্দিন সেলিম নিজস্ব ধারার সিনেমা নির্মাণের দ্বিতীয় পর্বও শেষ করতে চলেছেন। সম্প্রতি কথা হলো তার নতুন সিনেমা, চলচ্চিত্র দর্শন, জীবনবোধ শৈশব-কৈশোর নিয়ে। তার সঙ্গে আলাপ করেছেন মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ-

মনপুরার পর থেকে আপনি সিনেমার লোক হিসেবে পরিচিত বলতে গেলে। প্রথম সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা মনে আছে?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : পরিবারের সঙ্গেই সিনেমা দেখার হাতেখড়ি আমার। প্রথম সিনেমা দেখি মায়ের সঙ্গে। আমার দেখা প্রথম সিনেমা ছিল অবাক পৃথিবী। মা ও খালাদের সঙ্গে হলে গিয়ে ছবি দেখেছি। পর্দায় মানুষ আসে, কথা বলে, চলে যায়। আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতাম। একবার একটি ঘটনা ঘটেছে। সিনেমায় একটি দৃশ্য ছিল এক লোককে চাকু মারা হয়ছে। সেটা দেখে আমি খুব কান্না করেছি, কেন মারল, কী জন্য মারল? এই ঘটনা আমার স্মৃতিতে নেই, পরে মা আমাকে বলেছে। তার মানে পর্দার সঙ্গে একাকার হয়ে গিয়েছিলাম। এছাড়া আমাদের সময়ে সিনেমা দেখার দলই ছিল।

কিশোর বয়সে সিনেমা দেখার একটা আলাদা উত্তেজনাও থাকে

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : আমার কিশোর বয়স কেটেছে ফেনী শহরে। ফেনীতে তখন চারটি সিনেমা হল ছিল। সুরতমহল, বিলাসী, দুলাল আর কানন। তখন তো বাংলা সিনেমা জমজমাট অবস্থায় ছিল। প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন সিনেমা আসত। লম্বা লাইন ধরে টিকিট কাটতে হতো। টিকিটের লাইনে আবার ব্লেড পার্টির উপদ্রব ছিল। ভিড় বেশি হলে সামনের জনকে ব্লেড মেরে এগিয়ে যেত তারা। সে এক উন্মাদনা ছিল সিনেমা নিয়ে। চট্টগ্রামের বনানী কমপ্লেক্স সিনেমা হলে লাভ ইন সিঙ্গাপুর নামে একটা সিনেমা এসেছিল এক ঈদে। আমরা দলবেঁধে ফেনী থেকে চট্টগ্রাম গিয়েছি সেই ছবি দেখতে। ক্লাস নাইনে পড়ি তখন। দারুণ উন্মাদনা ছিল সিনেমা ঘিরে।

শৈশব-কৈশোরের সময়গুলো তাহলে বেশ আমুদে ছিল?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : শৈশবে তো নানা কিছু হতে চাইতাম। যেমন মিষ্টি পছন্দ করতাম। মনে হতো আমার বাবা মিষ্টির দোকানদার হলে সবসময় মিষ্টি খেতে পারতাম। তাই সবসময় চেয়েছি বড় হয়ে মিষ্টির দোকানদার হব। তার আগে যখন দেখতে পেতাম ফেরিওয়ালা সাইকেলে করে আইসক্রিম বিক্রি করছে। মনে মনে সাইকেলে করে আইসক্রিম বিক্রেতা হতে চাইতাম। কারণ কত মজার জিনিস, বিক্রি করা যায় আবার মন চাইলে যখন তখন খেতেও পারব। ছোটবেলার স্বপ্নগুলো ছোটই ছিল।

নির্মাতা হবেন, এমন স্বপ্ন কখন দেখতে শুরু করলেন?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : এটা অনেক পরের ঘটনা। এলাকায় থিয়েটার করতাম। থিয়েটারে প্রয়োজনে নির্দেশনা দিতাম। এরপর যখন জীবন-জীবিকার সন্ধানে ঢাকা আসি তখনও থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। একসময় নাট্যকার হয়ে উঠলাম, নাটক পরিচালনা করলাম। নাটক বানাতে বানাতে মনে হলো এবার সিনেমাও বানানো যায়। কোনো স্বপ্ন ছিল না যে, আমি সিনেমা বানাব। বলা যায়, সময়ই আমাকে চলচ্চিত্র নির্মাতা বানিয়েছে।

সিনেমায় বাণিজ্যের বিষয়টিকে আপনি বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : কবিরা ২০০ কবিতা লিখে তার থেকে সেরা ২০টি প্রকাশ করতে পারেন। সেরা ২০ কবিতা দিয়ে বই বের করতে পারেন। তার বাছাই করার সুযোগ থাকে। একজন চলচ্চিত্র নির্মাতার কিন্তু সে সুযোগ নেই। তিনি ২০০ ছবি বানিয়ে ভালো ১০টি মুক্তি দেবেন আর বাকিগুলো দেবেন না, সেই সুযোগ কিন্তু তার নেই। চলচ্চিত্র একটি ব্যয়বহুল বিনোদন মাধ্যম। তো সিনেমার মূল লক্ষ হলো দর্শকদের সিনেমা দেখিয়ে এটা বানাতে যে খরচ হয়েছে সেটা তুলে আনা। মূল কথা হলো দর্শককে দেখানো। এই কাজটি কিন্তু বাণিজ্যিক ধারার সিনেমাই করছে। তারাই বেশিসংখ্যক দর্শকের কাছে নিয়ে যাচ্ছে চলচ্চিত্রকে। আমি বাণিজ্যিক সিনেমাই বানাতে চাই। জহির রায়হান, খান আতাউর রহমানরা যে ধরনের সিনেমা বানিয়েছেন। সেগুলো রুচিশীল মানুষের সিনেমাই ছিল। জীবন থেকে নেওয়া কি রুচিশীল মানুষের সিনেমা নয়? আমিও সেই ধরনের সিনেমা বানাতে চাই। কারণ সিনেমার লগ্নি অনেক টাকা। সে টাকা তুলতে হবে তো। দেড় থেকে দুই কোটি টাকা লগ্নি করে প্রডিউসার যদি টাকা ফেরত না পান, তাহলে তিনি কেন পরে আর সিনেমা বানাবেন? শৌখিনতার জায়গা সিনেমা নয়। অবাণিজ্যিক ছবিতে দেশের উপকার হয়, কিন্তু তা দিয়ে চলচ্চিত্র শিল্প টেকে না। ইন্ডাস্ট্রিকে টিকিয়ে রাখতে বাণিজ্যিক সিনেমাই দরকার।

আর আর্ট ফিল্ম বিষয়ে...

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : আমাদের এখানে বাণিজ্যিক ছবির যখন রমরমা অবস্থা। তখন আলমগীর কবিরসহ কিছু মানুষ একটু ব্যতিক্রমভাবে গল্প বলার চেষ্টা করেছেন। যেটাকে আমরা মননশীল চলচ্চিত্র বলি। তারা ভাবলেন, ঢিসুম ঢিসুম মারামারি, নাচ-গান, প্রেম.. এর বাইরেও জীবনের যে একটা অংশ আছে সে কথা বলবার জন্য সিনেমা গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। সেটা তারা শর্টফিল্ম ফোরাম আন্দোলনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করলেন। তারেক মাসুদ, আলমগীর কবিরসহ আরো যারা ছিলেন তারা একটি বার্তা দিলেন যে, চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়। এটা মানুষের রুচি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, আরো ভালো জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। এই ধারণাটা নিয়ে এসে আর্ট ফিল্মের চর্চাটা শুরু হলো।

জীবন নিয়ে কী ভাবেন?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : জীবন নিয়ে আর কী ভাবব? জীবন অনেক ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপার। সভ্যতা টিকে আছে আসা-যাওয়ার মধ্য দিয়ে। তবে এর ভেতরেও একটি কমিটমেন্ট থাকতে হয়। আমি আমার সমাজ ও দেশের ভালোর জন্য কিছু করব। সেটা যেকোনো মাধ্যমেই হতে পারে। আমার ছবিতে জাতির চিত্র বেরিয়ে আসবে। আমি ব্যক্তিগত জীবনে জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র নির্মাতা হতে চাই। সিনেমা দিয়ে বেশি কিছু করে ফেলতে পারব না। কিন্তু রুচির পরিবর্তন ও কল্যাণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারব। এটাই আসলে আমার জীবনের উদ্দেশ্য।

আপনি বেশ পড়তে ভালোবাসেন। কাদের বই বেশি পড়েন।

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : পড়ার ক্ষেত্রে আমাদের মাস্টার রাইটার মানে বাংলা সাহিত্যের মাস্টার রাইটারদের বই পড়ি। এছাড়া রাশিয়ান, ইংরেজিসহ দেশি-বিদেশি বই পড়া হয়।

মাস্টার রাইটার বলতে কাদের বোঝাচ্ছেন?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : বাংলাদেশে প্রায় একশ’ মাস্টার রাইটার আছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, হুমায়ূন আহমেদ। এমন যখন যা পাই পড়তে থাকি।

সর্বশেষ কোন সিনেমাটি দেখেছেন?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : সর্বশেষ সিনেমা দেখলাম এইচবিওতে। রকি টু। বিশেষ কোনো কারণে নয়, সামনে পড়েছে তাই দেখা।

একটি সফল চলচ্চিত্র বলতে কী বোঝায়?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সফল চলচ্চিত্র বলতে বাংলাদেশের মানুষ দলে দলে সিনেমা হলে যাচ্ছে। সব সিট বুকড হচ্ছে। এটাই চলচ্চিত্রের সফলতা। দর্শক সিনেমার টানে দলে দলে হলে যাচ্ছে এবং বেরিয়ে এসে বন্ধুদের বলছে, এই সিনেমাটা দেখতে যাও। এটা ভালো সিনেমা। এমন ঘটনা যে সিনেমার ক্ষেত্রে ঘটবে সেটাকেই আমি সফল সিনেমা বলব।

ব্যবসায়িক চিন্তা চলচ্চিত্রের বা নির্মাতার জন্য ক্ষতিকর মনে করেন কি?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : ব্যবসা ভাবনা তো ক্ষতির কিছু হতে পারে না। ব্যবসা তো জনসেবাও? সুস্থ ব্যবসায়িক চিন্তা হলে তাতে দোষের কিছু দেখি না। কিন্তু আমি যদি সানি লিওনের শরীরে মিলির মুখ লাগিয়ে পোস্টার ছাপাই, সেটা তো প্রতারণা হবে। ব্যবসা হবে না। সৎপথে ব্যবসায় খারাপ কিছু নেই। ক্ষতিরও কিছু নেই।

জীবনের দীর্ঘসময় কেটেছে মঞ্চে, এখন আছেন চলচ্চিত্রে

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : এখন তো আর মঞ্চ বা থিয়েটারে নেই। থিয়েটারই করতে চেয়েছি। এখন সিনেমার বাইরে আর কিছু ভাবছি না। যাপিত জীবনে সিনেমাই আসলে আমাকে অধিকার দিয়েছে। এখন যা যা করি, যা যা ভাবি সবকিছুর সঙ্গে সিনেমাই চলে আসে।

একসময় অনেকেই মনে করছিল বাংলা সিনেমা শিল্প ধ্বংস হয়ে গেল। যাকে বাংলা সিনেমার অন্ধকার যুগ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটটি কেমন ছিল?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : নব্বইয়ের দশকে সিনেমার ধ্বংস শুরু হয়। এর মূল কারণ হলো দালালি পুঁজি। এই দালালি পুঁজি হলো, যারা ঠিকাদারি বা অন্যান্য ব্যবসা করত। এরশাদের সময় এদের হাতে অনেক টাকা চলে আসে। হঠাৎ করে কিছু বড়লোক জন্ম নিল। হঠাৎ করে অনেক টাকার মালিক হলে তাদের মধ্যে নতুন নতুন স্বপ্নও দেখা দেয়। তাদের স্বপ্ন হলো নায়িকাদের পাশে বসে ভাত খাওয়া। কীভাবে সে ভাত খাবে? এর জন্য সে প্রযোজক হয়ে গেল। গল্প নিল বউয়ের থেকে। অভিনয় করবে পরিবারের লোক। ছেলেমেয়ের নামে প্রযোজনা সংস্থা। পুরো ফ্যামিলিটাই রক্ষা হলো এক সিনেমার নামে। তখনকার ইন্ডাস্ট্রির যে প্রকৃত পরিচালক, তারা তো এমন ছবি বানাবে না। ধরা হলো তার প্রধান সহকারীকে। এরপর দ্বিতীয় সহকারী, তৃতীয় সহকারী.. আমি টাকা দেব তুমি সিনেমা বানাবে। এভাবে দেখা গেল, সেই সিনেমা বানানো শুরু হয়েছে। এ ধরনের সিনেমা দেখবে কে? দর্শক টানার জন্য জুড়ে দেওয়া হলো অশ্লীল দৃশ্য।

এতে ক্ষতি হলো কার?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : এতে ক্ষতি হলো দেশের, চলচ্চিত্র শিল্পের। দর্শক আশঙ্কাজনক হারে চলচ্চিত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল। কারণ আমাদের দেশে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নারী দর্শক। একজন নারী দর্শক গেলে তার সঙ্গে চার-পাঁচজন দর্শক যায়। তার সঙ্গে বন্ধুরা যায়, প্রেমিক যায়, কাজিনরা যায়, জামাই যায়, দেবর যায়। অশ্লীল ছবি দেখতে তো মেয়েরা হলে যাবে না। দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিল। ফলে এখনো দর্শক টানতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এখন হল খালি।

শুটিংয়ের দিনের প্রস্তুতি কেমন থাকে?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : যেদিন শুটিং থাকে সেদিন তো দৌড়ের ওপর থাকি। কলটাইম থাকে ৭টায়। ভোরে ঘুম থেকে উঠে গোসল, খাওয়া সেরে চলে যাই। আর দূরে শুটিং হলে তো সেখানেই থাকি।

এখন ব্যস্ততা কী নিয়ে?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : 'স্বপ্নজাল' নামে একটি সিনেমা বানাচ্ছি। সত্তরভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি দেব আশা করি।

স্বপ্নজালের গল্পটি কেমন?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : এটি আমাদের দেশেরই গল্প। কয়েক বছর আগে যখন মোবাইল এত আসেনি। তখন চিঠিপত্রের চল ছিল। তখনকার গল্প। চাঁদপুর শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রেমের গল্প। কিন্তু প্রেম তো আর সমাজের বাইরের নয়। তাই সমাজের কথাও আছে।

পরীমণিকে নিয়ে মূল্যায়ন কী?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : পরীমণি খুবই ডেডিগেটেড আর্টিস্ট। শুভ্রা চরিত্রটা যখন ওকে দেওয়া হলো। এর জন্য যা যা করা দরকার সব সে করেছে।

সেটি কী রকম?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : যেমন গ্রুমিং করেছে সময়মতো। তখন সে পাঁচ-ছয়টি ছবিতে একসঙ্গে কাজ করত। তার মাঝেও শিডিউল মেইনটেন করেছে। কত্থক নাচের কাজ ছিল। নাচের তালগুলো শিখেছে। সময়মতো সেটে গিয়েছে। যখন কাজে থাকার থেকেছে।

শিল্পী নির্বাচনের সময় কোন দিকটা খেয়াল রাখেন?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : আমি স্বাভাবিক অভিনেতাদের নেওয়ার চেষ্টা করি। যে চরিত্র যাকে দেওয়া হলে সে তা করতে পারবে, তাকেই নেওয়ার চেষ্টা করি। কাজ বের করে আনার জন্য ইনস্পায়ার করি। যাকে নেওয়া হয় তাকে বলি, এই রোলে তোমার চেয়ে ভালো আর কেউ পারবে না বলেই তোমাকে নিয়েছি। এতে সে সবটুকু দিয়ে কাজ করে। কোনো চাপ থাকে না।

চলচ্চিত্র নিয়ে আপনার কোনো দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা আছে?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : ওই যে, আমার প্রতিটি সিনেমা দেখতে লোকেরা দলে দলে হলে যাবে। মজা করে দেখবে। ফিরে এসে বন্ধুদের বলবে। বন্ধু তার দলবল নিয়ে হলে যাবে।

কোন সিনেমাগুলো দেখে উৎসাহিত হয়েছেন? মুগ্ধ হয়েছেন?

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : সূর্যদীঘল বাড়ি, জীবন থেকে নেওয়া এরকম সিনেমা দেখে অনেক উৎসাহিত হয়েছি।

আপনার সময়কার সিনেমাগুলো...

গিয়াস উদ্দিন সেলিম : মেঘমল্লার, আন্ডার কনস্ট্রাকশন সিনেমা দুটি বেশ ভালো করেছে। অনিল বাগচির একদিনও ভালো লেগেছে।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩