সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

Kanaighat News on Thursday, June 3, 2010 | 11:08 AM

ছবি: মাহবুবুর রশিদ


কানাইঘাট উপজেলার গোসাইনপুর গ্রামের সবজি চাষীরা সবজি চাশে ব্যাস্ত

সিলেটে এক যুগ আগেও রবি মৌসুমে শাকসবজি উত্পাদন হিসাবের মধ্যে ছিল না। কিন্তু আশার কথা, জেলার বেশ কয়েকটি উপজেলায় সম্প্রতি শীতকালীন শাকসবজির উত্পাদন বেশ বেড়েছে। নিজেদের অভিজ্ঞতায় প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন সিলেটের কৃষকরা। কর্মসংস্থান
ও বেঁচে থাকার তাগিদে এবং বাজারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিকূল অবস্থায়ও শাকসবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। সিলেট সদর, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট, গোলাপগঞ্জ ও জকিগঞ্জ উপজেলায় বেশ কিছু কৃষক এখন নিয়মিত সবজি চাষ করছেন।স্থানীয় চাহিদা শেষে এসব স্থান থেকে শাকসবজি পাশের উপজেলা বা সিলেট শহর পর্যন্ত বিক্রির জন্য পাঠানো হচ্ছে। সিলেটের বাইরেও শাকসবজি রফতানি হচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ক্রেতাদের মধ্যেও স্থানীয়ভাবে উত্পাদিত টাটকা সবজির চাহিদা বাড়ছে। এসব স্থানে সংরক্ষণাগার না থাকায় ভরা মৌসুমে অতিরিক্ত সবজি নষ্ট হচ্ছে। আবার এক সময় দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে গেলে কৃষকদের আহাজারি করা ছাড়া আর কিছু থাকে না। মাঝখানে শহরের মধ্যস্বত্বভোগী সবজি বিক্রেতারা বেশি লাভবান হচ্ছে।সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহের বিষয় সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কৃষক কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে সদর উপজেলার টুকেরবাজার ইউনিয়নের কুমারগাঁও মাঠ পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আবদুল আউয়াল। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেটের ডিজিএম গোলাম হায়দার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুহম্মদ মামুনুর রশিদ সরকার, আতাউর রহমান, আনা মিয়াসহ অর্ধশতাধিক কৃষক।কৃষকরা জানান, কুমারগাঁও এলাকায় কৃষকরা নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সবজি চাষ করে আসছেন। একমাত্র সেচ সুবিধা না থাকায় তারা ফসল আশানুরূপভাবে আবাদ করতে পারেন না। একটি গর্ত থেকে শুকনো মৌসুমে কিছুদিন পানি মাঠে দিতে পারলেও পরে তা শুকিয়ে গেলে পানির অভাবে মাঠের অনেক ফসল বিনষ্ট হয়ে যায়। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি একটি গভীর নলকূপ স্থাপনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বারির কর্মকর্তা জানান, এ এলাকায় শ্যালো টিউবওয়েল দিয়ে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, এলাকায় মুগডাল চাষের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। স্থানীয় কৃষকরা জানান, ভেজাল সার ও বীজের কারণে তাদের পরিশ্রম অনেক সময় বিফল হয়। বর্তমানে এ এলাকায় কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার প্রয়োগ করে ভালো ফসল কীভাবে ফলানো যায়, সে সম্পর্কিত একটি উদ্যোগ কৃষককল্যাণ সংস্থা নিচ্ছে বলে সংস্থার আহ্বায়ক জানান।উল্লেখ্য, গত কয়েক যুগে সিলেটের নদীগুলোর নাব্য যেমন হ্রাস পেয়েছে, তেমনি খাল ও হাওর ভরাট হয়েছে। আবাসনের জন্য কৃষি জমি কমছে, আবার নিম্নাঞ্চলের হাওরগুলোতে ভরাট হওয়া জমি বোরো চাষের আওতায় এসেছে। খাল-নালা সংস্কারের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন, সেচব্যবস্থা সম্প্রসারিত হলে মত্স্য চাষও বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে সিলেটে গবাদি পশুর সঙ্কট বেশি। ঘাস ও তথা গো-খাদ্যের অভাবে গবাদি পশু পালন কম। কৃষিব্যবস্থার পরিবর্তন হলে গবাদি পশু পালন বৃদ্ধি পাবে। গবাদি পশু বৃদ্ধি পেলে হালের গরুর সঙ্কট কমবে। দুগ্ধ উত্পাদনও বেড়ে যাবে। প্রাকৃতিক সার উত্পাদনের উত্স সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দেবে।কৃষিবিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণসহ কৃষি উপকরণ সহজলভ্য, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং একই সঙ্গে পণ্য পরিবহন, বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট দিলে সিলেটের কৃষি ক্ষেত্রে উজ্জ্বল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।-আমারদেশ -৯মার্চ ২০১০

সুরমা এখন মৃতপ্রায় নদী চর জেগে হারিয়েছে নাব্য

এটিএমহায়দার,সিলেট

নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষাকাল ছাড়া সুরমা নদীতে পানি তেমন থাকে না। শুষ্ক মৌসুমে স্থানে স্থানে জেগে ওঠে চর । তখন চরে সবজি চাষ, হাঁস পালন, খেলার মাঠসহ নানা অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে ওঠে। গত এক দশক থেকে সুরমা নদী খননের দাবি জানানো হলেও আপাতত তার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ‘সুরমা বাঁচাও’ পরিবেশবাদীদের এই স্লোগান এখন তেমন সোচ্চার নয়। প্রাচীন জনপদ সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সুরমা প্রবাহিত এলাকায় অবস্থিত। সিলেট নগরী ছাড়াও কানাইঘাট উপজেলা সদর, গোলাপগঞ্জ, ছাতক, দোয়ারাবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা সদর সুরমার তীরে অবস্থিত। ফলে সুরমার অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্তমানেও কোনো অংশে কমে যায়নি।সিলেট নগরী ও আশপাশের পানি সুরমা দিয়ে নিষ্কাশিত হয়ে থাকে। নগরীতে এখন বর্ষায় হরহামেশা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এর অনেক কারণের মধ্যে সুরমা ভরাট হয়ে যাওয়া একটি কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। এখন উজানে সামান্য বৃষ্টি হলেই সুরমা পানিতে ভরে যায়। পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এ সময় নদীভাঙন তীব্র হয়। দেখা দেয় বন্যা। নালা-নর্দমা উপচে পানি ওঠে নগরীর নিম্নাঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। অতীতে পাহাড়ি ছড়াগুলো থেকে পানি দ্রুত নদীতে নেমে পড়ত। এখন নদী স্রোতহারা হওয়ায় পানি নামে ধীরে ধীরে। ভারতের মণিপুর থেকে বয়ে আসা বরাক নদী বদরপুরের ভাঙার এবং জকিগঞ্জের আমলশীদে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা এই দুই নাম ধারণ করেছে। এক ভাগ কুশিয়ারা করিমগঞ্জ-জকিগঞ্জ সীমান্ত বরাবর এসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ ছুঁয়ে মার্কুলী হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করে বয়ে চলেছে। অপর শাখা সুরমা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে কানাইঘাট-গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ, সিলেট সদর-ছাতক-দোয়ারাবাজার-সুনামগঞ্জ হয়ে মেঘনা জলধারায় গিয়ে পড়েছে। শুরুতে সুরমা কানাইঘাটের কাছে পাহাড়ি নদী লোভা ছড়ার পানি ধারণ করে ভাটিতে বয়ে নিয়ে আসে। এরপর ছাতকের কাছে জৈন্তা পাহাড়ের পানিবাহিত চেঙ্গের খালের পানি ধারণ করে। তারপর একে একে সুনামগঞ্জের ভাটি পর্যন্ত একাধিক পাহাড়ি নদীর পানি এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ফলে সিলেট সদর পর্যন্ত সুরমায় বেশি মাত্রায় পানি শূন্যতা বিরাজ করলেও ভাটিতে যাওয়ার পথে কিছু পাহাড়ি নদীর পানির ছোঁয়ায় সুরমা প্রাণ নিয়ে টিকে আছে। কিন্তু জকিগঞ্জ থেকে ছাতকের আগ পর্যন্ত সুরমার পানি প্রবাহ কমে যাওয়ার একাধিক কারণের মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে আমলশীদে এর উত্সমুখ ভরাট ও আকৃতি পরিবর্তন। বাস্তবে দেখা গেছে গত তিন দশক আমলশীদে বাংলাদেশ প্রান্তে ব্যাপক নদীভাঙনের বিপরীতে ভারত প্রান্তে চর জেগে ওঠে। এখানে বরাক ইংরেজি উল্টা ওয়াই আকৃতি থেকে সুরমা ও কুশিয়ারার সমান্তরাল আকৃতি ধারণ করার কথা, কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় সুরমা কিছুটা ইংরেজি ইউ আকৃতি এবং কুশিয়ারা আই আকৃতি ধারণ করেছে। ভারত প্রান্তে উত্সমুখে চর সৃষ্টির কারণে বরাকের পানি সুরমায় আসার পরিমাণ গত দুই দশকে কমতে থাকে। ভরা বর্ষায় সুরমায় পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেলেও হেমন্তে সুরমা শুকিয়ে যেতে থাকে। বরাকের পানি সুরমার দ্বিগুণেরও বেশি কুশিয়ারা ধারণ করে থাকে। সুরমার উত্সমুখে যে বিরাট চর পড়েছে তার জন্য গত এক-দেড় যুগ থেকে স্থায়ীভাবে হারাতে থাকে নাব্য। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের প্রথম দিকে এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আলোচনা, আমলশীদ এলাকা পরিদর্শন ও তথ্য বিনিময় করা হলেও পরবর্তীকালে এসব বিষয় টেবিল বা বাস্তবে আর এগিয়ে যায়নি। সুরমা নদীর সঙ্গে সিলেটবাসীর অস্তিত্ব জড়িত। তাই সুরমা খনন হোক—এটা সবাই চায়।

বিরল প্রজাতির সেই ‘কালো বাঘ’ মারা গেছে



নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
ছবি:মাহবুবুর রশিদ


বিপন্নপ্রায় ‘ব্লাক প্যান্থার’ প্রজাতির সেই ‘কালো বাঘ’টিকে বাঁচিয়ে রাখা গেল না। উন্নত চিকিত্সার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়ার পথে গত মঙ্গলবার রাতে বাঘটি মারা যায়। কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুর রউফ জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বাঘটি কাহিল হয়ে পড়লে উপস্থিত বন বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষক দলের সদস্যরা চট্টগ্রামের সাফারি পার্কে কর্তব্যরত পশু চিকিত্সকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উন্নত চিকিত্সার জন্য চিকিত্সকেরা বাঘটি দ্রুত চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বাঘটি বহনকারী গাড়ি কুমিল্লা পৌঁছালে রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাঘটি মারা যায়।বন বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিরল প্রজাতির হওয়ায় বাঘটিকে বাঁচিয়ে রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু শারীরিক জখম বেশি হওয়ায় বাঘটি মারা গেছে বলে চিকিত্সকেরা আমাদের নিশ্চিত করেন।’ গত সোমবার ভোরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষ্মীপ্রসাদ (পশ্চিম) ইউনিয়নের নুনাছড়া চা-বাগান এলাকায় গ্রামের বাঘ কেওর কমিটির উদ্যোগে শতাধিক লোক জালের ফাঁদ পেতে বাঘটি আটক করে। পরদিন বন বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষক দলের উপস্থিতিতে বাঘটি উপজেলা প্রশাসনের জিম্মায় দেওয়া হয়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষকেরা এটিকে ব্ল্যাক প্যান্থার প্রজাতির বলে শনাক্ত করেন। (প্রথম আলো) ০১-১০-২০০৯

সুরমার চরে সবজির মেলা



প্রতিবেদন:সাত্তার আজাদ
ছবি:মাহবুবুর রশিদ





সিলেটসিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় সুরমা নদীর চরে প্রতি শীতে বসে সবজির হাট। অবশ্য হাট না বলে একে মেলা বলাই ভালো। কেননা, প্রতি পৌষে শুরু হয়ে পুরো চার মাস বিকিকিনি চলে হাটে। চরে উৎপাদিত শত শত টন সবজি প্রতিদিন ট্রাকে করে চলে যায় দেশের বিভিন্ন জেলায়। এখানকার তরকারি বিদেশেও রপ্তানি হয়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকার সবজি বিক্রি হয় এ বাজার থেকে। স্থানীয় আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা জানান, কানাইঘাট পৌরসভাসংলগ্ন সুরমা তীরবর্তী প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় ফলানো সবজি এই হাটে ওঠে। লক্ষ্মীপ্রসাদ, বাইমপুর, পাত্রমাটি, নিয়ালপুর, দক্ষিণ প্রসাদ, ডালাইচর প্রভৃতি গ্রামের কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত কাঁচা তরকারি নিয়ে আসেন এ হাটে। হাতবদলের পর সে সবজি প্রতিদিন সকালে ২০ থেকে ২৫টি ট্রাকে করে চলে যায় সিলেটনগরী, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। বাজার ঘুরে দেখা গেল, প্রতি কেজি টমেটো আট টাকা, ফুলকপি ছয় টাকা, বাঁধাকপি তিন টাকা, শালগম তিন টাকা, আলু ৯ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশের ভোক্তার হাতে পেঁৗছাতে পেঁৗছাতে এসব পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যাচ্ছে। কৃষক সবজি ফলিয়ে খুব একটা লাভ না পেলেও সে সবজি বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা কামিয়ে নিচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। নৌকায় করে টুকরি ভর্তি টমেটো নিয়ে বাজারে এসেছিলেন পাত্রমাটির নয়ন মিয়া। তিনি বলেন, 'ই-ফিরা সার লওয়া অইছে বেশি দাম দিয়া। ওষুধও ছিটানি লাগছে। ই বছর ক্ষেতো পোকর যন্ত্রণা অন্য বছরর থাকি বেশি। এর লাগি ইবার সবজি খরিয়া চাইর থাকি পাঁচ হাজার টেকা ক্ষতি অইব।' এবার আধা বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করেছেন বলে জানালেন নয়ন। লক্ষ্মীপ্রসাদের মনোহর আলী বাজারে এসেছিলেন ফুলকপি নিয়ে। তিনি বলেন, 'বাড়িত নিজে নিজে জৈব সার বানাই। ই-সার দিয়া মাঠো ফসল ফলাইছি। এর লাগি কয়টা টেকা লাভোর মুখ দেখমু।' তাঁর মতো নিজেই জৈব সার তৈরি করে চাষে নামার পরামর্শ দেন মনোহর আলী। নিয়ালপুর গ্রামের ছাইদুল ইসলাম জানান, গত বছর সার দিয়ে লাল শাক লাগানোর পর ব্যাপক পোকার আক্রমণ দেখা দেয়। কীটনাশক ছিটিয়েও উপকার পাননি তিনি। এবার তাই জৈব সার ব্যবহার করেছেন।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩