বিধি ভেঙেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: স্পিকার

Kanaighat News on Monday, February 29, 2016 | 8:15 PM


ঢাকা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি ভেঙেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সব মন্ত্রণালয়কে এমপিদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার ক্ষেত্রে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার। আজ সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পিকার এই রুলিং দেন। সরকারি দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদের এ সম্পর্কিত একটি পয়েন্ট অব অর্ডারের জবাবে স্পিকার এ নির্দেশ দেন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তার এক প্রশ্নের উত্তর না পাওয়ার বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করে এ বিষয়ে স্পিকারের রুলিং দাবি করেন। স্পিকার জানান, সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য প্রথমে ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়, এরপর ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারির জন্য নির্ধারণ করা হয়, ওই দিন আবার ১৬ ফেব্রুয়ারিতে স্থানান্তরিত হয়। কিন্তু ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রশ্ন তালিকায় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের প্রশ্নটি স্থান পায়নি। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সংসদ কার্য প্রণালী বিধি অনুযায়ী কোনো ধরনের বক্তব্য বা পুনরায় স্থানান্তর সম্পর্কে কোনো বক্তব্য দেয়া হয়নি। এটি কার্যপ্রণালী বিধির ব্যত্যয় উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, ‘সংসদে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর যথাযথভাবে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয়া হলো।’

মধুশহীদে ডাকাতের গুদামে পুলিশের হানা!


সিলেট, সোমবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ :: সিলেটের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করে স্বর্ণালঙ্কার, মূল্যবান জিনিসপত্র ও টাকা পয়সা লুটে এনে এক জায়গায় জমিয়ে রাখতো তারা। একটি নির্দিষ্ট সময় শেষে তা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করা হতো। কিন্তু এবার সেই ভাগাভাগিতে বাগড়া দিয়েছে পুলিশ। ডাকাতদের লুন্ঠিত মালামালের গুদামে হানা দিয়ে পুলিশ বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করেছে। গত রবিবার রাতে নগরীর মধুশহীদ ভাতালিয়া ১৫/বি নম্বর বাসায় অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়। ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ এক নারীসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- নগরীর ৮১/৩ কাজলশাহ’র নূর উদ্দিন (২১), মেজরটিলার কৃষ্ণ দেবনাথ (২৮), বাগবাড়ির লিয়াত আলীর কলোনির সোহেল আহমদ (২১), সাহেবের বাজার পাঠানগাঁও’র সেবুল খাঁ (২২) ও ভাতালিয়া মধুশহীদ ১৫/বি এর রেখা বেগম (৪০)। তাদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে- ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ৫ লাখ টাকা মূল্যমানের দেশি-বিদেশী মূদ্রা, ৫ লাখ টাকা মূল্যের ৩৫টি মোবাইল ফোন সেট, ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৪টি ল্যাপটপ, ৮০ হাজার টাকার ২টি এলসিডি টিভি, একটি ডিভিডি, ৬টি ক্যামেরা ও ২ কেজি ওজনের ইমিটেশনের অলংকার। সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজ্ঞান চাকমা জানান- গত ২৭ ফেব্র“য়ারি জেলার বিশ্বনাথ থানার পীরেরগাঁওয়ে রিদওয়ান আলীর বাড়িতে ডাকাতিকালে নূর উদ্দিন ও কৃষ্ণ দেবনাথ নামের দুই ডাকাতকে আটক করা হয়। তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গত রবিবার রাতে রেখা বেগমের ভাতালিয়া মধুশহীদের বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।

সন্ধান পাওয়া আবু বকরকে কেউ চেনেন?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীতে একটি মাদরাসাছাত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। আবু বকর নামের ওই ছাত্রকে রোববার রাত ১০টার দিকে জেলা ক্রীড়া ভবন চত্বরে পাওয়া গিয়েছে। সে তার বাড়ির ঠিকানা বলতে পারছে না। একারণে তাকে বাড়ি পৌঁছানো যাচ্ছে না। সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালি থানা পুলিশের হেফাজতে তাকে রাখা হয়েছে। ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম জানান, আবু বকর জানিয়েছে সিলেট নগরীর কদমতলী থেকে দশ মিনিটের দূরত্বে তার বাড়ি। তাঁর পিতার নাম খলিলুর রহমান ও মাতার নাম আলেয়া বেগম বলে জানিয়ে সে বলেছে, কুমিল্লার দাউদকান্দি জামিয়া ইসলামিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র সে। কুমিল্লা থেকেই সে সিলেট এসেছে বলে জানিয়েছে। তার ঠিকানা না পাওয়ায় কোতোয়ালি থানা পুলিশের হেফাজতে তাকে রাখা হয়েছে।

জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম দারুল হাদীস কানাইঘাট

Kanaighat News on Sunday, February 28, 2016 | 9:18 PM

নাম : জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম দারুল হাদীস কানাইঘাট
অবস্থান : বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার  অন্তর্গত সুরমা নদীর পশ্চিম পার্শ্বে এক মনোরম পরিবেশে ঐতিহ্যের মূর্তপ্রতীক জামেয়া অবস্থিত।
মাসলাক : আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও সালাফে সালিহীনদের অনুসারী।
প্রতিষ্ঠাকাল : ১৮৯৩ ঈসায়ি।
প্রতিষ্ঠাতা : শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহ.।
মুহতামিম : আল্লামা মোহাম্মদ বিন ইদ্রীস সাহেব শায়খে লক্ষীপুরী দা.বা.।
শায়খুল হাদিস ও শিক্ষাসচিব : আল্লামা আলিমুদ্দীন সাহেব শায়খে দুর্লভপুরী দা.বা.।
ছাত্র সংসদ সভাপতি : আল্লামা শামসুদ্দীন দুর্লভপুরী দা.বা.।
মুহতামিমের দফতর : ১টি।
শিক্ষাসচিবের কার্যালয় : ১টি।
কুতুবখানা : ২টি।
শিক্ষকমণ্ডলী : ৩০ জন।
ছাত্রসংখ্যা : প্রায় ১২০০ জন।
ছাত্রাবাস : ১টি।
জামে মসজিদ : ১টি।
শিক্ষক মিলনায়তন : ১টি।
ছাত্র সংসদ কার্যালয় : ১টি।
পূর্ব সিলেট বেসরকারী বোর্ডের প্রধান দফতর : ১টি
ক্বিরাআত প্রশিক্ষণ কার্যালয়: ১টি।
দ্বিতল বিশিষ্ট পুরাতন ভবন : ১টি।
নির্মাণাধীন ও পরিকল্পনাধীন ত্রিতল বিশিষ্ট ভবন : ১টি
প্রবেশ গেইট : ২টি।
কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্র : ১টি।
ফান্ড : ৪টি (জেনারেল ফান্ড, মসজিদ ফান্ড, বিল্ডিং ফান্ড, গরিব ফান্ড)।
বার্ষিক ব্যয় : প্রায় ২৭ লক্ষ (নির্মাণ কাজ ছাড়া)
সার্বিক যোগাযোগ : ০১৭১৫ ৩৮৯২৩০,  ০১৭৪০ ৯০১০২১,  ০১৭১৫ ০২০৬৯৮।
Mad_1 
জামেয়া
দারুল উলূম দেওবন্দের সূর্য সন্তান, বাংলাদেশের গর্ব আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহ.-এর পূণ্য স্মৃতিবিজড়িত আসলাফ ও আকাবির তথা উলামায়ে দেওবন্দের চিন্তাধারা ও নযরিয়ার প্রকৃত বাস্তবায়নকে উদ্দেশ্য বানিয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের চিরশত্রু ইয়াহুদ ও খৃষ্টানদের লালিত মদদপুষ্ট এনজিও শয়তানদের ইসলাম বিরোধী অপতৎপরতার সঠিক মোকাবেলার লক্ষ্যে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের সিপাহসালার বিশ্ববিখ্যাত ইসলামি বিদ্যাপীঠ দারুল উলূম দেওবন্দের কৃতিপুরুষ শায়খুল হিন্দ আল্লামা মাহমুদ হাসান দেওবন্দী রাহ. এবং শায়খুল ইসলাম হুসাইন আহমদ মাদানী রাহ. বুযুর্গদ্বয়ের কর্মময় জীবনের অনুকরণে দারুল উলূম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার পর ১৮৯৩ সনে প্রতিষ্ঠিত হয় কানাইঘাট ইসলামিয়া মাদরাসা। যা পরবর্তীতে দারুল উলূম নামে অভিহিত হয়। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত জামাতে শরহে জামী পর্যন্ত শিক্ষা-দীক্ষা চলতে থাকে। ১৯৫৪ সনে আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহ.-এর প্রচেষ্টায় দাওরায়ে হাদিস এর সূচনা হয়। বৃটিশ আমলে নাম ছিল কানাইঘাট ইসলামিয়া মাদরাসা অতঃপর কানাইঘাট মনছুরিয়া এবং অবশেষে দারুল উলূম কানাইঘাট।
kotobkana 
লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
১) আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন এবং সুন্নাতে নববীর পদাঙ্ক অনুসরণ।
২) সাহাবায়ে কিরাম ও আইম্মায়ে দ্বীনের গবেষণা প্রসূত জ্ঞানের আলোকে কুরআন-সুন্নাহর পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান।
৩) ফরযন্দানে ইসলামকে জীবনের সূচনালগ্নেই ইসলামি শিক্ষার ধাঁচে গড়ে তোলা।
৪) ইলমে দ্বীন হাসিলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জীবনে নেক আমল ও সুন্দর আখলাক ফুটিয়ে তোলা।
৫) যুগ জিজ্ঞাসার আলোকে ইসলামের আদর্শ ও শিক্ষা-ব্যবস্থার প্রশিক্ষণ দান।
৬) শিক্ষার্থীদেরকে দেশ, জাতি ও ধর্মের জন্য আত্মনিবেদিতপ্রাণ সুযোগ্য আলেম, বিজ্ঞ মুহাদ্দিস, প্রাজ্ঞ মুফাসসির, যোগ্য মুফতি, হাফিয, বক্তা, বিদগ্ধ কলমসৈনিক, মুবাল্লিগ ও বীর মুজাহিদ রূপে গড়ে তোলা।
৭) আল্লাহ ভুলা জনতাকে আল্লাহর সঙ্গে সুসম্পর্ক কায়েমে মেহনত অব্যাহত রাখা।
জামেয়ার অবস্থান
বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার অন্তর্গত সুরমা নদীর পশ্চিম পার্শ্বে এক মনোরম পরিবেশে ঐতিহ্যের মূর্তপ্রতীক জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম দারুল হাদীস কানাইঘাট অবস্থিত। জামেয়ার আঙিনায় রয়েছে বিশ্ববরেণ্য শায়খুল হাদিস, জামেয়ার প্রথম মুহতামিম শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহ.-এর সমাধি। যার কারণে মাদরাসার অবস্থানকে করেছে আরও দৃষ্টিনন্দন।
IMG-20150817-WA0002 
শিক্ষা প্রকল্প
জামেয়ার শিক্ষা প্রকল্প মোট ৬টি বিভাগে বিভক্ত :
(২) হাদিস বিভাগ (২) আলিয়া বিভাগ (৩) সাফেলা বিভাগ (৪) ইবতেদাইয়া বিভাগ (৫) তাহফীযুল কুরআন বিভাগ (৬) তাখাসসুস ফী উলুমিল হাদিস বিভাগ।
বর্তমান মুহতামিম
বর্তমানে জামেয়া দারুল উলূমের মুহতামিম, উন্নয়ন, আর প্রগতির স্থপতি, যার পরশে বেগবান হয়েছে জামেয়ার অগ্রগতি, তিনি হচ্ছেন আল্লামা লক্ষীপুরী দা.বা.। আল্লামা ফয়যুল বারী মহেশপুরী রাহ. এহতেমামের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেয়ার পর এহতেমামের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে আঞ্জাম দেয়ার জন্য দেশবাসী, মুরব্বিয়ানে কেরাম সর্বসম্মতিক্রমে আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহ.-এর অত্যন্ত আদরের জামাতা আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রীস লক্ষীপুরী দা.বা.কে ২০০৭ সালে জামেয়ার মুহতামিম হিসেবে নিযুক্ত করেন। তাঁর কাছে এ মহান দায়িত্ব চলে আসলেও হুজুর নিজেকে মুহতামিম হিসেবে পরিচয় না দিয়ে মাদরাসার খাদিম হিসেবে পরিচয় দেন। মাদরাসার গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজে কিংবা জরুরী বিষয়ের সম্মুখীন হলে তিনি মাদরাসার সকল আসাতিযায়ে কেরামের শরণাপন্ন হয়ে সবার মতামতের ভিত্তিতেই ফায়সালা করেন।
যাই হোক ২০০৭ ঈসায়িতে হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত এ গুরুদায়িত্ব তিনি যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছেন। তাঁকে সার্বিক কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন মাদরাসার শায়খুল হাদিস ও শিক্ষাসচিব আল্লামা আলিমুদ্দীন শায়খে দুর্লভপুরী দা.বা.। হযরতদ্বয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং দ্বীন-দরদী এলাকাবাসীর নিরলস সহযোগিতায় দারুল উলূম কানাইঘাট মাদরাসা আজ উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
আল্লাহ তাঁদের দীর্ঘায়ূ দান করুন। আমীন।
সংগ্রহে- ইলিয়াস মশহুদ

সৌদিতে ২০ দেশের সেনাবাহিনীর মহড়া

সৌদিতে ২০ দেশের সেনাবাহিনীর মহড়া
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ২০টি মুসলিম দেশের সেনবাহিনী সৌদি আরবের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মহড়া শুরু করেছে। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি একে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ সেনা অনুশীলন হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এসপিএর প্রতিবেদনে জানা যায়, এই ২০ দেশের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, মিশর, মরক্কো, জর্দান, সুদান প্রমুখ। ‘থান্ডার অব দ্য নর্থ’ নামে স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে এই মহড়া শুরু হয় গত শনিবার থেকে।

বার্তা সংস্থাটি আরো জানায়, উপসাগরীয় পাঁচটি দেশও এই মহড়ায় অংশ নিয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সেনা অনুশীলনে বিপুলসংখ্যক সেনা সদস্য রয়েছে। এই মহড়ার মূল লক্ষ্য উন্নততর সেনা প্রশিক্ষণ এবং সন্ত্রাসীদের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা প্রেরণ।

ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম শরিক সৌদি আরব। গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে ৩৫টি মুসলিম দেশ মিলে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সন্ত্রাসবিরোধী সামরিক জোট গঠন করা হয়। গত মার্চ মাস থেকে ইয়েমেনে ইরান মদদপুষ্ট শিয়া হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি আরব।

১২০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ, জবাব না দিলে ব্যবস্থা

১২০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ, জবাব না দিলে ব্যবস্থা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেওয়ার বিষয়ে কোনো জবাব না দেওয়ায় ১ হাজার ২০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

৩০ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে ওই সব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি বাতিল করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

আজ রোববার এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৩৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। গত ৩ ফেব্রুয়ারি সেসব প্রতিষ্ঠানকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সব বাড়তি টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, না হলে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৮৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দিয়েছে বলে জানিয়েছে। আর ৯৯৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত আদায় করেনি। এসব তথ্য এখন পরীক্ষা করা হচ্ছে।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে ফরম পূরণেরও তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এ বছরও কেউ ​বেশি নিয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন বেশি নেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিবেদন দিয়েছে। এ ছাড়া সরকারের আরেকটি মাধ্যমে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই সমান। যারাই আইন-কানুন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে মশামুক্ত থাকতে...


আন্তর্জাতিক ডেস্ক,কানাইঘাট নিউজ: সারা বিশে^ ছড়িয়ে পড়েছে মশাবাহিত জিকা ভাইরাস আতঙ্ক। সুদূর উত্তর আমেরিকার এই আতঙ্ক থেকে মুক্ত নয় আমাদের বাংলাদেশও। জিকা আতঙ্ক দূর করতে হলে সর্বপ্রথম ঘর-বাড়ি মশামুক্ত রাখতে হবে। বর্তমানে বাজারে অনেক ধরনের মশা নিরোধক ঔষধ পাওয়া যায়। এগুলো যে মশা নিধনে কার্যকর এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে মশা নিধনের পাশাপাশি ক্ষতিকর বিষাক্ত গ্যাসেরও উদ্রেক ঘটায় এসব বস্তু। অথচ আমাদের চারপাশে রয়েছে এমন কিছু উপাদান যার মাধ্যমে সহজেই মশা নিধন সম্ভব। এতে পরিবেশেও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বিন্দুমাত্র। ঘরোয়া পদ্ধতিতে মশা তাড়ানোর এমনই কিছু পদ্ধতি দেয়া হলো- ১. বেশ কিছুটা রসুন দিয়ে পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এবার একটি বোতলে ভরে সারা ঘরে স্প্রে করুন। যদিও এতে সারা ঘরে দুর্গন্ধ ছড়াবে। কিন্তু এই দুর্গন্ধ আসলে কার্যকরী। কারণ এই গন্ধে মশা ঘরে টিকতে পারে না। ২. মশা তাড়াতে দারুন কার্যকরী কর্পূর। ঘরের সব দরজা-জানালা বন্ধ করে কোনায় কোনায় কর্পূর ছিটিয়ে দিন। এভাবে ২০ মিনিটের জন্য আপনিও ঘরের বাইরে ঘিরে অপেক্ষা করুন। আপনি যখন ঘরে ফিরে আসবেন, আশা করা যায় মশা ততক্ষণে আপনার চৌহদ্দি ছেড়ে পালাবে। ৩. মোম বাতির মধ্যে সাইট্রোলিনা তেল মিশ্রিত করে এটিকে ঘরের কোণে জ¦ালিয়ে দিন। অথবা বাষ্পীকরণের মাধ্যমেও ঘরেও ছড়িয়ে দিতে পারেন সাইট্রোলিনা তেল। ৪. যদি আপনার বাগান করার শখ থাকে, তাহলে জানলার পাশে লাগিয়ে দিন ল্যাভেন্ডর, ক্যাটনিপ অথবা সাইট্রোলিনা গাছ। এগুলো মশা তাড়াতে বেশ সহায়ক। ৫. ঘরের কোথাও পানি জমতে দেবেন না। কারণ জমে থাকা এসব পানিই হচ্ছে মশার প্রজনন ক্ষেত্র। এরপরেও যদি ঘরের কোথাও পানি জমিয়ে রাখতেই হয়, তাহলে এটির পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করুন।

নামাজি ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাতায়াতের বিধান


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ নামাজ আদায়ের সময় সামনে দিয়ে কারও যাতায়াত করা নিষিদ্ধ। নামাজ পড়ার সময় সামনে দিয়ে কারও চলাচলের সম্ভাবনা থাকলে নামাজ শুরুর আগে সুতরা বা উঁচু কিছু সামনে রেখে নামাজে দাঁড়ানো সুন্নত। সুতরা বলে কোনো কিছুর আড়ালকে। কোনো বড় মসজিদে নামাজে দাঁড়ালে সামনে একটি বস্তু (দেয়াল, পিলার, লাঠি ইত্যাদি) রাখা জরুরি। যার ফলে নামাজ অবস্থায় সামনে দিয়ে লোকজন চলাফেরা করতে পারে। সুতরা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সুতরা ছাড়া নামাজ পড় না।’ আবু দাউদ এখন প্রশ্ন হলো নামাজী ব্যক্তি সুতরা কোথায় রাখবে এবং সুতরা কিসের হবে? এর উত্তরে আলেমরা বলেন, সুতরা হতে হবে মাটি থেকে অল্প উঁচু কোনো বস্তু এবং তা রাখতে হবে সিজদার জায়গার অল্প সামনে। রাসুল (সা.) থেকে অনেক ধরনের সুতরার কথা প্রমাণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদের খুঁটিকে, ফাঁকা ময়দানে বর্শা গেড়ে, নিজের সওয়ারি উটকে আড়াআড়িভাবে দাঁড় করিয়ে সুতরা বানাতেন। এছাড়াও রাসুল (সা.) বিভিন্ন সময় উটের পিঠে বসার জিনপোশ, গাছ ও শোয়ার খাটকে সামনে রেখেও নামাজ পড়েছেন। কেউ যদি নামাজির বরাবর সামনে থাকে, তাহলে সেখান থেকে চলে যাওয়ার সুযোগ আছে। এটা নামাজের সামনে দিয়ে অতিক্রম করার অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে বিনা প্রয়োজনে এমন করা ঠিক নয়। সুতরা বিষয়ে কয়েকটি মাসয়ালা হলো ১. ইমামের সামনে সুতরা থাকলে মুক্তাদিদের জন্য পৃথক সুতরার দরকার নেই। তবে কোনো ইমাম যদি সুতরা না দেন, তাহলে মুক্তাদির সুতরা দিতে হবে। ২. সুতরা মাটি থেকে অল্প উঁচুতে হতে হবে। কিছু না পেলে দাগ কেটে দেয়ার প্রচলন আছে, এটা ঠিক নয়। ৩. জায়নামাজের শেষ প্রান্তকে সুতরা বলে গণ্য করা যাবে না। ৪. সুতরার সোজাসুজি না দাঁড়িয়ে একটু ডানে-বামে দাঁড়ানোর কথা বলা হয় এটাও ঠিক নয়। ৫. বিনা সুতরায় নামাজ পড়লে কেউ সামনে দিয়ে গেলে নামাজ নষ্ট হয় না। কিন্তু নামাজের ক্ষতি হয়। মানুষ চলাফেরা করতে পারে, এমন স্থানে সুতরা না রেখে নামাজ পড়া গুনাহের কাজ। ৬. যে মসজিদের প্রশস্ততা ৪০ হাতের বেশি, এমন মসজিদে নামাজরত ব্যক্তির দুই কাতার সামনে দিয়ে অতিক্রম করা জায়েয। আর এর চেয়ে ছোট মসজিদে মুসল্লির সামনে দিয়ে সুতরা ছাড়া অতিক্রম করা যাবে না।

বিয়ের উপযুক্ত বয়স কত?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর বিয়ে করলে সে সম্পর্কে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিণতি ঘটে বিচ্ছেদে। সম্প্রতি ইউটা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের নিকোলাস উল্ফিঙ্গার জানান, বয়সের আগেও ঠিক নয়, পরেও নয়। সঠিক বয়সে বিয়ে করার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সুখী বিবাহিত জীবনের চাবিকাঠি। কেউ যদি ২০ বছর বয়সে বিয়ে করে তাঁর বিচ্ছেদের সম্ভাবনা একজন ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করা ব্যক্তির চেয়ে ৫০ গুণ বেড়ে যায়। বয়স ২৫ এর পর থেকে প্রতি বছর ১১ শতাংশ করে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা কমতে থাকে যতক্ষণ না আপনি ৩২ বছরে পৌঁছচ্ছেন। এটা বিয়ে করার জন্য শেষ আদর্শ সময় হিসাবে ধরা যেতে পারে। এর পর থেকেই শুরু হয় সমস্যা। এই বয়সের যত পরে বিয়ে করবেন বিচ্ছেদের সম্ভাবনাও তত তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকে। যদিও ব্যতিক্রম থাকাটা আশ্চর্য নয়। নিকোলাস আরও জানিয়েছেন, বেশি বয়সে অনেক কারণেই বিয়ে হয়। কেউ একাধিক শয্যাসঙ্গিনী নিয়ে থাকেন, কেউ বা কাউকে খুঁজে পাননা বলে বিয়ে করেন না। দুই ক্ষেত্রেই বেশি বয়সের বিয়ে বিপজ্জনক। যদি আগের পক্ষের স্ত্রীর সন্তান থাকে, তা হলে দ্বিতীয় বিয়ের পর জীবন আরও জটিল হয়। অতীত জীবনের ছায়া এসে বর্তমানকে অন্ধকার করে তোলে। আর তার জন্যই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গণ্ডগোল দেখা যায়। আবার যাঁরা পছন্দ মতো সঙ্গী পান না, তাঁরা অনেকটা বাধ্য হয়ে বা পরিবারের চাপে বিয়ে করেন। সে ক্ষেত্রেও ডিভোর্সের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

শ্রীলংকাকে হারিয়ে দাপুটে জয় টাইগারদের


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ। এ ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না লাল-সবুজদের। এশিয়া কাপের পঞ্চম ম্যাচে টাইগারদের কাছে ২৩ রানে হেরেছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন লঙ্কানরা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। ১৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১২৪ রান তুলতে সক্ষম হয় শ্রীলঙ্কা। ফলে এই ম্যাচে ২৩ রানের জয়ে লঙ্কানদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি প্রথম জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দল : মাশরাফি বিন মুর্তজা, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিথুন, সাব্বির রহমান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, কাজী নুরুল হাসান সোহান, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও আল-আমিন হোসেন। শ্রীলঙ্কা দল: দিনেশ চান্দিমাল, তিলকারত্নে দিলশান, মিলিন্দা সিরিয়ার্ধনে, দাসুন সালাঙ্কা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, সিহান জয়াসুরিয়া, চামারা কাপুগেদারা, নুয়ান কুলাসেকারা, দুসমান্তা চামেরা, রঙ্গনা হেরাথ ও থিসারা পেরেরা।

কানাইঘাটে মুজম্মিল আলী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঐতিহ্যবাহী কানাইঘাট ডাঃ মুজম্মিল আলী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের অষ্টম মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এককালীন বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান রবিবার সকাল ১১টায় কানাইঘাট বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাস্টের উপদেষ্টা বানীগ্রাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাসুদ আহমদের সভাপতিত্বে ও ট্রাস্টের সচিব সমাজসেবী মখলিছুর রহমানের পরিচালনায় উক্ত বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি যুবনেতা মুশফিক জায়গীরদার, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি কলামিষ্ট মাস্টার মহিউদ্দিন, প্রবাসী কমিউনিটি নেতা কবি মিজানুর রহমান নিরু, কানাইঘাট হামিদা ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি এম. আব্দুশ শাকুর, বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর উদ্দিন, ট্রাস্টের পৃষ্টপোষক মরহুম ডাঃ মুজম্মিল আলীর সুযোগ্য পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজকর্মী নজমুল হোসেন, ইউএস শাখা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মাসুক আহমেদ রুমেল, জেলা যুবলীগ নেতা এড. লিটন মিয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল লতিফ চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগ নেতা শাহ নেওয়াজ, কানাইঘাট প্রেসকাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, কানাইঘাট পৌরসভার কাউন্সিলার তাজ উদ্দিন, কাউন্সিলার বিলাল আহমদ। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক খাঁজা আজির উদ্দিন, মাস্টার লুৎফুর রহমান, ট্রাস্টের সদস্য ও পৃষ্টপোষক ইমরান হোসেন রাজু প্রমুখ। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে উৎসব মুখর পরিবেশে ডাঃ মুজম্মিল আলী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের অষ্টম মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শতাধিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে এককালীন বৃত্তি প্রদান ও সনদ তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রসঙ্গত যে, ডাক্তার মুজম্মিল আলী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা বড়দেশ গ্রাম নিবাসী ইকবাল হোসেইন উক্ত ট্রাস্ট তার মরহুম গর্বিত পিতার নামে গঠন করে কানাইঘাটের সার্বিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। ৮ বছর ধরে ট্রাস্টের উদ্যোগে পরীক্ষার মাধ্যমে বৃত্তি প্রদান করে আসছেন কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে। পাশাপাশি উক্ত ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্তিক অনুদান প্রদান, দরিদ্রদের মধ্যে স্যানিটেশন ও ডিপ টিউবওয়েল বিতরণ এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছেন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন। বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তাঁর এ ধরনের মহতি উদ্যোগকে অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে স্বাগত জানিয়ে এলাকার আর্তসামাজিক উন্নয়ন ও শিক্ষার প্রচার প্রসারে তার মতো সমাজ হিতৈশী ব্যক্তিবর্গকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে অফিসে করণীয়


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চাকরিজীবীরা অধিকাংশ সময়ই কর্মক্ষেত্রে ব্যয় করেন। এ সময় অনেকেই না জেনে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খাবার গ্রহণ করেন। যা হৃদপিণ্ডের ক্ষতি করতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক হৃদপিণ্ডের সুস্থতার জন্য কর্মক্ষেত্রের যে ভুলগুলো আমাদের এড়িয়ে চলা উচিত। অস্বাস্থ্যকর খাবার অফিসে ক্ষুধার্ত হলে অনেকেই বিস্কুট, কোমল পানীয়, অনবরত কফি এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত স্ন্যাকস খান। এসব খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও সুখকর নয়। সুস্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার বিকল্প নেই। উদাহরণস্বরূপ, ফ্যাটের জন্য কাঁচা বাদাম, অলিভ অয়েল, মাছের তেল, তিসির বীজ, অ্যাভোকাডোস খেতে পারেন। অফিসে স্ন্যাকস খেতেই হয় তাহলে ডায়েটে পর্যাপ্ত পরিমাণে রঙিন শাকসবজি রাখুন। লবণ কম খান ডায়েটে লবণ কম খাওয়া অত্যাবশ্যাক। ফিজিওথেরাপিস্ট পুনীত রেহানি বলেন, ডায়েটের নিয়মানুযায়ী একজন ব্যক্তিকে প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। এর বেশি খেলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এই ধরনের চিপস, নোনতা বিস্কুট এবং উচ্চ লবণযুক্ত স্ন্যাকস এড়িয়ে চলুন। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকা একটি নীরব ঘাতক। তাই এক জায়গায় বসে দীর্ঘক্ষণ কাজ না করে প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা পর পর একটু পায়চারী করুন। হালকা ব্যায়াম করুন। শরীর কর্মক্ষম থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। পরোক্ষ ধূমপান এড়িয়ে চলুন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ধূমপান উভয়ই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অফিসে আপনার কাছাকাছি স্থানে কাউকে ধূমপান করার অনুমতি দেবেন না। আপনি জানেন কি এক ঘণ্টা পরোক্ষ ধূমপানের কারণে যে ক্ষতি হয় ঠিক একই পরিমাণ ক্ষতি হয় দুই থেকে চারটি সিগারেট খেলে। তাই সিগারেটের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকুন। চাপ এড়িয়ে চলুন অফিসে অথবা বাসায় যথাসম্ভব শারীরিক এবং মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন। হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বাড়িয়ে দেয় দীর্ঘস্থায়ী চাপ। শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম কাজের ব্যস্ততায় আপনি হয়তো ঠিকভাবে নিঃশ্বাসও নিতে পারনে না। যা আপনার সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে পাঁচ থেকে দশ মিনিট গভীর শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। এতে ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ড ভালো থাকবে। পর্যাপ্ত পানি পান করুন শেষ তবে সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, অফিসে কিংবা বাসায় যেখানেই থাকুন, পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করুন। বলা হয়ে থাকে, পানি হচ্ছে হৃদপিণ্ডের নিরাপদ বেষ্টনী। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, কোলন ক্যানসার, স্তন ক্যানসার এবং মূত্রাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় পানি।

অপরাধ করলেই বহিষ্কার! গণভোট চলছে সুইজারল্যাণ্ডে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পুলিশের সঙ্গে তর্ক করলে অথবা গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা লঙ্ঘনের মতো ছোটখাটো অপরাধ করলেও বিদেশীদের বহিষ্কারের প্রশ্নে গণভোট চলছে সুইজারল্যান্ডে। রবিবারের এই নির্বাচনে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়লে ১০ বছরে দুবার সংঘটিত এ ধরনের অপরাধে বিদেশীদের বহিষ্কার করা যাবে। আপিলের কোনো সুযোগ থাকবে না। সুইজারল্যান্ডে বর্তমান আইনে শুধু হত্যা ও ধর্ষণের মতো অপরাধে বিদেশীদের বহিষ্কার করা যায়। গণভোটের জন্য সরকারকে চাপ দিচ্ছিল দক্ষিণপন্থী সুইস পিপলস পার্টি। অস্বস্তি থাকলেও অভিবাসন নিয়ে সুইসদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মাঝে সরকার শেষ পর্যন্ত এই গণভোটের অনুমোদন দেয়। এই প্রস্তাবের বিরোধীরা বলছে, গণভোটে এই প্রস্তাব যদি পাস হয়, তাহলে সুইজারল্যান্ডে দুই স্তরের বিচার ব্যবস্থা কায়েম হবে। আইনসিদ্ধভাবে ও স্থায়ীভাবে যেসব বিদেশী সুইজারল্যান্ডে বসবাস করছে, তাদের প্রতি চরম অবিচার করা হবে। কিন্তু সুইস পিপলস্ পার্টি ও তাদের সমর্থকরা বলছে, বিদেশীদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা সমাজকে হুমকিতে ফেলছে। সুইজারল্যান্ডে জেলখানাগুলোতে বিদেশীদের তুলনামূলক সংখ্যাধিক্যের বিষয়টি তুলে ধরছে তারা। সুইজারল্যান্ডে কমবেশি ২০ লাখ বিদেশী বসবাস করে। তারা এই গণভোটে অংশ নিতে পারছেন না।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে হেল্পলাইন চালুর সুপারিশ


ঢাকা: বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিটি উপজেলায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঝটিকা সফরের সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ন্যাশনাল হেল্প লাইন সেন্টারের ১০৯২১ নম্বরটি প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়। আজ রবিবার জাতীয় সংসদের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ২১তম বৈঠকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। কমিটির সভাপতি রেবেকা মমিনের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ, মো. মোজাম্মেল হোসেন, মোছা. মাহাবুব আরা গিনি ও রিফাত আমিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে গ্রামীণ মহিলাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্পগুলোর সার্বিক অবস্থা, প্রেষণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের (নিয়োগের তারিখ, পূর্ব ও বর্তমান কর্মস্থল, বদলী/নিয়োগের কারণ ইত্যাদির তথ্যসহ) ও প্রকল্প সম্পর্কে আলোচনা হয়। কমিটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের জেলা, উপজেলা কার্যালয় কর্তৃক উঠান বৈঠক, আলোচনা সভা, র‌্যালি, মাঠ পর্যায়ে সভা, নাটক ও ভিডিও প্রদর্শন, বাল্যবিবাহ বন্ধ করার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণসংক্রান্ত প্রতিবেদন সংসদীয় কমিটিতে দাখিলের সুপারিশ করে। বৈঠকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের জেলা, উপজেলা কর্মকর্তাদের মানোন্নয়নের বিষয়ে সুপাশি করা হয়। কমিটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিটি উপজেলায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঝটিকা সফরের সুপারিশ করে। বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগমসহ, মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আনিসুলের বিচার চাইলেন এরশাদ


জামালপুর: পানিসম্পদ মন্ত্রী ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে এক এগারোর কুশীলব আখ্যা দিয়ে তার বিচার দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। আজ রবিবার দুপুরে জামালপুর পাবলিক হলে জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এই দাবি করেন। সংসদে জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের কাজ করছে না এমন দাবি করে এরশাদ বলেন, ‘সরকারের প্রশংসা করা বিরোধীদলের কাজ নয়।কিন্তু আমরা সংসদে বিরোধীদল হয়ে বিরোধীদলের দায়িত্ব পালন করছি না। সরকারের সমালোচনা না করে প্রশংসা করছি।’ জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু সত্যিকার বিরোধীদল নয়, আমাদের এখন ১৫১টি আসন পেয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দেশে এখন সুশাসন নেই। মানুষের নিরাপত্তা নেই। হত্যা, খুন বেড়ে গেছে। শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। মানুষ পথে নিরাপদে পথ চলতে পারে না। এভাবে দেশ চলতে পারে না। এ অবস্থা থেকে দেশকে বাঁচাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে হবে।’ জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এমএ সাত্তারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান বাদশা, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল এহসান ছাড়াও জাতীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। পরে এমএ সাত্তারকে সভাপতি, ইকবাল এহসানকে সাধারণ সম্পাদক ও জাকির হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে জেলা জাতীয় পার্টির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ইউপিতে বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করবে আ.লীগ


ঢাকা: পৌরসভার মতো ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হানিফ একথা জানান। হানিফ বলেন, গত পৌরসভা নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন তাদের দল থেকে প্রাথমিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। শোকজ নোটিশও দেয়া হয়েছে। তারা জবাবও দিয়েছেন। দলের আগামী কার্যনির্বাহী বৈঠকে তাদের বিষয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি জানান, পৌরসভায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের যারা সহযোগিতা করেছিল তাদের তথ্য সংগ্রহ করার জন্য সাত সাংগঠনিক সম্পাদককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা তদন্ত করে রিপোর্ট তৈরি করছেন। এর ভিত্তিতে তাদের ব্যাপারেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রথম দফা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বেশ কিছু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা হতেই পারে। কারণ দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আট বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন। দেশে উন্নয়ন হচ্ছে। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে। তাই উন্নয়নের প্রতি সমর্থন জানিয়ে হয়তো বিভিন্ন জায়গায় কেউ প্রার্থী না হয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছেন। সরকারি দলের বাধার কারণে ১১৪ ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী দিতে পারেনি এমন অভিযোগের বিষয়ে হানিফ বলেন, ‘বিএনপি ইসিতে অভিযোগ করেছে। তারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।’ বিএনপিকে ‘নালিশের পার্টি’ দাবি করে হানিফ বলেন, ‘এটা বিএনপির গতানুগতিক অভ্যাস।’ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, বীর বাহাদুর, বি এম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন প্রমুখ। -

ইসিতে লিখিত অভিযোগ জানালো বিএনপি


ঢাকা: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বিভিন্ন বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে বিএনপি। যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে দলটির একটি প্রতিনিধি দল আজ রবিবার দুপুরে ইসি কার্যালয়ে গিয়ে এই অভিযোগ জানায়। রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপির প্রতিনিধি দল ইসিতে যায়। নির্বাচন কমিশন সচিব সিরাজুল ইসলামের কাছে তারা লিখিত কিছু অভিযোগ দেন। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের অর্থ সম্পাদক আবদুস সালাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম। ইসি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচন কমিশন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হলেও আমাদের অভিযোগের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানালেও তারা কোনো ভ্রুক্ষেপ করছে না। তাই আমরা আজ এখানে লিখিত কিছু অভিযোগ জানিয়েছি।” প্রসঙ্গত, আগামী ২২ মার্চ দেশের ৭৩৯টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার এ নির্বাচনে ১১৪টি ইউনিয়নে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। তবে দলটির অভিযোগ সরকার দলীয় প্রার্থীদের বাধায় বিএনপির প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারেননি। এছাড়া তুচ্ছ অভিযোগে বিএনপির প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বিলুপ্তির পথে নিপুন শিল্পের স্থপতি বাবুই


পটুয়াখালী : ‘বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই, কুড়ে ঘরে থাকি কর শিল্পের বড়াই। আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ বৃষ্টি ঝড়ে। বাবুই হাসিয়া বলে সন্দেহ কি তায়, কষ্ট পাই তবু থাকি নিজের বাসায়।’ মানুষের মানবিক বোধ জাগ্রত করার জন্য কবি রজনী কান্ত সেনের কালজয়ী কবিতাটি এক সময় ছিল মানুষের মুখে মুখে। এটি এখন শুধু আমাদের পাঠ্য পুস্তকেই অন্তর্ভুক্ত। কবিতাটির মর্ম এখন আর আমাদের মনে সাড়া জাগায় না। কালের বিবর্তন আর শহুরে যান্ত্রিকতায় হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি আর তার নিপুন শিল্পকর্ম। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ুর বৈশ্বিক পরিবর্তন আর জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাবে ও ঘন বসতি স্থাপনে বনাঞ্চল হ্রাস পাওয়ায় বিপন্ন আবহমানকালের ঐতিহ্য এই পক্ষী প্রজাতি। বাবুই পাখির বাসা দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি মজবুত। প্রবল ঝড়ো বাতাসেও টিকে থাকে তাদের বাসা। শক্ত বুননের এ বাসা টেনেও ছেঁড়া বেশ কঠিন। বাবুই পাখি একাধারে শিল্পি, স্থপতি এবং সমাজিক বন্ধনের প্রতিচ্ছবি। একসময় পটুয়াখালীর উপকূলের বিভিন্ন অঞ্চলে সারি সারি উঁচু তালগাছে ঝুলে থাকতে দেখা যেত দৃষ্টিনন্দন চমৎকার আকৃতির বাবুই পাখির বাসা। খড়ের ফালি, ধানের পাতা, তালের কচি পাতা, ঝাউ ও কাঁশবনের লতাপাতা দিয়ে তৈরি এ বাসায় রয়েছে নিপুন শিল্পকর্মের ছোঁয়া। তাই এখন এ নিপুন শিল্পকর্মটি শোভা পায় অভিজাত মানুষদের ড্রইংরুমে। বাবুই পাখিরা এক বাসা থেকে আরেক বাসায় যায় পছন্দের সঙ্গী খুঁজতে। পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সঙ্গী বানানোর জন্য পুরুষ বাবুই নিজের প্রতি আকর্ষণ করার জন্য খাল বিল ও ডোবায় গোসল সেরে ফুর্তিতে নেচে বেড়ায় গাছের ডালে ডালে। এর পর উঁচু তালগাছ, নারিকেল বা সুপারি গাছের ডালে বাসা তৈরির কাজ শুরু করে। অর্ধেক কাজ শেষ হলে কাঙ্খিত স্ত্রী বাবুইকে ডেকে সেই বাসা দেখায়। বাসা পছন্দ হলেই কেবল পুরো কাজ শেষ করে। বাসা পছন্দ না হলে অর্ধেক কাজ করেই নতুন করে আরেকটি বাসা তৈরির কাজ শুরু করে। অর্ধেক বাসা তৈরি করতে সময় লাগে পাঁচ-ছয় দিন স্ত্রী বাবুই পাখির বাসা পছন্দ হলে বাকি কাজ শেষ করতে লাগে আরও চার দিন। কেননা তখন পুরুষ বাবুই মহানন্দে বিরামহীনভাবে কাজ করে। স্ত্রী বাবুইর প্রেরণা পেয়ে পুরুষ বাবুই খুবই নিপুনভাবে বাসা তৈরি করে। স্ত্রী বাবুই ডিম দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুরুষ বাবুই খুঁজতে থাকে নতুন সঙ্গীকে। পুরুষ বাবুই এক মৌসুমে ছয়টি পর্যন্ত বাসা তৈরি করতে পারে। প্রজনন প্রক্রিয়ায় স্ত্রী বাবুই ডিমে তা দেওয়ার দুই সপ্তাহের মধে বাচ্চা ফোটে। আর তিন সপ্তাহ পর বাবুই বাচ্চা বাসা ছেড়ে উড়ে যায়। বাবুই পাখির প্রজনন মৌসুম হলো ধান ঘরে ওঠার মৌসুম। স্ত্রী বাবুই দুধ ধান সংগ্রহ করে এনে বাচ্চাদের খাওয়ায়। বাবুই পাখি তালগাছে বাসা বাঁধে বেশি। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এখন এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী গ্রামগঞ্জের তালগাছগুলো কেটে জ্বালানি হিসেবে বিক্রি করায় দিনদিন কমে যাচ্ছে তালগাছের সংখ্যা হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি আর তার সাথে হারাচ্ছে তাদের শিল্পকর্ম। পরিবেশবাদীদের মতে, জ্বালানি হিসেবে তালগাছের ব্যাবহার বন্ধ করা দরকার, সেইসাথে দরকার আনুমোদনহীন ইটভাটা বন্ধ করা। এসব ইটভাটার জ্বালানি হিসেবে বেশিরভাগ সময়েই তাল জাতীয় গাছ ব্যাবহার করা হয়। ফলে পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য এখন হুমকির মুখে পড়েছে।

চলন্ত গাড়িতে তরুণীকে গণধর্ষণ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভারতে চলন্ত গাড়িতে ফের একজন নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পূর্ব দিল্লির শহর আনন্দ বিহারে শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে আনন্দ বিহারের একটি শপিং মলের পাশে ওই নারী কিছু খাবার কিনতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীর অভিযোগ, চারজন পুরুষ তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নেন। চলন্ত গাড়িতেই তাকে গণধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণে বাধা দিতে গেলে তাকে ব্যাপক মারধরও করা হয়। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষকরা ওই নারীকে মধু বিহারের কাকদি মোদের এক নির্জন এলাকায় নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। ওই নারীর বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতের চেষ্টা করছি। ধর্ষণের শিকার ওই নারীর অভিযোগ অনুযায়ী শিগগিরই অভিযুক্তদের আটক করা হবে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একটি চলন্ত বাসে গণধর্ষণের শিকার হয়ে নিহত হন ২৩ বছর বয়সী প্যারামেডিকেল ছাত্রী জ্যোতি সিং। এই অপরাধের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত।

টাঙ্গাইল-৪ আসনে উপনির্বাচন ২০ মার্চ


ঢাকা: টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপনির্বাচন আগামী ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। দুই দফা তারিখ পেছানোর পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করল। আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর আবদুল লতিফ সিদ্দিকী সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করায় টাঙ্গাইল-৪ আসন শূন্য হয়। গত বছরের ১০ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৪ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। সেখানে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এই উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণের তারিখ আগামী ১০ নভেম্বর। ১৩ অক্টোবর কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র ঋণ খেলাপের অভিযোগে বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কাদের সিদ্দিকী নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে ১৮ অক্টোবর তাও খারিজ হয়। এরপর তিনি উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। ২১ অক্টোবর হাইকোর্ট এক আদেশে বলেন, কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধ। ২২ অক্টোবর তিনি প্রতীক বরাদ্দ পান। হাইকোর্টের ওই আদেশ স্থগিতের জন্য আপিল বিভাগে আবেদন করে নির্বাচন কমিশন। চেম্বার আদালত নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশনের আবেদন ২ নভেম্বর আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এরও আগে টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল গত ২৮ অক্টোবর। কিন্তু তফসিল সংশোধন করে ২৮ অক্টোবরের পরিবর্তে ১০ নভেম্বর ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করে কমিশন।

কানাইঘাটে ইউপি সচিবদের কর্মবিরতি পালন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সমিতি (বাপস)’র কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক ঘোষিত ইউপি সচিবদের ৩ দফা দাবী বাস্তবায়ন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গতকাল কানাইঘাটে ইউপি সচিবগণ কর্মবিরতি পালন করেন। বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে অবস্থান গ্রহণপূর্বক এ কর্মবিরতি পালন করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের ৩ দফা দাবীর মধ্যে রয়েছে (১) সচিবদের পদোন্নতি পূর্বক ১০ম গ্রেড প্রদান (২) বেতন, বোনাস, বিনোদন ভাতাসহ যাবতীয় অর্থের শতভাগ সরকারী কোষাগার থেকে প্রদান ও (৩) ইউনিয়ন পরিষদ কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে পেনশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। কর্মবিরতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১নং লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউপি সচিব নজমুল ইসলাম চৌধুরী, ২নং লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউপি সচিব রিপন দাস, ৩নং দিঘীরপার ইউপি সচিব আকমল হোসেন, ৪নং সাতবাঁক ইউপি সচিব সজল কান্তি দাস, ৫নং বড়চতুল ইউপি সচিব শাহাব উদ্দিন, ৬নং কানাইঘাট সদর ইউপি সচিব আব্দুল জব্বার ৭নং দক্ষিণ বাণী ইউপি সচিব মোঃ আব্দুল্লাহ, ৮নং ঝিঙ্গাবাড়ি ইউপি সচিব ইয়াহিয়া সিদ্দিক ও ৯নং রাজাগঞ্জ ইউপি সচিব মুহিবুর রহমান।

বাহুবলের নিখোঁজ যুবসংহতির সভাপতির লাশ উদ্ধার

বাহুবলের নিখোঁজ যুবসংহতির সভাপতির লাশ উদ্ধার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়ন যুবসংহতির সভাপতি মো. রফিক মিয়ার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রাত থেকে তিনি নেখোঁজ ছিলেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-সিলেট রেলপথের বাহুবল উপজেলার বারোআউলিয়া নামক স্থান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ভোরে রফিক মিয়ার বাড়ির সামনে রক্তের দাগ, গেঞ্জি, কোদাল ও লুঙ্গি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসব উদ্ধার করে।

বাহুবল মডেল থানার ওসি মোশারফ হোসেন নিখোঁজ যুবসংহতি নেতা রফিক মিয়ার লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোরআন গতানুগতিক কোনো গ্রন্থ নয়


ইসলাম ডেস্ক: পবিত্র কোরআনে কারিম মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। আল্লাহ তায়ালা এতে মুসলমানদের জীবনযাপনের যাবতীয় পদ্ধতি মৌলিকভাবে বলে দিয়েছেন। হজরত জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে কোরআন সরাসরি রাসুল (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছে। এরপর রাসুল (সা.) তা সাহাবায়ে কেরামকে পাঠ করে শুনিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তা অবিকৃতভাবে আমাদের কাছে পর্যন্ত পৌঁছেছে। পৃথিবীতে একমাত্র গ্রন্থ যাতে আজ পর্যন্ত বিন্দুমাত্রও বিকৃতি আসেনি। সেই কোরআন বোঝার প্রথম ধাপ হলো তা সহিহ-শুদ্ধভাবে পড়া। আর কোরআন বোঝার জন্য কোনো শিক্ষক বা মুরব্বির প্রয়োজন। কোনো শিক্ষক ছাড়া সঠিকভাবে কেউ কোরআন বুঝতে পারবে না। নবী করিমকে (সা.) পাঠানোর অন্যতম উদ্দেশ্য মুমিনদের কিতাবের তালিম দেয়া। কাকে তালিম দেবেন? আবু বকর সিদ্দিক, ওমর ফারুক, ওসমান গনি ও আলীকে (রা.)? তাঁরা কি আরবি ভাষা জানতেন না? তাদের প্রত্যেকেই তো আরবি ভাষায় এক একজন পণ্ডিত ছিলেন। সুতরাং আরবি ভাষা শেখার জন্য বা এর অনুবাদ জানার জন্য কোনো শিক্ষকের প্রয়োজন ছিল না অথচ নবী করিমকে (সা.) আল্লাহ তায়ালা পাঠিয়েছেন কিতাবের তালিম দেয়ার জন্য। এর দ্বারা জানা গেল নিছক তরজমা জেনে নেয়ার দ্বারা কিতাবুল্লাহ বুঝে আসবে না, এর দ্বারা কোরানের ইলম হাসিল হবে না। অনেকেই বলেন আমার কোনো শিক্ষকের দরকার নেই, আল-কোরআনের অনুবাদ দেখেই আমি কোরান বুঝে নেব। তাদের কাছে জিজ্ঞাসা, কোন কোরআনের তালিম দেয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালা নবী করিমকে (সা.) দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন? তিনি ৩৩ বছর পর্যন্ত তালিম দিয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম এর ওপর নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাবেয়ীনরা এটা সংরক্ষণ করে আমাদের কাছে পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন। এসব বিষয়কে পাশ কাটিয়ে কেউ কেউ বলে আমাদের এসব বিষয়ের দরকার নেই। আমি যা বুঝব এটাই হলো সহিহ। তাহলে তাদের চেয়ে বড় গণ্ডমূর্খ আর কে হতে পারে? কোরআনের প্রথম হক হলো তা বিশুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করা। এরপর মুরব্বির মাধ্যমে তা বোঝা। তবে এরও আগে দরকার আখলাকের পরিশুদ্ধি। কারণ কোরআন একটি নূর। আখলাকের পরিশুদ্ধি ছাড়া কোনো নূর ভেতরে ঢুকতে পারে না। মনে রাখতে হবে, কোরআন গতানুগতিক কোনো গ্রন্থ নয়। গতানুগতিক ধারায় পড়লে তা বুঝে আসবে না। এ জন্য কোরআন শিখতে এবং বুঝতে হবে শরিয়তের নির্দেশিত পন্থায়।

কানাইঘাটে ৩দিন ধরে যুবক নিখোঁজ

Kanaighat News on Saturday, February 27, 2016 | 9:17 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক :কানাইঘাটে তিনদিন ধরে সাঈদুর রহমান (২৫)নামে এক যুবক নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজের পর থেকে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি ও বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজির পরও তার কোন খোঁজ মেলেনি। সাঈদুর রহমান কানাইঘাট উপজেলার বড়দেশ গ্রামের মৃত জমশেদ আলীর ছেলে। গত বুধবার কানাইঘাট মাদ্রাসার বার্ষিক সম্মেলনে এসে আর বাড়ি ফিরেনি। এরপর থেকে আর তার খোঁজ মিলছে না। যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি যুবকটির সন্ধান পান-তাহলে (০১৭৮৮৪৮০৩৩৭) নম্বর মোবাইলে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

কানাইঘাটে জমিয়তে উলামা ও তালাবার সমাবেশ ১মার্চ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আগামী ১লা মার্চ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কানাইঘাট পূর্ব বাজারে জমিয়তে উলামা ও জমিয়তে তালাবা কানাইঘাট উপজেলা শাখা ও জমিয়তে তালাবা কানাইঘাট পৌর শাখার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলন ও বিশাল সমাবেশ। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখবেন জমিয়তে উলামার কেন্দ্রীয় আমীর আল্লামা আলিমুদ্দীন শায়খে দুর্লভপুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখবেন জমিয়তে উলামার সহ সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসান রায়গড়ী, সহ সভাপতি আল্লামা শামসুদ্দীন দুর্লভপুরী, প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখবেন জমিয়তে উলামার কেন্দ্রীয় মহাসচিব আল্লামা নজরুল ইসলাম তোয়াকুলী, বিশেষ বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মাও.মুখলিসুর রহমান রাজাগঞ্জী, কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ আলী, সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাও.আবুল হোসাইন চতুলী, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি মাও. তহুরুল হক জকিগঞ্জী, মহানগর জমিয়তে উলামার সাধারণ সম্পাদক মাও. হাফিয আহমদ সগীর। এদিকে সম্মেলনকে সর্বাত্মক সফল করে তুলার জন্য কানাইঘাট উপজেলা জমিয়তে উলামার সাধারণ সম্পাদক মাও.ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলী, কানাইঘাট উপজেলা জমিয়তে তালাবার সভাপতি মাও.মাশুক আহমদ, সেক্রেটারী মাও.হা.ইমদাদুল্লাহ মারযান, কানাইঘাট পৌর জমিয়তে তালাবার সভাপতি মাও.হা. নযির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মৌ. রায়হান উদ্দিন সর্বস্থরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

চুল কি বেশি পড়ছে, জেনে নিন সমাধান

চুল কি বেশি পড়ছে, জেনে নিন সমাধান

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চুল পড়া অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা। এই সমস্যা প্রায় সবারই কমবেশি থাকে। মানুষের চুল পড়ার স্বাভাবিক মাত্রা কত?

উত্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল মো. আব্দুল ওয়াহাব বলেন, চুল পড়ার সমস্যাকে আমরা প্রধানত মাথার সমস্যা মনে করি। তবে চুল তো অনেক জায়গায় থাকে। মাথায় থাকে, চোখে থাকে, শরীরে থাকে। তবে আমরা সাধারণত সচেতন থাকি মাথার চুলের সমস্যা নিয়ে। আমরা আনুমানিক ধরে নিয়েছি মাথায় এক লাখ চুল থাকে।

এখান থেকে প্রতিদিন যদি ১০০ থেকে দেড়শ চুল পড়ে। চুলের একটি চক্র আছে, এটি কিন্তু পূরণ হতে হয়। অনেকে আমাদের কাছে এসে বলেন, 'স্যার আমার সব চুল পড়ে গেল'। আমি বলি, 'কয়টি পড়ে বলেন তো’? বলে, 'স্যার একশটার মতো পড়ে'। আসলে একশ চুল পড়া তো স্বাভাবিক। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।

প্রশ্ন : চুল পড়ার সমস্যা নিয়ে রোগীরা যখন আপনাদের কাছে আসে, তখন আপনাদের কী পরামর্শ দিয়ে থাকেন?

উত্তর : প্রথমে আমরা জিজ্ঞেস করি আপনার কতগুলো চুল পড়ে। এরপর তার বয়স, তার ছেলে মেয়ে কতজন, সিস্টেমিক কোনো রোগ আছে কি না, কোনো ওষুধ খায় কি না—এগুলো জিজ্ঞেস করি। যে কারণে চুল পড়ছে সেটি নির্ণয় করার চেষ্টা করি। অনেকে দেখা যায় যে চুলে অতিরিক্ত সাবান মাখে, প্রতিদিন শ্যাম্পু করে। অনেকে দিনে ২-৩ বারও শ্যাম্পু করে। কারো হয়তো জ্বরের জন্য এমন হয়, চুল পড়ে, কারো হয়তো ক্যানসার রোগ রয়েছে। কারো হয়তো বংশগত কারণে পড়ে। চুল পড়ার কিন্তু বিভিন্ন কারণ রয়েছে।

চুল পড়ার বিভিন্ন ধরন রয়েছে। আমরা সাধারণত চুল পড়ার ধরনকে দুই ভাগে ভাগ করি। একটি নন স্কারিং, আরেকটি স্কারিং। চুলের উপরের অংশকে হেয়ার শেপ বলি। তবে মূল হচ্ছে হেয়ার ফলিকল, এটি ত্বকের ভেতর থাকে।

কিছু রোগী আসে এমন রোগ নিয়ে যে জায়গায় জায়গায় কিছু কিছু চুল উঠে গেছে। এটি মাথায় হতে পারে। দাঁড়িতে হতে পারে। অন্য জায়গায়ও হতে পারে। এগুলোর অনেক কারণ রয়েছে। এগুলোকে সাধারণত আমরা অটো ইমিউন রোগ বলি। এগুলোর ভালো চিকিৎসা রয়েছে। সেটি আমরা অহরহ করছি। এগুলোর সেরে যাওয়ার হার খুবই ভালো।

প্রশ্ন: এই যে জায়গায় জায়গায় চুল পড়ে যাচ্ছে, এর কী ধরনের চিকিৎসা আপনারা করে থাকেন?

উত্তর: প্রথমে আমরা রোগীকে মানসিকভাবে বোঝাই। এটি কোনো সমস্যা নয়, এখানে চিকিৎসা সম্ভব। এই সমস্যা যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তবে তরুণদের এই সমস্যা বেশি হয়। এভাবে পরামর্শ দেওয়ার পর আমরা ওষুধ শুরু করাই। প্রথমে আমরা এক ধরনের স্টেরয়েড দেই। এটি প্রতিদিন দুইবার করে লাগাতে দেই, আক্রান্ত স্থানে লাগানোর জন্য। ভালো চিকিৎসা হলো এখানে ইনজেকশন দেওয়া। তবে মানুষ মাথায় ইনজেকশন দিতে ভয় পায়। তবে কার্যকারিতার দিক থেকে ইনজেকশন ভালো। এটি মাসে একটি করে দেই।

প্রশ্ন : এই চুলটা কতদিনে আবার আসতে পারে?

উত্তর : সাধারণত দুই থেকে তিনটি ইনজেকশন দেওয়া লাগে। তবে অনেক সময় দেখা যায়, যেখানে ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে সেখানে চুল উঠছে। তবে আশপাশে আবার চুল পড়ে যাচ্ছে। সেগুলোতেও আবার ইনজেকশন দেওয়া লাগে। তখন আবার চুল উঠে। আমার যত দূর ধারণা যদি সারা মাথায় সমস্যাটি হয় সেই ক্ষেত্রে চুল উঠতে হয়তো কঠিন হয়। তবে জায়গায় জায়গায় যদি হয় এর চিকিৎসা কিন্তু আশানুরূপ ভাবে করা যায়।

প্রশ্ন : প্রতিকারে আমরা অপচিকিৎসকের কিছু বিজ্ঞাপন দেখি? এসব জায়গায় গিয়ে খুব কী লাভবান হতে পারে?

উত্তর : না। অপচিকিৎসা যেটির হয়, সেটি আসলে বংশগত। সামনের দিকে চুল উঠে গেছে বা পেছনের দিকে চুল উঠে গেছে। এই রোগগুলো যাদের অল্প বয়সে হয়, ধরেন ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সে, বিয়ে হয়নি। এরা বিভিন্ন জায়গায় যায়। কবিরাজি, হোমোপ্যাথি ইত্যাদি।

আমাদের অনেক চিকিৎসা আছে আমরা টপিক্যাল থেরাপি দিচ্ছি, ট্যাবলেট দিচ্ছি। না পারলে আলগা চুল পরার পরামর্শ দিচ্ছি। আমাদের দেশে কিন্তু এখন হেয়ার ট্রান্সপ্লেন্টও শুরু হয়েছে।

প্রশ্ন : হেয়ার ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট আপনারা কীভাবে করছেন? এবং কখন করছেন?

উত্তর : রোগী হয়তো চুলপড়া নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছে। তাকে দ্রুত চুলপড়া বন্ধ করতে হবে, তখন আমরা হেয়ার ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট করি। অন্য ওষুধগুলোতে দেরি করে সমাধান হয়। অনেক ক্ষেত্রে আবার কাজেও লাগে না। সেই ক্ষেত্রে হেয়ার ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট ভালো। এগুলো অনেকভাবে করা হচ্ছে, ২-৩ পদ্ধতিতে করা হচ্ছে।

আপনি দেখবেন মানুষের টাক হয়, তবে পেছনের দিকে টাক হয় না। ওই চুল নিয়ে আমরা যখন সামনে লাগাচ্ছি, তখন চুল পড়ার আশঙ্কা খুব কম।

প্রশ্ন : আর যদি পেছনেও চুল না থাকে, সে ক্ষেত্রে কী করা হয়?

উত্তর : সেক্ষেত্রে তো আর চুল পাওয়া যাচ্ছে না। ইদানীং অবশ্য এক্সিলা ও বিয়ার থেকে নিয়ে কিছু করা হচ্ছে। তবে এসব জায়গায় আর কতটুকু চুল থাকে? কাজেই পেছনের স্কাল্পে যদি চুল না থাকে সেক্ষেত্রে সমস্যা হয়ে যায়।

প্রশ্ন : কতটুকু সফল হচ্ছেন আপনারা এই ক্ষেত্রে?

উত্তর : আমাদের প্রায় ২-৩টি কেস করা হয়েছে। এদের ফলাফল ভালো। আর এটি বেশ উপকার দিচ্ছে। আমি সম্প্রতি ভারতে একটি কোর্স করে এলাম। তারা কিন্তু এই বিষয়ে খুবই সফল। তারা দিনে দুটো করেও এটি করছে। তবে আমাদের দেশে এখনো এই বিষয়ে তেমন বিশেষজ্ঞ তৈরি হয়নি। আমরা আশা করব অদূর ভবিষতে এটি আরো ভালো করে করা যাবে।

এই ক্ষেত্রে তরুণ চিকিৎসকরা কিন্তু ভালো করছেন। আমাদের তো বয়স হয়ে গেছে। তরুণদের আমরা এই বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য বাইরে পাঠাচ্ছি। ভবিষ্যতে এ দেশে এগুলো খুব উন্নতি করবে বলে আমার বিশ্বাস।

প্রশ্ন : চুলপড়া প্রতিরোধে করণীয় কী?

উত্তর : চুলপড়ার কারণগুলো আমরা যদি নির্ণয় করতে পারি তাহলে কারণ জানা যায়। যেমন, অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা। অনেকে দিনে দু্ইবারও শ্যাম্পু ব্যবহার করে। এসব ঠিক নয়।

অনেকের মাথায় খুশকি থাকে। এই কারণেও চুল পড়ে। মেয়েদের ক্ষেত্রে কিন্তু ক্রাশ ডায়েটিংয়ের কারণে আমরা চুলপড়া বেশি পাই। এ ছাড়া চুলে অযথা কিছু তেল ব্যবহার করে এর কারণেও হয়।

চুলের যত্ন অবশ্যই নিতে হবে। যেটা দরকার সেভাবে চলতে হবে। এতে চুল ভালো থাকবে।

প্রশ্ন : রোদে বেশি গেলে কী চুল পড়ে?

উত্তর : না, রোদের সঙ্গে চুলপড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। চুলের কিছু কিছু কানেকটিভ রোগ রয়েছে, সেক্ষেত্রে আমরা রোদে যেতে নিষেধ করি। তবে চুল পড়বে, এই কারণে রোদে যেতে খুব নিষেধ করি না।

দুই ছেলের পর চলে গেলেন বাবাও, স্ত্রী আশঙ্কাজনক

দুই ছেলের পর চলে গেলেন বাবাও, স্ত্রী আশঙ্কাজনক

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তা প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ মারা গেছেন। দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ছেলের মৃত্যুর একদিন পর মারা গেলেন তিনি।

শনিবার বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে তিনি মারা যান বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন পার্থ শঙ্কর পাল।

শাহনেওয়াজ (৫০) ও তার স্ত্রী সুমাইয়া বেগম দু’জনেই ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলেন। তার স্ত্রীও সঙ্কটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা । বর্তমানে  ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন সুমাইয়া ।

শঙ্কর পাল শনিবার বলেন, বিকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে শাহওনেওয়াজের মৃত্যু হয়েছে।

অবশ্য তিনি দুপুরেই বলেছিলেন, শাহনেওয়াজ ও সুমাইয়ার অবস্থা ‘বেশ ক্রিটিকাল’।

এই দম্পতির অগ্নিদগ্ধ দুই সন্তান দেড় বছরের জায়ান বিন শাহনেওয়াজ এবং ১৫ বছরের শাহালিন বিন শাহনেওয়াজ শুক্রবারই মারা যায়।

শুক্রবার ভোরে রাজধানীর উত্তরায় ১৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাড়িতে গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে ওই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ হন। এদের মধ্যে ৪ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

এদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেলে সালিন বিন নেওয়াজ (১৪) গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টায় এবং জায়ান সন্ধ্যা ৭টায় মারা যায়। এবার মারা গেলেন স্বামী মো. শাহনেওয়াজ। স্ত্রী সুমাইয়া খানমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ঢামেক বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক।

রুপার থালায় খায় রানির কুকুর!

রানি বলে কথা। তার সব কিছুই তো রাজকীয় হবে—এটাই স্বাভাবিক। আর তাইতো ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের পোষা কুকুর খাবার খায় রুপার থালায়! অবাক হওয়ার কিছু নেই। রানির শখ-আহ্লাদে কেউ বাধা দেয়—এত বড় বুকের পাটা কার!
রানির সব সময়ের সঙ্গী এখন চারটি কুকুর। এরাও রাজপরিবারের সদস্যদের মতো আদর-সমাদর পায়। খাওয়া-দাওয়ায় কোনো খামতি নেই। রাজকীয় মেন্যু। খরগোশের রোস্ট কুকুরগুলোর খুব পছন্দের। রুচি পাল্টাতে মুরগির রোস্টও দেওয়া হয়। আহা রে! আহা রে!
ছোটবেলা থেকেই রাজকুকুরদের ভক্ত ছিলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তার ১৮তম জন্মদিনে তাকে একটি কুকুর উপহার দেন তার বাবা চতুর্থ জজ ও রানি এলিজাবেথ। সেই থেকে এ পর্যন্ত রানি ৩০টির মতো কুকুর পুষেছেন। সবগুলোরই রাজভাগ্য। রানির কুকুর বলে কথা!
রাজকুকুরদের সেবাযত্নের যেমন কমতি নেই তেমনি স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত এগুলোকে হার্বাল ওষুধ খাওয়ানো হয়। বিভিন্ন থেরাপি দেওয়া হয়। এ জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসক আছেন।
বর্তমানে চারটি কুকুর রানিকে ঘিরে থাকে। কখনো কখনো রানি নিজেই এগুলোর সেবা করেন। গোসল করান, খাইয়ে দেন। এমনকি মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুমও পাড়িয়ে দেন। আর যেসব রাজকীয় বিছানায় তারা থাকেন, তা রাজপরিবারের সদস্যদের চেয়ে কম নয় বৈকি! রানি যেখানে থাকনে কুকুরগুলো সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের জন্য আলাদা বন্দোবস্ত থাকে।
তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।

চাহিদার শীর্ষে হুয়াওয়ে জিআর ফাইভ

বাংলাদেশের বাজারে ছাড়ার মাত্র সাতদিনেই ২০০০ ইউনিট হুয়াওয়ে জিআর ফাইভ বিক্রি হয়েছে। এখন বাড়তি চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হুয়াওয়ে কর্তৃপক্ষের। অতি শিগগিরই বাড়তি চাহিদা মেটাতে নতুন স্টক আনছে হুয়াওয়ে।
হুয়াওয়ে টেকনলোজিস (বাংলাদেশ)-এর পণ্য পরিচালক, ইংমার ওয়্যাং বলেন, ‘ব্যাপক চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি শিগগিরই হুয়াওয়ে জিআর ফাইভ স্মার্টফোনটি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের মাঝে ফ্ল্যাগশীপ ফোন হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। যারা কিনা স্বল্প বাজেটে আধুনিক ফিচারসমৃদ্ধ স্মার্টফোনের দিকে সবসময় নজর দিয়ে থাকে যা তাদের জীবনযাত্রার মানের সঙ্গে সমান্তরালভাবে মানিয়ে যায়।’
হুয়াওয়ে জিআর ৫ স্মার্টফোনটি জি সিরিজের সর্বাধুনিক স্মার্টফোন। স্মার্টফোনটিতে আছে দ্বিতীয় প্রজন্মের ৩৬০ ডিগ্রি কোণে টাচ সমর্থনযোগ্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি। অত্যাধুনিক ১৩ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ও ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। ৫.৫ ইঞ্চির উজ্জ্বল ডিসপ্লে এবং আকর্ষণীয় ও আধুনিক ডিজাইন সম্বলিত স্মার্টফোনটি সহজেই তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ফোনটিতে রয়েছে ৫.১ অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ সিস্টেম, ২ জিবি র‌্যাম ও ১৬ জিবি অভ্যন্তরীণ মেমোরি যা মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে ১২৮ গিগাবাইট পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে। দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগনের অক্টা-কোর প্রসেসরসমৃদ্ধ আকর্ষণীয় ফ্ল্যাগশীপ ফোন জিআর ফাইভ-এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২২,৯৯০ টাকা।
উল্লেখ্য, দেশের বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনকে সঙ্গে নিয়ে নতুন মডেলের স্মার্টফোনটি উদ্বোধন করেছে হুয়াওয়ে। মাত্র ৩৫০ টাকায় ৪ গিগাবাইট ইন্টারনেট প্যাকেজ সুবিধাসহ ১২ মাসের ইএমআই বা কিস্তিতে হুয়াওয়ে জিআর ৫কিনতে পারবেন গ্রামীণফোনের স্টার গ্রাহকরা।

ফেসবুকে নতুন অপশনের ব্যবহার

ফেসবুকে লাইকের সাথে আনলাইক বাটন আনা নিয়ে বহুদিন থেকেই আলোচনা চলছে। কিন্তু ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে না নাকচ করে দেন মার্ক জুকারবার্গ। তবে নানা অনুভূতি প্রকাশের বিকল্প বাটন আনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।
এর প্রধান কারণ ফেসবুকে কোনো দুঃসংবাদের পোস্ট দেখে Like দেয়াটা অনেক সময় খুব বিব্রতকর হয়ে যায়। আর এই সমস্যা কাটাতেই পাঁচ রকমের প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ নিয়ে এলো ফেসবুক।
ভালোবাসা, হাসি, অভিভূত হওয়া, দুঃখিত আর রাগান্বিত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশে যথাক্রমে Love, Ha ha, Wow, Sad ও Angry বাটন এনেছে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
ফোসবুকের সব পোস্টেই Like এর ভেতরেই থাকছে এই পাঁচটি বাটন। ফোনে ফেসবুক ব্যবহার করলে Like-এর উপর কিছুক্ষণ টাচ করে থাকলেই নতুন অপশনগুলো দেখাবে। আর কম্পিউটারে ফেসবুক ব্যবহার করলে Like-এর চারপাশে মাউস কারসর ঘুরালেই অপশনগুলো চলে আসবে।
ভারত বাংলাদেশে এই অপশন এখনো তেমন জনপ্রিয় না হলেও ইতোমধ্যেই স্পেন, আয়ারল্যান্ড, চিলি, ফিলিপাইনসহ বেশকিছু দেশে ব্যাপকভাবে এটি ব্যবহার হচ্ছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, মানুষ সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেছে ‘লাভ’ অপশনটি।

হিংসা পরিত্যাজ্য

ইসলাম ডেস্ক: হাসাদ শব্দটি আরবি। এর অর্থ হিংসা করা। হাসাদ বা হিংসা একটি মারাত্মক বদগুণ। এটি এতই নিকৃষ্ট যে, এর কারণে সবাই কষ্ট পায়। যার প্রতি হিংসা করা হয় সে তো কষ্ট পায়ই, এমনকি খোদ হিংসুক নিজেও এর কারণে কষ্ট পায়। এছাড়াও হিংসার আগুন যখন জ্বলে উঠে তখন আশপাশের লোকও এ থেকে রেহাই পায় না। হাসাদ থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্য আল কোরআনে এরশাদ হচ্ছে, ‘আর (আশ্রয় চাচ্ছি) হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে।’ (সূরা ফালাক : ৫)।
কোরআনে হাসাদ
আল কোরআনের অনেক স্থানে হাসাদ বা হিংসার নিন্দাবাদ করা হয়েছে। বিশেষ করে হিংসুক জাতি ইহুদিদের আচরণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলা হয়েছে, তাদের অবাধ্যতার জন্য হাসাদ বা হিংসা নামের বদচরিত্রই দায়ী। যেমন— এক আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নাকি তারা মানুষের প্রতি এজন্য হিংসা করে যে, আল্লাহ তায়ালা তাদের স্বীয় করুণা দান করেছেন।’ (সূরা নিসা : ৫৪)। হাসাদ একটি চরম ঘৃণিত বদখাসিলত। তাই তো কোরআনে হাসাদ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় কামনা করতে বলা হয়েছে। সূরা ফালাকে বলা হয়েছে, ‘আর (আমি আশ্রয় চাই) হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে।’ হাসাদ বা হিংসা থেকে বারণ করে আল্লাহ তায়ালা অপর স্থানে বলেন, ‘আর তোমরা কামনা করো না ওই জিনিস, যা দিয়ে আল্লাহ তায়ালা তোমাদের কাউকে অপর কারো ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন।’
ইমাম কুরতুবি (রহ.) বলেন, ‘হাসাদ বা হিংসা করা নিন্দনীয় এবং হিংসুক নিজে সর্বদা চিন্তাযুক্ত থাকে। হিংসা নেক আমলকে সেভাবে খেয়ে ফেলে, যেভাবে আগুন কাঠকে খেয়ে ফেলে। বলা হয়, হাসাদ বা হিংসা হলো পৃথিবীর প্রথম পাপ, যা আসমানে করা হয়েছিল আর তা দুনিয়ারও প্রথম পাপ। আসমানে আদম (আ.) এর প্রতি হিংসা করেছিল ইবলিশ। আর জমিনে কাবিল হিংসা করেছিল তার ভাই হাবিলের প্রতি।’
হাদিসে হাসাদ
হাসাদ বা হিংসা একটি মারাত্মক বদগুণ বা হারাম স্বভাব। অসংখ্য হাদিসে এ ব্যাপারে উম্মতকে সতর্ক করা হয়েছে। যেমন— আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা পরস্পরের প্রতি হাসাদ করো না, একে অন্যের পেছনে পড় না। আর তোমরা পরস্পর ভাই হিসেবে আল্লাহর বান্দা হয়ে যাও।’ আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত অপর এক হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা হিংসা করা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা হিংসা নেক আমলকে সেভাবে খেয়ে ফেলে, যেভাবে আগুন কাঠকে খেয়ে ফেলে।’
সালাফদের দৃষ্টিতে হাসাদ
* মোয়াবিয়া (রা.) বলেন, কোনো নেয়ামতের প্রতি হিংসাকারীকে ব্যতীত প্রত্যেক মানুষকে খুশি করা যায়। কারণ হিংসুক নেয়ামত ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত খুশি হয় না।
* মুহাম্মদ ইবনে সিরিন (রহ.) বলেন, আমি দুনিয়াবি ব্যাপারে কখনও কোনো মানুষের প্রতি হিংসা করি না। কারণ, যদি সে জান্নাতি হয় তবে কীভাবে আমি দুনিয়া নিয়ে তার সঙ্গে হিংসা করতে পারি। অথচ জান্নাতের তুলনায় খুবই নগণ্য। আর যদি সে জাহান্নামি হয়, তবুও কীভাবে আমি তার প্রতি হিংসা করতে পারি। কেননা, সে তো জাহান্নামি।
* হাসান বসরি (রহ.) বলেন, আমি হিংসুকের মতো এমন জালেমকে দেখিনি, যে জালেম হয়েও মজলুমের সঙ্গে সাদৃশ্য রাখে। সে সর্বদা আফসোস করে, সার্বক্ষণিক টেনশনে ভোগে এবং বিরামহীন দুশ্চিন্তায় আক্রান্ত থাকে।
* আবু হাতেম (রহ.) বলেন, কোনো জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য কখনও কোনো হিংসুকের সোহবতে যাওয়া সমীচীন নয়। কারণ, হিংসুকের সবচেয়ে নিকৃষ্ট খাসিলত হলো সে আল্লাহর ফয়সালায় অসন্তুষ্ট। বরং সে আল্লাহর হুকুমের বিপরীত ইচ্ছা করে। আর অন্তরে মুসলিম ভাইয়ের নেয়ামত ধ্বংসের জন্য চিন্তা ফিকির করে।
* খাত্তাব ইবনে নুমাইর বলেন, হিংসুক এক ধরনের পাগল। কারণ সে ভালো ও মন্দ সবকিছুর প্রতিই হিংসা করে থাকে।
* আবুল লাইছ সমরখন্দি (রহ.) বলেন, হিংসাকৃতের প্রতি হিংসুকের হিংসা পৌঁছার আগে তার কাছে ৫টি শাস্তি এসে পৌঁছে থাকে। যথা— (১) নিরবচ্ছিন্ন চিন্তা, (২) বিনা সওয়াবের মুসিবত, (৩) লাঞ্ছনা, (৪) আল্লাহর ক্রোধ এবং (৫) তৌফিকের দরজা বন্ধ হওয়া।
হাসাদের ক্ষতি
হাসাদের অনেক ক্ষতি আছে। যেমন—
* হাসাদ শারীরিক রোগের জন্ম দেয়।
* মানুষের কাছে হিংসুকের সামাজিক মর্যাদা কমে যায়।
* মানুষ তাকে ঘৃণা করে।
* সে আল্লাহর নাখোশি অর্জন করে।
* আত্মীয়-বন্ধুদের সঙ্গে তার সম্পর্ক নষ্ট করে।
* হাসাদ থেকে গিবত ও চোগলখোরি নাম দুইটি বদখাসিলত সৃষ্টি হয়।
* হাসাদের কারণেই জুলুম, শত্রুতা, চুরি, হত্যাকা- ইত্যাদি ঘটনা ঘটার পথ তৈরি হয়।
হাসাদে নিপতিত হওয়ার কারণ
হাসাদ বা হিংসায় নিপতিত হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। ইমাম গাজালি (রহ.) হিংসায় নিপতিত হওয়ার সাতটি কারণ বর্ণনা করেছেন। যেমন—
* শত্রুতা : শত্রুতা হিংসা সৃষ্টি করে। মানুষ শত্রুর প্রতি হিংসা করে থাকে। কারণ কোনো মানুষ কখনও তার শত্রুর ভালো দেখতে পারে না। তাই সর্বদা সে তার অকল্যাণ কামনা করে এবং তার নেয়ামতের ধ্বংস কামনা করে।
* নিজেকে অধিক সম্মানিত মনে করা : এ স্বভাবটি মানুষকে হিংসুক বানায়। বিশেষ করে সে যখন এমন কাউকে দেখে যে জ্ঞান ও সম্মানে তাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তখন সে জ্ঞানে বা মর্যাদায় তাল মেলাতে না পেরে তার প্রতি হিংসা করা শুরু করে। এটি এক ধরনের অহমিকাও বটে।
* অহঙ্কার : অহঙ্কার মানুষকে হিংসুক বানায়। কারণ অহঙ্কারী সর্বদা নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করে থাকে। তাই যখনই সে কাউকে তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে দেখে অহঙ্কারবশত সে তখন তার ওপরে উঠতে চায়। কিন্তু অপারগ হয়ে অবশেষে সে হিংসার আগুনে জ্বলতে থাকে।
* তাআজ্জুব বা উজবধারী হওয়া : উজব হলো নিজের সিদ্ধান্তকে ভালো ও একমাত্র সঠিক মনে করা। এ অভ্যাস মানুষকে হিংসুক বানায়। কারণ, উজবধারী যখন দেখে তার সমকক্ষ কেউ তার ওপরে চলে যাচ্ছে, এটা সে সহ্য করতে পারে না। ফলে সে হিংসা করা শুরু করে।
* উদ্দেশ্য হাসিলে ব্যর্থ হওয়া : কেউ যদি অন্যের কারণে নিজের উদ্দেশ্য হাসিলে ব্যর্থ হয়, তখন সে ওই ব্যক্তির প্রতি হিংসা করতে শুরু করে।
* নেতৃত্বের লোভ : নেতৃত্বের লোভ মানুষকে হিংসুক বানায়। তাকে মাড়িয়ে যদি কেউ নেতা হতে চায়, তবে সে ওই ব্যক্তির প্রতি হিংসা করে থাকে।
* মনের কুটিলতা : অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই শুধু নফসের অপবিত্রতার কারণেও মানুষ অন্যের প্রতি হিংসা করে থাকে।
হাসাদ পরিত্যাগে সহায়ক গুণাবলি
হাসাদ বা হিংসা করা মারাত্মক গোনাহের কাজ। তাই তা তরক করা জরুরি। কিছু অভ্যাস আছে যা চর্চা করলে হাসাদ পরিত্যাগ করা সহজ হয়। যেমন—
* মানুষের মুআমেলা থেকে অন্তরকে বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহর প্রতি মনকে ঝুঁকিয়ে রাখা এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করা।
* দুনিয়ার বিষয় নয়, বরং আখেরাতের বিষয়ে প্রতিযোগিতা করা।
* মানুষের জন্য কল্যাণ কামনা করার ব্যাপারে ছোটকাল থেকে অভ্যাস গড়ে তোলা।
* অন্যের কল্যাণ দেখলে মাশাআল্লাহ বলার বা বরকতের দোয়া করার অভ্যাস গড়ে তোলা।
* অন্যের জন্য দোয়া করা। বিশেষ করে কারও মাঝে কোনো নেয়ামত দেখলে তার জন্য বেশি বেশি দোয়া করা।
* আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকা।
* হিংসার পরিণতি সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করা। এমন ভাবা যে, হিংসা নেক আমলকে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়।
* মানুষের ঘৃণার ভয় করা। কারণ হিংসুককে সবাই ঘৃণা করে।
* হিংসার বিপরীত কাজ করা। যেমন— হিংসা অনেক সমালোচনা করতে উৎসাহিত করে। তা না করে অন্যের প্রশংসা করা।
* শাহওয়াতকে দমন করে তাকে আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক কাজে আত্মনিয়োগ করা।
হাসাদ বা হিংসার ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়
হিংসুকের ক্ষতি থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায় রয়েছে। যথা—
* আল্লাহ তায়ালার কাছে আশ্রয় চাওয়া। কারণ তিনিই বাঁচানোর একমাত্র মালিক। তাই তো তিনি সূরা ফালাকে এ কথা বলতে শিক্ষা দিয়েছেন, ‘আর (আশ্রয় চাচ্ছি) হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে।’
* তাকওয়া ও সবর এখতিয়ার করা। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর যদি তোমরা সবর করো এবং আল্লাহকে ভয় করো তবে তাদের চক্রান্ত তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’
* শত্রুর শত্রুতার ওপর ধৈর্যধারণ করা। কেননা সবুরে মেওয়া ফলে।
* আল্লাহর ওপর ভরসা করা। কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহ তায়ালাই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।’
* অন্যের হিংসার প্রতি মনোনিবেশ না করা এবং তা নিয়ে চিন্তাফিকির না করা।
* আল্লাহ তায়ালার প্রতি মনোনিবেশ করা এবং সবাইকে মহব্বত করা।
* গোনাহ থেকে তওবা করা। কারণ গোনাহর কারণেই মুসিবত আসে।
* সদকা করা। কারণ সদকার দ্বারা মুসিবত দূর হয়।
* হিংসুকের প্রতি এহসান করে তার অন্তর্জ্বালা দূর করা।
* এ বিশ্বাস করা যে, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ কোনো ক্ষতি করতে পারে না।

কানাইঘাটের গোসাইনপুরে তাফসীরুল কুরআন মাহফিল সোমবার


কানাইঘাট উপজেলার সদর ইউপি'র গোসাইনপুর জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে আল-আমিন ইসলামী সমাজ কল্যাণ সংস্থা গোসাইনপুর এর উদ্যোগে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার ৪র্থ তম তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১টা হতে মধ্যরাত পর্যন্ত চলা মাহফিলের সভাপতিত্ব করবেন জামেয়া দারুল উলূম দারুল হাদীস কানাইঘাটের মুহতামিম হযরত মাওলানা মুহাম্মদ বিন ইদ্রীস লক্ষীপুরী,বীরদল মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা গোলাম ওয়াহিদ,মাওলানা আব্দুশ শাকুর গোসাইনপুরী। উক্ত তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে দেশের নবীন ও প্রবীণ উলামায়েকেরাম তাফসীর পেশ করবেন। তাফসীর মাহফিলে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের শরিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন আল-আমিন ইসলামী সমাজ কল্যাণ সংস্থা গোসাইনপুর এর সকল সদস্যবৃন্দ।(বিজ্ঞপ্তি)

ভালো বই মন্দ বই


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
জ্ঞানার্জনে পাঠের বিকল্প নেই। যে যত বেশি পড়বে সে তত শিখবে। জ্ঞানার্জনের যেমন কোনো বাঁধাধরা সময় নেই, তেমনি নেই দূরত্বের পরোয়া। ‘ইকরা’ শব্দ দিয়ে বিশ্ববাসীর জন্য আল্লাহ তায়ালা অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেয়ামত কোরআন অধ্যয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (সা.) নিজে কোরআন অধ্যয়ন করতেন পাশাপাশি সব সাহাবা (রা.) কে শিখিয়েছেন। সাহাবারা এতবেশি কোরআন অধ্যয়ন করতেন যে প্রায়ই সারা রাত পার হয়ে ভোর হয়ে যেত। ইমাম মালেক (রা.) সম্পর্কে প্রসিদ্ধ আছে যে, পাঠের নিমগ্নতায় বেখেয়ালে বাবার দেয়া এক গ্লাস কেরোসিন পান করেছিলেন অথচ উনি ধরতে পারেননি। বহুবিধ জ্ঞানার্জনের জন্য ইবনে বতুতা পৃথিবীব্যাপী চষে বেরিয়েছেন। মানুষের জানার, বোঝার ও শেখার কোনো সীমারেখা নেই, তেমনি পাঠের কোনো শেষ নেই। মানুষের দুই ধরনের ক্ষুধার সৃষ্টি হয়। একটি হলো দৈহিক ক্ষুধা, অন্যটি মানসিক ক্ষুধা। দৈহিক ক্ষুধার চাহিদা সাময়িক এবং সহজলভ্য। মানসিক ক্ষুধার চাহিদা এর সম্পূর্ণ উল্টো। এটা পূরণ করাও খুব কঠিন যেটা পাঠের মাধ্যমেই নিবারণ হয়। জানার জন্য পড়তে হবে। পড়ার মাধ্যমই বই। পৃথিবীতে জ্ঞান-বিজ্ঞানে যারা সফলতার শীর্ষে অধিষ্ঠিত হয়েছে তাদের সফলতার মূলমন্ত্র ছিল অত্যধিক ও সঠিক পাঠ। পাঠের নিমগ্নতা তাদের কালজয়ী করে তুলেছে। বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ পাঠে এতটাই নিমগ্ন থাকতেন যে, লাইব্রেরির কেয়ারটেকার প্রায়ই ভুলে উনাকে ভেতরে রেখেই তালাবদ্ধ করে চলে যেতেন! উনার অগাধ পা-িত্যের পেছনে একমাত্র অবদান ছিল অত্যধিক পাঠ। একটা ভালো বই আপনার জীবনকে আলোকময় করে তুলবে, যে আলোর ফোয়ারায় পৃথিবীর চারপাশ ঝলমল করে উঠবে। আবার একটা মন্দ বই আপনার বিশ্বাসের মূলে কুঠারাঘাত করে আপনাকে নিক্ষেপ করতে পারে পঙ্কিলতার অতল গহ্বরে। নীতি-নৈতিকতা হারিয়ে আপনি হয়ে উঠবেন মানুষের পোশাকে একটা পশু মাত্র। বর্তমান সমাজে ধর্মহীনতার যে সয়লাব তার অন্যতম কারণ ভুল তত্ত্ব ও তথ্যে ভরপুর বইয়ের বিস্তৃতি। কাল্পনিক ও প্রমাণহীন তথ্যে ভরপুর বইকে সহজলভ্য করে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। সঠিক শিক্ষা না থাকার কারণে ছেলেমেয়েরা সহজেই অবিশ্বাসের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে সমাজ-রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।
বইয়ের ভালো-মন্দ কী? ‘অ’-তে অজগর ওই আসছে তেড়ে পড়ে যে শিশু মনে অজগরের ভয় নিয়ে পড়াশোনার হাতেখড়ি হয় তার মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ আর ‘অ’তে অজু করে নামাজ পড়ি শিখে যে শিশু মহান রবের পদতলে নিজেকে সমর্পণ করতে শিখে শিক্ষার হাতেখড়ি হয় তার বিকাশ কখনও এক হবে না। বর্তমান সামাজিক অস্থিরতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাহীনতা, সম্মানবোধ ও সম্প্রীতির অভাব তরুণ সমাজের মাঝে ব্যাপক আকারে বিরাজ করছে তার অন্যতম কারণ, ভুল বই পড়ে ভুল শিক্ষা গ্রহণ। সঠিক শিক্ষার অভাবে আজকের তরুণ কাঁচা অর্থের লোভে বই ফেলে টেন্ডারবাজিতে জড়িয়ে যচ্ছে। কলম ছুড়ে ফেলে হাতে তুলে নিচ্ছে মরণঘাতী অস্ত্র। যুবসমাজের দৃঢ়তা আজ তলানিতে ঠেকেছে। অল্প সময়েই হতাশাগ্রস্ত হয়ে হাতে তুলে নিচ্ছে মদ, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল ও হেরোইনের মতো জীবনবিনাশী নেশাদ্রব্য, পরিবারে পরিবারে অশান্তির আগুন ক্রমেই বেড়েই চলেছে, অনেকেই বেছে নিচ্ছে আত্মহননের পথ। শিশু মস্তিষ্ক অনুধাবন ও সংরক্ষণ ক্ষমতায় পরিপূর্ণ থাকে, ফলে সে যা শিখে পরবর্তী জীবনে তার প্রতিফলন দেখা যায়। একজন ছাত্রের হাতে সঠিক বই তুলে দিতে ব্যর্থ হলে সে ভুল শিক্ষাকেই সত্য মেনে বড় হবে, যা পরবর্তী সময়ে সমাজ-রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর বিবেচিত হবে- এটা অনস্বীকার্য।
সৎসঙ্গের মতো ভালো বইয়ের সঙ্গ আপনাকে আলোকময় করে তুলবে। ভালো বইকে নিত্যসাথী করতে হবে। শিশুর হাতে তুলে দিতে হবে ভালো বই। অশ্লীল বই বর্জন করতে হবে। কারণ ভালো বই যেভাবে আপনাকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে, তেমনি অশ্লীল, অনৈতিক ও ধর্ম-কর্মহীন বই আপনাকে খারাপ বানাবে। মানবজীবনে ভালো বইয়ের বিকল্প নেই। ব্যক্তি ও পরিবারকে আলোকময় করার মাধ্যমে সমাজকে আলোকিত, উন্নত ও সুখী করতে ভালো বই হয়ে উঠবে আলোকবর্তিকা। সঠিক জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক জীবন হয়ে উঠবে আরও সমৃদ্ধ।

স্বাধীনতা সুরক্ষায় করণীয়


মাহমুদ হাসান:
মহান আল্লাহ একমাত্র মানুষকেই স্বাধীন সত্তা হিসেবে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আর তার স্বাধীন বিচরণক্ষেত্র হিসেবে সৃষ্টি করেছেন বিশাল পৃথিবী। পরাধীনতা মানবজীবনের সবচেয়ে বড় বঞ্চনার নাম। স্বাধীনতা ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও পালন কোনোটাই যথার্থভাবে সম্ভব নয়। সে কারণেই মুসা (আ.) জন্মভূমি মিসর ছেড়ে একটি স্বাধীন ভূখ-ের অনুসন্ধানে নীল দরিয়া পাড়ি দিয়েছিলেন। মুহাম্মদ (সা.) প্রিয় মাতৃভূমি মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় গিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
আমরা মূলত দুইবার স্বাধীন হয়েছি, একবার ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের থেকে। এরপর যখন পাকিস্তানিদের দ্বারা আবার বঞ্চনার স্বীকার হলাম, ১৯৭১ সালে ৯ মাস যুদ্ধ করে পেয়েছি পূর্ণাঙ্গভাবে চূড়ান্ত স্বাধীনতা। অথচ পৃথিবীতে এমন অনেক জাতি আছে, যারা যুগের পর যুগ যুদ্ধ করে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে পারছে না। মানুষের কোনো প্রচেষ্টাই সফলতার মুখ দেখে না যতক্ষণ না আল্লাহর ইচ্ছা তার সঙ্গে সংযুক্ত হয়। অতএব আমি যদি বুদ্ধিমান হয়ে থাকি তাহলে বিজয় বা স্বাধীনতা এ ধরনের নেয়ামতের ক্ষেত্রে আমাদের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্চারণ হবে এগুলো আল্লাহরই দান।

মুসা (আ.) এর বিজয়ের ইতিহাস প্রসঙ্গে কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘যখন মুসা স্বজাতিকে বললেন, তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ করো, যখন তিনি তোমাদের ফেরাউন সম্প্রদায়ের কবল থেকে মুক্তি দেন। তারা তোমাদের অত্যন্ত নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি দিত, তোমাদের ছেলেদের হত্যা করত এবং মেয়েদের জীবিত রাখত। এতে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে বিরাট পরীক্ষা হয়েছিল। যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো, তবে তোমাদের আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।’ (সূরা ইবরাহিম : ৬-৭)।

এখানে মুক্তি ও বিজয় লাভের পর মুসা (আ.) কে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে, এ বিজয় বা মুক্তি মহান আল্লাহর দান এবং এর জন্য উচিত তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা আদায় করা। অন্যথায় এ স্বাধীনতা দীর্ঘস্থায়ী হবে না বরং পরাধীনতার শাস্তি অবধারিত। আর এজন্য মুসা (আ.) বিজয় দিবসে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ রোজা পালন করেছিলেন।

আবার মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয়ের শুকরিয়া আদায় করেছেন ৮ রাকাত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে এবং মক্কা বিজয়ের ঐতিহাসিক ভাষণে তাঁর অভিব্যক্তি ছিল এমন, ‘সব প্রশংসা মহান আল্লাহর, যিনি তাঁর প্রতিশ্রুতিকে (বিজয়) সত্যে পরিণত করেছেন, আপন বান্দাকে বিজয়ী করেছেন এবং একাই শত্রুপক্ষকে পরাজিত করেছেন।’ (বোখারি : ১৭০৩)। এখানে নিজেদের পরিকল্পনাকে নয়, নিজেদের বাহিনীকেও নয়; বরং তিনি পুরো কৃতিত্ব দিচ্ছেন মহান আল্লাহকে।

বিজয়ে ইসলামের শিক্ষা হলো বিনীত হওয়া, উদ্ধত না হওয়া, অহঙ্কারী না হওয়া এবং আচরণে সীমালঙ্ঘনকারী না হওয়া। মক্কা বিজয়ের পর রাসুল (সা.) তাই করেছিলেন।

মক্কা বিজয় হলো। আবু জাহেল নিহত হয়েছে বদর যুদ্ধে। তার ছেলে ইকরামা বিন আবি জাহল সে জীবনের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তার স্ত্রী এসে রাসুল (সা.) এর কাছে এসে মুসলমান হয়ে নিজের স্বামী ইকরামার জন্য নিরাপত্তা চান। রাসুল (সা.) তাকে পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। ইকরামা খবর পেয়ে রাসুলের দরবারে আসে।

এদিকে রাসুল (সা.) ইকরামার আগমনের কথা টের পেয়ে উপস্থিত সাহাবাদের উদ্দেশে বলেন, ‘ইকরামা আসছে মুসলমান হওয়ার জন্য। তোমরা তার বাবাকে গালি দেবে না। মৃত ব্যক্তিকে গালি দিলে তা তাদের জীবিত স্বজনরা কষ্ট পায়। অথচ মৃত ব্যক্তির কাছে গালিটা পৌঁছে না।’ (কানজুল আমল : ৩৩৬২৫)।

মানুষের জীবনের যত সফলতা আসে তা সবই আল্লাহ তায়ালার দান। অথচ বিপদ কেটে গেলেই মানুষ তা বেমালুম ভুলে যায়। এরশাদ হচ্ছে, ‘মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে, এরপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষ থেকে নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে, এটা তো আমি আগের জানা মতেই প্রাপ্ত হয়েছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।’ (সূরা জুমার : ৪৯)।

বিপদে পড়লে মানুষ কায়মনো বাক্যে আল্লাহকে ডাকে; কিন্তু বিপদ কেটে যাওয়ার পর সে নিজের কৌশল, মেধা, শক্তি-সামর্থ্য, দল ও নিজের জনসমর্থনকে বড় করে দেখে। এখন এই সুখের উপকরণটিই যেন আল্লাহ ও বান্দার মাঝে এক ধরনের প্রাচীর তুলে দেয়। এখানে আল্লাহর কোনো অনুগ্রহ বা সাহায্য সে খুঁজে পায় না। যদি মানুষ স্বাধীনতা লাভের পর আল্লাহকে ভুলে যায়, তার হুকুম পালনে অনীহা প্রকাশ করে; তাহলে বাহ্যিক স্বাধীনতা থাকলেও জানমালের কোনো নিরাপত্তা থাকবে না। মহামারী, দুর্ভিক্ষ ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় তাদের পিছু ছাড়বে না। একথাই যেন ধ্বনিত হয়েছে নিম্নোক্ত আয়াতে, ‘আল্লাহ দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন একটি জনপদের, যা ছিল নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত, তথায় প্রত্যেক জায়গা থেকে আসত প্রচুর জীবনোপকরণ। অতঃপর তারা আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল। তখন আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের কারণে স্বাদ আস্বাদন করালেন, ক্ষুধা ও ভীতির।’ (সূরা নাহল : ১১২)।

লেখক : খতিব, এয়ারপোর্ট মসজিদ
শমসের নগর, মৌলভীবাজার

আইসক্রিম ভক্ত কারিনা


বিনোদন ডেস্ক,কানাইঘাট নিউজ: বলিউডের তন্বী চেহারার নায়িকাদের মধ্যে তাঁর নাম সর্বাগ্রে৷ কয়েক বছর আগে তাঁর 'সাইজ জিরো' নিয়ে কম হইচই হয়নি৷ ফলে ধরেই নেওয়া যেতে পারে করিনা কাপুরের মেনু থেকে আইস ক্রিম একেবারেই ব্রাত্য৷ তা এখনকার পরিস্থিতিতে কারিনা আইসক্রিম নাই খেতে পারেন৷ কিন্তু নিজেই বলেছেন, স্কুলে পড়ার সময় দিনের মধ্যে বারকয়েক আইসক্রিম খেতেন তিনি৷ স্কুলে যাওয়ার সময়, আবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময়, রাস্তায় আইসক্রিম ছিল তাঁর 'মাস্ট হ্যাভ'৷ কারিনা বলেন, 'মা বাড়িতে একেবারেই আইসক্রিম খেতে দিতেন না৷ তাই যাওয়া-আসার সময়টুকু সদব্যবহার করতাম৷ আর এতেই আমার পকেটমানি খরচ হয়ে যেত৷' তাঁর বর সাইফ আলি খানও নাকি আইসক্রিমের ভক্ত বলে জানালেন কারিনা৷ 'অনেক সময় সাইফকে মনে করিয়ে দিতে হয় ও দুটো আইসক্রিম খেয়ে ফেলেছে, তবে ও থামে'- জানালেন বেবো।

২য় পদ্মা সেতুর কাজও শুরু হবে


রাজবাড়ী: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, পদ্মা নদীর ওপর নির্মাণাধীন শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি সেতুর কাজ শেষ হওয়ার আগেই দৌলতদিয়া থেকে পাটুরিয়া পর্যন্ত দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। আজ শনিবার রাজবাড়ী সার্কিট হাউজে জেলার পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, এ জেলার স্বাস্থ্যসেবাসহ রাস্তা-ঘাট, আবাসন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজের আরও উন্নতি করা হবে। জেলাবাসীর আগ্রহ ও সহযোগিতা পেলে রাজবাড়ীর দ্রুত উন্নয়ন সহজেই সম্ভব হবে। জেলা প্রশাসক জিনাত আরার সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জিল্লুল হাকিম, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী কেরামত আলী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য কামরুন্নাহার চৌধুরী (লাভলী), সংসদ সদস্য সানজিদা খানম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ আকবর আলী ও পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির। মতবিনিময় সভা শেষে এলজিআরডি মন্ত্রী তার সম্মানে রাজবাড়ী জেলা বার এ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এছাড়া তিনি শনিবার দুপুর ১টায় স্থানীয় ইয়াছিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত তিনতলা ভবন উদ্বোধন করেন।

‘আমরা নারীরা পিছিয়ে থাকিনি, থাকবো না’


ঢাকা: বাংলাদেশের সবক্ষেত্রে নারীদের ভূমিকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজ আমরা নারীরা সবক্ষেত্রেই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছি। আমরা পিছিয়ে থাকিনি, থাকবোও না। আজ শনিবার বিকালে রাজধানীর বেইলি রোডে মহিলা সমিতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহিলা সমিতির নবনির্মিত কমপ্লেক্সের উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সমাজে নারীরা খুব পিছিয়ে ছিল। জাতির পিতাই সর্বপ্রথম চাকরিতে নারীদের জন্য ১০ ভাগ বরাদ্দ দেন। নির্যাতিত ও দুস্থ নারীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেন। নারীদের শিক্ষা অবৈতনিক করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেন। আমাদের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন জাতির পিতার অবদান। আজ সমাজে নারীদের যে অবস্থান এর ভিত্তিটা রচনা করে গেছেন জাতির পিতা। শেখ হাসিনা বলেন, মহিলা সমিতির নাট্যমঞ্চ আমার অনেক পরিচিত। প্রায়ই এখানে আসতাম। অনেক সময় লুকিয়ে আসতে হতো। ব্যক্তিগতভাবে আমি নাটক দেখতে পছন্দ করি। তবে এখন আর আসার সুযোগ হয় না। তবে মহিলা সমিতির সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। এ সময় তিনি মহিলা সমিতির বিভিন্ন অবদানের কথা উল্লেখ করেন। মহিলা সমিতির প্রতিষ্ঠাতাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এই ভবনের উদ্বোধন করতে পারায় মহিলা সমিতি কর্তৃপক্ষের কৃতজ্ঞতাও জ্ঞাপন করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ক্ষমতা গ্রহণের পর দেখলাম উচ্চপদে কোনো নারী নেই। আমিই প্রথম সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে নারী বিচারপতি নিয়োগ করলাম। দেশের দুইটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ভিসি দিলাম। বুয়েটের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ভিসি দিলাম। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে গণ্ডগোল লেগেই থাকতো সেখানে নারী ভিসি নিয়োগ দেয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি পদে নারীকে নিয়োগ দিয়েছি। আমার আরেকটি ইচ্ছা আছে। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলে দিয়েছি। আশা করি সেটা পূরণ হবে। শেখ হাসিনা বলেন, এসব উচ্চপদে যখন নারীদের বসাই তখন অনেকেই বিরোধিতা করেছে। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার পর নারীরা যে দক্ষতা দেখিয়েছে তাতে সবাই খুশি।

নির্বাচন নিয়ে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে বিএনপি


ঢাকা: বিএনপি নিজেরাই নিজেদের জন্য বড় বাধা, তারা ভয়কে জয় করতে পারে না বলে নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ শনিবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর গ্রামে বেঙ্গল ফিড অ্যান্ড ফিশারিজ লিমিটেডের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। কাদের বলেন, বড় দলের বড় সাহস না থাকলে দল সংকুচিত হয়ে যায়। বর্তমানে বিএনপি এ অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় প্রতীকে ভোট দেয়ার কারণে বিএনপি এখন ইউনিয়ন পর্যায়েও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট করছে। এজন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে তাদের ধন্যবাদ দেয়া উচিত। সেতুমন্ত্রী বলেন, এই ফিসফিড প্রতিষ্ঠার ফলে এই এলাকার ৩০০ লোকের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি জাতীয় পুষ্টিতে বিরাট অবদান রাখবে। বেসরকারি এই ধরনের আরও উদ্যোগ গ্রহণ করে দেশকে আরও এগিযে নিতে ব্যবসায়ীসহ বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়াম্যান ও সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বেগমগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরন, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক বদরে মুনির ফেরদৌস, জেলা পরিষদের প্রশাসক ডাক্তার জাফর উল্লাহ, চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র আখতার হোসেন ফয়সল।

অমিত হাসানের ভূত হিজড়া সাইমন!

ঢাকাই চলচ্চিত্রে সুদিন বইছে। বর্তমান সময়ের অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা যেকোনো চরিত্রের নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন। সম্প্রতি হিজড়া চরিত্রের জন্য নিজেকে শপে দিলেন ‘পোড়া মন’ খ্যাত রোমান্টিক হিরো সাইমন।
আকাশ আচার্যের পরিচালনায় ‘মায়াবিনী’ ছবির মাধ্যমে ভিন্ন রূপে দর্শকদের সামনে হিজড়া হয়ে সিনে পর্দায় আসছেন এ হিরো। তবে এ ছবিতে শুধু সাইমনই নন; হিজড়া চরিত্রে আরো অভিনয় করবেন একসময়ের রোমিান্টিক হিরো অমিত হাসান।
ছবির গল্পে অমিত হাসানের মৃত্যুর পর তিনি ভূত হয়ে ভর করেন সাইমনের উপর। তাতেই এ বিপত্তি। চলচ্চিত্রে সাইমনের নায়িকা হচ্ছেন আইরিন।
এ ছাড়া কাজী হায়াত, সিবা শানুসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছেন। ভিন্নধারার গল্প নিয়ে নির্মিত এ সিনেমাটি মুক্তি পাবে এবছর।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩