কানাইঘাট পৌরসভার মাসিক সভায় তুলকালাম কান্ড !

Kanaighat News on Sunday, December 31, 2017 | 8:23 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: রবিবার বেলা ১২টায় কানাইঘাট পৌরসভার মাসিক সভায় পৌরসভার বিগত দিনের আয় ব্যায়ের হিসাব নিয়ে মেয়র নিজাম উদ্দিন ও কয়েকজন কাউন্সিলরের মধ্যে বাকবিতন্ডা নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটেছে। এ সময় মেয়র নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে একক ভাবে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালনা ও নানা অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে মাসিক সভা বয়কট করেন পৌরসভার ৭জন কাউন্সিলর। তারা সভা বয়কট করে কানাইঘাট বাজারস্থ নোয়াম সেন্টারে পৌরসভার অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে তারা নানা শ্লোগান দিয়ে মিছিল সহকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানার কাছে মেয়র নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ দেন। তবে পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন তার বিরুদ্ধে কতিপয় কাউন্সিলর কর্তৃক মাসিক সভায় হট্টগোল সৃষ্টি করে পৌরসভার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ এনেছেন। পৌরসভার মাসিক সভা নিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি, পৌর কার্যালয়ের সামনে ৭জন কাউন্সিলারদের বিক্ষোভ প্রদর্শন নিয়ে পৌর নাগরিকদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভকালে বিপুল সংখ্যক লোকজন সেখানে জমায়েত হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সভা বয়কটকারী কয়েকজন কাউন্সিলার জানিয়েছেন, কানাইঘাট পৌরসভার বর্তমান পরিষদের প্রায় ২ বছর অতিবাহিত হলেও অদ্যবধি পর্যন্ত মেয়র নিজাম উদ্দিন মাসিক সভায় পৌরসভার রাজস্ব খাত সহ আয় ব্যায়ের কোন ধরণের হিসাব প্রদান করেননি। আজকের মাসিক সভায় মেয়র নিজাম উদ্দিন পৌরসভার রাজস্ব খাত সহ অন্যান্য উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের হিসাব ও পৌরসভার পূর্বের মাসিক রেজুলেশনের কপি কাউন্সিলারদের কাছে দেওয়ার কথা ছিল। সভার শুরুতে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলার বিগত দিনের পৌরসভার হিসাব নিকাশের তালিকা প্রকাশ করার জন্য মেয়রের নিকট দাবী জানালে তিনি দাবী উত্তাপনকারী কাউন্সিলারদের সভা থেকে বের হওয়ার জন্য বললে এ নিয়ে সভায় বাকবিতন্ডা ও হট্টগোল সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ৭জন কাউন্সিলার সভা বয়কট করে বের হয়ে যান। কাউন্সিলারদের অভিযোগ মেয়র নিজাম উদ্দিন গত মাসের মাসিক সভায় কাউন্সিলাদের দাবীর প্রেক্ষিতে তিনি বলেছিলেন আগামী মিটিংয়ে রাজস্ব খ্যাত সহ সকল হিসাব নিকাশ নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু এরই মাঝে মেয়র নিজাম উদ্দিন তার কথা বদলীয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর নিজের মনগড়া এজেন্ডা দিয়ে মাসিক সভার চিঠি ইস্যু করেছেন। আজকের সেই নির্ধারিত সভায় ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুক আহমদ, ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাওলানা ফখরুদ্দীন, ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবিদুর রহমান, ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজী শরীফুল হক, সংরক্ষিত ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসমা বেগম, ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আছিয়া বেগম, ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রহিমা বেগম তাদের বক্তব্যে রাজস্ব খাত সহ গত সভার কথা উল্লেখ করে বক্তব্য রাখলে মেয়র নিজাম উদ্দিন তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন বলে তাদের অভিযোগ। তাদের দাবী মাসিক সভার রেজিষ্টার খাতার স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তের কপি তিনি গোপন করে রাখেন ও মাসিক সভার সিন্ধান্তের কপি কাউন্সিলারদের দেন না। মেয়র তার নিজের মনগড়া আইনে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালনা করে উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে সীমাহীন দূর্নীতি ও অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি,ওয়ার্ড ভিত্তিক উন্নয়নে বৈষম্য করে যাচ্ছেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে কাউন্সিলর ও মেয়রের মধ্যে এক ধরণের বিরোধ চলে আসছে। কয়েক মাস পুর্বে পৌরসভার ৯জন কাউন্সিলর মেয়র নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে এনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক বরাবরে দরখাস্ত দিয়েছিলেন। পরে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে তা সমাধান করা হয়েছে বলে জানান সভা বয়কটকারী কাউন্সিলাররা। এ ব্যাপারে মেয়র নিজাম উদ্দিনে সাথে তার কার্যালয়ে সাক্ষাতকালে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, পৌরসভার মাসিক সভা বয়কটকারী ৭জন কাউন্সিলার তার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনেছেন তার কোন ভিত্তি নেই। মিথ্যা অপপ্রচার তারা চালাচ্ছে আমার বিরুদ্ধে। পৌরসভার যাবতীয় হিসাব নিকাশ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সকলের মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। আজকের সভায় এজেন্ডা ভিত্তিক আলোচনার শুরুতেই কাউন্সিলার মাসুক আহমদ ও শরিফুল হক অযথা বিশৃঙ্খলা তৈরি করে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সভা মূলতবী করা হয়। পৌরসভার রাজস্ব খাত সহ অন্যান্য উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের হিসাব নিকাশ জবাব দিহিতার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে এ নিয়ে সভা বয়কটকারী কাউন্সিলারদের প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালকবৃন্দ পৌরসভার কার্যালয় পরির্দশন করে তদন্ত করে সব কিছু সঠিক পেয়েছেন। পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন, পৌরসভাটি ৩য় গ্রেড থেকে তার আমলে ২য় গ্রেডে উন্নীত হয়েছে। জাইকার কার্যক্রম এখানে চলছে। একটি কু-চক্রী মহলের যোগসাজশে পৌরসভার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ব্যাহত করার জন্য কয়েকজন কাউন্সিলর তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা চালাচ্ছেন।

নব নির্বাচিত সিলেট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের অভিনন্দন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঐতিহ্যবাহী সিলেট প্রেসক্লাবের ২০১৮-১৯ সনের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে পুণরায় সভাপতি পদে নির্বাচিত সময় টেলিভিশনের সিলেট ব্যুারো প্রধান ইকরামুল কবির, সাধারণ সম্পাদক পদে ৭১ টেলিভিশনের সিলেটের ব্যুারো চিফ ইকবাল মাহমুদ ও সহ সভাপতি পদে দৈনিক নয়াদিগন্তের সিলেট অফিসের ব্যুারো চিফ এনামুল হক জুবায়ের, সিলেট বাণীর নির্বাহী সম্পাদক এম.এ হান্নান সহ অন্যান্য পদে বিজয়ী নেতৃবৃন্দের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কানাইঘাট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। এক অভিনন্দন বার্তায় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ বলেন, নব নির্বাচিত কমিটির সুযোগ্য নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল সাংবাদিকদের নিয়ে আগামী দিনে সিলেট প্রেসক্লাবের কার্যক্রম আরো গতিশীল ও সাংবাদিকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সিলেটবাসীর আশা আকাঙ্খা প্রতিফলিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। অভিনন্দনদাতারা হলেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুল, সহ সভাপতি আব্দুর রব, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমান, সহ সম্পাদক আব্দুন নুর, অর্থ সম্পাদক মিসবাহুল ইসলাম চৌধুরী, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রকশনা সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ, সম্মানিত সদস্য বাবুল আহমদ, কাওছার আহমদ, আমিনুল ইসলাম, শাহীন আহমদ, আলা উদ্দিন, সুজন চন্দ অনুপ, জসীম উদ্দিন, সহযোগী সদস্য মুমিন রশিদ, মাহফুজ সিদ্দিকী, আহমেদুল কবির মান্না।

কানাইঘাটে সর্বদলীয় নাগরিক ফোরামের কমিটি গঠন

Kanaighat News on Saturday, December 30, 2017 | 8:16 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার সর্বদলীয় সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে কানাইঘাট নাগরিক ফোরামের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪ টায় ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাবেক কাউন্সিলর ফখর উদ্দিন শামিমের পরিচালনায় কানাইঘাট নাগরিক ফোরামের কমিটি গঠন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আজমল হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য মুফিজ উদ্দিন বাবলু, ব্যাবসায়ী শরিফ উদ্দিন, নুরুল আমিন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক কাউন্সিলার হাজী আব্দুল মালিক, হাঃ নুর উদ্দিন, হাজী আবুল বাসার, আব্দুস ছালাম, হাজী মুহিবুর রহমান, হাজী নুর মোহাম্মদ, মাওঃ মুহিবুল হক, ব্যাবসায়ী মোহাম্মদ আলী, ছয়দুর রহমান ভূইয়া, ছয়ফুল আলম, সিরাজুল হক, হারুন রশিদ, নাজিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিন মেজর, জুনেদ হাসান জীবান,মুজাুিহদ আলী মুজাই, ইসলাম উদ্দিন, জামাল আহমদ, নুরুল ইসলাম, মখলিছুর রহমান, আব্দুল কায়ূম, কুটি মিয়া প্রমুখ। সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি, ফখর উদ্দিন শামিমকে সাধারণ সম্পাদক ও রফিক আহমদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কানাইঘাট নগরিক ফোরামের কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি কানাইঘাটের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভলিষ্ট ভূমিকা পালন, সকল প্রকার অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্ছার ভূমিকা পালন এবং কানাইঘাটের ন্যায্য দাবী-দাওয়া বাস্থবায়নে কাজ করে যাবে বলে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।

কানাইঘাটে বিএনপির কর্মী সমাবেশে মামুনুর রশিদ মামুন

Kanaighat News on Friday, December 29, 2017 | 8:23 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে বিএনপিকে ধমিয়ে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু)। শুক্রবার বিকাল ৩ টায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন আগামী সংসদ নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে কাউকে গোল করতে দেওয়া হবেনা। সরকার যতই ষড়যন্ত্র করুক নির্বাচনী মাঠ থেকে বিএনপিকে সরাতে পারবেনা। বিএনপির চেয়ারপার্সন তিন বারের প্রধান মন্ত্রী খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে নাটক করা হচ্ছে। এর পরিণতি শুভ হবে না এসবের জবাব একদিন দিতে হবে। তিনি নেতাকর্মীকে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি গ্রহণের আহবান জানান। কানাইঘাট পৌরসভাস্থ আল-রিয়াদ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে পৌর বিএনপির সভাপতি কাউন্সিলর শরীফুল হকের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জমিয়তে উলামায়ের সাধারণ সম্পাদক মুফতি এবাদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান শমসের আলম, মখলিছুর রহমান, ডঃ ইয়াকুব আলী, আলতাফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জালাল আহমদ, রাজাগঞ্জ ইউপি বিএনপির সভাপতি আব্দুল মতিন শিকদার, বড়চতুল বিএপির সভাপতি আব্দুন নুর, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির সভাপতি কামাল আহমদ, জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবুল বাশার, আব্দুল হেকিম, আজিজুল হক, মামুন রশিদ, ৩নং ইউপি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কতুব উদ্দিন, কয়ছর আহমদ, বাণীগ্রাম ইউপির সভাপতি নুর আহমদ, ৮ নং ইউপির সভাপতি মকবুল হোসেন, ৪নং ইউপির সাধারণ সম্পাদক আবু সিদ্দেক, পৌর কাউন্সিলর আবিদুর রহমান, বদরুল আলম, মোহাম্মদ আলী সহ প্রায় উপজেলার প্রতিটি ইউপির সভাপতি , সাধারণ সম্পাদক. সাংগঠনিক সম্পাদক ছাড়াও দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন। কর্মী সভার পুবেই উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও যুবদলের সাবেক আহবায়ক শালমান রশিদের আকাল মৃত্যুতে এক শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। শোক সভায় নিহতদের আত্মর মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করা হয়।

কানাইঘাটে দুই আওয়ামীলীগ নেতাকে রুবেল হত্যা মামলার আসামী করায় প্রতিবাদ সভা


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সদস্য আব্দুল লতিফ ও লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল খালিককে দুষ্কৃতিকারীদের হাতে নিহত স্থানীয় সুনাতনপুঞ্জি গ্রামের মুক্তিযুদ্ধার সন্তান রুবেল আহমদের হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে আসামী করায় লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি আ’লীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা শুক্রবার বিকেল ৫টায় সুরইঘাট বাজারস্থ দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি আ’লীগের আহবায়ক ফখর উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক আলীম উদ্দিন মেম্বারের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান জেমস লিও ফারগুশন নানকা। বক্তব্য রাখেন, লক্ষী প্রসাদ পশ্চিম ইউপি মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার সামছুল হক, আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দেও মধ্যে আ’লীগ নেতা নুরুল আলম, আকমল, নুর আহমদ, বাবুল দাস, আসাদ উদ্দিন, তুতা মিয়া, যুবলীগ নেতা নজির আহমদ, ফয়েজ উদ্দিন, সুজন, আছার উদ্দিন, কয়ছর আহমদ, জুয়েল, আতাউর রহমান, সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সাহেদ আহমদ, বুরহান উদ্দিন, হারিছ উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, ইসমাঈল, শাবউদ্দিন, মতিন, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল কাদির মুন্না , আশিক উদ্দিন, প্রমুখ। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে দৃষ্কৃতিকারীদের হাতে নিহত রুবেল আহমদের হত্যা মামলায় নিরপরাধ এলাকার প্রবীন মুরব্বী আ’লীগ নেতা আব্দুল লতিফ ও সাবেক ইউপি সদস্য আ’লীগ নেতা আব্দুল খালিককে আসামী করা হয়েছে। এই দুই নেতা রুবেল হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত নয় দাবী করে ষড়যন্ত্র মুলক মামলা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার এবং প্রকৃত হত্যাকারীদের খুজে বের করে দুষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানানো হয় পুলিশের কাছে। সভায় রুবেল আহমদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

ক্যান্সার আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলীকে সংবর্ধনা দিয়েছে নিউজ চেম্বার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালের রণাঙ্গণের লড়াকু সৈনিক কানাইঘাট উপজেলার ঝিংগাবাড়ী ইউপির ফখরছটি গ্রামের গর্বিত সস্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলীকে সংবর্ধনা দিয়েছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজচেম্বার টোয়েন্টিফোর ডটকম। শুক্রবার বিকেল ৩টায় ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার কানাইঘাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম। নিউজচেম্বারের সম্পাদক তাওহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও নিউজচেম্বারের কানাইঘাট প্রতিনিধি জসীম উদ্দিনের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সংবর্ধিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলী, দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ, রাজাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক এখলাছুর রহমান, কানাইঘাট প্রেসক্লাব সভাপতি রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, আলহাজ্ব বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমিন, ঝিংগাবাড়ী ইউপির সচিব ইয়াহিয়া সিদ্দিক। বক্তব্য রাখেন আব্দুল কাদির, মারুফ আহমদ, বুরহান উদ্দিন প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৭১ সালে পাকিস্থান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে মুক্তিকামী জনতা এদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সংগ্রামে কানাইঘাটের অনেক গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। এখানকার বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন করেন তাঁরই একজন হচ্ছেন আজকে যাকে সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে প্রবীণ অসুস্থ ক্যান্সার আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলী। তিনি বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলী অসুস্থতা নিয়ে দিন যাপন করছেন, তার একটি বাসস্থান নেই, নিজস্ব কোন জমি নেই। অর্থের অভাবে সঠিক চিকিৎসা করতে পারছেন না। তিনি ক্যান্সার আক্রান্ত মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলীর চিকিৎসা ও সরকারীভাবে একটি বাড়ী নির্মাণ করে দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। সেই সাথে নিউজ চেম্বার কর্তৃক তাঁকে সংবর্ধনা প্রদান করায় তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠান শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলীকে জাতীয় পতাকা দিয়ে বরণ করে সম্মান প্রদর্শন এবং ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

কানাইঘাট সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ায় আব্দুল গফুরকে সংবর্ধনা


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট সদর ইউপির চেয়ারম্যান মামুন রশিদ বিদেশে অবস্থান করায় ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল গফুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ায় সদর ইউনিয়ন নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে তাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় বিশিষ্ট মুরব্বী আব্দুল মুছব্বিরের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা আহমেদুল কবির মান্নার পরিচালনায় স্থানীয় ছোটদেশ নয়াবাজারে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংবর্ধিত অতিথি সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর। বক্তব্য রাখেন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সদর ইউপি আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন, আ’লীগ নেতা মুহিবুর রহমান, চটিগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাসুক উদ্দিন, বীরদল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, ছাত্রনেতা মাহফুজ সিদ্দিকী, যুবনেতা বাহার উদ্দিন, জালাল উদ্দিন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সদর ইউপির সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা জাহানারা বেগম, জয়তুন নেছা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলী আহমদ, ফারুক আহমদ, লুৎফুর রহমান, কাউছার আহমদ, আব্দুর রহমান, ইফজালুর রহমান, আব্দুর রহিম, ইউসুফ আলী, আব্দুল মালিক, জালাল উদ্দিন সহ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কানাইঘাট সদর ইউপি একটি ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ায় ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল গফুরকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তিনি সঠিকভাবে ইউনিয়নের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি সদর ইউপির চেয়ারম্যান মামুন রশিদ ও কয়েকজন ইউপি সদস্যদের মধ্যে যে ভুল বুঝাবুঝি বিদ্যমান রয়েছে তা নিরসনে ইউনিয়নের সম্মানিত বিশিষ্ট নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল গফুরকে নাগরিক কমিটির নাগরিকবৃন্দের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্বরূপ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

কানাইঘাটে বিষ খাইয়ে শিশু হত্যার সন্দেহভাজন আসামি পালিয়ে গেছে

Kanaighat News on Thursday, December 28, 2017 | 10:58 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: গত মঙ্গলবার কানাইঘাট উপজেলার বড়চতুল ইউপির বড়চতুল গ্রামে মুখে কীটনাশক জাতীয় বিষ ঢেলে দিয়ে দেড় মাসের নিষ্পাপ শিশু নাদিম আহমদ হত্যার একমাত্র সন্দেহভাজন খুনি তারই চাচী সুমানা বেগম শশুড় বাড়ীতে নজরবন্দি থাকার পর গত বুধবার রাতে দুই শিশু সন্তানকে রেখে সিএনজি গাড়ী যোগে পালিয়ে গেছেপালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ শিশুটির খুনি সুমানা বেগমকে আটক করার জন্য পিছু ধাওয়া করলেও তাকে ধরতে পারেনিএ নিয়ে এলাকায় জনমনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে নজরবন্দি থাকার পরও কিভাবে সুমানা বেগম শশুড় বাড়ী থেকে রাতের আঁধারে কার সহযোগিতায় পালিয়ে গেলো! অদ্যবধি পর্যন্ত সে কেন গ্রেফতার হয়নি এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছেগত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়ীতে বড়চতুল গ্রামের সৌদি প্রবাসী নজরুল ইসলামের দেড় মাসের শিশু সন্তান নাদিম আহমদকে মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়ঐ দিন রাতে শিশুটিকে সিওমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন শিশুটির লাশ ময়না তদন্তের পর বুধবার রাতে দাফন করা হয়এ ঘটনায় শিশুটির মা সুমি বেগম তার সন্তানকে কীটনাশক জাতীয় বিষ ঢেলে দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার অভিযোগ এনে কানাইঘাট থানায় গত বুধরাত রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির চাচী সুমানা বেগমকে একমাত্র আসামী করে অভিযোগ দাখিল করেনঅভিযোগ দাখিলের সময় শিশুটির স্বজনরা জানতে পারেন, সন্দেহভাজন খুনী সুমানা বেগম শশুড় বাড়ীতে নজরবন্দি থাকা অবস্থায় বড়চতুল গ্রামের অটোরিক্সা সিএনজি চালক এখলাছুর রহমানের সিএনজি গাড়ী যোগে পালিয়ে কানাইঘাট সদরের দিকে আসছেএমন সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক বিষয়টি থানা পুলিশকে নির্মম হত্যার স্বীকার নাদিমের নিকটাত্মীয়রা জানালে থানার এসআই হুমায়ুন কবির একদল পুলিশ নিয়ে উপজেলা পরিষদের গেইটের সামনে অবস্থান করেনদ্রুত বেগে এখলাছুর রহমানের সিএনজি গাড়ীটি নিয়ে পুলিশের সামনে আসার পর গাড়ীটি থামানোর চেষ্টা পুলিশ করলেও সে গাড়ী না থামিয়ে সুমানা বেগমকে নিয়ে দ্রুত বেগে মহেষপুর পাকা রাস্তা দিয়ে ঢুকে পড়লে পুলিশও তাদের পিছু নেয়একপর্যায়ে কানাইঘাট কলেজের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় সুমানা বেগমকে বহনকারী সিএনজি সিলেট-থ-১৩-০৯২০ নং গাড়ীটি পুলিশ উদ্ধার করতে পারলেও ধরতে পারেনি শিশুটির ঘাতক সুমানা বেগমকেসে নিরাপদে সিএনজি ড্রাইভার এখলাছুর রহমানকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়অদ্যবধি পর্যন্ত পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনিঅভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার এস.আই হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, শশুড় বাড়ী থেকে রাতের আঁধারে সিএনজি গাড়ী যোগে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার পথে শিশুটির সন্দেহভাজন খুনী সুমানা বেগমকে আমরা গ্রেফতারের চেষ্টা করি, কিন্তু সে পালিয়ে যায়, একটি সিএনজি গাড়ী উদ্ধার করা হয়েছে বৃহস্পতিবার তিনি যেখানে শিশুটিকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে সেই বাড়ী পরিদর্শন করেছেন বলে এস.আই হুমায়ুন কবির জানিয়েছেনএ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) নুনু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিশু নাদিমের হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছেতদন্ত পূর্বক অভিযোগটি রেকর্ড করে আসামীকে গ্রেফতার করা হবে

কানাইঘাট টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট-৫ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ঢাকা রমনা-শাহবাগ থানা আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল মুনির চৌধুরী বলেছেন, সরকার দেশের তরুণ ও যুব সমাজকে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করার জন্য কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়েছে। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, কারিগরি শিক্ষা অর্জন করলেই আপনার চাকুরী নিশ্চিত এবং

বহির্বিশ্বে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব। কানাইঘাট উপজেলা সদরে কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা হওয়ায় তিনি পরিচালনা পর্ষদকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এ প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে আমাদের সকলের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ফয়জুল মুনির চৌধুরী  বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কানাইঘাট টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে ২০১৭ সনের প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানার সভাপতিত্বে এবং কানাইঘাট টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ডাইরেক্টার আব্দুর রহমান ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল হারিছের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে’র যুগ্ম সম্পাদক কমিউনিটি নেতা রশিদ আহমদ, এডভোকেট আব্দুল খালিক, ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম আহমদ, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, স্কুলের পরিচালক প্রভাষক মঈনুল হক চৌধুরী, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি খাজা আজির উদ্দিন। মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের ডাইরেক্টর  বশির আহমদ,কলামিস্ট মিলন কান্তি দাস। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট নিউজের সম্পাদক  টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ডাইরেক্টর মাহবুবুর রশিদ , সাংবাদিক শাহীন আহমদ,আমিনুল ইসলাম,টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ডাইরেক্টর মাও:অালিম উদ্দিন,আশিক উদ্দিন,মামুন রশীদ,আব্দুল্লাহ, ছাত্রনেতা নোমান আহমদ রোমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে প্রাথমিক পর্যায়ে মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৬০জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

কানাইঘাটে জমিয়তে উলামার কর্মী সম্মেলন ৯ জানুয়ারি


নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৯ জানুয়ারি ২০১৮ইং মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কানাইঘাট আল রিয়াদ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কানাইঘাট উপজেলা শাখার কাউন্সিল অধিবেশন ও বিশাল কর্মী সম্মেলন। সম্মেলনে প্রধান মেহমান হিসাবে উপস্থিত থাকবেন আলিমকূল শিরোমনী জমিয়তে উলামার প্রধান উপদেষ্টা শায়খুল হাদিস আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষীপুরী। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জমিয়তে উলামার কেন্দ্রীয় আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী। কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আল্লামা মুফতি ইউসূফ শায়খে শ্যামপুরী। সহ সভাপতি আল্লামা শামসুদ্দীন দুর্লভপুরী। দলের কেন্দ্রীয় মহা সচিব আল্লামা নজরুল ইসলাম তোয়াকূলী। যুগ্ম মহা সচিব মাওঃ মুখলিসুর রহমান রাজাগঞ্জী, সহকারী মহাসচিব মাওঃ আবুল হোসেন চতুলী। তিন বৎসর পর কানাইঘাট উপজেলার কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাজারে পোষ্টারিং ও লিফলেট বিতরণের কাজ করছেন নেতাকর্মীরা। এদিকে জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কানাইঘাট উপজেলা শাখার সভাপতি মাওঃ মাহমুদুল হাসান রায়গড়ী এবং উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওঃ ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলী সকল নেতাকর্মীদেরকে আসন্ন কাউন্সিলে যথা সময়ে অংশগ্রহণ করার জন্য আহবান জানিয়েছেন।

কানাইঘাট মমতাজগঞ্জ সুরমা নদীর উপর সেতু নির্মাণের ফাইল ইউএনও’র কাছে তুলে দিলেন সাংবাদিক আব্দুর রব


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট মমতাজগঞ্জ বাজার সংলগ্ন সুরমা নদীর উপর প্রায় ৯০ কোটি টাকা ব্যায়ে সেতুর যাবতীয় কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী মাসে এলজিইডি’র উদ্যোগে নির্মিত এ সেতুর টেন্ডারটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে। সীমান্তবর্তী মমতাজগঞ্জ বাজারের পাশে সুরমা নদীর উপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঐ এলাকার কৃতি সন্তান যুব সংগঠক সাংবাদিক আব্দুর রব সরকারের বিভিন্ন দফতরে আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সেতু বাস্তবায়নের দাবী ধাওয়া আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জিড়ত সাংবাদিক আব্দুর রব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানার কাছে সেতুর কাজের তথ্য সম্বলিত ১৩ ফর্দের একটি কপি আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করেন। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, প্রেসক্লাবের ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ। সাংবাদিক আব্দুর রবের আবেদনের প্রেক্ষিতে এলজিইডির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সেখানে একটি সেতু নির্মাণ প্রয়োজন বলে মতাত ব্যক্ত করেন। শুধু আবেদন করে সাংবাদিক আব্দুর রব থেমে থাকেননি, সীমান্তবর্তী এলাকায় উক্ত সেতু নির্মিত হলে এলাকার আমূল পরিবর্তন সাধিত হবে। পাশাপাশি সহজে ভারতের সাথে স্থল বন্দর স্থাপনের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ও উভয় দেশের মধ্যে আমদানি রফতানি, ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি হবে, সেটিও তার আবেদনে উল্লেখ করেন। মমতাজগঞ্জ বাজারের পাশে সুরমা নদীর উপর সেতু নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ সিলেট-৫ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন মহান জাতীয় সংসদে একাধিকবার দাবী উত্থাপন করেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তিনি তদবির করলে গত ৬ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে মমতাজগঞ্জ সুরমা নদীর উপর সেতু নির্মাণের জন্য ৯০ কোটি টাকার অর্থ ছাড় দেয়া হয়। এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিক আব্দুর রব জানান, তিনি গত কয়েক বছর ধরে মমতাজগঞ্জ সুরমা নদীর উপরে সেতু নির্মাণের জন্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে আবেদন এবং এলাকায় মানববন্ধন, সভা-সমাবেশও করেছিলেন। তার সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে, এজন্য তিনি আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন এমপি সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

কুলাউড়ায় ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে কানাইঘাট

Kanaighat News on Wednesday, December 27, 2017 | 10:42 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুলাউড়া উপজেলার লংলা চা বাগানের আয়োজনে 'লংলা চা বাগান ফুটবল টুর্ণামেন্টে কানাইঘাট বহুমূখী ফুটবল ক্লাব ফাইনালে উন্নীত হয়েছে। আজ টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে তারা ট্রাইবেকারে ৬–৩ গোলে লায়ন'স ক্লাব কুলাউড়াকে পরাজিত করে। আজ উত্তেজনাকর এ সেমি ফাইনাল ম্যাচটি দেখতে লংলা চা বাগান মাঠে  হাজার হাজার দর্শকের সমাগম ঘটে । 

এদিকে,সেমি ফাইনাল খেলায় লায়ন'স ক্লাব কুলাউড়া হেরে যাওয়ার শোকে হার্ট এ্যাটাক করে কুলাউড়া ফুটবল দলের এক সমর্থকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 

কানাইঘাট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে'র উদ্যোগে দরিদ্র পরিবারের মধ্যে অনুদান প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে চারটি দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টায় কানাইঘাট বাজারস্থ ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স এর কার্যালয়ে কানাইঘাট বায়মপুর লক্ষীপুর গ্রামের ক্যান্সার আক্রান্ত অসুস্থ দরিদ্র হাবিবুর রহমান, একই গ্রামের হাফিজ আতাউর রহমানের শারিরীক প্রতিবন্ধী ছেলে ও ভাটিদিহি গ্রামের সুলতান আহমদসহ ৪টি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নগদ ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার অনুদান তুলে দেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা রশিদ আহমদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট কলেজের উপাধ্যক্ষ লোকমান হোসেন, ন্যাশনাল লাইফের কানাইঘাট জোনাল অফিসের ইনচার্জ সমাজসেবী এড. আব্দুল হাই, কানাইঘাট প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, কানাইঘাট নিউজ ডট কম এর সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ, যুক্তরাজ্য প্রবাসী হোসেন আহমদ, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সদস্য আমিনুল ইসলাম, শাহীন আহমদ, কানাইঘাট মহিলা কলেজের শিক্ষক সুহেল আহমদ, ব্যবসায়ী মাওঃ রশিদ আহমদ প্রমুখ। আর্থিক অনুদান প্রদানকালে কমিউনিটি নেতা রশিদ আহমদ বলেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জন্মভূমি কানাইঘাটের প্রবাসীদের একমাত্র সামাজিক ও সেবা মূলক সংগঠন কানাইঘাট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে,তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রবাসীদের কল্যানের পাশাপশি কানাইঘাটের হতদরিদ্র মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষার প্রচার-প্রসার ও চিকিৎসা বঞ্চিতদের সাধ্যমত অনুদান প্রদান করে আসছে। ভবিষ্যতে এ সংগঠন আর্থমানবতার জন্য প্রবাসীদের অনুদানের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাড়াতে বদ্ধপরিকর থাকবে।

কানাইঘাটে বিষ প্রয়োগে শিশু হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


কানাইঘাটে বিষ খাইয়ে দেড় মাসের এক শিশুকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছেগত মঙ্গলবার উপজেলার বড়চতুল ইউপির বড়চতুল গ্রামে সৌদি প্রবাসীর দেড় মাসের একমাত্র ফুটফুটে অবুঝ শিশু সন্তান নাদিম আহমদকে মুখে বিষ খাইয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিশুটির আপন চাচীকে দায়ী করা হচ্ছেজানা যায়, বড়চতুল গ্রামের প্রবাসী নজরুল ইসলামের শিশু পুত্র নাদিম আহমদের মুখে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে কীটনাশক বিষ ঢেলে দেয়া হয়একপর্যায়ে মুমুর্ষ অবস্থায় এই শিশুকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মা সুমি বেগম ও স্বজনরা নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ শিশুটিকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে, তার অবস্থা আংঙ্খাজনক উল্লেখ করে তাৎক্ষণিক সিওমেক হাসপাতালে প্রের করেনসেখানে নিয়ে যাওয়ার পর শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকগণময়না তদন্তের পর শিশুটির লাশ আজ বুধবার রাতে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছেসরেজমিনে জানা যায়, বড়চতুল গ্রামের অলিউর রহমানের পুত্র শিশুটির পিতা নজরুল ইসলাম ও তার বড় ভাই তাজ উদ্দিন সৌদি আরবে থাকেনপাকা দেয়াল ঘেরা বাড়ীতে শিশুটির মা সুমি বেগম ও জ্যা সুমানা বেগম এবং তাদের শশুড়-শাশুড়ী বসবাস করেনঘটনার সময় শশুড়-শাশুড়ী বাড়ীতে ছিলেন নামঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে শিশুটির মুখে বিষ ঢেলে দেয়া হয়এ ঘটনায় শিশুর মা সুমি বেগম ও তার স্বজনরা জানিয়েছেন, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে শিশুটির চাচী দুই সন্তানের জননী সুমানা বেগম শিশু নাদিমকে কোলে নিয়ে মুখে কীটনাশক ঢেলে দিলে শিশুটি বিষের যন্ত্রনায় ছটফট শুরু করে সুমানা বেগম একটি তোয়ালে দিয়ে শিশুটির মুখের বিষ মুছে দেনতাৎক্ষণিক শিশুটির মুখ দিয়ে রক্ত বের হলে মা সুমি বেগম শোর চিৎকার শুরু করেনএ সময় আশপাশের লোকজন এসে তাৎক্ষণিক শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যানশিশুটির মা সুমি বেগম আহাজারি করে বলেন, তাঁর একমাত্র বুকের ধন দেড় মাসের ফুটফুটে ছেলেকে জ্যা ডাইনী সুমানা বেগম বিষ খাইয়ে মেরেছেপারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেনবিষ প্রয়োগ করে শিশু হত্যার ঘটনার খবর পেয়ে প্রবাসী তাজ উদ্দিনের বাড়ীতে এলাকার শত শত নারী পুরুষ ভিড় করেনতারাও এ ঘটনার জন্য সুমানা বেগমকে দায়ী করেছেনসুমি বেগমের স্বজনরা বুকফাটা আর্তনাদ করে বলেন, আপন মামাতো ভাই প্রবাসী নজরুল ইসলামের সাথে সুমি বেগমের বিয়ে তিন বছর পূর্বে হয়নজরুল ইসলামের বড় ভাই তাজ উদ্দিনের স্ত্রী সুমানা বেগম চেয়েছিল তার খালাতো বোনের সাথে নজরুলের বিয়ে দিবে, কিন্তু সেই বিয়েটি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত ছিল সুমানা বেগমগত মঙ্গলবার সুমি বেগমকে মোবাইল ফোনে তার পিত্রালয় থেকে ডেকে এনে তাদের নির্জন বাড়ীর একটি কক্ষে সন্ধ্যার সময় শিশুটিকে কোলে নিয়ে সুমানা বেগম বিষ প্রয়োগ করেএ ঘটনায় শিশুটির মা সুমি বেগম বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন হত্যাকান্ডের সন্দেহে সুমানা বেগমকে তার শশুড় বাড়ীতে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছেতবে সে শিশু নাদিমের মুখে বিষ ঢেলে দেয়ার ঘটনাটি অস্বীকার করেছে সুমানা বেগমএ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দেড় মাসের শিশুকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যার সংবাদটি তিনি পেয়েছেনএ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে  

কানাইঘাটে ‘বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ’র কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ কানাইঘাট শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সমাবেশ মঙ্গলবার বিকেল ২টায় স্থানীয় আল রিয়াদ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ হাদির পরিচালনায় উক্ত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট পৌর আ’লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য সাইফুল আহমদ সফু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন, ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পৌর আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম হারুন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-শিক্ষা ও পাঠ চক্র বিষয়ক সম্পাদক সাদেক আহমদ খান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনজুরুল হক, সিলেট মহানগর বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সভাপতি মিফতাহ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মারজান হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক শাহজাহান শিবলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক মিলন, জাকারিয়া আহমদ। বক্তব্য রাখেন ইফতেখার আলম, আবুল বাশার, জুবের আহমদ, সেবুল আহমদ, আলমগীর আহমদ, আজাদ শাহীন, জসীম উদ্দিন মেজর, আফতাব আলী, ফরহাদ রাজা, আফজাল হোসেন রিজভী, হুমায়ুন কবির তারেক, দেলোয়ার, জামিল, সাহেদ, আশরাফ ও আশফাক প্রমুখ। কর্মী সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল। তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আজ সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। জীবনের সকল ক্ষেত্রে মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারন করে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সকল নেতাকর্মীকে দেশ গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

কানাইঘাটে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলীর দাফন সম্পন্ন

Kanaighat News on Tuesday, December 26, 2017 | 10:42 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য সালিশ ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ আলী (৬৯)’র জানাজার নামাজ মঙ্গলবার বিকেল ২টায় স্থানীয় বড়দেশ আনোয়ার উলূম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি অঙ্গসংগঠন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ কয়েক হাজার মানুষ শরীক হন। জানাজার নামাজের পূর্বে মোহাম্মদ আলীকে এলাকার একজন প্রবীণ মুরব্বী, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সালিশ ব্যক্তিত্ব উল্লেখ করে সাবেক সাংসদ অধ্যক্ষ মাওঃ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সাংসদ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাহির চৌধুরী, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আশিক উদ্দিন চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়ছল, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, বানীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা মাসুদ আহমদ, পৌর বিএনপির সভাপতি কাউন্সিলর শরিফুল হক সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মাদ্রাসায় তাঁর সহযোগিতার কথা সবাই উল্লেখ করে বলেন, তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও দলমতের উর্ধ্বে ছিলেন। এলাকায় সামাজিক সালিশ বিচারে তিনি সব সময় অংশগ্রহণ করতেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকাবাসী একজন নিবেদিত প্রাণ, সমাজসেবীকে হারিয়েছে যা সহজে পূরণ হওয়ার মতো নয়। সবাই তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। জানাজা শেষে তাঁর লাশ নিজ গ্রামের বড়দেশ ওরমপুর মসজিদের গুরুস্থানে দাফন করা হয়।

কানাইঘাটে অাল অামীন ইসলামী সমাজকল্যাণ সংস্থার মহা-সম্মেলন ৩ ও ৪ জানুয়ারি

Kanaighat News on Monday, December 25, 2017 | 8:25 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩ ও ৪ জানুয়ারী কানাইঘাট আল-আমীন ইসলামী সমাজ কল্যাণ সংস্থার একযুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হবে ২দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামী মহা সম্মেলন। বীরদল এন.এম একাডেমি সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত উক্ত ইসলামী মহা সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবেন কানাইঘাট দারুল উলুম দারুল হাদিস মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষীপুরী। ২দিন ব্যাপী এ মহা সম্মেলনে বয়ান পেশ করবেন দারুল উলুম দেওবন্দের শায়খে ছানি শায়খুল হাদীস আল্লাম কমরুদ্দীন সাহেব (ভারত),দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী চট্টগ্রাম এর নাইবে পরিচালক হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী,দারুল উলুম কানাইঘাট এর নাইবে মুহতামিম আল্লামা আলীমুদ্দীন সাহেব দুর্লভপুরী, আল্লাম রশিদুর রাহমান ফারুক সাহেব বর্নভী,আল্লামা মুফতি দেলোওয়ার হোসাইন সাহেব ঢাকা,আল্লামা মুফতি আবুল হুসেইন সাহেব ভারত,মাওলানা রফিকুল ইসলাম আল মাদানী সাহেব সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম। তেলাওয়াত করবেন বিশ্বজয়ী হাফিজে কুরআন আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ । উক্ত মহা-সম্মেলনকে সফল করতে সকলের প্রতি আন্তরিক ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা হাফিজ এহসানে এলাহী। (বিজ্ঞপ্তি)

কানাইঘাটে এক মসজিদের ইমামের বসত ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট সদর ইউপির নিজ চাউরা উত্তর গ্রামে গত রবিবার রাত অনুমান আড়াইটার দিকে এক মসজিদের ইমামের টিনসেটের বসত ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনের লেলিহান শিখায় বসত ঘরের দুটি কক্ষ একটি কুতুব খানার কক্ষ ও পাক ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়ে বসত ঘরের যাবতীয় মালামাল, গবাদি পশু হাঁস-মুরগী, বহু ধর্মীয় বই ছাই হয়ে আনুমানিক ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে অগ্নিকান্ডে ভষ্মিভূত ঘরের মালিক স্থানীয় নিজ চাউরা পশ্চিম জামে মসজিদের ইমাম মাওঃ অলিউর রহমান জানিয়েছেন। মসজিদের ইমামের বসত ঘর পুড়িয়ে দেওয়ায় এলাকায় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অগ্নি কান্ডের খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশের একটি টহল দল ঐদিন রাতে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মসজিদের ইমাম মাওঃ অলিউর রহমান জানান, তার ১ ছেলে মসজিদের ইমাম, ১ ছেলে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও ২ ছেলে মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী। বসত বাড়ীর সীমানা নিয়ে বিরোধের যের ধরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী হারুন রশিদ গংদের মধ্যে তার মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে। হারুন ও তার ভাই আবু শহিদ তার পরিবারকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য পূর্বে ২বার বসত ঘরে আগুন লাগানোর চেষ্টাও করে। মাওঃ আতাউর রহমান বলেন, অগ্নিকান্ডের রাতে তার বাড়ীতে কোন পুরুষ লোক ছিল না। মাদ্রাসা পড়ুয়া এক ছেলে ও মহিলারা ছিল। তিনি মসজিদে রাত্রি যাপন করেন। এই সুযোগে বাড়ীতে কোন পুরুষ লোক না থাকার তার বসত ঘরে পরিকল্পিত ভাবে হারুন ও আবু সহিদ গংরা আগুন লাগিয়ে সবকিছু পুড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে আবু সহিদ গংরা জানিয়েছেন, তারা মাওঃ অলিউর রহমানের ঘর পুড়ান নি। তার সাথে মামলা মোকদ্দমার জের ধরে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে তাদের উপর ঘর পুড়ানোর দোষ চাপানো হচ্ছে।

কানাইঘাটে দুই বিএনপি নেতার মৃত্যু ! দলীয় নেতৃবৃন্দের শোক


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ৫নং বড়চতুল ইউপির পর্বতপুর গ্রাম নিবাসী সমাজসেবী সাবেক ইউপি সদস্য সালমানুর রশিদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নানিল্লাহি....রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৪৫) বছর। গত রবিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে নিজ বাড়ীতে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে দলমত নির্বিশেষে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। আজ সোমবার বাদ মাগরিব স্থানীয় চতুল ঈদগাহ মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় জেলা বিএনপির সহ সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ চৌধুরী ফয়ছল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমদ, পৌর বিএনপির সভাপতি কাউন্সিলার শরিফুল হক সহ বিএনপি অঙ্গসংগঠন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও এলাকার সর্বস্তরের কয়েক হাজার মানুষ শরীক হন। জানাযা শেষে তার লাশ পারিবারিক গুরুস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য বড়দেশ ওরমপুর গ্রাম নিবাসী বিশিষ্ট মুরব্বী মোহাম্মদ আলী বার্ধক্য জনীত কারনে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার পথে আজ সোমবার সকালে ইন্তেকাল করেছেন। বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী ও সালমানুর রশিদের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও মরহুমদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি সাবেক সাংসদ আব্দুল কাহির চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন সহ দলের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃনদ।

কানাইঘাট সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন আব্দুল গফুর


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কানাইঘাট ৬ নং সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন একই ইউপির ৩ নং ওর্য়াডের সদস্য আব্দুল গফুর। এ বিষয়ে কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সদয় অবগতির জন্য গত বুধবার( ১৩ ডিসেম্বর) সদর ইউপির চোয়ারম্যান মোঃ মামুন রশিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। জানা যায়,পারিবারিক সফরে বৃহস্পতিবার মোঃ মামুন রশিদ ভারতে যাওয়ায় ইউপি সদস্য আব্দুল গফুরকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।

কানাইঘাটে বিজিবির গাড়ি ভাংচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন ৪১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক

Kanaighat News on Sunday, December 24, 2017 | 11:13 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: গত শুক্রবার রাতে কানাইঘাট বাজার থেকে ভারতীয় খাসিয়া পান আটকের চেষ্টার সময় কিছু উশৃঙ্খল লোকজন কর্তৃক কানাইঘাট সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের একটি টহল গাড়ী ভাংচুরের ঘটনায় বিজিবির ৪১ ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আবু জার আল জাহিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি ঘটনাস্থল কানাইঘাট বাজার ত্রিমোহনী পয়েন্ট পরিদর্শন করে বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন। এ সময় তার সাথে বিজিবির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন। জানা যায়, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি অটোরিক্সা সিএনজি গাড়ীতে করে ভারতীয় খাসিয়া পান নিয়ে আসার সময় বিজিবির একটি টহল দল পান বোঝাই অটোরিক্সাটির পিছু ধাওয়া করে কানাইঘাট বাজারের ত্রিমোহনী পয়েন্টে পান আটকের চেষ্টা করলে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আতংকে বাজারে পথচারীরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। একপর্যায়ে কিছু উশৃঙ্খল লোকজন বিজিবির টহলের গাড়ীতে ঢিল নিক্ষেপ করে সামনের কাচ ভাংচুর করে। এ ঘটনার পর থেকে সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের জওয়ানরা কানাইঘাট বাজার সহ আশপাশ এলাকায় টহল জোরদার করে। সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার আব্দুল হামিদ স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে একটি খাসিয়া পান বোঝাই সিএনজি গাড়ী সীমান্ত থেকে টহল দল আটকের জন্য পিছু নিলে কানাইঘাট বাজারে যাওয়ার পর তাদের টহল গাড়ী উশৃঙ্খল দুষ্কৃতিকারীরা ভাংচুর করেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিজিবির ৪১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আবু জার আল জাহিদ স্যার রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে তিনি জানান।

কানাইঘাটে মোটরসাইকেল চালককে হত্যার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাটে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রুবেল আহমদ (২৫) নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় কানাইঘাট থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের মা লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের আনোয়ারা বেগম। গত শনিবার রাতে একই ইউপির নয়াগ্রামের প্রবীণ আ’লীগ নেতা আব্দুল লতিফ, সাবেক ইউপি সদস্য কালিনগর গ্রামের আ’লীগ নেতা আব্দুল খালিক এবং পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত নিহত রুবেল আহমদের ফুফাতো ভাই আব্দুল মান্নান সহ আরো দু’জনের নাম উল্লেখ করে এ হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। থানার মামলা নং- ১০, তাং- ২৩/১২/২০১৭ইং। কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল মতিনের পুত্র রুবেল আহমদ গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় সুরইঘাট বাজার থেকে রাত অনুমান ১০টার দিকে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল যোগে দু’জন যাত্রীকে নিয়ে চতুল বাজারের উদ্দেশ্যে যায়। পরদিন শুক্রবার রুবেল আহমদের ক্ষতবিক্ষত লাশ স্থানীয় বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামের করুনা দিঘীর সম্মুখে কবরস্থান থেকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ। তবে তাঁর মোটর সাইকেলটি এখনও উদ্ধার হয়নি। নিহতের মামা মঈনুদ্দিন জানিয়েছেন হত্যাকান্ডের কয়েকদিন পূর্বে স্থানীয় সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের জওয়ানরা কয়েক বস্তা ভারতীয় সুপারি আটক করেছিল। এ তথ্যটি রুবেল আহমদ ফাঁস করেছে সন্দেহ হলে  আব্দুল লতিফ, আব্দুল খালিক তার ভাগ্না রুবেল আহমদকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। তবে মামলার আসামী আব্দুল লতিফ ও আব্দুল খালিকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে রুবেল আহমদ হত্যাকান্ডের সাথে তাদের কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবী করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার এস.আই রাজীব মন্ডল জানিয়েছেন, রুবেল আহমদ হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী আব্দুল মন্নানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কানাইঘাটের এক মুক্তিযোদ্ধার আকুতি!

Kanaighat News on Saturday, December 23, 2017 | 9:28 PM


জসিম উদ্দিন : আহমদ আলী। সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার ৮নং ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের (গাছবাড়ী) ফখরচটি গ্রামে তাঁর জন্ম। মৃত মোছন আলীর ছেলে। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সবার মত দেশের টানে, মায়ের মান বাঁচাতে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বীরত্বের সাথে তিনি যুদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালে ৭ ই মার্চের শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে তিনি আর ঘরে বসতে থাকতে পারেন নি, বের হয়ে পড়েন স্বাধীনতার জন্য। পাকিন্তানি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে হাতে তুলে নেন অস্ত্র। কাদে তুলে নেন লাটি। প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন ভারতে গিয়ে। তারপর পাক সেনাদের বিরুদ্ধে শুরু করেন এ্যাকশন। খতম করেন অনেক পাক বাহিনীদের। নিজেও পাকসেনাদের দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হন। এভাবেই মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা বর্ণনা করেন বীর এই মুক্তিযুদ্ধা। যৌবনের এক সাহসী যুবক আহমদ আলী আজ বৃদ্ধ বয়সে আকাশে মেঘ দেখলেই ভয়ে আতংকিত হয়ে উঠেন। ১৯৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন দেশমাতৃকাকে রক্ষা করার যুদ্ধে। দীর্ঘ ৯ মাস সম্মুখ যুদ্ধ করে অনেক কষ্টের বিনিময়ে এই দেশকে স্বাধীন করেতে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। মনে মনে ভাবতেন আমরা আর পরাধীন থাকব না। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বীরের মত চলব। কিন্তু অভাবের তাড়নায় আজ বৃদ্ধ বয়সে সে সবই তাঁর কাছে শুধুই স্মৃতি। বাবার রেখে যাওয়া ৯শতক জায়গায় কোন রকম দুটি ছোট ঘরে বাস করেন। বাড়ীতে ঘরের জমিটুকু ছাড়া সহায় সম্বল বলতে আর কিছুই নেই। সরকারের দেয়া মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ১০ হাজার টাকাই আয়ের একমাত্র উৎস। আজ নড়বড়ে টিনের ঘরে মেঘলা আকাশ দেখে আতংকিত হয়ে উঠেন সেই বীরমুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলী। বয়সের ভারে যৌবনের সেই সাহস আজ আর নেই। টিন দিয়ে তৈরী লাকড়ীর ঘরটিতে বসতঘর হিসাবে ঠাঁই মিলেছে বীরমুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলীর। বাঁশ-বেতের তৈরী বেড়া উঁই পোকা খেয়ে ফেলেছে।কালবৈশাখী ঝড়ে বৃষ্টিতে ভেজা বিছানায় রাত্রি কাটান তিনি। ঝড়, তুফান, কালবৈশাখীতে তিনি ভয়ে এখন আতংকিত হয়ে উঠেন, কখন জানি উড়িয়ে নিয়ে যায়। এ প্রতিনিধিকে তিনি আরও জানান, বীরমুক্তিযোদ্ধা শব্দটি ছেলে-মেয়েদের নিকট এখন অর্থহীন একটি শব্দ। আমি ওদের কি দিতে পেরেছি? হয়ত আর ক’দিন পরেই মরে যাব, লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে বিউগল বাজিয়ে আমার দাফন কার্য শেষ হবে। এতে আমার সন্তানদের কি লাভ? যাদের দু’বেলা ভাত দিতে পারিনি। আমি মুক্তিযোদ্ধা বাবা হিসাবে ওরা কেন গর্ববোধ করবে? দাম্পত্য জীবনে ২ ছেলে আর ১ মেয়ের জনক।মেয়েকে বিয়ে দিতে অনেক অর্থ ঋণ করেছেন,বর্তমানে সে ও স্বামীর বাড়ী ছেড়ে বাবার বাড়ীতে থাকে। এসব কথা বলতেই দু’চোখের জল চলে আসে বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলীর। । ১৯৭১ সালে ২০ বছরের টগবগে যুবক এই সেই আহমদ আলী ঝাপিয়ে পড়লেন পাকা হানাদার বহিনীর বিরোদ্ধে। তিনি জানান,ভারতের করিমগঞ্জ হয়ে টাউন হলে ৩ দিন থেকে ৪নং সেক্টর কমান্ডার শীর দত্ত বাবুর নেতৃত্বে লোহার বন ক্যাম্পে ২১ দিন উ”চতর ট্রেনিং গ্রহণ করেন। পরে কানাইঘাটের আটগ্রাম,মস্তাজ গঞ্জ,জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত,লাতু এলাকাসহ বেশকিছু এলাকায় পাকহানাদারের সঙ্গে যুদ্ধ করেন। আহমদ আলীর মুক্তিবার্তার লাল বই নম্বর-০৫০১০৬০২৪৪। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের গেজেট নং-৪১৯৮,তাং ২৬-০৭-২০০৬। আহমদ আলী আক্ষেপ করে বলেন, ‘যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্তু নিজের শরীরে মরণব্যাদি ক্যান্সার বাঁধায় আজ হেরে গেছি। এক বছর ধরে অসুস্থ্য থেকে সব সঞ্চয় দিয়ে চিকিৎসা চালাই। কিন্তু‘ তার পরও সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারিনি।’ দীর্ঘ ৯ মাস খেয়ে না খেয়ে রাত দিন নিদ্রাবিহীন বিরাম হীন কষ্ট করে শত্রুর মোকাবিলা করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলাম, কারো পরাধীনতায় না থেকে স্বাধীন ভাবে বেচে থাকার জন্য। একটি লাল সবুজের পতাকার স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। অভাবের তাড়নায় পরিবারের হাল ধরতে গিয়ে লেখাপড়া করতে পারিনি। বাবারও কোন সহায় সম্পত্তি ছিলনা। অভাবের তারনায় নিজের ছেলে মেয়েদেরকেও ভাল ভাবে লেখাপড়া করাতে পারিনি। আমি নিজেও অসুস্থ অর্থের অভাবে ভাল কোন চিকিৎসা নিতে পারিনা। নিজের কোন অর্থ সম্পদ না থাকায় সরকারের দেওয়া মাসিক ১০ হাজার ভাতা নিয়ে কোন রকম বেঁচে আছি। মরার আগে একটি শক্ত ঘরে নির্ভয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন মুক্তিযোদ্ধা আহমদ আলী। মরার আগে যদি সরকার আমার জরার্জীন বসত ঘরটি মেরামত করে দিত তা হলে মরে গিয়েও এ দেশের একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বার্থক হতাম। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ ধনাঢ্য ব্যক্তিদের নিকট শেষ ইচ্ছাটা পূরণ করার অাবেদন জানান তিনি।

কানাইঘাটের প্রবীর স্যার আর নেই


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক প্রবীর কান্তি দাস পরলোক গমন করেছেন। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে সিলেটের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।  তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রবীণ শিক্ষক প্রবীর স্যার দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভূগছিলেন।  তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে.তিন মেয়ে অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। স্যারের বাড়ি  কানাইঘাট উপজেলার ২নং লক্ষীপ্রসাদ ইউনিয়নের কুওড়গড়ি গ্রামে ।

কানাইঘাটে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলা ! গুলিতে নিহতের দাফন সম্পন্ন


নিজস্ব প্রতিবেদক: গত বৃহস্পতিবার রাতে কানাইঘাট সাতবাঁক ইউপির চরিপাড়া (মাঝরডি) গ্রামের মৃত সিদ্দেক আলীর পুত্র ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী হাবিবুর রহমান হরু হুনা কানাইঘাট থানা পুলিশ তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতারের সময় পুলিশের উপর হামলা ও গোলাগুলিতে নিহত ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী হাবিবুর রহমান হরু হুনার মৃত্যুর ঘটনায় থানায় পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত শুক্রবার থানার এসআই অভিযানের নেতৃত্বদানকারী সাতবাঁক ইউপির বিট পুলিশিং কর্মকর্তা বর্তমানে সিওমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবু কাউসার বাদী হয়ে নিহত হবিবুর রহমানের পরিবারের ৯ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জনকে আসামী করে পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের করেন। থানার মামলা নং- ০৯, তাং- ২২/১২/২০১৭ইং। এদিকে গুলিতে নিহত হাবিবুর রহমানের লাশ ময়না তদন্তের পর শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় চরিপাড়া মাঝরডি জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে থানা পুলিশ তার লাশ নিজ বাড়ীতে নিয়ে দাফনের উদ্যোগ নিলে এতে গ্রামের অনেকের বাঁধার মুখে পুলিশ লাশ দাফন করতে পারেনি বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। শনিবার হাবিবুর রহমানের জানাজার নামাজে সাতবাঁক ইউপির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার ফয়জুল ইসলাম, বর্তমান চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশ,কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুল সহ প্রায় ৪ শতাধিক লোকজন শরীক হন। জানাজার নামাজ পূর্বে বক্তব্যে সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার ফয়জুল ইসলাম ও বর্তমান চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশ বলেন, গত বৃহস্পতিবার একটি মামলার পলাতক আসামী লঞ্চ চালক হাবিবুর রহমানকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে গিয়ে যে অনাকাংখিত দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে তার সঠিক তদন্ত করার জন্য পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি তারা আহবান জানান। হাবিবুর রহমান ডাকাত নয়, তাকে ধরতে গিয়ে পুলিশের সাথে তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যে অনাকাংখিত ঘটনার জের ধরে পুলিশের গুলিতে হাবিবুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি উদ্ঘাটন এবং প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করারও আহবান জানান। এব্যাপারে থানার ওসি (তদন্ত) নুনু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একাধিক ডাকাতি মামলার আসামী ডাকাত হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা, গুলি ছুড়ার ঘটনায় থানায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এসল্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কানাইঘাটে ওপেন-হাউজ-ডে ও কমিউনিটি পুলিশিং বিষয়ক সভা


নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ কামরুল আহসান বিপিএম বলেছেন মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। যেখানে মুক্তযোদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে সত্যিকার অর্থে ধনি গরীব সবাই সমান অধিকার নিয়ে সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। কিন্তু আজও সমাজে ধনী গরীবের মধ্যে পার্থক্য রয়ে গেছে। কিছু মানুষ সব ধরনের সুবিধা ভোগ করছেন। সেখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে পুলিশের সেবা পরিধি তিনি তুলে ধরে বলেন, এই বাহিনীকে আরো আধুনিক এবং পুলিশের সেবা দ্রুত সাধারণ মানুষের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং সমাজ থেকে সব ধরণের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধে পুলিশের সহায়ক শক্তি হিসাবে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরো গতিশীল করা হচ্ছে। ডিআইজি কামরুর আহসান আরো বলেন, মানুষের সেবা করাই পুলিশের কাজ। আমরা অনেক সময় তা ভুলে যাই বলেই জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ওপেন হাউজ ডে’র আয়োজন করা হয়ে থাকে। এটি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম মাধ্যম। এখানে সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। এখান থেকেও আমরা গণতন্ত্রের শিক্ষা নিতে পারি এবং আইনে ধনী গরীবের কোন বৈষম্য নেই। সকল নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। কামরুল আহসান বিপিএম শনিবার সকাল ১১টায় কানাইঘাট থানা পুলিশের উদ্যোগে স্থানীয় ইউনিক কমিউনিটি সেন্টারে ওপেন হাউজ ডে ও কমিউনিটি পুলিশিং এর এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আহাদের সভাপতিত্বে ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ নুনু মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট উত্তর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খাঁন, কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি আমিনুল ইসলাম সরকার, উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি আ’লীগের আহবায়ক সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান। বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কমিউনিটি পুলিশের সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিতিতে। সভায় কানাইঘাটের সার্বিক আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, পৌর আ’লীগের আহবায়ক জামাল উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক রফিক আহমদ, ফারুক আহমদ চৌধুরী, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান শাহাজাহান সেলিম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমান, চেয়ারম্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেমস লিও ফারগুশন নানকা, ফয়াজ উদ্দিন, মাসুদ আহমদ, আলী হোসেন কাজল, ফখরুল ইসলাম, সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর, সুবেদার বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নাজমুল হক, সাতবাঁক ইউপি আ’লীগের সভাপতি হাজী মখদ্দুছ আলী, আ’লীগ নেতা তাজ উদ্দিন, ইউপি সদস্য ছাব্বির আহমদ, সেলিম চৌধুরী, কাউন্সিলার তাজ উদ্দিন, নারী নেত্রী রুবি রানী চন্দ, খাদিজা বেগম, ছাত্রনেতা মামুন রশিদ রাজু, মারুফ আহমদ, শমসের আলম প্রমুখ। সভায় কিছু বিচ্ছিহ্ন ঘটনা ছাড়া কানাইঘাটের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা সন্তোষজনক রয়েছে। ওসির সুযোগ্য নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ, মাদক, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতন, ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা উন্নয়নের নিমিত্তে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে পুলিশ উল্লেখ করে অনেকে ভারতীয় তীর খেলা বন্ধ ও এই শীতের মৌসুমে চুরি-ডাকাতি ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। চরিপাড়ায় ডাকাতি মামলার আসামী হবিবুর রহমান @ হরু হুনা পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে নিহত ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রুবেল আহমদের হত্যাকান্ডের বিষয়টি তদন্ত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য ডিআইজির প্রতি আহবান জানান।

বঙ্গবন্ধুর অর্ধঅাঁকা ছবি আমাকে অাঘাত করে পীড়া দেয়

Kanaighat News on Friday, December 22, 2017 | 11:37 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:বঙ্গবন্ধু না হলে বাংলাদেশ হতো না। সুতরাং বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশ দুটি অবিচ্ছেদ শব্দ। একটিকে বাদ দিলে আরেকটি কল্পনা করা যায় না। আর বিজয়ের মাসে সিলেটের মেজরটিলা এলাকার দেবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিত্রাঙ্কন করা অর্ধআঁকা ছবিটি সত্যি এটি বড় কষ্টের কারণ মনে করেন কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কামরান এন শাকিল। তিনি তার ফেসবুকে আজ স্কুলে গিয়ে ছবিটি তুলে পোষ্ট করেন। পোষ্টটি নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো — সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের দৃষ্টি আর্কষণ করছি। নিম্মে যে ছবিটি আপনার দেখছেন তা আমার স্মার্টফোনের তোলা,ছবিটি সিলেট নগরীর মেজরটিলা বাজারস্হ একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেওয়ালে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিত্রাঙ্কন করা একটি ছবি,আমি কানাইঘাট টু সিলেট যাওয়া আসার পথে এই ছবিটি আমি সবসময় লক্ষ করি,খুব কম সময়ে কাজ নিয়ে আবার ফিরে আসি বিধায় স্কুল কতৃপক্ষের সাথে এ বিষয় আলাপ করতে পারিনা। কিন্তু বিশ্বাস করেন… ছবি গুলো দেখার পর আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনা।আর এটার সমধান ও করতে পারিনা।সমধান না হওয়ার ফলে ছবি গুলো আমাকে বার বার দেখতে হচ্ছে। গত দু’দিন তাদের সাথে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করি পরি শেষে ব্যর্থ হই। আমার মনের ভিতরের কষ্ট ধৈর্য্যের সীমা অতিক্রম করে। এটি একটি স্বাধীনতার মাস আমি আরও কষ্ট পাই যার জন্য এদেশ স্বাধীন পেয়েছি তার ছবি এভাবে অযত্নে অবহেলায় অর্ধ আঁকা সত্যি এটি বড় কষ্টের। কি না কি লিখব লিখার ভাষাটুকু আমি হারিয়ে ফেলেছি। পরিশেষে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি Abdul Basit Rumman, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম তুষার ও সজল দাস অনিক আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন বিষয়টি অতি তাড়াতাড়ি দেখবেনও দেওয়ালের চিত্রাঙ্কন’টি পরিপূর্ণ ভাবে দেখব বলে সে আশা আমি রাখি।আশা করছি দু’একদিনের মধ্যে চিত্রাঙ্কনটি পরিপূর্ণ করা হবে। কামরান শাকিল বলেন, বিজয়ের মাসে অর্ধঅাঁকা ছবি আমাকে অাঘাত করে পীড়া দেয়। শুধু বিজয়ের মাস বলে নয়, জাতির পিতার ছবির প্রতি আমাদের সকলের লক্ষ্য থাকা উচিত বলে আমি মনে করি। বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন আমাদের সামনের পথে যেতে হবে। এবিষয়ে দেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষককের সাথে কথা বলতে চাইলে তার মোবাইল ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল বাছিত রুম্মান বলেন, আমরা নেতৃবৃন্দদের নিয়ে অর্ধঅাঁকা চিত্রাঙ্কনটি দেখতে খুব শীঘ্রই দেবপুর স্কুলে যাবো। স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে অালাপ করে যা করনীয় তা করবো।

কানাইঘাট হামিদা ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় এছাম উদ্দিনের কৃতিত্ব

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
মোঃ এছাম উদ্দিন এবছর কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ লক্ষীপ্রসাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে  হামিদা ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি (৪র্থ শ্রেণির) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে  কৃতিত্ব অর্জন করে মেধাতালিকায় নবম স্থান অর্জন করেছে। সে দক্ষিণ লক্ষীপ্রসাদ গ্রামের সৌদি প্রবাসী মোঃ রশিদ আহমদ ও বুশরা সুলতানার ১ম ছেলে। এছাম লেখাপড়া করে ভবিষ্যতে মানুষের সেবা করতে চায়।   সে সবার দোয়া প্রার্থী।

কানাইঘাটে মোটর বাইক চালককে কুপিয়ে হত্যা


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাটে গত বৃহস্পতিবার রাতে চড়িপাড়া গ্রামে পুলিশের গুলিতে এক ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী নিহত হওয়ার পর একই রাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের হাতে ভাড়ায় চালিত এক মোটর বাইক চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে এ বাইক চালককে হত্যা করে তার মোটর সাইকেলটি দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে। এ নিয়ে এলাকায় জনমনে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ক্ষতবিক্ষত মোটর বাইক চালক রুবেল আহমদ (২৫) এর লাশ গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় উদ্ধার করেছে। জানা যায়, কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে রুবেল আহমদ ভাড়ায় মোটর সাইকেল দিয়ে যাত্রী আনা নেয়া করত। নিহতের পরিবারের লোকজন ও স্বজনরা জানান গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয় সুরইঘাট বাজার থেকে মোটর সাইকেল চালক রুবেল আহমদ দুই জন যাত্রীকে নিয়ে চতুল বাজারে যায়। এরপর সে আর বাড়ীতে ফিরে আসেনি।  শুক্রবার সকালে বাড়ীর লোকজন রুবেল আহমদের কোন খোঁজখবর না পেয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। সকালবেলা স্থানীয় পথচারীরা একই ইউপির বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামের করুণা দিঘীর কবরস্থানের পাশে জিন্স প্যান্ট পরিহিত এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে কানাইঘাট থানা পুলিশকে খবর দিলে থানার এস.আই রাজীব মন্ডল ও এস.আই সনজিত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে রুবেল আহমদের স্বজনরা তার লাশ সনাক্ত করেন। লাশ সনাক্ত করার পর রুবেল আহমদের আত্মীয় স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে তার সঠিক তথ্য উদ্ঘাটন করা যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের ধারনা যাত্রী বেশি ঘাতকরা রুবেল আহমদকে এলোপাতাড়ী ভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপিয়ে হত্যা করে তার মোটর সাইকেলটি নিয়ে গেছে। রুবেল আহমদের ছোট ভাই শাহীন আহমদ ও স্বজনরা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, কারো সাথে তাদের শত্রুতা নেই। তার নিরাপরাধ ভাইকে কেন এত নির্মম ভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হল। নিহতের বুক সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো চাকুর একাধিক গভীর আঘাত রয়েছে। এ ব্যাপারে লাশ উদ্ধারকারী থানার এসআই রাজীব মন্ডলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মোটর বাইক চালক রুবেল আহমদের লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য সিওমেক হাসপাতালে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে তদন্ত পূর্বক হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কানাইঘাটে আসামী ধরতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা ! ১ জন নিহত, পুলিশসহ আহত ৮

Kanaighat News on Thursday, December 21, 2017 | 11:32 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার ৪নং সাতবাঁক ইউপির চরিপাড়া মাঝরডি গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে গিয়ে থানা পুলিশের উপর হামলার সময় পুলিশের ছুড়া গুলিতে হাবিবুর রহমান উরফে হরু হুনা নামে এক ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ সময় নিহতের পরিবারের সদস্যরা একজোট হয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা চালালে এ সময় হাবিবুর রহমান উরফে হরু হুনা নামে যুবকের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছ থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে। আসামীর পরিবারের সদস্যদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় পুলিশের ৪ সদস্য সহ অন্তত ৮জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশের এস.আই বশির আহমদ, এসআই আবু কাউসার, কনস্টবল আব্দুর রাজ্জাক, কনস্টবল পারভেজ আহমদকে উদ্ধার করে সিওমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে এস.আই বশির আহমদের অবস্থা আশংকা জনক বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এ ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বৃহস্পতিবার রাতে কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি আমিনুল ইসলাম সরকার, কানাইঘাট থানার ওসি আব্দুল আহাদ, ওসি (তদন্ত) মোঃ নুনু মিয়ার নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আহত পুলিশের সদস্যদের উদ্ধার করেন। থানার ওসি আব্দুল আহাদ জানিয়েছেন, একাধিক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত পলাতক আসামী চরিপাড়া গ্রামের মৃত আবু সিদ্দেকের পুত্র ডাকাত হাবিবুর রহমান উরফে হরু হুনা (৩২)কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এস.আই বশির আহমদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার বাড়ীতে অভিযান চালান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত হাবিবুর রহমান ও তার ভাই ফয়জুর রহমান (৩৫), বিলাল আহমদ, চাচা জালাল উদ্দিন জয়াই ও তার ছেলে কামরুল ইসলাম ও পরিবারের মহিলা সদস্যরা একজোট হয়ে পুলিশের উপর দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ সময় পুলিশ আত্ম রক্ষার্থে ফাঁকা গুলি ছুড়লে একাধিক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী হাবিবুর রহমান পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি ছুড়ে। পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে হবিবুর রহমান উরফে হরু হুনা নিহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা লোকজন জানিয়েছেন। তবে থানার ওসি আব্দুল আহাদ জানিয়েছেন, হবিবুর রহমান ডাকাতকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিওমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, পুলিশের হাতকড়া নিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হবিবুর রহমান উরফে হরু হুনার ভাই ফয়জুর রহমান পালিয়ে গেছে। তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি আমিনুল ইসলাম সরকার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, একাধিক মামলার পলাতক আসামী কুখ্যাত ডাকাত ত্রাস সৃষ্টিকারী হবিবুর রহমান উরফে হরু হুনাকে পুলিশ গ্রেফতার করতে তার বাড়ীতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হানা দিলে পুলিশকে লক্ষ্য করে হবিবুর রহমান @ হরু হুনা গুলি ছুড়ে ও তার পরিবারের গোটা সদস্যরা ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। হামলায় পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর বশির আহমদ, আবু কাউসার সহ দু’জন কনস্টবল এবং পুলিশের একজন সোর্স রক্তাক্ত আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে এস.আই বশিরের অবস্থা আশংকা জনক এবং ডাকাতদের ছুড়া গুলি তার গায়ে রয়েছে। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নির্মম ভাবে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান চলছে বলে তিনি জানান। নিহত হাবিবুর রহমান @ হরু হুনার স্বজনরা জানিয়েছেন পুলিশের গুলিতে সে ঘটনাস্থলে মারা গেছে।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩