কানাইঘাট পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক ও সদস্য সচিবের ঈদ শুভেচ্ছা

Kanaighat News on Thursday, August 31, 2017 | 12:35 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রদল কানাইঘাট উপজেলার সর্বস্থরের নেতাকর্মী ও অভিভাবক সংগঠন বিএনপি এবং যুবদল’সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন কানাইঘাট পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আর এ বাবলু এবং পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব দেলোয়ার ইসমাঈল। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তারা বলেন, “ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা দেয়। সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে সকল মানুষকে। “ঈদ ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের জীবনে আনন্দের বার্তা বয়ে নিয়ে আসুক।

জকিগঞ্জে জাকির হুসেইন হিফজুল কোরআন প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরণ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জকিগঞ্জে এম জাকির হুসেইন হিফজুল ক্বোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার গঙ্গাজল হাসানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে শায়খুল হাদীস আল্লামা হাবিবুর রহমান, শায়খুল হাদীস আল্লামা মুকাদ্দস আলী, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মান্নান, আব্দুল লতিফ লতু মিয়া। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ এ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিল্পপতি, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এম. জাকির হুসেইন। তিনি অনুষ্ঠানে আগত সকল অতিথিসহ সর্বস্থরের মানুষের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এ ক্বোরআন প্রতিযোগীতার উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রতিযোগীতার মাধ্যমে মানুষ আল ক্বোরাআনের প্রতি মনোযোগী হবে। দুনিয়ার কোন উদ্দেশ্য হাসিল করতে আমি এ আয়োজন করিনি। আমি এই এলাকার সন্তান হিসেবে ধর্মীয় যেকোন অনুষ্ঠানে আমার সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে। আমি সারাজীবন ইসলামের খেদমত করে যেতে চাই। জাকির আরও বলেন, প্রতিটি এলাকায় এভাবে ক্বোরআন প্রতিযোগীতা করা হলে মানুষ ধীরে ধীরে অন্যায় অবিচার পরিহার করে আল ক্বোরআনের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষিত ও সভ্য সমাজ গড়তে আগ্রহী হবে। তরুণ শিল্পপতি হিসেবে ব্রিটেনে প্রাপ্ত অ্যাওয়ার্ড বাঙালি কমিউনিটিকে গর্বিত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার জীবনের সকল সাফল্যের পেছনে রয়েছে মা-বাবার দোয়া। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ক্বারী আব্দুল মতিন, মুফতি আবুল হাসান ও মাওলানা রায়হানুদ্দীন, রেজাউল করিম রাজু। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল, দৈনিক সিলেটের দিনরাতের সম্পাদক ও প্রকাশক মুজিবুর রহমান ডালিম, জাপা নেতা নজমুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন লস্কর, আব্দুল মালিক, আব্দুল জলিল জালাল, আব্দুল মতিন মেম্বার, আলী হুসেন, মহানগর জাপা নেতা ইউসুফ সেলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খালেদ হুসেইন, জেলা যুব সংহতি নেতা মর্তুজা আহমদ চৌধুরী, উপজেলা যুবসংহতির সাবেক আহবায়ক ও মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি জালাল উদ্দিন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জাপার প্রচার সম্পাদক আব্দুল আহাদ, উপজেলা যুব সংহতির আহবায়ক শাহ আলম, যুবনেতা, মুহিবুর রহমান, আব্দুল আহাদ, তাজুল ইসলাম, হাসানুল আলম হাছনু, রুবেল আহমদ, মিনাজ আহমদ, সাহিদুর রহমান জীবন, সুফিয়ান আহমদ, হাসান আহমদ, আজির উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রসমাজের সাবেক সভাপতি সালমান আহমদ চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, ছাত্রনেতা আজমল হুসেন, আবজল চৌধুরী প্রমূখ। প্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ী হাফেজদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সমস্যায় জর্জরিত কানাইঘাটের লক্ষীপ্রসাদ আইডিয়াল একাডেমী

Kanaighat News on Wednesday, August 30, 2017 | 11:10 PM


আলিম উদ্দিন আলিম: কানাইঘাট উপজেলার ২নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির লক্ষীপ্রসাদ আইডিয়াল একাডেমী নানা সমস্যায় জর্জরিত। এলাকাবাসীর সাহায্যে ও সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণ ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ৩ বিঘা জমির উপর ২০১৫ ইং সালের জানুয়ারি মাসে ৬ষ্ট শ্রেণীতে ৮৫ জন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু হয় । বিদ্যালয়টিতে প্রথমত ৩টি শ্রেণী কক্ষ নির্মাণ করা হলেও এরমধ্যে ১টি কক্ষকে অফিস কক্ষ এবং অন্য ২টি কক্ষকে শ্রেণী কক্ষ হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি আধাঁপাকা ভাবে নির্মিত হয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এছাড়া ২০১৬ইং সাল থেকে ৭ম শ্রেণী চালু হয় উক্ত বিদ্যালয়ে। বর্তমানে নিয়মিত পাঠদান করে আসছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ে মোট ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ১১০জন থাকায় শিক্ষার্থীরা খুব কষ্ট করে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া বিদ্যালয়টি বিদ্যুৎ বিহীন থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা অন্ধকারের মধ্যে তাদের পাঠদান কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তাই প্রতি শ্রেণীকে ২টি শাখায় বিভক্ত করে পাঠদান করাচ্ছেন শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ মোট ৪জন শিক্ষক রয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ছাত্র/ছাত্রীদের তুলনায় শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ে ভবন স্বল্পতা, আসবাবপত্র সংকট রয়েছে। তাই চলতি বছরে আরো ২টি শ্রেণী কক্ষ অতি জরুরী হয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এফ এম জিয়াউর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়ে সরকারি কোন অনুদান বরাদ্ধ করা হয়নি। স্থানীয়ভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী বিদ্যালয়টি পরিচালনা করে আসছেন। এদিকে ২নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ শামিম উদ্দিন জানান, অবহেলিত লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির ছাত্র/ছাত্রীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি এলাকায় শিক্ষার উন্নয়নে আমরা স্থানীয় এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে একটি বিদ্যালয় স্থাপন করেছি। যেটিতে বর্তমানে বহু ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষক স্বল্পতা, আসবাবপত্র স্বল্পতা ও ভবন স্বল্পতা রয়েছে। আশাকরি, আমাদের এই বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সবাই আন্তরিক ভাবে সহযোগিতা করবে। এদিকে বিদ্যালয়টিতে একটি ভবন নির্মাণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বাস-ট্রেনে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

বাস-ট্রেনে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: দুই দিন পরেই কোরবানির ঈদ। ঈদের আনন্দ পরিবারের সাথে ভাগাভাগি করতে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে ঘরমুখী মানুষ। রাজধানীর বাসস্টেশন, রেলস্টেশন ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

এদিকে, প্রতিটি বাস ও ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যায়। অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণেই ট্রেন কিছুটা দেরিতে ছাড়ছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

সকালে রাজশাহীগামী ধূমকেতু, খুলনাগামী সুন্দরবন, তিস্তা দেওয়ানগঞ্জ, মহানগর এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক থেকে দেড় ঘণ্টা দেরীতে স্টেশন ছেড়ে গেছে। কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে গেলেও ছিল অতিরিক্ত যাত্রী চাপ।

সড়ক পথেও যেন ব্যস্ততা আর দুর্ভোগ একে অন্যের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে। যাত্রীদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে বাসগুলো ছেড়ে যাচ্ছে না। টিকিট কালো বাজারির জন্য অনেকে টিকিট পায়নি বলেও জানান তারা।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ভিড় থাকলেও ভোগান্তি অনেকটাই কম। যাত্রীরা জানান, পল্টনের সংখ্যা বাড়ায় সদরঘাটে আগের চেয়ে দুর্ভোগ অনেক কমে গেছে।

যাত্রীরা আরো জানান, কোনভাবেই যেন লঞ্চ আগে ছেড়ে না যায় তাই একটু আগে এসে লঞ্চ ঘাটে উপস্থিত হয়েছেন তারা।

'রোবর্ট-২'-ছবির-মুক্তির-দিন-পেছাল!

'রোবর্ট-২' ছবির মুক্তির দিন পেছাল!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এ বছর দীপাবলিতে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুটিংয়ের কাজ শেষ করতে না পারায় ছবি মুক্তি পিছিয়ে গিয়েছে সামনের বছর জানুয়ারি পর্যন্ত। হ্যাঁ, 'থালাইভা' রজনীকান্তের ফ্যানেদের মন এ খবরে ভেঙে যাওয়ারই কথা।

এদিকে এই ছবিতে রজনীকান্তকে আবারও 'চিট্টি', অর্থাৎ প্রেমিক রোবটের চরিত্রে দেখা যাবে। পাশাপাশি চ্যালেঞ্জিং একটি চরিত্রে দেখা যাবে অক্ষয় কুমারকে। কিন্তু তা বলে এমন চেহারা! পোস্টারের এই চেহারাটি কিন্তু বলিউডের খিলাড়িরই। চিনতে কষ্ট হলেও, এটাই সত্যি।

ছবিতে শয়তান বিজ্ঞানী 'ডক্টর রিচার্ড'-এর ভূমিকায় অভিনয় করছেন অক্ষয় কুমার। ছবির পরিচালনা করেছেন শঙ্কর শনমুঘম।

রজনী ফ্যানেরা কিন্তু অক্ষয়কেও স্ক্রিনে এমন লুকে দেখার জন্য মরিয়া। জানা যায়, এই চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অক্ষয় এমন কিছু করেছেন, যা তিনি কেরিয়ারের ২৫ বছরেও করেননি।

'অজিরা স্লেজিং ভালো পারে, তাদের কাছ থেকেই শিখেছি'

'অজিরা স্লেজিং ভালো পারে, তাদের কাছ থেকেই শিখেছি'

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে সাব্বির রহমানের সঙ্গে বেধে গিয়েছিল ওয়ার্নারের। চতুর্থ দিন সকালেও সেই ওয়ার্নারের সঙ্গে বেধে যায় তামিমের। আম্পায়ার আলিম দারের হস্তক্ষেপে শান্ত হয় পরিস্থিতি। এ উত্তেজনা ছড়িয়েছে বারবার।

শুধু ব্যাটে-বলে নয়, শারীরিক ভাষাতেও টাইগাররা কতটা আগ্রাসী হতে পারে সেটা টের পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মাঠে কথার লড়াই নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্ন এসেছে সাকিবের কাছে। মাঠে যেমন জবাব দিয়েছেন, সংবাদ সম্মেলনেও তেমন জবাব দিলেন এই অলরাউন্ডার।

সাকিব বলেন, এটা আসলে খেলারই অংশ। অজিরা স্লেজিং খুব ভালো পারে, আমরাও ওদের থেকে শিখেছি। এটা খুবই ভালো একটা টেস্ট। এরকম ম্যাচ মানুষকে আরও টেস্ট দেখতে উৎসাহ দেয়। ক্রিকেটের জন্য খুবই ভালো। গত দুই বছরের পারফরম্যান্স থেকেই আমাদের আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে গেছে। কেউ হয়তো আমাদের ওভাবে খেয়াল করেনি, কিন্তু আমরা চুপিসারেই নিজেদের কাজটা করে গেছি।

টেস্ট শুরুর আগে এই সাকিবই বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়াকে ২-০তে হারানো সম্ভব। সেটা শুনে আবার স্টিভেন স্মিথ মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, ১০০ টেস্টে বাংলাদেশের জয় মাত্র ৯টি।

এবার জয়ের পর সাকিব বললেন, আশা করি, এই টেস্ট শেষে ওরা আরও বেশি সম্মান দেবে। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলা আর মাঠে খেলার মধ্যে পার্থক্য আছে। ঘরের মাটিতে আমরা বিশ্বাস করি আমরা যে কাউকে হারাতে পারি, সেটা করে দেখিয়েছি। 
সূত্র: বিডি লাইভ।

আফগান সাংসদের বাড়িতে হামলা, নিহত ৪

আফগান সাংসদের বাড়িতে হামলা, নিহত ৪
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ নানগরহারের জালালাবাদ শহরের এক আফগান রাজনীতিবিদের বাড়িতে বুধবার সশস্ত্র জঙ্গি হামলায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়।

সশস্ত্র জঙ্গিরা সকালে আফগানিস্তানের সংসদ সদস্য জাহির কাদেরের বাড়িতে একটি বিস্ফোরণ ঘটায় ও গুলিবর্ষণ করে।

এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিনহুয়া আরো জানায়, হামলাকারীরা দুই নিরাপত্তা কর্মীকে গুলি করে হত্যা করে। তার আগে এক জঙ্গি ভবনটির কাছে তার জ্যাকেট বিস্ফোরণ ঘটায়।

এই প্রদেশে তালিবান ও আইএস জঙ্গিদের উপস্থিতি রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতন: সত্য, মিথ্যা এবং আং সান সুচি

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতন: সত্য, মিথ্যা এবং আং সান সুচি

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: গত জানুয়ারিতে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কাছাকাছি যাওয়ার পর আটকে দেয়া হয়েছিলো সাংবাদিকদের। তবে সেই সময়কার চিত্র এবং সার্বিক দিক নিয়ে বিবিসির সেই প্রতিবেদনটি কানাইঘাট নিউজ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

বিবিসির প্রতিবেদন-
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর মিয়ানমারের নেত্রী আং সান সুচিকে এক কাতারে ফেলতে চাইবেন না অনেকেই। কিন্তু রোহিঙ্গা নির্যাতনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বিবিসির সংবাদদাতা জোনাহ ফিশার যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, তাতে তার মনে হয়েছে, দুজনের মধ্যে আসলে অনেক মিল। সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন জোনা ফিশার তার এই লেখায়:

আপনি যা ভাবছেন, তার চেয়েও আসলে অনেক বেশি মিল ডোনাল্ড ট্রাম্প আর আং সান সুচির মধ্যে।

দুজনেরই বয়স ৭০-এর বেশি। দুজনের মাথার চুল নিয়েই বেশ আলোচনা হয়। এবং দুজনেই সাংবাদিকদের প্রচন্ড অপছন্দ করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অশান্ত সম্পর্ক খুবই আলোচিত। কিন্তু আং সান সুচির সঙ্গে গণমাধ্যমের সম্পর্ক যে অনেকটা একই রকম সেটা জানলে অবাক হবেন অনেকে।

আং সান সুচি অনেকের কাছেই পরিচিত 'দ্য লেডি' নামে। ১৯৯০ এর দশকে তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান মানবাধিকার আর গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে।

সুচিকে যখন মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা রেঙ্গুনে গৃহবন্দী করে রেখেছিল, তখন তার সঙ্গে কথা বলার জন্য, তার সাহসী প্রতিরোধের কাহিনি তুলে ধরার জন্য অনেক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন। তবে আং সান সুচি ক্ষমতায় যাওয়ার পর সবকিছু যেন বদলে গেছে।

মিয়ানমারের সরকারে তিনি নিজের জন্য তৈরি করেছেন এক ক্ষমতাধর পদ। প্রেসিডেন্টেরও উর্ধ্বে এই 'স্টেট কাউন্সেলর' বা 'রাষ্ট্রীয় পরামর্শকের' পদটি। বাস্তবে তিনি আসলে সবার ধরা ছোঁয়ার উপরে। তাঁকে জবাবদিহি করার কেউ নেই।

সুচির মুখপাত্রের সাক্ষাৎকার নেয়ার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বিবিসির জোনাহ ফিশার
সুচির মুখপাত্রের সাক্ষাৎকার নেয়ার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বিবিসির জোনাহ ফিশার



আং সান সুচি কখনোই মিয়ানমারের গণমাধ্যমে কোন সাক্ষাৎকার দেন না। আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় কথা বলেন বেছে বেছে। পার্লামেন্টে এমপি-রা তাকে নিয়মিত প্রশ্ন করার কোন সুযোগই পান না। নির্বাচনের সময়ের সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনের পর আর কোন সত্যিকারের সংবাদ সম্মেলনে তাকে দেখা যায়নি।

আর এর পাশাপাশি সরকারী প্রপাগান্ডা তো রয়েছেই। এই প্রপাগান্ডা মিয়ানমারে সামরিক শাসন আর সেন্সরশীপের কালো দিনগুলোকেই মনে করিয়ে দেয়।

রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন:
প্রায় প্রতিদিনই মিয়ানমারের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্রে ছাপা হয় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে আক্রমণ করে লেখা নিবন্ধ। রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরার কারণেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই হামলার লক্ষ্যবস্তু।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় দশ লাখ। দশকের পর দশক ধরে তারা মিয়ানমারে বৈষম্যের শিকার। বহু দিন ধরে রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলছে সামরিক বাহিনির নির্মম অভিযান।

সেখানে কী ঘটছে তার উত্তর নির্ভর করছে আপনি কাকে বিশ্বাস করবেন তার ওপর। কারণ কেউ যে স্বাধীনভাবে সেখানে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানবেন, তার সব পথ বন্ধ রেখেছে মিয়ানমার সরকার।

অনেকে দাবি করছেন মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সেখানে জাতিগত নির্মূল অভিযান চালাচ্ছে। কারও দাবি সেখানে গণহত্যা চলছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং আং সান সুচি অবশ্য এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করছেন। তারা বলছেন, সেখানে পুলিশের ওপর রোহিঙ্গা জঙ্গীরা যে হামলা চালিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চলছে।

গত সপ্তাহে বিবিসি-কে যখন রাখাইন রাজ্যের সহিংসতা কবলিত এলাকায় যাওয়ার অনুমতি দেয়া হলো, সেটা ছিল বেশ অবাক করা ব্যাপার। আমরা তাড়াতাড়ি বিমানে উড়ে গেলাম রাখাইনের রাজধানী সিটুয়ে-তে। সেখান থেকে আমরা একটা ফেরিতে চড়ে মায়ু নদী ধরে বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে রওনা হলাম।

চার ঘন্টা পর আমরা বুথিডং এ পৌঁছালাম। সেখান থেকে সংঘাত কবলিত এলাকাগুলি আর মাত্র ৪৫ মিনিটের পথ।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ সেখানেও হাজির। আমাদের পথ রোধ করে দাঁড়ালো পুলিশ আর নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একটি দল। আমাদেরকে স্থানীয় টাউনশীপের' অফিসে নিয়ে যেতে চায় তারা।

টাউনশীপ অফিসে নিয়ে আমাদের জানানো হলো, রাখাইন রাজ্যে আমাদের সফর বাতিল করা হয়েছে। আমরা যে রাখাইনে যাচ্ছি সেই খবর রাজধানীতে আং সান সুচির সরকারের কানে পৌঁছে গেছে। সেখান থেকে নির্দেশ এসেছে আমাদের থামানোর।

আমরা আবার নৌকায় উঠে ফিরে আসার আগে স্থানীয় এক কর্মকর্তা আমাদের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে একটা সাক্ষাৎকার দিতে রাজী হলেন।

এটাকেও একটা ছোটখাট বিজয় বলা যেতে পারে। আং সান সুচি আর তার মুখপাত্র এ পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলতে ক্রমাগত আমাদের সব আবেদন খারিজ করেছে।

এই কর্মকর্তা থান টুট কিয়া একজন ডাক্তার। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। গত দশ বছর ধরে তিনি উত্তর রাখাইনে আছেন। তার সঙ্গে কথা বলে খুব দ্রুত পরিস্কার হয়ে গেল যে, আরও অনেক বার্মিজ নাগরিকের মতো তিনিও বিশ্বাস করেন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের খবরকে তিনি বানানো গল্প বলে মনে করেন।

"আমাদের গোপন করার কিছু নেই। আমাদের জাতীয় সরকার এখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে সব সত্য ঘটনা জানাচ্ছে। বার্মিজ বৌদ্ধরা ধর্ষণের শিক্ষা দেয় না। এসব গুজব ছড়ানো হচ্ছে।"

তবে আং সান সুচির সমস্যা হচ্ছে, এসবকে কেবল গুজব বলে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। সাংবাদিক এবং ত্রাণ কর্মীরা যেহেতু রাখাইনে যেতে পারছেন না, তাই রোহিঙ্গারা নিজেরাই সেখানে অত্যাচার-নির্যাতনের ছবি তুলে ধরছেন। তারা স্মার্টফোনে তাদের কাহিনী বর্ণনা করে বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে পাঠিয়ে দিচ্ছেন বিদেশে।

আমি গত কয়েক মাসে ভয়াবহ সব ভিডিও দেখেছি। অনেক নারী, যাদের মুখে নির্যাতনের ক্ষতচিহ্ণ, তারা বলেছেন, তাদের ধর্ষন করা হয়েছে। রাস্তায় পড়ে আছে শিশুদের মৃতদেহ। ছাইয়ের গাদার ওপর পড়ে আছে পুড়ে যাওয়া মাথার খুলি।

এসব ঘটনা যাচাই করা হয়তো কষ্টকর। কিন্তু অসম্ভব নয়। অনেক সময় একই এলাকা থেকেই একাধিক সূত্র পাওয়া যায়। অনেক সংগঠনের গোপন নেটওয়ার্ক আছে মাঠ পর্যায়ে। তবে মিয়ানমারের সরকারী গণমাধ্যম প্রতিটি ঘটনায় তাদের নিজেদের কাহিনি প্রচার করেছে।

প্রকৃত সংখ্যা যাচাই করা কঠিন। কারণ লোকজন সেখান থেকে পালাচ্ছে এবং পুরো এলাকার একটা সার্বিক চিত্র তাদের কাছ থেকে পাওয়া যাবে না। কিন্তু যেসব ভিডিও আমাদের কাছে এসেছে সেগুলোকে সেখানকার ঘটনাবলীর খন্ডচিত্র বলা যেতে পারে এবং কোন সন্দেহ নেই যে সেখানে ভয়ংকর কিছু ঘটছে।

এসব ঘটনার ব্যাপারে আং সান সুচি এবং তার কর্মকর্তরা যে ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন তা কিন্তু হুবহু ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মিলে যায়।

গণমাধ্যম কি বলছে:
রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন নিপীড়নের ব্যাপক তথ্য-প্রমাণ রয়েছে সেটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের লোকজনের কৌশলই বেছে নিয়েছে। গণমাধ্যমে একবার-দুবার হয়তো ভুল বা মিথ্যে তথ্য প্রচার হয়েছে, সেগুলোকেই তারা ফলাও করে দেখাচ্ছে।

যেমন, মেইল অনলাইন একবার একটি রোহিঙ্গা শিশুর নির্যাতনের খবর দিয়েছিল, কিন্তু পরে দেখা গেল সেই শিশুটি আসলে ক্যাম্বোডিয়ান। যদিও এই ভুলের পরপরই খবরটি তুলে নেয়া হয়। মিয়ানমারের সরকারী পত্রিকাগুলোর সামনের পাতায় এটিকে ফলাও করে প্রচার করা হয় যে বিদেশি গণমাধ্যমে ভুল খবর দেয়া হচ্ছে।

একই ভাবে সুচির এক বক্তৃতার অনুবাদ করতে গিয়ে বলা হয়েছিল, এতে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে তিনি হাসাহাসি করছেন। এ নিয়ে মিয়ানমারে তীব্র হল্লা শুরু হয় এবং এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেয়া হয়।

আং সান সুচির কর্মকর্তারা মাঝে মধ্যে এমন ধরণের প্রচারণা চালান যা আসলেই উদ্ভট।

জানুয়ারীর শুরুতে আং সান সুচির দফতর থেকে হলিউডের তারকা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের একটি ছবি পোস্ট করা হয়, যাতে র‍্যাম্বোর বেশে তাকে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে লড়াই করে যেতে দেখা যাচ্ছে। রোহিঙ্গারা যে মিথ্যে প্রচারণা চালাচ্ছে এটিকে তার উদাহারণ হিসেবে দেখানো হয়।

এরকম একটা ছবিকে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ছবি হিসেবে ব্যবহারের মতো নির্বুদ্ধিতা কে করেছে, তা স্পষ্ট নয়। হয়তো কোন একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী এই কাজটা করেছে। কিন্তু একজনের এই ভুলটিকে উদাহারণ হিসেবে সামনে এনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ব্যাপক তথ্য-প্রমাণকে নাকচ করে দেয়া হচ্ছে।

সিএনএন বা গার্ডিয়ানে যখন বাংলাদেশের পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে, তখন সেটিকে খুবই স্থূল কায়দায় নাকচ করা হচ্ছে। এজন্যে মিয়ানমার সরকারের একটা ধরাবাঁধা ফর্মূলা আছে।

রোহিঙ্গাদের যেসব গ্রাম সম্পর্কে এই প্রতিবেদন বেরুচ্ছে সেখানে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের পাঠানো হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের প্রতিবেশী আর পরিবারের সদস্যদের ধরে বেঁধে এনে তাদের একটি বিবৃতিতে সই করতে বাধ্য করা হচ্ছে যেখানে তারা প্রচারিত প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

প্রচারণা কি বন্ধ করা সম্ভব:
অনেক দেশ, এদের মধ্যে ব্রিটেনও রয়েছে, যারা আং সান সুচিকে এ অবস্থাতেও সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমার যেভাবে একনায়কত্ব থেকে বেরিয়ে আসছে, সেটাকে তারা ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছে। কারণ আং সান সুচি নতুন ক্ষমতায় এসেছেন এবং সেনাবাহিনী এবং পুলিশ তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন না।

যদি তিনি রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযান বন্ধ করার চেষ্টাও করতেন, তা পারতেন না। অনেক ত্রুটি বিচ্যূতি সত্ত্বেও তাকেই মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় আশা-ভরসা বলে মনে করেন তারা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে যে উস্কানিমূলক প্রচারণা চলছে, সেটা অন্তত সুচি বন্ধ করতে পারেন।

সুচি সেসব মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করেন, তার অধীনে কাজ করেন যেসব কর্মকর্তা, তারা রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের খবরকে প্রতিদিন বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। আর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী যেসব কথা বলছে, সেগুলোকেই সত্য বলে প্রচার করছেন। আর এই সেনাবাহিনীই কিন্তু মিয়ানমারের আরও অনেক জাতিগত সংখ্যালঘুদের গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে, নারীদের ধর্ষণ করেছে।

উত্তর রাখাইনে কী ঘটছে, সেই সত্য হয়তো কোন দিনই পুরোপুরি জানা যাবে না।

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর টাইগারদের প্রসংশায় ভাসাচ্ছে বিশ্ব মিডিয়া। এই জয়ে বিশ্বের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার নেতৃত্ব দিলেন একেবারে সামনে থেকে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাই বাংলাদেশের এই জয়ের সঙ্গে আসছে দুটি শব্দ: ঐতিহাসিক জয় আর সাকিব!

দারুণ শিরোনাম দিয়েছে ব্রিটেনের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী পত্রিকাগুলোর একটি দ্য গার্ডিয়ান: ‘অস্ট্রেলিয়ার আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক এক জয় ঘোষণা করল’। অস্ট্রেলিয়ার দ্য নিউজ অবশ্য অতটা কাব্য করেনি স্বাভাবিক কারণে। নিরীহ শিরোনাম দিয়ে তারা লিখেছে: ‘ঢাকায় প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে হারাল’। এর চেয়ে নিরামিষ শিরোনাম আর কী হতে পারে!

‘ঐতিহাসিক!’ এই শব্দটাই ঘুরে ফিরে আসছে। আর আসছে সাকিব আল হাসানের কথা। আসবেই তো। অস্ট্রেলিয়ার মতো ক্রিকেট ইতিহাসের পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা একটি দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়কে ঐতিহাসিক বললেও যেন একটু অতৃপ্তি থেকে যায়। বহু ব্যবহারে এই শব্দটা যেন একটু ক্ষয়েই গেছে।

ভারতের পত্রপত্রিকার অনলাইন সংস্করণেও আজ বিশেষ কাভারেজ পেয়েছে বাংলাদেশের এই জয়। হিন্দুস্তান টাইমস শিরোনাম করেছে, ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে অনেক রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিয়েছেন সাকিব’।

সাকিব আর স্পিনের ঘূর্ণিতে এই জয় এসেছে, সেই আভাস দিয়ে শিরোনাম করেছে ইন্ডিয়া টুডে: ‘সাকিব আল হাসান স্পিনস বাংলাদেশ টু মেইডেন টেস্ট ভিক্টরি ওভার অস্ট্রেলিয়া’। টাইমস অব ইন্ডিয়া অবশ্য সোজা কথায় শিরোনাম করেছে: ‘অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ’।

অস্ট্রেলিয়ার ফক্স স্পোর্টসে অবশ্য হাহাকারটা আরও বেশি ধরা পড়ে: ‘জাতীয় দল প্রথম ঐতিহাসিক পরাজয়ের শিকার হলো ক্রিকেটের কোনো ছোট দলের কাছে’। ফক্স স্পোর্টস অন্তত টেস্টে এখনো বাংলাদেশকে ‘মিনোজ’দের একজন ভাবছে, সেটা তাদের শিরোনামেই বোঝা যায়। জয়ের পথে ভালোমতো ছুটতে ছুটতে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া যে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল, সেটার আভাস আছে দ্য অস্ট্রেলিয়ানের শিরোনামে, ‘অসিরা বাংলাদেশের কাছে প্রথম পরাজয়ে ভেঙে পড়ল’।

অস্ট্রেলিয়ার আরেক পত্রিকা দ্য এজ শিরোনাম করেছে: ‘প্রথমবারের মতো টাইগাররা অসিদের হারানোয় তৈরি হলো ইতিহাস’। পত্রিকাটি অস্ট্রেলিয়া অধিনায়কের সিরিজ শুরুর আগে করা মন্তব্য নিয়ে শুরুতেই প্রশ্ন তুলেছে। স্টিভেন স্মিথ এই সিরিজের আগে বলেছিলেন, আগামী চার বছরে ক্রিকেটের অনেক বড় বড় দেশে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ আছে। সেটার কথা ভেবেই এই দল নির্বাচন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে দ্য এজ লিখেছে, ‘তাঁর এই মন্তব্য কতটা বিবেচনাপ্রসূত, এখন সেই প্রশ্নই উঠছে। কারণ, তিনি এখন প্রথম অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক হয়ে গেলেন, যিনি র‌্যাঙ্কিংয়ের নয়ে আছে এমন একটি দলের কাছে হারলেন।’

খালেদা জিয়াকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়াকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি  শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক সেকেন্দার আলী মোল্ল্যার নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার দুপুরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিযে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ কার্ড পৌঁছে দেন।

চিকিৎসার জন্য বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গত ৮ অগাস্ট লন্ডনের মুরফিল্ড হাসপাতালে তার ডান চোখের অস্ত্রোপচার হয়।

বিএনপি নেতারা জানান, লন্ডনে বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় আছেন খালেদা জিয়া। পরিবারের সঙ্গে এবার লন্ডনেই কোরবানির ঈদ করার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনের। 
সূত্র: বিডি লাইভ।

অপারেশন থিয়েটারেই ডাক্তারদের ঝগড়া, মৃত্যু সদ্যজাতের

অপারেশন থিয়েটারেই ডাক্তারদের ঝগড়া, মৃত্যু সদ্যজাতের

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সৃষ্টিকর্তার পর মানুষের সর্বশেষ বিশ্বাসের জায়গা ডাক্তাররা। যত বড় অসুখে পড়েন না কেনো আপনার অাশা আছে ভালো ডাক্তার দেখালে মিলতে পারে মুক্তি। কিন্তু সেই ডাক্তাররা যখন দায়িত্বে অবহেলার চরম সীমায় পৌছে। তাহলে কি হতে পারে।

সম্প্রতি প্রতিবেশী দেশ ভারতের রাজস্থানের যোধপুরের উমেদ হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে ডাক্তাররা যা করেছেন তা গোটা ডাক্তার সমাজকেই নিচু করেছে।

অপারেশন টেবিলে এক গর্ভবতী নারীর অপারেশন করছিলেন ডাক্তাররা। অপারেশনও শুরু করেছেন ডাক্তার। তখনই সেখানে থাকা আরেক ডাক্তারের সঙ্গে উচ্চস্বরে ঝগড়া শুরু করলেন অপারেশনের দায়িত্বে থাকা ডাক্তার।

রোগীর দিকে গুরুত্ব না দিয়ে ওটিতেই উচ্চস্বরে অশ্রাব্য ভাষায় ঝগড়া করতে লাগলেন তিনি। এমন অবস্থায় মায়ের অপারেশন শেষ হলেও, মৃত্যু হয়েছে সদ্যোজাতের।

সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া এমন একটি ভিডিওতে ঝগড়ার চিত্রটি ফুটে উঠেছে। শিশুটির মৃত্যুর জন্য ডাক্তারদের ঝগড়াকেই দায়ী করা হচ্ছে।

ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে গাইনকোলজির সহকারী অধ্যাপক অশোক নানিভাল অপারেশন করতে করতেই ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন অ্যানাস্থেশিয়ার অধ্যাপক মথুরালাল তাকের সঙ্গে।

অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি চলতে থাকে দু’জনের মধ্যে। ঠিক কী নিয়ে ঝগড়ার সূত্রপাত, তা বোঝা না গেলেও, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মুথরালাল ওষুধের ডোজ নিয়ে তর্ক করছেন অশোকের সঙ্গে।

হাসপাতালের সুপার রঞ্জনা দেশাই জানিয়েছেন, ''মহিলা রোগীকে সংকটজনক অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল। তাকে তৎক্ষণাৎ অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় সি-সেকশনের জন্য। তার বাচ্চা মারা যান। এই ঝগড়ার কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা যাবে।'' দু’জন চিকিৎসককেই সাসপেন্ড করা হয়েছে।

বিশ্বের সব থেকে বড় লাইব্রেরি তেহরানে

বিশ্বের সব থেকে বড় লাইব্রেরি তেহরানে

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ইরানের রাজধানী তেহরানে ১ লাখ ১০ হাজার বর্গমিটারের বিশাল এলাকা নিয়ে নির্মিত হয়েছে তেহরান বুক গার্ডেন। ধারণা করা হচ্ছে- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরি।

তেহরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আব্বাসাবাদ হিলস-এ নির্মিত এই লাইব্রেরিটিতে বইয়ের দৃষ্টি আকর্ষক প্রদর্শনীর সঙ্গে রয়েছে একটি আর্ট গ্যালারি এবং ১০টির মতো থিয়েটার ও অ্যাম্ফিথিয়েটার।

এখানে শিশুদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে একটি বিশেষ সেকশন। যেখানে থাকবে তাদের পাঠোপযোগী বই। নিউজ উইকের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শুধু শিশুদের জন্যই রয়েছে ৪ লাখ বইয়ের বিশাল সংগ্রহ।

লাইব্রেরি পাশাপাশি এতে রয়েছে মুভি থিয়েটার, সায়েন্স হল, ক্লাসরুম, একটি রেস্টুরেন্ট এবং একটি প্রার্থনাঘর। আর মনোরম পরিবেশে পড়ার জন্য লাইব্রেরির ছাদে রয়েছে সবুজ পার্ক।

চলতি বছরের জুলাইয়ে উদ্বোধনের সময় তেহরানের মেয়র মোহাম্মদ বাকার ক্বালীবাফ বলেছিলেন, এটি আমাদের দেশের জন্য একটি বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। এই সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক সুযোগ গ্রহণ করে শিশুরা যথাযথ ভাবে বেড়ে উঠবে।

তেহরান বুক গার্ডেন প্রতিষ্ঠার প্রথম প্রস্তাব এসেছিল ২০০৪ সালে। তেহরান আন্তর্জাতিক বইমেলার আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার কারণে এই প্রস্তাবটি এসেছিল। বিভিন্ন বই বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করা নিয়ে ইরানকে আগে সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে। সম্প্রতি ইরানের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসছে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ২০১৫ সালের তেহরান আন্তর্জাতিক বইমেলাতে শীর্ষ প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনী। এর মাধ্যমে এই ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছিল যে ইসলামিক রিপাবলিকে প্রকাশনার যে বিধি-বিধান রয়েছে তা শিথিল হচ্ছে।

গিনেজ বিশ্ব রেকর্ড অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালের পর থেকে বিশ্বের সব থেকে বড় লাইব্রেরি হচ্ছে নিউইয়র্ক শহরের ফিফথ এভিনিউয়ের বার্নেস এন্ড নোবেল। এটি প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। যেখানে ১২ মাইল দীর্ঘ জায়গা জুড়ে বই রাখার জন্য ব্যবহৃত সেলফ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই লাইব্রেরি থেকে তেহরান বুক গার্ডেন প্রায় তিনগুন বড়।

ত্বক উজ্জ্বল করতে অ্যালোভেরা

ত্বক উজ্জ্বল করতে অ্যালোভেরা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ত্বকের অনুজ্জ্বলতা নিয়ে যারা বিষণ্নতায় ভুগছেন, বিভিন্ন স্কিন ব্রাইট করা প্রসাধনী ব্যবহার করেও ফল পাননি। তাদের জন্য একটি ন্যাচারাল স্কিন ব্রাইটেনিং স্ক্রাব হলো অ্যালোভেরার স্ক্রাব। এটা ব্যবহারে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও মসৃন।

# ১ কাপ চিনি, হাফ কাপ অ্যালোভেরা জেল, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস নিন। কাঁচের জারে সব উপাদান একসাথে নিয়ে আলতো করে মেশান। খেয়াল রাখুন মিশ্রণটি খুব বেশি নেড়ে চিনি অন্যান্য উপাদান মিলেমিশে গলিয়ে ফেলবেন না। পারফেক্ট স্ক্রাব রেডি করতে চাইলে উপাদানের পরিমাণ কমিয়ে বাড়িয়ে নিতে পারেন।

স্ক্রাব তৈরি হয়ে গেলে আপনি আপনার মুখের ত্বক ও শরীরে খুব হালকা করে এই হোমমেড স্ক্রাব দিয়ে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ এভাবে ম্যাসাজ করে এই স্ক্রাব মুখে অল্প সময় রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই স্ক্রাব আপনি সপ্তাহে ২\৩ দিন ব্যবহার করুন। নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে অল্প দিনে আপনি ফলাফল দেখতে পাবেন।

চিনি আপনার ত্বকের ডেডসেল রিমুভ করে স্কিন ব্রাইট করবে ও ক্লিন লুক এনে দেবে। অ্যালোভেরা ত্বক ডিপক্লিন করবে, ময়েশ্চারাইজ করবে ও এটির সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান সমূহ ত্বকের কোমলতা বাড়িয়ে তুলবে। লেবুর রস আপনার ত্বকের স্পট রিমুভ করবে, স্কিন টোন লাইট করবে ও ক্লিন ন্যাচারাল ক্লিন করবে।

চেষ্টা করুন আপনার ত্বক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে, সারাদিন যদি বাইরে থাকেন ঘরে ফিরে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করুন।

# মুখে যাতে করে দ্রুত বলিরেখা বা রিংকেল না আসতে পারে এর জন্য ঘরোয়াভাবে অ্যান্টি-এজিং ফেসমাস্ক করে ব্যবহার করুন।

# মুখে মেকআপ নিয়ে ঘুমিয়ে যাবেন না। আলসেমি না করে ঘুমানোর আগে মেকআপ রিমুভার দিয়ে বা ভালোভাবে পানি দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে ঘুমান। ত্বক উজ্জ্বল করতে স্কিনকে ভেতর থেকে পুষ্টি দিতে তাজা ফল আর শাকসবজি খান।

আমেরিকার সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরির চূড়ায় বাংলাদেশের ওয়াসফিয়া

আমেরিকার সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরির চূড়ায় বাংলাদেশের ওয়াসফিয়া

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মেক্সিকোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ও উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি পিকো দে ওরিজাবা জয় করলেন বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।

ওয়াসফিয়া তার বন্ধু হুয়ান মেন্ডোজাকে সাথে নিয়ে উত্তরের পথ দিয়ে ২৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার পিকো ডে ওরিজাবার চূড়ায় পৌঁছান।

মাউন্ট ডেনালি ও মাউন্ট লোগানের পরে উত্তর আমেরিকার তৃতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ পিকো দে ওরিজাবা। ওয়াসফিয়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট ডেনালির চূড়ায়ও উঠেছেন।

আগ্নেয়গিরিটি অ্যাজটেকদের নাহুয়াটাল ভাষায় সিটলালটেপেটল নামে পরিচিত। যার অর্থ ‘তারকা পর্বত’। এটি ট্রান্স-মেক্সিকান আগ্নেয় বেল্টের পূর্বে সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৬৩৬ মিটার (১৮ হাজার ৪৯১ ফুট) উঁচু। আগ্নেয়গিরিটি বর্তমানে সুপ্ত অবস্থায় আছে।

মেক্সিকোর যে তিনটি আগ্নেয়গিরিতে এখনো হিমবাহ আছে তাদের মধ্যে পিকো দে ওরিজাবা একটি। আর মেক্সিকোর সর্ববৃহৎ হিমবাহ গ্রান গ্লেসিয়ার নর্তে এখানেই অবস্থিত। প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ওয়াসফিয়া নাজরীনই প্রথম এই সুউচ্চ আগ্নেয়গিরি জয় করলেন। 
সূত্র: বিডি লাইভ।

কানাইঘাটে ভারতীয় বিড়ির চালান সহ পৃথক মামলায় গ্রেফতার ৩

Kanaighat News on Tuesday, August 29, 2017 | 9:20 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাটে ভারতীয় নাসির বিড়ির একটি চালান আটক করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ। কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদের তত্বাবধায়নে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এএসআই শহিদুল আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার বড়চতুল ইউপি কমপ্লেক্সের সামনে ত্রিমুখী রাস্তা হতে মঙ্গলবার ভোর ৫টায় অভিযান চালিয়ে একটি লেগুনা ভর্তি ৬৩ হাজার পিস অবৈধ ভারতীয় নাসির বিড়ি, লেগুনা সহ উপজেলার লখাইরগ্রামের আনফর আলীর পুত্র ড্রাইভার সালমান রশিদকে গ্রেফতার করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এএসআই শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন, থানার মামলা নং- ১৪, তাং- ২৯/০৮/২০১৭ইং। অপরদিকে মঙ্গলবার রাতে এসআই রাজীব মন্ডল ও এসআই স্বপন চন্দ্র সরকার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউরভাগ ৪র্থ খন্ড গ্রামে আব্দুল বারির পুত্র আব্দুল লতিফের সুরইঘাট বাজারস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজা সহ আব্দুল লতিফ নামে এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে এবং থানার এস.আই ইসমাইল হোসে ভূইয়া পৃথক অভিযান চালিয়ে উপর ঝিঙ্গাবাড়ী গ্রামের মিজানুর রহমানের পুত্র ওয়ারেন্ট ভুক্ত পলাতক আসামী জুবের আহমদকে একই রাতে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। মঙ্গলবার ধৃত আসামীদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কানাইঘাটে রাধাষ্টমী পালিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রীমতি রাধা রানীর শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষ্যে কানাইঘাট শ্রী শ্রী হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘের উদ্যোগে ধর্মীয় অনুষ্ঠান মালার মধ্য দিয়ে রাধাষ্টমী মহোৎসব উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার দিনব্যাপী কানাইঘাট পৌরসভার সার্বজনীন ঊষাবাবুর দূর্গা মন্ডপে মঙ্গলারতি, গুরুপূজা, কীর্তন মেলা, মহা-অভিষেক, ধর্মসভা পরবর্তী রাধাষ্টমীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী। হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ, কানাইঘাটের সভাপতি শ্রী রঙ্গ গৌরহরি রঞ্জিতের সভাপতিত্বে ও নামহট্ট সিলেটের সাবেক কোষাধ্যক্ষ শ্রী বিপিন বিহারী দাস ব্রহ্মচারীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি শ্রী-দূর্গা কুমার দাস, নামহট্ট সংঘের উপদেষ্টা মাষ্টার সুদীপ্ত চক্রবর্তী, ডাঃ মানিক লাল দাস, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন। শ্রীমতি রাধা রানীর শুভ আবির্ভাব তিথির উপর ধর্মসভায় বক্তব্য রাখেন, নামহট্ট সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক শ্রী পান্ডব গোবিন্দ দাস ব্রহ্মচারী, ইস্কন সিলেটের সদস্য শ্রী পরমেশ^র কৃষ্ণ দাস, নামহট্ট বালাগঞ্জ উপজেলার সভাপতি শ্রী রঞ্জন কানাই দাস, নামহট্ট কানাইঘাটের সহ সভাপতি শ্রী নিত্যমুকুন্দ দাস নির্মল, পূজা উদ্যাপন পরিষদ কানাইঘাটের সাধারণ সম্পাদক ভজন লাল দাস, কানাইঘাট পৌর হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নেহার রঞ্জন বর্ধন, পৌর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দাস, পূজা উদ্যাপন পরিষদ নেতা মিলন কান্তি দাস, প্রতাপ চন্দ্র দাস, চমক রঞ্জ দে প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রতিটি ধর্মের মনিষীরা সব সময় সত্য ও সুন্দরের পথে চলার মানুষকে আহ্বান করেছিলেন। আমরা বিভিন্ন ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে বাসস্থানের পাশাপাশি ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা পালন করে আসছি। মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সহ অন্যান্য ধর্মের মনিষীদের জীবনাদর্শকে মনে প্রাণে ধারন করে আমাদের সবাইকে চলতে হবে। শ্রীমতি রাধারানীর আদর্শকে ধারন করে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ সহ সবাইকে তাঁর পথে চলতে হবে। তিনি কানাইঘাটে কেন্দ্রীয় ভাবে সার্বজনীন পূজা মন্ডপের ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা নির্বিঘেœ পালন করার জন্য উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে ভক্তবৃন্দদের মধ্যে মহা প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

হৃদরোগের কিছু সাধারণ লক্ষণ

হৃদরোগের কিছু সাধারণ লক্ষণ
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: হৃদপিণ্ডের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া মানেই মৃত্যু। সুতরাং এ নিয়ে হেলাফেলার কোনো সুযোগ নেই। তাই হৃদপিণ্ড কতটা সুস্থ রয়েছে সেদিকে খেয়াল রাখাটাও জরুরি। নানা কারণে হৃদপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়।

হৃদরোগের মতো গুরুতর সমস্যার কিছু বিশেষ লক্ষণ রয়েছে, যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন-

# শ্বাসকষ্ট
ঘনঘন শ্বাসকষ্ট হলে অবশ্যই সাবধান হওয়া জরুরি। সামান্য চলাফেরা বা হাঁটাহাঁটিতে, সিঁড়ি বেয়ে দু-তিন তলায় উঠতে গেলে, অজু, গোসল ও নামাজ পড়তে গেলে, টয়লেট করতে, অনেকেই আবার পরিধেয় পোশাক পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়।

# বুকে অস্বস্তি
হৃদরোগের প্রাথমিক ধাপের একটি হলো বুকের ভেতরে অস্বস্তি। বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব করতে পারেন। ধমনীতে কোনোভাবে রক্ত চলাচল আটকে গেলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। যার আগাম সংকেত দেয় বুকে ব্যথা।

# মাথা ঘোরানো
অনেক সময় না খেলে, ঠিকমতো বিশ্রাম না নিলে মাথা ঘোরাতে পারে। তবে যদি এই সমস্যা বেশ কিছুদিন স্থায়ী হয় এবং এর সঙ্গে শ্বাস নিয়ে সমস্যা ও বুকে অস্বস্তি হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

# অনিয়মিত হৃদস্পন্দন
যদি লক্ষ্য করেন হৃদস্পন্দনের গতির হেরফের হচ্ছে, সামান্য কাজ করতে গিয়েও হাঁফিয়ে উঠছেন, তাহলে সাবধান। সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞকে দিয়ে একবার পরীক্ষা করে নিন।

# নাক ডাকা
অনেকেই ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন। তবে যদি দেখেন আপনার আপনজন কেউ ঘুমের মধ্যে নিয়মিত অত্যধিক পরিমাণে নাক ডাকছেন, তাহলে সতর্ক হোন। কেননা এর মানে হলো, ঘুমের সময় ঠিকমতো শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে না। যে কারণে হার্টকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

# গলা ও চোয়াল ব্যথা
গলা বা চোয়াল ব্যথার অন্য কারণ হতেই পারে। তবে বুক থেকে ব্যথা গিয়ে চোয়াল বা গলায় আটকালে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

# অতিরিক্ত ঘাম
পরিশ্রম করছেন না, কিন্তু তাও হঠাৎ হঠাৎ খুব ঘামছেন। এটাও অন্যতম লক্ষণ।

প্রস্তুত শাহরুখ কন্যা সুহানা?

প্রস্তুত শাহরুখ কন্যা সুহানা?

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘ ২৫ বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে বলিউড কিং শাহরুখ খান দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অনেক জনপ্রিয় সিনেমা। বাবার পথ ধরে তার মেয়ে সুহানা রুপালি জগতে পা রাখছেন এ গুঞ্জন অনেকদিন ধরেই উড়ছে। এবার সেই গুঞ্জন আরো জোরালো হলো।

করন জোহরের তত্ত্বাবধায়নেই নাকি বলিউডে আসার প্রস্তুতি শুরু করেছেন সুহানা। সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম।

সূত্রের দেওয়া তথ্যমতে, সম্প্রতি তিনি (সুহানা) করন জোহরের অফিসে এসেছিলেন এবং তার সঙ্গে পেশাদার হেয়ার স্টাইলিশ এবং মেকআপ পারসন ছিল। একজন শীর্ষ স্টাইলিস্ট তার স্টাইল করেছেন এবং প্রসিদ্ধ একজন ফটোগ্রাফার তার ফটোশুট করেছেন।

বলিউডের তারকা সন্তানদের সিনেমার পর্দায় নিয়ে আসতে নির্মাতা করন জোহরের জুড়ি নেই। শাহরুখের পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্কটাও ভালো। এছাড়া শাহরুখ সবসময়ই বলে আসছেন অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে তার মেয়ে সুহানার। বেশ কিছুদিন আগে স্কুলের থিয়েটারে সুহানার অভিনয়ের একটি ক্লিপ ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছিল।

এছাড়া কয়েকদিন আগে ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে হাজির হয়েছিলেন সুহানা। সেখানে ক্যামেরার সামনে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন তিনি। তবে খুব শিগগির করন সুহানাকে নিয়ে সিনেমা করবেন কিনা সে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।

অফিসে শাড়ি পড়ুন

অফিসে শাড়ি পড়ুন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: শাড়ি আমাদের দেশের নারীদের একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক। কিন্তু বর্তমানে অফিসগামী নারীরা কর্মক্ষেত্রে শাড়ির পরিবর্তে সালোয়ার কামিজ পড়াকেই শ্রেয় মনে করেন। অথচ শাড়ি পরেও স্বচ্ছন্দে কাজ করা যায়।

কর্মক্ষেত্রে শাড়ি আপনার ব্যক্তিত্ব উপস্থাপন করে। জেনে নিন অফিসে শাড়ি পড়ার কারণগুলো-

গল্প বলে শাড়ি:
প্রত্যেক শাড়িরই নিজস্ব গল্প রয়েছে। আপনি সুন্দর একটি শাড়ি পরে অফিসে যান। কিছুক্ষণ পরেই দেখবেন কেউ না কেউ এসে আপনার শাড়ির প্রশংসা করছে। এটি কোথা থেকে কিনেছেন, এটি আপনার না কি আপনার মায়ের শাড়ি সে প্রশ্নেরও সম্মুখীন হবেন আপনি। সুতরাং দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইলে শাড়ি পরতে পারেন।

বিশেষ উপলক্ষে:
অফিসে বিশেষ বিশেষ উপলক্ষে শাড়ি পড়ে দেখুন। সাধারণত সুতি, সুতি সিল্ক, তসর এবং ভাগলপুরি শাড়ি অফিসে পড়ার জন্য উপযুক্ত।

বিশেষ অনুষ্ঠানে এমব্রয়ডারি করা শাড়ি কিংবা ঐতিহ্যবাহী কোন শাড়ি পড়ুন। সেই সঙ্গে কপালে টিপ, চোখে একটু কাজল, হাতে চুড়ি এবং কানে ঝুমকা। আপনাকে অপ্সরীর মত লাগছে- সহকর্মীদের এই মন্তব্য নিশ্চয়ই আপনাকে উদ্দীপ্ত করবে।

আনুষ্ঠানিক পোশাক:
অনেকের ধারণা আনু্ষ্ঠানিক পোশাক হিসেবে শাড়ি বেমানান। তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, কর্পোরেট জগতের প্রধান পদে অধিষ্ঠিত নারীরা কিন্তু কর্মক্ষেত্রে শাড়িই পরেন।

পেশাদার পোশাক:
শাড়ি যথার্থই একটি পেশাদার পোশাক। দেশি কিংবা বিদেশি ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যদি আপনার কোনো মিটিং থাকে তাহলে শাড়ি পড়ে যেতে পারেন। তারা আপনার রুচির প্রশংসা করবে।

আরামদায়ক:
এই গরমে স্বস্তি পেতে শাড়ি পড়ুন। গ্রীষ্মে সুতি এবং শিফনের শাড়ি পড়তে পারেন আবার শীতে সিল্কের শাড়িতে চমৎকার মানিয়ে যাবে।

ঈদ উপলক্ষে আরব আমিরাতের ৮০৩ কারাবন্দীকে মুক্তি

ঈদ উপলক্ষে আরব আমিরাতের ৮০৩ কারাবন্দীকে মুক্তি

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ৮০৩ বন্দীকে মুক্তির আদেশ দিয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে সিনহুয়া সোমবার এখবর জানায়।

আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের আদেশে ক্ষমা ও মুক্তিপ্রাপ্ত এসব কারাবন্দী ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ডপ্রাপ্ত আসামী ছিলেন।

শেখ খলিফা মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানেরও প্রতিশ্রুতি দেন।

কুমিল্লায় ডোবা থেকে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার

কুমিল্লায় ডোবা থেকে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোটে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর ডোবা থেকে মোতাহার উদ্দিন তামিম (৯) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে উপজেলার অষ্ট্রগ্রামের মিয়ার বাজারের পাশের একটি ডোবা থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আশ্রাফুল ইসলাম। নিহত তামিম ফেনীর দাগনভূঁইয়া উপজেলার গজারিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আশ্রাফুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত শিশু মোতাহার উদ্দিন তামিম গত ২৬ আগস্ট তার মায়ের সঙ্গে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের অষ্ট্রগ্রামে নানা আবু তাহেরের বাড়িতে বেড়াতে আসে। রবিবার সকাল থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর ওইদিন বিকালে তামিমের সন্ধান চেয়ে পরিবারের লোকজন এলাকায় মাইকযোগে প্রচার করে। সোমবার দুপুরে ওই ডোবায় তামিমের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শাপলা তুলতে গিয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। কারণ তার হাতের মধ্যে শাপলার ফুল ছিল। এছাড়া শিশুটি সাঁতারও জানতো না বলে পরিবার দাবী করেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। 
সূত্র: বিডি লাইভ।

ঈদের পরই মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের উদ্বোধন

ঈদের পরই মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের উদ্বোধন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: অবশেষে চালু হতে চলেছে রাজধানীর মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার। কোরবানির ঈদের পরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

সোমবার খন্দকার মোশাররফ গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর সময় না পাওয়ায় ঈদের আগে ফ্লাইওভারটি চালু করা যাচ্ছে না। তবে ঈদের পরপরই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে জানান তিনি।

এরই মধ্যে ফ্লাইওভারটির কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে ধোয়ামোছার কাজ। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে ২০১১ সালে ফ্লাইওভার নির্মাণ শুরু হয়। ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ ফ্লাইওভারের হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল থেকে সাতরাস্তা পর্যন্ত অংশটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা উদ্বোধন করেন।

ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর ফ্লাইওভারের ইস্কাটন-মৌচাক অংশের যান চলাচল উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তৃতীয় ধাপে এ বছরের ১৭ মে ফ্লাইওভারের এফডিসি মোড় থেকে সোনারগাঁও হোটেলের দিকের অংশটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।

রাজধানীতে সুয়েরেজ লাইন বিস্ফোরণে নিহত ২

রাজধানীতে সুয়েরেজ লাইন বিস্ফোরণে নিহত ২

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর গোলাপবাগে সুয়েরেজ লাইন বিস্ফোরণে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির ডেমরা-যাত্রাবাড়ি এলাকার সহকারী কমিশনার ইফতেখারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গ্যাস বিস্ফোরণে ম্যানহোলের ঢাকনি ছুটে গিয়ে তার আঘাতে একজন মারা যান। বিস্ফোরণে আগুন ধরে গেলে তাতে দগ্ধ হয়ে মারা আরেকজনের মৃত্যু হয়।

যাত্রাবাড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তোফায়েল আহমেদ বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে সুয়েরেজ লাইনে জমে থাকা গ্যাস হঠাৎ করে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি পাশের একটি দোকান ও বাসায় আগুন লেগে যায়। দমকল বাহিনী গিয়ে আগুন নেভায়।

বাগদাদে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১২

বাগদাদে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১২

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাগদাদের পূর্বাঞ্চলীয় একটি ব্যস্ত মার্কেট এলাকায় সোমবার গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত ও ২৪ জন আহত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র সিনহুয়াকে একথা জানায়।

বাগদাদের শিয়া অধ্যুসিত সদর এলাকার জামিলা মার্কেটের একটি বিদ্যুত অফিসের অদূরে দুপুরের আগে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে।

এতে বহু দোকানপাট ধ্বংসপ্রাপ্ত ও বেশ কিছু গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এক ম্যাচের দাম ৪৮৭০ কোটি টাকা!

এক ম্যাচের দাম ৪৮৭০ কোটি টাকা!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: দুই বছর পর আবারও হাজির হয়েছেন বক্সার ফ্লয়েড মেওয়েদারক। এবার আরেকটি মাল্টি মিলিয়ন ডলার লড়াই জিতে কাঁপিয়ে দিয়েছেন খেলার জগৎ। প্রতিটি জ্যাব আর পাঞ্চে উশুল করে নিয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকা!

বাংলাদেশ সময় আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে হয়ে গেল সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বক্সিং লড়াই। আর সেই লড়াইয়ে আইরিশ মিক্সড মার্শাল আর্ট খেলোয়াড় কনর ম্যাকগ্রেগরকে দশম রাউন্ডে টেকনিক্যাল নকআউট করে নিজের ৫০তম লড়াইটাও জিতে গেলেন মেওয়েদার। ৫০-০, এই হলো মেওয়েদারের ক্যারিয়ার রেকর্ড! আর এই জয় দিয়ে ২০০ মিলিয়ন ডলারও জিতেছেন মেওয়েদার!

সিএনএনের দাবি, এই ফাইট থেকে সব মিলিয়ে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার (৩ হাজার ২০০ কোটি টাকারও বেশি) পাবেন মেওয়েদার। তবে সব মিলিয়ে এই ম্যাচ ৬০০ মিলিয়ন ডলারের আয় এনে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। বাংলাদেশি টাকায় যেটি ৪ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা!

দুই বছর আগে ম্যানি প্যাকিয়াওকে হারিয়ে ৪৯তম জয় নিয়ে অবসরে গিয়েছিলেন। হোটেল রুমে নোটের বান্ডিলের মাঝে শুয়ে ছবি তুলে সবাইকে সেটা দেখিয়েছিলেন। এবার কী করবেন তিনি?

এদিকে কিছুদিন ধরেই এই ফাইট নিয়ে উত্তেজিত বক্সিং ও ইউএফসি জগতের লোকজন। মাত্র ২০ হাজার দর্শকের একটি প্রদর্শনী ম্যাচের টিকিট বিক্রি করেই ৭০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে আয়োজকেরা। আর পে-পার-ভিউ থেকে আয়ের অঙ্কটার মোট হিসাব এখনো মেলেনি। ৯৯ ডলার দিয়ে সরাসরি এ ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে টিভি দর্শকদের। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৫০ লাখ মানুষ সরাসরি দেখেছে এ ফাইট। সে ক্ষেত্রে পে-পার-ভিউ থেকেই প্রায় ৪৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেছে আয়োজকেরা। সব মিলিয়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার উঠে আসার কথা এ লড়াই থেকে!

পোপ ফ্রান্সিস ৩০ নভেম্বর ঢাকা আসছেন

পোপ ফ্রান্সিস ৩০ নভেম্বর ঢাকা আসছেন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রোমান ক্যাথলিক চার্চের পোপ ফ্রান্সিস তিন দিনের বাংলাদেশ সফরে ৩০ নভেম্বর ঢাকা আসবেন।

আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে পোপ ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এই সফরকালে পোপ রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং তিনি বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

এতে বলা হয়, এই সফরের প্রস্তুতির বিষয় মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল উইংয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য সম্প্রতি একটি অগ্রগামী দল বাংলাদেশ সফর করেছে।

এদিকে আজ বিকেলে নগরীর কাকরাইলস্থ আর্চবিশপ হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও বলেন, রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রধান এবং ক্যাথলিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রধান হিসেবে পোপ সরকারি সফরে ‘সম্প্রীতি ও শান্তির’ বার্তা নিয়ে আসছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভ্যাটিকান রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ জর্জ কোচেরি, সহকারি বিশপ ও ভিকার জেনারেল বিশপ শোরত ফ্রান্সিস গোমেজ।

আর্চবিশপ বলেন, ৮০ বছর বয়স্ক পোপকে তার আগমন ও বিদায়কালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে সংবর্ধনা জানানো হবে।

পোপ সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নগরীর ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরও পরিদর্শন করবেন।

কানাইঘাটে আমরি খালের ব্রিজ না থাকায় হাজারো লোকের ভোগান্তি

Kanaighat News on Monday, August 28, 2017 | 10:48 PM


আলিম উদ্দিন আলিম: কানাইঘাট উপজেলার উপজেলার ২নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি'র আমরি খালের উপর ব্রিজ না থাকায় এ অঞ্চলের হাজারো মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে হচ্ছে এ অঞ্চলের মানুষকে। কানাইঘাট পৌর শহর থেকে কুওরঘড়ি-লক্ষীপ্রসাদ-মুলাগুল রাস্তা দিয়ে ৩টি ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তায় আমরি খালের উপর ব্রিজ নিমার্ণের দাবী এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। ব্রিজ না থাকার কারণে উক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলে জনসাধারণ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এলাকাবাসী জানান, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা এই অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের দাবীর সাথে একমত পোষণ করে উক্ত আমরি খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের ওয়াদা করে বিপুল পরিমাণ জনগোষ্টির ভোট আদায় করে নিলেও নির্বাচনের পর তারা তাদের ওয়াদা ভুলে যান। তাই আজ পর্যন্ত আমরি খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের দাবী পুরণ হয়নি। এলাকার জনসাধারণ ও স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরা বর্ষাকালে নৌকা এবং শুকনো মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি মধ্যে এই আমরি খাল পারাপার করে থাকেন। এছাড়া আমরি খাল পার হয়ে সুরমা নদীর পশ্চিম পাড়ে কুকুবাড়ি চরে এলাকাবাসী নানা ধরনের শাক-সবজি ও ফসলের উৎপাদন করেন। এবং তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য বহনসহ প্রয়োজনীয় যাতায়াতে লোকজনকে নানা প্রতিবন্ধকতার স্বীকার হতে উক্ত আমরি খালে ব্রিজ না থাকার কারণে। এতে এলাকাবাসী উপজেলার কানাইঘাট বাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা, ব্যবসা-বানিজ্যসহ বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এই রাস্তা দিয়ে এলাকার হাজার জনসাধারণ মুলাগুল বাজার, বাগান বাজার, আমেরতল বাজার ও আমবাড়ি বাজার, বুধবারী বাজার, কান্দলা নয়াবাজার, লোভারমূখ বাজার সহ উপজেলা সদরে যাতায়াত করে থাকেন। উক্ত আমরি খালের উপর একটি মাত্র ব্রিজের কারণে বিচ্ছিন্ন রয়েছে এই এলাকার জনসাধারণের নিরাপদ যাতায়াত। কানাইঘাট উপজেলার ২নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান জেমস্ লিও ফারগুশন নানকা জানান, আমাদের ইউনিয়নের জনসাধারণের একমাত্র দাবী আমরি খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। যে দাবীটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকারের আমলে উপেক্ষিত ছিল। বর্তমান সরকারের আমলে কানাইঘাট-জকিগঞ্জ আসনের এমপি আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিনের আন্তরিক সহযোগীতায় ব্রিজটি বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি ডিও লেটার পাঠানো হয়েছে। আশাকরি আগামী অর্থ বছরেই ব্রিজটি নির্মাণে সরকার আন্তরিক হবে এবং এ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের দাবী বাস্তবায়িত হবে। এলাকাবাসী উক্ত আমরি খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোরদাবী জানিয়েছেন।

২৮ বছর সমাজচ্যুত হিন্দু পরিবারের ইসলাম গ্রহণ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ২৮ বছর ধরে সমাজচ্যুত করে রাখায় এক হিন্দু পরিবারের সব সদস্যই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ভারতের মধ্যপ্রদেশের ছত্তরপুর জেলার এক গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ছত্তরপুর জেলার রাজনগরের ফোটদার গ্রামের বাসিন্দা বিনোদ প্রকাশ খারে ২৮ বছর আগে এক মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর তার স্ত্রীর নাম রাখা হয় বীনা। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। দুই ছেলে আমন ও সুরজ, মেয়ে একতা। হিন্দু হয়ে মুসলিম তরুণীকে বিয়ে করায় গ্রামের মোড়লরা এতদিন একঘরে করে রেখেছিল বিনোদের পরিবারকে। গ্রামের লোকজন তার ওই বিয়ে মেনে নেয়নি। বিনোদ বলেন, ‘সমাজ এতদিন ধরে আমাদের লাঞ্ছিত, অপমানিত করেই এসেছে। গ্রামের কোনো বিয়ে বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে আমাদের ডাকা হতো না।’ শুধু গ্রামবাসীই নয়, আত্মীয়-স্বজনদের কাছেও ছিলেন উপেক্ষিত। তিনি বলেন, কোনো আত্মীয়র বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হতো না। এমনকি তাদের বাড়িতে ঢুকত না। তবে কেউ কেউ দরজার সামনে আমন্ত্রণপত্র ফেলে দায় সারত। বিনোদের মেয়ে একতা এখন ফাতিমা। তিনি বলেন, ‘দাদুর মৃত্যুর পরও শেষযাত্রায় বাবাকে শবদেহ বয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি। মামাদের সঙ্গে যাতে শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারি, সেজন্যই ধর্মান্তরিত হয়েছি।’ গত ২১ আগস্ট বিনোদের পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। বিনোদের প্রশ্ন, ‘আমরা কি নিজের ইচ্ছা অনুসারে জীবনযাপন করতে পারি না? আমরা কি আমাদের পছন্দের কাউকে বিয়ে করতে পারি না?’ রাজনগরের এসডিএম রবীন্দ্র চৌকস বলেন, এ বিষয়ে তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাননি বা ধর্ম পরিবর্তনের কোনো আগাম তথ্যও তিনি পাননি। কিন্তু খবর এসেছে যে, সামাজিক বয়কটে হতাশ হয়ে এক হিন্দু পরিবার স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্থানীয় জেলা সভাপতি অনুপম গুপ্তা বলেন, ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে দেখাও করা হয়েছে। পারিবারিক কিছু সমস্যার জন্য ওই পরিবারকে ভুল পথে চালিত করা হয়েছে। সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান গুপ্তা। সূত্র : এবিপিআনন্দ।

আগুন-নিভে-কিভাবে

আগুন নিভে কিভাবে

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আদি মানবেরা আগুন আবিষ্কার করেছিলো লক্ষ লক্ষ বছর আগে। ক্রমান্বয়ে মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণ করে খাবার ঝলসে খেতে, তাপ ও আলো পেতে, এবং শিকারীদের দূরে রাখতে শিখলো। আগুন মানব জীবনে এত বড় আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিলো যে কিছু মানুষ আগুনের পূজা পর্যন্ত করতো।

প্রাচীন গ্রীকদের ধারণা ছিল, আগুন চারটি মৌলিক উপাদানের একটি যা দিয়ে জগতের সব কিছু গঠিত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, আগুন মৌলিক তো নয়ই বরং আগুনের বিজ্ঞান যথেষ্ট জটিল। আগুনের শিখায় শত শত জটিল বিক্রিয়া ঘটতে থাকে এবং জটিল যৌগ উৎপন্ন ও পরিবর্তিত হতে থাকে। আজকে জেনে নেয়া যাক আগুন পদার্থ নাকি শক্তি।

কিভাবে নিভে আগুন:
আগুন নেভাতে হলে চারটির যে কোনো একটি বন্ধ করতে হবে- জ্বালানি, তাপ, অক্সিজেন, চেইন রিয়েকশন বা শেকল বিক্রিয়া। জ্বালানি বন্ধ করতে চুলা বা গ্যাস বার্নারের সুইচ অফ করা হয়। তাপ কমাতে পানি ঢালা হয়। কার্বন-ডাই-অক্সাইড স্প্রে করলে অক্সিজেন প্রতিস্থাপিত হয় কারণ, এটি অক্সিজেনের চেয়ে ভারী। আর ফু দিয়ে গ্যাস সরিয়ে দিলে শেকল বিক্রিয়া বন্ধ হয়।

ক্রিকেটার সানির অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর

ক্রিকেটার সানির অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: যৌতুকের জন্য মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানিকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত। সোমবার সানির জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তার আইনজীবী জুয়েল আহম্মেদ ও মুরাদুজ্জামান মুরাদ স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক জাহিদুল কবির ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ৪নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যৌতুকের জন্য মারধরের অভিযোগে ক্রিকেটার আরাফাত সানি ও তার মা নারগিস আক্তারের বিরুদ্ধে তৃতীয় মামলা করেন তার স্ত্রী দাবিদার নাসরিন সুলতানা।

আদালত পরবর্তীতে মামলাটি এজাহার হিসেবে নেয়ার জন্য মোহাম্মদপুর থানাকে নির্দেশ দেন। ৮ ফেব্রুয়ারি সানি ও তার মা নারগিস আক্তারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি এজাহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন। নাসরিন সুলতানার দায়ের করা মামলায় ২২ জানুয়ারি গ্রেফতার হন সানি। 
সূত্র: বিডি লাইভ।

৩০ বছর পর সিনেমা দেখলো ফিলিস্তিনির গাজাবাসীরা

৩০ বছর পর সিনেমা দেখলো ফিলিস্তিনির গাজাবাসীরা
বিনোদন ডেস্ক: ৩০ বছর পর শনিবার রাতে কোনো সিনেমা দেখলো ফিলিস্তিনির গাজাবাসীরা। ‘টেন ইয়ার্স’ নামের সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনী দেখতে ভীড় করেছিলেন প্রায় তিনশো দর্শক।

‘টেন ইয়ার্স’ চলচ্চিত্রটি ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনিদের ঘটনা নিয়ে নির্মিত। গত এক দশক ধরে গাজা এলাকার নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের হাতে এবং সেখানে সিনেমা হলগুলো চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে প্রদর্শনীর আয়োজক ঘাদা সালমি বলেন, এক রাতের এই চলচ্চিত্র প্রদর্শনী গাজায় সিনেমাকে ফিরিয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টার সংকেত।

প্রদর্শনীতে টেন ইয়ার্সের অভিনয় শিল্পীদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়। তাদের একজন অভিনেতা নর্মিল জিয়াদা সেখানে বলেন, শহরে সিনেমা প্রদর্শনী ফের চালু হওয়ায় আমি খুশি। সিনেমা ও প্রামাণ্য চিত্রের মাধ্যমে সমাজকে এগিয়ে নেওয়া জরুরি।

শত্রু ইসরায়েলিদের সঙ্গে হরদম যুদ্ধ-বিগ্রহে ক্ষতবিক্ষত বিপর্যস্ত এলাকাটিতে এখনও বসবাস করছেন ২০ লাখ অকুতোভয় ফিলিস্তিনি।
এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বেশ কষ্টকর সেই বেঁচে থাকা- তারপরও মাতৃভূমি ছেড়ে পালিয়ে যায়নি তারা। ছবি দেখতে আসা একজন দর্শক বললেন, সিনেমা হল, নগর উদ্যান আর সার্বজনীন সমাবেশের স্থানসহ আমাদের মানুষের মতো বেঁচে থাকাটা জরুরি।

চুলের যত্নে আমলকির ১১টি ব্যবহার

চুলের যত্নে আমলকির ১১টি ব্যবহার
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চুলের যত্নে মানুষ কত কিছুই না করে, এ জন্য পার্লারে গিয়ে প্রচুর টাকা ঢালতেও অনেকের কার্পণ্য নেই। এ ক্ষেত্রে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে বেশ উপকারে আসে। চুল হয়ে ওঠে উজ্জ্বল, গোড়া হয় মজবুত। এতে চুল পড়া বন্ধ হয়, চুল দেখতেও হয় সুন্দর। চুল পড়া একটি সাধারণ ঘটনা। কিন্তু অত্যধিক চুল পড়াটা আবার ভালো নয়। আমলকি চুলের জন্য সবচেয়ে পুষ্টিকরী একটি উপাদান। আমলকি কাঁচা, চূর্ণ বা তেল হিসাবেও ব্যবহার করা যায়। এটি একটি প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসাবে কাজ করে এবং চুল জোরদার ও শক্তিশালী তৈরি করে।

দেশীয় ফল হিসেবে আমলকি সবার কাছেই পরিচিত। এটি দামে যেমন সস্তা ও সহজলভ্য, তেমনি এর রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা। চলুন জেনে নেয়া যাক মৌসুমী এই ফলটি আমাদের কি কি উপকার করে থাকে।

চুলের যত্নে আমলকির ১১ টি ব্যবহার:-

চুল বৃদ্ধি
আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এতে ভিটামিন, মিনারেল এবং খনিজের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

প্রাকৃতিক চুল কন্ডিশনার
চুলের পুষ্টি এবং চুলকে শক্তিশালী করতে আমলকির বিকল্প কিছু নেই। আমলকি চুলের কন্ডিশনার হিসাবেও কাজ করে। যার ফলে চুল হয়ে উঠে চকচকে আর আকর্ষণীয়।

খুসকি দূর করে
আমলকি ব্যবহারের ফলে চুলের খুসকী দূর হয়ে যায়। এত থাকা ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ডান্ড্রিয়াম আক্রমন বাধা দেয় ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

স্কাল্প সংক্রামক
মাথার ত্বক পরিষ্কার করার জন্য আমলা রস খুবই চমৎকার। এটি মাথার খুলি এবং চুল চকচকে করে তোলে।

চুল পড়া রোধ করে
আয়ুর্বেদ মতে, অতিরিক্ত চুল পড়া রোধ করতে আমলকির ভূমিকা অপরিসীম।

চুল শক্তিশালী
আমলকির রস ত্বক এবং চুল উভয়ের জন্য একটি উপকারী টনিক হিসাবে কাজ করে। এটি চুলকে শক্তিশালী করে তোলে।

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট
আমলকি শরীরের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবেও ভালো কাজ করে।

প্রাকৃতিকভাবে চুলকে চকমক করে তোলে
নিয়মিত আমলকি ব্যবহারে চুল প্রাকৃতিক ভাবেই অনেক সুন্দর এবং সাইনি হয়ে উঠে।

চুলের ঘনত্ব
আমলকির পুষ্টি এবং অন্যান্য উপকারী উপাদানের কারণে নিয়মিত আমলকির রস পান করলে আপনার চুল ঘন হয়ে উঠে।

ভঙ্গুর চুল প্রতিরোধ করে
আমলকি চুলের শুষ্কতা প্রতিরোধ করে এবং আর্দ্রতা পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে। এটি মৃত কোষগুলিও সরিয়ে দেয়।

চুলের রং বাড়ানো
আমলা সাধারনত মেহেদির সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়, যার ফলে চুলের রং প্রাকৃতিকভাবেই আরো উজ্জল দেখায়।

অবশেষে একমত চীন-ভারত

অবশেষে একমত চীন-ভারত

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: টানা আড়াই মাস ধরে চলতে থাকা টান টান উত্তেজনার অবসান ঘটতে চলেছে। সীমান্তের বিতর্কিত ডোকলাম মালভূমি থেকে ভারত ও চীন সৈন্য সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আজ সোমবার এই খবর জানানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ডোকলামের ঘটনা নিয়ে ভারত ও চীন কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিল। এর ভিত্তিতে ডোকলামের মুখোমুখি অবস্থান থেকে দ্রুত সীমান্ত রক্ষীদের সরিয়ে আনার বিষয়ে দুপক্ষ একমত হয়েছে এবং প্রত্যাহারও শুরু হয়েছে।

ডোকলাম এলাকাটি চীন ও ভুটান সীমান্তের মালিকানা নিয়ে বিরোধপূর্ণ একটি এলাকা, যার এক পাশে ভারতের সীমান্ত রয়েছে।

ওই এলাকার ভুটানের সঙ্গে মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকা ডোকলামে চীনের সৈন্যরা রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করলে তাতে বাধ সাধে ভারতের সৈন্যরা। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা সীমান্ত যুদ্ধের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে।

ওই এলাকায় দুদেশের সৈন্যরা পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় অচলাবস্থা দেখা দেয়। এভাবেই গত দুই মাস পার হয়।    

যখন ‘ব্রিকস’ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার মুখে, ঠিক তখনই ডোকলাম থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। সেপ্টেম্বরের ৩ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত চীনে এই সম্মেলন বসছে। তাতে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে সংকট কাটানো ও উত্তেজনা প্রশমনের এই সিদ্ধান্ত।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার আহ্বান খালেদার

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার আহ্বান খালেদার
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মিয়ানমারে রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের উপর আবারো সেদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনির নির্যাতনের কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার জন্য সীমান্তে আসছেন অসংখ্য রোহিঙ্গা। কিন্তু সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

এমন অবস্থায় এসব রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের আশ্রয় দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

গণমাধ্যমে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো এক বিবৃতিতে এমনটাই জানানো হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনে গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়ে খালেদা বলেন, ''রোহিঙ্গারা বসতবাটি, সহায় সম্বল হারিয়ে প্রাণভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সীমান্তগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে। রাখাইন রাজ্যে গ্রামের পর গ্রামে আগুন জ্বলছে। প্রাণভয়ে রোহিঙ্গারা দিকবিদিক ছুটে বেড়াচ্ছে, গহীন অরণ্যে ঢুকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করছে। আশ্রয়হীন রোহিঙ্গাদের ওপরও মায়ানমার সীমান্ত রক্ষীবাহিনী অবিরাম গুলিবর্ষণ করে যে নারকীয় পরিবেশ তৈরী করেছে তা বর্ণনাতীত। গুলিবিদ্ধ গুরুতর আহত রোহিঙ্গা যারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসতে সক্ষম হয়েছে তাদের অনেকেই হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এবং কারো কারো মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশের সীমান্তের ওপারে মায়ানমার এলাকায় রোহিঙ্গা পুরুষ-নারী-শিশুরা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য নাফ নদীর বিস্তৃত এলাকা জুড়ে তীরে বসে ভয়ঙ্কর অনিশ্চয়তায় প্রহর গুনছে। এই দৃশ্য অমানবিক, বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক।''

তিনি বলেন, ''সুদীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশ ও মায়ানমার নিবিড় সম্পর্কে আবদ্ধ। সুপ্রাচীনকাল থেকে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে যাওয়ার সিংহ দুয়ার হচ্ছে বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত। এই দুয়ার দিয়েই দুই বিস্তৃত অঞ্চলের মধ্যে ভাব, ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, বানিজ্য ও কুটনৈতিক আদান-প্রদান উত্তরোত্তর ক্রমবর্ধমানভাবে বিকশিত হয়েছে।''

বিবৃতিতে খালেদা উল্লেখ করেন, ''আবহমানকাল ধরে দু’দেশের সম্পর্ক সমমর্যাদায় অভিষিক্ত। সমমর্যাদার এই ঐতিহ্যকে সম্মান দেখিয়ে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গারা সমাধানহীন একটি অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে নিপতিত থাকলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ক্রমাগতভাবে অবনতিশীল হতে থাকবে এবং এতে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে ঐতিহ্যগত স্থিতিশীলতায় বিরুপ প্রভাব ফেলবে। সুসম্পর্কের আবহমানধারা যাতে কোনভাবেই বিনষ্ট না হয়, সে বিষয়ে মায়ানমার সরকারকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হয়ে রোহিঙ্গা সংকটের জরুরী অবসান ঘটাতে হবে। শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে যেকোন সংকট আরো ঘনীভুত হয়।''

খালেদা বলেন, ''যুগ যুগ ধরে রোহিঙ্গারা অত্যাচারিত হচ্ছে, ভূমিচ্যুত হয়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আশ্রয় নিতে আসছে প্রধানত: সীমান্তবর্তী বাংলাদেশে। এছাড়া আরো কিছু দেশেও রোহিঙ্গারা উদ্বাস্ত হয়ে জীবনযাপন করছে। গণতন্ত্র ও নাগরিক স্বাধীনতার যুগে জাতি, বর্ণ, ধর্ম সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের নির্মূল করতে সহিংসতা সৃষ্টি অচিন্তনীয় ও বিশ্ববিবেককে গভীরভাবে স্পর্শ করে। কোন পক্ষেরই প্রাণহানী কাম্য নয়। রোহিঙ্গাদের জীবন ও বসবাসের নিরাপত্তা বিধান এবং তাদের ওপর রক্তাক্ত সহিংসতার পূণরাবৃত্তি বন্ধ করতে মায়ানমার সরকার প্রাজ্ঞ ও দুরদর্শী নীতি নিয়ে অগ্রসর হবে।''

তিনি বলেন, জীবন ভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা পুরুষ-নারী-শিশুদের বাংলাদেশে আশ্রয় এবং তাদের সার্বিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আমি দায়িত্বরত বাংলাদেশের প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের দুর্বল কুটনৈতিক তৎপরতার কারণেই পরিস্থিতি শোচনীয় রুপ ধারণ করেছে অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বাংলাদেশে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগ গ্রহণের আহবান জানান।

'ক্ষতিকর পশু বিক্রি হলে কঠোর ব্যবস্থা'

'ক্ষতিকর পশু বিক্রি হলে কঠোর ব্যবস্থা'
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে পশু কুরবানির পর দ্রুত শহর পরিষ্কার করার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র সাঈদ খোকন।

তিনি বলেন, 'আসন্ন ঈদে কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কারে জন্য সাড়ে তিনশ গাড়ি ও ১২ হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োজিত আছেন। এছাড়া দেড় লক্ষাধিক ব্যাগ ও ৫ টন ব্লিচিং পাউডার বিতরণের কাজ চলছে।'

সোমবার দুপুরে নগর ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।

এছাড়া এবার কোরবানির হাটে  অসুস্থ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পশু বিক্রি করা হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন দক্ষিণের মেয়র। 
সূত্র: বিডি লাইভ।

মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব বাংলাদেশের

মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব বাংলাদেশের

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মিয়ানমার সীমান্তে ইসলামিক জঙ্গি এবং আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযান চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর নিজেদের সন্ত্রাসীদের বাঙালি হিসেবে অভিহিত করায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। বিষয়টি মিয়ানমারকে আজ সোমবার বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে ঢাকায় মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে বিষয়টি জানানো হয়।

এসময় সীমান্তে নিরাপত্তাহীনতা কমিয়ে আনতে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের সহায়তা কামনা করা হয়।

গত শুক্রবার ভোররাতে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ চৌকিতে হামলা চালায় এবং ওই হামলায় ১১ পুলিশ সদস্য নিহত হয় বলে দাবি করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

এর পরপরই দেশটির সেনাবাহিনী পশ্চিম অঞ্চলের মংডু, বুতিডং এবং রাতেডং জেলাকে ঘিরে ফেলে কথিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

এসব এলাকায় প্রায় আট লাখ মানুষ বসবাস করে। সেনাবাহিনী ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করে।

মিয়ানমারে নতুন করে সহিংসতায় ছড়িয়ে পড়ায় শনিবার থেকে রোহিঙ্গারা আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এবার রোহিঙ্গা প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

শনিবার থেকে সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে অনেককে গ্রেফতার করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সোমবার বিকালে মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিনকে এ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানের ব্যাপারে আজ মিয়ানমারকে সুনির্দিষ্টভাবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে মিয়ানমারের যে উদ্বেগ রয়েছে, তা দূর করতে মিয়ানমারকে সহযোগিতা করতে চায় বাংলাদেশ। 
সূত্র: বিডি লাইভ।

কানাইঘাটে ন্যাশনাল লাইফের উদ্যোগে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদককে সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক: ন্যাশনাল লাইফ কানাইঘাট জোনাল অফিসের উদ্যোগে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনকে সংবর্ধনা প্রদান এবং কোম্পানির মাঠ পর্যায়ের সেরা কর্মকর্তাদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সোমবার বিকেল ৪টায় কানাইঘাট জোনাল অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানির কানাইঘাট জোনাল অফিসের জোন প্রদান এডভোকেট আব্দুল হাইর সভাপতিত্বে ও মাঠকর্মী জ্যাকশনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সংবর্ধিত অতিথি নিজাম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কোম্পানির চিফ জোনাল ম্যানেজার বিশিষ্ট বীমা ব্যক্তিত্ব হরিপদ রায় টিপু, সাংবাদিক শাহীন আহমদ। বক্তব্য রাখেন, কানাইঘাট জোনাল অফিসের কর্মকর্তা রওশনারা বেগম, ওলিউর রহমান, সুহেল আহমদ, মিজানুর রহমান, মাষ্টার নুর আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান কোম্পানির কানাইঘাট জোনাল অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বীমা পলিসি গ্রহণের মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করায় জোনাল অফিসের ২৭ জন কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীদের হাতে এলইডি টেলিভিশন, ডিনার সেট, মোবাইল ফোন সহ অন্যান্য উপহার তুলে দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বলেন, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কানাইঘাট জোনাল অফিস অত্যন্ত সততার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। নিয়মিত মৃত্যু দাবী, বোনাস সহ পলিসি প্রদানের পাশাপাশি কানাইঘাটে অসংখ্য শিক্ষিত নারী পুরুষ এ কোম্পানীতে কর্মরত থেকে নিজেদের পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা সহ সাধারণ মানুষকে বীমার আওতায় এনে সাবলম্বি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। কানাইঘাটকে সবদিক থেকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। প্রেসক্লাবের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

কানাইঘাটে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত


নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৭-১৮ আর্থিক সালে রাজস্ব খাতের আওতায় কানাইঘাট উপজেলায় উন্মুক্ত জলাশয়ের দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের ৩৭৬ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। সোমবার উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির বোবা হাওর সংলগ্ন গড়াইখাই খালের উন্মুক্ত জলাশয়ে এ মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শাহজাহান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন আচার্য, মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র শাহা, পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন আল-মিজান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সহ সম্পাদক আব্দুন নুর, কাউন্সিলর তাজ উদ্দিন, সাংবাদিক শাহীন আহমদ, মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী বিদ্যুৎ চন্দ্র সরকার, মেসার্স নাহিদ এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী শাহাব উদ্দিন, নাদিয়া সুলতানা মৎস্য খামারের সত্ত্বাধিকারী ফখর উদ্দিন চৌধুরী, নাহিদ মৎস্য নার্সারির সত্ত্বাধিকারী নাহিদ আহমদ, ইউপি প্রকল্পের ক্ষেত্র সহকারী সুহেল আহমদ, সদর ইউপির লীফম্যান মোশারফ হোসেন, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির লীফম্যান অলিউর রহমান প্রমুখ। উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত কালে ঢাকা মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ জাহান বলেন, বাংলাদেশ হচ্ছে একটি নদী মাতৃক দেশ। কিন্তু দিন দিন নানা কারনে খাল বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছের অস্থিত্ব আজ বিলুপ্তির পথে। সারাদেশের জলাশয়ে সরকারী উদ্যোগে দেশীয় মাছের বংশ বিস্তারের জন্য এবং আমিষের চাহিদা পূরণে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হচ্ছে। যাতে করে কেউ জলাশয়ে কারেন্ট জাল অথবা বাঁশের কাটি তৈরি করে মাছ নিধন করতে না পারে এজন্য সবাইকে সজাগ থাকার তিনি আহ্বান জানান।

দেশের কোথাও যানজট নেই: কাদের

দেশের কোথাও যানজট নেই: কাদের

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের কোথাও যানজট নেই। তবে আগে কিছু কিছু জায়গায় যানজট তৈরি হলেও সেটা এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আজ সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা এলাকা পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, দেশের দুই এক স্থানে গাড়ি বিকল হয়ে যানজট সৃষ্টি হলেও ট্রাফিক বিভাগের লোকজনসহ ও বিভিন্ন বিভাগের অতিরিক্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকায় তা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। এই যানজটগুলোর কারণ উদঘাটন করে দ্রুত নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেয়া আছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌসী আলম নীলা, জেলা ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ, রূপগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন, ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) শহিদুল আলম, কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ইন্সপেক্টর মাহবুব শাহ, শেখ সাইফুল ইসলাম, এমায়েত হোসেন ও রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

মিয়ানমারের গণমাধ্যমে রোহিঙ্গারা 'বাঙালি সন্ত্রাসী'

মিয়ানমারের গণমাধ্যমে রোহিঙ্গারা 'বাঙালি সন্ত্রাসী'

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রাখাইন প্রদেশে নতুন করে সেনা অভিযান শুরুর পর মিয়ানমারের গণমাধ্যমে রোহিঙ্গাদের 'বাঙালি সন্ত্রাসী' হিসেবে চিহ্নিত করে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে।

'বাঙালি সন্ত্রাসী'দের ব্যাপারে মিয়ানমারের জনগণ এবং বিদেশী নাগরিকদের সাবধান থাকতে বলেছে সরকার। মিয়ানমার থেকে প্রকাশিত দৈনিক মিয়ানমার টাইমসের সোমবারের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

একই সাথে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানানো হয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভাশন আর্মি বা আরসার ব্যাপারেও। মিয়ানমারের সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবারে রাখাইনের টং বাজার গ্রামটি 'বাঙালি সন্ত্রাসী'রা অবরোধ করেছিল।

অভিযোগ করা হয়েছে যে এর সঙ্গে আরো জড়িত আছে বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থার কিছু কর্মীও। রিপোর্টে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি'র অফিস স্টেট কাউন্সেলর অফিস ইনফরমেশন কমিটির বরাত দিয়ে আরো বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিদেশী সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার ইন্টারপোলের সাহায্য চেয়েছে।

শুক্রবার মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সর্বশেষ সহিংসতার পর সীমান্ত দিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমরা পালিয়ে আবারও বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছে বলে জানা যাচ্ছে। এ ঘটনা নিয়ে দেশটির বিভিন্ন দৈনিকে সরকারের বিভিন্ন ধরণের ভাষ্য প্রকাশিত হয়েছে।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন দৈনিক গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের এক রিপোর্টে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কর্মীদের একটি অংশ আরসা'কে সহায়তা করছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে অং সান সু চি'র অফিস।

ঐ প্রতিবেদনে 'আরসার সন্ত্রাসী'দের সমর্থনে নেয়া যেকোনো কাজের জন্য দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচার করা হবে বলে হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে। এর আগে ঐ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, দ্য ইরাওয়াদি দৈনিকে স্টেট কাউন্সেলরের অফিসের বরাত দিয়ে শুক্রবারের ঘটনাকে 'সন্ত্রাসী হামলা' হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, এর পেছনে উত্তর রাখাইনের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা দায়ী।

তবে মিয়ানমার থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ফ্রন্টিয়ার মায়ানমারে আজকের প্রধান সংবাদ বলা হয়েছে, উত্তর রাখাইন প্রদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রোববার রাখাইন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পরিদর্শনে যান, আর তা কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনীর চালানো অভিযানের পর বলা হয় পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল রয়েছে।

মিয়ানমার থেকে প্রকাশিত দৈনিক ডেমোক্রেটিক ভয়েস অব বার্মায় প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সরকার রাখাইনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য দায়ী সন্ত্রাসীদের ধরতে পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করবে।

বৃহস্পতিবার রাতে মিয়ানমারের রাখাইনে একসঙ্গে ৩০টি পুলিশ পোস্ট ও একটি সেনা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর ওই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ওই রাতের পর থেকে এ পর্যন্ত ৯৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ১২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।

আরও সহিংসতার আশঙ্কায় হাজার হাজার রোহিঙ্গা নাফ নদী ও স্থল সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছে। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ অংশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষীদের গুলি করার ঘটনাও ঘটেছে।

সূত্র: বিবিসি

মেয়ের সঙ্গেও অবৈধ সম্পর্ক ছিল ধর্ষক রাম রহিমের!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: দু’জন শিষ্যকে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ভারতের ধর্ষক ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিং। তবে যে মামলায় ভারতে কয়েকদিন ধরে তাণ্ডব চলছে তার চেয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন জামাই বিশ্বাস গুপ্তা; সেটা ২০১১ সালে। বিশ্বাস গুপ্তার অভিযোগ ছিল, পালিত কন্যা হানিপ্রীতের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে ডেরা সাচ্চা সৌদার প্রধান রাম রহিমের। নিজের পাপ ঢাকার জন্যই মূলত তিনি হানিপ্রীতকে দত্তক নিয়েছিলেন। বিশ্বাস গুপ্তার দাবি, ২০১১ সালে একবার তিনি ডেরা সাচ্চা সৌদার গুরমিত রাম রহিমের গুফায় গিয়েছিলেন। সেসময় খোলা ছিল ঘরের দরজা। উঁকি মেরে দেখতেই স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। রাম রহিম, তার স্ত্রী ও হানিপ্রীত সেসময় আপত্তিকর অবস্থায় ছিলেন। বিশ্বাস গুপ্তা আরও জানান, ১৯৯৯ সালে ফতেহাবাদে তাদের বিয়ে হয়। রাম রহিম যদি হানিপ্রীতকে দত্তক নিয়ে থাকেন, তাহলে কেন তিনি আমাকে হানিপ্রীতের সঙ্গে থাকতে দেন না? রাম রহিমের বিরুদ্ধে ২০১১ সালে তিনি মামলাও করেছিলেন। তবে পরে আদালতের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যায়। রাম রহিমের সবগুলো চলচ্চিত্রেই দেখা গেছে হানিপ্রীতকে। হানিপ্রীতের ফেসবুক প্রোফাইল মোতাবেক, তিনি সমাজকর্মী, পরিচালক ও অভিনেত্রী। গত শুক্রবার ১৫ বছর আগের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন ৫০ বছর বয়সী রাম রহিম সিং। তাকে দোষী সাব্যস্ত করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার শিষ্যরা তাণ্ডব শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ৩৮ জন নিহত এবং ২৫০ জন আহত হয়। ৩২ জন পঞ্চকুলায় এবং সিরসায় ৬ জন নিহত হয়। সোমবার বিচারপতি জগদ্বীপ সিং ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাম রহিমের ১০ বছরের সাজা এবং ৬৫ হাজার রুপি জরিমানা করেন।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩