Sunday, April 23, 2017

 কানাইঘাটে ভারতীয় রুপিসহ এক ব্যক্তি আটক

কানাইঘাটে ভারতীয় রুপিসহ এক ব্যক্তি আটক


নিজস্ব প্রতিবেদক :: কানাইঘাটে ভারতীয় রুপি সহ এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিজিবি। রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার মন্টু মিয়ার নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলিম উদ্দিন নামের ওই চোরাকারবারীকে আটক করা হয়। বিজিবি জানায়, সে বেআইনী ভাবে ভারতীয় ৪৮হাজার রুপি নিয়ে চতুল বাজার হতে যাত্রীবাহী সিএনজি যোগে সুরইঘাট বাজারে আসছিল। বড়বন্দ ৩য় খন্ডের আজির উদ্দিনের বাড়ির পাশে পৌঁছা মাত্র বিজিবি সদস্যরা যাত্রীবাহী সিএনজিটি থামানোর চেষ্টা করলে সে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন বিজিবি সদস্যরা। পরে তার দেহ তল্লাশী করে ভারতীয় ৪৮হাজার রুপি উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে কানাইঘাট থানায় বিজিবি সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আহাদ।

Friday, April 14, 2017

উ.কোরিয়া বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান চান সি চিন

উ.কোরিয়া বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান চান সি চিন

উ.কোরিয়া বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান চান সি চিন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জেরে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, তা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান চান চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।

এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রাতে দুই নেতার মধ্যে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় চিন পিং ওই আহ্বান জানান।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল বুধবার জানায়, উত্তর কোরিয়াকে সতর্ক করতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের যুদ্ধজাহাজের একটি বহর কোরীয় উপদ্বীপের দিকে পাঠানোর কথা ঘোষণার কয়েক দিন পরেই তাদের এ আলাপ।

উল্লেখ্য, কোরীয় উপদ্বীপের পথে রওনা হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজের বহরটির নেতৃত্বে রয়েছে নিমিৎজ-ক্লাস বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস কার্ল ভিনসন।

ফক্স নিউজে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার প্রচারের পরই সি চিন পিংয়ের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় তার।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কথা বলার সময় চিন পিং ট্রাম্পকে বলেন, কোরীয় উপদ্বীপের উত্তেজনা নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা ও সহযোগিতা করবে চীন।

ট্রাম্প এর জবাবে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় থাকা জরুরি।

ওই দিনই এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া বিপদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। যদি চীন সহায়তা করে, তাহলে খুবই ভালো। আর যদি না করে, তাহলে আমরা এ সমস্যার সমাধান তাদের ছাড়াই করব।’

বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় আশঙ্কা, যে হারে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তাতে খুব অল্প দিনের মধ্যেই হয়তো দেশটি আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী হয়ে যাবে। আর তা হলে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড পিয়ংইয়ংয়ের অস্ত্রের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।
সত্য-সুন্দরের-জয়ের-প্রত্যাশায়-মঙ্গল-শোভাযাত্রা

সত্য-সুন্দরের-জয়ের-প্রত্যাশায়-মঙ্গল-শোভাযাত্রা

সত্য-সুন্দরের জয়ের প্রত্যাশায় মঙ্গল শোভাযাত্রা
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: নববর্ষে মঙ্গলবার্তা নিয়ে বের হয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর’ প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হয়েছে এবারের শোভাযাত্রা।

সকাল ৯টায় চারুকলা থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এবং ঢাবির উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।

প্রতিবারের মতো এবারও মঙ্গল শোভাযাত্রায় হরেক রঙের মুখোশ, হাতি, বাঘ, ফুল, পাখির প্রতিকৃতি। নারীরা পরেছেন লাল, সাদা শাড়ি। হাতভর্তি কাচের চুড়ি। চুলে বেলি ফুল। শিশুরাও সেজেছে লাল, সাদার সাজে। পুরুষদের সাজও তাই। বাংলার চিরায়ত সাজে নববর্ষ বরণ করছে সবাই।

ইউনেস্কো বর্ষবরণের এ শোভাযাত্রাকে বিশ্বসাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়ার পর প্রথম অনুষ্ঠিত হচ্ছে মঙ্গল শোভাযাত্রা।

এ উপলক্ষে চারুকলা অনুষদ গত ২৮ বছরের উল্লেখযোগ্য মোটিফগুলো এবারের শোভাযাত্রায় সন্নিবেশিত করা হয়। শোভাযাত্রায় মোটিভগুলোর মধ্য দিয়ে মানুষের দ্বৈত সত্তাকে তুলে ধরা হয়েছে।

মানুষের অন্তনির্হিত এই দুই রূপ কাঠামোয় তুলে ধরা হয় এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রায়।

বাঙালির প্রাণের এ উৎসব উদযাপনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইন্সটিটিউট এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠন বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক বলয় তৈরি করতে চতুর্থবারের মতো মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। এবারের শোভাযাত্রার মূল প্রতিকৃতি জাতীয় মাছ ইলিশ। ইলিশ ছাড়াও বাঘ, হাতি, কচ্ছপের প্রতিকৃতি দিয়ে শোভাযাত্রা সজ্জিত করা হয়েছে। শোভাযাত্রাটি জনসন রোড, নবাবপুর রোড, ওয়ারী, টিপু সুলতান রোড, নারিন্দা, ধোলাইখাল হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪

স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪

স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: অাজ পহেলা বৈশাখ। চৈত্রসংক্রান্তির মাধ্যমে গতকাল ১৪২৩ সনকে বিদায় জানিয়ে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে আজ যুক্ত হলো নতুন বছর ১৪২৪। স্বাগত বাংলা নববর্ষ।

জীর্ণ-পুরাতনকে পেছনে ফেলে সম্ভাবনার নতুন বছরে প্রবেশ করেছে বাঙালি জাতি। আজ বর্ণিল উৎসবে মাতবে দেশ। রাজধানী জুড়ে থাকবে বর্ষবরণের নানা আয়োজন।

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ জাতির উদ্দেশে বাণী দিয়েছেন।

নববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যগণ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কাল সকাল ১০টায় গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

কৃষিকাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা সন গণনার শুরু মোঘল সম্রাট আকবরের সময়ে। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসন ভিত্তি করে প্রবর্তন হয় নতুন এই বাংলা সন।

১৫৫৬ সালে কার্যকর হওয়া বাংলা সন প্রথমদিকে পরিচিত ছিল ফসলি সন নামে, পরে তা পরিচিত হয় বঙ্গাব্দ নামে। কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ সমাজের সঙ্গে বাংলা বর্ষের ইতিহাস জড়িয়ে থাকলেও এর সঙ্গে রাজনৈতিক ইতিহাসেরও সংযোগ ঘটেছে।

পাকিস্তান শাসনামলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের। আর ষাটের দশকের শেষে তা বিশেষ মাত্রা পায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের আয়োজনের মাধ্যমে।
দেশ স্বাধীনের পর বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীকে পরিণত হয় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। উৎসবের পাশাপাশি স্বৈরাচার-অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদও এসেছে পহেলা বৈশাখের আয়োজনে। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বের হয় প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা। সম্প্রতি (২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর) ইউনেস্কো এ শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদা দিয়েছে।

বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে নববর্ষ উদযাপন পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের সার্বজনীন উৎসবে। পহেলা বৈশাখের ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আয়োজনে মেতে ওঠে সারাদেশ।

বর্ষবরণের এ উৎসব আমেজে মুখরিত থাকবে বাংলার চারদিক। গ্রীষ্মের খরতাপ উপেক্ষা করে বাঙালি মিলিত হবে তার সর্বজনীন অসাম্প্রদায়িক উৎসবে। দেশের পথেঘাটে, মাঠে-মেলায়, অনুষ্ঠানে থাকবে কোটি মানুষের প্রাণের চাঞ্চল্য, আর উৎসব মুখরতার বিহ্বলতা।

বাঙালি পুরনো বছরের সকল অপ্রাপ্তি ভুলে গিয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জঙ্গিবাদ ও রাজাকারমুক্ত একটি আত্মমর্যাদা সম্পন্ন গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বাঙালি পালন করবে বৈশাখী উৎসব।

পহেলা বৈশাখ বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান উৎসব উল্লেখ করে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলেন, বাংলা নববর্ষে মহামিলনের আনন্দ উৎসব থেকেই বাঙালি ধর্মান্ধ অপশক্তির কূট ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করবার আর কুসংস্কার ও কুপমন্ডুকতার বিরুদ্ধে লড়াই করবার অনুপ্রেরণা পায় এবং জাতি হয় ঐক্যবদ্ধ।

তিনি বলেন, নতুন বছর মানেই এক নতুন সম্ভাবনা, নতুন আশায় পথ চলা। বুকভরা তেমনি প্রত্যাশা নিয়ে নতুন উদ্যমে ও চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি কাল আরো সোচ্চার হবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি মৌলবাদ ও জঙ্গি নিধনের দাবিতে।

বাংলা নববর্ষে ব্যবসায়ীদের ‘হালখাতা’ রীতি এখনও এদেশের নিজস্ব সংস্কৃতির আমেজ নিয়ে উৎসবের পরিধির আরো বিস্তার ঘটিয়েছে। কৃষক সমাজ আজও অনুসরণ করছে বাংলা বর্ষপঞ্জি। এককালে কেবল গ্রামাঞ্চলেই পয়লা বৈশাখের উৎসবে মেতে উঠতো মানুষ। নানা অনুষ্ঠান, মেলা আর হালখাতা খোলার মাধ্যমে তখন করানো হতো মিষ্টিমুখ। এখন আধুনিক বাঙালি তাদের বাংলা নববর্ষকে সাজিয়ে তুলছে মাতৃভূমির প্রতিটি আঙিনায় আরও বেশি উজ্জ্বলতায়।

নববর্ষ উপলক্ষে কাল সরকারি ছুটির দিন। জাতীয় সংবাদপত্রগুলো বাংলা নববর্ষের বিশেষ দিক তুলে ধরে ক্রোড়পত্র বের করবে। সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নববর্ষকে ঘিরে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে।

বাংলা ১৪২৩ সনকে বিদায় এবং নববর্ষ ১৪২৪ বরণকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় প্রতিবছরের মতো এবারও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্যাপক অনুষ্ঠানমালা পালন করছে।

বাঙালির এই প্রাণের উৎসবকে ঘিরে রমনা পার্কসহ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পুরোটাই ঢেকে দেয়া হয়েছে নিরাপত্তা চাদরে। শুধু রাজধানী ঢাকাই নয় এ উপলক্ষে সারাদেশেই নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যৌথভাবে কাজ করছে সব সংস্থা। সার্বিক নিরাপত্তা ও নজরদারি নিশ্চিত করতে বসানো হয়েছে কন্ট্রোল রুম, অবজারভেশন পোস্ট ও চেক পোস্ট। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি থাকছে গোয়েন্দা দলের সদস্য, বোমা ডিসপোজাল টিম ও মেডিক্যাল টিম।

বর্ষ আবাহনে মূল অনুষ্ঠানসমূহ:
বর্ষবরণে সরকারি অনুষ্ঠান ছাড়াও রাজধানী জুড়ে বিভিন্ন সংগঠনের নানা আয়োজন থাকবে। দিনের প্রথম প্রভাতেই রমনার বটমূলের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ছায়ানট ভোরের সূর্যের আলো দেখার সঙ্গে সঙ্গেই অর্থাৎ ভোর ছটা দশ মিনিটে সরোদবাদন দিয়ে শুরু করবে বর্ষবরণের মূল অনুষ্ঠান। রমনায় ছায়ানটের অনুষ্ঠানের অর্ধ শতাব্দী পূরণ উপলক্ষে এবারের আয়োজন হবে বড় ও তিন পর্বে বিভক্ত। বেলা দশটা নাগাদ অনুষ্ঠান শেষ হবে দেওয়ানা মদিনা লোকপালা দিয়ে।

চারুকলার শিক্ষার্থীরা সকাল নয়টায় বের করবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য করা হয়েছে-‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর... ’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ হাজারো বাঙালি। ইউনেস্কো বর্ষবরণের এ শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়ায় চারুকলা অনুষদ বিগত ২৮ বছরের উল্লেখযোগ্য মোটিফগুলো এবারের শোভাযাত্রায় রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

বাঙালির প্রাণের এ উৎসব উদযাপনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠনও বর্ণাঢ্য কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের উদ্যোগে কলাভবন বটতলায় শুক্রবার সকাল ৮টায় সংগীতানুষ্ঠান শুরু হবে।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট পয়লা বৈশাখের দিন বিকাল ৪টায় রাজধানীর মিরপুর, দনিয়া রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে একক ও দলীয় লোকসঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তিসহ নানা আয়োজন পরিবেশন করবে।

বাংলা একাডেমি সকাল সাড়ে ৭টায় একাডেমির রবীন্দ্র-চত্বরে বর্ষবরণ উপলক্ষে একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে একাডেমি ‘বইয়ের আড়ং’ শিরোনামে পহেলা বৈশাখ থেকে ১০ বৈশাখ পর্যন্ত বইমেলার আয়োজন রেখেছে। এছাড়া ১০ দিনব্যাপি বৈশাখী মেলার আয়োজনও আছে একাডেমি চত্বরে। শুক্রবার বিকেল ৪টায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করবেন। বাংলাদেশ কুটির শিল্প কর্পোরেশন এবং বাংলা একাডেমি যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করবে।

বাংলা নতুন বছরকে বরণ উপলক্ষে বাংলা একাডেমি শনিবার বিকেল ৫টায় আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজন করেছে বিশেষ নাট্যানুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে লালন ফকিরের জীবন ও দর্শন নির্ভর নাটক ‘ম্যান অব দ্য হার্ট’ পরিবেশিত হবে।

বর্ষবরণ উপলক্ষে চ্যানেল আই ও সুরের ধারা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ৬ষ্ঠবারের মত আয়োজন করেছে ‘সানসিল্ক হাজারো কণ্ঠে’ বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। এখানে মেলার আয়োজনও থাকবে। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই।

মোবাইল কোম্পানী বাংলালিংক নববর্ষকে বরণ করে নিতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সড়ক দ্বীপ আল্পনা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আজ রাত নয়টায় ‘আল্পনায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে এ সড়ক চিত্রকর্মের উদ্বোধন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি।

বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাপ্রাঙ্গণে। জাতীয় প্রেসক্লাব বর্ষবরণে তাদের সদস্য ও পরিবারবর্গের জন্য সকাল থেকেই খৈ, মুড়িমুড়কি, বাতাসা ও বাঙালি খাবারের আয়োজন রেখেছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিও অনুরূপ আয়োজন রেখেছে তাদের সদস্য ও পরিবারের সদস্যদের জন্য। তাদের সদস্যদের জন্য ইউনিটির বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী সঙযাত্রা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সকাল সাতটায় গানের মাধ্যমে নতুন বছরকে আবাহন জানাবে। সকাল ১০টায় পুরাতন কলাভাবন থেকে শোভাযাত্রা, সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রাত ৮টায় নাটক পরিবেশনার মাধ্যমে বর্ষকে বরণ করবে বিশ্ববিদ্যালয়।

কচিকাঁচার মেলা নিজস্ব প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এতে শিশুদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছাড়াও ছবি আঁকা ও প্রদর্শনী এবং মুড়ি-মুড়কিসহ বাঙালি খাবারের আয়োজন ব্যবস্থা থাকবে।
বৈশাখে তানজীবের অ্যালবাম 'এভাবেই'

বৈশাখে তানজীবের অ্যালবাম 'এভাবেই'

বৈশাখে তানজীবের অ্যালবাম 'এভাবেই'
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে তিন গানের ইপি অ্যালবাম অানছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তানজীব সারোয়ার। ‘এভাবেই’ নামের অ্যালবামটি শিগগিরই প্রকাশ করবে লেজার ভিশন।

গানগুলোর শিরোনাম 'এভাবেই', 'তুমি বলো না' এবং 'তুই ছাড়া মোর'। এবারই প্রথম রবিউল ইসলাম জীবনের কথায় গান গাইলেন তানজীব। গানের সুর করেছেন তানজীব সারোয়ার নিজেই। সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমন চৌধুরী।

এ ব্যাপারে তানজীব সারোয়ার বলেন, 'রবিউল ইসলাম জীবন ভাই দেশের অনেক জনপ্রিয় গানের গীতিকার'। আগে থেকেই পরিকল্পনা ছিল তার সঙ্গে কাজ করার। এবার কাজ করা হলো। সব মিলিয়ে ভালো একটা অ্যালবাম দাঁড়িয়েছে।

তানজীব অারো বলেন, আমার বিশ্বাস গানগুলো শ্রোতাদের ভালো লাগবে। কিছুদিনের মধ্যে বড় পরিসরে অ্যালবামের একটি গানের ভিডিও প্রকাশ করা হবে।

রবিউল ইসলাম জীবন বলেন, 'এ সময়ের শিল্পীদের মধ্যে আমার পছন্দের একজন তানজীব সারোয়ার'। তার বেশ কয়েকটি গান জনপ্রিয়। প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে প্রজেক্ট করলাম। পুরো কাজটি নিয়ে আমি খুব উচ্ছ্বসিত! আশা করি গানগুলোর শ্রোতাদের পহেলা বৈশাখের আনন্দে বাড়তি মাত্রা যোগ করবে।
গাঙ্গুলিকে কড়া জবাব ধোনির স্ত্রীর

গাঙ্গুলিকে কড়া জবাব ধোনির স্ত্রীর

গাঙ্গুলিকে কড়া জবাব ধোনির স্ত্রীর

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়কদের একজন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তবে বর্তমান সময় তার মোটেই ভালো যাচ্ছে না। এরই মধ্যে জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব তার হাত থেকে দেয়া হয়েছে বিরাট কোহলির হাতে। চলতি আইপিলে তিনি যেনো একেবারেই নিস্প্রোভ।

তার এমন ব্যাটিংয়ে হতাশ হয়ে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলি ধোনিকে ওয়ানডে ক্রিকেটার হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ''ওয়ানডে ক্রিকেটে মহেন্দ্র সিং ধোনি চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার। তবে খুব ভালো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার কি না, এ নিয়ে আমি ঠিক নিশ্চিত নই।''

তিনি আরও বলেন, ''দশ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে (জাতীয় দল) তার মাত্র একটা হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে। যেটা খুব একটা ভালো রেকর্ড নয় বলেই মনে হয়।''

আসন্ন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ধোনির সুযোগ পাওয়া উচিৎ কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে সৌরভ বলেন, ''চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য আমি ধোনিকে নেব ঠিকই, কিন্তু ওকে রান করতে হবে।''

ধোনি সম্পর্কে গাঙ্গুলীর এমন সমালোচনার পর টুইটে ধোনির স্ত্রীর সাক্ষী বেশ ক্ষোভের সঙ্গে লিখেছেন, ''যখন একটা পাখি বেঁচে থাকে, তখন সে পিপড়ে খায়। আর পাখি মরে গেলে পিপড়ে পাখিটা খায়। সময় এবং পরিস্থিতি যে কোনো মুহূর্তে বদলে যেতে পারে। কাউকে আঘাত করা উচিৎ নয়। আপনি আজ হয়তো ক্ষমতাবান, কিন্তু মনে রাখবেন, সময় আপনার চেয়েও ক্ষমতাশালী।''

এ থেকে স্পষ্ট ধারণা যে, গাঙ্গলির সমালোচনার জবাবেই এমন পোস্ট করেছেন ধোনির স্ত্রী।
বৈশাখী সাজ-পোশাক

বৈশাখী সাজ-পোশাক

বৈশাখী সাজ-পোশাক

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলা বছরের প্রথম দিনটিকে বরণ করে নিতে এদেশের মানুষের প্রস্তুতির শেষ নেই। বৈশাখ মানেই সাদা-লাল পাড়ের শাড়ি আর বাহারি ঢং এর সাজ। এরই ঐতিহ্য ধরেই বর্ষবরণের পোশাকে এখন এসেছে একটু ভিন্নতা। লাল-সাদার পাশাপাশি বৈশাখী পোশাকে স্থান করে নিয়েছে আরো কিছু রং। মেয়েরা সাদা শাড়ি-লাল পাড়ে নিজেকে কতটা আকর্ষণীয় করে তোলা যায় সে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। আর এই উৎসবে নিজেদেরকে একটু ভিন্নভাবে ফুটিয়ে তুলতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই।

বৈশাখ হলো সাম্প্রদায়িকতা বিহীন একটি উৎসব। এটি বাঙালির একমাত্র প্রাণের উৎসব যেখানে ধর্ম, বর্ণ ভেদাভেদ ছাড়াই সবাই একসঙ্গে জড়ো হয় নতুন একটি বছর বরণ করে নিতে। আর দিনটিকে বরণ করতে সাদা-লাল রং-ই বেছে নিয়ে থাকে সবাই।

বাঙালি নারীদের শাড়িতে বেশি সুন্দর লাগে। তাই এই দিনটিতে পছন্দের তালিকায় থাকে শাড়ি। অনেকেই আবার ফতুয়া, কুর্তি বা সিঙ্গেল কামিজ বেছে নিচ্ছেন বৈশাখের পোশাক হিসেবে। ছেলেদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাঞ্জাবী।

সবার চাহিদার কথা মাথায় রেখে দেশীয় ফ্যাশন ঘরগুলোও সেই অনুযায়ী পোশাকের পসরা সাজিয়েছে তাদের বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে। শুধু নামিদামী ফ্যাশন হাউজগুলোই নয়, ছোটখাটো দোকানগুলোও বৈশাখকে কেন্দ্র করে তাদের আয়োজন সাজিয়েছেন।

বৈশাখের তীব্র রোদ আর গরমের বিষয়টি মাথায় রেখে ফ্যাশন ঘরগুলো পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে সুতি কাপড়ই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। সুতি ছাড়া লিলেন, ক্রেপ জরজেট, সফট জরজেট, হাফ সিল্ক ইত্যাদি কাপড়ও ব্যবহার করা হয়েছে পোশাকে। এবারের বৈশাখ বরণের পোশাকে সব থেকে বেশি চলছে বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টের পোশাক। ব্লক প্রিন্ট, স্ক্রিন প্রিন্ট, বাটিক, সাধারণ প্রিন্ট ইত্যাদি প্রিন্টের জনপ্রিয়তা এবার বেশি। তাছাড়া অ্যাপলিক, হাতের কাজ ইত্যাদি তো আছেই।

বৈশাখি সাজ-পোশাক :
নতুন বাংলা বছরের প্রথম দিনে চাই মনের মতো সাজ আর মাথায় গোঁজা বেলিফুলের মালা। তীব্র গরম আর ঘামের কথা ভেবে অনেকেই চিন্তিত থাকেন সাজপোশাক নিয়ে। কারণ সাজার পর যদি ঘেমে গিয়ে মেইকআপ নষ্ট হয়ে যায় তাহলে উৎসবের আনন্দ পুরোটাই মাটি। তাই এ দিনের সাজ হওয়া চাই হালকা।

এ উৎসবের সাজ-পোশাকে থাকতে হবে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। সকালে রোদ থাকায় সাজটা হতে হবে স্নিগ্ধ। গাঢ় মেকআপ এ সময় একেবারেই বেমানান। আর গরমের কারণে সাজ হতে হবে ওয়াটার প্রুফ যেন ঘামে সাজ নষ্ট না হয়ে যায়।

মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে চাইলে বরফ ঘষে নেয়া যেতে পারে। এরপর অবশ্যই সানস্ক্রিন মেখে নিতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে অল্প পরিমাণ ম্যাট ফাউন্ডেশন নিয়ে পুরো মুখে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। এর ওপরে সানস্ক্রিনযুক্ত ফেইস পাউডার দিয়ে নিতে হবে, এতে ফাউন্ডেশন ভালোভাবে সেট হবে।

পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মানিয়ে আইশ্যাডো লাগিয়ে নিতে হবে। দিনের সাজে ম্যাট শ্যাডো ব্যবহার করলে ভালো দেখাবে। আর লক্ষ রাখতে হবে যেন শ্যাডোর প্রতিটি শেইড ভালোভাবে ব্লেন্ড হয়ে যায়। এদিনে কিছুটা টেনে মোটা করে কাজল বা আইলাইনার ব্যবহার করা যেতে পারে। চাইলে বিভিন্ন রংয়ের কাজলও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে কাজলটি যেন বেমানান না লাগে। সবশেষে হালকা করে মাসকারা দিয়ে চোখের সাজ শেষ করতে হবে। আর অবশ্যই ওয়াটার প্রুফ মাসকারা ও আইলাইনার ব্যবহার করতে হবে।

লিপস্টিক লাগানোর আগে প্রথমেই একই রংয়ের লিপ লাইনার দিয়ে ঠোঁট সুন্দর করে এঁকে নিয়ে লিপস্টিক দিয়ে ভরাট করে নিতে হবে।  কপালে বড় টিপ, হাত ভর্তি কাঁচের চুড়ি, গলায় পুঁতির মালা, অক্সিডাইজ, মুক্তার গয়না আর পায়ে হালকা পায়েল পরলেই বৈশাখি সাজ পূর্ণতা পাবে।

চুলের স্টাইল নির্ভর করবে পোশাকের ওপর। শাড়ির সঙ্গে পুরো চুল একপাশে রেখে খোঁপা করে তাতে বেশি করে বেলিফুলের মালা জড়িয়ে নেয়া যেতে পারে। যাদের লম্বা চুল তারা লম্বা বেণি করে বেলি ফুলের মালা পেঁচিয়ে নিতে পারে। যাদের চুল ছোট তারা ক্লিপ দিয়ে চুল আটকিয়ে ফুল লাগাতে পারেন।

সন্ধ্যায় মেইকআপের শুরুতে মুখে একটু বরফ ঘষে নিতে হবে। ফাউন্ডেশন দিয়ে মুখ, গলা, ঘাড়ে ভালো করে ব্ল্যান্ড করে মিশিয়ে নিয়ে মুখের বাড়তি খুঁত ঢাকতে কনসিলার ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপর ফেইসপাউডার দিয়ে ফাউন্ডেশন বসিয়ে নিতে হবে।  

পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মানিয়ে চোখে আইশ্যাডো লাগাতে হবে। রাতের সাজে চোখে গাঢ় মেইকআপ বেশি মানানসই। পোশাকের রংয়ে বা সম্পূর্ণ ভিন্ন রং কন্ট্রাস্ট আই শ্যাডোর সঙ্গে নীল, সবুজ, সোনালি বা রূপালি যে কোনো রংয়ের আইলাইনার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাপড়িতে ঘন করে কয়েক কোট মাশকারা লাগিয়ে নেয়া যাবে। চোখের মেইকআপ গাঢ় হলে ন্যাচারাল, বাদামি, পিচ অথবা গোলাপি রংয়ের লিপস্টিক লাগালে ভালো লাগবে।

গালের চিক বোনের উপর কিছুটা ব্লাশ লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রেও ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। কপালের আকার অনুযায়ী ছোট বা বড় টিপ পরা যেতে পারে। বড় কানের দুল পরলে গলায় কিছু না পরলেও চলবে। তবে হাত ভরে পরা যায় বিভিন্ন রংয়ের চুড়ি।

বৈশাখের আগের প্রস্তুতি :

দুই তিন দিন আগে থেকে ফেসিয়াল, স্কিন পলিশ, মেনিকিওর, পেডিকিওর করে নিলে ভালো। চুলের জন্য প্রোটিন প্যাক ব্যবহার করুন। এতে মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং ফ্রেস দেখাবে আর চুল ও ঝলমল করবে।

আগের রাতেই সব প্রসাধনী সামগ্রী হাতের কাছে গুছিয়ে রাখতে হবে। তাহলে সকালে তৈরি হওয়ার সময় খুব ঝামেলায় পড়তে হবে না। যেহেতু বাইরে তীব্র গরম তাই ফাউন্ডেশন বা প্যান কেক যাই ব্যবহার করা হোক সেটা যেন ওয়াটার প্রুফ হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। অবশ্যই মেইকআপের আগে সানস্ক্রিন লোশন ও সানস্ক্রিনযুক্ত পাউডার ব্যবহার করতে হবে।

মুখে, গলায়, ঘাড়ে, পিঠে ও হাতেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। এতে ত্বকের ক্ষতি কম হবে। আর সঙ্গে একটি রঙিন ছাতা, ছোটপাখা ও এক বোতল পানি রাখতে মোটেও ভুল করবেন না।
সেনেগালে অগ্নিকান্ডে ২২ জন নিহত

সেনেগালে অগ্নিকান্ডে ২২ জন নিহত

সেনেগালে অগ্নিকান্ডে ২২ জন নিহত

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: সেনেগালের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে মুসলিমদের একটি ধর্মস্থানে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হয়েছে। দমকল বাহিনীর কর্মীরা এএফপি’কে এ কথা জানায়।

দমকল বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার এএফপিকে বলেন, তাম্বাকুন্ডা অঞ্চলের মেদিনা গুনাস শহরে বুধবার বিকেলে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশকিছু ধর্মপ্রাণ মুসলমান ধর্মস্থানে জড়ো হয়েছিলেন। অগ্নিকান্ডে বেশকিছু লোক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে।

সূত্র জানায়, অগ্নিকান্ডের কারণে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে অন্যরা আহত হয়। আহতদের মধ্যে প্রায় ২০ জনের অবস্থা খুবই মারাত্মক।

সেনেগালের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়, ধর্মস্থানটিতে একটি ধর্মীয় উপলক্ষে কয়েক দিনব্যাপী অনুষ্ঠান থাকায় সেখানে খড় দিয়ে অস্থায়ী চালাঘর তৈরি করা হয়েছিলো। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

Thursday, April 13, 2017

জাকির নায়েকের নামে জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা

জাকির নায়েকের নামে জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা

জাকির নায়েকের নামে জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করার দায়ে ভারতের মানি লন্ডারিং দমন আইনে অভিযুক্ত করা হয়েছে জাকির নায়েককে। এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের আবেদনে সাড়া দিয়ে এবার জাকির নায়েকের নামে সরাসরি জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল দেশটির বিশেষ আদালত।

বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে তার বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

পিস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জাকির নায়েকের নামে জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট। জাকির নায়েক বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। জানুয়ারি থেকে এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে চারবার সমন পাঠানো হয়েছে। কিন্তু জাকির নায়েক তাতে সাড়া দিয়ে আদালতে হাজির হননি। উল্টো তিনি ই-মেলের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সের সুপারিশ করেছিলেন।

যদিও এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের আইনজীবী জানিয়েছেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৫ নং ধারা অনুসারে, বিচারকের সামনে হাজিরা না দিলে অভিযুক্তের নামে জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করতেই পারে আদালত।

উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে৷ সুতরাং, জাকির নায়েক যদি স্বেচ্ছায় ভারতে না আসেন, তাহলে তাকে গ্রেফতার করে ভারতে ফেরত পাঠানোর জন্য আমিরাতের কাছে আবেদন জানাতে দিল্লির অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।

নিজের প্রতিষ্ঠিত পিস টিভিতে উসকানিমূলক ধর্মীয় বক্তৃতা দিয়ে ভারত-বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুসলিম তরুণদের আইএসের অনুগামী হতে উদ্বুদ্ধ করেছেন জাকির নায়েক— এটাই ছিল তার নামে প্রাথমিক অভিযোগ। পরবর্তীকালে, তার বিরুদ্ধে কালো টাকা সাদা করা-সহ আরও নানা অভিযোগ আনে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের মতো সরকারি সংস্থা।

জাকির নায়েকের বোন এবং তার কোম্পানির অন্যতম কর্তা ধৃত আমির গাজদারের বিবৃতি থেকেই ইডি-র অফিসাররা জানতে পারেন যে, দাতব্য প্রতিষ্ঠান চালানোর নামে বহু কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন পিস টিভির কর্ণধার।

সূত্র: কলকাতা ২৪×৭
বর্ষবরণ উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বর্ষবরণ উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বর্ষবরণ উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: শীর্ষ জঙ্গী নেতা মুফতি আবদুল হান্নানের ফাঁসি কার্যকরের পেক্ষাপটে বাংলা নববর্ষ পয়লা বৈশাখ শান্তিপূর্ণ ভাবে পালনে আরো কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাতে মুফতি হান্নানের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়। এদিকে আগামীকাল হচ্ছে বাংলা ১৪২৪ সনের প্রথম দিন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এর আগে বলেছিলেন, আমরা ঐতিয্যবাহী পয়লা বৈশাখ শান্তিপূর্ণ ও স্বতস্পুর্তভাবে পালনে পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি।

বিশেষকরে রমনা বটমূল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রবীন্দ্র সরোবর এবং রাজধানীর অন্যান্য স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবে।

এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেক পয়েন্ট, সিসিটিভি, মেটাল ডিটেক্টর ও অবজার্ভেশন টাওয়ার স্থাপন করা হবে।

বোমা নিস্ক্রিয়করণ ইউনিট ও ডগ স্কোয়ার্ডও মোতায়েন থাকবে। নিরাপত্তা তল্লাশী ছাড়া কেউই মূল অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে পারবে না।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তায় মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ইভটিজিং প্রতিরোধে বিশেষ পুলিশ টিম থাকবে।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় পূর্ণ নিরাপত্তার স্বার্থে কেউই মুখোশ পরতে পারবে না। তবে হাতে রাখা যাবে। কোন ধরনের ব্যানার, ছাতা, অস্ত্র, ছুরি বহন করা যাবে না।

রমনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রবীন্দ্র সরোবরের মুক্তমঞ্চের অনুষ্ঠানগুলো বিকাল ৫টার মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে। অনুমতি সাপেক্ষে ইনডোর কর্মসূচি উদযাপন করা যাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ চাকাওয়ালা গাড়ী ১৩ এপ্রিল বিকাল ৬ টা থেকে ১৪ এপ্রিল সকাল ৯টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে।

ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, শান্তিপূর্ণ ভাবে নববর্ষ উদযাপনে রমনা বটমূল ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হবে।

তিনি বলেন, রাজধানীতে পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার ১১ হাজার পোশাকধারী সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার পয়লা বৈশাখ উদযাপনে কোন হুমকীর কথা জানা যায়নি। তবে সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বর্ষবরণে রাজধানীর যেসব সড়ক বন্ধ থাকবে

বর্ষবরণে রাজধানীর যেসব সড়ক বন্ধ থাকবে

বর্ষবরণে রাজধানীর যেসব সড়ক বন্ধ থাকবে

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:বাংলা বর্ষবরণের উৎসবে নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে পহেলা বৈশাখে রাজধানীর বেশ কয়েকটি জায়গায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এ নির্দেশনা জারি করে। এ প্রেক্ষিতে কোন কোন রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হবে সে রোডম্যাপও দেয়া হয়েছে।

ডিএমপির বিজ্ঞপ্তি অনুসারে বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে রমনা বটমূল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শিশু পার্ক, চারুকলা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি, দোয়েল চত্বর, শিশু একাডেমী, হাইকোর্ট ও এর সংলগ্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা হতে ১৪ এপ্রিল রাত ৯টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার যুক্ত গাড়ি ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন প্রবেশ বন্ধ থাকবে।

১৪ এপ্রিল ২০১৭ ভোর ৫টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত যে সব রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ থাকবে:-

বাংলামটর-পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড ও টেলিযোগাযোগ ভবন ক্রসিং-পরিবাগ ক্রসিং-রূপসীবাংলা ক্রসিং, শাহবাগ ক্রসিং-মৎস্য ভবন-কদম ফোয়ারা ক্রসিং-হাইকোর্ট ক্রসিং, জিরো পয়েন্ট থেকে হাইকোর্ট ক্রসিং এবং ইউবিএল থেকে কদম ফোয়ারা, হোটেল রূপসী বাংলা ক্রসিং-মিন্টো রোড-বেইলি রোড-হেয়ার রোড কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং বামে মোড়-চার্চ, নীলক্ষেত ক্রসিং হতে টিএসসি ক্রসিং, পলাশী মোড় থেকে শহীদ মিনার হয়ে দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বকশিবাজার থেকে জগন্নাথ হল হয়ে টিএসসি ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং-দোয়েল চত্ত্বর ক্রসিং-শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং এবং নৌবাহিনী ভর্তি তথ্য কেন্দ্র থেকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পর্যন্ত।

পহেলা বৈশাখে যে সব রাস্তায় যানচলাচল করবে:-

মিরপুর থেকে বিভিন্ন রুটের যেসব বাস ফার্মগেট হয়ে গুলিস্তান কিংবা সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ি যাবে সেসব বাস হোটেল সোনারগাঁও থেকে বামে মোড় নিয়ে রেইনবো ক্রসিং হয়ে মগবাজার দিয়ে সোজা মালিবাগ মোড় হয়ে গন্তব্যে যাবে এবং অন্যান্য গাড়ি হোটেল সোনারগাঁও থেকে সোজা এসে বাংলামটরে বামে মোড় দিয়ে মগবাজার থেকে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণী হয়ে কাকরাইল চার্চ বামে মোড় নিয়ে গন্তব্যে যাবে এবং আসবে।

মোহাম্মদপুর হতে যেসব রুটের বাস মতিঝিল হয়ে সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ি-শ্যামপুর যাবে সে সব রুটের বাস মোহাম্মদপুর-সাইন্স ল্যাবরেটরি-নিউমার্কেট-বেবি আইসক্রিম মোড়-ঢাকেশ্বরী মন্দির-বকশীবাজার-চানখারপুল দিয়ে গুলিস্তান হয়ে গন্তব্যে যাবে এবং আসবে। তবে প্রাইভেটকারসমূহ সাইন্সল্যাব থেকে কাঁটাবন পর্যন্ত আসতে পারবে এবং কাঁটাবন থেকে ডানে-বামে যেতে পারবে।

টঙ্গী-এয়ারপোর্ট থেকে যেসব রুটের বাস গুলিস্তান ও সায়েদাবাদ যাতায়াত করে সেসব রুটের বাস টঙ্গী-বিমানবন্দর-প্রগতি সরণী হয়ে বামে মোড় নিয়ে বিশ্বরোড ধরে মালিবাগ রেলক্রসিং বামে মোড় খিলগাঁও ফ্লাইওভার ধরে গন্তব্যে যাবে-আসবে এবং অন্যান্য গাড়ি মহাখালী হয়ে মগবাজার-কাকরাইল চার্চ বামে মোড় নিয়ে গন্তব্যে যাবে এবং আসবে।

ধামরাই, মানিকগঞ্জ, গাবতলী হকে যেসব রুটের বাস এবং অন্যান্য গাড়ি গুলিস্তান, ফুলবাড়ীয়া যাতায়াত করে সেসব রুটের বাস ও অন্যান্য গাড়ি মানিকগঞ্জ-ধামরাই-গাবতলী-মিরপুর রোড ধরে সাইন্সল্যাব সোজা নিউমার্কেট-আজিমপুর-বেবী আইসক্রীম মোড়-ঢাকেশ্বরী মন্দির-বকশিবাজার-চাঁনখারপুল হয়ে গন্তব্যে যাবে এবং আসবে।

এ ছাড়া বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে আগত যানসমূহ যে সকল জায়গায় পার্কিং করবে:-

নৌবাহিনী ভর্তি তথ্য কেন্দ্র হতে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পর্যন্ত (উত্তর দিকের গাড়িসমূহ)। জিরো পয়েন্ট থেকে ইউবিএল এবং ইউবিএল থেকে দৈনিক বাংলা। কার্জন হল থেকে বঙ্গবাজার হয়ে ফুলবাড়িয়া (দক্ষিণ দিকের গাড়িসমূহ)।

মৎস্য ভবন থেকে সেগুনবাগিচা (আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িসমূহ)। শিল্পকলা একাডেমি গলি (আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িসমূহ)। সুগন্ধা হতে অফিসার্স ক্লাব (ভিআইপি গাড়ি ও মিডিয়ার গাড়ি পার্কিং)। কাঁটাবন হতে নীলক্ষেত হয়ে পলাশী (দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের গাড়ি)।

উপর্যুক্ত যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসমূহ কার্যকর করার বিষয়ে এবং যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা রক্ষা, যানজট এড়ানো, সর্বোপরি জনসাধারণের যাতায়াতকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করার জন্য পুলিশ সর্বাত্মক সহায়তা করার জন্য সম্মানিত নগরবাসী, যানবাহন মালিক ও শ্রমিকবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করেছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

নববর্ষ অনুষ্ঠানে আসার সময় সন্দেহজনক কোনও সরঞ্জাম/বস্তু/ব্যাগ সঙ্গে বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
নববর্ষ উপলক্ষে শিশু একাডেমীর বর্ণাঢ্য আয়োজন

নববর্ষ উপলক্ষে শিশু একাডেমীর বর্ণাঢ্য আয়োজন

নববর্ষ উপলক্ষে শিশু একাডেমীর বর্ণাঢ্য আয়োজন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দকে বরণ করতে শুক্রবার পহেলা বৈশাখে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী।

দিবসটি উপলক্ষে একাডেমীর শহীদ মতিউর মুক্তমঞ্চে সকাল ৯টা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

একাডেমীর চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি সকাল সাড়ে ৯টায় 'বৈশাখে রং লাগাও প্রাণে' এই শিরোনামে ক্যানভাসে ছবি এঁকে অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম।

এই আয়োজনটি বাংলাদেশ শিশু একাডেমী কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ ৬৪টি জেলা ও ৬টি উপজেলায় একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনের পর রয়েছে বাউলশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী, শিল্পী ফেরদৌস আরা এবং শিশু একাডেমীর প্রশিক্ষণার্থীদের এসো হে বৈশাখ এসো এসোসহ অন্যান্য সংগীত পরিবেশন।

এছাড়া শিশু একাডেমী প্রাঙ্গণে শিশুদের জন্য পুতুল নাচ, লাঠিখেলা, পাপেট শো, ঢোলের বাদ্যি, বানরখেলা ও বায়োস্কোপ দেখার ব্যবস্থা থাকবে।
মেক্সিকোতে প্লেন থেকে ফেলা হলো জীবিত মানুষকে

মেক্সিকোতে প্লেন থেকে ফেলা হলো জীবিত মানুষকে

মেক্সিকোতে প্লেন থেকে ফেলা হলো জীবিত মানুষকে

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মেক্সিকোর দক্ষিণ সিনালোয়া শহরে প্লেন থেকে একজন জীবিত মানুষকে ফেলে দেয়া হয়েছে। এই এলাকাটি মাদক চোরাকারবারীদের আখড়া হিসেবে খ্যাত বলে দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান।

গত বুধবার এ ঘটনা ঘটেছে। ওইদিন স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে শহরের আইএমএসএস হাসপাতালের খুব কাছ দিয়ে একটি প্লেনটি যাচ্ছিল। সে সময় ওই প্লেন থেকে এক ব্যক্তিকে ফেলতে দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরে তাকে ওই হাসপাতালের ছাদ থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

সিনালোয়ার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জিসুস মার্টিন রবলেস বলেন, প্লেন থেকে ফেলে দেয়ার ঘটনাটি মাদক চোরাচালানের কারণে ঘটে থাকতে পারে। তবে ওই ব্যক্তিকে প্লেন থেকে ফেলা হয়েছে কিনা তা তিনি নিশ্চিত করেননি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র আরো জানায়, সিনালোয়ায় আরো দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে এই প্লেন থেকে তাদের ফেলা হয়েছে। তবে প্লেন থেকে ফেলার সময় তারা জীবিত না মৃত ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সিনালোয়া মাদক সম্রাট জোয়াকুইন চাপো গুজম্যান’র এলাকা হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সাল পর্যন্ত সেখানকার মাদকের নিয়ন্ত্রণ তার হাতেই ছিল। ২০১৭ সালের শুরুর দিকে তাকে জাতিসংঘের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সূত্র: রয়াটার্স।
'নববর্ষ এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত'

'নববর্ষ এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত'

'নববর্ষ এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত'

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: বাংলা নববর্ষ এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। ‘বাঙালি জাতি বর্ষবরণ উৎসবকে ধারণ করেছে তাদের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির অনুষঙ্গ হিসেবে। বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা প্রগতি এবং অগ্রগতির দিকে ধাবিত হচ্ছি।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেয়া আজ এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিগত বছরটি ছিল বাংলাদেশের জন্য প্রভূত সাফল্যময়। বাংলাদেশ আজ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশ্বের ‘রোল মডেল’।

তিনি বলেন, 'অতীতের ভুলত্রুটি এবং গ্লানি ভুলে জীবনের সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় আমরা আশায় বুক বাঁধি নতুন বছরের প্রথম দিনে'। দেনা-পাওনা চুকিয়ে নতুন করে শুরু হয় জীবনের জয়গান। পয়লা বৈশাখ তাই যুগ যুগ ধরে বাঙালির মননে মানসে শুধু বিনোদনের উৎস নয়, বৈষয়িক বিষয়েরও আধার।

তিনি অারো বলেন, বাংলা নববর্ষের উন্মেষ মূলত গ্রামীণ জীবন ঘিরে। হালখাতা উৎসব এবং গ্রামীণ মেলা ছিল একসময়ের মূল আকর্ষণ। হালখাতা এবং মেলাকে কেন্দ্র করে জারি, সারি, পালাগানের আসর বসত এবং গ্রামীণ পণ্যের বেচাকেনা হতো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ বৈশাখি উৎসব কালক্রমে প্রবেশ করেছে নগর জীবনে। দেশের প্রতিটি শহরেই পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণ ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। রাজধানী ঢাকায় আটের দশকে সংযোজন হয়েছে বাড়তি আয়োজন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’, যা গত বছরের ৩০ নভেম্বর জাতিসংঘের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে পণ্যের বিকিকিনি, হালখাতা উৎসব, নতুন পোশাক এবং মিষ্টান্নসহ হরেক রকমের খাবারের জমজমাট ব্যবসা- সব মিলিয়ে বাংলা নববর্ষ বিনোদনের পাশাপাশি আজ দেশের অর্থনীতিতে সঞ্চার করেছে নতুন গতি।

বাঙালির এই শাশ্বত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বাংলা নববর্ষ উৎসব ভাতা প্রবর্তন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি-মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে এই প্রার্থনা করছি।’

এসময় বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ উপলক্ষে দেশবাসী ও প্রবাসী বাঙালিসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র:বিডিলাইভ

বিএনপির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন খালেদা জিয়া

বিএনপির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন খালেদা জিয়া

বিএনপির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন খালেদা জিয়া

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

১৪ এপ্রিল নয়াপল্টনে শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস। এই আয়োজনে খালেদা জিয়া অংশ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন  চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং-এর কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান।

শায়রুল কবির খান বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে নয়াপল্টনে শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস।
জাসাস সভাপতি অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, ‘পহেলা বৈশাখে দুপুর ২টায়  নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রা বের করবে জাসাস।’ 

 সূত্র:বিডিলাইভ
কানাইঘাটে উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্টিত

কানাইঘাটে উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্টিত


কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ কানাইঘাটে মাসিক উপজেলা পরিষদের সভা অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্টিত হয়। এতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাতবাঁক ইউপির চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম, কানাইঘাট সহকারী কমিশনার ভুমি সুমন আচর্য, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আহাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান জেমস লিও ফারগুশন নানকা, সদর ইউপির চেয়ারম্যান মামুন রশিদ, ৭ নং ইউপির চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ, ৩নং ইউপির চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল, ৫নং ইউপির চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, ৯নং ইউপির চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, ৮নং ইউপির চেয়ারম্যন আব্বাস উদ্দিন সহ সকল বিভাগের কর্মকর্তা বৃন্দ।
হেফাজতের সঙ্গে মিতালি হবে আত্মঘাতী: সিপিবি

হেফাজতের সঙ্গে মিতালি হবে আত্মঘাতী: সিপিবি

হেফাজতের সঙ্গে মিতালি হবে আত্মঘাতী: সিপিবি
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা এবং সুপ্রিম কোর্ট থেকে ভাস্কর্য অপসারণের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীতে হাঁটছেন বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সিপিবি। হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে ওলামাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরদিন বুধবার এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানায় আওয়ামী লীগের এক সময়ের মিত্র দলটি।

সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তকে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-ধারা থেকে পদস্খলন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, “সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ এবং তার সঙ্গে মিতালি স্থাপনের যে নীতি সরকার অনুসরণ করছে, তা একদিকে যেমন মুক্তিযুদ্ধের অবশিষ্ট অর্জনগুলোকে বিনষ্ট করবে, সঙ্গে সঙ্গে হবে চরম আত্মঘাতী।”

এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বিকাশ ও বিস্তারের ক্ষেত্র তৈরি করবে বলেও মনে করে সিপিবি। সিপিবির বিবৃতির আগে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র ইউনিয়নও একই প্রতিক্রিয়া জানায়।

ছাত্র ইউনিয়ন নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কথা বললেও হেফাজতে ইসলামের মতো সংগঠনগুলোর দাবিতে তার সায় জঙ্গিবাদে মদদ জোগাবে। 
 সূত্র:বিডিলাইভ
খালেদার বিরুদ্ধে নাশকতার আরো ৪ মামলা স্থগিত

খালেদার বিরুদ্ধে নাশকতার আরো ৪ মামলা স্থগিত

খালেদার বিরুদ্ধে নাশকতার আরো ৪ মামলা স্থগিত

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: গাড়ি পোড়ানো ও সরকারি কাজে বাধা দিয়ে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা আরো চার মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

আজ বৃহস্পতিবার এই চার মামলা স্থগিত করা হয়েছে। এর আগে বুধবার ছয় মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

গত ৯ এপ্রিল খালেদার বিরুদ্ধে রাজধানীর দারুসসালাম থানায় দায়ের করা নাশকতার দুই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলার দুটি কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত।

এর আগে, গত ৫ মার্চ রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে করা একটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। 
 সূত্র:বিডিলাইভ
 সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনের পুত্রের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ

সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনের পুত্রের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ


কানাইঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ নিজাম উদ্দিনের নবজাতক পুত্রের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সিলেট সোবহানীঘাট মা ও শিশু হাসপাতালের এনআইসিইউ বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবজাতক পুত্র মৃত্যু বরণ করে। এতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট জেলা আ’লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মস্তাক আহমদ পলাশ, কানাইঘাট প্রেসসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দৈনিক সিলেট বানীর নির্বাহী সম্পাদক এম.এ হান্নান, সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমান, কানাইঘাট কমিউনিটি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুন নুর, সাংবাদিক জামাল উদ্দিন, ওছার আহমদ, মাহবুবুর রশিদ, আলা উদ্দিন আলাই, আমিনুল ইসলাম, শাহীন আহমদ, মাহফুজ সিদ্দিকী, সুজন চন্দ অনুপ প্রমুখ। অপরদিকে কানাইঘাট উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মোঃ এনামুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম মাহবুবুল আম্বিয়া, গোলাম মোস্তফা রাসেল, পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, ইফতেখার আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এম. আখতার হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রোমান আহমদ নোমান, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি এম. আব্দুর রহমান সহ স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।

Tuesday, April 4, 2017

 কানাইঘাটে বন্যায় বিপর্যস্ত জনজীবন, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

কানাইঘাটে বন্যায় বিপর্যস্ত জনজীবন, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি


কানাইঘাট প্রতিনিধি :: গত এক সপ্তাহ ধরে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কানাইঘাটের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। হাওরসহ গ্রামীন এলাকার সমস্ত ফসলী বোরো ধানের জমি বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে হাহাকার বিরাজ করছে। টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে প্রায় ২ হাজার হেক্টরের উপরে বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টিপাতে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার হাওর এলাকা ও নিম্নাঞ্চলে পানি দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় জনজীবন বির্পযস্ত হয়ে পড়েছে। সুরমা ও লোভা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় অনেকে বাড়ী ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্নস্থানে গবাদি পশুর খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা তাদের এলাকাকে বন্যা দুর্গত এলাকা ঘোষনার দাবী জানিয়েছেন।
নোটিশ :   কানাইঘাট নিউজ ডটকমে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক