কানাইঘাটে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির চা চক্রে বিয়ানীবাজারের সুধীজন

Kanaighat News on Tuesday, January 31, 2017 | 11:41 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি কানাইঘাট উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিয়ানীবাজার উপজেলার কয়েকজন সুধীজনের চা-চক্র ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি লোভাছড়া ভ্রমণের পাশাপাশি কানাইঘাটের ইতিহাস-ঐতিহ্যভিত্তিক বিভিন্ন স্থাপনা ও নিদর্শন ঘুরে দেখেন বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সুধীজন। সুধীজনের সম্মানে বিকেল সাড়ে ৪ টায় বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি কানাইঘাট উপজেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের কার্যালয়ে এক চক্র ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে বিয়ানীবাজারের সুধীজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক(অব.) ও বিয়ানীবাজার উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলী আহমদ, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সহসভাপতি ও বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সভাপতি মজির উদ্দিন আনসার, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, লেখক ও গবেষক মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, এডভোকেট মোঃ আমান উদ্দিন, পূর্ব মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খালেদ আহমদ, বিয়ানীবাজার জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাবুল আহমেদ ও ছড়াকার লুৎফুর রহমান। আয়োজক সংগঠনে সভাপতি বীরদল এনএম একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মোঃ জারউল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও সচিব ফজলুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠেয় সভায় উপস্থিত ছিলেন বীরদল এনএম একাডেমীর সহকারি প্রধান শিক্ষক ও কানাঘাট উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ মহি উদ্দিন, রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুন আহমদ, চরিপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী, মানিকগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এখলাছ এলাহী, বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর উদ্দিন, বীরদল এনএম একাডেমীর সহকারি শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, কানাইঘাট নিউজ এর সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ সহ স্থানীয় বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। চা-চক্র ও মতবিনিময় সভায় দু’উপজেলা মেলবন্ধন বাড়াতে শিক্ষা-সাহিত্য, সংস্কৃতির উন্নয়ন ও অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব আলোকপাত করে নেতৃবৃন্দ ইতিহাস-ঐতিহ্যে তথা শেকড় সন্ধানে নিজেদের এবং বর্তমান প্রজন্মদের আরো বেশি সচেষ্ট থাকার আহবান জানান ।

আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত

আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক বাংলাদেশি।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে রাস-আল খাইমাহ হুজাম সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুর রহিম ও মোহাম্মদ আলমগীর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যম জানায়, তাদের বহনকারী একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই এক বাংলাদেশি নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়।

লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কতৃপক্ষ।

বাংলাদেশে কেন এত বেশি জনপ্রিয় ভারতীয় চ্যানেল?

বাংলাদেশে কেন এত বেশি জনপ্রিয় ভারতীয় চ্যানেল?
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে তিনটি ভারতীয় টিভি চ্যানেল বন্ধ করা নিয়ে অনেক দিন ধরেই চলছে নানা বিতর্ক। এই তিনটি চ্যানেল হল-স্টার প্লাস, স্টার জলসা ও জি বাংলা। এসব চ্যানেলে প্রচারিত সিরিয়ালে আসক্ত হয়ে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারানোর পর চ্যানেলগুলো বন্ধ করতে অনেকে আন্দোলন শুরু করেন।

কিন্তু গতকাল রোববার ভারতীয় টিভি চ্যানেল বন্ধ করতে যে রিট আবেদন করা হয়েছিল সেটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে বাংলাদেশে এ তিনটি ভারতীয় স্যাটেলাইট চ্যানেল প্রদর্শনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বাংলাদেশে বেশ কিছুদিন যাবত বিনোদন জগতের অনেকেই ভারতীয় কিছু চ্যানেল বন্ধ করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।

কিন্তু নানা সময় জরিপে এ কথাও সামনে এসেছে যে ভারতীয় টেলিভিশনের চ্যানেলগুলোর বিশাল সংখ্যায় দর্শক রয়েছে বাংলাদেশে।

কিন্তু কেন বাংলাদেশি চ্যানেলগুলো ভারতের এই বাংলা চ্যানেলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠছে না?

বছর খানেক আগে করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের এক জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে নারীদের ৯০ শতাংশ টেলিভিশন দেখেন, কিন্তু এদের ৬০ শতাংশই দেখেন স্টার জলসা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ও ফিল্ম স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক টেলিভিশন ও ফিল্ম স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক শফিউল আলম ভুঁইয়া মনে করেন এর পেছনে একাধিক কারণ আছে।

তিনি বলছেন, "বাংলাদেশে চ্যানেলগুলোতে বিজ্ঞাপনের আধিক্য একটি কারণ। পরিমাণের দিক থেকে ভারতের চ্যানেলে বিজ্ঞাপন কম। আরেকটি কারণ হচ্ছে অবশ্যই অনুষ্ঠানের মান।"

"কোনও কোনও ক্ষেত্রে ভারতীয় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা, সেগুলোর বিষয়বস্তু, বিশেষ করে অভিনয়ের মান উন্নততর। আমাদের অনেক অভিনেতা অভিনেত্রীর অভিনয় খুব ভাল হলেও আমাদের চ্যানেলের সংখ্যাও অনেক - তাই আমাদের কোয়ালিটির একটা অভাব পরিলক্ষিত হয়", বলছিলেন মি ভুঁইঞা।

যেখানে মান নিয়ে প্রশ্ন সেখানে জনপ্রিয়তার লড়াইয়ে কীভাবে লড়ছে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো? জবাবে মাছরাঙা টেলিভিশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আরিফুর রহমান কিছুটা হতাশারই চিত্র দিলেন। তিনি বলছেন, "এই দেশে যে সব নির্মাতা বা লেখক আছেন, যারা এই শিল্পের সাথে জড়িত তারা অনেক মেধাবী। কিন্তু সেই মেধা প্রকাশ করার জন্য যে পরিমাণ সুবিধা দরকার, যে পরিমাণ অর্থ দরকার বা কাঠামোগত সুবিধা দরকার সেই বিষয়গুলো আসলে আমরা করে উঠতে পারি না। আমাদের সীমাবদ্ধতা হচ্ছে পুরো সিস্টেমটাতে আমরা গভীর মনোযোগ দিচ্ছি না।"

এই সীমাবদ্ধতার জায়গায় কীভাবে আটকে যাচ্ছেন নির্মাতারা, তার একটি ধারণা দিয়ে তিনি বলছিলেন, "আপনি যদি ভারতীয় কোন প্রোডাকশন দেখেন সেটার মধ্যে পরিচ্ছন্ন একটা বিষয় পাবেন। ধরেন ভারতে যেকোনো একটা প্রোডাকশনের জন্য একজন আর্ট ডিরেক্টর থাকে। একজন নির্মাতা শুধু প্রোডাকশন নিয়েই ভাবতে পারেন।"

"কিন্তু বাংলাদেশে একজন নির্মাতাকে প্রোডাকশনের সব কাজ করতে হয়। এমনকি আর্টিস্ট কল করা, গাড়ি ঠিক করা, আর্টিস্ট খাবার খেলো কিনা তাও দেখতে হয়। এতে তার মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটে।"

ভারতে তো বাংলাদেশি চ্যানেল দেখা যায় না- এই পাল্টা যুক্তি দিয়ে বাংলাদেশে সম্প্রতি অনেক নির্মাতা-পরিচালকই দাবি করে আসছেন বাংলাদেশেরও উচিত ভারতীয় চ্যানেলগুলোর প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া।

এই আন্দোলনকারীদের একজন পরিচালক গাজি রাকায়েত মনে করেন "বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোকে গুছিয়ে ওঠার জন্য একটু সময় দিতে হবে। আর সেজন্য পুরোপুরি না হলেও কিছু সময়ের জন্য হলেও ভারতীয় চ্যানেলগুলো বন্ধ রাখা দরকার। আর সেই কাজে সরকারই একমাত্র সহায়তা করতে পারে।"

মানের বিষয়ে প্রশ্ন একেবারেই মানতে রাজি নন তিনি। বরং তিনি মনে করেন, "যদি আমাদের চ্যানেলগুলো ওদের ওখানে দেখানো যেত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে, তাহলে আমার ধারণা যে পরিমাণ দর্শক পশ্চিমবঙ্গের চ্যানেল দেখছে সেই পরিমাণ দর্শক ওখানে বাংলাদেশের চ্যানেলও দেখতো।"

কিন্তু তারপরও এটা ঘটনা, বাংলাদেশে টিভি খুললেই ভারতীয় চ্যানেল। তার কারণ কি খুব জমকালো সাজপোশাক নাকি ওখানে অভিনেতা অভিনেত্রীরা বাংলাদেশের তুলনায় দেখতে বেশি গ্ল্যামারাস?

রাকায়েত বলছেন, "এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। আমাদের সংস্কৃতি তো পশ্চিমবঙ্গ থেকে একটু আলাদা। আমরা উদার না। অথচ ওরা কিন্তু পরকীয়া সম্পর্কের মতো অনেক খোলামেলা জিনিস দেখাতে পছন্দ করে। কাজেই দর্শক যা বাংলাদেশে দেখতে পারে না সেগুলো অন্য জায়গায় দেখার জন্য একটা ঝোঁক থাকতে পারে।"

সেই ঝোঁক যে বিষয়গুলোতে, তাতে ক্ষতিকর কিছু আছে কিনা সেটি পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশ কেবল টেলিভিশন পরিচালনা আইন ২০০৬ অনুযায়ী একটি সেল গঠন করে সেটি পর্যবেক্ষণের ব্যাপারে এদিন মতামত দিয়েছে আদালত। সূত্র: বিবিসি

কৃত্রিম কিডনি; বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছেন শুভ রায়

কৃত্রিম কিডনি; বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছেন শুভ রায়

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কিডনিজনিত অসুস্থতা বিশ্বের অন্যতম যন্ত্রণাদায়ক স্বাস্থ্যগত সমস্যা। আর এই চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশে জন্মগ্রহনকারী একজন মার্কিন জৈব-প্রকৌশলীর নেতৃত্বে কৃত্রিম কিডনি প্রতিস্থাপন গবেষণা বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এই প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বের লাখ লাখ রোগী সাশ্রয়ী মূল্যে কৃত্রিম কিডনি প্রতিস্থাপনের সুযোগ পাবেন।

ভারতের চেন্নাইতে আন্তর্জাতিক কিডনি সম্মেলনের সাইডলাইনে বাসস-এর সঙ্গে কথা বলেন ৪৮ বছর বয়সী বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এই মার্কিন বায়ো-ইঞ্জিনিয়ার ড. শুভ রায়।

তিনি বলেন, বৃহদাকার প্রাণীর দেহে কৃত্রিম কিডনি প্রতিস্থাপনে ‘খুবই ইতিবাচক’ ফলাফল পাওয়ার পর আগামী তিন বছরে মানবদেহে কৃত্রিম কিডনির পরীক্ষামূলক প্রতিস্থাপন তথা ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’-২০২০ সালে সম্পন্ন হবে।

‘কিডনি অকার্যকর হওয়া বা কিডনিজনিত রোগের শেষ পরিণতি (ইএসআরডি)-র স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে গত ১৫ বছর ধরে চিকিৎসক ও প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে তার গবেষক দলের একনিষ্ঠ গবেষণা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে’- তিনি জানান।

বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ায় ভ্রমণরত শুভ রায় বলেন, ‘কিডনিজনিত রোগে ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের মানসম্মত বিকল্প হচ্ছে কৃত্রিম কিডনি প্রতিস্থাপন করা।’

তিনি জানান, কফির কাপের আকারের এই যন্ত্রটি মানবদেহের ভেতরে স্থাপন করা হবেÑযা সংশ্লিষ্ট রোগীর রক্ত সঞ্চালক অঙ্গ ও ক্ষতিগ্রস্ত কিডনির কাছেই সঙযুক্ত থাকবে।

কৃত্রিম কিডনির সাশ্রয়ী মূল্য সম্পর্কে শুভ রায় বলেন, এই জৈব-যান্ত্রিক ডিভাইসটির মূল্য কিডনি প্রতিস্থাপন বা ডায়ালাইসিসের খরচের চেয়ে যথেষ্ট কম হবে।

তিনি বলেন, ‘এই কৃত্রিম কিডনি হরমোন তৈরি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ত পরিশোধনসহ অধিকাংশ জৈবিক কাজ সম্পন্ন করবে।’

শুভ রায় বলেন, বৃক্কজনিত জটিলতায় ভুগছেন এমন রোগীদের কৃত্রিম কিডনী ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপন থেকে স্থায়ীভাবে নিষ্কৃতি দেবে।
Image result for dr. shuvo roy

তিনি বলেন, ‘বাস্তবতা হচ্ছে কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন এমন রোগীর তুলনায় কিডনি দানকারীর সংখ্যা খুবই সীমিত এবং এই প্রক্রিয়াটি আইনগতভাবেও চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রেক্ষিতে জটিল এবং খরচও খুব বেশী।’

তিনি আরো বলেন, ‘কৃত্রিম কিডনি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই একটি জৈব যন্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হবে এবং সে লক্ষেই আমাদের প্রচেষ্টা এগিয়ে চলছে। চলমান পরীক্ষা ও গবেষণা থেকে বোঝা যাচ্ছে, কোন রকম নিষ্ক্রিয়তা ছাড়াই এই ডিভাইসটি বহু বছর চলা সম্ভব।’

এই কৃত্রিম ‘ডিভাইস’ বা অঙ্গটি কোন কারণে অকার্যকর হয়ে পড়লেও সামান্য অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এর ছাকনি বা কোষ প্রতিস্থাপন করা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোর ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ‘বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ড থেরাপিউটিক সায়েন্সেস’ বিভাগের (ইউসিএসএফ) অধ্যাপক শুভ রায় বর্তমানে ‘মাল্টি-ইনস্টিটিউশনাল কোলাবরেটিভ কিডনি প্রজেক্ট’-এর টেকনিক্যাল ডাইরেক্টও হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে, ভ্যান্ডারবিল্ট-এর মেডিসিন বিভাগের ড. উইলিয়াম ফিসেল এই প্রকল্পের মেডিকেল ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছেন।

চট্টগ্রামের চিকিৎসক ডা. অশোক রায় ও রত্না দত্তের দু’ছেলে এবং এক মেয়ের মধ্যে শুভ রায় বড়। তার জন্ম ১৯৬৯ সালে ঢাকায়। তার শিক্ষা জীবনের সূচনা ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীর একটি বিদ্যালয়ে। পরে পিতার চাকরির সূত্রে উগান্ডায় চলে যান এবং সেখানে পড়াশোনা করেন।

উগান্ডার তৎকালিন প্রেসিডেন্ট ইদি আমিনের অনুরোধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সে দেশে বাংলাদেশের যে মেডিকেল টিম পাঠিয়েছিলেন ড. শুভ রায়ের পিতা সেই টিমের সদস্য ছিলেন।

পরবর্তীতে শুভ রায় যুক্তরাষ্ট্রের নরদার্ন ওহিও স্টেটে চলে যান এবং সেখান থেকে ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রী করেন।

ড. শুভ রায় বলেন, ‘যদি আমাদের কোন অনাকাঙ্খিত সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয় তাহলে আমরা আশা করি ২০১৭ সাল শেষ হওয়ার আগেই একটি ডিভাইস ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য প্রস্তুত হবে এবং ২০২০ সাল নাগাদ তা সম্পন্ন হবে।’

তিনি বলেন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সময় তার দল ওই ডিভাইসটির উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্ভাবনাময় নির্মাতাদের সাথেও কাজ করবে।

তিনি বলেন, ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলো শেষ হলে শিগগিরই ওই ডিভাইসটি রোগীদের জন্য সহজলভ্য হবে।’

বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বে প্রতিবছরই মানুষের কিডনি অকেজো হওয়ার ঘটনা বেড়ে চলেছে। পাশাপাশি, কিডনি অকেজো হওয়ার সাথে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

Image result for dr. shuvo roy

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ৬ লাখ ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ কিডনি অকেজো হওয়ায় চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং এ জন্য বছরে ব্যয় হয় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ওই দেশের বাৎসরিক চিকিৎসা ব্যয়ের মোট সাত শতাংশ।

বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, কিডনী সংশ্লিষ্ট রোগের প্রকোপ বেশী বিশ্বে এমন দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। দেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ কোন না কোন ধরনের কিডনি সংশ্লিষ্ট জটিলতায় ভুগছেন। এক দশক আগে এই সংখ্যা ছিল এক কোটি।

দেশে প্রতি সাতজনে একজন কিডনি রোগে ভুগছেন এবং প্রতিবছর ৪০ হাজার মানুষ দীর্ঘমেয়াদে কিডনি অকেজো হওয়ায় মারা যান এবং এই রোগীদের অংধিকাংশই চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে পারেন না।

সিনেমা দেখে কান্না করা মানুষেরা যে প্রকৃতির!

সিনেমা দেখে কান্না করা মানুষেরা যে প্রকৃতির!
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: নাটক-সিনেমার রোম্যান্টিক দৃশ্য দেখে অনেকেই কেঁদে ফেলেন। আবার অনেকে ট্র্যাজেডিতেও কাঁদেন। আবেগে ভেসে গাল বেয়ে পড়ে নোনা পানি। যাদের এ রকমটা হয় তাদের বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের সামনে অপ্রস্তুত হতে হয়।

হয়তো অনেক সময় হাসির খোরাক হয়ে উঠেছে তাদের আবেগের এই অযাচিত বহিঃপ্রকাশ নিয়ে। তবে নিজের আবেগের বহিঃপ্রকাশ নিয়ে লজ্জা লাগলেও লজ্জা পাওয়ার কোনো দরকার নাই। এটি আপনার জন্য খুশির বিষয়।

পল জে. জাক নামে এক বিজ্ঞানী অন্তত এমনটাই বলছেন। তার কথায়, যে ব্যক্তিদের মধ্যে সিনেমা দেখার সময় হাসি-কান্নার মত আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়। তারা অনেক বেশি শক্ত মানসিকতার মানুষ হন। আর যারা ভাবলেশহীনভাবে সিনেমা দেখেন তারা মানসিকভাবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রকৃতির হয়ে থাকেন। কারণ নিজেদের আবেগ তারা প্রকাশ্যে আনতে চান না।

সাইকোলজি টুডে নামে এক প্রতিবেদনে জাক লিখেছেন, সিনেমা-নাটকের মতো বিনোদনমূলক কিছু দেখলে মানুষের শরীরে অক্সিটোসিন লেভেল বেড়ে যায়। এর ফলে মানুষের আবেগ-অনুভূতিগুলো অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে যায়। হাসির কোনো সিনেমা দেখলে তা শেষ হয়ে গেলেও মানুষের ঠোঁটের কোনে যেমন হাসি থেকে যায়, তেমনি দুঃখের সিনেমা মানুষের জীবনের না পাওয়ার বেদনাগুলোকে বেশি করে জাগিয়ে দেয়। আর যারা বাইরে মুক্ত মনে এই আবেগগুলোর বহিঃপ্রকাশ করতে পারেন, তারা প্রকৃতপক্ষে ভালো মনের অধিকারী হন এবং ভাল থাকেন।

একনেকে ৮ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন

একনেকে ৮ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পর্যায়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি)’সহ ৮ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৫৫০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৯ হাজার ১৯২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৮৭৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২ হাজার ৪৮৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।

মঙ্গলবার রাজাধানীর শেরে বাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সভায় ৫ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি) এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ৪ হাজার ৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৩ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা সরকার বহন করবে। বাকি ২ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে পাওয়া যাবে। জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০২১ মেয়াদকালে এটি বাস্তবায়িত হবে।

মুস্তাফা কামাল জানান, প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার অধিকতর উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা প্রনয়ণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে প্রকল্প এলাকায় সাইনবোর্ড টানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী একই সাথে চর এলাকায় ভূমিহীনদের জমি বরাদ্দ, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বসতবাড়ী নির্মাণ এবং এর সুবিধাভোগীরা কোথায় চাষাবাদ করবে, এ বিষয়ে পরিকল্পিত পদ্ধতি গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি। গত কয়েক বছরে গ্রামীণ অবকাঠামোখাতে অভাবনীয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সময়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পল্লী এলাকায় অবকাঠামো ডিজাইন তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বলে তিনি জানান।

বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এখন অত্যন্ত চমৎকার বর্ণনা করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি সৌদি পত্রিকায় লেখা হয়েছে- সেখানকার ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চান। তারা কেউ কেউ বাংলাদেশকে সেকেন্ড হোম ভাবছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি সফরের পর সেখানে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

একনেকে অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পসমূহ হলো, জলবায়ু সহনশীল গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্প- এর ব্যয় ধরা হয়েছে, ৪১৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। খুলনা বিভাগ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প- এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৩৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি), মিরপুর সেনানিবাস এর অবকাঠামোগত সুবিধা সম্পসারণ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২১ কোটি ৯ লাখ টাকা। অন্যান্য আবাসিক এলাকার উন্নয়ন (২য় পর্যায়), এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৮৩২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

এছাড়া নাটোর রোড (রুয়েট) হতে রাজশাহী বাইপাস পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প- এর ব্যয় ধরা হয়েছে- ১৩৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। বরিশাল ও সিলেট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং রেঞ্জ রিজার্ভ লাইন নির্মাণ প্রকল্প- এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। পটুয়াখালী-পায়রা ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ প্রকল্প- এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৬ কোটি ১ লাখ টাকা।

একনেক বৈঠকে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যগণ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

কানাইঘাটে মৎস্য অফিসের উদ্যোগে লিপম্যানদের মাঝে সরঞ্জামাদি বিতরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্দ্যোগে ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত লিপম্যানদের মধ্যে মৎস্যজীবিদের সেবা দেওয়ার জন্য আধুনিক মৎস্য সরঞ্জামাদি ও ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার নবাগত উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম এসব সরঞ্জামাদি লিপম্যানদের হাতে তুলে দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম তাহার বক্তব্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য সম্পদের বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ খাতের উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। যার কারনে দিনে দিনে মৎস্য শিল্পের বিকাশ গঠছে। মাছ চাষের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি আমিষেরও চাহিদা পূরণ হচ্ছে। তিনি লিপম্যানদের উদ্দেশ্যে বলেন, যেসকল জিনিষপত্র আপনাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে তার যথাযত ব্যাবহার করে উপজেলার সকল মৎস্যজীবিদের পাশাপাশি যারা পুকুরে যারা মাছ চাষ করেন তাদের মৌলিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে মাছ চাষে আপনারা অবদান রাখবেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা অতিরিক্ত মৎস্য কর্মকর্তা এসএম খালেকুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার আফতাব উদ্দিন, জাতীয় দৈনিক ভোরের পাতার সিলেটের ব্যুারো চীফ জয়নাল আবেদীন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, মৎস্য অফিসের অফিস সহকারী মোঃ হানিফ, অফিস সহায়ক তফজ্জুল হক।

বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ হচ্ছে অস্ট্রিয়ায়

বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ হচ্ছে অস্ট্রিয়ায়

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রিয়ায় ক্ষমতাসীন জোট সরকার প্রকাশ্য স্থানে পুরো মুখ ঢেকে রাখার নিকাব নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে একমত হয়েছে। সরকার বলছে, স্কুল কলেজ, আদালত এরকম জায়গায় নিকাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে শরিক দলগুলো একমত হয়েছে।

এছাড়াও যারা সরকারি চাকরি করেন তাদের মাথায় স্কার্ফ বা হিজাব কিম্বা অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীক পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কথাও সরকার বিবেচনা করছে।

সোশাল ডেমোক্র্যাট ও রক্ষণশীল পিপলস পার্টির মধ্যে কয়েক সপ্তাহ পর এই সমঝোতা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে দেখা হচ্ছে অতি দক্ষিণপন্থী ফ্রিডম পার্টির উত্থানকে প্রতিহত করার চেষ্টা হিসেবে। গত মাসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই দলের প্রার্থী সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হন।

ভবিষ্যতে সরকার কোন পথে এগুবে এই প্রশ্নে অস্ট্রিয়ার জোট সরকার গত সপ্তাহে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিলো।

এর আগে সরকার দেশটিতে বেশ কিছু সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। তারই একটি হলো ইসলামিক নিকাব ও বোরকা নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা।

সরকার বলছে, ‘মুক্ত সমাজের ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর জন্যে প্রয়োজন খোলামেলা যোগাযোগ। প্রকাশ্য স্থানে এরকম পুরো মুখ ঢেকে রাখার পর্দাপ্রথা এর প্রতিবন্ধী আর একারণেই এসব নিষিদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।’

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, অস্ট্রিয়ায় দেড়শো জনের মতো নারী নিকাব পরেন। তবে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এর ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আসা নারী পর্যটকের সংখ্যা কমে যেতে পারে।

সরকারের একজন মুখপাত্র অস্ট্রিয়ার একটি সংবাদপত্রকে বলেছেন, ভিয়েনার কেন্দ্র থেকে শুরু করে স্কি করার জায়গাগুলোতেও এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশেও এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে অস্ট্রিয়ার সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তকে দেখা হচ্ছে প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে।

সরকারের একজন মন্ত্রী সেবাস্টিয়ান কুর্তজ বলেছেন, পুলিশ বাহিনী কিংবা স্কুলের মতো জায়গায় যারা কাজ করেন তাদের নিরপেক্ষ হিসেবে দেখতে পাওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্রান্স ও বেলজিয়াম ২০১১ সালে বুরকা নিষিদ্ধ করেছে। আর একই ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে হল্যান্ডের পার্লামেন্টেও।

জার্মান চ্যান্সেলর আঞ্জেলা মের্কেলও গতমাসে বলেছিলেন, পুরো মুখ ঢেকে রাখার নিকাব তার দেশেও নিষিদ্ধ হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। তিনি জানান, আইনগতভাবে যেখানেই এটি করা সম্ভব সেখানেই তা করা হোক।

ইউরোপের অনেক দেশে এসব নিষিদ্ধ করা হলেও যুক্তরাজ্যে এখনও তা বিবেচনা করা হচ্ছে না।

অস্ট্রিয়ার জোট সরকার আরো যেসব বিষয়ে সম্মত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে সাবেক জিহাদিদের গায়ে ইলেকট্রনিক ট্যাগ না লাগানো এবং বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা কমিয়ে আনা।

সূত্র: বিবিসি

কানাইঘাটে নবাগত ইউএনও'র সাথে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাত


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগমের সাথে তাঁর কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি রেজি নং (৯৬)/৯৩) এর কানাইঘাট শাখার নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাত করে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন। সময় নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম শিক্ষক নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষার মূল ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। এজন্য যাতে করে কোন কোমলমতী শিশু প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয় এবং সরকারের নেওয়া শতভাগ প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের অবিভাবকের দ্বায়িত্ব পালনের আহবান জানান। কানাইঘাটের একটি শিশুও শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয় এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিটি স্কুল পরিদর্শন, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ, অবিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম। সাক্ষাতের সময় উপজেলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির কানাইঘাট শাখার সভাপতি মোঃ নুরুজ্জামান, সিনিয়র সভাপতি আওলাদ হোসেন, সহ সভাপতি আব্দুল মতিন, লায়লা বেগম, সাধারণ সম্পাদক আহমদ হোসেন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত, দপ্তর সম্পাদক বশিরুল হক, শিক্ষক নেতা হারুনুর রশিদ, প্রতাপ চন্দ্র দাশ, সিরিয়া বেগম চৌধুরী, আব্দুল কাহির, আব্দুর রহিম, কামাল আহমদ, খালেদা বেগম ছাড়াও শিক্ষকদের সাথে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার আফতাব উদ্দিন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সকল শূন্য পদ পূরণ ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের পদ পূরণ এবং উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ সহ বিভিন্ন দাবী দাওয়া তুলে ধরলে নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম বলেন, আপনারা উপজেলার শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যান। আমাদের সহযোগিতা শিক্ষক সমাজের জন্য সব সময় অব্যাহত থাকবে।

আ. লীগের উপদেষ্টা পরিষদে মুকুল বোস

আ. লীগের উপদেষ্টা পরিষদে মুকুল বোস

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মুকুল বোসকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। দলের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানানো  হয়।

বার্তায় বলা হয়, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গত বছর ২২ ও ২৩ অক্টোবর  অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মুকুল বোসকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর ৩৮ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদের নাম ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। তবে আরো ৪টি পদ খালি ছিল। এর মধ্যে একটিতে মনোনয়ন দেয়া হলো মুকুল বোসকে।  
সূত্র: বিডিলাইভ ।

২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছে সার্চ কমিটি

২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছে সার্চ কমিটি
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে পাওয়া নামগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন রাষ্ট্রপতি গঠিত সার্চ কমিটির সদস্যরা। ২৮টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে পাওয়া প্রায় ১২৫ টি নাম থেকে ২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছে সার্চ কমিটি। তবে কমিটি রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া নাম প্রকাশ করবে না।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নামগুলো ছয় সদস্যের সার্চ কমিটির কাছে দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা এই নামগুলো যাচাই-বাছাই করতে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ২৮টি রাজনৈতিক দল সার্চ কমিটির কাছে নাম দিয়েছেন। প্রায় ১২৫টি নাম থেকে নিয়ে কমিটি ২০ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছে। তবে কমিটির কাছে জমা দেওয়া নাম প্রকাশ করা হবে না।

কোন দিক বিবেচনা করে সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, সৎ​, যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের তালিকা করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের নামগুলোর মধ্যে সামজস্য রয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর নাম পবিত্র আমানত তাই আমরা প্রকাশ করব না। কমিটির সদস্যরা আবার বসবেন। সার্চ কমিটির সদস্যরা নি​জেদের অনেক নামও এখানে যুক্ত করবেন।

এর আগে সার্চ কমিটি মোট ৩১টি রাজনৈতিক দলের কাছে নাম চেয়ে চিঠি পাঠায়। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ ২৫টি দল পাঁচটি করে নাম জমা দিয়েছে। দুটি দল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদ (রব) চিঠি দিয়ে নাম না দেওয়ার কারণ উল্লেখ করেছে। আর নাম বা কোনো চিঠি দেয়নি এমন চারটি দল হলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ও গণফোরাম।

মাসব্যাপী ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ শুরু কাল

মাসব্যাপী ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ শুরু কাল

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কাল বুধবার থেকে মাসব্যাপি ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭’ শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকাল ৩টায় বাংলা একাডেমি চত্বরে এ গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করবেন। একই সময় তিনি ৪ দিনব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন ২০১৭’র উদ্বোধন এবং ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৬’ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত মীর মশাররফ হোসেনের অমর সৃষ্টি ‘বিষাদ সিন্ধু’র অনুবাদ ‘ওসেন অব সরো’ এবং জার্মানি থেকে প্রকাশিত ‘হানড্রেড পোয়েমস ফ্রম বাংলাদেশ’ গ্রন্থ দু’টি তুলে দেয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত বিদেশী অতিথি থাকবেন চীনের প্রখ্যাত গবেষক ও রবীন্দ্র অনুবাদক ডং ইউ চেন, অস্ট্রিয়ার মেনফ্রেড কোবো, পুয়ের্তোরিকোর লুস মারিয়া লোপেজ ও ভারতের চিন্ময় গুহ। ডং ইউ চেন বাংলায় তার বক্তৃতা প্রদান করবেন।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান এ কথা জানান।

বাংলা একাডেমির আয়োজনে একাডেমির মূলচত্বর ও একাডেমি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ৪ লাখ স্কয়ার ফুট জায়গা নিয়ে গ্রন্থমেলার আযোজন করা হয়েছে উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, এখন পুরো মেলা প্রাঙ্গণে চলছে শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতির কাজ। গ্রন্থমেলার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশকে ১২টি চত্বরে সজ্জিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এবার একাডেমি চত্বরে ৮০টি প্রতিষ্ঠানকে ১১৪টি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৩২৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৪৯টি ইউনিটসহ মোট ৪০৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৬৩টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমিসহ ১৪টি প্রকাশনা সংস্থাকে মোট ৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের ১৫টি প্যাভিলিয়ন দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে একাডেমির ২টি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এছাড়া ১শ’ লিটল ম্যাগাজিনকে বর্ধমান হাউসের দক্ষিণ পাশে লিটল ম্যাগাজিন কর্নারে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিশু কর্ণারকে এবারও বেশ আকর্ষণীয় করে সাজানো হয়েছে উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, ৬০ ইউনিট নিয়ে গড়া পুরো চত্বরটি নানা রঙ বেরঙের লাইটিংয়ে সাজানো হয়েছে। থাকবে শিশুদের জন্য খেলার সামগ্রী। মাসব্যাপী গ্রন্থমেলায় এবারও শুক্র ও শনিবার থাকবে ‘শিশু প্রহর’।

গ্রন্থমেলার বই বিক্রি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বই ৩০% এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ২৫% কমিশনে বই বিক্রি করবে। ক্ষুদ্র প্রকাশনা সংস্থা এবং ব্যক্তি উদ্যোগে যারা বই প্রকাশ করছেন, তাদের বই বিক্রি/প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের স্টলে।

মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করবে উল্লেখ করে শামসুজ্জামান খান জানান, মেলা প্রাঙ্গণ থেকে বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলও মেলার তথ্যাদি প্রতিদিন সরাসরি সম্প্রচার করবে। গ্রন্থমেলার খবর নিয়ে প্রতিদিন বেশ কয়েকটি বুলেটিন প্রকাশিত হবে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রতিদিন মেলার তথ্য প্রচার করবে বলেও তিনি জানান।

গ্রন্থমেলায় টিএসসি, দোয়েল চত্বর দিয়ে দুটো মূল প্রবেশ পথ, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিনটি পথ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বাহিরের আটটি পথ থাকবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এবারই প্রথম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের সুবিধার্থে একটি নতুন সুপ্রশস্ত গেট নির্মাণ করা হয়েছে।

গ্রন্থমেলার প্রবেশ ও বাহিরপথে পর্যাপ্ত সংখ্যক আর্চওয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন, মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থারসমূহের নিরাপত্তাকর্মীবৃন্দ।

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জন্য মেলা এলাকাজুড়ে আড়াইশত ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মেলা প্রাঙ্গণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মেলায় এবার বেশ কিছু নতুন সংযোজনের কথা উল্লেখ করে শামসুজ্জামান খান বলেন, টিএসসি ও দোয়েল চত্বরের মূল প্রবেশ পথে এলইডি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে। এ থেকে মেলা সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে।

শারীরীক প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক মানুষের চলাচলের জন্য ২০টি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবারই প্রথম পাঠক-দর্শনার্থীদের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যোন ও বাংলা একাডেমি উভয় চত্বরে পর্যটনের দু’টি খাবারের স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া শিশু কর্নারে মাতৃদুগ্ধ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চের সেমিনারের অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-রাজনীতি-সমকালীন প্রসঙ্গ এবং বিশিষ্ট বাঙালি মনীষার জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা হবে।

গ্রন্থমেলা ১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে বলে মহাপরিচালক জানান।

অবশেষে হদিস মিললো নিখোঁজ পাকিস্তানি অ্যাক্টিভিস্টদের

অবশেষে হদিস মিললো নিখোঁজ পাকিস্তানি অ্যাক্টিভিস্টদের
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের শুরুতে পাকিস্তানে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ অ্যাক্টিভিস্টের দুইজন প্রথমবারের মতো পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

শনিবার তারা পরিবারকে জানিয়েছেন, তারা নিরাপদ আছেন। নিখোঁজদের পারিবারিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন খবরটি নিশ্চিত করেছে।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগকারী ওই দুই সাংবাদিকের একজন পাকিস্তানি কবি ও শিক্ষাবিদ সালমান হায়দার এবং আরেকজন নানকানার বাসিন্দা আহমেদ রাজা নাসির। তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকার পর শনিবার তারা নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

সালমান হায়দারের ভাই জিসান হায়দার বলেছেন, সালমান নিরাপদ ও সুস্থ আছেন বলে পরিবারকে জানিয়েছেন। এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে ডন জানায়, শিগগিরই পুলিশ জিসান হায়দারের বয়ান নেবে।

এদিকে নাসিরের ভাই তাহিরও ডনকে জানিয়েছেন, তার ভাই নিরাপদ আছেন। তাহির বলেন, ‘ও আমাদের বলেছে চিন্তার কিছু নেই। তবে জানিয়েছে, এখনই বাড়িতে ফিরতে পারছে না।’

জানুয়ারির শুরুর দিকে ওই ৫ পাকিস্তানি অ্যাক্টিভিস্ট নিখোঁজ হন। নিখোঁজ অ্যাকটিভিস্টদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাড়া ফেলে সালমান হায়দারের নিখোঁজের ঘটনা। ফাতিমা জিন্নাহ ইউনিভার্সিটিতে জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে অধ্যাপনা করেন তিনি। মানবাধিকারকর্মী ও সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুতে উর্দু ভাষার প্রতিবাদী একজন কবি হিসেবেও তিনি সুপরিচিত। আর নিখোঁজ অ্যাকটিভিস্ট আহমেদ রাজা নাসির পোলিওতে আক্রান্ত।

বিএনপি-দিশেহারা-হয়ে-গেছে-:হাসান-মাহমুদ

বিএনপি দিশেহারা হয়ে গেছে :হাসান মাহমুদ
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাসান মাহমুদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি যাকে মনে করেছেন সার্চ কমিটিতে তাদের রেখেছেন। সেই সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে কেউ কোনো কথা না তুললেও বিএনপি প্রশ্ন তুলছে। এটাও বিএনপির রাজনৈতিক দৈন্যতা। এতেই বোঝা যায়, বিএনপি দিশেহারা হয়ে গেছে এবং রাজনীতির চোরাবালিতে আটকে আছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সার্চ কমিটি গঠন প্রসঙ্গে হাসান মাহমুদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী সার্চ কমিটি গঠনের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির। রাষ্ট্রপতির ওপর আস্থা আওয়ামী লীগের আছে কোনো নাম দেয়নি। আর বিএনপির কোনো আস্থা নেই বলে তারা সার্চ কমিটি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে নাম দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি জনগণের জন্য রাজনীতি করে না। তারা এখন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনীতি করছে। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা হতাশ হয়ে পড়েছে। এখন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য, সরকারের অগ্রগতি রোধ করার জন্য চক্রান্ত করছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে তারা আবারও আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। তারা আসলে দেশের শান্তি চায় না।’ 
সূত্র: বিডিলাইভ ।

কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর জাতীয় পার্টির আহবায়ক কমিটি অনুমোদন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পার্টি কানাইঘাট উপজেলা ও পৌরসভা শাখার আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সিলেট জেলা জাপার আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী ও সদস্য সচিব মো. উছমান আলীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। সার্জেন্ট (অব.) আলাউদ্দিন মামুনকে আহ্বায়ক ও শামীম আহমদকে সদস্য সচিব করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যরা হলেন- যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান বারাকাত, শাহাব উদ্দিন, ইসলাম উদ্দিন, আবু হাসান ভূইয়া এনাম, মোহাম্মদ আলী, সদস্য আফজল হোসেন, শাহাব উদ্দিন, মঈন উদ্দিন, ফারুক আহমদ, আলতাফ হোসেন, আবুল হোসেন, গিয়াস উদ্দিন, রফিক আহমদ, বিলাল উদ্দিন, নজীর উদ্দিন, ডা. ওলিউর রহমান, নজমূল চৌধুরী, শাহাব উদ্দিন, আলম উদ্দিন, শামীম আহমদ, জাহাঙ্গির আলম, জসিম উদ্দিন বাবলু, হারুন আহমদ, আতাউর রহমান, ইছরাক আলী, ইমাম উদ্দিন, শাহেদ আহমদ, আব্দুল হান্নান, রুমান আহমদ, মঈন উদ্দিন মেম্বার, বাহার উদ্দিন, আব্দুল হান্নান, ফয়েজ আহমদ, আব্দুল মুত্তালিব, আব্দুল মতিন, সামছুর বিডিয়ার, হাজির আলী, ফয়েজুর রহমান, সেলিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, বাহার উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, আব্দুর কাদির, সন্দীপ দাস, শাহেনা বেগম। পৌর কমিটিতে মো. নাজিম উদ্দিনকে আহ্বায়ক ও কামরুজ্জামান কাজলকে সদস্য সচিব করে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যরা হলেন- যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী আব্দুল মালিক, আব্দুল মালিক মাষ্টার, ইসলাম উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, সিরাজ উদ্দিন, সদস্য সোহেল আহমদ, জামাল আহমদ চৌধুরী, হারুন রশিদ, আব্দুল হান্নান, আব্দুর রব, আঙ্গুর মিয়া, হারুন উর রশিদ, মো. মালিক, হাজী আব্দুল হক, নাজমূল হোসেন, এখলাছুর রহমান, শামীম আহমদ, সেবুল আহমদ, হানিফ আলী, সেলিম উদ্দিন, বিলাল আহমদ, জাবের আহমদ নাজমূল হক, আশিদ উদ্দিন, মামুনুর রশিদ, হোসেন আহমদ, শাহাব উদ্দিন, হারুনুর রশিদ, আঙ্গর মিয়া, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল হান্নান (পচা মিয়া)।

চাকরির জন্য সিভি, যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন

চাকরির জন্য সিভি, যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চাকরির জন্য সিভি বা জীবনবৃত্তান্ত লেখার সময় কিছু সাধারণ ভুলের কারণে তা বাতিল হতে পারে। তাই ভুলগুলো যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে মনোযোগী হতে হবে। আজকের লেখায় থাকছে জীবনবৃত্তান্তের তেমনি কিছু সাধারণ ভুল, যা সবারই এড়িয়ে চলা উচিত।

# টাইপিং ভুল
টাইপের সময় অনেকেই ছোটখাটো বানান ভুল করেন। এগুলোকে টাইপো কিংবা যে নামেই ডাকা হোক না কেন, তা মোটেই ভালো নয়। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নজরে যদি আপনার সে বানান ভুলগুলো পড়ে তাহলে চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা হারাবেন, এ কথা চোখ বন্ধ করেই বলা যায়। এছাড়া কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলো বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। আপনার অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রতিটি শব্দ তার নির্দিষ্ট অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

# বিভ্রান্তিকর উদ্দেশ্য
জীবনবৃত্তান্তে অনেকেই উদ্দেশ্য উল্লেখ করে দেন। যদি আপনি লিখে দেন যে ‘আমি একটি চ্যালেঞ্জিং চাকরি খুঁজছি’, তা নিয়োগকর্তার পছন্দ নাও হতে পারে। কারণ আপনার চ্যালেঞ্জিং কাজ তার যদি আর্থিক লাভ এনে না দেয় তাহলে তিনি এতে আগ্রহী হবেন না। এছাড়া কিছু শব্দ বা বাক্য রয়েছে যা সবাই ব্যবহার করে। এ ধরনের শব্দ বা বাক্য বাদ দেয়াই ভালো।

# অতিরিক্ত বড় জীবনবৃত্তান্ত
জীবনবৃত্তান্তের আকার কখনোই এত বড় হওয়া উচিত নয়, যা পড়তে নিয়োগকর্তা বিরক্ত হন। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, প্রতিটি জীবনবৃত্তান্ত পড়ার জন্য অল্প কয়েক সেকেন্ডই বরাদ্দ রাখেন তারা। আর তাই সাধারণ একটি জীবনবৃত্তান্তের আকার দুই পাতার বেশি হওয়া উচিত নয়। আপনার যদি বাড়তি বহু গুণ থাকে তাহলে অবশ্য তা বড় হতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে আপনার মনে রাখতে হবে, কোনোভাবেই বাড়তি তথ্য দিয়ে তাদের বিরক্ত করা উচিত নয়।

#অতিরঞ্জিত তথ্য
আপনার সঠিক তথ্যটিই জীবন-বৃত্তান্তে লিখুন। অতিরঞ্জিত তথ্য সহজেই নিয়োগকর্তা ধরে ফেলবেন। আর এতে যোগ্যতা থাকার পরও আপনার চাকরির সম্ভাবনা নষ্ট হবে।

# সাধারণভাবে সাজানো
জীবনবৃত্তান্তে কখনোই কোনো কঠিন ফরম্যাট ব্যবহার করা উচিত নয়। এর লেখার আকার যেমন পাঠযোগ্য হবে, তেমনি তা মানসম্মত হওয়াও জরুরি। এটি চোখের সামনে মেললেই তা পড়তে ও বুঝতে পারা যায়। এর সৌন্দর্য বাড়ানোর চেয়ে এটি যেন পাঠযোগ্য হয়, সে বিষয়টিই সবার আগে নজরে রাখতে হবে।

# অন্যের তথ্যের কপি-পেস্ট নয়
জীবনবৃত্তান্তে আপনার নিজের তথ্যগুলোই নিজের ভাষায় তুলে ধরুন। অন্য কেউ যদি বড় কোনো জীবনবৃত্তান্ত দেয় তাহলেই যে তা ভালো এমন নয়। আপনার নিজের তথ্য ছাড়া অন্যের তথ্য দিয়ে চাকরিক্ষেত্রে সুবিধা হবে না। তাই শুধু নিজের তথ্য দিয়ে কিছুটা ছোট হলেও মানসম্মত জীবনবৃত্তান্ত বানান।

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২ ফেব্রুয়ারি

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২ ফেব্রুয়ারি
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে ২ মার্চ পর্যন্ত। এছাড়া ব্যাবহারিক পরীক্ষা ৪ মার্চ থেকে শুরু হয়ে চলবে ১১ মার্চ পর্যন্ত।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘এবারের পরীক্ষায় মোট ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০১ জন এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৭৬ হাজার ১১২ জন।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৬ সালের তুলনায় এবছর এক লাখ ৩৫ হাজার ৯০ জন শিক্ষার্থী বেশি পরীক্ষা দেবেন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা বেড়েছে ৬৭ হাজার ৫৬৮ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা বেড়েছে ৬৭ হাজার ৫২২ জন।

এবার আটটি সাধারণ বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষাথীর সংখ্যা ১৪ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৬০১ জন এবং কারিগরি ভোকেশনাল ১ লাখ ৪ হাজার ২১২ জন রয়েছে। এছাড় বিদেশি আটটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪৪৬ জন্য পরীক্ষাথী রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, অন্যান্যবারের মতো এবারও প্রতিবন্ধীসহ অন্যান্যরা ২০ মিনিট অতিরিক্ত সময় পাবে।

অভিভাবকদের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে নজরদারি থাকবে মনিটরিং কমিটির।‘

প্রতিবছর ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এবছর ওইদিন সরস্বতী পূজার কারণে এবার ২ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।

সময়সূচি অনুযায়ী, ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৪ মার্চ  ব্যবহারিক পরীক্ষা ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে।

অন্যান্য বছরের মতো এবারও সকালের পরীক্ষা ১০ থেকে ১টা এবং বিকালের পরীক্ষা ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীকৈ খাতা দেওয়া হবে পরীক্ষার আধাঘণ্টা আগে। ফলাফল প্রকাশ করা হবে ৬০ দিনের মধ্যে।

বাঁহাতি মানুষদের যেসব তথ্য আপনার অজানা

বাঁহাতি মানুষদের যেসব তথ্য আপনার অজানা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: যেসব মানুষ বাঁ-হাতের থেকে ডান হাত দিয়ে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে তাদেরকে বাঁহাতি বলা হয়। বাঁহাতি মানুষদের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য রয়েছে যা অনেকেরই অজানা। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু তথ্য। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ব্রাইট সাইড।

# বিশ্বে বাঁহাতি মানুষদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ।
# বাঁহাতি নারীর তুলনায় বাঁহাতি পুরুষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।
# বাঁহাতিদের অন্য মানুষের তুলনায় আইকিউ সামান্য বেশি। বুদ্ধিমত্তা ও আইকিউ বিষয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান মেনসার হিসাবে তাদের ২০ শতাংশ মানুষ বাঁহাতি।

# বহু বাঁহাতি মানুষেরই সঙ্গীত বাজানোর অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে। এছাড়া তাদের শ্রবণশক্তিও অত্যন্ত ভালো।
# বক্সিং প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাদের স্বর্ণপদক বিজয়ীদের মাঝে ৪০ শতাংশই বাঁহাতি।
# উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাঁহাতিরা অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া বাঁহাতিরা অন্যদের তুলনায় ২৬ শতাংশ ধনী হয়ে থাকে।

# যে বাবা-মায়ের উভয়েই বাঁহাতি, তাদের সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ।
# বাঁহাতি মানুষদের সঙ্গে ডানহাতিদের পছন্দেরও কিছু অমিল রয়েছে। যেমন ওয়্যার-বাউন্ড নোটবুক বাঁহাতিদের বেশি অপছন্দ করতে দেখা যায়।
# বাঁহাতিরা বহু ধরনের প্রণোদনায় ভালো কাজ করে। এমনকি তারা ভিডিও গেমেও দক্ষ হয়ে থাকে।

# বয়স বাড়লে নারীদের জন্ম দেয়া শিশুর বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
# ডানহাতিদের তুলনায় বাঁহাতিরা চার থেকে পাঁচ মাস পরে তাদের বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছায়।
# বাঁহাতিরা ডানহাতিদের তুলনায় বেশি তাদের অন্য হাতটি ব্যবহার করে। কম্পিউটারের মাউস ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এটি দেখা যায়।
# অ্যাপলের ম্যাকবুক তৈরির টিমের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজনই ছিলেন বাঁহাতি।

লাদাখ ভ্রমণ; নৈসর্গিক প্রকৃতির সাথে মেলামেশা

লাদাখ ভ্রমণ; নৈসর্গিক প্রকৃতির সাথে মেলামেশা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এবার ভিসা করিয়েছি আগরতলা বর্ডার দিয়ে। আমার বাসা থেকে চার ঘণ্টায় আখাউড়া দিয়ে আগরতলা যাওয়া যায়। একেবারে ফাঁকা ইমিগ্রেশন। কোন চাপ নেই বরং ইমিগ্রেশন আর কাস্টমসের লোকজন বসে থাকে, খুঁজে নিয়ে আসতে হয় কাজ করানোর জন্য যেখানে বেনাপোল মানেই মানুষ আর মানুষ। ঢাকা থেকে আগরতলাও তিন ঘণ্টার বেশী লাগার কথা না।

বর্ডার পার হলেই আগরতলা শহর, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী। ছোট, সুন্দর, উন্নত শহর। শহর থেকে ১৪ কিমি দূরে বাংলাদেশের সীমান্ত ছুঁয়ে রয়েছে আগরতলা বিমানবন্দর। এখান থেকে সমস্ত ভারতের সাথে বিমান যোগাযোগ রয়েছে। তবে যেখানেই যান না কেন হয় কলকাতা বা গৌহাটি হয়ে যেতে হবেই। মজার বিষয় হল আগরতলা থেকে কলকাতার বিমান পাবেন ১৮০০ রুপির মধ্যে আর গৌহাটির ১৩০০ রুপির মধ্যেই এবং যেখানেই যাবেন বাংলাদেশের উপর দিয়েই উড়ে যেতে হবে।

আমার গন্তব্য ছিল লেহ, জম্মু ও কাশ্মীরের লাদাখ রাজ্যের রাজধানী লেহ। কাশ্মীরের দুইটা অংশ, একটা হল শ্রীনগর অংশ যা সবুজ কাশ্মীর, আর এই লাদাখ কাশ্মীর হল সাদা কাশ্মীর। দিল্লী থেকে আরও ৬০০ কিমি উত্তরে, চীন আর পাকিস্তানের সীমান্ত ছুঁয়ে একেবারে। কলকাতা অনেকবার যাওয়া হয়েছে বিধায় আমার দিল্লী হয়ে লেহ যাওয়ার ফ্লাইট নেই গৌহাটি হয়ে। আগরতলা থেকে প্রথমে যাই গৌহাটি, সময় লাগে মাত্র ৪০ মিনিট। সেখান থেকে আমার পরের ফ্লাইট ৪ ঘন্টা পর দিল্লীতে। মাঝে বের হয়ে দুই ঘণ্টায় গৌহাটি শহরটা একটু ঘুরে আসি এবং পরের ফ্লাইটে দিল্লী যাই। দিল্লী রাতে থেকে পরের দিন সকালের ফ্লাইটে ১ ঘন্টায় লেহ গিয়ে নামি। এই দিল্লি-লেহ ফ্লাইট এক বিশাল অভিজ্ঞতা, চণ্ডীগড় পার হবার পর বিমান সিমলা, মানালি, এবং হিমালয় পর্বত মালার উপর দিয়ে উড়ে যায়। নিচে তাকালে শুধু ন্যাড়া পর্বত আর গ্লেসিয়ার চোখে ভাসে।

লেহ বিমানবন্দরটা সমতল থেকে ৩৫০০ মিটার উচ্চতায়। নামার পর এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা হয়। এই উচ্চতার বাতাসে অক্সিজেন অনেক কম থাকে ফলে অনেক ধরণের শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এর জন্য বলা হয়ে থাকে প্রথমদিন পরিপূর্ণ বিশ্রাম নিয়ে শরীরকে এই উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেবার জন্য। লেহ বিমানবন্দর চারদিকে পাহাড় ঘেরা, নামার সময় এক অন্যরকম অনুভুতি হয়। পাশেই রয়েছে সেই বিখ্যাত সিন্ধু নদ। এই নদের উপর দিয়েই উড়ে ছোট বিমানবন্দরে নামতে হয়। চারদিকের পাহাড়গুলো পাথরের নয় কাদার।

শহরটা খুব সুন্দর। মানুষজন বেশীরভাগ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী, কিছু মুসলমান আছে অবশ্য। সবাই শিক্ষিত এবং খুবই সৎ। শহরে আপেল বিক্রি হয় আলু, কপির সাথে। ডলার ভাংগানো যায়, তবে রেট কলকাতা বা দিল্লীর চেয়ে কম।

লাদাখ ভ্রমণের পরামর্শ-
১। সবচেয়ে ভাল সময় মে থেকে অক্টোবর। অন্য সময় গেলে ঠান্ডা মোকাবেলা করতে জীবন শেষ হয়ে যাবে, কিছু দেখা যাবে না এবং অফ টাইমে ৯০% হোটেল বন্ধ থাকে, ফলে থাকা ও খাওয়া নিয়ে সমস্যা হবে।

২। কলকাতা থেকে সহজেই ট্রেনে বা বিমানে দিল্লী যাওয়া যায় ৪৫০০ টকার মধ্যে, আর আগরতলা থেকেও বিমানে এমনই লাগবে। বরং আগরতলা থেকে বিমানে যাওয়াই ভাল। অনেক সময় ও শক্তি বাঁচে। দিল্লী থেকে ৬০০০/৭০০০ টাকার মধ্যে রিটার্ন ফ্লাইট পাওয়া যায়। অবশ্য টিকেট আগেই কেটে রাখতে হবে।

৩। আপনার হাতে যদি সময় থাকে ও একটু অ্যাডভাঞ্চারাস হন তাহলে আপনি হিমাচল প্রদেশের মানালি বা কাশ্মীরের শ্রীনগর থেকে সড়ক পথে যাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে অন্তত ৪৮০ কি. মি. জার্নি করার মত মানসিক ও শারীরিক শক্তি থাকতে হবে। তবে, এই গ্যারান্টি দিতে পারি যে এটাই হবে আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ। এতে আপনাকে বেশ কয়েকটা ৫০০০ মিটার+ উঁচু মাস পার হয়ে যেতে হবে। তবে এই রুট খোলা থাকে বছরে মাত্র ছয় মাস। মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত।

৪। লাদাখ বিশাল রাজ্য। সবটা দেখতে অন্তত ১০ দিন লাগবে। তবে লাদাখ গেলে অবশ্যই পাঙ্গন লেক, নুব্রা ভ্যালি, ও খারদুংলা পাস দেখতে হবে। লেহ শহর থেকে ট্যাক্সি পাওয়া যায়, ভাড়া সরকারী ভাবেই ফিক্স করা আছে। তবে অবশ্যই এই তিনটা জায়গা ভ্রমণের জন্য আগে থেকে বা অন্তত আগের দিন পাস করে নিতে হবে।

৫। মোবাইলের সিম পাওয়া যায়না কাশ্মীরে। তাই হোটেলের ওয়াইফাই, বা বাজারের সাইবার ক্যাফেই ভরসা।

৬। লাদাখ ভ্রমণের জন্য সুস্থ দেহ থাকা জরুরী। বিমানবন্দরে নেমে অবশ্যই ফরেনারদের জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণ করে, নিরাপত্তার জন্য যাবতীর নির্দেশনা জেনে, মেনে চলতে হবে। নয়তো একজনের জন্য সমস্ত দলের ট্যুর এলোমেলো হয়ে যাবে।

৭। তবে সময় ও সামর্থ্য থাকলে সবচেয়ে ভাল প্ল্যান হল বিমানে লাদাখ যেয়ে ,ট্যাক্সিতে শ্রীনগর হয়ে আবার শ্রীনগর থেকে বিমানে ফিরে আসা।

লিখেছেন: ওয়াহিদ ইমন,
এক্সিকিউটিভ অফিসার
যমুনা ব্যাংক লিমিটেড।

কানাইঘাটে নতুন ইউএনও তাহসিনা বেগমের যোগদান


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাটে নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাহসিনা বেগম আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিকেল ৪টায় তাঁর কার্যালয়ে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে তিনি এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। সাক্ষাতকালে বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপজেলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর সাথে মত বিনিময় করেন। মতবিনিময় কালে লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা, বাল্য বিবাহ রোধ ও প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন সহ সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। নবাগত ইউএনও তাহসিনা বেগম এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমান, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন,সিনিয়র সদস্য ও কানাইঘাট কমিউনিটি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুন নুর, আলা উদ্দিন আলাই, আমিনুল ইসলাম, শাহীন আহমদ, মাহফুজ সিদ্দিকী, সুজন চন্দ অনুপ।

কানাইঘাট বড়চতুল হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান সম্পন্ন


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষার্থীরা হচ্ছে দেশ ও জাতির সম্পদ। শিক্ষার উন্নয়ন ঘটলে একটি এলাকার পরিবর্তন, আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব। এজন্য শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের আলোকিত মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সমাজ হৈতশী ব্যক্তিবর্গকে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া এবং পরীক্ষায় ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য মানসিক ভাবে তৈরি হতে হবে। আশিক চৌধুরী গতকাল সোমবার সকাল ১১টায় কানাইঘাট বড়চতুল হাই স্কুলের ২০১৭ইং সনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ এবং বিধায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আলমাছ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক রেজাউল করিম রাজুর পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ৫নং বড়চতুল ইউপির চেয়ারম্যান মাওঃ আবুল হোসেন চতুলী, জেলা পরিষদের ১৫নং ওয়ার্ডের নব নির্বাচিত সদস্য হাজী আলমাছ উদ্দিন, বড়চতুল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হামিদুল হক, উপজেলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল লতিফ চৌধুরী, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বড়চতুল ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার ওলিউর রহমান, সদস্য কামাল উদ্দিন, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আফতাব উদ্দিন, সদস্য ওলিউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ বেলাল আহমদ, সহকারী শিক্ষক রশিদ আহমদ, হুমায়ুন কবির চৌধুরী রাসেল, শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুহিনুর চৌধুরী তান্নি, আলমগীর হোসাইন, লায়েক আহমদ প্রমুখ। বড়চতুল স্কুলের নানা সমস্যার কথা ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষক মন্ডলী তুলে ধরলে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ স্কুলের উন্নয়নে সরকারী ভাবে আর্থিক ভাবে অনুদানের আশ্বাস প্রদান করেন।

সবচেয়ে কম বয়সী হাফেজ সুহাইমা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৭ বছরেরও কম বয়সে পবিত্র কুরআনুল কারিম হিফজ সম্পন্ন করেছে শিশু আয়েশা সিদ্দিকা সুহাইমা। হাফেজ আয়িশা সিদ্দিকা সুহাইমার বয়স মাত্র ৬ বছর ৮ মাস। হাফেজা আয়িশা সিদ্দিকা সুহাইমার পিতা-মাতার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান রাজধানীর টিকাটুলীর মারকাজুল হাফেজা ইন্টারন্যাশনালের ছাত্রী ছিল সে। পিতার মাতার নিবিড় তত্ত্বাবধানে অল্প বয়সেই পবিত্র কুরআন হিফজ করতে সক্ষম হয় সে। হাফেজ আয়িশা সিদ্দিকা সুহাইমার বাবা কারী সালামাতুল্লাহ এ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং মা হাফেজ আবিদা সুলতানা এ মাদরাসার শিক্ষিক। তাদের গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী থানার মুন্সিরডেইল গ্রামের। উল্লেখ্য যে, পিতা-মাতার নিয়মিত তত্ত্বাবধানে সে অল্প বয়সে কুরআনুল কারিম হিফজ করতে সক্ষম হয়েছে। এ মাদরাসা থেকে এ বছর ৮ জন ছাত্রী হিফজ সম্পন্ন করেছে। আগামী ৩১ মার্চ জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হবে। হাফেজ আয়িশা সিদ্দিকা সুহাইমা সবার দোয়া প্রার্থী। আল্লাহ তাআলা এ ক্ষুধে হাফেজকে কুরআনের খেদমতে কুবল করুন। কুরআনের বাণী মানুষের নিকট পৌছে দেয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সাংবাদিক বেলালের মুক্তির দাবীতে জৈন্তাপুরে মানববন্ধন

Kanaighat News on Sunday, January 29, 2017 | 10:01 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার বেলাল এর নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে সিলেটের জৈন্তাপুরে মানববন্ধন পালিত হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তরা অভিলম্বে মিথ্যা মামলা হতে সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার বেলাল এর নিঃশর্ত মুক্তি দাবী এবং মিথ্যা মামলা হতে অভ্যাহতি দানের জোর দাবী জানান। রবিবার দুপুর ২টায় জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে জৈন্তাপুর বাজারে মানববন্ধন পালিত হয়। জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলামের পরিচালনায় এবং সভাপতি ফয়েজ আহমদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহেদ আহমদ, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, জৈন্তিয়া ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য কুতুব উদ্দিন, নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইয়াহিয়া আহমদ, জৈন্তাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, এ্যাডভোটেব আলতাফুর রহমান, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, বৃহত্তর জৈন্তা ইলেকট্রনিক মিডিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি মো. হুমায়ুন আহমদ, সাধারণ সম্পাক এস.এম রাজু, চ্যানেল এস ও মিলেনিয়াম টিভির কানাইঘাট উপজেলা প্রতিনিধি আলিম উদ্দিন আলিম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, দৈনিক ভোরের পাতার ব্যারো প্রধান জয়নাল আবেদীন, সবুজ সিলেট প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম, জালালবাদ পত্রিকার প্রতিনিধি শাহীন আহমদ, দরবস্ত বাজার সমিতির সদস্য কবির আহমদ, জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ময়নুল মুরসালিন রুহেল, সাধারণ সম্পাদক মো. রেজওয়ান করিম সাব্বির। ব্যবসায়ী তানবীর আহমদ শাহীন, সাব্বির আহমদ, আব্দুল মন্নান মনাই, সেলিম আহমদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা মিরন মিয়া, জসিম উদ্দিন, ফরিদ আহমদ, আব্দুর রকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, করিম মহমুদ লিমন, সদস্য শাহ আলম, আবু সালাম আজাদ, মিনহাজ মির্জা। মনসুর আলম, সালমান এফ রহমান, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আব্দুল হালিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মো. হানিফ, মো. দেলোয়ার হোসেন, মীর সুয়েব আহমদ, শাহজাহান কবির খাঁন, জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল¬াহ আল মাসুম, প্রকাশনা সম্পাদব শোয়েব উদ্দিন, সদস্য আবু নাঈম ইকবাল, আব্দুল¬াহ আল মনসুর, রাশেল মাহফুজ। বক্তরা বলেন- ২০১৫ সনের সিলেট তামাবিল মহা সড়কে গাড়ী পোড়ানোর মামলায় গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই কোন এক ব্যক্তির ইশারায় জৈন্তাপুর উপজেলার নিরিহ সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার বেলাল কে জড়িয়ে মামলা রেকর্ড করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে জৈন্তাপুর গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও কোম্পনীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব সমুহ তার তীব্র নিন্ধ ও প্রতিবাদ জানান। গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম.এ হাই তৎকালীন সময়ে বেলালকে এই মামলার চার্জশীট হতে বাধ দেওয়ার আশ্বাসদেয়। কিন্তু পরবর্তিতে তথা কথিত এক নেতার ইশারায় সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার বেলালকে চার্জ শীটে নাম অধিভূক্ত করে এজাহার ভূক্ত আসামী করে। তার পরেও জেলা পুলিশ সুপারের বরাবরে আমরা আবেদন জানাই। পরিশেষে বাধ্য হয়ে আমরা গোলাম সারওয়ার বেলালকে আদালতে আত্মসমর্থন করি। আমাদের দাবী অভিলম্বে গোলাম সারওয়ার বেলালকে নিঃর্শত মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর সিলেট জেলার সকল পর্যায়ের সাংবাদিকদের নিয়ে আন্ধোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে বক্তারা বলেন। আগামী ১লা ফেব্রয়ারী ২০১৭ ইংরেজী সকাল সাড়ে ১১ ঘটিকার সময় সিলেট কেন্দ্রিয় শহিদ মিনার সিলেটে মানববন্ধন পালনের কর্মসূচী আহবান করা হয়। সেই মানববন্ধন কর্মসূচীতে সিলেট বিভাগের সকল পর্যায়ের সাংবাদিক ভাইদের উপস্থিতি থাকার আহবান করা হয়।

কানাইঘাটে ৯ জুয়াড়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত ৯ জুয়াড়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। থানার এসআই জুনেদ আহমদ রবিবার ভোর রাত ৪টার দিকে এক অভিযান চালিয়ে উপজেলার ১নং লক্ষীপ্রসাদ ইউপির ডাউকেরগুল গ্রামের একটি টিলায় সংঘবদ্ধ জোয়াড়ী চক্র টাকার বিনিময়ে জোয়া খেলার সময় সেখানে অভিযান চালিয়ে ৯জন জোয়াড়ীকে আটক করেন। পরে আটককৃত জোয়াড়ীদের রবিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ১ম শ্রেণির ম্যাজিষ্ট্রেট তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া কার্যালয়ে হাজির করলে তিনি প্রত্যেক জোয়াড়ীকে নগদ ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা আদায় করে মুচলেখার মাধ্যমে ছেড়ে দেন। জোয়াড়ীরা হল উপজেলার ডেয়াটিলা গ্রামের নুর হোসেনের পুত্র শরিফ উদ্দিন (২৩), মেছা গ্রামের রফিক উদ্দিনের পুত্র শাহাব উদ্দিন (২৬), চরিপাড়া গ্রামের আসকর আলীর পুত্র সালেহ আহমদ (২৫) একই গ্রামের মৃত ফয়জুল হকের পুত্র শিবলু মিয়া, ডাউকেরগুল গ্রামের লাল মিয়ার পুত্র জামাল উদ্দিন (৩০), ডেয়াটিলা গ্রামের ছানু মিয়ার পুত্র সেলিম উদ্দিন (২০) একই গ্রামের আব্দুন নুরের পুত্র আলতাফ উদ্দিন (২৪), বিলাল আহমদ (২০)।

কানাইঘাটে জাপা নেতার বাড়ীতে চুরির ঘটনায় দুইজন গ্রেফতার


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির কান্দলা গ্রামের বিশিষ্ট পাথর ব্যবসায়ী জাপা নেতা বিলাল আহমদের বসত বাড়ীতে গত শুক্রবার রাতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার দায়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ দুই চোরকে গ্রেফতার করেছে। গত শনিবার রাতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম মুলাগুল নয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে জকিগঞ্জ উপজেলার নয়াগ্রামের কামাল উদ্দিন (২০) এবং কানাইঘাট উপজেলার সতিপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য এবাদ উদ্দিনের পুত্র হোসেন আহমদ (৩৫) কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা জাপা নেতা বিলাল আহমদের বসত ঘরে চুরির ঘটনা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। জানা যায় গত শুক্রবার গভীর রাতে ব্যবসায়ী বিলাল আহমদ সিলেট অবস্থান করলে তার পাকা বসত ঘরে চোরেরা ডুকে নগদ ৪ লক্ষ ২ হাজার টাকা সহ আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি শনিবার গ্রেফতারকৃত দু’জন সহ চার জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। সম্প্রতি লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপিতে আরো ৩টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা কান্দলা গ্রামের ইকবাল হোসেনের একটি মোটর সাইকেল, একই গ্রামের শাহাব উদ্দিনের নগদ টাকা পয়সা ও গিয়াস উদ্দিনের একটি হালের বলদ চুরি করে নিয়ে যায়।

কানাইঘাটে অমর ২১'শে ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট ৫ ফেব্রুয়ারী

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
কানাইঘাট পৌর ছাত্র ও যুব সমাজ কর্তৃক  আয়োজিত অমর ২১'শে ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট আগামী ৫ ফেব্রুয়ারী  রোজ রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ ঘটিকার সময় কানাইঘাট ডাকবাংলো সংলগ্ন মাঠে খেলার উদ্বোধনী অনুষ্টান শুরু হবে ।
খেলায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে রয়েছে ১ টি ল্যাপটপ দ্বিতীয়,পুরস্কার ২ টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল  সেট এবং প্রত্যেক খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ প্রদান করা হবে।(বিজ্ঞপ্তি)

বিশ্বের দ্বিতীয় উঁচু মিনারের মসজিদ তৈরি হচ্ছে টাঙ্গাইলে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের দ্বিতীয় উঁচু মিনারবিশিষ্ট মসজিদ তৈরি হচ্ছে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে। মসজিদটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। বিশ্ব মসজিদের ইতিহাসে জায়গা নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করে গিনেস রেকর্ড বুকে নাম লেখাবে নির্মাণাধীন ঐতিহাসিক এ মসজিদটি। বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনারটি মরক্কোর কাসাব্লাংকায় দ্বিতীয় হাসান মসজিদে অবস্থিত। এর উচ্চতা ৬৮৯ ফুট (২১০ মিটার), যা ৬০ তলা ভবনের সমান। তবে এটি ইটের তৈরি নয়। ভারতের দিলি্লর কুতুব মিনার বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু, ইটের তৈরি মিনার। এটির উচ্চতা ৭৩ মিটার বা ২৪০ ফুট। ৩৭৯টি সিঁড়ি রয়েছে এতে। মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে মসজিদটি নির্মিত হচ্ছে। ২০১ গম্বুজ মসজিদের পাশেই ইটের তৈরি ৪৫১ ফুট উচ্চতার (১৩৮ মিটার, ৫৭ তলা উচ্চতা সমান) বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মিনারটি হবে বিশ্বের সবচাইতে উঁচু মিনার। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা সদর থেকে সাত কিলোমিটার পশ্চিমে ঝিনাই নদীর তীরে অবস্থিত সুদৃশ্য এ মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি। কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের মা রিজিয়া খাতুন। আশা করা হচ্ছে, ২০১৭ সালের মধ্যে মসজিদের বাকি কাজ শেষ হবে এবং ২০১৮ সালের প্রথম দিকে পবিত্র কাবা শরিফের ইমামের ইমামতির মাধ্যমে মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ স্ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের ভাই নির্মাণাধীন এ মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক মো. হুমায়ুন কবির জানান, নির্মাণাধীন অবস্থাতেই এই ২০১ গম্বুজ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় শুরু হয়েছে। প্রায় ১৫ বিঘা জমির ওপর এ মসজিদ কমপ্লেক্সে থাকবে অত্যাধুনিক সব সুবিধা। মিহরাবের দুই পাশে লাশ রাখার জন্য হিমাগার তৈরি করা হবে। পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হওয়ার পরও মসজিদটিতে শতাধিক ফ্যান লাগানো হবে। মসজিদের ছাদের মাঝখানে থাকবে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি বড় গম্বুজ, এর চারদিকে থাকবে ১৭ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট ২০০টি গম্বুজ। মূল মসজিদের চার কোণে থাকছে ১০১ ফুট উচ্চতার চারটি মিনার। পাশাপাশি থাকবে ৮১ ফুট উচ্চতার আরও চারটি মিনার। ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪৪ ফুট প্রস্থের দ্বিতল মসজিদটিতে নামাজ আদায় করতে পারবেন একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি। দেয়ালের টাইলসে অঙ্কিত থাকবে ৩০ পারা পবিত্র কোরআন শরীফ। যে কেউ বসে বা দাঁড়িয়ে মসজিদের দেয়ালের কোরআন শরীফ পড়তে পারবেন। আর মসজিদের প্রধান দরজা তৈরিতে ব্যবহার করা হবে ৫০ মণ পিতল। আজান প্রচারের জন্য মসজিদের দক্ষিণ পাশে নির্মাণ করা হবে উঁচু মিনারটি। উচ্চতার হিসেবে মিনারটি হবে প্রায় ৫৭ তলার সমান অর্থাৎ ৪৫১ ফুট। মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে নির্মাণ করা হচ্ছে পৃথক দুটি পাঁচতলা ভবন। সেখানে থাকবে দুস্থ নারীদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। মসজিদের উত্তর-পশ্চিম পাশে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জন্য। পশ্চিমের ঝিনাই নদীর তীর থেকে এ মসজিদ পর্যন্ত সিঁড়ি করা হবে, একটি সেতু নির্মাণ করা হবে নদীর ওপর। চারপাশে থাকবে দেশি-বিদেশি ফুলের বাগান। হুমায়ুন কবির আরও জানান, টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা সদর থেকে সাত কিলোমিটার পশ্চিমে ঝিনাই নদীর তীরে অবস্থিত সুদৃশ্য এ মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি। কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের মা রিজিয়া খাতুন। ২০১৭ সালের শেষ দিকে এর নির্মাণকাজ শেষ হবে এবং ২০১৮ সালের প্রথম দিকে পবিত্র কাবা শরীফের ইমামের ইমামতির মাধ্যমে মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে দুটি হেলিপ্যাড। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, শৈল্পিক স্থাপনা হিসেবে এ মসজিদটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের প্রতীক হবে।’

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী সেই ভ্যান জাদুঘরে

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী সেই ভ্যান জাদুঘরে

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভ্যানে ঘোরানো চালক মো. ইমাম শেখের (১৭) চাকরি হচ্ছে বিমানবাহিনীতে।

আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট শেখ মো. মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

আরো জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী যে ভ্যানটিতে করে ঘুরেছেন, সেটা জাদুঘরে নেয়া হয়েছে। এ জন্য ভ্যানটি উপযুক্ত দাম দিয়ে কিনে নিয়েছে বিমানবাহিনী।

আজ বেলা ১১টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মো. মোহাম্মদ আবদুল্লাহসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের উপস্থিতিতে যশোর বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার মো. হারুনুর রশিদ ও দেলোয়ার হোসেন চালক ইমাম শেখকে গাড়িতে করে যশোরের উদ্দেশে রওনা দেন। বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে তাকে নেয়ার কথা রয়েছে।

শেখ মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিমানবাহিনীর এক কর্মকর্তা গতকাল রাতে আমাকে ফোন দিয়েছিলেন। তিনি ইমাম শেখকে রেডি থাকতে বলেছিলেন। আজ সকালে কর্মকর্তাদের কাছে তাকে তুলে দেয়া হলো। যোগ্যতা অনুসারে তাকে চাকরি দেয়া হবে।’

গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে হারিয়ে যান শৈশবের মধুর স্মৃতিবিজড়িত দিনগুলোতে। একটি সাধারণ রিকশাভ্যানে করে সরকারপ্রধান ঘুরে বেড়ান কুয়াশামাখা গ্রামের পথে।

ভ্যানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার বোন শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, তার স্ত্রী পেপি সিদ্দিক, তাদের মেয়ে লিলা তুলি সিদ্দিক ও ছেলে কায়াস মুজিব সিদ্দিক। কায়াস মুজিবকে কোলে নিয়ে শেখ হাসিনা গ্রামের বিভিন্ন স্থানে ভ্যান থামিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
সূত্র : এনটিভি

এমকে আনোয়ার-বুলুসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

এমকে আনোয়ার-বুলুসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার ও বরকত উল্লাহ বুলুসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রাজধানীর ওয়ারী থানায় নাশকতার ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের এক মামলায় হাজির না হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন।

রোববার এ মামলায় তাদের হাজির হওয়ার কথা থাকলেও কেউ আদালতে আসেননি। যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, এমকে অানোয়ার, বরকত উল্লাহ বুলু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শিরিন সুলতানা, আজিজুল বারী হেলাল।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল জানান, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে হরতাল-অবরোধ চলাকালে নাশকতার ঘটনায় এ মামলা দায়ের করে পুলিশ। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগপত্র দেয়।

এতে এমকে আনোয়ারসহ বিএনপির ৩৪ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। আসামিদের মধ্যে ১৭ জন আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের পলাতক দেখিয়ে রোরবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

সূত্র: সমকাল

কানাইঘাটে পরিবার পরিকল্পনা মাঠ কর্মচারীদের মানববন্ধন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ও পরিবার কল্যাণ সহকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা উন্নীতকরণসহ নিয়োগবিধি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা মাঠ কর্মচারী সমিতি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলা শাখা। আজ রবিবার সকাল ১১টায় কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সামনে প্রাঙ্গনে কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসাবে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা মাঠ কর্মচারী সিলেট জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক মো: মুজিবুর রহমান, উপজেলা শাখার মো:হুসেন আহমদ,আবিদুর রহমান,অর্পনা চক্রবর্তী , বাসন্তী দেবী, পারভীন বেগম, ফেরদৌস বেগম, শবনম বেগম ও রেহানা বেগম প্রমুখ।।

চুল ঘন করার সহজ উপায়


চুল ঘন করার সহজ উপায়
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ঘন আর সুন্দর চুলের আকাঙ্ক্ষা থাকে সবারই। কিছু সহজ উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে চুল সহজেই ঘন করে তোলা সম্ভব। চলুন তবে জেনে নেই-

# ডিম হচ্ছে প্রাকৃতিক প্রোটিন, যা চুলকে ঘন করতে সাহায্য করে। একটি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে ভালো ভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। তারপর পরিষ্কার চুলে সরাসরি হাত অথবা ব্রাশের সাহায্যে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত লাগাতে হবে। ডিম দিতে গেলে অনেকে চুল জট বেঁধে এলোমেলো হয়ে যায় বলে এড়িয়ে যান। চুলে ডিমের সাদা অংশ লাগানোর পর একটি মোটা দাঁতের চিরুনির সাহায্যে সাবধানে চুল আঁচড়ে নিন। তারপর হালকা ঝুটি করে নিন বা শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। ২০-৩০ মিনিট রেখে নরমাল পানিতে চুল ধুয়ে নিন এবং শ্যাম্পু করুন। যেদিন ডিম দেবেন সেদিন আর আলাদা করে কন্ডিশনার দেবার প্রয়োজন হবেনা।

# যেসব জায়গায় চুল বেশি পাতলা, পেঁয়াজ কেটে ঘষলে সেই অঞ্চলের ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ে, ফলে তা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। আপনার হেয়ার ফলিকল এর কোনও অংশ ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে নিয়মিত ব্যবহারে তা সারিয়ে তোলে। যাদের চুল পাতলা তারা সপ্তাহে ২-৩ দিন ১০-১২ মিনিটের জন্য মাথার তালুতে পেঁয়াজ ঘষে ব্যবহার করলে কিছুদিনের মধ্যেই ফল পাবেন।

# অ্যালোভেরার জেল বের করে নিন, ৪ চামচ মধুর সাথে মিক্স করে সরাসরি চুলে এবং মাথার তালুতে লাগিয়ে ফেলুন। চাইলে এর সাথে কোনও ট্রিটমেন্ট ক্রিমও যোগ করতে পারেন। চুল ঘন করার সাথে সাথে এটি আপনার চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করবে।

কানাইঘাটের মাশহুদ ২১দিনে কোরআনে হাফিজ হলো


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কাজীটুলাস্থ মারকাযু শায়খিল ইসলাম আল-আমিন মাদরাসার ছাত্র মাশহুদ হোসাইন মাদরাসায় ভর্তির ২১দিনের মধ্যে কোরআন শরিফ ৩০পারা হিফজ করে কোরআনে হাফিজ হলো। হাফিজ মাশহুদ হোসাইনের জন্ম ২০০৬ সালের পহেলা মার্চ,সে কানাইঘাট উপজেলার উত্তর লক্ষীপ্রসাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখা পড়া করে। তার পিতা আব্দুর রহিম ও একজন হাফিজে কোরআন।২০১৬ইং সালে প্রাইমারী সমাপনী পরীক্ষায় এ গ্রেডে উর্ত্তীন হয় । সেই ফাকে মা-বাবার অনুপ্রেরনায় কানাইঘাট থেকে সিলেট কাজীটুলাস্থ মারকাযু শায়খিল ইসলাম মাদরাসায় গত ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৬ইং১২ই রবিউল আউয়াল মঙ্গলবার ভর্তি হয়। গত ৪ জানুয়ারী বুধবার ৫ রবিউস সানি মোট ২৩দিন এর মধ্যে এর মধ্যে ২দিন সিলেট ইজতেমা থাকায় সে সেখানে অবস্থান করে পুনরায় কোরআন শরীফ হিফজ শুরু করে। এবং মহান সৃষ্টি কর্তার অশেষ মেহেরবানীতে ২১দিনে ৩০পারা কোরআন শরীফ হিফজ সম্পন্ন করে মাশহুদ কোরআনে হাফিজ হয়। গত ৬ জানুয়ারী তারই সম্মানে অত্র মাদরাসার মসজিদে এক দোয়ার আয়োজন করা হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মারকাযু শায়খিল ইসলাম আল-আমিন মাদরাসার মুহতামিম, আল আমিন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং জামেয়া হোসাইনিয়া ইসলামীয়া ঝেরঝেরি পারা মাদরাসার  মুহাদ্দিছ মাও:মুফতি রাশেদ আহমদ। শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাফিজ আব্দুল কাইয়ুম,মাওলানা শাব্বীর আহমদ,মাও: আনোয়ার হোসেন খানঁ,হাফিজ মাও: সাইফুল আলম, মাও: আমিনুল হক ও কারী আব্দুল হাকিম এবং নয়াসড়ক মাদরাসার শিক্ষক হাফিজ মাওলানা জমির উদ্দিন,এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি আল আমিন জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি ও অত্র মাদরাসার সভাপতি আলহাজ্ব মহসিন আহমদ চৌধুরী উমরাহ হজ্ব পালনে দেশের বাহিরে থাকায় তার ছোট ভাই আলহাজ্ব নাছিম আহমদ চৌধুরী, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব নুরুল আলম চৌধুরী,নুরুল ইসলাম,মোক্তার হোসেন,জাহাঙ্গীর হোসেন, হাফিজ মশহুদ হোসাইনের পিতা আব্দুর রহীম একজন হাফিজ তিনি তার ছেলের জন্য দোয়া চেয়েছেন। এদিকে শনিবার সিলেট আলীয়া মাঠে অনুষ্ঠিত বিশ্বসেরা হাফিজ ক্বারীদের তেলাওয়াত সম্মেলনে কিশোর বালক মাশহুদ পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন। এসময় হাজার হাজার জনতা তাকে একনজর দেখার জন্য ভিড় জমান। অনেকেই নগদ টাকা পুরস্কার প্রদান করেন। ইমাম সমিতির আহবানে এই কিশোর হাফেজে কোরআনের উচ্চ শিক্ষালাভের জন্য যাবতীয় ব্যায়ভার গ্রহন করেছেন একজন।

আমাদের কি খ্রিষ্টান হওয়া উচিত?



কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্পের দায়িত্বগ্রহণের একেবারে প্রথম দিকে মুসলিম শরণার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। নতুন মার্কিন কমান্ডার ইন চিফ ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর এবার সেই পথেই হাঁটতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

 গত ২০ জানুয়ারি শপথের দিন বক্তৃতায় পৃথিবী থেকে ‘মৌলবাদী ইসলামি সন্ত্রাসী’ নির্মূলের অঙ্গীকার করেন তিনি।  

শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। অভিবাসন সীমিত করতে নির্বাহী আদেশে সই করেছেন তিনি। ওই আদেশে বলা হয়েছে, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া ও ইয়েমেনের শরণার্থীরা তিন মাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া সিরীয় শরণার্থীরা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবে না।

ট্রাম্পের ওই নির্বাহী আদেশের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিমরা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এদের অনেকেই বলছেন, তারা মার্কিন এ নিষেধাজ্ঞায় বিস্মিত নন।

সুদানের ৩৬ বছর বয়সী রাজনীতিক ও কার্টুনিস্ট খালিদ আল-বাইহ বার্তাসংস্থা এপিকে বলেন, কেউ বিস্মিত নয়; তবে প্রত্যেকেই হতাশ। বিশেষ করে বারাক ওবামার সময়ে দেখা স্বপ্ন নিয়ে। আমেরিকার নতুন এই ভিসা নীতির প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তিনি বলেন, আমেরিকা যা করে, পুরো বিশ্ব তা অনুসরণ করে।

সিরিয়ার রাজধানী দামাসকাসের বাসিন্দা শাদি সাব্বাগের (৪০) এক বোন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী সীমিত করতে ট্রাম্পের প্রস্তাবকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে মন্তব্য করেছেন শাদি। তিনি বলেন, আমেরিকা অভিবাসীদের একটি জাতি এবং কেউ কখনোই অভিবাসন নিষিদ্ধ করতে পারেনি। যদি কিছু মুসলিম ভুল কাজ করে তাহলে এতে আমার অপরাধ কী? এ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য কি আমার খ্রিষ্টান হওয়া উচিত?

ইরাকি পার্লামেন্টের শিয়া সদস্য আব্বাস আল-বায়াতি বলেছেন, অভিবাসন সীমিতকরণ ইরাকিদের কাছে ভুলবার্তা দেবে। আর এটি এমন করা হচ্ছে যখন ইরাকের উত্তরাঞ্চলের মসুলে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে ইরাকি বাহিনীকে সমর্থন করছে মার্কিন বাহিনী।

আল বায়াতি বলেন, ইরাক এবং যুক্তরাষ্ট্র সব সময় জোর দিয়ে বলছে, ‘তারা মিত্র’। কিন্তু ইরাকে গণতন্ত্র রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। দুই দেশের ভালোর জন্য তিনি ট্রাম্প প্রশাসনকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

ইরাকের এমপি মজিদ চেনকালি বলেন, মার্কিনিদের জন্য একই ধরনের ভিসা নীতি চালু করে ইরাকের জবাব দেয়া উচিত। এটি হওয়া উচিত; চোখের বিনিময়ে চোখ।

মিসরের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নোবেল বিজয়ী মোহাম্মদ আল বারাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে দেয়া এক টুইটে বলেছেন, আমাদের যে মর্যাদা আছে তা বোঝানোর জন্য কী সেখানে কোনো আরবীয় কর্মকাণ্ড দেখা যাবে?

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদ ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে দেশটিতে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০ লাখ মানুষ সিরিয়া থেকে পালিয়েছে। এদের অনেকেই প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে বাঁচার লড়াই করছে। এছাড়া অনেকের আত্মীয়-স্বজন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।


ট্রাম্প সাত দেশের মুসলিমদের জন্য ভিসা অভিবাসন বন্ধের ঘোষণা দিলেও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য বিশেষ বিবেচনার দ্বার খোলা রেখেছেন। তিনি বলেন, খ্রিষ্টান ও সংখ্যালঘুদের প্রাধান্য দেয়া হবে।

শরণার্থী মানবাধিকার সংস্থাগুলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিবাসন সীমিতকরণের পদক্ষেপে নিন্দা জানিয়েছে। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংখ্যালঘুরা ভোগান্তিতে পড়তে পারেন বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

আরব-আমেরিকান ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট জেমস জগবি; যিনি একজন খ্রিষ্টান। বিভিন্ন দেশের সংখ্যালঘু খ্রিষ্টানদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পক্ষপাতমূলক এই সিদ্ধান্তের কারণে সংখ্যালঘু খ্রিষ্টানরা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে।

সূত্র : এপি, রয়টার্স, বিবিসি।

হিজাবের কারণে মার্কিন বিমানবালাকে লাথি

হিজাবের কারণে মার্কিন বিমানবালাকে লাথি
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সারাবিশ্বে মুসলমান নারীদের পর্দার কারণে হেনস্থা যেন নিত্যদিনকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার এই একই কারণে হেনস্থা হতে হয়েছে এক মার্কিন বিমানবালাকে। বুধবার নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ডেল্টা এয়ারলাইন্সের নারী বিমানবালা রাবেয়া খান নিয়ম মাফিক অফিসে বসে ছিলেন। হঠাৎই তার ওপর চড়াও হয় বছর ৫৭ বছর বয়সের রবিন রোডস।

জানা গেছে, প্রথমে রবিন দরজায় ধাক্কা দিতে থাকে। আর চিৎকার করে বলতে থাকে, ''আপনি কি ঘুমোচ্ছেন? আপনি কি প্রার্থনা করছেন?‌ কী করছেন ভিতরে বসে?‌'' এই প্রশ্নের সঙ্গে সঙ্গেই চলতে থাকে দরজায় ধাক্কা মারা। এমন সময় রাবেয়া রবিনকে প্রশ্ন করেন, ''আমি কী করেছি?''

এর জবাবে রবিন বলেন, ''কিছুই না, তবু আপনাকে আমি লাথি মারব''। বলেই রাবেয়ার পিছনের পায়ে সজোরে লাথি মারে সে। বেশ কয়েকটা লাথি দিয়ে দেওয়ার পর রাবেয়া যাতে পালাতে না পারে, সেই জন্য সে রাস্তাও আটকে রাখে।

আর এ সময় রবিন চিৎকার করে বলতে থাকে, ''সাবধান মুসলিমরা, সাবধান আইএসআইএস। এখন ক্ষমতায় রয়েছেন ট্রাম্প। জঙ্গিদের হাতে থেকে মুক্তি দিতে তিনিই যথেষ্ট। জার্মানি, ফ্রান্স বা বেলজিয়ামে গিয়ে থাকবেন এরা। আমেরিকায় নয়।''

যদিও গোটা ঘটনার পরপরই গ্রেফতার করা হয় রবিনকে। একাধিক ধারায় মামলাও দায়ের করা হয় তার বিরুদ্ধে।

পাবনায় বন্দুক যুদ্ধে একজন নিহত

পাবনায় বন্দুক যুদ্ধে একজন নিহত

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পাবনায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুক যুদ্ধে শরিফ হোসেন (২৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার গাছপাড়া এলাকায়। শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের সুতিরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পাবনার পুলিশ সুপার (এসপি) জিহাদুল কবির এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, কয়েক দিন আগে পুলিশের ওপর গুলি করার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের একজন হচ্ছেন শরিফ।

এ ব্যাপারে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ওই এলাকায় ‌সন্ত্রাসীরা বৈঠক করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে পুলিশ সেখানে শরিফের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।


তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি শর্টগান, চাপাতি এবং রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। এতে পুলিশের দুই থেকে তিন জন সদস্য আহত হয়েছে। 
সূত্র: বিডিলাইভ ।

একটি ডিমে ৫টি কুসুম!

একটি ডিমে ৫টি কুসুম!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: একটা ডিমে ৫টি কুসুম! এমন নজির কখনও দেখেছেন না শুনেছেন! চিনের হুবেই প্রদেশের এমএস তাও নামে এক ভদ্রমহিলা সাক্ষী থাকলেন সেই বিরলতম ঘটনার।

ওমলেট করার জন্য ডিম ফাটিয়ে যখন পাত্রে ফেলেন চক্ষু ছানাবড়া তার। একটা-দুটো নয় একেবার পাঁচ পাঁচটা কুসুম! প্রত্যেকটাই অক্ষত এবং স্বতন্ত্র। তাও এবং তার ৮০ বছরের বৃদ্ধা মা-র তো সেই দেখে ভিড়মি খাওয়ার অবস্থা।

তাও জানান, স্থানীয় বাজার থেকেই কিনে এনেছিলেন এই ডিম। আর পাঁচটা ডিমের মতোই দেখতে। প্রত্যেকটি ডিমের কুসুম ছিল প্রায় ১.৫ সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধের।

সত্যি কি এটি মুরগির ডিম ছিল? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

হুজহং এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটির ফুড সায়েন্স এবং প্রযুক্তি বিদ্যার প্রফেসর জিন গুয়োফেং বলেন, ''একটি ডিমের মধ্যে দু’টি কুসুম প্রায়ই দেখা যায়। কিন্তু একটি ডিমের পাঁচটি কুসুম একেবারেই বিরল ঘটনা।''

তার মতে, ''এটি মুরগির এক ধরনের ডিজঅর্ডার বলা যেতে পারে।'' কিন্তু এই ডিমের কুসুম যে চোখ বুজে খেতে পারেন, সে আশ্বাসও দেন প্রফেসর গুয়োফেং। ২০১৫ সালে ব্রিটেনে জ্যান লং নামে এক মহিলা একাধিক কুসুম খুঁজে পান একটি ডিমের ভিতর। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কুসুমের সংখ্যা ছিল চারটি।



পাঁচটি কুসুম পেয়ে তাও-এর পরিবার কিন্তু বেজায় খুশি। এই ঘটনাকে নতুন চিনা বছরে তাদের পরিবারে সমৃদ্ধি আসার লক্ষণ হিসাবে দেখছেন তারা। চিনা সোশ্যাল মেসেঞ্জার উইচ্যাটে আপলোড করার পর ভাইরাল হয়ে ওঠে এই ছবি। আগামী ২৮ তারিখ চিনা নববর্ষ। তাও জানিয়েছেন, পাঁচ কুসুমের ভাজা খেয়ে চিনা নববর্ষ পালন করবেন।

সাউথ্যাম্পটনের বিপক্ষে আর্সেনালের গোল উৎসব

সাউথ্যাম্পটনের বিপক্ষে আর্সেনালের গোল উৎসব

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: থিও ওয়ালকটের দারুণ হ্যাটট্রিকে সাউথ্যাম্পটনকে ৫-০ গোলে হারিয়ে এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে উঠেছে আর্সেনাল।  জোড়া গোল করেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড ড্যানি ওয়েলবেক।

পঞ্চদশ মিনিটে লুকাজ পেরেসের বাড়ানো বলে লক্ষ্যভেদ করেন ওয়েলবেক। সাত মিনিট পর ডি-বক্সের মধ্যে থেকেই দারুণ শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।

৩৬তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ওয়ালকট। ৬৯তম মিনিটে আলেক্সিস সানচেসের বাড়ানো বল ডি-বক্সের মধ্যে থেকে ডান পায়ের শটে আবারো লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। আর ৮৪তম মিনিটে নীচু শটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি। এই গোলেও অবদান ছিল চিলির স্ট্রাইকার

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে ডিএসসিসি

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে ডিএসসিসি

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এই প্রকল্পের নাম হচ্ছে ‘রিফিউজ ডিরাইভড ফুয়েল’ বা ‘প্রত্যাখ্যাত উদ্ভূত জ্বালানি’। ‘প্রত্যাখ্যাত উদ্ভুত জ্বালানি’ শীর্ষক প্রকল্পে ব্যয় হবে ৭৪৯ কোটি টাকা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী (বর্জ্য) আ হ ম আব্দুল্লাহ হারুণের বরাত দিয়ে বাসসের প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়েছে, রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় এ প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেজন্যে রাজধানীর মাতুয়াইলে ডিএসসিসির নিজস্ব স্থানে বড় ধরনের একটি ফায়ার প্লেস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে দু্ইটি ফায়ার প্লেস থাকবে। একটিতে সাধারণ বর্জ্য এবং অন্যটিতে ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য পোড়ানো হবে।

তিনি বলেন, সাধারণ বর্জ্য পুড়িয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মূল বর্জ্যে নিয়ে আসা হবে। ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য পোড়ানোর পর যে নির্যাস থাকবে তা দিয়ে কয়লা জাতীয় দ্রব্য উৎপাদন করা হবে। ব্যবহৃত হবে ‘প্রত্যাখ্যান উদ্ভূত জ্বালানি’ হিসেবে। এ দ্রব্য (ল্যান্ড ফিল ওয়েসটেজ) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বড় বড় ইট ভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ঢাকা দক্ষিণের বর্জ্য দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ মেগাওয়াট এবং পরবর্তীতে ৪০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।

আব্দুল্লাহ হারুণ বলেন, বর্জ্য শোধনের নতুন এ প্রকল্পটি দেশে একেবারেই প্রথম। উন্নত বিশ্বে এ প্রকল্পের অনেক চাহিদা রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থা দেখে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান এতে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে।

তিনি জানান, উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (পিডিবি) দিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে পিডিবির মাধ্যমে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিদ্যুৎ চাহিদা পুরণে ব্যবহার করা হবে।

ডিএসসিসির এ কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পের আওতায় স্থাপন করা ফায়ার প্লেসে আগুনের তাপমাত্রা যদি ১৮০০ সেন্টিগ্রেট হয় তাহলে বর্জ্যে আর উচ্ছিষ্ট থাকবে না। তবে সিটি কর্পোরেশন ৬০০ থেকে ৮০০ সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রার প্ল্যান্ট বসাতে চায়। এতে পরিবেশ দূষণের কোনো সম্ভাবনা নেই। অনেকটা ইট ভাটার আদলেই প্রকল্পটি সম্পন্ন হবে। দূষিত ধোঁয়া নিঃসরণের জন্য একটি সুউচ্চ চিমনি থাকবে।

চলতি বছর ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থার পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় দৈনিক উৎপাদিত সাড়ে ৩ হাজার টন বর্জ্যের মধ্যে কোনো না কোনোভাবে ১৬০০ টন বর্জ্যই থেকে যাচ্ছে। দৈনিক ১৯০০ টন করে বর্জ্য সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব বর্জ্য ল্যান্ড ফিল মাতুয়াইলে ফেলা হচ্ছে। এতে ভরাট হয়ে যাচ্ছে ওই মাঠটি। এক বছর পর আর বর্জ্য ফেলার স্থান পাওয়া যাবে না। আর যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ১৬০০ টন বর্জ্য ডিএসসিসি এলাকার বিভিন্ন ডোবা-নালা এবং নদী-খালে গিয়ে ভরাট হচ্ছে। এভাবে এলাকার পরিবেশও মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।

ডিএসসিসির কর্মকর্তারা জানান, উদ্বুত পরিস্থিতি সামাল দিতে সনাতন পদ্ধতি ছেড়ে এবার নতুন করে বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাই নতুন করে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের নাম হচ্ছে ‘রিফিউজ ডিরাইভড ফুয়েল’ বা ‘প্রত্যাখ্যাত উদ্ভূত জ্বালানি’।

প্রকল্পের মাধ্যমে নগরী থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হবে। সংগ্রহ করা বর্জ্য চলে আসবে মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশে। এতে বিদ্যুৎ কিংবা কয়লা জাতীয় দ্রব্য উৎপাদন হবে; যা দিয়ে জ্বালানীর চাহিদা মিটবে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে মাতুয়াইল ল্যান্ড ফিল্ড ভরে যাওয়ায় নতুন করে ৮১ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। এর মধ্যে ৫০ একর হবে বর্জ্য ডাম্পিং এবং ৩১ একর বার্ন প্লান্ট বা ফায়ার প্লেসের জন্য। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫১৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে জমি অধিগ্রহণের জন্য।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটি এখন একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত কাজ শুরু করবে ডিএসসিসি।

ডিএসসিসি সূত্র জানায়, ২০১৫ সালে ডিএসসিসি মোট আবর্জনা অপসারণ করে ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৯৮৪ টন। সে হিসাবে দৈনিক আবর্জনা অপসারণের গড় ১৮০০ টন। আর ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবর্জনা অপসারণ করেছে ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৩ টন। সেই হিসাবে দৈনিক আবর্জনা অপসারণের গড় ১৯০০ টনের কিছু বেশি। গত এক বছরে ডিএসসিসির আবর্জনা অপসারণ বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০০ টনের কিছু বেশি।

নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ডিএসসিসি গত বছর ৫৭০০ মিনি ডাস্টবিন স্থাপন করে। কিছুদিন যেতে না যেতেই অধিকাংশ বিন ভেঙে গেছে, কিছু চুরি হয়ে গেছে। এসব মিনি ডাস্টবিন নষ্ট হওয়ার পর আর পুনঃস্থাপন করা হচ্ছে না।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩