বিশ্বমানের হচ্ছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

Kanaighat News on Monday, October 31, 2016 | 11:24 PM

বিশ্বমানের হচ্ছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানাকে বিশ্বমানে রূপ দিতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আগামী ৩ নভেম্বর মালয়েশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে। ফলে বদলে যাবে জাতীয় চিড়িয়াখানার স্বরূপ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় চিড়িয়াখানাকে বিশ্বমানের রূপ দিতে মহাপরিকল্পনা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী নতুন করে কেনা হচ্ছে তিন শতাধিক বিদেশি প্রাণী ও পাখি। যোগ করা হচ্ছে নানান সুযোগ-সুবিধা। দর্শকের জন্য রাখা হচ্ছে ভাসমান হোটেল, যেখানে বসে বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ থাকবে। আরও থাকবে নাইট সাফারি।

সূত্র জানায়, কয়েক দিন আগেই চিড়িয়াখানাকে ঢেলে সাজানোর এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, চলতি বছরের ২০ এপ্রিল চিড়িয়াখানায় কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হয়। তাতে নতুন করে তিন শতাধিক প্রাণী ও পাখি সংগ্রহে একটি কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন পায়। বৈঠকের পর মহাপরিকল্পনার একটি খসড়া অনুমোদনের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ওই প্রস্তাবটি গতকাল অনুমোদন পেয়েছে। ফলে কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন প্রাণী ও পাখি সরবরাহে দরপত্র আহ্বান করা হবে।

জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর এস এম নজরুল ইসলাম জানান, চিড়িয়াখানায় এরই মধ্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের দুটি ফুড সেন্টার চালু করা হয়েছে। এই সেন্টার থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে দর্শনার্থীরা কেনাকাটা করতে পারছেন। এ ছাড়া দর্শক বিনোদনের জন্য নির্মাণ করা হবে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। প্রাণী ও পাখি কেনার অংশ হিসেবে ৯ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে বিদেশি প্রাণী ও পাখি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মহাপরিকল্পনা অনুমোদন পাওয়ায় আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজার থেকে ৩১৪টি প্রাণী ও পাখি সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ২৬ প্রজাতির ১১৪টি দুষ্প্রাপ্য প্রাণী ও পাখি সংগ্রহ করা হবে। এর সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৮১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে লাল বানর, গণ্ডার, উটপাখি, আফ্রিকান সিংহ, সাদা সিংহ, চিত্রা হায়েনা, সাদা পেলিকান পাখি, ধূসর পেলিকান পাখি, সারস, কেশোয়ারী পাখি কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। কোন কোন দেশ থেকে এসব প্রাণী ও পাখি আসবে, তা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঠিক করবে। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় ১৩ প্রজাতির ২০০ প্রাণী ও পাখি সংগ্রহ করা হবে। ভোঁদড়, গোখরা সাপ, লাউডগা সাপ, দাঁড়াশ সাপ, সোনালি সাপ, লাল মুনিয়া পাখি, হোয়াইট পিঙ্ক কবুতর, আঁচিল মুরগি, ময়না, হলুদ টিয়া, তিতির কেনা হবে।

সূত্রমতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রাণী সংগ্রহ না করা এবং বয়স্ক প্রাণীগুলো মারা যাওয়ায় চিড়িয়াখানার কিছু খাঁচা খালি হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে প্রাণীপুষ্টি কর্মকর্তা আবু সাঈদ কামাল বাচ্চু বলেন, কিছু প্রাণীর সঙ্গী মারা যাওয়ায় এগুলো একা হয়ে গেছে। নতুন প্রাণী আসার পর সেগুলো জুটি খুঁজে পাবে। এর আগে ২০১২ সালে ১০ কোটি টাকায় প্রাণী কেনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বরাদ্দ মিলেছিল সাড়ে ৭ কোটি টাকা। ওই টাকা দিয়ে ২৭০টি প্রাণী সংগ্রহের কথা থাকলেও সাড়ে ৫ কোটি টাকায় ৩০ প্রজাতির ২৩০টি প্রাণী সংগ্রহ করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে জাতীয় চিড়িয়াখানায় বিভিন্ন ধরনের ২ হাজারের বেশি প্রাণী ও পাখি রয়েছে। এর মধ্যে আছে ১০ প্রজাতির ৪০টি মাংসাশী প্রাণী। তৃণভোজী প্রাণী আছে ২৩ প্রজাতির ২২১টি। ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ আছে ২৫ প্রজাতির ২৪৭টি। পাখি আছে ৫৬ প্রজাতির ১০৬টি। ফিশ অ্যাকোরিয়ামে আছে ২৩ প্রজাতির ৮০১টি দেশি-বিদেশি মাছ।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

হিলারি-ট্রাম্প: মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধান

হিলারি-ট্রাম্প: মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধান

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আর বেশি সময় নেই। এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন এবং রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে বেশ কয়েকবারই জরিপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত সব জরিপেই এগিয়ে আছেন হিলারি। তবে এবার একটু বেকায়দায় পড়তে যাচ্ছেন হিলারি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর বাকি আট দিন। কিন্তু হঠাৎ করেই মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের ফাটানো বোমায় বেশ বেকায়দায় পড়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন। সংস্থাটি তার ইমেইল বিতর্ক নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে নির্বাচনেও।

রবিবার এবিসি নিউজ/ওয়াশিংটন পোস্টের ওই জরিপে দেখা গেছে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্পের চেয়ে মাত্র এক পয়েন্টে এগিয়ে আছেন হিলারি। জরিপে হিলারির পক্ষে রায় দিয়েছেন ৪৬ শতাংশ মানুষ আর ট্রাম্পের পক্ষে রায় দিয়েছেন ৪৫ শতাংশ মানুষ। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার মাত্র ৯ দিন আগে জরিপটি প্রকাশ করা হলো।

তিনটি টেলিভিশন বিতর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পেছনে ফেলে এগিয়ে ছিলেন হিলারি। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একের পর এক নারী যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন। কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু হিলারির বিরুদ্ধে নতুন করে ইমেল বিতর্কের তদন্ত যেন নির্বাচনী হাওয়াটাই বদলে দিচ্ছে।

শুধু বোলিং নয়, ব্যাটিংয়েও প্রতিভা দেখাবো: মিরাজ

শুধু বোলিং নয়, ব্যাটিংয়েও প্রতিভা দেখাবো: মিরাজ
কানাইঘাট নিউজি ডেস্ক: ইংল্যান্ডের সাথে দুটি টেস্টের ২য় টেস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিলো আগামীকাল মঙ্গলবার। তবে টাইগারদের অসাধারণ বোলিংয়ে ২ দিন আগেই শেষ হয়েছে শেষ টেস্ট। আর বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৮ রানের বিশাল জয় পেয়েছে। সে কারণে আজ বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিলো টাইগাররা। অন্যদিকে গল্ফ খেলে নিজেদের সময় কাটিয়েছেন ইংলিশ ক্রিকেটাররা।

সোমবার হােটেল র‍্যাডিসন থেকে বাড়ির পথ ধরা মেহেদি হাসান মিরাজ একটি বেশীই খুশি। এটি মুখে না বললেও তার উজ্জল মুখমন্ডল তাই বলে দিচ্ছে।

বাড়ির পথ ধরা মিরাজ হোটেল লবিতে সাংবাদিকদের জানান, শুধুমাত্র বোলিং নয় সামনের দিনগুলোতে ব্যাটিংয়েও নিজের প্রতিভা দেখাবেন।

মিরাজ বলেন, অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে আমি চারটা ফিফটি করেছিলাম। আসলে সবাই জানে আমি ব্যাটিংও পারি। তবে এখানে এসে মানিয়ে নিতে খানিকটা কষ্ট হয়েছে। কারণ আমি যে সময় ব্যাটিংয়ে নেমেছিলাম সে সময় একটা প্রেসার ছিল। তাছাড়া বিশ্বের বড় বড় বোলাররা ছিল, খেলাটা ধরতে পারি নাই।

সিনিয়র খেলোয়াড় আর কোচদের পরামর্শের বিষয়ে মিরাজ বলেন, বর্তমানে আমার ব্যাটিংয়ের যে ছোট ছোট ভুলগুলো রয়েছে সেগুলো শোধরাতে সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলছেন ঠিক হয়ে যাবে, তুই তো ব্যাটিং পারিস। আর ব্যাটিং কোচ সামাবীরা ও হেড কোচ হাথুরুসিংহেও আমার ব্যাটিং উন্নতির বিষয় নিয়ে কাজ করবেন।

বোলিং নিয়ে মিরাজ বলেন, বোলিং ভালো হচ্ছে, পারফর্ম করছি তবে ব্যাটিংটা ভালো হলে আরো ভালো লাগবে।

অসাধারণ পারফরমেন্স নিয়ে মিরাজ বলেন, আসলে জিতলে ভালো লাগে, বাংলাদেশ জিতেছে এর চেয়ে বড় আনন্দের কিছু নেই। বাংলাদেশের জয়ে নিজেকে মেলে ধরেছি এটাই আনন্দ, তবে বড় আনন্দ বাংলাদেশের জয়।

দুই টেস্ট সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে ১২৯ বছরের পুরানো রেকর্ড ভেঙ্গেছেন মিরাজ। নিজের রেকর্ড নিয়ে মিরাজ বলেন, আমার বন্ধুরা আমাকে রেকর্ডের কথা বলেছে, এছাড়া আমিও বিভিন্ন অনলাইনে দেখেছি তবে বাংলাদেশ জিতেছে এর চাইতে বড় কিছু নেই।

তার সম্পর্কে কোচ হাথুরুসিংহের উক্তি নিয়ে মিরাজ বলেন, হাথু খুব খুশী হয়েছে, আমাদের এখন শুধু নিজেদের দেশের মাটিতে ভালো খেললে চলবে না, বিদেশেও ভালো খেলতে হবে। তাই তিনি বিদেশে ভালো খেলার ব্যাপারে আমাদের বলেছেন। আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে এমন জয়ে হাথুরুসিংহেও মনে করেন আমরা টেস্টে অনেক ভালো টিম। আমরা শুধু দেশে নয়, বিদেশের মাটিতেও দেশকে জয় এনে দিতে পারব।

চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে প্রথম দিনই পাঁচ উইকেট তুলে আগমন বার্তা জানিয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার। পরের ইনিংসে আরো এক উইকেট। আর ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ছয় উইকেটসহ দুই ইনিংসে নিয়েছেন ১২ উইকেট। তার স্পিনের নীল বিষে কুপোকাত ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা।

এতো কিছু অর্জন আর দেশের জয়ের পর মিরাজের বাবা মা কি বললেন তাদের পুত্রকে। মিরাজ বলেন, আমার বাবা মা অনেক খুশী, আমার বাবা মা বলেছেন মিরাজ এখন শুধু আমারদের সন্তান নয়, পুরো ষোল কোটি বাঙ্গালীর সন্তান।

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু কাল, পরীক্ষার্থী ২৪ লাখ

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু কাল, পরীক্ষার্থী ২৪ লাখ

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কাল মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল (জেডিসি) পরীক্ষা- ২০১৬।

এ বছর ২৮ হাজার ৭৬১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ২৪ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

মোট ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৩০৩জন জেএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৫ জন ছেলে এবং ১০ লাখ ৭৫ হাজার ২২৮জন মেয়ে। অন্যদিকে, ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৪৭২জন জেডিসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৭৫ হাজার ২২৮জন ছাত্র এবং ১ লাখ ৯৯ হাজার ২৪৪জন ছাত্রী।

এছাড়াও, বিদেশের ৮টি কেন্দ্র থেকে ৬৮১ জন শিক্ষার্থী এবারের জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
 
এর আগে, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, বিগত বছরের তুলনায় এবছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৮৬ হাজার ৮৪২জন।

তিনি আরও বলেন, 'জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থী ০১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে এবং ১৭ নভেম্বর শেষ হবে। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হবে।'

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলা দ্বিতীয়পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র ব্যতিত জেএসসি ও জেডিসি পর্যায়ের সকল বিষয়ের পরীক্ষা সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে।

সাকিব আমাকে বাসায় প্রতিদিন এভাবেই স্যালুট দেয় : শিশির

Kanaighat News on Sunday, October 30, 2016 | 9:18 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বেন স্টোকসকে আউট করেই সটান দাঁড়িয়ে গেলেন সাকিব আল হাসান। একেবারে মিলিটারি কমান্ডে- সোজা হও ভঙিতে। কপালে হাত ঠেকিয়ে মিলিটারি ঢংয়ে স্টোকসকে স্যালুট করে বিদায় জানিয়ে দিলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। আর সাকিবের সেই স্যালুটের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করে তার স্ত্রী উম্মে আল হাসান শিশির খুনসুটি করে লিখেন, ও আমাকে বাসায় প্রতিদিন এভাবেই স্যালুট দেয়। ইংল্যান্ডের বাংলাদেশ সফর শুরু থেকেই বিভিন্নভাবে আক্রমণাত্মক মেজাজ প্রকাশ করতে থাকেন বেন স্টোকস। ওয়ানডে

কানাইঘাট দারুল উলুম মাদ্রাসার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ! অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন


নিজস্ব প্রতিবেদক: অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ মান্নান এমপির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় বিদ্যাপীঠ কানাইঘাট দারুল উলূম দারুল হাদিস মাদ্রাসার সীমানার পাকা বাউন্ডারী ওয়ালের কাজের ভিত্তি প্রস্তরে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান ও এম.এ মান্নান এমপির স্নেহাশীষ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মাসুক আহমদের উপস্থিতিতে রবিবার সকাল ১১টায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের উপস্থিতিতে পাকা বাউন্ডারী কাজের ভিত্তি প্রস্তরের শুভ উদ্বোধন করেন মাদ্রাসার মুহতমিম আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস লক্ষীপুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাদ্রাসার নায়েবে মুহতমিম মাওঃ আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী, উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিক আহমদ, মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস মাওঃ সামছুদ্দিন দুর্লভপুরী, কানাইঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খোকন, কানাইঘাট পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র হাজী আব্দুল মালিক,কানাইঘাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক কারী হারুনুর রশিদ চতুলী, কানাইঘাট বাজার লেসী হাজী করামত আলী, যুবলীগ নেতা শাহাব উদ্দিন। মাদ্রাসার বাউন্ডারী কাজের উদ্বোধন শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাদ্রাসার নায়েবে মুহতমিম মাওঃ আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী। উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মাসুক আহমদ কানাইঘাট নিউজকে জানান, গত বছর উপজেলা যুবলীগের এক সমাবেশে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ মান্নান কানাইঘাট-চতুল-দরবস্ত সড়ক সংস্কার ও কানাইঘাটের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন এবং বিশেষ করে কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রবিবার জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রথমে ১ লক্ষ টাকার পাকা বাউন্ডারী কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অর্থ পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ মান্নানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আরো ৯ লক্ষ টাকা মাদ্রাসা পাকা বাউন্ডারী নির্মাণে বরাদ্ধ দেওয়া হবে, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে মাসুক আহমদ জানিয়েছেন। মাসুক আহমদ আরো জানিয়েছেন শীঘ্রই অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ. মান্নান এমপি কানাইঘাট-দরবস্ত সড়কের প্রায় সম্পন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের উদ্বোধন করবেন।

কানাইঘাটে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধের দাবীতে নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে স্মারকলিপি


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট বড়চতুল ইউপির সুন্দ্রাকিশ ও ফাবিজুরী নদীতে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে মাছ শিকার বন্ধের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়ার বরাবরে রবিবার এলাকাবাসী স্মারকলিপি দিয়েছেন। স্মারকলিপিতে এলাকাবাসী উল্লেখ করেছেন হাওর এলাকায় বুরো চাষের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে সুন্দ্রাকাশি ও ফাবিজুরী নদীতে সুইচ গেইট নির্মাণ করা হয়। কিন্তু একটি মহল কি-গাংগা নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণ করে সুইচ গেইট দ্বারা জমানো পানি সেচের মাধ্যমে বিনষ্ট করে মাছ শিকার করছে। যার কারনে আগামী বুরো মৌসুমে পানির অভাবে কৃষকরা সুফল না পেতে পারেন। অবিলম্বে পানি সেচে মাছ শিকার বন্ধ ও দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

কানাইঘাটে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এক সভা রবিবার বিকেল ৪টায় কানাইঘাট মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াইছ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষক সমিতির সদস্য আনোয়ার হোসেন। উক্ত সভায় বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকগণ বক্তব্য রাখেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কানাইঘাট মডেল সরকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুজ্জামানকে আহবায়ক করে উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে উপজেলার সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী সালেহা আক্তারের উপস্থিতিতে অভিষেক করার জন্য সিন্ধান্ত গৃহীত হয়। নবগঠিত উক্ত সমিতির নেতৃবৃন্দ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন একমাত্র বৈধ সংগঠন হিসাবে শিক্ষকদের দাবী ধাওয়া বাস্তবায়নে কাজ করে যাবে বলে সভায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আবার শুরু হচ্ছে 'ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত উৎসব'

আবার শুরু হচ্ছে 'ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত উৎসব'

কানাইঘা নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বারের মতো আগামী ১০ নভেম্বর থেকে আয়োজিত হতে যাচ্ছে 'ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত উৎসব'। এতে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের ফোকশিল্পীরা। ১০ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে তিন দিনব্যাপী উৎসবটি। গতবারের মতো এবারেও উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত আর্মি স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে।

প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টায় গেট উন্মুক্ত হবে দর্শক প্রবেশের জন্য এবং একটানা চলবে রাত ১২টা পর্যন্ত।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, গেল বছরে রাত ১টা পর্যন্ত উৎসব চললেও এবারে নিরাপত্তার স্বার্থে এক ঘণ্টা আগেই বন্ধ হবে আর্মি স্টেডিয়ামের গেট। আগামী ১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে উৎসবের নিবন্ধন শুরু হবে। বিনামূল্যে এই লোকসঙ্গীত উৎসব উপভোগ করতে আগ্রহীরা অনলাইনে এই ঠিকানায় নিবন্ধন করতে পারবেন।

তিন দিনের এই উৎসবে অংশ নেবেন বিভিন্ন দেশের প্রায় শতাধিক কণ্ঠশিল্পী, সঙ্গীতায়োজক ও ব্যান্ড দল। উৎসবে তারা তুলে ধরবেন নিজ নিজ দেশের লোকসঙ্গীতের ধারা। দেশের কিংবদন্তি শিল্পীদের পাশাপাশি দেশের বাইরের লোকগানের তারকা শিল্পীরা মাতাবেন এই আয়োজন।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা লোকসঙ্গীতকে বাংলাদেশি শ্রোতাদের কাছে নতুন করে উপস্থাপন করতে তুলতে ২০১৫ সাল থেকে ঢাকা ফোক উৎসবের আয়োজন করে সান ইভেন্টস ও মাছরাঙা টেলিভিশন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে মিডিয়াকম। এবারে বসছে আয়োজনের দ্বিতীয় আসর। 
-- বিডিলাইভ২৪

১৯-বছরেই রেকর্ডে ভাস্বর মিরাজ

১৯-বছরেই রেকর্ডে ভাস্বর মিরাজ

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:অভিষেক সিরিজেই নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসেও নিলেন ৬ উইকেট। বাংলাদেশের মাত্র তৃতীয় বোলার হিসেবে পেলেন ১০ উইকেটের স্বাদ।

গড়েছেন এক টেস্টে বাংলাদেশের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। দুই টেস্টের সিরিজের বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও এখন মিরাজ।

মিরাজের আগে ম্যাচে ১০ উইকেট পাওয়ার স্বাদ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের এনামুল হক জুনিয়র ও সাকিব আল হাসান। তবে একটি জায়গায় ওই দুজনকে ছড়িয়ে গেছেন মিরাজ। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে ১০ উইকেট পেলেন তিনিই।

ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচেই মিরাজ পেলেন ১০ উইকেট। এনামুল ১০ উইকেট পেয়েছিলেন নিজের পঞ্চম টেস্টে। সাকিবের লেগেছিল ৩৬ টেস্ট!

এক টেস্টে সবচেয়ে কম বয়সে ১০ উইকেট নেওয়ার তালিকায় মিরাজ আছেন পাঁচে। এ তালিকায় সবার ওপরে বাংলাদেশেরই এনামুল হক জুনিয়র। ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে বাঁহাতি স্পিনার যখন ১২ উইকেট নিয়েছিলেন তার বয়স ১৮ বছর ৪০ দিন।

এরপর প্রায় ১০ বছরের অপেক্ষা। ২০১৪ সালে নভেম্বরে সেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই খুলনা টেস্টে ১২৪ রানে ১০ উইকেট পান সাকিব। ওই ম্যাচে সাকিব করেছিলেন সেঞ্চুরিও।

১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ডানেডিন টেস্টে দুই ইনিংসে ৫টি করে উইকেট নিয়েছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম। ভারতের সাবেক লেগ স্পিনার লক্ষণ শিবরাম কৃষ্ণান ১৯৮৪ সালে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন ১৮ বছর ৩৩৩ দিনে। ১৯৯০ সালের অক্টোবরে ওয়াকার ইউনিস ১০ উইকেট নিয়েছিলেন ১৮ বছর ৩৩৬ দিনে। ১৯ বছর ৫ দিন বয়সী মিরাজ আছেন এর পরের অবস্থানেই। 
-- বিডিলাইভ

স্টোকসকে সাকিবের স্যালুট

 কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
২২ গজে স্যালুট দিয়ে এর আগে আলোচনার টেবিলে স্থান করে নিয়েছিলেন ক্যারিবীয় বোলার স্যামুয়েলস। ওই স্যালুটের সঙ্গেও বেন স্টোকসের নাম জড়িত। গ্রানাডায় দ্বিতীয় টেস্টে স্টোকস আউট হবার পর তাকে মিলিটারি কায়দায় স্যালুট ঠুকে দেন স্যামুয়েলস।
এবার মিরপুর টেস্টেও এমন কাণ্ড দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। স্টোকসকে সরাসরি বোল্ড করার পর স্যালুট প্রদান করলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দলের হাল ধরেন বেন স্টোকস। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানেই ফিরতে হয়েছে তাঁকে। আজ বিপদজনক হয়ে ওঠার আগেই স্টোকসকে ফেরান সাকিব।
আউট হওয়ার আগে ২৫ রান করেছেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার।স্টোকসে ফিরিয়ে সাকিবের স্যালুট। মুহূর্তেই উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো মিরপুর স্টেডিয়াম।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে হুইপ সেলিমের অভিনন্দন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্ঠা আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন এমপি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচে সিরিজ সমতা আনায় এবং একইসাথে ২য় টেস্টে ১০৮ রানের ব্যবধানে জয়লাভ করায় জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানান । বিরোধীদলীয় হুইপ সেলিম উদ্দিন এমপি এক বার্তায় বলেন, শুধু ওয়ানডে ক্রিকেটে নয় বরং টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ যে পারদর্শিতা দেখিয়েছে তা অবশ্যই গর্বের বিষয়। এসময়ের অন্যতম সেরা ক্রিকেট দল ইংল্যান্ডকে হারানো বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটেও এনেদিবে নতুন আত্মবিশ্বাস। তিনি প্রত্যাশা করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটদল তাদের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল থেকে উজ্জলতর করবে।

'সরকার থেকে দলকে আলাদা করার প্রয়াস চলছে'

'সরকার থেকে দলকে আলাদা করার প্রয়াস চলছে'
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সরকার থেকে দলকে আলাদা করার প্রয়াস চলেছে বলে জানিয়েছন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
রোববার দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, অনেক মন্ত্রীকে সম্পাদকমণ্ডলীতে দলীয় প্রধান রাখেননি। মন্ত্রীদের অনেক কাজ, তাদের পক্ষে দলে সময় দেওয়া অনেক কঠিন। তাই এবার আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীতে মন্ত্রীদের রাখা হয়নি।

দলের এখনকার দুর্বলতাগুলো কী? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দুর্বলতা সমস্যা তো আছেই। বড় দল বড় পরিবার, ছোটখাটো মনোমালিন্য আছে, কিছু আবর্জনা ঢুকে গেছে তাই নানা জায়গায় ঝামেলা হচ্ছে। তাদের বলে দেওয়া হয়েছে সংশোধন করতে।’ দুর্বল বিরোধী দল নিয়ে নিজেরা শক্তিশালী হতে পারবেন কিনা এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে আসেনি বলেই তো এ রকম হয়েছে। জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েছে। তা আমরা অস্বীকার করব কীভাবে।’

সরকার এবং দল আলাদা করার প্রশ্ন যদি আসে তাহলে কোন পদ বেছে নেবেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে, যে পারে সব পারে। আমি রাস্তা দেখতে গিয়ে আওয়ামী লীগকে দেখব এবং আওয়ামী লীগকে দেখতে রাস্তা দেখব। আমার সমস্যা হওয়ার কথা না।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে ওঠেন। আমি তাকে অনুসরণ করি। কেউ ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠলে সকাল ১০টার মধ্যে আর কাজ খুঁজে পাবেন না। আমি ১০টার মধ্যে কাজ শেষ করে রাস্তায় বের হয়ে যাই। আমাকে আরও কোনো কাজ দিলেও করতে পারব।’

বিএনপিকে ভবিষ্যতে নির্বাচনে আনার বিষয়ে কাজ করবেন কি না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে আসবে, ভালোভাবেই আসবে। আগের ভুল আর করবে না। না আসলে যেভাবে চলছে এভাবেই চলবে।’

সব জঙ্গি হামলা মোকাবিলা একটা বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ একটা বড় চ্যালেঞ্জ, সরকারের জিরো টলারেন্স এবং তড়িৎ ব্যবস্থার কারণে তারা দমে গেছে। তবে সন্ত্রাস বিদায় নিয়েছে এমন আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।

তিন দিনেই বাংলাদেশের কাছে লজ্জার হার ইংল্যান্ডের

তিন দিনেই বাংলাদেশের কাছে লজ্জার হার ইংল্যান্ডের

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: একের পর এক উইকেট নিয়ে তিন দিনেই ইংল্যান্ডকে টেস্ট হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ।  এই ম্যাচ জয়ের মধ্য দিয়ে ১-১ এ সমতায় সিরিজ শেষ করল টাইগাররা।

১০৮ রানের দুর্দান্ত জয়ের মধ্য দিয়ে জিম্বাবুয়ে ও ‘দুর্বল’ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাইরে এই প্রথম কোনো দেশকে টেস্টে হারাল বাংলাদেশ। টেস্ট ইতিহাসে এটা তাদের অষ্টম জয়। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়।

৪৩তম ওভারেই সাকিবের তিন উইকেট শিকারের পর জয়ের পথ সুগম করে বাংলাদেশ।

এর আগে মিরাজের পঞ্চম শিকারে পরিণত হলেন বেয়ারস্টো। মিরাজের গ্রিপ করা বলে বেয়ারস্টোর ব্যাটের কানায় লাগলে ক্যাচটি তালুবন্দি করেন শুভাগত। তৃতীয় সেশনের প্রথম ঘণ্টায় ৩৭ রানের মধ্যে ইংল্যান্ডের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বাংলাদেশ। চার বাঁহাতি ব্যাটসম্যান অ্যালেস্টার কুক, বেন ডাকেট, গ্যারি ব্যালান্স ও মইন আলির উইকেট নেন অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৪৩ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান।

এর আগে অ্যালিস্টার কুককে নিজের চতুর্থ শিকারে পরিণত করলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বিদায় নেয়ার আগে ৫৯ রান করেন কুক।

এদিকে গ্যারি ব্যালান্সকে বিদায় করার পর সেই ওভারেই মঈন আলিকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। তার বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার পর রিভিউ নেন মঈন। তাতে সিদ্ধান্ত পাল্টায়নি।

গ্যারি ব্যালান্সকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এই অফ স্পিনারের বলে ব্যাটের কানায় লেগে ওঠা ক্যাচ তালুবন্দি করেন তামিম ইকবাল। ১৪ বলে ৫ রান করে ব্যালান্স ফিরে যান।

মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নেন অ্যালেস্টার কুক। রিপ্লতে দেখা যায় অল্পের জন্য বল লেগ স্টাম্প লাগতো না। তাই বেঁচে যান ইংলিশ অধিনায়ক।

বোলিংয়ে ফিরেই আঘাত হানেন সাকিব আল হাসান। এই বাঁহাতি স্পিনারের ওভারের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ হয়ে বিদায় নেন জো রুট (২ বলে ১)। অন্য প্রান্তে থাকা অধিনায়ক কুকের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলে রিভিউ না নিয়ে ফিরেন এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

তৃতীয় সেশনের প্রথম বলেই আঘাত হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ। জায়গায় দাঁড়িয়ে তার স্পিন করে ভেতরে ঢোকা বল খেলতে গিয়ে বোল্ড হন বেন ডাকেট (৬৪ বলে ৫৬)।

কিডনি ঠিক আছে তো? এই ৮ লক্ষণে সতর্ক হোন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: গায়ে ঘনঘন র‌্যাশ বেরোচ্ছে? সারাদিনে প্রস্রাব হয় খুব কম? গরমেও কম ঘামেন? আপনার কিডনি ঠিকঠাক কাজ করছে তো? কারণ, কিডনির কাজই হল শরীর থেকে টক্সিন বা বর্জ্য পদার্থ বের করে দেওয়া। এককথায়, ছাকনির মতো কাজ করে কিডনি। শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখে। যে পদ্ধতিতে গোটা কাজটা সম্পন্ন করে, তাকে বলা হয় হোমিওস্টেসিস। তাই কিডনি বেগরবাই করলেই শরীরে টক্সিন জমবে। কী করে বুঝবেন? নীচে উল্লিখিত এই আটটি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন। কথা বলুন ডাক্তারের সঙ্গে। ১. ফুলা-ফুলা ভাব: কিডনির সমস্যার অন্যতম লক্ষণ প্রস্রাব ও ঘাম কম হওয়া। ফলে সেই জল শরীরের গাঁটে গাঁটে জমে। অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও পানি জমতে পারে। যে কারণে মুখচোখ ও শরীর ফুলাফুলা লাগে। ২. মূত্রের সমস্যা: কিডনি বিকল হলে প্রস্রাব করতে সমস্যা হয়। প্রস্রাবের সময় চাপও বোধ হয়। যদি অনেকক্ষণ ছাড়া ছাড়া প্রসাব হয় এবং প্রসাবের রং গাঢ় হয় বা যদি অস্বাভাবিক পরিমাণে প্রসাব হতে থাকে বা খুব ঘন ঘন ফ্যাকাশে রঙের প্রস্রাব হয়, ধরে নেওয়া যায় কিডনি ঠিকমতো কাজ করছে না। রাতে ঘুমের সময় বারবার প্রস্রাব করতে ওঠাও, কিডনির সমস্যার লক্ষণ। ৩. ত্বকে ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ: শরীরে যখন অতিমাত্রায় টক্সিন জমে, অথচ কিডনি কাজ করতে পারে না, ত্বকে তখন ফুসকুড়ি বেরোয়। অন্যান্য চর্মরোগও দেখা যায়। ৪. ক্লান্তি চেপে বসবে: সুস্থ কিডনি থেকে EPO (এরিথ্রোপোয়েটিন) হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন অক্সিজেন বহন করতে আরবিসি বা লোহিত রক্তকণিকাকে সাহায্য করে। কিডনি ফেলিওরে এই হরমোন নিঃসরণ কমে যাওয়ায় আরবিসিতে তার প্রভাব পড়ে। অল্প পরিশ্রমই ক্লান্ত করে দেয়। মস্তিষ্ক ও পেশিকেও প্রভাবিত করে। রক্তাল্পতারও একই লক্ষণ। ৫. শ্বাসকষ্ট: কিডনির সমস্যার একটা কমন লক্ষণ। আরবিসি কমে যাওয়ার কারণে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়। এর ফলে শরীরে, বিশেষত ফুসফুসে টক্সিন জমতে থাকে। ৬. ধাতব স্বাদ: শরীরে বর্জ্য পদার্থ জমতে থাকার কারণে খাবারের স্বাদে পরিবর্তন আসে। খাবারে রুচি লাগে না। জিভে ধাতব স্বাদ লাগে। মুখ দিয়ে দুর্গন্ধ বেরোয়। ৭. পিঠে ব্যথা: পিঠের উপরের অংশে যন্ত্রণার সঙ্গে কিডনির সম্পর্ক রয়েছে। কিডনি কাজ না-করলে, পিঠে যন্ত্রণা হতে পারে। আবার কিডনিতে পাথর বা সংক্রমণের কারণেও এমনটা হতে পারে। ৮. মাথা ঘোরা ও মনোনিবেশ করতে সমস্যা: শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দুটো কারণে হতে পারে। অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা নয়তো কিডনি ফেলিওর। মস্তিষ্কে অক্সিজেনের জোগান কমে যাওয়ার কারণেই একাগ্রতা কমে যায়। স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়াও অস্বাভাবিক নয়। মাঝেমধ্যে মাথাও ঘুরবে। সুতরাং সারাদিনে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট জাতীয় খাবার ও পানি বেশি করে খেতে হবে। প্রসাব ঠিকঠাক হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখুন।-এই সময়

যে আমলে মানুষের প্রয়োজন পূরণ হয়


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْبَاسِطُ) ‘আল-বাসিতু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘বান্দার রিযিকের মধ্যে প্রশস্তকারী অথবা অন্তরকে প্রশস্তকারী।’ সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْبَاسِطُ) ‘আল-বাসিতু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো- উচ্চারণ : ‘আল-বাসিতু’ অর্থ : ‘বান্দার রিযিকের মধ্যে প্রশস্তকারী অথবা অন্তরকে প্রশস্তকারী।’ আল্লাহর ‍গুণবাচক নাম (اَلْقَابِضُ)-এর আমল ফজিলত >> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْبَاسِطُ) ‘আল-বাসিতু’ নামটি সাহরির সময় হাত উঠিয়ে দশবার পাঠ করে উভয় হাত নিজের মুখমণ্ডলে মুছে নেয়; তবে সে নিজের প্রয়োজন পূরণের জন্য কারো নিকট কখনো আবেদন করা বা বলার প্রয়োজন অনুভব করবে না। >> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْبَاسِطُ) ‘আল-বাসিতু’ নামের জিকির প্রত্যহ ১৪০ বার পড়বে; সে ব্যক্তি বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকবে। >> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْبَاسِطُ) ‘আল-বাসিতু’ নামের জিকির ফজরের নামাজের পর হাত উত্তোলন করে ১০ বার পড়ে মুখের উপর মুছে নিলে কখনও অন্যের মুখাপেক্ষী হবে না এবং রুজিতে বরকত হতে থাকবে। পরিশেষে… মুসলিম উম্মাহর উচিত আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামের জিকির করে বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি, রুজিতে বরকত লাভ এবং অমুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত থাকা। আল্লাহ তাআলা সবাইকে নিয়মিত এ গুণবাচক নামের জিকির ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

মাছ আলুর চপ তৈরি করবেন যেভাবে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ঝাল কিংবা একটু ভাজাপোড়া খাবার খেতে যারা ভালোবাসেন, তাদের একটি পছন্দের পদ হতে পারে মাছ আলুর চপ। বিকেলের নাস্তা কিংবা পোলাও, বিরিয়ানির সঙ্গে খেতে ভালো লাগবে। চলুন তবে জেনে নেই- উপকরণ : যে কোনো মাছ (ভেটকি, রুই, ইলিশ) ৫-৬টি বড় টুকরা, আলু মাঝারি ৩টি, একটি বড় পাউরুটির টুকরা, পেঁয়াজ মিহিকুচি ১/৩ কাপ, আদাবাটা ১ চা- চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচামরিচ-কুচি ১ টেবিল-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, ভাজা জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য। প্রণালি : মাছের টুকরাগুলো ভাপে সিদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন। আলু সিদ্ধ করে ভালোভাবে চটকে নিন। পাউরুটি পানিতে ভিজিয়ে সঙ্গে সঙ্গে তুলে ফেলুন। এখন মাছ, আলু, রুটি খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। তেল বাদে বাকি সব উপকরণ খুব ভালো করে মিশিয়ে হাতে অল্প অল্প করে নিয়ে পছন্দ মতো আকার দিন। কড়াইতে তেল দিয়ে তেল ভালো করে গরম করুন। গরম তেলে চপগুলো ছেড়ে দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। ডুবো তেলে ভাজবেন আর খয়েরি রং ভাব এলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

রণবীরের কারণে অনুষ্ঠান থেকে বাদ ক্যাটরিনা!

রণবীরের কারণে অনুষ্ঠান থেকে বাদ ক্যাটরিনা!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এক সময় বলিউডে অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় জুটি ছিলেন রণবীর কাপুর-ক্যাটরিনা কাইফ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদেই শেষ হল রোমান্টিক এই জুটির প্রেমের গল্প। বিচ্ছেদের বিরহ কাটিয়ে রণবীর এখন ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ নিয়ে ব্যস্ত।

এদিকে ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ এর স্ক্রিনিংয়ে অনেক তারকাকে দেখা গেছে। স্ক্রিনিংয়ে রণবীর কাপুরের সঙ্গে ছিল তার পরিবার এবং আনুশকার সঙ্গে তার বন্ধুরাও এসেছিলেন। ঐশ্বরিয়া বচ্চন পরিবারের জন্য একটি স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করায় বচ্চন পরিবারের কেউ আসেননি।

এদিকে করণ জোহরের সঙ্গে এসেছেন কারিনা কাপুর খান, গৌরি খান, আলিয়া ভাট ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। কিন্তু করণের সবচেয়ে প্রিয় তারকাদের একজন ক্যাটরিনাকে এ অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। বলিউডের জোর দাবি, রণবীরের অনুরোধেই ক্যাটরিনাকে স্ক্রিনিংয়ে আমন্ত্রণ করেননি করণ।

ডিএনএ'র খবরের বলা হয়, ক্যাটরিনাকে আমন্ত্রণ না করতে রণবীর করণকে বলেছিলেন, কেননা ক্যাট আসলে রণবীরের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যকর নাও হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এ খবর শুনে ক্যাটরিনা কষ্ট পেলেও শান্তি বজায় রাখার জন্য না আসার সিদ্ধান্ত নেন।

রণবীর-ক্যাটরিনা ‌‘জগ্গা জাসুস’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করছেন। কিছুদিন আগেই এর পোস্টারের কাজে দুজনকে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যই লেগেছে বলে বলিউড লাইফের দাবি।

বিপিএলে স্টেডিয়াম এলাকায় শোডাউন, মিছিল নিষিদ্ধ: ডিএমপি

বিপিএলে স্টেডিয়াম এলাকায় শোডাউন, মিছিল নিষিদ্ধ: ডিএমপি

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আগামী ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলাকালীন সময়ে স্টেডিয়াম এলাকায় সব ধরনের শোডাউন ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রোববার বেলা ১১টায় ডিএমপি হেড কোয়ার্টার্সে বিপিএলের নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) টি-২০, ২০১৬ এর ৪র্থ আসরের খেলা উপলক্ষে ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশী বলেন, বিপিএল খেলায় স্টেডিয়াম এলাকায় বা গেটে কোন দল তার সর্মথকদের নিয়ে শোডাউন বা মিছিল করতে পারবে না।

বিপিএল এ অংশগ্রহণকারী বিদেশি খেলোয়ারদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হোটেলের যে ফ্লোরে তাঁরা অবস্থান করবে সেই ব্লকে অন্য কোন গেষ্ট প্রবেশ করলে হোটেল কর্তৃপক্ষ সাথে সাথে তা কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে জানাবে। হোটেলের রুমে কোন গেষ্টকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া যাবে না। নিরাপত্তার কারণে কোন বিদেশি খেলোয়াড়কে এককভাবে কোথাও মুভমেন্ট করতে দেয়া যাবে না। খেলোয়ারদের প্রতিদিনের মুভমেন্ট সিডিউল অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষকে আগেই জানাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একসঙ্গে কোন দল চেকিং ছাড়া শত শত লোক নিয়ে কোন ক্রমেই স্টেডিয়ামের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। টিকিট কালোবাজারী যে কোন মূল্য প্রতিহত করতে হবে। স্টেডিয়ামের প্রবেশ পথে আর্চওয়ে গেইট ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে এবং হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেকিং করে দর্শণার্থীদের প্রবেশ করাতে হবে।

এবারের বিপিএল ৪ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ৯ ডিসেম্বর। খেলার ভেন্যু- শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর-২, ঢাকা এবং জহুর আহম্মেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, চট্রগ্রাম। মোট ম্যাচের সংখ্যা ৪৬ এবং বিদেশি খেলোয়ারদের সংখ্যা ৭০ জন।

মোট ৭টি দল এবারের বিপিএল এ অংশগ্রহণ করছে। দলগুলো হলো- ঢাকা ডিনামাইটস, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস, চিটাগাং ভাইকিংস, খুলনা টাইটান্স, রংপুর রাইডার্স, রাজশাহী কিংস এবং বরিশাল বুলস।

১০০ টাকায় সত্যিই পুলিশে চাকরি কিনা দেখতে গিয়ে পরীক্ষায় প্রথম!

১০০ টাকায় সত্যিই পুলিশে চাকরি কিনা দেখতে গিয়ে পরীক্ষায় প্রথম!
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পুলিশকর্তারা ঘুনাক্ষরেও টের পাননি সাধারণ এক নাগরিকের হাতে তারা স্ক্রিনিং হচ্ছেন ‘সততার’ অন্য এক পরীক্ষায়!

সবার শীর্ষে থেকেও চাকরিতে যোগদান করছিলেননা তিনি। সেরা ১০ এর মধ্যে শীর্ষে থাকা ওই চাকরি প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলো। বলা হলো, চাকরিতে যোগদান করতে। কিন্তু তিনি চাকরিতে যোগ দিতে নারাজ। উল্টো তার চাকরি না করার কারণ শুনে হতভম্ব খোদ পুলিশ কর্মকর্তারা।

ঘটনা হচ্ছে, ১০০ টাকায় পুলিশে চাকরি! এ শিরোনামে গত ৯ সেপ্টেম্বর একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল গণমাধ্যমে।

তা কতটুকু সত্যি। পরখ করতেই তিনি আবেদন করেছিলেন। ব্যাংক ড্রাফট বাবদ খরচও করেছিলেন মাত্র ১০০ টাকা। লিখিত পরীক্ষা। মৌখিক পরীক্ষা। শারীরিক পরীক্ষা। পুলিশ ভেরিভিকেশন। সবকিছুতেই বিনা বাধায় উতরে গেলেন তিনি। চাকরি পেতে কোথাও কোনো টাকা পয়সা দিতে হয় কিনা তারই উল্টো পরীক্ষা করছিলেন তিনি। মেধা তালিকায় সবার শীর্ষে থাকা চাকরিপ্রার্থীর মুখে এ কথা শুনে হতবাক খোদ পুলিশ কর্মকর্তারাই।

তিনি ওবায়দুর রহমান। ধামরাই চাউনা গ্রামের খোরশেদ আলম ও সালেহা বেগম দম্পতির ছেলে। এইচএসসির গণ্ডি পেরিয়ে সদ্য পা রেখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ঢাকা জেলায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ দিনে নিয়োগের বিপরীতে ১ হাজার ৩৬৭টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৭৯৬টি আবেদন বাছাই করা হয়। ৭৯৩ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৫৯৫ জন উত্তীর্ণ হন। তাদের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষায় ৪৯৪ জন উত্তীর্ণ হন। বেশি নম্বর পাওয়া ১০ জনকে রাখা হয় মেধাতালিকায়। যাদের শীর্ষে ছিলেন ওবায়দুর।

‘এর মাধ্যমে যেমন নাগরিক সচেতনতা বেড়েছে। তেমনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওবায়দুর রহমানের মতো সাহসী নাগরিকদের অদৃশ্য মূল্যায়ন বা সততার পরীক্ষায় আমাদের উত্তীর্ণ হতে হচ্ছে’- এমনটিই বলছিলেন ঢাকার পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ মিজান শাফিউর রহমান।

একটা সময়ে পুলিশে নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে কলঙ্কে ক্ষত-বিক্ষত ছিলো ঢাকা জেলা। অভিনব নানা কৌশল। কোটা আর মোটা অংকের অর্থের লেনদেনেই ছিলো যোগ্যতার মাপকাঠি।

পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরই নড়েচড়ে বসতেন দালাল থেকে শুরু করে একশ্রেণির জনপ্রতিনিধি ও তদবিরবাজরা। চার থেকে ছয় লাখ টাকা খরচ করলেই মিলতো পুলিশে চাকরি। ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা না হলেও সমস্যা নেই।

কাগজে কলমে প্রমাণের জন্য চুক্তিমাফিক দুই থেকে তিন শতাংশ জমি কেনা হতো পুলিশে নিয়োগ পেতে ইচ্ছুক ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে। সেখানে ছাপড়া ঘর তুলে প্রমাণ করা হতো স্থায়ী বাসিন্দা। আবার চাকরি পেলে পুলিশ ভেরিভিকেশনের পর যথারীতি প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হতো সেই জমি। এ নিয়মেই বছরের পর বছর চলে আসছিলো নিয়োগ বাণিজ্য।

বাদ যাননি খোদ পুলিশ সদস্যরাও। কে নিয়োগ পেতে পারেন। কার শিক্ষাগত যোগ্যতা, শারীরিক গড়ন পুলিশে চাকরির জন্য কতটা উপযুক্ত, তা দেখে আগেভাগেই অর্থ হাতিয়ে নিতেন কতিপয় পুলিশ সদস্য। আবার চাকরি না হলে টাকাও ফিরিয়ে দিয়ে এক ধরনের আস্থা আর নির্ভরতার জমজমাট পশরা খুলে বসেছিলেন তারা। এসব অপকর্ম করে এখন ধামরাই উপজেলার অনেকেই এলাকা ছাড়া।
বার বার নোটিশ করার পরও কর্মস্থলে যোগদান করেননি অনেক পুলিশ সদস্য। এখন তাদের বিরুদ্ধে চলছে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া।

গত ২০ জুলাই ঢাকার এসপি হিসেবে যোগ দেন ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা শাহ মিজান শাফিউর রহমান।

২০০১ সালে পুলিশে যোগদান করে দিনাজপুর জেলা, সিএমপি, র‌্যাব, এসবি ও যশোর জেলায় দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা এই কর্মকর্তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে রয়েছে দু'বার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ‘জাতিসংঘ শান্তি পদক’ প্রাপ্তি।

পুলিশ সুপার হিসেবে লক্ষ্মীপুর জেলায় সন্ত্রাস ও গডফাদার দমনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার স্বাক্ষর রাখা শাহ মিজান শাফিউর রহমান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগে উপপুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করে এখন দেশের এক নম্বর জেলা ঢাকার এসপি।

যোগদানের পরপরই পুলিশের নিয়োগ বাণিজ্য চক্রের বিরুদ্ধে নানা হুঁশিয়ারি ও পদক্ষেপের বার্তা পৌঁছে দেন থানা থেকে গ্রামে গ্রামে। চলে মাইকিং। বলা হয়, আর যেন কেউ কোনো অসাধু চক্রের হাতে না পড়েন। কোনো তদবিরে নয়। পুলিশে চাকরি যোগ্যতাই হবে মেধা। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় একমাত্র যোগ্যদেরই নেওয়া হবে পুলিশে। সূত্র: বাংলানিউজ

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ থেকে রাশিয়া বহিষ্কৃত

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ থেকে রাশিয়া বহিষ্কৃত

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ থেকে রাশিয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ১৯৩ সদস্যের সাধারণ অধিবেশনের ভোটাভুটিতে রাশিয়াকে বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

শুক্রবার ৪৭ সদস্যের মানবাধিকার কাউন্সিলে ১৪ দেশকে নির্বাচিত করা হয়। ১১২ ভোট পেয়ে হাঙ্গেরি ও ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে যায় রাশিয়া।

সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সাঁড়াশি অভিযানে সমর্থন দেয়ায় রাশিয়াকে যুদ্ধাপরাধে দায়ী করা হতে পারে। শুক্রবারের ভোটে ৮৭টি মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার পরিষদে রাশিয়ার সদস্যপদের বিরোধিতা করে।

বিষয়টি জানান যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের জাতিসংঘে নিযুক্ত উপ-পরিচালক অক্ষয়া কুমার। তিনি বলেন, ‘আলেপ্পোতে যে নৃশংসতা চলছে, তা আজ (শুক্রবার) ভোট দেওয়া লোকজনের মনে ছিল না, এমনটা কল্পনা করা কঠিন। এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি অকার্যকর হওয়ার পর থেকে সিরিয়ার আলেপ্পোর পরিস্থিতি অবনতির দিকে যায়। প্রদেশটিতে রাশিয়া-সমর্থিত বাশার আল-আসাদের অনুগত বাহিনী বিদ্রোহীদের দমনে অভিযান চালাচ্ছে। এ লড়াইয়ে আটকা পড়েছে সেখানকার দুই লাখ ৭৫ হাজার মানুষ।

ভারত নতুন ২০০টি যুদ্ধবিমান বিমান কিনবে

ভারত নতুন ২০০টি যুদ্ধবিমান বিমান কিনবে

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পাক-ভারত উত্তেজনার এই সময়ে নতুন করে দুই শতাধিক যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত। দেশটির এই আগ্রহ চীন-পাকিস্তানের সাথে চলমান অলিখিত মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে ভারতকে অনেকটাই এগিয়ে দিলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানের সংখ্যা ২০০ থেকে ৩০০ তেও পৌছাতে পারে। সোভিয়েত আমলে কেনা পুরনো বিমানগুলোকে বাতিলের খাতায় নাম লিখিয়ে তার জায়গায় নতুন বিমান কেনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যুদ্ধবিমানগুলো কিনতে খরচ হতে পারে ১৩-১৫ বিলিয়ন ডলার।

একসাথে এতগুলো যুদ্ধবিমান ক্রয়ের ঘটনা ভারতের ইতিহাসে এটিই প্রথম। তবে ২০০ বিমান বিক্রির আগে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে একটি শর্ত দিয়েছে ভারত। সেটি হচ্ছে, নির্মাতা সংস্থাকে যেকোনো একটি ভারতীয় সংস্থাকে সাথে যৌথ উদ্যোগে বিমানগুলো তৈরি করতে হবে।

এই বিমান কেনার চুক্তিটি সফল হলে এটিকে দেশের অন্যতম বৃহত্তম সমরাস্ত্র লেনদেন চুক্তি বলে অভিহিত করা যাবে।

এদিকে সম্প্রতি ফরাসি ৩৬টি রাফায়েল বিমান কেনার চুক্তি করেছে ভারত। একইসাথে বিমানবাহিনীকে আরো গতিশীল করে তুলতে নতুন ২০০টি যুদ্ধবিমান কিনতে চরম আগ্রহী দেশটি।

সুস্থ থাকতে নিয়মিত পানি পান করুণ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পানি ছাড়া আমাদের স্বাভাবিক জীবন অচল। পানি ছাড়া আমরা একটি দিনও চিন্তা করতে পারি না। তাই বলা হয়, পানির অপর নাম জীবন। প্রতিটি সুস্থ সবল মানুষের দৈনিক ৫-৬ লিটার পানি পান করা উচিত। তবে বেশি পানি পান হতে পারে ক্ষতির কারণও। তাই আমাদের নিদির্ষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে সবাইকে। কতটুকু পান করবেন অনেককেই দেখা যায় কিছুক্ষন পর পর পানি পান করতে। তাদের ভাবনা হয়তো এতে তাদের শরীর ঠিক থাকবে। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আপনি যখন পিপাসা অনুভব করবেন, আপনার মনে হবে পানি পান করা প্রয়োজন ঠিক তখনই পানি পান করুন। আপনার শরীরে যখন পানি থাকে না তখন যেমন শরীরে থাকা ইলেকট্রনগুলো কাজ করতে পারে না তেমনই বেশি পানি পান করলেও পারে না। তাই সঠিকভাবে শরীরে কার্যক্রম চালাতে পানি সঠিক মাত্রায় পান করুন। কার্যক্ষমতা প্রচুর পরিমাণে পানি পান আপনাকে বুদ্ধিমান প্রমাণ করে না। কিন্তু পর্যাপ্ত বা আপনার যতটুকু পানি দরকার তা পান করলে আপনার মানসিক অবস্থা ভালো থাকে। মাত্রাতিরিক্ত পানি পান গড়ে ১% মানুষের ওজন বাড়িয়ে দেয়। এটি মাথা ব্যথা, হজমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। তাছাড়া প্রচুর পানি পান করলে শরীরে পানি শূন্যতাও সৃষ্টি হয়। যা অতিরিক্ত ঘামের সৃষ্টি করে। মূত্রাশয় ক্যান্সার পানি পান করা স্বাস্থ্যর পক্ষে যেমন ভালো তেমনি খারাপও। আপনি যদি দিনে ৬ লিটারের বেশি পানি পান করেন তবে মূত্রাশয়ে ক্যান্সার হতে পারে। করে। আবার যারা অল্প পানি পানকরে তাদের ক্ষেত্রে ও একই সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই পানি পান করুন কিন্তু তা বুঝে শুনে। কোলোরেকটাল ক্যান্সার বেশ কিছু গবেষণায় এটি পাওয়া গিয়েছে যে কোলোরেকটাল ক্যান্সার অতিরিক্ত পানি পানের কারণে হয়ে থাকে। ৩০-৬০% পর্যন্ত ঝুঁকি বেড়ে যায় কেবল অতিরিক্ত পানি পানের কারণে। এই রকম সংবাদ আরো পেতে হলে এই লেখার উপরে ক্লিক করে আমাদের ফেসবু

২০৭০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ধর্ম হবে ইসলাম


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত প্রসারিত ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। শুধু তাই নয়, খ্রিস্টান ধর্মকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে ইসলাম। এ ছাড়া আগামী ২০৭০ সালের মধ্যে ইসলাম ধর্ম বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ধর্ম হয়ে উঠবে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক গবেষণায় এ তথ্যে উঠে এসেছে। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের চেয়ে মুসলিমদের সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বাড়বে। নতুন এই গবেষণা প্রতিবেদনে ২০১০ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, হিন্দু, ইহুদি, মুসলমান, লোক ধর্ম ও অন্য ধর্মের আকার ও পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণায় অনেক মানুষকে ধর্মের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভবিষ্যৎবাণী করতে বলা হয়েছিল। এই প্রথম বিশ্বের বিভিন্ন গোষ্ঠীর অনেক মানুষের আনুষ্ঠানিক বয়স, জন্ম-মৃত্যুহার, মাইগ্রেশন এবং ধর্ম পরিবর্তনের তথ্য ব্যবহার করে গবেষণা করা হয়। পিউ রিসার্চের গবেষণা বলছে, চলতি শতাব্দির মাঝের দিকে বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৩৫ শতাংশ হতে পারে। তবে এই সময়ে মুসলিম জনসংখ্যা ৭৩ শতাংশ অর্থাৎ ২৮০ কোটি বৃদ্ধি হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে। ২০১০ সালে বিশ্বে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১৬০ কোটি। বিশ্বের প্রসারমান ধর্ম হতে ইসলামকে সহায়তা করছে মুসলিমদের জন্মহার। মার্কিন এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান ২০১০ সালের এক গবেষণায় জানায়, বিশ্বের ৩৪ শতাংশ মুসলিমের বয়স ১৫ বছরের নিচে; অপরদিকে ৩০ শতাংশ হিন্দু ও ২৭ শতাংশ খ্রিস্টানের বয়স ১৫ বছরের নিচে।

সংবিধান মেনে শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন: নাসিম

সংবিধান মেনে শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন: নাসিম
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ২০১৯ সালের একদিন আগেও দেশে নির্বাচন হবে না, সাংবিধানিকভাবে শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে।

শনিবার দিরাই উপজেলা সদরে নবনির্মিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছাব উদ্দিন সর্দারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায়ের পরিচালনায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি বক্তব্য রাখেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, 'সাহস থাকলে নির্বাচনে আসুন, আওয়ামী লীগ খালি মাঠে খেলতে চায় না, স্বচ্ছ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগেরই জয় হবে।'

তিনি বলেন, '১৪ সালের নির্বাচনে খালেদাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আহ্বান করছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন বাদ দিয়ে হরতালের নামে জ্বালাওপোড়াও করে মানুষ হত্যায় নামলেন। সেই নির্বাচন না হলে দেশে মার্শাল'ল থাকতো, আজ এই উন্নয়ন হত না।'

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই দিরাই ও শাল্লায় ডাক্তার নার্স দেয়া হবে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এ হাওরবেষ্ঠিত এলাকায় আরও ৪টি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

এ সময় দিরাই প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক টিপু সুলতানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এর আগে ৩১ শয্যা থেকে নব নির্মিত ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি।
সূত্র: বাসস

রিঠার ভিন্ন ধর্মী ৭ ব্যবহার


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চুল পরিষ্কার করার কাজে রিঠা সেই আদিকাল থেকে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। রিঠা, শিকাকাই ইত্যাদি দিয়ে প্রাকৃতিক শ্যাম্পু তৈরি করা হয়। শুধু চুল পরিষ্কার করার কাজে নয়, দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজেও রিঠা ব্যবহার করা যায়। রিঠার ভিন্ন কিছু ব্যবহার নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন। ১। গয়না পরিষ্কার করতে গয়না কিছুদিন বাইরে রাখলে এর উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যায়। গয়নার উজ্জ্বলতা ফিরে আনবে রিঠা। গয়নাগুলো রিঠার পানির মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর একটা পুরনো ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে ময়লাগুলো পরিষ্কার করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। দেখেবন গয়না একদম নতুনের মত হয়ে গেছে। ২। ডিশ ওয়াসার ডিশ ওয়াসার বোতলে রিঠার পানি ভরে রাখুন। এবার থালা বাসন ধোয়ার সময় এক টেবিল চামচ রিঠার পানি ব্যবহার করুন। এটি থালা বাসন পরিষ্কার করবে। ৩। কাঁচ পরিষ্কার করতে কাঁচকে নতুনের মত চকচকে করতে রিঠার পানির জুড়ি নিই। একটি বোতলে ২৫০ মিলিলিটার পানির সাথে ১৫ মিলিলিটার রিঠার মিশ্রণ ও সমপরিমাণে ভিনেগার দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার এটি কাঁচ পরিষ্কারক হিসেবে ব্যবহার করুন। কাঁচের ওপর স্প্রে করে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন ৪। গাড়ি পরিষ্কার করতে রিঠার পানি গাড়ি পরিষ্কার করতে বেশ কার্যকর। রিঠার পানি গাড়ি পরিষ্কার করার সাথে সাথে আপনার গাড়িকে সুঘ্রাণ করবে এবং কাঁচগুলো ঝকঝক করে তুলবে। ৫। প্রাকৃতিক হ্যান্ডওয়াশ হাত জীবাণুমুক্ত করতে হ্যান্ডওয়াশ অথবা সবান ব্যবহার করে থাকেন। এইবার রিঠার পানি হ্যান্ডওয়াশের কাজ করবে। হাত ধোয়ার সময় সাবান বাদ দিয়ে রিঠার পানি ব্যবহার করুন। হাত পরিষ্কার হয়ে যাবে। এতে লেবুর রস মেশাতে পারেন তাতে একটি সুগন্ধি পাওয়া যাবে। ৬। কার্পেট পরিষ্কার করতে কার্পেটের দাগের ওপর সামান্য রিঠার মিশ্রণ স্প্রে করে ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন দাগ একদম গায়েব হয়ে গেছে। ৭। ফ্লোর পরিষ্কার করতে ফ্লোর নতুনের মত ঝকঝকে করে তুলবে রিঠার মিশ্রণ। পানির সাথে এক টেবিল চামচ রিঠার মিশ্রণ মিশিয়ে নিন। এই পানি দিয়ে ফ্লোর পরিষ্কার করুন।

পেয়ারা তো খান, কিন্তু এর পাতার উপকারিতা কী জানেন?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পেয়ারার স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন, কিন্তু পেয়ারা পাতার উপকারিতা কী তা জানলে সত্যি অবাক হতে হয়। শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রেই নানারকম সমস্যা প্রতিরোধে পেয়ারা পাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পেয়ারা পাতার উপকারিতা কী কী— • ওজন কমাতে পেয়ারা পাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীরের মধ্যেকার কমপ্লেক্স স্টার্চকে সুগারে পরিণত করতে সাহায্য করে। • গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পেয়ারা পাতা রক্তে আলফা গ্লুকোডাইজ এনজাইম অ্যাক্টিভিটির পরিমাণ কমিয়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। • গবেষণায় এও দেখা গিয়েছে যে, প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে পেয়ারার পাতা ফুটিয়ে তা পান করলে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। • শরীরের কোনও অংশ কেটে গেলে সেখান থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় পেয়ারা পাতা। • ডায়েরিয়া থেকে মুক্তি পেতে পেয়ারা পাতার গুণাগুণ অনস্বীকার্য। পেয়ারা পাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল পান করলে ডায়েরিয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। • আটটি পেয়ারা পাতা দেড় লিটার জলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই জল দিনে তিনবার করে পান করলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। • পেয়ারা পাতা দাঁত ভাল রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। দাঁত ব্যাথা, মাড়ির সমস্যায় অ্যন্টিব্যাকটেরিয়াল-এর ভূমিকা পালন করে। • প্রস্টেট ক্যান্সারে পেয়ার পাতা বিশেষ উপকারি। • পুরুষের শরীরে শুক্রাণু বৃদ্ধিতে পেয়ারা পাতার জুড়ি মেলা ভার। • পেয়ারা পাতা হল একটি অত্যন্ত ভাল স্কিন কেয়ার এজেন্ট। ত্বকের যাবতীয় সমস্যা যেমন— অ্যাকনে, পিম্পল, ব্ল্যাকহেডস প্রভৃতি রোধ করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। • সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চুল পড়ার সমস্যা প্রতিরোধ করতে পেয়ারা পাতা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। -এবেলা।

রাজধানীতে পুলিশের সোর্সকে কুপিয়ে হত্যা

রাজধানীতে পুলিশের সোর্সকে কুপিয়ে হত্যা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর পল্লবীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এক ব্যক্তিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ব্যক্তির নাম মানিক (৪৫)। রোববার ভোর সোয়া চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।

পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেনের বলেন, মানিক পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। মানিককে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান এসআই বিল্লাল হোসেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ছয়টার দিকে মারা যান তিনি।

হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, মানিকের লাশ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রয়েছে।

কবরের আজাব থেকে নিরাপদ থাকার আমল

Kanaighat News on Saturday, October 29, 2016 | 11:24 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْقَابِضُ) ‘আল-ক্বাবিদু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘বান্দার রিযিক ও অন্তর সকোচনকারী এবং রূহ কবজকারী।’ সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْقَابِضُ) ‘আল-আলিমু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো- উচ্চারণ : ‘আল-ক্বাবিদু’ অর্থ : ‘বান্দার রিযিক ও অন্তর সকোচনকারী এবং রূহ কবজকারী।’ আল্লাহর ‍গুণবাচক নাম (اَلْعَلِيْمُ)-এর আমল ফজিলত >> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَابِضُ) ‘আল-ক্বাবিদু’ নামটি চল্লিশ দিন পর্যন্ত চার টুকরো রুটি বা অন্য কিছুর ওপর লিখে আহার করে তবে আল্লাহর ইচ্ছায় সে ক্ষুধা ও কবরের আজাব হতে নিরাপদ থাকবে। >> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَابِضُ) ‘আল-ক্বাবিদু’ প্রতিদিন ৪০ বার পড়বে, সে পিপাসার্ত হবে না। >> যে ব্যক্তি এ পবিত্র নাম ৪০ দিন পর্যন্ত রুটির প্রথম লোকমায় লিখে খাবে; জীবনে কখনও ক্ষুধায় কষ্ট পাইবে না এবং জীন-ভূতের আছর ও যাদুর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে। পরিশেষে… মুসলিম উম্মাহর উচিত আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামের জিকির করে কবরের আজাব, ক্ষুধার কষ্ট এবং যাদুর আছর থেকে হিফাজত থাকার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ তাআলা সবাইকে নিয়মিত এ গুণবাচক নামের জিকির ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

গামছা বা অনুরূপ পাতলা কিছু গায়ে দিয়ে নামায আদায় করা যাবে কি?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: অনুরূপ পাতলা কাপড় পরিধান করে নামাজ আদায় করতে। আসলে তা কতটুকু ইসলাম ভিত্তিক এ নিয়ে প্রায়ই অনেকে প্রশ্ন তোলেন। চলুন জেনে নেই এ নিয়ে ইসলাম কি বলছে। উভয় কাঁধ পূর্ণরূপে ঢেকে থাকলে এরূপ কাপড় গায়ে দিয়ে ছালাত আদায় করা যাবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৭৫৪)। তবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও তাক্বওয়াপূর্ণ সুন্দর পোষাক পরে আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হওয়া যরূরী। আল্লাহ বলেন, তোমরা ছালাতের সময় সুন্দর পোষাক পরিধান কর’ (আ‘রাফ ৭/৩১)।-ইসলামিক অনলাইন

ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রি কলেজ :এক আদর্শ নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান


মোঃ হানিফ: সিলেটের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত জৈন্তাপুর উপজেলা। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্যরে লীলা ভূমি খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এ উপজেলা। আদিবাসী খাসিয়া, পাত্র সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন নৃ-গোষ্টির বসবাস রয়েছে। ভৌগলিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক কারণে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা থেকে অনেকটা পিছিয়ে ছিল এ এলাকার নারীরা। অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া নারী সমাজকে উচ্চ শিক্ষায় অধিষ্ঠিত করতে প্রতিষ্ঠা করা হয় ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রি কলেজ। ফলে আদিবাসী খাসিয়া, পাত্র সম্প্রদায়, চা-শ্রমিক ও অন্যান্য নৃ-গোষ্ঠী এবং বালু, পাথর কোয়ারী শ্রমিক অধ্যুষিত পশ্চাদপদ এ এলাকার নারী শিক্ষার বিস্তার ও উচ্চ শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে এ কলেজ। “পান, পানি, নারী - এই তিনে জৈন্তাপুরী” প্রচলিত এ প্রবাদের অন্যতম অনুষঙ্গ পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষার উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালের ১১ ডিসেম্বর জৈন্তাপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ, শিক্ষিত ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য একত্রিত হয় সচেতন মহল। সচেতন মহল ও সকলের সহযোগীতায় একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ২০০০ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত অপর এক সভায় উপস্থিত সবার সম্মতি ক্রমে জৈন্তিয়া এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা, শিক্ষানুরাগী জাতীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদের নামে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহীত হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ। যাত্রা শুরু হয় ইমরান আহমদ মহিলা কলেজের। তখন জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার মধ্যে ইমরান আহমদ মহিলা কলেজ প্রথম ও একমাত্র মহিলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সালের ২০ আগস্ট কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিলেটের তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার আবু হাফিজ কলেজের পাঠদান অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। কলেজটি ২০০০-২০০১শিক্ষাবর্র্ষ থেকে শিক্ষা কার্যক্রম যাত্রা শুরু করে এবং প্রথম বর্ষে মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগে মাত্র ৭ জন ছাত্রী ভর্তি হয়। ২০০২ সালে এ সাতজন পরীক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে এবং নাহিদ আক্তার নামের একজন ছাত্রী সিলেট বোর্ডে মানবিক বিভাগে ১৮তম স্থান অর্জন করে। এতে সমগ্র জৈন্তিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এর পর থেকে ইমরান আহমদ মহিলা কলেজ পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পরের বছরই কলেজটিকে শিক্ষা বোর্ড সিলেট স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ২০০৪ সালে কলেজটি এমওিভূক্ত করা হয়। অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া নারী শিক্ষাকে আরও বেগবান, উচ্চ শিক্ষায় অধিষ্টিত করতে ২০১০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা এবং স্নাতক পর্যায়ে বি.এস.এস (পাস) কোর্স চালু করা হয়। কলেজটি ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি লাভ করে। ২০১৫ সালের শেষের দিকে বঙ্গবন্ধুর তনয়া ও সুযোগ্য উত্তরসূরী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইমরান আহমদ মহিলা কলেজটি জাতীয়করণের জন্য ঘোষনা করেন। পাবলিক পরীক্ষায় শুরু থেকেই এ কলেজটি ভাল ফলাফল করে আসছে। প্রায় প্রতি বছরই ফলাফলের দিক থেকে এ কলেজটি জৈন্তাপুর উপজেলার শীর্ষে অবস্থান করে। উল্লে­খ্য ২০১৩ সালের (২০১৫সালে অনুষ্ঠিত) স্নাতক পর্যায়ে প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় ছাত্রীরা শতভাগ সাফল্য অর্জন করে। গত ২০১৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখায় ২১ জন অংশ গ্রহন করে ১৮ জন উত্তীর্ণ হয় ও পাশের হার ৮৫.৭১%, মানবিক শাখায় ১৯৩ জন অংশ গ্রহন করে ১৪৭ জন উত্তীর্ণ হয় ও পাশের হার ৭৬.১৬%, ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৩৮ জন অংশ গ্রহন করে ৩০ জন উত্তীর্ণ হয়, পাশের হার ৭৮.৯৫%, সর্বমোট ২৫২ জন অংশ গ্রহন করে ১৯৫ জন উত্তীর্ণ হয় এবং শতকরা পাশের হার ৭৭.৩৮%। ২০১৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখায় ১৯ জন অংশ গ্রহন করে ১৯ জনই উত্তীর্ণ হয় ও পাশের হার ১০০%, মানবিক শাখায় ১৫৯ জন অংশ গ্রহন করে ১১৭ জন উত্তীর্ণ হয় ও পাশের হার ৭৩.৫৮% এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ২৭ জন অংশ গ্রহন করে ২৫ জন উত্তীর্ণ হয় ও পাশের হার ৯২.৫৯%, সর্বমোট ২০৫ জন অংশ গ্রহন করে ১৬১ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয় এবং শতকরা পাশের হার ৭৮.৫৪%। একই ধারাবাহিকতায় উপজেলার সাধারণ শিক্ষায় আরও তিনটি কলেজের মধ্যে ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রতিবছরই সবচেয়ে ভাল ফলাফল করে আসছে এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতায় সাফল্যের ধারা অব্যাহত রয়েছে। ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রি কলেজ উপজেলার মধ্যে সাধারণ শিক্ষায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখায় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও গভর্নিং বডি‘র সভাপতি সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা করেন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি শতভাগ ফলাফলের চেষ্টা করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর মোঃ এনামূল হক সরদার জানান ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রি কলেজ সাধারণ শিক্ষায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রতি বছরের ন্যায় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতায় উপজেলার মধ্যে ভাল ফলাফল করে আসছে এবং আগামীতে আরও ভাল ফলাফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করে দেশেরে বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করে অনেক ছাত্রী আজ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চাকুরী করছে। পিছিয়ে পড়া এলাকার নারীদের মধ্যে শিক্ষার আলো বিস্তারে এই কলেজটি উত্তর সিলেটের একটি আদর্শ নারী প্রতিষ্ঠান।

আগামীকাল সিলেট আসছেন শেখ রেহানা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: লন্ডন থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে আগামীকাল রবিবার সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১ ঘন্টা যাত্রাবিরতি করবেন বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ রেহানা। লন্ডন থেকে একটি ফ্লাইটে সরাসরি তিনি সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পৌছাবেন। এসময় তিনি বিমানবন্দরে এক ঘন্টা অবস্থান করবেন। যাত্রাবিরতিকালে শেখ রেহানার সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ করবেন সিলেট আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

মেসিদের জন্য লা লিগা সভাপতির বিরুদ্ধে আদালতে বার্সা

মেসিদের জন্য লা লিগা সভাপতির বিরুদ্ধে আদালতে বার্সা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এইতো সেদিনের ঘটনা, মনে থাকারই কথা। নেইমারের মাঠে লুটিয়ে পড়া মেসির মেজাজ হারিয়ে ফেলা। ওই মূহুর্তটি খুভ সহজেই ভুলতে পারবে না ফুটবল বিশ্ব। ঘটনাটা ঘটেছিলো বার্সেলোনা-ভ্যালেন্সিয়া ম্যাচে। ভ্যালেন্সিয়াকে জরিমানা করার সবাই ভেবেছিলো বিষয়টা এখানেই থেমে যাবে। কিন্তু না।

বার্সার খেলোয়াড়রা ভ্যালেন্সিয়ার সমর্থকদের প্ররোচিত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, বার্সার খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বার্সার খেলোয়াড়দের আচরণকে নিন্দনীয় হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনে। শেষ মুহূর্তের গোলে বার্সার খেলোয়াড়রা যেভাবে উদযাপন করেছে তা অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ বলে মনে হয়েছে কর্তৃপক্ষের। তাতে, লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাসের বিরুদ্ধে স্পেনের সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালতে অভিযোগ করেছে মেসি-নেইমার-সুয়ারেজদের ক্লাবটি।


ভালেন্সিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর বার্সেলোনার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলায় লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাসের বিরুদ্ধে স্পেনের সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালতে অভিযোগ করেছে বার্সেলোনা।

আর এ অভিযোগের ফলে তেবাসের উপর আস্থা হারানোর কথাটি জানায় বার্সার কর্তৃপক্ষ। এছাড়া দেশটির সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালতে তেবাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানায় তারা।

২-২ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচটির যোগ করা সময়ে গোল করে দলকে জয় পাইয়ে দেন লিওনেল মেসি। সঙ্গে এনে দেন পূর্ণ তিন পয়েন্ট। আর জয়সূচক এই গোলটি উদযাপনের সময়ই ঘটে অনাকাঙ্খিত এক ঘটনা। ভ্যালেন্সিয়ার উগ্র কিছু সমর্থক গ্যালারি থেকে মেসি-সুয়ারেজ-নেইমারদের ওপর পানির বোতল ছুঁড়ে মারে।

বার্সার খেলোয়াড়দের উপর বোতল ছোড়ার ঘটনায় ভালেন্সিয়াকে দেড় হাজার ইউরো জরিমানা করেছে রয়েল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন। আর দর্শকদের প্ররোচিত করার জন্য বার্সা খেলোয়াড়দেরও সমালোচনা করে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

এক বিবৃতিতে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন জানায়, শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ১০ দিন সময় পাবে ভালেন্সিয়া। আরও জানানো হয়, বার্সার খেলোয়াড়দের উদযাপনকে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ বলে মনে হয়েছে কর্তৃপক্ষের, যা নিন্দনীয়। নেইমার আর সুয়ারেজের মাটিতে লুটিয়ে পড়াটাও দৃষ্টিকটু।

রেফারির রিপোর্টে জানানো হয়, বার্সার খেলোয়াড়দের এ মনোভাব ভ্যালেন্সিয়ার দর্শকদের উত্তেজিত করে তুলেছিল। কাতালানদের উচিৎ ছিল প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়, দর্শক এবং সমর্থকদের কথা মাথায় রেখে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা। বার্সা খেলোয়াড়দের এমন উদযাপন কোনো উদাহরণ হতে পারেনা।

পাঁচ টাকার চা খেলেই আনলিমিটেড ইন্টারনেট ফ্রি!

পাঁচ টাকার চা খেলেই আনলিমিটেড ইন্টারনেট ফ্রি!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ব্যবসা বাড়াতে অভিনব এ অফার চালু করেছে ভারতের কর্নাটকের বালারি জেলার সিরুগুপ্পার প্রত্যন্ত একটি এলাকার চা দোকানের মালিক সাঈদ খাদার বাশা।

সাঈদ খাদার বাশা জানান, এই ‘ডেটা-চা’ এখন সবার পছন্দের। আগে প্রতি দিন হয়তো ১০০ কাপ চা বিক্রি হত। আর এখন তা এক লাফে বেড়ে গিয়েছে প্রায় চার গুণ। শুধু তাই নয়, এখন সকাল থেকে চা খাওয়ার জন্য তার দোকানের সামনে লম্বা লাইনও পড়ে।

বাশার মতে, দেশের বড় বড় শহরে ফ্রি ওয়াইফাই জোন থাকাটা আজকাল খুবই সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু সিরুগুপ্পার মতো ছোট শহরে এই সুবিধা নেই। উপরন্তু মফঃস্বলে নেটের স্পিডও খুব কম। আবার যে ছাত্রছাত্রীরা মাসে খুব বেশি হলে ১০০ টাকা হাত খরচা পায় তারা হয়তো প্রতি মাসে নেট রিচার্জ করতে পারে না। কিন্তু এখানে পাঁচ টাকা খরচ করে এক কাপ চায়ের সঙ্গে আধ ঘণ্টা ফ্রি ডেটা দেওয়া হয়। যার স্পিড থাকে মোটামুটি ১-২ এমবিপিএস। এতে বহু ছেলেমেয়ের উপকারও হয়।

কিন্তু প্রতিদিন এত লোককে ফ্রি ইন্টারনেট দিতে কী পন্থা নিয়েছেন বাশা?

তিন হাজার টাকা দিয়ে একটি রাউটার কিনেছেন তিনি। ১,৭০০ টাকা দিয়ে প্রতি মাসে স্থানীয় কেবল অপারেটরের কাছ থেকে আনলিমিটেড ডেটা প্যাক রিচার্জ করান ২৩ বছরের এই স্মার্ট চা বিক্রেতা। যারা তার দোকান থেকে চা কেনে তাদের ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়। এই পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করে বিনামূল্যে ডেটা ব্যবহার করা যায়। তবে প্রতি ক্রেতাকে এই সুবিধা দেওয়া হয় ৩০ মিনিটের জন্য। আধ ঘণ্টা পর স্বয়ংক্রিয় ভাবে লগ-আউট হয়ে যায় এই সংযোগ।

দারিদ্রের কারণে দশম শ্রেণির পর আর পড়া হয়নি বাশার। সেই জন্য তার এই অভিনব পদ্ধতিতে মূলত ছাত্রছাত্রীদের উপকার করতে চান সাঈদ খাদার বাশা।

আওয়ামী লীগ খালি মাঠে খেলতে চায় না: নাসিম

আওয়ামী লীগ খালি মাঠে খেলতে চায় না: নাসিম

সংবাদ সংস্থা: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ২০১৯ সালের একদিন আগেও দেশে নির্বাচন হবে না, সাংবিধানিকভাবে শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে।

আজ শনিবার দিরাই উপজেলা সদরে নবনির্মিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছাব উদ্দিন সর্দারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায়ের পরিচালনায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি বক্তব্য রাখেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সাহস থাকলে নির্বাচনে আসুন, আওয়ামী লীগ খালি মাঠে খেলতে চায় না, ফেয়ার নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগেরই জয় হবে।

তিনি বলেন, ১৪ সালের নির্বাচনে খালেদাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আহবান করছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন বাদ দিয়ে হরতালের নামে জ্বালাওপোড়াও করে মানুষ হত্যায় নামলেন। সেই নির্বাচন না হলে দেশে মার্শাল’ল থাকতো, আজ এই উন্নয়ন হত না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই দিরাই ও শাল্লায় ডাক্তার নার্স দেয়া হবে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এ হাওরবেষ্ঠিত এলাকায় আরও ৪টি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

এ সময় দিরাই প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক টিপু সুলতানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এর আগে ৩১ শয্যা থেকে নব নির্মিত ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি।

বিশ্ব রেকর্ড গড়া সেই বাংলাদেশির হতাশার গল্প

বিশ্ব রেকর্ড গড়া সেই বাংলাদেশির হতাশার গল্প

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মাথায় বল রাখা অবস্থায় স্কেটিং, সাইকেল চালানো কিংবা সাঁতরানোর মতো নানা কাজে পারদর্শী তিনি৷ গোটা বিশ্ব হতবাক তার এই অসাধারণ নৈপুণ্যে৷ সন্তুষ্ট নিজেও, তবে রয়ে গেছে হতাশা৷

৪১ বছর বয়সি আব্দুল হালিমের বাড়ি মাগুরায়৷ ছোটবেলায় হতে চেয়েছিলেন পেশাদার ফুটবলার৷ সেই চেষ্টায় কমতিও ছিল না৷ কিন্তু ফুটবলার হিসেবে সাফল্য না এলেও এসেছে অন্যত্র৷ মাথায় বল রেখে দিব্যি তিনি পারেন সাইকেল চালাতে, দৌঁড়াতে, এমনকি জুতা বদলাতেও৷ এমনকি বলের উপর দাঁড়িয়ে আরেক বল মাথায় রেখে, দুই হাতে দু'টি বল ঘোরাতেও পারেন তিনি৷ দেখে মনে হবে, বল বুঝি তার মাথায় কেউ আঠা দিয়ে আটকে দিয়েছে৷

বল মাথায় রেখে সব কাজ করার সামর্থ অবশ্য একদিনে অর্জন করেননি আব্দুল হালিম৷ বছরের পর বছর ধরে চর্চা করেছেন৷ এরপর এসেছে সাফল্য, যা ইতোমধ্যে এনে দিয়েছে গিনেস বিশ্ব রেকর্ডের স্বীকৃতি৷ তা-ও একভাবে নয়৷ মাথায় বল নিয়ে সর্বোচ্চ পথ হাঁটার রেকর্ডের পাশাপাশি বল মাথায় রেখে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে ১০০ মিটার রোলারস্কেটিংয়ের রেকর্ডও তার৷ নিজের নৈপুণ্যে বাংলাদেশকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এই ক্রীড়াবিদের সাফল্যের কথা সম্প্রতি প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের ডেইলি মেইল পত্রিকা৷

ডেইলি মেইলকে সাফল্যের কথা জানানোর পাশাপাশি হতাশার কথাও বলেছেন আব্দুল হালিম৷ তিনি মনে করেন, গিনেস বিশ্ব রেকর্ড গড়লেও স্থানীয় মানুষের কাছে তার এই বিশেষ গুণের আলাদা কোনো মূল্য তিনি পাননা৷ বল নিয়ে নানা কসরত দেখিয়ে কিছু অর্থ উপার্জন তিনি করতে পারছেন ঠিকই, কিন্তু পরিবারের চাহিদা পূরণে তা যথেষ্ট নয় বলেই মনে করেন তিনি৷

আব্দুল দুই সন্তানের পিতা৷ একটি সন্তান রোগে ভুগছে, যার চিকিৎসার জন্য দশ লাখ টাকা প্রয়োজন৷ কিন্তু সেই টাকা কোথা থেকে আসবে তিনি জানেন না৷ আব্দুলের আশা, সরকার তার সাফল্যের কথা শুনবে এবং প্রতিভার যথার্থ মূল্য দেবে৷

ডেইলি মেইলকে নিজের এক স্বপ্নের কথাও জানিয়েছেন আব্দুল হালিম৷ সুযোগ পেলে বিশ্ব ভ্রমণে বেরিয়ে হাজার হাজার মানুষের সামনে তাঁর ফুটবল মাথায় রাখার নৈপুণ্য দেখাতে চান তিনি৷ উপযুক্ত সহায়তা পেলে সেটা সম্ভব মনে করেন আব্দুল হালিম৷

বেশ চাপে কাটাচ্ছি দিনগুলো: শাহরুখ

বেশ চাপে কাটাচ্ছি দিনগুলো: শাহরুখ

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: যে সব অভিনেতা-অভিনেত্রীরা তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন তাঁরা প্রায় সকলেই বলেছেন, ‘অফুরন্ত এনার্জি’ তাঁর। উঠতি অভিনেতা বা অভিনেত্রীরা একবার তাঁর সঙ্গে কাজ করলে বার বার তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চান। কারণ, ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথম কাজ করার ‘স্নায়ুর চাপ’ নাকি সহজেই কাটিয়ে ওঠা যায় তাঁর সঙ্গে কাজ করলে। ফলে ক্যামেরার সামনে নিজেকে মেলে ধরাটা অনেক সহজ হয়ে যায়। তিনি বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান। ফিল্ম হোক বা রিয়ালিটি শো বা কোনও পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স— সবেতেই সর্বদা ফুরফুরে মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। সেই শাহরুখ নাকি এখন বেশ চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন! অবাক হচ্ছেন! এ কথা তিনি নিজেই টুইট করে জানিয়েছেন।

খুব সম্প্রতি তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, “শুটিং শেষ হওয়ার পর থেকে বেশ চাপেই কাটাচ্ছি দিনগুলো। এর চেয়ে শুটিংয়েই অনেক রিল্যাক্সে কাটাই।”

কাজ থেকে আমরা সবাই যখন একটু ‘ছুটি’ পেতে চাই তখন বলিউডের বাদশা ছুটি কাটাতে গিয়ে হাঁফিয়ে উঠেছেন!

আসলে অভিনয়টাই তাঁর ধ্যান, জ্ঞান, স্বপ্ন। তাঁর দুনিয়ার বেশির ভাগটা জুড়ে রয়েছে ‘অভিনয়’। তাঁর জগত্ মানেই তো অভিনয় জগত্! তাই মোটেই ছুটি নেওয়া পছন্দ করেন না শাহরুখ খান। নিজের কাজকে এতটা ভালবাসেন বলেই হয়তো আজ তিনি বলিউড শাসন করছেন।

সূত্র- আনন্দবাজার

‘বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী’

‘বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী’
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।’

বাণিজ্যমন্ত্রী শনিবার দুপুরে শহরের সরকারি স্কুল মাঠে জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। এক জনমত জরিপে জানা যায়, দেশের ৭২ শতাংশ মানুষের কাছে আমাদের নেত্রী জনপ্রিয়। তিনি আজকে শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, আন্তর্জাতিক বিশ্বে স্বীকৃত এক মহান নেতা। তার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে চলছি।’

জেলা যুবলীগের আহবায়ক ও পৌর মেয়র মো. মনিরুজ্জামান এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী।

অন্যান্যের মধ্যে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনর রশীদ, পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের উপ-মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিন, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহবুবুর রহমান হিরন, শহীদ সেরনিয়াবাদ এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মমিন টুলু অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

পরে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ্য ভোটের মাধ্যমে আগামী ৩ বছরের জন্য জেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন বর্তমান আহবায়ক ও পৌর মেয়র মো. মনিরুজ্জামান। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান আতিক।

এর আগে বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সম্মেলন স্থলে উপস্থিত হন নেতাকর্মীরা। হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকের ভিড়ে মুখরিত হয় সরকারি স্কুল মাঠ।

শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনে মনোনিবেশ করার আহবান অর্থমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনে মনোনিবেশ করার আহবান অর্থমন্ত্রীর

সংবাদ সংস্থা: তরুণ শিক্ষার্থীদের জাতির ভবিষ্যত অভিহিত করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনে মনোনিবেশ করার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আজকের শিক্ষার্থীরা একদিন আমাদের জায়গায় বসবে। প্রত্যেকের মধ্যে সেই শক্তি রয়েছে। এ রকম উচ্ছ্বাস পোষণ করে এগিয়ে যাবে। তবে তোমার সেই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে জ্ঞানার্জনের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে।’

শনিবার রাজধানীর মিরপুরে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের উদ্যোগে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষাথীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এদিন ব্যাংকের পক্ষ থেকে সামাজিক দায়বদ্ধ কর্মসূচির (সিএসআর) অংশ হিসেবে ৩ হাজার ৩৭ জন গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত বেনওয়া পিয়েরে লাঘামে, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস তাবারেজ বক্তব্য রাখেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্ঞানের পরিধি বাড়ানো নিরন্তর প্রচেষ্টা। তাই ছাত্রদের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস থাকে, সেই উচ্ছ্বাস কখনো ছাড়বে না। সবসময় পড়ালেখা করে যেতে হবে। দেশ-জাতির সেবায় নিজেদের সম্পৃক্ত রাখারও পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, শিক্ষাবান্ধব সরকার হিসেবে বর্তমান সরকার শিক্ষাকে দারিদ্র্যমুক্তির হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছে। শিক্ষার আধুনিকায়নে এরই মধ্যে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। এটা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। বেসরকারি উদ্যোগেও শিক্ষা সম্প্রসারণে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে ডাচ-বাংলা ব্যাংক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কানাডার রাষ্ট্রদূত বেনওয়া পিয়েরে লাঘামে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এই বৃত্তি শিক্ষার্থীদের সুন্দর জীবন গঠনে বিশেষ সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষাকাল জুড়ে বৃত্তি পাবে। প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা পাবে। এ ছাড়া পাঠ্য উপকরণের জন্য বছরে ২,৫০০ টাকা ও পোশাকের জন্য এক হাজার টাকা দেয়া হবে। অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে প্রতীকী হিসেবে ৯ জনের হাতে বৃত্তির চিঠি তুলে দেন অর্থমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী ও বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত।

আজ তরুণ সাংবাদিক মাহবুবুর রশিদের শুভ জন্মদিন


নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ ২৯ অক্টোবর কানাইঘাটের তরুণ সাংবাদিক,কানাইঘাটের প্রথম অনলাইন  ওয়েব পোর্টাল কানাইঘাট নিউজ ডটকমের সম্পাদক মাহবুবুর রশিদের শুভ জন্মদিন। এই দিনে তিনি কানাইঘাট উপজেলার ৬নং সদর ইউনিয়নের গোসাইনপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ মহিউদ্দিন কানাইঘাট উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও বীরদল এন.এম একাডেমীর সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং মাতা জাহেদা খানম শিরিন একজন গৃহিনী। তিন ভাই তিন বোনের মধ্যে মাহবুবুর রশিদ সবার বড়। স্কুল জীবন থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। ২০০৬ সালে সিলেটের প্রাচীনতম সংবাদপত্র দৈনিক যুগভেরী'র কানাইঘাট প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেন। পরে দেশের একাধিক জাতীয় দৈনিক,সাপ্তাহিক পত্রিকায় তিনি কাজ করেছেন । বর্তমানে নানা বিষয়ে তাঁর লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ,রম্য লেখা ইত্যাদি ঢাকা ও সিলেটের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। অবসর পেলেই দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে বেড়ান তিনি । সাংবাদিকতা ছাড়াও মাহবুব বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত থেকে সামাজিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন(বনপা) কার্যকরী কমিটির সদস্য,কানাইঘাট প্রেসক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য,নিরাপদ সড়ক চাই(নিসচা)কানাইঘাট উপজেলা শাখার সভাপতি,সিলেট অনলাইন প্রেস ক্লাবের সদস্য,কানাইঘাট লেখক ফোরাম ও লোভাছড়া ট্যুরিস্ট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের আজীবন সদস্য,সিলেট ট্যুরিস্ট ক্লাবের সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের  সাথে যুক্ত রয়েছেন।

অপকর্মে ভরা শিশুধর্ষণ কারী কালা সাইফুলের জীবন

অপকর্মে ভরা শিশুধর্ষণ কারী কালা সাইফুলের জীবন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মাদক ব্যবসাসহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন দিনাজপুরের পার্বতীপুরে শিশুধর্ষণে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম। তিনি এলাকায় পরিচিত কালা সাইফুল নামে। চলতি বছর নারী নির্যাতন মামলায় জেল খেটেছে এক মাসেরও অধিক সময় ধরে।

এলাকায় গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের জমিরহাট এলাকার তকেয়াপাড়া গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম। সে ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ছিল। ২০ বছর আগে সে একই গ্রামের সহির উদ্দিন মেয়ে নার্গিসকে বিয়ে করে। বিবাহিত জীবনে তার ৩ মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। বিয়ের আগে ও পরে সে কাঠ ব্যবসাসহ ফড়িয়া (দালালি) ব্যবসা করে সংসার চালতো।

কয়েক বছর থেকে সাইফুলের ‘অচেনা-অজানা’ লোকজনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে। ধীরে ধীরে সে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে থাকে বলে জানায় স্থানীয়রা। কারণে-অকারণে লোকজনের ওপর হাত তোলা এবং ভয়-ভীতি প্রর্শন করায় লোকজন ক্রমশ তাকে ভয় পেতে শুরু করে। প্রায় সে তার তার স্ত্রী নার্গিসকে শারীরিক ও মানসিকভাবে করতো।

এরই মধ্যে তার পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে বড় মেয়ের শ্বাশুড়ির সঙ্গে, এমন অভিযোগও রয়েছে। এসব কারণে গত বছর স্ত্রীর সঙ্গে তার ডির্ভোস হয়ে যায়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নারী নির্যাতন মামলায় ১ মাস ৯ দিন হাজতে ছিল সে। হাজত থেকে বেরিয়ে সে আরও খারাপ আচরণ করতে শুরু করে- এমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসী’র।

প্রায় প্রকাশ্যেই জড়িয়ে পড়ে ফেন্সিডিল ও  গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সঙ্গে। চলতি বছরের মার্চ মাসে সাইফুল তার বড় মেয়ের শ্বাশুড়িকে বিয়ে করে।

এলাকাবাসী জানান, পড়াশোনায় ৫ম শ্রেণিও পেরুতে পারেনি সাইফুল ইসলাম। বিয়ের সময় তার শ্বশুর ২৭ শতক জমি দিয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়ে সে জমিটুকুও খুইয়েছে সে। কিছুদিন আগে সে জাহাঙ্গীর নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা ধার নিয়ে আর ফেরত দেয়নি।

সাইফুল ইসলামের ভাই সাইদুল ইসলাম ও সফিউল ইসলাম জানান, প্রায় এক বছর ধরে সাইফুলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নেই। মাদকাসক্ত হওয়ায় প্রায়ই তাদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো।

তারা জানান, সাইফুল ইসলামের সঙ্গে অচেনা কিছু লোকজনের ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠে। প্রায়ই তারা সাইফুলের বাড়িতে যাওয়া-আসা করতো। এই কারণে সাইফুল ক্রমে বেপরোয়া হয়ে উঠতে থাকে। ধর্ষক সাইফুলের সাবেক শ্বশুর ও আপন চাচা সহির উদ্দিন জানান, বিকৃত মন-মানসিকতার মানুষ সাইফুল। তিন মেয়ে ও এক ছেলের জনক সে। বিয়ে দেওয়ার পরও নিজের বড় মেয়ে রেশমাকে (১৮) মারধোর করতো সাইফুল। বড় মেয়ের শ্বশুড়ির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে তার মেয়ে নার্গিস সাইফুলকে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় মেয়ে সুজাতা (১৩) ও তৃতীয় মেয়ে সালমাকে (১১) নিয়ে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছে। তাদের একমাত্র ছেলে নাজমুলকে (৫) অন্যের বাড়িতে রাখা হয়েছে।

পূজার মাসি (খালা) বুলবুলী রানী জানায়, শিশুটি নিখোঁজের পর সবাই খোঁজাখুজি শুরু করলে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম বাড়িতে এসে তাকে দেবী বা জ্বীনে লুকিয়ে রেখেছে বলে অপপ্রচার শুরু করে। পরে সে কবিরাজ নিয়ে আসে ও কবিরাজ বলে পরের দিন সকালে ওই শিশুকে পাওয়া যাবে। তিনি অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ও কবিরাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

পূজার কাকা মদন দাস জানান, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর সাইফুল ইসলাম মোবাইলে ওই শিশুটির বাবাকে বলে ‘বেশি বাড়াবাড়ি করিস না, আপোসে আয়। তা না হলে পরিণতি খারাপ হবে’ এই বলে মোবাইলে হুমকি দেয়।

এলাকাবাসী জানান, শিশু পূজা নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খুঁজতে শুরু করলে সাইফুল ইসলাম ওই শিশুর মাকে বলেন, বাচ্চাটিকে হয়তো দেবী বা জ্বিনে ধরেছে। কবিরাজ নিয়ে এসে ঝাড়ফুঁক করলে পাওয়া যাবে। পরে আফজাল হোসেন নামে একজন কবিরাজকে নিয়ে আসলে কবিরাজ বলেন পরের দিন সকালে বাচ্চাটিকে পাওয়া যাবে। তার কথামতো পরদিন সকালে বাড়ির পাশের হলদি ক্ষেত থেকে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে পাওয়া যায়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এলাকার লোকজন আরও জানায়, আফজাল হোসেন ওই এলাকার একজন সুপরিচিত কবিরাজ। তাকে লোকে বিশ্বাস করতো। তাদের দাবি, এই ‘ভন্ড কবিরাজকে’ গ্রেফতার করা হলে আরও অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে।

পূজার দাদা অনিল চন্দ্র দাস জানান, সাইফুল নিজের অপরাধ আড়াল করতে একই গ্রামের ভন্ড কবিরাজ আফজাল হোসেনের কাছে তার ছেলে সুবল দাসকে নিয়ে যান। সাইফুলের শিখিয়ে দেওয়া কথা মতে কবিরাজ বলেছিল আপনার মেয়েকে খোঁজার দরকার নেই। সকাল বেলা শিশুটিকে পাওয়া যাবে। পরদিন শিশুটিকে পাওয়া যায় ঠিকেই তবে তা সংজ্ঞাহীন ধর্ষিত অবস্থায়। তার পরেও সাইফুল শিশুটিকে হাসপাতালে নিতে বাধা দিয়ে বলে, কবিরাজ ঝাড়ফুঁক দিলেই ঠিক হয়ে যাবে শিশুটি। হাসপাতালে শিশুটির জ্ঞান ফিরলে ধর্ষক হিসেবে সাইফুলকে সনাক্ত করা হয়।

কবিরাজের স্ত্রী রেহেনা খাতুন বলেন, তার স্বামীর সঙ্গে জিন আছে। সে এলাকায় কবিরাজি করে। এলাকার মানুষদের তেল পড়া ও পানি পড়াসহ ঝাড়ফুঁকের কাজ করে। সাইফুল শিশুটির বাবাকে নিয়ে তার কাছে এসেছিল। তার স্বামীকে ৫০১ টাকা দিলেও সেখান থেকে গোপনে সাইফুল ৩০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তার স্বামীর ধর্ষণ কাজে জড়িত ছিল না। কবিরাজি করতে গিয়ে ফেঁসে গেছে। গ্রেফতার আতঙ্কে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ১৮ অক্টোবর দুপুরে খেলতে বাইরে গেলে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় ৫ বছর বয়সী শিশু পূজা। অনেক খোঁজ করেও তাকে না পেয়ে রাতে পার্বতীপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন পূজার বাবা (সুবল চন্দ্র দাস)। পরের দিন সকালে পূজাকে বাড়ির পাশের হলদি ক্ষেত থেকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এরপর তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়। পরে জ্ঞান ফিরতে শিশুটি ধর্ষক সাইফুল ইসলামের কথা বলে। ওই ধর্ষক শিশুটির গোপনাঙ্গ কেটে ধর্ষণ করে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সিগারেটের ছ্যাঁকা দেয়। এ ঘটনায় পূজার বাবা পার্বতীপুর থানায় একই গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম ও আফজাল হোসেন কবিরাজকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার ৭ দিন পর গত মঙ্গলবার পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুলকে দিনাজপুরের ঈদগাহ বস্তি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালত অভিযুক্ত সাইফুলকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেন। শিশুটি বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি রয়েছে।
----বিডি লাইভ

রাশিয়ার চলচ্চিত্র উৎসবেও পুরস্কৃত 'জালালের গল্প'

রাশিয়ার চলচ্চিত্র উৎসবেও পুরস্কৃত 'জালালের গল্প'
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কে বলেছে বাংলাদেশে সুন্দর ছবি হয় না? যারা বাংলা সিনেমা সম্পর্কে খোঁজখবর না রেখে শুধু হতাশাবাচক কথা বলেন তাদের মুখ লুকোবার উপলক্ষ নিয়ে এসেছে সাম্প্রতিক সিনেমাগুলো। যদিও 'আয়নাবাজি'র মতো সিনেমাটি এতটা আলোড়ন তুলতে পারেনি দেশে, তবু 'জালালের গল্প' সিনেমাটি দেশে-বিদেশে নানা জায়গায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জিতেছে বেশ ক'টি পুরস্কার। এবার সেই ঝুলিতে যুক্ত হলো রাশিয়ান পুরস্কারও।

আবু শাহেদ ইমন তার চলচ্চিত্র ‘জালাল এর গল্প’ এর জন্য রাশিয়ার উফা শহরে সিলভার আকবুজাত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ‘গ্র্যান্ড প্রিক্স প্লে ফিল্ম’ পুরস্কার জিতেছে। সেখানে তার ছবির পাশাপাশি আরো বিভিন্ন দেশ অন্যান্য বিভাগে পুরস্কার জিতে নেয়।

রাশিয়ার সাংস্কৃতিক মন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন আবু শাহেদ ইমনের হাতে।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩