কানাইঘাটে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর দুই হাত কেটে ফেলা হয়েছে !

Kanaighat News on Sunday, July 31, 2016 | 11:01 PM


নিজস্ব প্রতিবেদেক: কানাইঘাটে পল্লীবিদ্যুতের ঝুঁকিপূর্ণ মেইন লাইনের তারে ঝড়িয়ে মারাত্মক আহত হয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী দুই হাত হারিয়ে পঙ্গু হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর্থপেডিক্স বিভাগে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। কিন্তু অদ্যবধি পর্যন্ত চিকিৎসাধীন পঙ্গু ষষ্ঠ শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর কোন ধরনের খোঁজখবর না নেওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, উপজেলার ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপির ফাগু বাঁশবাড়ী গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল জব্বারের ভাগ্না স্থানীয় ফাগু সালাফিয়া দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিক আহমদ (১৩) মামার বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করত। গত ১০ জুলাই মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী সাদিক আহমদ মামা আব্দুর জব্বারের নির্মাণাধীন একতলা ভবনের সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময় সিঁড়ির পাশ ঘেঁষা কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের আওতাধীন অনুমান ২ মাস পূর্বে টানানো ঝুঁকিপূর্ণ ৬ হাজার বোল্টের এসটি লাইনে সকাল ১১টায় জড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ লাইনে জড়িয়ে থাকার পর লাইনটি ট্রিপ করলে সাদিক আহমদ গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে ছিটকে পড়ে। পরে বাড়ীর লোকজনের শোর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে মুমূর্ষ অবস্থায় সাদিককে উদ্ধার করে সাথে সাথে সিলেট সিওমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সাদিকের দুই হাতে পঁচন ধরলে কনুই পর্যন্ত ডাক্তারা কেঁটে ফেলেন। কিন্তু তার দুই হাতের কনুই পর্যন্ত কেটে ফেলার পরও বর্তমানে আর্থপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন সাদিকের দুই হাতের কনুইর উপরের বিভিন্ন অংশের পঁচন ধরেছে। সাদিকের মামা মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুর জব্বার বলেছেন, তার ভাগ্নাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ডাক্তাররা ভারত অথবা সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ১০ জুলাই বিদ্যুতের মেইন লাইনে জড়িয়ে শিশু সাদিকের মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটলেও খবর পাওয়ার পরও কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের কোন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা অদ্যবধি পর্যন্ত ঘটনাস্থল অথবা চিকিৎসাধীন সাদিকের কোন খোঁজ খবর নেননি বলে গ্রামের লোকজন ও আত্মীয় স্বজনরা জানিয়েছেন। সাদিকের মামা আব্দুল জব্বার এবং ফাগু বাঁশবাড়ী গ্রামের হারুন আহমদ, ইসলাম উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম সহ আরো অনেকে কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন, অনুমান ৩ মাস পূর্বে তাদের গ্রামে বিদ্যুতায়নের লাইন টানানো হয়। ঝূঁকিপূর্ণ অবস্থায় বিদ্যুতের লাইন নির্মানের সময় মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল জব্বার সহ আরো অনেকে মৌখিক ভাবে অভাব-অভিযোগ দেওয়ার পরও পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ কোন কর্ণপাত না করে তাদের মতো লাইন নির্মান করে। ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় বিদ্যুৎ লাইন নির্মানের ফলে বিদ্যুতের নির্মিত এসটি লাইনগুলো অনেকাংশে ঝুলে পড়েছে, যা অনেকের বাড়ীঘর ঘেঁষে যাওয়ায় যে কোন সময় সাদিকের মতো আরো অনেকে এ ধরনের অনাকাংখিত দুর্ঘটনার স্বীকার হতে পারে, যা সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে। সাদিকের মর্মান্তিক এ ঘটনার জন্য গ্রামের লোকজন পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে বলেছেন, তাদের অবহেলার কারনে এ ঘটনাটি ঘটেছে। কিন্তু অদ্যবধি পর্যন্ত তারা সাদিকের চিকিৎসার কোন খোঁজ খবরও নেন নি। সাদিকের মামা আব্দুল জব্বার জানিয়েছেন, তার নির্মানাধীন বাড়ীর সিঁড়ির পাশ দিয়া বিদ্যুৎ লাইন নির্মানের সময় তিনি বার বার বাঁধা দেওয়ার পরও লাইন নির্মান করা হয়। যার দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আমার মাদ্রাসা পড়ুয়া ভাগ্না সাদিক মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনার জন্য গ্রামবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্বারা তদন্তের দাবী জানিয়েছেন। এব্যাপারে পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম নজরুল ইসলাম মোল্লার সাথে কানাইঘাট নিউজ থেকে যোগাযোগ করা হলে তাকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি, তার সেল ফোনটি বন্ধ রয়েছে।

সোমালিয়ায় সিআইডি সদর দপ্তরে হামলা, নিহত ১০

সোমালিয়ায় সিআইডি সদর দপ্তরে হামলা, নিহত ১০

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুতে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদর দপ্তরে আজ রোববার হামলা চালিয়েছে জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাব। বোমা ও গুলিতে দুই হামলাকারীসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে।

এক সপ্তাহের মধ্যে এটি দ্বিতীয় বড় ধরনের হামলা। দুটি গাড়িবোমা পুলিশ ঘাঁটিতে ঢুকে পড়ে। এরপরপরই বন্দুকধারীরা ভেতরে প্রবেশ করে। এসময় ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়।

নিরাপত্তা কর্মকর্তা ইব্রাহিম মুহাম্মদ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি এই ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছে।

যে কোনো সময় বন্ধ হচ্ছে সিটিসেল

যে কোনো সময় বন্ধ হচ্ছে সিটিসেল
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সরকারের পাওনা শোধ করতে না পারায় বন্ধ হতে চলেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল। প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, 'বকেয়া পরিশোধে সিটিসেলকে বারবার সময় দেওয়ার পরও তা পরিশোধ না করায় সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে'।

সিটিসেলের কাছে বিটিআরসির বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এর মধ্যে টুজি লাইসেন্সের তরঙ্গ বরাদ্দ ও নবায়ন ফি বাবদ পাওনার পরিমাণ ২২৯ কোটি টাকা। এ ছাড়া রাজস্ব ভাগাভাগি বাবদ ২৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, বার্ষিক তরঙ্গ ফি বাবদ ২৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা, সামাজিক সুরক্ষা তহবিলের ৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, বার্ষিক লাইসেন্স ফি বাবদ ১০ কোটি টাকা, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বাবদ ৩৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা ও বিলম্ব ফি বাবদ ১৩৫ কোটি ৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।

এ বিষয়ে সিটিসিলের প্রধান নির্বাহী মেহবুব চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর হিসেবে টেলিযোগাযোগ সেবার লাইসেন্স পায় সিটিসেল। তবে প্রতিষ্ঠানটি সেবা দিতে শুরু করে ১৯৯৩ সাল থেকে। যাত্রার সময় এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মুঠোফোন অপারেটর। প্রথম থেকেই সিটিসেল বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ (কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস) মোবাইল অপারেটর হিসেবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

গ্রাহকসহ সিটিসেল–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশে বিটিআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা বা সেবা নেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হলো। সিটিসেলের টেলিযোগাযোগ সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য বিটিআরসির পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

সিটিসেলে বর্তমানে ৫৫ ভাগ শেয়ারের মালিক দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী প্যাসিফিক মোটরস ও ফার ইস্ট টেলিকম। এর মধ্যে প্যাসিফিক মোটরসের শেয়ারের পরিমাণ ৩৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ আর ফার ইস্ট টেলিকমের ১৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। বাকি ৪৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ারের মালিক সিঙ্গাপুরভিত্তিক টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সিংটেল।

তারেক রহমানের রায়ের প্রতিবাদে কানাইঘাটে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ ঘোষিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় সাজা, জরিমানা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদল ও গাছবাড়ী আইডিয়াল কলেজ ছাত্রদলের যৌথ উদ্যেগে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশ করেছে স্থানীয় ছাত্রদল । রোববার দুপুর ১২টায় গাছবাড়ী ডিগ্রী কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করে গাছবাড়ী বাজার প্রদক্ষিণ করে বাজার পয়েন্টে এক পথ সভায় মিলিত হয় । উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও গাছবাড়ী আইডিয়াল কলেজ ছাত্রদল নেতা তোফায়েল আহমদের পরিচালনায় উক্ত পথ সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন সিলেট এম.সি. কলেজ ও ল,কলেজ ছাত্রদল নেতা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার,প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন,বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন কানাইঘাট ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি তাজুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্তিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য মাসুদুর রহমান মাছুম, জিল্লুর রহমান নাছিম, মিনহাজুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, সুয়েব আহমদ, কলেজ ছাত্রদল নেতা আফনাজ সিকদার, লুতফুর রহমান, তামিম খাঁন, সুলেমান চৌঃ, প্রমুখ। (বিজ্ঞপ্তি)

যতটুকু হয়েছে তাতেই আমি খুশি: তাসকিন

যতটুকু হয়েছে তাতেই আমি খুশি: তাসকিন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন শোধরানোর অগ্রগতি দেখতেই অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ৪টি ক্যামেরার সামনে বোলিং করলেন ৪ ওভার। ডেলিভারির ধরনও ছিল ৪ রকমের, ইয়র্কার, স্লোয়ার, লেংথ বল ও বাউন্সার।

ভিডিও বিশ্লেষণে অ্যাকশনের অবস্থা বুঝে বোলিং পরীক্ষার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভিডিও ধারণের সময় ছিলেন বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কমিটির সদস্যরাও।

প্রখর রোদে বোলিং করে ঘেমে একাকার তাসকিন। তারপরও মুখে হাসি ফুটে উঠল রিভিউ কমিটির বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে। খালি চোখে দেখে সবারই মনে হয়েছে, অ্যাকশনে সমস্যা খুব একটা নেই।

যতটুকু উন্নতি হয়েছে, তাতে তাসকিন নিজেও বেশ খুশি।

'ভালো লাগছে যে আমাদের দেশেও এখন এত উন্নত প্রযুক্তির ব্যবস্থা হয়েছে'। আমি এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। অনেক এক্সপার্ট কাজ করছেন আমার সঙ্গে। তাদের মত ও আমার আত্মবিশ্বাস মিলিয়ে অনেক খুশি আছি এখন।

'আমার তো সত্যি বলতে বড় কিছু বদলানোর দরকার ছিল না'। ৭ ওভারের মধ্যে ৩টা বলে ত্রুটি পেয়েছিল তারা। সেটা বড় সমস্যা ছিল না। তার পরও যতটুকু কাজ হয়েছে তাতে আমি খুশি। অনেক ভালো এখন অবস্থা।

তাসকিনের বিশ্বাস, এভাবে উন্নতি করতে থাকলে শিগগিরই বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত হয়ে উঠবেন তিনি।

'শেষবার যখন তারা দেখেছিল, বলেছিল যে অনেক উন্নতি হয়েছে। আজকের ভিডিও দেখার পর যদি আরও উন্নতি হয়েছে মনে করেন তারা, তাহলে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়বে। এভাবে উন্নতির ধারা থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই টেস্টের জন্য যেতে পারব আশা করি'।

জেনে নিন পাথরকুচির ১৫টি আশ্চর্য গুনাবলী!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পাথরকুচি ঔষধি উদ্ভিদ। দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু হয়। পাতা মাংসল ও মসৃণ, আকৃতি অনেকটা ডিমের মতো। চারপাশে আছে ছোট ছোট গোল খাঁজ। এই খাঁজ থেকে নতুন চারার জন্ম হয়। অনেক সময় গাছের বয়স হলে ওই গাছের খাঁজ থেকে চারা গজায়। পাতা মাটিতে ফেলে রাখলেই অনায়াসে চারা পাওয়া যায়। কাঁকর মাটিতে সহজেই জন্মে, তবে ভেজা, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় দ্রুত বাড়ে। পাতা থেকে এ গাছ জন্ম নেয়। আসুন জেনে নিই পাথরকুচির ঔষুধি গুণ- * মেহঃ সর্দিজনিত কারণে শরীরের নানান স্থানে ফোঁড়া দেখা দেয়। যাকে মেহ বলা হয়। এ ক্ষেত্রে পাথরকুচির পাতার রস এক চামুচ করে সকাল-বিকাল একসপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়। * সর্দিঃ সর্দি পুরান হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে এটি বিশেষ উপকারী। পাথরকুচি পাতা রস করে সেটাকে একটু গরম করতে হবে এবং গরম অবস্থায় তার সাথে একটু সোহাগার খৈ মেশাতে হবে। তিন চা-চামচের সাথে ২৫০ মিলিগ্রাম যেন হয়। তা থেকে দুই চা চামচ নিয়ে সকালে ও বিকালে দুবার খেলে পুরান সর্দি সেরে যাবে এবং সর্বদা কাশি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। * কাটাকাটিতেঃ টাটকা পাতা পরিমাণ মত হালকা তাপে গরম করে কাটা বা থেতলে যাওয়া স্থানে সেক দিলে আরাম পাওয়া যায়। * রক্তপিত্তঃ পিত্তজনিত ব্যথায় রক্তক্ষরণ হলে দু’বেলা এক চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস দুদিন খাওয়ালে সেরে যাবে। * পেট ফাঁপাঃ অনেক সময় দেখা যায় পেটটা ফুলে গেছে, প্রসাব আটকে আছে, আধোবায়ু, সরছে না, সেই ক্ষেত্রে একটু চিনির সাথে এক বা দুই চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস গরম করে সিকি কাপ পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এর দ্বারা মূত্র তরল হবে, আধো বায়ুরও নিঃসরণ হবে, ফাঁপাটাও কমে যাবে। * শিশুদের পেট ব্যথায়ঃ শিশুর পেটব্যথা হলে, ৩০-৬০ ফোঁটা পাথর কুচির পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার উপশম হয়। তবে পেট ব্যথা নিশ্চিত হতে হবে। * মৃগীঃ মৃগী রোগাক্রান্ত সময়ে পাথর কুচির পাতার রস ২-১০ ফোঁটা করে মুখে দিতে হবে। একটু পেটে গেলেই রোগের উপশম হবে। * শরীর জ্বালাপোড়াঃ দু-চামচ পাথর কুচি পাতার রস, আধা কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দুবেলা খেলে উপশম হয়। * কিডনির পাথর অপসারণঃ পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলগণ্ডের পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে। দিনে দুবার ২ থেকে ৩টি পাতা চিবিয়ে অথবা রস করে খান। * জন্ডিস নিরাময়েঃ লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী। * উচ্চ রক্তচাপঃ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে পাথরকুচি পাতা মুক্তি দেয়। * পাইলসঃ পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস্ ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। * কলেরা, ডাইরিয়া বা রক্ত আমাশয়ঃ তিন মি.লি. পাথরকুচি পাতার জুসের সাথে ৩ গ্রাম জিরা এবং ৬ গ্রাম ঘি মিশিয়ে কয়েক দিন খেলে এসব রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়। * ত্বকের যত্নঃ পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। সাথে সাথেই এর মধ্যে জ্বালাপোড়া কমানোর ক্ষমতা থাকে। যারা ত্বক সম্বন্ধে সচেতন, তারা পাথরকুচি পাতা বেটে ত্বকে লাগাতে পারেন। ব্রণ ও ফুস্কুড়ি জাতীয় সমস্যাও দূর হয়ে যাবে। * পোকা কামড়ঃ বিষাক্ত পোকায় কামড়ালে এই পাতার রস আগুনে সেঁকে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

গাছবাড়ীতে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি অাইডিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের উদ্দ্যোগে দেশ ব্যাপী জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ও তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকরের দাবিতে এক মিছিল অনুষ্টিত হয় ।মিছিলটি বাজারের প্রধান প্রধান গলি প্রদক্ষিন শেষে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় মিলিত হয়। ছাত্রলীগ নেতা রুহেল আহমদের সভাপতিত্বে ও পিন্টু চন্দ্রের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ নেতা জুনেদ আহমাদ,আব্দুল্লাহ আল মামুন,ইমরান নাজির,সুলতান আহমদ,প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, দেশব্যাপী জঙ্গি বাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে সোচ্চার হতে হবে এবং সাজা প্রাপ্ত তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করতে হবে।(বিজ্ঞপ্তি)

সাপে কাটলে অনেকেই এই কাজ গুলো করে যেটা করলে বিপদ আরও বেড়ে যায়…


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিষধর সাপের কামড়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর মূল কারণ সচেতনতার অভাব। ওঝা বা বেদের মাধ্যমে অবৈজ্ঞানিক উপায়ে চিকিৎসা করা, রোগীকে হাসপাতালে আনতে বিলম্ব করা এবং বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে চিকিৎসা না করানোর ফলে অনেক প্রাণ অকালে ঝরে যায়। এ ক্ষেত্রে যা করবেন: * সাপে কাটলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে বসে থাকুন। আক্রান্ত অঙ্গ নাড়াচাড়া করবেন না। একটি লম্বা কাঠ ও কাপড়ের সাহায্যে আক্রান্ত স্থানটি বেঁধে ফেলুন। খুব বেশি শক্ত করে বাঁধবেন না, এতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনভাবে বাঁধতে হবে, যেন আক্রান্ত অঙ্গ ও কাপড়ের মাঝে কষ্ট করে একটি আঙুল ঢোকানো যায়। * আক্রান্ত স্থানে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে, রক্তক্ষরণ হলে, চোখের পাতা পড়ে গেলে, ঘাড় শক্ত রাখতে না পারলে, হাত-পা অবশ হয়ে এলে ও শ্বাসকষ্ট হলে একটুও দেরি না করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। * সাধারণত নির্বিষ সাপের কামড়ে আক্রান্ত স্থানে সামান্য ব্যথা, ফুলে যাওয়া বা অল্প ক্ষত সৃষ্টি হয়ে থাকে। তবে এসব লক্ষণ থাকলেও ঝুঁকি নেওয়া ঠিক নয়, যেকোনো রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। * বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি সরকারি মেডিকেল কলেজে এবং কিছু কিছু জেলা সদর হাসপাতালে সাপের বিষের প্রভাবপ্রতিরোধী ওষুধ (অ্যান্টিভেনোম) মজুত রয়েছে। এটিই বিষধর সাপে কাটা রোগীর জন্য একমাত্র চিকিৎসা। রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে এলে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রয়োজনও হতে পারে। মনে রাখবেন, এসব চিকিৎসা শুধু হাসপাতালেই করানো সম্ভব, অন্য কোথাও নয়। যা করবেন না * আক্রান্ত স্থান কাটা * দড়ি দিয়ে খুব শক্ত করে বাঁধা * আক্রান্ত স্থান থেকে মুখের সাহায্যে রক্ত বা বিষ টেনে বের করার চেষ্টা করা * আক্রান্ত স্থানে গোবর, শিমের বিচি, আলকাতরা, ভেষজ ওষুধ বা কোনো প্রকার রাসায়নিক লাগানো * অ্যান্টিহিস্টামিন ইনজেকশন প্রয়োগ করা ডা. ফরহাদ উদ্দিন চৌধুরী মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

একদিনেই 'ঢিশুম'এর আয় সাড়ে ১১ কোটি

একদিনেই 'ঢিশুম'এর আয় সাড়ে ১১ কোটি

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভারতের তিন হাজার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে 'ঢিশুম'। প্রথম সপ্তাহে এ সিনেমার আয় ২৫ কোটি রুপি ছাড়ানোর প্রত্যাশা। এরই মধ্যে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হয়েছে ছবিটি।

গত শুক্রবার মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। প্রথম দিনেই এই বলিউড ছবিটি আয় করেছে সাড়ে ১১ কোটি রুপি। প্রথম দিনে সর্বাধিক আয় করা ছবিগুলোর মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে আছে এটি। এর আগে উড়তা পাঞ্জাব-এর প্রথম দিনের আয় ছিল সাড়ে ১০ কোটি রুপি।

এদিকে হৃতিক রোশন থেকে শহিদ কাপুরের মতো তারকারাও ছবিটিকে নিয়ে ইতিবাচক টুইট করেছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, বিনোদনমূলক ছবি হওয়ায় এটি দর্শকদের ভালো লেগেছে। ঢিশুম-এ অভিনয় করেছেন জন আব্রাহাম, বরুণ ধাওয়ান ও জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এ ছাড়া একটি অতিথি চরিত্রে আছেন অক্ষয় কুমার। পরিচালক রোহিত ধাওয়ানের অভিষেক হলো ঢিশুম দিয়ে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও ইন্ডিয়া টুডে

জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় ডিএমপির অ্যাপস

জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় ডিএমপির অ্যাপস

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান সুস্পষ্ট। জঙ্গিবাদ দমনে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

আজ রোববার বেলা ১১ টার সময়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে হ্যালো অ্যাপস সিটির উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান বলেন, জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ অর্থদাতাদের খুঁজে পেতে কাজ করছে গোয়েন্দা সংস্থা। সারাদেশব্যাপী নাগরিক ইউনিট তৈরি করা হয়েছে। জঙ্গিরা কোথায় কাজ করছেন এই তথ্য আমরা পাইনা। তবে এখন হ্যালো সিটি অ্যাপসের মাধ্যমে ছবি, ভিডিওসহ যে কোনো তথ্য দিতে পারবেন। এ্যান্ড্রয়েড ফোনে এটা ইনস্টলের মাধ্যমে বোমা-অস্ত্র বিষয়ক তথ্য আমাদেরকে দিতে পারবেন। আমাদের লাল সবুজের পতাকা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে আমরা সবাই বদ্ধপরিকর।

কমিশনার মো. মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে হ্যলো সিটি অ্যাপসটির উদ্ধোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহা-পরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কাউন্টার টেরোরিজ অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপ-কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান,গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার উত্তর শেখ নাজমুল আলম, উপকমিশনার পশ্চিম মো. সাজ্জাদুর রহমান, কাউন্টার টেরোরিজ অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. ছানোয়ার হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ভারতে ট্রেনে বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

ভারতে ট্রেনে বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এগারো বছর আগে শ্রমজীবী এক্সপ্রেস ট্রেনে বিস্ফোরণ মামলায় এক বাংলাদেশি নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরের একটি আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশির মোহাম্মদ আলমগীর ওরফে রনি।

শনিবার মহম্মদ আলমগীরকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন বিচারক বুদ্ধিরাম যাদব। ঘটনায় অপর অভিযুক্ত আবদুর রহমানকে নিয়ে রায় শোনানো হবে আগামী ২ অগাস্ট।

২৮ জুলাই ২০০৫, উত্তরপ্রদেশের জৈনপুর জেলার হরপালগঞ্জ স্টেশনের হরিহরপুর ক্রসিংয়ের কাছে শ্রমজীবী এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণ হয়। ওই ঘটনার ১২ জন মারা যান, আহত হন বহু যাত্রী। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ মহম্মদ আলমগীর ও আবদুর রহমানকে গ্রেফতার করে। শুরু হয় বিচারপ্রক্রিয়া। শনিবার সেই মামলার রায় দেয় জৈনপুর দেওয়ানি আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৮ জুলাই উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরের কাছে হরিহর ক্রসিং-এ পাটনা থেকে দিল্লিগামী শ্রমজীবী এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত হয়, আহত হয় অন্তত ৬০ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জৌনপুরে সাদা স্যুটকেস সঙ্গে নিয়ে ট্রেনে উঠেছিলেন দুই ব্যক্তি। কিন্তু, কিছুক্ষণ পরই ট্রেন থেকে লাফিয়ে নেমে পালায় তারা। এর কয়েক মিনিটের মধ্যে বিস্ফোরণটি ঘটে। জানা যায়,  কামরায় শৌচাগারে রেখে দেওয়া আরডিএক্স থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল।

ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় আলমগীর ও উবেদ ছাড়াও নাফিকুল বিশ্বাস, সোহাগ আলি ওরফে হিলাল নামের আও দুই বাংলাদেশি নাগরিক আটক হয়। এরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি হুজির সদস্য। নাফিকুল ও হিলাল অন্য একটি মামলায় হায়দ্রাবাদের জেলে রয়েছে। শ্রমজীবী ট্রেনে বিস্ফোরণ মামলার আরেক অভিযুক্ত শরিফ পলাতক। অন্যদিকে মামলার বিচার চলার মধ্যেই গুলাম রাজদানি ও সাঈদ নামে দুুই অভিযুক্ত মারা যায়।

মানসিক চাপ দূর করে দেবে এই ৫টি পানীয়


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পাথরকুচি ঔষধি উদ্ভিদ। দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু হয়। পাতা মাংসল ও মসৃণ, আকৃতি অনেকটা ডিমের মতো। চারপাশে আছে ছোট ছোট গোল খাঁজ। এই খাঁজ থেকে নতুন চারার জন্ম হয়। অনেক সময় গাছের বয়স হলে ওই গাছের খাঁজ থেকে চারা গজায়। পাতা মাটিতে ফেলে রাখলেই অনায়াসে চারা পাওয়া যায়। কাঁকর মাটিতে সহজেই জন্মে, তবে ভেজা, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় দ্রুত বাড়ে। পাতা থেকে এ গাছ জন্ম নেয়। আসুন জেনে নিই পাথরকুচির ঔষুধি গুণ- * মেহঃ সর্দিজনিত কারণে শরীরের নানান স্থানে ফোঁড়া দেখা দেয়। যাকে মেহ বলা হয়। এ ক্ষেত্রে পাথরকুচির পাতার রস এক চামুচ করে সকাল-বিকাল একসপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়। * সর্দিঃ সর্দি পুরান হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে এটি বিশেষ উপকারী। পাথরকুচি পাতা রস করে সেটাকে একটু গরম করতে হবে এবং গরম অবস্থায় তার সাথে একটু সোহাগার খৈ মেশাতে হবে। তিন চা-চামচের সাথে ২৫০ মিলিগ্রাম যেন হয়। তা থেকে দুই চা চামচ নিয়ে সকালে ও বিকালে দুবার খেলে পুরান সর্দি সেরে যাবে এবং সর্বদা কাশি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। * কাটাকাটিতেঃ টাটকা পাতা পরিমাণ মত হালকা তাপে গরম করে কাটা বা থেতলে যাওয়া স্থানে সেক দিলে আরাম পাওয়া যায়। * রক্তপিত্তঃ পিত্তজনিত ব্যথায় রক্তক্ষরণ হলে দু’বেলা এক চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস দুদিন খাওয়ালে সেরে যাবে। * পেট ফাঁপাঃ অনেক সময় দেখা যায় পেটটা ফুলে গেছে, প্রসাব আটকে আছে, আধোবায়ু, সরছে না, সেই ক্ষেত্রে একটু চিনির সাথে এক বা দুই চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস গরম করে সিকি কাপ পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এর দ্বারা মূত্র তরল হবে, আধো বায়ুরও নিঃসরণ হবে, ফাঁপাটাও কমে যাবে। * শিশুদের পেট ব্যথায়ঃ শিশুর পেটব্যথা হলে, ৩০-৬০ ফোঁটা পাথর কুচির পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার উপশম হয়। তবে পেট ব্যথা নিশ্চিত হতে হবে। * মৃগীঃ মৃগী রোগাক্রান্ত সময়ে পাথর কুচির পাতার রস ২-১০ ফোঁটা করে মুখে দিতে হবে। একটু পেটে গেলেই রোগের উপশম হবে। * শরীর জ্বালাপোড়াঃ দু-চামচ পাথর কুচি পাতার রস, আধা কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দুবেলা খেলে উপশম হয়। * কিডনির পাথর অপসারণঃ পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলগণ্ডের পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে। দিনে দুবার ২ থেকে ৩টি পাতা চিবিয়ে অথবা রস করে খান। * জন্ডিস নিরাময়েঃ লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী। * উচ্চ রক্তচাপঃ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে পাথরকুচি পাতা মুক্তি দেয়। * পাইলসঃ পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস্ ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। * কলেরা, ডাইরিয়া বা রক্ত আমাশয়ঃ তিন মি.লি. পাথরকুচি পাতার জুসের সাথে ৩ গ্রাম জিরা এবং ৬ গ্রাম ঘি মিশিয়ে কয়েক দিন খেলে এসব রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়। * ত্বকের যত্নঃ পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। সাথে সাথেই এর মধ্যে জ্বালাপোড়া কমানোর ক্ষমতা থাকে। যারা ত্বক সম্বন্ধে সচেতন, তারা পাথরকুচি পাতা বেটে ত্বকে লাগাতে পারেন। ব্রণ ও ফুস্কুড়ি জাতীয় সমস্যাও দূর হয়ে যাবে। * পোকা কামড়ঃ বিষাক্ত পোকায় কামড়ালে এই পাতার রস আগুনে সেঁকে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

এটিএম পিন নম্বর চার সংখ্যার হয় কেনো

এটিএম পিন নম্বর চার সংখ্যার হয় কেনো
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এটিএম কার্ডের পিন নম্বর চার সংখ্যারই হয়ে থাকে? এটিএম কার্ডের পিন নম্বর আজকের দিনে কমবেশি সবার কাছেই অত্যন্ত জরুরি। এই চার সংখ্যার নম্বরই আপনার কষ্টার্জিত অর্থকে সুরক্ষিত রাখে। আবার, এই চারটে সংখ্যার জোরেই যখন খুশি প্রয়োজনে এটিএম থেকে টাকা তুলে নিতে পারেন আপনি। অনলাইনে অর্থ লেনদেনের প্রয়োজনেও এই পিন নম্বরই আপনার একমাত্র ভরসা।

কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন এটিএম কার্ডের এই পিন নম্বরটি চারটি সংখ্যার হয় কেন? কারণটার পিছনে ছিলেন একজন মহিলা। না, তিনি এটিএম মেশিন বা এটিএম কার্ড অথবা পিন নম্বর ব্যবহার করে টাকা তোলার এই পদ্ধতি আবিষ্কার বা উদ্বোধন করেননি। করেছিলেন তার স্বামী।

আসলে ভারতের শিলংয়ে জন্মানো স্কটিশ আবিষ্কারক জন অ্যাড্রিয়ান শেফার্ড ব্যারন আজকের এটিএম মেশিন তৈরির ক্ষেত্রে অন্যতম পথপ্রদর্শক ছিলেন। অবাক করার মতো বিষয় হলো, তিনি নিজে ছয় সংখ্যার পিন নম্বর তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তার স্ত্রী ক্যারোলিনের আপত্তিতেই শেষ পর্যন্ত পিন নম্বর চার সংখ্যার করার সিদ্ধান্ত নেন জন শেফার্ড ব্যারোন। কারণ, ক্যারোলিনের স্মৃতিশক্তি খুব একটা ভালো ছিল না। ফলে, ৬ সংখ্যার পিন নম্বর মনে রাখা তার পক্ষে সম্ভব হতো না।

একদিক দিয়ে দেখলে হয়তো জন শেফার্ড ব্যারোনের স্ত্রী ক্যারোলিনকে আমাদেরও ধন্যবাদ দেয়া উচিত। প্রতারণার আশঙ্কায় এমনিতেই মাঝেমধ্যে পিন নম্বর বদলানো উচিত। চার সংখ্যার পিন নম্বরই মাঝেমধ্যে গুলিয়ে যায় অনেকের, সেখানে ছয় সংখ্যার পিন নম্বর হলে মুশকিল আরও বাড়তো।

উপজাতি হলেও এদের আছে নিজস্ব ক্রিকেট টিম

উপজাতি হলেও এদের আছে নিজস্ব ক্রিকেট টিম

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কেনিয়া এবং তাঞ্জানিয়ার দক্ষিণে সীমান্ত অঞ্চলে ভিক্টোরিয়া হ্রদের পশ্চিম তীরে বসবাস আফ্রিকার আদি কৃষকগোষ্ঠী মাসাই উপজাতির। উপজাতি হলেও তাদের সুসংগঠিত ক্রিকেট দলও আছে। আদিম যাযাবর থেকে সভ্য ক্রিকেট খেলোয়াড় হয়ে ওঠার গল্প অবাক করার মতো।

মাসাইরা আফ্রিকায় পশু পালনকারী সম্প্রদায় নামে খ্যাত। গবাদি পশুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে তাদের আর্থসামাজিক কাঠামো। সামাজিক অবস্থান, মর্যাদা নির্ভর করে সাধারণ অধিকারে থাকা গরুর সংখ্যার ওপর। আদর্শ কৃষিভিত্তিক সমাজের উদাহরণ দিতে গেলে মাসাইদের কথা এখন সবার আগে চলে আসে, যদিও তাদের জীবনব্যবস্থা সভ্য মানুষের মতো নয়।

মাসাই যুবকদের জীবন ভবঘুরেদের মতো। তারা  ১৩ বছর থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বনে-জঙ্গলে কাটায়। বনে-জঙ্গলে জীবনের সুবর্ণ সময় কাটালেও এ সময় তারা যুদ্ধের বিভিন্ন কৌশল রপ্ত করে। এ কৌশলের ওপর ভর করে তাদের দক্ষতা নির্ধারিত হয়। বাকি জীবনে সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে তারা ওই কৌশলের আশ্রয় নেয়।

মাসাইদের খাদ্যাভ্যাসে রোমহর্ষক এক উপাদান রয়েছে। শুনলে গা শিউরে উঠতে বাধ্য। তাদের পছন্দের খাবারের মধ্যে আছে গরু, বিশেষ করে ষাঁড়ের তাজা রক্ত। তবে মাসাইদের প্রধান খাদ্য ভুট্টা ও বজরা। বজরা আফ্রিকা অঞ্চলের মানুষের খাবার। তবে পশুর দুধও তাদের প্রিয় খাবার।

অন্য যাযাবর গোষ্ঠী থেকে মাসাইদের সহজে আলাদা করা যায়। পোশাক ও জীবনাচরণ ও দৈহিক গড়ন, সব মিলে মাসাইরা অন্য উপজাতিদের চেয়ে আলাদা। তবে বর্তমানে আধুনিকতার আলোকচ্ছটা তাদের ওপর পড়তে শুরু করেছে।

নিজেদের ঐতিহ্য আঁকড়ে ধরে তারা আধুনিকতার আলো নিতে শুরু করেছে। সামাজিক রীতিনীতিগুলো প্রাচীন হলেও নতুন ধ্যান-ধারণায় আগ্রহ রয়েছে তাদের। বাল্যবিবাহ রোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ, এইডস/এইচআইভি সচেতনতা বৃদ্ধি, নারী-পুরুষে সমতা এবং শিক্ষার প্রসারে তাদের মধ্যে কিছু অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়। অন্যান্য আফ্রিকান গোত্রের মধ্যে যা খুব একটা দেখা যায় না।

মাসাই গোষ্ঠী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সম্প্রতি তাদের সংস্কারমূলক কাজ আফ্রিকার অন্য গোত্রগুলোর মধ্যে প্রবাহিত হচ্ছে। সভ্যতার স্বাদ নিতে শুরু করেছে তারা। বিনোদন-ক্রীড়া ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে।

মাসাই আদিবাসী গোত্র গড়ে তুলেছে একটি ক্রিকেট দল, যার নাম ‘মাসাই ক্রিকেট ওয়ারিয়র্স’। মাসাইয়ের এই ক্রিকেট যোদ্ধাদের লক্ষ্য আধুনিক, শিক্ষিত ও কুসংস্কারমুক্ত একটি গোষ্ঠী হিসেবে বিশ্ববাসীর সামনে নিজেদের তুলে ধরা।

নিজেদের মূলটাকে অপরিবর্তিত রেখেই তারা অর্জন করতে চায় তাদের লক্ষ্য। এ জন্যই মাসাই ক্রিকেট দল অন্য সব ক্রিকেট দল থেকে ভিন্ন। মাসাইরা ক্রিকেট খেলে অন্য সবার মতোই, কিন্তু তারা জার্সি, টি-শার্ট বা ট্রাউজার পরে না। মাসাই ক্রিকেট ওয়ারিয়র্স মাঠে নামে তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেই, সঙ্গে তাদের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে থাকে অদ্ভূত মাসাই গয়না।

তুরস্কে ১৭ সাংবাদিক আটক

তুরস্কে ১৭ সাংবাদিক আটক

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: তুরস্ক সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য হওয়ার অভিযোগে ১৭ সাংবাদিককে আটক রেখেছে। সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর এ পর্যন্ত ১৮ হাজারের বেশি লোককে আটক করেছে। শনিবার ইস্তাম্বুলের একটি আদালত ১৭ সাংবাদিককে পুলিশ হেফাজতে রিমান্ডের অনুমতি দিয়েছে।

এদিকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান তার দেশে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর লাগতার ব্যাপক ধরপাকড়ের পশ্চিমা সমালোচনার জবাবে ‘নিজের চরকা তেল’ দিতে বলেছেন।

২১ জন সাংবাদিককে এক বিচারকের আদালতে শুনানিতে হাজির করা হয়। শুনানি চলে শুক্রবার মাঝ রাত পর্যন্ত। এদের মধ্যে চারজনকে মুক্তি দেয়া হলেও বাকি ১৭ জনকে বিচার-পূর্ব আটকাদেশ দেয়া হয়।

রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, এদের বিরুদ্ধে একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য হওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। আটকদের মধ্যে রয়েছেন, প্রখ্যাত সাংবাদিক নাজলি ইলিজাক ও গুলেন জামানের দৈনিকের সাবেক প্রতিনিধি হালিম বুসরা এরদাল।

সাগরের ঢেউয়ে বিলীন হচ্ছে ঝাউবাগান


কক্সবাজার: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে জোয়ারের পানির ধাক্কায় প্রাণ যাচ্ছে ঝাউগাছের। জোয়ারের পানি থেকে ঝাউগাছকে রক্ষার কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয়ার কারণে সৈকত পাড়ের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিকারী এসব ঝাউবাগান এখন বিলীনের পথে। ইতোমধ্যে সাগরের জোয়ারের পানিতে ভেঙে গেছে শতাধিক ঝাউগাছ। আবার অনেক ক্ষেত্রে ঝাউগাছের গোঁড়ালি থেকে বালি সরিয়ে ফেলে সেগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয়রা। এভাবে চলতে থাকলে সৈকতের সৌন্দর্য্য বিলীনের পাশাপাশি পরিবেশ ক্ষতির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শনিবার দুপুরে সরেজমিনে সৈকতের ডায়াবেটিক, সুগন্ধা, শৈবাল, লাবণী, কলাতলী ও সি-ইন পয়েন্টে দেখা গেছে, একের পর এক সাগরের বালিয়াড়িতে উপড়ে পড়ে আছে ঝাউগাছের গোড়ার অংশ। বিশেষ করে প্রবল জোয়ারের পানিতে সৈকতের ঝাউগাছের গোড়া থেকে বালি সরে যাওয়ায় গাছগুলোর এ অবস্থা হয়েছে। এদিকে বনবিভাগের কোনো নজরদারি না থাকায় গাছগুলো রাতের অন্ধকারে, আবার অনেক সময় দিনে দুপুরেও কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয়রা। এভাবে কয়েক বছর ধরে চলতে থাকলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। শুধু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত নয়, টেকনাফের সাবরাং থেকে বাহারছড়া শামলাপুরের অবস্থাও করুন। এখানে প্রায় ৫৪০ হেক্টর জায়গায় ১৯৯৩-৯৪ সালে এসব ঝাউগাছ লাগানো হয়। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কচুবনিয়া পাড়া, হাজমপাড়া, মহেশখালিয়াপাড়া, তুলাতলি, মিঠাপানিরছড়া, রাজারছড়া, সাবরাং ইউনিয়নের বাহারছড়া, মুন্ডাল ডেইল, খুরেরমুখ, কাটাবনিয়া, হাদুরছড়া, নয়াপাড়া, বাহারছড়ার ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া পাড়া, মাথাভাঙ্গা, দক্ষিণ শীলখালী, জাহাজপুরা, বড়ডেইল, শামলাপুরসহ হুমকির মুখে পড়েছে সৈকত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টের অসংখ্য ঝাউগাছ। এসব স্থানে অনেক গাছের গোড়া থেকে দুই-তিন ফুট পর্যন্ত বালি সরে গিয়ে শিকড় বেরিয়ে পড়েছে। আশপাশে উপড়ে পড়ে আছে গাছের গোড়া। কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, সমুদ্র সৈকতের ঝাউগাছ বিলীন হওয়ার কারণে হুমকির মুখে রয়েছে আশপাশের এলাকা। এসব স্থানে জিও ব্যাগ দিয়ে বাঁধ না দিলে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকতা আলী কবির জানান, সৈকতের পরিবেশ রক্ষা এবং ঝাউগাছের প্রাণ রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বন বিভাগ। (ঢাকাটাইমস

ফোনে কোন ধরনের ডিসপ্লে ভালো


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আইপিএস না অ্যামোলেড? স্মার্টফোনে কোন ধরনের ডিসপ্লে ভাল? এমন প্রশ্ন অনেকেরই। আইপিএস ডিসপ্লে এবং অ্যামোলেড ডিসপ্লের প্রযুক্তি সমসাময়িক হলেও পার্থক্য রয়েছে। আইফোনে ব্যবহার করা হয় আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে। ওদিকে বেশিরভাগ অ্যানড্রয়েড ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস-এ রয়েছে অ্যামোলেড ডিসপ্লে। স্মার্টফোন কেনার সময়ে এখনও বহু মানুষ দামের চিন্তাই বেশি করেন, ফোনের কনফিগারেশন নয়। আবার কনফিগারেশনের মধ্যে কারও কাছে ব্যাটারি ব্যাক-আপ প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, তো কেউ জোর দেন প্রসেসর এবং র‌্যামের উপর। প্রধানত যারা গেম খেলেন বা নিয়মিত ভিডিও দেখেন ফোনে, তারাই বেশি করে ডিসপ্লে নিয়ে মাথা ঘামান। বেশিরভাগ ক্রেতা ‘ফুল এইচডি’ ডিসপ্লে শুনেই ফোনটি বগলদাবা করে বাড়ি ফেরেন। কিন্তু মোবাইলের কনফিগারেশনে ‘ফুল এইচডি’ লেখা থাকলেই যে সেটি সেরা ডিসপ্লে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। এইচডি ডিসপ্লে মানে নিঃসন্দেহে ভাল, কিন্তু সেরা কি না তা কীভাবে বোঝা যাবে? স্মার্টফোনের বাজার এখন জমজমাট। প্রচুর ব্র্যান্ড এবং প্রোডাক্ট রেঞ্জ এসে গিয়েছে ক্রেতাদের হাতের মুঠোয়। তাছাড়া এক একটি নির্দিষ্ট ক্রয়সীমার স্মার্টফোনগুলির মধ্যে দামের তারতম্যও খুব বেশি নয়। তাই মাথা গুলিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে ক্রেতারা যে দাম দিয়ে একটি ফোন কিনছেন, তার থেকে হয়তো আর হাজার দু’য়েক টাকা বেশি দিলেই আরও ভাল কনফিগারেশনের স্মার্টফোন পেতেন। তাই ফোন কেনার সময়ে অন্যান্য কনফিগারেশনের পাশাপাশি ডিসপ্লেও খুঁটিয়ে দেখাটা প্রয়োজন। ১. ডিসপ্লের ক্ষেত্রে বাজারসেরা এখন দু’টি ডিসপ্লে প্রযুক্তি— একটি হল অ্যামোলেড বা সুপার অ্যামোলেড এবং অন্যটি হল আইপিএস এলসিডি। দু’টিরই ভাল-মন্দ রয়েছে। ২. অ্যামোলেড ডিসপ্লের বিশেষত্ব হল এতে স্ক্রিনের প্রত্যেকটি পিক্সেল আলাদা ভাবে আলোকিত হয়। এই ধরনের ডিসপ্লেতে একটি পাতলা ফিল্ম ট্রানসিস্টর বা টিএফটি থাকে যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে পিক্সেলগুলি আলোকিত করে। ৩. আইপিএস এলসিডি (ইন-প্লেন সুইচিং লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে) প্রযুক্তি অ্যামোলেডের থেকে অনেকটাই আলাদা। এক্ষেত্রে একটি পোলারাইজড আলোকরশ্মিকে একটি কালার ফিল্টারের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত করা হয়। এবার আসা যাক তুল্যমূল্য আলোচনায়। কোন ডিসপ্লে ভাল— আইপিএস না অ্যামোলেড? আইফোনে ব্যবহার করা হয় আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে। ওদিকে বেশিরভাগ অ্যানড্রয়েড ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস-এ রয়েছে সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে। বিশেষ করে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস সিরিজের বেশি দামের ফোনগুলিতে সুপার অ্যামোলেড তো রয়েইছে, কয়েকটি মাঝারি রেঞ্জের ফোনেও এই ডিসপ্লে দেখা যায়। আইফোন আইপিএস এলসিডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার কারণ কোম্পানির বক্তব্য এই প্রযুক্তি অ্যামোলেডের তুলনায় অনেক বেশি সস্তা। ওদিকে স্যামসাংয়ের মত, সুপার অ্যামোলেড প্রযুক্তিতে ডিসপ্লের রঙ অনেক বেশি উজ্বল লাগে। নিঃসন্দেহে সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে অসাধারণ। শোনা যাচ্ছে, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৮-এ থাকবে কার্ভড ফোরকে অ্যামোলেড ডিসপ্লে। তাই বলে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে যে খারাপ তা কিন্তু একেবারেই নয়। আইপিএস ডিসপ্লের ইউএসপি হল শার্পনেস আর ক্ল্যারিটি বা স্বচ্ছতা। তবে রোদের মধ্যে খুব স্পষ্ট হয় অ্যামোলেড ডিসপ্লে আবার অনেকের মতে, তেরছাভাবে বা অ্যাঙ্গুলার ডিসপ্লে ভাল হয় আইপিএস প্রযুক্তিতে। আইফোন ছাড়াও এলজি, এইচটিসি এবং লুমিয়া ফোনগুলিতেও আইপিএস এলসিডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। তবে ক্রেতারা কোনদিকে যাবেন? সেরা উপায় হল— দোকানে দু’টি ধরনের ডিসপ্লে পাশাপাশি রেখে বিচার করা। যে ডিসপ্লেটি আকর্ষণীয় মনে হবে সেটিই কিনুন, কিন্তু নিজে যাচাই করাটা জরুরি। কারণ ডিসপ্লের ফিলটা একেক জন মানুষের কাছে একেক রকম। তাই সেলসম্যানের কথার উপরে ভরসা করবেন না। এছাড়া সেটটিতে গেম খেলে এবং ভিডিও দেখেও পরীক্ষা করে দেখুন। অনলাইনে যদি ফোন কেনার পরিকল্পনা থাকে, তবে তার আগে উইনডো শপিংয়ে বেরিয়ে দু’টি ধরনের ডিসপ্লে চাক্ষুষ করে আসাই ভাল।

কুড়িগ্রামে পাঁচ লক্ষাধিক বানভাসির মানবেতর জীবন


কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জেলার ৯ উপজেলায় কমেনি সাড়ে পাঁচ লক্ষাধিক বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য ও ল্যাট্রিনের অভাবে মানবেতর জীবন-যাপন করছে উঁচু বাঁধ, পাকা সড়কে আশ্রয় নেয়া হাজার হাজার পরিবার। বানভাসি পরিবারগুলো তাদের গবাদি পশু নিয়ে গাদাগাদি করে বসবাস করছে। আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলো জরুরি ভিত্তিতে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ল্যাট্রিনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি দুই সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৯৭ সেন্টিমিটার ও সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ৮৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা দুর্গতের মাঝে ৫৭৫ মেট্রিক টন চাউল ও সাড়ে ১৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হলেও তা ছয় লক্ষাধিক বানভাসীর জন্য অপ্রতুল। বেশির ভাগ বানভাসীর ভাগ্যে ত্রাণ সহায়তা না জোটায় কোনো রকম খেয়ে না খেয়ে থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার ৯ উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫৫০ কিলোমিটার কাঁচা-পাকা সড়ক ও ৪০ কিলোমিটার নদ-নদীর তীর রক্ষা বাঁধ। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান ঢাকাটাইমসকে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে দুই সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৯৭ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৮৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নতুন ও যোগ্য নেতৃত্বের প্রত্যাশায় নেতাকর্মীরা


খুলনা: সম্মেলনের পর পাঁচ বছর পার হলেও কাউন্সিলের দেখা নেই খুলনা জেলা বিএনপির। ঝিমিয়ে পড়া সংগঠনকে গতিশীল করতে এখনই নতুন কমিটির প্রয়োজন বলে মনে করছেন দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তারা নতুন ও যোগ্য নেতৃত্বের প্রত্যাশায় সম্মেলনের জন্য তাকিয়ে আছেন কেন্দ্রের দিকে। এদিকে খুলনা জেলা বিএনপিতে সাধারণ সম্পদকের পদে যোগ্য নেতা মিলছে না বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। মেয়াদ শেষ হওয়া কমিটির অনেক নেতা এই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে চাইলেও তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অভিযোগ। দলীয় কার্যালয় দখল করে মার্কেট নির্মাণ, চরমপন্থী ও সুন্দরবনের দস্যুদের সঙ্গে আঁতাত, সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগসাজশ, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একাধিকবার দল থেকে বহিষ্কার হওয়া নেতারাই চাইছেন সাধারণ সম্পদক হতে। ফলে আগামী দিনে আন্দোলন-সংগ্রামে এরা দলকে কতটা এগিয়ে নিতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। খুলনা জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১০ সালে। অধ্যাপক মাজিদুল ইসলামকে সভাপতি এবং এস এম শফিকুল আলম মনাকে সাধারণ সম্পাদক করে তখন কমিটি গঠন করা হয়। এরপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের অজুহাতে আর কোনো সম্মেলন হয়নি। কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও আর সম্মেলনও করতে পারেনি সংগঠনটি। ফলে শীর্ষ পদের জন্য অনেকেই এখন মুখিয়ে রয়েছেন। সূত্রানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম দিকে সম্মেলনের তোড়জোড় শুরু হলেও কেন্দ্রীয় সম্মেলন এবং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের কারণে তাও পিছিয়ে যায়। খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি বরাবরই একসঙ্গে সবকিছু করলেও সম্প্রতি নগর ও জেলা শাখা পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন শুরু করেছে। ফলে নগর শাখার সম্মেলন না হওয়ায় জেলা শাখার সম্মেলন নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। কবে সম্মেলন হবে, তাও কেউ বলতে পারছে না। তবে খুলনার নেতাকর্মীরা আশা করছেন, খুব শিগগির খুলনায় বিএনপির সম্মেলন হবে। জেলা বিএনপির সভাপতির পদ নিয়ে খুব একটা টানাটানি নেই। এই পদে একক প্রার্থী হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এস এম শফিকুল আলম মনার। সম্মেলনের কোনো দিন-তারিখ ঠিক না হলেও কমিটিতে স্থান পেতে তোড়জোড় শুরু করেছেন অনেকেই। বিশেষ করে শীর্ষ দুই পদের আশায় বুক বেঁধেছেন উদীয়মান কয়েকজন নেতা। তবে তাদের অনেকেরই লক্ষ্য সাধারণ সম্পাদকের পদ। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, যারা সাধারণ সম্পাদকের পদ চাইছেন, তাদের সবার বিরুদ্ধে কিছু না কিছু অভিযোগ রয়েছে। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ প্রত্যাশা করছেন বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আমীর এজাজ খান, জেলা প্রচার সম্পাদক ও যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বাপ্পী ও যুগ্ম সম্পাদক মোল্লা খাইরুল ইসলাম। দলীয় সূত্রানুযায়ী, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর এই নেতাদের অনেকেই খুলনা ছেড়ে পালিয়ে যান, আবার কেউ কেউ সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আঁতাত করে আন্দোলনে না থেকে মামলার হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন। জেলার এক উপজেলায় দলীয় কার্যালয় দখল করে সেখানে মার্কেট করেছেন এক নেতা। বনদস্যুদের সঙ্গে আঁতাত করে সুন্দরবনের কাঠ পাচার করার অভিযোগ রয়েছে নগর বিএনপির শীর্ষ নেতার কাঁধে ভর দিয়ে চলা একজন নেতার। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার অভিযোগে দুবার দল থেকে বহিষ্কার হওয়া এবং দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থীদের সঙ্গে আঁতাত করে চলছেন একজন। ফলে এসব নেতাকে দিয়ে আগামী দিনে দল সঠিকভাবে পরিচালিত হবে কি না তা নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে। জেলা বিএনপির সহসভাপতি মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, সম্মেলনের ব্যাপারে দলের হাইকমান্ড থেকে এখনো পর্যন্ত নির্দেশনা জেলা কমিটি পায়নি। তবে দলের সক্রিয় ও ধারাবাহিকভাবে যারা দলের সব কর্মকা-ে অংশ নিচ্ছেন, তারা নেতৃত্বপ্রত্যাশী। দলকে আরও গতিশীল করতে এ ব্যাপারে শিগগিরই কেন্দ্র উদ্যোগ নেবে বলে তারা আশাবাদী। এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম শফিকুল আলম মনা ঢাকাটাইমসকে বলেন, খুব তাড়াতাড়ি জেলা বিএনপির সম্মেলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কাউন্সিল হবে, না কেন্দ্র থেকে কমিটি নির্ধারণ করে দেয়া হবে, তা তিনি বলতে পারেননি। তবে কেন্দ্র যে নির্দেশনা দেবে, তাই মেনে নেয়া হবে বলে তিনি জানান। শফিকুল বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের নেতা নির্বাচিত করা হবে কি না, তা কেন্দ্র অথবা তৃণমূল নেতাকর্মীরাই নির্ধারণ করবে।

‘আমরা এখানে, আমাদের বাঁচাও’


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভার্চুয়াল জগতের পোকেমন গো খেলতে যখন বিশ্বের মানুষ মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে মহাব্যস্ত তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার দিকে তাদের চোখ ফেরনোর করুণ আর্তি দিয়ে সারা বিশ্বের মানুষের হৃদয় স্পর্শ করলো সিরিয়ান শিশুরা। টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে কাল্পনিক পোকেমন চরিত্রের ছবি একে বুকের কাছে ধরে প্রাণ বাঁচানোর করুন আর্তি করেছে তারা। বাশার আল আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়ছে এমন বেশ কয়েকটি দলকে প্রতিনিধিত্ব করছে রেভুল্যুশনারি ফোর্সেস অব সিরিয়া (আরএসএফ)। আরএসএফ তাদের টুইটার ফিডে সম্প্রতি তুলে এনেছে যুদ্ধ বিদ্ধস্ত সিরিয়ায় আটকে থাকা এসব শিশুদের ছবি। হৃদয়বিদারক এসব ছবিতে সিরিয়ান শিশুরা কাল্পনিক পোকেমনদের ছবি একে বুকের উপর ধরে তাতে জানাচ্ছে তাদের উদ্ধার করার আর্জি। পিকাচু (পোকেমন চরিত্র) এর ছবি একে তার নিচে একটি শিশু লিখেছে – সিরিয়ায় অনেক পোকেমন আছে, এসো, আমাকে বাঁচাও! শিশুদের জন্য পরিচালিত আন্তর্জাতিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান সেভ দ্য চিলড্রেনের হিসেব অনুযায়ী সিরিয়ায় প্রায় আড়াই লাখ শিশু যুদ্ধের মাঝখানে আটকা পড়ে আছে। গৃহযুদ্ধে অগুনতি শিশুর মৃত্যুও দেখেছে বিশ্ব। মানবিক দায় এড়িয়ে পৃথিবীর মানুষ যে সিরিয়ার কথা ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করছে সেটাই আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল সিরিয় শিশুরা।

সংসদে ঢুকে পত্রিকা পড়লো বানর!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিশ্বাস না হলেও ছবি দেখে এড়িয়ে যেতে পারবেন না। অবিকল মানুষের মত যেন পত্রিকা পড়ছে বানরটি। সংসদের লাইব্রেরিতে সাংসদরা তখন কেউ ছিলেন না। এ সুযোগে ঢুকে পড়ে বানরটি। পাক্কা আধা ঘণ্টা লাইব্রেরিতে বসে জ্ঞান অর্জন করে প্রাণীটি। এই বই সেই বই নেড়েচেড়ে পড়তে থাকে। এরপর হইচইয়ে বিরক্ত হয়ে টেবিলের ওপর লাফিয়ে ওঠে। সেখান থেকে ইলেকট্রিক তারে ঝুলে সংসদের গ্যালারিতে উঠে যায়। আবার সেভাবে নেমেও আসে। লাইব্রেরি থেকে বের হওয়ার পথ চোখে না পড়ায় সদর দরজা ধরে। সবুজ কার্পেটে মোড়া পথ দিয়ে খানিকটা এসে ভিআইপি গেট দিয়ে বেরিয়ে যায়। লাইব্রেরিতে বানর দেখে ততক্ষণাৎ লাইব্রেরি কর্মীরা সংসদের নিরাপত্তারক্ষীদের খবর দেয়। কিন্তু বানরকে ঠেকানোর প্রশিক্ষণ না থাকায় তারা কেউ আসেনি। এ সময়টা লাইব্রেরি হল দাপিয়ে বেড়ায় বানরটি। তখন নিরাপত্তা রক্ষীরা সেন্ট্রাল হলের দরজা বন্ধ করে দেয়, যাতে বানরটি মন্ত্রী-সাংসদদের কাছে ঘেঁষতে না পারে। তবে দিল্লির সংসদে পশুর আনাগোনা এই প্রথম নয়, গত মে মাসেও সংসদ চত্বরে একটি নীলগাই ঢুকে পড়েছিল। সে সময় এটিকে ধরতে ঘাম বের হয়ে যায় নিরাপত্তা রক্ষীদের।

সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করার ১০টি কৌশল


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: যেকোন বাবা-মা চান তার সন্তান আত্মবিশ্বাসী হোক, নিজেকে চিনুক, নিজেকে বিশ্বাস করুক। কিন্তু ছোট্টবেলা থেকে অনেক বেশি পরনির্ভরশীলতার কারণে অনেক সময়েই মানুষ বড় হবার পরেও নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেনা এবং পরবর্তীতে এর প্রভাব পরে কর্মক্ষেত্রে। বাস্তব জীবনের খুব ছোট্ট আর কঠোর সত্য হচ্ছে মানুষ একা। তাই দিন শেষে নিজের ছোট ছোট কাজের জন্যেও অন্যের ওপর নির্ভর করা কিংবা অন্যের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জীবন যাপন করা কেবল কর্মজীবনেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও একজন মানুষকে অন্যের চোখে করে তোলে হাস্যকর। তৈরি করে আরো অনেক বেশি হীনমন্ন্যতা! আর তাই এই সমস্যাকে মোকাবেলা করতে ছোটবেলা থেকেই কিছু সহজ কাজ করার মাধ্যমে করে তুলুন আপনার সন্তানকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী! ১. হেরে যেতে দিন বাবা-মা কখনোই চান না সন্তান হেরে যাক। আর তাই অনেকেই বুক দিয়ে আগলে রাখেন সন্তানকে। সাহায্য করেন জিততে। এটা ঠিক যে বাবা-মা হিসেবে আপনার না ইচ্ছে করতেই পারে যে সন্তান হেরে গিয়ে কষ্ট পাক। কিন্তু মনে রাখবেন যে হারের মাধ্যমেই মানুষ শেখে। বড় হয়। একবার হারলে মানুষ হারকে মোকাবেলা করার শক্তি পায়। বিপদে পড়ার মাধ্যমে মানুষের আরো বেশি মানসিক শক্তি আড়ে সামনের বিপদকে সরিয়ে দেওয়ার। আর তাই সন্তান কষ্ট পেয়ে কাঁদলে বা হেরে গিয়ে মন খারাপ করলে তাকে সেখান থেকে সরে আসতে না বলে মুখোমুখি হবার সাহস দিন। হয়তো সে আবার হারবে। তারপরও। ২. দায়িত্ব নিতে দিন আমাদের সমাজে সন্তান কি করবে না করবে সেসবের সিদ্ধান্ত অনেকখানি তার মা-বাবাই নিতে চান। কিন্তু সবচাইতে ভালো হয় যদি আপনার সন্তানকে তার জীবনের সিদ্ধান্ত আপনি নিজেই নিতে দেন এবং বোঝান যে যেহেতু সে এই সিদ্ধান্ত নিজে থেকেই নিছে সুতরাং এর ফলাফলটাও পুরোপুরি তার। এতে করে সন্তান নিজের সিদ্ধান্ত নেবার মতো মানসিক শক্তি অর্জন করবে আর যে কোন কাজের ফলাফল কেমন হতে পারে সে সম্পর্কেও ধারণা পাবে। ৩. সাহায্য করতে অনুপ্রেরণা দিন যেকোন শিক্ষা সেটা ঘর তেকেই শুরু হওয়া উচিত। আর তাই আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্যে ঘরের কাজকর্মে সাহায্য করতে অনুপ্রেরণা দিন সন্তানকে। হতে পারে সেখানে প্রতিযোগিতার ব্যাপারও থাকতে পারে। এতে করে আপনার সন্তান কেবল অনেক রকমের কাজই শিখবে না, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব আর সাহায্য করার ইচ্ছাকেও নিজের ভেতরে ধারণ করবে। ৪. চ্যালেঞ্জ করুন সন্তানকে চ্যালেঞ্জ করুন। হতে পারে সেটা ঘরের কোন ব্যাপারে কিংবা স্কুলের কোন খেলায়। এতে করে সে শিখবে নিজের শক্তিতে কি করে আরো ভালো অবস্থানে যাওয়া যায় এবং তাও আর সবাইকে নিয়ে। আর সে ভালো কিছু করলে সেটাকে উদযাপনও করুন। ৫. দায়িত্ব দিন ঘরের ছোটখাটো ব্যাপারগুলোতে সন্তানকে দায়িত্ব দিন। সেটা হতে পারে বাইরে খেতে যাওয়া বা মুভি দেখার মতো বিষয়। এতে করে আপনার সন্তান সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবে। ৬. শখকে উত্সাহ দিন সন্তানের অনেক রকমের শখ থাকতে পারে। হতে পারে সেটা ডাকটিকিট সংগ্রহ করা কিংবা বই পড়া। তাকে নিজের শখকে ধরে রাখার ক্ষেত্রে উত্সাহ দিন। এতে করে সে মুক্তভাবে নিজের ইচ্ছেমতন কাজ করতে ও সেই ক্ষেত্রে অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতামূলক কাজের মাধ্যমে চারপাশকে আরো ভালো করে জানার সুযোগ পাবে। ৭. সন্তানের কথা শুনুন হতে পারে সেটা ছোট কোন ব্যাপার কিংবা আপনি তার কথা পুরোপুরি বুঝতে পারছেন না। তবুও সন্তানের পুরো কথাটা মনযোগ দিয়ে শুনুন। তার কথা কেউ গুরুত্ব দিয়ে শুনছে এটা বুঝতে পারলে নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়বে তার। শুধু তাই নয়, শোনার পাশাপাশি আপনি নিজেও তাদেরকে বলুন আপনার কথাগুলো। ৮. সত্যিটা জানান হয়তো আপনার সন্তান অন্যদের চাইতে কিছু একটা কম পারে বা কোন দিক দিয়ে খানিকটা পিছিয়ে আছে। মোটেই তাকে বড় বড় কথা বলে মন ভারো করার চেষ্টা করবেন না। কারণ সেটা হয়তো খানিক সময়ের জন্যে তার মন ভালো করে দেবে। এর চাইতে বরং তাকে সত্যিটা বলুন যে আসলেই সে খানিকটা পিছিযে রয়েছে সেই ব্যাপারটাতে বন্ধুদের চাইতে এবং আরেকটু চেষ্টা করলে অনেক বেশি ভালো করতে পারবে। ৯. তুলনা করা বন্ধ করুন ভালো বা খারাপ কারো সাথেই সন্তানের তুলনা করতে যাবেন না সন্তানের। সেটা কেবল সন্তানকে অনেক সময় কষ্টই দেয়না। প্রশংসার অন্ধকারে তলিয়ে ফেলে যেখান থেকে সে নিজে কখনো বেরিয়ে আসতে পারেনা। আর তাই কেবল অন্য কারো ভালো বা খারাপ অবস্থানের কথা উল্লেখ করুন। তুলনা নয়। সেটা আপনার সন্তান নিজেই করে নেবে। ১০. স্থান দিন পরিবারের ছোট্ট সদস্য হলেও সে যে আপনাদের ভেতরে অনেকটা জায়গা জুড়ে রয়েছে এবং তার উপস্থিতি যে আপনাদের জন্যে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা বোঝাতে পারিবারিক যে কোন আলোচনাতেই সন্তানকে রাখুন। তাকেও নিজের মতামত প্রকাশ করার জায়গা দিন। তথ্যসূত্র- লাইফহ্যাক

শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ানো কি ঠিক?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: প্রশ্ন : শিশুদের খাবারদাবার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। এখনকার বাবা মায়েদের প্রধান সমস্যাই থাকে বাচ্চাটি খেতে চাচ্ছে না। শিশুদের খাবার-দাবারের মান ও পরিমাণ কী রকম হওয়া উচিত? উত্তর : শিশুদের খাবার-দাবার তো একটি সাধারণ জিনিস। তবে বাবা-মারা আসলে বিষয়টিকে অনেক জটিল করে তোলেন। আমরাও এটাকে জটিল করে ফেলেছি, আর এটা নিয়ে যখন আলোচনা হয়,সেটা আরো জটিল থেকে জটিলতর হয়। একে খুব সহজ কেন বলছি, দেখুন, একটি বাচ্চার যেসব চাহিদা আছে, চাহিদাগুলোর ভিতরে খাবার একটি বিষয়। পৃথিবীতে যত প্রাণী সৃষ্টি হয়েছে,খাবারের জন্যই তারা একটি গতির মধ্যে আছে। একটি বাচ্চা যখন ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর কান্নাকাটি করে, তখনই যদি আপনি তার মুখের কাছে আঙুল নিয়ে যান আপনি দেখবেন,যে বাচ্চাটা হা করছে। সে খেতে চাচ্ছে। মানে তার চাহিদা আছে। তো কী খাবার দেবেন, বুকের দুধ। শুধু একটাই জিনিস সেটি হলো মায়ের দুধ। আমরা যদি একে নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে আপনি বুঝবেন, নিশ্চিত হবেন যে এই বাচ্চার শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ ও অনেক ধরনের রোগব্যধি থেকে সে মুক্ত হবে। অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে যদি আপনি বিষয়টি মানুষের মধ্যে দিতে পারেন, তাহলে শিশুর মানসিক বিকাশ ভালো হবেই। যেসব সমস্যাতে আমরা প্রতিনিয়ত ভুগছি, বমি, ডায়রিয়া ইত্যাদি সমস্যা থেকে সে মুক্ত থাকবে। কোনো বাচ্চা যদি শুধু মায়ের দুধ জীবনের প্রথম দিন থেকে শুরু করে, মা যদি বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে এই বাচ্চার ভবিষৎ খুব ভালো। যখন তার ছয় মাস বয়স শেষ হয়ে গেল, মা বাবারা প্রতিনিয়ত আমাদের কাছে বলে ডাক্তার সাহেব এর তো এখন ছয় মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে, মায়ের দুধে তো এখন পেট ভরবে না, এখন আমি অন্য একটি দুধ দেই? অন্য দুধ দিতে চাওয়াটাই ধারণাগত ভুল, এটা ক্ষতিকর। বাচ্চার যখন ছয় মাস হয়ে গেল, তখন মায়ের দুধ তার জন্য অপর্যাপ্ত। এটাই নিয়ম। তার অর্থ এই নয় যে অন্য একটি দুধ দেবেন। আপনি অন্য একটি দুধ কোথা থেকে দেবেন? আপনাকে তখন বাজার থেকে বাণিজ্যিক দুধ দিতে হবে। টিনের মধ্যে, প্যাকেটের মধ্যে যে দুধ আছে সেটি আনতে হবে। নয়তো কোনো জায়গায় থেকে গরুর দুধ আনতে হবে, নয়তো ছাগলের দুধ আনতে হবে। কিছু একটি আনতে হবে। এগুলোর একটি জিনিসও বাচ্চার বৃদ্ধির জন্য ভালো নয়। বিশেষ করে গরুর দুধ। এর মধ্যে যে প্রোটিন বা আমিষ থাকে সেটা মায়ের দুধের প্রোটিন থেকে কয়েকগুণ শক্ত। এটি ছোট বাচ্চার পক্ষে হজম করা সম্ভব হয় না। প্রশ্ন : তাহলে মায়েদের একটি প্রশ্ন থাকে এই গরুর দুধ কখন থেকে খাওয়ানো প্রয়োজন? উত্তর : এজন্য বাচ্চাটির পর্যাপ্ত পরিপক্বতা দরকার। সেই পরিপক্বতা হওয়ার পর আমরা গরুর দুধ দেব। এত তাড়াতাড়ি নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা আমাদের যারা বিশেষজ্ঞ আছেন, তাঁদের পরামর্শ, দুই বছরের পর থেকে সীমিত পর্যায়ে গরুর দুধ খাওয়ানো যাবে। এটা কিন্তু প্রধান খাবার নয়। অনেক মায়ের কাছে আমি জিজ্ঞেস করি, আপনার বাচ্চা কী খায়? বলে, দুই ঘণ্টা তিন ঘণ্টা পর সাত আটবার করে দুধ খাচ্ছে। তাতে কী হচ্ছে? এই দুধই সে খাচ্ছে। কিন্তু অন্যান্য যে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবারগুলো সেগুলো সে পাচ্ছে না। প্রশ্ন : ছয় মাস পর থেকে কোন খাবারটি দিয়ে তাহলে খাবার শুরু করতে হবে? উত্তর : আমি একটু আগে বলছিলাম যে মায়ের দুধ খেতে হবে। আর ছয় মাস পরের থেকে যে খাবারটি দেওয়া হবে সেটা বাড়িরই খাবার হবে। কারণ,ওই বাচ্চাটিকে বড় হতে হবে বাড়ির খাবার খেয়ে। এই পর্যন্ত কোনো গবেষণায় আসেনি যে বাড়ির বাইরের খাবার খেয়ে বাচ্চা বড় হয়েছে। প্রশ্ন : এই যে সুজি বা অন্য কোনো বিষয়- এগুলো সম্বন্ধে বলুন। উত্তর : এগুলো খুবই ঝামেলার জিনিস। এগুলো খুব প্রয়োজনীয় কিছু নয়। আমরা দিব তবে একটি উপাদানের দিকে যদি আমরা বেশি ঝুঁকে যাই,তাহলে সমস্যা। অনেক বাচ্চা সারাদিন কেবল সুজিই খায়। অনেক বাচ্চা সারাদিন কেবল বাণিজ্যিক যে শিশু খাদ্য বাজারে রয়েছে সেগুলো খায়। এটাও ঠিক নয়। প্রশ্ন : শিশুদের যে খিচুরি দেওয়া হয় সেটি কতখানি প্রয়োজনীয়? উত্তর : আমরা যে খিচুরিটা তৈরি করি সেখানে ভাত আছে, ডাল আছে, চাল আছে, সবজি, মাছ, অথবা মাংস আছে, তেল আছে। তাহলে যেসব উপাদান প্রতিদিন প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরের জন্য দরকার, তার প্রতিটি একসাথে দিয়ে একটি মিশ্রিত খাবার তৈরি করি। এটা নরম করে তৈরি করা হয় যাতে একসাথে সব উপাদান চলে আসে। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাচ্চাকে এটা খাওয়াতেই হবে। কোনো বাচ্চা যদি এটা খেতে না চায় তাহলে আমরা আলাদা আলাদাভাবে দিতে পারি। কিন্তু একটি ছোট বাচ্চার জন্য আলাদা আলাদা খাবার দেওয়া খুব জটিল হয়ে যায়। সেজন্যই শিশুদের খিচুরি দেওয়া হয়।এনটিভি

দাম কমছে যেসব স্মার্টফোনের


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: হাতের ফোনটা বেশ কিছুদিন থেকেই সমস্যা করছে। ঠিকমত চার্জ থাকছে না। কথা বলতে বলতে গরম হয়ে উঠছে। এমন অবস্থায় একটা নতুন ফোন না কিনলেই নয়। চলুন কোনো দোকানে যাওয়ার আগে একঝলকে দেখে নেয়া যাক, কোন কোন স্মার্টফোনের দাম কমছে? ১) ভিভো ভি৩- প্রথমে দাম ১৭৯৮০ থাকলেও, এখন অনেকটাই কমে দাম ১৪৯৮০। ২) রিলায়েন্স লাইফের ফ্লেম সিরিজের দাম কমছে প্রায় ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকা। ৩) মোটো এক্স- ১৬৯৯৯ থেকে দাম কমে এখন পাবেন ১৬৪৯৯ টাকায়। ৪) মোটো জি থার্ড জেন- পাবেন মাত্র ৯৯৯৯ টাকায়। ৫) জিয়াওমি মি৪- জিয়াওমি সিরিজের এই ফোনটির দাম ১৪৯৯৯ টাকা থেকে কমে এখন ১০৯৯৯ টাকা। ৬) লেনেভো ভাইব এস ওয়ান- ১৫৯৯৯ টাকা থেকে কমে এখন দাম ১২৯৯৯ টাকা।-জিনিউজ

জান্নাতে খেজুর গাছের মালিক হতে সাড়া জাগানো বিসর্জন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু একটি হাদিস বর্ণনা করেন যে, মদিনায় এক ইয়াতিম ছেলের একটি খেজুর বাগান ছিল। তার বাগানের সঙ্গে আবু লুবাবা নামে এক লোকেরও একটি খেজুর বাগান ছিল। ইয়াতিম ছেলেটি তার বাগানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের চিন্তা করল। যাতে প্রত্যেকের অংশ পৃথক হয়ে যায়। প্রাচীর দিতে গিয়ে সে দেখলো, প্রতিবেশি আবু লুবাবার বাগানের একটি খেজুর গাছ তার সীমানার মধ্যে পড়ে আছে; যে কারণে তার প্রাচীরটি সোজা করে নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিবেশীর (আবু লুবাবা) কাছে গিয়ে তার সমস্যার কথা জানিয়ে গাছটি দান অথবা বিক্রির প্রস্তাব দিলো। আবু লুবাবা আল্লাহর কসম করে বললো, কোনোভাবেই সে গাছটি তাকে (ইয়াতিম ছেলেকে) দিবে না। কোন উপায় না পেয়ে ইয়াতিম ছেলেটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা জানালো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আবু লুবাবাকে ডাকালেন। আবু লুবাবা মসজিদে নববিতে আসলে বিশ্বনবি তাকে সেই খেজুর গাছটি অর্থের বিনিময়ে অথবা ইয়াতিম ছেলেকে দান করতে বললেন। সে বলল, আমি কোনোভাবেই খেজুর গাছটি তাকে দিব না। বিশ্বনবি তাকে কয়েকবার বলার পরেও যখন সে রাজি হলো না; তখন বিশ্বনবি আবু লাবাবাকে বললেন, তোমার (ইয়াতিম) ভাইকে ঐ খেজুর গাছটি দিয়ে দাও। আমি তোমার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছের যিম্মাদার হব। আবু লুবাবা এ ঘোষণার পরও খেজুর গাছটি দিতে অস্বীকার করল। তখন বিশ্বনবি চুপ হয়ে গেলেন। সাহাবাগণ সে মজলিসের কথপোকথন নিশ্চুপ শুনছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিল হজরত আবু দাহদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু। মদিনায় তাঁর ৬০০ সুস্বাদু খেজুর গাছের খুবই প্রসিদ্ধ একটি সুন্দর বাগান ছিল। সেখানে তিনি বসবাস করতেন। এবং সে বাগানে একটি কুপও ছিল। হজরত আবু দাহদাহও বিশ্বনবির কথা শুনছিলেন। তিনি ভাবলেন, এ ক্ষনস্থায়ী দুনিয়া কি? পরকালের চিরস্থায় জীবনের কাছে এ দুনিয়া তুচ্ছ। বরং যদি জান্নাতে একটি খেজুর গাছ পাওয়া যায়, তাহ’লে আর কি চাই? তিনি বিশ্বনবিকে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি জান্নাতের যে খেজুর গাছের কথা বললেন, এটা কি শুধু তার (আবু লুবাবার) জন্যই (খাছ)? আমি যদি ঐ ব্যক্তির কাছ থেকে (সীমানার ওপর পড়ে থাকা) খেজুর গাছটি ক্রয় করে এ ইয়াতিমকে দেয়ার ব্যবস্থা করি, তাহ’লে আমিও কি জান্নাতে খেজুর গাছের মালিক হব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- হ্যাঁ, তোমার জন্যও জান্নাতে খেজুর গাছ থাকবে। আবু দাহদাহ ঐ ব্যক্তিকে সম্বোধন করে বললেন- হে আবু লুবাবা শোন! তুমি আমার বাগান সম্পর্কে অবগত আছ, যেখানে ৬০০ খেজুর গাছ আছে, সঙ্গে ঘর ও একটি কূপও আছে? সে বলল, মদিনাতে এমন কে আছে, যে আপনার বাগান সম্পর্কে জানে না? তিনি বললেন, তাহ’লে তুমি আমার ঐ সম্পূর্ণ বাগান গ্রহণ করে তোমার একটি খেজুর গাছ আমাকে দিয়ে দাও। আবু লুবাবা তাঁর এ কথা বিশ্বাস করতে পারছিল না। সে আবু দাহদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর দিকে তাকাল। অতপর লোকজনের দিকে তাকিয়ে বলল, তোমরা লক্ষ্য কর, আবু দাহদাহ কি বলছে? লোকজন যখন তার কথার ব্যাপারে সাক্ষী হ’ল, তখন সে বলল, হ্যাঁ আমি তোমার খেজুর গাছের বাগান গ্রহণ করলাম এবং ঐ খেজুর গাছটি তোমাকে দিয়ে দিলাম। হজরত আবু দাহদাহ যখন ঐ খেজুর গাছের মালিক হয়ে গেলেন, তখন ঐ ইয়াতিমকে বললেন, এখন থেকে ঐ খেজুর গাছটি তোমার। আমি তা তোমাকে উপহার দিলাম। এখন তোমার বাগানের প্রাচীর সোজা করতে আর কোনো বাঁধা নেই। এবার হজরত আবু দাহদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বিশ্বনবির দিকে তাকিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এখন আমি কি জান্নাতে খেজুর গাছের মালিক হ’লাম? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, كَمْ مِنْ عِذْقِ رَدَاحٍ لِأَبِي الدَّحْدَاحِ فِي الْجَنَّةِ ‘আবু দাহদাহর জন্য জান্নাতে এখন কত বিশাল বিশাল খেজুরের বাগান অপেক্ষা করছে’! হাদিসটি বর্ণনাকারী হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এ শব্দটি তিনি (বিশ্বনবি) এক, দুই বা তিনবার বলেননি; বরং খুশি হয়ে বারংবার বলেছেন। অবশেষে হজরত আবু দাহদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু জান্নাতে বাগানের সুসংবাদ নিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে নিজের বর্তমান বাগানের দরজায় গিয়ে স্ত্রীকে ডাক দিলেন- হে উম্মে দাহদাহ! হজরত উম্মে দাহদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা অত্যন্ত অবাক হ’লেন যে, আজকে আবু দাহদাহ বাগানের বাইরের দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন কেন? ভিতরে আসছেন না কেন? আবারও আওয়াজ আসল! উম্মে দাহদাহ!, উত্তরে তিনি বললেন, আমি উপস্থিত হে আবু দাহদাহ! বাচ্চাদেরকে নিয়ে এ বাগান থেকে বের হয়ে আস। উম্মে দাহদাহ বললেন, আমি বাগান হ’তে বের হয়ে আসব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি এ বাগান বিক্রি করে দিয়েছি। উম্মে দাহদাহ বললেন, আপনি কার নিকট এটা বিক্রি করেছেন? কে কত দাম দিয়ে এটা ক্রয় করেছেন? হজরত আবু দাহদাহ বললেন, আমি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের বিনিময়ে তা বিক্রি করে দিয়েছি। উম্মে দাহদাহ বললেন, আল্লাহু আকবার, হে আবু দাহদাহ! আপনি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা করেছেন। জান্নাতের একটি বৃক্ষ, যার নিচে (একজন) অশ্বারোহী একশত বছর পর্যন্ত চলার পরেও তার ছায়া শেষ হবে না। (বুখারি) কী সৌভাগ্য আমাদের যে, আমরা জান্নাতে এমন একটি (খেজুর) গাছ পাব। (মুসনাদে আহমাদ, মুস্তাদরেকে হাকিম) পরিশেষে… আবু দাহদাহ এবং উম্মে দাহদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমার এ দান কোনো সাধারণ দান ছিল না। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আশা পূর্ণ এবং একজন ইয়াতিমকে সহায়তা করার জন্য দুনিয়ায় নিজের মূল্যবান সম্পদ তারা আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিয়েছিলেন। স্বীয় বাসস্থান, মূল্যবান সুস্বাদু খেজুর বাগান, কূপ ছেড়ে দিয়ে মানব জাতির জন্য দানের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন। এটাই হল সত্যিকারের রাসুল প্রেম। আল্লাহ তাআলা হজরত আবু দাহদাহ ও তাঁর পরিবারের প্রতি অবিরত ধারায় রহমত বর্ষণ করুন! এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে অনুরূপ দানশীল হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

কেন হঠাৎ বাংলাদেশে ছুটে এল ইংল্যান্ডের এই তরুণী?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জন্ম থেকেই তিনি বধির। জীবনে প্রথম কোনো কিছু শুনতে পাননি বছর ৩৯-এর তরুণী জো মিলেন। কানে ফিট করা হয়ে এক যন্ত্র, যার নাম ককলিয়ার। একজন নার্স জো মিলেনকে কিছু পড়ে শোনাচ্ছিলেন, সেটা শুনে তার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়াতে থাকে। লাখ লাখ মানুষ ইন্টারনেটে সেই ভিডিও দেখেছেন। জো যেভাবে যন্ত্রের সাহায্যে তার শ্রবণশক্তি ফিরে পেয়েছেন, বাংলাদেশের শত শত বধির শিশুকেও সেভাবে শ্রবণশক্তি ফিরে পেতে সাহায্য করতে চান তিনি। সেজন্য তিনি গিয়েছিলেন বাংলাদেশে। বাংলাদেশকে বেছে নেয়ার কারণ হলো- সেখানেই থাকেন তার শৈশবের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। জো মিলেন এবং আমিনা খান দুজনের বন্ধুত্বের শুরু তখন তাদের বয়স যখন ১১। উত্তর পূর্ব ইংল্যান্ডের গেটসহেডের এক এলাকায় থাকতেন তারা। দুজনেই আলাদা। একজন বধির আর অন্যজন পুরো এস্টেটের মধ্যে একমাত্র এশিয়ান। স্কুলে, খেলার মাঠে তাদের অন্য বন্ধুদের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ সইতে হতো রীতিমত। তার মধ্যে এ দুজনের মধ্যে গড়ে উঠে বন্ধুত্ব। কিন্তু ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় আমিনার। চলে যান বাংলাদেশে। দুজনের আবার দেখা বহু বছর পর, যখন জো ফিরে পেলেন তার শ্রবণশক্তি। আমিনা বলেন, যখন আমরা বেড়ে উঠছিলাম, তখন আমরা ঠিক করেছিলাম, বড় হয়ে আমরা বাংলাদেশের গরিব ছেলেমেয়েদের সাহায্য করার চেষ্টা করবো। বাংলাদেশে পাঁচ শতাংশ শিশু বধির। এদের অন্তত পাঁচশ’জনের কানে ‘হিয়ারিং এইড’ ফিট করার পরিকল্পনা নিয়েছেন জো। এ কাজে তার সহযোগী একটি মার্কিন ব্যান্ড দল ‘দ্য অসমন্ডস’। যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ অঙ্গরাজ্যের এই মার্কিন ব্যান্ডদলটি ছয় ভাইকে নিয়ে গড়া। তাদের বড় ভাইও বধির। ইন্টারনেটে জো মিলেনের শ্রবণশক্তি ফিরে পাওয়ার ভিডিও যখন তারা দেখলো, তারা ঠিক করলো, অন্য বধিরদের সাহায্য করতে কিছু একটা করবে। সেখান থেকেই বাংলাদেশ প্রজেক্টের যাত্রা শুরু। জো বাংলাদেশে গেলেন। বহু বছর পর সাক্ষাৎ হলো বাল্যবন্ধু আমিনা খানের সঙ্গে। ঢাকায় বধির শিশুদের জন্য ক্লিনিক বসলো্, যেখানে পাঁচশ’ শিশুর কানে ফিট করা হবে ‘হিয়ারিং এইড’। সেখানে দুই ছেলে এবং এক মেয়েকে নিয়ে এসেছিলেন রোকেয়া বেগম। তাদের সবার কানে ফিট করা হয়েছে হিয়ারিং এইড। ওরা এখন কথা শুনতে পায়, জানালেন তিনি। ১৬ বছরের মরিয়মও এসেছিলেন সেখানে। তিনি বলেন, এখন আমি কবুতরের ডাকও শুনতে পাই। জো মিলেন যা ফিরে পেয়েছেন, অন্য শিশুদেরও ফিরে পেতে সাহায্য করতে পেরে খুবই আনন্দিত। জো মিলেনের কানে যে যন্ত্রটি লাগানো আছে তার নাম ককলিয়ার। এটি খুবই অত্যাধুনিক একটি যন্ত্র। পৃথিবীর যাবতীয় শব্দ, কথা, সুর থেকে প্রায় পুরো দু’কান ভরে তিনি এসব শুনতে পান। তবে এখন তিনি চান, তার মতো বধিরদের সাহায্য করার। তথ্যসূত্র : বিবিসি

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন নাইজেরিয়ার বিখ্যাত নায়িকা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আলহামদুলিল্লাহ, ইসলাম গ্রহণ করলেন নাইজেরিয়ার বিখ্যাত এক নায়িকা। নাইজেরিয়ার চিত্র তারকাদের মধ্যে খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে ইসলাম গ্রহণের হিড়িক পড়েছে। এ তালিকায় সর্বশেষ যোগ দিলেন নলিউডের বিখ্যাত চিত্রনায়িকা লোলা আলাও। লোলা আলাও তার খ্রিস্টান নাম পরিবর্তন করে মুসলিম রোদিয়াত নাম গ্রহণ করেছেন। শুক্রবার তার ফেসবুক পেজে ভক্তদের কাছে ইসলাম গ্রহণের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। তিনি তার ভক্তদের ইসলামী রীতিতে সালাম জানিয়ে বলেন, ‘যারা আমার ইসলাম গ্রহণের খবরে বিস্মিত হয়েছেন তাদের বলছি- আমি মূলত মুসলিম পরিবারেই জন্মগ্রহণ করেছি। আমার বাবার নাম আব্দুল আযিয। তিনি একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম ছিলেন’। এ নায়িকা বলেন, ‘আমার মৃত বাবা যেহেতু ইসলাম ধর্মের অনুসারী ছিলেন, তাই আমি আমার নিজের শিখড়ে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার নামও পরিবর্তন করেছি। আমার মুসলিম নাম রোদিয়াত। সবাইকে ধন্যবাদ’। চিত্রনায়িকা লোলা আলাওয়ের ভক্তরা তার এ সিদ্ধান্তে ফেসবুকে বিভিন্ন কমেন্টে স্বাগত জানিয়েছেন। সূত্র : পালস

লন্ডনের বাংলা টাউনে বৈশাখী মেলা রোববার


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পূর্ব লন্ডনের বাংলা টাউনে আজ রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাঙালির প্রাণের মেলা বৈশাখী মেলা। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের বৃহত্তম এই উৎসব মাতাতে এবার আসছেন খ্যাতিমান গায়ক আইয়ুব বাচ্চু ও হাবিব ওয়াহিদ। ১৮তম এই মেলার মূল আয়োজন হবে ব্রিক লেনের পাশের ওয়েভার্স ফিল্ডে। ইতিমধ্যেই সেখানে মেলার মূল মঞ্চ ও স্টল সাজানোর প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। বেলা ১১টায় ব্রিক লেনের বাক্সটন স্ট্রিট থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হবে এই মেলা। শোভাযাত্রায় টাওয়ার হ্যামলেটসের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে। এরপর শুরু হবে নৃত্য, সংগীত, ফ্যাশন শো ইত্যাদি। বাংলাদেশ থেকে আসা দুজন শিল্পীর পাশাপাশি স্থানীয় বাংলা সংগীত শিল্পীরাও মঞ্চে পরিবেশন করবেন। বাংলাদেশে যখন বৈশাখ আসে, তখন যুক্তরাজ্যে কনকনে শীত, বৃষ্টি আর রোদহীন এক প্রতিকূল পরিবেশ। এ কারণেই একটু দেরিতে মে মাসে মেলার আয়োজন করা হয়। সেদিক থেকে এবারের মেলা একটু দেরিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘বৈশাখী মেলা ট্রাস্ট’ এত দিন এই মেলা আয়োজনের দায়িত্ব পালন করত। কিন্তু ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সিরাজ হকের বিরুদ্ধে মেলা আয়োজন নিয়ে নানা অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগে এবার কাউন্সিল শেষ মুহূর্তে এসে তাঁর কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়ে নেয়। এ কারণেই পূর্বনির্ধারিত তারিখ বাতিল করে কাউন্সিল নতুন করে মেলা আয়োজনের উদ্যোগ শুরু করে। টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মেলা আয়োজনের সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। অন্য যে কোনোবারের চেয়ে এবার পরিসর ও আয়োজনে মেলা জমজমাট হয়ে উঠবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা। কাউন্সিলের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এবারের মেলাকে পরিবারবান্ধব করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেলায় থাকবে বিশেষ ফ্যামিলি জোন। যাতে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থার পাশাপাশি তাদের বাঙালি সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। থাকবে বিশেষ আর্টস হাব এবং স্পোর্টস জোন। আর্টস হাবে বিভিন্ন ধরনের প্রদর্শনী, গল্প ও কবিতা পাঠের আসর বসবে। আর স্পোর্টস জোনে থাকবে বিভিন্ন খেলা ও শরীর চর্চার প্রদর্শনী। মেয়র জন বিগস বলেন, এবারের বৈশাখী মেলাকে সবার কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি সবাইকে এই মেলায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তুরস্কে ছাড়া পেলেন ৭৫৮ সেনা

Kanaighat News on Saturday, July 30, 2016 | 10:40 PM

তুরস্কে ছাড়া পেলেন ৭৫৮ সেনা
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি তুরস্কের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িত সন্দেহে আটক ৯৮৯ সেনাসদস্যের মধ্যে ৭৫৮ জনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে প্রসিকিউটরের সুপারিশের ভিত্তিতে শনিবার তাদের মুক্তি দেয়া হয়।

গত ১৫ জুলাইয়ের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের ঘটনায় মিলিটারি স্কুলের ছাত্রসহ এসব সেনাদের আটক করা হয়। অভ্যুত্থান চেষ্টায় তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত করছিলেন ইস্তাম্বুলের প্রসিকিউটর।

ইস্তাম্বুলের বিচারক ৭৫৮ সেনাসদস্যকে মুক্তি দিয়ে বলেন, তাদেরকে আটকে রাখা অপ্রয়োজনীয়। তবে ২৩১ সেনাসদস্য এখনও আটক রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ব্যর্থ অভ্যুত্থানের ঘটনায় অন্তত ২৩০ জন নিহত হন। আহত হন দুই হাজারের বেশি। গণপ্রতিরোধের মুখে ওই ঘটনায় শতাধিক অভ্যুত্থানকারীও নিহত হয়।

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর সেনা, পুলিশ ও শিক্ষকসহ প্রায় ১৩০০০ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়।

'দেশে জঙ্গিবাদের ‘জ’ ও থাকবে না'

'দেশে জঙ্গিবাদের ‘জ’ ও থাকবে না'

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জঙ্গীবাদ দিয়ে জনগণকে ভয় পেতে নিষেধ করলেন। এমন পরিস্থিতিতে সবাইকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখার আহবান জানান তিনি।  

আজ শনিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী এক সমাবেশে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ প্রতিষ্ঠিত হোক তা তারা চান না। দু-একটি ঘটনা ঘটেছে। ভবিষ্যতে হয়তো আরও দু’চারটা ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু এতে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে, এটা বলা সঠিক নয়।

সৈয়দ আশরাফ বলেন, যারা ভিতু তারাই গুপ্তহত্যা করে। তারা কাপুরুষ। এ কাপুরুষেরা কোনো যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারবে না। তাই ভয়ের কোনো কারণ নেই।

গুলশান হামলার কথা বলতে গিয়ে সৈয়দ আশরাফ প্রশ্ন রাখেন, ‘কয়েকজন বিদেশি হত্যা করলেই কি ইসলাম সারা বিশ্বে কায়েম হয়ে যাবে?’

তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে আমরা অনেক পাহাড় ডিঙিয়ে গেছি। যত বাধাই আসুক না কেন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আসুন তার হাতকে আমরা শক্তিশালী করি। তাহলে দেশে জঙ্গি তো দূরের কথা জঙ্গির ‘জ’টাও থাকবে না।'

মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: দেশের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলা নতুন করে প্লাবিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার মহাখালীতে অধিদফতরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দেশের বন্যা পরিস্থিতি ও তা মোকাবেলায় সরকারের নেয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. শাহ কামাল বলেন, উত্তরাঞ্চলে চলমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পানি সাগরে নামার সময় মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলা নতুন করে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব নদীতে পানি বেড়েছে এসব নদীতে দুয়েকদিনের মধ্যে পানি কমে আসতে শুরু করবে।  তবে পানি বঙ্গোপসাগরে যাওয়ার সময় রাজবাড়ী, ফরিদুপর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর ও বরিশাল জেলা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২৯ জুলাই পর্যন্ত বন্যায় তিন লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৬টি পরিবারের মোট ১৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬১৫ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নয় হাজার ৩১৪টি ঘর-বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ১২ হাজার ৩৭১টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে রংপুরে একজন, কুড়িগ্রামে দুইজন, গাইবান্ধায় চারজন এবং জামালপুরে সাতজন রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ৫ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত দুর্গত এলাকায় ১৩ হাজার মেট্রিক টন চাল দেয়া হয়েছে। এছাড়া সাড়ে পাঁচ কোটি নগদ টাকাও ছাড় করা হয়েছে।

অটিজমে বিশেষ অবদান; স্বর্ণপদক পেলেন পুতুল

অটিজমে বিশেষ অবদান; স্বর্ণপদক পেলেন পুতুল
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: অটিজমে অবদান রাখার জন্য 'ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণপদক' লাভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল। মানসিক স্বাস্থ্য (অটিজম) চিকিৎসা বিষয়ে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এ পদক দেয়া হয়।

শনিবার বারডেম হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে পুতুলের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পুতুলের সঙ্গে এ সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ খান।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা ও 'ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড' পাওয়ায় তাকে সম্মাননা দেয়া হয়।

পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, আর্তমানবতার সেবায় যারা আত্মনিয়োগ করেন জাতি তাদের চিরদিন স্মরণ রাখে। ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. সি এম দিলওয়ার রানা। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাঈদ উদ্দিন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেন, ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি পরিষদের উপদেষ্টা এ আর খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ বাংলাদেশে

Kanaighat News on Friday, July 29, 2016 | 10:13 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড বাজারে নিয়ে এসেছে বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ। এটি এইচপির তৈরি। স্পেক্টর ১৩ সিরিজের ল্যাপটপটি দুইটি মডেলে পাওয়া যাবে। মডেলগুলো হচ্ছে এইচপি স্পেক্টর ১৩-ভি০১৭টিইউ এবং এইচপি স্পেক্টর ১৩-ভি০১৮টিইউ। এইচপি স্পেক্টর ১৩-ভি০১৭টিইউ মডেল এর ল্যাপটপটিতে রয়েছে ইন্টেল ষষ্ঠ প্রজন্মের কোর আই ফাইভ ৬২০০ইউ প্রসেসর, ২৫৬ জিবি সলিড স্টেট ড্রাইভ। অন্যদিকে এইচপি স্পেক্টর ১৩-ভি০১৮টিইউ মডেলের ল্যাপটপটিতে রয়েছে ইন্টেল ষষ্ঠ প্রজন্মের কোর আই সেভেন ৬৫০০ইউ প্রসেসর এবং ৫১২ জিবি সলিড স্টেট ড্রাইভ। দুটি মডেলেই রয়েছে ৮জিবি ডিডিআরথ্রি র‌্যাম, ১৩.৩ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে, কর্নিং গরিলা গ্লাস প্রোটেকশন এবং জেনুইন উইন্ডোজ ১০। ল্যাপটপটি দুইটির পুরুত্ব মাত্র ১০.৪ মিলিমিটার এবং ওজন ১.১ কেজি। দুটি ল্যাপটপই কালো এবং কপারের রঙে আইডিবি, মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারসহ সারাদেশের সকল আইটি মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে। দুই বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাসহ স্পেক্টর ১৩-ভি০১৭টিইউ এর খুচরা মূল্য ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা। স্পেক্টর ১৩-ভি০১৮টিইউ এর খুচরা মূল্য ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা।

জঙ্গি দমনে শেখ হাসিনা বিশ্বের মডেল


দিনাজপুর: জঙ্গিবাদ দমন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে নিজের স্থান করে নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ কথা করেন। এসময় উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি বাবুল সরকার ও বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমসহ দুই দলের সহস্রাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেন। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্র-শিক্ষক, মসজিদের ইমামসহ সবাইকে এক কাতারে এনে সারাদেশে জঙ্গিবিরোধী জনসচেতনতা গড়ে তুলেছেন। আজ দেশব্যাপী জঙ্গিবিরোধী ঐক্য গড়ে উঠেছে। এর কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। জঙ্গি দমনে তার এ পদ্ধতি আজ সারা বিশ্বে সমাদৃত। আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, জঙ্গি দমনে প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া তার নির্দেশে শিক্ষামন্ত্রী সারাদেশের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলছেন। ধর্মমন্ত্রী আলেম-ওলামাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, যারা একসময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের কথা বলত, তারা আজ জীবিত জঙ্গি চায়। জঙ্গিদের নিধন করায় আজকে তাদের গায়ে জ্বালা ধরেছে। দেশের মানুষ তাদেরকে আজকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। সব জঙ্গিদের মা খালেদা জিয়া। আর জঙ্গি উৎপাদনের খামার হচ্ছে বিএনপি। স্থানীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জনশীল গোপালের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান মাইকেল প্রমুখ।

রাতেই শেষ বন্দী স্থানান্তর


ঢাকা: আজ শুক্রবার রাতের মধ্যেই ঢাকা কেন্ত্রীয় কারাগার থেকে সব বন্দীকে কেরানীগঞ্জে নতুন কারাগারে স্থানান্তর করা হবে। রাত সাড়ে নয় টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬ হাজারের বেশি বন্দীর স্থানান্তরের কাজ শেষ হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট ৬ হাজার ৪০০ বন্দী রয়েছে। রাত সাড়ে ১০টার মধ্যেই স্থানান্তর করার কাজ শেষ হওয়ার কথা বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। কারা অধিদফতরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল ইকবাল হাসান ঢাকাটাইমসকে বলেছেন, আজ শুক্রবার ভোর থেকে স্থানান্তারের কাজ শুরু হয়। আশা করছি আজ রাতের মধ্যেই এই কাজ শেষ হবে।পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কিছু হচ্ছে। মোট ১৯ ধাপে ৬ হাজার ২২ জন বন্দীকে স্থানান্তর করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আর অল্প কিছু বাকি আছে এবং আসা করছি আজ রাতের মধ্যেই স্থানান্তর প্রক্রিয়া শেষ হবে। এর আগে শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় বন্দী স্থানান্তর। স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারের চারদিকের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। কারগার এলাকায় প্রবেশের চারদিকের পথ অর্থাৎ চাঁনখাঁরপুল, বংশাল, চকবাজার, বেগম বাজারের সড়ক থেকে কারাগারের দিকে প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। (ঢাকাটাইমস

গয়েশ্বরের চ্যালেঞ্জ


ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা ছেড়ে নির্বাচন করুন, দেখবেন জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজার প্রতিবাদে আয়োজিত এক যুব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। গত মঙ্গলবার সংসদ ভবনের সরকারদলীয় সভা কক্ষে নিজ দলের সাংসদদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর নড়েচড়ে বসে আগাম নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপি। সরকার প্রধানের এমন ইঙ্গিতের জবাবে গয়েশ্বর এ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। ‘স্বাধীনতা ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন আয়োজিত সমাবেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকারের কোনো কর্মকাণ্ডই জনগণ বিশ্বাস করে না। এজন্য জনগণের ওপর সরকারের আস্থা নেই।’ তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নন, ভিন দেশের দ্বারা নির্বাচিত বা মনোনীত যেভাবেই বলেন।' তিনি বলেন, 'অনেকদিন আগে বলছিলাম- দেশটা চলছে দুই দেশের গোয়েন্দাদের যৌথ প্রযোজনায়। পরপর ঘটনাগুলো কিন্তু তাই প্রমাণ হয়। কথাটি শুধু কথার কথা নয়। তারেক রহমানের সাজা প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, তারেক রহমানকে দেয়া এই সাজা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যারা আইন বোঝে না, তারাও বুঝে- এটা শাস্তি নয়। (ঢাকাটাইমস

বাংলাদেশে আমার প্রচুর ভক্ত আছে: শ্রাবন্তী

বাংলাদেশে আমার প্রচুর ভক্ত আছে: শ্রাবন্তী

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ও এ দেশের দর্শকদের প্রশংসা করলেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমার প্রচুর ভক্ত রয়েছে। ওরা সত্যিই বাংলা সিনেমা দেখে। যা কলকাতায় আমরা দেখতে পাই না। বাঙালি ছেলেমেয়েদের নাকি বাংলা সিনেমা দেখতে ইচ্ছে করে না। এদের উপর আমার ভীষণ রাগ হয়। অথচ বাংলাদেশের দর্শক আগে বাংলা সিনেমা দেখে।’

শ্রাবন্তী বলেন, ‘বাংলাদেশে গিয়ে কাজ করার ধরণটা আলাদা। ওখানে গিয়ে কাজ করতে আমার কোনো আপত্তি নেই।

গত ৭ জুলাই বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েছে ‘শিকারি’ সিনেমাটি। এখনো দেশে শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে সিনেমাটি। আগামী ১২ আগস্ট কলকাতায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই সিনেমা।

 

দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই ছিটকে গেলেন সিদ্দিকুর

দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই ছিটকে গেলেন সিদ্দিকুর
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: থাইল্যান্ডের কিংস কাপের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে ছিটকে গেলেন বাংলাদেশের গলফার সিদ্দিকুর রহমান।

পাতায়ার ফিনিক্স গোল্ড গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবে শুক্রবার পাঁচটি বোগি ও একটি ডাবল বোগি করে অনেক পিছিয়ে যান সিদ্দিকুর। দুই রাউন্ড মিলিয়ে পারের চেয়ে পাঁচ শট বেশি খেলে ১১২তম স্থানে থেকে বিদায় নেন তিনি।

দুই রাউন্ড মিলিয়ে পারের চেয়ে সর্বনিম্ন ১ শট বেশি খেলা ৮০ জন কাট-এর উপরে থেকে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন।

সাড়ে সাত লাখ ডলার প্রাইজমানির এই টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডে পারের চেয়ে দুই শট কম খেলে ১২ জনের সঙ্গে ১৯তম স্থানে ছিলেন এশিয়ান ট্যুরের দুটি শিরোপা জেতা সিদ্দিকুর।

আগামী ৫ আগস্ট ব্রাজিলের রিও দে জেনেইরোতে শুরু হবে অলিম্পিক। বাংলাদেশের প্রথম অ্যাথলেট হিসেবে অলিম্পিকে সরাসরি খেলবেন সিদ্দিকুর।

'যখন কোনো ছাদ থাকে না, তখন আকাশই সীমানা'

'যখন কোনো ছাদ থাকে না, তখন আকাশই সীমানা'

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: যখন কোনো ছাদ থাকে না, তখন আকাশই হয় সীমানা। ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া হিলারি ক্লিনটন এ মন্তব্য করেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় ডেমোক্রেটিক পার্টির জাতীয় সম্মেলনের শেষ দিনে হিলারি তার মনোনয়ন গ্রহণ করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ২৪০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম একজন নারী কোনো প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হলেন। আগামী নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি জয়ী হলে তিনি হবেন দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট।

হিলারি তার মনোনয়নকে একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমেরিকায় কোনো প্রতিবন্ধকতা সরে গেলে তা সবার পথ খুলে দেয়। যখন কোনো ছাদ থাকে না, তখন আকাশই হয় সীমানা।

হিলারি তার ভাষণে নিজেকে স্বচ্ছদৃষ্টির নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমেরিকা এখন যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তার সুরাহায় অটল নেতৃত্বের প্রয়োজন। প্রয়োজন সম্মিলিত চেতনা। আমেরিকার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার কথা শোনান হিলারি। তিনি আমেরিকাকে সব নাগরিকের দেশ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।

হিলারি বলেন, তিনি সবার প্রেসিডেন্ট হবেন। কোনো দেয়াল গড়বেন না। গড়বেন অর্থনীতি। তার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে—অধিক সুযোগ ও ভালো চাকরি সৃষ্টি করা। মজুরি বাড়ানো। এসময় দেশ-বিদেশের শত্রু ও হুমকি মোকাবিলার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেন তিনি।

ফেসবুকের চেয়েও জনপ্রিয় পোকেমন!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ফেসবুকের চেয়েও বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে পোকেমন গো। সাড়া পৃথিবীতে যত মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক ব্যবহার করেন তার চেয়েও বেশি মানুষ পোকেমন গো গেমস খেলেন। সম্প্রতি এক জড়িপে এই তথ্য পাওয়া গেছে। জড়িপে জানা গেছে, অ্যানড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহারকারীদের মধ্যে যতজন ফেসবুক অ্যাপ ব্যবহার করেন তার দ্বিগুণ ব্যবহার হচ্ছে পোকেমন গো গেমটি। ফেসবুকের মাসিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬০ মিলিয়ন। এর দ্বিগুণ সংখ্যক মানুষ এখন মাসে পোকেমন গেমস খেলেন। আগুমেন্ট রিয়েলিটি ভিত্তিক পোকেমন গো গেমটি বিশ্বের বহু রেকর্ড ভেঙ্গেছে।

ফোন করে মাদক কারবারির ফাঁসি ঠেকালেন নওয়াজ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় বন্ধ হলো এক পাকিস্তানি মাদক চোরাকারবারির ফাঁসি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে অন্য অপরাধীদের সঙ্গে পাকিস্তানি নাগরিকেরও ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফাঁসির মঞ্চে নেয়ার আগ মুহূর্তে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ফোন পেয়ে সেদেশের কর্তৃপক্ষ তাকে ক্ষমা করে দেয়। এর ফলে ফাঁসির মঞ্চ থেকে শেষ মুহূর্তে ফিরে আসে ওই পাকিস্তানি অপরাধী। আজ সকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের মেয়ে এক টুইট বার্তায় তার পিতার এই হস্তাক্ষেপের কথা প্রকাশ করে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ টুইট বার্তায় জানান, শেষ মুহূর্তের তাঁর বাবার(নওয়াজ শরীফ) সরাসরি হস্তক্ষেপে ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষ জুলফিকার আলির মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে। ইন্দোনেশিয়ায় মাদক সংক্রান্ত অপরাধের দায়ে ১৪ ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে চার জনের ফাঁসি কার্যকর হয়। বাকি ১০ জনকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করে দেয় এবং এই ১০ জনের মধ্যে পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছে। খবর ডন নিউজের। বৃহস্পতিবার মাদক চোরাচালানের অভিযোগে রাতে একজন স্থানীয় এবং তিন বিদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে দেশটি। ইন্দোনেশিয়ার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর রাচমাড জানান, মাঝরাতে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রভাবশালী পত্রিকা জাকার্তা পোস্ট তাদের প্রিন্ট সংস্করণে ১৪ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা প্রকাশ করলেও আসলে কার্যকর করা হয়েছে চার জনকে। তবে জাকার্তা পোস্টের অনলাইন সংস্করণে এই ভুল রিপোর্টের কথা স্বীকার করা হয়েছে। পাকিস্তানের নাগরিক জুলফিকার আলির পরিবারের পক্ষ থেকে বুধবার লাহোরে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। পাকিস্তান সরকার আলি মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দেশটির মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। চলতি সপ্তাহে ইসলামাবাদে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করে পাকিস্তান সরকার এই বিষয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করে। কিন্তু কোনো কিছুতেই ফাঁসি কার্যকর থামানো যাচ্ছিল না। শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ ফোন করে ফাঁস ঠেকাতে সক্ষম হন।

লাদেনকে খুঁজে পেতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো

লাদেনকে খুঁজে পেতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা বিন লাদেনকে ধরতে নয়াদিল্লির ভূমিকাও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ! ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক প্রাক্তন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এই চাঞ্চল্যকর খবর দিয়েছে বেশকিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

ওই সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, একটি হিন্দি সংবাদমাধ্যমকে সম্প্রতি এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ভারতের জয়েন্ট ইনটেলিজেন্ট কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন উপ-জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এস ডি প্রধান। সেই সাক্ষাৎকারে প্রধান জানিয়েছেন, লাদেন-হত্যায় ভারত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

কী সেই ভূমিকা? এস ডি প্রধান দাবি করেছেন, লাদেনের গোপন ডেরা খুঁজে বার করতে খুব বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে গোপন তথ্যের আদান-প্রদান বহু দিন ধরেই হয়। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর বিভিন্ন ষড়যন্ত্র সম্পর্কে ভারতকে বহু বার সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন। একই রকম ভাবে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের গতিবিধি সম্পর্কেও মার্কিন গোয়েন্দাদের একাধিক বার সতর্ক করেছে নয়াদিল্লি। লাদেনের আবাস অবস্থান সম্পর্কে ভারতীয় গোয়েন্দারা যা জানতে পেরেছিলেন, তাও যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছিল।

এস ডি প্র্রধান জানান, ২০০৬-০৭ সালে পাকিস্তানে দু’বার বৈঠক করেছিলেন আল কায়েদার তৎকালীন সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড আয়মান আল জওয়াহিরি এবং লাদেনের ঘনিষ্ঠ মোল্লা ওমর। দু’টি বৈঠকের পরেই তাঁরা দু’জনে রাওয়ালপিন্ডি গিয়েছিলেন এবং তারপর বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিলেন।

জওয়াহিরি এবং ওমরের বৈঠক দু’বার একই জায়গায় হয়েছিল, তা নয়। কিন্তু দু’বারই বৈঠক শেষে তাঁরা রাওয়ালপিন্ডি গিয়েছিলেন। এতেই ভারতীয় গোয়েন্দাদের মনে সংশয় তৈরি হয়। কারণ মোল্লা ওমর বা আয়মান আল জওয়াহিরি রাওয়ালপিন্ডিতে থাকতেন না। তাঁরা আফগানিস্তান বা মধ্য এশিয়ার কোনও দেশেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আত্মগোপন করে থাকতেন। তা হলে পাকিস্তানে বৈঠকের পর তাঁরা দু’বারই রাওয়ালপিন্ডি কেন গেলেন? খুব গুরুত্বপূর্ণ কেউ কি রাওয়ালপিন্ডি বা তার আশেপাশে থাকেন? তাঁর সঙ্গেই কি দেখা করতে যাচ্ছিলেন দুই শীর্ষ জঙ্গি?

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় গোয়েন্দাদের বুঝতে বাকি থাকেনি, জওয়াহিরি এবং ওমর যদি রাওয়ালপিন্ডিতে কারও সঙ্গে দেখা করতে যান, তা হলে তিনি নিশ্চয়ই ওসামা বিন লাদেন। ওয়াশিংটনকে নয়াদিল্লি জানিয়ে দেয়, রাওয়ালপিন্ডি বা তার আশেপাশেই লাদেনের গোপন আবাস। সন্ধান ওই এলাকাতেই চালাতে হবে। ভারতের দেওয়া সেই তথ্যের ভিত্তিতেই রাওয়ালপিন্ডি এবং তার আশেপাশে গোপনে অনুসন্ধান শুরু করেন মার্কিন গোয়েন্দারা।

রাওয়ালপিন্ডি সংলগ্ন অ্যাবটাবাদে লাদেনের ডেরার খোঁজ পাওয়া যায়। এবং ২০১১ সালের ২ মে লাদেনের আস্তানায় ঢুকে তাকে হত্যা করে মার্কিন নৌসেনার সিল কম্যান্ডোরা।

উল্লেখ্য, ভারত সরকারি ভাবে এই তথ্য সম্পর্কে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩