গোয়াইনঘাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৫

Kanaighat News on Saturday, January 30, 2016 | 10:06 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক : শনিবার, ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ ॥ সিলেট জেলার গোয়াইনঘাটে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সাইদুল ইসলাম (২৫) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরো ৪ শিক্ষার্থী। নিহত সাইদিুল ময়মনসিংহ জেলার ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার রামপুর কোনাপাড়া গ্রামের মো. মোতালেবের পুত্র। সে সিলেটের দক্ষিণ সুরমাস্থ ভার্তখলা মাদ্রাসার ছাত্র। অপর আহতরাও একই মাদ্রাসার ছাত্র বলে জানা গেছে। শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কে গোয়াইনঘাট উপজেলার বাগেরসড়ক এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আহতদের সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- সিলেট থেকে তামাবিলমুখি একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্টো চ ০২-২৮১৫) গোয়াইনঘাট উপজেলার বাগেরসড়ক নামক স্থানে পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে মাইক্রোবাসটি রাস্তার পাশের একটি খালে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মাদ্রাসাছাত্র সাইদুল ইসলাম। দুর্ঘটনায় চালকসহ মাদ্রাসার অপর ৪ ছাত্র আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সিলেট-তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন- খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতরা সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ভার্তখলা মাদ্রাসার ছাত্র।

Kanaighat News on Tuesday, January 26, 2016 | 11:27 PM


দানশীল ব্যক্তিদের সম্মান দেখানো উচিত : সেলিম উদ্দিন


সিলেট, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৬ :: বিরোধী দলীয় হুইপ¡ সেলিম উদ্দিন এমপি বলেছেন, সমাজে প্রতিষ্ঠিত মানুষরা এগিয়ে আসলে সহজেই অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘব করা সম্ভব। আর যারা এসব মহৎ কাজে নিজেদের সম্পদ এবং শ্রম দান করেন তাদের সমাজে যথাযথ সম্মান দেখানো উচিত। সিলেট নগরীর একটি আভিজাত হোটেলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন সুরমা ট্যুরিষ্ট ক্লাবের উদ্যোগে শীতার্ত ও অসহায় মানুষদেরকে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এর আগে ট্যুরিষ্ট ক্লাবের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ট্যুরিষ্ট ক্লাবের সভাপতি মো. আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহ সভাপতি নাজিম উদ্দিন শাহানের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিরোধী দলীয় হুইপ সেলিম উদ্দিন এমপি। বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি আব্দুল মুকিত অপি ও আমিনুর রশিদ, চ্যানেল আই ইউরোপের সিলেট প্রতিনিধি ফয়সল আহমদ মুন্না, সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাধারন সম্পাদক হাসান আহমেদ, সহ-সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, সহ-অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত আকাশ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক আব্দুল কাদির চৌধুরী ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আনিসুল ইসলাম অপু।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেবে ছাগল!

Kanaighat News on Friday, January 22, 2016 | 8:48 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাজ্য সেনাবাহিনীর রাজকীয় ওয়ালেশ রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটেলিয়নে যোগ দিয়েছে একটি ছাগল। ‘ফুসিলিয়ার লিওয়েলিন’ নামের ওই ছাগলটিকে দেশটির রাজকীয় পশুপালন কেন্দ্র থেকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখন থেকে যুক্তরাজ্যের উইল্টশায়ারের লখনৌ সেনাঘাঁটিতে বাস করবে লিওয়েলিন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সেনাদের সাথে দায়িত্ব পালন করবে। গত বছরের মে মাসে দ্বিতীয় ব্যাটেলিয়নে থাকা আরেকটি ছাগল ল্যান্স কর্পোরাল জি উইলিয়ামের মৃত্যুর পর তার একই দায়িত্বে নিয়োগ দেয়া হলো লিওয়েলিনকে। এর আগে ছাগল বিভাগের মেজর ফুসিলিয়ার ম্যাথিউ আউনের অধীনে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শেষ করে সে। ১৮৮৯ সালে সংঘটিত যুদ্ধ ‘ব্যাটেল অব রকস ড্রিফট’ এর সেনাদের স্মরণে একটি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রথমবারের নেতৃত্ব দেবে লিওয়েলিন। সেনাবহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুরুহ এক জরিপ শেষে রাজকীয় পশুপালনকেন্দ্র থেকে নির্বাচন করা হয়েছে এই ছাগটিকে। এটি দেখতে অন্যান্য ছাগলের চেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় মনে হওয়ায় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এটিকেই পছন্দ করা হয়েছে। প্রতিদিন এটিকে ছাগল বিভাগের প্রধানের অধীনে ব্যায়াম করানো হবে, এর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হবে এবং এটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। সেনা-সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এর আগে ছাগলটিকে লন্ডনে ব্রিটিশ রানীর জন্মদিনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। ১৮৪৪ সালে প্রথম রাজকীয় ছাগল প্রথা চালু করে রানী ভিক্টোরিয়া। তবে ধারণা করা হয়, দেশটির সেনাবাহিনীর কুচকাওয়াজে ১৭০০ সাল থেকেই পশুদের অংশগ্রহণ শুরু হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী


ঢাকা: শুক্রবার নেপাল ও বাহরাইনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে পর্দা নেমেছে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের চলতি আসরের। বাহরাইনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নেপাল। এদিন বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি দেখতে গিয়েছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তিনি। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা

জিহ্বার নিয়ন্ত্রণ মুমিনের দায়িত্ব


ইসলাম ডেস্ক: একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনের নির্দেশনা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা হুজুরাতে দিয়েছেন। এখানে বলা হয়েছে মানুষে মানুষে সম্প্রীতি-ভালোবাসা তখনই হয় যখন মানুষ তার জিহ্বাটাকে সামলে রাখে। এই জিহ্বার অপব্যবহার না করলে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হবে না। এজন্য এই জিহ্বার গুরুত্ব শরিয়তে অনেক বেশি। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, তুমি যদি এই জিহ্বার আপদ থেকে বাঁচতে চাও এটাকে কন্ট্রোল কর। আর এই জিহ্বা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা হলো প্রয়োজন ছাড়া চুপচাপ থাকা। হাদিসে বলা হয়েছে, যে চুপচাপ থাকবে সে নাজাত পাবে। জিহ্বার ব্যাপারে আমরা খুবই উদাসীন। এটাকে আমরা খুব অনায়াসে ব্যবহার করি। যেখানে ব্যবহার করার না, কথা বলার না, সেখানেও কথা বলি, অন্যায় বলি, মিথ্যা বলি। আবু বকর (রা.) মাঝে মাঝে জিহ্বাটাকে ধরে টানতেন আর বলতেন, এই জিহ্বা আমাকে কত অঘটনে ফেলেছে! কত বেকায়দায়ই না পড়েছি আমি এই জিহ্বার দ্বারা! এই জিহ্বার গুরুত্ব মানুষের জীবনে অনেক বেশি। এর দ্বারা টাট্টা, বিদ্রুপ, উপহাস, পরচর্চা, গিবত, মিথ্যা বলা, অশ্লীল উচ্চারণ এসব কথা থেকে ইসলাম নিষেধ করেছে। এই অঙ্গটিকে এমন কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না যাতে অন্য কষ্ট পায়। ভালো কথা, আল্লাহকে স্মরণ তথা জিকিরের মাধ্যমে জিহ্বাকে সজীব রাখতে হবে। এই অঙ্গটি আল্লাহর বিশেষ নেয়ামতও বটে। যাদের বাকশক্তি নেই তারা বুঝেন এর কদর কত বেশি। আমরা এই জিহ্বাকে যত অপাত্রে ব্যবহার করবো ততই এই নেয়ামতের অবমূল্যায়ন হবে। ইসলামি দার্শনিক ইমাম গাজালি (রহ.) বলেছেন, ‘জিহ্বা একটি গোশতের টুকরা। এটা আল্লাহর অনেক বড় নেয়ামত। তবে এর দ্বারা পাপকর্মও সবচেয়ে বেশি হয় এবং এর শাস্তিও সবচেয়ে বেশি।’ শেখ সাদী (রহ.) বলেছেন, ‘যতক্ষণ কেউ মুখ খুলবে না ততক্ষণ তার দোষ-গুণ প্রকাশ পায় না।’ অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব কথা বলতে পারার কারণে। পার্থিব যত উন্নতি-অগ্রগতি সবকিছুর সঙ্গে ভাষার যোগসূত্র রয়েছে। এ জন্য কথা বলার শক্তি যেমন অনেক বড় স্বাধীনতা, তেমনি এটা একটি মহান দায়িত্বও বটে। যিনি তার জিহ্বার সুপ্রয়োগ করেন ইসলামের চোখে তিনি মহান ব্যক্তি। ভালো কথাকে হাদিসে ‘সদকা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত জিহ্বাকে অপব্যবহার থেকে রক্ষা করা।

এবার টানা আন্দোলনের হুমকি কলেজ শিক্ষকদের


ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পর এবার টানা আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিসিএস ক্যাডার কলেজ শিক্ষকরা। দাবি আদায় না হলে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘টোটাল শাটডাউন’ এর ঘোষণা দিয়েছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি। অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে অধ্যাপকদের পদ ও বেতন স্কেল অবনমনের প্রতিবাদে এবং পদ আপগ্রেড, সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল পুনর্বহাল ও কৃত্য পেশাভিত্তিক প্রশাসনের দাবিতে এই কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি মিলনায়তনে (নায়েম) সংগঠনটির এক সাধারণ সভায় এ ঘোষণা দেন বিসিএস শিক্ষা সমিতির সভাপতি প্রফেসর নাসরীন বেগম। সরকারকে আলটিমেটাম দিয়ে প্রফেসর নাসরিন বলেন, “২৫ জানুয়ারির মধ্যে দাবি আদায় না হলে ২৬-২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ সর্বাত্মক অবস্থান ঘর্মঘট পালন করা হবে। মাঝখানে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আলোচনা বা সমঝোতার সুযোগ রাখছি। ফলপ্রসূ অগ্রগতি না হলে ৬-১০ তারিখ পর্যন্ত ক্লাস বর্জন। এতেও দাবি আদায় না হলে ১১-১৮ তারিখ পর্যন্ত আবারও ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি পালন করা হবে। এসব কর্মসূচিতে আন্দোলন বাস্তায়িত না হলে ২৩ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস পরীক্ষা বর্জনসহ অনির্দিষ্টকালের পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে।” প্রসঙ্গত, সাধারণত সরকারি কলেজের অধ্যাপকেরা চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তা। সিলেকশন গ্রেড থাকায় এত দিন অধ্যাপকদের ৫০ শতাংশ গ্রেড-৩ এ যেতে পারতেন। কিন্তু সিলেকশন গ্রেড বাদ দেয়ায় এখন এই পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে পদমর্যাদার পাশাপাশি মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে শিক্ষকদের দাবি। এর আগে নতুন বেতন স্কেলে গ্রেডের সমস্যা নিরসনের দাবিতে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকে ১১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত লাগাতার কর্মবিরতি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তারা আন্দোলন স্থগিত রেখেছেন। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাবি পূরণ দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আবারও আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

পুলিশের অভিযানে ভেড়ার কৃতিত্ব!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: নম্বরবিহীন একটি গাড়িতে করে দৃর্বৃত্তরা পালিয়ে যাচ্ছিল।পুলিশও তাদের ধরতে পিছু ধাওয়া করে। গাড়ির গতি বেশি থাকায় কোনভাবেই তাদের ধরা যাচ্ছিল না। অবশেষে দুর্বৃত্তদের ধরতে পুলিশকে সহযোগিতা করলো ভেড়ার পাল। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের আটক অভিযানের কৃতিত্বটা তাই ভেড়ার পালকেই দিলেন পুলিশ অফিসার। ঘটনাটি ঘটেছে নিউজিল্যান্ডে।খবর এনডিটিভির। শুক্রবার দেশটির দক্ষিণ আইল্যান্ডের সেন্ট্রাল অটাগোতে চার দুর্বৃত্ত নম্বরবিহীন একটি গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশ তাদের ধরতে পিছু ধাওয়া করে। কিন্তু দুর্বৃত্তরা এত দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিল যে কোনভাবেই তাদের গতিরোধ করা যাচ্ছিল না। পুলিশ অফিসাররা ভেবে পাচ্ছিলেন না কী করবেন।ঠিক তখনই ঘটে গেলো আশ্চর্য ঘটনা। যে রাস্তা দিয়ে দুর্বৃত্তরা গাড়ি হাকিয়ে যাচ্ছিল সেই রাস্তার সামনেই জড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো ভেড়ার পাল। সংখ্যায় ভেড়া অনেক হওয়ায় রাস্তাজুড়ে একটি ব্যারিকেডের মতো সৃষ্টি হয়।এ অবস্থায় কোনভাবেই গাড়ি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। অবশেষে যা হওয়ার তাই হলো। পুলিশ গাড়িতে থাকা চার দুর্বৃত্তকে আটক করে নিয়ে গেলো। খবরে বলা হয়,ওই ভেড়াগুলোর মালিক অভিযানে অংশগ্রহণকারী এক পুলিশ অফিসারের। পুলিশের এক কর্তা জানান, ভেড়ার পালের কারণেই দুর্বৃত্তদের ধরা সম্ভব হয়েছে। বার বার চেষ্টা করেও আমরা দুর্বৃত্তদের ধরতে পারছিলাম না। কারণ তাদের গাড়ির গতি ছিল অনেক বেশি। কিন্তু কুইন্সটাউনের পর্যটন এলাকায় রাস্তায় ওপর এক দল ভেড়া উঠে আসে। ভেড়ার পালের কারণেই তারা গাড়ির গতিরোধ করতে বাধ্য হয়। পরে তাদের আটক করা হয়।

বিএনপি দেউলিয়া হয়ে পড়েছে


কুষ্টিয়া: বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দেওলিয়া হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব-উল-আলম হানিফ। তিনি বলেন, ওই দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়ে দল হিসেবে বিএনপিকেই রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া করে দিয়েছে। দলের নানা-স্তরের নেতারাও এখন বিভিন্ন সময় অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বলে যাচ্ছে। আজ শুক্রবার জুমার নামাজের আগে কুষ্টিয়া শহরে তার নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মত বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হানিফ এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইতিমধ্যে উচ্চতর আদালতের রায় প্রমাণ করেছে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণ অবৈধ ছিল। জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা দখল ও দল গঠন দুটোই অবৈধ এবং সে-বিবেচনায় বিএনপি অবৈধ দল হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। বিচারপতি খায়রুল হক অবসরে যাওয়ার আগেই এই রায় দেন উল্লেখ করে হানিফ বলেন, বিচারপতিদের অবসরে যাওয়ার পর রায় দেয়ার ট্র্যাডিশনটা খুব যুক্তিযুক্ত নয় বলেই হয়তো প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্য করেছেন। তার মানে বিচারপতি খায়রুল হকের দেয়া রায়টা অযৌক্তিক তা প্রধান বিচারপতি বলেননি। হানিফ বলেন, বিএনপি যদি মনে করে তারা এ সুযোগ নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে ধুম্রজাল তৈরির চেষ্টা করবে তাতে কোনো লাভ হবে না।

কামরুলকে “শয়তানের দূত” বলল নেজামীর ইসলামী ঐক্যজোট


ঢাকা : খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে “শয়তানের দূত” আখ্যা দিয়েছে সম্প্রতি বিএনপির ২০ দল থেকে বেরিয়ে আসা ইসলামী ঐক্যজোট।তাকে মন্ত্রিপরিষদ থেকে বাদ দেয়ার দাবিও জানিয়েছে জোটটি। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী ও মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ এ মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে তারা বলেছেন, ‘শয়তান, শয়তানের দূতের কাজ হচ্ছে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা। ইসলামের মূল ইনস্টিটিউশন মসজিদ, মাদরাসা বন্ধ করে দিয়ে দেশকে ইসলামশূন্য করা।’ তারা বলেন, ‘জাতিকে পাপাচারে লিপ্ত করে মানুষের ঈমান ছিনিয়ে নেয়া, মানুষকে আলো থেকে আঁধারে নিয়ে এবং আঁধারের সে পথ দিয়েই জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া। মন্ত্রী কামরুল সে অপকর্মটিই করে যাচ্ছে।’ বিবৃতিতে এই দুই নেতা বলেন, ‘কওমী মাদরাসার বিরুদ্ধে কথা বলার মানে ইলমে ওহীর বিরুদ্ধে, আল্লাহর দ্বীনের বিরুদ্ধে কথা বলা।’ তারা আরো বলেন, ‘নৈরাজ্যমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, অস্ত্রমুক্ত, মাদকমুক্ত, আদর্শ নাগরিক এবং আলোকিত মানুষ গড়ার কারখানা এবং সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাকারী এবং নৈতিক চরিত্রবান দেশপ্রেমিক সুনাগরিক এবং আল্লাহভীরু বান্দাহ তৈরির মহত্তম প্রতিষ্ঠান এই কওমী মাদরাসাগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসেন, হেদায়াত দিয়ে মানুষকে জান্নাতের পথে আনেন। ’ তারা খাদ্যমন্ত্রী কামরুলকে শয়তানের দূত উল্লেখ করে বলেন, ‘অবিলম্বে শয়তানের দূতদেরকে মন্ত্রিপরিষদ থেকে অপসারণ করতে হবে। ওয়াজ-মাহফিল ও তাফসির মহফিলগুলোকে নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে। মসজিদের ইমাম, খতিব, খুতবা ও মাদরাসা শিক্ষক, নিরীহ আলেম-উলামাদের ওপর নজরদারি বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।’

বরেণ্য সুরকার নুরুল আলম আর নেই


ঢাকা: বরেণ্য সুরকার খন্দকার নুরুল আলম ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খন্দকার নুরুল আলম বাংলাদেশের একজন প্রবীণ প্রথিতযশা সুরকার। অসংখ্য গানে সুর দেয়ার পাশাপাশি তিনি অনেক চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেছেন। তাঁর সংগীত পরিচালনায় রয়েছে ‘শাস্তি’, ‘শংখনীল কারাগার’-এর মতো দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র। তাঁর সুর দেয়া গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এ দেশের খ্যাতিমান বহু সংগীতশিল্পী।

আত্মপ্রদর্শন ইসলামে নিষিদ্ধ


ইসলাম ডেস্ক: আত্মপ্রদর্শনী বা নিজেকে উপস্থাপন করা মানুষের চিরন্তন প্রবৃত্তি। মানুষ যেকোনো ভালো কাজ করুক, যেকোনো ইবাদত করুক তা লোকে দেখুক এবং এর জন্য লোকেরা তার প্রশংসা করুক-এমন ইচ্ছা থেকেই মানুষের মধ্যে আত্মপ্রদর্শনীর বাসনা জন্মে। ইসলামে এ কাজটি নিন্দনীয়। কারণ আত্মপ্রদর্শনীর মধ্যে অহমিকা, আত্মম্ভরিতা ও দম্ভের বীজ লুকিয়ে থাকে। আর আত্মম্ভরিতা ও অহমিকা মানুষকে মনুষ্যত্বের পর্যায় থেকে অমানুষের পর্যায়ে নিয়ে যায়। অহংকার পতনের মূল। একবার কারো মধ্যে অহংকার ঢুকলে তা থেকে রেহাই পাওয়া দুষ্কর। আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহ অহংকারীকে ভালোবাসেন না।’ রাসুল সা. বলেছেন, ‘যার হৃদয়ে সামান্য সরিষা পরিমাণ অহংকার আছে সে জান্নাতে যেতে পারবে না।’ আত্মপ্রদর্শনীকে কোরআন-হাদিসের ভাষায় রিয়া বলা হয়। রিয়া মানুষের মনের ক্ষুদ্র এক কোণে লুকিয়ে থাকে এবং তাকে উই পোকার মতো খেয়ে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে ফেলে। তাই রিয়া সম্পর্কে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। ইবাদত-বন্দেগিতে সামান্য পরিমাণ রিয়া থাকলেও ওই ইবাদত কবুল হবে না। লোকদেখানো ইবাদতকে শিরকের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। আর শিরককারীর কোনো ইবাদতই আল্লাহ কবুল করেন না। আজকাল আমাদের সমাজে আত্মপ্রদর্শনীর অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। মানুষের মধ্যে নিষ্ঠতাপূর্ণ আচারনিষ্ঠা নেই বললেই চলে। মানুষ বাইরে প্রকাশ করছে একটি আর তার ভেতরে বিরাজ করছে এর বিপরীত চিত্র। দান-সদকাসহ ইবাদতের নানা ধরন ও আঙ্গিকে আজ আত্মপ্রদর্শনী মহামারির রূপ ধারণ করেছে। বাহ্যত সমাজে দ্বীনদার লোকের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে নিষ্ঠাপূর্ণ ঈমানদারের সংখ্যা বাড়েনি, বরং আগের চেয়ে কমেছে। লৌকিকতা আজ আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছেয়ে গেছে। নিরেট ইবাদতেও আজ লৌকিতার প্রাধান্য। এজন্য বর্তমানে মুসলমানদের ঈমান ও আমলের সেই শক্তি আর নেই। মূলত আত্মপ্রদর্শনীর কথা তখনই আসে মনে আসে যখন স্রষ্টার সঙ্গে সৃষ্টির সম্পর্ক ভুলে গিয়ে মানুষ আত্মচিন্তায়, আত্মবিলাসে তথা আত্মগরিমায় মেতে ওঠে। তবে আত্মবিশ্লেষণ করলেই মানুষের এই ভুল ভাঙতে বেশি দেরি লাগে না। কারণ মানুষ কিসের ভিত্তিতে এই বড়াই করছে? তারা কোথায় থেকে এসেছে, কী ছিল-সেটা একবার ভাবলেই আর আত্মপ্রদর্শনীর মনোবাসনা জাগবে না। প্রকৃত ঈমানদার কখনো আত্মপ্রদর্শনীর পেছনে পড়ে না, নিষ্ঠতাপূর্ণ আমলই মুমিনের পুঁজি।

মন ভরেনি সিলেটবাসীর

Kanaighat News on Thursday, January 21, 2016 | 10:33 PM


সিলেট, বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৬ :: আলীয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় সিলেটের উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে সিলেটবাসীর মাঝে অনেকটা হতাশার সূর ওঠেছে। আর এ বিষয়টি অনুধাবন করা যায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়ার সাথে সাথেই। সমাবেশে আগত অনেকে বলাবলি করতে থাকেন- সিলেটের উন্নয়নের ব্যাপারে তো কিছুই বললেন না প্রধানমন্ত্রী। বললেন শুধু পুরনো কথা। আর চাইলেন ভোট। তবে এসময় কেউ কেউ বলেন- আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সিলেটের উন্নয়ন হবে। বিশেষ ঘোষণার আবশ্যকতা নেই। সিলেট আলীয়া মাদ্রাসা মঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সংবাদে পুরো সিলেটজুড়ে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সিলেটের উন্নয়ন ব্যাপাওে নতুন নতুন ঘোষণা আসবে -এমন আশায় বুক বাধেন নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও। তাই তার আগমণ বর্ণিল করতে সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয় বিস্তৃত আয়োজন। গোটা নগরীকে সাজানো হয় বর্ণিল সাজে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাকে সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে জানানো হয় লালগালিচা অভ্যর্থনা। তাছাড়া তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ক’দিন আগ থেকেই নগরীতে নির্মাণ করা হয় অসংখ্য তোরণ। সাঁটানো হয় ব্যানার-ফেস্টুন। সভামঞ্চে পৌঁছার সাথে সাথে আগত লোকজন হাত নাড়িয়ে জননেত্রীকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান। নিস্তব্ধ হয়ে শুনেন বক্তব্য।তবে তার বক্তব্য যখন শেষ পর্যায়ে তখনই কেউ কেউ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। সিলেটের উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তেমন কোনো তথ্যই নেই বলে মন্তব্য করেন অনেকে। যদিও সিলেটে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করন ১২টি উন্নয়ন কাজের। কিন্তু এগুলোর মধ্যে নতুন কিছু নেই বলে অভিযোগের সুরে বলেন কেউ কেউ। তাদের মতে শুধুমাত্র মদন মোহন কলেজ সরকারি করণের ব্যাপারে একটু আশার ঝিলিক রয়েছে। অথচ এবারের সিলেট সফরে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রত্যাশা ছিল- মদন মোহন কলেজকে সরকারিকরণের পাশাপাশি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নিতকরণ, সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দর থেকে পুণরায় সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু, রিফুয়েলিং স্টেশন চালু, গ্যাস সংযোগ পুণরায় চালু, আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণ, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, এমসি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, সুনামগঞ্জে একটি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন, সিলেট-ঢাকা ডাবল রেলপথ, সুরমানদী খনন, স্পেশাল ইকোনমিক জোন স্থাপন ব্যাপারে। সিলেটভিউ২৪ডটকম

কানাইঘাট গাছবাড়ী-হরিপুর সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটে ২২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের পাশে এ প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করেন। প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী পাশে স্থাপিত জনসভা মঞ্চে আসন নেন। ২২টি প্রকল্পের মধ্যে সিলেটের ১০টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে কানাইঘাট বাসীর বহুল প্রতিক্ষিত হরিপুর-গাছবাড়ী জিসি সড়ক উন্নয়ন (কানাইঘাট অংশ)ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

একা থাকাবস্থায় হার্ট অ্যাটাক হলে দ্রুত এই ৪টি কাজ করুন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: হার্টে যে কোন সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে। বর্তমানে আমাদের দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ হার্ট সমস্যায় ভুগছেন। যতো দিন গড়াচ্ছে ততই এই রোগটি যেন মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা বলছে, আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ শুধু উন্নত বিশ্ব নয়, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেও হার্টের রোগী এতো পরিমাণে বাড়বে যে, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের হার্টের সমস্যা থাকবে। তাই আমাদের প্রত্যেকেরই খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি কায়িক পরিশ্রমের দিকেও নজর দিতে হবে। তাছাড়া হার্ট অ্যাটাক হলে প্রত্যেকেরই কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কেও ধারণা থাকা দরকার। আপনি একা থাকা অবস্থায় যদি আপনার হার্ট অ্যাটক হয় কিংবা অন্য যে কোন সময় যদি হার্ট অ্যাটাক হয় তাহলে আপনি কি করবেন? নিচের বর্ণনা থেকে জেনে নিন এর বিস্তারিত- অ্যাটাকের সাধারণ লক্ষণ বুকের বাম দিকের একেবারে মাঝে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়। হার্ট অ্যাটাকের এটাই সবচেয়ে প্রাথমিক লক্ষণ। সাধারণভাবে প্রায় ২০ মিনিট ব্যথা থাকে। ধীরে ধীরে তা উপরে বাম দিকের হাত ও কাঁধের সংযোগস্থল, ঘাড় ও চোয়ালে ছড়িয়ে পড়ে। প্রচণ্ড ঘাম হওয়া এ সময় প্রচণ্ড ঘাম হয় ও ধীরে ধীরে চারদিক অন্ধকার মনে হতে থাকে। একা থাকলে এমন লক্ষণ বুঝলে কখনই অবহেলা করবেন না। তাই পরিচিতদের খবর দিয়ে রাখুন। হার্টের রোগীরা সবসময় অ্যাম্বুলেন্সের মতো জরুরি পরিসেবার নম্বর হাতের কাছে রাখবেন। বাইরে রাস্তায় থাকলে সঙ্গে সঙ্গে পাশের কারও সাহায্য নিন। ১। অ্যাসপিরিন সঙ্গে রাখুন হার্ট অ্যাটাকের সময় অ্যাসপিরিন নিলে অনেকটা উপকার হয়। একা থাকা অবস্থায় অ্যাসপিরিন নিলে প্রাথমিক অবস্থায় অনেকটা সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায়। ২। জোরে শ্বাস নিন বহুকাল ধরেই এই ব্যাপারটি চলে আসছে। চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন, জোরে জোরে শ্বাস নিলে হার্ট অ্যাটাকের সময় অনেকটা উপকার হয়। ৩। বুকে চাপ দিন হার্ট অ্যাটাকের সময় চিকিৎসকরা অনেক সময়ে দুই হাত দিয়ে হার্টের উপরে চাপ দেন, যাতে হৃকম্পনের স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে। বাড়িতে একা অবস্থায় নিজে থেকে এই পদ্ধতির ব্যবহার করা যেতে পারে। ৪। কাশতে থাকা পুরনো হলেও এই টোটকা দারুণ কাজে দেয়। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোনো ব্যাখ্যা নেই। তবে অনেক সময় হার্টের সমস্যায় জোরে জোরে কাশলে কোনো জায়গায় সামান্য ব্লক থাকলে তা খুলে যায়।

খালেদা আসলে সিলেটে তুফান হইতো!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: খালেদা আসলে সিলেটে তুফান হইতো বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান সাবেক মন্ত্রী বাবউ সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত। তিনি বৃহস্পতিবার সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় এ কথা বলেন। তিনি গতকাল বুধবার সিলেটে আবহাওয়া অনেক খারাপ ছিলো। অনেক বৃষ্টি হইছে। আজ প্রধানমন্ত্রী আসছেন রইদ উটছে। আর বেগম খালেদা যদি আসতো, শুধু বৃষ্টি না, তুফান হইতো।

কত টাকায় রাজি হন বাংলা সিনেমার নায়িকারা?


বিনোদন ডেস্ক: মেয়েদের বয়স জানতে চাওয়া যেমন বিব্রতকর তেমনি কারো বেতন বা আয় জানতে চাওয়াটাও বিব্রতকর। তারপরও মানুষ উৎসুক হয়ে থাকে গোপন এই খবরটি জানার জন্য। কাউকে বিব্রত না করে প্রযোজক-পরিচালকদের সঙ্গে কথা বলে হাজির করা হয়েছে নায়িকাদের সিনেমা প্রতি আয়ের আনুমানিক হিসাব। আসুন জেনে নেই হিসাবটি। শাবনূর একসময়ের পর্দা কাঁপানো নায়িকা শাবনূরকে আর বড়পর্দায় দেখা যায় না। সম্প্রতি চলচ্চিত্রে ফেরার ঘোষণা দিলে হুমড়ি খেয়ে পড়েন পরিচালক-প্রযোজকরা। ছবি করবেন কি না তা এখনো ঠিক না হলেও পারিশ্রমিক খুব বেশি দাবি করছেন না। ছবি প্রতি ৭ থেকে ১০ লাখেই সীমাবদ্ধ রেখেছেন নিজেকে। মৌসুমী বিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে দর্শকের মন জয় করে আছেন মৌসুমী। আগের মতো আর ছবি না করলেও বছরে দু’একটি ছবিতে তাঁর উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। তবে নায়িকার চেয়ে চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবেই বেশি দেখা যায় তাঁকে। গুণী এই অভিনেত্রী ছবি প্রতি ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। পপি বেশ কয়েক বছর ধরেই চলচ্চিত্র থেকে অনেকটা দূরে রয়েছেন জনপ্রিয় নায়িকা পপি। ভাল গল্প আর ভাল পরিচালকের অপেক্ষায় থাকা এই নায়িকাও ছবি প্রতি ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা হাকাচ্ছেন বলে জানা গেছে। অপু বিশ্বাস আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘কাল সকালে’ ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন অপু বিশ্বাস। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে এই নায়িকা পান তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা। শুরুতে অপু বিশ্বাস ২ থেকে ৩ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিলেও জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা নেন। চলচ্চিত্রের মন্দা অবস্থায় মাঝে কিছুদিন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা নিলেও এখন আবারো পারিশ্রমিক বাড়িয়ে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা করে নিচ্ছেন তিনি। ববি হক ২০১০ সালে ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত ‘খোঁজ-দ্য সার্চ’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন ইয়ামীন হক ববি। এরপর বেশ কিছুদিন বিরতি দিয়ে ২০১৩ সালে একই পরিচালকের ‘দেহরক্ষী’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নিয়মিত হন চলচ্চিত্রে। শুরুতে নামমাত্র পারিশ্রমিক নিলেও ববি এখন সিনেমা প্রতি ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা করে নিচ্ছেন। জয়া আহসান ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বড় পর্দায় এসেছেন খুব বেশিদিন হয়নি। বেছে বেছে কাজ করেন তিনি। ফলে শুধুমাত্র পারিশ্রমিক নয়, চান মনের মতো গল্প আর পরিবেশও। আবার নির্দিষ্ট কোনো পারিশ্রমিকেও নিজেকে বন্দি করে রাখেননি এ তারকা। পরিচালক-প্রযোজক বুঝে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তিনি। তবে আনুমানিক ৬ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন বলে জানা গেছে। মাহিয়া মাহি জাজ মাল্টিমিডিয়ার হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন মাহিয়া মাহি। কয়েক বছরের ব্যবধানেই গায়ে জড়িয়ে নিয়েছেন শীর্ষ নায়িকার তকমা। শুরুতে ছবি প্রতি ২ থেকে ৩ লাখ টাকা নিলেও জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পারিশ্রমিকের পরিমাণও ক্রমশ বাড়তে থাকে। মাহি বর্তমানে ছবি প্রতি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন প্রায় ৬ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত। বিদ্যা সিনহা সাহা মিম প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এর ‘আমার আছে জল’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন লাক্স তারকা বিদ্যা সিনহা সাহা মিম। এরপর নিয়মিত হন নাটকে। মাঝখানে শাকিব খানের সঙ্গেও একটি বাণিজ্যিক ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। কিন্তু দর্শকের সাড়া না পেয়ে আবারো ফিরে যান ছোটপর্দায়। তবে খুব বেশিদিন ছোটপর্দায় পড়ে থাকতে হয়নি এই নায়িকাকে। কয়েক বছর ধরে আবারো ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চলচ্চিত্রে। জয়া আহসানের মতো মিমও নিজেকে নির্দিষ্ট কোনো পারিশ্রমিকে আবদ্ধ রাখেন নি। পরিচালক ও প্রযোজক ভেদে ওঠানামা করে তার পারিশ্রমিক। তবে পারিশ্রমিকে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছেন তিনি। পরী মণি শাহ-আলম মন্ডল পরিচালিত ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন পরী মণি। ছবি মুক্তির আগেই পরিচালক-প্রযোজকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। ফলে দর্শকের সামনে হাজির হওয়ার আগেই পরী মণি চুক্তিবদ্ধ হন প্রায় ৩০টি ছবিতে। শুরুর দিকে পরী ১ থেকে ২ লাখ টাকা নিলেও পরিচালক প্রযোজকদের ব্যাপক চাহিদার কারণে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে বর্তমানে ছবি প্রতি ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা করে নিচ্ছেন। মৌসুমী হামিদ মৌসুমী হামিদও ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দায় কাজ করছেন সম্প্রতি। কোন ছবি মুক্তি না পেলেও চলচ্চিত্র প্রযোজকদের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেছেন এ নায়িকা। জানা যায়, ছবি প্রতি ২ লাখ টাকার মতো পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন এই অভিনেত্রী। আঁচল ‘ভুল’ ছবি দিয়ে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন আঁচল। সম্প্রতি বেশকিছু জনপ্রিয় নায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিজেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। প্রথমে ২ লাখ টাকা করে পারিশ্রমিক নিলেও এখন সিনেমা প্রতি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা করে। এদিকে একেবারে নতুন নায়িকাদের মধ্যে অমৃতা খান, শিরিনি শিলা, নিঝুম রুবিনাসহ অনেকেই নিয়মিত কাজ করছেন চলচ্চিত্রে। আনকোরা এই নায়িকারাও পরিচালক-প্রযোজক বুঝে নিজেদের পারিশ্রমিক হাকাচ্ছেন। তবে এটা ১ থেকে ২ লাখের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে জানা যায়।

রেকর্ড গড়া হলো না বাংলাদেশের

bangladesh lost to zimbabwe by 31 runs

এই লক্ষ্যের পিছনে ছুটতে গিয়ে ৩১ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে যা খুলনার মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম হার।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে নেমে ১৮৭ রান করে জিম্বাবুয়ে। এটা তাদের ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান। এই রান করার পথে ২৩ বলে ৪৯ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন ম্যালকম ওয়ালার। মূলত তার ব্যাটিংয়ে ভর করেই চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দেয় জিম্বাবুয়ে।

পরের জবাব দিতে নেমেই তামিমের বদলে খেলতে নামা ইমরুল কায়েসকে হারায় বাংলাদেশ। পরে দ্বিতীয় উইকেটে বড় জুটি গড়ে অন্য কিছুর ইঙ্গিত দেন সাব্বির ও সৌম্য সরকার।

কিন্তু এই জুটি ভাঙার পর একটু একটু করে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে বাংলাদেশ। পর পর কয়েকটি উইকেট হারানো বাংলাদেশের চূড়ান্ত সর্বনাশটা করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ১৫৬ রানে থমকে যায় বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ে ৩১ রানে জয়ের মাধ্যমে সিরিজ ড্র করার সম্ভাবনাটা টিকিয়ে রাখলো। সিরিজের শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল।
১৮৮ রানের লক্ষ্যটা একটু বেশিই বড় হয়ে গিয়েছিলো বাংলাদেশের জন্য। ফলে জেতা হলো না মাশরাফিদের। গড়া হলো না ইতিহাসও।

ইন্টারভিউর প্রস্তুতি ও যেসব বিষয় এড়িয়ে যাবেন

ইন্টারভিউর প্রস্তুতি ও যেসব বিষয় এড়িয়ে যাবেন
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে অনেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেও চাকরির পেছনে হন্যে হয়ে ছুটেন, অনেকে আবার চাকরির জন্য নির্বাচিত হয়ে লিখিত পরীক্ষাও দেন এরপর ভাইভা বা ইন্টারভিউ দিতে যেয়ে বাদ পরে যান। সফলতার প্রথম ধাপই হলো ইন্টারভিউ। তাই ইন্টারভিউ দেওয়ার আগে আপনাকে কৌশলী হতে হবে।

প্রায় দেখা যায়, ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে চাকরিপ্রার্থীরা টেনশনে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। অনেক ভালো শিক্ষার্থীও ইন্টারভিউতে ভালো করতে পারেননা। কিন্তু ইন্টারভিউ ভীতি দূর করা তেমন কঠিন বিষয় নয়। শুধু আপনাকে অতিরিক্ত অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হবে। সেজন্য আপনাকে ইন্টারভিউর আগে প্রথমে পরিকল্পনা করতে হবে এবং কিছু সহজ নিয়ম-কানুনের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।

পূর্ব প্রস্তুতি

যেকোন কাজের একটা পূর্ব প্রস্তুতি থাকে যার মাধ্যমে কাজটি সহজ ও সুন্দরভাবে সমাধান করা যায়। যেকোন চাকরির ইন্টারভিউয়ের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। ভালো একাডেমিক রেজাল্ট, বুদ্ধিমত্তা, জ্ঞান, মেধা থাকা সত্ত্বেও শুধু ইন্টারভিউ প্রস্তুতি না থাকার কারণে বহু কাঙ্ক্ষিত চাকরি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। তাই সে জন্য দরকার পূর্ব প্রস্তুতি।

পোশাক
ইন্টারভিউর ক্ষেত্রে পোশাক-পরিচ্ছদের ওপর খুব সচেতন দৃষ্টি থাকা উচিত। একজন নিয়োগকর্তা প্রথমেই নজর দেবেন সাক্ষাৎকার দাতার পোশাক-পরিচ্ছদের ওপর। পোশাক-পরিচ্ছদ দেখেই তিনি সাক্ষাৎদাতার স্মার্টনেস, বাহ্যিক গুণাবলি, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনেকটা মেপে নেন।

– ছেলেদের পোশাকের ক্ষেত্রে অবশ্যই তা ফরমাল হতে হবে এবং মার্জিত এবং রুচিশীল শার্ট পড়বেন। অবশ্যই উগ্র রং এর শার্ট পরিহার করতে হবে। শার্টের সাথে প্যান্ট ম্যাচ করে পড়লে ভালো দেখাবে। অবশ্যই শার্টের সাথে ম্যাচিং টাই পরতে হবে।

– মেয়েরা দেশীয় পোশাক পরতে পারেন। তবে হালকা রঙের সাধারণ সালোয়ার কামিজ পরা যাবে, তা যেনো আঁটসাঁট না হয়। চুল ছেড়ে না রেখে পনিটেইল করে বেঁধে গেলে মার্জিত দেখাবে।

– জুতার ক্ষেত্রে কালো জুতাই সবার জন্য বেশি মানানসই, ভাইভার পুর্বে জুতা পালিশ করে নেবেন। মেয়েরা হিল পরলে খেয়াল রাখবেন তা যেনো অতিরিক্ত শব্দ না করে, পা ছেঁচড়ে হাঁটবেন না।

– ইন্টারভিউ বোর্ডে ঢোকার সময় অনুমতি নিয়ে ঢুকে সালাম দিবেন। অতি চটপটে ভাব বা বিনয়ী ভাব দেখাতে যাবেন না। অনেকে খুব আপসেট থাকে এটাও বুঝতে দেয়া যাবে না।

– যতক্ষন না আপনাকে বসতে বলা হয় ততক্ষন অপেক্ষা করুন। বসতে বলার পর ধন্যবাদ জানাবেন।

– চেয়ারে বসার সময় হালকা করে চেয়ারের পিঠে হেলান দিয়ে সোজা হয়ে বসুন, অহেতুক নড়াচড়া করবেন না বা পা নাচাবেন না।

– হাঁচি পেলে রুমাল বের করে হাঁচি দিবেন বা কাশি পেলে মাথা ঘুরিয়ে মুখ ঢেকে কাশি দিবেন। হাঁচি বা কাশির পর অবশ্যই এক্সকিউজ মি বা সরি বলবেন।

- অস্পষ্ট বা অশালীন ভাষা ব্যবহার করা, একগুয়েমি মনোভাব প্রদর্শন, মুদ্রাদোষের পুনরাবৃত্তি প্রভৃতি ব্যবহার সাক্ষাতদাতার জন্য অবশ্যই নেতিবাচক। তাই এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রস্তুতি
– প্রথমে প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাসই আপনাকে সফলতা অর্জনে অনেক এগিয়ে দেবে।

– নির্ধারিত দিনে অফিসে ঠিক সময় মত যাবেন। রাস্তায় জ্যাম থাকবেই, তাই হাতে সময় নিয়ে একটু আগেই পৌঁছে যান।

– সাক্ষাৎকারে যাওয়ার আগে যে প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন করেছেন, সে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিন। কী ধরনের কাজ হয় জানতে তাদের ওয়েবসাইট দেখুন।

– জীবনবৃত্তান্ত, একাডেমিক সার্টিফিকেট, মার্কশিট, আগে চাকরি করে থাকলে সেই অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট, একটি কলম ও নোটপ্যাড সঙ্গে রাখুন।

– আপনার মুঠোফোনটি ইন্টারভিউ দিতে ঢোকার আগে সাইলেন্ট করে নিন।

– প্রশ্নের উত্তর যথাসম্ভব সহজ, সরল ও সংক্ষিপ্তভাবে দিন।

– কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে সরাসরি বলুন, আমতা আমতা করে সময় নষ্ট করবেন না।

– ইন্টারভিউ এর সময় যেমন নার্ভাস হওয়া যাবেনা, তেমনি ওভার স্মার্টনেস দেখানোও ঠিক নয়।

– আপনাকে বাংলায় প্রশ্ন করা হলে, ইংরেজীতে উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। একইভাবে ইংরেজিতে প্রশ্ন করলে ইংরেজিতেই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

– নিজের সম্বন্ধে কিছু বলুন, আপনার দুর্বলতা কী, কেন আমরা আপনাকে বেছে নেব, আজ থেকে পাঁচ-সাত বছর পরে আপনি নিজেকে কোন অবস্থানে দেখতে চান-এরকম কিছু প্রশ্নের উত্তর আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন। এ ধরনের প্রশ্নে হতভম্ব হয়ে পড়ার কারণ নেই। এগুলির সাহায্যে আপনার আত্মবিশ্বাস কিংবা দূরদৃষ্টি বা অধ্যাবসায় কতটা মজবুত, সেটাই পরীক্ষা করেন প্রশ্নকর্তারা। এই প্রশ্নের উত্তর বুদ্ধি করে দিলে ভাল। আর যদি সেরকম কিছু মাথায় আসছে না মনে হয়, তা হলে সোজাসাপ্টা সরল উত্তর দেওয়াই নিরাপদ।

– ইন্টারভিউ শেষে কখনোই জানতে চাবেন না চাকরীটি আপনার হবে কি হবে না,তাহলে ইন্টারভিউ গ্রহণকারীরা একে আপনার দুর্বলতা হিসেবে নিবে।

যা এড়িয়ে চলবেন
– যথেষ্ট প্রস্তুতি ছাড়া ইন্টাভিউতে বসা।
– যা খুশি পোশাক পরা।
– বেশি আগে বা পরে ইন্টারভিউ হলে উপস্থিত হওয়া।
– আগের কোম্পানির বস কিংবা ম্যানেজারের নামে বদনাম করা। অস্পষ্ট বা কোনোরকম অশালীন ভাষা ব্যবহার করা।
– ইন্টারভিউ দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় রুক্ষ্ম মনোভাব দেখানো।

ফকির মাল্লুর ৪৩ বউ

ফকির মাল্লুর ৪৩ বউ
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: নাম মাল্লু শাহ। পেশায় ভিক্ষুক হলেও এখন আর ভিক্ষা করেননা। মাল্লু শাহের ভিক্ষা করার আর প্রয়োজন নেই। কারণ ভিক্ষা করার জন্য আছে তার ৪৩ জন বউ।

এই ফকিরের সন্ধান মিললো কলকাতার গুলিস্তান হোটেলের সামনে।

মাল্লু শাহের ফকির দেখতে সুদর্শন। বয়স এখন প্রায় ৭২ বছর। থাকেন কলকাতার সদর স্ট্রিটের ফায়ার ব্রিগেডের ঠিক একটু সামনে গুলিস্তান হোটেলের কাছে। মাল্লুর বয়স যখন পাঁঁচ বছর তখন থেকেই তিনি এই অঞ্চলে আছেন। প্রথমে তিনি নিউমার্কেট থেকে শুরু করে মার্কাস স্ট্রিট এবং রাফি আহমেদ রোড অঞ্চলে ভিক্ষা করতেন। এভাবে এক সময় এই অঞ্চলে ভিক্ষুকদের সর্দার হন তিনি। এই অঞ্চলে নতুন কোনো ভিক্ষুক এলে প্রথমে মাল্লুর অনুমতি নিতে হতো।

মাল্লু প্রথমে বিয়ে করেন মাত্র তেরো বছর বয়সে। এরপর প্রায় ত্রিশ বছর সংসার করার পরে তার বউ মারা যান। মাল্লু ভিক্ষুকদের সর্দার হবার পর থেকে তার রুচিতে পরিবর্তন আসতে থাকে। যখন কোন মধ্যবয়সী কিংবা অল্প বয়সী মেয়ে ভিক্ষা করার জন্য অনুমতি নিতে আসতো মাল্লু তাদেরকে বেশ ভালোভাবেই নিয়ম কানুন বুঝিয়ে দিতেন। এদের মধ্য কাওকে পছন্দ হলে মাল্লু তাকে বিয়ে করতেন। মাল্লু এভাবে প্রায় পঞ্চাশের অধিক মহিলাকে বিয়ে করেছেন। এখন পর্যন্ত মাল্লুর সাথে আছে ৪৩ জন।

মাল্লুর সাথে কথা বলে জানান, সব বউ কে তিনি ভিক্ষা করার স্বাধীনতা দিয়েছেন। তবে প্রতি বউকে প্রতিরাতেই তার কাছে হাজিরা দিতে হয়। প্রতি বউয়ের থেকে মাল্লু প্রতিদিন ২০ টাকা করে নেন। নিজের বউ ছাড়া অন্যান্য ভিক্ষুকদের থেকে মাল্লু প্রতি সপ্তাহে মাসোহারা নিয়ে থাকেন। তবে মাল্লু ৪৩ জন বউকে নিয়ে একজায়গায় থাকেন না। মাল্লুর সাথে থাকে মাত্র তিনজন বউ। এদের বয়স বিশ থেকে ত্রিশের মধ্যে।

মাল্লু জানান,  আরো অধিক মেয়েকে তিনি বিয়ে করে ভিক্ষাবৃত্তির পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে চান।

নৌবাহিনীর নতুন প্রধান নিজাম উদ্দিন আহমেদ

নৌবাহিনীর নতুন প্রধান নিজাম উদ্দিন আহমেদ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহমেদকে নৌবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম।
 
তিনি জানান, আগামী ২৭ জানুয়ারি বিকেলে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহমেদের নিয়োগ কার্যকর হবে।
 
তিনি নৌবাহিনীর বর্তমান প্রধান এডমিরাল এম ফরিদ হাবীবের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

নৌকায় ভোট চাইলেন শেখ হাসিনা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: নৌকার পক্ষে ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘‘নৌকায় শান্তি দেবে। নৌকা সমৃদ্ধি দেবে। নৌকা উন্নতি দেবে। নৌকায় এ দেশের মুক্তি এনে দেবে।’’ আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেটে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে এক জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। এসময় নৌকায় ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার নেন উপস্থিত জনতা। শেখ হাসিনা উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘‘নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশের স্বাধীনতা পেয়েছেন। নৌকায় মার্কায় ভোট দিয়েছেন বলেই আজকে দেশের উন্নতি হচ্ছে। আগামী দিনেও নৌকা মার্কাকে কখনো ভুলবেন না। নৌকায় আগামীতে ভোট দেবেন তো। হাত তুলে দেখান। হাত তুলে ওয়াদা করেন। হাত তুলে ওয়াদা করেন যে, নৌকায় ভোট দেবেন।’’ এরপর উপস্থিত জনতা হাত তুলে তাঁকে দেখান। প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চে সভাপতির আসনে বসা অর্থমন্ত্রীকে দেখিয়ে বলেন, “আমাদের মাননীয় অর্থমন্ত্রীর এখানে বিরাট ভূমিকা রয়েছে। “কাজেই অর্থমন্ত্রী যেখানে আছেন, সেখানে সরকারিকরণে কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা না। যেহেতু অর্থমন্ত্রী সাথে আছেন, সেহেতু মদন মোহন কলেজকে সরকারি আমরা করে দিতে পারব।” আবুল মাল আবদুল মুহিত মদন মোহন কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দূর করতে আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে। বিএনপি-জামায়াত সরকার যখন ক্ষমতায় যায়, তখন বোমা হামলা চালায়। সিলেটেও তারা বোমা হামলা চালিয়েছিল। সিলেটে ১০টির বেশি স্থানে তারা বোমা হামলা করেছিল। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় গেলে মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে।’’ আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে দেশের উন্নয়ন হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছি। আমরা চাই শান্তি, তারা চান অশান্তি।’’ তিনি আরো বলেন, ‘‘বিএনপির সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছিলো। এখন ১০০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছি, ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছি। ৭৫ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। ২০২১ সালে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ যাবে।’’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যারা পেট্রোলবোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে তাদের ক্ষমা নেই। তাদের বিচার এ বাংলার মাটিতে হবে।’’ জনসভায় অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহবাহ উদ্দিন সিরাজ ও কলেজের অধ্যক্ষ আবুল ফতেহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। এর আগে বেলা ১২টার দিকে হেলিকপ্টারে করে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরানের মাজার জিয়ারত করতে যান। পরে রিকাবিবাজারে মদন মহন কলেজের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। এরপর কলেজের হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ছয় স্তরের নিরাপত্তাবলয়ের পাশাপাশি নগরীর নির্দিষ্ট কিছু সড়কে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।

আ.লীগ মানুষের জন্য পুরস্কার নিয়ে ক্ষমতায় আসে: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী


২১ জানুয়ারি ২০১৬ :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, মানুষের জন্য পুরস্কার নিয়ে ক্ষমতায় আসে। বিএনপি-জামায়াত মানুষের জন্য, দেশের জন্য তিরস্কার বয়ে আনে। বাঙালি জাতি অদম্য জাতি। বাঙালি জাতিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুফল মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন অর্থনৈতিক মন্দা ছিল। কিন্তু আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশের উন্নয়ন করেছি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হয়। আমরা দেশের উন্নয়ন, মানুষের উন্নয়ন করেছি। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছি। তিনি বলেন, সিলেট বিভাগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় অহরহ বোমা হামলা হতো। সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের উপর হামলা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতা ইব্রাহিমকে হত্যা করা হয়েছে। সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সময় বিদেশিরাও নিরাপদ ছিল না। সিলেটে শাহজালালের মাজারে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের উপরও হামলা হয়েছিল। বিএনপি-জামায়াতের আমল ছিল সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের আমল, এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের আমল হচ্ছে উন্নয়ন ও সুশাসনের আমল। তিনি বলেন, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেও বিএনপি-জামায়াত ক্ষান্ত দেয়নি। তারা নির্বাচন বানচালের নামে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। খালেদার প্রতিহিংসা থেকে সাধারণ মানুষও রেহাই পায়নি। ‘তাদের ক্ষমা নেই’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, যেখানে মানুষ পুড়িয়ে মারা হয়েছে, সেখানেই মামলা হয়েছে। মানুষ পুড়িয়ে মারার দায়ে তাদের সবার বিচার হবে। প্রত্যেকের বিচার করা হবে। বিএনপি-জামায়াতকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শান্তি চাই আর তারা চায় অশান্তি। ‘জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ক্ষমতা দখল করে যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমরা ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি। জাতির জনকের হত্যাকারীদের পুনর্বাসন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। কিন্তু আমরা জাতির জনকের হত্যাকারীদের বিচার করেছি। যুদ্ধারপরাধীদেরও বিচার আমরা করবো। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কলঙ্কমুক্ত হবে। বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে বাংলাদেশ বিমানে লুটপাট করা হয়েছে উলে­খ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমান ছিল মরা লাশ। আমরা বিমানে প্রাণের সঞ্চার করেছি। সিলেটভিউ২৪ডটকম

সিলেটে ২২ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রীর


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিলেটে ২২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের পাশে এ প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করেন। প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী পাশে স্থাপিত জনসভা মঞ্চে আসন নেন। এখানে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজনে এ জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা। ২২টি প্রকল্পের মধ্যে সিলেটের ১০টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনকৃত প্রকল্পগুলো হলো- সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবন, আবুল মাল আবদুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্স, জৈন্তাপুর উপজেলায় ১টি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, সিলেট এ.পি.বি.এনএর ব্যারাক ভবন, ওসমানীনগর থানা ভবন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য নির্মিত হোস্টেল নির্মাণ (৩৭-ইউনিট) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হোস্টেল ভবন (৪ তলা, ভিতসহ ২য় তলা), খাদিমপাড়ায় ৩০ শয্যা বিশিষ্ট শাহপরান হাসপাতাল, সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, নগরীর শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালকে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতালে রূপান্তর, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় লাইব্রেরি ভবনের উদ্বোধন করবেন। এছাড়া সিলেট আউটার স্টেডিয়াম, খসরুপুর বাজার জিসি-পৈলানপুর-বালাগঞ্জ জিসি সড়ক উন্নয়ন, হরিপুর জিসি-গাছবাড়ী জিসি সড়ক উন্নয়ন (কানাইঘাট অংশ), মৈয়াখালী বাজার-আর এন্ড সুইচ (বারোহাল ইউপি অফিস) ভায়া হাটুবিল মাদ্রাসা সড়ক উন্নয়ন, নারী পুলিশ ডরমেটরী ভবনের ঊর্ধ্বমুখি সম্প্রসারণ কাজ, শাহপরান থানা ভবন নির্মাণ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা অফিস নির্মাণ, সিলেট বিভাগীয় ও জেলা এনএসআই কার্যালয় ভবন (৫ম তলা ভিত বিশিষ্ট ৩-তলা) নির্মাণ, তামাবিল স্থলবন্দর নির্মাণ, হযরত গাজী বোরহান উদ্দিন (রহ.) মাজার, ৩ তলা ভিত বিশিষ্ট মসজিদ, মহিলা এবাদতখানা ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) সিলেট বিভাগ এবং সিভিল সার্জন সিলেট কার্যালয় নির্মাণ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সিলেট ইলেকট্রোনিক সিটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী মদন মহন কলেজের মদন মোহন কলেজের ৭৫ বছরপূর্তি উৎসবে যোগদান করেন।

ভারতের দিকে তাক পাকিস্তানের ১৩০ পরমাণু বোমা!

ভারতের দিকে তাক পাকিস্তানের ১৩০ পরমাণু বোমা!

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: দুই দেশের চরম উত্তেজনায় নয়াদিল্লি যে কোনো সময় সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে। পাল্টা জবাবে পাকিস্তানের ১৩০টি পরমাণু বোমার সবকটি তাক করা হয়েছে ভারতের দিকে।

এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্টটি মার্কিন কংগ্রেসে পেশ হয়েছে। পাকিস্তান সেনার সমরসজ্জার এই ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা বিশ্বে।

মার্কিন কংগ্রেস শাখা 'কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস' (সিআরএস) সম্প্রতি আমেরিকার সংসদে তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

প্রতি বছরই বিভিন্ন বিষয়ে এই রিপোর্ট জমা দেয়া হয়। পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে ২৮ পাতার যে রিপোর্ট মার্কিন কংগ্রেসে জমা পড়েছে, তাতে পাকিস্তানের সমরসজ্জা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিআরএস।

ইসলামাবাদের 'ফুল স্পেকট্রাম ডেটারেন্স' তত্ত্ব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ফুল স্পেকট্রাম ডেটারেন্স-এর অর্থ হল, অস্ত্রাগারে থাকা সবকটি পরমাণু বোমাকে যেকোনো সময় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা। পাকিস্তানের হাতে ১১০ থেকে ১৩০টি পরমাণু বোমা রয়েছে বলে মার্কিন গবেষকদের দাবি।

ভারতের দিক থেকে যে কোনো রকম আক্রমণের সম্ভাবনা রুখতেই পাকিস্তান এই ফুল স্পেকট্রাম ডেটারেন্স নীতি নিয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ, ১৩০টি পরমাণু বোমা মাথায় নিয়ে তৈরি থাকা পাকিস্তানের নিউক্লিয়ার মিসাইলগুলির প্রত্যেকটিই ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের দিকে তাক করে রাখা হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেসে জমা পড়া রিপোর্টে পাকিস্তানের এই রণসাজের কথা উল্লেখ করে প্রবল উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

মার্কিন গবেষকরা সে দেশের কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, ভারতের প্রতি পাকিস্তানের এই মনোভাব দক্ষিণ এশিয়ার দু’টি প্রতিবেশি দেশের মধ্যে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানের মোকাবিলায় ভারতও নিজেদের প্রস্তুত রাখছে বলে সিআরএস রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুর দাঁতেরও চাই সঠিক যত্ন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: শিশুর কুচিকুচি দুধদাঁত পড়ে গিয়ে স্থায়ী দাঁত ওঠে। ক্ষণস্থায়ী হওয়ায় দুধদাঁতের আবার যত্নের কি দরকার। অথচ শিশুর দাঁতবিহীন মাড়িরও কিন্তু যত্ন নেয়া প্রয়োজন। সঠিক যত্নের অভাবে এই দাঁত ক্ষয়ে গিয়ে শিশু মাড়ি ব্যথা বা যন্ত্রণার শিকার হতে পারে। খাবারে অনীহা বাড়ে, শিশুর স্বাস্থ্যহানী ঘটে। তাই দুধদাঁত হলেও দরকার সঠিক যত্ন। রাতে ঘুমানোর সময় শিশুর মুখে ফিডার দিয়ে রাখা উচিৎ নয়। এতে শিশুর মাড়ির ক্ষতি হয়। দুধদাঁতেও ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শিশুর মাড়ি শক্ত করতে ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খুব উপকারী। তাই শিশুর দাঁত উঠলে লেবু, আমলকি, কমলাসহ ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার বেশি বেশি খেতে দিন। সম্ভব হলে প্রতিবার দুধ খাওয়ার পর শিশুর মাড়ি ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে। অনেক শিশুর দুধদাঁতে কালো দাগ দেখা যায়। কারো দাঁত আস্তে ভেঙে পড়ে, আবার কারও দাঁত মাড়ির ভেতর ঢুকে যায়। একে ডেন্টাল প্ল্যাক বলা হয়। এটি তৈরি হয় লালা, খাদ্যবস্তু ও জীবাণুর সমন্বয়ে। অতিরিক্ত চকলেট, চিপস, আইসক্রিম, কোমল পানীয় খাওয়ার কারণে প্ল্যাকের মধ্যকার জীবাণু এক ধরনের অ্যাসিড তৈরি করে। এ অ্যাসিড তখন দাঁতের শক্ত আবরণ ভেঙে ক্যারিজ বা দাঁত ক্ষয় শুরু করে। তাই শিশুকে কোমল পানীয়, চকলেট, চিপস খাওয়া থেকে যতদূর সম্ভব বিরত রাখতে হবে। দুধদাঁত উঠতে শুরু করলেই শিশুকে ব্রাশ করানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শিশুরা অনুকরণ প্রিয়, তাই বাবা-মা শিশুর সামনে ব্রাশ করতে পারেন। বাবা-মায়ের ব্রাশ করতে দেখলে সেও ব্রাশ করা শিখবে। শিশুর দাঁত ব্রাশ করার জন্য আকর্ষণীয় বেবি ব্রাশ কিনে দিন। আকর্ষণীয় ব্রাশ দেখলে শিশু ব্রাশ করতে দারুণভাবে আগ্রহী হবে। শিশুর শক্ত, মজবুত ও স্থায়ী দাঁতের জন্য পুষ্টিকর খাবার খুব জরুরি। তাই শিশুকে নিয়মিত শাকসবজি, পেয়ারা, বরইসহ বিভিন্ন রকম তাজা ফলমূল খেতে দিন। এগুলো যেমন দাঁতের জন্য ভালো তেমন শরীরের জন্যও ভালো।

দেশের প্রথম ইজিবাইক সোলার চার্জিং স্টেশন

Kanaighat News on Wednesday, January 20, 2016 | 11:09 PM


ঢাকা : তিন চাকা বিশিষ্ট অটোরিকশার (ইজিবাইক) ব্যাটারি রিচার্জের জন্য সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপনের সরকারি পরিকল্পনা অবশেষে আলোর মুখ দেখছে। দেশের প্রথম ইজিবাইক সোলার চার্জিং স্টেশন উদ্বোধন হচ্ছে শুক্রবার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার দু’বছর পর পরিকল্পনাটি প্রাথমিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরের পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) প্রথম চার্জিং স্টেশনটি নির্মাণ করেছে। এতে প্রাথমিকভাবে এক সঙ্গে ২০ থেকে ২২ ইজিবাইকের ব্যাটারি রিচার্জ দেয়া যাবে। সূত্র জানায়, ইজিবাইকের ব্যাটারি চার্জের কারণে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয়, এতে অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গ্রিডে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে এগুলো রিচার্জ করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ছয় বিভাগীয় শহরে বিতরণ কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে ছয়টি সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ বিভাগকে দ্রুত এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এর প্রায় দুই বছর পর প্রথম চার্জিং স্টেশন উদ্বোধন হতে যাচ্ছে শুক্রবার। যদিও গত ১০ দিন পরীক্ষামূলকভাবে এখানে থেকে ইজিবাইক ব্যাটারি রিচার্জ দেয়া হচ্ছে। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরের সানি ফ্লিলিং স্টেশনের ছাদের ওপর সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে। তাই কোনো জমির প্রয়োজন হয়নি। জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে প্রতিবার রিচার্জের জন্য ইজি বাইকপ্রতি ৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে । এ বিষয়ে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর মহাব্যস্থাপক মো. রবিউল হোসেন বলেন, এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। দিনে সৌর বিদ্যুৎ আমাদের ব্যাটারিতে ধরে রাখি। রাতে ইজিবাইক চার্জ দেয়া হয়। পাওয়ার সেলের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি ইজিবাইকের জন্য চার থেকে পাঁচটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি প্রয়োজন হয়। প্রতি সেট ব্যাটারি চার্জের জন্য গড়ে ৮০০ থেকে ১১০০ ওয়াট হিসেবে পাঁচ থেকে ছয় ইউনিট (দিনে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা) বিদ্যুৎ খরচ হয়। এ হিসেবে দেশের পাঁচ লাখ ইজিবাইকের জন্য দৈনিক বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় ৫০০ মেগাওয়াট। এ বিদ্যুৎ ব্যবহারে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হয়। কারণ ইজি বাইক চার্জে আবাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়। আবাসিক বিল আসে বাইক প্রতি দিনে গড়ে ৩০ টাকা (প্রতি ইউনিটের দাম ৫ থেকে ৬ টাকা)। বাণিজ্যিক হিসেবে ব্যবহৃত হলে প্রতি সেট ব্যাটারি চার্জের জন্য দৈনিক খরচ হতো ৪৯ টাকা (পাঁচ ইউনিট বিদ্যুৎ, প্রতি ইউনিট নয় টাকা ৮০ পয়সা)। অর্থাৎ একটি ইজিবাইক চার্জে সরকার দিনে ১৯ টাকার মতো রাজস্ব হারাচ্ছে। অনেক গ্যারেজ মালিক বিদ্যুৎ চুরিও করে। এ অপচয় রোধেই সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, সারাদেশে নিজস্ব অর্থায়নে মোট ছয়টি চার্জিং স্টেশন স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয় বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোকে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) তিনটি এবং ডেসকো, ডিপিডিসি ও পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) একটি করে স্টেশন স্থাপনের কথা। বাংলামেইল২৪ডটকম/

কানাইঘাটে তাবলীগ জামাতে এসে মৃত্যু


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাটে তাবলীগ জামাতে এসে আব্দুুল মতিন (৫৫) নামের এক সাথী ভাই ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। বুধবার ফজরের নামাজের পর উপজেলার মালিগ্রাম উত্তর জামে মসজিদে তার মৃত্যু হয়। জানা যায়,আব্দুল মতিন বিশ্ব ইজতেমা থেকে ৩ চিল্লার জন্য তাবলীগ জামাতের সঙ্গে কানাইঘাটে আসেন। উপজেলার কয়েকটি মসজিদ ঘুরে গত গত দু'দিন থেকে মালিগ্রাম উত্তর জামে মসজিদে তাবলীগের অন্যান্য সাথীদের নিয়ে অবস্থান করছিলেন। বুধবার সকালে নামাজ পড়ে আব্দুল মতিন মসজিদের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে নাস্তার জন্য তার অন্য সঙ্গীরা ডাকতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। মৃত্যুর খবর পেয়ে ঢাকা সাভার থেকে মরহুমের দুই ছেলে ও আত্বীয় স্বজনরা এসে বাদ মাগরিব মালিগ্রাম উত্তর জামে মসজিদ গোরস্থানে জানাজার পর দাফন করা হয়। আব্দুুল মতিন ঢাকা সাভারের বাসিন্দা বলে জানাগেছে।

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্বনাথে আওয়ামী লীগের মিছিল-সভা


বিশ্বনাথ প্রতিনিধি, বুধবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৬ :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিলেট আগমণকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্বনাথে স্বাগত মিছিল ও সভা করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। বুধবার বিকেলে মিছিলটি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় বাসিয়া সেতুর উপর শেষ হয়। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পংকি খানের সভাপতিত্বে ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমির আলী চেয়ারম্যানের সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়েজ আহমদ সেবুল, আইন সম্পাদক শফিক উদ্দিন স্বপন, বন ও পরিবেশ সম্পাদক রুনু কান্ত দে, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ছুরাব আলী, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান বদরুল, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি হাজী আমির আলী, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মকদ্দছ আলী, যুগ্ম আহবায়ক মকদ্দছ আলী, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ বদরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ফয়জুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক আবদুল মালিক সুমন, মুহিবুর রহমান সুইট, বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শীতল বৈদ্য। মিছিল ও সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মহব্বত আলী, শংকর ধর, আবুল কালাম জুয়েল, আবদুল মতিন, নুরুল ইসলাম, সিতাব আলী, আবদুল জলিল জালাল, আবুল বাহার আনা মিয়া, শাখাওয়াত হোসেন, সুলতান আহমদ, আজিজুর রহমান বাবুল, কৃষক লীগের সহ সভাপতি সাহাব উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক কাছা মিয়া মেম্বার, মারফত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মতিন বুদন, কৃষক লীগ নেতা ছগির আলী, শাহ আলম, রেহান উদ্দিন, মানিক মিয়া, শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ফজর আলী, যুগ্ম সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ, রবিউল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আরান দে, যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন, শামীম আহমদ, নিজাম উদ্দিন, জহুর আলী, তাজুল ইসলাম, শহীদুজ্জামান সেলন, রফিক হাসান, ইকবাল হোসেন শাহীন, হাবিবুর রহমান মিনু, সঞ্চিত আচার্য্য, দবির মিয়া, লিটন মিয়া, বেলাল রাজা, হেলাল আহমদ, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহফুজুর রহমান দুলু, সাহিদুল ইসলাম, রফিক মিয়া, বদরুল ইসলাম মহসিন, ছাত্রলীগ নেতা বিশ্বজিৎ দেব রিপন, সায়েদ আহমদ, রাজু আহমদ খান, সাদেক মিয়া, শামীম আহমদ, সিরাজ মিয়া, মিয়াদ আহমদ, উপজেলা প্রজন্ম লীগের আহবায়ক তোফায়েল আহমদ কামাল।

জঙ্গি সন্দেহে ২৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে সিঙ্গাপুর


ডেস্ক রিপোর্ট : জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৭ বাংলাদেশি নাগরিককে আটকের পর ২৬ জনকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে সিঙ্গাপুর। বুধবার সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইনের আওতায় ওই বাংলাদেশিদের আটক করা হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। সিঙ্গাপুর স্ট্রেইট টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বাংলাদেশিদের সবাই পুরুষ। নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে তারা কাজ করতেন সেখানে। গত বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই ২৭ জনকে আটক করা হলেও সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার এ বিষয়ে বিস্তারিত জানায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে স্ট্রেইট টাইমসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘তদন্তে দেখা গেছে, আটককৃতরা আল কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শে বিশ্বাসী। তাদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশে জিহাদে অংশ নেওয়ার কথা ভাবছিল। তবে সিঙ্গাপুরের ভেতরে সন্ত্রাসী হামলা পরিচালনার কোনো পরিকল্পনা তাদের ছিল না।’ তবে এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশেও হামলার পরিকল্পনায় ছিল বলে চ্যানেল নিউজ এশিয়ার খবরে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইনে আটক ওই বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৬ জনকে ফেরত পাঠিয়ে তাদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সরকারকে অবহিত করেছে সিঙ্গাপুর। অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় সাজা খাটা শেষ হলে বাকি একজনকেও ফেরত পাঠানো হবে।

কাসর মাশাত্তা



উমাইয়াদের শীতকালীন প্রাসাদ। সম্ভবত দামেশকের খলিফা দ্বিতীয় ওয়ালিদের সময় (৭৪৩-৭৪৪ খ্রি.) নির্মিত হয়। জর্ডানের রাজধানী আম্মান থেকে প্রায় ৩০ কি.মি. দক্ষিণে এর ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত পারগামন মিউজিয়ামে সংরক্ষিত কাসর মাশাত্তার ফাসাদ (সম্মুখভাগ)


বিলুপ্তির পথে ঢেঁকি

বিলুপ্তির পথে ঢেঁকি
বগুড়া প্রতিনিধি: গ্রাম বাংলার চির চেনা ঢেঁকি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। বর্তমান যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে মানুষ যন্ত্রের যাঁতাকলে  আবদ্ধ মানুষ সময়ের বিবর্তনে হারাতে বসেছে হাজার বছরের পরিচিত এই শিল্পটি। আগের যুগে ঢেঁকির ব্যবহার  ছিল অনেক জনপ্রিয়। সাধারণত ধান থেকে চাল আলাদা করা, বাহারী পিঠা তৈরির জন্য চাল গুঁড়া করা ইত্যাদি  নানা কাজে এটির ব্যবহার ছিল প্রসিদ্ধ।  

জাল বা ছেঁড়া টাকা এটিএম বুথ থেকে পেলে কি করবেন?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জাল টাকা পাওয়া যাচ্ছে এখন হরহামেশা। কে, কখন, কোথায়, কিভাবে নকল টাকার পাল্লায় পড়ে যাবেন তা জানেন না কেউই। বর্তমানে এটিএম বুথ থেকেও জাল টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আজ জানাবো এটিএম বুথ থেকেই জাল টাকা পেলে কি করবেন। জাল বা নকল টাকা যদি আপনার হাতে আসে তবে তা দিয়ে কিছুই করা যায় না। উপরন্তু না বুঝে লেনদেন করলে বিপদে পড়তে পারেন। সুতরাং সাবধানের মার নেই। কোন মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে না হয় বুঝে দেখে নিলেন। কিন্তু মেশিন থেকেই যদি আপনাকে নকল টাকা দেয়া হয়! তাই জেনে নিন এটিএম বুথ থেকে নকল টাকা দেয়া হলে কি করবেন। ১. প্রথমেই জাল টাকার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে এটিএম বুথে থাকা গার্ডকে অবহিত করুন। ২. এবার গার্ডকে বলে সেখানে থাকা রেজিস্টার্ড বইতে নকল টাকা পাওয়ার সময় এবং বিষয়টি বিস্তারিত লিখুন। ৩. এবার আলাদা একটি কাগজে আপনি এই বুথেই যে নকল টাকা পেয়েছেন তা লিখে গার্ডকে দিয়ে সই করিয়ে নিন। ৪. এরপর নিকটবর্তী থানায় গিয়ে কোন বুথে পাওয়া গেছে নকল টাকা সে বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করুন। ৫. এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে যান এবং তাদেরকে নকল টাকা দেখিয়ে টাকায় জাল নোট এই সিল লাগিয়ে নিন এবং আলাদা রসিদ বইতে লিখিয়ে নিন। ব্যাংক সব কিছু দেখে নকল টাকার বিপরীতে একটি আসল টাকার নোট দিবে।

মসজিদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা

যুবায়ের আহমাদ
ছোট সোনা মসজিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ : মসজিদটি 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত। প্রধান প্রবেশপথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস, মজলিস মনসুর ওয়ালি মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়। সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালের (হি. ৮৯৯-৯২৫/ ১৪৯৩-১৫১৯ খ্রি.) কোনো একসময় মসজিদটি নির্মিত। অলঙ্করণের ক্ষেত্রে যে সোনালি গিল্টির ব্যবহার থেকে সোনা মসজিদ নামকরণ হয়েছে তা এখন আর নেই

আমাদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ মসজিদ। মসজিদ আল্লাহর ঘর। পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থান। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক। ইসলামী সমাজ ও সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু। ইসলামের সোনালি যুগে মুসলমানদের শিক্ষালয়, বিচারালয়, পরামর্শ, রাসুলে করিম (সা.) এর ইসলামী রাষ্ট্রের সচিবালয়ই ছিল মসজিদ। মসজিদ পরিচালনায় রাসুলে করিম (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরামের নীতি অনুসরণ করা উচিত আমাদের।


মসজিদ পরিচালনা : মসজিদ পরিচালনা কারা করবে তা পবিত্র কোরআনুল কারিমে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। এরশাদ হচ্ছে, 'আল্লাহর মসজিদ আবাদকারী (তত্ত্বাবধায়ক ও খাদেম) তো তারাই হবে, যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করেন, নামাজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং জাকাত দেন আর আল্লাহ ব্যতীত কাউকে ভয় করেন না।' (সূরা তওবা : ১৮)। এ আয়াতে মসজিদের তত্ত্বাবধানে থাকার অত্যাবশ্যকীয় যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া মসজিদ প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা ও উন্নয়ন কাজে যারা নিয়োজিত হবেন বা যাদের নিয়োজিত করা হবে তাদের কতগুলো মানবীয় ও সামাজিক গুণাবলিও থাকতে হবে। ভালো আবেদ হওয়া আর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দক্ষতাসম্পন্ন হওয়া কিন্তু ভিন্ন জিনিস। মসজিদের পরিচালনায় যারা থাকবেন তাদের ভালো ইবাদতকারী হওয়ার পাশাপাশি ভালো সংগঠকও হওয়া প্রয়োজন।


মসজিদের দান সংগ্রহ : ইসলামী রাষ্ট্রে মসজিদের সব ব্যয়ভার রাষ্ট্রের। আমাদের দেশের মসজিদগুলো দশের টাকায় পরিচালিত হয়। মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের প্রয়োজন আছে। কিন্তু অর্থ সংগ্রহে এমন কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়, যা রীতিমতো অপমানজনক। বিভিন্ন স্থানে চোখে পড়ে পেশাদার দান সংগ্রহকারী। রাস্তার পাশে মাইক নিয়ে গলা ফাটিয়ে দান চেয়ে থাকেন, গাড়িতে রসিদ বই নিয়ে মানুষের কাছে টাকা চান, কখনও কখনও দেখা যায় গাড়িতে যাত্রীদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় একটি চিরকুট। যাতে লেখা থাকে দানের আবেদন। অমুসলিমদের কাছেও হাত পাতা হয় কোথাও কোথাও। ইসলামের লেবাস কিংবা অনুভূতিকে পুঁজি করে এভাবে অর্থ সংগ্রহ করে ইসলামকে ছোটই করা হচ্ছে। নষ্ট করা হচ্ছে ইসলামের ভাবমূর্তি। বিদ্বেষীদের ইসলামকে 'খয়রাতি' বলার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে। অথচ ইসলাম ভিক্ষা কিংবা কারও কাছে হাত পাতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে। হজরত সামুরা ইবনে জানদুব (রা.) থেকে বর্ণিত মহানবী (সা.) বলেছেন, 'ভিক্ষাবৃত্তি হলো ক্ষতস্বরূপ; এর দ্বারা মানুষ মুখম-লকে ক্ষতবিক্ষত করে।' (আবু দাউদ)। অন্য হাদিসে হজরত হাকিম ইবনে হিজাম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'উপরের হাত নিচের হাতের চেয়ে উত্তম।' (বোখারি : ২/৫১৯)। পেশাদারদের আদায় করা দানের সিংহভাগই চলে যায় আদায়কারীর পকেটে। এভাবে অর্থ আদায়ের বাণিজ্যিক পদ্ধতির ব্যাপারে কমিটিগুলোর সজাগ হওয়া প্রয়োজন।


কখনও দেখা যায় মসজিদের জন্য রাস্তায় মানুষের কাছে হাত পাতা হয়, অথচ ওই মসজিদেই এসি লাগানো আছে। মসজিদের টয়লেটগুলোতেও টাইলস লাগানো থাকে। অথচ রাসুলুল্লাহ (সা.) কর্তৃক নির্মিত মসজিদে নববির দেয়াল ছিল কাঁচা ইটের, খুঁটি ছিল খেজুরের। রাস্তায় মানুষের কাছে হাত পেতে মসজিদের টয়লেটে টাইলস লাগানোর কী প্রয়োজন? ইবাদতের জন্য আরামদায়ক বানানো অথবা সৌন্দর্য বর্ধন দূষণীয় নয়। তা হবে মহল্লাবাসীর সাধ ও সাধ্যের সমন্বয়ে। যেখানে সেখানে মানুষের কাছে হাত পেতে মসজিদের সৌন্দর্য বর্ধনের যৌক্তিকতা কোথায়?


মসজিদের অর্থ ব্যয় : মসজিদে অবকাঠামোগত সৌন্দর্যের প্রয়োজন আছে। মসজিদকে মুসলি্লদের জন্য আরামদায়কও করা যায়। তবে মুসলি্লদের তাকওয়া বৃদ্ধির ব্যাপারে উদাসীন হয়ে শুধু অবকাঠামোগত নির্মাণের দিকে গুরুত্ব দেয়া ঠিক নয়। সূরা তওবার ১৮নং আয়াতের ব্যাখ্যায় এসেছে, 'মসজিদ আবাদ বলতে শুধু এর চাকচিক্য ও সৌন্দর্যবর্ধনকেই বোঝায় না, বরং তাতে আল্লাহর আলোচনা করা, আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করা এবং মসজিদকে সব ধরনের শিরক ও পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত রাখাও বোঝায়।' (তাফসিরে ইবনে কাসির : ৮/৬৬০)। অনেক সময় দেখা যায় মসজিদের টাকায় অপব্যয়, লাইটিং, আলোকসজ্জা ইত্যাদিতেও প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হয়। ইবাদতের মাধ্যমে তা আবাদ করার চেয়ে নির্মাণের ব্যাপারেই আমরা বেশি মনোযোগী। এ নিয়ে গর্বও করা হয়। এটি কেয়ামতের আলামত বলে হাদিসে বর্ণিত। হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলে করিম (সা.) বলেন, 'যতদিন লোকেরা মসজিদ (নির্মাণ ও কারুকার্য) নিয়ে গর্ব না করবে ততদিন কেয়ামত হবে না।' (আবু দাউদ : ১/২৫০)।


ইমামের সম্মানী ও আবাসন : শহুরে এলাকার অনেক মসজিদে দোকানপাট আছে। মসজিদের আন্ডার গ্রাউন্ডে আছে বিশাল মার্কেট। মাসে কোটি টাকা আয়। কিন্তু খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনের সম্মানী খুবই কম। উন্নত কার্পেট, লাইটিং, টাইলস, এয়ার কন্ডিশনের মতো আয়েসী খাতগুলোতে অর্থব্যয়ের প্রতিযোগিতা থাকলেও ইমাম-মুয়াজ্জিনের একান্ত প্রয়োজন মেটানোর মতো সম্মানী দিতে কৃপণতার প্রতিযোগিতা লক্ষ করা যায়। তাদের মনোভাবটা এমন, মসজিদের অন্যসব খরচই প্রয়োজনের, শুধু ইমাম-মুয়াজ্জিনের সম্মানীটাই অপ্রয়োজনের খাত। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও উপযুক্ত সম্মানী দিতে অবহেলা করায় অনেক মসজিদ গবেষণাধর্মী খুতবায় পারদর্শী যোগ্য খতিব থেকেও মাহরুম হচ্ছে।


আলোকসজ্জা এবং এয়ার ফ্রেশনারে বছরে হাজার হাজার টাকা খরচ করলেও মন বাধা দেয় না; কিন্তু বছর শেষে ইমাম-মুয়াজ্জিনের সম্মানী বাড়ানোর প্রসঙ্গ এলেই যেন কমিটির মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। মসজিদের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের এ সময়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনের সম্মানীর উন্নয়নও যে প্রয়োজন আছে, তা মসজিদ তত্ত্বাবধায়কদের ভেবে দেখা উচিত।


ইসলামের প্রাণকেন্দ্র মসজিদের ব্যয়ের ব্যাপারেও কেন অপচয় রোধের মহান শিক্ষাটি উপেক্ষিত। মসজিদ থেকে শুরু হোক অপচয় রোধের চর্চা। শিশু-কিশোরদের কোরআনসহ দ্বীনের মৌলিক শিক্ষা দিতে মসজিদভিত্তিক মক্তবগুলোকে প্রাণ ফিরিয়ে দেয়ার উদ্যোগ প্রয়োজন। মসজিদকেন্দ্রিক বয়স্কদের জন্য মানসম্পন্ন কোরআন শিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তোলা যায়। মুসলি্লদের ইসলামী জ্ঞানের চাহিদা মেটাতে একান্ত প্রয়োজনীয় গ্রন্থাবলিতে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার তৈরি করে মুসলি্লদের জ্ঞানপিপাসা মেটানো যায়। খতিবরা যেন মানসম্পন্ন খুতবা দিতে পারেন সেজন্য তাকে গবেষণা করার মতো বই-পুস্তক কিনে দেয়া উচিত। মসজিদের অর্থে আলোকসজ্জার মতো ইসলাম অননুমোদিত খাতে খরচ না করে মক্তব, পাঠাগারের মতো প্রয়োজনীয় খরচের খাতগুলোকে গতিশীল করলে একদিকে যেমন অপচয় রোধ করা যেত, অন্যদিকে মসজিদ ও সমাজের মৌলিক চাহিদাও পূরণ হতো।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য আসছে স্মার্টফোন


দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য আসছে স্মার্টফোন
কানাইঘাট নিউজডেস্ক: স্মার্টফোন ছাড়া মানুষের জীবন মানে ২০০ বছর পিছিয়ে যাওয়া। বর্তমান যুগে স্মার্টফোন ছাড়া অনেকের চলে না। কিন্তু যাদের চোখে দৃষ্টি নাই, তারা স্মার্টফোন ব্যবহার করবে না। এবার তাদের জন্য তৈরি হচ্ছে বিশেষ ধরনের টাচস্ক্রিন ট্যাবলেট।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের অধ্যাপকরা বিশেষ ধরনের টাচস্ক্রিন ট্যাবলেট আবিষ্কার করেছেন যা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরাও ব্যবহার করতে পারবে।

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে ফ্রান্সে শত্রুর থেকে বাঁচার জন্য সেনাদের মেসেজ পাঠানোর জন্য এক ধরনের ডট প্রযুক্তির ব্যবহার করা হত। এই প্রযুক্তিতে গভীর অন্ধকারেও আঙ্গুলের স্পর্শে মেসেজ পড়া যেত। এই প্রযুক্তির আবিষ্কার করেছিলেন লুইস ব্রেইল। ছয় ডটের এই প্রযুক্তিতে বর্ণ, শব্দ এবং অক্ষর লেখা ও পড়া যেতো। পাশাপাশি দুটি সারিতে তিনটি করে ডট থাকতো। এক একটি ডটকে বলা হতো 'সেল'।

ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের অধ্যাপক সিলি ও মডরেইন, সহযোগী অধ্যাপক ব্রেন্ট গিলেস্পি এবং পিএইচডি শিক্ষার্থী আলেক্সান্ডার রুসোমান্নো এমন একটি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন যা দিয়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা একটি ডিসপ্লের সম্পূর্ণ অংশ পড়তে পারবেন।

এখানে ব্যবহৃত হয়েছে মাইক্রোফ্লুইডিকস এবং স্বল্প পরিমাণ তরল ও গ্যাস। শিগগিরই ডিভাইসটি বাজারে পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বিচারে গুলি, বহু হতাহতের আশঙ্কা

পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বিচারে গুলি, বহু হতাহতের আশঙ্কা
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বাচা খান বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে বন্দুকধারীরা। এতে দুইজন হামলাকারীসহ বহু হতাহতের ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে শিক্ষকও রয়েছেন।

বুধবার সকালে পেশোয়ার থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে চরসাদ্দা শহরের বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ১৫ জনের নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে স্থানীয় ইংরেজি দৈনিক ডন। তবে হতাহতের সংখ্যা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেনি।

এছাড়া ৬০ থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডন।

জানা গেছে, হামলার সময় টানা ৫০ মিনিট ধরে গুলি চালায় হামলাকারীরা। এসময় বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মাথা লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। তাৎক্ষনিকভাবে ২০টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে খবরে জানানো হয়, গুলির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে।

চারসাদ্দার ডেপুটি পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (ডিএসপি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, তিনজন বন্দুকধারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেছে। বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে টেলিফোনে সাহায্য চেয়ে এক নারী একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ব্যাপক গোলাগুলি চলছে। হামলাকারীরা একাধিক বিস্ফোরণ সহ টানা গুলি চালাতে থাকে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে এখনো ৩০০০ শিক্ষার্থী আকটে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। 

২০১৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি


প্রাথমিকে ৫ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ আসছে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ সময় পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে শূন্য পদে প্রায় পাঁচ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে দ্রুতই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ূন খালিদ বলেন, সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে পদোন্নতি দিয়ে ৬৫ শতাংশ এবং বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে বাকি ৩৫ শতাংশ নিয়োগ দেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, দেশে বর্তমনে ৬৩ হাজার ৪১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫ হাজারেরও বেশি স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদ খালি আছে। এরমধ্যে, নতুন করে সাড়ে চার হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগযোগ্য চার হাজার ৫১২টি শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে সরকারি কর্ম কমিশনে প্রস্তাব পাঠানো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা। মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে একাডেমিক কার্যক্রম বিঘ্ন ঘটছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য। এতে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনে স্থবির হয়ে পড়ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এ প্রেক্ষাপটে নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নতুন করে ৩৫ শতাংশ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেবে পিএসসি। দ্রুত নিয়োগ দিতে প্রধান শিক্ষেকের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষমতা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত মার্চ মাস থেকে চিঠি চালাচালি করছিল। কিন্তু তাতে আর সফলতা আসেনি। এদিকে সহকারী হিসাবে দায়িত্ব পালনের পর ২০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষক বর্তমানে পদোন্নতির যোগ্য বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বাকি ৬৫ শতাংশ সহকারী শিক্ষকের মধ্য থেকে পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষক করা হবে।

“বিয়ে নিয়ে সুজিত আমার মতামত জানতে চেয়েছিল”

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। অভিনেত্রী জয়া মডেল, ছোট পর্দা এবং বড় পর্দায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। ওপার বাংলার বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে জয়ার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে সব মহলে।

ঢাকার  ইস্কাটনের এই বাসিন্দা আপাতত রয়েছেন কলকাতায়। ভারতীয় বহুল প্রচলিত দৈনিক আনন্দবাজারকে সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষতকার দিয়েছেন। কথা বলেছেন অভিনয়, ক্যারিয়ার, ব্লগার হত্যাসহ নানা ইস্যুতে। আনন্দবাজারকে দেয়া সেই সাক্ষতকার ঢাকাটাইমসের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

বাংলাদেশি নায়িকা জয়া দুই বাংলাতেই এখন ঢেউ তুলছেন। কখনও সাহসী অভিনয়ে। কখনও সাহসী মন্তব্যে।

প্রশ্ন: আপনার বাড়ির যে অ্যাড্রেসটা হোয়াটসঅ্যাপ করেছিলেন, সেটা দেখে বুঝতে পারছিলাম না আপনার ফ্ল্যাটটা কোথায়...

জয়া: ওহ, আই অ্যাম সো সরি।

“বিয়ে নিয়ে সুজিত আমার মতামত জানতে চেয়েছিল”
প্রশ্ন: ঠিকানা বুঝতে না পেরে সৃজিতকে ফোন করি। সৃজিত এক নিশ্বাসে জানাতেও শুরু করেছিলেন কোথায় আপনার বাড়ি। তার পর হঠাৎ বললেন, ‘‘এই, এটা আপনি বদমায়েশি করছেন না তো আমাকে জয়ার বাড়ির অ্যাড্রেস জিজ্ঞেস করে?’’

জয়া: (হাসি) সৃজিত খুব সুইট।

প্রশ্ন: আপনি বাংলাদেশের একজন বড় তারকা।এখানে নিজে চা বানাচ্ছেন, একা থাকছেন। নায়িকারা তো এমন জীবনে অভ্যস্ত নন শুনেছি।

জয়া: আমি বড় তারকা নই। ও সব নিয়ে ভাবিও না। তারকা, অভিনেত্রী — এগুলো খুব বড় শব্দ। ওগুলো নিজেকে বলা মানে ধৃষ্টতা। আমি সামান্য শিল্পী। আর মনে করবেন না এটা বিনয় করে বলছি। মন থেকে এটাই বিশ্বাস করি।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে তো এই সময় ইলিশ ভাল পাওয়া যায়। আপনি রান্না করেন?

জয়া: করি তো। তবে মাছের পদের থেকে নবাবি খাবার আমি ভালো বানাই। বিরিয়ানি, ভুনা, রেজালা, কোর্মা…

প্রশ্ন: এ বার আপনাকে একটু অন্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করি?

জয়া: নিশ্চয়ই।

প্রশ্ন: ‘রাজকাহিনী’ মুক্তি পাওয়ার পর, বাংলাদেশে আপনাকে নিয়ে তোলপাড় হয়ে যায়। পুরোটাই ‘রাজকাহিনী’তে আপনার আর রুদ্রনীল ঘোযের ওই দৃশ্যটার জন্য।

জয়া: (গম্ভীর ভাবে) হুমমম...

প্রশ্ন: সেই সিনে কিছু ডায়লগ ছিল যাতে ‘যোনি’, ‘স্তন’— এই শব্দগুলো ছিল...

জয়া: হ্যাঁ, ভীষণ পাওয়ারফুল ডায়লগ ছিল সেগুলো। তবে আমি মনে মনে খুব পরিষ্কার ছিলাম। অনেক বার স্ক্রিপ্টটা পড়েছিলাম। রিহার্সাল করেছিলাম। আমি মনে করি ওই সিনটার প্রতি ফুল জাস্টিস করতে পেরেছি। আর আমি এখানে সৃজিতকেও কৃতিত্ব দেব, যে ভাবে ও পুরো সিনটা বা ডায়লগগুলো লিখেছিল। আর যারা এটা দেখে এত আপত্তি তুলছে, তারা যদি পুরো সিনেমাটা দেখত তা হলে হয়তো ওই সিনটার মাহাত্ম্য বুঝতে পারত। তবে এটার পাশাপাশি বলছি বাংলাদেশের বহু মানুষ কিন্তু ওই সিন এবং পুরো ছবিটা দেখে আমাকে যথেষ্ট বাহবা দিয়েছেন। আমার কাছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ, সমালোচনার পাশাপাশি।

প্রশ্ন: এই যে আপনার সিন নিয়ে এত আপত্তি, এটা নিয়ে তো আপনি আগে কথা বলেননি?

জয়া: না, এই প্রথম জানাচ্ছি। না এখানকার পত্রিকায় বলেছি, না বাংলাদেশের। আমার শুধু এটা মনে হয়েছে, অন্তত কিছু মাইন্ডকে তো আমি লিবারেট করতে পেরেছি। কেউ কেউ তো আছেন যাঁরা এটা থেকে অনুপ্রাণিত হবেন।

প্রশ্ন: তার মানে আপনিও ‘মুক্তি’ যোদ্ধা?

জয়া: (স্মিত হাসি) হয়তো এক অন্য প্রকারের মুক্তিযোদ্ধা আমি। আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং আবার  বলছি, ওই দৃশ্যটা করা নিয়ে আমার কোনও অপরাধবোধ ছিল না।

প্রশ্ন: কিন্তু আপনাকে হুমকি দিয়ে বা আপনার নামে জঘন্য কথা বলে তো  ইউটিউব কিছু ভিডিও আপলোড করা হয়েছিল।

জয়া: হ্যাঁ, জানি। আজকে খোলাখুলি ভাবে সব বলতে চাই। আমার নামে কিন্তু কোনও ফতোয়া জারি করা হয়নি। ওটা ভুল খবর ছিল। তবে প্রচুর বেনামী চিঠি, মেল আর এসএমএস-এ হুমকি এসেছিল সেই সময়। আমি ভয়ও পেয়েছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না কাকে বলব। তারপর আমাকে বাংলাদেশ সরকার থেকে প্রোটেকশন দেওয়া হয়। সেটার জন্য আমি ওদের কাছে কৃতজ্ঞ।

প্রশ্ন: সেই সব মেল বা চিঠির মূল বক্তব্য কী ছিল?

জয়া: ওই ‘এ বার দেশ ছাড়া করাতে হবে আপনাকে’জাতীয়…

প্রশ্ন: যে দিন সকালে এ রকম এসএমএস পাচ্ছেন, সে দিন বিকেলেই হয়তো খবর পেলেন ঢাকাতে একজন ব্লগারকে মেরে ফেলা হয়েছে। পুরো ব্যাপারটা তো ভয়াবহ?

জয়া: হ্যাঁ, ভয় তো লাগবেই। তবে ওই যে বললাম, সরকার আমাকে প্রোটেকশন দিয়েছিল বলে অনেকটা নিশ্চিন্ত হয়েছিলাম। তবে আবার বলছি, এটা যারা করে তারা কিন্তু একটা ক্ষুদ্র অংশ। আমার বক্তব্য হল, কোনও জিনিস কারও পছন্দ না হতেই পারে, কিন্তু সেটা নিয়ে তো আলোচনা করা যায়। আমরা তো স্বাধীন, গণতান্ত্রিক দেশে থাকি যেখানে সব রকম মানুষ বাস করেন। সবার মত যে মিলতে হবে, তা তো নয়। ইউনিটি ইন ডাইভার্সিটি-টাই তো মূলমন্ত্র। বাকি জিনিসগুলো কি খুব প্রয়োজনের?

প্রশ্ন: সেই সময় কলকাতা থেকে কেউ ফোন করেনি আপনাকে?

জয়া: সৃজিত ফোন করেছিল। এ ছাড়াও কলকাতা থেকে আমার সহ-অভিনেত্রীরা ফোন করেছিল। বেশ কিছু পরিচালক ফোন করেছিলেন।

প্রশ্ন: কখনও এটা ভেবে দেখেছেন, ‘রাজকাহিনী’তে সব প্রশংসা নিয়ে গেলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, আর আপনার কপালে জুটল যত বিতর্ক?

জয়া: দেখুন, আমার কপালে কী জুটবে, সেটা তো আমি ছবি বানানোর আগে বুঝিনি। সত্যি বুঝিনি। আমি একটা মাল্টি-স্টারার ছবিতে কাজ করেছি যেখানে অথর ব্যাকড রোলটা ছিল ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর। তো তিনি যে লাইমলাইটটা পাবেন তাতে আর সন্দেহ কী! চ্যালেঞ্জটা অভিনেত্রী হিসেবে তখনই আসবে যখন ছোট রোলেও দর্শক আপনাকে মনে রাখবে। সে দিক থেকে আমি খুব লাকি।

প্রশ্ন: আপনার পরিবারকে ‘রাজকাহিনী’সিনেমাটা দেখিয়েছিলেন?

জয়া: মাকে দেখিয়েছিলাম। মা এবং আমার পরিবার ভীষণ সাপোর্টিভ ছিল। তবে ওদের একটা স্বাভাবিক উদ্বেগ তো ছিলই। মা আমাকে কিছু বলেনি।

প্রশ্ন: আচ্ছা, কখনও রিহার্সালের সময় কী সিনের আগে বলেননি ‘যোনি’ বা ‘স্তন’ শব্দগুলো পরিবর্তন করার কথা?

জয়া: না, বলিনি। কেন বলব?

প্রশ্ন: অনেক অভিনেত্রী তো ডায়লগ বদলাতে চাপ দেন।

জয়া: আমি করিনি। আর ‘যোনি’ বা ‘স্তন’ তো নারীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। সেটা নিয়ে এত রাখঢাকের কী আছে বুঝিনি! আর এখানে আমি আমাদের দর্শকদেরও বলছি, একটা শিল্পকর্মকে বাঁচিয়ে রাখতে, সেটাকে ঠিকঠাক অ্যাপ্রিশিয়েট করার ক্ষেত্রে কিন্তু দর্শকদেরও দায় আছে। তাঁরাও যদি সঠিক পারস্পেকটিভে জিনিসটা দেখেন, তা হলে এ রকম ঝামেলা হয় না।

প্রশ্ন: ‘রাজকাহিনী’র মতো চলচ্চিত্র কি বাংলাদেশে বানানো সম্ভব?

জয়া: সত্যি বলতে, সম্ভব নয়। ওখানে বোধ হয় এখনও মানুষের রুচিটা ভিন্ন। কলকাতায় দর্শকের রুচিটা তৈরি হয়ে গিয়েছে নানা রকম ছবি দেখার ক্ষেত্রে। ওখানে দর্শকরা এখনও অতটা তৈরি নয়। তবে পুরো ব্যাপারটা খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। দারুণ সব কাজ হচ্ছে ওখানেও।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রির কথা বলবেন? এখানের মানুষের তো ওই ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে প্রচুর কৌতূহল...

জয়া: বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রি এখন সত্যি ভালোর দিকে এগোচ্ছে। যদিও বেশির ভাগ ছবি বাণিজ্যিক ঘরানার। সে জন্যই আমাদের মতো শিল্পীরা এপার বাংলায় এসে কাজ করছে।

প্রশ্ন: প্রচুর ইন্দো-বাংলা যৌথ প্রযোজনায় তো চলচ্চিত্র হচ্ছে?

জয়া: হ্যাঁ, হচ্ছে। কিন্তু তাতে কতটা লাভ হচ্ছে, আমার জানা নেই। কারণ, আমি সেই রকম চলচ্চিত্র এখন অবধি করিনি। আর যেটা দেখি, হয় সেইগুলো বাংলাদেশে চলছে, এখানে ফ্লপ। অথবা ভাইস ভার্সা। তাই জয়েন্ট কোলাবরেশন নিয়ে আমি হয়তো অতটা আশাবাদী নই। তবে আমাদের ওখানকার একটা ব্যাপার এখন খুব ভাল। আমাদের সরকার নানা ইন্ডিপেন্ডেন্ট চলচ্চিত্রকে দুর্দান্ত সাপোর্ট করছে। তা ছাড়া বাংলাদেশের কিছু চলচ্চিত্রের মান হয়তো খারাপ, কিন্তু চলচ্চিত্র বানানোর ক্ষেত্রে সততাটা সাঙ্ঘাতিক।

প্রশ্ন: আমি ব্লগারদের মৃত্যু নিয়ে আর একটু কিছু কি বলতে পারি?

জয়া: বাংলাদেশে ব্লগারদের মৃত্যু সত্যি খুব দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের দেশ তো এমন দিন দেখার জন্য স্বাধীন হয়নি। ধর্ম অনেকেই মানে। অনেকে আবার মানেও না। আমি মানি। যারা মানে আর যারা মানে না — তাদের মধ্যে ‘বহস’হতে পারে। সুস্থ মতবিরোধ থাকাটা তো ভাল জিনিস। দুপক্ষই ভিন্ন মত পোষণ করেও তো পাশাপাশি থাকতে পারে। তাই নয় কি? হত্যাটা কি কোনও সমাধান? মনে হয় না। এটা কাম্যও নয়।

“বিয়ে নিয়ে সুজিত আমার মতামত জানতে চেয়েছিল”
প্রশ্ন: আপনি তো বাংলাদেশের এমন একজন নাগরিক যিনি ভারতের যে কোনও জায়গায় যেতে পারেন। কখনও মনে হয়নি দিল্লি গিয়ে তসলিমা নাসরিনের সঙ্গে দেখা করি?

জয়া: খুব ইচ্ছে হয়, সুযোগ পাইনি। উনার প্রায় সব খবরই আমরা রাখি। আমি তো রাখি…

প্রশ্ন: চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘নির্বাসিত’ দেখেছিলেন?

জয়া: না, ‘নির্বাসিত’ দেখিনি। তবে তসলিমার নির্বাসিত হওয়াটা মেনে নিতে কষ্ট হয় আমার। আমাদের সবার সঙ্গে সবার মত নাও মিলতে পারে। সেটাই স্বাভাবিক, সেটাই ন্যাচারাল, কিন্তু সেটার জন্য একজন মানুষ তাঁর নিজের দেশে ফিরতে পারবেন না — এটা বড় দুঃখের। খুব কষ্টের।

প্রশ্ন: কলকাতার ইনিংস তো শুরু হয়েছিল অরিন্দম শীলের ‘আবর্ত’ দিয়ে। তা হলে, বাংলাদেশ বিমান না অরিন্দম শীল — এ দেশে আপনাকে আনার জন্য কার অবদান বেশি?

জয়া: (হাসি) নিঃসন্দেহে অরিন্দম শীল। যখন অরিন্দমদা অ্যাপ্রোচ করেন, তখন তিনি কোনও ছবি পরিচালনা করেননি। আমি একটু অ্যাপ্রিহেনসিভ ছিলাম। তবে ‘আবর্ত’র জন্যই এই জায়গাটা পেয়েছি।

প্রশ্ন: এখানে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, যিনি আপনার সঙ্গে ‘আবর্ত’তে কাজ করেছেন বা সৃজিত কী অরিন্দম শীল — সবাই কিন্তু আপনাকে দুর্দান্ত অভিনেত্রী বলেন।

জয়া: এটার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি ভাল অভিনেত্রী কি না জানি না, তবে কাজটা অসম্ভব মন দিয়ে করি।

প্রশ্ন: শুনেছি বাংলাদেশে থাকলে সৃজিত প্রায়ই আপনাকে ফোন করেন?

জয়া: (হাসি) ও তো বন্ধু। আমাকে ফোন করতেই পারে।

প্রশ্ন: একসঙ্গে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের পার্টিতেও এসেছিলেন গত বছর?

জয়া: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম ওর সঙ্গে পার্টিতে।

প্রশ্ন: তার আগের দিন পরমব্রত আপনার ফোন নম্বর নিয়েছিলেন বলে, সৃজিত নাকি মনকষাকষি করেছিলেন পরমের সঙ্গে।

জয়া: (হাসি) তাই নাকি? এটা জানি না।

প্রশ্ন: সৃজিত তো বিয়েও করতে চেয়েছিলেন আপনাকে?

জয়া: আমাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল কি না জানি না। তবে ও জিজ্ঞেস করেছিল, কবে আমি বিয়ে করব? বা বিয়ে নিয়ে আমার মত কী? এই আর কী...

প্রশ্ন: আপনার কথা বললেই কিন্তু ব্লাশ করেন সৃজিত...

জয়া: ও কিন্তু ভাল অভিনেতা। অনেকের কথা শুনলেই হয়তো ব্লাশ করে। আমি খুব ঘরকুনো। আটপৌরে।

প্রশ্ন: কবিতা পড়েন?

জয়া: না, কবিতা অত পড়ি না। আমার বেশি পছন্দ গদ্য।

প্রশ্ন: প্রিয় লেখক কে?

জয়া: প্রিয় লেখক যদি বলতে হয়, তা হলে তিনজনের নাম করব। রশিদ করিম, হাসান আজিজুল হক, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। এ ছাড়া সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তো আছেনই।

প্রশ্ন: আচ্ছা, অন্য প্রসঙ্গে ফিরি। নতুন কী কাজ করছেন কলকাতায়?

জয়া: শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা চলছে ওর পরের চলচ্চিত্রের ব্যাপারে।

প্রশ্ন: আপনি কি ‘কণ্ঠ’ চলচ্চিত্রটার কথা বলছেন? সেই ছবিতে তার মানে আপনি আর কোয়েল?

জয়া: কোয়েলের ব্যাপারটা আমি ঠিক জানি না। ওটা শিবপ্রসাদ বলতে পারবে।

প্রশ্ন: এই ইন্টারভিউ বেরোনোর পর তো কলকাতার নায়িকারা আপনাকে নিয়ে ইনসিকিওর্ড হয়ে যাবেন...

জয়া: কেন?

প্রশ্ন: একে ‘বাস্তু-শাপ’‌য়ের প্রিমিয়ারে আপনাকে দেখে অনেক নায়ক-পরিচালক চমৎকৃত হয়ে গিয়েছেন। তার উপর সৃজিতের পরে শিবপ্রসাদের ছবি। ইনসিকিওর্ড তো হওয়ারই কথা!

জয়া: এ বাব্বা, এরকম করে বলবেন না। কলকাতার সবাই খুব ভাল অভিনেতা-অভিনেত্রী। কলকাতার অ্যাভারেজ অভিনয়ের মানটাই অনেক বেশি। আর সবাই তো আমার বন্ধু। কেউ আমাকে নিয়ে ইনসিকিওর্ড নয়।

প্রশ্ন: কলকাতার সমসাময়িক তিনজন অভিনেত্রীর নাম বলুন, যাঁদের অভিনয় আপনার ভাল লাগে।

জয়া: প্রথমেই বলব সোহিনী সরকারের কথা। অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়ও দারুণ লাগে। আর প্রিয়াঙ্কা।

 

প্রশ্ন: আর অভিনেতাদের মধ্যে? পরম, যিশু, আবীর — এই তিন জনের মধ্যে হট কোশেন্টে কে এগিয়ে থাকবেন?

জয়া: এই রে! এটার উত্তর দেওয়া একটু মুশকিল। আবীর আমার প্রথম নায়ক। পরম ভাল অভিনেতা। এখন তো বাংলাদেশেও ছবি করছে ও। আর যিশুদা আজকে তো অভিনেতা হিসেবে অন্য জায়গায় চলে গিয়েছে বহু বছরের অভিজ্ঞতার সাহায্যে। এটাই আমার অ্যাসেসমেন্ট। প্লিজ একটু ডিপ্লোম্যাটিক থাকতে দিন।

প্রশ্ন: আচ্ছা, এই যে কলকাতায় একা থাকেন এটা তো সবাই জানেন। নায়ক থেকে পরিচালক- আপনাকে বিরক্ত করে না?

জয়া: এম্মা, ডিসটার্ব করবে কেন! আর আজকেই আমি একা। না হলে আমার মা থাকেন। আমার বাকি আত্মীয়স্বজনও থাকেন। মোটেই একা থাকি না তাই বিরক্তের প্রশ্নই ওঠে না। আমি এই বেশ ভাল আছি। সিঙ্গল।

প্রশ্ন: বয়ফ্রেন্ড নেই বলছেন?

জয়া: (হাসি) একেবারে নেই।

প্রশ্ন: এটা শুনলে সৃজিত ছাড়াও কলকাতার কিছু নায়ক খুশি হবেন। হোয়াটসঅ্যাপ আর এসএমএসের ঝড় বয়ে যাবে। আজকে দুপুরেই প্রোপোজও করতে পারেন আপনাকে কেউ কেউ …

জয়া: আমাকে তো কেউ কিছু পাঠায় না। (হাসি) অনেক দিন তো শুনিনি কিছু। দেখি এই ইন্টারভিউটা বেরোনোর পর কী হয়, জানাব আপনাকে।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩