কানাইঘাট, জকিগঞ্জ পৌরসভার মেয়রদের হুইপ সেলিমের অভিনন্দন

Kanaighat News on Thursday, December 31, 2015 | 10:02 PM

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচনে নিজাম উদ্দিন আল মিজান এবং জকিগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে হাজী খলিল উদ্দিন বিজয়ী হওয়ায় তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন এমপি। অভিনন্দন বার্তায় হুইপ সেলিম উদ্দিন এমপি বলেন, জকিগঞ্জ-কানাইঘাট পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে নব-নির্বাচিত মেয়র হাজী খলিল উদ্দিন ও নিজাম উদ্দিন আল মিজান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেবেন এবং তারা তাদের প্রজ্ঞা, সততা ও সাহস নিয়ে নগর উন্নয়নে সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য নব-নির্বাচিত মেয়রদেরকে সর্বাত্মক সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।

কানাইঘাট সোসাইটি ইউ.এস.এ এর জমকালো নৈশ ভোজ অনুষ্ঠিত


রশীদ আহমদঃ আমেরিকায় বসাবসরত সিলেটের কানাইঘাট বাসীদের সংগঠন "কানাইঘাট সোসাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ ইউ এস এ আয়োজিত ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান নৈশ ভোজ (ডিনার পার্টি) গত ২৫শে ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়।জ্যামাইকার তাজমহল রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি হলে উক্ত নৈশ ভোজ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ সভাপতি জনাব নাসিরুল হক।সংগঠনের কনভেনার ও ব্রুকলীনের বায়তুশ শরফ মসজিদ এন্ড ইসলামিক সেন্টারের ইমাম ও খতিব মাওলানা জাকারিয়া মাহমুদ এর সাবলীল পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআনে হাকীম থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ সাইফুল্লাহ মনসুর।প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্ব পূর্ণ বক্তব্য রাখেন, দারুল উলূম নিউইয়র্কের শায়খুল হাদীস আল্লামা হাফেজ আবদুর রহীম।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাইজিং ইয়াং স্কলার জনাব সাকিল, জনাব ওয়াকিল ও হাফেজ শাহিদ হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা হাফেজ আবদুর রহীম বলেন,আমরা যেন আমাদের প্রজন্মকে সর্বোপরি দ্বীন শিখতে পারি,সেজন্য সর্বদা প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।দ্বীন ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদেরকে জ্ঞানদান করা খুবই জরুরী।তাই হালাল উপার্জনের সাথে সাথে আমাদেরকে নতুন প্রজন্মদের দিকে বেশী বেশী খিয়াল রাখতে হবে। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সমন্বয়কারী জনাব মরতুজ আলী,সহ সভাপতি জনাব ফয়জুল হক, জনাব মাহমুদ চৌধুরী, জনাব ডাঃ কাওসার রশীদ,ডাঃ জয়নাল আহমদ,মাওলানা নূর উদ্দিন, জনাব কামাল আহমদ,জনাব আতাউর রহমান, মাষ্টার ফয়েজ উদ্দিন ও জনাব ররকত উল্লাহ প্রমূখ। কানাইঘাট সোসাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ ইউ এস এ এর সভাপতি জনাব বদর উদ্দিন আহমেদ জরুরী একটি কাজে সিটির বাহিরে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পেরেও সার্বিক খবরাখবর নেন এবং অনুষ্ঠানকে সফল করার জন্য তাঁর সার্বিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সেক্রেটারী জনাব নজরুল ইসলাম উপস্থিতি সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন,আমরা আমাদের ভিশন এবং মিশন কে সামগ্রিক ভাবে এগিয়ে নিতে আগামী দিনেও আপনাদের উপস্থিতি, পরামর্শ খুবই জরুরী।তাই আমরা আশা করছি আমাদের সংগঠনের আগামী দিনে যে সকল কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে, সেই সকল কর্মসূচীতে আপনাদের স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহণ সংগঠনকে আরো বেগবান করে তুলবে। সংগঠনের কনভেনার মাওলানা জাকারিয়া মাহমুদ বলেন, আমরা যেন প্রবাসে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আমাদের কমিউনিটিকে এগিয়ে নিতে পারি সেজন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।আর এলাকার উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে জনাব নাসিরুল হক বলেন, অনুষ্ঠান সফল ও সার্বজনীন করতে যে সব ব্যক্তিবর্গ সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন সবাইকে সংগঠনের পক্ষ থেকে অনেক অনেক মোবারকবাদ।ব্যতিক্রমধর্মী এই নৈশভোজে নারী পুরুষের পৃথক ব্যবস্থা সহ প্রায় দুইশত প্রবাসী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নৈশ ভোজ অনুষ্ঠানে দো'য়া পরিচালনা করেন প্রধান অতিথি শায়খুল হাদিস হাফেজ মাওলানা আবদুর রহীম।

কানাইঘাটে পুনঃনির্বাচন দাবি আ’লীগ প্রার্থী লুৎফুর রহমান এর


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট পৌরসভার তিনটি কেন্দ্রে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত (নৌকা) মেয়র প্রার্থী সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান। বুধবার রাতে রিটার্নিং অফিসার খালেদুর রহমানের কাছে তিনি এ আবেদন জমা দেন। আবেদনে তিনি বলেন, পৌরসভার রামপুর, দুর্লভপুর, ফাটাহিজর কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়াসহ কারচুপি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনকে জানালেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেন নি। তিনি আরো বলেন, তাকে পরাজিত করার জন্য শুধু বিদ্রোহী প্রার্থী নয়, জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থীরা একত্র হয়ে ষড়যন্ত্র করেছে। এ তিনটি কেন্দ্রে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তার বিজয় নিশ্চিত ছিলো বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে ব্যক্তি লুৎফুরের পরাজয় হয়নি, পরাজয় হয়েছে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এ তিনটি কেন্দ্রে পূনঃনির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের আপিল অথরিটিতে আপিল করবেন বলে জানান তিনি।

নতুন বছর সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে আনুক: প্রধানমন্ত্রী

নতুন বছর সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে আনুক: প্রধানমন্ত্রী

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নতুনের আহবানে পুরাতন বছরের সব জঞ্জাল ধুয়ে-মুছে যাক। নতুন বছর আমাদের সবার জীবনে অনাবিল সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে আনুক।

ইংরেজি নববর্ষ ২০১৬ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি এ কামনা করেন।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার আহবান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আসুন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘স্বপ্নের সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠা করি।
 
বাণীতে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন-অগ্রগতিমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন ও তাদের সহিংসতার কথাও বলেন।

বিদায় ২০১৫

বিদায় ২০১৫
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আজকের রক্তিম সূর্য অস্ত গেলেই হারিয়ে যাবে ঘটনাবহুল বছর ২০১৫।  শুভ নববর্ষ ২০১৬। এক বছরের আনন্দ-বেদনা, আশা-নিরাশা আর সাফল্য ব্যর্থতার পটভূমির ওপর আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ নতুন বছরে পর্বতদৃঢ় একতায় সর্ববিপর্যয়-দুঃসময়কে জয় করবে অজেয়-অমিত শক্তি নিয়ে-এ সংকল্পে। সময় যেন এক প্রবহমান মহাসাগর। কেবলই সমুখে তার এগিয়ে যাওয়া, পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। কিন্তু যে বছরটি হারিয়ে গেল জীবন থেকে, ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে, তার সবই কি হারিয়ে যাবে? মুছে যাবে সব? না, সবকিছু মুছে যায় না।

প্রতিদিন আবহমান সূর্য ওঠে দশ দিগন্ত আলো করে। দিন ফুরিয়ে দিন আসে নতুন হয়ে। উল্টে যায় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের একেকটি জীর্ণ পাতা। জগতের এ এক শাশ্বত রীতি যে, পুরনো বিদায় নেয়। নতুন আসে। নতুনের হাত ধরে উন্মোচিত হয় সম্ভাবনার দ্বার। আবহমানকাল থেকেই নতুনের জন্য মানুষের অবিরল প্রতীক্ষা। নতুনকে ঘিরেই জন্ম নেয় দিগন্ত ছাড়িয়ে যাওয়া আকাঙ্ক্ষা। রাত যত গভীর হয়, নতুন সূর্য, নতুন সম্ভাবনা, নতুন দিন ততই নিকটবর্তী হয়। সেই সত্যের ওপর ভর করেই আজ বিদায় নিচ্ছে আরও একটি বছর। আজ কালস্রোতের ঊর্মিমালায় বিলীন করে পশ্চিম দিগন্তে মিলিয়ে যাবে যে সূর্য তা ‘পুরানো সেই দিনের কথা’। ‘কালের যাত্রার ধ্বনিতে’ কালপ্রভাতে ‘রবির কর’ পুবে আলোকের নাচন তুলে চোখ মেলবে নতুন দিনে, নতুন বছরে। বিদায় ২০১৫।

ঘটনাবহুল ২০১৫-এর অনেক ঘটনার রেশ টেনেই মানুষ এগিয়ে যাবে ২০১৬ সালের দিনরাত্রির পথে। অনেক ঘটনা মুছে যাবে বিস্মৃতির ধুলোয়। আবার পাওয়া-না পাওয়ার অনেক ঘটনা থাকবে উজ্জ্বল হয়ে। অতীতও মাঝে মাঝে স্মৃতির অলিন্দে কড়া নাড়বে। ২০১৬ কে ঘিরে অনেক প্রত্যাশা, অনেক স্বপ্ন, অনেক কল্পনা। যদিও সময়ের বিচারে খুব দীর্ঘ নয় একটি বছর, মাত্র তিনশো পঁয়ষট্টিটি দিন।

প্রতিবারের মতো এবারও নতুন সূর্যালোকে নতুন আশা ও স্বপ্ন নিয়ে নতুন একটি বছরে যাত্রা শুরুর জন্য প্রস্তুত সবাই। অসীম প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ অপেক্ষা করছে আজ মধ্যরাতের প্রথম প্রহরের জন্য, যখন সূচিত হবে নতুন আকাঙ্ক্ষায় উদ্ভাসিত নতুন বছর ২০১৬। আজকের রক্তিম সূর্য অস্ত গেলেই হারিয়ে যাবে ঘটনাবহুল বছর ২০১৫। যে বছরের খেরোখাতায় চোখ বুলালেই বয়ে যায় আনন্দ-বেদনার স্রোত। কেননা, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সবখানেই নানা ঘটনা-দুর্ঘটনার দোলাচলে ২০১৫ সাল পূর্ণ ছিল।

তবু মানুষকে প্রতিটি দিনই ইঙ্গিতে-ইশারায় ডাকে। অজানা আগামীকালের পথে ডেকে নিয়ে যায়। দিন থেমে থাকে না, রাতও নয়। আলো ও আঁধারের অবিচ্ছিন্ন আবর্তনের ভেতর দিয়ে এবার এগিয়ে যাবে নতুন বছর। পুরনো বছরের ধূসর দিনগুলোর কথাও পাশাপাশি আমাদের মনে পড়বে কী পেয়েছি, কী হারিয়েছি।

সেই একই সূর্য, একইভাবে আজ কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে উঠবে পূর্বাকাশে। তবু তার উদয় ভিন্নতর। বছরের প্রথব দিনটি আলাদা, কারণ একটি নতুন বর্ষপরিক্রমা শুরু হবে কাল থেকে। নতুনের প্রতি সবসময়ই মানুষের থাকে বিশেষ আগ্রহ ও উদ্দীপনা। নতুনের মধ্যে নিহিত থাকে অমিত সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপায়ণ করার সুযোগ করে দিতে এলো নতুন বছর।

প্রিয়জনকে নিয়ে আনন্দ করতে একটুও কার্পণ্য করে না বিশ্ববাসী এই দিনে। বছরের এই উৎসবটি লুফে নিতে বাংলাদেশের মানুষও পিছিয়ে নেই। শহর-নগর-গ্রাম-বন্দরসহ সারাদেশে যেন বয়ে চলে এক খুশির বন্যা। আকাশ সংস্কৃতির এই জোয়ারে অনেক কিছুই ভেসে গেছে। বাঙালির রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি, রয়েছে বর্ষবরণ উৎসব পহেলা বৈশাখ। তবুও ১ জানুয়ারির উৎসব উদযাপনে এতটুকু কার্পণ্য করে না বাঙালি। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের মাঝে দেখা যায় খুব বেশি উচ্ছ্বাস।

প্রতিবছর এই উৎসব এভাবে আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠেছে। পুরনো বছরের গ্লানি ভুলে নতুনকে বরণ করার উৎসবে সারা বিশ্বের একাত্মতা বিশ্ববাসীকে একটু হলেও এক সুতায় গেঁথে রাখে। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে নতুনকে নিয়ে এগিয়ে চলাই জীবন।

প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই বর্ষ বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানানো মানুষের আবেগ ও হৃদয়বোধেরই একটি অন্তর্নিহিত প্রতিফলন। ইতিহাস সচেতন পাঠকমাত্রের জানা, প্রাচীন রোমের পৌরাণিক দেবতা জেনাসের নামানুসারে নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারির নামকরণ। দেবতা জেনাসের দুটি মুখ।

একটি সূর্য অপরটি চন্দ্র। সূর্য উত্তাপ বিকিরণ করে জীবন সঞ্চালন ঘটায়। চন্দ্র তার মধুর আলোয় জীবনের পরিপুষ্টি আনে। আবার জেনাসের একটি মুখ ভবিষ্যতের প্রতীক, অন্যটি অতীতের। তিনি পার্থিব মানুষের জীবনদ্বারের প্রহরী। তাই দৃষ্টি প্রসারিত করে আছেন আমাদের অতীত থেকে অনাগত ভবিষ্যতের দিকে। অতীত থেকে অনাগতের যাত্রাপথে যে চলমান প্রবাহমানতা, জেনাস তার নিয়ামক এবং নিয়ন্ত্রক। তিনি স্বস্তি, শান্তি আর কল্যাণের দেবতা। প্রাচীন রোমানরা একে ভক্তিভরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করতেন বিভিন্ন বিবাহ অনুষ্ঠানে। ব্যবসা–বাণিজ্য শুরুর আগে ও পরে। শিশু জন্মের মুহূর্তে। কৃষিকাজ শুরুর আরম্ভে কিংবা শস্য সংগ্রহ শেষে সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। বহু প্রাচীনকালেই জীবন সম্বন্ধে মননশীল মানুষের মনে সুকুমার ভাবনার যে জাগরণ ভালোবাসা ও আবেগের সংমিশ্রণে ঘটেছিল, মানুষ তাকে বর্ষ বিদায়ের বেদনাময় অনুষ্ঠানে যেমন রূপায়িত করতে চেয়েছে, তেমনি জীবনের শুভ কামনায় জগতের অনিবার্য নিয়মে নতুনকেও অভিনন্দিত করতে সে ভোলেনি।

ইতিহাসবিদেরা জানিয়েছেন, চার হাজার বছর আগে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার বেবিলিয়নরা ‘আকিতু’ নামে নববর্ষ অনুষ্ঠান পালন করে সুখী, শান্তিপূর্ণ, শুভময় ভবিষ্যতের জন্য প্রার্থনা জানাতেন দেবতার দুয়ারে।

নতুন বছরে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা সকল বাঙ্গালির সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা । আরও প্রত্যাশা  হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও হানাহানি পরিহার করে বাংলাদেশটা পরিণত হবে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সুখী ও সুন্দর মানুষের দেশে। নতুন বছরের কাছে প্রত্যাশা ভালো থাকার, সুন্দর থাকার। দেশটা হোক— অস্থিতিশীলতা-সহিংসতা-নৃশংসতামুক্ত। চাই অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

নতুন  বছরের কাছে চাওয়া একটি সুন্দর জীবন। সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ,  শিক্ষাঙ্গণে সুস্থ পরিবেশ। মানুষে মানুষে শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসা। সব মিলে হবে একটি শান্তিময় দেশ। আত্মপর্যালোচনার স্বর্ণমুহূর্ত: একটি বছরের বিদায় কেবল আনন্দের বিষয় হতে পারে না। বরং এটি আমাদের চিন্তাভাবনা ও পর্যালোচনার মোক্ষম উপলক্ষ বৈকি।

বছরের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জীবন নামক প্রাসাদ থেকে ৩৬৫ দিনে একটি করে পাথর খসে পড়ে। ছোট হয়ে আসে আমাদের নাতিদীর্ঘ জীবন। আমরা বিগত বছরটি কীভাবে কাটিয়েছি, আগামী বছর কীভাবে কাটাব এবং এ বছরে আমাদের অর্জন কী কী? এর সাথে আরও নানা প্রশ্ন ঘিরে ধরা উচিত আমাদের চেতনা জগৎকে। এখন আমাদের আনন্দ-উল্লাসের এতটুকু ফুরসত থাকার কথা নয়। এখন শুধু হিসাব-নিকাশ মেলানোর সময়।

দেশে এক ভোটময় পরিস্থিতির ভেতর কাল জানুয়ারির পয়লা দিন। ঘুরে তাকালে দেখা যাবে-২০১৫ সালটা শুরু হয়েছিল টানা হরতাল-অবরোধের সহিংসতার ভেতর। পুরনো আদলের রাজনীতি। সেই একই দৃশ্যপট। সেই হরতাল। জ্বালাও-পোড়াও। জনমনে আতঙ্ক। সরকারের সতর্কবাণী। মামলা-গ্রেফতার। মিছিল-সমাবেশে বিধিনিষেধ। সারাবছর চলেছে রাজনীতিতে এক অনিশ্চিত পরিবেশ। তবে নৌকা এবং ধানের শীষ নিয়ে একটি উত্সবমুখর প্রচারণাময় ভোটযুদ্ধের ভেতর দিয়ে শেষ হয়েছে পুরনো বছরের শেষ মাসটি।

ফিরে দেখলে চলতি বছরের ২০ অক্টোবর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন পালক যুক্ত হলো। সরকারের বড় অর্জনের তালিকায় যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত ল্যান্ড বাউন্ডারি চুক্তির বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়। দীর্ঘ ৬৮ বছর পর ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মূল ভূখণ্ডের অংশ হয়ে গেছে ছিটগুলো। এতে পূর্ণ নাগরিকের পর্যাদা পেল ৫০ হাজার মানুষ। নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ শুরু হয়েছে এ বছর। ২০১৫ সালে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে এসেছে অর্জন ও চ্যালেঞ্জ। যুদ্ধাপরাধের ফাঁসির রায় কার্যকর নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফর ও স্থল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়নসহ বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনার সাক্ষী এ বছরের ক্যালেন্ডারের পাতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মান ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

বছরজুড়েই ঘটেছে ব্লগার হত্যাকাণ্ড। বেশ কয়েকটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে। বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিককে দুর্বৃত্তরা হত্যা করেছে। তাজিয়া মিছিলে হামলাও ছিল আলোচিত। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সোনা চোরাচালানের একটি প্রধান রুটে পরিণত হয়েছে। সাগরপথে মানবপাচার নিয়ে সারাবছরই আলোচনায় ছিল কক্সবাজার।

বাংলাদেশ নিয়ে মানুষের বিপুল প্রত্যাশা এই যে, নতুন বছরে অভিযাত্রা হবে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অচলায়তন ভেঙে ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি লেগে ঝলমল করে উঠুক চিত্ত।’

কানাইঘাটে মেয়র পদে কে কত ভোট পেলেন!


নিজস্ব প্রতিবেদক: দলীয় প্রতীকে প্রথম বারের মতো স্থানীয় নির্বাচনে কানাইঘাট পৌরসভায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিজাম উদ্দিন আল মিজান (নারিকেল গাছ) প্রতীকে ৩ হাজার ৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার রাতে উপজেলা রিটার্নিং অফিসার মোঃ খালেদুর রহমান নিজাম উদ্দিন আল মিজানকে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত ঘোষনা করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের লুৎফুর রহমান (নৌকা প্রতীকে) পেয়েছেন ২ হাজার ৮শত ৯১ ভোট। এছাড়া মেয়র পদে জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ওলিউল্লাহ (মোবাইল ফোন) ২১৭৮, স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল আমিন (জগ) ১৫৫৮, বিএনপি সমর্থিত রহিম উদ্দিন ভরসা (ধানের শীষ) ১১৩৭, জাপা সমর্থিত বাবুল আহমদ (লাঙ্গল) ৩৭৬, খেলাফত মজলিশ সমর্থিত ইসলাম উদ্দিন (রিক্সা) ৫৬০, জাসদ সমর্থিত তাজ উদ্দিন (মশাল) ৫৭ ভোট পেয়েছেন।

কানাইঘাটে কাউন্সিলর পদে কে কত ভোট পেলেন!


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট পৌর নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে জাহাঙ্গীর আলম জাহান (উট পাখি) ৪৩০,২নং ওয়ার্ডে শরিফুল হক (বোতল) ৩২৫, ৩নং ওয়ার্ডে বিলাল আহমদ (পাঞ্জাবী) ৪৮২, ৪নং ওয়ার্ডে ইসলাম উদ্দিন (গাজর) ৪৬০, ৫নং ওয়ার্ডে আবিদুর রহমান (উট পাখি) ৭১৮, ৬নং ওয়ার্ডে ফখর উদ্দিন (পাঞ্জাবী) ৬৫৪, ৭নং ওয়ার্ডে মাসুক আহমদ (বোতল) ৬৪৯, ৮নং ওয়ার্ডে তাজ উদ্দিন (বোতল) ৩৮২ ও ৯নং ওয়ার্ডে শাহাব উদ্দিন (উট পাখি) মার্কায় ৮৫৫টি ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১ ও ২নং ওয়ার্ডে একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় আছিয়া বেগম এবং আসমা বেগম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত ৩নং মহিলা আসনে অপর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী রহিমা বেগম ২ হাজার ৪১১টি ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

হাড্ডা হাড্ডি লড়াইয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে হেরে গেলেন আ”লীগ সমর্থিত প্রার্থী

Kanaighat News on Wednesday, December 30, 2015 | 9:38 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: দলীয় প্রতীকে প্রথম বারের মতো স্থানীয় নির্বাচনে কানাইঘাট পৌরসভায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিজাম উদ্দিন আল মিজান (নারিকেল গাছ) প্রতীকে ৩ হাজার ৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন। রাত বুধবার উপজেলা রিটার্নিং অফিসার মোঃ খালেদুর রহমান নিজাম উদ্দিন আল মিজানকে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত ঘোষনা করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের লুৎফুর রহমান (নৌকা প্রতীকে) পেয়েছেন ২ হাজার ৮শত ৯১ ভোট। এছাড়া মেয়র পদে জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ওলিউল্লাহ (মোবাইল ফোন) ২১৭৮, স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল আমিন (জগ) ১৫৫৮, বিএনপি সমর্থিত রহিম উদ্দিন ভরসা (ধানের শীষ) ১১৩৭, জাপা সমর্থিত বাবুল আহমদ (লাঙ্গল) ৩৭৬, খেলাফত মজলিশ সমর্থিত ইসলাম উদ্দিন (রিক্সা) ৫৬০, জাসদ সমর্থিত তাজ উদ্দিন (মশাল) ৫৭ ভোট পেয়েছেন। সকাল ৮টা থেকে পৌর এলাকার ৯টি কেন্দ্রে দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটাররা যাতে শান্তিপূর্ণ ভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে জন্য প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোট কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটাররা অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট প্রদান করছেন। পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ১৬ হাজার ২৮৭। এর মধ্যে পুরুষ ৮ হাজার ৩১১ এবং মহিলা ভোটার হচ্ছেন ৭ হাজার ৯৭৬ জন। উপজেলা রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৯টি ভোট কেন্দ্রে মোট ১২ হাজার ১২১ টি ভোট কাস্টিং হয়েছে। ভোট কাস্টিং এর হার ৭৪.৪২ শতাংশ। ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে জাহাঙ্গীর আলম জাহান (উট পাখি) ৪৩০, ২নং ওয়ার্ডে শরিফুল হক (বোতল) ৩২৫, ৩নং ওয়ার্ডে বিলাল আহমদ (পাঞ্জাবী) ৪৮২, ৪নং ওয়ার্ডে ইসলাম উদ্দিন (গাজর) ৪৬০, ৫নং ওয়ার্ডে আবিদুর রহমান (উট পাখি) ৭১৮, ৬নং ওয়ার্ডে ফখর উদ্দিন (পাঞ্জাবী) ৬৫৪, ৭নং ওয়ার্ডে মাসুক আহমদ (বোতল) ৬৪৯, ৮নং ওয়ার্ডে তাজ উদ্দিন (বোতল) ৩৮২ ও ৯নং ওয়ার্ডে শাহাব উদ্দিন (উট পাখি) মার্কায় ৮৫৫টি ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১ ও ২নং ওয়ার্ডে একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় আছিয়া বেগম এবং আসমা বেগম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত ৩নং মহিলা আসনে অপর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী রহিমা বেগম ২ হাজার ৪১১টি ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

কানাইঘাটে কাউন্সিলর পদে বিজয়ী হলেন যারা


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে নির্বাচিতদের তালিকা ও তাদের প্রাপ্ত ভোট আমাদের হাতে এসেছে পৌছেছে। কানাইঘাট পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম জাহান, প্রাপ্ত ভোট ৪৩০। ২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন শরিফুল হক, প্রাপ্ত ভোট ৩২৫। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন বিলাল আহমদ, প্রাপ্ত ভোট ৪৮২। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন ইসলাম উদ্দিন, প্রাপ্ত ভোট ৪৬০। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন আবিদুর রহমান, প্রাপ্ত ভোট ৭১৮ ভোট। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন ফখর উদ্দিন, প্রাপ্ত ভোট ৬৫৪ ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন মাসুক উদ্দিন, প্রাপ্ত ভোট ৬৪৯। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন তাজ উদ্দিন, প্রাপ্ত ভোট ৩৮২। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন সাহাব উদ্দিন, প্রাপ্ত ভোট ৮৫৫।

কানাইঘাটে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিজাম উদ্দিন বেসরকারীভাবে নির্বাচিত


নি জস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে নয়টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। বেসরকারিভাবে পাওয়া প্রাপ্ত ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী বিদ্রোহী প্রার্থী মো. নিজাম উদ্দিন (নারকেল গাছ)। তার প্রাপ্ত ভোট ৩০৭৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি লুৎফুর রহমান নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২৮৯১ ভোট।

ই-সিগারেটে ক্যানসার!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ধূমপান ছেড়ে দেয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে অনেকেই ইলেকট্রনিক সিগারেট বা ই-সিগারেট ব্যবহার করেন। মার্কিন চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ই-সিগারেট আমাদের কোষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে যা ক্যানসার তৈরি করতে পারে। গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা যায়, নিকোটিনমুক্ত ই-সিগারেট মানবকোষে ক্যানসার সৃষ্টি করতে সক্ষম। যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়াগো ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক প্রধান জেসিকা ওয়াং-রড্রিগুয়েজ বলেন, তথ্য প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, সিগারেটের বিকল্প হিসেবে ই-সিগারেট ভালো কিছু নয়। আমাদের গবেষণায় জোরালোভাবে বলা হয়েছে, ই-সিগারেট নিরাপদ বলে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে প্রচার চালায় তা আদৌ সত্য নয়। গবেষক দল ই-সিগারেট তৈরিকারী দুটি জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠানের ই-সিগারেটের ধোঁয়া সংরক্ষণ করেন। পরে তা মানব কোষের চিকিৎসায় পেট্রি ডিসে(গবেষণায় ব্যবহৃত পাত্র) ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য কোষের সঙ্গে তুলনা করে দেখা যায়, চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মারা গেছে। গবেষণার মূল অংশে, গবেষক দল স্বাভাবিক অ্যাপিথেলিয়াল কোষ ব্যবহার করেন। অ্যাপিথেলিয়াল কোষ অঙ্গ, গ্রন্থি, মুখ ও ফুসফুসসহ পুরো শরীরের গহ্বরে অবস্থিত। গবেষকরা নিকোটিনযুক্ত এবং নিকোটিন ছাড়া এই দুই ধরনের ই-সিগারেট পরীক্ষা করেন। নিকোটিন ধূমপান আসক্তি তৈরি করে। যা কোষ নষ্ট করে দিতে পারে। গবেষণায় দেখা যায়, নিকোটিন মুক্ত ই-সিগারেটের ধোঁয়াও কোষের জন্য যথেষ্ট ঝুঁকির কারণ। ওয়াং-রড্রগুয়েজ আরও বলেন, ই-সিগারেটে আরও কিছু উপাদান থাকতে পারে, যা কোষের ক্ষতি করতে পারে। গবেষণায় আমরা ক্যানসার তৈরি করে এমন উপাদান পেতে পারি, যা আগে চিহ্নিত করা হয়নি। গবেষক দল ই-সিগারেটের অন্যান্য পদার্থগুলো বের করার চেষ্টা করছেন, যেগুলোর নির্দিষ্ট প্রভাব রয়েছে। বাজারে ৫০০ ব্র্যান্ডের সাত হাজার ফ্লেভার সমৃদ্ধ ই-সিগারেট রয়েছে।

যেসব কেন্দ্রের ভোট স্থগিত


ঢাকা: পৌর নির্বাচনে ব্যালট পেপার ছিনতাই, সংঘর্ষ ও অনিয়মের অভিযোগে এখন পর্যন্ত ২০টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার সকাল আটটায় ভোট শুরু হওয়ার পর বেলা পৌনে বারোটা পর্যন্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এসব কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। এরমধ্যে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগে চট্টগ্রামের চন্দনাইশে তিনটি, মাদারীপুরের কালকিনিতে দুটি, কুমিল্লার বরুড়া, ময়মনসিংহের ভালুকা এবং নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার একটি করে কেন্দ্র স্থগিত হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে জামালপুরের সদরে চারটি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া জামালপুরের সরিষাবাড়ী, বরিশালের উজিরপুর, নোয়াখালীর চৌমুনী, নরসিংদীর মাধবদী, বরগুনা, ফরিদপুরে নগরকান্দা এবং কুয়াকাটা পৌরসভার একটি করে কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে।

সাতকানিয়ায় গোলাগুলিতে নিহত ১


চট্টগ্রাম: জেলার সাতকানিয়া সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্রের পাশে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে গোলাগুলিতে নুরুল আমিন নামে একজন নিহত হয়েছেন।তিনি যুবদলকর্মী বলে বলে দাবি করা হলেও নিরপেক্ষসূত্র থেকে এর সত্যতা যাচাই করা যায়নি।নিহতের ঘটনার পরও ভোট গ্রহণ বন্দ হয়নি।বেলা সোয়া ১২টা পর্যন্ত ১২শ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে বলে জানা গেছে। জানা যায়, সকাল ৮টায় ভোট শুরুর আড়াই ঘণ্টার মাথায় ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সাতকানিয়া সরকারি কলেজ হোস্টেলের পূর্ব পাশে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোজাম্মেল হক ও মনিরুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। নিহত মোহাম্মদ নুরুল আমিন (৪০) সাতাকনিয়ার গোয়াজর পাড়ার আবদুর রহিমের ছেলে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে তার একটি লেপ তোষকের দোকান রয়েছে। নিহতের চাচাতো ভাই আবুল কালাম বলেন, নুরুল ভোট দেওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোজাম্মেল হক ও মনিরুল ইসলাম দুজনেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত বলে স্থানীয়রা জানান। নিহত নুরুল তাদেরই একজনের সমর্থক বলে শোনা গেলেও চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনী মনিটরিং সেলের সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খোন্দকার তাকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করেছেন। সাতকানিয়া থানার ওসির দায়িত্বে (ওসি-তদন্ত) থাকা মাহমুদুল হাই গণমাধ্যমকে জানান, কেন্দ্রের বাইরে দুই গ্রুপের ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিতে একজন পথচারী নিহত হয়েছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে নিহতকে দলের কর্মী হিসেবে দাবি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সাতকানিয়া পৌরসভার রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ উল্লাহ তাৎক্ষণিকভাবে জানান, আমি কেন্দ্রের ভেতরে। বাইরে গোলাগুলির শব্দ শুনেছি। একজন মারা যাবার খবর শুনেছি। তবে বিস্তারিত জানি না। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার একে এম হাফিজ আক্তার বলেছেন ভোট কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর কেন্দ্র থেকে বেশ কিছু দূরে নুরুল আমিন নামে একজন লোককে কে বা কারা গুলি করে হত্যা করেছে। বিয়ষটি আমরা খতিয়ে দেখছি।

কানাইঘাটে শান্তিপূর্ণ ভাবে চলছে ভোট গ্রহণ। জাল ভোটের অভিযোগে দুই জন আটক


কাওছার আহমদ: কানাইঘাট পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৯টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে চলছে ভোট গ্রহণ। বেলা দুইটা পর্যন্ত ৯ হাজার ৭৬০টি ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। একটি কেন্দ্রে জাল ভোটের অভিযোগে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এমন খবর নিশ্চিত করেছেন উপজেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ খালেদুর রহমান। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র ঘোরে দেখা গেছে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পরিমান আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে প্রতিটি ভোট কেন্দ্র ও পৌর এলাকার ভিতরে ভ্রাম্যমান মোবাইল কোর্টের তপরতা ছিল। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। মহিলা ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে। তবে জাল ভোট প্রদান সহ নির্বাচনে বিটে এমন কোন অপরাধে কাউকে আটক বা ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানার খবর পাওয়া যায় নি। উপজেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ ও উসব মুখর পরিবেশে ৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত কোথাও কোন ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায় নি। নির্বাচনে কেউ প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে তা শক্ত হাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

এখনো আ.লীগে বিদ্রোহী যারা


ঢাকা: সকাল আটটা থেকে ২৩৪টি পৌরসভায় একযোগে ভোট নেয়া শুরু হবে। প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে এই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে বলে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি এই নির্বাচনকে নিয়েছে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের ক্ষেত্র হিসেবে। ফলে দুই দলই নিজেদের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে মরিয়া। কিন্তু তাদের এই পথচলায় কোথাও কোথাও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের মনোনয়ন না-পাওয়া বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রধান দুই দলকেই প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পাশাপাশি মোকাবিলা করতে হবে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীকেও। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর অনেকের অবস্থান ভালো, জয়ের সম্ভাবনাও আছে অনেকের। তাবে তাদের ফলাফল যা-ই হোক, দলের প্রার্থীর জয়ের পথে বড় এক বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে তাদের। বিদ্রোহী প্রার্থীরা জানান, তারা থাকায় নিশ্চিতভাবেই নৌকার পক্ষে ভোট কমবে। এতে বেশ কিছু পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থীর জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। অনেক পৌরসভায় দল সমর্থিত প্রার্থীর চেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সামনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জ সবচেয়ে বেশি। প্রার্থী বাচাইসহ পৌর নির্বাচনে শুরু থেকেই দলের একক প্রার্থী নিশ্চিতে কাজ করেছিল দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা। মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময় শেষে ৭০টির বেশি পৌরসভায় আ.লীগের শতাধিক বিদ্রোহী মাঠে থেকে যান। তাদের বুঝিয়ে কিংবা বহিষ্কারের হুমকিতেও দমানো যায়নি। পরে অনেককে দল থেকে বহিষ্কারও করা হয়। কয়েকজন আবার দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন, জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভায় সাজ্জাদুর রহমান কাজল, রাঙামাটি পৌরসভায় অমর কুমার দে, ঝিনাইদহের শৈলকুপায় তৈয়বুর রহমান খান, কুমিল্লার চান্দিনায় আবদুল মান্নান সরকার, দাউদকান্দিতে পাথর শাহজাহান খান; শরীয়তপুর সদরে ফারুক আহম্মেদ তালুকদার। ও রাউজানের আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাইফুর ইসলাম রানার সরে দাড়ানো নিয়ে দুই রকমের তথ্য জানা যায়। ভোট পর‌্যন্ত বিদ্রোহী যারা আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যানুসারে বর্তমানে ৭০টির মতো পৌরসভায় ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। । তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আছেন যাদের জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কারিবুল হক রাজিন; পাবনা পৌরসভায় তোফাজ্জল হোসেন তোফা, সাঁথিয়ায় নফিজ উদ্দিন, চাটমোহরে মির্জা রেজাউল করিম দুলাল, ভাঙ্গুরায় আজাদ খান; বগুড়ার ধুনটে এ জি এম বাদশা ও সারিয়াকান্দিতে আবদুল হামিদ; সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আবদুর রহিম; পাবনার ফরিদপুরে জাহাঙ্গীর আলম ও আসাদুজ্জামান মিয়া, সুজানগরে তোফাজ্জল হোসেন তোফা ও আফসার আলী; নড়াইলে সোহরাব হোসেন বিশ্বাস ও সরদার আলমগীর হোসেন; কালিয়ায় বি এম ইমদাদুল হক টুলু, ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন, শেখ লায়েক হোসেন ও সোহেলী পারভীন নিরী; রাজশাহীর মুণ্ডুমালায় আহসানুল হক স্বপন, পুঠিয়ায় জি এম হীরা বাচ্চু, নওহাটায় হাফিজুর রহমান হাফিজ। এ ছাড়া দলীয় মনোনয়ন না চেয়ে নওগাঁ সদর পৌরসভায় প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল ওয়াহাব; ফরিদপুরের নগরকান্দায় মারুফ হোসেন বিকুল; বোয়ালমারীতে মোজাফফর হোসেন বাবুল; গোপালগঞ্জে মুশফিকুর রহমান লিটন; টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বেলায়েত হোসেন ও আশরাফুজ্জামান আজাদ, ভূঞাপুরে আজহারুল ইসলাম, ধনবাড়ীতে জহুরুল ইসলাম হেলাল, কালিহাতীতে হুমায়ুন খালিদ; নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে সাদেকুর রহমান ভুঁইয়া; ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দেলোয়ার হোসেন রিপন, ফুলপুরে শাহজাহান আলী, গৌরীপুরে শফিকুল ইসলাম ছবি ও আবু কাউসার চৌধুরী, ত্রিশালে এ বি এম আনিসুজ্জামান, মুক্তাগাছায় দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পী; জামালপুরের ইসলামগঞ্জে সাজেদ মোশাররফ ও দেওয়ানগঞ্জে শেখ মোহাম্মদ নুরনবী। শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে আবদুল হালিম উকিল; মাদারীপুরের কালকিনিতে আবুল কালাম আজাদ, ভেদরগঞ্জে তানিয়া বেগম, জাজিরায় রফিকুল ইসলাম আক্কাস, সেকান্দর আলী, আবুল বাশার, আলাউদ্দিন ফকির, আনিছুর রহমান, খোকন তালুকদার, আবুল খায়ের ফকির; নড়িয়ায় শহীদুল ইসলাম বাবু ও মোসলেহ উদ্দিন; মুন্সিগঞ্জ সদরে রেজাউল ইসলাম ও মিরকাদিমে মনসুর আহমেদ; গাজীপুরের শ্রীপুরে আহসান উল্লাহ; ঢাকার সাভারে আবদুস সাত্তার; নরসিংদীর সদরে এস এম কাইয়ুম; মানিকগঞ্জ সদরে গাজী কামরুল হুদা; বাগেরহাটে মীনা হাসিবুল হাসান শিপন; মেহেরপুরের গাংনীতে আশরাফুল ইসলাম; কুষ্টিয়ার মিরপুরে আতাহার আলী, কুমারখালীতে জাকারিয়া জেমস, খোকসায় আলাউদ্দিন পিল্টু ও আল মাসুম মোর্শেদ শান্ত; যশোরে এস এম কামরুজ্জামান চুন্নু, চৌগাছায় এস এম সাইফুর রহমান বাবুল, মনিরামপুরে জি এম মজিদ, অভয়নগরের নওয়াপাড়ায় ফারুক হোসেন। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জাহাঙ্গীর আলম, ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু; সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আরাফাত হোসেন; বরগুনায় শাহাদত হোসেন ও শাহজাহান; দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে খাজা মঈন উদ্দিন চিশতি; লালমনিরহাট সদরে এস এম ওয়াহেদুল হাসান পারভেজ, পাটগ্রামে ওয়াজেদুল ইসলাম শাহিন; নীলফামারীর জলঢাকায় ইলিয়াছ হোসেন বাবলু; কুড়িগ্রামের উলিপুরে সাজেদুল ইসলাম; গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দেবাশীষ সাহা; ঠাকুরগাঁও সদরে এস এম সোলায়মান আলী সরকার; কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ইমাম হোসেন পাটোয়ারী; নোয়াখালীর হাতিয়ায় সাইফ উদ্দিন আহমেদ; চাঁদপুরের কচুয়ায় ইকবাল আজিজ শাহীন; চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শফিউল আলম ও সিরাজউদ্দৌলা ছুট্টু। হবিগঞ্জ সদরে মিজানুর রহমান মিজান; শায়েস্তাগঞ্জে আতাউর রহমান মাসুম; মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আবদুল নূর; সিলেটের গোলাপগঞ্জে সিরাজুল জব্বার চৌধুরী; কানাইঘাটে নিজাম উদ্দিন আল মিজান। জকিগঞ্জ পৌরসভায় ফারুক আহমেদ। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, যাচাই-বাছাই ও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে আওয়ামী লীগের ২৩৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষিত হয়। তাদের ছয়জনের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তারা ভোট ছাড়াই মেয়র নির্বাচিত হন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত মেয়ররা হলেন, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ আহম্মদ হোসেন মির্জা, নোয়াখালীর চাটখিলে মোহাম্মদ উল্লাহ পাটোয়ারী, ফেনী সদরে হাজি আলাউদ্দিন ও পরশুরামে নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, জামালপুরের মাদারগঞ্জে মির্জা গোলাম কিবরিয়া এবং পিরোজপুর সদরে হাবিবুর রহমান।

সিলেটের ৩ পৌরসভায় ৪০ ভাগ ভোটগ্রহণ


দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় সিলেটের ৩ পৌরসভায় একযোগে ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সিলেটের ৩ পৌরসভার দুই একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। সিলেট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, সিলেটে সকাল থেকে পৌরসভার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহন উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৪০ ভাগ ভোটগ্রহণ হয়েছে। সিলেটের নির্বাচনী এলাকা থেকে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, কানাইঘাট পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড বিষ্ণুপুর এলাকা। এ ওয়ার্ডের পরেই শুরু সীমান্তবর্তী লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়ন। তাই এখানে স্থানীয়দের তুলনায় বহিরাগতদের আনাগোনাই একটু বেশি বলে প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন। তার ওপর এখানকার একমাত্র ভোটকেন্দ্রকে (বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় জাল ভোটসহ নৌকায় সিল মারার অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আমিনুর রহমান নিপন। তিনি সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার সহায়তা করছেন বলেও অভিযোগ করেন। গোলাপগঞ্জ পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আমিনুর রহমান নিপন (নারকেল গাছ প্রতীক) অভিযোগ করে বলেন, পৌরসভার ৫ ও ৪ নং ওয়ার্ডের জছির আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নৌকা মার্কায় ভোট দিতে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করছেন। ভোট কক্ষের মধ্যে ভোটারদের নৌকা মার্কায় সিল মারার জন্য বিভিন্নভাবে উৎসাহ দিচ্ছেন। জকিগঞ্জে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী বদরুল হক বাদল, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক আহমদ ও জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী আবদুল মালেক ফারুক বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন। তারা ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালানো, জাল ভোট দেওয়া ও কেন্দ্রটি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা দখর করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। সিলেটভিউ২৪ডটকম

মুখের দুর্গন্ধে প্রতিকার

মুখের দুর্গন্ধে প্রতিকার

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মুখের দুর্গন্ধ লজ্জায় ফেলার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। ছোটখাট বদ অভ্যাস, অনিয়মের কারণে মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা দেখা দেয়। তাই এগুলো মেনে চললে মুখে গন্ধ হবে না।

যে সব কারণে মুখে গন্ধ হতে পারে:

১। দাঁতে ক্যাভিটি

২। দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকা

৩। অগোছালো দাঁতের গঠন

৪। অপরিষ্কার দাঁত

৫। অপরিষ্কার জিভ

এ ছাড়াও অভ্যাসগত ও শারীরিক কিছু কারণের জন্যও মুখে গন্ধ হতে পারে। যেমন-

১। অনেক ক্ষণ খালি পেটে থাকা

২। খাবার ঠিক ভাবে না চিবনো

৩। মাড়ির সমস্যা

৪। ডিহাইড্রেশন

৫। ভিটামিনের অভাব

৬। ডায়াবেটিস

৭। লিভারের অসুখ

৮। হার্নিয়া

৯। ক্যানসার

১০। কোনো বিশেষ ওষুধের কারণেও মুখে গন্ধ হতে পারে

যে সব অভ্যাস রোজ করবেন:

১। ব্রাশ- দিনে দুবার মিন্ট জাতীয় ভাল টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করুন।

২। মাউথওয়াশ- খাওয়ার পর অ্যান্টিসেপটিক, রিফ্রেশিং মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

৩। ফ্লস- অনেকেই মাড়িতে আটকে থাকা খাবার বের করতে অবহেলা করেন। এতে শুধু মুখে গন্ধই ছড়ায় না, অনেক বড় অসুখও হতে পারে। অনেকে আবার পিন, কাঠি দিয়ে অস্বাস্থ্যকর ভাবে দাঁত খোঁচান। এতে মাড়ির ক্ষত হতে পারে। ভাল ফ্লস দিয়ে বা পাতলা নিম কাঠি দিয়ে দাঁতের গোড়ায় আটকে থাকা খুচরো খাবার বের করুন।

৪। জিভ- মুখে গন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ কিন্তু অপরিষ্কার জিভ। দাঁত মাজার সময় অনেকেই জিভ পরিষ্কার করেন না। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখনই ব্রাশ করবেন ভাল করে জিভ পরিষ্কার করুন। প্রতি বার খাওয়ার পরে জিভ পরিষ্কার করে নিন।

৫। পানি- ডিহাইড্রেশনের কারণে মুখে গন্ধ হয়। তাই প্রতি দিন নিয়মিত ১০ গ্লাস পানি অবশ্যই পান করুন।

৬। বারে বারে খান- অনেক ক্ষণ খালি পেটে থাকলে মুখে গন্ধ হয়। তাই দুই থেকে তিন ঘণ্টা অন্তর লো ক্যালরি খাবার খান। এই ডায়েট মেনে চললে মুখে গন্ধ হবে না।

৭। পেঁয়াজ, রসুন- কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন থেকে মুখে দুর্গন্ধ হয়। কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল হলেও যদি মুখে গন্ধ হওয়ার প্রবণতা থাকে তাহলে এগুলো এড়িয়ে চলুন।

৮। অ্যালকোহল- রাতে মদ্যপান করলে সকালে মুখে দুর্গন্ধ হবেই। তাই অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তা অবিলম্বে ছাড়ুন।

৯। ডেন্টিস্ট- যদি মুখে গন্ধ হওয়ার প্রবণতা থাকে তাহলে অবশ্যই প্রতি ছ’মাস অন্তর ডেন্টিস্টের কাছে যান।

১০। শরীরিক পরীক্ষা- হার্নিয়া, ডায়াবেটিস বা লিভারের সমস্যা হয়েছে কিনা পরীক্ষা করিয়ে নিন।

কানাইঘাটে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি


কানাইঘাট নিউজ:ব্যাপক উত্সাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুর' হয়, শেষ হবে বিকাল চারটায়। সকাল থেকে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। কানাইঘাটে প্রতিটি কেন্দ পুরুষের চেয়ে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি।

কানাইঘাট বিষ্ণুপুর ভোটকেন্দ্রে বহিরাগতদের আনাগোনা


কানাইঘাট নিউজ: বিষ্ণুপুর এলাকা নিয়ে গঠিত কানাইঘাট পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডের পরেই শুরু সীমান্তবর্তী লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়ন। তাই এখানে স্থানীয়দের তুলনায় বহিরাগতদের আনাগোনাই একটু বেশি। তার ওপর এখানকার একমাত্র ভোটকেন্দ্রকে (বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। ভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবেলায় এ কেন্দ্রে রয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। টহল দিচ্ছে স্ট্রাইকিং ফোর্স, র‌্যাব ও বিজিবি। এরপরও আতঙ্কে রয়েছেন এখানকার সাধারণ ভোটার ও স্থানীয়রা। যার প্রমাণ মিলেছে ভোট কেন্দ্রটিতে গিয়ে। কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, ছয়টি কক্ষে ভোটগ্রহণ চলছে। নারী ভোটারদের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে দেখা গেছে। তবে পুরুষদের লাইন ছিলো একেবারে শূন্য। যদিও ভোট কেন্দ্রের বাইরে অনেক মানুষের ভিড় লেগে ছিলো। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেন্দ্রটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সকালেও কেন্দ্রের বাইরে দুই প্রার্থীর পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতির কারণে সংঘর্ষ এড়ানো গেছে। উত্তেজনা এখনও আছে। নারীদের আগেভাগেই ভোট কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিচ্ছেন পুরুষরা। তবে তারা দুপুরের পরে পরিস্থিতি বুঝে ভোট দেবেন। তারা আরও জানান, বাইরের ইউনিয়ন থেকে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর পক্ষের লোকজন এসে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ভোটারদের কথার প্রতিফলন ঘটেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মুখেও। তারাও দাবি করেছেন- ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা এখানে তাদের প্রতীকে ভোট দিতে ভোটারদের প্রলুব্ধ করছেন। বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার দেলোয়ার হোসাইন বলেন, এ কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২০৫২। সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টায় চারশতাধিক ভোট কাস্ট হয়েছে। যা ভোটারদের তুলনায় অনেক কম। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। তৃতীয় শ্রেণির এ পৌরসভায় নতুন পৌরপিতা নির্বাচিত করতে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ৯টি কেন্দ্রের ৪৬টি কক্ষে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। দুটি কেন্দ্র ছাড়া বাকি সাতটি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কানাইঘাট পৌর নির্বাচনে ১৬ হাজার ২৮৭ জন ভোটার ভোট দেবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ৩১১ এবং নারী ভোটার ৭ হাজার ৯৭৬ জন।

কানাইঘাটের চলছে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ


কানাইঘাট নিউজ: সিলেটের কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে বুধবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। তৃতীয় শ্রেণি মানের এ পৌরসভায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ৯টি কেন্দ্রের ৪৬টি কক্ষে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। এ পৌরসভায় দু’টি কেন্দ্র ছাড়া বাকি সাতটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা কাজ করছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কানাইঘাট পৌর নির্বাচনে ১৬ হাজার ২৮৭ জন ভোটার। তন্মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ৩১১ এবং নারী ভোটার ৭ হাজার ৯৭৬ জন। পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্র রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজিইডিং অফিসার আবু তাহের বলেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৭৫৬। ভোটারদের উপস্থিতি সন্তোষজনক।

ভোট একটি পবিত্র আমানত


ইসলাম ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: ভোট একটি পবিত্র আমানত ও গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে ভোট প্রার্থীদের সম্পর্কে জেনে-শুনে ভোট দেয়া নাগরিক দায়িত্ব ও ইসলামের বিধান। ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে টাকার লোভ, দুর্নীতি আর পেশিশক্তির কাছে জিম্মি হওয়া যাবে না। কারণ নির্বাচনের দিন ভোটের মাধ্যমে যে বীজ বপন করা হয়, তার ফসল পাওয়া যায় পরবর্তী পাঁচ বছর। তাই বুঝে-শুনে ভোটাধিকার প্রয়োগ না করলে সমূহ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু ও যথাযথ বিকাশের জন্য শুধু ভোটের দিনই নয়, তার পূর্বের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভোটের প্রাক্কালে প্রার্থীদের অতীত ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। ভোট প্রদানের সময় প্রার্থীর সততা ও যোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। ভোট দেয়া এক মহান দায়িত্ব। রোজ কিয়ামতের দিন এ বিষয়ে আল্লাহ তায়ালার জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে। সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিলে তো কথা নেই। কিন্তু জেনে-শুনে অসৎ, অযোগ্য ও দুর্নীতিপরায়ণ প্রার্থীকে ভোট দিলে তার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। ইসলামি শরিয়ত ভোট ও ভোটাধিকারকে একটি সাক্ষ্য এবং সুপারিশ বলে মনে করে। বস্তুত কাউকে ভোট দেয়ার অর্থ হলো তার ব্যাপারে এ সাক্ষ্য দেয়া যে, তিনি সৎ ও যোগ্য। এর বিপরীতে কোনো অসৎ ও অযোগ্যকে ভোট প্রদান বস্তুত ওই প্রার্থী সম্পর্কে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। এটা মহাপাপের কাজ। কোরান ও হাদিসে এমন কাজ করতে বারণ করা হয়েছে। মিথ্যা সাক্ষ্য প্রসঙ্গে কোরানে কারিমে ইরশাদ হচ্ছে : ‘তোমরা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান থেকে বিরত থাক।’ সুরা হজ: ৩০ তাই জাতীয় কিংবা স্থানীয় নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী দেখে ভোট দিতে হবে। যারা ভোটারদের মিথ্যা কথা বলে লোভ-লালসা দিয়ে প্রলুব্ধ করে, নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়, অন্যায় ও অবৈধ কার্যক্রমে লিপ্ত হয়, ভোট ক্রয়-বিক্রয় করে, জাল ভোট প্রদান করে, ভোটকেন্দ্র দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায়; তাদের বর্জন করতে হবে। যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে ভোটের বিষয়টি শুধু পার্থিব নয়, পরকালেও এ জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

'বাংলাদেশ কখনোই পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মতো হবেনা'

Kanaighat News on Tuesday, December 29, 2015 | 10:49 PM

'বাংলাদেশ কখনোই পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মতো হবেনা'

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সম্প্রতি জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেছেন, এর পেছনে হয়তো আন্তর্জাতিকভাবে ইন্ধন থাকতে পারে।

বঙ্গভবনে বিবিসি'র সাথে এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, মসজিদে আক্রমণ কিংবা ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের হুমকির এবং হামলার বিষয়গুলো বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক।

তিনি বলেন, "এটা আসলে আমাদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত, কোনভাবে এটা বাংলাদেশ হতে পারে না। কারণ, আমরা হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই কিন্তু এ দেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধ করেছিলাম এবং এভাবেই তো দেশ চলছিল, কিন্তু হঠাৎ করে এটা দুঃখজনক।"

বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম-প্রধান দেশে এক ধরনের অস্থিরতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সেসব দেশের ঘটনা প্রবাহের আঁচ হয়তো বাংলাদেশেও পড়ছে।

বাংলাদেশে সম্প্রতি জঙ্গি কর্মকাণ্ড বেড়ে যাবার পেছনে বিদেশী শক্তির সম্পৃক্ততার বিষয়টিকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, “কারণ আপনি জানেন, বেশ কিছু কাল যাবতই চলছে, আফগানিস্তানে চলছে, এরপর পাকিস্তানে চলছে, এরপর ইরাকে চলছে এসব যুদ্ধ-টুদ্ধ বিভিন্ন ইলামিক কান্ট্রিতে চলছে, আমার মনে হয় ওখানের ঘটনা প্রবাহ পাশাপাশি মানে আন্তর্জাতিকভাবেও এর পেছনে কিছু ইন্ধন দেয়া- এগুলো হয়তো থাকতে পারে।”

বাংলাদেশে সম্প্রতি আশুরার সমাবেশ কিংবা কয়েকটি মসজিদে হামলার ঘটনা অনেকেই উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। মসজিদে হামলার মতো ঘটনাগুলো পাকিস্তানে হরহামেশাই দেখা যায়।

রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি কখনোই পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের মতো হবেনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য রাজনৈতিক উসকানি থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “অনেকে অপচেষ্টা চালাতে পারে। কিন্তু আমি এখনো বিশ্বাস করি ,বাংলাদেশে-পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের মত একটা জঙ্গি চেহারায় নিয়ে যেতে পারবে না।”

তিনি বলেন, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে। জঙ্গি কার্যক্রম বৃদ্ধির পেছনে সেসব দলের ধর্মীয় রাজনীতি উস্কানি দিতে পারে বলে রাষ্ট্রপতি ধারনা করছেন।

তবে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষই এসব কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করেনা বলে রাষ্ট্রপতি মনে করেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে এটা কঠোরভাবে দেখতে হবে পাশাপাশি সামাজিকভাবেও সচেতনতা তৈরি করা।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই


ঢাকা: পৌরসভা নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আসন্ন বিশ্ব ইজতেমার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে। যখন-যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজন পড়বে নির্বাচন কমিশনের সেখাবে তাদের কাজে লাগাবে। আসন্ন বিশ্ব ইজতেমার নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অন্য বছরের তুলনায় এবারের গোয়েন্দা নজরদারি বেশি থাকবে। পুরো ইজতেমা ময়দান সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ১৪টি ওয়াচ-টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে।’ আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোজাম্মেল হক, পুলিশ প্রধান, বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।

চুল পড়ার ঘরোয়া সমাধান


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: শীতকালে চুল পড়ে যাওয়া কিছুটা হলেও বেড়ে যায়। তাই তখন দামি কোনো পারলারে গিয়ে অথবা ডাক্তারের কাছে গিয়ে চুলের ট্রিটমেন্ট করান অনেকেই। কিন্তু এইসব করেও অনেক সময় কোনো লাভই হয় না। তাই এবার চুল পড়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে দামি কোনো পারলারে না গিয়ে ঘরোয়া ট্রিটমেন্ট করুন। অন্য কোনো ট্রিটমেন্ট আপনার স্যুট করুক বা না করুক ঘরোয়া টোটকা কিন্তু স্যুট করবেই। তাহলে এবার দেখে নিন ঘরোয়া টোটকাগুলো- ১. গরম তেল ম্যাসেজ করুন অলিভ ওয়েল, নারকেল তেল ইত্যাদি তেল মাথায় ভালো করে ম্যাসেজ করুন। ম্যাসেজের পর ১ ঘণ্টা মাথা ঢাকা দিয়ে রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন। এতে আপনার চুল নরম হবে এবং উঠবে কম। ২. সবজির রস আদা, রুসন অথবা পেঁয়াজের রস মাথায় ভালো করে মাখুন। এই ভাবেই সারা রাত মেখে রেখে দিন। তারপর সকালে উঠে ভালো করে ধুয়ে নিন। দেখবেন আস্তে আস্তে মাথার যেকোনো সমস্যা দূর হয়ে যাবে। ৩. মাথায় ম্যাসেজ করুন অনেক সময় মাথায় রক্ত চলাচল ঠিক মতো হয়না। তার জন্য সপ্তাহে অন্তত্য দুবার ম্যাসেজ করুন। সেক্ষেত্রে আমন্ড অথবা এসেন্সিয়ান কোনো ওয়েল দিয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন। দেখবেন এতেও আপনার চুল পড়ার সমস্যা দূর হয়ে যাবে। ৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুটন্ত জলে গ্রিন টি দিয়ে লিকার বাবিয়ে নিন। এরপর সেটা আপনার মাথায় ঢালুন। সেইভাবেই ঘণ্টা খানেক রাখুন। এরপর আস্তে আস্তে মাথায় ম্যাসেজ করুন। গ্রিন টীতে থাকা অ্যান্টিওক্সিডেন্ট চুল পড়ার সমস্যা কমায় এবং চুলের গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করে। ৫. ধ্যান করুন অনেক সময় অতিরিক্ত অবসাদ এবং চিন্তা থেকে চুল পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মাথা ঠান্ডা করে চিন্তা মুক্ত হলে চুল পড়ার সমস্যা কমে যায়। এর জন্য ধ্যান করতে পারেন। ধ্যানের ফলে আপনার চিন্তা দূর হবে এবং চুল পড়ার সমস্যা কমে যাবে। ৬. আমলা আমলা চুলের পক্ষে খুব ভালো। আমলাতে ভিটামিন সি থাকে। যা চুল পড়ার সমস্যা দূর করে। এক চামচ আমলার সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রণ মাথায় মেখে, মাথা ঢাকা দিয়ে রাখুন। সারা রাত এইভাবে রেখে দিয়ে সকালে শ্যাম্পু করে নিন। ৭. অ্যালোভেরা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা। এটি মাথার পিএইচ লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে। যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা রোধ করা যায়। মাথায় অ্যালোভেরার রস মেখে এক ঘণ্টা রেখে দিন। তারপর হালকা গরম জল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার অ্যালোভেরা মাখুন। এছাড়া সকালে খালি পেটে অ্যালোভেরার রস খেলেও চুল পড়ার সমস্যা রোধ করা যায়। ৮. বিট বিট আপনার শরীর এবং চুলের জন্য খুবই ভালো। বিটে থাকা কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি ও সি চুলের জন্য খুবই উপকারি। বিট সিদ্ধ করে হেনার সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় মাখতে পারেন। তারপর মিনিট ১৫ রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত্য দুবার ব্যবহার করার ফলে চুল পড়ার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। ৯. নারকেলের দুধ নারকেলের দুধে অনেক প্রোটিন থাকে। যা চুল পড়া রুখতে সাহায্য করে। একটু নারকেল কোড়া নিয়ে জলে মিশিয়ে ভালো করে ফোটান দেখবেন তার থেকে দুধ বেরিয়ে আসবে। সেই জল ছেঁকে নিয়ে ঠান্ডা করে মাথায় মাখুন। ২০ মিনিট বাদে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে। ১০. চাইনিস জবা চাইনিস জবা ড্যান্ড্রাফ, ডগা ভেঙে যাওয়া, পাতলা হয়ে যাওয়া এবং চুল পড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম। ১০টা চাইনিস জবার সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। তারপর সারা রাত ওই তেল মাথায় মেখে রাখুন। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিন। এটা সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করতেই পারেন।

শেষ পর্বে 'তিনি আসবেন'

শেষ পর্বে 'তিনি আসবেন'

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর বুধরাত রাত ৮টা ১৫ মিনিটে বাংলাভিশনে জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক 'তিনি আসবেন'এর শেষ পর্ব প্রচারিত হবে।

কাজী শাহীদুল ইসলামের রচনা ও মারুফ মিঠুর পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, আখম হাসান, ফারহানা মিলি, হাসিন রওশন, শিরিন আলম, ঝুনা চৌধুরী, রোবেনা রেজা জুঁই, তারিক স্বপন, পরেশ আচার্য্য, কাজী শাহীদুল ইসলাম, কাজী রাজু প্রমুখ।

আমরা সমাজে চলতে ফিরতে বিভিন্ন সমস্যার মধ্যেই পড়ে যাই। নানা অনিয়মের সাথে আমরা কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে যাই। এটা আমাদের প্রত্যেকের জীবনে বিভিন্ন প্রভাব ফেলে। আমরা এইসব অনিয়ম থেকে বাঁচার পথ খুঁজতে থাকি।

আমরা অনেকে সেই পথ খুঁজে পাই আবার অনেকে খুঁজে পাই না। সমাজের নানা অনিয়ম থেকে বাঁচাতে ত্রাণকর্তা হিসেবে একজন আসবেন আমাদের মাঝে। তিনি সমাজের নানা অনিয়ম দূর করার চেষ্টা করবেন। এটিই 'তিনি আসবেন' নাটকের মূল গল্প। ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। 

ট্যাবলেটের এই ৫টি কাজ জানেন কি?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ল্যাপটপের পাশাপাশি ট্যাবলেটের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। সব কাজ ল্যাপটপে করা গেলেও কখনো কখনো তা বহন কঠিন বা ঝামেলার মনে হয়। তাই আজকাল প্রযুক্তিপ্রেমিরা ট্যাবলেটের প্রতিই বেশি ঝুঁকছেন। তবে ট্যাবলেটের কয়েকটি ব্যবহার বা কাজ আছে যা হয়তো আমাদের অনেকেরই জানা নেই। নিচে এর তেমনই ৫টি কাজ নিয়ে আলোচনা করা হলো : টেক্সট পড়া সহজ করা : ট্যাবলেটের স্ক্রিন স্মার্টফোনের তুলনায় বড় হয়। আর এ বাড়তি সুবিধাটুকু কাজে লাগিয়ে পড়ার কাজটি সহজে করার জন্য কিছু ব্যবস্থা রয়েছে ট্যাবলেটে। এক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটে আপনি সহজেই লেখার আকার বড় বা ছোট করতে পারবেন। এতে আপনার চোখের জন্য সুবিধাজনক ও আরামদায়ক ফন্ট বাছাই করা সহজ হবে। এজন্য যা করবেন- Settings>>Accessibility- এ যান। এরপর "Vision" থেকে "Font size" ট্যাপ করুন। লেখার আকার মোটামুটি বড় করতে চাইলে "Large" সিলেক্ট করুন। লেখা অতিরিক্ত বড় করতে চাইলে "Huge" সিলেক্ট করুন। স্ক্রিনশট নিন : কোনো ছবি সেভ করতে চান কিন্তু পারছেন না? এক্ষেত্রে ট্যাবলেটে রয়েছে সহজেই স্ক্রিনশট নেওয়ার ব্যবস্থা। এজন্য অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটে পাওয়ার বাটন ও ভলিউম ডাউন বাটনে একত্রে চাপ দিন। এরপর একটি শাটার শব্দ শুনতে পাবেন। এ ছবিটি আপনার গ্যালারি অ্যাপের ক্যাপচার্ড ইমেজ ফোল্ডারে জমা হবে। সত্যিকার কিবোর্ড : টাচস্ক্রিন ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহার, গেমস খেলা ও ওয়েবসাইট ব্রাউজের জন্য ভালো। কিন্তু আপনি যদি কোনো সত্যিকার কাজ করতে চান তাহলে টাচস্ক্রিনে অসুবিধা হতে পারে। এক্ষেত্রে একটি কিবোর্ড সংযুক্ত করে নিতে পারলে ভালো হয়। এজন্য বাজারে খোঁজ করুন ব্লুটুথ কিবোর্ডের। কিছু বড় সাইজের কিবোর্ড ট্যাবলেট সাপোর্ট করে। এর ফলে বড় ইমেইল, লেখালেখি কিংবা অন্য যে কোনো সমস্যা মেটানো সহজ হবে। সত্যিকার পড়া : ট্যাবলেটের স্ক্রিনে যা লেখা আছে তা যদি পড়ে শোনায় তাহলে কেমন হয়? এজন্য অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটে সুবন্দোবস্ত রয়েছে। এক্ষেত্রে Settings থেকে Accessibility-এ যান। এরপর TalkBack-এ ট্যাপ করুন। এটি পাওয়া না গেলে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন। এরপর থেকে আপনার ট্যাবের স্ক্রিনের সব লেখাই পড়ে শোনাবে অ্যাপটি। এ অ্যাপের সেটিং ঠিক করার জন্য Settings থেকে Accessibility-এ যান। এরপর "Text-to-Speech"-এ ট্যাপ করুন। অটো সঙ্গীত বন্ধ করা : আপনি যদি ট্যাবে গান বাজাতে বাজাতে ঘুমিয়ে পড়েন তাহলে এ অপশনের প্রয়োজন হতে পারে। অ্যান্ড্রয়েডের মিউজিক প্লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করার উপায়টি পাওয়া যায় স্যামসাংয়ের ট্যাবগুলোতে। এগুলোতে সেটিংস থেকে "Music auto off" সিলেক্ট করতে পারবেন। গুগল প্লে মিউজিকে এ অপশন নেই। তবে এক্ষেত্রে আপনি Sleep Timer নামে অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এতে Music Off অপশন রয়েছে। এছাড়া ট্যাবের স্লিপ টাইমার ঠিক করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্যাবটি বন্ধ করবে। সূত্র : ফক্স নিউজ

উম্মতের প্রতি রাসুল (সা.) এর দাবি


মাওলানা কাজী মারুফ বিল্লাহ: আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'যদি তোমরা আমার নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো, তবে আমি তোমাদের নেয়ামত বাড়িয়ে দেব। আর যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে আমার শাস্তি বড় কঠিন।' (সূরা ইবরাহিম : ৭)। কোরআনের ভাষায় আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত। সূরা আলে ইমরানের ১১০নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, 'কুনতুম খায়রা উম্মাতিন'- তোমরা শ্রেষ্ঠ উম্মত, উখরিজাত লিন্নাস- তোমাদের বের করা হয়েছে মানুষের কল্যাণের জন্য। তামুরুনা বিল মারুফ- তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে, ওয়া তানহাওনা আনিল মুনকার- অসৎকাজের নিষেধ করবে। ওয়া তুমিনুনা বিল্লাহ এবং আল্লাহর ওপর ঈমান রাখবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী প্রেরণ করেছেন এবং আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে ঘোষণা করেছেন। আমাদের অপরিহার্য কর্তব্য হলো, নবী আদর্শের ধারক-বাহক, প্রচারক-প্রসারক হিসেবে নিজকে উৎসর্গ করা। নবীর হক আদায় করা। সিরাত গবেষক আল্লামা কাজী আয়াজ (রহ.) তার 'কিতাবুশ শিফা বি তারিফিল মুস্তফা' গ্রন্থে নবীর প্রতি মানব এবং জিন জাতির কর্তব্য সম্পর্কে লেখেন, মানুষ ও জিন জাতির ওপর রাসুলের প্রথম হক হলো তাঁর প্রতি ঈমান আনা। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'আল্লাহ, তাঁর রাসুল এবং তিনি যে নুর (কোরআন) অবতীর্ণ করেছেন তার ওপর ঈমান আন।' (সূরা তাগাবুন : ৮)। 'হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ওপর ঈমান আন। তাঁকে সাহায্য করো, তাঁর প্রতি সম্মান ও মর্যাদা দেখাও।' (সূরা ফাতহ : ৯)। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, 'আমাকে আদেশ করা হয়েছে মানুষের সঙ্গে জিহাদ করার জন্য যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল। (বোখারি : ২৫, মুসলিম : ২২)। উম্মতের ওপর রাসুল (সা.) এর দ্বিতীয় অধিকার হলো তার আনুগত্য করা। আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহর অনুগত হও এবং রাসুলের নির্দেশ মেনে চল ... তাঁর আনুগত্য করলে তোমরা নিজেরাই সৎপথ পেয়ে যাবে। (সূরা নুর : ৫৪)। 'আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য করো। আশা করা যায়, তোমাদের ওপর দয়া করা হবে। (সূরা আলে ইমরান : ১৩২)। 'আসলে যে রাসুলের আনুগত্য করল সে আল্লাহরই আনুগত্য করল। (সূরা নিসা : ৮০)। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, 'আমার প্রত্যেক উম্মতই জান্নাতে যাবে। তবে যে অস্বীকার করেছে সে ব্যতীত। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, কে অস্বীকার করেছে? রাসুল (সা.) বললেন, যে আমার আনুগত্য করেছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে আমার অবাধ্য হয়েছে, সেই অস্বীকার করেছে। (বোখারি : ৬৮৫১, মুসনাদে আহমাদ : ৮৫১১)। রাসুলের অবাধ্য হওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করুন। রাসুল (সা.) ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি-দলাদলি নিষেধ করেছেন। আমাদের দেশে প্রিয় নবীর শুভাগমনের মাসে মিলাদুন্নবী ও সিরাতুন্নবীকে কেন্দ্র করে আমরা বিভক্ত হয়ে যাই। ধর্মে দৃষ্টিতে এটা অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। আল্লাহ বলেন, 'তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে মজবুতভাবে অাঁকড়ে ধরো এবং দলাদলি করো না।' (সূরা আলে ইমরান : ১০৩)। আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, মিলাদ যার, সিরাতও তার এবং একটি অপরটির পরিপূরক। সুতরাং এ নিয়ে বাড়াবাড়ি কাম্য নয়। যারা অতিরঞ্জিত করে তারা রাসুলের প্রকৃত আদর্শের অনুসারী নয়। ইসলামের এ ক্রান্তিলগ্নে সিরাত ও মিলাদ নিয়ে অনৈক্য সুস্থ মস্তিষ্ক, পরিশুদ্ধ বিবেক ও নির্মল আত্মার পরিচয় নয়। অনুলিখন : আল ফাতাহ মামুন

বিদেশি কর্মী কমিয়ে ফেলবে সৌদি

বিদেশি কর্মী কমিয়ে ফেলবে সৌদি
কান্ইঘাট নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে অর্থনীতিতে খুব কঠিন সময় পার করছে সৌদি আরব। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অসম্ভব আকারে কমে যাওয়ায় আরো বিপাকে পড়েছে দেশটি। নতুন বছরের বাজেটে সৌদির ইতিহাসে সবচেয়ে ঘাটতির বাজেট হতে চলেছে এটি।

দেশের অর্থনীতির এহেন অবস্থায় খরচ কমিয়ে আনার অনেক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সৌদি। তার মধ্যে অন্যতম একটি পরিকল্পনা হলো সেদেশে বিদেশী কর্মী কমিয়ে ফেলা। এসব জায়গায় কাজ করার জন্য নিজেদের লোকদের দক্ষ করে গড়ে তুলবে দেশটি।

গতকাল সোমবার বাজেট অধিবেশনে বিদেশি কর্মীর ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে পরিকল্পনা গ্রহণের ঘোষণা দেন সৌদি অর্থমন্ত্রী ইব্রাহিম আল-আসাফ।

বিদেশি কর্মীর ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সৌদি আরব। নিবিড়ভাবে বিনিয়োগ পর্যবেক্ষণ ও উচ্চ প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন সৌদি শ্রমিকদের নিয়োগের মাধ্যমে এটি করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

সৌদি অর্থমন্ত্রী ইব্রাহিম আল-আসাফ গতকাল সোমবার বাজেট অধিবেশনে বলেন, বাছাইকৃত বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। আর সৌদি কর্মীদের বিভিন্ন খাতের জন্য দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

বিদেশি কর্মীদের ওপর থেকে নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনাটি অত্যন্ত যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন ইব্রাহিম। তিনি বলেন, রিয়াদের মেট্রো ও বড় পরিবহন প্রকল্পের সময় এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

আরব নিউজের খবরে বলা হয়, বিশ্বে তেলের দামে ধস নামায় বাজেট ঘাটতি কমাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সৌদি সরকার।

সোমবার সৌদি সরকার ৮৪ হাজার কোটি রিয়ালের বাজেট ঘোষণা দিয়েছে। এতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৪০০ কোটি রিয়াল। আর বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ৩২ হাজার ৬০০ কোটি রিয়াল। এবার তেল বিক্রি থেকে ৭৩ শতাংশ আয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে ব্যক্তির আয়ের ওপর কর আরোপের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানান ইব্রাহিম। তিনি জানান, বহিরাগতদের আয়ের ওপরও কারারোপের কোনো পরিকল্পনা নেই।

কানাইঘাটে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন!রাত পোহালেই ভোট


নিজস্ব প্রতিবেদক: বুধবার কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ উৎসব মুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার ৯টি ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের সরঞ্জাম, ব্যালট বাক্স সহ নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং, পোলিং, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে স্ব স্ব কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা রিটার্নিং অফিসার মোঃ খালেদুর রহমান কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন, একটি অবাধ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয় এ জন্য, যা কিছু দরকার তা আমাদের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে গোটা পৌর এলাকায় বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ সহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন যাচ্ছেন। আগামীকাল অনুষ্ঠিত পৌরসভার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার জন্য গোটা পৌর এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাঁকা হবে। বহিরাগতদের ভোট কেন্দ্রের আশপাশে দেখা মাত্র এ্যাকশন এবং নির্বাচনী কর্মকান্ডে কেউ ব্যাঘাত এবং পেশি শক্তি প্রদর্শন করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কটূর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের যা বললেন আ'লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আল-মিজান।


নিজস্ব প্রতিবেদক:কানাইঘাটে আওয়ামীলীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিজাম উদ্দিন আল মিজান। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় তাঁর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি। সরকারদলীয় মেয়র প্রার্থী লুৎফুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে তিনি বলেন, তিনি নির্বাচনী মাঠে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য নানা অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন। এতে ভোটারদের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁকে ভোট না দিলেও বিনা ভোটে জয়লাভ করবেন এমন গুজব ভোটারদের মধ্যে প্রচার করছেন। যা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি লংঘনের সামিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত প্রশাসন নিরপক্ষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। প্রশাসনের উপর আমার পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে, তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, পেশীশক্তি বিহীন নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে বদ্ধ পরিকর। ভোটের মাঠেও তারা বাস্তবায়ন চান তিনি। নিজাম উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে কারণ ছাড়াই প্রত্যাহার করা হয়েছে।  তারপরও নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা, প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, লুৎফুর রহমানের পথসভা ও প্রচারণায় নির্বাচনী আচরণবিধি চরমভাবে লংঘন করা হয়েছে।

নতুন ৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন

নতুন ৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার নতুন ছয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

মঙ্গলবার বিকেলে মন্ত্রণালয়ের ভিন্ন ভিন্ন প্রজ্ঞাপনে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ঢাকায় যে দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পাওয়া ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার- এর ঠিকানা হচ্ছে গুলশান। এছাড়া অনুমোদন পাওয়া কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির ঠিকানা হচ্ছে তেজগাঁও।

অন্য চারটি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মানিকগঞ্জে এনপিআই ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, খুলনায় নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রামে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, চট্টগ্রাম। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নেই।

বর্তমানে দেশে ৮৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু আছে। নতুন ৬টি সহ এ সংখ্যা এখন ৮৯ এ উত্তীর্ণ হল।

কানাইঘাটের গাছবাড়ীতে শিয়ালের তান্ডবে আহত ১০


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ীস্থ রাজপুর গ্রামে পাগলা শিয়ালের তান্ডবে নারীসহ ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজ বিকেলে রাজপুর গ্রামে হঠাৎ পাগলা দুইটি শিয়াল ফারুক আযাদের বাড়ীতে এক নারীকে আক্রমন করলে হৈ হুলুস্থল শুরু হয়। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে পার্শ্ববর্তী তিন বাড়ীর অনন্ত ১০ জনকে আক্রমন করে। এতে গুরুত্বর আহত হন ৫ জন। আহত তিন জনকে কানাইঘাট হাসপাতালে ও অন্য ২ জনকে সিলেট হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে আবু তাহির (২৫), আব্দুল বাসিত (২৮), তানিম আহমদ (১৭), আবু তাহির (২৫) ও ইয়াসমীন আক্তার( ১১) এদের নাম জানা গেছে। শিয়াল আতক্ষে এলাকার মানুষ আতক্ষিত।

দিনে ৫০০ টাকার বেশি রিচার্জ নয় মোবাইলে

দিনে ৫০০ টাকার বেশি রিচার্জ নয় মোবাইলে
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: একজন প্রি-পেইড গ্রাহক সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকার ব্যালেন্স রাখতে পারবেন। প্রি-পেইড গ্রাহকরা দিনে ৫০০ টাকা সর্বোচ্চ রিচার্জ করতে পারবেন।

মোবাইল ফোনে প্রি-পেইড গ্রাহকদের জন্য এ সীমা বেঁধে দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। মঙ্গলবার বিটিআরসি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মোবাইল অপারেটরদের কাছে পাঠিয়েছে।

এছাড়া প্রি-পেইড গ্রাহকরা মাসে এক হাজার টাকা ব্যালেন্স ট্রান্সফার করতে পারবেন এবং দিনে ৩০০ টাকার বেশি ব্যালেন্স ট্রান্সফার করতে পারবেন না।

তবে পোস্ট পেইড গ্রাহকদের বিষয়ে কোনো সীমা বেঁধে দেয়নি বিটিআরসি।

বিটিআরসি পরিচালক (সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তবে ২০০৮ সালের নির্দেশনা সংশোধন করে রিচার্জের সীমা বেঁধে দেওয়ার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি চিঠিতে।
ইন্টারেনেট ডেটা রিচার্জের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে কিনা তাও উল্লেখ নেই চিঠিতে।

বর্তমানে বেশিরভাগ গ্রাহকরাই (প্রি-পেইড) একসঙ্গে অনেক টাকার ডেটা (ইন্টারনেট) প্যাকেজ কিনে থাকেন বলে জানিয়েছে অপারেটরা।

সর্বশেষ ২০০৮ এর এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা রিচার্জ করার নিয়ম ছিল, তবে তা প্রতিদিন নির্ধারিত ছিল না। প্রতি মাসে ব্যালেন্স ট্রান্সফারের সীমা এক হাজার টাকা আগেও ছিল, তবে প্রতিদিন ব্যালেন্স ট্রান্সফার ১০০ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করা হয়েছে।

প্রি-পেইড গ্রাহক সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকার ব্যালেন্স রাখার বিষয়টিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির বলেন, 'এ সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকরা সমস্যায় পড়বে। মোবাইল গ্রাহকদের দিনে ৫০০ টাকা রিচার্জ খুবই কম পরিমাণ ধরতে হবে। এখানে অনেক ডেটা প্যাকেজ রয়েছে এর চেয়ে বেশি মূল্যের'।

বর্তমানে বাংলাদেশের ইন্টারনেট গ্রাহদের মধ্যে ৯৭% মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে জানিয়ে কবির বলেন, 'এর ফলে তৃনমূল পর্যায়ের গ্রাহকরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা অনেকাংশেই ডিজিটাল সার্ভিস থেকে বঞ্চিত হতে পারে'।

সামগ্রিক বিষয়গুলো মোবাইল অপারেটরদের নিয়ে আলোচনা করে বিটিআরসি একটি যুক্তিসঙ্গত ব্যালেন্স সীমা বেঁধে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন অ্যামটব মহাসচিব।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা প্রতিদিন রিচার্জে এই নির্দেশনা অপারেটররা হাতে পৌছানোর পর কার্যকর হবে।

বর্তমানে গ্রাহকরা বড় মাপের ডেটা নিচ্ছে যা ৫০০ টাকার বেশি মূল্যের এসব ক্ষেত্রে কি হবে- জানতে চাইলে বিটিআরসি প্রধান বলেন, 'এই বিষয়ে এখনও আলোচনা হয়নি। এখন জেনারেল পাবলিক ৫০০ টাকা করে যদি রিচার্জ করে প্রতিদিন, অবৈধ ভিওআইপি করার যে সম্ভবনা থাকে, যেমন ১০ হাজার টাকা আপ করে বাকিটা অন্য কাজে ব্যবহার হয়, ওইটা আর হবে না। এটি একটি টেস্ট কেস'।

অবৈধ ভিওআইপি বন্ধে এই উদ্যেগ কিনা- এ বিষয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, 'এটি বলতেই পারেন'।

এ বিষয়ে অপারেটরদের সঙ্গে কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই জানিয়ে মাহমুদ বলেন, এ নির্দেশনা পরীক্ষামূলকভাবে চলবে। নভেম্বরের শেষ নাগাদ দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ১৩ কোটি ৩১ লাখ ছাড়িয়েছে।

বিটিআরসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মোবাইল গ্রাহকের মধ্যে ৯৮ শতাংশের বেশি প্রি-পেইড গ্রাহক।

বিটিআরসি’র হিসাবে গত নভেম্বর শেষ নাগাদ দেশে সব ধরনের (মোবাইল, ওয়াইম্যাক্স, ফিক্সড ব্রডব্যান্ড) ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ছিল পাঁচ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার। অন্যদিকে নভেম্বরে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়ায় ৫ কোটি ১৪ লাখ ৬৮ হাজারে।

দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন বাফুফে সভাপতি

দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন বাফুফে সভাপতি
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সাফ ফুটবলে গ্রুপপর্ব থেকেই বাদ পড়ে গেল বাংলাদেশ। যেন মুষিকই প্রসব হলো, পর্বত হয়ে ওঠা হলো না বাংলাদেশ ফুটবল দলের।

গত তিনবার ঢাকঢোল পিটিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার, স্বপ্ন দেখিয়ে সাফ খেলতে গেছে বাংলাদেশ, তিনবারই বাদ পড়েছে গ্রুপপর্ব থেকে। এই ব্যর্থতার কোনো জবাব হয় না। জবাব নেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের কাছেও।

ফুটবল দলের এই ব্যর্থতার জন্য অসহায় ভঙ্গিতে শুধু ক্ষমাই চাইলেন জাতির কাছে। ২০১৬ বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের ড্র অনুষ্ঠানে আজ শুভেচ্ছা বক্তব্য দিতে গিয়ে শুরুতেই বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন সালাউদ্দিন।

বললেন, 'আজকের দিনটি আমাদের জন্য অনেক দুঃখের। সাফে ফুটবল দল ব্যর্থ হয়েছে। এর জন্য বাফুফের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি।'

তবে হতাশার মাঝেও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন আঁকছেন বাফুফে সভাপতি। তাকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৬ ও অনূর্ধ্ব-১৯ এবং মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স। গত আগস্টে সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ।

নেপালে অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনালে ভারতের কাছে টাইব্রেকারে হেরে গেছে বাংলাদেশের তরুণেরা। আর মেয়েদের দল তো এই কদিন আগে নেপালে এএফসি আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতে এসেছে, যেখানে তারা হারিয়েছে ইরানের মতো দলকেও। সব মিলিয়ে 'অনেক উজ্জ্বল ভবিষ্যতে'র নতুন স্বপ্ন বুনছেন সালাউদ্দিন।

তবে সেই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের বীজ যেখানে বোনা হবে, সেই একাডেমিই তো বন্ধ। চালু হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই সিলেটের একাডেমি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে সেটিও শিগগিরই চালু করার কথা জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি। সম্প্রতি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাডেমি নিয়ে চুক্তি হয়েছে বাফুফের।

তাতে একাডেমির জন্য বিদেশি কোচ আনার কথাই বলছেন সালাউদ্দিন। দেশি কোচ কেন নয় সেই ব্যাখ্যাও দিলেন বাফুফে সভাপতি, 'চালু করার ৬ মাস পর ফিফার কর্মকর্তারা একাডেমি পরিদর্শন করেন। তারা আমাদের পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন, আমাদের দেশি কোচরা নাকি যথেষ্ট দক্ষ নয়। তাই আরও ভালো পেশাদার কোচ আনার কথা বলে গিয়েছিলেন তারা।'

সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলার পথে প্রথম বড় বাধা ছিল আর্থিক সীমাবদ্ধতা। নতুন এই চুক্তি সেই সমস্যা কাটাতে সাহায্য করবে বলে বাফুফে সভাপতি জানান, 'সাইফ পাওয়ারটেকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ওরা আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করবে।

আমরা আশা করছি, কয়েক দিনের মধ্যেই একাডেমির জন্য সর্বোচ্চ মানের বিদেশি কোচ আনতে পারব। এখান থেকে ৩-৪ বছরের মধ্যে মানসম্পন্ন ফুটবলার তুলে আনতে পারব আমরা। একটু সময় দিন। অদূর ভবিষ্যতেই আমাদের জাতীয় দল দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণের মতো সাফল্য এনে দিতে পারবে।'

কাজী সালাউদ্দিন স্বপ্নচারী মানুষ। স্বপ্ন দেখতে, দেখাতে তিনি ভালোবাসেন। সেই পথে একটু একটু করে এগিয়েও যাচ্ছেন। তবে বর্তমান জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়েও ভাবনা আছে তার। সাফের ব্যর্থতার পরপরই আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে দর্শক টেনে আনা একটু 'চ্যালেঞ্জ' হবে এটি মেনে নিয়েই সালাউদ্দিন বলছেন, 'এটা অবশ্যই চ্যালেঞ্জ। তবে এ থেকে উঠে আসার একমাত্র উপায় পারফরম্যান্স'।

কর্মক্ষেত্রের চাপ কমাবেন যেভাবে…


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কর্মক্ষেত্রের চাপ বর্তমানে স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। এটি শুধু আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি নয় বরং শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণও হতে পারে। স্বাস্থ্য ও ফিটনেস বিশেষজ্ঞ মিকি মেহতা কর্মক্ষেত্রে চাপ কমানোর জন্য সহজ কিন্তু কার্যকরী কিছু কৌশল ব্যাখ্যা করেছেন। -হাত ও মুখ ধুয়ে ফেলুন, পড়নের শার্ট একটু আলগা করে নিন, জুতা খুলুন। এবার আরামদায়ক কোনো স্থানে বা ইজি চেয়ারে বসুন। কক্ষের লাইট বন্ধ করে দিন। শান্তভাবে বসুন এবং গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। কমপক্ষে ২১ বার গভীরভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। তাৎক্ষণিকভাবে আপনাকে চাপ থেকে উপশম করবে। আপনার হাতে যদি মাত্র পাঁচ মিনিট সময় থাকে, তাহলে ২১ বার করে দুইবার গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়া সম্ভব। -সোজা হয়ে দাঁড়ান, আপনার দুই হাত নিচের দিকে রাখুন। এখন হাত পেছনের দিকে নিন এবং উপরের দিকে তাকান। শ্বাস ছাড়ার সময় হাত আগের অবস্থায় নিয়ে আসুন। তারপর হাত দিয়ে পায়ের পাতা স্পর্শ করুন। -আপনার ভালো লাগে এ রকম একটি ছবি কল্পনা করুন। যেমন, ঝর্ণা ঝড়ছে, খোলা আকাশ, মঙ্গল প্রদীপ জ্বলছে, সবুজ ঘাসের উপর দৌড়ানোর দৃশ্য, আপনার প্রিয়জন, আপনার পরিবার বা সঙ্গীর ছবি দেখতে পারেন। তবে ছবির মাধ্যমে প্রশান্তি পেতে প্রাকৃতিক ছবি বেশি কাজে দেয়। -দীর্ঘক্ষণ কাজের পর আপনি যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তখন কিছুক্ষণ সহজ শারীরিক ব্যায়াম করে নিতে পারেন। চেয়ারে বসে থাকলে আপনার পা একটি ছোট টুলের উপর রাখুন, পুরোপুরি পা ছেড়ে দিন। এবার চেয়ারে হেলান দিন, ঘাড়ের পিছনে নরম কিছু দিন। চোখ বন্ধ রাখুন। আপনার বিরক্তি তৈরি করছে এমন ব্যাপারগুলো বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন। আপনি যা প্রত্যাশা করেন তার দিকে মনোযোগ দিন। -আপনার সামনে একটি লাইট অথবা মোমবাতি জ্বালান। সহজভাবে লাইটের দিকে মনোযোগ দিন। এতে আপনার ইতিবাচকতা মনোভাব তৈরিতে করবে এবং উদ্বেগ দূর করে মনে আনন্দ আনবে। - সুগন্ধযুক্ত কোনো কিছু আপনার অফিস কক্ষে রাখতে পারেন। যেমন, অ্যারোমা তেল, সজনা পাতা, চন্দন, ল্যাভেন্ডার, লিলি, গোলাপের পাঁপড়ি, কস্তুরী, কমলা আপনাকে সজীব ও প্রাণবন্ত রাখবে। -ইচ্ছে করলে চকোলেট থেরাপি নিতে পারেন। কালো চকোলেট আপনার মনে ফুর্তি জোগাবে। -আপনার পছন্দের কোনো গান বা আত্মিক সুখ প্রদান করবে এমন গান শুনতে পারেন।

মেসিকে প্রশংসায় ভাসালেন ল্যাম্পার্ড

মেসিকে প্রশংসায় ভাসালেন ল্যাম্পার্ড

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এবার লিওনেল মেসিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। শুধু তাই নয় দুবাইয়ে গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ডে ২০১৫ সালের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতা মেসিকে বিশ্বসেরা ফুটবলারও মানছেন ইংল্যান্ডের সাবেক এই মিডফিল্ডার।

দুবাই গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ডে ইতালির সাবেক প্লেমেকার আন্দ্রেয়া পিরলো ও ল্যাম্পার্ডকে ফুটবলে অসাধারণ ক্যারিয়ারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়।
 
ল্যাম্পার্ড বলেন, 'আমি মারাদোনাকে দেখে বেড়ে উঠেছি। সে আমার প্রিয় খেলোয়াড়'। কিন্তু আমার কাছে মেসিই সেরা, শুধু এ বছরেই নয়, প্রত্যেক বছরই। আমি তার খেলা দেখতে পছন্দ করি।
 
রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলে এ বছরের ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসিই জিতবে বলেও মনে করেন ল্যাম্পার্ড। তার সঙ্গে কণ্ঠ মেলান ইতালির হয়ে বিশ্বকাপ জেতা পিরলোও।
 
'মেসি অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। সে বারবার এটা দেখিয়েছে। সে বিশ্বের অন্যতম সেরা।'

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন


ঢাকা: উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট চাইলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। মঙ্গলবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হানিফ এই ভোট চান। হানিফ বলেন, ভোটারদের কাছে আমাদের একটি আহ্বান আছে। যদিও এই নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হবে না। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাই নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার মার্কা, আস্থার মার্কা, উন্নয়নের প্রতীক এদেশের স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে জনগণ উন্নয়ন, অগ্রগতি চাই। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে চায়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারায় ঐক্যবদ্ধ আছে। আর সেই চাওয়া প্রতিফলন হিসেবে আগামীকাল সবাই নৌকা প্রতীকে ভোট দেবেন। হানিফ বলেন, ভোটারদের আজ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একদিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকতে দেশে সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং বর্তমানে বিরোধী দলের থাকাকালীন সময়ে হত্যা, খুন নাশকতার কর্মকাণ্ডের প্রত্যাখ্যান করা। তিনি বলেন, আজকে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাক সন্ত্রাসীতে পরিণত হয়েছে। জনগণের কাছে আবেদন করার কিছু নেই তার। মিথ্যাচার করে প্রশাসনকে হুমকি দমকি দিয়ে নিজের অনুকূলে আনার চেষ্টা করছেন। গতকালও তার বক্তব্যে প্রশাসনকে একাধিবার হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তাই জনগণের কাছে আমাদের দাবি থাকবে, এই বাক সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে বিএনপি যে নাশকতা করছে এর বিরুদ্ধে আগামীকাল ভোট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে বাংলাদেশের জনগণ এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে পছন্দ করছে না। এসময় তিনি বলেন, আমি আশা করি আগামীকাল দেশের জনগণ অবাধ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখরভাবে ভোট দিয়ে নৌকা মার্কার প্রার্থীদের জয়যুক্ত করবে। আমরা সেই প্রত্যাশাই করি। দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, আমাদের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতি আমাদের নির্দেশ থাকবে, আগামীকালের পৌরসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে এজন্য নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করবেন। আমরা চাই না এ নির্বাচনে কোনো অনিয়ম কিংবা ত্রুটি করে নির্বাচনকে বির্তকিত করা হোক। কারণ আপনারা লক্ষ করেছেন, দেশের যে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি নির্বাচনকে বির্তকিত করার চেষ্টা করছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, আব্দুল মান্নান খান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূইয়া ডাবলু, উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকল, কেন্দ্রীয় সদস্য এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল প্রমুখ।

সুদি ঋণের বিকল্প কর্জে হাসানা


মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব: আর্থিক ইবাদতের মধ্যে একটি গুরুত্ববহ ও ফজিলতপূর্ণ ইবাদত হলো 'কর্জে হাসানা' তথা উত্তম ঋণ। পবিত্র কোরআনের ছয়টি আয়াতে মোট ১২টি স্থানে 'কর্জে হাসানা'র কথা উল্লেখিত হয়েছে। প্রত্যেক স্থানেই 'কর্জ'কে 'হাসান'-এর সঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে। বোঝা গেল, কর্জে হাসানা একটি ইবাদত এবং মানবতার পুণ্যময় কল্যাণ। কোরআনে কারিমে ব্যবহূত এই কর্জে হাসানা (উত্তম ঋণ) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর রাস্তায় খরচ করা, অভাবী, এতিম ও বিধবাদের ব্যয়ভার বহন করা, ঋণী ব্যক্তিদের ঋণ পরিশোধে সাহায্য করা এবং নিজ সন্তানাদি ও পরিবারের ওপর খরচ করা। মোটকথা মানব কল্যাণের যত দিক আছে সবগুলোই এর অন্তর্ভুক্ত। এমনিভাবে কোনো পেরেশানগ্রস্তকে এই নিয়তে ঋণ দেয়া যে, ওই ব্যক্তি যদি স্বীয় পেরেশানির দরুন উক্ত ঋণ পরিশোধ করতে না পারে, তবে তার কাছে আর চাওয়া হবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'এমন কে আছে যে আল্লাহকে করজ দেবে উত্তম করজ? অতঃপর আল্লাহ তায়ালা তাকে দ্বিগুণ ও বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেবেন। আল্লাহই সংকোচিত করেন আবার তিনিই প্রশস্ততা দান করেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা ফিরে যাবে।' (বাকারা : ২৪৫)। অন্যত্র এরশাদ করেন, 'তোমরা আল্লাহকে উত্তম পন্থায় ঋণ দিতে থাক, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের গোনাহ দূর করে দেব এবং অবশ্যই তোমাদের উদ্যানগুলোতে প্রবিষ্ট করব, যার তলদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত।' (মায়িদা : ১২)। আরও এরশাদ করেন, 'নিশ্চয়ই দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী যারা আল্লাহকে উত্তমরূপে ধার দেয়, তাদের দেয়া হবে বহুগুণ এবং তাদের জন্য রয়েছে সম্মানজনক পুরস্কার।' (হাদিদ : ১৮)। আল্লাহ তায়ালা অমুখাপেক্ষী হওয়া সত্ত্বেও কেন ঋণ চাইলেন? বান্দাদের করজে হাসানা প্রদানের প্রতি উদ্বুদ্ধ করার জন্য। স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমস্যার শিকার ব্যক্তিকে ঋণ প্রদান করা স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাকে ঋণ দেয়ার মতো। মহানবী (সা.) এর ভাষ্য অনুযায়ী, দানের চেয়ে ঋণ প্রদানের গুরুত্ব বেশি। দানের সওয়াব ১০ গুণ আর ঋণ প্রদানের সওয়ার ১৮ গুণ। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, যখন কর্জে হাসানা সম্পর্কে কোরআন কারিমে আয়াত নাজিল হলো তখন হজরত আবু দারদা আনসারি (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) এর দরবারে হাজির হয়ে আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহ তায়ালা কি আমাদের কাছে ঋণ চান? উত্তরে রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, হ্যাঁ, তখন আনসারি সাহাবি বললেন, হুজুর! আপনার হস্ত মোবারক সামনে বাড়িয়ে দিন, আপনার হাতে হাত রেখে আমি একটি অঙ্গীকার করব। রাসুল (সা.) হাত বাড়িয়ে দিলেন। তখন হজরত আবুদ্দারদা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) এর হাত ধরে অঙ্গীকার করেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি আমার বাগান আল্লাহ তায়ালাকে করজ হিসেবে দিয়ে দিলাম। ওই বাগানে ৬০০ খেজুর গাছ ছিল এবং ওই বাগানে তার স্ত্রী-সন্তানও থাকত। তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.) এর দরবার থেকে উঠে নিজ বাগানে চলে গেলেন এবং স্বীয় স্ত্রীকে আওয়াজ দিয়ে বললেন, চল এই বাগান থেকে বের হয়ে এসো; এই বাগান আমি আমার রবকে করজ দিয়ে দিয়েছি। (তাফসিরে ইবনে কাসির)। আবু দারদা (রা.) এর দুইটি বাগান ছিল। তন্মধ্যে বাগানটিই ছিল তার নিকট খুব প্রিয়। যে বাগানে ৬০০ খেজুর গাছ ছিল এবং ওই বাগানে তার স্ত্রী-সন্তানও থাকত। এটিই তিনি স্বীয় রবকে করজ হিসেবে দিয়ে দিলেন। এসব ব্যক্তির প্রশংসায় আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও তারা নিজেদের ওপর অন্যদের প্রাধান্য দেয়।' (সূরা হাশর : ৯)। বিত্তশালীরা 'কর্জে হাসানা' নামক আর্থিক ইবাদতটি সম্পাদন করলে সমাজের অবহেলিত ও দারিদ্র্যক্লিষ্ট মানুষগুলো নিজ পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়। জাতীয় উৎপাদনে তারা তাদের কর্মশক্তি নিয়োগ করতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়েপড়া পরিবারগুলো শক্তি অর্জন করে অভাবের তাড়না থেকে মুক্তি পেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে যারা অসহায়ত্বের শিকার হয়ে সুদি ঋণ গ্রহণ করে তাদের সুদ নামক ভয়ানক অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে পারে। আমাদের দেশে ব্যক্তিপর্যায়ে কর্জে হাসানা চালু থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কর্জে হাসানা প্রদানের সংস্কৃতি এখনও চালু হয়নি। বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ট্রাস্ট বিনা সুদে ছোট ও মাঝারি আকারের ঋণ প্রদান করে অসহায় পরিবারগুলোকে আত্মনির্ভরশীল করার পথ দেখাতে পারে। কর্জে হাসানা হতে পারে দারিদ্র্যবিমোচনের ব্যাপকভিত্তিক শক্তিশালী মডেল এবং সুদি ঋণের উত্তম বিকল্প। তাছাড়া কর্জে হাসানা বা সুদমুক্ত ঋণ প্রদানের মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র লোকদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। যারা অত্যন্ত অসহায়ত্বের শিকার তাদের কর্জে হাসানা প্রদান করে ছোটখাটো কোনো ব্যবসা ধরিয়ে দিয়ে দারিদ্র্যবিমোচনের ক্ষেত্রে সুফল বয়ে আনা যায়। যেমন- পোশাক তৈরি, এমব্রয়ডারি, কিচেন ব্যবস্থাপনা, খাদ্য তৈরি, মোটরসাইকেল মেকানিক, অটোমেকানিক, হাঁস-মুরগির খামার, কম্পিউটার সফটওয়্যার, ওয়েল্ডিং, কাঠের সরঞ্জাম তৈরি, ছাগল পালন ইত্যাদি। তাছাড়া অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাঋণ দিয়ে নিরক্ষরতা দূরীভূত করা যায়। কর্জে হাসানায় কোনো ধরনের সুদ, সার্ভিস চার্জ, লোন প্রসেসিং ফি, মুনাফা, জরিমানা থাকে না। নির্ধারিত মেয়াদের ভেতরে মূল টাকা ফেরত দিতে হয়। মোটকথা, সুদি ঋণপ্রথা বিমোচন করার জন্য কর্জে হাসানার ব্যাপক চর্চা সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এতে একদিকে যেমন দরিদ্র মানুষ লাভবান হবে, অন্যদিকে সুদের বিষাক্ত ছোবল থেকে সমাজের মানুষকে রক্ষা করা যাবে। আর কর্জে হাসানায় দাতার জন্য তো অগণিত সওয়াবের ওয়াদা আছেই।

ইরানকে পঙ্গু করে সব ইউরেনিয়াম নিয়ে গেল আমেরিকা

ইরানকে পঙ্গু করে সব ইউরেনিয়াম নিয়ে গেল আমেরিকা

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: তেহরান এক সময় ছিলো ইউরেনিয়ামের ভাঁড়ার। রাশিয়া আর আমেরিকা হাত মিলিয়ে ইরানকে খোঁড়া করে দিল! ভেঙে দেওয়া হল তেহরানের ‘বিষ দাঁত’! অদূর ভবিষ্যতে ইরানের পক্ষে আর পরমাণু অস্ত্র বানানো সম্ভব হবে না।

তুলনায় কম শক্তিশালী হলেও, তেহরানের ভাঁড়ারে তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম আইসোটোপের যতটা মজুত ছিল, তার প্রায় পুরোটাই ইরান থেকে রুশ জাহাজে চাপিয়ে সরিয়ে নেওয়া হল। এই মুহূর্তে বাজারে যার মূল্য দশ হাজার কোটি মার্কিন ডলার।

কয়েক মাস আগে ইরানকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিতে সই করিয়েছিল আমেরিকা ও রাশিয়া। তার শর্ত ছিল, তেহরানের ভাঁড়ারে পরমাণু অস্ত্র বানানোর জন্য জরুরি যতটা ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, তার পুরোটাই ইরান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তার বদলে ইরানের ওপর থেকে তুলে নেওয়া হবে প্রায় এক দশক ধরে জারি থাকা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। যার ফলে, ইরান এ বার বিশ্বজুড়ে তার ইচ্ছা মতো দামে খনিজ তেল বেচতে পারবে। দেশে দেশে তেল রফতানি করতে পারবে তার মর্জিমাফিক পরিমাণে।

মজাটা এখানেই, একদা মস্কোর ‘বন্ধু দেশ’ ইরানকে পরমাণু অস্ত্রের নিরিখে ‘খোঁড়া’ করা হল তেহরানে মজুত ইউরেনিয়াম রুশ জাহাজে চাপিয়ে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়ে। আর সেটা যে সফল ভাবেই করা গিয়েছে, তার ঘোষণা করলেন মার্কিন বিদেশসচিব জন কেরি। তাঁর কথায়, ‘‘প্রতিশ্রুতি রাখতে ইরান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপটি করল।’’ যাদের জাহাজে চাপিয়ে ওই ইউরেনিয়াম তেহরান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেই রুশ পরমাণু সংস্থা ‘রোসাটম’-এর এক মুখপাত্র্ পরে ওই মার্কিন ঘোষণার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

গত সাত বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার পর আগামী বছর আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ইরানকে পারমাণবিক ভাবে ‘খোঁড়া’ করে দেওয়াটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিদেশনীতির সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন

ধনেপাতা: গুণের চেয়ে ক্ষতিই বেশি


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাঙালির সব খাবারেই ধনেপাতা নিত্যসঙ্গী। খাবারকে বেশি সুস্বাদ করে তুলতে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। ধনেপাতা পাটায় বেটে ভর্তা করে খাওয়ার মজাই অন্যরকম। অথচ এই মজাদার খাবারটির নাকি রয়েছে মারাত্মক সব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। অতিরিক্ত ধনেপাতা খেলে দিন দিন তা শরীরকে অসুস্থ করে তোলে। আসুন জেনেই নেই কি কি ক্ষতি করে সাধের ধনেপাতা- লিভারের ক্ষতিসাধন- অতিরিক্ত ধনেপাতা খেলে এটি লিভারের কার্যক্ষমতাকে খারাপভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এতে থাকা এক ধরনের উদ্ভিজ তেল শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে আক্রান্ত করে ফেলে। এছাড়া এটাতে এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যেটা সাধারণত লিভারের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে কিন্তু দেহের মাঝে এর অতিরিক্ত মাত্রার উপস্থিতি লিভারের ক্ষতিসাধন করে। নিঃশ্বাসের সমস্যা- আপনি যদি শ্বাসকষ্টের রোগী হয়ে থাকেন তাহলে এই ধনেপাতা আহার থেকে বিরত থাকুন। কেননা এটি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা করে থাকে যার ফলে ফুসফুসে অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে। এই ধনেপাতা খেলে মাঝে মাঝে ছোট ছোট নিশ্বাস নিতেও সমস্যা তৈরি হয়। পেট খারাপ- স্বাভাবিকভাবে ধনেপাতা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল বিষয়ক সমস্যা দূর করে থাকে। কিন্তু বেশি পরিমাণে ধনেপাতা সেবন পাকস্থলীতে হজমক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, এক সপ্তাহে ২০০ এমএল ধনেপাতা আহারে গ্যাসের ব্যথা ওঠা, পেটে ব্যথা, পেট ফুলে ওঠা, বমি হওয়া এমনকি পাতলা পায়খানা হওয়ারও সম্ভাবনা দেখা যায়। নিম্ন রক্তচাপ-অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়ার ফলে দেহের হৃৎপিন্ডের স্বাস্থ্য নষ্ট করে ফেলে। যার ফলে নিম্ন রক্তচাপ সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞরা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এই ধনেপাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে নিম্ন রক্তচাপের উদ্ভব ঘটতে পারে। এছাড়া এটি হালকা মাথাব্যথারও উদ্রেক করতে পারে। ডায়রিয়া- ধনেপাতা অল্প খেলে পেটের সমস্যা দূর হয় কিন্তু এটি বেশি পরিমাণে খেলে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এছাড়া এর ফলে ডিহাইড্রেশন হতে থাকে। ফলে ডায়রিয়ার সমস্যাটি হতেই থাকে। তাই এই ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রতিদিনের খাবারে ধনেপাতা কম পরিমাণে ব্যবহার করুন। বুকে ব্যথা- অতিরিক্ত ধনেপাতা আহারে বুকে ব্যথার মত জটিল সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এটা শুধুমাত্র অস্বস্তিকর ব্যথাই সৃষ্টি করে না তা দীর্ঘস্থায়ীও হয়ে থাকে। এজন্য এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে দৈনন্দিন আহারে কম করে এই ধনেপাতা খেতে পারেন। ত্বকের সংবেদনশীলতা- সবুজ ধনেপাতাতে মোটামুটিভাবে কিছু ঔষধি অ্যাসিডিক উপাদান থাকে যেটি ত্বককে সূর্যরশ্মি থেকে বাঁচিয়ে সংবেদনশীল করে থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত সেবনে সূর্যের রশ্মি একেবারেই ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না ফলে ত্বক ভিটামিন কে থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া ধনেপাতা ত্বকের ক্যান্সার প্রবণতাও তৈরি করে থাকে। ভ্রূণের ক্ষতি-গর্ভকালীন সময়ে অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়া ভ্রূণের বা বাচ্চার শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকারক। ধনেপাতাতে থাকা কিছু উপাদান মহিলাদের প্রজনন গ্রন্থির কার্যক্ষমতাকে নষ্ট করে ফেলে। যার ফলে মহিলাদের বাচ্চা ধারণ ক্ষমতা লোপ পায়। বাচ্চা ধারণ করলেও গর্ভকালীন ভ্রূণের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। অ্যালার্জির সমস্যা- ধনেপাতার প্রোটিন উপাদানটি শরীরে আইজিই নামক অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা শরীরের বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানকে সমানভাবে বহন করে থাকে। কিন্তু এর অতিরিক্ত মাত্রা উপাদানগুলোর ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। ফলে অ্যালার্জীর তৈরি হয়। এই অ্যালার্জীর ফলে দেহে চুলকানি, ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া করা, র্যাশ ওঠা এই ধরনের নানা সমস্যা হয়ে থাকে। প্রদাহ- অতিরিক্ত ধনেপাতা সেবনের আরেকটি বিশেষ পার্শ্ব প্রতক্রিয়া হল মুখে প্রদাহ হওয়া। এই ঔষধিটির বিভিন্ন এসিডিক উপাদান যেটি আমাদের ত্বককে সংবেদনশীল করে থাকে পাশাপাশি এটি মুখে প্রদাহেরও সৃষ্টি করে। বিশেষ করে এর ফলে ঠোঁট, মাড়ি এবং গলা ব্যথা হয়ে থাকে। এর ফলে সারা মুখ লাল হয়েও যায়।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩