কানাইঘাটে ৫ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ!বিএনপির প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি

Kanaighat News on Monday, November 30, 2015 | 7:48 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর সিলেটের কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলা রির্টানিং অফিসারের কার্যালয় থেকে এ পর্যন্ত মেয়র পদে ৫ ও কাউন্সিলার পদে ৪১ ও সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন, আ’লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র লুৎফুর রহমান, বিগত পৌরসভার নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী জামায়াত নেতা এ.কে.এম ওলিউল্লাহ (স্বতন্ত্র), জাতীয়পার্টির মনোনীত একক প্রার্থী উপজেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক বাবুল আহমদ, সাবেক মেয়র প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুহেল আমীন (স্বতন্ত্র), আ’লীগ নেতা কানাইঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খোকন (স্বতন্ত্র), তবে এখন পর্যন্ত পৌরসভার নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী চূড়ান্ত না হওয়ায় বিএনপি সমর্থিত কোন প্রার্থী মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহণ করেননি। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন, বিএনপি থেকে একক প্রার্থী মনোনীত করার লক্ষ্যে জেলা নেতৃবৃন্দের সাথে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের বৈঠক চলছে। দুই এক দিনের মধ্যে দলীয় মতামতের ভিত্তিতে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। জানা গেছে, মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন পেতে পারেন পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলার পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী শরিফুল হক, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি ৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলার রহিম উদ্দিন ভরসা।

কানাইঘাটে আ’লীগের প্রার্থী লুৎফুর রহমান


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক পৌরসভার বর্তমান মেয়র লুৎফুর রহমান। রবিবার রাতে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের নির্বাচনী প্রতিনিধি টি মেয়র পদে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৯জন প্রার্থীকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে বর্তমান মেয়র লুৎফুর রহমানকে আ’লীগের মনোনীত একক মেয়র প্রার্থী চুড়ান্ত করে সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ রবিবার রাতেই ঢাকায় দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠিয়েছেন।

শিশু সাঈদ হত্যা মামলায় পুলিশ সদস্যসহ ৩ জনের ফাঁসি


সিলেট, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৫ :: সিলেটে স্কুলছাত্র আবু সাঈদকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় এক পুলিশ সদস্যসহ ৩ জনকে ‘ডাবল মৃত্যুদন্ড’ প্রদান করেছেন আদালত। সোমবার বিকেল পৌনে ৪টায় সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন নগরীর বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল (বরখাস্তকৃত) এবাদুর রহমান পুতুল, র‌্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা ও সিলেট জেলা ওলামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিব। উপরোক্ত আসামিদের প্রথমে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির জন্য দন্ডবিধির ৭ ও ৮ ধারায় মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। একইসাথে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। অন্যদিকে সাঈদকে অপহরণ করে হত্যার জন্য দন্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায়ও তাদেরকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়েছে। একইসাথে আরো এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আসামিরা আগামী ৭ দিনের মধ্যে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে। এছাড়া জেলা ওলামালীগের প্রচার সম্পাদক মাহিব হোসেন মাসুমকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন আদালত। চলতি বছরের ১১ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট নগরীর রায়নগর থেকে স্কুলছাত্র আবু সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়। এরপর ১৪ মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় নগরীর বিমানবন্দর থানার পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের কুমারপাড়াস্থ ঝর্ণারপাড় সবুজ-৩৭ নং বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। স্কুল থেকে ফেরার পথে সিলেট নগরীর দর্জিবন্ধ বসুন্ধরা এলাকার ৭৪ নং বাসার বাসিন্দা আবদুল মতিনের ছেলে রায়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর সাঈদের বাবা ও মামার কাছে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। অন্যথায় সাঈদকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয় তারা। এরপর সাঈদের বাবা ও মামা কোতোয়ালি থানায় গিয়ে জিডি দায়ের করেন। একইসাথে অপহরণকারীদের সাথেও চলতে থাকা কথাবার্তা। পাঁচ লাখ টাকা দেয়ার সামর্থ্য নেই জানিয়ে চলে দর কষাকষি। শেষ পর্যন্ত ২ লাখ টাকায় সম্মত হয় অপহরণকারীরা। টাকা নিয়ে সিলেট নগরীর বাইশটিলা এলাকায় যাওয়ার পর ফোন দিয়ে অপহরণকারীরা বলে, ‘বিষয়টি পুলিশকে কেন জানানো হলো?’ তারা সাঈদকে হত্যার হুমকি দিয়ে ফোন রেখে দেয়। অপহরণের ৪ দিন পর ১৪ মার্চ দিবাগত রাতে পুলিশ কনস্টেবল এবাদুরের ভাড়া বাসা থেকে সাঈদের লাশ উদ্ধার করা হয়। সাঈদের বাবা ও মামার কাছে যে মোবাইল দিয়ে ফোন দেয়া হয়েছিল, তা ট্রাক করে কনস্টেবল এবাদুরের বলে নিশ্চিত হয় পুলিশ। পরে তাকে আটক করা হয়। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই র‌্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা, সিলেট জেলা ওলামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিবকেও আটক করে পুলিশ। তবে পলাতক থাকে জেলা ওলামী লীগের প্রচার সম্পাদক মাহিব হোসেন মাসুম। কনস্টেবল (বর্তমানে বরখাস্ত) এবাদুর রহমান একসময় সাঈদদের পাশের বাসায় ভাড়া থাকতেন। সে সুবাধে সাঈদের পরিবারের সবার সাথে পরিচয় ছিল তার। আবু সাঈদ তাকে ‘মামা’ বলে ডাকতো। সাঈদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় তার বাবা মতিন মিয়া বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটককৃত তিনজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। হত্যাকান্ডের প্রায় ৬ মাস পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর সিলেট মহানগর হাকিম ১ম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মহানগর পুলিশের সহকারি কমিশনার (প্রসিকিউশন) আবদুল আহাদ চৌধুরী। মামলাটি তদন্ত করেন কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোশাররফ হোসাইন। গত ৭ অক্টোবর অভিযোগপত্রের উপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৯ অক্টোবর সাঈদ অপহরণ ও হত্যা মামলা সিলেট মহানগর হাকিম প্রথম আদালত থেকে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন ট্র্যাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ওইদিন আলোচিত এই হত্যা মামলায় ৮ নভেম্বর চার্জ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। কিন্তু ৮ নভেম্বর চার্জ গঠিত হয়নি। তবে ওইদিন পলাতক থাকা মাহিব হোসেন মাসুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত। পরে ১০ নভেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করে মাসুম জামিন আবেদন জানালেও আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে ১৭ নভেম্বর সাঈদ অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেন। ওই ৪ জন হচ্ছেন নগরীর বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল (বরখাস্তকৃত) এবাদুর রহমান পুতুল, র‌্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা, সিলেট জেলা ওলামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিব ও প্রচার সম্পাদক মাহিব হোসেন মাসুম। গত ১৯ নভেম্বর থেকে আলোচিত সাঈদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। টানা ৬ কার্যদিবসে সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে গত ২৬ নভেম্বর শেষ হয় মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কাজ। গতকাল রোববার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ধার্র্য্য করেন আদালত। --সিলেটভিউ২৪ডটকম

দাঁত ভালো রাখতে চার কাপ চা-ই যথেষ্ট

Kanaighat News on Sunday, November 29, 2015 | 10:56 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ইংরেজিতে একটা কথা প্রচলিত আছে, বেশি চা পান মানে খারাপ দাঁত। কিন্তু নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, চা দাঁতকে শক্তিশালী করে।

৪৯টি টি ব্যাগ পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখতে পান, চার কাপ চা প্রতিদিনের জন্য দরকারি ফ্লোরাইড সরবরাহ করে। তাছাড়া দাঁতের এনামেলকে শক্তিশালী ও ক্ষয়রোধ থেকে রক্ষা করে চা। 

সস্তা মিশ্রণ ও ক্যাফেইনমুক্ত চা-তে বেশি ফ্লোরাইড পাওয়া যায়। মূলত মাটি থেকে এই উপাদান চা গাছে আসে।

গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়, এক মগ কালো ২৪০ মিলি. চা-এ ১ দশমিক ১৮ মিলিগ্রাম ফ্লোরাইড থাকে। সবুজ বা বিশেষ চা-এ এর পরিমাণটা হচ্ছে ০.৭২ মিলিগ্রাম।

গবেষণায় বলা হয়, ক্যাফেইন নাই এমন চা-এ বেশি ফ্লোরাইড থাকে। কারণ এই ধরণের চা গাছের পাতা মাটি থেকে বেশি ফ্লোরাইড শোষণ করতে পারে।

প্রধান গবেষক ও যুক্তরাজ্যের চা শিল্প উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ডা: ক্যারি রুক্সটন বলেন, চা দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সহায়তা করে।

জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের অধিকাংশ মানুষ দিনে মাত্র দুই কাপ চা পান করে। এর পরিমাণ বাড়িয়ে যদি চার কাপ করা যায় তাহলে দাঁতের সুরক্ষা ও ফ্লোরাইড বৃদ্ধি করবে।

আদালতের হাজতখানা থেকে আসামির পলায়ন

আদালতের হাজতখানা থেকে আসামির পলায়ন

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: কাফরুলের ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন হত্যা মামলার আসামি সাবেক উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিম আদালতের হাজতখানা থেকে পালিয়ে গেছেন।

রোববার বিকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

জানতে চাইলে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন বলেন, জজ আদালতের হাজতখানা থেকে একজন আসামি পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

গত ২০১২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় আসামি উপ-পরিদর্শক নুরুজ্জামান ও সোর্স রতন কাফরুলের ভান্ডারি স্টিলের দোকান থেকে ফারুক হোসেনকে মামলা আছে বলে কাফরুল থানায় নিয়ে যায়।

সেদিন রাত ১১টায় বাদী থানায় গেলে থানাহাজতে তার ভাইয়ের চিৎকার শুনতে পান। পুলিশকে ম্যানেজ করে ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করলে ফারুক আসামি এসআই নুরুজ্জামান ও সোর্স রতনকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে নিতে বলেন। টাকা না দিলে মেরে ফেলবে বলে জানান তিনি।

গত ২০১২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী ফারুককে কাফরুল থানার ৫৭(২)১২ নম্বর মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত আসামির শরীরে জখমের চিহ্ন দেখে রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

২২ ফেব্রুয়ারী কারাগারে ফারুক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কারা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কারা হাসপাতালে তার রক্তবমি হলে তাকে ২৮ ফেব্রুয়ারী ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। সেখানে রাত সাড়ে ১১টায় মারা যান ফারুক। 

এ ঘটনায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল ঢাকা সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন ফারুকের বোন পারভীন হক। পরে ৬ নভেম্বর আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে গত ১ মার্চ সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক মাজহারুল হক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

‘বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের মূলে ইসরাইল’


‘বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের মূলে ইসরাইল’
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় ফিলিস্তিনের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ইউসুফ এস রামাদান বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মূলে রয়েছে ইসরাইল ও তার দোসররা।’’

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর সহিংসতার মধ্যে রোববার আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ শান্তি পরিষদ আয়োজিত এক সভায় বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন।

আরবিতে দেওয়া রামাদানের বক্তব্য অনুবাদ করে দেন ফিলিস্তিন দূতাবাসের অনুবাদক ইব্রাহিম হেলাল।

রামাদান স্বাধীন ফিলিস্তিনের পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করার জন্য এবং শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকারের গৃহিত সকল পদক্ষেপের প্রতি আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।

“তবে জোর দিয়ে আরও বলতে চাই, এই সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মূলে রয়েছে ইসরাইল ও তার দোসররা, যারা শান্তিপ্রিয় মানুষের জন্য ত্রাস ও সন্ত্রাসের সৃষ্টি করে।”

বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে করা মন্তব্যটি যথাযথভাবে অনুবাদ হয়েছে কি না- অনুষ্ঠানের পর তার পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে রামাদান ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব দেন।

১৯৪৭ সালের জাতিসংঘে গৃহীত প্রস্তাবে ফিলিস্তিনিরা ‘চরম অন্যায়’র শিকার হয়েছিল দাবি করে রামাদান বলেন, “এর মূল বক্তব্য ছিল, ফিলিস্তিন ভেঙে দুই রাষ্ট্র করা, যার বড় অংশ থাকবে ইহুদিদের দখলে, আর ছোট অংশটি থাকবে আরবদের দখলে।

“অথচ তখন আরবদের সংখ্যা ইহুদিদের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। আর এভাবেই জাতিসংঘ তার মালিকানাভুক্ত নয়, এমন একটি ভূখণ্ড তার প্রকৃত অধিকারীকে বঞ্চিত করে অন্য একটি জাতিকে দেয়। অথচ এই ভূখণ্ডে বঞ্চিত জাতিটির অধিকার খ্রিস্টপূর্ব ৪ হাজার বছর পূর্ব থেকেই স্বীকৃত।”

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে পাশে রেখে বক্তব্য দেন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত। মন্ত্রী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন। বাংলাদেশ শান্তি পরিষদের সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারওয়ার আলীও বক্তব্য রাখেন।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি শুরু


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ সূচী অনুযায়ী আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। দেশের আটটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (www.moedu.gov.bd) এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সূচি দেখতে পারবে। সূত্র মতে, আটটি সাধারণ বোর্ডের মাধ্যমিক, মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষা একযোগে ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৮ মার্চ। সকালের পরীক্ষা চলবে ১০-১টা পর্যন্ত। বিকালের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ৫টা পর্যন্ত। এ প্রথমবারের মতো প্রথমে এমসিকিউ (বহু নির্বাচনি) এবং পরে রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি উভয় পরীক্ষার মধ্যে ১০ মিনিট সময়ের ব্যবধান থাকবে। পুনরায় নিরীক্ষার জন্য পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষার শুরুতেই কিছু অসাধু শিক্ষক বহুনির্বাচনি প্রশ্নের সমাধান বানিয়ে রাখতো। রচনামূলক পরীক্ষার পর সেটা শিক্ষার্থীদের বলেও দেওয়া হতো। এ কারণে মন্ত্রণালয় এমসিকিউ পরীক্ষা আগে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।

কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগের ৯ প্রার্থী।। কেউ কাউকে ছাড় না দেওয়ায় জেলা নির্বাচনী টিমের বৈঠক ব্যর্থ ।।


নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের একক প্রার্থী মনোনয়নের লক্ষ্যে জেলা আওয়ামীলীগের নির্বাচনী টিমের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আ’লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের তৃণমূলের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করলেও আ’লীগ থেকে মেয়র পদে একক প্রার্থী মনোনীত করতে ব্যর্থ হয়েছেন জেলা নির্বাচনী প্রতিনিধি টিম। মেয়র পদের আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৯ জন প্রার্থীকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেও কেউ কাউকে ছাড় না দেওয়ায় জেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ পরবর্তীতে উপজেলা ও পৌর আ’লীগের নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে একক প্রার্থী মনোনীত করবেন বলে জানান। তবে প্রার্থীদের বায়োডাটা নিয়ে জেলা নির্বাচনী প্রতিনিধি টিম রাত সাড়ে ৮টার দিকে কানাইঘাট ত্যাগ করেন। রোববার বিকেল ৪টায় স্থানীয় আল রিয়াদ কমিউনিটি অনুষ্ঠিত উক্ত জরুরী সভায় কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে একক প্রার্থী মনোনয়ন করার লক্ষ্যে জেলা আ’লীগের প্রতিনিধি টিমের নেতৃত্ব দেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল, জেলা আ’লীগের সদস্য এড. বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর। পৌর আ’লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কে.এইচ এম আব্দুল্লার পরিচালনায় উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও জেলা আ’লীগ নেতা আলহাজ্ব আব্দুল মুমিন চৌধুরী, জেলা আ’লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এমাদ উদ্দিন মানিক, উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক বর্তমান পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, সিলেট বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বাবুল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এড. ফখরুল ইসলাম সহ উপজেলা ও পৌর আ’লীগের নেতৃবৃন্দ। উক্ত জরুরী সভায় কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বর্তমান মেয়র উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক লুৎফুর রহমান, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন আল মিজান, আ’লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন, এড. মামুন রশিদ, মাসুক আহমদ, পৌর আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কে.এইচ.এম আব্দুল্লাহ, আ’লীগ নেতা চিত্রশিল্পী ভানু লাল দাস, যুবলীগ নেতা আব্দুল হেকিম শামীম, ছাত্রলীগ নেতা শাহাব উদ্দিন তাদের প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে উক্ত জরুরী সভায় মেয়র পদে আ’লীগের একক প্রার্থী মনোনয়ন করার লক্ষ্যে পৌর আ’লীগ ও পৌরসভার অর্ন্তভুক্ত উপজেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের গোপন ভোটে একক প্রার্থী মনোনয়ন করার কথা থাকলেও ভোট নেওয়া হয়নি। প্রার্থীদের বায়ো ডাটা জেলা নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। প্রতিনিধি টিমের প্রধান জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল কানাইঘাট নিউজকে বলেন, আ’লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিন্ধান্ত অনুযায়ী তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে এবং আ’লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত করার জন্য যোগ্য প্রার্থীকে মেয়র পদে আ’লীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এতে দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত প্রতিফলিত হবে।

কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ জাতীয় পার্টির প্রার্থী চূড়ান্ত


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জাতীয় পার্টি। দলটির চেয়ারম্যান হুসেইমন মুহম্মদ এরশাদ উভয় পৌরসভায় প্রার্থী মনোনীত করেছেন। মনোনয়নপ্রাপ্ত দু’জন হচ্ছেন- জকিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর জাতীয় পার্টিার সভাপতি আবদুল মালেক ফারুক এবং কানাইঘাট উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক বাবুল আহমদ। রবিবার রাতে জাতীয় পার্টির যুগ্ম-মহাসচিব ও বিরোদীদলীয় হুইপ, সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনের সাংসদ সেমিল উদ্দিনের একান্ত সহকারি রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আজ রোববার উক্ত দু’জনের মনোনয়নপত্র এরশাদের কাছ থেকে সেলিম উদ্দিন গ্রহণ করেছেন বলেও জানানো হয়েছে।

পরকীয়ায় নারীর মৃত্যুদণ্ড, সঙ্গীর ১০০ দোররা

পরকীয়ায় নারীর মৃত্যুদণ্ড, সঙ্গীর ১০০ দোররা
কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবে ২০১৩ সাল থেকে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন এক শ্রীলঙ্কান নারী। তার পুরুষ সঙ্গীর সাথে ‘বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্কের’ দায়ে ওই নারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন সৌদি আরবের একটি আদালত। তবে একই অপরাধে তার পুরুষ সঙ্গীকে দেওয়া হয়েছে ১০০ দোররার সাজা।

৪৫ বছর বয়সী ওই বিবাহিত নারী বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি আদালতে স্বীকার করেন। এরপর এ বছরের অাগস্টে সৌদি আরবের একটি আদালত ওই রায় দেন। খবর রয়টার্সের।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কা সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা জানান, ২০১৩ সাল থেকে গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরবে কাজ করছিলেন ওই নারী। তার সঙ্গীও শ্রীলঙ্কার একজন অভিবাসী শ্রমিক।

তিনি অবিবাহিত- এই যুক্তিতে তাকে তুলনামূলক কম শাস্তি, ১০০ দোররা মারার আদেশ হয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়।

শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যুরোর মুখপাত্র উপল দেশাপ্রিয়া রয়টার্সকে বলেন, “রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পাশাপাশি ব্যুরোর পক্ষ থেকে ওই নারীর জন্য আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চালানো হচ্ছে ।”

ওই নারী ক্ষমা পাবেন কি না- সে বিষয়ে কলম্বোয় সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাড়া পাওয়া যায়নি বলে রয়টার্সের প্রতিবেদেনে জানানো হয়।

‘শরিয়া’ বা ইসলামী আইন অনুসরণকারী দেশ সৌদি আরবে ‘ব্যভিচার’ ও মাদক পাচারের মতো অপরাধের সাজা মৃত্যুদণ্ড। দেশটির এ ধরনের সাজা ও বিচার পদ্ধতি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বরাবরই সোচ্চার।

সৌদি এক শিশুকে হত্যার দায়ে ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার এক গৃহকর্মীর শিরোশ্ছেদ করা হয়। সে সময়ও আপিল করেছিল কলম্বো।

কয়েক লাখ শ্রীলঙ্কান নারী-পুরুষ তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবের বাসাবাড়িতে বা গাড়ি চালানোর মতো কাজে রয়েছেন।

দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কা থেকে দুই লাখ ৭৯ হাজার ৯৫২ জন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এই প্রবাসীরা গতবছর ৭০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন,  যা জিডিপির প্রায় ৯ শতাংশ।

মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হিসাবে, জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল প্যানেলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা সৌদি আরবে এ বছর দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে, যা গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

‘বাংলার মাটিতে ধানের শীষ থাকবে না’


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলার মাটিতে ধানের শীষ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। তারা ধানের শীষে বিশ্বাস করে না। রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি রাশেদ মোশাররফের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি বলেই নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করি। আমরা নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছি। যে কারণে স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে করছি। এখন থেকে সব নির্বাচনই দলীয় প্রতীকে হবে এবং দলের অধীনে হবে। খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আমরা আপনাদের স্বাগত জানাই। নির্বাচন ছাড়া আপনার সামনে কোনো বিকল্প নেই। চেষ্টা করেছেন বিশ্বের কাছে শেখ হাসিনার সরকারকে অবৈধ প্রমাণ করতে, পারেন নি। এখনও ষড়যন্ত্রের পথ ছাড়েন নি। এই পথে আপনি সফল হবেন না। এই পথ ছেড়ে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে মাঠে আসেন। নির্বাচনে অংশ নেন। জনগণের রায় মেনে নেন। নাসিম বলেন, জনগণ দেখবে কে বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করেছে! গ্যাসের সমস্যার সমাধান করেছে! তারা আওয়ামী লীগকেই ভোট দেবে। জনগণ এখন আর ধানের শীষে বিশ্বাস করে না। জনগণ জানে, ধানের শীষ মানে জ্বালাও-পোড়াও, ধানের শীষ মানেই জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে আপোষ করা। মানুষ তাদের ভোট দেবে না। ধানের শীষ বাংলার মাটিতে থাকবে না। কৃষকলীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

কোম্পানীগঞ্জে ১৯১টি পরিবারে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের খায়েরগাঁও, শিমুলতলা ও রংপুর গ্রামে ১৯১টি পরিবারের মধ্যে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর নতুন সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আলী আমজদ নতুন সংযোগের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন তাজুল ইসলাম। আ’লীগ নেতা নুরুজ্জামানের স্বাগত বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক অস্থায়ী চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির মছব্বির, প্রচার সম্পাদক বজলু মিয়া পাঠান ও শামসুজ্জামান দুলন। বক্তব্য রাখেন সায়েদ হোসেন, আব্দুল কাদির ও নুরুন্নবী প্রমুখ।

কানাইঘাট পৌর নির্বাচন:কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসন থেকে মনোনয়ন কিনেছেন ২৬ জন


নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলার পদে আ’লীগ, বিএনপি জাপা, জামায়াত ও অন্যান্য দলের ২২জন প্রার্থী ও সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে ৪ জন প্রার্থী উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোয়নপত্র কিনেছেন। দুই এক দিনের মধ্যে ৯টি ওয়ার্ডে আরও একাধিক কাউন্সিলার প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন। তবে নির্বাচনী মাঠে অদ্যবধি পর্যন্ত বিএনপি ও সমমনা বিরোধী জোটের মেয়র ও কাউন্সিলার প্রার্থীদের তৎপরতা তেমন চোখে পড়েনি। বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের অভিযোগ তাদের মেয়র ও কাউন্সিলার প্রার্থীদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানী করছে। পুলিশ প্রতিদিন নেতাকর্মীদের বাসা বাড়ীতে তল্লাশী ও গ্রেফতার অভিযান চলছে। তার মধ্যে ইতিমধ্যে কাউন্সিলার পদে ৯টি ওয়ার্ডে আ’লীগের পাশাপাশি বিএনপি ও জামায়াতের একাধিক নেতাকর্মী কাউন্সিলার পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন ১নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলার বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম জাহান, বিএনপি নেতা বদরুল আলম, জামাল আহমদ (স্বতন্ত্র), সৈয়দ আহমদ (বিএনপি), ২নং ওয়ার্ডে আ’লীগ নেতা সামছুল হক কনাই, বিএনপি কর্মী আব্দুল হান্নান, জাকারিয়া (স্বতন্ত্র), নুরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), ৩নং ওয়ার্ডে কারারুদ্ধ জামায়াত নেতা কামাল উদ্দিন, ৪নং ওয়ার্ডে যুবলীগ নেতা জসীম উদ্দিন, ৫নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলার হাফিজ নুর উদ্দিন, যুবলীগ নেতা আবুল বাশার, জামায়াত সমর্থক নুর মোহাম্মদ, ৬নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলার আ’লীগ নেতা ফখর উদ্দিন শামীম, যুবলীগ নেতা কবির আহমদ, ৭নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলার বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম ভরসা, যুবলীগ নেতা জমির উদ্দিন, হোসেন আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলার যুবলীগ নেতা তাজ উদ্দিন, আ’লীগ নেতা হাজী রইছ উদ্দিন, যুবলীগ নেতা শরিফ উদ্দিন ও ৯নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলার হাবিব আহমদ রির্টানিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে কিনেছেন ১নং ওয়ার্ড থেকে রহিমা বেগম (স্বতন্ত্র), গীতা রানী দাস (স্বতন্ত্র), ২নং সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে বর্তমান কাউন্সিলার আছিয়া বেগম ও ৩নং সংরক্ষিত আসন থেকে বর্তমান কাউন্সিলার আ’লীগ নেত্রী আসমা বেগম মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

শীতে হৃদরোগের সমস্যা বাড়ে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:: ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে চারপাশের আবহাওয়ারও ব্যাপক পরিবর্তন হয়। নতুন আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নিতে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি হয় অনেকের। বিশেষ করে শীতের সময় আমাদের শারীরিক সমস্যা বৃদ্ধি পায় বেশি। ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা ছাড়াও হৃদপিণ্ডের অনেক জটিলতা এই সময় দেখা দেয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ফরটিস এসকর্ট হার্ট ইনস্টিটিউটের হৃদরোগ প্রোগ্রামের পরিচালক ডা: বিশাল রাস্তোগি বলেন, হার্ট ফেইলের প্রধান কারণ হচ্ছে হৃদপিণ্ড যখন ঠিকভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয় বা রক্ত জমাট বেধে যায়। তার মানে হচ্ছে, শরীরে নিরবচ্ছিন্নভাবে রক্ত সরবরাহের জন্য হৃদপিণ্ডকে সঠিকভাবে কাজ করতে হয়। হার্ট ফেইলের লক্ষ্মণগুলো হচ্ছে, শ্বাসপ্রশ্বাসের ঘাটতি হওয়া, পা ও পায়ের পাতা ফুলে যাওয়া, দ্রুত ক্লান্তিবোধ করা, হৃদস্পন্দন দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া, দুর্বলতা, মাথাঘোরা ইত্যাদি। ডা: রাস্তোগী আরও বলেন, এই ধরণের লক্ষ্মণ দেখা দিলেই রোগীকে সাথে সাথে হাসপাতালে নেওয়া উচিত। বুক ব্যথা, অ্যারিথিমিয়া, অতিরিক্ত লবণ বা পানি খাওয়া, ব্যথানাশক ওষুধ ও অ্যালকোহল গ্রহণ এবং কিডনির সমস্যা তৈরি হলেও হার্ট ফেইলের ঝুঁকি থাকে। আবহাওয়া যতই শীতল হতে থাকবে হাসপাতাগুলোতে হৃদরোগের রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। কারণ: শীতের সময় ঘন কুয়াশা এবং দূষণের কারণে বুকের সমস্যা ও শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা তৈরি হয়। -শীতে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহের অভাবে ধমনীগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। -শীতে শরীর থেকে ঘাম বের হয় কম। যার কারণে অতিরিক্ত পানি ফুসফুসে জমা হয়। আর এটিই পরবর্তীতে হার্ট ফেইলের কারণ হয়ে দেখা দেয়। -আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে শ্বাসপ্রশ্বাসের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়। প্রতিরোধ: যাদের হৃদপিণ্ড দুর্বল শীতের সময় তাদের অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। এ সময় তাদের নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত। -অতিরিক্ত লবণ ও পানি গ্রহণে সতর্ক হওয়া উচিত। -নিয়মিত রক্তচাপ মাপা উচিত। যদি উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে তাহলে যথাযথ চিকিৎসা নেওয়া উচিত। -শীত আসার আগেই ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং নিউমোনিয়ার টীকা নেওয়া উচিত। যাতে করে বুকের প্রদাহ প্রতিরোধ করা যায়। -সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা উচিত। -একটু ভালবোধ করলেই ওষুধ ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসকের নির্দেশ মতই ওষুধ সেবন করা উচিত। -কোনো প্বার্শপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সাথে সাথে তা চিকিৎসককে জানানো উচিত। কীভাবে সমস্যা চিহ্নিত করবেন: আপনি ঘরে বসেই আপনার সমস্যা চিহ্নিত করতে পারেন। লক্ষ্য রাখুন, আপনি যে পরিমাণ পানি পান করছেন, সেই অনুযায়ী মূত্রত্যাগ করছেন কি না। যদি মূত্রত্যাগের পরিমাণ কম হয় তাহলে বুঝতে হবে, অতিরিক্ত পানি আপনার ফুসফুসে জমা হচ্ছে। যা পরবর্তীতে হার্ট ফেইলরের কারণ হয়। তাছাড়া, নিয়মিত ওজন মাপলেও বুঝতে পারবেন। তিন দিনে যদি শরীরের ওজন দুই কেজি বৃদ্ধি পায় তাহলে বুঝতে হবে, আপনার শরীরে পানি জমছে। এ অবস্থা হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

ক্যামেরনকে চ্যালেঞ্জ – যুক্তরাজ্য জুড়ে প্রশংসায় ভাসছেন টিউলিপ

Kanaighat News on Saturday, November 28, 2015 | 9:27 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: “বিয়ের সার্টিফিকেটে পিতার নামের পাশাপাশি মায়ের নামের প্রথমাংশও লিখতে হবে”- এ দাবী পার্লামেন্টে উত্থাপন করেন হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্ন এর এমপি টিউলিপ সিদ্দীকি। এ দাবী উত্তাপনের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন তাতে সমর্থন দেন এবং যুক্তরাজ্য জুড়ে বিষয়টি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এ ধরণের একটি প্রশ্ন উত্তাপন করায় প্রশংসায় ভাসছেন টিউলিপ। টিউলিপ সিদ্দিকী, যার প্রথম সন্তান আগামী এপ্রিল মাসে ভূমিষ্ট হতে যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে হাউস অব কমনসে এ দাবী উত্থাপন করেন। লেবার পার্টির এমপি ডেভিড ক্যামেরনকে বলেন, “সরকার ও আমি কোন বিষয়টার মাধ্যমে নারী বৈষম্য দূর করা যায় একমত নই, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যখন গতবছর মায়ের নাম বিয়ের সার্টিফিকেটে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন আমি তার সাথে একমত” “আমার মেয়ের জন্মদানের প্রথম পদক্ষেপেই তার জীবনে আমি আমার স্বামীর সমমর্যাদার হতে চাই, তাই, প্রধানমন্ত্রী নারীর নাম ইতিহাস থেকে যেন মুছে না যায় তা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও অনুকরণীয় এই পদক্ষেপটি নিবেন কি?” তাঁর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ক্ষেত্রে আমি এ সম্মানীত মহিলার সাথে একমত।” “আমার জানামতে এই আইনের প্রস্তাবটি সরকারের যথাযথ কমিটিতে ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে, আর তিনি এই প্রস্তাবটি পরবর্তী সেশনে উত্থাপনের যথার্থতা তুলে ধরেছেন।” বর্তমান আইনে মায়ের নামের প্রথমাংশ বিয়ের সার্টিফিকেটে লেখার কোন জায়গা নেই, কিন্তু গত বছর এটি পরিবর্তনের জন্য একটি ক্যাম্পেইন হয়েছিল। একটি পিটিশন ৭০,০০০ সাক্ষর গ্রহণ করে এবং এই বিষয়টি মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করে ও এ বিষয়ে পার্লামেন্টে একটি বিতর্কও হয়। পিটিশনটি শুরু করেন আলসা বারখিমশা সেডলার, যিনি ক্যারোলিন ক্রিয়াদো পেরেজ নামের একজন ক্যাম্পেইনার থেকে অনুপ্রাণিত হন।

কানাইঘাটে আ.লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের এক বর্ধিত সভা শনিবার সকাল ১১টায় সদর ইউনিয়ন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষে দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত উপজেলা আ’লীগের এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হলেও মূলত আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক পৌর মেয়র লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও জেলা আ’লীগের সিনিয়র সদস্য আলহাজ¦ আব্দুল মুমিন চৌধুরী। আব্দুল মুমিন চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, কানাইঘাট উপজেলা আ’লীগকে সু-সংগঠিত করার জন্য এবং পৌর নির্বাচনে যাকে আ’লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মনোনীত করা হবে তাকে বিজয়ী করার জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে অধ্যাপক লোকমান হোসেন, নিজাম উদ্দিন আল মিজান, রফিক আহমদ, মাসুদ আহমদ, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, এড. মামুন রশীদ, এড. আব্দুস সাত্তার, জালাল আহমদ, শ্রী রিংকু চক্রবর্তী, উপজেলা আ’লীগের সদস্য সিরাজুল ইসলাম, ওলিউর রহমান, সাইফুল আলম, দুদু মিয়া প্রমুখ। বর্ধিত সভায় আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন ও সমর্থন নিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য দলের নেতাকর্মীদের সমর্থন চেয়ে প্রার্থীতা ঘোষণা করেন, বর্তমান মেয়র উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক লুৎফুর রহমান, উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও আ’লীগের সদস্য ক্রীড়া সংগঠক মাসুক আহমদ, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এড. মামুন রশিদ, পৌর আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কে.এইচ.এম আব্দল্লাহ, পৌর আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক চিত্রশিল্পী ভানু লাল দাস, জেলা যুবলীগের সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল হেকিম শামীম, প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। এ ক্ষেত্রে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগীতা চেয়েছেন। তবে বিগত উপজেলা নির্বাচনে আ’লীগের সমর্থন নিয়ে পরাজিত প্রার্থী উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন আল মিজান সভায় তার বক্তব্যে আকার ইঙ্গিতে পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত নিজাম উদ্দিন আল মিজান পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্ধিত সভায় কেন্দ্রের সিন্ধান্ত মতে জেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বসে পরবর্তীতে মেয়র পদে আ’লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী ঘোষণা করার সিন্ধান্ত হয়। পাশাপাশি উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষে কানাইঘাট পৌর আ’লীগের ওয়ার্ড কমিটি ২নং লীপ্রসাদ পশ্চিম ও ৯নং রাজাগঞ্জ ইউপি আ’লীগের কাউন্সিল স্বল্প সময়ের মধ্যে করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় সাবেক সমাজ কল্যাণমন্ত্রী শেখ মহসিন আলী, জেলা আ’লীগের সভাপতি আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান ও জেলা আ’লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মস্তাক আহমদ পলাশের সহ ধর্মীনি ও সন্তান সহ উপজেলা আ’লীগের দুই জন নেতার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়।

সিম ক্লোনিং : প্রয়োজন সতর্কতা


তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক: রযুক্তির উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুই এখন সহজলভ্য। কঠিন অনেক বিষয় মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতিতে মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগও সহজ হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত একজনের সঙ্গে আরেকজনের যোগাযোগের এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে সেল ফোন বো মোবাইল ফোন। এই মোবাইল ফোনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে সিম (সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিফিকেশন মডিউল) কার্ড। মোবাইল অপারেটরের কাছ থেকে এই সিম কার্ড বা সিম নিতে হয়। আমরা যখন যেখানেই থাকি না কেন পারস্পরিক তাৎক্ষণিক যোগাযোগে এর বিকল্প নেই। কিন্তু কেউ যদি এর অপব্যবহার করে তাহলে তার পরিনতি হতে পারে মারাত্মক। আবার কারও অজান্তে তার মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করে অন্য কেউ কোন অপরাধ করলে তার দায় প্রথমেই বর্তাবে সংশ্লিষ্ট নম্বর বা সিম যার নামে আছে তার ওপর। এ ক্ষেত্রে সাম্প্রতিককালে অন্যের সিম ব্যবহার করে ফোনে হুমকি দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর অপরাধীরা এটি করছে অন্য কারও সিম ক্লোন করে। এখন যেকোনো সময় কারো সিম নম্বর ক্লোনিং হতে পারে। সেই সিম নম্বর দিয়ে কাউকে হত্যার হুমকি, চাঁদা চাওয়া, অশ্লীল মেসেজ পাঠানোসহ বিভিন্ন রকমের হয়রানি করতে পারে দুর্বৃত্তরা। সিম ক্লোনিং হওয়ার বিষয়টি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে এমন আশঙ্কা করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা আশঙ্কা করছেন, অচিরেই সিম ক্লোনিং ঠেকাতে না পারলে সমাজের মধ্যে অরাজকতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি ভালো মানুষগুলোও আইনী হয়রানির স্বীকার হতে পারেন। তবে এসব বন্ধে গোয়েন্দা পুলিশ প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ সব ধরণের কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য যাদের সহায়তায় সিম ক্লোনিং করা হয় কিংবা যাদের কাছ থেকে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা হয় তাদের খোঁজা হচ্ছে। এ চক্র বর্তমানে বাংলাদেশেই অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। সম্প্রতি সিম নম্বর ক্লোনিং করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মেসেজ পাঠিয়ে হত্যার হুমকিসহ নানারকম অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর এ ধরণের আশঙ্কার কথা জানান গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার (পূর্ব) মাহবুব আলম। গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, সিম ক্লোনিং একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে করা হয়। আইটি এক্সপার্টরাই একাজ করে থাকে। তবে কল করতে টাকার প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে দুটি উপায়ে টাকা কাজে লাগায় অপরাধীরা। একটি হলো-ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে। আরেকটি হলো- যাদের সিমে সবসময় অধিক টাকা থাকে। সিম ক্লোনিং করার সময় অপারেটর কোম্পানিগুলো কোনোভাবে জানতে পারে না। তবে তাদের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যোগাযোগ করছেন কিভাবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে এটি রোধ করা যায়। এক্ষেত্রে সিম অপারেটর কোম্পানিগুলো সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে জনগনকেও সচেতনতার কথা বলেন গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, কারও সিম বন্ধ থাকলেও ওই সিমে যদি কল যায় তাহলে ধরে নিতে হবে, সেই সিম ক্লোন করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে অপারেটর কোম্পানি ও নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে হবে। অনেক সময় নিজের সিম নিজেই বন্ধ করে দেখতে হবে আসলে ওই সিমে কোনো কল যাচ্ছে কি-না। সিম ক্লোনিংয়ের পর যার কাছ থেকে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা হয় তাকে ধরতে এরই মধ্যে কয়েক দফায় অভিযান চালানো হয়েছে। যে বা যারা এর সঙ্গে জড়িত খুব শিগগির তাদের ধরা হবে। এ চক্রকে ধরতে পারলেই প্রকৃত সিম ক্লোনিং কিভাবে করা হয় তার উপায় জানা যাবে এবং তা বন্ধ হবে। মুলত দেশীয় জঙ্গি সংগঠনগুলো কোণঠাসা হওয়ার কারণে তারা এসব পন্থা বেছে নিচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। এসব সিম দিয়ে এরই মধ্যে তারা দেশের বিশিষ্ট ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ এখন পর্যন্ত ১৫৩ ব্যক্তিকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। তাছাড়া এসব সিম দিয়ে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে একাধিক ব্লগার হত্যাকান্ডও ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেন এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। একটি সিম ক্লোন করা হয়েছে কি না এটি বোঝা যাবে যখন- যেটি আপনি ব্যবহার করছেন সেই সিম টি যদি অন্য কেউ ব্যবহার করে কিংবা এক নাম্বার যদি দেখেন এক সঙ্গে দুজন ব্যবহার করে। আবার হঠাৎ করে যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের কানেকশন নাম্বার থেকে ব্যালান্স কোন কারন ছাড়া কমে যায়। আপনি যদি অপরিচিত কোন নাম্বার থেকে মিসড কল পান এবং সেটাতে যদি কল ব্যাক করেন তবে আপনি সিম ক্লোনিংয়ের শিকারে পরিনত হতে পারেন। দুষ্কৃতকারীরা বিশেষ একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনার নাম্বার ক্লোনিং করে। অর্থাৎ আপনি যখন মিসড কল নাম্বারে কল ব্যাক করবেন তখন একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার নাম্বার ক্লোন হতে পারে। সিম ক্লোনিং হলে আপনার সিমে রাখা ডাটা ক্লোন নাম্বারে চলে যাবে। এতে আপনার প্রাইভেসি ক্ষুণ্ণ হবে। সাধারনত জঙ্গি কিংবা দুষ্কৃতিকারীরা আপনার নাম্বার টি ব্যবহার করে আপনার জীবন বিপন্ন করতে পারে। অর্থাৎ ওই নাম্বার দিয়ে কেউ কাউকে মৃত্যুর হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা জঙ্গি কানেকশন করলে আপাত তার দায়ভার আপনার ওপর বর্তাবে। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনাকে ধরবে। এছাড়া আরও নানা সমস্যায় পড়তে পারেন। সুতরাং অপরিচিত নাম্বার থেকে মিসড কল এলে আপনি কল ব্যাক করার পূর্বে ভালো করে চিহ্নিত করবার চেষ্টা করুন যে এটি কার নাম্বার। অথবা কল ব্যাক করা বন্ধ করুন। মনে রাখতে হবে সিম ক্লোনিং হতে হলে মিসড কল আসবে। সরাসরি রিং হলে সেটি রিসিভ করলে আপনি সিম ক্লোনিংয়ের শিকার হবেন না। তাই মিসড কল এলেই সতর্ক হতে হবে। যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের ব্যালান্স অকারণে কমে যাচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে কল সেন্টারে ফোন করে জানান। এছাড়া আপনার সেল ফোন বন্ধ করে অন্য একটি নাম্বার থেকে আপনার নাম্বারে ফোন দিন। দেখুন রিং হয় কিনা। রিং হলে বুঝতে হবে আপনার সিম কেউ ক্লোন করেছে। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, অপরাধীরা প্রতিনিয়ত প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। সিম ক্লোনিং পদ্ধতিও তার মধ্যে একটি। অপরাধীরা যেভাবে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে কৌশল পাল্টাচ্ছে, ঠিক তার চেয়ে দ্রুত গতিতে এদেশের জননিরাপত্তা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে এগিয়ে যাওয়া দরকার। কিন্তু এক্ষেত্রে তারা পিছিয়ে রয়েছে। অপরাধীদেরও আগে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন থাকা দরকার ছিল। একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর আমরা উপায় খোঁজার চেষ্টা করি। সিম ক্লোনিং অচিরেই যেকোনো উপায়ে বন্ধ করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। নাহলে সমাজে অপরাধের মাত্রা আরো বৃদ্ধি পাবে। আর অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে।

জগন্নাথপুরে আওয়ামীলীগ নেতার ইন্তেকাল


জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃজগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগর সাবেক সভাপতি প্রভাকরপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহ মর্তুজা আলী (৭০) শুক্রবার সিলেটের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি……রাজিউন)। মৃত্যকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার মরহুমের নিজ গ্রামের বাড়ি প্রভাকরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বেলা আড়াইটায় নামাজে জানাজা অনুষ্টিত হয়। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়। মরহুমের মৃত্যুকে শোক প্রকাশ করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি প্রবীন রাজনীতিবিদ সিদ্দিক আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিষ্টার এম, এনামুল কবীর ইমন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাব্কে সভাপতি নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন, সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তাদীর আহমদ মুক্তা, আবদুল কাইয়ুম মশাহিদ, পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি হাজী জমশেদ মিয়া, সাধারন সম্পাদক মনু মোহাম্মদ মতছির, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন লালন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মাহবুব রহমান ভূইয়া, সাইফুল ইসলাম রিপন, নজরুল ইসলাম, এম, ফজরুল ইসলাম, সালেহ আহমদ, হামিদুর রহমান চৌধুরী বাচ্ছু, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মুজিবুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা রুমেন আহমদ, সাফরোজ ইসলাম, পৌর যুবলীগ নেতা আজহারুল হক ভূইয়া শিশু, পাটলী ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রাসেল চৌধুরী,নজরুল ইসলাম, আলিম মিয়া, বাবুল মিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

নিজেকে মাস্তান বললেন আনিসুল হক

Kanaighat News on Thursday, November 26, 2015 | 8:59 PM


ঢাকা: নিজেকে মাস্তান উল্লেখ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, ‘মেয়র এখন মাস্তান হয়ে গেছে। তাকে ইউজ করুন।’ বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার বনানীর বি ব্লকের ১৮ নম্বর রোডের বনানী ক্লাব ফিল্ডে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ উপলক্ষে একশনএইড বাংলাদেশ এ অনুষ্ঠানে নির্বাচিত মেয়র আনিসুল নিজেকে এভাবেই তুলে ধরলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, নারী পক্ষের মেম্বর ইউএম হাবিবুন্নেসা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক শাহনাজ হুদা, বেসরকারি সংগঠন নিজেরা করির সমন্বয়ক খুশী কবির, জাহিদা ইস্পাহানী ও সিডো’র সাবেক চেয়ারপারসন সালমা খান প্রমুখ। আনিসুল হক বলেন, ‘আইন আছে। শুধু দরকার আইনের কঠোর প্রয়োগ। আইনকে শক্তভাবে ধরার কারণে স্বল্প সময়ে অনেক কাজ করা সম্ভব হয়েছে। একারণে বলা যায় মেয়র এখন মস্তান।’ ঢাকা উত্তর সটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে যে সব কাজ করা হয়েছে এবং যে সব কাজ চলমান রয়েছে তার বিস্তারিত খতিয়ান তুলে ধরে মেয়র আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘মহানগরকে বর্জ্যমুক্ত করার জন্য প্রতি ওয়ার্ডের ৭২টি স্থানে বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। আগামী মার্চ মাসের মধ্যে এ সব বর্জ শোধনাগার স্থাপনের কাজ শেষ হয়ে যাবে। জুন মাসের পর বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য রাস্তায় বড় বড় কন্টেইনার দেখা যাবে না।’ মেয়র আনিসুল হক বলেন, ‘নিরাপদ ঢাকা বাস্তবায়নের জন্য গুলশান, বনানী ও বারীধারায় বর্তমানের ১০০টির স্থলে নতুন উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ১০০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু করা হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল জোগাড় করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উত্তর সিটি করপোরেশন পুলিশের জন্য একটি কন্ট্রোল রুম করে দেবে।’ তিনি বলেন, যানজট মুক্ত করার জন্য মে-জুন মাসের মধ্যে সাড়ে ৩৪ কিলোমিটার সড়ককে একমুখী করা হবে। এতে সড়কগুলো অনেকটাই যানজট মুক্ত হবে। ঢাকার রাস্তায় আগামী ৩ বছরের মধ্যে ৩০০০ নতুন অত্যাধুনিক এসি ও নন এসি বাস নামানো হবে। এ জন্যও প্রয়োজনীয় তহবিল জোগাড়ের চেষ্টা চলছে। বাসের ভিতরে যাতে ধাক্কা দিয়ে টিকেট করা না লাগে তার জন্য মর্ডান টিকেটিং ব্যবস্থার পত্তন করা হবে। এ সব ব্যাপারে বাস মালিকদের সঙ্গে সন্তোষজনক কথা হয়েছে।’ ক্লিন ঢাকা, সবুজ ঢাকা, যানজট মুক্ত ঢাকা ও নারী নির্যাতন মুক্ত ঢাকা গড়ার জন্য উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে অনেকগুলো কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া অনেকগুলো কাজ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন মেয়র।

এবার আইএসের ওপর হামলা চালাবে ব্রিটেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: সিরিয়ায় জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে এবার হামলা চালাবে ব্রিটেন। এ জন্য পার্লামেন্টের সমর্থন চেয়ে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন, ব্রিটেনের জাতীয় স্বার্থে এই হামলা চালানো প্রয়োজন। আজ বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানা যায়। খবরে বলা হয়, সিরিয়ায় আইএসবিরোধী হামলায় যোগ দিতে অনুমোদনের জন্য কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হতে পারে। ব্রিটেন ইতিমধ্যে আইএসের টার্গেটে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে ক্যামেরন বলেন, “তাই আইএসকে মোকাবিলার একমাত্র পথ হলো তাদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া। ক্যামেরন বলেন, তিনি আইএসের বিরুদ্ধে ‘সমন্বিত ব্যবস্থা’ নেওয়ার পক্ষে। তাদের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণে সমর্থন দিতে পার্লামেন্ট সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এদিকে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়, ক্যামেরন বলেন, আইএসের জঙ্গিরা ব্রিটেনের ভেতরেই হুমকি হয়ে উঠেছে। ব্রিটেন তার নিরাপত্তার বিষয়টি মিত্রদেশের হাতে ছেড়ে দিতে পারে না। সম্প্রতি ফ্রান্সের প্যারিসে প্রায় একই সময়ে ছয় জায়গায় বোমা ও বন্দুক হামলা চালায় আইএস। এতে নিহত হয় ১৩০ জন। আরো শ তিনেক মানুষ আহত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আইএসবিরোধী জোট এক বছরের বেশি সময় ধরে সিরিয়া ও ইরাকে আইএস লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে রাশিয়াও আইএসবিরোধী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে সেখানে সেখানে।

কালের স্বাক্ষী বালিয়াটির জমিদার বাড়ি...


সাজিদ আরাফাত: সময় গড়িয়ে চলে অনন্তকালের গহ্বরের পথে। সবকিছুই এক সময় সেই গহ্বরে নিখোঁজ হবে অথবা স্রেফ মিলিয়ে যাবে। এর পরও কিছু ঐতিহাসিক স্থাপনা, শিল্প-সাহিত্যের নানা উদাহারণ আমাদের অতীত গৌরব সম্পর্কে ধারণা দেয়। তেমনই এক স্থাপনা বালিয়াটি জমিদার বাড়ি, যা এখনও প্রকৃতির নানা প্রতিকূলতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে থেকে ঘোষণা করছে আমাদের অতীত গৌরবের কথা। জমিদার বাড়ি মানেই অপূর্ব কারুকাজ করা বিশাল ভবন। প্রতিটি দেয়ালের পরতে পরতে যেন ইতিহাস আর না বলা হাজারো কথার ফুলঝুরি। রয়েছে আকর্ষণ করার মতো সৌন্দর্যের ছোঁয়া। তবে অন্যান্য জমিদারবাড়ির চেয়ে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে একটু হলেও বাড়তি সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায়। কালের স্বাক্ষী বালিয়াটির জমিদার বাড়ি... নদীর পাড়ে অবস্থান হওয়ায় মনে হয় তার সৌন্দর্য অন্য রকম অর্থ বহন করে। জমিদারবাড়ীর সিংহ দরজায় প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে প্রশস্ত আঙ্গিনা। একই লাইনে দাঁড়িয়ে আছে কারুকার্যখচিত চারটি বহুতল ভবন। এগুলোর পেছনে রয়েছে জমিদারবাড়ির অন্দরমহল এবং কয়েকটি পুকুর। প্রকৃতির এমন মনোরোম পরিবেশ আকর্ষণ না তৈরী করে কি পারে? কালের স্বাক্ষী বালিয়াটির জমিদার বাড়ি... অধুনা মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার ভূমি অধিকর্তা ছিলেন বালিয়াটির রায় বাহাদুর পরিবার। বালিয়াটিতে জমিদার হিসেবে ছিলেন হরেন্দ্র কুমার রায় বাহাদুর, জ্ঞানেন্দ্র কুমার রায় বাহাদুর ও ঈশ্বরচন্দ্র রায় বাহাদুর। ১৮ শতকের শেষভাগে বিত্তশালী এই জমিদাররা গড়ে তোলেন তাদের প্রাসাদ। লন্ডন ও কলকাতা থেকে আনা সামগ্রী ব্যবহার করে গড়ে তোলা হয় তিন তলা বিশিষ্ট বেশ কয়েকটি অট্টালিকা। জমিদার বাড়ির দুটি অংশ দশ আনি এবং অপরটি ছয় আনি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত। কালের স্বাক্ষী বালিয়াটির জমিদার বাড়ি... সম্প্রতি ইতিহাসের সেই না বলা কথা আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের দর্শনে কালের সাক্ষী হয়ে টিকে থাকা বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে শিক্ষা সফরে যায় ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলমেন্ট অল্টারনেটিভ-এর যোগাযোগ ও গণমাধ্যম বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এতে অংশ নেয় প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী। সেখানে তারা তথ্য ও স্থিরচিত্র সংগ্রহ করে। এছাড়াও এই জমিদার বাড়ির উপর তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন। ঢাকা থেকে বালিয়াটি জমিদার বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার। কালের স্বাক্ষী বালিয়াটির জমিদার বাড়ি... নিয়মানুযায়ী টিকেট কেটে জমিদার বাড়িতে প্রবেশ করতে হয়। বাংলাদেশিদের জন্য টিকেটের মূল্য ২০ টাকা। সার্কভুক্ত দেশ সমূহের দর্শনার্থীদের জন্য টিকেটের মূল্য ১০০ টাকা আর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের জন্য টিকেটের মূল্য ২০০ টাকা। ছুটির দিনে সুন্দর এই জমিদার বাড়িটি দেখতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দর্শণার্থী ভিড় করেন। সপ্তাহের অন্যান্য দিনগুলোতেও দর্শনার্থীদের অভাব থাকে না। বালিয়াটি জমিদার বাড়ি রোববার পূর্ণদিবস আর সোমবার অর্ধদিবস বন্ধ থাকে। অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও তা বন্ধ থাকে।

বগুড়ায় শিয়া মসজিদে গুলি, মুয়াজ্জিন নিহত


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বগুড়ার শিবগঞ্জে একটি শিয়া মসজিদে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে মসজিদের মুয়াজ্জিন নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। বৃহস্পতিবার শিবগঞ্জের কিচক ইউনিয়নের হরিহরপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ‘মসজিদ ই আল মোস্তফা’য় মাগরিবের নামাজের সময় এ গুলি চালানো হয়। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্বৃত্তরা নামাজের সময় গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই মোয়াজ্জেম হোসেন নিহত হন। আহত হন শাহীনুর, আফতাব আলী ও আবু তাহের নামে তিনজন। এদের মধ্যে শাহীনুরকে শজিমেকে ভর্তি করা হয়েছে। আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে আফতাব ও তাহেরকে। ঢাকায় মহররমে শিয়াদের তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় বোমা হামলার এক মাসের মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জে এই হামলা হল। ওই হামলায় দুজন নিহত হয়েছিলেন।

আল্লামা ইকবালের কোরআন তেলাওয়াত


ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী আল্লামা ইকবাল ক্যাম্পাস পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, পাকিস্তান আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল (১৮৭৭-১৯৩৮) উর্দু ও ফারসি ভাষার বিশ্ববিখ্যাত কবি ও দার্শনিক। তার কাব্যসমগ্রের দুই-তৃতীয়াংশ রচিত হয়েছে ফারসি ভাষায়, মাত্র এক-তৃতীয়াংশ লিখেছেন তার মাতৃভাষা উর্দুতে। কবির চেয়েও দার্শনিক হিসেবে ইকবালের মর্যাদা অনেক ঊর্ধ্বে। গবেষকদের মতে, গত ৫০০ বছরে সমগ্র মুসলিমবিশ্বে ইকবালের সমকক্ষ কোনো দার্শনিক জন্মাননি। আল্লামা ইকবাল পাশ্চাত্যের বস্তুবাদ আর প্রাচ্যে দুনিয়া বিসর্জনের সুফিবাদ- এ দুই প্রান্তিক মতবাদের মাঝখানে নতুন জীবন-দর্শন উপস্থাপন করে মানব সভ্যতার সামনে একটি মাইলফলক স্থাপন করেন, যা খুদি (আত্মসত্তা) দর্শন নামে প্রসিদ্ধ। অর্থাৎ 'আমি নিজে আছি' এ কথা অনস্বীকার্য সত্য। কাজেই আমার নিজস্ব অস্তিত্ব আছে। তাই আমার স্রষ্টাও আছেন এবং স্রষ্টার সূত্রে জগতের সবকিছুই অস্তিত্ববান। একই যুক্তিতে এ বিশ্বে আমার দায়িত্ব আছে এবং সে দায়িত্ব সূত্রে এখানে আমার অবস্থান হলো, আমি পৃথিবীতে আল্লাহর খলিফা। আল্লাহর অভিপ্রায় বাস্তবায়ন ও আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী পৃথিবীকে সাজানোর দায়িত্ব নিয়ে আমি পৃথিবীতে এসেছি। ইকবাল তার এ বিস্ময়কর চিন্তা-দর্শনের রসদ সংগ্রহ করেছেন কোরআন মজিদ থেকে। কোরআন মজিদের বড় বিশেষজ্ঞ না হয়েও প্রাণের সবটুকু আবেগ দিয়ে প্রত্যহ কোরআন তেলাওয়াত তাকে মহাকবি ও কালজয়ী চিন্তানায়কে পরিণত করেছিল। বাবার উৎসাহে ইকবাল কোরআন মজিদ হতে এমন অতুলনীয় সম্পদ কীভাবে সংগ্রহ করেন, সে তথ্য বড় চমৎকার ও তাৎপর্যপূর্ণ। উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম মনীষী মওলানা সুলায়মান নদভী ইকবালসহ আফগানিস্তান সফরে গিয়েছিলেন। সেই সফরের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ইকবালের ছোটবেলার একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন এভাবে, 'কাবুল সফর থেকে ফেরার পথে কান্দাহারের বালুরাশির বিশাল প্রান্তর অতিক্রম করছি। সিন্ধু ও বেলুচিস্তানের পাহাড়ের ওপর আমাদের গাড়িগুলো দৌড়াচ্ছিল। সন্ধ্যা নেমেছিল। আমরা দুইজন একই গাড়িতে বসা ছিলাম। আধ্যাত্মিকতা নিয়ে কথাবার্তা চলছিল। আলোচনা হচ্ছিল দিব্যদৃষ্টির বুজুর্গদের প্রসঙ্গ নিয়ে। এ সময় তিনি বড় আবেগ নিয়ে নিজের জীবনের দুইটি ঘটনা বর্ণনা করলেন। আমার মতে এ দুইটি ঘটনা তার (ইকবালের) জীবনের যাবতীয় সুকীর্তির আসল বুনিয়াদ।' তিনি বলেন, আমি যখন শিয়ালকোটে পড়ালেখা করছিলাম, তখন ভোরবেলা উঠে প্রতিদিন কোরআন তেলাওয়াত করতাম। মরহুম ওয়ালেদ সাহেব (বাবা) তার নিয়মিত দোয়া-দরুদ থেকে অবসর হয়ে আসতেন এবং আমাকে দেখে চলে যেতেন। একদিন ভোরে তিনি আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন মুচকি হেসে বললেন, 'কখনও সুযোগ হলে আমি তোমাকে একটি কথা বলব।' কথাটি বলার জন্য আমি দুই-তিনবার অনুরোধ জানালে তিনি বললেন, 'যখন পরীক্ষা দিয়ে নেবে, তখন।' যখন আমি পরীক্ষা দিয়ে ফেললাম এবং লাহোর থেকে ঘরে এলাম, তখন বললেন, 'যখন পাস করবে।' পাস করার পর জিজ্ঞেস করলাম। তখন বললেন, '(ঠিক আছে) বলব।' একদিন ভোরে যখন নিয়মমাফিক কোরআন তেলাওয়াত করছিলাম, তখন তিনি আমার কাছে এলেন এবং বললেন, 'বেটা বলছিলাম যে, তুমি যখন কোরআন পড় তখন এরূপ বুঝ যে, কোরআন তোমার উপরই নাজিল হচ্ছে। অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তোমার সঙ্গে কথা বলছেন।' ইকবাল বলছিলেন যে, তার এ উক্তি আমার অন্তরের মধ্যে বসে যায়। আর তার স্বাদ অন্তরে এখন পর্যন্ত অনুভব করছি। এটিই ছিল সেই বীজ, যা ইকবালের অন্তরের মধ্যে বপন করা হয় আর তার পল্লবিত শাখা-প্রশাখা জগতের বিশাল আঙিনায় মধুর বচনামৃতরূপে ছড়িয়ে আছে। (ইকবাল অউর কোরআন, ড. গোলাম মুস্তফা খান)। ইকবাল গবেষক ইবাদুল্লাহ ফারুকী লিখেছেন, আল্লামা ইকবাল তার বিখ্যাত 'খুতবাত' এর এক জায়গায় বলেন, সুফিয়ায়ে কেরামের মধ্যকার একজন বুজুর্গ বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত মোমিনের অন্তরের ওপর কিতাব (কোরআন মজিদ) সেভাবে নাজিল না হবে, যেভাবে রাসুল (সা.) এর ওপর নাজিল হয়েছিল তাহলে তাকে বোঝা সম্ভব নয়। ... ইকবাল তার অনবদ্য রচনা 'বালে জিব্রিল' (জিবরাঈলের ডানা) এর মধ্যে এ অভিব্যক্তিটি এভাবে ব্যক্ত করেছেন- 'তোমার অন্তকরণে যতক্ষণ না হবে অবতরণ কিতাবের, জট খুলতে পারবে না রাজি কিংবা রচয়িতা কাশশাফের।' রাজি মানে বিখ্যাত বিশাল তাফসির গ্রন্থ 'তাফসিরে কবির' এর রচয়িতা ইমাম ফখরুদ্দীন রাজি। আর 'রচয়িতা কাশশাফের মানে ইসলামী জাহানে কোরআন মজিদের অলৌকিত্বের অকাট্য প্রমাণ হিসেবে সর্বমহলে সমাদৃত তাফসির গ্রন্থ 'কাশশাফ' এর রচয়িতা আল্লামা জারুল্লাহ জামাখশারি। ইকবাল বলছেন যে, কোরআন তেলাওয়াতকারীর অনুভবে যদি এখনই কোরআন তেলাওয়াত হচ্ছে এমন উপলব্ধি না আসে তাহলে ইমাম রাজি বা আল্লামা জামাখশরির তাফসির পড়লেও তোমার অন্তরের জট খুলতে পারবে না। হৃদয়ের জ্বলন ও আসক্তি নিয়ে ইকবাল কোরআন তেলাওয়াত করতেন। তিনি পড়তে থাকতেন আর কেঁদে সারা হতেন। এমনকি কোরআন মজিদের পাতাগুলো একেবারে ভিজে যেত। আর তা রোদে শুকানো হতো। তিনি যে কোরআন মজিদটি নিয়মিত তেলাওয়াত করতেন, তা লাহোরের ইসলামিয়া কলেজের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে এবং এ বর্ণনার বাস্তব প্রমাণ হয়ে রয়েছে। (প্রাগুক্ত, পৃ. ১০০)। কোরআন মজিদ কতখানি গভীর মনোযোগ ও হৃদয়ের আবেগ ও একাগ্রতা নিয়ে তেলাওয়াত করা উচিত তা বিভিন্ন রেওয়ায়াত থেকেও অনুমান করা যায়। যেমন- এ মর্মে সুনানে দারামিতে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হজরত আতিয়া (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, আল্লাহর কাছে তার কালাম (কোরআন) এর চেয়ে মর্যদাসম্পন্ন আর কোনো বাক্য নেই। আর এমন কোনো বাক্য বান্দাকে আল্লাহর সানি্নধ্য দান করেনি, যা তার কাছে তার কালামের চেয়ে অধিক প্রিয়। (সুনানে দারামি)। কোরআনে হাকিমে আল্লাহপাক এরশাদ করেন, 'নিশ্চয়ই মোমিন তারা, আল্লাহর কথা স্মরণ করা হলে যাদের অন্তর প্রকম্পিত হয় এবং যখন তাদের কাছে তার আয়াতগুলো তেলাওয়াত করা হয় তখন তা তাদের ঈমানকে বৃদ্ধি করে আর তাদের প্রভুর ওপর তারা নির্ভরশীল হয়।' (সূরা আনফাল : ২)। এ আসক্তি নিয়ে ইকবাল অন্যদেরও কোরআন তেলাওয়াতের প্রতি উৎসাহিত করেছেন। যেমন নিয়াজ উদ্দীন খানকে লেখা এক পত্রে ইকবালের এ দৃষ্টিভঙ্গি এভাবে ব্যক্ত হয়েছে। 'কোরআন বেশি বেশি পাঠ করা চাই। যাতে অন্তর মুহাম্মদি সম্পর্ক লাভ করতে পারে। এ মুহাম্মদি সম্পর্ক (ইকবালের ভাষায় নিসবতে মুহাম্মদিয়া) লাভ করার জন্য কোরআনের অর্থও জানতে হবে, তা জরুরি নয়। হৃদয়ের নিষ্ঠা নিয়ে শুধু পাঠ করাই যথেষ্ট।' ইকবাল ও কোরআন গ্রন্থের রচয়িতা বলেন, বিভিন্ন বুজুর্গের মত হচ্ছে, কোরআন পড়ার জন্য এটা জরুরি নয় যে, কোরআন মজিদের অর্থও জানতে হবে। তিনি আরও লিখেছেন, ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.) স্বপ্নে আল্লাহ তায়ালার জলওয়া দেখতে পান। তখন তিনি আরজ করলেন যে, তোমার সান্নিধ্যে পৌঁছার সবচেয়ে সহজ পথ কোনটি? জওয়াব এলো, কোরআন পাঠ করবে। তারপর আরজ করলেন, কোরআন কি অর্থ বুঝে পড়া হবে, নাকি অর্থ না বুঝেও। জবাব এলো যে, উভয় প্রকারে।

সন্ত্রাস দমনে কোরআনের শিক্ষা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পবিত্র কোরআন মানবতার সংবিধান। সব মানুষের মুক্তির বাণী। মানবতার যে কোনো সমস্যায় কোরআনের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেই তার সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাধান পাওয়া যায়। সন্ত্রাস একটি মারাত্মক সমস্যা। এরই মধ্যে যা মহামারি আকার ধারণ করছে। গত ক'দিনে বেশ ক'টি হত্যাকান্ড ঘটেছে। এ থেকে উত্তরণের জন্য বিভিন্নজন বিভিন্ন কৌশলের প্রস্তাব দিচ্ছে। কিন্তু কেউ কোরআনের প্রতি মনোনিবেশ করছে না। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে সূরা মায়েদার ৩৩নং আয়াতে ঘোষণা করেন, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধ করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয় তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদের হত্যা করা হবে অথবা শূলে চড়ানো হবে। নতুবা তাদের হস্তপদ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে কিংবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হলো তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা। আর পরকালে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। (সূরা মায়েদা : ৩৩)। উপরোক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লামা কুরতুবি (রহ.) বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চার ধরনের। যথা- ১. হত্যাও করে লুণ্ঠনও করে। ২. হত্যা করে লুণ্ঠন করে না। ৩. হত্যা করে না, লুণ্ঠন করে। ৪. ত্রাস সৃষ্টি করে ভয় দেখায়। চার ধরনের সন্ত্রাসের চারটি শাস্তি বর্ণিত হয়েছে ওই আয়াতে। ১. যারা অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করে তাদের হত্যা করতে হবে। ২. আর যারা হত্যাও করে লুণ্ঠনও করে তাদের শূলে চড়ানো হবে। ৩. যারা লুণ্ঠন করে তাদের হস্তপদ বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলা হবে। ৪. দেশ থেকে বহিষ্কার করতে হবে। যদি মানুষের মনে ভীতি সঞ্চার করার পরে সন্ত্রাসী তওবা করে তাহলে বিচারক তাকে মুক্তি দেবে নতুবা সন্ত্রাসীকে জেলহাজতে প্রেরণ করবে। আর সাধারণত কোরআনের বিধান হচ্ছে, মানুষকে প্রথমে নসিহতের দ্বারা সংশোধন করা। দ্বিতীয়ত শাস্তি দেয়া। কোরআনের কোথাও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে প্রশ্রয় দেয়া হয়নি। আল্লাহ বলেন, 'আর তোমরা ভূপৃষ্ঠে ফেতনা-ফ্যাসাদ সৃষ্টি করো না।' (সূরা আরাফ : ৫৬)। এরশাদ হচ্ছে, 'তোমরা অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করো না।' (সূরা আনআম : ১৫১)। সূরা মায়েদার ৩৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, 'যে ব্যক্তি মানুষ হত্যার অপরাধ বা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কাজের হেতু ব্যতীত কাউকে হত্যা করল, সে যেন সব মানুষকে হত্যা করল।' সূরা নিসার ৯৩নং আয়াতে এরশাদ হচ্ছে, 'আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মোমিনকে (অন্যায়ভাবে) হত্যা করবে, তার শাস্তি হলো জাহান্নাম। মহান আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হবেন। তাকে অভিসম্পাত করবেন এবং তার জন্য জাহান্নামের মহা শাস্তি প্রস্তুত রাখবেন।' মহান আল্লাহ তায়ালা সন্ত্রাসের প্রতি কঠোর হুমকি প্রদর্শন করেই ক্ষান্ত হননি বরং প্রিয়নবী (সা.) এর মাধ্যমে এসব বিধানাবলি বাস্তবায়নও করেছেন। যার ফলে আইয়ামে জাহিলিয়াতের কালো কলঙ্কের মানুষগুলো সোনার মানুষে পরিণত হয়ে গিয়েছিলেন। প্রাপ্ত হয়েছিলেন জান্নাতের সু-সংবাদ। সেই বর্বর যুগের মানুষের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'আর তোমরা ছিলে আগুনের গর্তের কিনারায়। অতঃপর তিনি তোমাদের তা থেকে রক্ষা করেছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনগুলো প্রকাশ করেন। যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হও।' (সূরা আলে ইমরান : ১০৩)। * মোস্তফা ওয়াদুদ

আইএসের সঙ্গে যুক্ত ওবামা-হিলারি!

আইএসের সঙ্গে যুক্ত ওবামা-হিলারি!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ১৩ নভেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পরিচয় গোপন রাখা হ্যাকিং দল ‘অ্যানোনিমাস’। ‘আইএসের সঙ্গে যুক্ত’ এমন সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে, এমন ২০,০০০ অ্যাকাউন্টের তালিকা দিয়ে, এগুলো ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, ওই তালিকায় থাকা হাজারো টুইটার অ্যাকাউন্টের মধ্যে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আর সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের অ্যাকাউন্টও। এছাড়াও, হিলারি ক্লিনটন, হোয়াইট হাউস, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট, অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে মানুষকে সহায়তা করা টুইটারের একটি ‘হেল্প’ অ্যাকাউন্ট, আর মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমসের অ্যাকাউন্টও ওই তালিকায় রয়েছে।

কিন্তু স্পষ্টত এসব অ্যাকাউন্ট থেকে কখনও আইএসকে সহায়তা করা হয়নি আর সবগুলো অ্যাকাউন্টই এখনও চালু আছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। তালিকায় থাকায় অন্যরা মনে করছেন, স্পষ্টত শুধু আরবিতে টুইট করার কারণেই তাদের অ্যাকাউন্ট ‘টার্গেট’ করা হয়েছে।

নিজেদের চেক করা অধিকাংশ অ্যাকাউন্টই বন্ধ নয় বলে দাবি করেছ দলটি জানিয়েছে, কিছু অ্যাকাউন্ট হয়তো টুইটার আবার ঠিক করে দিয়েছে। নিজেদের অনুসারীদের উদ্দেশ্যে এটি বলে, “যদি অ্যাকাউন্টগুলো ফিরে আসে তবে রিপোর্ট করুন।”

গোপনে অনলাইনে লেখা প্রকাশের অ্যাপ প্যাস্টেবিনে ওই তালিকা জমা করা হয়েছে।

বিয়ানীবাজারের কিশোর তারেক হত্যায় চাচাত ভাইয়ের যাবজ্জীবন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিয়ানীবাজারের কিশোর তারেক আহমদ (১৭) হত্যা মামলায় চাচাতো ভাই লিয়াকত আলীকে (২২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয়মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট জেলা দায়রা জজ মনির আহমদ পাটোয়ারী এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত লিয়াকত আলী সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার জালালনগর গ্রামের আরব আলীর ছেলে। মামলার নথির বরাত দিয়ে আদালত সূত্র জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ির আঙ্গিনায় তারেককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন লিয়াকত আলী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই মৃত্যু হয় তারেকের। এ ঘটনায় নিহত তারেকের মা আসমা বেগম বাদী হয়ে লিয়াকত আলী, তার মা তাহের বেগম ও আত্মীয় সোয়ারা বেগমকে আসামি করে বিয়ানীবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৪ মার্চ শুধু লিয়াকত আলীকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন বিয়ানীবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দিলওয়ার হোসেন। ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দিলেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি শামসুল ইসলাম। আর আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, আবদুল খালিক ও সুরুজ আলী।

কানাইঘাটে নির্বাচনী প্রচারণায় আ.লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন


নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ঘোষণা দিয়েছেন প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা কানাইঘাট উপজেলা আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন। মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তিনি ইতোমধ্যে মতবিনিময় সভা, গণ সংযোগ শুরু করেছেন। পৌরসভার টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক শান্তি সম্প্রীতি ও নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে তার পরিকল্পনা তুলে ধরে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন পৌর এলাকায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয়ভাবে আ’লীগ থেকে মেয়র পদে অন্যতম মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রবীণ ক্লিন ইমেজধারী আ’লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন ইতোমধ্যে দলীয়ভাবে গ্রীণ সিগন্যাল পেয়ে আ’লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে মতবিনিময় করছেন। ছাত্রজীবনে প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সাথে জড়িত ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন একজন সৎজন ব্যক্তি হিসাবে পৌর এলাকায় তার যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সক্রীয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৮ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগে প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি চাকুরী জীবনে উপজেলা সিও অফিসে ইঞ্জিনিয়ার বিভাগে বেশ কিছুদিন চাকুরী করার পর আরব আমিরাতে সরকারীভাবে দীর্ঘদিন একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করেন। ৫ বছর পূর্বে দেশে ফিরে এসে এলাকার আর্থ সামাজিক উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। কানাইঘাট মহিলা কলেজ উন্নয়ন কমিটির সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করছেন। পৌরসভার দুর্লভপুর গ্রামের সভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন। তার পিতা মরহুম হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হোসেন কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন কানাইঘাট পৌরসভার নাগরিকদের জীবন মানের উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত নগরায়ণ পৌরবাসীর সামাজিক সুরক্ষার জন্য তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

ক্লোজ ম্যাচ জেতার অনুভূতি জানালেন সাকিব

কানাইঘাট নিউজ: বিপিএলের এবারের আসরে ৪ ম্যাচের তিনটিতেই জয় পেয়েছে সাকিবের দল রংপুর রাইডার্স। দুই ম্যাচেই আবার টানা জয়।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মলনে তাই বেশ হাসি মুখেই এলেন সাকিব।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকাকে হারিয়ে পরের দিনই আবার দলটি হারায় সিলেটকে। রংপুরের দেয়া ১১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ১০৩ রানে থেমে যায় সিলেটের ইনিংস। আর এই জয়টি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল জানালেন ম্যাচের প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ সাকিব আল হাসান।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রংপুর দলপতি সাকিব বলেন, এই জয়ে আমরা অনেক এগিয়ে গেলাম। আশা করছি টুর্নামেন্টে ১ বা ২ নম্বরে থাকতে পারবো। আর ক্লোজ ম্যাচগুলো জিতলে আনন্দ লাগে।

এবারের বিপিএলে উইকেট একবারেই ভাল আচরণ করছে না। প্রতিটি ম্যাচই কেন এমন লো-স্কোরিং হচ্ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, 'প্রতিদিন খেলা হওয়ায় উইকেট কোনো বিশ্রাম পাচ্ছেনা বলেই ‍দিন দিন উইকেট স্লো হয়ে আসছে'।

উইকেটের বিশ্রাম দরকার। আজকের ম্যাচে যে উইকেট ছিল তাতে এতো কম রান হওয়ার কথা না। এই উইকেটে ১৩০-১৩৫ রান হতে পারতো। কিন্তু আমাদের টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা সেট হতে পারেনি।

ব্যাট হাতে এ দিন ৩৭ বলে ৩৩ রানের দলীয় সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন সাকিব। দলটির বিপক্ষে এই স্কোর নিয়েই সন্তুষ্ট সাকিব, 'যতটুকুই ব্যাটিং করেছি, ভাল করেছি'। এমন পারফরমেন্স পরের ম্যাচগুলোতে কাজে আসবে।
 
এর আগে ব্যাট হাতে গেল ৩ ম্যাচের প্রথমটিতে ১, পরেরটিতে ৬ ও তৃতীয়টিতে অপরাজিত ২৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সাকিব।

ব্যাট হাতে নিজেকে ফিরে পাবার আগে বিপিএলের এই আসরে বল হাতে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন রংপুর দলপতি। সাকিব প্রথম ম্যাচে উইকেট শূন্য থাকলেও নিজেদের দ্বিতীয়টিতে ৩টি, তৃতীয়টিতে ৪টি আর এই ম্যাচে পেয়েছেন ৩টি উইকেট। ব্যাটিংয়ের পর বল হাতেও এমন ধারাবাহিক পারফরমেন্স নিয়ে সাকিব বললেন, 'আমি দেশে এবং দেশের বাইরে যেখানেই খেলি, চেষ্টা করি নিজের সেরা খেলাটি খেলতে'।

‘গাড়ি দেখলে আকর্ষণ বেশি থাকত’

‘গাড়ি দেখলে আকর্ষণ বেশি থাকত’



কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: প্রথম বিপিএলে ১৫ উইকেট নিয়ে আর ২৮০ রান করে টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছিলেন সাকিব। পরের আসরেও উইকেট ছিল ১৫টি, রান করেছিলেন ৩২৯। যথারীতি আবারও টুর্নামেন্টের সেরা।

রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক এবার ৪ ম্যাচে ৬৪ রান করেছেন, উইকেট নিয়ে ফেলেছেন এর মধ্যেই ১০টি। এবারের আসরের সেরা হওয়ায় লড়াইয়ে তাকে এখন ‘ফেভারিট’ বলাই যায়।

বুধবার ২৪ রান করে ও ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ-সেরা হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সিলেট সুপার স্টার্সের বিপক্ষে ৩৩ রান ও ৩ উইকেট নিয়ে আবারও হয়েছেন ম্যাচ-সেরা।

পরে সংবাদ সম্মেলনে প্রসঙ্গ উঠল আরেকবার টুর্নামেন্ট সেরা হওয়া নিয়ে। মুখে হাসি নিয়ে সাকিব বললেন, “আসলে শেষ দুই বিপিএলে গাড়ি ছিল, এবার গাড়ি তো দেখছি না! গাড়ি দেখলে হয়তো আকর্ষণ বেশি থাকত!”

সংবাদ সম্মেলনে কক্ষে সবার হাসি হুল্লোড়ের মাঝে অবশ্য ‘সিরিয়াস’ উত্তরটাও দিলেন সাকিব।

“আসলে সব সময়ই চেষ্টা করি দলের জন্য অবদান রাখতে। যেখানেই খেলি, সেরাটা দিতে চাই। খারাপ খেললে যখন বাসায় যাই বা হোটেলে যাই কিংবা ড্রেসিং রুমে থাকি, তাহলে যে অনুভূতিটা কাজ করে ভেতরে, সেটা তো আমি জানি! ওই অনুভূতি আমি কখনই পেতে চাই না।”

দীর্ঘদিন সাপের সঙ্গে বসবাস!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: প্রথমে গরু-ছাগল, কবুতর এরপর কুমির পালন সবশেষে সাপ পালন করছেন তারা। শুধু যে সাপ পালন তা নয়, সাপের সঙ্গে বসবাস করছেন দীর্ঘদিন যাবৎ। সাপের কথা শুনলে ভয়ে আমরা সবাই আঁতকে উঠি। কিন্তু সেই সাপের সঙ্গেই যখন বসবাস করতে হয়, তখন বিষয় কতটা ভয়ানক হয়ে দাড়াতে পারে। পাকিস্তানের দুই-ভাই হামজা ও হাসান হোসেন ছোটকাল থেকে সাপ পালন করেন। তারা ছোটকালে জঙ্গল বই নামের একটি কার্টুন দেখে তাদের মাঝে সাপ পালার ইচ্ছা জাগে। মূলত সে ইচ্ছাকে সত্যিতে রূপান্তরের জন্য তারা এই পথে চলে আসেন। হাসান ২২ বছর বয়সের মেডিকেলে পড়ুয়া একজন ছাত্র। তিনি তার জীবনের প্রথম সাপ একজন প্রাণী বিক্রেতার নিকট হতে ১৫ পাউন্ড মূল্যের বিনিময়ে ক্রয় করেন। তারপর হাসান জানান, কোরবানি ঈদের জন্য গরু ও ছাগল ক্রয় করার পর তিনি কবুতর পালন করতেন। তারপর একসময় তারা কুমিরও পালন করেছেন। তারপর থেকে তারা সাপ পালন শুরু করে। তারপর তারা ছয় মাস পর ছয় ফুট লম্বা পাইথন সাপ কিনে আনেন, যার ওজন ১৫০ পাউন্ড। তখন থেকে আজ পর্যন্ত ৫ বছর শেষ হয়ে গেছে, এতদিনে তারা দুইভাই মিলে ১০০টি সাপ কিনেছেন এবং পালন করছেন। এখন তারা এসকল সাপের বাচ্চাদের রপ্তানি করেন। মূলত তারা বর্তমানে সাপের ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন। এ পর্যন্ত তারা ১৬টি পাইথন রপ্তানি করেছেন। এখন তাদের নিকট ১০০টির অধিক সাপ রয়েছে। তাদেরকে এলাকার সবাই পাইথন ভাই নামে চিনেন।

লজ্জার রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা

লজ্জার রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা


কানাইঘাট নিউজ  ডেস্ক: তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ১২ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা!  দশ ব্যাটসম্যানের অর্ধেকই সাজঘরে ফিরেছেন মাত্র এক ডজন রান তুলে!

এমন লজ্জায় দক্ষিণ আফ্রিকা সর্বশেষ পড়েছিল ১৯০২ সালে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ১১৩ বছর পর আবারও আজ তাদের এমন লজ্জায় ফেলল ভারত।

নিজেরা ২১৫ রানে অলআউট হয়েও প্রথম ইনিংসে ১৩৬ রানের লিড পেয়েছে কোহলির দল। দক্ষিণ আফ্রিকা যে ৭৯ রানেই অলআউট। ১৯৫৭ সালের পর এই প্রথম এক কম রানে অলআউট হলো প্রোটিয়ারা।

টেস্টে ভারতের বিপক্ষে এটাই কোনো দলের সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডও।

অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে হার্মারের আউটটি বলে দিচ্ছে নাগপুরে স্পিনের বিষের কালনাগ নিয়ে হাজির ভারত। লেগ স্টাম্পের অনেক বাইরে পিচ করা অশ্বিনের বলটা অবিশ্বাস্য বাঁক নিয়ে যেভাবে হার্মারের দু পায়ের ফাঁক দিয়ে ঢুকে অফ স্টাম্পে গিয়ে লাগল, শেন ওয়ার্নের শতাব্দীর সেরা ডেলিভারিও 'লজ্জা' পেয়ে যাবে। অথচ অশ্বিন অফ স্পিনার! দুসরা কিংবা ক্যারম বলের জাদু? নাকি উইকেটের!

মাত্র ১২ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার ৫ উইকেট হারানোর লজ্জা ক্রিকেটেরই লজ্জা হয়ে থাকছে কি না, এই প্রশ্নও তুলতে পারেন। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ দেশের কন্ডিশনের সর্বোচ্চ সুবিধা তুলবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ভারত সেই সুবিধা নিতে গিয়ে ক্রিকেটীয় চেতনার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে কি না, এমন প্রশ্নও উঠছে।

এবং সেটা করছেন ভারতীয় সমর্থকদের অনেকে। টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সকালের সেশনটায় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা যে বল ঠিকমতো ব্যাটেই লাগাতে পারেননি!

গতকাল ইনিংসের শুরুতে সেই যে ইশান্ত শর্মা দুই ওভার বল করে গেলেন, তাকে আর ডাকারই প্রয়োজন বোধ করছেন না বিরাট কোহলি। ইশান্ত তো শান্ত, অমিত মিশ্রকেই কোহলি ডেকেছেন আট উইকেট পড়ার পর। যা করার অশ্বিন আর জাদেজাই যে করছিলেন। ততক্ষণে সমান চারটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন দুজন।

স্পিনার হয়েও মিশ্র পেয়েছেন তিন ওভার বল করার সুযোগ। তাতেই কাজের কাজ করেছেন। ফিরিয়েছেন একপ্রান্ত আগলে রাখা জেপি ডুমিনিকে (৩৫)। ডুমিনি ছাড়া আর কোনো ব্যাটসম্যান ২০-ই পার হননি। অশ্বিন পরে মরকেলকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট পূর্ণ করেছে। এই সিরিজে চার ইনিংসে ১৭ উইকেট হয়ে গেছে অশ্বিনের।

১২ কিংবা এর চেয়েও কম রানে প্রথম ৫ ব্যাটসম্যানকে হারানোর লজ্জা টেস্ট ইতিহাসে আছে মাত্র চারটি। ২০১২ সালে নেপিয়ারে জিম্বাবুয়ের ১২ রানে ৫ উইকেট হারানোর ঘটনাটি বাদ দিলে গত ৬৩ বছরে আর এমনটি ঘটেনি! সবচেয়ে কম রানে ৫ উইকেট হারানোর লজ্জাটি অবশ্য ভারতেরই। ১৯৫২ সালে ওভালে ৬ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারায় ভারত।

গণতন্ত্র আবারও খাদের কিনারে: খালেদা


ঢাকা: দেশে গণতন্ত্র আবার গভীর খাদের কিনারে গিয়ে একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসনের কবলে পড়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের পর গণতন্ত্র এখন মৃতপ্রায়।’ বৃহস্পতিবার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া গণমাধ্যমে দেয়া এক বাণীতে বিএনপি চেয়ারপারসন এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়া বলেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পেটোয়াবাহিনীর গুলিতে শহীদ হন শামসুল আলম খান মিলন। স্বৈরাচারী শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর সর্বোচ্চ ত্যাগ ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সব কর্তৃত্ববাদী, স্বৈরাচারী গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে তিনি প্রেরণার উৎস।’ তিনি বলেন, ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রের চেতনা আজ ভূলুণ্ঠিত, স্বাধীনতাযুদ্ধের চেতনাও আজ বিপর্যস্ত। ভোটারবিহীন বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের ক্ষমতায় থাকার লিপ্সা দেশ-জাতিকে গভীর সংকটে ফেলেছে। এই রাজনৈতিক সংকটে জনগণের ক্ষমতায়নকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে দেশে জনগণের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।’

বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যানের ওপর হামলা : ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া : ১১ রাউন্ড গুলি


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিশ্বনাথে উপজেলা পরিষদের মাসিক সম্বনয় সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান সুহেল চৌধুরীর উপর হামলা। বৃৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় উপজেলা পরিষদের হল রুমে এঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে বিকেল ৪টায় উপজেলা সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের পক্ষ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে পথচারীসহ অন্তত ৩০জন আহত হয়েছেন। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপজেলা পরিষদের অবস্থান নেয়। এঘটনায় উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানাগেছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পক্ষের নিজাম উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। অন্যান্য আহতদের মধ্যে চেয়ারম্যান পক্ষের জয়নাল,আবদুল হক, নিজাম উদ্দিনসহ অন্তত ১০ জন ও ভাইস-চেয়ারম্যান পক্ষের আহতরা হলেন-শাহিন, ওয়াসিম, জুনাব আলী, রুমেল, সাজন, জিতু, লিটন, সমর, খালিক অন্যান্য আহতদের নাম জানা যায়নি। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সম্বনয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় পরিষদের সদস্যদের মধ্যে এলাকার উন্নয়ন বন্টন নিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়। সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী তার বক্তব্যে পেশ করতে থাকলে বক্তব্যে ওপর আপত্তি করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান আহমদ-নূর-উদ্দিন। এসময় হঠাৎ কয়েকজন যুবক পরিষদের হল রুমে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী ও অলংকারী ইউপি চেয়ারম্যান লিলু মিয়াসহ অন্তত ৫জন আহত হন। এরপর উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এদিকে, বিকলে ৪টায় চেয়ারম্যানের উপর হামলার প্রতিবাদে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করা হয় উপজেলা সদরে। মিছিলে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী অংশগ্রহন করেন। মিছিলটি উপজেলা পরিষদের সামন থেকে শুরু হয়ে নতুন বাজারস্থ গোলচত্তরে এসে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জানাইয়া গ্রামবাসীকে নিয়ে কটুক্তিমূলক বিভিন্ন শ্লোগান দেন চেয়ারম্যানের অনুসারীরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন জানাইয়া গ্রামবাসী। ফলে সভা শেষে মিছিলটি পুরান বাজারের দিকে বাসিয়া ব্রীজের দক্ষিণ পাড়ে চলে গেলে পিছন দিক থেকে মিছিলটিকে ধাওয়া করেন জানাইয়া গ্রামবাসী। এসময় ভাইস চেয়ারম্যানের পক্ষ নিয়ে জানাইয়া গ্রামবাসী ও চেয়ারম্যানের পক্ষ নিয়ে কারিকোনাসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পুলিশ অনেক চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে সরে গেলে দু’পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘন্টা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ইট পাটকেলের আঘাতে পথচারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ শর্টগানের ১১ রাউন্ড গুলি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। এব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী বলেন, পরিষদের সভা চলাকালিন সময়ে ভাইস-চেয়ারম্যান আহমদ নূর উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকজন সন্ত্রাসী অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সভায় হামলা চালায়। ভাইস-চেয়ারম্যান আহমদ নূর উদ্দিন বলেন, উপজেলার কোনো প্রকল্প আমাদের (ভাইস চেয়ারম্যানদের) দেয়া হয়নি। সকল প্রকল্প উপজেলা চেয়ারম্যান আত্বাসাৎ করেন। আজ (বৃহস্পতিবার) পরিষদের সভায় আমরা প্রতিবাদ জানাই। এতে চেয়ারম্যানের অনুসারীদের মধ্যে হট্রগুল শুরু হয়। তবে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার বিষয়টি জানা নেই। তিনি বলেন, উপজেলা সদরে মিছিল ও সভা করে আমাদের জানাইয়া গ্রামবাসীকে কটুক্তি করা হলে আমরা তাদেরকে প্রতিহত করি। থানার অফিসার ইন-চার্জ মো. রফিকুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শর্টগানের ১১ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আসাদুল হক বলেন, সম্বনয় সভায় অনাকাংখিত ঘটনা দুঃখজনক। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান। এদিকে, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ওপর হামলার প্রতিবাদে তাক্ষনিক এলাকাবাসীর মিছিল শেষে প্রতিবাদ সভায় বক্তরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের অভিলম্ভে গ্রেফতার করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ফখরুলের জামিন আবেদনের শুনানি ৩০ নভেম্বর


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: নাশকতার তিন মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানি আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ দিন ধার্য করেন। জামিন স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের ওপর কোনো আদেশ না দিয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান তিনি। মামলায় মির্জা ফখরুলের পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জোনরেল মাহবুবে আলম শুনানি করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ জামিন স্থগিত চেয়েছে। কিন্তু চেম্বার আদালত স্থগিত না করে ৩০ নভেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেছেন।’ এর আগে গত মঙ্গলবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রুলের নিষ্পত্তি করে তিন মাসের জামিন দেন। গত ১৬ নভেম্বর রায়ের জন্য দিন ধার্য থাকলেও বিচারপতিরা মির্জা ফখরুলের চিকিৎসার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দেখতে চান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষ মেডিকেল রিপোর্ট জমা দেয়। গত ২ নভেম্বর মির্জা ফখরুলকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। পরদিন ফখরুল বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এ মুহূর্তে তিনি কারাগারে রয়েছেন। গত ২১ জুন তিন মামলায় ফখরুলকে জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের জামিন আপিল বিভাগ বহাল রাখেন। এতে করে সে সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পান এই বিএনপি নেতা। এর পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যান তিনি। দেশে ফিরে আবেদন জানিয়ে আত্মসমর্পণের মেয়াদ দুই দফা বাড়ান মির্জা ফখরুল। নাশকতায় উসকানি, প্ররোচনা এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী পল্টন ও মতিঝিল এলাকায় হরতালের মধ্যে গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে ফখরুলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয়। গত ৪ ও ৬ জানুয়ারি পল্টন ও মতিঝিল থানা পুলিশ মামলাগুলো দায়ের করে।

আইএসের সুড়ঙ্গ ইরাকজুড়ে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আইএস ইরাকের সিনজার শহরটি শাসন করে। এই সিনজার শহরের নিচে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সম্বলিত পরস্পর সংযুক্ত সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব সুড়ঙ্গে বসবাস করার জন্য স্লিপিং বাঙ্কার, বৈদ্যুতিক তার ও প্রতিরক্ষার জন্য বালির বস্তা খুঁজে পাওয়ার পাশাপাশি সেখানে যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত অস্ত্র, ওষুধ এবং পবিত্র কোরআন শরিফেরও সন্ধান পাওয়া গেছে। আইএস শাসিত সিনজার শহরটি এ মাসে কুর্দি বাহিনী দখল করার পর এসব সুড়ঙ্গের সন্ধান পায় তারা। পেশমার্গা নামে পরিচিত ইরাকি কুর্দি বাহিনীর কমান্ডার সামো ইয়াদো বলেন, সিনজারের নিচে আমরা ৩০-৪০টি সুড়ঙ্গ খুঁজে পেয়েছি। শহরের ভেতরেই আরেকটি শহরের মতো করে এগুলো তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিমান হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ করার জন্যই আইএস এসব সুড়ঙ্গ নির্মাণ করেছে। এগুলো ছিল তাদের অস্ত্রাগার। এসব সুড়ঙ্গ উন্মুক্ত হওয়ার পর একজন ফ্রিল্যান্সার ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রত্যেকটি সুড়ঙ্গের শুরু হয়েছে একটি বাড়ি থেকে এবং কয়েকশ গজ পর্যন্ত বিস্তৃত দেয়ালে ছোট ছোট ফুটো করা হয়েছে। সুড়ঙ্গগুলোর প্রত্যেকটি শেষ হয়েছে অপর প্রান্তের কোনো বাড়ির নিচে। পাথরের দেয়াল দ্বারা সুরক্ষিত এসব সরু সুড়ঙ্গ একজন মানুষ দাঁড়ানোর মতো উঁচু করে বানানো হয়েছে। দেয়ালে সারি সারি বালুর বস্তা, বৈদ্যুতিক পাখা ও বাতি এবং ইস্পাত নির্মিত ছাদযুক্ত সুড়ঙ্গের পাশেই তৈরি করা হয়েছে স্লিপিং বাঙ্কার। বাঙ্কারে বালিশ, কম্বলের ওপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা কোরআন শরিফের ধূলিমলিন খণ্ড এবং মেঝেতে ওষুধ, খাবারের টুকরা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সুড়ঙ্গের আরেকদিকে আমেরিকা নির্মিত গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক মজুদ করে রাখা হয়েছে। ভিডিওটি দেখে মনে হয়, সামরিক বাহিনীর জন্য নির্মিত সুরক্ষিত কোনো শহরের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। সুড়ঙ্গ তৈরি করে সেখানে অবস্থান করা আইএসের বরাবরের কৌশল। যুদ্ধের শুরু থেকেই আইএস এটি করে আসছে। উল্লেখ্য, আইএস ২০১৪ সালের আগস্টে সিনজার শহর দখল করে। সংখ্যালঘু ইয়াজিদি অধ্যুষিত শহরটিতে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, লুণ্ঠন ও নির্যাতন চালিয়ে বহু ইয়াজিদি নারীকে যৌনদাসী হিসেবে বন্দি করে রাখে।

সন্ত্রাসবাদ দমনে চীন পাশে আছে: আশরাফ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ দমন ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারে চীন সব সময় আওয়ামী লীগের পাশে ছিল এবং থাকবে।’ আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ও আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফ এসব কথা বলেন। সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক পুরোনো। বর্তমানে দুই দলের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।’ আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, ‘চীন আমাদের অত্যন্ত কাছের প্রতিবেশী। সেই হিসেবে যেভাবে চীনের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক জোরদার হয়েছে আওয়ামী লীগের সঙ্গেও জোরদার হয়েছে। চীনে আওয়ামী লীগের আরও প্রতিনিধিদল যাবেন। তারাও আসবেন। সম্পর্ক আরও গভীর হবে।’ বৈঠকে চীনের প্রতিনিধিদলে ছিলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার ও স্পেশাল এনভয় মি. চ্যান জিয়ান, দলের আন্তর্জাতিক বিভাগের মহাপরিচালক ইউয়ান জেভিন, দলের আন্তর্জাতিক বিভাগের পরিচালক ইউয়ান রিডংসহ নয়জন। সৈয়দ আশরাফের নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধিদলে ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, ফারুক খান, খালেদ মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুন্নাহার লাইলি, এসএম কামাল হোসেন, অসীম কুমার উকিল, বিপ্লব বড়ুয়া, মো. হামিদ প্রমুখ।

কানাইঘাটের চতুল বাজারে দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট চতুল বাজারে বুধবার দিবাগত রাতে দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাতনামা চোরের দল চতুল বাজারের মেইন রোডে অবস্থিত শামীম হোসেন বাদলের মালিকানাধীন ছামিয়া এন্টারপ্রাইজ নামক মোবাইলের দোকানের উপরের টিন কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। পরে বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল সেট সহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে ছামিয়া এন্টারপ্রাইজের পাশে অবস্থিত ইক্বরা লাইব্রেরীর উপরের টিন কেটে ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার কানাইঘাট থানা পুলিশ চুরি হয়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুবশ্বির আলী চাচাই সহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাজারে ৩ জন নৈশ প্রহরী থাকাবস্থায় মেইন রোডের ২টি দোকানে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হয়েছে।

ফেসবুকের আদলে বিজয়বুক


ডেস্ক নিউজ: অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ বলতে বুঝি ফেসবুক, টুইটার। দুটি প্রতিষ্ঠানই বিদেশি। আমাদের দেশি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের সংখ্যা কম হলেও এ নিয়ে কাজ চলছে। তেমনই একটি দেশীয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ‘বিজয়বুক’ http://www.bijoybook.com। নতুন এই বাংলা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের উদ্যোক্তা বিজয় দত্ত। তিনি জানান, নিজের আগ্রহ থেকেই তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন সাইট নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। নিজের সাইট তৈরির আগে দেখে নেন বাংলাদেশের অন্যান্য সাইটের অবস্থা। এটার কার্যপদ্ধতি অনেকটাই ফেসবুকের মত। এখানে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট, লাইক, কমেন্ট, চ্যাট ইত্যাদি সব ধরনের সুবিধাই যুক্ত রয়েছে। এই সাইটের প্রথম উদ্ভোবন করা হয় গত ২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর। উদ্ভোধন করার প্রথম দিনেই এর সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯০০(প্রায়) এরপর গত মাসে সাইট হঠাৎ কোন কারণে ক্রাশ করে এবং ডেটাবেজের সব তথ্য মুছে যায়। অনেকে সাইট হ্যাকিংয়ের কবলে পরেছে বলে মন্তব্য করেন। সাইটটাকে আবার নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। বিজয়বুকে একাউন্ট খোলতে ক্লিক করুন-

বোরখা পরলেই জরিমানা ৭৫ হাজার টাকা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বোরখা নিয়ে সারা বিশ্বে আলোচনা হয়েছে অনেক। আবার অনেক স্থানে বোরখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুইজারল্যান্ডের একটি প্রদেশের নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো নারীকে যদি বোরখা পরা দেখলেই তাকে বাংলাদেশী মুদ্রায় ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। এই নতুন আইনে বলা হয়েছে, রেস্টুরেন্ট অথবা শপিং মলে কোনো মুসলিম নারী বোরখা পরে কাজ করতে পারবেন না। ২০১৩ সালে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা এবং সাম্প্রতিক আইএসআইএস নাশকতার কারণেই সুইজারল্যান্ডের তিসিনো ক্যানটনের প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। স্থানীয় একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, মুখোশের আড়ালে কেউ যাতে কোনো অবৈধ কাজ করতে না পারে, তার জন্যই এই ব্যবস্থা নিয়েছে তিসিনো প্রশাসন। কেউ যদি মুখাবরণ, মস্তকাবরণ অথবা বোরখা পরে তাহলে তাকে ৬৫ পাউন্ড থেকে ৬৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে। উল্লেখ্য, ফ্রান্সেও বেশ কিছু বছর যাবৎ এই ধরনের হিজাব-নিকাববিরোধী আইন বলবৎ হয়েছে, তবে সেখানে জরিমানা দিতে হয় ৩৫ পাউন্ড। বিভিন্ন ইসলামি গোষ্ঠীগুলির প্রতিবাদ উপেক্ষা করেই ২০১০ সালে ফ্রান্সের সরকার বোরখা ও হিজাবের উপর ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

ফেসবুকেও খোলা যাবে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট


তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক: ব্যাংকে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। তাহলে ফেসবুকে কেন নয়? কারণ এখানেও তো অ্যাকাউন্টই খোলা হয়। এই ব্যাপরটিকেই এখন বাস্তব করে তুলছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি ফেসবুক একমাত্র ভারতেই এমন সুবিধা দেওয়া শুরু করেছে। একেবারে ব্যাংকের মতো স্বামী স্ত্রী কিংবা বাচ্চার সঙ্গে এই ফেসবুকে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে। কারণ মানুষেরা নিজের পরিবারের সঙ্গে এতটাই নিবিঢ় ভাবে যুক্ত তাই এমন ব্যবস্থার কথা চিন্তা করা হয়েছে। ফলে ব্যাংকের মতোই ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হলে জানতে চাওয়া হবে তা ‘জয়েন্ট’ না ‘সিঙ্গল’ হবে? ফলে প্রিয় কারও সঙ্গে একসঙ্গে খুলতে চাইলে জয়েন্টে ক্লিক করে দেওয়া যাবে। এরফলে দুইজনেই আলাদা আলাদা পাস ওয়ার্ড নিয়ে ওই ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করতে পারবেন। আর এক্ষেত্রে দুজনের বন্ধুরাই চলে আসবে এই জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে। এদিকে আবার কোনও কারণে প্রিয়জনের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তাহলেও কিন্তু দুজনে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট ভেঙে আলাদা করে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।

কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসার বার্ষিক এনাম ও হিসাবের ইসলামী মহাসম্মেলন সম্পন্ন

Kanaighat News on Wednesday, November 25, 2015 | 11:52 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: পূর্ব সিলেট আযাদ দ্বীনি আরবী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি কানাইঘাট দারুল উলুম মাদ্রাসার মহা-পরিচালক আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষিপুরী বলেছেন, বিশ্বের নির্যাতিত নিপিড়িত মুসলমানদের কল্যাণে হক্কানী উলামাদের অবদান অবিশ্বস্মরণীয়। আদর্শ ও নীতির ক্ষেত্রে দারুল উলুম দেওবন্দ এবং কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসা এক ও অভিন্ন। তিনি আরো বলেন, হক্ক বাতিলের সংঘাত আদিকাল থেকে ছিল ভবিষ্যতে ও থাকবে, কিন্তু সত্যিকারের দ্বীন ইসলামের নিশান আদর্শবান মহা মানবদের মাধ্যমেই বিশ্বে প্রচারিত হবে। আল্লামা লক্ষিপুরী বলেন, আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রহ. ছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের একজন সত্যিকারের সূর্য সন্তান, তাঁর সঠিক পদাঙ্ক অনুসরনে সিলেটবাসী উপকৃত হবে। ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্যে মুসলমানদেরকে তাকওয়া অর্জন করতে হবে। আমরা কুরআন হাদীসের আদর্শ ও নীতি ছেড়ে দেওয়ার কারণে অমুসলিমদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছি। গতকাল বুধবার বৃহত্তর সিলেটের সর্ববৃহৎ ইসলামী বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দারুল হাদীস কানাইঘাট মাদরাসার বার্ষিক এনাম ও হিসাবের ইসলামী মহা সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যদান কালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। জামিয়ার সহকারী শিক্ষক মাও.ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলীর সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জামিয়ার শায়খুল হাদীস ও নাইবে মুহ্তামিম আল্লামা আলিমুদ্দীন শায়খে দুর্লভপুরী, শায়খুল হাদীস আল্লামা ইয়াহইয়া আল-মাহমুদ ঢাকা, জামিয়ার নাইবে শায়খুল হাদীস আল্লামা শামছুদ্দীন দুর্লভপুরী, শায়খুল হাদীস আল্লামা মাহমুদুল হাসান রায়গড়ী, আল্লামা ইউসুফ শ্যামপুরী, মাও. নুরুল ইসলাম এল.এল.বি, মাও. হিলাল আহমদ হরিপুরী, মাও. হা. হারুনুর রশীদ, মাও.মুখলিসুর রাহমান, মাও.মুবশ্বির আলী, মাও.শফিকুর রাহমান, মাও.শিহাব উদ্দীন, মাও.আব্দুল লতীফ প্রমুখ। সূধী বৃন্দের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবী আলহাজ্ব এম.এ মুমিন চৌধুরী, কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ূন কবির, পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির আলম রানা, কানাইঘাট প্রেসকাবের সভাপতি এম.এ হান্নান। জামিয়ার এবারের বার্ষিক এনাম ও হিসাবের ইসলামী মহা সম্মেলনে লক্ষাধিক মুসলিম জনতার উপস্থিতিতে মাদরাসার প্রায় ৮০০ (আট শত) ছাত্রদেরকে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় উত্তির্ণদেরকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার প্রদান করেন মাদরাসার নাইবে শায়খুল হাদীস আল্লামা শামছুদ্দীন দুর্লভপুরী, সহকারী শিক্ষক মাও.আব্দুল হক, মাও.ফজলুল করীম, মাও.খালিদ সাইফুল্লাহ, মাও.বিলাল আহমদ, মাও.এনামুল হাসান প্রমুখ।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩