এহছানে এলাহীর সংবর্ধনা বুধবার

Kanaighat News on Tuesday, September 29, 2015 | 11:01 PM


কানাইঘাটের কৃতি সন্তান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সড়ক পরিবহন ও মহা সড়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব মোঃ এহছানে এলাহীকে গাছবাড়ী সমাজ কল্যাণ যুব সমিতির উদ্যোগে আগামীকাল ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল ৩.০০ টায় উপজেলার গাছবাড়ী জামিউল উলুম কামিল মাদ্রাসা মাঠে সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। সভায় আজীবন সদস্যদের সংবর্ধনা -২০১৫ ও ৪র্থ শ্রেণীর বৃত্তি প্রদান এর পুরষ্কার অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সভায় সকলের উপস্তিতি কামনা করেছেন গাছবাড়ী সমাজ কল্যাণ যুব সমিতির সভাপতি মাস্টার মাহমুদ হোসেন , সাধারণ সম্পাদক শাহ নেওয়াজ খছরু ও প্রচার সম্পাদক আবুল হাসনাত সাজ্জাদ।প্রেস সংবাদ

প্যারিসে কানাইঘাটবাসীর ঈদ পুনর্মিলনী


এনায়েত হোসেন সোহেল,ফ্রান্স : উৎসবমুখর পরিবেশে ফ্রান্সে বসবাসরত সিলেটের কানাইঘাট উপজেলাবাসীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে প্যারিসের গার দো নোর্দের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে এ ঈদ পুর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়। বিপুল সংখ্যক কানাইঘাট প্রবাসীদের উপস্থিতিতে প্যারিস প্রবাসী কমিউনিটি নেতা খান জালাল এর সভাপতিত্বে ও সালেহ আহমদের পরিচালনায় এসময় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, তাহিরুল হক,মিনহাজুল ইসলাম,সমছু মিয়া, সাংবাদিক আবু তাহির,ইকবাল হোসেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,সালেহ আহমদ,শরিফ আহমদ,আজমল চৌধুরী,কুতুব উদ্দিন,সোহেল আহমদ,ইকবাল হোসেন,আফজল কবির চৌধুরী,মাসুম আহমদ,আবুল কালাম,আব্দুল ওয়াদুদ,জাকির হোসেনসহ কানাইঘাট প্রবাসী নেতারা। এসময় কোরান তেলাওয়াত করেন শাহীন আহমদ প্রমুখ। ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর নিজ এলাকার প্রবাসীদের এ মিলন মেলায় আড্ডা এবং ভোজনের সাথে সাথে নিজ এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা করা হয়। সেই সাথে উঠে আসে ফ্রান্সের বাংলাদেশের কমিউনিটিতে কানাইঘাট প্রবাসীদের ভুমিকা। এসময় তারা আন্তরিকতার মাধ্যমে কানাইঘাট উপজেলার উন্নয়নে দেশের বাহিরে অবস্থানরত সকল কানাইঘাট প্রবাসীদের আত্মনিয়োগ করার আহবান জানান।

যুক্তরাজ্য যুবলীগ নেতা শামীম আহমদকে সিলেট বিমান বন্দরে সংবর্ধনা

Kanaighat News on Thursday, September 24, 2015 | 11:57 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সফররত যুক্তরাজ্য যুবলীগ নেতা শামীম আহমদকে গত বৃহস্পতিবার সংবর্ধনা দিয়েছেন সিলেট জেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। এসময় সিলেট যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও কানাইঘাট উপজেলার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মোটর শুভাযাত্রা করে তাকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে নিয়ে যান। উল্লেখ্য কানাইঘাট উপজেলার যুক্তরাজ্য প্রবাসী যুবলীগ নেতা শামীম আহমদকে বরণ করতে বিমান বন্দরে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের যুব ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট রঞ্জিত সরকার। সিলেট
জেলা যুবলীগ সভাপতি শামীম আহমদ, যুবলীগ নেতা আলম খান মুক্তি, আব্দুল মতিন, আব্দুল আলিম তুজার, হামজা হেলাল, হারুন রশিদ প্রমুখ। এদিকে যুবলীগ নেতা শামীম আহমদ জানিয়েছেন, সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে এসেছি। এখানে বিমানবন্দরে সিলেট জেলা যুবলীগ যে সম্মান দেখিয়েছে তাতে আমরা খুবই আনন্দিত। তিনি বাংলাদেশে অবস্থানকালিন সময়ে দলের সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

কানাইঘাটে সৌদি প্রবাসীর উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

Kanaighat News on Wednesday, September 23, 2015 | 9:58 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কানাইঘাট উপজেলার ৬নং সদর ইউনিয়নের প্রায় ২ শতাধিক দরিদ্র লোকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোদি প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজ সেবক ইয়াহইয়ার পক্ষ থেকে বুধবার তার নিজ বাড়ী আগফৌদ গ্রামে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সৌদি প্রবাসীর ছেলে এহসানে এলাহী,আলী রাজা,হারুন,মানিক উদ্দিন,হাবিব আহমদ,মক্তার আহমদ,রফিক,আলি আহমদ,আসাদ প্রমূখ।

পশুর চামড়া পাচার করতে দেয়া হবে না


ঢাকা: কোরবানির পশুর চামড়া কোনোভাবেই পাচার করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বুধবার বিকেলে রাজধানীর গাবতলীতে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চামড়া পাচার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাচারের সম্ভাব্য পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যেই চামড়া বিক্রি হবে জানিয়ে তিনি বলেন, হাটের নির্দিষ্ট জায়গাতেই পশু বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপদ লেনদেনের জন্য হাটগুলোতে সান্ধ্যকালীন ব্যাংকিং চালু করা হয়েছে। এছাড়াও মহাসড়কে যানজট নিরসনে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোখলেসুর রহমান এবং ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় জোটবদ্ধ ভারত-যুক্তরাষ্ট্র


আন্তর্জাতিক ডেস্ক,কানাইঘাট নিউজ: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সহযোগিতা জোরদারের ব্যাপারে একমত হয়েছে। গতরাতে ওয়াশিংটনে এক যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, উভয় দেশ স্বীকার করেছে যে নিরাপদ ঘাঁটি থেকে পরিচালিত লস্কর-ই-তৈয়বার মত বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠন দুই দেশের জন্যই হুমকি। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র আল কায়েদা ও এর সহযোগী সংগঠন, লস্কর-ই-তৈয়বা, জইশ-ই-মোহাম্মদ, ডি কোম্পানি, হাক্কানি নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য আঞ্চলিক সংগঠনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, এসব সংগঠন দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা দুর্বল করে দেয়। গতকাল ওয়াশিংটনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরির যৌথ সভাপতিত্বে প্রথম ভারত-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত ও বাণিজ্যিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেন, ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে হামলাকারীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে উভয় দেশ পাকিস্তানের প্রতি আহবান জানিয়েছে। আজ এখানে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। তিনি বলেন, দুই দেশ প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার করেছে। সুষমা স্বরাজ ভারতের পূর্বমুখী নীতি গ্রহণ ও এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভারসাম্যের নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয় দেশ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ও মার্কিন উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ শুরুর ব্যাপারে একমত হয়েছে। অল ইন্ডিয়া রেডিও’র খবরে বলা হয়েছে, এপেকে ভারতের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে ও নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে ভারতের অন্তর্ভূক্তির জন্য মার্কিন সহায়তার ব্যাপারেও উভয় দেশ সম্মত হয়েছে। যৌথ ঘোষণায় আইসিএএনএন’র মত বিভিন্ন ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স গ্রুপে ভারতের ব্যাপক অংশগ্রহণসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করার কথাও বলা হয়েছে। উভয় দেশ চলতি বছরের শেষদিকে প্যারিসে অনুষ্ঠেয় জলবায়ু পরিবর্তন বৈঠক কপ-২১ এর প্রস্তুতির জন্য ঘনিষ্ট পরামর্শের বিষয়েও একমত হয়েছে।

হজে সন্তান প্রসব!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: প্রথমবারের মতো হজ চলাকালে মিনায় সন্তান জন্ম দিলেন পাকিস্তানি এক নারী। মঙ্গলবার মিনা আল-ওয়াদি হাসপাতালে ওই ছেলে শিশুটির জন্ম হয়। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে মোহাম্মদ আলী। শিশুটির বাবা জানান, হজের আনুষ্ঠানিকতার শুরুতে মিনায় পৌঁছানোর পরপরই তার স্ত্রীর প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে মিনা আল-ওয়াদি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তিনি সন্তানের জন্ম দেন। হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ মালাইবারি জানিয়েছেন মা ও শিশু উভয়ই সুস্থ আছেন। হজের মুহূর্তে শিশু জন্ম হওয়ায় মা-বাবা উভয়েই খুশি।

খালেদার হুঙ্কার এবারও কাগজেই রয়ে যাবে


কুষ্টিয়া: আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, ঈদের পর সরকার পতনের আন্দোলন, বেগম খালেদা জিয়ার এমন হুঙ্কার কোনো দিন বাস্তবে রূপ নেবে না।তার গতানুগতিক হুংকার এবারও কাগজেই রয়ে যাবে, বাস্তবে রূপ নেবে না। আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডস্থ নিজ বাসভবনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ঈদের পর সরকার পতনের আন্দোলনের যে ডাক তিনি দিয়েছেন তাতে আমাদের ভাবতে হবে এ নিয়ে কতবার তিনি ডাক দিলেন। প্রতিবারই তিনি ঈদের পর সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দেন, কিন্তু সে ঈদ আর আসে না। এবারও তার সেই হুঙ্কারের ডাক কাগজেই রয়ে যাবে। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিন্টু, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সিলেটে ঈদ জামাতের সময়সূচি


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিলেটে ঈদুল আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায়। বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফিজ কামাল উদ্দিন এতে ইমামতি করবেন। জামাতের আগে বয়ান পেশ করবেন বন্দর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোশতাক আহমদ খান। এছাড়া, দরগাহে হযরত শাহজালাল (রহ.) জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, বন্দরবাজারস্থ হাজী কুদরত উল্যাহ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা, সকাল সাড়ে ৮টা ও সকাল সাড়ে ৯টায় পৃথক ৩টি জামায়াত, সিলেট কালেক্টরেট মাঠে সকাল ৮টায়, জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজিরবাজার মাদ্রাসায় সকাল সাড়ে ৭টায়, শেখঘাট সরকারি কলোনী মাঠে সকাল ৮টায়, টিলাগড় শাহ মাদানী ঈদগাহ ময়দানে সকাল পৌনে ৮টায়, পশ্চিম পীর মহল্লা গৌছুল উলুম জামেয়া ইসলামিয়া ময়দানে সকাল পৌনে ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

কোরবানির জরুরি মাসআলা


মুফতি মাহফূযুল হক : কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। অন্যান্য ইবাদতের মতো কোরবানি শুদ্ধ হওয়ার জন্য রয়েছে বেশ কিছু নিয়ম ও বিধি-বিধান। তাই পাঠকদের জন্য কোরবানির প্রয়োজনীয় কিছু মাসআলা উল্লেখ করা হলো- কোরবানি কবুল হওয়ার শর্ত সওয়াবের আশায় কোরবানি দেওয়া, কোরবানির অর্থ হালাল হওয়া এবং বিধানসম্মতভাবে কোরবানি দেওয়া। শুধুমাত্র গোশত খাওয়ার ইচ্ছায়, সামাজিক মান-মর্যাদা রক্ষায় কোরবানি দিলে তা কবুল হবে না। কোরবানির অর্থ যদি হালালপন্থায় অর্জিত না হয়- তাহলে ওই কোরবানি আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। যাদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব যে মুসলিম নর-নারী জিলহজ মাসের ১০ তারিখ সুবহে সাদেক থেকে ১২ তারিখ সূর্যস্তের মধ্যে প্রাপ্তবয়ষ্ক, সুস্থমস্তিষ্কসম্পন্ন ও সম্পদের দিক দিয়ে নেসাবের মালিক হবে- তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। কোনো অপ্রাপ্ত বয়ষ্কের সম্পদ থাকলেও তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব নয়। পাগল ধনী হলেও তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব নয়। নেসাবের ব্যাখ্যা সোনার নেসাব ৮৭.৪৮ গ্রাম (সাড়ে সাত ভরি)। রূপার নেসাব ৬১২.৩৬ গ্রাম (সাড়ে বায়ান্ন ভরি)। অন্যান্য সম্পদের ক্ষেত্রে ৬১২.৩৬ গ্রাম রূপার মূল্যমান প্রযোজ্য হবে। সোনা-রূপা অথবা সোনা-রূপা ও অন্যান্য সম্পদ থাকলে সে ক্ষেত্রেও ৬১২.৩৬ গ্রাম রূপার মূল্যমান প্রযোজ্য হবে। অন্যান্য সম্পদের মধ্যে ধরা হবে- ব্যবসার পণ্য, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয় না- এমন জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, ফার্ণিচার, তৈজসপত্র, যে কোনোভাবে এবং যে কোনো উদ্দেশ্যে জমানো টাকা। কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার জন্য নেসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর থাকা শর্ত নয়। পশুর বিবরণ কোরবানি দিতে হবে গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু দিয়ে দিয়ে। বন্য প্রাণী দিয়ে কোরবানি আদায় হবে না। ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, গরু, মহিষ ও উট দ্বারা কোরবানি দেওয়া যায়। নর ও মাদা যে কোনো পশু দিয়ে কোরবানি হবে। তবে হিজড়া পশু দিয়ে কোরবানি হবে না। এ ছাড়া হরিণ ও বন্যগরু ইত্যাদি দিয়েও কোরবানি হবে না। পশুর বয়স ছাগল, ভেড়া ও দুম্বার নূন্যতম বয়স ১ বছর হতে হবে। গরু-মহিষের নূন্যতম বয়স ২ বছর। উটের নূন্যতম বয়স ৫ বছর। পশুর ত্রুটি কোরবানির পশু ত্রুটিমুক্ত ও সুন্দর হওয়া বাঞ্চনীয়। তবে সামান্য পরিমাণের ত্রুটি থাকলে তা দ্বারা কোরবানি হবে। যদি পশুর একটি পা মাটিতে রাখতে না পারে বা মাটিতে রাখলেও তাতে ভর দিতে না পারে তবে ওই পশু দ্বারা কোরবানি হবে না। যে পশু এতটাই অসুস্থ্য ও দুর্বল যে নিজ স্থান থেকে জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত নিজে হেঁটে যেতে পারে না- তবে ওই পশু দিয়ে কোরবানি আদায় হবে না। যে পশুর সবগুলো দাঁত পড়ে গেছে বা এত বেশি দাঁত পড়ে গেছে যে, সে খাদ্য চিবাতে পারে না- তা দ্বারা কোরবানি হবে না। শিং যদি সমূলে উপড়ে যায় বা গোড়া থেকে এমনভাবে ভেঙে যায় যে, মাথার খুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বা খুলির হাড় দেখা যায়- তবে তা দ্বারা কোরবানি করা যাবে না। অন্যথায় কোরবানি হবে। শিং না উঠে থাকলেও কোরবানি হবে বয়স হলে। কান বা লেজের যদি অর্ধেক পরিমাণ বাকি থাকে তবে কোরাবানি হবে। দুটি বা একটি চোখ সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন হলে কোরবানি দেওয়া যাবে না। গর্ভবতী পশুর কোরবানি গর্ভবতী প্রাণী কোরবানি দিলে কোরবানি হবে। তবে জেনে-শোনে এমনটি করা মাকরূহ। জবাইয়ের পর গর্ভস্থ বাচ্চা জীবিত পাওয়া গেলে তা দান করে দিতে হবে। আর মৃত বা অসম্পূর্ণ পাওয়া গেলে বাচ্চা ফেলে দিতে হবে। এতে কোরবানির কোনো ক্ষতি হবে না বা গোশত খেতেও কোনো সমস্যা নেই। পশু ক্রয়ের পর পশু মারা গেলে ক্রেতা ধনী হলে আরেকটি পশু কোরবানি দিতে হবে। আর গরিব হলে তার আর কোরবানি দিতে হবে না। ক্রয়ের পর পশুতে ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে যদি এমন ত্রুটি দেখা দেয় যাতে কোরবানি চলবে না, তবে ক্রেতা ধনী হলে অন্য পশু দিয়ে কোরবানি দিবে। ত্রুটিযুক্ত পশু বিক্রি করলে করতে পারবে। আর গরিব হলে ত্রুটিযুক্ত এই পশু দিয়েই কোরবানি দিবে। পশু ক্রয়ের পর হারিয়ে গেলে ক্রেতা গরিব হলে তাকে অন্য পশু কোরবানি দিতে হবে না। ধনী হলে অন্য পশু কোরবানি দিতে হবে। অন্য পশু ক্রয়ের পর যদি হারানো পশু ফিরে পাওয়া যায় তবে ধনী ব্যক্তি নিজ ইচ্ছেমতো যে কোনো একটি পশু দ্বারা কোরবানি দিতে পারবে। কিন্তু গরিব ব্যক্তিকে উভয়টাই কোরবানি দিতে হবে। কেননা, ধনীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব ধনের কারণে। তাই পশু ক্রয় করার দ্বারা তার ওপর পশু নির্দিষ্ট হয় না। সে যে কোনোটা দিয়ে কোরবানি দিতে পারে। কিন্তু গরিবের ওপর ধনের কারণের কোরবানি ওয়াজিব না। সে যদি কোরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে তবে পশু ক্রয়ের কারণে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়। তাই পশু ক্রয়ের দ্বারা তার জন্য পশু নির্দিষ্ট হয়ে যায়। সে যতগুলো ক্রয় করবে সবগুলো দিয়ে কোরবানি করা ওয়াজিব হবে। ভাগে কোরবানি ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ভাগে কোরবানি দেওয়া যায় না। একাই দিতে হয়। গরু, মহিষ ও উট ভাগে কোরবানি দেওয়া যায়। ভাগের সংখ্যা সর্বোচ্চ সাত হতে পারে। এর বেশি হলে হবে না। সাত বা সাতের কম যে কোনো সংখ্যার ভাগ হতে পারে। বেজোড় হওয়ার কোনো বাধ্যবাধ্যকতা নেই। ভাগে কোরবানি শুদ্ধ হওয়ার শর্ত ভাগে কোরবানি শুদ্ধ হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনটি শর্ত রয়েছে- এক. প্রত্যেকেরই সওয়াবের নিয়তে কোরবানি দেওয়া। দুই. প্রত্যেকের অর্থ হালাল হওয়া। তিন. কারো টাকা এক সপ্তমাংশের কম না হওয়া। ভাগিদারদের কারো নিয়তে যদি ত্রুটি থাকে অথবা কারো উপার্জন যদি হারাম হয়- তবে সবার কোরবানিই নষ্ট হয়ে যাবে। ভাগিদারদের মধ্যে কারো কোরবানি আদায় হবে না। ইসলামি চিন্তাবিদরা তাই পরামর্শ দিয়ে থাকেন, ভাগে কোরাবানি দেওয়ার চেয়ে একা কোরবানি দেওয়াই অধিক নিরাপদ। ৬৯ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয়কৃত গরুতে ৬ জনের টাকা ১০ হাজার করে ৬০ হাজার টাকা। আর বাকি ৯ হাজার টাকা একজনের। এমতাবস্থায় কারো কোরবানি আদায় হবে না। কেননা, শেষ ব্যক্তির টাকা এক সপ্তমাংশের কম। অনেক সময় দেখা যায়, চার ভাই মিলে সমানহারে টাকা দিয়ে পিতার নামে এক ভাগ নেয়। কোরবানির পর গোশতের ভাগ বাড়ি এনে আবার নিজেরা ভাগ করে নেয়। সে ক্ষেত্রে ওই গরুতে আরো যে ৬ জন শরিক হয়েছিলেন তাদেরসহ কারো কোরবানি আদায় হবে না। কেননা, চার ভাইয়ের প্রত্যেকের ভাগ এক সপ্তমাংশের কম হয়ে যাচ্ছে। যদি কয়েক ভাই মিলে পিতার নামে বা মায়ের নামে এক ভাগের কোরবানিতে অংশ নিতে চায় তবে সঠিক নিয়ম হলো- ভাইয়েরা সবাই নিজ নিজ টাকার স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করে এবং গোশত প্রাপ্তির কোনো দাবি না রেখে একজনকে উপহার দিয়ে দিবে। সে পিতার নামে একভাগে কোরবানি দিবে। পরবর্তীতে কোরবানির গোশত সে তার নিজ ইচ্ছা ও খুশিমতো বণ্টন করবে। যদি পাঁচ ভাই মিলে একটি গরু ক্রয় করে এবং এরা সবাই মিলে বাকি দুই ভাগ পিতার নামে ও মায়ের নামে কোরবানি দিতে চায় তবে তা দিতে পারবে। কেননা, এ ক্ষেত্রে কারো ভাগ এক সপ্তমাংশের চেয়ে কম থাকছে না। দুই ভাগ পিতা-মাতার নামে দিলেও মালিকানার বিবেচনায় প্রত্যেকের ভাগ এক পঞ্চমাংশ থাকছে। অনেকে মনে করেন, গরুতে নাম ৭ টাই হতে হবে। তিনজনে মিলে গরু ক্রয় করলেও সাত নাম পূরণ করার চেষ্টা করা হয়। এ ধারণা ভুল। এর কোনো প্রয়োজন নেই। যারা কিনেছে শুধু তাদের নামে কোরবানি দেওয়াটাই যথেষ্ট। নামের সংখ্যা সাতের চেয়ে কম হলে কোনো অসুবিধা নেই। পশু ক্রয়ের আগেই ভাগ মিল করা শ্রেয়। ধনী ব্যক্তি একা কোরবানি দেওয়ার নিয়তে পশু ক্রয়ের পর অন্যকে ভাগ দিলে অনুত্তম হবে। আর গরিব ব্যক্তি এমনটি করলে তা নাজায়েয হবে। অন্যের নামে কোরবানি দেওয়া কারো ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়ে থাকলে তাকে নিজের নামেই কোরবানি দিতে হবে। নিজের নামে না দিয়ে অন্যের নামে দেওয়া যাবে না। অনেকে মনে করে কোরবানি মুরুব্বিদের নামে দিতে হয়। এটা প্রচলিত ভুল ধারণা। তবে কেউ যদি একাধিক কোরবানি দেয় তবে একটা নিজের নামে দিয়ে বাকি নফল কোরবানিগুলো জীবিত-মৃত যে কারো নামে দিতে পারে। কোরবানির সঙ্গে আকিকা গরু, মহিষ ও উট ইত্যাদিতে নিজের কোরবানির সঙ্গে সাত ভাগ মিল রেখে নিজের বা সন্তানদের আকিকার নিয়ত করা যাবে। আকিকার নিয়তে অন্যদের কোরবানির সঙ্গেও শরিক হওয়া যাবে। পশু ক্রয়ের পর শরিকদের কেউ মারা গেলে যদি মৃতের সকল ওয়ারিশ মৃতের পক্ষ থেকে কোরবানি করার অনুমতি দেয়- তবেই কেবল সবার কোরবানি আদায় হবে। আর যদি ওয়ারিশদের কেউ অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক থাকে অথবা ওয়ারিশগণ অনুমতি না দেয় অথবা কোনো একজন ওয়ারিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করে তার অনুমতি সংগ্রহ করা সম্ভব না হয়- এমতাবস্থায় কোরবানি দিলে কারো কোরবানি আদায় হবে না। এক্ষেত্রে করণীয় হলো- মৃতের ভাগের টাকা তার ওয়ারিশদের ফিরিয়ে দেওয়া। বাকি শরিকরা নিজ নিজ অংশ অনুপাতে এ টাকা পরিশোধ করতে পারে অথবা নতুন কাউকে শরিক করে নিতে পারে। কোরবানির সময় জিলহজ মাসের ১০ তারিখ এলাকার ঈদের প্রথম জামাত শেষ হওয়ার পর থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে রাতে-দিনে যে কোনো সময় কোরবানি করা যাবে। কোরবানির পশু ও মালিক দুই শহরে বা দুই দেশে থাকলে পশুর স্থানের সময় ধর্তব্য হবে। বছরের অন্য কোনো সময় কোরবানির নিয়তে পশু জবাই করলে তা কোরবানি হবে না। কোনো সওয়াবও পাওয়া যাবে না। জবাই কোরবানির পশু নিজেই জবাই করা উত্তম। তবে অন্যকে দিয়েও জবাই করানো যায়। জবাইয়ের সময় যে কয়জন ছুরিতে হাত লগাবে তাদের সবাইকে অবশ্যই বিসমিল্লাহ বলতে হবে। নচেৎ গোশত হালাল হবে না, কোরবানি শুদ্ধ হবে না। জবাইয়ের পর কোরবানির দোয়া বলা সুন্নত। তা না বললেও কোরবানি হবে। খাদ্যনালী, শ্বাসনালী এবং এর দুই পাশের দু’টি শাহরগ- এই মোট চারটি রগ থেকে কম করে হলেও যে কোনো তিনটি রগ কাটা আবশ্যক। এর কম হলে কোরবানি হবে না, গোশত হালাল হবে না। জবাইকারী ও কসাইয়ের পারিশ্রমিক তাদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিজের থেকে দিতে হবে। কোরবানি চামড়া বা গোশত দিয়ে তাদের পারিশ্রমিক আদায় করা জায়েয নেই। হ্যাঁ, নিজের থেকে ন্যায্য পারিশ্রমিক পরিপূর্ণ পরিশোধ করার পর উপহার হিসেবে গোশত, চামড়া দেওয়া যেতে পারে। গরিব হলে চামড়া বিক্রির টাকা দান করা যেতে পারে। গোশত কোরবানির গোশত নিজে খাওয়া যায়। যে কাউকেই দেওয়া যায়। তবে তিন ভাগ করা মোস্তাহাব। এক ভাগ নিজের পরিবারের জন্য। এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনের জন্য। এক ভাগ গরিবদের জন্য। কোনো কোরবানি দাতা যদি নিজেই অভাবি হয় এবং তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হয় তবে সম্পূর্ণ গোশত নিজ পরিবারের জন্য রেখে দিলে দিতে পারবে। অমুসলিমদেরও কোরবানির গোশত দেয়া জায়েয আছে। তবে স্থানীয় মুসলিমদের বা পৌঁছানো সম্ভব এমন দূরবর্তী স্থানের মুসলিমদের অভাব অপূরণ থাকতে অমুসলিমদের প্রাধান্য দেওয়া অনুত্তম। কোরবানির গোশত ফ্রিজিং করে, রোদে শুকিয়ে বা যে কোনো উপায়ে বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা ও খাওয়া জায়েয আছে। এমনকি পরবর্তী ঈদ পার হয়ে গেলেও কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তিন ভাগের দু’ভাগ বিলি না করে অনেক দিন পর্যন্ত খাওয়ার জন্য সংরক্ষণ করা ইসলামের চেতনা, আদর্শ ও বৈশিষ্ট্য বিরোধী। কৃপণতা ও ভোগবাদী মানসিকাতর লক্ষ্যণ। এতে ত্যাগ, উৎসর্গ ও বিসর্জনের কোনো ছাপ বুঝা যায় না। তাই এমনটি না করাই উত্তম। যে কোরবানি মৃতের ওসিয়ত অনুযায়ী তার পরিত্যক্ত সম্পদ থেকে দেওয়া হয়েছে ওই কোরবানির গোশত নিজেরা খাওয়া যাবে না, ধনীদের দেওয়া যাবে না। মান্নতের কোরবানির গোশতের বিধানও অনুরূপ। কিন্তু ওয়ারিশরা যদি নিজেদের সম্পদ থেকে মৃতের নামে কোরবানি দিয়ে থাকে তবে এ গোশত নিজেরাও খেতে পারবে এবং ধনীদেরও দিতে পারবে। গোশতের সামাজিক ভাগ অনেকে মনে করে কোরবানির গোশতের তিন ভাগের এক ভাগ সমাজের মানুষের জন্য। এ ভিত্তিতে অনেক স্থানেই মহল্লার সবার কোরবানির এক তৃতীয়াংশ সামাজিক চাপের মাধ্যমে একত্রিত করা হয়। এর পর তা সমানভাগে ভাগ করে মহল্লার ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবখানাকে এক ভাগ করে দেয়। এ পদ্ধতিটি ভুল ধারণার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত একটি ভুল প্রথা। কেননা, কোরবানির গোশতে সমাজের কোনো ভাগ নেই। আগের প্যারাতে আমরা আলোচনা করেছি ভাগ কাদের প্রাপ্য। যদি কোনো উপকারের প্রতি লক্ষ্য রেখে গোশতের সামাজিক ভাগ করতেই হয় তবে আবশ্যিকভাবে ৩টি শর্ত রক্ষা করতে হবে। যথা- এক. গোশত জমা দিতে অথবা এক তৃতীয়াংশ দিতে কাউকে সামাজিকভাবে বাধ্য করা যাবে না। দুই. গোশতের ভাগ শুধুমাত্র গরিবদের দিতে হবে। তিন. গোশতের ভাগ পাওয়ার জন্য মহল্লার মসজিদ, ঈদগাহ, স্কুল, সভা ইত্যাদিতে কোনো ধরণের চাঁদা-অনুদান-মুষ্টির চাল দান করার শর্ত আরোপ করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে মহল্লার বাইরের অনাথ, দরিদ্র ও অসহায়দের প্রতি বিশেষ বিবেচনা করার প্রয়োজন আছে। গৃহকর্মীকে কোরবানির গোশত দিয়ে খেতে দেওয়া গৃহকর্মীকে তার কাজের পারিশ্রমিক হিসেবে হিসেবে, কাজের ওপর খুশি হয়ে কাঁচা গোশত দেওয়া যাবে না। অবশ্য পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতো তাদেরও কোরবানির গোশত দিয়ে ভাত-রুটি খাওয়ানো যাবে। কেননা, কোরবানির গোশতকে খাওয়ার উপযোগী করতে মালিককে বাড়তি পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। চামড়া, চর্বি, গোশত ও হাড় বিক্রি করা কোরবানির পশুর কোনো অংশ নিজে বিক্রি করা নাজায়েয। নিজে ভোগ করা যায়, যে কাউকে উপহার দেয়া যায়। তবে কোনো কারণে বিক্রি করলে তা করতে হবে দান করার নিয়তে এবং বিক্রিলব্ধ সম্পূর্ণ টাকা জাকাত প্রদানের খাতে দান করতে হবে। গোশত, চামড়া, চর্বি কাউকে উপহার দেওয়ার পর গ্রহীতা যদি নিজ প্রয়োজনে বা যে কোনো কারণে বিক্রি করে তা করতে পারবে। ফেলে দেওয়া হাড় অন্য কেউ কুড়িয়ে নিয়ে বিক্রি করলে করতে পারবে। কোরবানি দিতে না পারলে যার ওপর কোরবানি ওয়াজিব সে যদি কোরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে থাকে আর কোনো কারণে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের আগে কোরবানি করতে না পারে তবে উক্ত পশু জীবিত দান করবে। যদি জবাই করে তবে সম্পূর্ণ অংশ গরিবদের দান করতে হবে। আর জবাইয়ের কারণে যদি মূল্যমান হ্রাস পায় তবে যে পরিমাণ মূল্যমান হ্রাস পেয়েছে সে পরিমাণ টাকাও দান করতে হবে। আর সে যদি কোরবানির নিয়তে পশু ক্রয় না করে থাকে, তবে মধ্যম মানের একটি ছাগলের মূল্য দান করবে। কাজা কোরবানি আদায় পিছনের কোনো বছরের কাজা কোরবানি আদায়ের নিয়তে কোরবানি দিলে এটা নফল কোরবানি হবে। কাজা আদায় হবে না। কাজা আদায়ের জন্য মূল্য দান করতে হবে।

জগন্নাথপুরে আওয়ামী যুবলীগের নামে ফেসবুকে ভূয়া আইডি


জগন্নাথপুর সংবাদদাতা : জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের নামে ফেসবুকে ভূয়া আইডি ব্যবহারে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন লালন। সম্প্রতি যুবলীগ নেতা মাছুম আহমদ জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগসহ কয়েকটি ভূঁয়া ফেসবুক আইডির নাম উল্লেখ করে জগন্নাথপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের ও সংবাদপত্রে এনিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে উপজেলা যুবলীগের দায়িত্বশীল হিসেবে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়। জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, যুবলীগের নামে কোন ফেসবুক আইডি নেই। কেউ যদি যুবলীগের নাম ব্যবহার করে যুবলীগের নামে ফেসবুক আইডি খুলে থাকেন তার দায় দায়িত্ব জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা নিবে না। তাই ভূয়া আইডি খুলে অপপ্রচার বিভ্রান্তি সৃষ্টির ঘটনায় যুবলীগের নেতাকর্মীরা তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে অবিলম্বে এসব বন্ধের আহ্বান জানান।

একি কথা নারীবাদী দালাইলামার মুখে!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: স্বঘোষিত নারীবাদী তিব্বতের দালাইলামার মুখে এ কেমন কথা! সম্প্রতি বিবিসির সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, কোনো নারী যদি তার উত্তরসুরি হন তাহলে তাকে অবশ্যই ‘খুবই, খুবই আকর্ষণীয় হতে হবে’। আর নয়তো সে কোনো কাজে আসবে না। বিবিসির সঙ্গে ওই সাক্ষাৎকারে তিব্বতের এই আধ্যাত্মিক নেতা দশ বছর আগে এক ফরাসি সংবাদিকের সঙ্গে বলা কথারও স্মরণ করেন। সেসময় তিনি বলেছিলেন, ‘একজন নারী দালাইলামাও থাকা উচিৎ। কারণ অনুরাগ ও সমবেদনা প্রদর্শনে নারীরাই শারীরিক ও মানসিকভাবে বেশি সক্ষম। আর আমি মনে করি নারীদের উচিৎ সমাজে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা গ্রহণ করা।’ তবে তার সাম্প্রতিক মন্তব্য ২০০৯ সালের ওই মন্তব্যের সঙ্গে সাঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সেবছর ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের সময় তিনি নিজেকে নারীবাদি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। দালাইলামা এখন লন্ডনে নয় দিনের এক সফরে রয়েছেন। বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি ইউরোপের প্রতি এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে যাওয়া শরণার্থীদের আশ্রয়দানের আহবানও জানিয়েছেন। শরণার্থীদের ব্যক্তিগত ধর্মবিশ্বাস ইসলাম হওয়ায় তাদের প্রতি কোনো বৈষম্য না করারও আহবান জানান দালাইলামা। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসণে শুধু বল প্রয়োগের নিন্দাও করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমারা যদি মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসণে শান্তির পথ অনুসরণ না করে তাহলে আজ একজন বিন লাদেন তো কয়েকবছর পর দশজন বিন লাদেনের সৃষ্টি হবে। এভাবে চলতে থাকলে আরো কয়েকবছর পর একশ’ বিন লাদেনের আবির্ভাব ঘটবে।

প্রতিপক্ষকে প্রশাসন দিয়ে মোকাবেলা করছে সরকার


ঢাকা: রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে মোকাবেলা না করে সরকার বিরোধী দলকে প্রশাসন দিয়ে বেআইনিভাবে মোকাবেলা করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লন্ডনে দেয়া এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলায় অভিযোগ গঠন করা প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে দলটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন এমন অভিযোগ করেন। বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের প্রতিবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান লন্ডনের বেতনাম গ্রিনইয়র্ক হলে এক আলোচনা সভায় বলেন, ‘শেখ মুজিব বঙ্গবন্ধু নন পাকবন্ধু। তিনি জাতির জনক হতে পারেন না, তিনি হত্যাকারী। যা পরদিন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়। তার এই বক্তব্যর পর ওই বছরের ১৯ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক ওরফে মশিউর মালেক বাদী হয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি মামলা করেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর আদালতে অভিযোগপত্র দেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সহকারী কমিশনার জুয়েল রানা। রিপন বলেন, “আমরা পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি-আমাদের দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর একটি বক্তৃতার কিছু অংশকে কেন্দ্র করে সরকারের ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ ‘সেডিশন’ একটি অভিযোগ গঠন করেছেন। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আনা অভিযোগের মামলায় ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ এর ‘সেডিশন’ এর অভিযোগ গঠন করায় আমরা বিস্মিত ও উদ্বিগ্নও। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যের প্রতিবাদ, সমালোচনা রাজনৈতিকভাবেই হওয়া উচিত-এটাই সাধারণত: মানুষের প্রত্যাশা। রাজনীতি, ইতিহাস এবং ইতিহাসের যারা অংশ তাদের ভূমিকা নিয়ে কখনোই বিতর্ক ছিল না-এটা বোধ হয় কেউই দাবি করবেন না।” কারও বক্তব্যে কেউ বিক্ষুব্ধ হলে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক বক্তব্য ও বিবৃতির মাধ্যমে তার প্রতিবাদ করতে পারেন এমন মন্তব্য করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, “বক্তব্য অসত্য কিংবা বস্তুনিষ্ঠ না হলে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ বক্তব্য দিয়ে অভিযোগসমূহকে অসত্য প্রমাণ করে অভিযোগকারীকে রাজনৈতিকভাবে পরাস্ত করবেন। এটাই গণতান্ত্রিক সমাজের রীতি।” বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের বিষয়টি আইনের অঙ্গনে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য তাকে হয়রানি করার শামিল বলেও দাবি করেন রিপন। একের পর এক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে এমন দাবি করে তিনি বলেন, “এটা অন্যায়, অগণতান্ত্রিক ও সভ্যতা বিবর্জিত। অবিলম্বে এইসব প্রক্রিয়া বন্ধ এবং দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠাই আজ জনগণের দাবি।” তারেক রহমানের ওই বক্তব্যের প্রসঙ্গ এনে তিনি বলেন, “তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা তিনি নিজে থেকে কিছু বলেননি। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর পরিস্থিতির উপর প্রকাশিত বিভিন্ন নিবন্ধ, পুস্তক এবং রেফারেন্স দিয়ে তার বক্তব্য রেখেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে যদি মামলা হয় ও ‘সেডিশন’ অভিযোগ গঠন হয়-তাহলে ওসব নিবন্ধ ও পুস্তকের লেখকদের বিরুদ্ধেই হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল।” তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলা ও অভিযোগ গঠনের নিন্দা জানিয়ে রিপন অভিযোগ করে বলেন, “বর্তমানে ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার নয় বলেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা না করে প্রশাসনিকভাবে হয়রানি এবং আইনের বেআইনি প্রয়োগের অপচেষ্টা করছে। আমরা সরকার ও সরকারি দলের এহেন অপচেষ্টা ও অরাজনৈতিক তৎপরতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্যের জবাব রাজনৈতিকভাবে দেয়ার আহবান জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করবো সরকার রাজনীতিকে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করবেন এবং বিভাজনের রাজনীতির অবসানকল্পে সকল বিতর্কের অবসানে হিংসাশ্রয়ী পথে নয়, দমন-নিপীড়ণের পথে নয়, মামলা-হামলার মাধ্যমে নয়, জাতীয় ঐক্য’র প্রক্রিয়ার কথা গভীরভাবে ভাববেন।” সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, সেলিমা রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

দেশে ভয়ঙ্কর নৈরাজ্য চলছে: খালেদা


ঢাকা: দেশের বর্তমান অবস্থায় সবার পক্ষে ঈদের আনন্দ যথাযথভারে উপভোগ করা সম্ভব হবে না এমন দাবি করে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, “দেশে এক ভয়ঙ্কর নৈরাজ্য চলছে। মানুষের জান ও সহায় সম্পদের কোনো নিরাপত্তা নেই।” আজ বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্বের মুসলমানদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে খালেদা জিয়া এ দাবি করেন। বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, “প্রতিবছর ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ফিরে আসে। স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবতার কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা কোরবানির প্রধান শিক্ষা। হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-ক্রোধকে পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিবেদিত হওয়া আমাদের কর্তব্য। কোরবানির যে মূল শিক্ষা তা ব্যক্তিজীবনে প্রতিফলিত করে মানব কল্যাণে ব্রতী হওয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভ সম্ভব। বিশ্বাসী হিসেবে সে চেষ্টায় নিমগ্ন থাকা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য।” তিনি দাবি করেন, “দেশে এক ভয়ঙ্কর নৈরাজ্য চলছে। মানুষের জান, সহায়-সম্পদের কোনো নিরাপত্তা নেই। দেশের বর্তমান অবস্থায় সবার পক্ষে ঈদের আনন্দ যথাযথভারে উপভোগ করা সম্ভব হবে না। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি দরিদ্র ও কম আয়ের মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে ঠেলে দিয়েছে। পানি, জ্বালানি তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের তীব্র সংকট জনজীবনে দুর্বিসহ অবস্থার সৃষ্টি করেছে।” তিনি দেশের সব বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের দিকে সাহায্য ও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করার আহ্বান জানান। ঈদের আনন্দের দিনে কেউ যাতে অভুক্ত না থাকে সেদিকে আমাদের সবাইকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানান লন্ডন সফরে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন।

আ.লীগ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন


ঢাকা: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ করবেন নিউইয়র্কে। দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম থাকছেন লন্ডনে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসাবে থাকছেন সরকারের একাধিক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন শীর্ষনেতা। দেশে আছেন এমন প্রভাবশালী মন্ত্রী ও নেতাদের বেশির ভাগই ঈদের আনন্দ নেতাকর্মীদের সাথে ভাগাভাগি করতে এলাকায় যাচ্ছেন। তবে যারা এলাকায় ঈদ করতে পারছেন না তারা আগে বা পরে সময় করে দেখা করে আসবেন নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, এএইচএম মাহমুদ আলী, প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী থাকছেন। ফলে তাদের ঈদও কাটবে নিউ ইয়র্কে। সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামও লন্ডনে গেছেন পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ঈদ করবেন ঢাকায়। অসুস্থ থাকায় তিনি এবার তার নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরে যাচ্ছেন না। তবে তিনি ঈদের পর এলকায় যাবেন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ঈদ করবেন ঢাকায়। তবে তার নির্বাচনী এলাকা ঝালকাঠির লোকজনের সঙ্গে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। আর আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ঈদ করবেন তার নির্বাচনী এলাকা ভোলায়। দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ঈদে ঢাকায় থাকছেন। তিনি ঈদের আগেই নির্বাচনী এলাকার জনগণের সাথে দেখা করে এসেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সিরাজগঞ্জে ঈদ করবেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকায় ঈদ করবেন। ঈদের পরে তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে যাবেন। এছাড়াও আরেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ উল আলম লেনিন ঈদে ঢাকায় থাকছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্টের ফ্লোরিডায় একমাত্র মেয়ের সাথে ঈদ উদযাপন করবেন সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ঈদের নামাজ পড়বেন নিজ নির্বাচনী এলাকায়। তিনি কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহে নামাজ পড়বেন। আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ঈদ করবেন নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকায়। এছাড়াও আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মণি প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসাবে থাকছেন নিউ ইয়র্কে। দলটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক টাইঙ্গলে ঈদ পালন করবেন। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কর্ণেল (অব.) ফারুক খান ঈদে ঢাকায় থাকছেন। তিনি ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ঈদের আগেই নির্বাচনী এলাকার জনগণের সাথে দেখা করেছি। ঈদের নামাজ পড়বো ক্যান্টনমেন্টের আল্লাহু জামে মসজিদে। অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক আ হ ম মুস্তাফা কামাল সরকারী কাজে ইংল্যান্ড রয়েছেন। ঈদের আগে তাঁর দেশে ফেরার সম্ভবনা নেই। নিজ নির্বাচনী এলাকা নীলফামারিতে থাকছেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় ঢাকায় থাকছেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী। দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মধ্যে আহমেদ হোসেন ঈদে ঢাকায় থাকছেন। তিনি বলেন, ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে ঈদের নামাজ পড়বো। বিএম মোজাম্মেল হক শরীয়তপুরের নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদের নামাজ পড়বেন। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী পরিবারের সাথে লণ্ডনে ঈদ উদযাপন করবেন। আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জয়পুরহাটের নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ উদযাপন করবেন।

কানাইঘাটে পিতার সাথে অভিমানে পুত্রের আত্মহত্যা

Kanaighat News on Tuesday, September 15, 2015 | 9:36 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার দিঘীরপাড় পূর্ব ইউপির জয়ফৌদ কাজিরগ্রামে মঙ্গলবার পিতার সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে পুত্রের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কানাইঘাট থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য সিওমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছে। এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, জয়ফৌদ কাজিরগ্রামের জমির উদ্দিন নিজ বাড়ীতে পাকা ঘর নির্মাণের কাজ চলছিল। নির্মাণকৃত ঘরের ইট সরানোর কাজ নিয়ে মঙ্গলবার বিকেল অনুমান ৪টার দিকে পিতা জমির উদ্দিনের সাথে পুত্র আজমল উদ্দিন (১৮) এর ঝগড়াঝাটি হয়। একপর্যায়ে পিতার সাথে অভিমান করে আজমল উদ্দিন তার বসত ঘরের নিজ কক্ষের তীরের সাথে গলায় রশি প্যাচিয়ে ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। কানাইঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ূন কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কানাইঘাট নিউজকে বলেন, জিডি মূলে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিওমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

কানাইঘাট যুবলীগের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল


নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী ও সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কানাইঘাট উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বাদ আসর কানাইঘাট বাজারস্থ দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে উক্ত মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মাসুক আহমদ যুবলীগের সিনিয়র সদস্য শফিউল আলম শামীম, ইয়াহিয়া, শাহাব উদ্দিন, রইছ উদ্দিন, ইউসুফ, মখলিছুর রহমান, ফারুক আহমদ, ইমরান, কামিল হায়দার, জাকারিয়া, রুবেল আহমদ, ফয়েজ উদ্দিন সহ দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কানাইঘাটে সরকারি খাস জমির দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১ ॥ আহত ২০


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির আন্দুর মুখ বাজারে সরকারী খাস ভূমি জবর দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নুর উদ্দিন (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে দিঘীরপাড় পূর্ব ইউপির খুলুরমাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দুর মুখ বাজারের সুরমা নদীর পাশে চর বেষ্টিত প্রায় ১ একর সরকারী জমি জবর দখল করার জন্য সম্প্রতি খুলুর মাটি গ্রামের একই গোষ্ঠীর হাজী আব্দুস সুবহান ও আতাউর রহমান ওরফে আতাইয়ের লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এক পক্ষ সরকারী জমির একটি অংশে দখল করার জন্য টিনসেটের দোকান নির্মাণ করে চা-স্টলের ব্যবসা শুরু করে। এর জের ধরে এলাকায় ঘোষণা দিয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে খুলুর মাটি গ্রামের মধ্যখানে হাজী আব্দুস সুবহান ও আতাউর রহমান পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ২০ মিনিটের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর অবস্থায় একই গ্রামের মৃত রফিকুল হকের পুত্র নুর উদ্দিনকে ওসমানী হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে একই গ্রামের আব্দুস সুবহানের পুত্র আব্দুল বাছিত (২৩) ও সহোদর আব্দুল কাদিরকে(২৫) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো: হুমায়ুন কবির কানাইঘাটর নিউজকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে খুলুরমাটি গ্রামের আব্দুন নুরের পুত্র সুলতান আহমদ (৩০), একই গ্রামের ফারুক আহমদ (৪৫) ও সুয়েবুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। তিনি জানান, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়না তদন্তশেষে নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

কানাইঘাটে নিউজ সম্পাদকের ফেইসবুক একাউন্ট হ্যাক, থানায় জিডি


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য অনলাইন দৈনিক কানাইঘাট নিউজ ডট কমের সম্পাদক মাহবুবুর রশিদের ফেইসবুক একাউন্ট হ্যাকারদের কবলে পড়ায় তিনি কানাইঘাট থানায় সাধারণ ডায়রী করেছেন। থানার জিডি নং- ১০১৮, তাং- ১৪/০৯/২০১৫ইং। গতকাল সোমবার বিকাল অনুমান ৩টার দিকে হ্যাকাররা সাংবাদিক মাহবুবুর রশিদের ফেইসবুক একাউন্ট হ্যাক করে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন জনের কাছে ফেইসবুক একাউন্টের ম্যাসেজের মাধ্যমে (বিকাশ নং- ০১৯৮০৪৭৯১২০) জরুরী ভিত্তিতে অর্থ পাঠানোর অনুরোধ করছে হ্যাকাররা। অর্থ পাঠানোর ব্যাপারে অনেকে ফোন দিয়ে সাংবাদিক মাহবুবুর রশিদের কাছে জানতে চেয়েছেন। তিনি সবাইকে তার নিজস্ব ফেইসবুক একাউন্ট এবং হ্যাকারদের প্রেরিত ভূয়া বিকাশ নাম্বারে কোন ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

কানাইঘাট থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরীকে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা

Kanaighat News on Sunday, September 13, 2015 | 10:17 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আয়াল চৌধুরীর অন্যত্র বদলী জনিত উপলক্ষ্যে কানাইঘাট থানা পুলিশের উদ্যোগে রবিবার বিকেল ৩টায় থানা প্রাঙ্গনে এক বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কানাইঘাট থানার নবাগত অফিসার মোঃ হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে এবং ওসি তদন্ত সফিকুল ইসলাম ও এস.আই রাশেদুল আলম খাঁন, ছাত্রনেতা শাহাব উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ সংবর্ধিত অতিথি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বানীগ্রাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ,কানাইঘাট থানার সেকেন্ড অফিসার এস.আই জসীম উদ্দিন,লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির চেয়ারম্যান ডাক্তার ফয়াজ আহমদ, দিঘীরপাড় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌধুরী, উপজেলা কমিউনিটি পুলিশের সচিব ডাঃ মুফাজ্জিল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নাজমুল হক। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র ফখর উদ্দিন শামীম, রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুন আহমদ, পৌর আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল্লাহ, আ’লীগ নেতা আব্দুল লতিফ, হাজী মখদ্দছ আলী, হোসেন আহমদ, চতুল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ, উপজেলা আ’লীগ নেতা আলী হোসেন কাজল, সাংবাদিক আব্দুন নুর, কানাইঘাট বাজার লেসি হাজী করামত আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আয়াজ উদ্দিন, যুবনেতা নুরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা আজমল হোসেন, সমাজকর্মী সেলিম চৌধুরী, ইউপি সদস্যা মরিয়ম বেগম, দিপ্তি রানী দাস প্রমুখ। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কানাইঘাট থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরী থানায় ২ বছরের অধিক সময় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম শক্তিশালী মাদক নির্মূল, অপরাধীদের গ্রেফতার করা সহ বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করার পাশাপাশি থানার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করনে, সামাজিক উদ্যোগে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করায় প্রশংসা করেন বক্তারা। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে বিদায়ী এ পুলিশ কর্মকর্তাকে কানাইঘাট থানার কর্মরত সকল পুলিশ অফিসার ও ফোর্স এবং নানা শ্রেণির পেশার লোকজন সম্মাননা স্মারক সহ কেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এছাড়া বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরীকে গতকাল রবিবার কানাইঘাট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং গত শনিবার বড়চতুল ইউপি আ’লীগ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড অফিস, সুরাইঘাট সোনাতনপুঞ্জি এলাকাবাসীর উদ্যোগে পৃথক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উল্লেখ্য যে, আব্দুল আউয়াল চৌধুরীকে কানাইঘাট থানা থেকে সিলেটের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনার এক আদেশে গত শুক্রবার সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ডিআইও-১ হিসাবে বদলী করা হয়।

কানাইঘাট থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরীকে সংবর্ধনা

Kanaighat News on Saturday, September 12, 2015 | 9:30 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ ২ বছরের অধিক সময় দায়িত্ব পালনের পর কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আয়াল চৌধুরীর অন্যত্র বদলী জনিত উপলক্ষ্যে তাকে পৃথক শনিবার সুরইঘাট সোনাতনপুঞ্জি এলাকাবাসী এবং কানাইঘাট চতুল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে বিধায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া আব্দুল আউয়াল চৌধুরী বিদায় জনিত উপলক্ষ্যে গত শুক্রবার রাত ৮টায় কানাইঘাট প্রেসকাব মিলনায়তনে তার সম্মানে এক বিধায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রেসকাবের সভাপতি এম.এ.হান্নানের সভাপতিত্বে ও কাবের দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ সংবর্ধিত অতিথি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কানাইঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীর, কানাইঘাট পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ হাজী আব্দুল মালিক, কানাইঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খোকন, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ও কানাইঘাট কমিউনিটি কাবের লাইব্রেরিয়ান সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম হারুন। বক্তব্য রাখেন, কানাইঘাট বাজারের ইজারাদার হাজী কেরামত আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আয়াজ উদ্দিন, যুব নেতা নুরুল ইসলাম, সমাজকর্মী সেলিম চৌধুরী, কন্ট্রাক্টর কালাম উদ্দিন, কানাইঘাট প্রেসকাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন,কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সদস্য ও কানাইঘাট নিউজ ডটকমের সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ,সাংবাদিক আব্দুন নুর,আমিনুল ইসলাম, মাহফুজ সিদ্দিকী, শাহীন আহমদ, ফটো সাংবাদিক সুজন চন্দ অনুপ, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী, ছাত্রনেতা আজমল হোসেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কানাইঘাট থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, কানাইঘাট থানায় দীর্ঘ ২ বছর ২ মাস কর্মরত থাকাকালীন সময়ে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতার কারনে উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে পেরেছিলেন। এজন্য সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি দায়িত্ব কালীন সময়ে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি সহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষের অকুন্ঠ সহযোগিতা ও সমর্থনও তিনি পেয়েছিলেন। দায়িত্বকালীন সময়ে কারও প্রতি কোন ধরনের দুঃখ বা কষ্ট দিয়ে থাকলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য বলেন। নবাগত অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীর বলেন, কানাইঘাট বাসী ভালো কাজের জন্য যেভাবে বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরীকে সংবর্ধনা দিচ্ছেন এ মাধ্যমে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত পুলিশ বাহিনীর কাজের গতির সঞ্চার হবে। কানাইঘাটে সার্বিক আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে দুষ্টের দমন, সৃষ্টের পালনে তিনি স্থানীয় সাংবাদিক সহ সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরী ও নবাগত অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীরকে মাল্য ভূষিত ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়ার মাধ্যমে বিদায় ও বরণ করে নেওয়া হয়।

কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি করা হয়নি


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়নি জেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের কাছে কমিটি বিলুপ্তির সুপারিশ করা হয়েছে বলে উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন। সম্প্রতি উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি আ’লীগের নেতৃবৃন্দ বিলুপ্তি করেছেন মর্মে যে সংবাদ সিলেটের বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে যা ভুল বশত প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম শনিবার প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি তারা বিলুপ্ত করেননি। অভ্যন্তরীন কোন্দলের কারনে বার বার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ায় এবং কমিটির মেয়াদ কয়েক বছর পূর্বে উত্তীর্ণ হওয়ায় জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে পুরনো কমিটি বিলুপ্তি করে নতুন কমিটি গঠনের সুপারিশ জানিয়েছেন।

কানাইঘাটে তরুনীর আত্মহত্যা

Kanaighat News on Friday, September 11, 2015 | 10:17 AM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার সাতবাক ইউনিয়নের সদিওলের মাটি গ্রামের মৃত আজির উদ্দিনের মেয়ে মায়রুফা বেগম বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে নিজ বসত ঘরের ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। মেয়েটি স্থানীয় রহিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী । তবে আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি।

কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত

Kanaighat News on Thursday, September 10, 2015 | 10:33 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে একের পর এক সংঘাতের ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল ইসলাম হারুন সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস সহ উপজেলা সদরে একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনার পর বৃহস্পতিবার উপজেলা আওয়ামীলীগের এক জরুরী সভায় ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার সিন্ধান্ত নেওয়া হলো। উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক পৌর মেয়র লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে লোকমান হোসেইন, রফিক আহমদ, ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, জলাল আহমদ, এড. আব্দুস সাত্তার, এড. মামুন রশিদ, ফখরুদ্দিন শামীম, রিংকু চক্রবর্তী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সভায় উক্ত সভায় উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের অবহিত করা হবে বলে সভায় সিন্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠু ভাবে পালনের লক্ষ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষ যেকোন ধরনের সিন্ধান্ত নিলে এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ কোন ধরনের হস্তক্ষেপ করবেন না বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সুফিয়ান চৌধুরীর মৃত্যুতে কানাইঘাট উপজেলা আ'লীগ নেতৃবৃন্দের শোক


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ানের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন কানাইঘাট উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ। এক শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ানের মৃত্যুতে সিলেটবাসী একজন সৎ সর্বজন শ্রদ্ধেয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছেন যা কখনও পুরণ হওয়ার মতো নয়। সেই সাথে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একজন নিবেদিত প্রাণকর্মীকে হারিয়েছে। শোকদাতারা হলেন, উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক লোকমান হোসেন, রফিক আহমদ, ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, জলাল আহমদ, এড. আব্দুস সাত্তার, এড. মামুন রশিদ, ফখরুদ্দিন শামীম, রিংকু চক্রবর্তী প্রমুখ।

সুফিয়ান চৌধুরীর মৃত্যুতে কানাইঘাট উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান এর শোক


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক, সিলেটের সর্বজন শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবীদ আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা। এক শোক বার্তায় রানা বলেন বর্ষীয়ান এই রাজনিতীবিদের সিলেটের রাজনীতিতে তার অনেক অবদান রয়েছে। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কানাইঘাট বড় চতুল চৌধূরী বাড়ী জামে মসজিদের উদ্বোধন


নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রায় ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে পুননির্মিত কানাইঘাট উপজেলার বড় চতুল গ্রামের চৌধুরী বাড়ী মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে। গত বুধবার যোহরের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধূরী,কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া,কানাইঘাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম,৫নং বড় চতুল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হামিদুল হক,কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম (মোল্লা)
কানাইঘাট দারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা শামসুদ্দিন দূর্লভপুরী,মাওলানা হারুনুর রশীদ,মাওলানা শাহাব উদ্দিন,মাওলানা আব্দুল লতিফ সৌদি প্রবাসীর ছেলে এহসানে এলাহীসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য এ মসজিদটিতে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের স্থান সংকুলান না হওয়ায় উপজেলার আগফৌদ গ্রামের সৌদি প্রবাসী ইয়াহইয়ার সার্বিক সহযোগীতায় প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মসজিদের পুননির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।  উল্লখ্য যে, সৌদি প্রবাসী মো: ইয়াহইয়ার সার্বিক সহযোগীতায় ইতোমধ্য কানাইঘাটের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান,মসজিদ মাদ্রাসায় বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আর্থিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এবং সম্প্রতি নিজ অর্থায়নে তার গ্রামের রাস্তা নির্মাণ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন

কানাইঘাট নিউজ ডট কম এর জন্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা শাকুর সিদ্দিকীর কম্পিউটার প্রদান

Kanaighat News on Tuesday, September 8, 2015 | 10:43 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাটের প্রথম অনলাইন দৈনিক কানাইঘাট নিউজ ডট কম পত্রিকার কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে কানাইঘাট এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা, সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী এম.এ শাকুর সিদ্দিকীর পক্ষ থেকে কানাইঘাট নিউজের জন্য একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান করা হয়েছে। গত  রবিবার সিলেটস্থ এন টিভির ব্যুরো অফিসে কানাইঘাট নিউজ ডট কম এর সম্পাদক মাহবুবুর রশিদের কাছে কম্পিউটারটি হস্তান্তর করা হয়। কম্পিউটার হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.এ.হান্নান,এনটিভির ব্যুরো প্রধান ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন(ইমজা)র সভাপতি মঈনুল হক বুলবুল,মোহনা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান মুজিবুর রহমান ডালিম,এডভোকেট মামুন রশীদ,এপেক্সিয়ান জসিম উদ্দিন, প্রবাসী আলমগীর হোসেন,বুরহান উদ্দীন,এটি.এম ফয়েজ, কাদির ফেরদৌছ প্রমূখ।

কানাইঘাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জন্মাষ্টমী উদ্‌যাপিত

Kanaighat News on Saturday, September 5, 2015 | 9:54 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: সনাতন হিন্দু ধর্মের প্রাণ পুরুষ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূতঃ আবির্ভাব জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে কানাইঘাটে শনিবার দিনভর হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগে উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহ ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে কানাইঘাট সনাতন যুব সংঘের উদ্যোগে পৌর শহরে র‌্যালী পরবর্তী দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সনাতন যুব সংঘের সভাপতি শ্রী ভজন লাল দাসের সভাপতিত্বে ও ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের পৌর শাখার আহ্বায়ক বিপ্লব কান্তি দাস অপু, সনাতন যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক সুজন রাম দাসের যৌথ পরিচালনায় উক্ত ধর্মীয় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রিংকু চক্রবর্তী। কানাইঘাট হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, কানাইঘাট পৌর কৃষ্ণ ভক্তবৃন্দ, ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের ইস্কন সিলেটের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রসগৌর দাস ব্রহ্মচারী, মাধব দাস ব্রহ্মচারী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ভানু লাল দাস, দুর্গা কুমার দাস, হরিপদ শর্মা, সলীল চন্দ্র দাস, সুদীপ্ত চক্রবর্তী, বাবুল চন্দ্র দাস,
কানাইঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, মিলন কান্তি দাস। বক্তব্য রাখেন শ্যামল চন্দ্র দাস, বিধান চৌধুরী, লিটন চন্দ্র দাস, নেবুল রুহি, সুমন দাস, বিধান দাস, বিনয় চন্দ্র দাস প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সনাতন ধর্মের বিশ্বাসী বিপুল সংখ্যক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পরমেশর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের পূতঃআবির্ভাব উপলক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অনরূপ ভাবে দিনব্যাপী ধর্মীয় আরাধনা, গীতা পাঠ, কীর্তন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

কানাইঘাট সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় নাসির বিড়ি জব্দ

কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক:
বিজিবি সদস্যরা মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযান চালিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ১,৫০,০০০  (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) পিস ভারতীয় নাসির বিড়ি মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ করেছে। সিলেট ৪১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিওপি কমান্ডার নায়াবে সুবেদার মো: সোহরাব হোসেন এর নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। সিলেট জেলার কানাইঘাট থানার অন্তর্গত ডোনা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় লোহাজুড়ী স্কুলের পিছনে কাঁচা রাস্তার উপর হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ১,৫০,০০০ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার)পিস ভারতীয় শেখ নাসির উদ্দিন পাতার বিড়ি জব্দ করতে সক্ষম হয়।
জব্দকৃত ভারতীয় পাতার বিড়ির আনুমানিক মূল্য ১,৮৭,৫০০ (এক লক্ষ সাতাশি হাজার পাঁচশত) টাকা।

কানাইঘাট কাড়াবাল্লা বিদ্যা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক ও করণিকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট কাড়াবাল্লা বিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি পরীক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশনে ভুলে ভরার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। এজন্য অভিভাবকরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান ও করণিক নিয়ামত হোসেনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতাকে দায়ী করেছেন। অভিযোগে স্কুলের অভিভাবক জয়নাল আবেদীন, আজাদ উদ্দিন চৌধুরী, হানিফা আক্তার রুবি, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, রফিকুল হক, সামছুল হক সহ অসংখ্য অভিভাবকরা জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান ও করণিক নিয়ামত হোসেন ইচ্ছে মাফিক স্কুল পরিচালনা করছেন। জেএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে রেজিষ্ট্রেশনের নামে ৪শত টাকা জনপ্রতি প্রধান শিক্ষক ও করণিক নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে স্কুলের মেয়াদোত্তীর্ণ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফখরুজ্জামান চৌধুরী কোন ভূমিকা পালন করছেন না। পিএসসি পরীক্ষায় পাশ করে স্কুলে ভর্তিকৃত এবারের জেএসসি পরীক্ষার্থীদের নাম ও পিতা/মাতার নাম সহ অসংখ্য ক্ষেত্রে ভুল হওয়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন অভিভাবকরা। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বরাবরে এব্যাপারে অভিভাবকরা অভিযোগ দেওয়ার পরও ভুল সংশোধনে প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান কোন উদ্যোগ নিচ্ছেন না। এছাড়া অভিভাবকদের অভিযোগ স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে আসেন না। আসলেও দেরীতে আসেন। স্কুলের শিক্ষার সার্বিক সুষ্ঠু পরিবেশ এতে করে চরম ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া ডাচ ব্যাংকের বৃত্তির আবেদনে শিক্ষার্থীদের নাম, পিতা/মাতার নামে ভুলে ভরা বলে অভিভাবকদের অভিযোগ। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানিয়েছেন অভিভাবকরা। এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করে বলেন, জেএসসি পরীক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশনে কিছুটা ভুল রয়েছে, তা সংশোধনের চেষ্টা চলছে। স্কুলের কার্যক্রম সঠিক ভাবে চলছে বলে দাবী করেন তিনি। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফখরুজ্জামান চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। তারপরও স্কুরের স্বার্থে তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

প্যারিসে ব্যাংকার ইকবাল চৌধূরীকে সংবর্ধনা


দেলওয়ার হোসেন সেলিম, প্যারিস (ফ্রান্স) থেকেঃ ফ্রান্সের প্যারিসে সিলেটের কানাইঘাটের কৃতি সন্তান, লন্ডনে কর্মরত ব্যাংক কর্মকর্তা আহমেদ ইকবাল চৌধুরীর প্যারিস সফর উপলক্ষে এক সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্যারিসে অবস্হানরত কানাইঘাটবাসীর উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেমবর) সন্ধ্যায় স্হানীয় গারে দু নর্দের একটি অভিজাত রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব হাজী জালাল খান। সাংবাদিক দেলওয়ার হোসেন সেলিমের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন শমসুল ইসলাম সমসু, সুয়েব আহমদ, এনাম আহমদ, আজমল চৌধুরী, আফজল চৌধুরী, আহমেদ মুরাদ চৌধুরী, জাবেদ আহমদ প্রমুখ। সংবর্ধিত ব্যাক্তিত্ব আহমেদ ইকবাল চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, প্রবাসীরা শ্রম ঘামে অর্জিত রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়ে জন্ম ভুমির অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছেন। দিন দিন এ রেমিটেন্সের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। এতে দেশে প্রবাসীদের আত্মীয় স্বজনদের দুঃখ কষ্ট লাগব হচ্ছে। তিনি দেশে প্রবাসী পররিবার পরিজনের মৌলিক অধিকার সহ তাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যে সরকারের কাছে জোর দাবী জানান।

সিলেট ট্যাক্সেস এমপ্লয়িজ কর্মচারী এসোসিয়েশন এর কমিটি গঠন


সিলেট ট্যাক্সেস এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারীর পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ২৯-০৮-২০১৫ইং রোজ শনিবার সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে ৩য় শ্রেণী কর্মচারী সভাপতি মোঃ আফতাব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুল হক, এবং ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সভাপতি আব্দুল মতিন চৌধুরী ও আবুল কালামকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারীদের দুটি কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী কমিটির সহ-সভাপতি সালাহ উদ্দিন,আব্দুল মোমিন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোঃ হিফজুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক জনাব রামানুজ দাস, অর্থ সম্পাদক জয়নাল উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক উত্তম কুমার তালুকদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সীমা রানী নাথ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ কাওছার হোসেন, ত্রান ও সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক শান্তনু চৌধুরী মিশু, সদস্য মোহাম্মদ উল্লাহ, জনাব গোলাম ফারুক, সুমনুর রশীদ, জয়নাল আবেদীন, জনাব প্রীতিশ চন্দ্র দাস। এদিকে ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ ফয়জুল হাসান, মোঃ জাহেদুর রহমান, যুগ্ম সাধারল সম্পাদক মোঃ রবিউল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন হোসেন, অর্থ সম্পাদক রতন চন্দ্র বর্মন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ময়না মিয়া, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সাজেদা বেগম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, ত্রান ও সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল মালেক, সদস্য মোঃ দরবেশ আলী, মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, মোঃ এমরানুল ইসলাম, মোঃ নাজির আহমদ, জ মোঃ আজিজুল বারী।(বিজ্ঞপ্তি)

কানাইঘাটে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি

Kanaighat News on Thursday, September 3, 2015 | 10:22 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া কানাইঘাট পৌর শহর এবং কানাইঘাট-দরবস্ত সড়কের নিচুঁ স্থান থেকে নেমে গেলেও উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামীণ রাস্তাঘাট বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এখনও শত শত মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। উপজেলা জুড়ে বন্যার পানিতে বিস্তীর্ণ আমন ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। শত শত হেক্টর ফসলী জমি বিনষ্ট হওয়ার পথে। এতে করে কৃষকের মাঝে হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার পানি ধীর গতিতে কমার কারনে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এখনও অসংখ্য মানুষ বাড়ী ঘর ছাড়া। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া গ্রামীন রাস্তা ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। সরকারী ভাবে বন্যা দুর্গতদের মাঝে অদ্যবধি পর্যন্ত সরকারী ভাবে কোন ত্রান সামগ্রী বরাদ্ধ দেওয়া হয় নি। কানাইঘাটকে বন্যা দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবী জানিয়েছেন উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ।

কানাইঘাটে বিএনপির প্রতিষ্টাবার্ষিকী পালিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বাষির্কী উপলক্ষ্যে গত মঙ্গলবার বিকাল ২টায় পৌরসভাস্থ আল-রিয়াদ কমিউনিটি সেন্টারে কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও সমাবেশ আনুষ্টিত হয়েছে। বন্যার পানি অতিক্রম করেও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শতাধিক নেতাকর্মী প্রতিষ্টাবার্ষিকী আনুষ্টানে যোগদান করেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুন রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম ও জেলা ছাত্রদল নেতা বর্তমান আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব আবুল বাশারের যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, পৌর বিএনপির সভাপতি কাউন্সিলর হাজী শরীফুল হক,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হোসেন বুলবুল, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মখলিছুর রহমান, ডঃ আবু শহিদ সিকদার, কুতুব উদ্দিন সিকদার, আব্দুল মতিন সিকদার, যুন্মসম্পাদক কামাল উদ্দিন, কামাল উদ্দিন মেম্বার, সহসাংগঠনিক সম্পাদক কাওছার আহমদ বাঙ্গালী, প্রচার সম্পাদক বখতিয়ার চৌঃ, সহদপ্তর সম্পাদক শফিকুর রহমান মেনন, পৌর বিএনপির সহসভাপতি হাজী আবুল বশর, সহসাংগঠনিক নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জালাল আহমদ জনি, কানাইঘাট ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আমিনূল ইসলাম রাজা, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন, মুশফিক হাসান কবির, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাহেদ আহমদ, কাওসার আহমদ, শাহআলম, তাজরিয়ান আহমদ রিয়াজ, আব্দুল কাদির, পাভেল আহমদ প্রমুখ। প্রতিষ্টাবার্ষিকী অনুষ্টানে বক্তারা সরকারকে ইঙ্গিত করে বলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাথে যে, প্রতিশ্রতি দেওয়া হয়েছিল সে প্রতিশ্রতি অনুযায়ী সরকারকে দ্রত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের উদ্যেগ নেওয়ার আহবান জানান তারা। বক্তারা আরো বলেন ৫জানুয়ারীর পূর্বে নিবার্চনের ব্যবস্থা না করলে সরকারের জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করছে বলে হুশিয়ারী উচ্চারন করেন।

কানাইঘাটে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি

Kanaighat News on Tuesday, September 1, 2015 | 10:59 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও অভিরাম টানা বৃষ্টিপাতের ফলে কানাইঘাট উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারন করেছে। সুরমা, লোভা, আমরি, কুশিয়ারা নদীর পানি অব্যাহত ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় মঙ্গলবার নতুন করে উপজেলার প্রায় শতাধিক গ্রাম ও কানাইঘাট পৌর শহরে বানের পানি ঢুকে পড়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ঘর আক্রান্ত হয়েছে। কানাইঘাট-দরবস্ত সড়কের নিচু স্থান তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। উপজেলার বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছে পল্লীবিদ্যু কর্তৃপক্ষ। উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অভ্যন্তরীন রাস্তা ঘাট বন্যার পানিতে নতুন করে তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। শত শত মানুষ বাড়ী ঘড় ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন। সুরমা নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় বসবাস করছেন। উপজেলার পৌরসভা, কানাইঘাট সদর, বানীগ্রাম, লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম, ঝিঙ্গাবড়ী ও রাজাগঞ্জ ইউপির বিভিন্ন স্থানে সুরমা নদীর ডাইকে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে এতে আতংকিত হয়ে পড়েছেন লোকজন। কয়েক হাজার হেক্টর আমন ধানের মাঠ বানের পানিতে সম্পূর্ণ ভাবে তলিয়ে গেছে। পানি অব্যাহত ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া ও কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার কানাইঘাটে সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ১.৫ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া সরেজমিনে উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করলেও অদ্যবধি পর্যন্ত সরকারী ভাবে বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য সরকারী ভাবে কোন ত্রান সামগ্রি বরাদ্ধ দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ জানিয়ছেন দিনে দিনে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় তাদের এলাকার ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সম্ভাবনা রয়েছে। বন্যার্থদের জন্য কোন ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্ধ না দেওয়ায় তারা দুর্গতের নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন। দ্রুত সরকারী ভাবে ত্রান বরাদ্ধের দাবী জানিয়েছেন তারা। লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, লক্ষপ্রসাদ পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান ডাক্তার ফয়াজ আহমদ দিঘীরপার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, সাতবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার ফয়জুল ইসলাম, সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, বানীগ্রাম ইউপি চেয়রম্যান শাহাব উদ্দিন, ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌধুরী ও রাজাগঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান ডাক্তার মানিক মিয়া কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন তাদের নিজ নিজ ইউনিয়নের ৯০ ভাগ ফসলি জমি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। অভ্যন্তরীন কাঁচা ও পাকা রাস্তা ঘাটের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

স্বামীর সাথে অভিমান করে কানাইঘাটে ৩ সন্তানের জননীর আত্মহত্যা


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপির দর্জিমাটি গ্রামের ওমান প্রবাসী লোকমান আহমদের স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী আমেনা বেগম (২৭) স্বামীর সাথে অভিমান করে বিষাক্ত কীটনাষক পান করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। কানাইঘাট থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রাতে দর্জিমাটি গ্রামের ওমান প্রবাসী লোকমান আহমদের স্ত্রী আমেনা বেগম স্বামীর সাথে মোবাইল ফোনে আলাপ নিয়ে অভিমান করে বিষাক্ত কীটনাষক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তাকে মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় শশুড় বাড়ীর লোকজন রাতেই সিওমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার সকালে মারা যান আমেনা বেগম। খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ নিহতের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। আমেনা বেগমের দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। এব্যাপারে কানাইঘাট থানায় জিডি মূলে সোমবার অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩