কানাইঘাটে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

Kanaighat News on Tuesday, March 31, 2015 | 10:55 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক :কানাইঘাট
উপজলার গাছবাড়ীস্থ তিনসতি
গ্রামের এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন।
বৃদ্ধের নাম বশীর উদ্দিন (৫৫)।আজ
সকালে ফজরের নামাজ আদায় করে
বাড়ীর পার্শে একটি গাছের সাথে
গলায় রশি বেঁধে আত্মহত্যা করেন
বলে জানা গেছে। পারিবারিক ও
থানা সূত্রে জানা যায়, তিনি
র্দীঘদিন ধরে মানসিক রোগে
ভোগছিলেন।

কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় কমিটির সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক:কানাইঘাট উপজেলা
পরিষদের বার্ষিক সমন্বয় কমিটির
সভা মঙ্গলবার বেলা ১টায় উপজেলা
কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
আশিক উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে
ও নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক
মোহাম্মদ জাকারিয়ার পরিচালনায়
মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায়
উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের
ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম
রানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান
মরিয়ম বেগম, কানাইঘাট সদর ইউপি
চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম,
বানীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব
উদ্দিন, ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপি
চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌধুরী,
রাজাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ
মানিক মিয়া, দিঘীরপার ইউপি
চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী,
লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি
চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী,
লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান
ডাক্তার ফয়েজ আহমদ সহ কমিটির
সকল সদস্যবৃন্দ।
সমন্বয় সভায় উপজেলার চলমান
উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড অত্যন্ত সচ্ছতার
সহিত দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জনকল্যাণে
নেওয়া সরকারের সকল সেবা জনগণের
দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা এবং
জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন সভার
সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান
আশিক উদ্দিন চৌধুরী ও নির্বাহী
কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ
জাকারিয়া।
এছাড়া মাসিক সমন্বয় কমিটির সভার
পূর্বে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও
চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা
অনুষ্ঠিত হয়।
কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত)
শফিকুল ইসলাম, লোভাছড়া, সুরাইঘাট
ও দনা বিজিবি ক্যাম্পের উর্ধ্বতন
কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও কমিটির
সদস্যদের উপস্থিতিতে সভায়
উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলার
উন্নয়ন ও চোরা চালান প্রতিরোধ এবং
শান্তি সম্প্রীতি রক্ষার্থে আইন
শৃঙ্খলা বাহিনীকে সার্বিকভাবে
সহযোগিতা করার জন্য
জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান
জানানো হয়।

বিহারে বজ্রপাতে ১৫ জনের প্রাণহানি


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিহার রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় গতকাল সোমবার বজ্রপাতে ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে রাজ্যের কোসি এলাকায় ১৩ জন এবং পাটনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় আরো দুই জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, মাধুবনি, দারহাঙ্গা ও পুর্নিয়া জেলার ব্যাপক অংশের পাশাপাশি নালন্দা, জেহানাবাদ ও মুনজার জেলায় বজ্রবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বর্ষণ ও প্রচণ্ড বাতাসে গাছপালা উপড়ে গেছে। বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে গেছে। আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টিতে গম ও ভুট্টা ক্ষেতের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

৫৫ জেলায় চালু হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক ল্যান্ড রেকর্ডস সিস্টেম


ঢাকা: দেশের ৫৫টি জেলায় ইলেক্ট্রনিক ল্যান্ড রেকর্ডস অ্যান্ড সার্ভে সিস্টেম (ইএলআরএস) বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পওয়ারী বাস্তবায়ন অগ্রগতি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভায় জানানো হয় ২৫১টি গুচ্ছগ্রামে ১০ হাজার ৬২০টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। সভায় মন্ত্রী বলেন, জুন ২০১৫ এর মধ্যে ৩০টি পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য একটি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ, ৪৬টি মাল্টিপারপাস হল নির্মাণ, ১০টি নলকূপ স্থাপন, ৭৬৬০টি উন্নত চুলা, ৩০টি কবুলিয়ত দলিল প্রদান করা হবে। ভূমিমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে নারীর অধিকার নিশ্চিত করা এবং পুনর্বাসিত পরিবারের সামাজিক নিরাপত্তা বিধানসহ তাদের শিক্ষা ও আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিক হতে হবে। সভায় আরও জানানো হয়, সারাদেশে সরকার ২০৭টি মাল্টিপারপাস হল, ১১২০টি টিউবওয়েল ও ১০ হাজার ৬৫০টি পরিবারের মাঝে ভূমি ও গৃহের কবুলিয়ত দলিল প্রদান করা হয়েছে। ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিএস, এসএ, আরএস খতিয়ানসমূহ ভূমি মালিকদের সহজে সরবরাহ করার লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ৮২ লাখ ৮৮ হাজার খতিয়ানের ডেটা এন্ট্রি করা হয়েছে এবং তা সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫৫টি জেলায় ইলেক্ট্রনিক ল্যান্ড রেকর্ডস অ্যান্ড সার্ভে সিস্টেম (ইএলআরএস) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ছয়টি বিনিয়োগ প্রকল্প ও তিনটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্পসহ মোট ৯টি প্রকল্পের অনুকূলে আরএডিপিতে ৮৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ আছে। বরাদ্দকৃত অর্থের বিপরীতে মার্চ ২০১৫ পর্যন্ত মোট ২৯ কোটি ৯৭ লাখ ৫৭ হাজার টাক ব্যয় হয়েছে যা মোট বরাদ্দের ৩৪.৬৩ ভাগ। ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোয়েজ্জদ্দীন আহম্মেদ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আ. জলিল, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আকরাম হোসেন, যুগ্মসচিব পুণ্যব্রত চৌধুরী, জাতীয় প্রকল্প পরিচালক জিল্লুর রহমান, শামসুল আলম ও সিরাজ উদ্দীন আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন।

আহমদ হুসাইন চতুলীর অবদান আলেম সমাজ চিরদিন স্মরণ রাখবে – আল্লামা আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসার নাইবে মুহতামিম শায়খুল হাদীস আল্লামা আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী বলেছেন, আঞ্জুমানে মঈনুল ইসলাম চতুলের প্রতিষ্ঠাতা মাও.আহমদ হুসাইন আত্হর চতুলী (রহ.) ইসলামের খেদমত ও প্রচার প্রসারে যে অবদান রেখে গেছেন এদেশের হক্বানী উলামায়ের কেরাম তাঁর এ অবদান চিরকাল স্মরণ রাখবে। আল্লামা দুর্লভপুরী আরো বলেন, বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার অগ্রদূত। বর্তমান এই ঘুণেধরা সমাজ থেকে সর্বপ্রকার অন্ধকার দূরীকরণে মহা নবী (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামগনের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নে প্রতিটি মসজিদ ও মক্তবের আলেম ও উলামাগণকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আল্লামা আলিম উদ্দিন দুর্লভপুরী গতকাল সোমবার বিকেল ৫টায় স্থানীয় চতুল বাজার প্রাঙ্গণে জৈন্তার চারণ কবি মাও.আহমদ হুসাইন আত্হর চতুলী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত আঞ্জুমানে মঈনুল ইসলাম বৃহত্তর চতুলের উদ্যোগে আয়োজিত সীরাতুন নবী (সা.) মহা সম্মেলন ও ইমাম কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। আঞ্জুমানে মঈনুল ইসলামের সভাপতি মাও. আব্দুর রহমান আরিফের সভাপতিত্বে এবং মাও. ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলী এবং আঞ্জুমানের সাধারণ সম্পাদক মাও. নূরুল ইসলাম নোমানীর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ ধর্মীয় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.এ হান্নান, আলেম উলামাদের মধ্যে আল্লামা মাহমুদুল হাসান রায়গড়ী, আল্লামা শিহাব উদ্দীন চতুলী, আল্লামা মুফতি আবুল কালাম জাকারিয়া, মাও. সাজিদুর রহমান বিবাড়ীয়া, মাও. নজরুল ইসলাম তোয়াকুলী, মাও.মাহবুব আহমদ, মাও.শাহ্ নজরুল ইসলাম। সুধীবৃন্দের মধ্যে যুব নেতা মাও.আবুল হুসাইন চতুলী, কিউএম. র্ফরুখ আহমদ ফারুক, সাংবাদিক আব্দুন নূর, নিজাম উদ্দীন প্রমুখ। সম্মেলনে বৃহত্তর চতুলের ৪৫টি সবাহী মক্তবের বোর্ডে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮৪৫ জন ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণ করেন মাও. তাহির আহমদ, মাও. বদরুল আলম, মাও. আব্দুল্লাহ বাহার, মাও.আব্দুল মালিক, মাও.আব্দুল্লাহ হারাতৈলী প্রমুখ। এছাড়া সম্মেলনে ৫০জন মসজিদের ইমামকে সম্মাননা সরূপ পাগড়ী প্রদান করা হয়। ইমাম কনফারেন্সের পূর্বে সকাল ১১টায় এলাকার প্রতিটি মসজিদের ইমামদের নেতৃত্বে প্রায় ১০হাজার ছাত্র/ছাত্রী আঞ্জুমানের নির্ধারিত শ্লোগানে শ্লোগানে র‌্যালী সহকারে চতুলের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

আল কায়দা জঙ্গিদের দখলে সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশ

Kanaighat News on Sunday, March 29, 2015 | 8:43 PM


আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মতো ইদলিব শহরের দখল নিয়েছে আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট নুসরা ফ্রন্টসহ কয়েকটি ইসলামপন্থি জঙ্গি বিদ্রোহী গোষ্ঠি। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস’ ও বিদ্রোহী যোদ্ধারা শনিবার এ খবর জানিয়েছে। সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রাদেশিক রাজধানী ইদলিব দখলের মাধ্যমে কট্টর ইসলামিপন্থি বিদ্রোহীরা রাক্কা প্রদেশের পর দ্বিতীয় প্রদেশ ইদলিবেরও দখল নিল। রাক্কা প্রদেশটি ইরাক ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর দখলে আছে। জঙ্গি ইসলামপন্থি বিদ্রোহী গোষ্ঠি নুসরা ফ্রন্ট, আহরার আল ইসলাম আন্দোলন এবং জুন্দ আল আকসা মিলে ইসলামপন্থি সুন্নি বিদ্রোহী গোষ্ঠিগুলোর একটি জোট গঠন করেছে, তবে এ জোটে আইএস নেই। আইএস তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী। গত মঙ্গলবার ইদলিব দখলে নেয়ার জন্য হামলা শুরু করেছিল বিদ্রোহী জোটটি। তবে ইদলিবের পতনের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সিরীয় কর্মকর্তাদের মন্তব্য জানা যায়নি। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, লড়াই চলছে এবং সেনাবাহিনী শহরটির উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ দিক থেকে অগ্রসরমান বিদ্রোহীদের রুখে দিয়েছে। সেনাবাহিনীর পাল্টা হামলায় কয়েকশত বিদ্রোহী নিহত হয়েছে জানিয়ে দেশটির রাষ্ট্রিয় টেলিভিশন বলেছে, ‘পরিস্থিতি আগের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সেনাবাহিনী মরণপণ লড়াই করছে।’ ইদলিব দখলের জন্য হামলাকারী জঙ্গি বিদ্রোহী বাহিনীগুলোর ইন্টারনেটে পোস্ট করা ভিডিওতে জঙ্গি বিদ্রোহী যোদ্ধাদের ইদলিবের রাস্তাগুলোতে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। ভিডিওটিতে বলা কথাতে ওই বিদ্রোহীরা দাবী করেছেন, তারা শহরের কেন্দ্রস্থলে আছেন। ভিডিওতে বিদ্রোহীদের সরকারি বাহিনীর বেহাত হওয়া এক কমপাউন্ডে দাঁড়িয়ে বাতাসে গুলি ছুঁড়তে ও চিৎকার করে ‘আল্লাহু আকবর’ বলতে শোনা গেছে। সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক ও সবচেয়ে বড় শহর আলেপ্পোর মধ্যে সংযোগকারী একটি মহাসড়কের কাছে ইদলিব শহরের অবস্থান। এই মহাসড়ক থেকে আরেকটি সড়ক সিরিয়ার উপকূলীয় প্রদেশ লাতাকিয়ার দিকে চলে গেছে। লাতাকিয়া সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের নিজের প্রদেশ।

সুইডেনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করছে সৌদি আরব


আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: সুইডেনে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ফেরত পাঠানোর মধ্য দিয়ে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল আরাবিয়া এ খবর জানিয়েছে। আল আরাবিয়ার এ খবর সুইডিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে ওই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুক্রবার সুইডিশ একটি প্রতিনিধি দল সৌদি বাদশার সঙ্গে দেখা করেছেন। তারা বাদশাকে আশ্বস্ত করেছেন, সম্প্রতি সুইডিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারগট ওয়ালস্ট্রর্মের করা মন্তব্য সৌদি আরব বা ইসলামক ধর্মকে হেয় করে করা হয়নি। এক বিবৃতিতে ওয়ালস্ট্রর্ম বলেছেন, ‘দুদেশের মধ্যে সস্পর্ক স্বাভাবিক করতে আমরা সৌদি রাষ্ট্রদূতকে শিগগিরই স্টকহোমে ফিরতে দেখবো বলে আশা করছি।’ সম্প্রতি সুইডেন, নারী ও ভিন্নমতালম্বীদের প্রতি সৌদি রাজপরিবারের আচরণের সমালোচনা করায় চলতি মাসের প্রথমদিকে দেশটি থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নেয় সৌদি আরব। মানবাধিকার আন্দোলনকারী ব্লগার রাফি বাদাবিকে বেত্রাঘাতের শাস্তি দেয়ায় জানুয়ারিতে নিজ ট্যুইটে এর সমালোচনা করেছিলেন ওয়ালস্ট্রর্ম। এই শাস্তিকে ‘মতপ্রকাশের আধুনিক ধরনকে স্তব্ধ করে দেয়ার এক নির্দয় উদ্যোগ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। নারীদের গাড়ি চালাতে না দেয়া ও বহু বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য পুরুষদের উপর নির্ভর করার সৌদি নীতিরও সমালোচনা করেছিলেন তিনি। এর প্রতিক্রিয়ায় আরব লিগে ওয়ালস্ট্রর্মের ভাষণ দেয়ার কার্যসূচি বাতিল করে সৌদি আরব। সৌদি সিদ্ধান্তের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় স্টকহোম সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি বাতিল করে। তবে সৌদি আরবের নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে আরব দেশগুলোর মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা কমে আসবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলেনা জাহাঙ্গীর


ঢাকা: সিটি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। রবিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। নিচে হুবহু তার স্ট্যাটাস তুলে ধরা হল:- ‘নিরন্তর শুভেচ্ছা। আপনার নিশ্চয়ই জানেন, আমি একজন রাজনীতির বাইরের মানুষ। পুরোমাত্রায় ব্যবসায়ী ও নারী উদ্যোক্তা আমি। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে আছি অনেকদিন। আপনাদের অনেকের মতোন আমিও এই ঢাকা শহরের বাসিন্দা। এই শহরেই আমার বড় হওয়া। ঢাকা আমার প্রাণের শহর, প্রিয় শহর। ভালোলাগা আর ভালোবাসার শহর। আমার সুখ দুখের সঙ্গী এই ঢাকা। সেই ভালোলাগা থেকে, একটি ইতবাচক পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে, ঢাকার পুরনো চেহারা বদলে একটি আধুনিক ঢাকায় রূপ দিতে, ঢাকা উত্তর থেকে এবারের ডিসিসি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চেয়েছিলাম আমি। সে অনুযায়ী মনোনয়ন পত্রও নিয়েছিলাম। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই ব্যাপক সাড়াও পেয়েছিলাম। ভাই, বোন, বন্ধু, আত্মীয়, স্বজন- যে যার মতো করে পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন আমার। নির্বাচনকে ঘিরে চেনা, না চেনা অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা আমার জীবনের পরম প্রাপ্তি। নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি যখন সম্পন্ন, ঠিক তখন আমার এবং আমার পরিবারের জন্য একটি খবর বেদনার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার শ্বশুড় গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে এখন ভর্তি। তিনি এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। লাইভ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে তাকে। এ ঘটনায় আমার এবং আমার পরিবারের সবারই মন ভারাক্রান্ত । এ অবস্থায় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ভাই, বোন, বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনদের অনেকের সঙ্গে এ নিয়ে পরামর্শ করেছি। বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে সবাই এই মুহুর্তে মেয়র নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আমিও তাদের এই মতামত মেনে নিয়েছি। তাই সব প্রস্তুতি নিয়েও শেষ মুহুর্তে এসে আমি মনোনয়নপত্র জমা না দিয়ে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আগেও বলেছি, নির্বাচিত হলেও মানুষের পাশে থাকবো। না হলেও মানুষের পাশে থাকবো। নির্বাচন না করলেও আমি প্রিয় ঢাকাবাসীসহ সাধারণ মানুষের পাশে থাকবো আমার সাধ্যমতো। এ আমার অঙ্গীকার। আমি নিশ্চিত এবার মাঠে ভোটের লড়াইয়ে দেখা না হলেও, কোনো না কোনও এক সময় আবার দেখা হবে, আগামীর পথে, কোনও এক শুভ দিনে। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনই হবে আমার সেই পথ চলায় সঙ্গী।’

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ৪৭ জন


ঢাকা: আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৬ জন প্রার্থী। ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র কিনলেও ৫ জন তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেননি। অপরদিকে ঢাকা উত্তরে ৩০ জন মনোনয়ন কিনলেও জমা দিয়েছেন ২১ জন। মনোনয়নপত্র জমার শেষদিন রবিবার সন্ধ্যায় উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন কার্যালয় থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। রাজধানীর গুলিস্তান মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা দক্ষিণের রিটার্নিং অফিসার মিহির সরওয়ার মোর্শেদ রবিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য যা যা করা প্রয়োজন তাই করা হবে। মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে শোডাউন অবস্থায় ছিলেন। আপনারা দেখেছেন। এই ধরনের শোডাউনের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মিছিল-জনসভা করা নিষেধ। মনোনয়ন দাখিলের মাধ্যমে প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনের ফাইলবন্দি হয়ে গেলেন। এখন আমরা মনিটরিং টিম করবো। এই মনিটরিং টিম মেয়রদের মনিটর করবেন। যাতে কেউ উস্কানীমূলক কিছু করতে না পারে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের মনিটর করা হবে। তবে এসময় তিনি কাউন্সিলর প্রার্থীদের সংখ্যা জানাতে পারেননি। অপরদিকে ঢাকা উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহ আলম সাংবাদিকদের মেয়রদের প্রার্থীদের তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, কাউন্সিলর প্রার্থীদের হিসেব এখনো করা যায়নি। হিসাব-নিকাশ করে পরে জানানো হবে। ঢাকা দক্ষিণের মনোনয়নপত্র জমা দানকারী প্রার্থী: আকতারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ, মো. আব্দুল খালেক, মো. জাহিদুর রহমান, আবু নাছের মুহাম্মদ মাসুদ হোসাইন, মো. বাহারানে সুলতান বাহার, এএসএম আকরাম, শাহীন খান, দিলীপ ভদ্র্র, মো. শহীদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, মো. বাবুল সরদার চাখারী, মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী, মো. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ পিন্টু, মো. আবদুর রহমান, মো. আব্দুস সালাম, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, বজলুর রশীদ ফিরোজ, মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, মশিউর রহমান, এএম আসাদুজ্জামান রিপন, মো. ইমতিয়াজ আলম, মো. গোলাম মাওলা রনি, মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আয়ুব হুসেন ও কাজী আবুল বাশার। এছাড়া কাজী মো. সাইদুর রহমান মানিক, সৈয়দ শাহ আলম, হাজী মো. সেলিম, মো. সেলিম ভূঞা ও শাহীন মিয়া মনোনয়নপত্র তুললেও জমা দেননি। ঢাকা উত্তরের মনোনয়নপত্র জমা দানকারী প্রার্থী: শামছুল আলম চৌধুরী, চৌধুরী ইরাদ আহমদ সিদ্দিকী, আবদুল্লাহ আল ক্বাফী, ববি হাজ্জাজ, এ ওয়াই এম কামরুল ইসলাম, বাহাউদ্দিন আহমেদ, নাদের চৌধুরী, কাজী মো. শহীদুল্লাহ, আবদুল আওয়াল মিন্টু, মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, মো. নাঈম হাসান, আনিসুল হক, সারাহ বেগম কবরী, মো. আনিসুজ্জামান খোকন, তাবিথ আওয়াল, মো. জামান ভূঞা, শেখ শহিদুজ্জামান, মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকী, মাহী বদরুদ্দোজা চৌধুরী, শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ ও মোস্তফা আজাদী। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি যারা তারা হলেন : মাহমুদুর রহমান মান্না, হেলেনা জাহাঙ্গীর, আতিকুর রহমান নাজিম, মো. একলাস উদ্দিন মোল্লা, মো. তাইফুল সিরাজ, মো. আবু তাহের, ফকির শেখ মুসলিম উদ্দিন আহমদ, মাহবুবুর রহমান ও আমিনুল ইসলাম বুবু।

সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে ইসলামি সংস্কৃতি


ইসলাম ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: সংস্কৃতি সভ্যতার অলঙ্কার, প্রধান-উপজীবিকা। সমাজ ও রাষ্ট্রের গতি সঞ্চালক। জাতি-গোষ্ঠীর বিশ্বাস ঐতিহ্যের প্রতীক। জন্মগতভাবেই মানুষ সংস্কৃতির অনুগামী। মানব সভ্যতার সূচনা থেকেই পৃথিবীতে সংস্কৃতির পদযাত্রা শুরু। ইসলাম সংস্কৃতিকে ঐতিহ্যকে দুর্বল ভিতের ওপর ছেড়ে না দিয়ে ইমান-আকিদার শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়েছে। একটি সার্বজনীন ও কল্যাণকর রূপদান করেছে ইসলাম। ইসলামে মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ জীব। তাই মানবজীবনের কোনো কাজই অর্থহীন হতে পারে না। সংস্কৃতি বৈচিত্র্যময়। প্রত্যেক জাতি-গোষ্ঠী ও সমাজের একটি নিজস্ব ঐতিহ্য সংস্কৃতি আছে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন-‘আমি প্রত্যেক জাতিকে দান করেছি নিজস্ব ধর্ম ও জীবনাচার।’ (সূরা মায়েদা-৪৮)। ইসলামি সভ্যতা সংস্কৃতির প্রাণ হলো আল্লাহর প্রতি অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস। ইরশাদ হচ্ছে, ‘জেনে রেখ নিরঙ্কুশ প্রাপ্য হলো আল্লাহর আনুগত্য।’ (সূরা জুমার-৩)। এমনিভাবে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনাদর্শের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষকে মানবিক দাসত্ব মুক্তি দেওয়া। আলোকিত জীবনের পথ দেখানো। কেননা, একমাত্র আল্লাহর জন্যই গোলামি করতে হবে। অপর আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি যাদের সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষের জন্য। তোমরা ভালো কাজের আদেশ করবে, মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখবে। (সূরা-আল ইমরান-১১০)। আফসোস! বর্তমানে মুসলিম জাতি ধ্বংসাত্মক সংস্কৃতি ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারী জীবন দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বিশ্ব নেতৃত্ব থেকে ছিটকে পড়েছে। ইসলামে কোনো সংকীর্ণতা নেই। মানুষকে সব ধরনের বৈধ বিনোদনের অনুমতি দিয়েছে। শিল্প-সাহিত্য, খেলাধুলা ও সংগীত সব ক্ষেত্রেই। তবে তা মানুষের জন্য উপকারী হতে হবে। আজ বিশ্বায়নের যুগে সংস্কৃতিমুক্ত মঞ্চে সমগ্র বিশ্ব যেভাবে ভোগবাদীর সংস্কৃতি গ্রহণ করছে বিশেষ করে মুসলিম উম্মাহ, তাতে আজ ইসলামি সভ্যতা ও সংস্কৃতি হুমকির মুখে। তাই আমাদের সর্বক্ষেত্রে সুস্থ ধারার ইসলামি সংস্কৃতি গ্রহণ করতে হবে।

কানাইঘাটে ডিজিটাল মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেছেন, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সব ধরনের সেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ডিজিটাল প্রক্রিয়া সহজ করন করার লক্ষে এক্ষেত্রে জনগণকে সচেতন করার জন্য সরকারীভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তথ্য সেবার মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরের মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন। এতে একদিকে অর্থের অপচয় রোধ এবং সরকারী অফিস আদালতে দ্রুত সেবা গ্রহনের মাধ্যমে দুর্নীতিও কমেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস চালু হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষকে তথ্য সেবার আওতায় আনার জন্য সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে উপজেলা পর্যায়ে সরকারী উদ্যোগে প্রতিবছর ডিজিটাল মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের সেবার পরিধি আরো গতিশীল করার জন্য তিনি উপজেলা প্রশাসনের প্রতি নির্দেশ প্রদান করেন। জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম রবিবার বিকেল ২টায় একসেস টু ইনফরমেশন (A2i) প্রোগ্রাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সহযোগিতায় এবং কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইউটিডিসি হলে উপজেলা ডিজিটাল মেলা-২০১৫ এর শুভ উদ্বোধন পরবর্তী এক সূধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে ও লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা শাহেদ আহমদের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম, কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, উপজেলা প্রকৌশলী রিয়াজ
মাহমুদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শীর্ষেন্দু পুরকায়স্থ্য। উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিলীপ কুমার শাহা, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, দিঘীরপার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, বাণীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন, ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌধুরী, কানাইঘাট উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাষ্টার কলামিষ্ট মহি উদ্দিন সহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। ডিজিটাল মেলার উদ্বোধনীর আগে জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম উপজেলা নবনির্মিত ভূমি অফিসের রেকর্ড রুমের শুভ উদ্বোধন পরবর্তী কানাইঘাট থানা পরিদর্শন করে ঘুরে দেখেন এবং পুলিশ সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং রায়গড় মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ও পরিদর্শন করেন। এছাড়া জেলা প্রশাসক উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে ফলজ বৃক্ষ রোপনের শুভ উদ্বোধনও করেন। এসময় তার সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডিজিটাল মেলায় মোট ৭টি স্টল অংশগ্রহণ করে। এতে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গ্রুপ প্রথম, কানাইঘাট থানা প্রশাসন দ্বিতীয় ও উপজেলা একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্প তৃতীয় স্থান অধিকার করে তাদের মধ্যে সনদ তুলে দেন প্রধান অতিথি।

ব্রিটিশ মিউজিয়ামে মুসলিম শিল্পকলার দুটি নতুন গ্যালারি


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মুসলিম শিল্পকলা ও ঐতিহ্যকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে দুটি নতুন গ্যালারি চালু করতে যাচ্ছে ব্রিটিশ মিউজিয়াম। বর্তমান বিশ্বে ‘সন্ত্রাসবাদী ও জঙ্গিবাদী’ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে ইসলামের ভাবমূর্তি যে ‘সংকটে পড়েছে’ তা কাটিয়ে উঠতে মুসলিম শিল্পকলার এ প্রদর্শনী সহায়ক হবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা। গ্যালারি দুটি মালয়েশিয়ার আলবুখারি ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে নির্মিত হবে।ব্রিটিশ মিউজিয়ামে মুসলিম শিল্পকলার দুটি নতুন গ্যালারি শিল্পকর্ম, প্রত্নসামগ্রী ও কারুপণ্যের সংগ্রহ ও প্রদর্শনীর বিচারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগ্রহশালাগুলোর একটি ব্রিটিশ মিউজিয়াম। বর্তমানে সুপরিসর এই জাদুঘরের উত্তরাংশের একটি গ্যালারিতেই কেবল মুসলিম শিল্পকলার প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রয়েছে। ওই গ্যালারি দেখতে হলে প্রধান ফটক থেকে বেশ খানিকটা ভেতরে হেঁটে যেতে হয় বলে বিশেষ আগ্রহীরা ছাড়া সেখানে দর্শক সংখ্যা খুব বেশি নয়। কিন্তু মুসলিম শিল্পসংগ্রহের নতুন গ্যালারি দুটি ভবনটির দক্ষিণ অংশে প্রধান ফটকের কাছাকাছি নির্মাণ করা হবে বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে ব্রিটিশ মিউজিয়াম।ব্রিটিশ মিউজিয়ামে মুসলিম শিল্পকলার দুটি নতুন গ্যালারি মালয়েশিয়ার আলবুখারি ফাউন্ডেশন মুসলিম শিল্পসংগ্রহ প্রদর্শনীর জন্য ব্রিটিশ মিউজিয়ামে নতুন দুটি গ্যালারি নির্মাণে অর্থায়ন করছে বলে জানিয়েছে উভয় পক্ষই। তবে, ঠিক কী পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয়েছে বা প্রদান করা হবে সে বিষয়ে জানায়নি কেউই। মালয়েশীয় ফাউন্ডেশনটির চেয়ারম্যান সাইয়েদ মোখতার আলবুখারি বলেছেন, মানুষকে মুসলিম শিল্পকলা ও প্রত্নসামগ্রীর বিষয়ে সচেতন করা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষত ইরাকে ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিদের হাতে ঐতিহাসিক স্থান ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংসের মতো ঘটনা ঘটতে থাকায় এটা এখন অপরিহার্য হয়ে গেছে। এমন ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকলে একসময় আর মুসলিম সংস্কৃতির কোনো নিদর্শন অবশিষ্ট থাকবে না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।ব্রিটিশ মিউজিয়ামে মুসলিম শিল্পকলার দুটি নতুন গ্যালারি আলবুখারি বলেন, জঙ্গিবাদের এই ধ্বংসাত্মক দিকের বিপরীতে মুসলিম সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে তুলে ধরাটা জরুরি। ২০১২ সালে ‘হজ: জার্নি টু দ্য হার্ট অব ইসলাম’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মুসলিম শিল্পকলা নিয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করল ব্রিটিশ মিউজিয়াম। প্রদর্শনীটির পরিচালক নেইল ম্যাকগ্রেগর সংবাদ সম্মেলনে জানান, ওই প্রদর্শনী ১ লাখ ৫০ হাজার দর্শককে আকৃষ্ট করেছিল। তিনি বলেন, এ থেকে স্পষ্টতই বোঝা যায় ব্রিটেনের মানুষের মুসলিম বিশ্বের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার ক্ষুধা আছে। মুসলিম শিল্প সংগ্রহ নিয়ে নতুন এই প্রকল্পের প্রধান কিউরেটর ভেনিটিয়া পোর্টার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মধ্য দিয়েই ব্রিটিশ মিউজিয়াম প্রথমবারের মতো নিজেদের ইউরোপীয় মূল সংগ্রহের সঙ্গে মুসলিম সংগ্রহের সম্পর্ক দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘মুসলিম সংগ্রহশালাটিকে জাদুঘরের কেন্দ্রীয় এলাকায় নিয়ে আসা সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

মৌসুমী জ্বর-ঠান্ডা সারাতে আনারসের জুড়ি নেই


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আকর্ষণীয় সুগন্ধ ও অম্লমধুর স্বাদের জন্য এ ফলটি অনেকের কাছে সমাদৃত। আমাদের দেশে সাধারনত পাকা এ ফলটি খাওয়া হয়। তবে কেউ কেউ কাঁচা আনারসের চাটনি রান্না করে খেয়ে থাকেন। সারাবিশ্বে জনপ্রিয় ফলগুলোর একটি আনারস। সুদূর ব্রাজিল আনারসের জন্মভূমি। পরের গন্তব্য ছিল ইউরোপে। কলম্বাসের হাত ধরে ইউরোপে এসেছিল আনারস। সেখান থেকে পাড়ি দেয় এশিয়ার দিকে। পুষ্টিগুণে আনারস অতুলনীয়। প্রতি ১০০ গ্রাম আনারসে পাওয়া যায় ৫০ কিলোক্যালরি শক্তি। এতে ভিটামিন-এ, বি, সি, ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। ১০০ গ্রাম আনারসে ০.৬ ভাগ প্রোটিন, ০.১২ গ্রাম সহজপাচ্য ফ্যাট, ০.৫ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ১৩.১২ গ্রাম শর্করা, ০.১১ গ্রাম ভিটামিন বি-১, ০.০৪ মি. গ্রাম ভিটামিন-২, ভিটামিন-সি ৪৭.৮ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৮ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ০.০২ গ্রাম, আঁশ ১.৪ গ্রাম এবং ১.২ মিলিগ্রাম লৌহ রয়েছে। আনারস শুধু পুষ্টিগুণেই সমৃদ্ধ নয়। আছে এর বহুমুখী ঔষধিগুণ। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। যেগুলো শরীরের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, আনারসে আছে এক ধরনের অ্যানজাইম। যা প্রদাহ নাশক হিসেবে কাজ করে। আছে প্রচুর ভিটামিন আর মিনারেল। সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথায় আনারস এক মোক্ষম অস্ত্র। জ্বরেরও খুব ভালো ওষুধ আনারস। আর আনারস হজমেও সাহায্য করে। ফলটি সুস্বাদু, রসালো, তৃপ্তিকর এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম। আঁশ ও ক্যালোরিযুক্ত কোলেস্টেরল ও চর্বিমুক্ত ফলটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জুড়ি নেই। ভিটামিন সি ভাইরাস প্রতিরোধ করে এবং গলা থেকে কফ দূর করে। ঠাণ্ডা ইনফেকশন হয়ে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলেও আনারস খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। খনিজপদার্থ হাড়কে মজবুত করে। এক কাপ আনারসের রসে পুরো শরীরের খনিজপদাথের্র ৭৩ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ করতে পারে। দাঁতের মাড়ি নিয়ে যারা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তারা নিয়মিত আনারস খেলে দাঁতের মাড়ি সুস্থ ও মজবুত হয়। এতে রয়েছে ব্যথা দূরকারী উপাদান। তাই শরীরের ব্যথা দূর করার জন্য এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

ধামরাইয়ে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত


ধামরাই: ঢাকার ধামরাইয়ে ট্রাকচাপায় শম্ভুচরণ হালদার নামে এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা আরও দুই আরোহী আহত হয়েছেন। রবিবার দুপুরে ধামরাইয়ের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সুতিপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ফ্রিজ (Refrigerator) অতি প্রয়োজনীয় একটি জিনিস হওয়া সত্ত্বেও দেখা যায় প্রায় বাড়িতেই ফ্রিজ (Refrigerator) খুব অবহেলিত অবস্থায় থাকে। আমাদের খাবার দাবার রাখার এই দরকারি জিনিসটি সবচেয়ে বেশী পরিষ্কার রাখা উচিত। কেননা অপরিষ্কার অবস্থায় এতে খাবার রাখলে খাবারের গুনগত মান নষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে চলে যায়। তবে যেনতেনভাবে এই ফ্রিজের যত্ন নেওয়া যায় না। ফ্রিজ পরিষ্কার করতে গেলেও সঠিক নিয়ম জানা জরুরি। আসুন ফ্রিজ পরিষ্কার করার সঠিক নিয়ম নিয়ে পরামর্শ দেওয়া যাক। ১. ফ্রিজ পরিষ্কারের সময় ভেতরের যাবতীয় সব্জি, ফল বাইরে বের করুন। ২. এরপর ফ্রিজের তাকে শুকনো কাগজ রেখে দিন৷ ফ্রিজকে ডিপফ্রস্ট মোডে দিয়ে দিন৷ বরফ গলে গেলে ফ্রিজ থেকে কাগজগুলো বের করে নিন৷ সমস্ত ময়লা উঠে আসবে৷ ৩. ফ্রিজের ভেতরের দুর্গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা খানিকক্ষণ লাগিয়ে রেখে ভিজে কাপড় দিয়ে মুছে নিন৷ গন্ধ চলে যাবে। ৪. ফ্রিজ মোছার কাপড়টা আগে থেকে হালকা গরম জলে ভিজিয়ে নিন। তারপর সেটি দিয়ে ফ্রিজ মুছুন। মোছার পর ফ্রিজের পাল্লা ঘণ্টাখানেক খোলা রাখুন৷ দুর্গন্ধ একেবারে গায়েব হয়ে যাবে৷দুর্গন্ধ বেশি থাকলে গরম নুনজলে খাবার সোডা মিশিয়ে নিতে পারেন৷ ৫. ডিপ ফ্রিজ পরিষ্কার করতে মাইক্রো ফাইবার যুক্ত কাপড় ব্যবহার করুন৷ ৬. অনেকদিন ধরে ফ্রিজে পুরনো খাবার রাখবেন না৷ এতেও দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে। ৭. অনেকদিন ধরে টক দই রাখলেও ফ্রিজ খুললেই একটা বিশ্রি গন্ধ নাকে লাগে৷ এর সমাধানে ছোট বাটিতে করে অল্প চুন ফ্রিজের ভিতর রেখে দিন৷ ৮. এছাড়াও এক টুকেরা পাতিলেবুর টুকরো ফ্রিজের কোণায় রাখলে ফ্রিজ খোলার পরপরই নাকে দুর্গন্ধ লাগবে না৷

ভারত প্রমাণ করল তারা “মোড়ল”


ক্রীড়া ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: মোড়লের বিরুদ্ধে কথা বললে কী হয়? কী আর হবে, তার মুখ চেপে ধরা হয়! যে কথা বলে তার দিকে বাঁকা চোখে তাকানো হয়। আইসিসির মোড়ল বলে খ্যাত ভারতও তাই করল। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় সংস্থার প্রেসিডেন্ট মোস্তফা কামালকে একঘোরে করে রাখা হল। ফাইনাল শেষে নিয়মানুযায়ী জয়ী দলের কাছে তার ট্রফি তুলে দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে তা করতে দেয়া হল না। দিলেন মোড়লদের বস ভারতীয় ক্রিকেটের বিতর্কিত ব্যক্তি শ্রীনীবাসন। এই কাণ্ডের পর ভারতীয় কয়েকটি পত্রিকা শ্রীনীর এমন কাণ্ডকে “বিতর্কিত” বলেছে। বাংলাদেশ ভারত ম্যাচে বাজে আম্পায়ারিংয়ের কড়া সমালোচনা করেছিলেন মুস্তফা কামাল। আইসিসিকে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বোর্ড বলেও আখ্যা দেন তিনি। প্রতিবাদ করেছিলেন বিরতির সময় জায়ান্ট স্ক্রিনে ভারতীয় বিজ্ঞাপন দেখানোর। কিন্তু ন্যায্য এ প্রতিবাদ করে শ্রীনিবাসের দারুণ বিরাগভাজন হন তিনি। মুস্তফা কামালের সমালোচনা করে শ্রীনিবাসনের নির্দেশে প্রেস রিলিস করেন আইসিসির সিইও ডেভ রিচার্ডসন। যা আইসিসির ক্রিকেট ইতিহাসে নজিরবিহীন।

কানাইঘাটে দুর্নীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং আর্ন্তজাতিক দূর্নীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ ২০১৫ উপলক্ষে কানাইঘাট উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে রবিবার সকাল ১১টায় পৌরসভাস্থ পাবলিক হাইস্কুলে এক আলোচনা সভা পরবর্তী উপজেলা সদরে দুর্নীতি বিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাষ্টার মহি উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রতিরোধ কমিটির সেক্রেটারী প্রভাষক আহমদ হোসেন, পাবলিক স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলার রহিম উদ্দিন ভরসা, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইয়াহিয়া, উপজেলা ব্রাক ওয়াশ কর্মসূচীর ম্যানেজার হাবিবুর রহমান, কর্মসূচীর সংগঠক শফিকুল ইসলাম, বিষ্ণুপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাব উদ্দিন, পাবলিক স্কুলের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাকারিয়া, আলম হাওলাদার, শিক্ষিকা ইতি চক্রবর্তী, জেবিন বেগম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে দুর্নীতি বিরোধী প্লেকার্ড, ব্যানার বহন করে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে র‌্যালী ও মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মহান স্বাধীনতার চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে সবার আগে দুর্নীতি মুক্তি দেশ ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে। একমাত্র দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারলেই মানুষের মৌলিক সকল অধিকারের পাশাপাশি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।

সেরাদের তালিকায় “দুই ভায়রা”


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সম্পর্কে তারা “ভায়রা ভাই”। বিয়ের পর সম্পর্কটা যেমন তাদের মধ্যে যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি ক্রিকেটেও উন্নতি করেছেন। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপের ‘সেরা দশ’-এর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন মুশফিক-রিয়াদ। সর্বোচ্চ রান স্কোরারের তালিকার ৯ নম্বরে আছেন মাহমুদউল্লাহ। আর সর্বোচ্চ ডিসমিসালের দিক থেকে মুশফিকুর রহিমের অবস্থান পঞ্চম। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকার নয় নম্বরে থাকা মাহমুদউল্লাহর সংগ্রহ ৩৬৫ রান। বিশ্বকাপে তিনি ম্যাচ খেলেছেন ছয়টি। এক ম্যাচে তাঁর সর্বোচ্চ সংগ্রহ অপরাজিত ১২৮। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত ছিলেন মুশফিকও। ৮টি ডিসমিসাল নিয়ে সর্বোচ্চ ডিসমিসাল তালিকায় যৌথভাবে ৫ নম্বরে আছেন তিনি। নিয়েছেন ৭টি ক্যাচ, করেছেন ১টি স্ট্যাম্পিং। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটিতে একাই নিয়েছিলেন চারটি ক্যাচ। সর্বোচ্চ রান নাম ম্যাচ রান মার্টিন গাপটিল ৯ ৫৪৭ কুমার সাঙ্গাকারা ৭ ৫৪১ এবি ডি ভিলিয়ার্স ৮ ৪৮২ ব্রেন্ডন টেলর ৬ ৪৩৩ শিখর ধাওয়ান ৮ ৪১২ স্টিভেন স্মিথ ৮ ৪০২ তিলকরত্নে দিলশান ৭ ৩৯৫ ফাফ ডু প্লেসি ৭ ৩৮০ মাহমুদউল্লাহ ৬ ৩৬৫ সর্বোচ্চ ডিসমিসাল নাম ম্যাচ ডিসমিসাল ব্র্যাড হ্যাডিন ৮ ১৬ মহেন্দ্র সিং ধোনি ৭ ১৫ দিনেশ রামাদিন ৭ ১৩ লুক রনকি ৯ ১৩ ম্যাথু ক্রস ৬ ১০ কুইন্টন ডি কক ৮ ১০ উমর আকমল ৭ ৮ জস বাটলার ৬ ৮ মুশফিকুর রহিম ৬ ৮

ট্রফি হাতেই বিদায় ক্লার্কের


ক্রীড়া ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: ওডিআই ক্রিকেট থেকে একটি রাজকীয় বিদায় হলো অস্ট্রেলিয়ার দলের অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের। নিজ হাতে দলকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে দিলেন তিনি। এরপর আর কী পাওয়ার থাকতে পারে। বিদায় নেয়ার কথা তিনি গতকালই ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বলে দিয়েছিলেন। রবিবার সেটি বাস্তবে পরিণত হলো। ২৪৫টি ওডিআই ম্যাচ খেলে যাথাযোগ্য মর্যাদার সাথেই বিদায় নিলেন তিনি। ক্লার্কের ওডিআই ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল ২০০৩ সালে। অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সে ম্যাচটিতে প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড। ওই ম্যাচে অপরাজিত ৩৯ রান করেছিলেন তিনি। তাছাড়া বল হাতেও একটি উইকেট নিয়েছিলেন। ক্লার্ক তার ক্যারিয়ারে মোট ৮টি সেঞ্চুরি করেছেন। হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ৫৮টি। তিনি অস্ট্রেলিয়া দলকে মোট ৭৪ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার মধ্যে ৫০টিতে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। ওডিআইতে ক্লার্কের রান সংখ্যা ৭৯৮১। রবিবার তিনি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৭৪ রান করেছেন।

কানাইঘাট থেকে ২ লাখ টাকার বিড়ি উদ্ধার


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কানাইঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে ১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সিলেট ৪১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ান এর সহকারী পরিচালক মো. ছাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার ভোর সাড়ে ৪টায় সিলেট ৪১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ান এর সুরাইঘাট বিওপির বিজিবি’র সদস্যরা সিংগার খাল এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানকালে সিংগার খাল এলাকার টিলার উপরে মালিকবিহীন এ ভারতীয় বিড়ি পাওয়া যায়। জব্দকৃত ভারতীয় পাতার বিড়ির সিজার মূল্য ১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

নির্বাচন এবং আন্দোলন একসঙ্গে চলবে: আসাদুজ্জামান


ঢাকা: নির্বাচন ও আন্দোলন একসঙ্গে চলবে বলে বলে জানিয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. এস এম আসাদুজ্জামান রিপন।তিনি জানিয়েছেন, সুষ্ঠু-স্বাভাবিক হলে নির্বাচনে তার দল অংশগ্রহণ করবে। অন্যথায় বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে। আজ রবিবার বিকালে মনোনয়নপত্র জমা শেষে তিনি বলেন, আমরা আন্দোলন করছি জনগণের ভোটাধিকারের জন্য। এই দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিএনপির মতো একটি বড় দল সব নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত। নির্বাচন কমিশন আস্থা ও ঈমানের সাথে দায়িত্ব পালন করলে, নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু হলে দলীয় কর্মীরা নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারলে বিএনপি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। বিএনপি আসলেই নির্বাচনে আসবে কি-না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ জন্য সরকারকে আন্তরিক হতে হবে। আমাদের দলীয় কার্যালয় অনেক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এটা খুলে দেওয়ার মাধ্যমে সরকারকে আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে। আপনাদের তো অনেক প্রার্থী? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অনেক প্রার্থী থাকতেই পারে। এটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। প্রার্থী যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পূর্বেই দলীয় সিদ্ধান্তে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। অন্যদিকে, বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী বাকি পাঁচ প্রার্থীর চারজনের পক্ষে জমা দিয়েছেন তাদের আইনজীবী, সহধর্মিনী এবং ভাই। বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের পক্ষে মনোনয়ন জমা দিতে আসা অ্যাডভোকট আবদুস সালাম বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। তবে উপজেলা নির্বাচনের মতো কারচুপি হলে বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে। মির্জা আব্বাস আসেননি কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আসতে হবে এমন ম্যান্ডেটরি নয়। এ জন্যই তিনি আসেননি। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের দল থেকে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। বিএনপি নেতা আবদুস সালামের সহধর্মিনী ফাতেমা সালাম বলেন, পার্টির নির্দেশে মনোনয়ন জমা দিয়েছি। তারপরও দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। দল যেটা সিদ্ধান্ত নেবে আমরা মেনে নেব। আমরা আশা করছি নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করবেন। বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুর সহধর্মিনী নাছিমা আক্তার কল্পনা বলেন, দলীয়ভাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছি। আমরা আশা করছি দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে সমর্থন দেবেন। তবে দেশনেত্রী যে সিদ্ধান্ত নেবেন আমরা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেব। নির্বাচনের সুষ্ঠ পরিবেশ থাকলে উনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাবো, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার জন্য। একই সঙ্গে আমি উনার মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী আবুল বাশারের পক্ষে মনোনয়ন পত্র জমা দেন তার ছোট ভাই আলমগীর হোসেন। অন্যদিকে বিএনপিপন্থী শিক্ষক নেতা সেলিম উদ্দিন ভূঁইয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র কেনা হলেও জমা দেওয়া হয়নি বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আনিসুল হক ও কবরী


ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নিতে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আনিসুল হক ও সারাহ বেগম কবরী। রবিবার বেলা তিনটায় আনিসুল হক ও সোয়া তিনটায় কবরী নিজে এসে মনোনয়নপত্র জমা দেন। গতকাল শনিবার নির্বাচনী আচরণবিধি ভেঙে আওয়ামী লীগের সাথে সভা করেছেন, সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, আমি আচরণবিধি লঙ্ঘন করি নাই। নির্বাচনী বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাথে কোনো সভা হয়নি। গতকাল আমি সাধারণ সভা করেছি। মনোনয়নপত্র জমা দিতে তার সাথে অনেক লোকজন থাকলেও তিনি তা অস্বীকার করে বলেন, আমার সাথে নিয়ম অনুযায়ী পাঁচজনই এসেছে। দলীয় সমর্থন না পেলেও মেয়র পদে কেনো দাঁড়াচ্ছেন? এ প্রশ্নের জবাবে সারাহ বেগম কবরী বলেন, এটাতো স্থানীয় সরকারের নির্বাচন। দলীয় সমর্থনের তেমন প্রয়োজন হয়না। আমি দীর্ঘদিন সাংস্কৃতিক জগতে কাজ করেছি। দেশের ১৬ কোটি মানুষ আমাকে চিনে। নির্বাচনে আমি জয়ী হলে রাজধানীর মেয়েরা অনেক এগিয়ে যাবে। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী মেয়ে তিনি বিষয়টি বুঝবেন। আমি নির্বাচিত হলে মেয়েরা আরো উন্নত করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রার্থীতা প্রত্যাহারের কথা বললে কি করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বললে বিষয়টি আমি ভেবে দেখবো্।

বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল উদ্ধার করা হবে


ঢাকা: নদীতে বর্জ্য ফেলার অপরাধে জরিমানার পাশপাশি কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রেখে আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান। রবিবার সচিবালয়ে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নদ-নদী রক্ষা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। শাজাহান খান বলেন, ‘যতদূর সম্ভব বুড়িগঙ্গা নদীর আদি চ্যানেল উদ্ধার করা হবে। ইতোমধ্যে অবৈধ দখলে থাকা প্রায় ৩৫ বিঘা জমি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত জায়গায় সবুজ বনায়ন ও হাতিরঝিলের মতো করে সৌন্দর্যবর্ধন করারও পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে আর কেউ দখল করতে না পারে।’ মন্ত্রী বলেন, র‌্যাবের হেডকোয়ার্টার করার জন্য এমনভাবে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে যাতে নদীর কোনো ক্ষতি না হয়। শাজাহান খান বলেন, তুরাগ ও বালু নদীর সীমানা নির্ধারণে এখনও সমস্যা আছে। এসব নদীর বিভিন্ন জায়গায় রাতের আঁধারে কেউ কেউ পিলার তুলে আরো সামনে পুঁতে রেখেছে। কেউ কেউ পিলার তুলে নিয়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সংসদ সদস্য আবু হোসেন (বাবলা), জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আতাহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অস্ট্রেলিয়ার এ কেমন প্রতিশোধ


ক্রীড়া ডেস্ক,কানাইঘাট নিউজ: এবারের বিশ্বকাপে যৌথভাবে আয়োজক দেশ ছিল অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। স্বাগতিক হওয়ায় তাদের একটু বাড়তি সুবিধা ছিল। যেমন, নিউজিল্যান্ড শুধু ফাইনাল ম্যাচ ছাড়া সব ম্যাচই তাদের দেশে খেলেছে। আর অস্ট্রেলিয়া শুধু গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছাড়া সব তাদের দেশে খেলেছে। গ্রুপ পর্বের ওই ম্যাচটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১ উইকেটে হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। ওই ম্যাচে অজিদের মাত্র ১৫১ রানে অল আউট করে দিয়েছিল কিউইরা। ওই হারে মানসিকভাবে বেশ চাপে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সব ধাক্কা সামলে উঠে পঞ্চমবারের মত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। ২৮ ফেব্রুয়ারি অকল্যান্ডের ওই হারের প্রতিশোধ নেয়ার কথা মাথায় রবিবার মেলবোর্নে খেলতে নেমেছিল অস্ট্রেলিয়া। কিউইদের সাত উইকেটে হারিয়ে সঠিক জায়গায় সঠিক প্রতিশোধ নিয়েছে ক্লার্ক বাহিনী। এবার পুরো টুর্নামেন্টে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত মাত্র একটি ম্যাচে হেরেছে।

মিন্টুর ছেলের মনোনয়নপত্র জমা


ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিদ আউয়ালের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তার প্রতিনিধি মো. সাজ্জাদুল ইসলাম। আজ রবিবার দুপুর একটার দিকে নিজেকে তাবিদের প্রতিনিধি দাবি করে সাজ্জাদুল ইসলাম মনোনয়নপত্রটি সংগ্রহ করেন। এরপর বিকাল চারটার দিকে তিনি সেটি জমা দেন। তার মানে তাবিদ আউয়াল তার বাবার একজন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টুর পক্ষে তাঁর মেজ ও ছোট ছেলে মেয়র পদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। ঢাকা উত্তরে মিন্টু বিএনপির সমর্থন পাচ্ছেন। এতে বাবা ও ছেলের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হবে কিনা বা তাদের মধ্যে আগে থেকেই কোনো দ্বন্দ্ব আছে কিনা সে প্রসঙ্গে তাবিদের প্রতিনিধি সাজ্জাদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে তাবিদ কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থন না নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বলে জানান সাজ্জাদ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তাবিদ দীর্ঘদিন বিদেশে পড়াশোনা করে এসেছেন। ফলে তার মাথায় ঢাকা সিটিকে আরো সুন্দর করে গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনা রয়েছে। সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেই তিনি মেয়র নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।’

সময় ফুরিয়ে যাওয়ায় ফরম জমা নিচ্ছে না ইসি, বিক্ষোভ


ঢাকা: নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় ফরম জমা নিচ্ছে না ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস। আজ রবিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত ছিল মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ দিন। মেয়র, কমিশনার ও কাউন্সিলর পদে অনেকেই ফরম জমা দিয়েছেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই। তবে বিকাল ৫টার পরও অনেকে এসেছেন মনোনয়নপত্র জমা দিতে। কিন্তু জমা দেয়ার নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস ফরম জমা নিচ্ছে না। অনেকেই কার্যালয়ের সামনে ভিড় করছেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগই কমিশনার ও কাউন্সিলর প্রার্থী। তারা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসের সামনে বিক্ষোভও করছেন। সামিনা জামান লাইজু নামে এক কাউন্সিলর প্রার্থী ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘পরিবারের কাজ সামলিয়ে ফরম জমা দিতে এসেছি। রাস্তার যানজট ঠেলে অনেক কষ্টে এখানে এসেছি। কিন্তু দেরি হওয়ায় ফরম নিতে চাইছে না। এসব তো হতে পারে না। আমরা তো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসেছি। কিন্তু সময়টা পার হয়েছে। কিন্তু তারা চাইলে তো ফরম নিতে পারে। ’ লাইজু ৮, ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনে কাউন্সিলর প্রার্থী। মল্লিকা জাহান মুক্তা নামে আরেক কাউন্সিলর বলেন, ‘এটাতো কোনো কথা হতে পারে না। আমরা অনেক কষ্ট করে এসেছি। আমাদের ফরম না নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের লোকজন ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করছেন।’

কানাইঘাটের চতুল বাজারে ইমাম কনফারেন্স সোমবার


নিজস্ব প্রতিবেদক: জৈন্তার চারন কবি মরহুম মাওঃ আহমদ হুসাইন আত্হর চতুলী রহ. প্রতিষ্ঠিত আঞ্জুমানে মঈনুল ইসলাম বৃহত্তর চতুলের উদ্যোগে আগামীকাল সোমবার বিকাল ২টা থেকে ঐহিত্যবাহী চতুল বাজারে অনুষ্ঠিত হবে সিরাতুন নবী (সা.) মহাসম্মেলন ও ইমাম কনফারেন্স। উক্ত সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শায়খুল হাদীস আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষীপুরী, আল্লামা আলিমুদ্দীন শায়খে দুর্লভপুরী। এদিকে সম্মেলনকে সফল ও স্বার্থক করে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আঞ্জুমানে মঈনুল ইসলাম বৃহত্তর চতুলের সভাপতি মাওঃ আব্দুর রহমান আরিফ এবং সাধারণ সম্পাদক মাওঃ নুরুল ইসলাম নূমানী।

ইসলামে পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পরিবার থেকেই মানুষের যাত্রা শুরু হয়। পারিবারিক পরিম-লেই বেড়ে ওঠে প্রতিটি মানুষ। পরিবারের গ-ির বাইরের পরিধি সমাজ। পারিবারিক বন্ধনের পাশাপাশি সামাজিক বন্ধনও মানুষের বেঁচে থাকার জন্য জরুরি। পরিবার ও সমাজের বাইরে গিয়ে কেউ বসবাস করার উপায় নেই। এজন্য পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনটা মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ইসলামও এ বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে। মা-বাবা, ভাই-বোন, সন্তান-সন্তুতি ও অন্যান্য আপনজন নিয়ে যে পরিবার এর মধ্যে সম্পর্ক বজায় রাখার নির্দেশ ইসলাম দিয়েছে। পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে বসবাসের ক্ষেত্রে পরস্পরের প্রতি দায়িত্ববোধের তাগিদও ইসলামে রয়েছে। সন্তানের গভীর, ঘনিষ্ঠ ও নিবিড় সম্পর্ক হলো তার পিতামাতার সঙ্গে। কোরআন ও হাদিসে আল্লাহর পরেই পিতামাতার হকের কথা বলা হয়েছে। পিতামাতার সেবাযতœ করা, তাদের আনুগত্য করার ব্যাপারে হাদিসে তাগিদ দেয়া হয়েছে। বাবা-মা কাফের হলেও প্রয়োজনে তাদের ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করবে। পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতি দায়বোধও ইসলাম জাগিয়েছে। নিকটাত্মীয়দের খোঁজখবর রাখা, তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীরা জান্নাতে যাবে না। কাছের এবং দূরের আত্মীয় সবার প্রতি কিছু না কিছু হক রয়েছে। কেউ তা আদায় না করলে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে। অন্যদিকে, সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ়করণেও ইসলামে প্রয়োজনীয় নির্দেশ রয়েছে। সামাজিক আচার-আচরণের ক্ষেত্রে ইসলামের একটি মৌলিক শিক্ষা হলো, বয়সে যে ছোট সে তার বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবে এবং তাদের সামনে আদব ও শিষ্টাচার রক্ষা করে চলবে। অনুরূপভাবে বড়দের কর্তব্য হলো, ছোটদের স্নেহ ও আদর করা এবং তাদেরকে ভালোবাসার নজরে দেখা। কোরআনে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সদাচারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রাসূল (সা.) বলেন, ‘ওই ব্যক্তি প্রকৃত মু’মিন নয়, যে পেট পুরে খায় অথচ পাশেই তার প্রতিবেশী অভুক্ত থাকে।’ সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুমিন কিভাবে চলবে এর নির্দেশনা কোরআন-হাদিসে রয়েছে। সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহায়ক নয় এমন যেকোনো আচরণ থেকে মুমিনকে বেঁচে থাকতে বলা হয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন বাড়ানোর নানা উপায় ও কৌশল সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে ইসলামে। ইসলাম নির্দেশিত পারিবারিক ও সামাজিক রীতিনীতি অনুসরণ করলে সব অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা দূর হয়ে যাবে।

বড় কিছু ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল জার্মান পাইলটের

Kanaighat News on Saturday, March 28, 2015 | 9:27 PM


কানইঘাট নিউজ ডেস্ক: জার্মান পাইলট আন্ড্রিয়াস লুবিটয আল্পসের পাহাড়ে বিমান বিধ্বস্ত করার অনেক আগে থেকেই এরকম বড় কিছু ঘটনার পরিকল্পনা করছিল বলে দাবি করেছেন তাঁর সাবেক এক বান্ধবী। খবর বিবিসির। জার্মান সংবাদপত্র ‘বিল্ড’ আন্ড্রিয়াস লুবিটয এর এই সাবে বান্ধবীর এক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে। ‘মারিয়া ডাব্লিউ’ বলে পরিচয় দেয়া ২৬ বছর বয়সী এই সাবেক বান্ধবী নিজেও একটি এয়ারলাইন্সের এয়ার হোস্টেস। মারিয়া জানিয়েছেন, লুবিটযের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে উঠে গত বছর। সেসময় লুবিটয তাঁর কাছে বড়াই করে বলেছিল, “একদিন আমি এমন কিছু ঘটাবো যা সবকিছু বদলে দেবে, সবাই আমার নাম জানবে।” মারিয়া বলেন, লুবিটয একথা বলে কী বোঝাতে চেয়েছিল সেটা তখন তার মাথায় আসেনি। কিন্তু এই বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনার পর তার লুবিটযের ওই কথাটাই মনে পড়ছিল। যে সাংবাদিক মারিয়ার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, তিনি জানিয়েছেন, লুবিটযের চরিত্রের দুটি দিক ছিল। প্রকাশ্যে লুবিটয ছিলেন স্মার্ট এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। কিন্তু ঘরের ভেতর তার চেহারা ছিল আলাদা। তিনি ছিলেন বিষন্ন এবং আগ্রাসী। মারিয়া এই সাংবাদিককে জানিয়েছেন, লুবিটযের সঙ্গে তার সম্পর্ক যে টেকেনি, তার মূল কারণ এটাই। জার্মানউইঙ্গসের ১৫০ জন আরোহী সহ বিমানটি গত মঙ্গলবার আল্পস পর্বতমালার ফরাসী অংশ বিধ্বস্ত হয়। ফ্লাইট রেকর্ডারের অডিও বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা প্রায় নিশ্চিত যে কো-পাইলট আন্ড্রিয়াস লুবিটয ইচ্ছে করে বিমানটি বিধ্বস্ত করেন।

দুই সিটিতে মেয়র পদে জমা ৭


ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে তিন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করে তাদের প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন। এই সিটিতে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন মোট ২৮ জন প্রার্থী। তবে আজ শনিবার বিকাল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন মাত্র তিনজন। আজ মনোনয়নপত্র জমা দেন আব্দুল্লাহ আল কাফি। তিনি কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও যুব ইউনিয়নের সভাপতি। আর গতকাল জমা দিয়েছেন ইরাদ আহমেদ। এর আগে জমা দিয়েছেন শামসুল আলম। একই সিটিতে সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন ৮২৩ জন। শনিবার বিকাল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭৪ জন। ঢাকা উত্তরের সংরক্ষিত (মহিলা) সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ১৬১ জন। আর শনিবার বিকাল পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মাত্র ৭ জন। অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন ৩০ জন। শনিবার বিকাল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মাত্র চারজন প্রার্থী। এরা হলেন, আক্তারুজ্জামান আয়াতুল্লাহ, আবদুল খালেক, মো. জাহিদুর রহমান, আবু নাসের মো. মাসুদ হোসাইন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ঢাকা দক্ষিণে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন এক হাজার ১২৮ জন প্রার্থী। শনিবার বিকাল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭৭ জন। ঢাকা দক্ষিণের সংরক্ষিত (মহিলা) সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র নিয়েছিলেন ২০৮ জন। তার মধ্যে শনিবার বিকাল পর্যন্ত ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, আগামীকাল রবিবারই ঢাকার উভয় সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। এর আগে গত ১৮ মার্চ তফসিল ঘোষণার পরদিন ১৯ মার্চ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শুরু করেন প্রার্থীরা। দুই সিটিতে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন মোট ৫৮ জন প্রার্থী; যার মধ্যে শনিবার বিকাল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাতজন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন মোট এক হাজার ৯৫১ জন। এর মধ্যে শনিবার বিকাল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন ১৫১ জন। সংরক্ষিত (মহিলা) সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন মোট ৩৬৯ জন প্রার্থী। শনিবার বিকাল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন মাত্র ২০ জন। দুই সিটিতে শনিবার পর্যন্ত আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে মেয়রসহ প্রায় একশ জন সম্ভাব্য প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণে শোকজ করা হয়েছে ৮১ জনকে। আর বাকিগুলো উত্তরে।

ফেলানী হত্যার পুনঃবিচার কাজ পেছালো তিন মাস


কুড়িগ্রাম: ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে প্রাণ হারানো ও কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা বহুল আলোচিত কিশোরী ফেলানী হত্যার পুনঃবিচারিক কার্যক্রম তিন মাস পাঁচ দিন (৯৬দিন) পেছানো হয়েছে। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন। চার মাস ধরে মুলতবি থাকার পরে গত ২৫ মার্চ ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে বিচার কাজ শুরু হয়। তবে ওইদিন বিএসএফের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অসুস্থ থাকায় পুনঃবিচারিক কার্যক্রম পেছনো হয়। অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন বলেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত পুনঃবিচারিক কার্যক্রম আবারো মুলতবি করা হয়েছে। তিনি জানান, পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২৫ মার্চ বিএসএফের আধিকারী সিপি ত্রিবেদীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল কার্যক্রম শুরু করেন। কিন্তু বিশেষ ওই আদালতের সহকারী প্রসিকিউটর অসুস্থ্য থাকায় বিচারিক কার্যক্রম ওইদিনের মতো মূলতবি ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৬ মার্চ পুনরায় আদালত বসলেও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অনুপস্থিত থাকায় আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বিচারিক কার্যক্রম মুলতবি করা হয়। এর আগে গেল বছরের ২২ নভেম্বর বিএসএফের বিশেষ আদালতে বিচারিক কাজ চলার সময় অভিযুক্ত অমিয় ঘোষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এতে চার মাসের জন্য বিচারিক কার্যক্রম মুলতবি করা হয়। আদালতের ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মার্চ পুনরায় বিচারিক কার্যক্রম শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হয়। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফ’র গুলিতে নির্মমভাবে প্রাণ হারায় কিশোরী ফেলানী। এ হত্যাকাণ্ডে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমসহ মনবাধিকার কর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝড় উঠলে ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার কাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় ভারতের কোচবিহারের বিএসএফের বিশেষ আদালত। পরে বিজিবি-বিএসএফের দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে ফেলানী হত্যার পুনঃবিচারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে অনুযায়ী ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনঃবিচার শুরু করে বিএসএফ।

কানাইঘাটে ডাকাত দলের ৪সদস্য আটক


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলায় চুরি ডাকাতি সহ নানা অপরাধ মূলক কর্মকান্ড বেড়ে যাওয়ায় জনমনে আতংক দেখা দিয়েছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার দিঘীরপার ইউপির সড়কের বাজার ডেমার গ্রাম সড়কের ছোয়াবিল নামক স্থানে সড়ক ডাকাতির সময় স্থানীয় জনতা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ৪ পেশাদার ডাকাতকে আটক করে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ ঘটনায় কানাইঘাট থানার এসআই আব্দুল কাদের বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত ডাকাত নবীনগর থানার নাটঘর গ্রামের মলাই মিয়ার দুই পুত্র হেলাল মিয়া (১৮), আবু বক্কর (২৩) আবু তাহেরের পুত্র তোফাজ্জল হোসেন (২০) কুড়িঘর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের পুত্র লিটন মিয়া (১৯) নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫জন ডাকাতকে আসামী করে আজ শনিবার থানায় একটি ডাকাতি মামলায় মামলা দায়ের করেছেন। থানার মামলা নং- ১৬, তাং- ২৮-০৩-২০১৫ইং। জনতার হাতে আটককৃত ডাকাতদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত ২১ হাজার টাকা ও দু’টি মোবাইল সেট উদ্ধার করে মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি রাম দা, দু’টি ধারালো স্টীলের ছোরা ও একটি চায়না স্প্রিং এর চাকু উদ্ধার করে ডাকাতদের কাছ থেকে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী কানাইঘাট নিউজকে জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে অস্ত্রধারী একদল ডাকাত ডেমার গ্রাম সড়কের ছোয়াবিল হাওর এলাকায় অবস্থান নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী যানবাহন আটক করে পথচারীদের কাছ থেকে নগদ টাকা পয়সা ও মোবাইল ফোন লোটপাট শুরু করে। এসময় স্থানীয় লোকজনের আর্ত্মচিৎকারে এলাকার শত শত মানুষ ডাকাতদের ধরতে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে পালানোর সময় এ চার ডাকাতকে হাওর বেষ্টিত গ্রাম সর্দারমাটি এলাকা থেকে লোকজন আটক করতে সক্ষম হলেও তাদের সাথে থাকা অন্য ডাকাতরা হাওর এলাকা দিয়ে পালিয়ে যায়। একপর্যায়ে ডাকাতদের উপর স্থানীয় লোকজন ছড়াও হলে তাদের গ্রামের আব্দুস সালামের বাড়ীর একটি কে আটক করে রাখা হয়। একপর্যায়ে উক্ত এলাকায় ডিউটিরত কানাইঘাট থানার একদল পুলিশ জনতার কবল থেকে ডাকাতদের উদ্ধার করে কোনমতে থানায় নিয়ে আসেন। গনপিঠুনিতে ডাকাতরা আহত হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্য। তারা তাদের সহযোগী ডাকাতদের নিয়ে কানাইঘাট ও পার্শ্ববর্তী জকিগঞ্জ থানা সহ বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসিতেছে। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক অস্তিরতার জের ধরে সড়কের বাজার এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি নাশকতা মূলক মামলা দায়ের করা হয়। মামলার কারনে এলাকায় বিরোধী জোটের শত শত নেতাকর্মী বাড়ী ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এই সুযোগে এলাকার চিহ্নিত অপরাধী ও বহিরাগত ডাকাতরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি এলাকার সাতবাঁক ইউপির লালারচক গ্রামের সৌদি প্রবাসী রফিক আহমদের বাড়ীতে দুধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত হয়। এছাড়া ডাকাতরা সাতঘরী গ্রামের ছমর আলীর বাড়ীতে হানা দিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল সেট ও দিঘীরপাড় গ্রামের হাফিজ ওবায়দুর রহমানের বাড়ীতে ডাকাতির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। তাছাড়া কুলুরমাটি গ্রামের হাজী আব্দুস সুবহানের বাড়ীতে কয়েকদিন পূর্বে দুধর্ষ চুরি সংগঠিত হয়। মাস খানেক পূর্বে বড়চতুল ইউপির আলমাছ উদ্দিন মেম্বারের বাড়ীতে দুধর্ষ ডাকাতি হয়। লক্ষীপ্রসাদ কেউটি হাওর গ্রামের আব্দুল লতিফেরর বাড়ীতে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে বাড়ীর সদস্যদের জিম্মি করে আড়াই লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। গত মঙ্গলবার রাতে ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপির তিনচটি গ্রামের মাষ্টার হেলাল উদ্দিনের বসত ঘরে দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করে ঘরের সবাইকে জিম্মি করে কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল লুঠ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। গত বুধবার রাতে কানাইঘাট সদর ইউপির ভাটইশাইল গ্রামের হাজী হোছন মিয়ার ঘরে প্রবশ করে চোরেরা ৭ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়। এধরনের ছোট কাট অনেক অপরাধ কর্মকান্ড উপজেলায় সংগঠিত হওয়ায় জনমনে উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। তবে কানাইঘাট থানা পুলিশ এসব ডাকাতি ও চুরির অনেক অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবী করে অস্বীকার করে আসছে। দিঘীরপার ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী ও সাতবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার ফয়জুল ইসলাম জানিয়েছেন তাদের এলাকায় চুরি, ডাকাতির মতো ঘটনা বেড়েই চলছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার জনতার হাতে আটক হওয়া ডাকাতদের সাথে এলাকার চিহ্নিত অপরাধীরা জড়িত বলে জানান। এব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরী কানাইঘাট নিউজকে জানান, আটককৃতরা হচ্ছে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের দুর্ধর্ষ সদস্য। এলাকায় ডাকাতি সংঘটিত করার পাশাপাশি এরা বিভিন্ন সময় গাড়ীর চালককে হত্যা করে সিএনজি ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। আদালতে এদের রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে। রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।

কানাইঘাটে জামায়াত নেতা গুড়িয়ে দিলেন ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

মো: মাহতাব আহমদ(সেলিম)
: কানাইঘাটে এক জামায়াত নেতার নেতৃত্বে উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজারে ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় লোকজন এ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্তা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে। সরেজমিনে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত ২টার দিকে স্থানীয় দাবাধরনির মাটি গ্রামের মৃত শফিকুল হকের পুত্র ভবানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী জামায়াত নেতা ও একাধিক মামলার আসামী শাহাব উদ্দিন (৪৫), মইনুল, মখলিছ, জাকারিয়া, রুবেল গংদের নেতৃত্বে ২০/২৫জন দেশীয় অস্ত্রধারী বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারী বর্তমানে (কারাবন্দি) আলা উদ্দিনের মালিকানাধীন ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল লুটপাট করে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার খবর পেয়ে কানাইঘাট থানার এসআই আব্দুল কাদের ও শিবলু মজুমদার একদল পুলিশ নিয়ে বাজারে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় ভাংচুরকৃত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পুলিশ হামলাকারীদের কবল থেকে আলা উদ্দিনের পুত্র মিনহাজ উদ্দিন ও রিয়াজ উদ্দিনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। একপর্যায়ে পুলিশ হামলকারীদের ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক আলা উদ্দিনের পুত্র মিনহাজ উদ্দিন জানান, গত বুধবার তার পিতাকে একটি ফৌজধারী মামলায় কানাইঘাট থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি জেল হাযতে থাকায় এলাকার জামায়াত নেতা শাহাব উদ্দিন পূর্ব বিরোধের জের ধরে তাদেরকে দোকানপাট থেকে উচ্ছেদ করার জন্য শুক্রবার গভীর রাতে ব্যাপক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে তাদের ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি মালামাল লুটপাট করে ৪লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে। এমনকি জামায়াত নেতা শাহাব উদ্দিন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রক্ষিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি ও পোষ্টার ছিড়ে ফেলে এবং পদদলিত করে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার নেতৃত্বদানকারী শাহাব উদ্দিন একজন চিহ্নিত ভূমি খেকো ও জালিয়াতকারী। ভবানীগঞ্জ বাজারে সে গুরুস্তান সহ সরকারী খাস জায়গা দখল করে কমিউনিটি সেন্টার সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললে উপজেলা প্রশাসন ৩ বছর পূর্বে তা গুড়িয়ে দেয়। এর একটি সরকারী মামলার বাদী ছিলেন ব্যবসায়ী আলা উদ্দিন। যার কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহাব উদ্দিন তিনি হাজত বাসে থাকার সুযোগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে তান্ডব করেছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আলা উদ্দিনের পুত্র মিনহাজ উদ্দিন বাদী হয়ে শাহাব উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে জামায়াত নেতা শাহাব উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, রাস্তার অংশ দখল করে আলা উদ্দিন একটি টিন সেডের দোকান তৈরী করলে এলাকাবাসী বাঁধা দেন। বাঁধা না মানায় স্থানীয় আ’লীগ নেতাদের নির্দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের লক্ষে ভাংচুর করা হয়েছে। তবে সাতবাঁক ইউপি আ’লীগের সভাপতি ও ভবানীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী মখদ্দুছ আলী ও ইউপি আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন মেম্বার জানিয়েছেন আ’লীগের কোন নেতৃবৃন্দ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের সাথে জড়িত নয়। জামায়াত নেতা শাহাব উদ্দিন নিজের অপকর্ম ডাকা দিতে আ’লীগ নেতাদের জড়ানোর চেষ্টা করছেন। তারা দোকান ভাংচুরের সাথে জড়িত শাহাব উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন।

কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট


নিজস্ব প্রতিবেদক: ৪৪ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে এক প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট গত ২৬শে মার্চ বিকেল ৩টায় কানাইঘাট বাজার পশ্চিম মাঠে অনুষ্টিত হয়। খেলায় সাবেক কানাইঘাট ছাত্রলীগ ১-০ গোলে বর্তমান উপজেলা ছাত্রলীগ একাদশকে পরাজিত করে। প্রথমে খেলার শুভ উদ্ধোধন করেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম রানা। কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন-আহবায়ক শাহাবউদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আজমল হুসেনের পরিচালনায় সভায় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা এবং বর্তমান সৌদি আরব মক্কা মহানগর যুবলীগের সভাপতি শামীম আল আমিন,বিশেষ অথিতি হিসেব উপস্থিত ছিলেন সাবেক কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মিলন কান্তি দাস,ইয়াহইয়া আহমদ,জমির উদ্দিন কামরান,সিলেট ল কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি এম.মোস্তাক আহমদ,যুবলীগ নেতা হারিছ উদ্দিন,সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা মামুন রশীদ রাজু,দেলোয়ার হুসেন,রুবেল আহমদ সাগর,মাশের আহমদ,মান্না,আবুল হুসেন ফজল,জেকশন,আবুল হারিছ,মিনু,সারোয়ার,শিপন,কিবরিয়া,রনি,সৌরভ,রাসেল,আশরাফ,রুপজয়,শাকিল,আলী,ফাহাদ প্রমূখ।

আমিরের চোখে পানি দেখলে কেঁদে ফেলেন সানি


বিনোদন ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানের অভিনয়ে মুগ্ধ গোটা বলিউড। তাকে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে। অনেক বলিউড নায়িকারও স্বপ্নের পুরুষ আমির খান। তেমনি একজন সানি লিওন। আমির অভিনিত একটি সিনেমাও বাদ দেননা তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সানি লিওন জানিয়েছেন, তিনি আমির খানের বড় ভক্ত এবং তিনি তার সব সিনেমা দেখেন। এমনকি সিনেমায় আমিরকে কোনও দৃশ্যে কাঁদতে দেখলে তিনিও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেন না। একসময়ের পর্ণস্টার সানি লিওনি মাত্র কয়েকবছর হল বলিউডে পা রেখেছেন। তার লাস্যময়ী রূপে ঝড় তুলেছেন মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। আমির খানের বড় ভক্ত সানি জানিয়েছেন, তিনি ও তার পরিবার বলিউড সিনেমা দেখে বড় হয়েছেন। ছোট থেকেই তিনি এখানকার সিনেমা ভালোবাসেন। তবে কখনও এখানে এসে কাজ করবেন তা কোনওদিন স্বপ্নেও ভাবেননি। আগামী ১০ এপ্রিল সানি লিওন অভিনীত চলচ্চিত্র 'এক পেহেলি লীলা' মুক্তি পাবে। অন্যদিকে আমির এই মুহূর্তে 'দাঙ্গাল' চলচ্চিত্রের জন্য ব্যস্ত রয়েছেন।

সৃষ্টির প্রতি দয়া করুন


শায়খ ড. আবদুল মুহসিন বিন মুহাম্মদ কাসেম: আল্লাহ তায়ালার মহান একটি গুণ দয়া করা। তাঁর অসংখ্য গুণের মাঝে সবচেয়ে প্রিয় গুণ এটি। রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, 'আল্লাহ তায়ালা ১০০ দয়ামায়া সৃষ্টি করে মাত্র এক অংশ দয়া সব সৃষ্টির মধ্যে বণ্টন করেছেন। আর ৯৯ অংশ তাঁর কাছে রেখেছেন।' (মুসলিম)। তাঁর নাম 'রাহমান, রহিম' অতি দয়ালু, পরম করুণাময়। তিনি চান মানুষও তাঁর সৃষ্টির প্রতি দয়া করুক। রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, 'যারা অন্যের প্রতি দয়া করে, আল্লাহও তাদের প্রতি দয়া করেন। তোমরা জমিনের অধিবাসীদের প্রতি দয়া করো, তাহলে যিনি আসমানে আছেন, তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।' (আবু দাউদ)। ইসলাম প্রাণীদের প্রতিও দয়া প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। রাসূল (সা.) বলেন, 'তুমি যদি ছাগলের প্রতি দয়াপরবশ হও, তাহলে আল্লাহও তোমার প্রতি দয়াশীল হবেন।' (মুসনাদ আহমদ)। পবিত্র কোরআন বলছে, 'অনুগ্রহের বিনিময় অনুগ্রহ ছাড়া কী হতে পারে?' (সূরা আর রাহমান : ৬০)। মানব জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত, সৃষ্টির প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ করা। এতেই মানুষের সৌভাগ্য ও সফলতা নিহিত। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'যারা ঈমান আনে এবং অপরকে দয়া ও সবরের উপদেশ দেয়, তারাই সৌভাগ্যশালী।' (সূরা বালাদ : ১৭)। যাদের হৃদয় পাষাণ পবিত্র কোরআনে তাদের নিন্দাজ্ঞাপন করা হয়েছে। এরশাদ হয়েছে, 'দুর্ভোগ তাদের জন্য, যাদের অন্তর কঠিন। তারা সুস্পষ্ট গোমরাহিতে রয়েছে।' (সূরা জুমার : ২২)। অন্তর কঠিন হওয়ার অর্থ কারও প্রতি দয়ার্দ্র না হওয়া। পাষাণ হৃদয় হতভাগ্যের লক্ষণ। রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, 'হতভাগার দিল থেকে দয়ামায়া তুলে নেয়া হয়।' (সুনানে আবু দাউদ)। বোখারির বর্ণনায় রয়েছে, 'যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না।' রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'মোমিনরা পারস্পরিক দয়া, মহব্বত এবং সহযোগিতার ক্ষেত্র এক দেহের মতো। দেহের কোনো অঙ্গ ব্যথাপ্রাপ্ত হলে পুরো দেহ সমব্যথী হয়।' (বোখারি ও মুসলিম)। রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, 'যে ব্যক্তি অপরের প্রয়োজন পূরণে সচেষ্ট থাকবে, আল্লাহও তার প্রয়োজন পূরণে সচেষ্ট থাকবেন।' মূলত কারও প্রয়োজন মেটানো কিংবা কারও বিপদাপদে পাশে দাঁড়ানো তখনই সম্ভব হয়, যদি আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ অন্তরে জাগরুক থাকে। সৃষ্টিকুলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দয়া, অনুগ্রহের প্রাপ্য আপন পিতামাতা। কেননা পিতামাতা সন্তানকে অত্যন্ত দয়ামায়া ও আদর-সোহাগে লালনপালন করেন। বলা যায়, ইহজগতে পিতামাতাই সন্তানের প্রতি সবচেয়ে বেশি দয়ার্দ্র ও স্নেহশীল। তাই আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে আদেশ করেছেন, 'তোমার পালনকর্তা ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না এবং পিতামাতার প্রতি সদয় হও। তাদের মধ্যে একজন অথবা উভয়ই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদের 'উফ' শব্দটিও বল না এবং ধমক দিও না, বরং তাদের সঙ্গে বিনম্রভাবে কথা বল। তাদের সঙ্গে অনুগ্রহের ডানা বিছিয়ে দাও আর বল_ হে প্রভু! তাদের প্রতি রহম করো, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালনপালন করেছে।' (সূরা বনি ইসরাইল : ২৩-২৪)। তেমনি সন্তানের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা পিতামাতার কর্তব্য। ইবনে বাত্তাল (রহ.) বলেন, 'ছোট বাচ্চাদের প্রতি দয়া করা, আদর-সোহাগ ও স্নেহ-মমতায় জড়িয়ে চুমু খাওয়া আল্লাহর কাছে প্রিয় আমল। তিনি এর উত্তম বিনিময় দান করবেন। প্রিয় নবী (সা.) হাসানের গালে মমতার চুমু এঁকে দিলেন। তা দেখে পাশে বসা আকরা ইবনে হাবেস (রা.) বলেন, আমার ১০টি সন্তান। কারও গালে কোনো দিন চুমু খাইনি। নবীজি (সা.) তার দিকে তাকিয়ে বললেন, 'যে দয়া করে না তার প্রতিও দয়া করা হয় না।' (বোখারি ও মুসলিম)। অতএব আল্লাহর দয়া লাভের বড় উপায় হচ্ছে পিতামাতার প্রতি সদয় হওয়া, ছোটদের স্নেহ করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, অভাবী ও মিসকিনদের সহায়তা করা, বিপদগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো ইত্যাদি। এ পৃথিবীতে সৃষ্টির প্রতি সর্বাধিক দয়াশীল ও করুণাকারী আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আল্লাহ তাকে বিশ্ববাসীর জন্য করুণার অাঁধার বানিয়ে পাঠিয়েছেন। তিনি নবিউর রহমাহ। রহমতের নবী। মুক্তির রবি। করুণার ছবি। আল্লাহ বলেন, 'হে নবী! আপনাকে আমি জগদ্বাসীর জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।' (সূরা আম্বিয়া : ১০৭)। তায়েফবাসীর নিষ্ঠুর নির্যাতন দেখে পাহাড়ের রক্ষক ফেরেশতা এসে তাঁর কাছে আবেদন জানালেন, আপনার অনুমতি হলে আমি দুই পাহাড়ের ঘর্ষণে ওদের পিষ্ট করে দিতে চাই। তিনি জবাব দিলেন, 'আমি আশা করি, ওদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থেকে এমন লোকের জন্ম হবে যারা আল্লাহর ইবাদতের প্রতি ব্রতী হবে এবং তার সঙ্গে কাউকে শরিক সাব্যস্ত করবে না।' (বোখারি ও মুসলিম)। বর্ণিত আছে, একদিন তিনি কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে দুই হাত তুলে বারবার বলছিলেন, 'হে আল্লাহ, আমার উম্মত, আমার উম্মত! আল্লাহ তায়ালা জিবরাঈলকে কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন। প্রিয় নবী (সা.) জিবরাঈলকে বললেন, 'আমার উম্মতের মাগফেরাতের জন্য কাঁদছি। জিবরাঈল (আ.) আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেন। আর এসে বললেন, 'আল্লাহ তায়ালা উম্মতের ব্যাপারে আপনাকে অসন্তুষ্ট এবং আপনাকে দুঃখিত করবেন না।' (মুসলিম)। ইমাম নববি এ হাদিসকে উম্মতের জন্য সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক বলে আখ্যায়িত করেছেন। মূলত রাসূলুল্লাহ (সা.) এর দয়া ও অনুকম্পা ইহ-পরকাল পরিব্যাপ্ত। ইহজগতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অভাবীকে সাহায্য করা, বিপদগ্রস্তকে উদ্ধার করা, ছোটদের স্নেহ করা, স্ত্রীকে ভালোবাসা, নারীদের প্রতি সদয় হওয়া, যুবকদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, সাথীদের ব্যথায় সমব্যথী হওয়া ইত্যাদি ছিল তাঁর আদর্শ ও সুমহান চরিত্র। তিনি এরশাদ করেছেন, 'যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের পার্থিব সঙ্কট বা বিপদ দূর করবে আল্লাহ তায়ালা তার কেয়ামতের কঠিন বিপদ দূর করে দেবেন।' (মুসলিম)। ২৯ জমাদিউল আউয়াল মদিনার মসজিদে নববিতে প্রদত্ত জুমার খুতবার সংক্ষিপ্ত ভাষান্তর করেছেন মুফতি মাহবুবুর রহমান নোমানি
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩