খালেদার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রতিবাদ কানাইঘাটে মিছিল

Kanaighat News on Saturday, February 28, 2015 | 8:04 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে এবং অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ও হরতালের সমর্থনে শুক্রবার বাদ মাগরিব কানাইঘাট গাছবাড়ী বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন। দক্ষিণ বানিগ্রাম ও ঝিংঙ্গাবাড়ী ইউপি বিএনপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী বাজার পয়েন্টে পথসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি নেতা এখলাছুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ডাঃ আবু শহিদ শিকদার, বিএনপি নেতা হারুন আহমদ মেম্বার, তাজ উদ্দিন, নুর আহমদ, মকবুল হোসেন, যুবদল নেতা বিলাল আহমদ, ছাত্রদল নেতা জসিম উদ্দিন, তোফায়েল, আতিক, রফি উদ্দিন, কিবরিয়া প্রমুখ।

জেলা জাপার নয়া কমিটিকে কানাইঘাট স্বেচ্ছাসেবকপার্টির অভিনন্দন


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট জেলা জাতীয় পার্টির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কানাইঘাট উপজেলা শাখা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির নেতৃবৃন্দ। এক অভিনন্দন বার্তায় নেতৃবৃন্দ পার্টি চেয়ারম্যানের অত্যন্ত আস্থাভাজন ও বিশ্বস্থ জাতীয় পার্টির নিবেদিত প্রাণকর্মী আব্দুল্লাহ সিদ্দিকীকে আহ্বায়ক এবং ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা উছমান আলী চেয়ারম্যানকে সদস্য সচিব মনোনীত করে জেলা জাপার ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি উপহার দেওয়ায় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। নবগঠিত কমিটির নেতৃত্বে সিলেটে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম অত্যান্ত শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অভিনন্দন দাতারা হলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন আহমদ, ইসলাম উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মখলিছুর রহমান, শামীম আহমদ, জয়নাল আহমদ, আবু তাহের প্রমুখ।

কানাইঘাট ঝিংগাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের ইন্তেকাল


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিংগাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কানাইঘাট উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি সফির উদ্দিন (৭০) বৃহস্পতিবার তাঁর নিজ বাড়ী বীরদল খালপার গ্রামে ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার সকাল ১০টায় বীরদল ফালজুড় প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর জানাজার নামায অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাযে কানাইঘাট ও সিলেট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দ ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। এদিকে কানাইঘাট শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি সফির উদ্দিনের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন, শিক্ষক সমিতির কানাইঘাট উপজেলা শাখার সভাপতি জার উল্লাহ ও সচিব ফজলুর রহমান এবং শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

মানুষের অধিকার সংরক্ষণে ইসলাম


এইচ এম আবদুর রহিম: ইসলাম এমন এক সর্বজনীন ধর্ম, যেখানে সব মত, পথ ও ধর্মের সহাবস্থানের বিধান রয়েছে। ইসলাম দেড় হাজার বছর ধরে উদারতা, মানবিকতাবোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতার। বাণী প্রচার করে আসছে। এতে বিশ্বব্যাপী ইসলাম জীবন্ত এক জীবনাদর্শ রূপে বহু জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত সমাজে নিজের ভিত মজবুত করতে সম হয়েছে। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবী সা: মদিনায় হিজরত করে ইহুদি-খ্রিষ্টানদের নিয়ে যে চুক্তি করেন, তা ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। ‘মদিনা সনদ’ নামে খ্যাত এ সংবিধানে স্পষ্টই উল্লেখ আছে, ‘প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে। ধর্মীয় ব্যাপারে কোনো হস্তক্ষেপ করা যাবে না। অপরাধের জন্য ব্যক্তি দায়ী হবে, সম্প্রদায়কে দায়ী করা যাবে না। মদিনা প্রজাতন্ত্রকে পবিত্র ঘোষণা করা হলো। রক্তপাত ও জুলুম নিষিদ্ধ করা হলো।’ কোনো ধর্মকে কটা, অপমান ও ব্যঙ্গ করা ইসলাম অনুমোদন করে না। অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ইসলামে জায়েজ নেই। কোনো ইমানদার ব্যক্তি অমুসলিমদের উপাসনালয়ে হামলা করতে পারে না।বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সদ্ব্যবহার ইসলামের অনুপম শিক্ষা। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানরা আমাদের প্রতিবেশী। আত্মীয় ও অনাত্মীয় প্রতিবেশীর সাথে সদাচরণ ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা পবিত্র কুরআনের নির্দেশ। মূর্তি ও প্রতিমা ভাঙচুর করা তো দূরের কথা, তাদের গালি ও কটাক্ষ না করার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার হুকুম রয়েছে। মহানবী সা:-এর ২৩ বছরের নবুয়তি জীবনে অমুসলিমদের উপসনালয়ে আক্রমণ বা তাদের বসতবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়ার হুকুম দিয়েছেন, এমন কোনো নজির ইতিহাসে নেই। রাষ্ট্রদ্রোহী ও সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় এনেছেন। সহিষ্ণুতা, সম্প্রীতি ও মানবতার ধর্ম ইসলামে সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। ইসলামের শাশ্বত আদর্শ প্রচার-প্রসারের মাধ্যমে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে আলেমসমাজ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে আবহমানকাল ধরে। রাজনীতি, ধর্ম ও অর্থনীতিসহ নানা কারণে সন্ত্রাস হয়। সন্ত্রাস সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ক্যানসারের মতো। তাই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদরোধে সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। আমরা ভুলে যাই, ব্যক্তির অপরাধের জন্য সম্প্রদায় দায়ী নয়। ইসলামকে কোনো না কোনোভাবে কটাক্ষও ব্যঙ্গ করা একশ্রেণীর লোকের ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে; হোক সেটা বিদ্যালয়ের কাসে, ফেসবুকে, ব্লগে বা সংবাদপত্রের পাতায়। এদের লাগাম টেনে ধরতে হবে এখনই। আমরা ধ্বংস দেখতে চাই না, শুনতে চাই না বিপন্ন মানুষের করুণ আর্তনাদ। ধর্ম, ধর্মীয় গ্রন্থ ও ধর্মীয় উপাসনালয় অবমাননার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। পৃথিবীর ৭০ কোটি মানুষের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতাদর্শ এক নয়। নিজ নিজ ধর্মের প্রচার ও যৌক্তিকতা ভিন্ন মতাবলম্বীদের কাছে তুলে ধরতে কোনো দোষ নেই। যৌক্তিক ও বাস্তব মনে না হলে সে মতাদর্শ প্রত্যাখ্যান করার অধিকার সবার আছে। তবে অপরের লালিত বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুভূতিকে আহত করার হীন প্রচেষ্টা অপরাধ; আরো বিশেষভাবে বলতে গেলে তা সন্ত্রাস। মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে এ ধরনের অপচেষ্টা মৌলিক মানবীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী। আর ইসলামে মানবাধিকার অত্যন্ত বিস্তৃত। শুধু মানুষ কেন, সমগ্র সৃষ্টিরই অধিকার রয়েছে সদাচরণ পাওয়ার। বৃ-লতারও অধিকার আছে যে, অহেতুক কেউ তার ডাল-পাতা ছিঁড়বে না বা ভাঙবে না। যে পশুকে জবেহ করে আমরা গোশত খাই, তারও অধিকার হলো ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে তাকে জবেহ করতে গিয়ে কষ্ট দেয়া হবে না, ভারবাহী পশু হলে তাকে তার সামর্থ্যরে অতিরিক্ত বোঝা দেয়া যাবে না, যা বহন করা তার জন্য কষ্টকর বা কোনো পশুপাখিকে আটকে রেখে তাকে কষ্ট দেয়াও গুনাহের কাজ। মালিক-শ্রমিক ও মনিব-ভৃত্যেরও পারস্পরিক কিছু অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে। মালিকের অধিকার হলো তার অধীন শ্রমিক-কর্মচারীরা পূর্ণ দায়িত্বানুভূতির সাথে কাজ করবেন। মালিকের কাছ থেকে সময়মতো ন্যায্য পারিশ্রমিক নেবেন আর দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন- এটা কখনোই হতে পারে না। যারা নেয়ার সময় পুরোপুরি নেবেন আর দেয়ার সময় কম দেবেন- এমন লোকেদের জন্য রয়েছে ধ্বংস (সূরা আল মুতাফ্ফিহিন)। শ্রমিকের অধিকার রয়েছে যে, মালিক তাকে ন্যায্য পারিশ্রমিক দেবেন ও উত্তম আচরণ করবেন। মানুষের অধিকার সংরণের জন্য মানুষ সৃষ্টি করেছে রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থা। রাষ্ট্র অনেক সময় তাকে নিরাপত্তা দিয়েছে, আবার অনেক স্বৈরশাসক রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়েছে। মানুষ বেশির ভাগ রাজতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়েছে এবং এর থেকে পরিত্রাণের জন্য অনেক ত্যাগও স্বীকার করেছে। মানুষের কাজের জন্য স্রষ্টার কাছে জবাবদিহিতা ও আখেরাতের বদলাকে অস্বীকৃতিই এসব সীমাহীন জুলুম-নির্যাতনের কারণ। আল্লাহ তায়ালা প্রেরিত সব নবী-রাসূলকে সমসাময়িক রাজশক্তি মোটেই সহ্য করতে পারেনি এবং সবাই তাদের অস্তিত্বের জন্য নবী-রাসূলকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করেছে। বর্তমান স্বৈরতান্ত্রিক শাসকদের ভাষায় বলা যায়, সব নবী-রাসূলই রাজনৈতিক ইসলাম নিয়ে এসেছেন। নমরুদের বিরুদ্ধে ইবরাহিম আ:, ফেরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আ:, আবু জেহেল-আবু লাহাবদের বিরুদ্ধে মুহাম্মাদ সা:- এই হলো ইতিহাস। নমরুদ-ফেরাউন-আবু জেহেলের অনুসারী বনাম ইবরাহিম আ:, মুসা আ:, মুহাম্মাদ সা:-এর অনুসারীদের মধ্যে এ দ্বন্দ্ব চিরন্তন। সব বাধাবিপত্তি ডিঙিয়ে রাসূল সা: ইসলামকে একটি রাষ্ট্রীয় দ্বীন বা জীবনব্যবস্থা হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেন। রাসূল সা: প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রই ছিল যথার্থ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র। তিনিই প্রথম ধারণা দিলেন রাষ্ট্র বা সরকার উৎপীড়ক নয়, জনগণের অধিকার সংরণই রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জনগণের জান-মাল-সম্মানের পূর্ণ নিরাপত্তাদান রাষ্ট্রের মৌলিক কাজ। মক্কায় বসে তিনি এমনই স্বপ্ন দেখতেন এবং মক্কার কঠিন সময়ে যখন তাঁর সঙ্গীসাথীরা দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে পড়তেন, সে সময় তিনি আশার বাণী শুনিয়েছিলেন এই বলে- ‘সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন একজন ষোড়শী স্বর্ণালঙ্করসহ সানা থেকে হাজরা মাওত একাকী হেঁটে যাবে, তাকে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করতে হবে না। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সমাজে আরব-অনারব, সাদা-কালো, ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ, মনিব-ভৃত্য, শিক্ষিত-অশিক্ষিত কোনো ভেদাভেদ ছিল না; একটিই পরিচয় ‘তোমরা সবাই আদমের সন্তান আর আদম মাটির তৈরী। সমাজ তিগ্রস্ত হয় বা কোনো না কোনোভাবে মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন হয়, এমন সব কাজকে তিনি নিষিদ্ধ (হারাম) ঘোষণা করেন। তিনি সমাজে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেন এবং সন্দেহবশত কাউকে হয়রানি ছিল সে সমাজে অকল্পনীয়। শাসন ও বিচারকাজ পরিচালনায় তিনি ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘হাশরের ময়দানে যখন আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো আশ্রয় থাকবে না, সেই কঠিন মুহূর্তে আরশের ছায়ার নিচে আশ্রয়প্রাপ্তদের মধ্যে অন্যতম হবেন ন্যায়পরায়ণ শাসক ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী বিচারক। আবার তিনি হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন এই বলে- যে শাসক জালেম ও খিয়ানতকারী হিসেবে মৃত্যুবরণ করবে, আল্লাহ অবশ্যই তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন। তিনি বলেন, যে বিচারক সত্যকে জানতে পেরেও ফায়সালা করার ব্যাপারে অবিচার ও জুলুম করেছে সে জাহান্নামে যাবে। আর যে অজ্ঞতা সত্ত্বেও জনগণের জন্য বিচার ফয়সালা করেছে সেও জাহান্নামি হবে। বিশ্বব্যাপী ইসলামপন্থীরা সর্বপ্রকার মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত এবং তাদের ওপর সীমাহীন জুলুম-নির্যাতন করা হচ্ছে। যে রাষ্ট্রযন্ত্র তার নাগরিকদের জুলুম থেকে রা করবে, সেই রাষ্ট্রযন্ত্রকে জুলুমের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ওদের অপরাধ হলো আল্লাহর ভাষায় ‘ওরা পরাক্রমশালী আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছে’ (সূরা বুরুজ)। যেকোনো বিচারে ঈমানদারেরা নীতি-নৈতিকতা, আচার-আচরণ, অফিস-আদালত-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন ও ব্যবসায়িক লেনদেনে সর্বোত্তম ব্যক্তি। ইসলামে বিশ্বাস ও তা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা-প্রচেষ্টাই তাদের অপরাধ। নেশার জগতে ওরা দাবি করে যে, তারা শতভাগ নেশামুক্ত। আল্লাহ পাক তাঁর বান্দাহদের ওপর জুলুম কখনোই সহ্য করেন না। সাধারণত তিনি শাস্তিদানের জন্য তাড়াহুড়ো করেন না, তিনি তাঁর বান্দাহর মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করেন যে, সে ফিরে আসে কি না। আল্লাহ বলেন, যারা কুফরি করেছে এবং আল্লাহর পথে চলতে বাধা দিয়েছে, আল্লাহ তাদের সব কাজকর্ম ব্যর্থ করে দিয়েছেন (সূরা মুহাম্মদ)। তিনি আরো বলেন, যারা মুমিন পুরুষ ও নারীদের ওপর জুলুমপীড়ন চালিয়েছে, তারপর তা থেকে তওবা করেনি, নিশ্চিতভাবে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব এবং জ্বালাপোড়ার শাস্তি। আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে নিশ্চিতভাবেই তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতের বাগান, যার নিম্নদেশে ঝরনাধারা প্রবাহিত। এটিই বড় সাফল্য (সূরা বুরুজ, ১০-১১)।

শরীরের জন্য পানি কতটুকু প্রয়োজন?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পানি ছাড়া জীবন চলে না। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই খাদ্য উপাদান মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে। মানুষকে দেখতে কতটা সজীব মনে হয়, তা নির্ভর করে সঠিকভাবে পানি পান করার ওপর। আর সুস্থতার অনুভূতির ব্যাপারটিও একই রকম। পানীয়জলে একটুখানি গোলমাল হলেই মানুষ একনিমেষে সজীবতা হারাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায়, শরীরে মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ পানিস্বল্পতা দেখা দিলেই তা মস্তিষ্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে| শরীরজুড়ে পানির অবস্থান পূর্ণবয়স্ক মানবদেহের ৬০% পানি! শরীরের কার্যক্রম চালাতে পানি অনেকটা জ্বালানির মতোই কাজ করে| পানির প্রভাব দীর্ঘকালীন পানিস্বল্পতা আপনার বাহ্যিক অবয়ব নষ্ট করে দিতে পারে। পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো চোখে-মুখেই ফুটে ওঠে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক: মস্তিষ্ক ৭৩ % ফুসফুস ৮৩ % হৃৎপিন্ড ৭৩ % পেশী ৭৯ % যকৃত ৭১ % বৃক্ক ৭৯ % ত্বক ৬৪ % হাড় ৩০ % ত্বকে ভাঁজ, চেহারায় বার্ধক্যের ছাপ| চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে| ব্রণের আবির্ভাব| করোটি বা খুলিতে শুষ্কতা, ফাটল নখ ভেঙে যায়| নাক লাল হয়ে যায়, সঙ্গে জ্বালা-পোড়া| চোখ লাল হয়| চুলের আগা ফেটে যায় চুল ঝরে যেতে থাকে|

ইউক্রেন ইস্যুতে অবশেষে রাশিয়ার পাশে চীন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগগুলোকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নেয়ার জন্য পশ্চিমা পরাশক্তিগুলোর প্রতি আহবান জানিয়েছেন চীনের এক কুটনীতিক। এ আহবানের মধ্য দিয়ে চীনের ওই শীর্ষস্থানীয় কুটনীতিক ইউক্রেন সংকটে রাশিয়ার অবস্থানের প্রতি চীনের নজিরবিহীন ও খোলামেলা সমর্থনের কথাই যেন জানান দিলেন। বেলজিয়ামে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত কু জিং এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জিনহুয়া বৃহস্পতিবার জানায় যে, কু জিং ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া এবং পশ্চিমা পরাশক্তিগুলোর প্রতিযোগীতার নিন্দা জানান। ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার প্রতি পশ্চিমা পরাশক্তিগুলোর জিরো টলারেন্স নীতি ত্যাগের আহবানও জানান তিনি। তিনি বলেন, ইউক্রেন সংকটের মূল কারণ রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা পরাশক্তিগুলোর মধ্যকার ‘খেলা’। তার মতে, পশ্চিমা পরাশক্তিগুলোর হস্তক্ষেপের ফলে ইউক্রেন সংকট আরো জটিল রুপ ধারণ করবে। আর রাশিয়ার প্রতি যদি পশ্চিমা পরাশক্তিগুলো তাদের আচরণে পরিবর্তন না আনে তাহলে মস্কো হয়তো ভাবতে পারে যে তাদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। ইউক্রেন ইস্যুতে এই প্রথমবারের মতো রাশিয়ার অবস্থানের প্রতি কার্যত প্রকাশ্য সমর্থন জ্ঞাপন করলো চীন। এর আগে অনেক আন্তর্জাতিক কুটনৈতিক ইস্যুতেই চীন ও রাশিয়া পরস্পরের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছে। কিন্তু ইউক্রেন সংকটের শুরু থেকেই চীন রাশিয়ার প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জ্ঞাপনে বিরত থাকে। ইউক্রেনের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য দেশটির প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগীতা অব্যাহত রাখার ঘোষণাও দিয়েছে চীন। প্রসঙ্গত, রাশিয়ার উপর আরো কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের ব্যাপারে পশ্চিমা পরাশক্তিগুলোর আলাপ-আলোচনার মাঝেই চীনা কুটনীতিক কু জিং এসব মন্তব্য করলেন।

জাপার ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ এসেছে: এরশাদ


চট্টগ্রাম: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, দেশের মানুষ এ সরকারকে আর চায় না। বিএনপিকেও চায় না। এ অবস্থায় জাতীয় পার্টির সামনে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ এসেছে। আমরা এ সুযোগকে কাজে লাগাতে চাই। যদি নিরপেক্ষ ও সঠিক নির্বাচন হয় তাহলে জাতীয় পার্টি আবার ক্ষমতায় যাবে। আগামী নির্বাচনের জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ারও নির্দেশ দেন এরশাদ। শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের মুরাদপুরস্থ মহানগর জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ এসব কথা বলেন। এরশাদ বলেন, “জাতীয় পার্টির সরকারের ৯ বছর ছিল স্বর্ণযুগ। সে সময় মাত্র দুইজন লোক মারা গিয়েছিল, আমি ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলাম। আর এখন প্রতিদিন লোক মারা যাচ্ছে। কারো কোন মায়া-মমতা নেই।” তিনি বলেন, “ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মানুষ মরছে, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হচ্ছে, মানুষ অনাহারে থাকছে। কারও মনে শান্তি নেই, স্বস্তি নেই।” খালেদা জিয়ার উদ্দেশে এরশাদ বলেন, “নিরপরাধ হয়েও তার প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমি জেলে গিয়েছি। আমার শিশু সন্তানকেও জেলে নেয়া হয়েছিল। আর এখন তিনি রাজনীতির নামে জ্বালাও-পোড়াও করছেন।” দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এরশাদ বলেন, “জিয়াউদ্দিন বাবলুকে মহাসচিব না করলে দলের কাজে গতি আসতো না। সব ভেদাভেদ ভুলে দলের জন্য কাজ করুন। আগামীতে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ভোটে জিতে আমরাই ক্ষমতায় যাবো।” চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ও নারী সাংসদ মাহজাবীন মোরশেদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। আরও উপস্থিত ছিলেন- দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম, দলের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক শামসুল আলম মাস্টার, উত্তর জেলা আহ্বায়ক শায়েস্তা খান প্রমুখ।

মেক্সিকোর দুর্ধর্ষ মাদক সম্রাট লা টুটা গ্রেপ্তার


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: মেক্সিকোর মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক সম্রাট সার্ভান্দো ‘লা টুটা’ গোমেজকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সময় শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। এ গ্রেপ্তারের ঘটনায় মাফিয়াদের সংঘর্ষে জর্জরিত দেশটির সরকারের আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে গেছে। সাবেক শিক্ষক ৪৯ বছর বয়সী ওই মাদক সম্রাট মিশোয়াকান প্রদেশে দেশটির প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েতোর পুনঃনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পথে প্রধান বাধা হিসেবে বিরাজ করছিল। গোমেজের বাহিনীর সঙ্গে সরকারী নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর সংঘর্ষ চলছিল বহুদিন ধরেই। গত সেপ্টেম্বরে অপহরণের পর ৪৩ জন শিক্ষানবীশ শিক্ষককে হত্যার ঘটনায় মেক্সিকোজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে প্রেসিডেন্ট পেনা নিয়েতো গোমেজেকে গ্রেপ্তারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন। ওই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডে গোমেজের বাহিনীর সঙ্গে দেশটির দুর্নীতিগ্রস্ত বেশকিছু পুলিশেরও যোগসাজশ ছিল। কয়েকমাস ধরে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখার পর শুক্রবার গোমেজকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে মেক্সিকো পুলিশ। মিশোয়াকান প্রদেশের রাজধানী মোরেলিয়ার একটি বাড়ি থেকে কয়েকজন সহযোগীসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোমেজকে গ্রেপ্তারের পর প্রেসিডেন্ট পেনা নিয়েতো এক টুইটার বার্তায় বলেন, ‘গোমেজকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মেক্সিকোতে আইনের শাসন শক্তিশালি হবে এবং দেশজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ প্রসারিত হবে।’ গোমেজকে গ্রেপ্তারের আগে গত এক সপ্তাহে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার ও অনেক সম্পদ জব্দ করা হয়। সাত সন্তানের জনক গোমেজের নাম মেথাম্ফেটামিন ও কোকেন পাচারের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোস্ট ওয়ান্টেড মাফিয়া তালিকায়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০০৯ সালে মেক্সিকোর ফেডারেল পুলিশ বাহিনীর ১২ কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডেও জড়িত ছিল গোমেজ। মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে ২০ লাখ ডলার পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। এরপর থেকে সে জঙ্গলে পালিয়ে বসবাস করতো। মেক্সিকো সরকার ২০০৭ সাল থেকে দেশটির মাদক চক্রগুলোর বিরুদ্ধে সেনা অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে মাদক সংশ্লিষ্ট সংঘর্ষে এ পর্যন্ত অন্তত ১ লাখ মানুষ নিহত হয়।

অভিজিৎ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি বিএনপির


ঢাকা: মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা ও আমেরিকান প্রবাসী বাংলাদেশি লেখক অভিজিৎ রায়ের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। শনিবার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ এ দাবি জানান। বিবৃতিতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বাংলা একাডেমি ও টিএসসির মতো স্থানে নিশ্ছিদ্র পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যেও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে সরকার এদেশের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বটতলায় স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাকে নিয়ে বই মেলা থেকে ফেরার পথে জঙ্গিরা তাদের উপর হামলা চালায়। গুরুতর অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অভিজিৎ রায়কে মৃত ঘোষণা করেন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে পুনরায় রিমান্ডে নেয়ায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতিতে সালাহ উদ্দিন বলেন, শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ রিজভীকে হত্যার উদ্দেশ্যেই সরকার গ্রেপ্তারের পর থেকে আজ পর্যন্ত কারাগারে না নিয়ে তাকে ২৯ দিন লাগাতার পুলিশি রিমান্ডে নেওয়ার নজিরবিহীন ঘৃন্য কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। রিজভী আহমেদের যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, নিপীড়ক এই শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলন সংগ্রাম কেবলই বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোটের ক্ষমতায় যাওয়ার লড়াই নয়, এই লড়াই সমগ্র দেশের জনগণের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্যে করে সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘আপনার স্মরণে রাখা উচিৎ, আপনার পিতা বাকশাল গঠনের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা করে যেমন আওয়ামী লীগকে অস্তিত্বহীন করে দিয়েছিল, তেমনি আপনিও পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে পুনরায় আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে দাফন করার আয়োজন করেছেন।’ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দেশের সকল পাড়ায়-মহল্লায় জনগণের নেতৃত্বে স্বত:স্ফুর্তভাবে প্রতিরোধ-সংগ্রাম কমিটি গড়ে উঠেছে বলে সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। তিনি বলেন, জনগণের স্বত:স্ফূর্ত প্রতিরোধের মুখে অতি শীঘ্রই অবৈধ এই সরকার পালাতে বাধ্য হবে। রাস্তায় কয়েকটি গাড়ি চলাচল দেখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে বলে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললেও আন্দোলনে তৃণমূলের ব্যাপক অংশগ্রহণ আওয়ামী সরকারকে সমূলে উৎপাটন করতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে না। চলমান আন্দোলনে সকল হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সময়ের পরিবর্তনে এ সকল নারকীয় হত্যাকাণ্ডে দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত আদালতে বিচার করা হবে। চলমান আন্দোলনের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আগামীকাল দেশব্যাপী ৭২ ঘণ্টার সর্বাত্মক হরতাল ও রবিবার সারাদেশে গণমিছিল শান্তিপূর্ণভাবে পালন করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পেট্রলের আগুনে দগ্ধ শাকিলের মৃত্যু


ঢাকা: নারায়ণগঞ্জের গাউছিয়া এলাকায় পেট্রল ঢেলে বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় দগ্ধ বাসের সুপারভাইজার শাকিল মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়। বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, গত বুধবার ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা আশিয়ান সিটি পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে শাকিল ও ইয়াসিন নামে দুজন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ বিকালের দিকে শাকিল মারা যান।

অপসারিত তৃণমূলের মুকুল রায়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মুকুল রায়কে সংসদীয় পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি দলের সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ও সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা ছিলেন। সংবাদসংস্থা পিটিআই’য়ের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, মুকুল রায়কে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে তৃণমূল প্রধান মমতা ব্যানার্জী আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ও ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির কাছে। রাজ্যসভায় পরবর্তী দলনেতা কে হবেন, তা ঠিক করতে শনিবার কলকাতায় দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন মমতা ব্যানার্জী। ওই বৈঠকে দলের সব সংসদ সদস্যদের হাজির থাকতে বলা হয়েছে, যদিও এদিনই সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হবে। ওই বৈঠকের পরেই মুকুল রায়ের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে বলে তৃণমূল কংগ্রেস সূত্র জানিয়েছে। একসময়ে মমতা ব্যানার্জীর পরেই দলে যার স্থান ছিল, সেই মুকুল রায়কে সারদা কেলেঙ্কারিতে জিজ্ঞাসাবাদের পরেই মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে।

বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নয়


ঢাকা: বাল্যবিবাহের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেছেন, বিয়ের ক্ষেত্রে নারীদের বয়স ১৮ বছরই থাকবে। এর কম করা হবে না। সম্ভব হলে বয়স বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। শনিবার দুপুরের দিকে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি একথা বলেন। ‘নারীর ক্ষমতায়ন-মানবতার উন্নয়ন’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে ইউএনএফপিএ ও প্রথম আলো। নাসিম বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি বাড়ছে নারীর সক্ষমতা। রাষ্ট্র তাদের সক্ষমতা বাড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। যখন শিক্ষক নিয়োগ হয় তখন আমরা নারীদেরকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলে দেই। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও সরকার সব কাজ করতে পারে না। রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়। মানসিকতা ও সমাজ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুর পরিবর্তন হবে। রাষ্ট্রকে নারীদের এগিয়ে আসার সুযোগ করে দিতে হবে। নারীদের সর্বক্ষেত্রে আসার সুযোগ করে দিয়েছে রাষ্ট্র ও সরকার। স্বাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সিনেমাগুলোর জনপ্রিয়তার মাপকাঠি হচ্ছে নারীদের প্রতি ভায়লেন্স। আমরা এগুলো বন্ধ করার কথা বলছি না। তবে এটা আমাদের সমাজে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। মন্ত্রী আরও বলেন, পৃথিবীর যে কোনো দেশের পরিবর্তন-উন্নয়ন-সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে রাজনীতিবিদরা। সারা দুনিয়ায় রাজনীতিবিদরা সব সৃষ্টি করেছে। তারাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। রাজনীতিবিদের বিকল্প রাজনীতিবিদই, অন্য কেউ হতে পারে না। গোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভি, সিডোর সাবেক চেয়ারপারসন সালমা খান, আইন কমিশন সদস্য এম শাহ আলম, পরিকল্পনা কমিশন সদস্য শামসুল আলম, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক শাহনাজ মুন্নি, চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন প্রমুখ।

পুলিশকে একহাত নিলেন তসলিমা নাসরিন


ঢাকা: ভারতে নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিন বলেছেন, অভিজিতের খুনীরা পুলিশের চোখের সামনে পালিয়েছে। পুলিশ কি ইচ্ছে করেই ওদের ধরেনি? তবে আমার কাছে মনে হয়- পুলিশ হয়তো ইচ্ছে করেই ওদের ধরেনি। কিছু পুলিশ নাকি দেখেছে যখন অভিজিতকে কোপাচ্ছে দুটো ইসলামী সন্ত্রাসী, ভেবেছে ছেলেরা ছেলেরা মারামারি করছে। শনিবার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন নারীবাদী লেখক তসলিমা নাসরিন। তিনি বলেন, পুলিশ গত বছর থেকে জানতো আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের হিটলিস্টে অভিজিৎ রায়ের নাম চার নম্বরে। ওই টিমের প্রধান জসীমুদ্দিন রাহমানী প্রচুর ছেলের মগজধোলাই করেছে। মুহম্মদের সমালোচনা যে লেখকই বা ব্লগারই করবে তাকে খুন করার উৎসাহ দিত রাহমানী। মেরে ফেলার জন্য আটজনের একটা লিস্ট করেছিল। রাহমানী এখন জেলে। কিন্তু মগজধোলাই হওয়া তার বন্ধ শিস্যগুলো তো জেলের বাইরে! রাহমানীর শিস্যদেরই যে শুধু খুনী হওয়ার আশঙ্কা, বলছি না। বুঝে কোরান পড়লেও মগজধোলাই হয়। তসলিমা নাসরিন বলেন, অসংখ্য মানুষ এবং পুলিশের চোখের সামনে খুন হলো অভিজিৎ। আততায়ীরাও হয়তো ভাবেনি এত সহজে কাজটা সম্ভব হবে। জঙ্গিদের হিটলিস্টে আর যাদের নাম আছে, তাদের কি এখন থেকে প্রটেকশন জুটবে? নাকি তাদেরও এক এক করে এভাবে মরতে হবে যেভাবে অভিজিৎ মরেছে?

৯ কোটি ভোটার পাচ্ছেন স্মার্টকার্ড


ঢাকা: আগামী বছরের জুনের মধ্যেই ৯ কোটি ভোটারের হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিবালয়ের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘গত বিজয় দিবসে ভোটারদের হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিসবে ভোটারদের হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। তবে এতটুকু বলতে পারি, কার্ড তুলে না দিতে পারলেও সেদিন প্রতীকী কার্ড দেয়ার মাধ্যমে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করবো।’ তিনি জানান, এর আগে স্মার্টকার্ড প্রস্তুত ও বিতরণের জন্য ফরাসি কোম্পানি অবারথু টেকনোলজির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কোম্পানিটি ৯ কোটি স্মার্টকার্ড প্রস্তুত ও বিতরণ করবে। ৭৯৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা মূল্যের এই চুক্তির মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত। জুনের মধ্যেই ৯ কোটি ভোটারের হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দিতে চায় ইসি। ইসি’র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্মার্ট কার্ড সবার হাতে পৌঁছে দেয়ার আগে জাতীয় পরিচয়পত্রের সকল ভুল-ভ্রান্তি সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। স্মার্ট কার্ড দেয়ার পর ভোটারদের যাতে অর্থ খরচ ও অযথা হয়রানির স্বীকার না হতে হয় সেই জন্য বিশেষ এ সুযোগ দেয়া হয়েছে। কারণ স্মার্ট কার্ড দেয়া হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের মাধ্যমে ভোটাররা সংশোধন ও স্থানান্তরের সুযোগ পাবে। সে ক্ষেত্রে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। ভোটারদের এসব হয়রানি যাতে না হয় সে কারণে ভুল-ভ্রান্তি থাকলে আগে-ভাগেই তা বিনামুল্যে সংশোধনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন, পরিবর্তন ও নতুন ভোটার নিবন্ধন করতে এখন থেকে ঘরে বসে সহজেই অনলাইনে আবেদন করা যাবে। তিনি বলেন, উপজেলা সার্ভার স্টেশনগুলো চালুর প্রক্রিয়া চলছে। যন্ত্রপাতি লাগানোর কাজ শেষ হলে ভোটাররা নিজের এলাকায় এ সুবিধা পাবেন। তার আগে অবশ্যই নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, যারা নতুন ভোটার হতে আগ্রহী তারা রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ঘরে বসেই আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া যারা ভোটার আছেন তারা রেজিস্ট্রেশনের মধ্যমে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিজস্ব তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। পাশাপাশি তথ্য সংশোধন, পরিবর্তন ও ছবির স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে আবেদন করতে পারবেন। হারিয়ে যাওয়া ও নষ্ট হওয়া পরিচয়পত্রও পুনরায় পেতে আবেদন করা যাবে। কখন, কোথায় থেকে তা সংগ্রহ করবেন তাও সয়ংক্রিয়ভাবে জানিয়ে দেয়া হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো. সালেহউদ্দিন বলেন, অনলাইনের মাধ্যমে এখন নিজস্ব ডাটা দেখার সুযোগ পাবে ভোটাররা। এতে তাদের যে ভোগান্তি ছিল তা কমে আসবে। এসব সুবিধার মধ্যে রয়েছে- কারো বয়স ১৮ হলেই অনলাইনে তিনি নিজেই ভোটার হতে পারবেন; যিনি ভোটার হয়েছেন, তিনি নিজেই তার ব্যক্তিগত তথ্য এবং নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্রের তথ্য দেখতে পারবেন। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের পরিবর্তন, সংশোধন ও হালনাগাদের জন্য আবেদন করতে পারবেন; ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন, আঙুলের ছাপগ্রহণ ও অন্যান্য প্রয়োজনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট (সাক্ষাৎকারের সময়সূচি) নিতে পারবেন। হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া পরিচয়পত্র প্রতিস্থাপনের আবেদন করতে পারবেন ও আবেদনকারী নিজেই নিজের অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন। সংশোধনের আবেদন করতে সরাসরি www.ec.org.bd/Bangla ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে ডানপাশে এনআইডি অনলাইন সার্ভিসেস-এ ক্লিক করলেই মূল পাতায় যাওয়া যাবে। এছাড়া www.nidw.gov.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। পরে রেজিস্ট্রেশন অপশনে গিয়ে চারটি ধাপে তথ্য পূরণ এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শেষ হলেই মোবাইল বা ই-মেইলে যাওয়া গোপন নম্বরের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট সচল করবেন। অ্যাকাউন্ট সচল হওয়ার পর ভোটাররা ফরম পূরণের সময় দেওয়া তথ্য দেখতে পারবেন এবং তা সংশোধনের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। ইসি কর্মকর্তারা জানান, অনলাইনের মাধ্যমে নামের বানান, ঠিকানা, স্বাক্ষর, রক্তের গ্রুপ, জন্ম তারিখ ছবিসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংশোধন করতে পারবেন। তবে তথ্য সংশোধের সময় অবশ্যই ইসির চাহিদামতো প্রমাণাদি দিতে হবে। এ ছাড়া যে সব এলাকায় অনলাইনের ব্যবস্থা নেই তারাও লিখিত আবেদনের মাধ্যম তথ্য সংশোধন করতে পারবেন। বিদ্যমান ভোটারদের তথ্য সংশোধন শেষ হলেই ইসি স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত শুরু করবে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভোটাররা ছবিসহ ফরমপূরণের সময় যেসব তথ্য প্রদান করেছেন সেগুলোও দেখতে পারবেন এবং সংশোধনের প্রয়োজন হলে তা সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময় সংশোধনের নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থান জানিয়ে দেয়া হবে। সেখানে উপস্থিত হয়ে সহজেই সংশোন করতে পারবেন ভোটাররা। ফলে সংশোধনের জন্য কাউকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। তারা জানান, অধিকতর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্মার্ট কার্ডে অন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করার জন্য আটটি ইন্টারন্যাশনাল সার্টিফিকেশন ও স্ট্যান্ডার্ড নিশ্চিত করা হয়েছে। স্মার্ট কার্ডে তিন স্তরে মোট ২৫টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সন্নিবেশিত থাকছে। আমরা এখন যে পরিচয়পত্র আছে সেটি সহজেই জাল করার প্রবণতা দেখা গেছে। কিন্তু স্মার্ট কার্ডে সেটি সম্ভব হবে না। স্মার্ট কার্ডে মধ্যে যে মাইক্রোচিপসে নাগরিকের সকল তথ্য দেয়া থাকবে। সরকারি সব অনলাইন সুবিধা, চাকরির জন্য আবেদন, ব্যাংক হিসাব খোলা এবং পাসপোর্ট তৈরি, ই-গভর্নেন্স ও ই-পাসপোর্ট সেবাসহ মোট ২৫টি সেবা প্রাথমিকভাবে পাওয়া যাবে। তবে এ সেবার পরিধি আরো বাড়তে পারে।

মোদি সরকারের প্রথম বাজেটে অপরিবর্তিত করছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আজ শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা থেকে সংসদে ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষের সাধারণ বাজেট পেশ করেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। নরেন্দ্র মোদি সরকারের এটাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। বাজেটের দিকে তাকিয়ে ছিল গোটা দেশ। বাজেটে পেশের আগে বাড়লেও পরে অবশ্য খানিকটা নেমেছে সেনসেক্স। বাজেটে অর্থমন্ত্রী যা ঘোষণা করলেন তা এক নজরে • অপরিবর্তিত আয়কর ছাড়ের বর্তমান কাঠামো • কর ফাঁকি রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা • ১ কোটির উপর আয়ে ২ শতাংশ হারে অতিরিক্ত সারচার্জ • মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে কমিটি তৈরি করা হবে • ২০২২ সালের মধ্যে প্রত্যেকের মাথায় ছাদ দিতে প্রকল্প • সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের নতুন বাড়ির জন্য বিশেষ প্রকল্প • মুদ্রাস্ফীতি ৫ শতাংশের নিচে নামানো গিয়েছে • প্রত্যেক পরিবারের এক জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই • জন-ধন প্রকল্পে ১২.৫ কোটি মানুষকে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার আওতায় আনা গিয়েছে • ২৮ হাজার গ্রামকে যুক্ত করতে ১ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির প্রস্তাব • স্বচ্ছ ভারত মিশনের মাধ্যমে ৫০ লক্ষ শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে। আরও ৬ কোটি তৈরির পরিকল্পনা • ১০০ দিনের প্রকল্পে ১২.৫ কোটি পরিবারকে আনা গিয়েছে • সপ্তম বেতন কমিশনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে • রাজস্ব ঘাটতি ৪.১ শতাংশ। এটাকে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে • জমি হেলথ কার্ড তৈরি করা হবে। সার ছাড়া উত্পাদন লক্ষ • মার্চ পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার • কৃষির উতপাদন এবং কৃষিপণ্যের দাম বাড়াতে সেচের এলাকা বাড়ানো হবে • ৮০ হাজার স্কুলকে মাধ্যমিকে উন্নীত করা হবে • ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষিঋণ বাবদ ৮.৫ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হবে • পণ্য পরিষেবা কর চালুর চেষ্টা করা হবে • প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা চালুর প্রস্তাব। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ২ লক্ষ রূপি পাওয়া যাবে। দিতে হবে মাসে এক রূপি। • অটল পেনশন যোজনা চালুর প্রস্তাব। এক হাজার রূপি দেবে সরকার, বাকি এক হাজার দেবে পেনশনভোগী • ১.৫ কোটি গ্রাহককে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি। সাংসদরা আর গ্যাসে ভর্তুকি নেবেন না বলে অর্থমন্ত্রীর আশা • ২০১৬-র ১ এপ্রিল থেকে জিএসটি চালুর প্রস্তাব। • তফসিলিদের উন্নয়নে মুদ্রা ব্যাংক চালুর প্রস্তাব • পরিকাঠামো খাতে ৭০ হাজার কোটি রূপি বরাদ্দ • রেলের জন্য ১০ হাজার কোটি • প্রান্তিক চাষিদের জন্য পেনশনের ব্যবস্থা • রাস্তা, রেল এবং সেচে বিনিয়োগের জন্য কর মুক্ত পরিকাঠামো বন্ড চালুর প্রস্তাব • ডাকঘরগুলিতে ব্যাংক পরিষেবা চালুর প্রস্তাব • বয়স্কদের জন্য প্রধানমন্ত্রী জীবনজ্যোতি যোজনা। বছরে ৩৩০ টাকা দিলে মিলবে দু’লক্ষ টাকার বিমা • রুগণ কারখানাগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে নতুন প্রকল্প • চার হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি অত্যাধুনিক বিদ্যুতকেন্দ্র তৈরি হবে • কুড়ানকুলাম পরমাণু বিদ্যুতকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে চলতি অর্থবর্ষে • বিনিয়োগ টানতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি • ৪৩টি দেশের মানুষ ভারতবর্ষে নেমে বিমানবন্দরে ভিসা পান। এই সংখ্যা বাড়িয়ে ১৫০-তে নিয়ে যাওয়া হবে • স্বনিযুক্তি এবং মেধার বিকাশে এক হাজার কোটি • মহিলাদের সুরক্ষায় জোর। নির্ভয়া প্রকল্পে এক হাজার কোটি বরাদ্দ • সোনাকে অর্থে পরিণত করতে জাতীয় সোনা বন্ড চালু। জাতীয় সোনা বন্ডে বিনিয়োগ করলে সুদ পাওয়া যাবে। • অশোক চক্র খোদাই করা স্বর্ণমুদ্রা তৈরির প্রস্তাব • নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ইপিএফ বাধ্যতামূলক নয় • নগদের ব্যবহার কমিয়ে ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ডের ব্যবহার বাড়ানোয় জোর • আন্তর্জাতিক মানের আইটি হাব তৈরি করতে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ • পাঞ্জাব, হিমাচলপ্রদেশ এবং তামিলনাডুতে এইমস চালু। বিহারে এইমসের সমপর্যায়ের একটি হাসপাতাল চালু। • বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গকে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ • প্রতিরক্ষায় এফডিআই অনুমোদন • অরুণাচলপ্রদেশে ফিল্ম ইন্সটিটিউট • জম্মু-কাশ্মীর ও অন্ধ্রে আইআইএম • কর্নাটকে একটি আইআইটি • আইএসএম ধানবাদকে আইআইটি-র মর্যাদা • সিঙ্গাপুরের মতো গুজরাটে ফিনান্সিয়াল সেন্টার • স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বরাদ্দ ৩৩ হাজার ১৫২ কোটি • শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে চার বছরের জন্য কোম্পানি কর ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ • প্রতিরক্ষায় ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৭২৭ কোটি রূপি বরাদ্দ • কালো টাকা রুখতে নতুন আইন প্রণয়নের সুপারিশ • বিদেশে কালো টাকা লুকিয়ে রাখলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের সুপারিশ • আয়কর রিটার্ন দাখিল না করলে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের সুপারিশ • সম্পত্তি কর তুলে দেওয়া হচ্ছে। পরিবর্তে আয়করের উপর ২ শতাংশ হারে সারচার্জ • এক হাজারের বেশি দামের জুতোয় কর কমানো হল • পরিষেবা কর ১২.৩৬ শতাংশ থেকে ১৪ শতাংশ করার প্রস্তাব • ক্লিন এনার্জি সেস ১০০ টাকার জায়গায় ২০০ রূপি • পানির বর্জ্য শোধনের যন্ত্রে বিক্রয় করে ছাড় • স্বাস্থ্যবিমায় আয়কর ছাড় ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার। বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ছাড় বেড়ে ৩০ হাজার। প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এই ছাড় আরও ২৫ হাজার বেশি। ৮০ বছরের উপর বয়স্কদের ক্ষেত্রে বিমা না থাকলে ৮০ হাজার পর্যন্ত চিকিত্সায় আয়কর ছাড়। • পেনশন ফান্ডে আয়কর ছাড় এক লক্ষ রূপি থেকে বেড়ে দেড় লক্ষ রূপি করা হল • পরিবহণ ভাতা ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০০ রূপি করা হল • সুকন্যা সমৃদ্ধি প্রকল্পে দান করা অর্থ করমুক্ত হবে • এক লক্ষের বেশি লেনদেনে প্যান কার্ড বাধ্যতামূলক • আবাসন শিল্পে কালো টাকার লেনদেন আটকাতে বেনামি সম্পত্তি লেনদেন বিলের প্রস্তাব • ২২টি পণ্যের উপর শুল্ক কমল • কমোডিটি রেগুলেটরগুলিকে সেবির সঙ্গে যুক্ত করা হবে

বড় ভাই লতিফের পাশে কাদের সিদ্দিকী


ঢাকা: টানা ৩২ দিন অবস্থান কর্মসূচি পালন করার পর বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন ছোট ভাই বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লতিফ ‍সিদ্দিকীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শনিবার বেলা পৌনে ১১টায় তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। ভাইয়ের অসুস্থতার খবর পাওয়া মাত্র দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে ছুটে যান কাদের সিদ্দিকী। কর্মসূচিতে অবস্থানরত অনান্য কর্মীরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপের উদ্যোগ ও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে ২৮ জানুয়ারি থেকে সেখানে অবস্থান করছিলেন কাদের সিদ্দিকী। লতিফ সিদ্দিকীকে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের সাধারণ বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানকার প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজ বেলা পৌনে ১১টায় তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালের সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। লতিফ সিদ্দিকীর শারীরিক অসুস্থতার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলী জানান, লতিফ সিদ্দিকীর বয়সজনিত অসুস্থতা, হার্টে সমস্যা, লিভারে সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগ রয়েছে।

কর্মীদের এখনও আশায় রাখছেন নেতারা


ঢাকা: আন্দোলন সফলতা লাভ করবে কবে? ছাত্রদলের এক কর্মীর কাছে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘মার্চের প্রথম সপ্তাহে কিছু একটা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ কেন এমন সম্ভাবনা? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের ঐ কর্মী বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রসচিব মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় আসছেন। তিনি কিছু একটা করবেন বলেই নেতারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।’ এভাবে আন্দোলন চাঙ্গা করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি নেতারা। দেশব্যাপী কর্মীদের চাঙ্গা রাখতেই এমন কৌশল নিয়েছে দলটি। শনিবার ছাত্রদলের ঐ কর্মীর সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। চলমান আন্দোলন বিষয়ে বিভিন্ন আলাপচারিতায় তিনি জানান, বিএনপি নেতারা কর্মীদের আশায়ই দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ফোন ফল তারা পাচ্ছেন না। চলতি মাসের প্রথমে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জয়নাল আবদীন বলেছিলেন, ’১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকারের পতন হবে।’ কিন্তু সেই ১৩ ফেব্রুয়ারি চলে গেছে অনেক আগেই। সরকারের আর পতন হয়নি। এরআগেও অনেকবার সরকার পতনে ডেডলাইন দিয়েছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। কিন্তু সফলতার মুখ দেখতে পারেনি সরকার বিরোধী এই জোট। এসব কারণে বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা হতাশায় ভুগছেন। তাদের প্রশ্ন- আর কতোদিন এই আন্দোলন তারা টেনে নিয়ে যাবেন। সরকারের দমন, পীড়ন আর নির্যাতনে এমনিতেই বাড়ি ছাড়া দেশের অধিকাংশ অঞ্চলের নেতাকর্মীরা। জানতে চাইলে নাম না প্রকাশের শর্তে মুঠোফোনে চট্টগ্রাম অঞ্চলের এক কর্মী এ্‌ই প্রতিবেদককে জানান, ‘আমি এক নেতাকে জিজ্ঞাস করলাম। ভাই আগামী সপ্তাহ কবে শেষ হবে। ধৈর্য্য তো আর কুলায় না। তিনি উত্তর দিলেন আর একটু ধৈর্য্য ধর। বিজয় সন্নিকটে। এভাবে কি আর হয় বলেন?’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন শুধু বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের একার নয়্, এটি বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের আন্দোলন। এ আন্দোলনে শুধু বিএনপি নেতাকর্মীরাই নয়, সাধারণ মানুষ অংশ নিচ্ছে। যার কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সাধারণ মানুষ মারা যাচ্ছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্দোলন দীর্ঘদিন চলতে থাকলে নেতাকর্মীরা তো ঝিমিয়ে পড়বেই। তবে তাদেরকে চাঙ্গা রাখাও নেতাদের দায়িত্ব।’

এবার ১ লাখ ১,৭৫৮ বাংলাদেশি হজ করতে পারবেন


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রাপ্য কোটা অনুযায়ী এ বছর ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ জন হজ পালন করতে পারবেন। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির বৈঠকে বলা হয়, হজ যাত্রীদের মধ্যে এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯১ হাজার ৭৫৮ জন সৌদি আরব যাওয়ার সুযোগ পাবেন। কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুনের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- কমিটির সদস্য মো. আসলামুল হক, এ কে এম এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন, মোহাম্মদ আমীর হোসেন এবং দিলারা বেগম। এছাড়া ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. চৌধুরী মো. বাবুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পূর্ববর্তী সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। হজের সফলতার সঙ্গে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সফলতা তথা সরকারের সফলতা নির্ভর করে মর্মে বৈঠকে ঐকমত্য পোষণ করা হয়। হজ নিয়ে কেউ যেন প্রতারণা না করে সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে সার্বক্ষনিক সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয় এবং হজ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে হজে যেতে ইচ্ছুকরা যেন কোনভাবেই প্রতারিত না হন সেজন্য সৌদি সরকারের কালো তালিকাভুক্ত ৬৭টি হজ এজেন্সির তালিকা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারের জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এয়ার কন্ডিশনারের খুঁটিনাটি


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: গরম পড়তে আর বেশি দেরি নেই৷ ঘরকে ঠান্ডা রাখতে এয়ার কন্ডিশনার অথবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র কেনার পরিকল্পনা থাকলে এখনই কিনে ফেলুন। গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে রেহাই পেতে বাড়িতে একটা এসি না হলেই নয়৷ তবে কেনার আগে খেয়াল রাখবেন এসি অনেক ধরনের হয়, বাড়ির ধরন বুঝে এসি কেনার চেষ্টা করবেন৷ বাড়িতে জানালা থাকলে বসাতে পারেন উইন্ডো এসি৷ ভিতরের গরম বাতাস বাইরে বের করে দেবে৷ বাইরের ঠাণ্ডা বাতাস ঘরের ভেতরে আসতে সাহায্য করবে এই নির্দিষ্ট এসি৷ যদি একটা মাত্র ঘরের জন্য এসি চান তাহলে উইন্ডো এয়ার কন্ডিশনার সঠিক অপশন৷ এতে অর্থও সাশ্রয় হবে৷ আবার ঘরের কুলিং সিস্টেমও অক্ষুণ্ণ থাকবে৷ তবে বাড়িতে যদি সেই রকম জানালা না থাকে, অথবা যদি জানালায় এসি বসাতে না চান তাহলে পোর্টেবল এয়ার কন্ডিশনার কিনতে পারেন৷ তবে খেয়াল রাখবেন, এই ধরনের এয়ার কন্ডিশনারে কিন্তু আওয়াজ বেশি হয়৷ আপনার সুবিধা মতো বাড়ির ফ্লোরে ইনস্টল করা থাকবে এসি৷ তবে পোর্টেবল এসি কেনার সময় অ্যাডজাস্টেবল হোসটি অবশ্যই দেখে নেবেন৷ সিঙ্গল হোসের চেয়ে ডুয়েল হোসের এসি ঘর ঠাণ্ডা রাখতে বেশি কাজ দেবে৷ এদিকে ঘরের আয়তন তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বড় হলে, স্প্লিট এসি বা ডাক্টলেস এসি ব্যাবহার করতে পারেন৷ বসার ঘর অনেক সময়েই বাড়ির অন্যান্য ঘরের চেয়ে বড় হয়৷ সেক্ষেত্রে স্প্লিট এসি অনেক বেশি কাজে দেবে৷ তবে চিরাচরিত এয়ার কন্ডিশনার যদি পছন্দ না হয় অনেক স্মার্ট অপশনও এখন আছে৷ যেমন ধরুন আপনার স্মার্ট ফোন থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এয়ার কন্ডিশনারের মাত্রা৷ শুধু ওয়াই ফাই কানেকশন থাকতে হবে৷ আপনার মোবাইল ফোনে ইনস্টল করে দেওয়া হবে একটি অ্যাপও৷ সেই অ্যাপ চালু থাকলে এসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বুঝে যাবে কখন আপনি ঘরে আছেন, কখনই বা নেই৷ সেই মতোই হবে ঘর ঠাণ্ডা রাখার ব্যবস্থা৷ এসি কেনার আগে তার দরদাম আগে থাকতেই জানা থাকলে কিনতে সুবিধা হবে৷ কারণ তাতে বাজেটের থেকে বেশি খরচের সম্ভাবনা কম থাকে৷ এসি কেনার আগে ঘরের আয়তন সম্পর্কে ভালো করে ধারণা নিন৷ ঘরের আয়তন অনুযায়ী এসি যদি কেনেন তাহলে ঘর অনেক ভালো ভাবে ঠাণ্ডা হবে৷ আবার অর্থ সাশ্রয়ে অনেকটাই সাহায্য করবে৷ কোন ব্র্যান্ডের এসি কিনছেন, তার উপরে অনেকটাই নির্ভর করছে এসির দাম৷ স্প্লিট এসির দাম তুলনামূলক একটু বেশি৷ ঘর যদি সত্যিই বড়ো হয় তাহলে অন্তত দেড় টনের এয়ার কন্ডিশনার না কিনলে তেমন লাভ হবে না৷ ওয়াই ফাই এনাবেলড এসির দাম স্বাভাবিক ভাবেই একটু বেশি৷ ঘর ঠাণ্ডা রাখার জন্য আর একটু সস্তা বিকল্প খুঁজতে চান তাহলে এয়ার কুলার কিনতে পারেন৷ ছোট ঘরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য মিনি এয়ার কুলারও কিনতে পারেন৷ তবে যে এয়ার কন্ডিশনার বা এয়ার কুলারই কিনুন না কেন, ভালো করে দেখে নিন, সেই নির্দিষ্ট শীতাতপ যন্ত্রটি বিদ্যুতের সাশ্রয় করতে কতটা সক্ষম?

কানাইঘাটে ইউপি সদস্যের বাড়িতে ডাকাতি : টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

Kanaighat News on Wednesday, February 25, 2015 | 7:48 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলায় বড় চতুল গ্রামের ইউপি সদস্য আলমাছ উদ্দিন চৌধুরীর বাড়ীতে ডাকাতির খবর পাওয়া গেচে। ডাকাতরা ২৮ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৬ লাখ টাকা সহ সাড়ে ১৭ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে বাড়ির মালিক আলমাছ উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে আলমাছ উদ্দিন চৌধুরী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত অনুমান দেড়টার সময় ৬/৭ জনের একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে। এ সময় তাঁর ছেলে রাসেল আহমদ চৌধুরী ঘুম থেকে জেগে উঠলে দুর্বৃত্তরা তাকে মারপিট করতে থাকে। চিৎকার শুনে পার্শ্ববর্তী কক্ষ থেকে রাসেলের মা মিনা বেগম ও প্রবাসী চাচা রফিক আহমদ চৌধুরী এগিয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা তাদেরকেও মারপিট ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একই কক্ষে আটকেন রাখে। এ সময় দুর্বৃত্তরা ঘরের ৪টি কক্ষের আলমিরা ভেঙ্গে ২৮ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৬ লাখ টাকা ৫টি মোবাইল সেট সহ প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকার মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল চৌধুরী বলেন, আলমাছ চৌধুরীর বাড়ী থেকে মালামাল লুটের ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। আমি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযোগটি তদন্তাধীন আছে। তদন্তক্রমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসার বার্ষিক ইসলামী মহা সম্মেলন সম্পন্ন:বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দারুল উলুম দেওবন্দের অবদান অবিশ্বস্মরণীয়: সালমান মনসুরপুরী


নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক ইসলামী চিন্তাবিদ, আওলাদে রাসুল আল্লামা মুফতি সায়্যিদ সালমান মুনসুরপুরী বলেছেন, বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দারুল উলূম দেওবন্দের অবদান অবিশ্বস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, আদর্শ ও নীতির ক্ষেত্রে দারুল উলুম দেওবন্দ এবং কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসা এক ও অভিন্ন। হক্ব ও বাতিলের সংঘাত আাদিকাল থেকে ছিল ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু সত্যিকারের দ্বীন ইসলামের নিশান আদর্শবান মহা মানবদের মাধ্যমেই বিশ্বে প্রচার ও প্রসার ঘটছে। আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রহ. ছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের একজন সত্যিকারের সূর্য সন্তান। তাঁর সঠিক পদাঙ্ক অনুসরনে সিলেটবাসী উপকৃত হবেন। সালমান মুনসুরপুরী আরো বলেন, ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্যে মুসলমানদেরকে তাকওয়া অর্জন করতে হবে। আমরা কুরআন হাদীসের আদর্শ ও নীতি ছেড়ে দেওয়ার কারণে অমুসলিমদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছি। আল্লামা মুফতি সায়্যিদ সালমান মনসুরপুরী বুধবার সিলেটের সর্ববৃহৎ দ্বিনী প্রতিষ্ঠান কানাইঘাট দারুল উলূম দারুল হাদীস ইসলামী মহা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। ঐতিহ্যবাহী শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রহ. এর পূণ্য স্মৃতি বিজড়িত জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দারুল হাদীস কানাইঘাট সিলেট- এর বার্ষিক মহা সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, আল্লামা মুফতি মিযানুর রহমান ঢাকা, আল্লামা ইয়াহইয়া মাহমুদ ঢাকা, আল্লামা রশিদুর রহমান ফারুক বর্ণভী, জামিয়ার শায়খুল হাদীস ও নাইবে মুহতামিম আল্লামা আলিমুদ্দীন শায়খে দুর্লভপুরী, নাইবে শায়খুল হাদীস আল্লামা শামছুদ্দীন সাহেব, আল্লামা মাহমুদুল হাসান রায়গড়ী, আল্লামা মুফতি নুরুল হক জকিগঞ্জী, আল্লামা ইউসুফ শ্যামপুরী, মাওলানাঃ হা. হারুনুর রশীদ উজানীপাড়ী, মাও. মুখলিছুর রহমান রাজাগঞ্জী, মাও. আব্দুল খালিক চাক্তা, মাও. মুবশ্বির আলী, মাও. শফিকুর রহমান, মাও. শিহাব উদ্দিন, মাও. আব্দুল লতিফ, মাও. নজরুল ইসলাম, মাও. নুরুল ইসলাম এলএলবি। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম.এ হান্নান, প্যানেল মেয়র ফখরুদ্দীন শামীম, কাউন্সিলর রহিম উদ্দিন ভরসা, কাউন্সিলর হাফিজ নুর উদ্দিন, খাদিম পাড়া ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সেক্রেটারী মামুন রশীদ মামুন সহ শতাধিক উলামায়ে কেরাম ও বরণীয় ব্যক্তিবর্গ। জামিয়ার এ বারের বার্ষিক মহা সম্মেলনে ২ লক্ষাধিক মুসলিম জনতার উপস্থিতিতে মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীসে উত্তীর্ণ ৭৫জন আলেম ও হাফেয গণকে দস্তারে ফযিলত প্রদান করা হয়।

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর সাথে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

Kanaighat News on Sunday, February 22, 2015 | 8:59 PM


ঢাকা: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত পেইরি মায়াউডন আজ রবিবার প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সাথে ইস্কাটনস্থ প্রবাসীকল্যাণ ভবনে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে রাষ্ট্রদূত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ৭টি মেরিন টেকনোলজিসহ মোট ৭১টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট রয়েছে। এসব ইনস্টিটিউট হতে ৪৭টি ট্রেডে প্রতিবছর প্রায় এক লাখ কর্মী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের চাহিদা অনুযায়ী আধাদক্ষ ও অদক্ষকর্মী সরবরাহ করতে বাংলাদেশ সক্ষম। এছাড়া, বিশ্বমানের দক্ষকর্মী তৈরি করতে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল এন্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই)-এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। অচিরেই এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী আরো জানান, কর্মস্থল হতে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রবাসীদের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রসংসা করেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে সম্ভাব্যতা যাচাই করে বাংলাদেশ হতে দক্ষকর্মী নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার মো. ইফতেখার হায়দার, বিএমইটি’র মহাপরিচালক বেগম শামছুন নাহারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: অমর ২১ শে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সূচনা লগ্নে কানাইঘাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্প মাল্য অর্পণের মাধ্যমে ভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছিলেন সেই সব বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, কানাইঘাট থানা পুলিশ, উপজেলা আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি, কানাইঘাট প্রেসক্লাব, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ স্টাফ কাউন্সিল ও শিক্ষার্থীরা সহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে লোভাছড়া সাউদগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দিনভর নানা অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কানাইঘাটে সৌদি প্রবাসীর বাড়ীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

Kanaighat News on Saturday, February 21, 2015 | 7:09 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলার সাতবাঁক ইউপির লালারচক গ্রামে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এক সৌদি প্রবাসীর বাড়ীতে দুর্ধষ ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। অস্ত্রধারী ডাকাতদল প্রবাসীর পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মাধ্যমে জিম্মি করে নগদ ২লক্ষ ৭০ হাজার টাকা, ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ২টি ডিজিটাল ক্যামেরা, ৭টি মোবাইল সেট, ৩টি মেঘ লাইট সহ মূল্যবান দামি জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। লালারচক গ্রামের সৌদি প্রবাসী আলিম উদ্দিন রফিকের স্ত্রী জেসমিন আক্তার চৌধুরী জানান বৃহস্পতিবার রাত অনুমানিক আড়াইটার দিকে ১৩/১৫ জনের অস্ত্রধারী একদল ডাকাত প্রথমে কলাসসিবল গেইট ভেঙে পরে তার পাকা বসত ঘরের পিছনের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। দরজার ভাঙ্গার শব্দ পেয়ে তিনি শোর চিৎকার দিলে ডাকাতরা ঘুরে ঢুকেই তাকে আঘাত করে নাক মুখে রক্তাক্ত জখম করে মাথায় বন্দুক টেকিয়ে চিৎকার দিতে নিষেধ করে। এরপর ডাকাতরা তার স্কুল পড়ুয়া ছেলে মুন্নাকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে বড় ছেলে মান্না ও ছোট ছেলে তাহেরকে রশি দিয়ে হাত পা ও চোখ কাপড় দিয়ে বেধে রেখে। পরে ডাকাতরা ঘরের আলমারি সকেস সহ সমস্ত জিনিসপত্র তছনছ করে সবাইকে জিম্মি করে নগদ ২লক্ষ ৭০হাজার টাকা ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার সহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নির্বিঘ্নে চলে যায়। প্রবাসীর স্ত্রী জেসমিন আক্তার চৌধুরী জানিয়েছেন, ডাকাত দলের সদস্যদের হাতে বন্দুক, ধারালো ছুরি ও লোহার রড ছিল। এক পর্যায়ে ডাকাতরা মালামাল লুট করে নিয়ে যায়ার পর পার্শ্ববর্তী সাতঘরী গ্রামের ছমর আলীর বাড়ীতে হানা দিয়ে ঘরের জানালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে নগদ ১১ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল সেট সহ ঘরের মালামাল ডাকাতির চেষ্টা করলে বাড়ীর লোকজনের আর্ত্মচিৎকারে লোকজন ঘুম থেকে জেগে উঠে মসজিদের মাইকে গ্রামে ডাকাতরা হানা দিয়েছে মাইকিং শুরু করলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনার খবর পেয়ে গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কানাইঘাট থানার একদল পুলিশ প্রবাসীর বাড়ীতে গিয়ে ঘটনস্থাল পরিদর্শন করেন। এছাড়া গত বুধবার গভীর রাতে উপজেলার দিঘীরপার ইউপির দিঘীরপার গ্রামে হাফিজ ওবায়দুর রহমানের বাড়ীতে অনুরূপ একদল ডাকাত হানা দিলে পরিবারের সদস্যদের প্রতিরোধের মুখে ডাকাতরা পালিয়ে যায় বলে বাড়ীর লোকজন জানিয়েছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার ফয়জুল ইসলাম কানাইঘাট নিউজকে জানিয়েছেন, প্রবাসী আলিম উদ্দিন রফিকের বাড়ীতে নজির বিহীন দুর্ধষ ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। বাড়ীর সমস্ত দামি জিনিসপত্র ডাকাতরা লুট করে নিয়ে গেছে। এছাড়া সাতঘরি গ্রামের ছমর আলীর বাড়ীতে হানা দিয়ে ডাকাতরা মালামাল লুট করার সময় গ্রামবাসী প্রতিরোধ ও মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেয়ায় ডাকাতরা পালিয়ে যায়। তিনি ডাকাতি সংগঠিত দু’টি বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে পরিবারের লোকজন শান্তনা জানিয়েছেন। ডাকাতির ঘটনাটি তিনি উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের অবহিত করেছেন বলে কানাইঘাট নিউজকে জানান। এ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার ওসি আব্দুল আউয়াল চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে ডাকাতি না অন্য কিছু।

কানাইঘাট সুরইঘাট সীমান্তে রিভলবার সহ এক যুবক আটক

Kanaighat News on Friday, February 20, 2015 | 7:09 PM


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট সীমান্তের সুরাইঘাট বাজার থেকে শুক্রবার দেশীয় তৈরি একটি রিভলবার সহ লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির নয়াগ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র শিব্বির আহমদ (৩৭) কে আটক করে সুরইঘাট বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করেছে স্থানীয় জনতা। এ ব্যাপারে সুরাইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার মন্টু মিয়া কানাইঘাট নিউজকে জানান, শুক্রবার বেলা ২টায় সুরইঘাট বাজার সংলগ্ন মাঠ থেকে স্থানীয় জনতা দেশীয় তৈরি একটি রিভলবার সহ শিব্বির আহমদকে আটক করে স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পে খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে একটি দেশী তৈরি ৬ বোরের রিভলবার সহ শিব্বির আহমদকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে শিব্বির আহমদকে অস্ত্র সহ কানাইঘাট থানায় হস্তান্তর করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে শিব্বির আহমদকে অস্ত্র সহ স্থানীয় জনতা বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর নিয়ে এলাকায় জনমনে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। ভিকটিমের আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কিছু সংখ্যক চোরাকারবারীরা ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে দিনমজুর শিব্বিরকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়েছে। এ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, অস্ত্র সহ শিব্বির আহমদকে আটকের ঘটনায় এলাকায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়ায় ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কানাইঘাটে বোমার মতো বস্তুর বিকট শব্দে গুরুতর আহত ব্যক্তি ৪ দিন ধরে পলাতক


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট দীঘিরপার পূর্ব ইউপির হিম্মতের মাটি গ্রামে গত সোমবার বোমার মতো বস্তুর বিকট আওয়াজে গুরতর আহত মোক্তার হোসেনকে নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে। ঘটনার পর থেকে মোক্তার হোসেন পলাতক থাকায় এ নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তাকে অবিলম্বে আটক করে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবী জানিয়েছেন সর্বস্তরের লোকজন। স্থানীয় লোকজন জানান, গত সোমবার হিম্মতের মাটি গ্রামের মৃত মখদ্দুছ আলীর পুত্র মোক্তার হোসেন (২০) তার বসত বাড়ীতে বোমা তৈরির সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে সে জ্বলসে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। সাথে সাথে বাড়ীর লোকজন সভার অগোচরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তার জখম গুরুতর হওয়ায় অন্যত্র চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর থেকে আহত মোক্তার হোসেন কোথায় চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছে বা সে কোথায় আছে অদ্যবধি পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি। ঘটনার পর থেকে মোক্তার হোসেনের মা ও বড় ভাই আখতার হোসেন পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। ঘটনার পর কানাইঘাট থানার ওসি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বোমার বিষ্ফোরণ ঘটেনি, ইঞ্জিন চালিত ট্রলি স্টার্ট দিতে গিয়ে মোক্তার হোসেন আহত হয়েছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান। বিষয়টি গুজব বলে এ নিয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। কিন্তু ঘটনার পর থেকে গুরুতর আহত মোক্তার হোসেন তার বড় ভাই আক্তার হোসেন ও মা পলাতক থাকায় সর্বত্র তোলপাড় চলছে। মোক্তার হোসেনকে খুঁজে বের করে বোমা বিষ্ফোরণের বিষয়টি তদন্তের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

প্রধান অতিথি আল্লামা মাহমুদ মাদানী ভারত ॥ কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসার বার্ষিক ইসলামী সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন


নিজস্ব প্রতিবেদক: বৃহত্তর সিলেটের প্রাচীনতম ইসলামী বিদ্যাপীট আল্লামা মুশাহীদ বায়মপুরী (রা.) এর পুণ্য স্মৃতি বিজড়িত জামিয়া ইসলামিয়া কানাইঘাট দারুল উলুম দারুল হাদীস মাদ্রাসার বার্ষিক ইসলামী সম্মেলন আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী বুধবার মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। রাত দিন ব্যাপী এই ইসলামী সম্মেলনকে ঘিরে প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটে। বার্ষিক এ ইসলামী সম্মেলনের আয়োজন পুরোদমে চলছে। ইতিমধ্যে বৃহত্তর সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার, পোস্টারিং সহ মাইকিং পুরোদমে চলছে। বিশাল মঞ্চের কাজ করছেন মাদ্রাসার শত শত ছাত্ররা। মোশাহীদ বায়মপুরীর স্মৃতি বিজড়িত দারুল উলূম মাদ্রাসার বার্ষিক ইসলামী মহা সম্মেলনকে ঘিরে প্রতি বছর আলিম উলামাদের মিলন মেলা ঘটে। এবারের মাহফিলে ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আওলাদে রাসূল আল্লামা মাহমুদ মাদানী সহ ভারত, পাকিস্তান ও দেশের প্রখ্যাত হক্কানী উলামায়ে কেরামগণ বয়ান পেশ করবেন। মাদ্রাসার মুহতমিম শায়খুল হাদিস আল্লামা মুহাম্মদ বীণ ইদ্রিস শায়খে লক্ষ্মীপুরী জানিয়েছেন, সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অশেষ মেহেরবাণীতে বার্ষিক ইসলামী সম্মেলনের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হওয়ার পথে। তিনি উক্ত দ্বীনি মাহফিলকে সফল ও সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে হুইপ সেলিম উদ্দিন এমপি’র অভিনন্দন

Kanaighat News on Wednesday, February 18, 2015 | 9:36 PM


সিলেট, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫:: বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিম উদ্দিন এমপি। অভিনন্দন বার্তায় বিরোধীদলীয় হুইপ বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিজয়ের এ ধারাহিকতা রাখবে এবং সকল বাধা অতিক্রম করে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের লাল-সবুজের অর্জনকে আরো বিশাল করবে। বিরোধীদলীয় হুইপ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আরো সাফল্য ও দোয়া কামনা করেন।

কানাইঘাটে স্বেচ্ছাসেবকলীগের বিক্ষোভ মিছিল


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার সহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেফতারকৃত ছাত্রলীগ নেতা জয় চক্রবর্তী মুন্নার মুক্তির দাবীতে বুধবার বিকেল ৫টায় কানাইঘাট পৌর শহরে স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। মিছিল পরবর্তী পৌর ত্রিমোহনী পয়েন্টে পথ সভায় পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক রেজওয়ান উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, আ’লীগ নেতা বুরহান উদ্দিন, নজির আহমদ, সাহেদ আহমদ, আলিম উদ্দিন, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ফরহাদ, দুলাল, কামরুল, সুমন, আলী হোসেন, জহির, সেবুল, জাবের, জেলা প্রজন্মলীগ নেতা খাজা শাহীন আহমদ, যুবলীগ নেতা দুলাল আহমদ, বাবুল উদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা আলমাছ উদ্দিন, রিজভী, আক্তার হোসেন, আশিক, ইয়াহিয়া ডালিম, শাহেদ আহমদ, শিহাব আজিজ, জামিল আহমদ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, সম্পূর্ণ প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে উপজেলা আ’লীগ নেতা কয়সর আহমদ মেম্বার, ফয়াজ আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার, প্রজন্মলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নজমুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা মারুফ আহমদ এবং গ্রেফতারকৃত ছাত্রলীগ নেতা জয় চক্রবর্তী মুন্নার উপর ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবিলম্বে উক্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ যে কোন কর্মসূচী গ্রহন করতে বাধ্য হবে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি হুসিয়ার উচ্চারন করা হয়।

রাইজিং সান ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শুক্রবার


মাসব্যাপী দ্বিতীয় রাইজিং সান দ্বৈত ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল খেলা আগামি ২০ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। রাইজিং সানওয়েলফেয়ার সোসাইটির(উমরগঞ্জ) উদ্যোগে মাসব্যাপী আয়োজিত উক্ত টুর্নামেন্টে মোট ৫০টি টিম অংশগ্রহণ কররছেিল। সেমি ফাইনালে মুখোমুখী হবে একতা স্পোর্টিং ক্লাব নয়াগ্রাম এবং মিতালী স্পোর্টিং ক্লাব বাউরবাঘ। বিজয়ী দল ফাইনালে মুখোমুখী হবে স্টারলাইট ভাটিদিহির বিপক্ষে। খেলায় প্রথম পুরস্কার ১ টি ল্যাপটপ এবং ২য় পুরস্কার ১টি রঙ্গিন টেলিভিশন।(বিজ্ঞপ্তি)

বীরদল ইসলামী কিন্ডার গার্টেনের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক: বীরদল ইসলামী গার্ডেন এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পুরষ্কার বিতরণ এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গত মঙ্গলবার সকাল ১১টায় স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। বীরদল এন.এম একাডেমীর সহকারী প্রধান শিক্ষক কলামিষ্ট মোঃ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হকের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কানাইঘাট উপজেলা শাখার ও বীরদল এন.এম. একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মোঃ জার উল্লাহ। বক্তব্য রাখেন, মাষ্টার আলাউর রহমান প্রভাষক মাওঃ ছয়ফুল আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আহমদ শরীফ, মোঃ জাকারিয়া, বীরদল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারী মোঃ লোকমান আহমদ, সাবেক মেম্বার আহমদ আলী, সমাজসেবী মামুন রশিদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলাম, সহকারী শিক ফয়ছল আহমদ, সেবুল আহমদ, মাসুম আক্তার, শাহিনা আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় বিজয়ী শিক্ষার্থী এবং এ বছর পিএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি প্রাপ্ত ৬ শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

“পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে না”


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের এক ধর্মতাত্ত্বিক বলেছেন, পৃথিবী নাকি স্থির এবং এমনকি তা সূর্যের চারপাশেও ঘুরছে না। আরটি ডটকম নামের একটি ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক ভিডিওতে শেখ বন্দর আল খায়বারি নামের ওই ধর্মতাত্ত্বিককে নিজের তত্ত্বের পক্ষে অদ্ভুত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দিতেও দেখা গেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলছেন, আমরা এখন কোথায়? আমরা এখন বিমানে চড়ে চীনে যাওয়ার জন্য শারজাহ বিমান বন্দরে যাচ্ছি, ঠিক আছে? এরপর একটি মুখবন্ধ পানির কাপ হাতে নিয়ে তিনি বলেন, আমার দিকে মনোযোগ দিন, ধরুন এটা হচ্ছে পৃথীবি। এর এক জায়গায় শারজা আরেক জায়গায় চীন। এটি ঘুরছে মানে ওই দুটি জায়গাও ঘুরছে, এই বলে তিনি কাপটি ঘোরাতে থাকেন। এরপর তিনি বলেন, আমাদের বিমানটি যদি শারজা থেকে উড়াল দেয়ার পর মাঝ পথে আকাশে আটকে যায় তাহলে চীন এর দিকে এগিয়ে আসবে যদি পৃথিবী এদিকে ঘুরে থাকে। আর পৃথীবি যদি অন্যদিকে ঘোরে তাহলে আমাদের বিমানটি কোনোদিনই চীনে পৌঁছাবে না। কারণ পৃথীবির সঙ্গে চীনও ঘুরছে। শেখ বন্দর আল খায়বারি নামের ওই ধর্মতাত্বিকের এই হতবুদ্ধিকর যুক্তি প্রদর্শনের ধরণ দেখে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে চরম উন্মাদনাময় তর্ক-বিতর্কের ঝড় উঠেছে। একজন লিখেছেন, তালেবানরা এটা পছন্দ করবে। জ্ঞানের রাজ্যের যেমন কোনো সীমা নেই, তেমনি মূর্খতারও কোনো সীমা নেই। ওসমান জাফর নামের একজন লিখেছেন, এবার আমি বুঝতে পারছি কেন সৌদি আরবের নারীদের গাড়ি চালাতে দেয়া হয় না! কারণ তারাতো কোনো এক জায়গায় লাফিয়ে পড়ে বসে থাকলেই চলবে! মার্কেটই ঘুরতে ঘুরতে তাদের কাছে চলে আসবে!

তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব পেল কনোকো-ফিলিপস


ঢাকা: গভীর সমুদ্রে তিনটি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কনোকো ফিলিপস ও স্টেটঅয়েলকে দায়িত্ব দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এছাড়া কক্সবাজারে দুটি কয়লাভিক্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিতে এসব সভায় অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ৬০০-৭০০ মেগাওয়াট কয়লাভিক্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ভারতের স্টিয়াগ (STEAG) অ্যানার্জি সার্ভিসেস কোম্পানিকে ২০ কোটি ৫০ লাখ ছয় হাজার টাকায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হয়েছে। ভারতের এই কোম্পানির সঙ্গে জার্মানির স্টিয়াগ (STEAG) অ্যানার্জি সার্ভিসেস ও বাংলাদেশের বিসিএল রয়েছে। মোস্তাফিজুর জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় দুটি প্যাকেজে ৬৬ কোটি ২৯ লাখ ৪২ হাজার টাকার দুটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। স্পেনের ইপটিসর (EPTISA) সার্ভিসিয়োর সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কেএস কনসালটেন্স লিমিটেড ও বিসিএল অ্যাকসেস লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসাবে কাজটি পেয়েছে। যুগ্ম-সচিব জানান, ক্লিন এয়ার ও সানটেইনেবল ইনভাইরনমেন্ট প্রকল্পে সংশোধিত একটি প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে, এতে ব্যয় হবে ২১ কোটি ৮১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। মালয়েশিয়ার মিন কনসাস্ট ও তাদের সহযোগী বাংলাদেশের মডার্ন ইঞ্জিনিয়ার্স কোম্পানির বাস্তবায়ধীন এই প্রকল্পে আগে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭ কোটি ৬২ লাখ ৫১ হাজার টাকা। এদিকে, দেশের গভীর সমুদ্রাঞ্চলের তিনটি (ডিএস-১২, ১৬ ও ২১) ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দায়িত্ব পেয়েছে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কনোকো ফিলিপস ও স্টেটঅয়েল। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, পেট্রবাংলা ইতোমধ্যে যৌথভাবে কনোকো ফিলিপস এশিয়া প্যাসিফিক নিউ ভেঞ্চার ও স্টেটঅয়েল এএসএ’র সঙ্গে ‘উৎপাদন বণ্টনচুক্তি (পিএসসি)’ অনুস্বাক্ষর করেছে। দেশের গভীর সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ‘মডেল পিএসসি ২০১২ (সংশোধিত)’ অনুসরণে ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০১২’ এর আওতায় এ চুক্তি অনুস্বাক্ষর হয়। মোস্তাফিজুর জানান, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন-২০০৬ অনুযায়ী, হোটেল অবকাশের কাঁচামাল ক্রয়ে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮’র আর্থিক সীমা শিথিল করাসহ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তারা একসঙ্গে ২৫ হাজার টাকার কেনাকাটা করতে পারতো। বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে এ প্রস্তাব অনুমোদনের কারণে তারা নগদে ক্রয়ের ক্ষেত্রে একসঙ্গে এক লাখ টাকার ব্যয় করতে পারবে।

স্ট্রবেরি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন প্রভাষক সফিকুল


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: এই জেলার শিবগঞ্জের কলেজ প্রভাষক মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম ও তার তিন বন্ধু মিলে স্ট্রবেরি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন। তারা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে স্ট্রবেরি চাষে পেয়েছেন দারুণ সাফল্য। ২০০৯ সালে স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেন প্রভাষক সফিকুল। চলতি বছর চাষে ব্যাপকতা আনেন। তার সঙ্গে যোগ হন আরও তিন বন্ধু। এদের মধ্যে রয়েছেন আরেকজন শিক্ষক বিনোদপুর আলিয়া মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। ৪ জনে যৌথভাবে ১০ বছরের জন্য বিঘা প্রতি ১০ হাজার দরে ১৬ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে স্ট্রবেরি ফলের আবাদ করেছেন। চলতি বছরের জানুয়ারির ১৫ তারিখ হতে ফল উঠতে শুরু করেছে এবং চলবে মার্চ মাস পর্যন্ত। এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ টাকার স্ট্রবেরি বিক্রি করেছেন। জমিতেই দর পাওয়া যাচ্ছে কেজি প্রতি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। তবে হরতাল ও অবরোধ না থাকলে মূল্য আরো বেশি পাওয়া যেত বলে তিনি জানান। চারা রোপন থেকে শুরু করে এ পযন্তÍ খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ টাকা । আরো প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হবে। আর সমস্ত খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা মুনাফা হবে বলে তিনি আশাবাদি। প্রভাষক সফিকুল জানান, ২০০৮ সালে টেলিভিশন চ্যানেলে কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হন। পরে রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যার অধ্যাপক ড. মঞ্জুর হোসেনের সাথে পরামর্শ করেন। ২০০৯ সালে নভেম্বর মাসে পরীক্ষামূলক ৫ কাঠা জমিতে স্ট্রবেরির আবাদ করেন। এতে সামান্য কিছু লাভ হয়। এরপর ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে বিনোদপুর টাওয়ারের কাছে প্রায় ৪ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে স্ট্রবেরি চাষ করে লাভ হয়েছিল এক লাখ টাকা। পরের বছর বিনোদপুরে আরও জমি বর্গা নিয়ে স্ট্রবেরি চাষ করেন। কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় লোকসানে পড়েন। হাল ছাড়েননি তিনি। ২০১২ সালে ৮ বিঘা জমি ১০ বছরের জন্য বর্গা নিয়ে স্ট্রবেরি চাষ করে খরচ বাদে লাভ হয়েছিল কয়েক লাখ টাকা। পুঁজি বিনিয়োগ সম্পর্কে সফিকুল জানান, যৌথভাবে কয়েকটি এনজিও থেকে সামান্য ঋণ নিয়ে স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেন। এখন কষ্টার্জিত শ্রমের সফলতা পেতে শুরু করেছেন।শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল ফারুক জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বালি ও দোঁআশ মাটি স্ট্রবেরি চাষের উপযোগী। তাই শিবগঞ্জের প্রায় ২০ বিঘাতে জমিতে স্ট্রবেরির চাষ হচ্ছে এবং কৃষি বিভাগের লোকজন সরাসরি জমিতে গিয়ে দেখাশুনা ও পরামর্শ দিচ্ছেন।

পশ্চিমাদের সাথে ভদ্রতা বজায় রাখার পরামর্শ

Kanaighat News on Tuesday, February 17, 2015 | 1:41 PM


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমাদের সাথে মীমাংসা বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফকে জোর গলায় কথা না বলার পরামর্শ দিলেন দেশটির শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খোমেনি। মন্ত্রী স্বীকার করেন হাসিমুখে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের উপদেশ দেয়া হয়েছে তাকে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির সাথে সাম্প্রতিক কিছু বৈঠকে মন্ত্রী জারিফ কয়েকবার এতটাই উত্তেজিত পড়ছিলেন যে তার জোর গলা শুনে নিরাপত্তা রক্ষীরা উঁকিঝুকি পর্যন্ত দিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি লিখেছে, এসব কথা সম্ভবত আয়াতোল্লাহ খোমেনি শুনেছেন। সম্প্রতি একদল ছাত্রের সাথে খোলামেলা কথোপকথনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার সাথে আয়াতোল্লার বৈঠকের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘তিনি (খোমেনি) আমাকে বলেছেন, তুমি বৈঠকে বসে কেন চিৎকার করো? যা বলার হাসিমুখে বলবে। যা বলার তা যুক্তি দিয়ে বলো, অযথা তর্ক করবে না।’ গত জানুয়ারিতে ইরানের কট্টরপন্থীরা জারিফের সমালোচনা করে বলেন, তিনি তার মার্কিনী প্রতিপক্ষের সাথে খুব বেশি বন্ধু-সুলভ আচরণ করছেন। জেনিভাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে তার হেঁটে বেড়ানোর একটি ছবি প্রকাশিত হলে, সে ব্যাপারে সংসদে ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি তোলেন অনেক এমপি। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ মীমাংসা আলোচকদের এভাবে প্রকাশ্যে সমালোচনা করার নিন্দা করেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুহানি। প্রেসিডেন্ট বলেন, এ ধরনের সমালোচনা জাতীয় স্বার্থের বিরোধী। ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ছয়টি পশ্চিমা দেশের সাথে আপোষ মীমাংসা করছে। এই প্রক্রিয়া নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, তা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ জটিল এই মীমাংসায় ইরানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

বিমানে এক নারীকে বিছার কামড়!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আকাশ পথে ভ্রমণে আতঙ্ক ছড়াল বিষাক্ত বৃশ্চিক। তবে শুধু ভীতিই নয়, বিমানের ভিতরে তার কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক মহিলা যাত্রী। বিছের কামড়ে শেষমেশ বাতিল করতে হল তাঁর সফর। গত শনিবার রাতে লস এঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্তৃপক্ষের থেকে ওড়ার নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করছিল আলাস্কা এয়ারলাইন্সের ৫৬৭ নম্বর পোর্টল্যান্ডগামী বিমানটি। বিমানের ভিতরে বসে থাকা এক নারীর পায়ে এই সময় হঠাৎ কামড় বসায় কাঁকড়া বিছে। ওই নারীর আর্তনাদ শুনে ছুটে আসেন বিমানকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া বিমানবন্দরের চিকিতসা কেন্দ্রে। সেখানে চিকিতসার পর ওই নারীকে বিপন্মুক্ত বলে জানান চিকিতসকরা। এদিকে ওই মহিলার চিকিতসার জন্য বিমানের যাত্রা শুরু করতে কিছুটা বিলম্ব হয়। সেই সময়ের মধ্যে বিছেটিকে খুঁজে বের করে মেরে ফেলেন বিমানকর্মীরা। এরপর ফের নির্দিষ্ট গন্তব্যে রওনা দেয় বিমানটি। তবে সফর বাতিল করেন ওই নারী যাত্রী। বিমানে কী ভাবে উঠে পড়ল বিষাক্ত ওই বিছে? প্রশ্নের যথাযথ উত্তর খুঁজে পাননি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে জানা গিয়েছে, মেক্সিকোর লস ক্যাবোস থেকে প্রথমে যাত্রা শুরু করে লস এঞ্জেলেস পৌঁছেছিল ওই বিমানটি।

আবেগে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী


ঢাকা: বিএনপির সহিংসতায় দগ্ধ ও নিহতদের স্বজনদের কথায় আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় জাদুঘরে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের চলমান সহিংসতায় হতাহত ও নিহতদের স্বজনদের কথা শুনেন তিনি। এসময় মাথা নিচু করে কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বক্তব্য দিতে গেলেও প্রধানমন্ত্রী তার কান্না ধরে রাখতে পারেননি।

কাঁদলেন, কাঁদালেন মাইশার মা


ঢাকা: কথা বলতে গিয়ে বারবার ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছিলেন তিনি। এর মধ্যেই পেট্রল বোমা হামলায় নিজের মেয়ে-স্বামীর মৃত্যুর কথা তুলে ধরে আবেগে আপ্লুত করলেন অন্যদের। গত ৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে দুর্বৃত্তদের পেট্রল বোমা হামলা চালিয়ে যে আটজনকে খুন করা হয় তাদের মধ্যে যশোর পুলিশ লাইনস স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী মাইশা নাইমা তাসনিম এবং তার বাবা নুরুজ্জামান পপলু। রাজধানীতে পেট্রল বোমা হামলায় স্বজন হারানো আর আহতদের নিয়ে জাতীয় জাদুঘরে এক আয়োজনে মাইশার মা মাহফুজা বেগম মিতা যখন বর্ণনা দিচ্ছিলেন সেদিনের ঘটনার তখন চোখে পানি ধরে রাখতে পারেননি জাদুঘর মিলনায়তনের বহু মানুষ। এই আয়োজনে ছিলেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও। মাইশার মার বক্তব্য চলাকালে বাংলা না বুঝল্ওে নীরবে মাথা নীচু করে শোনেন তারা। এরপর সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ইংরেজিতে মাইশার মায়ের বক্তব্যের বর্ণনা দেন। মাহফুজা বেগম মিতা বলেন, ‘আমার আদরের মেয়েটা আমার কোলে মারা গেলো, কিছু করতে পারলাম না, বেচে থেকে আমি এখন আর কী করবো?’ মাইশার মা বলেন, ‘আমার মেয়েটা ডাক্তার হতে চেয়েছিলো, কিন্তু তাকে কেন পুড়ে মরতে হলো, কে জবাব দেবে? আমার স্বামী খুব ধার্মিক ছিলেন তার কেন এমন মৃত্যু হলো?’ মাহফুজা বেগম মিতা বলেন, ‘যারা পেট্রল বোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারছেন, তাদেরকে বলি, আপনারা এ কাজ করবেন না। রাজনীতি করলে মানুষকে ভালোবাসুন, তাদের কাছে যান। দোহাই লাগে, এ কাজ আর করবেন না। আর কারও মায়ের কোল খালি করবেন না, আর কারও বাবার চোখের পানি বের করবেন না’। কাঁদতে কাঁদতে মাইশার মা বলেন, ‘আমার জন্য দোয়া করবেন। যেন আমার ছেলেটি মানুষ হতে পারে’। পেট্রল বোমা হামলায় মানুষকে পুড়িয়ে মারার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান মাইশার মা। বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি এদের বিচার করুন’-বক্তব্য শেষ করেও কাঁদতে থাকেন সন্তানহারা একজন মাহফুজা বেগম মিতা।

কোনো বিশেষ দলকে সমর্থন দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: বার্নিকাট


ঢাকা: বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাট বলেছেন, বাংলাদেশে যে সমস্য রয়েছে তার সমাধান বাংলাদেশের জনগণকেই করতে হবে। আমরা কেবল সহযোগিতা করতে পারি । আজ মঙ্গলবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ে আমেরিকান ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট বলেছেন, রাজনৈতি সংলাপ কিংবা নির্বাচন প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশের জনগণ। কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সমর্থন দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। চলমান সহিংসতার ঘটনায় আবারো উদ্বেগ জানিয়ে বার্নিকাট বলেন, যেভাবে বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে তাতে আমরা উদ্বিগ্ন এবং এ ঘটনার নিন্দা জানাই। এ সহিংসতা বন্ধে প্রত্যেক রাজনৈতিক পক্ষকেই উদ্যোগ নেয়া উচিৎ। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আর এ জন্য আমরা সরকারি ও বিরোধী দলের সঙ্গে কাজ করবো।

বহুবিবাহের পর যা হবে


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: কোনো পুরুষ যদি চারজন দুস্থ নারীকে বিয়ে করেন, তাহলে ওই চার নারী একজন অভিভাবক পাবেন, যিনি তাঁদের রক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। বহুবিবাহের বেলায় প্রায়ই এমন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বাস্তবে বহুবিবাহের ঘটনা এমন সহজ সমাধান এনে দেয় না। একাধিক বিয়ের ফলে একজন পুরুষকে স্ত্রীদের মানসিক-সামাজিক-অর্থনৈতিকসহ নানা দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। গত বুধবার পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে এই দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরা হয়। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ন্যাশনাল-এ প্রকাশিত গবেষণাবিষয়ক নিবন্ধে দাবি করা হয়, একাধিক বিয়ে নারীর মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটি তাঁর জীবনকে বিষিয়ে তোলে। গবেষণাটি পরিচালনা করেন শারজাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রানা রাদ্দাবি। তিনি এমন ১০০ জন নারীর ওপর জরিপ চালিয়েছেন, যাঁদের প্রত্যেকের স্বামী একাধিক বিয়ে করেছেন। রাদ্দাবি দেখতে পান, এসব নারীর বেশির ভাগই অবহেলিত হওয়ার ও স্বামীর অপর স্ত্রীর প্রতি হিংসাবোধ করার আবেগে তাড়িত হন। এ ধরনের আবেগ তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। ক্রমাগত মানসিক চাপে থাকতে থাকতে হতাশা ও ক্ষোভসহ মানসিক—এমনকি শারীরিক অসুস্থতাতেও ভুগতে হয় অনেককে। জরিপে দেখা যায়, কেবল মানসিক চাপই নয়, অনেক সময় একাধিক বিয়ে করা পুরুষ তাঁর সব স্ত্রী কিংবা তাঁদের পরিবারকে সমানভাবে অর্থের জোগান দেন না বা গৃহস্থালি কাজে সহযোগিতা করেন না। এ অবস্থায় এসব স্ত্রীকে তীব্র অর্থকষ্টে পড়তে হয়। ২০১০ সালে পরিচালিত মালয়েশিয়ার গ্রুপ অব সিস্টার্স ইন নামের আরেকটি দলের গবেষণায় দেখা গেছে, একাধিক বিয়ের ফলে শুধু স্ত্রীদেরই নয়, এসব পুরুষের সন্তানদেরও স্বাভাবিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ গবেষণায় অংশ নেওয়া সন্তানেরা অভিযোগ করেছেন, নতুন স্ত্রী পাওয়ার পর বাবা তাঁদের অবহেলা করতে শুরু করেন। এমনও অভিযোগ উঠেছে, যেসব পুরুষের ১০-এর অধিক সন্তান রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা নিজেদের সন্তানদের চিনতে পারেন না। ওই সন্তানেরা স্কুলের ফি অথবা হাতখরচের টাকা চাইতে গেলে বাবা জানতে চান যে তাঁরা কোন স্ত্রীর সন্তান। দ্য প্রবলেমস অব পলিগামি নামে প্রকাশিত ওই নিবন্ধের লেখিকা রাফিয়া জাকারিয়া একজন পাকিস্তানি আইনজীবী। তিনি সাংবিধানিক আইন ও রাজনৈতিক দর্শন বিষয়ে শিক্ষকতা করেন।

খালেদার সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের বৈঠক সন্ধ্যায়


ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আজ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবাধিকার বিষয়ক সংসদীয় উপ-কমিটির একটি প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান। শায়রুল কবির খান বলেন, আজ সন্ধ্যা ছয়টায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ওই প্রতিনিধিদলটির আসার কথা। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করবেন। মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও শ্রম অধিকারসহ বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ওই প্রতিনিধিদল আজই ঢাকায় আসছে। গত দুই দশকের মধ্যে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকারবিষয়ক উপকমিটির এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর। তিন সদস্যের এ প্রতিনিধিদলের নেতা ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকারবিষয়ক উপকমিটির (ড্রোই) উপপ্রধান ক্রিশ্চিয়ান দান প্রেদা। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন ক্যারল ক্রাসকি (পোল্যান্ড) ও ইয়োসেফ ভেইডেনহোলজার (অস্ট্রিয়া)। চার দিনের এ সফরের সময় প্রতিনিধিদল স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে বৈঠক করবে। এ ছাড়া প্রতিনিধিদলটি রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবে।

আইএসকে লক্ষ্য করে মিশরের বিমান হামলা

Kanaighat News on Monday, February 16, 2015 | 10:13 PM


আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কানাইঘাট নিউজ: ২১ জন মিশরীয়কে হত্যার পাল্টা জবাবে আইএসের স্থাপনাকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে মিশর। ২১জন খ্রিষ্টান মিশরীয়কে শিরচ্ছেদের ভিডিও প্রকাশের মাত্র ২১ ঘন্টা পরেই এ হামলার করা হয়। এর আগে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি তার ভাষনে আইএসের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেবার ঘোষনা দেন। মিশরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সংবাদে বলা হয়েছে, মিশরে আইএসের বিভিন্ন ক্যাম্প, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও অস্ত্রাগারে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে গতকাল রবিবার আইএস কমলা পোশাক পরিহিত মিশরীয়দের মাটিতে বসিয়ে তাদের শিরচ্ছেদের ভিডিও প্রকাশ করে। নিহতরা সবাই খ্রিষ্টীয় ধর্মালম্বী এবং ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে উত্তর লিবিয়ার সুমুদ্র উপকূল থেকে অপহৃত হয়েছিল। শহরটি বর্তমানে আইএসের নিয়ন্ত্রণাধীন। শিরচ্ছেদের ভিডিওটি অনলাইনে প্রকাশ করে লিবিয়ান জিহাদি গোষ্ঠী। যারা আইএসের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। এই হত্যাকে মিশরের অন্যতম প্রভাবশালী পত্রিকা ‘আল অজহার’ বর্বরোচিত বলে আখ্যায়িত করেছে। মিশরের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বিমান হামলা তাদের প্রতিশোধ এবং আইএস এর প্রতি তাদের রক্তের জবাব। মিশর হল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এক নিরাপদ আবাস। যেসব বিমান এই অভিযানে অংশ নিয়েছিল তারা সকলেই নিরাপদে ফিরে এসেছে বলে বিবৃতিতে জানা যায়।

শিক্ষার উন্নয়নে নেয়া প্রদক্ষেপ বিশ্ব পরিমন্ডলে প্রশংসিত হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এম.পি বলেছেন দারিদ্রতাকে জয় করে ১৬ কোটি মানুষের এদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিন্থা চেতনা ও সুদূর প্রসারি পরিকল্পনার কারনে শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, বিদ্যুতায়ন অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহ দেশের সকল সেক্টরে আজ উন্নয়নের নব দিগন্ত সূচনা হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ এবং ৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ৬ বছরের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে আমরা একই তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি সমমান পরীক্ষা যথা সময়ে সম্পন্ন করে ফল প্রকাশের মাধ্যমে কোটি কোটি শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম করার মধ্য দিয়ে তাদের আগামী দিনের সুযোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সোমবার সকাল ১১টায় কানাইঘাট দুর্গাপুর স্কুল এন্ড কলেজের শতবর্ষ পুর্তি উপলক্ষ্যে স্কুল প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক ছাত্র সূধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। নুরুল ইসলাম নাহিদ আরো বলেন, গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, মাল্টিমিডিয়ার ক্লাস চালু, কম্পিউটার ও শিক্ষা উপকরন বিতরণ, উপবৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে যার ফলে গ্রামাঞ্চলের শতভাগ শিক্ষার্থীরা আজ স্কুলে যাচ্ছেন। কারিগরি শিক্ষায় আমাদের ছেলে মেয়েদের শিক্ষিত করে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তিত করার জন্য পর্যাক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় কারিগরী শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেয়া হবে বলে মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন। তিনি আরো বলেন, দেশ জুড়ে ২০ দলীয় জুটের জ্বালাও পুড়াও ধ্বংসাত্ম মূলক কর্মকান্ড সত্ত্বেও এ বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে ৩৩ কোটি পাঠ্য বই তুলে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষা কার্যক্রম সারাবিশ্বে আজ প্রশংসিত হচ্ছে। কিন্তু এসএসসি সমমনা পরীক্ষা চলার সময় আমাদের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন বিপন্ন করার জন্য বিএনপি ও জামায়াত পরীক্ষার দিনে হরতাল দিচ্ছে। পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে। এ অপরাজনীতির বিরুদ্ধে দেশবাসীকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। দুর্গাপুর স্কুল এন্ড কলেজ গভর্ণিং বডির প্রধান উপদেষ্টা শিক্ষানুরাগী সদস্য আলহাজ্ব নুর উদ্দিনের সভাপতিত্বে, সহকারী শিক্ষক মামুনুর রশিদ ও স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছাত্রনেতা জাহেদুল ইসলাম রুবেলের যৌথ পরিচালনায় শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন, সিলেট শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান একেএম গোলাম কিবরিয়া তাপাদার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ মোঃ আমিনুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, ডঃ দিলারা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট শিল্পপতি মুজিবুর রহমান মানিক, কানাইঘাট পৌর সভার মেয়র লুৎফুর রহমান, জেলা আ’লীগ নেতা এড. ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা, এড. মোঃ আব্বাস উদ্দিন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ, স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র এড. আব্দুর রহিম, স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ দুর্গাপুর স্কুল এন্ড কলেজে একটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ সহ পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের আশ্বাস প্রদান করেন। সেই সাথে তিনি স্কুলের একতলা একটি একাডেমিক ভবনে দু’তলা সরকারী অর্থায়নে নির্মাণের শুভ ভিত্তি প্রস্থর করেন।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩