Sunday, November 30

চেক ডিজঅনার মামলায় সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ আলিম উদ্দিনের কারাদন্ড

চেক ডিজঅনার মামলায় সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ আলিম উদ্দিনের কারাদন্ড


নিজস্ব প্রতিবেদক: চেক ডিজঅনার মামলায় কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ আলিম উদ্দিনকে এক বছরের কারাদন্ড প্রদান এবং ১০লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গত ২২/১০/১৪ইং তারিখে অতিঃ দায়রা জজ, ৫ম আদালত ও বিশেষ ট্রাইবুন্যাল ৬ এর বিচারক সৈয়দ হুমায়ুন আজাদ এ রায় প্রদান করেন। জানা যায়, কানাইঘাট ৫নং বড়চতুল ইউপির সরুফৌদ গ্রামের মোবারক আলীর পুত্র উপজেলা নির্বাচনে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রাথী মাওঃ আলিম উদ্দিন একই ইউপির উপর বড়াই গ্রামের উবায়দুর রহমানের পুত্র মোশাহীদ আলীর কাছ থেকে ব্যবসা বাণিজ্য বর্ধিথ করার জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। গত ৬/৫/১৩ইং তারিখে মাওঃ আলিম উদ্দিন মোশাহীদ আলীকে ১০লক্ষ টাকার অনুকূলে ইসলামী ব্যাংক কানাইঘাট শাখার একখানা চেক প্রদান করেন। উক্ত ১০লক্ষ টাকার চেকখানা ব্যাংকে উপস্থাপনা করিলে অপর্যাপ্ত তহবিলের জন্য চেকখানা ডিজঅনার করা হয়। এ ঘটনায় পাওনাদার মোশাহীদ আলী বাদী হয়ে ৭/৮/১৩ইং তারিখে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ২য় আদালতে ১৮৮১ ইং সনের এন.আই এ্যাক্টরের ১৩৮ ধারায় মাওঃ আলিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালতে উপস্থিত হয়ে আলিম উদ্দিন প্রথমে জামিন নিলেও পরবর্তীতে মামলার তারিখে আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন বিজ্ঞ আদালত। দীর্ঘ শুনানী শেষে আসামী মাওঃ আলিম উদ্দিনের অনুপস্থিতে বিচারক সৈয়দ হুমায়ুন আজাদ এক বছরের কারাদন্ডড প্রদান করে, আসামী আলিম উদ্দনের বিরুদ্ধে এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষনার পর থেকে আলিম উদ্দিন পলাতক রয়েছে
বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পিতার মৃত্যু:বিভিন্ন মহলের শোক

বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পিতার মৃত্যু:বিভিন্ন মহলের শোক


নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মঈন উদ্দিন ও কানাইঘাট বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুর উদ্দিনের পিতা ছোটদেশ সতীপুর গ্রাম নিবাসী প্রবীণ মুরব্বি ইমদাদুর রহমান (৯০), বার্ধক্য জনিত কারনে গত শনিবার নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করিয়াছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখেগেছেন। আজ রবিবার সকাল ১০টায় ইমদাদুর রহমানের জানাযার নামাজ নিজ গ্রামের জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে তার লাশ পারিবারিক গুরুস্তানে সমাহিত করা হয়। এদিকে বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ নুর উদ্দিনের পিতা এলাকার প্রবীন ইমদাদুর রহমানের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমতি কানাইঘাট উপজেলা শাখার সভাপতি মাষ্টার মোফিজ্জল আলী, সচিব- মাষ্টার ফজলুর রহমান, কানাইঘাট শিক্ষা ট্রাস্টের সভাপতি রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুন আহমদ, বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাষ্টার শাহিদ আহমদ ও বীরদল এন.এম একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মোঃ জার উল্লাহ,সহকারী প্রধান শিক্ষক কলামিষ্ট মহিউদ্দিন প্রমুখ।
ঢাকার সাথে সীমান্ত চুক্তি কার্যকর হবে : মোদি

ঢাকার সাথে সীমান্ত চুক্তি কার্যকর হবে : মোদি


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসামে গিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করার লক্ষ্যেই তিনি ঢাকার সাথে সীমান্তে ভূমি বিনিময় চুক্তি কার্যকর করবেন। তার দল বিজেপির এক কর্মী সভার ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এটি করলেই আসামে অনুপ্রবেশ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে। তাকে উদ্ধৃত করে ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই এবং রয়টার্স এই খবর দিচ্ছে। মি. মোদি বলেন, ‘এই ভূমি বিনিময় চুক্তি নিয়ে আসামের মানুষের মনোভাব আমি জানি। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি আসামের নিরাপত্তার সাথে কোনো আপোষ করা হবে না। চুক্তি হলে তাৎক্ষণিক কিছু লোকসান হলেও, আখেরে আসাম লাভবান হবে।’ বাংলাদেশের সাথে স্থলসীমা চুক্তি কার্যকর হলে, আসামের ভেতর অপদখলীয় কিছু ভূমি বাংলাদেশকে দিয়ে দিতে হবে। এ নিয়ে স্থানীয় বিজেপিসহ আসামের জাতীয়তাবাদী দলগুলোর মধ্যে তীব্র আপত্তি রয়েছে। মি. মোদি বলেন, তার সরকার বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের সমস্ত রাস্তা চিরতরে বন্ধ করে দেবে। দিল্লিতে আটকে গেছে চুক্তি
ডেসটিনি ১৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে

ডেসটিনি ১৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে


ঢাকা: স্থানীয় সরকার ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি সাধারণ মানুষের এক হাজার ৪৪৮ কোটি ৭৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে। আজ রবিবার জাতীয় সংসদে ইসরাফিল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে আশরাফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে বিকেল চারটার পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। ইসরাফিল আলমের এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, ডেসটিনিসহ ১৪টি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি বা সমবায় সমিতি সাধারণ মানুষের মোট এক হাজার ৪৭১ কোটি ছয় লাখ ৭৯ হাজার ২৫৫ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এর মধ্যে পপুলার মাল্টিপারপাস সাত কোটি ৭৬ লাখ, অগ্রণী বহুমুখী সমবায় সমিতি পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ ও ম্যাক্সিম মাল্টিপারপাস এক কোটি এক লাখ টাকা। মানুষের টাকা আত্মসাৎ করা বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: গোসাইলডাঙ্গা ফুটন্ত কলি বহুমুখী সমবায় সমিতি, জাগ্রত মাল্টিপারপাস, চট্টগ্রাম সংবাদপত্র হকার্স সমিতি, দোভাসীবাজার ব্যবসায়ী সমিতি, চামুদরিয়া মাল্টিপারপাস, রূপালী বহুমুখী সমবায় সমিতি, শাহরাস্তি যুব উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি, ফরিদগঞ্জ প্রদীপ বহুমুখী সমবায় সমিতি, ফারইস্ট ইসলামি কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও আল ইনসাফ মাল্টিপারপাস।
কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে ব্যাপক লবিং

কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে ব্যাপক লবিং


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে ব্যাপক লবিং  চলছে। উপজেলা,পৌর ও কলেজ শাখার সভাপতি, সম্পাদক সহ গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন নেতাকর্মীরা। দীর্ঘ এক দশক পর ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ২৩ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ ওই কমিটি ভেঙ্গে নতুন কমিটি দিচ্ছে জেলা ছাত্রদল। আর নতুন কমিটিতে পদ-পদবী ভাগিয়ে নিতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদ পেতে যারা লবিং করছেন এরা হলেন, কানাইঘাট পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কারা নির্যাতিত নেতা রুহুল আমিন ও কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের সাবেকসহ সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক আবুল বাশার। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক দাবিদার যারা এরা হলেন, আবুল হাসনাত সাজ্জাদ, জাহাঙ্গীর হোসেন, দেলোয়ার হোসেন,মুশফিক হাসান কবির, জসিম উদ্দিন, আজমল হোসেন প্রমূখ।
তবে তৃণমূল নেতা কর্মীরা বলেছেন এছাড়া আরও অনেকই লবিং চালাচ্ছেন।শেষ পযর্ন্ত কাদের ভাগ্য রয়েছে পদপদবী তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে কমিটি গঠনের শেষ মুহুর্ত পযর্ন্ত।  দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে জেলা থেকে শীঘ্রই নতুন কমিটি দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে স্থানীয় ছাত্রদলে প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করছে। আর কমিটিতে নিজ নিজ পছন্দ মত পদ ভাগিয়ে নিতে যেমন তৎপর স্থানীয় প্রভাবশালী নেতারা তেমনই তৎপরতা চালাচ্ছেন এসব পদের প্রার্থীরা। তারা ধর্ণা দিচ্ছেন জেলায়। নিজেদের পূর্বের খতিয়ান দিচ্ছেন কর্মকান্ড দেখাচ্ছেন কেন্দ্রকে।  সভাপতি প্রার্থী কারানির্যাতিত নেতা রুহুল আমিন বলেন, নতুন কমিটিতে  আমি সভাপতি পদের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদি। এদিকে লবিংয়ে পিছিয়ে নেই পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও। জেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠনের পর থেকেই তারাও ধরনা দিচ্ছেন জেলায়। পৌর ছাত্রদলের সভাপতি পদ পেতে যারা লবিং করছেন এরা হলেন, পৌর ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হুসেন,আব্দুল বাসিত,আমিনুল ইসলাম প্রমূখ।  পৌর ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হুসেন জানান, তিনি শতভাগ আশাবাদী তিনিই হবেন কানাইঘাট পৌর ছাত্রদলের সভাপতি।
ফেসবুকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ায় মাকে নালিশ!

ফেসবুকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ায় মাকে নালিশ!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল নেটওয়ার্কে কেউ আপনার সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করলে বা ধর্ষণের হুমকি দিলে সাধারণত কী করবেন? মন্তব্যকারীকে উল্টো দু’-চার কথা শুনিয়ে দিতে পারেন। তাকে ব্লক করতে পারেন। নিদেনপক্ষে পুলিশের সাইবার ক্রাইম সেল-এ অভিযোগও জানাতে পারেন। কিন্তু তার মা-কে নালিশ করবেন কি? ১০০ জনের মধ্যে ৯৯ জনই বলবেন ‘না’। ওই বাকি একজন থাকেন অস্ট্রেলিয়ায়। নাম আলানা পিয়ের্স। তিনি ঠিক এ কাজটাই করে মন্তব্যকারীদের অভিনব শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন। বছর একুশের এই তরুণী পেশায় এক জন সাংবাদিক। যখন তাঁর ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং পেজে কেউ অশালীন মন্তব্য করেন তিনি মন্তব্যকারীর অভিভাবকদের খুঁজে তাঁদের এ কথা জানিয়ে টুইট বা মেসেজ পাঠান। আলানা জানান, ‘কয়েকটি অল্প বয়স্ক ছেলে আমার ফেসবুক পেজে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে বা যৌন ইঙ্গিত করে পোস্ট করছিল। আমি সটান তাদের অভিভাবকদের খুঁজে তাঁদের ঘটনাটি জানাই। তাঁরাও অবশ্য ব্যাপারটি নিয়ে অবাক হয়েছিলেন। তবে আমি ঠিক যেমনটা চেয়েছিলাম, তাঁদের প্রতিক্রিয়াও ঠিক তেমনটাই ছিল। সব থেকে আশ্চর্ষের বিষয়, এই ঘটনা জানিয়ে করা টুইট বা ফেসবুক পোস্টগুলিতে লাইকের সংখ্যা হু-হু করে বাড়ছে। আলানার করা টুইটে আরও ১৯ হাজার প্রত্যুত্তর এসেছে। আলানর স্পষ্ট মতবাদ, ‘আমি এই সব অশালীন মন্তব্যকারীদের একটাই কথা বলতে চাই, গালাগাল করা বা ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার জন্য কোনও কারণই যথেষ্ট নয়। আর ইন্টারনেট বিকৃত যৌন মানসিকতা জাহির করার জায়গা নয়। আমার কাজে যদি এগুলো বন্ধ হয়, আর এটা দেখে যদিও অন্যরাও এগিয়ে আসে তাহলে এ কাজ আরও সহজ হবে।’
ইভটিজিং প্রতিরোধের আহবান আইজিপির

ইভটিজিং প্রতিরোধের আহবান আইজিপির


ঢাকা : নারী নির্যাতন, বিশেষ করে নারী ও শিশু পাচার, ইভটিজিং, নারীর প্রতি সহিংসতার মতো ঘৃণ্য অপরাধের ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে বলেছেন পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার। রবিবার সকালে পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ আহবান জানান তিনি। আইজিপি অপরাধী শনাক্তের ক্ষেত্রে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে টহল ব্যবস্থা ও নজরদারি জোরদার করতে হবে। পুলিশ প্রধান একটি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে অনেক প্রতিভাবান মেধাবী তরুণ যোগ দিচ্ছে। তিনি তাদেরকে জনসেবার ব্রত নিয়ে নিবেদিত হয়ে কাজ করার মানসিকতা সম্পন্ন করে গড়ে তোলার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান। সভায় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (স্পেশাল ক্রাইম এন্ড প্রসিকিউশন) মো. জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া গত তিন মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন। দেশব্যাপী অপরহরণ, খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু পাচার, অস্ত্র উদ্ধার, মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কে সভায় আলোচনা হয়েছে। অপরাধ পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত প্রান্তিকের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে মোট মামলার সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ফলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার সংক্রান্ত মামলা পূর্ববর্তী প্রান্তিকের তুলনায় বেড়েছে। গত প্রান্তিকে চোরাই গাড়ি উদ্ধারের পরিমাণ অনেক বেড়েছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক। আলোচ্য সময়ে ৭২৬টি চোরাই গাড়ির মধ্যে ৫৩৫টি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী প্রান্তিকের প্রায় দ্বিগুণ। আলোচিত সময়ে পুলিশের অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের পরিমাণও বেড়েছে। পুলিশের কার্যকর ভূমিকার ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। সভায় জামিনে থাকা জঙ্গি ও দাগী সন্ত্রাসীদের উপর নজরদারির বিষয়ে আলোচনা হয়। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস, আগামী বছরের শুরুতে টঙ্গীতে দুই পর্বে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমাসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানে সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া, অবৈধ বিদেশীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়। সভায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্রিন্সিপাল নাইম আহমেদ, এসবির অতিরিক্ত আইজিপি ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাবের মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর ফাতেমা বেগম, সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি মো. মোখলেসুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (ফিন্যান্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট) মো. আমির উদ্দিন, এপিবিএন এর অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হেমায়েত হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) মইনুর রহমান চৌধুরীসহ সকল পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের প্রধানগণ ও পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্যারেড করতে গিয়ে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু

প্যারেড করতে গিয়ে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু


ঢাকা: রাজধানী পিলখানায় প্যারেড গ্রাউন্ডে শারীরিক প্রশিক্ষণ (প্যারেড) করতে গিয়ে হাবিলদার মো. ওলিয়ার রহমান (৪৫) নামের এক বিজিবি সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিউমার্কেট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুর রহিম বলেন, রবিবার সকাল ৯টার দিকে পিলখানার ৪৪ নম্বর প্যারেড গ্রাউন্ডে শারীরিক প্রশিক্ষণ (প্যারেড) করতে গিয়ে হাবিলদার মো. ওলিয়ার রহমান মাথা ঘুরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিজিবি কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে পিলখানা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সকাল ১০ টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ১৬ নম্বর ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। মৃত হাবিলদার মো. ওলিয়ার রহমান ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার আড়পাড়া গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে।
প্রশ্নফাঁসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জড়িত!

প্রশ্নফাঁসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জড়িত!


ঢাকা: জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কিছু লোক ফেসবুক বন্ধের সাথে জড়িত। প্রশ্নফাঁস বন্ধের জন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হবে- শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ করে রবিবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দশম জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশনের শেষ কার্যদিবসে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান এ বক্তব্য দেন। শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্যে পীর ফজলুর রহমান বলেন, ‘ফেসবুক বন্ধ না করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যাদের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’ তিনি বলেন, ফেসবুক যারা ব্যবহার করে, তারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করেন না। ফাঁস হওয়ার পর ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যাদের কাছে প্রশ্নপত্র থাকে তাদের কিছু লোকজন এ কাজের সঙ্গে জড়িত। তাদেরকে না ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, ফেসবুক বন্ধ করে দেবেন। ফেসবুকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন না পাওয়া গেলে এ প্রশ্ন পরে অনেক দামে গ্রামেগঞ্জে বিক্রি হবে। ফাঁস রোধ করতে হবে।’ ফজলুর রহমান বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করতে পারছে না। সর্বশেষ প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এরআগে জেএসসি’র প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে এটা বন্ধ করতে না পেরে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ করে দেবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা নিয়ে আমাদের প্রচুর অর্জন। তবুও পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা যাচ্ছে না। ফেসবুক বন্ধ না, শিক্ষামন্ত্রীকে দায়িত্ব নিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর অর্জনকে কয়েকজন লুটেরা, চোর ধ্বংস করতে পারে না।’
চীনে ১৯ শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আটক শিক্ষক

চীনে ১৯ শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আটক শিক্ষক


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: চীনে ১৯জন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষার্থীকে যৌন অত্যাচারের অভিযোগে ৬০ বছর বয়সী এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। চীনের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্যে এটি ভয়ানক দুঃখজনক সংবাদ। চীনের হুনান প্রদেশের রাজধানী ইইয়াং শহরে বাজিসাও টাউনশিপ স্কুলে শিক্ষকতা করতেন অভিযুক্ত শিক্ষক জাও। অবসর গ্রহনের পর থেকে তিনি গ্রেড থ্রি এবং গ্রেড ফোরের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান পড়াতেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বাজিসাও টাউনশিপ স্কুলের ১৯জন ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করেন ওই শিক্ষক। ওই শিক্ষকের কাছে পড়ে এমন ২৬জন ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে। যাদের বয়স ৮-১১ বছরের মধ্যে। এসব শিশুদের মনোবিদের সঙ্গে পরামর্শের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, জেলা শিক্ষা ব্যুারো এরইমধ্যে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বহিষ্কার করেছেন। তবে এতোদিন ধরে শিক্ষা ব্যুারোর নজরদারির মধ্যে কিভাবে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটছিলো সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। উল্লেখ্য, গত বছরের এপ্রিলে চীনের আনহুই প্রদেশের এক আদালত ৫জন স্কুল শিক্ষককে ধর্ষণ এবং ছয়জনকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদ-ের আদেশ দেন। এর আগে বেইজিংয়ের পেকিং ইউনিভার্সিটি এক বিদেশি শিক্ষার্থীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রফেসরকে বরখাস্ত করেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেনছিলেন, তার সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক করা হয়েছিলো। এক হিসেবে দেখা যায়, ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চীনে আট হাজার ৬৯জন শিশু নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
মজিনা কাজের মেয়ে মর্জিনা!নিশা ‘দুই আনার’ মন্ত্রী

মজিনা কাজের মেয়ে মর্জিনা!নিশা ‘দুই আনার’ মন্ত্রী


বাংলাদেশে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালকে ‘দুই আনার মন্ত্রী’ বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। শনিবার দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে নিশা দেশাইয়ের বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আশরাফ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই আনা, চার আনাও না- এক মন্ত্রী আছে নিশা দেশাই। তার এখনও বিয়ে হয় নাই। তার সঙ্গে দুই দুইবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে টেলিভিশনে দেখে মনে হচ্ছে ২২-২৩ বছরের মেয়ের সামনে একদম শিশু খালেদা হাত পেতে বসে আছেন- ক্ষমতাটা যেন এই মিস দেশাই হাতে তুলে দেবেন। এই সাক্ষাৎ দেশের জন্য লজ্জাজনক ঘটনা। ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনাকে ব্যঙ্গ করে আশরাফ বলেন, আমার বাড়িতে একটি কাজের মেয়ে আছে তার নাম মর্জিনা। রাত্রে বাসায় গেলে সে বলে মামা টিভিতে বারবার আমার নাম বলে কেন? তখন ওকে আমি বলি- ও হলো মার্কিন রাষ্ট্রদূত মর্জিনা। ও চাইছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামাতে। একথা শুনে কাজের মেয়েটি তার নাম পরিবর্তন করেছে। সৈয়দ আশরাফ বলেন, এমন কোন শক্তি নেই যে এক সেকেন্ড আগেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামাতে পারবে। বিএনপি বলেছিল- ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি হলে তাদের পক্ষে থাকবেন। কিন্তু মনমোহন সিংহের চেয়েও মোদি আওয়ামী লীগের পক্ষে কট্টর অবস্থান নিয়েছেন। খালেদা জিয়াকে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার উপদেশ দিয়ে আশরাফ বলেন, এখন খালেদা জিয়া কি করবেন? নির্বাচনের আগে আরও আছে চার বছর। আমি একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে ওনাকে উপদেশ দিতে পারি। এখন থেকে আপনারা আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হন। নির্বাচনের যে নৌকা, দ্বিতীয়বার যাতে আপনার হাতছাড়া না হয়। বাংলাদেশের অবস্থান এমন নেই যে বহির্বিশ্বের কোন শক্তি এসে ক্ষমতা পরিবর্তন করতে পারে। গণমাধ্যমের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, কিছু মিডিয়া আছে। শেখ হাসিনাকে কালকে ক্ষমতা থেকে উঠিয়ে দিব, পরশুদিন উঠিয়ে দিব। সকালে উঠিয়ে দিব, বিকালে উঠিয়ে দিব। এক দিনের জন্যও রাখবে না এমন ভাবসাব। মনে হয় যে, শেখ হাসিনা কচুপাতার পানি। নাড়া দিলেই পড়ে যাবে। সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধার নামে পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি তারেক জিয়ার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সে বাপের মতো বেয়াদব হয়েছে। পৃথিবীর কোথাও স্বাধীনতা যুদ্ধের পরাজিত শক্তি রাজনীতি করতে পারে না। কিন্তু বাংলাদেশে জিয়া-এরশাদ যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করেছে। আওয়ামী লীগ যতদিন থাকবে ততদিন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। তিনি বলেন, এক শ’ বছরেও এদেশে কেয়ারটেকার সরকার হবে না। বিএনপির অবস্থা হবে মুসলিম লীগের মতো। রাষ্ট্রক্ষমতা তো দূরের কথা নিজ দলের প্রধানও থাকতে পারবে না খালেদা জিয়া। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন প্রতিহত করার নামে খালেদা জিয়া দেশব্যাপী যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, তাকেও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক এমপি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এমপি’র পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম হানিফ এমপি, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক এমপি, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, এসএম কামাল হোসেন, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশীদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মোস্তফা রশিদী সুজা এমপি। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন খুলনার অফিসার্স ক্লাবে হওয়ার কথা থাকলেও সমাবেশ স্থলেই শেখ ফজলুল করিম সেলিম তালুকদার আবদুল খালেক এমপিকে সভাপতি ও মিজানুর রহমান মিজান এমপিকে সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ঘোষণা করেন। ----মানবজমিন
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর ঘোষণা মোদির

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর ঘোষণা মোদির


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের’ ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসামে বিজেপি (ভারতীয় জনতা পার্টি) দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রবিবার নরেন্দ্র মোদি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে। তবে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের’ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। তিনি বলেন, ‘আমি আসামের জনগণের অবস্থা বুঝি। আমরা সব সময় আসাম তথা দেশের স্বার্থের কথা চিন্তা করব। যে সব বাংলাদেশী অবৈধভাবে আসাম এসেছে এবং আপনাদের ঝামেলায় ফেলছে, তাদের অবশ্যই ফেরত পাঠানো হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার জন্মভূমির সেবা করার জন্যই ঘর ছেড়েছি। আসামও আমার মায়ের মতো।’ গোহাটির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে দেওয়া ওই ভাষণে মোদি আরও বলেন, ‘আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, আমি আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেব। বর্তমান সরকার আসামের জনগণের স্বপ্নপূরণ করবে এবং উত্তরা-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’ সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

Saturday, November 29

বিমান হামলায়ও দুর্বল হয়নি আইএস: সিরিয়া

বিমান হামলায়ও দুর্বল হয়নি আইএস: সিরিয়া


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী ওয়ালিদ আল মুয়াল্লেম বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন মিত্র বাহিনীর দুই মাসের বিমান হামলা ইরাক ও সিরিয়ার ইসলামপন্থী জঙ্গি সংগঠন আইএসকে দুর্বল করতে ব্যার্থ হয়েছে। তিনি বলেন, আইএসকে দুর্বল করার একমাত্র উপায় হল তুরস্ককে এর সীমান্তে কড়া নজরদারি আরোপ করতে বাধ্য করা, যাতে বিদেশি জিহাদিরা সিরিয়ায় প্রবেশ করতে না পারে। লেবাননের এক টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন মিত্র বাহিনী গত সেপ্টেম্বর থেকে সিরিয়ায় আইএস জঙ্গিদের টার্গেট করে অন্তত ৩০০ বিমান হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা শুধুমাত্র উত্তর সিরিয়ার সীমান্ত শহর কোবানিতে আইএস এর অগ্রযাত্রা রুখতেই সহায়ক হয়েছে। শুক্রবারের ওই সাক্ষাৎকারে ওয়ালিদ আল মুয়াল্লেম বলেন, ‘সব ধরণের লক্ষণ থেকেই এটা প্রমাণিত হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন মিত্র বাহিনীর টানা দুই মাসের বিমান হামলায়ও আইএস একটুও দুর্বল হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এবং ওয়াশিংটন যদি তুরস্ককে এর সীমান্তে আরও কড়া নজরদারি আরোপের জন্য বাধ্য না করে তাহলে কোনো কিছুতেই আইএসকে পরাস্ত করা সম্ভব হবে না।’ মুয়াল্লিম আরও বলেন, ‘তুরস্ক উত্তর সিরিয়ায় যে নো ফ্লাই জোন করার পরিকল্পনা করছে তা বাস্তবায়িত হলে সিরিয়া কার্যত বিভক্ত হয়ে পড়বে।’ এছাড়া সিরিয়ার আসাদ সরকারকে উৎখাতে আইএসসহ অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে পরোক্ষ সহায়তার অভিযোগ রয়েছে তুরস্কের বিরুদ্ধে। তবে তুরস্ক বরাবরের মতো এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। উল্লেখ্য, সিরিয়ার সঙ্গে তুরস্কের ৯০০ কিলোমিটারের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এদিকে সিরিয়ার আসাদ সরকারও আইএসসহ সবগুলো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উপর হামলায় নিজস্ব বিমান বহিনীকে ব্যবহার করা বাড়িয়ে দিয়েছে। গত ৬ সপ্তাহে আইএসসহ সবগুলো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উপর অন্তত ২ হাজার বিমান হামলা চালিয়েছে সিরিয়ার সরকারি বিমান বাহিনী। বেশিরভাগ হামলাই চালানো হয় উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার রাক্কায় অবস্থিত আইএস এর সদর দপ্তর লক্ষ্য করে। সিরিয়ার একটি মানবাধিকার সংগঠন জানিয়েছে, এসব হামলায় অন্তত ৫০০ বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছেন।
খালেদা সংসদে না থাকায় ভাল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

খালেদা সংসদে না থাকায় ভাল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী


ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের হাতে বাংলাদেশের পতাকা তুলে দেয়ায় জনতার আদালতে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ারও বিচার হবে। যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে পতাকা উঠিয়ে দিয়ে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহ কাজ করেছেন। আজ শনিবার বিকেলে হবিগঞ্জের নিউফিল্ড মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। আমরা চিকিৎসা সেবা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছেছি। এছাড়া জামানত ছাড়া কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া যাবে। পাশাপাশি হবিগঞ্জে গৃহহীনদের বিনা পয়সায় বাসস্থান করে দেয়ারও ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপি নির্বাচনে না আসায় ভালোই হয়েছে, বলে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখন সংসদে আর কারও খিস্তি-খেউর শুনতে হয় না। শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, জামায়াত আর বিএনপি নির্বাচন বন্ধ করতে এক হয়ে ধর্মের নামে মসজিদে আগুন দেয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আগুন দেয়। বাস, রেলে আগুন দিয়েছে। প্রাইভেট কার থেকে মানুষ নামিয়ে তার গায়ে আগুন দিয়েছে। নির্বাচন বন্ধ করতে সহিংস অবস্থা সৃষ্টি করেছিল। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন বন্ধ করলে কী হতো। ওই থাইল্যান্ডের দিকে তাকান। বিরোধী দল আন্দোলন করে সরকার হটানোয় এখন সেখানে মার্শাল ল জারি হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষার্থীদের জন্য পাবলিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছি, যেন পরবর্তী পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারে। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখে উন্নত হোক, সেটাই চাই। আগামী বছরের ১ জানুয়ারিতে ৩২ কোটি বই তুলে দেওয়া হবে। ছেলেমেয়েরা শিক্ষিত হোক, সেটাই আমরা চাই। কিন্তু ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখুক, সেটা বিএনপি নেত্রী চান না।’
নিরাপত্তা চেয়ে ডা. শামারুখের বাবার জিডি

নিরাপত্তা চেয়ে ডা. শামারুখের বাবার জিডি


যশোর: নিহত ডা. শামারুখ মেহজাবিন সুমীর বাবা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম প্রাণনাশের ভয়ে থানায় সাধারণ ডাইরি (জিডি) করেছেন। শনিবার দুপুর ১২টার সময় যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় ডা. সুমীর বাবা আতঙ্কিত হয়ে এ জিডি করেন। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ডা. শামারুখ মেহজাবিন সুমী গত ১৩ নভেম্বর তার শ্বশুরবাড়িতে মারা যান। সুমীর বাবা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম একে হত্যা দাবি করে বাদী হয়ে মেয়ের শ্বশুর সাবেক সংসদ খান টিপু সুলতান, মেয়ের শাশুড়ি ডা. জেসমিন আরা বেগম এবং জামাই হুমায়ুন সুলতান শাদাবকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন। কিন্তু ময়নাতদন্ত শেষে ডাক্তার এটাকে আত্মহত্যা বললে সুমীর বাবা তা মেনে নিতে রাজি নন। তিনি পুনরায় ময়নাতদন্তের আবেদন জানান। মামলা করার পর এবং ডা. সুমী নিহত হওয়ার ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ায় ডা. সুমীর বাবা আশঙ্কা করছেন যেকোনো মুহূর্তে থেকে তাকে ও তার ছেলে শাহানুর মো. শরীফকে প্রাণনাশ করতে পারে আসামির পক্ষ। তাই তিনি নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছেন। জিডিতে উল্লেখ করেন মামলা করে যশোর আসার পর থেকে খুবই আতঙ্কের মধ্যদিয়ে জীবন-যাপন করছেন তারা।
রায়ের অপেক্ষায় আরও দুই মামলা

রায়ের অপেক্ষায় আরও দুই মামলা


ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আরো ২ টি মামলার রায় ঘোষণা অপেক্ষমান (সিএভি) এবং অপর ২টি মামলার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে যুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ১৩ মামলায় রায় প্রদান করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার অপেক্ষায় থাকা ২ মামলার আসামিরা হলেন-জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির নেতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আব্দুস সুবহান ও জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বারের (পলাতক) মামলায় বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ দুই আসামির বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলার শেষ ধাপ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে। চলতি সপ্তাহে এ দুই মামলায় বিচারের শেষ ধাপ যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য রাখা হতে পারে। ট্রাইব্যুনালের জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী আলাপকালে এ সব তথ্য জানান। শিগগিরই অপেক্ষমান থাকা দুই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে গত ২৪ নভেম্বর ঘোষিত রায় ট্রাইব্যুনালে দেয়া ১৩তম রায়। এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধে আনীত মামলায় আরো বারটি রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অন্যতম প্রধান অঙ্গিকার ছিলো যুদ্ধপরাধীদের বিচার করা। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বধীন মহাজোট দুই তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। সরকার গঠনের পর সংসদের প্রথম অধিবেশনেই যুদ্ধপরাধীদের বিচারে সর্বসম্মত প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল, তদন্তকারী সংস্থা ও প্রসিকিউশন গঠন করা হয়। প্রথমে ১টি ট্রাইব্যুনালে এ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে এ বিচারকে তরান্বিত করতে ২০১২ সালের ২২ মার্চ আরো একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে পুনরায় সরকার গঠনের পর ট্রাইব্যুনালে ৪টি ও আপিলে ২টি মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়।
দর্শনীয় স্থানে হায়দ্রাবাদ বিশ্বে দ্বিতীয়

দর্শনীয় স্থানে হায়দ্রাবাদ বিশ্বে দ্বিতীয়


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভ্রমণের জন্য ২০১৫ সালে বিশ্বের সেরা দর্শনীয় স্থানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারতের হায়দরাবাদের নাম। প্রথম স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিসিডিও অব সানফ্রানসিসকো। আজ শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়, তালিকাটি প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ‘ট্রাভেলার’ সাময়িকী। তালিকায় বিশ্বের সেরা ২০টি দর্শনীয় স্থানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সময়ানুবর্তিতা, সংস্কৃতি, টেকসইয়ের বিষয়, বাস্তবতা, মান প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জারম্যাট, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল মল ও ওকলাহোমা সিটি, তিউনেসিয়ার তিউনিস প্রভৃতি।
বাংলাদেশে হামলার জন্যেই বর্ধমানে বোমা বানানো হচ্ছিল

বাংলাদেশে হামলার জন্যেই বর্ধমানে বোমা বানানো হচ্ছিল


ঢাকা: বাংলাদেশে হামলার জন্যেই বর্ধমানে বোমা বানানো হচ্ছিল বলে জানিয়েছে কোলকাতায় সফররত বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল। শনিবার সাত সদস্যের গোয়েন্দা প্রতিনিধিদলের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, বর্ধমানে যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল তা বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্যে বানানো হয়েছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে এনআইএ আমাদেরকে তথ্য দিয়েছে। গত ১৭ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তের অংশ হিসেবে ভারতের গোয়েন্দারা ঢাকায় আসেন। ওই সফরে বাংলাদেশ মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া পলাতক ১০ জঙ্গি এবং ৪১ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকা ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থাকে (এনআইএ) দিয়েছিল। এসব সন্ত্রাসী ভারতে অবস্থান করছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অপরদিকে, বর্ধমান বোমা বিস্ফোরণ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে প্রায় ৩০ জঙ্গির নাম বাংলাদেশি গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি-এনআইএ। এরই ধারাবাহিকতায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গত বৃহস্পতিবার তিন দিনের সফরে ভারতে গিয়েছে।

Friday, November 28

কন্যা সন্তান হবে, তাই গর্ভবতী স্ত্রীকে হত্যা!

কন্যা সন্তান হবে, তাই গর্ভবতী স্ত্রীকে হত্যা!


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের এক গ্রামে গর্ভবতী স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বলা হচ্ছে, ওই মহিলা ষষ্ঠবারের মতো কন্যাসন্তান জন্ম দিতে যাচ্ছেন এ কথা জানার পরই তার স্বামী তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। তার স্ত্রী মাত্র কয়েক মাসের অন্ত:সত্বা ছিলেন। সম্প্রতি স্ক্যানে আভাস পাওয়া যায় যে তার পেটের সন্তান একটি মেয়ে। জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত বাজীরাও একজন শিক্ষিত এবং অবস্থাপন্ন কৃষক। তিনি এবং তার স্ত্রী পাঁচটি কন্যাসন্তানের পিতামাতা। সম্প্রতি তার স্ত্রী আবার গর্ভবতী হলে, বাজীরাও সন্তানটি ছেলে না মেয়ে তা জানার জন্য স্ক্যান করাতে চাপ দিচ্ছিলেন। স্ক্যানে সন্তানটি মেয়ে - এটা ধরা পড়ার পর তিনি গর্ভপাত করাতে চাইলে স্ত্রী তাতে রাজী হন নি। এতে বাজীরাও এতই ক্ষিপ্ত হন যে তিনি তার স্ত্রীকে ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। পুলিশ বলছে, তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রে ভ্রুণের লিঙ্গ-নির্ধারণী ডাক্তারি পরীক্ষা আইনত নিষিদ্ধ হলেও বাস্তবে তা ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ভারতে দম্পতিদের মধ্যে ছেলে শিশু পাবার তাড়না খুবই জোরালো এবং মেয়ে-ভ্রুণ হত্যা দেশটিতে একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা।
বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র দেখতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র দেখতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র


ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্র সরকার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিকভাবে শক্তিশালী দেখতে চায়। একই সাথে এই ধারা বাংলাদেশেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল। শুক্রবার রাতে গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারপার্সনের বাসভবনে বিসওয়ালের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এক ঘন্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শমসের মবিন চৌধুরী সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, বৈঠকে মূলত দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সুসম্পর্কের কথাও এসময় উল্লেখ করেন নিশা দেশাই । বিএনপি নেতা বলেন, নিশা দেশাই বিএনপি চেয়ারপারসনকে বলেছেন, বাংলাদেশের সাথে যুক্তরার্ষ্টের সম্পর্ক আগেই মত থাকবে এবেং এই সম্পর্ক আরো উন্নত হবে। এর আগে বিকাল ৫ টায় বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন নিশা দেশাই বিসওয়াল। এর আগে ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন নিশা দেশাই বিসওয়াল। আজকের বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শ্যামার পুনঃময়নাতদন্ত সুষ্ঠুভাবে করার দাবি

শ্যামার পুনঃময়নাতদন্ত সুষ্ঠুভাবে করার দাবি


ঢাকা: ডা. শামারুখ মাহজাবীনের লাশের পুনঃময়নাতদন্ত ‘সুষ্ঠুভাবে’ করার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন তার পরিবার ও হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে শুক্রবার দুপুর ১২টায় তারা এ মানববন্ধন করেন। হত্যাকারীদের বিচারের দাবি নিয়ে মানববন্ধনে শামারুখের মাহজাবীনের বড় ভাই শাহানুর শরীফ, মামা কাজী শহীদুর রহমান, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. বাসিরুল হক অপুসহ শতাধিক চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। বড় ভাই শাহানুর শরীফ বলেন, মাহজাবীনকে হত্যা করার পরও তার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ‘আত্মহত্যা’ উল্লেখ করা হয়েছে। তারপর আমরা ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে ফের ময়নাতদন্তের আবেদন জানিয়েছি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত পুনরায় ময়নাতদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘এর আগের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন তৈরিকালে মাহজাবীনের শ্বশুর বাড়ির পক্ষ প্রভাবিত করেছে। ফের যেন তারা কোনোভাবে প্রভাবিত করতে না পারে এবং হত্যাকারীরা সবাই যেন বিচারের আওতায় আসে সেই দাবি করছি।’ শামারুখের মামা কাজী শহীদুর রহামন বলেন, আমরা শামারুখের হত্যাকরীদের বিচারের মাধ্যমে সমাজে যেন আর কোনো শামারুখকে জীবন দিতে না হয়, সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। প্রসঙ্গত, ১৩ নভেম্বর ধানমণ্ডিতে শ্বশুর সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতানের বাসা থেকে পুত্রবধূ ডা. শামারুখ মাহজাবীনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বাবা মো. নুরুল ইসলাম ধানমণ্ডি থানায় শ্বশুর, শাশুরি ও স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ঘটনার ১০ দিন পর ২৩ নভেম্বর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পায় পুলিশ। এতে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘আত্মহত্যা’ উল্লেখ করা হলে শামারুখের পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে আবার ময়নাতদন্তের দাবি জানান। এর প্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত ফের ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ দেন।
ব্যথিত শচীনও

ব্যথিত শচীনও


বৃহস্পতিবার সকালেই ফিলিপ হিউজের মৃত্যু খবর বাতাসের বেগে ছড়িয়ে পড়ে ক্রিকেটবিশ্বে। একজন উঠতি তারকার বিদায়ের এ বিয়োগ খবর ভূমিকম্পের মতো নাড়া দেয় ক্রিকেটের মানুষকে। সেখানে শচীন টেন্ডুলকার ক্রিকেটের একজন আইকন, তার কানে তো পৌঁছবেই। এক সময় ফিলিপ হিউজের সঙ্গে খেলেছেন ভারতের ক্রিকেট ঈশ্বর। আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন শচীন। ফিলিপ হিউজের মৃত্যু খবরে স্বাভাবিকভাবেই ব্যথিত তিনি। ভারতীয় লিটল মাস্টারের এ ব্যথা হিউজের জাতীয় বা অস্ট্রেলিয়ান ঘরোয়া ক্রিকেটের সতীর্থদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। সাবেক সতীর্থের মৃত্যুকে এক কথায় 'ক্রিকেটে বেদনার দিন' বলে উল্লেখ করলেন শচীন। হিউজের বিয়োগ সংবাদ জানার পর শচীনের টুইট ছিল এমন- 'ফিলিপের মৃত্যু সংবাদ শুনে থমকে গেছি। সত্যিই ক্রিকেটের জন্য এটা কালো দিন। হিউজের পরিবার, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য সমবেদনা, আরআইপি (রেস্ট ইন পিস)।
পপির ভাগ্য বদল!

পপির ভাগ্য বদল!


কৃষ্ণকান্ত চক্রবর্তী: কতটুকু কষ্ট পেলে মানুষ দূরে থাকতে পারে; কতটুকু আনন্দে মানুষ এগিয়ে আসে- এসব প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারে, কেউ পারে না। 'গার্মেন্টস কন্যা' ছবির পর চলচ্চিত্রে আর দেখা যায়নি চিত্রনায়িকা পপিকে। গেল ঈদে তাকে টিভি পর্দায় দেখা গিয়েছিল। কিন্তু যার ভক্ত গ্রাম-গঞ্জ-শহরে সে কেন ড্রইংরুমে পড়ে থাকা বোকাবাক্স বন্দি থাকবেন? মাঝে কিছু বছর বড় পর্দার আড়ালে থেকেছেন পপি। তার আড়ালটা আসলে কী কারণে? প্রযোজক-পরিচালকরা তাকে ডাকেন না, নাকি তিনি নিজেই চলচ্চিত্রকে বিদায় জানাতে চান? নিন্দুকরা বলে, পপি নাকি প্রচুর মিথ্যা কথা বলেন। টাকা পেয়েও অস্বীকার করেন। অভিনয় করতে এসে ভাব ধরেন। পপির পক্ষের লোকজন এ কথার বিরুদ্ধে। তাদের মতে, পপি তার কাজের ব্যাপারে সৎ; কিন্তু কথার ঘনঘটা থাকলেও পপিকে কাজে দেখা যায় না। 'কুলি' ছবিটি তার জীবনের অনেক বড় মাইলফলক। '৯০-এর দশক থেকে শুরু করে ২০০০ দশকে ক্যারিয়ার গ্রাফ মোটামুটি ভালো অবস্থানে রেখেছেন। সুন্দরী ও লম্বা দেহের অধিকারী হওয়ার দরুন তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল বেশ। আবেদনময়ী অভিনেত্রী হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছিলেন। তবে ধোপে টিকল না কিছুই। চলচ্চিত্র থেকে প্রায় হারিয়েই গেলেন। কিন্তু না, এবার আবার জ্বলে উঠেছেন। আজ মুক্তি পাচ্ছে পপি অভিনীত 'চার অক্ষরের ভালবাসা'। অনেক দিন পর পর্দায় তাকে দেখতে পাচ্ছে দর্শক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুই পরিবর্তিত হয়। তবে এ পরিবর্তন যেন পপির জীবনে নতুন বার্তা নিয়ে এলো। চলচ্চিত্রে নাকি প্রতিযোগিতা অনেক। কে কার চেয়ে ভালো করল, তা নিয়ে আলোচনার কমতি নেই। নিজেকে উপরে তুলে ধরতে সবাই চায়। পপির পাশাপাশি মুক্তি পেয়েছে মৌসুমীর 'এক কাপ চা'। মৌসুমীকে মাত করে দেয়ার জন্য পপিকে উতরে যেতে হবে। কে কাকে ফেলে দেন সেটা দিন ঘুরলেই বোঝা যাবে। ক'দিন আগে এক চলচ্চিত্র প্রযোজক বললেন, পপিকে নিয়ে এখন আর ছবি নির্মাণ করা যায় না। কারণ তার মিথ্যা অহঙ্কার তাকে অনেক নিচে নামিয়েছে। এ অবস্থান থেকে বের হয়ে আসতে তাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে। এটুকু কষ্ট কি করতে পারবেন পপি? এ প্রশ্নের উত্তর জানাটা অনেক বেশি প্রয়োজন। এক যুগের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রে রয়েছেন পপি। তিনি মিডিয়াকে জানান, নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলতে চান। এক সময়ের পর্দা কাঁপানো অভিনেত্রী পপিকে নতুন মাত্রায় দেখতে চায় দর্শক। চলচ্চিত্র বোদ্ধারা বলেন, পপি নাকি নিজের গোঁড়ামির কারণে এ অবস্থা নিজেই তৈরি করেছেন। সুন্দরী প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে মিডিয়ায় এসে যে তোলপাড় তুলেছিলেন, সময়ের ব্যবধানে তা ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু তার কিছুটা আগে চলচ্চিত্রে আসা মৌসুমীও অভিনয় করে যাচ্ছেন। পপি প্রথমে শাকিল খানের সঙ্গে অভিনয় শুরু করেন। ধীরে ধীরে ওমর সানী, মান্না, ফেরদৌস, রিয়াজসহ চলচ্চিত্রের হারিয়ে যাওয়া দু-একজন নায়কের বিপরীতেও অভিনয় করেছেন। বর্তমানে এসে তিনি নাকি নায়ক সঙ্কটেও ভুগছেন- এমনই গুজবে শোনা যাচ্ছে। বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যেসব ছবি হচ্ছে তাতে কলেজপড়ুয়া মেয়ে হিসেবে পপি বেমানান। পপিকে নিয়ে ভাবতে হলে ম্যাচিউরড কোনো চরিত্র চিত্রণ করতে হবে। সে ভাবনা নিয়ে ছবি নির্মাণ করা ইদানীং প্রায় অসম্ভব। আর নতুনদের ভিড়ে পপিও ঠাঁই খুঁজে পাচ্ছেন না। তাই 'দরিয়াপাড়ের দৌলতী'র মতো ছবিতে অভিনয় করা তার জন্য সহজ। কিন্তু এ ধরনের ছবি বছরে কয়টা হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পপি কি ছবিতে অভিনয় করবেন না? করবেন। তবে এজন্য তার ও পরিচালকের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে।
কানাইঘাটে বিএনপির মিছিল

কানাইঘাটে বিএনপির মিছিল


নিজস্ব প্রতিবেদক: সাবেক অর্থমন্ত্রী এস.এম কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জশীটে বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আবুল হারিছ চৌধুরীর ও সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে জড়ানোর প্রতিবাদে কানাইঘাট সড়কের বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আজ শুক্রবার বাদ মাগরিব সড়কের বাজারে অনুষ্ঠিত মিছিল পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য বৃহত্তর সিলেটের কৃতি সন্তান প্রয়াত এস.এম কিবরিয়া হত্যার নয় বছর পর কানাইঘাটের কৃতি সন্তান আবুল হারিছ চৌধুরী ও সিটি মেয়র আরিফুল হককে চার্জশীট ভুক্ত আসামী করা হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা এ ধরনের জগন্য হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকতে পারে না। অবিলম্বে উক্ত হত্যা মামলা থেকে হারিছ চৌধুরী ও আরিফুল হককে বাদ দেয়ার দাবী জানান তারা। দিঘীরপার ইউপি বিএনপির সভাপতি আব্দুশ শহিদ মেম্বারের সভাপতিত্বে ও ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাদির ভূইয়া ও রায়হান আহমদের যৌথ পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা কুতুব উদ্দিন মেম্বার, আব্দুর রব, মিছবাহ উদ্দিন, শরিফ উদ্দিন চৌধুরী, এবাদ মেম্বার, নাজিম উদ্দিন, আজিজুল হক, জাকারিয়া সিদ্দিকী লিটন, নুর উদ্দিন, যুবদল নেতা সাজ উদ্দিন সাজু, খছরুজ্জামান, ফারুক আহমদ, মামুন আহমদ, আব্দুস সালাম ইকবাল বাহার চৌধুরী, ফখরুজ্জামান, কুতুব উদ্দিন, রেজা, শাহাজাহান, আব্দুল্লাহ আনসারি, মাহতাব উদ্দিন, শ্রমিকদল নেতা মানিক উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বাবুল আহমদ, ছাত্রদল নেতা মিছবাহ, ইমরান আহমদ, মোয়াজ্জেম হোসেন, রুহুল আমিন, আবু সুফিয়ান প্রমুখ।
ট্রাক চাপায় ২ বিজিবি সদস্য নিহত, সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৪

ট্রাক চাপায় ২ বিজিবি সদস্য নিহত, সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৪


দিনাজপুর: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় দুই বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছে।শুক্রবার বেলা ২টার দিকে উপজেলার রাজারামপুর এলাকায় শান্ত-কান্ত রাইস মিলের সামনে দিনাজপুর-ফুলবাড়ী সড়কে এ দুর্ঘটনা হয়। এ নিয়ে পরে স্থানীয়দের সঙ্গে বিজিবির সংঘর্ষ শুরু হয়। বিজিবি সদস্যদের গুলিতে চার জন গুলিবিদ্ধ হয়। বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত দুই বিজিবি সদস্য হলেন- আল আমিন (২০) ও রুবেল হোসেন (২১)। তারা বিজিবি-২৯ ব্যাটালিয়নের ফুলবাড়ী ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। ফুলবাড়ী থানার ওসি রেজাউল ইসলাম জানান, জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিজিবির একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে একটি মোটরসাইকেলসহ কিছু ফেনসিডিল জব্দ করে। আমিন ও রুবেল জব্দ করা মোটরসাইকেল চালিয়ে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার পথে শান্ত-কান্ত রাইস মিলের সামনের সড়কে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় পিছনে বিজিবির পিকআপে থাকা সহকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র কের ময়দার মিলের শ্রমিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশ-বিজিবি সদস্যদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে পুলিশ-বিজিবির গুলিতে চারজন আহত হয়েছেন। এ সময় ১২ জনকে বিজিবি সদস্যরা আটক করেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। ফুলবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম রেজাউল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বিজিবি সদস্য নিহতের পর অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে বিজিবি ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। উত্তেজিত জনতা বিজিবির গাড়িতে হামলা চালায়। এতে বিজিবির এক সদস্যের মাথা ফেটে যায়। তিনি আরও জানান, উত্তেজিত জনতার হামলা থেকে বাঁচতে বিজিবি গুলি চালায়। গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে স্থানীয় ১২ জনকে আটকের কোনো তথ্য জানা নেই বলেও ওসি জানান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ও বিজিবির হামলা ঠেকাতে স্থানীয়রা ফুলবাড়ি শহরে প্রবেশের সকল রাস্তায় গাছের গাঁড়ি ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রেখেছে। থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছে।
বন্ধুই অপহরণ করে হত্যা করে রাব্বীকে

বন্ধুই অপহরণ করে হত্যা করে রাব্বীকে


ঢাকা: কল্যাণপুরে এক চায়ের দোকানে দুই মাস আগে মো. সালাম নামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় বিবিএর শিক্ষার্থী গোলাম রাব্বীর। সালামের প্রভাবে এর পর থেকে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েন তিনি। এই সালামই কৌশলে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ করে পাবনায় নিয়ে তিন সঙ্গীকে দিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর খুন করান রাব্বীকে। আজ শুক্রবার দুপুরে র‌্যাব-৪-এর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের গণমাধাম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান এ তথ্য দেন। তিনি দাবি করেন, ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের জন্য রাব্বীকে অপহরণ করা হয়। সালামকে ধরতে না পারলেও ধানমন্ডির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইএসটির এই শিক্ষার্থী হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার সালামের তিন সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪-এর একটি দল। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন হলেন শাহানুর শেখ (২২), রাজা প্রামাণিক (৩৮) ও বিপ্লব মোল্লা (২৮)। মাহমুদ খান বলেন, গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে ইয়াবার চালান দেওয়ার কথা বলে রাব্বীকে ১৯ নভেম্বর বিকেলে রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকার ৭ নম্বর রোডের ৪ নম্বর বাসা থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যান সালাম। সেদিন রাতে পাবনার সাঁথিয়া এলাকার একটি ডোবায় গলাটিপে হত্যা করা হয় রাব্বীকে। পরে লাশটি কচুরিপানায় ঢেকে রাখে হত্যাকারীরা। ২৫ নভেম্বর রাব্বীর মরদেহ উদ্ধার করে সাঁথিয়া থানার পুলিশ। রাব্বীর বাবা বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ছেলের সন্ধানে র‌্যাব-৪-এ অভিযোগ করেন। তিনি জানান, অপহরণের পরদিন মুঠোফোনে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘২৫ নভেম্বর লাশ শনাক্ত করার পরও আমার কাছে মুক্তিপণ চাওয়া হয়। বলা হয়, ছেলের লাশ নিয়া যাচ্ছিস। টাকা না দিলে দেইখ্যা নিমু।’ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে মাহমুদ খান জানান, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে রাব্বীকে হত্যা করা হয়। র‌্যাব-৪ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে গ্রেপ্তার হওয়া বিপ্লব বলেন, ‘ঝামেলা হইতাছিল, তাই বুকের ওপর বইস্যা শাহানুর আর আমি গলাটিপা মারছি। রাজা রাব্বীর পা চাইপ্যা ধরছিল।’
পড়তে চাই স্থাপত্যবিদ্যায়

পড়তে চাই স্থাপত্যবিদ্যায়


দেবশ্রী ভৌমিক ও হিমেল হাসান: পৃথিবীজুড়েই স্থাপত্যবিদ্যার কদর ছিল, আছে এবং বলা হয় ভবিষ্যতেও থাকবে। তাই দিন দিন এ বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। আমাদের দেশে ও দেশের বাইরে সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়ানো হয়। দেশে পড়ার সুযোগ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়ে পড়ানোর হয়। আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, শান্ত-মরিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়তে চাইলে আপনাকে এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে কমপক্ষে জিপিএ ৩.০-এর অধিকারী হতে হবে। শুধু তাই নয়, এসএসসি ও এইচএসসি মিলে নূ্যনতম জিপিএ হতে হবে ৭.০। আর পাঁচ বছর মেয়াদি এ কোর্স সম্পন্ন করতে আপনাকে গুনতে হবে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক কোর্স ১৭০ ক্রেডিটের। এ ক্রেডিট সম্পন্ন করতে আপনার খরচ পড়বে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর ভর্তির যোগ্যতা হিসেবে আপনার এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে থাকতে হবে জিপিএ ৩.৫। আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্যবিদ্যায় পড়তে হলে এইচএসসিতে কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫ থাকতে হয়। আর কোর্সটি শেষ করতে আপনার খরচ হবে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৪০০ টাকা। আপনার যদি এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকে এবং এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএ একত্রে যদি ৬.৫ হয় তাহলে আপনি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে স্থাপত্যবিদ্যায় পড়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক কোর্স সম্পন্ন করতে আপনার খরচ পড়বে ৮ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকা। শান্ত-মরিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনলজিতে স্থাপত্যবিদ্যায় পড়তে চাইলে এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ২.৫ থাকতে হয়। আর এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোর্সটি শেষ করতে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়। স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক পড়ার যোগ্যতাও শান্ত মরিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনলজির মতোই। অর্থাৎ এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ২.৫ থাকতে হবে। তবে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক শেষ করতে খরচ পড়বে ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। আপনি চাইলে এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকেও স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক পড়তে পারেন। এ জন্য আপনার এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর যোগফল হতে হবে ৭.৫। আর আলাদাভাবে হতে হবে নূ্যনতম ৩.০। খরচ পড়বে ৬ লাখ টাকা। সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্যবিদ্যায় ভর্তির নূ্যনতম যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয় এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ২.৫। আর এখানে স্নাতক কোর্স শেষ করতে ব্যয় হবে ৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা। দেশের বাইরে এ বিষয়ে দেশে যেমন পড়ার সুযোগ আছে তেমনি সুযোগ আছে দেশের বাইরে পড়ার। উচ্চমাধ্যমিক শেষে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্পন্ন করা যাবে স্থাপত্যের ওপর স্নাতক। এখানে আর্কিটেকচারে ব্যাচেলর ডিগ্রি নিতে বছরে খরচ পড়বে ২০ হাজার পাউন্ড। এছাড়া আইইএলটিএসে স্কোর থাকতে হবে কমপক্ষে সাড়ে সাত। আবার আইইএলটিএসের প্রত্যেকটি বিভাগেই আলাদা করে সাত স্কোর থাকতে হবে। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে আর্কিটেকচারে ব্যাচেলর ডিগ্রি নিতে খরচ পড়বে বছরে ৪৫ হাজার আমেরিকান ডলার। আর মাস্টার্স ডিগ্রি নিতে বছরে খরচ পড়বে ৪৩ হাজার ডলার। কানাডার ওয়াটার লু ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি নিতে খরচ পড়বে বছরে ৩০ হাজার কানাডিয়ান ডলার। এখানে পড়তে হলে শিক্ষার্থীকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করতে হবে। ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগানের অধীনে তাউবমান কলেজে পড়ানো হয় আর্কিটেকচার। তিন বছরের এম আর্ক কোর্স ও দুই বছরের গ্র্যাজুয়েট করানো হয় এ ইউনিভার্সিটিতে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক সম্পন্ন করতে হলে আপনার গুনতে হবে ৭৫ হাজার পাউন্ড। এছাড়া আর্কিটেকচার বিষয়ে পড়ার জন্য রয়েছে করনেল ইউনিভার্সিটি, লিডস ইউনিভার্সিটি, অঙ্ফোর্ড ব্রুঙ্ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ বাথ, ইউনিভার্সিটি অফ নথিংহাম। এসব বিশ্ববিদ্যালয় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ফলের ওপর ভিত্তি করে স্কলারশিপ দেয়। এতে করে আপনার খরচ কমে যাবে অনেকাংশে।
সময় ও সুযোগের সদ্ব্যবহার করা চাই

সময় ও সুযোগের সদ্ব্যবহার করা চাই


শায়খ ড. আবদুল বারী আছ-ছুবাইতী: জীবন মানেই সুযোগ, জীবন মানেই অনুকূল সময়। এর ধরনে রয়েছে নিত্যনতুনতা আর বিভিন্নতা। সময় ও সুযোগ অগণিত। আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে তা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দান করেন। কিছু সুযোগ জীবনের চাকা ঘুরিয়ে দেয়। আবার যে কাজে লাগায়, কিছু সুযোগ তার জীবনকে পাল্টে দেয়। অন্যদিকে সুযোগ আর অনুকূল সময় বার বার আসে না। পূর্ববর্তী যুগের এক প্রাজ্ঞ ব্যক্তি বলেন, 'যখন তোমাদের কারও জন্য কল্যাণের দরজা খোলা হয় তখন সেদিকে দ্রুত অগ্রসর হও। কারণ সে তো জানে না কখন তা বন্ধ করে দেয়া হবে।' সুযোগ ও অনুকূল সময় সারাটা জীবন জুড়েই প্রলম্বিত। তাই জীবনের শেষ মুহূর্তেও হতে পারে একজন ব্যক্তির সুবর্ণ সুযোগ। রাসূল (সা.) বলেন, 'যদি কেয়ামত সংঘটিত হয়ে যায়, আর তোমাদের কারও হাতে একটি চারাগাছ থাকে, সে যদি সক্ষম হয় তাহলে যেন তা মাটিতে রোপণ করে।' রাসূল (সা.) ছিলেন সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি ও বাস্তব নমুনা। তিনি সুযোগ ও অনুকূল সময়কে কাজে লাগাতে ছিলেন সদা সজাগ ও সচেতন। মানুষকে আল্লাহর আনুগত্যে উদ্বুদ্ধ করতেন, ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন, দিকনির্দেশনা দিতেন এবং সার্বিক শিক্ষা দিতেন। একবার ইবনে আব্বাস (রা.) রাসূল (সা.) এর সঙ্গে উটের পেছনে বসা ছিলেন। তখন রাসূল (সা.) বললেন, 'হে বালক! তোমাকে আমি কিছু বাক্য শিখাচ্ছি_ আল্লাহকে স্মরণ করবে তাহলে তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন। আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করলে তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। যখন কিছু চাইবে আল্লাহর কাছেই চাইবে। যখন সাহায্য চাইবে আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবে।' আবু বকর সিদ্দিক (রা.)ও সুবর্ণ সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়েছেন। ভালো কাজে সর্বাগ্রে উদ্যোগী হয়েছেন। তাই দেখা যায়, তিনি সর্বাগ্রে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তার ব্যাপারে রাসূল (সা.) বলেছেন, 'আল্লাহ তায়ালা আমাকে তোমাদের কাছে প্রেরণ করেছেন, তোমরা বলেছো_ তুমি মিথ্যাবাদী আর আবু বকর বলেছেন_ আপনি সত্য বলেছেন এবং আমাকে তার জান মাল দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। ওসমান (রা.) সব সাহাবিকে মদিনায় পেয়ে সবার মত নিয়ে সব মানুষকে এক ইমাম ও এক কোরআনের ওপর একত্রিত করেন। আর এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা অনেক অনিষ্ট ও অযথা মতবিরোধ থেকে উম্মতকে বাঁচিয়েছেন। যে সুযোগ পায় এবং সর্বাগ্রে তা কাজে লাগায় সে মর্যাদা ও সম্মানে এবং সার্বিক ক্ষেত্রে অন্যদের ছাড়িয়ে যায়। মোহাজের, আনসাররা তাদের পরে যারা এসেছে তাদের চেয়ে অনেক সম্মানিত। আহলে বদরদের বেলায়ও একই কথা। তারাও অন্যদের চেয়ে সম্মানিত। যারা মক্কা বিজয়ের আগে ইসলাম গ্রহণ করেছে, হিজরত করেছে, নিজের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করেছে তারা মক্কা বিজয়ের পরবর্তীদের চেয়ে সম্মানিত। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'অগ্রবর্তীরা তো অগ্রবর্তীই। তারাই নৈকট্যশীল। জান্নাতে আদানের উদ্যানগুলো, তারা একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে এবং অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্য থেকে।' (সূরা ওয়াকিয়া : ১০-১৪)। বস্তুত সময় ও সুযোগ অনেক দামি। আর তা অতি দ্রুত চলে যায়। কারণ তা আসে সীমিত সময়ের জন্য। প্রবীণ ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জীবনের গতিপথ লক্ষ কর, দেখবে তার জীবনে অবস্থার কত দ্রুত পরিবর্তন হয়। এখন সুস্থ অন্য সময় অসুস্থ। আজ ধনী তো কাল গরিব। এখন নিরাপদ তো কাল ভয়ের মাঝে জীবন। আজ অবসর তো কাল ব্যস্ত। এখন তরুণ দুই দিন পর বৃদ্ধ। এ জন্য রাসূল (সা.) তার উম্মতকে সময় ও সুযোগ চলে যাওয়ার আগে তা কাজে লাগাতে ও ভালো কাজে দ্রুতগামী হওয়ার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'পাঁচটি অবস্থা আসার আগে তা কাজে লাগাও_ বৃদ্ধাবস্থার আগে যৌবনের, অসুস্থতার আগে সুস্থতার, অসচ্ছলতার আগে সচ্ছলতার, ব্যস্ততার আগে অবসরতার এবং মৃত্যুর আগে জীবনের।' জীবনকে কাজে লাগাও; কারণ যে মৃত্যুবরণ করে তার আমলের সুযোগ চলে যায়। আর কোনো প্রত্যাশা থাকে না। সুস্থতার গুরুত্ব দাও। কারণ যে অসুস্থ সে দুর্বলতায় অনেক আমল করতে ব্যর্থ। প্রত্যাশা করে, হায়! যদি রোজা রাখতাম, নামাজ আদায় করতাম। কাজের এবং কালচক্রের ব্যস্ততা আসার আগে অবসরতাকে কাজে লাগাও। বৃদ্ধাবস্থার আগে যৌবনকে গুরুত্ব দাও। কারণ তখন শরীর ভারি হয়ে যায়। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অক্ষম হয়ে যায়। দান-সদকা করে অর্থবিত্তকে কাজে লাগাও। ধনসম্পদ চলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়ার আগে নিজের সর্বশক্তি ব্যয় কর। এমনই হওয়া চাই একজন মুসলমানের অবস্থা। ছোট থেকে ছোট হলেও প্রতিটি সুযোগকে কাজে লাগায়। সহজ হলেও সার্বিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে। আল্লাহর নবী ইউসুফ (আ.) জেলখানায় অত্যাচার ও একাকিত্বের কষ্ট সত্ত্বেও দ্বীনের পথে দাওয়াত দিয়েছেন। স্পষ্ট সত্যের দিকে ডেকেছেন। 'হে কারাগারের সঙ্গীরা! পৃথক পৃথক অনেক উপাস্য ভালো, না পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?' (সূরা ইউসুফ : ৩৯)। তওবা একটি সুবর্ণ সুযোগ। কখন এর সময় চলে যাবে তা কেউ জানে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা এবং জান্নাতের দিকে ছুটে যাও যার সীমা হচ্ছে আসমান ও জমিন, যা তৈরি করা হয়েছে পরহেজগারদের জন্য।' (সূরা আলে ইমরান : ১৩৩)। সৌভাগ্যবান সে যে তার জীবনের প্রতিটি মৌসুমকে আত্মশুদ্ধি, হৃদয়ের পবিত্রতা এবং জীবনের উৎকর্ষ সাধনের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে এবং উচ্চতার দিকে অগ্রগামী হয়। অন্যদিকে যদি প্রতিযোগিতা বিলুপ্ত হয়ে যায়, পরনির্ভরতা ছড়িয়ে পড়ে তাহলে মুসলমান তার সুবর্ণ সুযোগ, সার্বিক শক্তি এবং মর্যাদা হারাবে। দেশ ও জাতির কাছে তার কোনো ফল ও প্রতিক্রিয়া থাকবে না। ২৮ মহররম ১৪৩৬ হিজরি মসজিদে নববিতে প্রদত্ত জুমার খুতবার সংক্ষেপিত ভাষান্তর করেছেন মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের এমফিল গবেষক মহিউদ্দীন ফারুকী
জেনে নিন চেনা লেবুর ৬ টি অজানা ব্যবহার

জেনে নিন চেনা লেবুর ৬ টি অজানা ব্যবহার


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: আমাদের খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে তোলা এবং আমাদের তেষ্টা মেটানোর জন্য লেবুর রস পান করার মধ্যেই লেবুর কার্যকারিতা সীমাবদ্ধ নয়। লেবুর আরও অনেক ব্যবহার রয়েছে। এইসকল ব্যবহার সম্পর্কে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না। আজকে চলুন দেখে নেয়া যাক আপনার হাতের কাছের লেবুটি দিয়ে আপনি কি কি কাজ করে ফেলতে পারেন। ১) কাপড় থেকে কালির দাগ তোলা কাপড় থেকে কালির দাগ তুলতে দাগের ওপরে লেবুর খণ্ড ভালো করে ঘষে নিন। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড দাগ দূর করে দেবে নিমেষেই। এরপর ভালো করে কাপড় ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। ব্যস, সমস্যার সমাধান। ২) নখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি অনেক সময় নানা ধরণের কাজ করার ফলে হাতের নখ মলিন ও ফ্যাকাসে হয়ে যায়। দাগও পড়ে যায় নখে। এইসকল সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নখন লেবুর রসে ডুবিয়ে রাখুন মাত্র ১০ মিনিট। ফিরে পাবেন নখের হারানো উজ্জ্বলতা। ৩) ব্ল্যাকহেডস থেকে মুক্তি রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন নাকের দুপাশ ও নাকে লাগিয়ে নিন লেবুর রস। পরের দিন সকালে উঠে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে প্রতিদিন করতে থাকলে রোমকূপের গোঁড়া ছোটো হয়ে আসবে এবং ব্ল্যাকহেডের সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি মিলবে। ৪) সাদা কাপড়ের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সাদা কাপড় বেশ কয়েকবার ধোয়া হলেই হলদে ভাব চলে আসে। এই সমস্যার সমাধান পেতে ২ মগ পানিতে আধা কাপ লেবুর রস মিশিয়ে কাপড় কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। এরপর ভালো করে পানিতে ধুয়ে নিন। দেখবেন সাদা কাপড়ের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে এসেছে। ৫) গলা ব্যথা ও সর্দি থেকে মুক্তি একটি লেবু মাঝামাঝি কেটে নিয়ে চুলার ওপরে ধরুন। যখন লাবুর কাটা অংশের রঙ বাদামী হয়ে যাবে তখন লেবুটি চিপে ১ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে পান করে নিন। অথবা ৪ চা চামচ লেবুর রস, ১ কাপ মধু ও আধা কাপ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ৫ মিনিট চুলায় রেখে গরম করে নিন। এই মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হলে প্রতি ২ ঘণ্টায় ১ চা চামচ পান করুন। সমস্যার দ্রুত সমাধান পাবেন। ৬) খুশকি থেকে মুক্তি ২ কাপ পানিতে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন ভালো করে। এই মিশ্রণটি দিয়ে প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর চুল ধুয়ে ফেলবেন। লক্ষ্য রাখবেন মিশ্রণটি যেনো মাথার ত্বকে বেশি লাগে। খুব দ্রুতই খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।
ফখরুলকে স্ট্যান্টবাজি ছাড়ার আহ্বান সুরঞ্জিতের

ফখরুলকে স্ট্যান্টবাজি ছাড়ার আহ্বান সুরঞ্জিতের


ঢাকা: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাজনীতির নামে অপরাজনীতি ও স্ট্যানবাজি ছেড়ে গঠনমূলক রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে শুক্রবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। চলমান রাজনীতি নিয়ে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী ওই সভার আয়োজন করে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেছিলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন দিলে আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপি যদি বেশি ভোট না পায় তবে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।’ ফখরুলের এমন বক্তব্যে সুরঞ্জিত বলেন, ‘আপনি রাজনীতি করলেন কবে? দেশে মুক্তিযুদ্ধসহ নানা আন্দোলন হয়েছে আপনি কোথায় শরিক ছিলেন? আপনি করেছেন যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের লেজুরবৃত্তির রাজনীতি। রাজনীতির নামে অপরাজনীতি করবেন না।’ গত নির্বাচনে বিএনপির না আসার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ‘জামানত তো দূরের কথা আপনাদের তো আমানতই নেই। খালেদা জিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন যে, নির্বাচনে না গিয়ে তিনি ভুল করেছেন।’ মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, ‘বেগম সাহেব কি বলে, লন্ডন আর ঢাকা কি বলে এই স্ট্যানবাজির রাজনীতি ছাড়েন। রাজনীতিতে লেজুরবৃত্তি না করে আমাদের গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে।’ সমস্যাকে স্বীকার করেই পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে হবে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে ফেসবুক, মোবাইল বন্ধ করা কোনো সমাধান নয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিম।
পুষ্টিগুণে অনন্য কমলা

পুষ্টিগুণে অনন্য কমলা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় ও সহজলভ্য একটি ফল কমলা। এটি সারা বছরই পাওয়া যায়। পুষ্টিগুণে ভরা এ ফলটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খুবই সহায়ক। কমলাতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফসফরাস। দৈনিক যতটুকু ভিটামিন-সি প্রয়োজন তার প্রায় সবটাই একটি কমলা থেকে সরবরাহ হতে পারে। কমলায় আছে শক্তি সরবরাহকারী চর্বিমুক্ত ক্যালরি, যা শক্তির ধাপগুলোর জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। কমলা ক্যান্সার প্রতিরোধক, স্বাস্থ্যকর, রক্ত তৈরিকারক এবং ক্ষত আরোগ্যকারী হিসেবে খুবই উপযোগী। এটি জন্মগত ত্রুটি ও হৃদরোগের জন্য ভালো কাজ করে। ত্বকে সজীবতা বজায় রাখে। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিভিন্ন ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এর ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড় গঠনে সাহায্য করে। কমলাতে উপস্থিত লিমিনয়েড মুখ, ত্বক, ফুসফুস ও পাকস্থলীকে কোমল রাখে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এ ফল ওজন কমাতেও সহায়তা করে। সূত্র : ওয়েবসাইট
কে কোন টিভি চ্যানেলের মালিক ?

কে কোন টিভি চ্যানেলের মালিক ?


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: বিটিভি মালিক যখন যে আসে সে। সরকারী টিভি। ইনডিপেনডেন্ট টিভি সালমান এফ রহমান। ৭১ টিভি বাম সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও মেঘনা গ্রুপ। দেশ টিভি সাবের হোসেন চৌধরী(MP) কিন্তু চালাচ্ছেন আসাদুজ্জামান নুর। বৈশাখী টিভি ব্যাবসায়ী গ্রুপ ডেসটিনি । কিন্তু চালাচ্ছেন সাংবাদিক নেতা মন্জুরুল আহসান বুলবুল। গাজী টিভি গাজী গোলাম দস্তগীর(MP)। বাংলাভিশন এক কালের বাম যুব নেতা মোস্তফা ফিরোজ। সব চাইতে বেশি শেয়ার সাবেক নগর পিতা সাদেক হোসেন খোকার। চ্যানেল আই ফরিদুর রেজা সাগর (সাংকৃতিক কর্মী) এটি এন বাংলা মাহফুজুর রহমান চালাচ্ছেন সাংবাদিক জ.ই. মামুন। এটি এন বাংলা মাহফুজুর রহমান চালাচ্ছেন মুন্নী সাহা। মোহনা টিভি কামাল মজুমদার (MP) সময় টিভি আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের ভাইয়ের টিভি চ্যানেল ২৪ আওয়ামী লীগ ঘরোনার হামিম গ্রুপের চেয়ারম্যান একে আজাদ। এন টিভি মোসাদ্দেক হোসেন ফালুর। আর. টিভি বেঙ্গল গ্রুপের মোরশেদুল ইসলাম (MP) চ্যানেল ৯ বি এন পি ঘরোনার এনায়েতুর রহমান বাপ্পি ও আওয়ামী লীগের সৈয়দ আশরাফের ভাবি। একুশে টি ভি একুশে টেলিভিশনের মূল উদ্যেক্তা ছিলেন আবু সাঈদ মাহমুদ। একুশে টেলিভিশনের ৭০ ভাগ মালিকানা টেলিভিশনটির বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের। বাকী ৩০ ভাগের মালিকানা আগের ১৩ জন উদ্যোক্তাদের মধ্যে ৬ জনের ৫ ভাগ করে। তারা হচ্ছেন, রউফ চৌধুরি (রেংগস গ্রুপ), এমরান মাহমুদ (মেট্রোওয়েভ), অঞ্জন চৌধুরি (স্কায়ার), আব্দুস সালাম (সারাইটেক্স), লিয়কত হোসেন (এম এ এস স্কায়ার গ্রুপ), মাছরাঙ্গা টিভি স্কয়ার গ্রুপের অঞ্জন চৌধুরী। মাই টি ভি নাসির উদ্দিন সাথী। যমুনা টি ভি যমুনা গ্রুপের নুরুল ইসলাম বাবুল। দিগন্ত টিভি: এখন বন্ধ জামাত নেতা মীর কাশেম আলীর ইসলামীক টিভি : এখন বন্ধ খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ ইস্কানদার। চ্যানেল ১ : এখন বন্ধ কিন্তু মালিক ছিলেন বি.এন.পির নেতা মির্জা আব্বাস ও গিয়াসুদ্দিন মামুন। এস এ টিভি : এখন বন্ধ এস এ পরিবহন/ সালাউদ্দিন আহমদ
কুমড়োর স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে ১০টি বিস্ময়কর তথ্য

কুমড়োর স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে ১০টি বিস্ময়কর তথ্য


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সুস্বাদু সবজি কুমড়ো আমাদের অনেকেরই খুব প্রিয় সবজি। ভিটামিন-এ তে ভরপুর কুমড়ো আমাদের দেহের জন্যও উপকারী। কুমড়ো দিয়ে ভাজি থেকে শুরু করে আচার, নিরামিষ, মাংস রান্না সব কিছুই করা হয়ে থাকে। আমরা সবাই জানি সবজি হিসেবে কুমড়ো আমাদের দেহের নানারকমের পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে। কুমড়োতে আছে ভিটামিন-এ, বি-কমপ্লেক্স, সি, ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফ্লেভনয়েড পলি-ফেনলিক, অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট উপাদান সমূহ যেমন লিউটিন, জ্যানথিন এবং আরও অনেক উপাদান। কুমড়োতে ক্যালোরিও বেশ কম থাকে। কিন্তু আপনি জানেন কি, এসব ছাড়াও কুমড়োর এমন কিছু গুণাগুণ আছে যা আপনাকে অবাক করবে। চলুন আজ জেনে নেই কুমড়োর অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে। চোখের স্বাস্থ্য উন্নতি করে কুমড়োর ভিটামিন-এ উপাদান আমাদের চোখের জন্য খুবই ভালো। বিশেষ করে যখন আমরা কম বা অস্পষ্ট আলোর মধ্যে থাকি তখন কুমড়োর ভিটামিন-এ আমাদের চোখকে কর্নিয়া থেকে রক্ষা করে থাকে। কুমড়ো আমাদের দেহের সুস্থ ত্বক গঠনে সাহায্য করে থাকে ও দেহে টিস্যু তৈরি করতে সহায়তা করে থাকে। কুমড়োতে আছে এমন একটি উপদান যার নাম ক্যারটিনয়েড এবং এই উপদানটি চোখে ছানি পড়া ও যেকোন বয়সে চোখের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে থাকে। তাই দেরি না করে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কুমড়ো রাখুন। দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কুমড়ো হল বিভিন্ন ধরণের ভিটামিনের ভাণ্ডার। এতে আছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-এ, সি, ই, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং আরও অনেক উপাদান। বিশেষ করে ভিটামিন এ আমাদের দেহের টিস্যুর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ যা টিস্যুকে রক্ষা করে থাকে। এবং কুমড়োর বিশেষ উপদান বিটা-ক্যারোটিন আমাদের দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ওজন কমাতে সাহায্য করে কুমড়োতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম কিন্তু এতে ফাইবার ও পটাশিয়াম আছে প্রচুর পরিমানে। কুমড়োর ফাইবার উপদান আমাদের দেহের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রন করে থাকে। পটাশিয়াম আমাদের দেহ থেকে অপ্রয়োজনীয় পানি ও লবণ বের করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই চাইলে প্রতিদিন কুমড়ো জুস করে খেতে পারেন ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। দেহের জ্বালাপোড়া সমস্যা দূর করে কুমড়োর ক্যারটিনয়েড এর জন্য রং উজ্জ্বল কমলা হয়ে থাকে এবং এটি দেহের জ্বালাপোড়া সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে থাকে। এই সবজির বিটা-ক্যারোটিন উপাদান আমাদের দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে, আলফা-ক্যারোটিন উপদান দেহে টিউমার হওয়া থেকে রক্ষা করে। কুমড়োর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-ই আমাদের দেহকে ক্যান্সার ও আজঝেইমার রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। হজম শক্তি বৃদ্ধি করে পুষ্টি ও ফাইবারে ভরপুর কুমড়ো খেলে দেহের হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। কুমড়ো আমাদের দেহের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ডায়রিয়া সমস্যায় দূর করতে সাহায্য করে এবং কাঁচা কুমড়োর রস আমাদের দেহের এসিডিটি সমস্যা রোধ করে। আপনি সবসময় সুস্থ থাকতে চইলে এক গ্লাস কুমড়োর জুসের সাথে সামান্য মধু মিশিয়ে ৩ বেলা খেতে পারেন। কিন্তু এই জুস যেকোন ভারী খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে খেতে হবে। দেহের ত্বক সুরক্ষা করবে ও বয়স কম দেখাবে কুমড়োর আসল উপদান ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন আমাদের দেহের ত্বক খুব ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং দেখতে কম বয়স্ক লাগে। ভিটামিন-এ ত্বককে সুরক্ষা করে ও বিটা-ক্যারোটিন, সূর্যের তাপে আমাদের ত্বকের যেই সমস্যা হয়ে থাকে তা রোধ করে। ভিটামিন-বি ও সি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ও স্বাস্থ্যবান চামড়া তৈরিতে সহায়তা করে। ভিটামিন বি5 ত্বকের যেকোন দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ব্যায়াম করার পর দেহে কুমড়োর উপকারিতা ব্যায়াম করার পর আপনি খাদ্য হিসেবে কুমড়ো খেতে পারেন এবং সাথে মিষ্টি আলুও খেতে পারেন। এই খাবার আমাদের দেহে প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট এর যোগান দিয়ে থাকে। কুমড়াকুমড়ো আমাদের দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে তো রাখেই পাশাপাশি দেহের সুস্থ পেশি তৈরিতেও সাহায্য করে। যারা সাধারণত অ্যাথলেটিক ট্রেনিং নিয়ে থাকেন তাদের জন্য কুমড়ো বেশি করে খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। গর্ভবতী নারীর জন্য কুমড়ো যে কোন নারীর গর্ভকালে কুমড়ো খাওয়া উচিত কারণ এটি দেহে অনেক বেশি শক্তি যোগায় ও গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যের জন্য কুমড়ো অনেক উপকারী খাদ্য। এটি পাশাপাশি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কুমড়োর আয়রন বাচ্চাকে অক্সিজেন দিতে সাহায্য করে ও মায়ের রক্তশূন্যতা রোধ করে। দেহের উর্বরতা বৃদ্ধি কুমড়ো ও এর বীজে আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যা আমাদের দেহের উর্বরতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। কুমড়োর ভিটামিন-ই উপাদান নারী ও পুরুষ উভয়ের দেহের উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে ও আমাদের দেহর কোষকে বিষাক্ত পদার্থ থেকে রক্ষা করে। এই সবজি পুরুষদের সুস্থ শুক্রাণু তৈরিতে সাহায্য করে ও নারীদের জরায়ু জনিত কোন সমস্যা থাকলে তা রোধ করতে সাহায্য করে থাকে। কুমড়োর বীজে আরও আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা দেহের উর্বরতা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কুমড়ো প্রজনন অঙ্গে রক্ত প্রবাহ করে, হরমোন নিয়ন্ত্রন করে ও মানসিক চাপ দূর করে। উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে দেয় কুমড়োতে আছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম উপাদান যা আমাদের দেহের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে থাকে এবং ভিটামিন-সি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে থাকে। তাছাড়া কুমড়োর বিভিন্ন উপাদান আমাদের দেহের কিডনি, লিভার, হার্টকে সুস্থ রাখে। কুমড়োর ফাইবার দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রেখে আমাদের দেহকে স্ট্রোক করার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে।
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি নিখোঁজ ২৬, লাশ উদ্ধার

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি নিখোঁজ ২৬, লাশ উদ্ধার


ঢাকা: বঙ্গোপসাগরে জাহাজের ধাক্কায় ২৯ মাঝি-মাল্লা নিয়ে ‘এফভি বন্ধন’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ১ জনের মৃতদেহ ও ২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও ২৬ জন। উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনীর জাহাজ সমুদ্র জয়। জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটা ১০ মিনিটের দিকে কক্সবাজারের অদূরে গভীর সমুদ্রে সিঙ্গাপুরগামী একটি জাহাজের ধাক্কায় এফভি ‘বন্ধন’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার (ফিশিং ভেসেল) ২৯ জন মাঝিমাল্লাসহ ডুবে যায়। এফভি বন্ধনের মালিকানা প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল ফিশারিজ লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক কাজী কামরুল আমিনের ভাষ্য, রাতে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় বসুন্ধরা-৮ নামের সিঙ্গাপুরগামী একটি জাহাজ ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে এ ঘটনা ঘটে। মাছ ধরার সময় একপর্যায়ে জাহাজটি খুব কাছে চলে এলেও ট্রলার ঘুরিয়ে পাশ কাটানো সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এ কারণে বিভিন্নভাবে বসুন্ধরা-৮ জাহাজটিকে সতর্ক সিগন্যাল দিলেও জাহাজটি ট্রলারটিকে ধাক্কা মেরে চলে যায়। তবে বসুন্ধরা-৮ জাহাজের কর্মকর্তারা ট্রলারটিকে ধাক্কা মারার বিষয়টি নৌবাহিনীর কাছে অস্বীকার করেছে বলে জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর কমিটি নিয়ে ঘুম নেই বিএনপির

ঢাকা মহানগর কমিটি নিয়ে ঘুম নেই বিএনপির


ঢাকা: ঢাকা মহানগর কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কমিটি গঠনের নির্ধারিত সময় অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটি প্রকাশ করছেন না দায়িত্বপ্রাপ্ত মহানগর নেতারা। তাদের দাবি, ওয়ার্ড পর্যায়ে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কমিটি গঠন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে বাকিগুলোও সম্পন্ন হবে। তবে পুলিশি হয়রানির ভয়ে তারা কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যদের নাম ঘোষণা করতে পারছেন না। অবশ্য সূত্রগুলো বলছে, পুলিশি হয়রানির আশঙ্কা থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে কোন্দলের ভয়ে আলাদাভাবে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি প্রকাশ করা হচ্ছে না। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে বলেছেন, মহানগর বিএনপির 'দৃশ্যমান' কোনো অগ্রগতি নেই। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বেগম জিয়াকে পুলিশি হয়রানিসহ নানা প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে অবহিত করেন। এতে খুশি হননি বিএনপি-প্রধান। বিগত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ঠেকানোর আন্দোলনে ব্যর্থতার অভিযোগ ছিল সাদেক হোসেন খোকা ও আবদুস সালামের নেতৃত্বাধীন ঢাকা মহানগর কমিটির বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে ১৮ জুলাই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আহ্বায়ক ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলকে সদস্যসচিব করে ঢাকা মহানগর বিএনপির ৫৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। বর্তমান কমিটিকে দুই মাস সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু পাঁচ মাসেও কমিটি দিতে পারেননি দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। আর এর মধ্য দিয়ে ঢাকা মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে চলমান সংকট ফুটে উঠেছে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সংকটের কথা অস্বীকার করে জানান, আলাদাভাবে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি প্রকাশ করা হলে পুলিশ তালিকা ধরে ধরে নেতা-কর্মীদের হয়রানি করবে। এজন্য আগেভাগেই কমিটি ঘোষণা করা হবে না। সরকারবিরোধী আন্দোলনের আগমুহূর্তে একসঙ্গে তালিকা প্রকাশ করা হবে। এদিকে নেতা-কর্মীদের একাংশের মতে, একসঙ্গে কমিটি ঘোষণা হলে মহানগরজুড়ে বিদ্রোহীরা বিক্ষোভ মিছিল করতে পারেন, যা সামাল দেওয়া বর্তমান কমিটির জন্য কঠিন হবে। এমনকি এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে। সরকারবিরোধী আন্দোলনও ভেস্তে যেতে পারে। তারা পুলিশি হয়রানির বিষয়টি মাথায় রেখেই কমিটির কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মহানগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, ১৮ বছর ধরে মহানগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই। তাই ইউনিট, ওয়ার্ড, থানা ও মহানগরে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কমিটি করতে হচ্ছে। এটা খুবই জটিল কাজ। তা ছাড়া কমিটি করতে গেলে পুলিশি হয়রানি তো আছেই। তাই একটু সময় লাগছে। সূত্রে জানা গেছে, কমিটি গঠনে ঢাকা মহানগর বিএনপির অধিকাংশ ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে সম্মেলন করতে পারেনি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশি হয়রানি ছাড়াও স্থানীয়ভাবে পুরনো কোন্দল নতুন রূপে আত্দপ্রকাশ করার ভয়ে অনেকটা নিরাপদ স্থানে বসেই কাগজে কলমে কমিটি করা হচ্ছে। তবে কমিটি প্রকাশের সময় বেকায়দায় পড়তে পারেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। ইতিমধ্যে কয়েকটি থানার কমিটি গঠন করতে গিয়ে তোপের মুখে পড়েন তারা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, মহানগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানান, তার দায়িত্বে সাতটি থানা ছিল। দু-একটি বাদে সব কটির কমিটি হয়েছে। কবে মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হবে- জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। একই প্রশ্ন করা হলে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল জানান, 'নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। খুব শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হবে।'
একনজরে ফিলিপ হিউজ

একনজরে ফিলিপ হিউজ


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট মাঠে মর্মন্তুদ দুর্ঘটনায় নিহত অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ফিলিপ হিউজের একনজরে সংক্ষিপ্ত জীবনী- ১৯৮৮ সালের ৩০ নভেম্বর নিউ সাউথ ওয়েলসের ম্যাকসভিলে জন্মগ্রহণকারী ফিলিপ হিউজ পরিবারের সঙ্গে কলার খামারে বেড়ে ওঠেন। বাঁ-হাতি এ ব্যাটসম্যান ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে ১৬ বছর বয়সে সিডনি পাড়ি জমান। ২০০৭ সালের নভেম্বরে নিজের ১৯তম জন্মদিনের মাত্র কয়েক দিন আগে নিউ সাউথ ওয়েলসের (এনএসডব্লিউ) হয়ে তাসমানিয়ার বিপক্ষে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। যে ম্যাচে এনএসডবিস্নউ ইনিংসে জয়ী হয়। ১৯৯ বলে ৫১ করেন হিউজ। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জোহানেসবার্গে টেস্ট ডেব্যু হয়। প্রথম ইনিংসে ডেল স্টেইনের ৪ বল খেলে সাজঘরে ফেরেন। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৫ রান করেন হিউজ। যে ম্যাচে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া এবং এ বছরের মার্চে ডারবানে টেস্টের উভয় ইনিংসেই শতক (১১৫ ও ১৬০ রান) হাঁকান। ২০ বছর বয়সে একই টেস্টে দুইবার শতক হাঁকিয়ে সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে জর্জ হেডলির ৭৯ বছরের রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি। ২০১০ সালের আগের বছর অ্যাশেজ সিরিজে অত্যন্ত বাজে পারফরম্যান্সের কারণে দলে ব্যাকআট টেস্ট ওপেনার হিসেবে ঠাঁই হয়। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৫ বলে ৮৬ রান করেন। যে ম্যাচে অজিরা জয়ী হয়। ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দলে জায়গা হয়। কলম্বোয় সিরিজের শেষ ম্যাচে ১২৬ হাঁকান। যে ম্যাচটি ড্র হয়। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মেলবোর্নে অভিষেকেই ১১২ রান করেন হিউজ। ২০১৪ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের একমাত্র টি-টোয়েন্টি খেলেন হিউজ। মাত্র ৬ রান পেলেও ম্যাচটিতে অস্ট্রেলিয়া জয়ী হয় এবং এ বছরের নভেম্বরে সিডনিতে ঘরোয়া ক্রিকেট ম্যাচে বাউন্স বলে মাথায় আঘাত পেয়ে ২৬তম জন্মদিনের মাত্র তিন দিন আগে হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
অতীতকে মুছে ফেলতে চাই

অতীতকে মুছে ফেলতে চাই


নাটকে দাপটের সঙ্গেই অভিনয় করছেন শতাব্দী ওয়াদুদ। পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও শুরু করেছেন কাজ। দুই মাধ্যমে সমান ব্যস্ত তিনি। এসব বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছেন আজকের 'আলাপন' বিভাগে ।শুনলাম খল চরিত্রে আবারও আপনাকে দেখা যাবে... হ্যাঁ। নাসিরউদ্দিন ইউসুফের 'গেরিলা' ছবিতে দর্শক আমাকে যেভাবে দেখেছেন, এবার তার ব্যতিক্রম হবে। পিএ কাজলের 'চোখের দেখা' ছবিতে আমাকে সমাজের নিচু স্তর থেকে উঠে আসা এক মন্দ লোকের ভূমিকায় দেখা যাবে। আমি আমার অতীতকে মুছে ফেলতে চাই। গেরিলা ছবিতে পাকিস্তানি মেজর চরিত্রটির প্রভাব কি এ ছবির চরিত্রে পড়বে? না, কখনোই না। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করছি মেজর সরফরাজ যেন কোনোভাবেই এ চরিত্রটিকে প্রভাবিত করতে না পারে। তাছাড়া আমি চাই আমার প্রতিটি চরিত্রই যেন আলাদা হয়। বিবিসির নাটকে অভিনয় করছেন। অভিজ্ঞতা কেমন? আসলে তারা সময় ধরে কাজ করে। তাই মানও ঠিক থাকে। তাছাড়া পারিশ্রমিকটাও বেশ ভালো। নাটক করতে তো মাঝে মাঝে দেশের বাইরে যেতে হয়... তা তো হয়ই। তবে দেশের বাইরে গেলে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়। সময় খুব কম থাকে। তাই এক দিনে অনেকগুলো দৃশ্য ধারণ করা হয়। আর সেখানে অভিনয়শিল্পীরাই একাধারে পরিচালকের সহকারী থেকে শুরু করে কারিগরি দিক সামলায়। এখানে আমি সবসময়ই সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করি। পান্ডুলিপি পর্যবেক্ষণ করি। মঞ্চনাটকে তো সময় দিচ্ছেন না আপনি... খুব কষ্টকর হলেও সত্য। সে সময়টা মেলাতে পারছি না। তবে মঞ্চে কাজ করব। সেটা খুব শিগগিরই। মঞ্চে নির্দেশনা দেয়ার ইচ্ছা আছে। বিনোদন প্রতিবেদক
শাকসবজি খান টাটকা

শাকসবজি খান টাটকা


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: টাটকা শাকসবজি খেতে যেমন দারুণ, তেমনি স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। শাকসবজি টাটকা রাখার কিছু উপায়- * টমেটো পলিথিন ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রাখবেন না। ব্রাউন পেপারের প্যাকেটে করে রাখুন। একই রকমভাবে মাশরুমও রাখতে পারেন। * পালংশাক, লেটুস, সেলেরির মতো সালাদের সবজি পরিষ্কার করে ধুয়ে পোর্সেলিনের কন্টেনারে ভরে ফ্রিজে রাখুন। এটা এক সপ্তাহেরও বেশি টাটকা থাকবে। * কাঁচামরিচের বোঁটা ফেলে দিয়ে মরিচ ফ্রিজে রাখুন। এছাড়া কাঁচা মরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে নিয়ে মাঝখান থেকে সামান্য চিরে নিন। তারপর এতে সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে রোদে শুকিয়ে নিয়ে সংরক্ষণ করুন। এটা বেশি দিন থাকবে। * লেবু বেশি দিন টাটকা রাখতে চাইলে লবণের বয়ামের মধ্যে রাখুন। * পেঁয়াজ, বেগুন, স্কোয়াশের মতো ফল ফ্রিজের বাইরে রাখুন। ভালো থাকবে বেশি দিন। * আলু বেশিদিন ভালো রাখার জন্য আলুর সঙ্গে ব্যাগে ভরে একটা আপেলও রাখুন। আলু সহজে পচবে না। * লেটুস পাতার তাজা ভাব বজায় রাখার জন্য ধোয়ার সময় পানির মধ্যে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে নিন। * ফ্রিজে শাকসবজি এবং ফলমূল একসঙ্গে না রাখা ভালো। কারণ একইসঙ্গে শাকসবজি ও ফলমূল রাখলে ফল থেকে ইথাইলিন নামক এক ধরনের গ্যাস তৈরি হয়। ফলে শাকসবজির পুষ্টিমান আস্তে আস্তে কমতে থাকে। সেজন্য শাকসবজি আলাদা আলাদা জায়গায় রাখা উচিত। * পালংশাক, পুঁইশাক, শসা, গাজরসহ কিছু কিছু শাকসবজি দিনেরটা দিনেই খাওয়া ভালো। কারণ এগুলোর পুষ্টিমান ধীরে ধীরে কমতে থাকে। * বাজার থেকে কিনে আনা শাকসবজি হালকাভাবে ধুয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজে রাখা ভালো। সাধারণ মানের শাকসবজিগুলো এমনভাবে ধুতে হবে যাতে খাদ্যের পুষ্টিমান পানির সঙ্গে ধুয়ে না যায়। আমরা তাজা শাকসবজির পুষ্টিমান থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বঞ্চিত হই কারণ শাকসবজি দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিজে রাখলে এর সব পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে আমরা বেশি পানি দিয়ে ধুয়ে শাকসবজির পুষ্টিমান নষ্ট করে ফেলি। * যে কোনো শাকসবজি দুই দিনের বেশি ফ্রিজে না রাখা উচিত। সেজন্য শাকসবজির পুষ্টিমান সঠিকভাবে পেতে হলে প্রতিদিনের বাজার প্রতিদিন করা উচিত। * শপিংমল কিংবা বাজারে অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ ধরে শাকসবজি অধিক পাওয়ারের লাইটের নিচে থাকে। এতে করে শাকসবজিগুলো অত্যধিক তাপমাত্রায় বর্ণহীন হয়ে যায় এবং এগুলোর পুষ্টিমানও কমে যায়। সুতরাং কেনাকাটায় এগুলো পরিহার করা উচিত। * শপিংমল কিংবা বাজারে কেনাকাটার সময় একই ব্যাগে সব ধরনের শাকসবজি প্রায়ই আমরা কিনে থাকি। বাজার করে আসার পর সব ধরনের ফলমূল, শাকসবজি আলাদা আলাদা করে রাখা উচিত। যাতে একটির কারণে আরেকটি নষ্ট না হয়। * পলিথিনের ব্যাগে বাজার না করা ভালো। কাপড় কিংবা পাটের ব্যাগে বাজার করা উচিত। * মারুফা আকতার অাঁখি
মহানবীর মেয়ে-জামাই

মহানবীর মেয়ে-জামাই


আলী হাসান তৈয়ব: মহানবী (সা.) এর মেয়ে ছিলেন চারজন। তারা প্রত্যেকেই ইসলাম কবুল করেন। সবাই বয়োপ্রাপ্ত হন এবং বিবাহিত জীবনে প্রবেশ করেন। প্রথম ও চতুর্থ মেয়ের একটিই বিয়ে হয়। মাঝের দু'জনের বিয়ে হয় দু'বার। সংক্ষেপে মহানবী (সা.) এর জামাইরা হলেন- আবুল আস বিন রবি (রা.) নবুয়ত-পূর্বকালে মহানবী (সা.) এর বড় মেয়ে জয়নব (রা.) এর বিয়ে হয় আপন খালাতো ভাই আবুল আস বিন রবির সঙ্গে। হিজরতকালে রাসূল (সা.) স্বীয় পরিবার-পরিজনকে মক্কাতেই রেখে যান। কিন্তু বদর যুদ্ধে আবুল আস বন্দি হয়ে মদিনায় নীত হয়। তার মুক্তি প্রদানের সময় এ অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়েছিল যে, তিনি মক্কা প্রত্যাবর্তন করে জয়নবকে মদিনায় পাঠিয়ে দেবেন। অঙ্গীকার মতো আবুল আস মক্কায় প্রত্যাবর্তন করে ভাই কেনানার সঙ্গে হজরত জয়নবকে মদিনায় রওনা করে দিলেন। অপরদিকে রাসূল (সা.) আদরের দুলালি জয়নবকে নিয়ে যাওয়ার জন্য জায়েদ বিন হারেছাকে মক্কা অভিমুখে পাঠিয়ে দেন। পথে জায়েদের সঙ্গে কেনানার দেখা হয়। কেনানা জয়নবকে জায়েদের কাছে তুলে দিয়ে মক্কায় প্রত্যাবর্তন করেন। এভাবে জয়নব রাসূল (সা.) এর কাছে পৌঁছে যান। হজরত জয়নবের স্বামী আবুল আস বিন রবি ছিলেন মোশরেক। কিন্তু জয়নব ছিলেন ঈমানদার। তাই আবুল আসকে ছেড়ে আসতে জয়নব বাধ্য হয়েছিলেন। শাম থেকে বাণিজ্য কাফেলা নিয়ে প্রত্যাবর্তনকালে তিনি আবার মুসলিম বাহিনীর অভিযানে দ্বিতীয়বার আটক হয়ে মদিনায় নীত হন। এবারও জয়নব তাকে মুক্তি লাভের যাবতীয় ব্যবস্থা করে দেন। ফলে তার মনের পরিবর্তন ঘটে। তিনি মক্কা গমন করে যাবতীয় লেনদেন শোধ করেন এবং সব আমানত হকদারদের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে ইসলাম কবুল করে মদিনায় চলে আসেন। এবার তিনি ইসলাম কবুল করায় তার এবং জয়নবের নতুন করে বিয়ে পড়ানো হয়। আবু বকর (রা.) এর খেলাফতকালে ১২ হিজরির জিলহজ মাসে তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইবনে হাজর, ইসাবা : ৭/২৫১) উতবা ও উতাইবা বিন আবু লাহাব রাসূল (সা.) এর দ্বিতীয় মেয়ে রুকাইয়ার প্রথম বিয়ে হয় আবু লাহাবের এক ছেলে উতবা ইবনে আবু লাহাবের সঙ্গে এবং আরেক মেয়ে উম্মে কুলসুমের শাদি হয় আবু লাহাবের দ্বিতীয় ছেলে উতাইবার সঙ্গে। বিয়ের পর ঘর-সংসার হওয়ার আগেই পবিত্র কোরআনের সূরা লাহাব নাজিল হয়। আবু লাহাব ছিল আল্লাহর নবীর ঘোর শত্রু। সূরা লাহাবে আবু লাহাব ও তার স্ত্রী উম্মে জামিলের (হাম্মা লাতাল হাতাব) সমালোচনা করা হয়। এ প্রেক্ষাপটে আবু লাহাব ছেলেদের নির্দেশ দেয় দুই নবী তনয়াকে তালাক দিতে। পিতার নির্দেশ মাফিক তারা তাদের তালাক দিয়ে দেয়। ওসমান বিন আফফান (রা.) উতবা বিন আবু লাহাবের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদের পর রুকাইয়ার বিয়ে হয় ওসমান বিন আফফান (রা.) এর সঙ্গে। তার জন্ম হস্তীবাহিনীর ঘটনার ছয় বছর পর ৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে। ওসমান (রা.) ছিলেন কোরাইশ বংশের অন্যতম কুষ্ঠিবিদ্যা বিশারদ। কোরাইশদের প্রাচীন ইতিহাসেও ছিল তার গভীর জ্ঞান। তার প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, সৌজন্য ও মানবিকতাবোধ ইত্যাদি গুণাবলির জন্য সবসময় তার পাশে মানুষের ভিড় জমে থাকত। জাহেলি যুগের কোনো অপকর্ম তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। লজ্জা ও প্রখর আত্মমর্যাদাবোধ ছিল তার মহান চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য। যৌবনে তিনি অন্যান্য অভিজাত কোরাইশদের মতো ব্যবসা শুরু করেন। সীমাহীন সততা ও বিশ্বস্ততার গুণে ব্যবসায় অসাধারণ সাফল্য লাভ করেন। মক্কার সমাজে একজন বিশিষ্ট ধনী ব্যবসায়ী হিসেবে 'গনি' উপাধি লাভ করেন। মক্কার আরও অনেক নেতার আচরণের বিপরীতে হজরত ওসমান (রা.) রাসূলুল্লাহ (সা.) এর নবুয়তের সূচনা-পর্বেই তার দাওয়াতে সাড়া দেন এবং আজীবন জানমাল ও সহায়সম্পত্তি দিয়ে মুসলমানদের কল্যাণব্রতী ছিলেন। হজরত ওসমান (রা.) বলেন, আমিই ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম চারজনের মধ্যে চতুর্থ। ইবনে ইসহাকের মতে, আবু বকর, আলী, জায়িদ বিন হারেসার পরে ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি হজরত ওসমান (রা.)। হিজরি দ্বিতীয় সনে মদিনায় রুকাইয়ার ইন্তেকাল হলে রাসূলুল্লাহ (সা.) তার দ্বিতীয় মেয়ে উম্মে কুলসুমকে তার সঙ্গে বিয়ে দেন তৃতীয় হিজরিতে। দীর্ঘদিন নিজ আবাসে অবরুদ্ধ থাকার পর ৩৫ হিজরির ১৮ জিলহজ শুক্রবার বাদ আসর ইসলামের এ তৃতীয় খলিফা দুষ্কৃতকারীদের হামলায় শহীদ হন। জান্নাতুল বাকির 'হাশমে কাওয়াব' নামক অংশে তাকে দাফন করা হয়। আলী বিন আবু তালেব (রা.) অপরিসীম গুণের আধার ফাতেমা (রা.) পূর্ণ বয়সে উপনীত হলে বহু স্বনামধন্য সাহাবি বিয়ের প্রস্তব দেন। অবশেষে মহানবী (সা.) এর চাচাতো ভাই হজরত আলীর সঙ্গে দ্বিতীয় হিজরিতে আদরের মেয়ের বিয়ে দেন। রাসূলুল্লাহর (সা.) নবুয়ত প্রাপ্তির ১০ বছর আগে আলী (রা.) এর জন্ম। চাচাকে একটু সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাসূল (সা.) নিজ দায়িত্বে নিয়ে নেন আলীকে। এভাবে নবী পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে তিনি বেড়ে ওঠেন। রাসূল (সা.) যখন নবুয়ত লাভ করেন, আলীর বয়স তখন নয় থেকে এগারো বছরের মধ্যে। কুফর, শিরক ও জাহেলিয়াতের কোনো অপকর্ম তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। মহিলাদের মধ্যে হজরত খাদিজা, বয়স্ক আজাদ পুরুষদের মধ্যে হজরত আবু বকর, দাসদের মধ্যে হজরত জায়েদ বিন হারেসা ও কিশোরদের মধ্যে আলী (রা.) প্রথম মুসলমান। মাদানি জীবনের সূচনায় রাসূল (সা.) যখন মুসলমানদের পরস্পরের মধ্যে মোয়াখাত বা দ্বীনি ভ্রাতৃ-সম্পর্ক কায়েম করেছিলেন, তিনি নিজের একটি হাত আলীর (রা.) কাঁধে রেখে বলেছিলেন, আলী তুমি আমার ভাই। তুমি হবে আমার এবং আমি হব তোমার উত্তরাধিকারী। পরে রাসূল (সা.) আলী ও সাহল বিন হুনাইফের মধ্যে ভ্রাতৃ-সম্পর্ক কায়েম করে দিয়েছিলেন। ইসলামের জন্য হজরত আলী (রা.) এর অবদান অবিস্মরণীয়। রাসূলে করিম (সা.) এর যুগের সব যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সাহসিকতা ও বীরত্বের পরিচয় তিনি দেন। এ কারণে হুজুর (সা.) তাকে হায়দার উপাধিসহ জুলফিকার নামক একখানি তরবারি দান করেন। সপ্তম হিজরিতে তার হাতে খাইবার যুদ্ধ বিজয়ের ঘটনা পৃথিবীর যুদ্ধ ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বীরত্বের ঘটনা। তাবুক অভিযানে বের হওয়ার সময় মহানবী (সা.) তাকে মদিনায় নিজের স্থলাভিষিক্ত করে যান। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ওফাতের পর তাঁর নিকটাত্মীয়রাই কাফন-দাফনের দায়িত্ব পালন করেন। হজরত আলী (রা.) গোসল দেয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। বিদ্রোহীদের দ্বারা হজরত ওসমান ঘেরাও হলে তার নিরাপত্তার ব্যাপারে হজরত আলীই (রা.) সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন। সেই ঘেরাও অবস্থায় হজরত ওসমানের বাড়ির নিরাপত্তার জন্য তিনি তার দুই ছেলে হাসান ও হোসাইন (রা.) কে নিয়োগ করেন। ৪০ হিজরির ১৬ রমজান শুক্রবার দিবাগত রাতের ঘটনা। ফজরের সময় ইসলামের এ চতুর্থ খলিফা আলী (রা.) অভ্যাসমতো আস-সালাত বলে মানুষকে নামাজের জন্য ডাকতে ডাকতে যখন মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন, পাপাত্মা ইবনে মুলজিম শানিত তরবারি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে আহত করে। চার বছর নয় মাস খেলাফত পরিচালনার পর ১৭ রমজান ৪০ হিজরি শনিবার কুফায় তিনি শাহাদতবরণ করেন। কুফা জামে মসজিদের পাশে তাকে দাফন করা হয়। তবে অন্য একটি বর্ণনা মতে, নাজফে আশরাফে তাকে সমাহিত করা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।
আপনার দাঁতগুলোকে সুন্দর ও সুস্থ রাখবে ৮টি সাধারণ খাবার

আপনার দাঁতগুলোকে সুন্দর ও সুস্থ রাখবে ৮টি সাধারণ খাবার


কানাইঘাট নিউজ ডেস্ক: সুন্দর দাঁত কেবল সুন্দর হাসির জন্য জরুরী নয়, বরং সুস্থ দাঁত আপনার জীবনযাপনের জন্য সবচাইতে প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর একটি। দাঁত যদি সুস্থ না থাকে, তাহলে প্রতিনিয়ত দৌড়াতে হবে ডেন্টিস্ট-এর চেম্বারে। অথচ খাদ্য তালিকার কিছু সাধারণ খাবারই এই দাঁতকে রাখতে পারে আজীবনে সুস্থ। চিনে নিন দাঁতের জন্য উপকারী ৮ খাবার। পানি পানি একমাত্র জিনিস যা আমাদের পুরো শরীরকেই সবসময় সুস্থ রাখে। আর দাঁতের সুস্থতায় পানির চাহিদা অনেক বেশি। পানির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আমাদের দেহের জন্য তো ভালোই পাশাপাশি দাঁতের সুরক্ষাতেও জরুরী। দুধ শক্তিশালী ও মজবুত হতে দাঁতের প্রয়োজন ক্যালসিয়াম। আমরা সবাই জানি দুধে যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম আছে তা দৈহিক সুস্থতার জন্য জরুরী। সুস্থ দাঁতের জন্য তো প্রতিদিন ১ গ্লাস দুধ অবশ্যই পান করা উচিত। দুধে ক্যালসিয়াম ছাড়াও আরও আছে ভিটামিন ও ফসফেট যা আমাদের দাঁতের ক্ষতিকর জীবাণু রোধ করে। চীজ প্রতি বেলায় খাবারের আগে সামান্য চীজের টুকরো খাওয়া আমাদের দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। চীজের উপদান আমাদের মুখে লালা তৈরি করে এবং চীজে আছে প্রচুর পরিমানে ফসফেট ও ক্যালসিয়াম যা আমাদের দাঁতের জন্য খুবই ভালো। চা ব্ল্যাক অথবা গ্রিন টি উভয়ই আমাদের দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। চায়ের পলিফেনলস ও অন্যান্য উপাদান দাঁতে ক্যাভিটির সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে। তবে চিনি ছাড়া চা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। দই দাঁতের সুস্থতায় দই-এর উপকারিতা দারুণ, কারণ দইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ‘লেক্টবাসিলস’ আমাদের দাঁতের জন্য খুব ভালো। প্রতিদিন খাবারের আগে কিংবা পরে এক কাপ দই খেতে পারলে তা আপনার দাঁতের জন্য খুবই ভালো। সাথে সাথে শরীর পাবে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের পুষ্টি। চকলেট চকলেটের কথা শুনে অবাক হবেন অনেকেই। কারণ আমরা জানি যে ছোট বেলায় দাঁত নষ্ট হয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হল চকলেট। কিন্তু অনেক গবেষণায় বের হয়েছে যে ডার্ক চকলেট আমাদের দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ডার্ক চকলেট দাঁতের ক্ষয় রোধ করে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। তাই আপনি নিশ্চিন্তে ডার্ক চকলেট খেতে পারেন। আপেল আপেল মুখের লালা তৈরি করে ও দাঁতের ক্যাভিটির সমস্যা প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন খাওয়ার পর একটি আপেল খেলে তা আপনার দাঁতের কোণায় জমে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার করে দেয়। কমলা ভিটামিন-সি তে ভরপুর কমলার উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের সবারই জানা আছে। কমলার প্রাকৃতিক এসিড আমাদের দাঁত ব্রাশ করা ও ফ্লস করার কাজ করে দেয়। কমলার ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য ভিটামিন উপাদান আমাদের দাঁতের জন্য খুব উপকারী।
নোটিশ :   কানাইঘাট নিউজ ডটকমে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক