তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

Kanaighat News on Monday, April 7, 2014 | 8:25 PM

ঢাকা: বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা অনেকদিন ক্ষমতায় থাকতে চায় বলেই সংবিধানকে কাঁচি দিয়ে কেটে ছিঁড়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছেন। কিন্তু নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভাব নয়।’
স্থানীয় সময় রোববার সকালে হার্ভার্ডে ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ন্যায় বিচারের অন্বেষণ এবং সুষ্ঠ নির্বাচন’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘দেশের শতকরা ৯০ শতাংশ মানুষের দাবি উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগ সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’

গত ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের পাতানো নির্বাচনের উদ্ধৃতি টেনে রিজভী আরও বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। শুধুমাত্র দিল্লিকে খুশি করতে এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়। দেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করে না। জনগণ শিঘ্রই এর জবাব দেবে। তাই এখনও সময় আছে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন।’

রিজভী দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘দেশে আইন আছে, আদালত আছে তবুও বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না। হত্যা, গুম আর নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে ১০/১৫ টি করে খুন হচ্ছে। কোনো কোনো দিন এ সংখ্যা ৫০ ছড়িয়ে যায়। এ রকম এক দুর্বিসহ সময় অতিক্রম করছে দেশের মানুষ।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ তথা হাসিনা সরকারের আমলে কখনই অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে না। তাই কঠোর আন্দোলন করে এ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার অধীনে একটি সুষ্ঠ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

দুঘণ্টাব্যাপী সেমিনারের দ্বিতীয় পর্বে ছিল উপস্থিত দর্শকদের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। বিএনপির  যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী দর্শকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রে লেকচার রুমে অনুষ্ঠিত বোস্টনের সোসাল জাস্টিস ওয়াচ গ্রুপ আয়োজিত ‘ফেয়ার ইলেকশন, পারজু জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রাসি ইন বাংলাদেশ’ (বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের অন্বেষণ এবং সুষ্ঠ নির্বাচন) শীর্ষক এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস হিসেব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. খন্দকার করিম।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ম্যাসাচুসেটসের ট্রেনার্জি কর্পোরেশনের সিটিও ড. এনায়েত উল্লাহ।
সেমিনারের মডারেটর ছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের রিসার্চ ফ্যাকাল্টি  একেএম খায়রুল ওয়ারা ও কার্টজেস মাইক্রোকোপির সিনিয়র সাইন্টিস এফএইচএম ফরিদুর রহমান।

উল্লেখ্য, রুহুল কবির রিজভী সেমিনারে অংশ নিতে গত ৩ এপ্রিল স্থানীয় সময় সকালে এমিরাটর্স এয়ারলাইন্সে বস্টন এসে পৌঁছান। বস্টনে অবস্থানকালে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও বস্টন বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সেমিনার শেষে রুহুল কবির রিজভী আগামি ৮ এপ্রিল বাংলাদেশের উদ্দেশে বস্টন ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
 
বাংলামেইল২৪ডটকম/

তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

পাবনা: জামায়াত-শিবিরের জঙ্গি নিয়ে খালেদা জিয়া দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন এমন মন্তব্য করে ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেছেন, ‘তিনি এখন পাকিস্তানের রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত।’  সোমবার দুপুরে শহরের রফিকুল ইসলাম বকুল পৌর মিলনায়তনে পার্টির পাবনা জেলা শাখার সপ্তম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে, অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে ওয়ার্কাস পার্টিকে শক্তিশালী করতে হবে। তা না হলে সাধারণ মানুষের রক্ষাকবজ বলে কিছু থাকবে না’।

এমপি বাদশা বলেন, ‘বর্তমানে দেশে গুটিসংখ্যক মানুষ শোষণ-বঞ্চনা করে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ছে। তাদের দল আছে, অথচ শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের কোনো দল নেই। আর তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ওয়ার্কাস পাটি। মুক্তিযুদ্ধের শপথসহ শোষনমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। এ জন্য সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণজাগরণমঞ্চ কাজ করছিল। অথচ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগ এণ মঞ্চে বিভক্ত সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ছাত্রলীগ-যুবলীগের এ কর্মকাণ্ডে সরকার সুষ্ঠুভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারবে কী না তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।’

সভায় বক্তারা বলেন, ‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষসহ সবক্ষেত্রে জুলুম চাপিয়ে দিয়েছে সরকার। অবিলম্বে বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করা না হলে সাধারণ মানুষ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।’

কমরেড জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন জেলা জাসদের সভাপতি আমিরুল ইসলাম রাঙা, গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি সুলতান আহমেদ বুড়ো, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) জেলা সভাপতি রেজাউল করিম মনি ও জেলা ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড নজরুল ইসলাম।

এর আগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সংগঠনের সপ্তম সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি র‌্যালি শহর প্রদক্ষিণ করে।

বাংলামেইল২৪ডটকম/

প্রধানমন্ত্রীর টিকে থাকা নিয়ে রফিকের সংশয়

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর টিকে থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়। তিনি বলেছেন, ‘ছাত্রলীগ দেশকে যেভাবে নিয়ে গেছে তাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীত্ব থাকে কি না সন্দেহ আছে। শেখ হাসিনাকে শুধু  প্রধানমন্ত্রীত্ব থেকে নয় দেশ ছেড়েও চলে হতে পারে।’
  
সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় সংসদের উদ্যোগে ‘বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে’ এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘সরকার পুলিশ বাহিনীকে দিয়ে যে অত্যাচার, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দেয়া শুরু করেছে তা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকেও হার মানায়।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ ব্যবহার করে আন্দোলন দমানো যাবে না। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ডাকে আন্দোলন সফল হয়েছে। তার প্রমাণ ৫ জানুয়ারির নির্বাচন। যে নির্বাচনে কেউ ভোট কেন্দ্রে যায়নি। বর্তমান সংসদে যারা ভোট ছাড়া নির্বাচিত হয়েছেন তারা কেউই সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সাংসদ নন।’

রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘এ সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তার প্রমাণ সদ্য শেষ হওয়া উপজেলা নির্বাচন।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যারা সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলেছে সরকার তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে।’

বিএনপির এ প্রবীণ নেতা আরও বলেন, ‘দেশে বর্তমান অবস্থা বিদ্যমান থাকলে কোনো গণতন্ত্র থাকবে না। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বিলীন হয়ে যাবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য জোর দিয়ে বলেন, ‘সরকার বিদ্যুৎ, করিডোর, তিস্তার পানি ভারতকে দিচ্ছে। এটা করা চলবে না। তাই দেশ ও দেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’

সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী মোকলেস তালুকদারের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শামিমুর রহমান শামিম, নির্বাহী কমিটির সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি প্রমুখ।

বাংলামেইল২৪ডটকম/এ

খালেদা অন্যের বাড়িতে বিনা পয়সায় ভাড়া থাকেন

ঢাকা: আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বাড়ি ভাড়া নিয়ে জাতির সঙ্গে মশকারা করছেন। তিনি নিজের বাড়িতে না থেকে অন্যের বাড়িতে বিনা পয়সায় ভাড়া থাকেন। নিজের গুলশানে ৩৮ কাঠার বাড়ি একটি বিদেশি কোম্পানির কাছে ভাড়া রেখেছেন।’
সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার খাজা নিজামুদ্দিন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমির ‘চলমান রাজনীতি’ নিয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আজকে তাকে নিয়ে একটি সংবাদ বেরিয়েছে, তিনি নাকি অর্থের অভাবে বাসা ভাড়া দিতে পারছেন না। তিনি জেনারেল জিয়ার মৃত্যুর পর এরশাদের কাছ থেকে মাত্র ১ টাকায় ৩৮ কাঠার উপর একটি বাড়ি নিয়েছিলেন। সে বাড়ি বিদেশি একটি কোম্পানির কাছে ভাড়া দিয়েছেন। প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকার বেশি ভাড়া আসে। এগুলো কোথায় যায়?’

তিনি বলেন, ‘তিনি যদি ঘর ভাড়া দিতে না পারেন, কীভাবে লাখ লাখ টাকা খরচ করে নিরাপত্তাবাহিনী পোষেন। কয়েকটা কোটি টাকার গাড়ি ব্যবহার করেন। তার পুত্র লন্ডনে বিলাসী জীবন যাপন করেন। আর তিনি জাতিকে বিভ্রান্ত করার জন্য মশকারা করে এ সংবাদ প্রকাশ করেছেন। জাতির সঙ্গে এ ধরনের মিথ্যাচার না করার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।’

সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল (৬ এপ্রিল) নটরডেম কলেজের সামনে একটি বাসে আগুন দেয়া হয়েছে। বেগম জিয়া আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছে। তাদের উদ্দেশে আমাদের কথা পরিষ্কার। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, নৈরাজ্য দমনে এ সরকার বদ্ধপরিকর। আমরা কঠোর হস্তে দমন করবো। কিছুদিন আগেও যারা দেশব্যাপি নৈরাজ্য চালিয়েছে, তারা এখন ঘাপটি মেরে আছে। আমাদের সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের প্রতিহত করতে হবে।’

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অনেক দেশ এ খেলা আয়োজনের চেষ্টা করেছে। এছাড়া এ খেলা অনুষ্ঠানে বাধাগ্রস্থ করতে বিরোধী জোটের ষড়যন্ত্র ছিল। আমাদের নেত্রীর প্রচেষ্টার ফলে এ বিশ্বকাপ বাংলাদেশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। এভাবে আগামী দিনেও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও গৌরবান্বিত হবে।’

সংগঠনের উপদেষ্টা চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- সংসদ সদস্য শিরিন নাঈম পুনম, আসাদুজ্জামান দূর্জয়, সাম্যবাদী দলের নেতা হারুণ চৌধুরী প্রমুখ।

বাংলামেইল২৪ডটকম/

সিংহ নিয়ে মজার বাকযুদ্ধে অখিলেশ-মোদি

Kanaighat News on Tuesday, April 1, 2014 | 10:37 PM

ঢাকা: ছয়টি সিংহ নিয়ে জমে উঠেছে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব ও গুজরাটের বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার তর্ক-বিতর্ক।
নরেন্দ্র মোদি গুজরাটে গির অরণ্য থেকে ৬টি সিংহ পাঠিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশে, একধরনের প্রতীকী উপহার হিসেবে। সিংহগুলো বর্তমানে লক্ষ্ণৌ চিড়িয়াখানায় রয়েছে।

সিংহ পাঠানোর পর মোদি বলেন, ‘অখিলেশ গুজরাটি সিংহের মর্ম বোঝেনি। তারা রাষ্ট্র চালাতে যেমন অপারগ তেমনই অপারগ সিংহের যত্ন নিতে। পশুগুলোকে খাঁচায় ভরে দুর্বল করে ফেলেছে।’

অখিলেশ ও তার বাবা- সমাজবাদি পার্টির নেতা মোলায়মকে গির অরণ্য ঘুরে আসার পরামর্শ দেন মোদি। বলেন, সেখানে গেলে তারা দেখতে পাবেন গুজরাটের সিংহদের খাঁচায় পুরে রাখা যায় না।  

জবাবে অখিলেশ বলেন, তিনি কোনো হায়েনার কাছ থেকে সিংহের ব্যাপারে উপদেশ নিতে চান না। তারা কি করতে পারেন না পারেন তা উত্তর প্রদেশের মানুষ ভালোই জানেন।

অখিলেশ আরও বলেন, ইতাবায় সিংহগুলোর জন্যে বড় খাঁচা বানানো হবে। তাদের তিনি বেরোতে দেবেন না।

এভাবেই প্রতীকী বাগযুদ্ধে বিনোদন যোগাচ্ছেন ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের এই দুই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী।

বাংলামেইল২৪ডটকম/

ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণে মহামারীর আশঙ্কা, গিনিতে ৭৮ মৃত

ঢাকা: আফ্রিকার গিনিতে কুখ্যাত ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা একে চিহ্নিত করছেন পুরোপুরি অভাবিত আক্রমণ হিসেবে। কেননা ধারণা করা হতো ইবোলা ভাইরাসের কাল শেষ হয়ে গেছে।
 
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি সংগঠন মেদিসিন স্যানস ফ্রন্তিয়ারস-এর ডাক্তাররা গিনিতে অবস্থান করছেন এবং অসুস্থদের চিকিৎসা দিতে শুরু করেছেন।
 
সংগঠনটির অন্যতম আহ্বায়ক মারিয়ানো লুগলি জানান, এতো ব্যাপক মহামারীর সম্ভাবনার মুখোমুখি তারা এর আগে কখনও হননি।
 
তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ইবোলা ভাইরাস গিনিতে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ পর্যন্ত এ ভাইরাস সংক্রমণের শিকার ১২২ জনকে চিহ্নিত করেছে। এদের মধ্যে ৭৮ জনের ইতোমধ্যে মৃত্যু হয়েছে।
 
রোববার পাশ্ববর্তী দেশ লাইবেরিয়ায় ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম ব্যক্তিটির মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মৃত নারীর সংক্রমিত বোনকে রাজধানী মনরোভিয়ার একটি হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
 
এছাড়া গিনির আরেক প্রতিবেশি দেশ সিয়েরা লিওনেও ৫ ব্যক্তিকে সন্দেহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে, যাদের শরীরের ইবোলার সংক্রমণ হতে পারে।
 
আক্রান্ত দেশসমূহের প্রতিবেশি দেশগুলোতে ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে। সেনেগাল গিনির দিকের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে যেন গিনির আক্রান্ত কেউ সে দেশে প্রবেশ করতে না পারে। এছাড়া সীমান্তবর্তী সাপ্তাহিক বাজারও বন্ধ করে দিয়েছে।
 
ইবোলা ভাইরাস মূলত প্রাইমেট জাতীয় প্রাণীতে সংক্রমিত হয়। এর মধ্যে পড়ে মানুষ,  শিম্পাঞ্জীসহ অন্যান্য বানরগোত্রী প্রাণী। এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রাণীর শরীরে প্রথমে গোটা গোটা দাগ দেখা দেয়। পরে সেগুলো ফুলে ফেটে যেতে থাকে। রক্তক্ষরণে রোগীর মৃত্যু হয়।
 
 
সর্বপ্রথম কঙ্গোর প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইবোলা নদীর তীরে এ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল বলে নদীর নামানুসারে ভাইরাসটির নাম রাখা হয় ইবোলা ভাইরাস।
 
বাংলামেইল২৪ডটকম/
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩