কানাইঘাটে মস্তফা-হক চৌধুরী ট্রাষ্টের বৃত্তি বিতরণ অনুষ্টিত

Kanaighat News on Wednesday, December 25, 2013 | 8:23 PM

মস্তফা-হক চৌধূরী ট্রাষ্টের বৃত্তি প্রদান অনুষ্টান গতকাল  বুধবার উপজেলার লন্তীরমাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্টিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বৃত্তি বিতরণ করেন সিলেট এম.সি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহজাহান কবীর রুহেল। ৩নং দিঘীরপার পূর্ব ইউ’পি চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও শিক্ষক খাজা আজির উদ্দিন ও  ট্রাষ্টের সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সায়েমের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক। উক্ত বৃত্তি প্রদান অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান আর.কে.এম মোস্তাক চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জুলাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদ আহমদ, লন্তীরমাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক, সাতপারি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মখলিছুর রহমান,সমাজসেবী আব্দুল হাই,সেলিম চৌধূরী, ,আবুল হোসেন মেম্বার প্রমূখ।

Kanaighat News on Sunday, December 22, 2013 | 11:27 PM



বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে মঙ্গলবার

Kanaighat News on Saturday, December 14, 2013 | 11:15 PM

ঢাকা: ২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি আগামী মঙ্গলবার ঢাকায় আসছে। বর্তমানে এটি সারা বিশ্ব ঘুরছে। এবার কোকাকোলার সৌজন্যে ৮৯ দেশ ভ্রমণ করবে।
শনিবার বাংলাদেশ ফুটবল  ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই  ঘোষণা দিয়েছেন বাফুফের  জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী।
বিশ্বকাপের প্রচারণার অংশ হিসেবে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার অফিসিয়াল পার্টনার  কোকাকোলা ঢাকায় ট্রফিটি আনছে। ২০০৬ সাল থেকে কোকা কোলা প্রথম ট্যুর প্রোগ্রাম শুরু করে। সেবার ৩৮টিদেশ ট্রফি ভ্রমণ করেছিল। এর আগে ১৯৭৪ সাল থেকে ফিফার সাথে সম্পৃক্ত কোকাকোলা। আগে এদেশে রিপ্লেকা আসলেও এবারই প্রথমবারের মতো প্রকৃত ট্রফিটি আসছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত  থেকে  কোকাকোলা ও ফিফার বিমানে করে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় এসে  পৌঁছাবে এই ট্রফি। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ভুটানের উদ্দেশে ঢাকা  ছেড়ে যাবে ট্রফিটি। এর পর যাবে  নেপাল ও ভারতে।
মঙ্গলবার এলেও বুধ ও বৃহস্পতিবার সাধারণ মানুষ এই ট্রফি  দেখার সুযোগ পাবেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয়  স্টেডিয়ামে ট্রফির সঙ্গে ছবি  তোলারও সুযোগ পাবেন তারা। ১৫ হাজার মানুষকে এই সুযোগ করে দিচ্ছে  কোকাকোলা।  কোকাকোলা  খেয়ে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী ৯ হাজার এবং ফুটবলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৬ হাজার ব্যক্তিকে  সৌজন্য টিকেট  দেবে তারা।

কোকাকোলার কান্ট্রি ব্যবস্থাপক  দেবাশীষ  দেব বলেন, এটি আমাদের পরিকল্পনার অংশ।  বেশি দর্শক আসলে আমরা হয়তো তাদের সন্তুষ্ট করতে পারবো না। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গ্যালারিতে  কোনো দর্শক থাকবেন না। বঙ্গবন্ধু জাতীয়  স্টেডিয়ামের মশাল  গেট দিয়ে নির্ধারিত সময়ে (টিকেটে সময়  লেখা থাকবে) ঢুকে ট্রফি  দেখে ছবি  তোলার সুযোগ পাবেন তারা। ছবি  তোলার সঙ্গে-সঙ্গে ছবিটি  সেই ব্যক্তির হাতে দিয়ে  দেয়া হবে। এরপর ভিআইপি  গেট দিয়ে  বেরিয়ে যাবেন তিনি। প্রত্যেকে  দেড় ঘণ্টা করে মাঠে থাকার সুযোগ পাবেন।
ঢাকায় আসার পর ট্রফিটি  কে গ্রহণ করবেন তা এখনও ঠিক হয়নি। সালাম মুর্শেদী জানিয়েছেন, আমরা আশা করছি রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ট্রফিটি গ্রহণ করবেন। তবে তা এখনও ঠিক হয়নি। আমরা  রোববার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে  দেখা করবো। তারপরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত  নেয়া হবে।
২৬৭ দিনে ৮৯টি  দেশ পরিভ্রমণ করবে বিশ্বকাপের ট্রফি। আনুষ্ঠানিক ভ্রমণ শুরু হয়েছে গত ১২  সেপ্টেম্বর, ব্রাজিলের রিও ডি  জেনিরো শহর  থেকে। শেষ হবে আবার ব্রাজিলে ফেরত যাবার মধ্য দিয়ে।

এর আগে ২০০২ সালে জিলেটের  সৌজন্যে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি এসেছিল। তবে  সেবার এসেছিল  রেপ্লিকা। এবার মূল ট্রফিই আসছে বলে জানালেন  কোকাকোলার কর্মকর্তারা। ব্রাজিল বিশ্বকাপের থিম সং গাইবেন ব্রাজিলীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী গায়ক  ডেভিড  কোরি। বিভিন্ন ভাষায় গানটি গাওয়া হবে। বাংলায় গানটি রুপান্তরের  চেষ্টা চলছে। ফুয়াদ আল মুক্তাদির গানটি তৈরি করবেন। তবে  কে গাইবেন তা এখনো ঠিক হয়নি। বিভিন্ন ব্যান্ডের মাঝে প্রতিযোগিতা হবে। তাদের মধ্য থেকে সেরা নির্বাচিত ব্যান্ড দিয়ে গানটি গাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলায় রুপান্তরিত গানটির একটি লাইন ব্রাজিল বিশ্বকাপের মূল থিম সংয়ে ঢোকানোর  চেষ্টা করছে  কোকাকোলা। এতে সাফল্যের ব্যাপারে তারা আশাবাদী। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিনিউজবিডি/সোহেল

সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন

ঢাকা : রাজধানীসহ সারা দেশে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে বিজিবির ২০ প্লাটুন সদস্য রাজধানীতে দায়িত্ব পালন শুরু করে।

বিজিবি সূত্র জানায়, রোববার জামায়াতে ইসলামের ডাকা হরতাল রয়েছে। এ কারনে রাজধানীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে রাতে রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলা থেকে জেলা প্রশাসকরা বিজিবি চেয়েছে। তাদের চাওয়া অনুযায়ী আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহিংসতা পূর্ণ জেলা গুলোতে শনিবার সন্ধ্যার পর থেকেই বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, রাজধানীতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে এমন আশংকায় সরকারের পক্ষ থেকে বিজিবি মোতায়েনের সদ্ধিান্ত নেওয়া হয়। এর পর গতকাল সন্ধ্যার পর বিজিবি নামে। বিজিবি শুধু শনিবার রাতেই দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে। তবে যদি প্রয়োজন হয় তা হলে পরবর্তী সময়েও দায়িত্ব পালন করবে।

হিমছড়িতে যুবকের লাশ উদ্ধার

রামু (কক্সবাজার):   কক্সবাজারের রামু উপজেলার পর্যটন স্পট হিমছড়ি মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে জঙ্গল থেকে গতকাল শনিবার ১৪ ডিসেম্বর বেলা ২ টার দিকে রিদোয়ান রহমান (২৫) নামে ১ যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে রামু থানার পুলিশ। নিহত রিদোয়ান ঢাকা গুলশান-১ এলাকার ডা. মিজানুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয়  ওই এলাকায়  লাশটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। রামু থানা ওসি তদন্ত মো, বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, বিষয়টি নিশ্চিত করে।

তুষার ঝড় ও বন্যায় মধ্যপ্রাচ্যে বিপর্যস্ত জনজীবন

ঢাকা: টানা ৩ দিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে তুষার ঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের জনজীবন। শুক্রবারও ভারী তুষারপাতে ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীর, গাজা, জেরুজালেম যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে।
এছাড়া বন্ধ করে দেয়া হয়েছে স্কুল ও অন্যান্য সরকারি ভবন। সেই সঙ্গে বন্যার কারণে দুর্ভোগ আরো বাড়ে। প্রয়োজনীয় কাজ সারতে স্থানীয় মানুষজনকে নৌকা ব্যবহার করতে দেখা যায়।

তুষারপাতের কারণে সবচে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন সিরীয় শরণার্থীরা। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে কারণে নিদারুন কষ্টের শিকার হতে হচ্ছে তাদের। জর্ডানেও ভারী তুষারপাত হওয়ায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান।

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের পরিস্থিতি ক্রমশ মানবিক বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে

ঢাকা: সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের পরিস্থিতি ক্রমশ মানবিক বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে সেভ দা চিলড্রেন। আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি বলছে যে সেখানকার পরিস্থিতি অবর্ণনীয়।
সেভ দা চিলড্রেনের মুখপাত্র মাইকেল ম্যককাস্কার জানাচ্ছেন, রাজধানী বাঙ্গুইয়ের কাছে এয়ারপোর্টে যে শরণার্থী ক্যাম্প রয়েছে তাতে প্রায় ৪০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে; যাদের বেশিরভাগই অনাহারে রয়েছে।

পরিস্থিতি খুবই ভয়ানক, এমনটা আমি আর কখনো দেখিনি। ৪০ হাজারের বেশি মানুষ এখানে, বেশিরভাগই আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। মানুষের তুলনায় পানি সরবরাহ নিতান্তই অল্প। বৃষ্টি এলেও তাদের ওই অবস্থাতেই বাইরে থাকতে হচ্ছে। একটা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তারা বাস করছে।
পুরো ক্যাম্পে মাত্র একটি শৌচাগার থাকার কারণে মানুষ খোলা জায়গায় মলত্যাগ করছে। শিশুরা ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়ায় ভুগছে। পুরোই বিশঙ্খল একটা পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানান মাইকেল ম্যাককাস্কার। ত্রাণ সহায়তা আসার পর পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

মাইকেল ম্যাককাস্কার জানান, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা থেকে আসা একটি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায়নি। তিনি বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছে এ খবর পৌঁছে গিয়েছিল যে খাদ্য বিতরণ করা হবে। বিমানবন্দরে পৌঁছার পর পরই ত্রাণ বিতরণ বাধাগ্রস্ত হয়। যে সংখ্যক শরণার্থী ক্যাম্পে রয়েছে তার ৩ গুণ মানুষ এখানে খাবার নিতে উপচে পড়ে।

সেখানে পুরোপুরি অস্থির একটি পরিবেশ তৈরি হয়। খাবার এবং স্বাস্থ্যসেবা খুবই সীমিত থাকার কারণে অনেক মানুষের কাছে তা পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।

জাতিসংঘ শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের কাছ থেকে ৭৭ টন ত্রাণ সহায়তা আসছে বলে জানিয়েছেন ম্যাককাস্কার এবং খুব দ্রুতই শরণার্থীদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানান তিনি। গত মার্চে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া বোজিজেকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসেন মাইকেল জোটোডিয়া। এরপর থেকেই খ্রিস্টান এবং মুসলিম মিলিশিয়াদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দা চিলড্রেনের তথ্য মতে, দেশটির চলমান সংঘর্ষে শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্তুত ৬ হাজার শিশুকে সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করানো হচ্ছে বাধ্যতামূলকভাবে।

সোমবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আ'লীগের সভা

ঢাকা : বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৭ ডিসেম্বর সোমবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা করবে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। এতে প্রধান অতিথি’র বক্তৃতা করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার দলের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে ১৭ ডিসেম্বর সোমবার বিকাল ৩ টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।----ডিনিউজ

লাঙ্গল প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে যাবে জাতীয় পার্টি : তাজুল ইসলাম

ঢাকা : জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দপ্তর সম্পাদক তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, যারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেনি তারা নির্বাচনে যাবেন। লাঙ্গল প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে যাবে জাতীয় পার্টি।

শনিবার বিকালে জাপার সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

জানা গেছে, শুক্রবার শেষ দিনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়া জিয়াউদ্দিন বাবলু, মুজিবুল হক চুন্নুসহ প্রায় অর্ধশতাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। নির্বাচনে যাওয়া নিয়ে গত দুদিন যাবত রওশন এরশাদের বাসায় দফায় দফায় বৈঠকে হয়। শনিবার জিয়া উদ্দিন বাবলু, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কাজী ফিরোজ রশীদ, কাজী ফিরোজ রশীদ, তাজুল ইসলাম ইসলাম চৌধুরী ও মুজিবুল হক চুন্নু রওশন এরশাদের বাসায় দীর্ঘ বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি, তারা নির্বাচনে যাবেন। তিনি আরো বলেন, জাতীয় পার্টিতে কোনো ভাঙ্গন নেই। চেয়ারম্যান এরশাদ আছেন এরশাদ থাকবেন।
তবে জাপার আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, নির্বাচন যাব কি যাব না এ বিষয়ে এখানো সিদ্ধান্ত হয়নি।---ডিনিউজ

১৭ ডিসেম্বর থেকে আসছে টানা অবরোধ

ঢাকা : আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে আবারও টানা হরতাল বা অবরোধ দেওয়ার কথা ভাবছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট। মানবতা বিরোধী অপরাধে আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকায় কোনো কর্মসূচি দেয়নি বিএনপি। এছাড়া ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসেও কোনো কর্মসূচি দেবে না দলটি।

এদিকে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় দু’দল থেকেই কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। এরপর শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের প্রধান হওয়ার জন্য তিনজনের নাম প্রস্তাব করেছে। এদের মধ্যে থেকে যদি একজনকে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের প্রধান করা না হয় তাহলে আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে টানা অবরোধ কর্মসূচি দেবে দলটি। আর যদি তাদের প্রস্তাব মেনে নেওয়া হয় তাহলে আর কোনো কর্মসূচি দেওয়া হবে না।

এ ছাড়া নির্বাচনী তফসিল স্থগিত করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রোববার সমাবেশ করার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ চেয়ে পুলিশের কাছে আবেদন করে জোট। যদিও এ পর্যন্ত তাদের আবেদনে কোনো সাড়া দেয়নি পুলিশ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধাণ হবে। আর যদি তা না হয় তাহলে হরতাল অবরোধ হবে। তবে সহিংসতা হবে না। আমরা সহিংসতার রাজনীতি করি না। তবে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে, সহিংসতা সৃষ্টি করে তার দায় আমাদের উপর দেওয়ার চেষ্টা করছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, তাঁরা আন্দোলনেই আছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তবে আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হওয়াটাই ভালো। তাই তাঁরা আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন।

উল্লেখ্য, দশম  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পরদিন ২৬ নভেম্বর থেকে শুক্রবার ছাড়া তিন দফায় ১৫ দিন অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে বিরোধীদলীয় জোট। গতকাল সকাল ছয়টায় এই কর্মসূচি শেষ হয়েছে।--ডিনিউজ

জুরাইনে আ.লীগ অফিসে অগ্নিসংযোগ

ঢাকা : রাজধানীর জুরাইনে ৮৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ইউনিট অফিসে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলে। আগুনে অফিসের দরজার কিছু অংশ পুড়ে যায়। জানা যায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুর্বৃত্তরা অফিসটির দরজায় অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।--ডিনিউজ

বাকি যুদ্ধাপরাধীদেরও রায় কার্যকর হবে

ঢাকা : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, বাকি যুদ্ধাপরাধীদেরও রায় কার্যকর হবে। শনিবার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সৈয়দ আশরাফ বলেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের মোল্লার ফাঁসি হয়েছে। অনেকে বলেছিলেন এ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারবে না। কিন্তু রায়ও কার্যকর হয়েছে। তিনি বলেন, বাকি যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার হবে এবং রায়ও কার্যকর হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব সম্ভব। বিদেশে পালিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনাও সম্ভব।--ডিনিউজ

চতুল বাজারে ১৮ দলীয় জোটের মিছিল ! আ’লীগ সমর্থিত নেতাকর্মীদের দোকান ও মুক্তিযোদ্ধা অফিসে হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাটের চতুল বাজারে ১৮দলীয় জোট ও আ’লীগের পাল্টাপাল্টি মিছিলকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তেজনা ছিল সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এক পর্যায়ে ৯ টার সময় ১৮দলীয় জোটের নেতাকর্র্মীরা চতুল বাজারে মিছিল বের করে। এসময় বাজারে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেন ব্যাবসায়ীরা। জোটের বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা চতুল বাজারে আ’লীগ সমর্থিত নেতাকর্মীদের দোকান এবং মুক্তিযোদ্ধা অফিসে হামলা করে। এসময় কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। যে কোন সময় বড়ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে পারে। কার্যত, আজকের জামায়াতের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে কানাইঘাটের চতুল বাজারে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা বিকেল ৪টায় বাজারে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পাল্টা আ’লীগ মিছিলের প্রস্তুতি নিলে এ নিয়ে উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করলে এক পর্যায়ে বাজারের ব্যাবসায়ীরা উভয় পকে মিছিল না দেওয়ার জন্য নিষেধ করেন। পরে ১৮ দলীয় জোট বাজারে মিছিল বের করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাজারে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

কানাইঘাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় পৌর আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গুরুতর আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
 কানাইঘাট পৌর আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কেএইচএম আব্দুল্লাহ (৩৫) দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারাত্মক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হামলার ঘটনায় আহত কে.এইচ.এম আব্দুল্লাহ জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন। তিনি বলেন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে। জানা যায়, আজ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে একটি অটোরিক্সা (সিএনজি) যোগে আ’লীগ নেতা আব্দুল্লাহ তার নিজ বাড়ী পৌরসভার দলই মাটি গ্রাম থেকে কানাইঘাট বাজারে আসার উদ্দেশ্যে বের হন। পথিমধ্যে অটোরিক্সাটির কানাইঘাট মনসুরিয়া মাদ্রাসার সামনে আসা মাত্র অটোরিক্সা থামিয়ে ২০/২৫জনের দুর্বৃত্ত চক্র দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ আ’লীগ নেতার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। তার মাথায় ও গাড়ে ধারালো অস্ত্রের বেশ কয়েকটি আঘাত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হামলাকারীরা তাকে মারধর করে ফেলে যাওয়ার পর কয়েকজন পথচারী এগিয়ে এসে আব্দুল্লাহকে উদ্ধার করে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। হামলার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সেখানে ভীড় জমান। নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাত ৭টার দিকে আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ডাক বাংলোয় বৈঠকে বসেছেন। এদিকে আগামীকালকের জামায়াতের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে কানাইঘাটের চতুল বাজারে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা বিকেল ৪টায় বাজারে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পাল্টা আ’লীগ মিছিলের প্রস্তুতি নিলে এ নিয়ে উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আ’লীগের নেতাকর্মীরা বাজারের শহীদ মিনারের পাশে এবং জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা বাজারের লালাখাল রাস্তার মুখে সশস্ত্র অবস্থানে রয়েছে। উভয় সংগঠনের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে চতুল বাজারে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাজের টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

কানাইঘাটে শ্রমিকদল নেতার মুক্তির দাবীতে মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক:
 কানাইঘাট পৌর শ্রমিকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুর আহমদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে কানাইঘাট বাজারে মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে উপজেলা ও পৌর শ্রমিকদলের নেতাকর্মীরা। আজ শনিবার বিকেল ৪টায় শ্রমিকদলের উদ্যোগে মিছিলটি কানাইঘাট বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উত্তরবাজারে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক মোঃ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে এবং পৌর শ্রমিকদলের আহ্বায়ক আবিদুর রহমানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, কানাইঘাট পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, পৌর স্বেচ্চাসেবকদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, উপজেলা শ্রমিকদলের সিনিরয় যুগ্ম আহ্বায়ক এবাদুর রহমান লালই, যুগ্ম আহ্বায়খ তমিজ উদ্দিন, জাফর, সেলিম উদ্দিন, শাহিদ আহমদ, পৌর শ্রমিকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন, হারিছ উদ্দিন, জামাল, ইজ্জাদ, শ্রমিকদল নেতা বিলাল আহমদ, এতিম আলী, কামাল, সেলিম, তায়েফ, আবুল কালাম, জহির, জাহাঙ্গীর, বুরহান, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রুহুল আমিন, ছাত্রদল নেতা দেলোওয়ার হোসেন, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, কানাইঘাট থানা প্রশাসন সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে কোন মামলা ছাড়াই পৌর শ্রমিকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুর আহমদকে আটক করে দু’টি মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে নিক্ষেপ করেছেন। বিনা দোষে ২০দিন ধরে নুর আহমদ কারাবরন করছেন। অবিলম্বে তার উপর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান নেতৃবৃন্দ। এছাড়া সভায় উপজেলা বিএনপিসহ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত একাধিক মামলা প্রত্যাহার, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের বিপ্লবী সভাপতি এড. শামসুজ্জামানসহ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন।

শনিবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

Kanaighat News on Friday, December 13, 2013 | 9:13 PM

ঢাকা : আগামীকাল শনিবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। জাতির জীবনের কালো দিন হিসেবেই আখ্যায়িত করা হয় দিনটিকে। ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকহানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।

বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী বর্বর বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

বিনয় এবং শ্রদ্ধায় শনিবার জাতি সেসব বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করবে। একই সাথে এবারও জাতির প্রত্যাশা, জাতির শ্রেষ্ট সন্তানদের যারা হত্যা করেছে তাদের বিচারের রায কার্যকর কওে,দেশকে কলংক মুক্ত করা হবে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ নানা পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। দিনব্যাপী বিভিন্ন সংগঠন শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, মৌন মিছিল ইত্যাদি।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, জাতির বিবেক হিসেবে খ্যাত আমাদের বুদ্ধিজীবীরা মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন।

রাষ্ট্রপতি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন যারা ১৯৭১ সালে বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, কিন্তু জাতির দুর্ভাগ্য, বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এদেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ বহু গুণীজনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

তিনি বলেন, জাতিকে মেধাহীন করাই ছিলো তাদের হীন উদ্দেশ্য। বুদ্ধিজীবীদের এভাবে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে জাতি হারায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তাদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন ‘‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আমাদের সকলকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করুক’’।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, ‘আমরা দেশের বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় এনেছি। রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে। রায় বাস্তবায়নও হবে। কোনো ষড়যন্ত্রই জাতিকে এ পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। এই কুখ্যাত মানবতাবিরোধীদের যারা রক্ষার চেষ্টা করছে তাদেরও একদিন বিচার হবে। এসব রায় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মা শান্তি পাবে। দেশ কলঙ্কমুক্ত হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এক কলঙ্কময় দিন। মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে নামে। তারা বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।’

শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

জাতি এ বছর এমন একটি প্রেক্ষাপটে বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করছে যখন একাত্তরের সেই যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে সংশ্লিষ্টদের বিচার কাজ এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত অনেকের বিরুদ্বে ফাঁসির রায় ঘোষিত হয়েছে। মানবতাবিরোধী হত্যা মামলায় দণ্ডিত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দণ্ড বৃহস্পতিবার কার্যকর হওয়ায় এবারের বুদ্বিজীবী দিবস এবং বিজয দিবস পালনে যোগ হয়েছে ভিন্নমাত্রা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসর আল-বদরের সাহায্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের অপহরণ করা হয়। পরে নিদারুণ যন্ত্রণা দিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুরে তাদের হত্যা করা হয়। এ দুটি স্থান এখন বধ্যভূমি হিসেবে সংরক্ষিত।

মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে আল-বদর বাহিনী আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে স্থাপিত আল-বদর ঘাঁটিতে নির্যাতনের পর রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুর কবরস্থানে নিয়ে হত্যা করে।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা. আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরো অনেকে।

একাত্তরে ত্রিশ লাখ শহীদের মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের বেছে বেছে হত্যার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।। তারা শহীদ হন এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসাবে। হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী তাদের পরাজয় আসন্ন জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবী নিধনের এই পরিকল্পনা করে।

তারা স্পষ্ট দেখে চরম বিপর্যয় আসন্ন, পরাজয় একেবারেই সন্নিকটে- তখনই তারা সেই পরিকল্পনা কার্যকর করে। তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের চোখ বেঁধে নিয়ে হত্যা করে। তারা স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে এভাবেই অন্ধকার করার পাঁয়তারা করেছিল।

কর্মসূচি: সকালে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে।

শনিবার সকাল ৭টায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিরপুর শহীদ বুদ্বিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী শাহাজান খান এর নেতৃত্বে শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং উপস্থিত মুক্তিযোদ্বারা স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্বা জানাবেন। এর পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন আওয়ামী লীগ প্রতিবারের মত এবারও দেশবাসীর সাথে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্য সহকারে এই শোকাবহ দিনটিকে স্মরণ ও পালন করবে।

এ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ।

সকাল ৭টা ৫ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন এবং ৭টা ৩৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। এছাড়াও সকাল ৮ টা ৫ মিনিটে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, বিকেল ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে(খামার বাড়ি, ফার্মগেট) আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি, গণফোরাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু একাডেমি, উদীচী, ন্যাপ ভাসানী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সংগঠন পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

হলুদের উৎস গাঁদা ফুল

ঢাকা : শীতের দিনে হলুদের উৎস যে ফুলটি তার নামটি হচ্ছে গাঁদাফুল। অতি পরিচিত এই ফুলটির বৈজ্ঞানিক নাম Calendula officinalis. শীতকাল এলেই শহুরে বারান্দায়, ছাদে কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গনে হলুদ রঙের সমারোহ চোখে পড়বেই পড়বে।
দক্ষিণ ইউরোপে সর্বপ্রথম গাঁদাফুলের চাষ শুরু হলেও বর্তমানে এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান গাঁদাফুল ছাড়া যেন অসম্ভব বলেই মনে হয়। নারীরা প্রিয় জনের নজর কারতে খোঁপায় গুঁজে এ ফুলটি। শোভাবর্ধক হিসেবে মূলত এ ফুল ব্যবহৃত হলেও এ ফুলের রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। সেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে ক্ষতস্থান ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে গাঁদাফুল ও পাতা ব্যবহার করা হচ্ছে। কেটে যাওয়া স্থানে রক্ত পড়া বন্ধ করতে গাছের পাতা থেঁতলে ব্যবহার করা হয়। এ ফুলে রয়েছে প্রচুর ফ্ল্যাভিনয়েড ও ভিটামিন সি, কোন ফ্যাট থাকায় এটি ওজন কমাতেও সহায়ক। এক্ষেত্রে ফুলের পাঁপড়ি ভালো করে ধুয়ে মিক্সড সালাদে যোগ করা যায়। প্রচুর লাইকোপিন থাকায় হার্টের অসুখে ও প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
এছাড়াও ইনফ্লেমেটোরি ক্ষমতা থাকায় ক্ষুদ্রান্ত্রের ক্যান্সার, হজমে সমস্যা ইত্যাদি প্রতিরোধেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গরম পানিতে গাঁদাফুলের পাঁপড়ি দিয়ে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে সেই পানি দিয়ে চা বানিয়ে খেলে তা মুখ ও পাকস্থলির আলসার প্রতিরোধ করে বলে গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে। স্তন ক্যান্সারের রোগীদের ক্যামোথেরাপীর পর চামড়ায় যে ডার্মাটোফাইটের আক্রমণ হয় তা কমাতে গাদাফুলের পেস্ট উপকারী। যা বাজারে Calendula ক্রীম হিসেবে পাওয়া যায়। গাঁধা ফুলে রয়েছে টার্পিনয়েড, এস্টার, ফ্ল্যাভোজেন্থিন। তাই ভেজিবেটল ডাই হিসেবেও এর রয়েছে বহুল ব্যবহার। পায়ের পাতার ফাঁকের ঘা নিরাময়ে এ ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি তেল কার্যকরী। ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে গাঁদাফুল হতে পারে এক কার্যকর প্রাকৃতিক উপাদান। গরম পানিতে কয়েকটি পরিষ্কার তাজাফুল ভিজিয়ে রাখুন। প্রতিদিন সেই পানি মুখে মেখে দশমিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। গোসলের আগে গাঁদাফুলের পাঁপড়ি পরিষ্কার পানিতে ফুটিয়ে নিন। সেই পানি কুসুম গরম থাকতেই গোসলের পানিতে মিশিয়ে গোসল করে নিন। ভ্যাজিনাল ইনফেকশন, ব্লাডার ইনফেকশন, একজিমা প্রতিরোধ করবে।

ইয়েমেনে বিয়ে বহরে ড্রোন হামলায় নিহত ১৩

ঢাকা: ইয়েমেনে একটি বিবাহ বহরে ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির আল-বায়দা প্রদেশের কুয়াইফা গ্রামের কাছে এই হামলার ঘটনা ঘটে। দেশটির একজন সেনা কর্মকর্তা জানান, সম্ভবত ভুলবশত আল কায়েদা জঙ্গিদের বহর মনে করে বিবাহ বহররে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে আরেকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলছেন, ওই বিবাহ বহরে সন্দেহভাজন আল কায়েদা জঙ্গিরাও ছিল। উল্লেখ্য, ইয়েমেনে সক্রিয় আল কায়েদা জঙ্গিদের দমনে যুক্তরাষ্ট্র প্রায়ই সেখানে ড্রোন হামলা চালায়।

উ. কোরিয়ার সাবেক নেতা চ্যাং সংয়ের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ঢাকা: দুর্নীতির অভিযোগে উত্তর কোরিয়ায় এক সময়ে ক্ষমতার নেপথ্য নায়কখ্যাত ও দেশটির সরকার প্রধান কিম জং উনের ফুফা চ্যাং সং-থায়েকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। শুক্রবার দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ এ সংবাদ নিশ্চিত করে।  
চলতি মাসের শুরুতেই চ্যাং সংকে দেশটির সামরিক কাউন্সিলের উপ প্রধানের পদ থেকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। সেসময় তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া দুই সহযোগীর মৃত্যুদণ্ড আগেই কার্যকর করা হয়েছে।

চ্যাং সংয়ের মৃত্যুদণ্ড বিষয়ে কেসিএনএ জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুর্নীতি ও রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে সামরিক আদালতে তার বিচার হয়। বিচারে তিনি দোষি প্রমাণিত হলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় এবং খুব দ্রুত তা কার্যকরও করা হয়। কেসিএনএ এক সমালোচনায় একসময়ে দেশের পাওয়ার হাউজের নিয়ন্তা হিসেবে খ্যাত চ্যাং সংকে ‘কুকুরের চেয়ে খারাপ’ বলে আখ্যায়িত করেছে।

সমালোচনায় বলা হয়েছে, চ্যাং সং তার পদমর্যাদা ও ক্ষমতাকে নিজের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস পূরণ এবং দেশ বিরোধী কাজে ব্যবহার করেছেন। তিনি একসময় শুধু ক্ষমতাসীন দলেরই নয় একইসঙ্গে ছিলেন জাতীয় প্রতিরক্ষা কমিশন ও সেনাবাহিনীরও শীর্ষ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা কিম জং-ইলের মৃত্যু পরবর্তী সময় তার ছেলে কিম জং-ইল ক্ষমতা গ্রহণের পর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মানুষ বলে বিবেচিত চ্যাং সংকে দল থেকে বহিস্কার, গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ডকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ঘটনা বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।। ২০১‌১ সালে ইলের মৃত্যুর কিম জং- উন দেশের ক্ষমতা হাতে নিয়েছিলেন।

রওশনের বাসায় তোফায়েল-গওহর রিজভী

ঢাকা : জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদের গুলশানের বাসায় গেছেন শিল্পমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা গওহর রিজভী।

শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে তাঁরা রওশন এরশাদের বাসায় যান।

এদিকে রওশন এরশাদ দলের নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। যখন তোফায়েল আহমেদ ও গওহর রিজভী রওশন এরশাদের বাসায় যান, তখন সেখানে আগেই থেকেই ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু ও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ।

জাপার নির্বাচনী প্রতীক ‘লাঙ্গল’ অন্য কাউকে বরাদ্দ না দিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) চিঠি দেওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ‘আটক’ হন এইচ এম এরশাদ। তিনি এখন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ‘চিকিত্সাধীন’। এরপর সকাল থেকেই দলের নেতারা রওশন এরশাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।---ডিনিউজ

আমি অসুস্থ নই, আমাকে আটকে রাখা হয়েছে : এরশাদ

ঢাকা : জাপার চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জানিয়েছেন,ঘোষিত তফসিলে জাতীয় পার্টি আসন্ন জতীয় সংসদ নির্বাচনে যাবে না।

এরশাদ তার বিশেষ উপদেষ্টা ববি হাজ্জাজের কাছে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা বলেন। এরশাদ বলেন, আমি অসুস্থ নই। আমাকে গ্রেপ্তারের জন্য এখানে আটকে রাখা হয়েছে। আমি জাতীয় পার্টির সকল নেতা-কর্মীকে ধৈর্য্য ধরার এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিচ্ছি।

এরশাদ বলেন, আমি কাউকে আমার মুখপাত্র নিযুক্ত করিনি। একজন নেতা (মুজিবুল হক চুন্নু) পার্টির মুখপাত্র হিসাবে বিবৃতি দিচ্ছেন বলে শুনেছি। তিনি যদি এটা করে থাকেন তাহলে এর দায়িত্বও তার নিজের। এবং এটি তার নিজস্ব মতামত হিসাবে বিবেচিত হবে। পার্টির শৃঙ্খলা বিরোধী যে কোনো কাজের জন্য আমি যে কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি।

এরশাদ বলেন, পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ও প্রেসিডিয়াম সদস্য জিএম কাদের আমার কাছ থেকে প্রাপ্ত দিক-নির্দেশনা দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছে দেবেন। ববি’র মাধ্যমে আমি গণমাধ্যমকে আমার বক্তব্য জনাবো। অন্য কারো বক্তব্য, বিবৃতি এবং প্রচারণায় আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। এরশাদ বলেন, সব দলের অংশগ্রহন ছাড়া জাতীয় পার্টি কোন নির্বাচনে অংশ নেবে না। এ জন্য ইতোমধ্যেই আমাদের দলের প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। গণতান্তিক  অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার স্বার্থেই এটা দরকার বলে তিনি এটা মনে করছেন।---ডিনিউজ

পরবর্তী সিদ্ধান্ত দলীয় ফোরামের বৈঠক করে

ঢাকা : চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা ফের বৈঠক করেছেন।

শুক্রবার বিকাল সোয়া ৪টায় গুলশানে জাতিসংঘের প্রতিনিধি নীল ওয়ার্কার বাসভবনে এই বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, “আলোচনা হয়েছে। উনারা কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরাও আমাদের কথা বলেছি। এখন দলের ভেতরে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”

এরপর প্রায় একই কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, “সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু, নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমরা বসেছি। তৃতীয় দিনের মতো এই আলোচনা হলো। সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব আমরা দিয়েছি। তারাও তাদের প্রস্তাব দিয়েছেন। এখন দলীয় ফোরামে বৈঠক করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”

তবে কোন পক্ষ কি প্রস্তাব দিয়েছে- সে বিষয়ে তারা কেউ মুখ খোলেননি।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের পক্ষে উপস্থিত রয়েছেন,আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রধামন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী।

বৈঠকে বিএনপির পক্ষে উপস্থিত রয়েছেন,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ড. আবদুল মঈন খান, সহসভাপতি সমশের মবিন চৌধুরী অংশ নেন।

এর আগে জাতিসংঘের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর মধ্যস্থতায় গত ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বৈঠক হয়।----ডিনিউজ

তিন দলকে নৌকা দিতে ইসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

ঢাকা : নানা নাটকীয়তার মধ্যেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে জোটভুক্ত তিন দলকে নৌকা প্রতীক দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকীব উদ্দিন আহমদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত ওই চিঠিটি আওয়ামী লীগ নেতা রিয়াজুল কবির কাওসার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে পৌঁছে দেন বলে জানা গেছে।

১৪-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে যাঁদের নৌকা প্রতীক দিতে বলা হয়েছে তাঁরা হলেন—রাজশাহী-২ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা, নড়াইল-২ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী শেখ হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা-১ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী মো. মোস্তফা লুত্ফুল্লা, ঢাকা-৮ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী রাশেদ খান মেনন, কুষ্টিয়া-২ আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রার্থী হাসানুল হক ইনু, নরসিংদী-২ আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রার্থী জাহেদুল কবির, ফেনী-১ আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রার্থী শিরীন আক্তার, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রার্থী মইনুদ্দিন খান বাদল, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী এম এ আউয়াল, চট্টগ্রাম-২ আসনে তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি।

এ ১০ জনকে ১৪-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক দেওয়ার জন্য ওই চিঠিতে বলা হয়েছে। ---ডিনিউজ

এরশাদের নি:শর্ত মুক্তি দাবি কাজী জাফরের

ঢাকা : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ‘গ্রপ্তারের’ তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার নি:শর্ত মুক্তি দাবি করেছেন কাজী জাফর আহমদ।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এ কথা দিবালোকের মত সত্য যে, এরশাদ তার সর্বদলীয় সরকারে যোগদানের এবং সংসদীয় নির্বাচনে তার দলের সদস্যদের প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় সরকার বিক্ষুব্ধ হওয়াতেই গ্রেপ্তার করা হযেছে।---ডিনিউজ

লোহাগড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খাদে পড়ে মা, শিশুসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা সোয়া ৫টার দিকে কক্সবাজার থেকে চট্রগ্রামগামী একটি ট্রাক লোহাগড়ায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়।

এ সময় ঘটনাস্থলেই ৫ জনের মৃত্যু হয়।---ডিনিউজ

সারাদেশে সহিংসতায় নিহত ৫

ঢাকা : মানবতাবিরোধী অপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা চালিয়েছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এতে ৫ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।

এসময় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সংখ্যালঘুদের বাড়িতে আগুন, দোকানপাট ভাঙচুর, সড়ক অবরোধসহ হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তারা।

বৃহস্পতিবার ফাঁসি কার্যকরের পর গভীর রাতে ও ভোরে সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই স্থানীয় নেতাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষের সময় নিহত এক রিকশা চালক এবং পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় গুলিতে নিহত বিএনপিকর্মীর লাশ গেছে হাসপাতালে। এছাড়া যশোরের বাঘারপাড়ায় আগুন দিতে গিয়ে ট্রাক চাপায় নিহত হয়েছেন আশরাফুল (২০) নামে এক জামায়াত কর্মী।

সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার গোপীনাথপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান আজুকে (৬০) কুপিয়ে খুন করেছে একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান জজ আলী (৩৮) খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টার দিকে তার নিজ রাড়ি থেকে ডেকে জোড়পূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে পাশ্ববর্তী ঋষিপাড়া খালের পাড়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন দুর্বৃত্তরা।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে র‌্যাবের গুলিতে একজন নিহত হয়েছে। এছাড়া আরো ৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। নিহত খোরশেদ আলম সোনাইমুড়ীর বজরা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের গনি মিয়ার ছেলে। স্থানীয়রা জানান, জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসির প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধরা বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে সোনাইমুড়ী-চৌমুহনী সড়কে গাছ কেটে অবরোধের চেষ্টা করে। এ সময় র‌্যাব সদস্যরা বাধা দিলে সংঘর্ষ বাঁধে। এক পর্যায়ে র‌্যাব সদ্যসরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে ৬জন গুলিবিদ্ধসহ অনেকে আহত হন। গুলিবিদ্ধদের নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় খোরশেদ শুক্রবার সকালে মারা যান।

কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরের প্রতিবাদে পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় ১৮ দলের মিছিলে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক বিএনপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত বিএনপি কর্মী শুক্কুর আলীরি (৩২) বাড়ি জিয়ানগর উপজেলার প্রত্তাশী ইউনিয়নে। আহতদের স্থানীয় ভাণ্ডারী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
যশোরের বাঘারপাড়ায় আগুন দিতে গিয়ে ট্রাক চাপায় নিহত হয়েছেন আশরাফুল (২০) নামে এক জামায়াত কর্মী। বাঘারপাড়া থানার ওসি এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহগাড়ায় ব্যাপক সহিংসতা চালিয়েছে জামায়াত-শিবিরকর্মীরা। এসময় তারা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে। এছাড়া চট্টগ্রামের বাঁশখালী বাজারে হামলা ও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে জামায়াত কর্মীরা।এদিকে কক্সবাজারের খুরুশকূল এলাকার পালপাড়া ও টাইমবাজারে সংখ্যালঘুদের পাঁচ-ছয়টি বাড়িঘরে হামলা করেছে জামায়াত-শিবিরকর্মীরা।

রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সংলগ্ন কাজলা এলাকায় ২৮নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তারের বাড়ির একটি ক্লাব ঘরে আগুন দিয়েছে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। এসময় তারা ওই নেতার বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গাজীপুর: গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলস্টেশনে পেট্রোল বোমা হামলা ও ভাঙচুর করেছেন শিবিরকর্মীরা। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

নড়াইল: জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এড. সুবাস চন্দ্র বোস এর বাড়িতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৪টায় স্থানীয় কমলাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে তার বাড়ির সম্পন্ন পুড়ে যায়। স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১ মিনিটে কাদের মোল্লাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।পরে রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে এম্বুলেন্স করে পুলিশ, র্যা ব ও বিজিবির কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ফরিদপুরের উদ্দেশে। ভোরে সদরপুরের আমিরাবাদে নিজ গ্রামে দাফন করা হয় কাদের মোল্লাকে।---ডিনিউজ

কানাইঘাটের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে আগুন, সড়ক অবরোধ, আ’লীগ সমর্থকদের বাড়ীতে হামলা ভাংচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
একাত্তরের মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করার পর কানাইঘাটের বিভিন্ন স্থানে গাড়ীতে অগ্নিসংযোগ, সরকারদলীয় সমর্থকদের বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর, রাস্তায় গাছ ফেলে অবরোধের খবর পাওয়া গেছে। কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকরের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে গোটা উপজেলায় জনমনে আতংক থমথমে অবস্থা বিরাজ করে। পৌর শহরের দোকানপাট রাত ৯টার পূর্বে বন্ধ হয়ে যায়। আতংকিত লোকজন যার যার নিরাপদে চলে যান। ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টায় দুর্বৃত্তরা সিলেট জেলা আ’লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাঁতবাক ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশের নিজবাড়ী জুলাই গ্রামে চড়াও হয়ে হামলা ও ভাংচুর করে। এসময় জুলাই গ্রামের আ’লীগ সমর্থক মাষ্টার আব্দুল হাই, ছাত্রলীগ কর্মী সাহেদ আহমদের বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় তারা জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের দায়ী করে বলেছেন, অতর্কিতভাবে তারা মুখোশ পরে বাড়ীতে হামলাও ভাংচুর করে। এছাড়া জামায়াত শিবিরের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জকিগঞ্জ-সিলেট সড়কের বাংলা বাজার হতে দর্পনগর পর্যন্ত বেশ কয়েক কিলোমিটার সড়কে গাছ কেটে ও ইট ফেলে সড়ক অবরোধ করে। গভীর রাতে এ সড়ক দিয়ে মালামাল নিয়ে যাবার পথে দুর্বৃত্তরা ৩টি ডিস্ট্রিক ট্রাক, ২টি ট্রলি গাড়ীতে আগুণ ধরিয়ে সম্পূর্ণভাবে পুড়িয়ে দেয়। বাংলা বাজার নামক স্থানে একটি ভেইলি ব্রীজের পাটাতন খুলে ফেলা হয়। এতে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা গাজী বুরহান উদ্দিন সড়কে নন্দিরাই ও নয়াগ্রাম হইতে চলিতাবাড়ী ব্রীজ পর্যন্ত বেশ কয়েক কিলোমিটার সড়কের গাছ ফেলে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। আজ সকাল ৯টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়ার নেতৃত্বে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরী বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের নিয়ে এ দু’টি সড়ক থেকে গাছের গুড়ি সরিয়ে ফেললে ১২টার দিকে পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়। অপরদিকে কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর নিয়ে নাশকতামূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধ করার জন্য কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, নির্বাচন অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণস্থানে পুলিশের পাশাপাশি ২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রশাসনিক এলাকায় নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুললেও গত দু’দিন ধরে পৌর শহরসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা চোখে পড়েনি বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। সরকার দলীয় সমর্থকদের বাড়ীতে সম্ভাব্য হামলা ঠেঁকাতে রাত জেগে বিভিন্ন স্থানে পাহারা বসানো হয়। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‌'কানাইঘাট নিউজকে'বলেন, কানাইঘাটে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিচ্ছিন্ন ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

কানাইঘাটে দু'শত বছরের পুরোনো গাছ ১লক্ষ ৪৯হাজার টাকায় বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী মুলাগুল বাজারে অবস্থিত দু'শ বছরের প্রাচীণতম অনুমানিক ১০লক্ষ টাকা মূল্যের ৩টি রেন্টি গাছ সরকারী নিলামে ১লক্ষ ৪৯হাজার টাকায় বিক্রির ঘটনায় এলাকা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানান, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র মুলাগুল বাজারে অবস্থিত এ প্রাচীনতম ৩টি রেন্টি গাছ সরকারী নিলামে বিক্রি করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে তৎপরতা চালিয়ে আসছিল। স্থানীয় লোকজনদের বাধায় তা সম্ভব হয়নি। গত বৃহস্পতিবার চুপিসারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ৩টি রেন্টি গাছ বিক্রি করার জন্য নিলাম আহ্বান করা হয়। নিলামে আসা অংশগ্রহণকারীদের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র মোটা অংকের অর্থের লেনদেন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ম্যানেজ করে ফেলে। এ সময় সেখানে রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রভাবশালীদের পদচারণা ছিল। নিলামে সিন্ডিকেট চক্রের কাছে ১লক্ষ ৪৯হাজার টাকা দর সাব্যস্থ করে গাছ ৩টি বিক্রি করা হয়। স্থানীয় লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, দু’শ বছরের পুরোনো অত্যন্ত মূল্যবাণ এ ৩টি গাছ রেন্টি গাছের বাজার মূল্য হবে ১০/১২ লক্ষ টাকা। মুলাগুল বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান এমনিতেই বাজারটি নদী ভাঙনে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে গাছগুলি নিলামে বিক্রি করা হলে বাজারটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এছাড়া লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর হাজার হাজার বারকি শ্রমিক কাজের ফাঁকে প্রশান্তি লাভ করতেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি সম্প্রতি কানাইঘাটে যোগদান করেছি। যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিলামে ৩টি রেন্টি গাছ ১লক্ষ ৪৯হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

কানাইঘাটে মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র আবু সুফিয়ানের মর্মান্তিক মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট জালালাবাদ কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র আবু সুফিয়ান (২০) কানাইঘাটে মর্মান্তিক মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে আবু সুফিয়ান তার নিজ বাড়ী কানাইঘাট উপজেলার লামা ঝিঙ্গাবাড়ী গ্রাম থেকে সিলেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মোটর সাইকেল যোগে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে কানাইঘাট তিনচটি নামক স্থানে রাস্তায় ফেলে রাখা ইটের সাথে তার মোটর সাইকেলটি ধাক্কা লাগলে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মারাত্মক আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তায় কলেজ ছাত্র আবু সুফিয়ান মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

কাঁদছে দক্ষিণ আফ্রিকা

Kanaighat News on Saturday, December 7, 2013 | 9:50 PM

ঢাকা : প্রিয় নেতার জন্য কাঁদছে দক্ষিণ আফ্রিকাবাসী। ভক্তরা ছবিতে কিংবা মূর্তিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে প্রয়াত নেলসন ম্যান্ডেলার প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাচ্ছেন। হাজার হাজার মানুষ ম্যান্ডেলার বাসভবনের সামনে উপস্থিত হয়ে নেতার কীর্তিগাথা স্মরণ করছেন। গাচ্ছেন বর্ণবাদবিরোধী গান। শুক্রবার সারারাত নির্ঘুম কাটান ভক্তরা।

বৃহস্পতিবার ৯৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন নেলসন ম্যান্ডেলা। ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দীর্ঘ ২৭ বছর কারান্তরালে ছিলেন তিনি। তার নেতৃত্বে পরিচালিত সংগ্রামের ফলেই এক সময়ের বর্ণবাদী দক্ষিণ আফ্রিকা এখন সব ধর্মের, সব মানুষের দেশ। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

আগামী ১৫ ডিসেম্বর প্রয়াত নেলসন ম্যান্ডেলার শেষকৃত্যানুষ্ঠান। এর আগে প্রতিটি দিনেই ভক্তরা রাস্তায় থাকবেন, প্রিয় নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। গাইবেন বর্ণবাদবিরোধী গান, জ্বালাবেন মোমবাতি, নেতার জন্য প্রার্থনা করবেন প্রাণ খুলে।

জোহানেসবার্গের যে বাড়িতে ম্যান্ডেলা মারা যান, সে বাড়ির সামনে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়ে দেশ ও মানুষের প্রতি ম্যান্ডেলার ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা নিয়ে আলোচনা করেন। একে অপরের সঙ্গে কষ্ট বিনিময় করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী প্রিটোরিয়ার ইউনিয়ন বিল্ডিংয়ের সামনে শুক্রবার হাজার হাজার লোক জড়ো হয়ে প্রয়াত নেতাকে স্মরণ করেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এ ভবনটিই ব্যবহার করেছিলেন ম্যান্ডেলা।

শুক্রবার প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমা ম্যান্ডেলার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এদিন সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে জুমা জানান, আগামী ১৫ ডিসেম্বর ম্যান্ডেলাকে তার পৈতৃক বাড়িতে সমাহিত করা হবে।

দীর্ঘ রোগভোগের পর বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে জোহানেসবার্গে নিজ বাসভবনে ম্যান্ডেলা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই মহান নেতার মৃত্যুতে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা নয়, গোটা বিশ্বই আজ শোকাহত।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ইসিতে পুলিশের চিঠি

ঢাকা : নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে অগ্রিম দেড়শ কোটি টাকা চেয়েছে পুলিশ প্রশাসন। গত বুধবার এ ব্যাপারে পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে ইসি সচিবালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। তবে আজ শনিবার পর্যন্ত এ ব্যাপারে ইসি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। আসন্ন ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ  প্রশাসন ইসির কাছে এ টাকা চেয়েছে।
এদিকে পুলিশের অগ্রিম টাকা চাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসি সচিবালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, সর্ব নির্বাচনেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালনের জন্য বরাদ্দের টাকা আগাম চেয়ে থাকে। এবারও চেয়েছে। আর প্রতিবারের মতো তাদের টাকা দেয়ার ব্যাপারে কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।
ইসি সূত্র জানায়, দেশব্যাপী সংঘাতে হামলার ঘটনায় পুলিশ বাহিনীর একটি বড় অংশ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় তাদের উৎসাহিত করতে প্রেরণা পুরস্কার হিসেবে ৪ কোটি ৫৫ কোটি টাকা দেয়ার প্রস্তাব করেছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। ইতিমধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে অগ্রিম টাকা চেয়ে ইসি সচিবালয়ে যে চিঠি পাঠানো হয়েছে তাতে নির্বাচনী কাজের জন্য ১৪৭ কোটি ৭২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪৩ টাকা আগাম চাওয়া হয়। এর মধ্যে গোয়েন্দা তৎপরতায় ১০ কোটি টাকা আর অন্যান্য খাতে ৩১ কোটি ১২ লাখ ১৪ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানানো হয়। বাকি টাকা যাতায়াত, যানবাহনের জ্বালানি, মেরামত ছাড়াও অন্যান্য খাতে খরচ করবে পুলিশ। আগামী ১৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ হওয়ার পরই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে বসবে ইসি। আর সে বৈঠকেই গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে কোন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কত সদস্য প্রয়োজন তা ঠিক হবে। এরপর তাদের মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হবে। এসব প্রক্রিয়া শেষ করার আগেই এবার আগাম টাকা চেয়েছে পুলিশ।
সূত্র আরো জানায়, গত ২৫ নভেম্বর ঘোষিত আসন্ন ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণের দিন হচ্ছে আগামী ৫ জানুয়ারি। কিন্তু বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮দলীয় জোট নির্বাচন বর্জনসহ প্রতিরোদের ঘোষণা দিয়েছে। এ অবস্থায় নির্বাচনে নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা, প্রতিদিনের কার্যক্রমের খরচ বাবদ নির্বাচন কমিশনের কাছে দেড়শ কোটি টাকা চেয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ইসি সচিবালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে নির্বাচনে নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা, প্রতিদিনের কার্যক্রমের খরচ বাবদ ১৪৭ কোটি ৭২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪৩ টাকা প্রয়োজন। তবে এ টাকার পরিমাণ গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে বেশি। এর কারণ হিসেবে পুলিশ প্রশাসন থেকে বলা হয়, ২০০৮ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোট কেন্দ্র ও জনবল বেড়েছে। যাতায়াত খরচ আড়াই গুণ আর পিওএল ও আনুষঙ্গিক খরচ দ্বিগুণ বেড়েছে।
উল্লেখ্য, ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব মিলিয়ে প্রায় ১৬৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল। আর এবার শুধুমাত্র পুলিশ বাহিনীই চেয়েছে প্রায় দেড়শ কোটি টাকা। এর বাইরে সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও বড় বাজেট রাখতে হবে। এজন্য সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনে ৫শ কোটি টাকা নির্ধারিত আছে। তবে এ বাজেটের ওপর আপত্তি জানিয়ে খরচ কমানোর পরামর্শ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।---ডিনিউজ

মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ১০ ডিসেম্বর

ঢাকা : যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর এবং জামায়াত-শিবিরের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশের ডাক দেয়া হয়।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান নৌপরিবহন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শাজাহান খান।

শাজাহান খান বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় যাতে কার্যকর না হতে পারে, সেজন্য বিএনপি-জামায়াত-শিবির-রাজাকার চক্র রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে বেশ কিছুদিন ধরে দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতা চালাচ্ছে। জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পোড়াচ্ছে, ভাঙছে। দেশের অগ্রসরমাণ জাতীয় অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংসের পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে তারা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যক্ষ আবদুল আহাদ চৌধুরী, কবীর আহাম্মদ খান, মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান বীর বিক্রম (অব.), মেজর ওয়াকার হাসান বীর প্রতীক (অব.), ইসমত কাদির গামা, মো. সালাহউদ্দিন, মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদ, হেমায়েতউদ্দিন বীর বিক্রম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সদস্যসচিব মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক মিয়া।--ডিনিউজ

ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সাংহাই, শিশুদের ঘরে থাকার নির্দেশ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: বায়ুদূষণের কারণে ভয়ঙ্কর সমস্যায় পড়েছে সাংহাইবাসী। শুক্রবার আবার গাঢ় ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল শহরের আকাশ। ধোঁয়ার কারণে দৃষ্টিসীমা নেমে এসেছিল মাত্র কয়েক মিটারে, পিছিয়ে গিয়েছিল অনেক ফ্লাইটের সময়সীমা এবং শিশুদের সরকারিভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ঘরের ভেতরে থাকার।
 
চীনের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত এই জনবহুল শহরটিকে এর আগেও বায়ুদূষেণের কারণে অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ শহর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা সাংহাই শহর কর্তৃপক্ষকে কয়েকবার বায়ু দূষণের বিপজ্জনক মাত্রা নিয়ে সতর্ক করে দেয়। এরই প্রেক্ষিতে সাংহাই শহর কর্তৃপক্ষ এর অধিবাসীদের জন্য কঠিনতর স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা জারি করেছে।
 
শহর কর্তৃপক্ষ তাদের সাম্প্রতিক সতর্কবার্তায় শিশুদেরকে ঘরের ভেতর রাখতে এবং বেশ কয়েকটি কারখানা বন্ধ কিংবা দ্রুত ছুটি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
 
জানা যায়, শুক্রবার সকাল থেকেই সাংহাইয়ের আকাশ হলুদ কুয়াশায় ঢেকে যায়। এর ফলে রাস্তায় লোক ও গাড়ি চলাচল কমে যায়। এদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারও রাস্তা থেকে তাদের ৩০ শতাংশ বাস সার্ভিস তুলে নেয়।
 
বিজ্ঞানীরা বলছেন, সাংহাইয়ের বাতাসে তারা ছোট এবং ক্ষতিকর পিএম ২.৫ কণার অস্তিত্ব পেয়েছেন। যা শুক্রবার শহরের বাতাসের প্রতি কিউবিক মিটারে ৬০২ দশমিক ৫ মাইক্রোগ্রাম ছিল। যা শহরের দূষণ মাত্রার ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।
 
এই দূষিত বায়ু যে শুধু সাংহাইবাসীকেই অসুস্থ করছে তা নয় একই সঙ্গে তা ছড়িয়ে পড়ছে পাশের প্রদেশগুলোতেও। মূলত কয়লা পোড়ানো, যানবাহন কল কারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ি বলে জানান তারা।
বাংলামেইল২৪ডটকম/এসএম 

বালিতে ঐতিহাসিক চুক্তিতে সম্মত ডব্লিওটিও


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে শনিবার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিওটিও’র সম্মেলনে একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে সম্মত হয়েছে সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য মন্ত্রীরা ।এতে করে বৈশ্বিক বাণিজ্য এক ট্রিলিয়ন বৃদ্ধি পাবে বলে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। বিবিসির অর্থনীতি বিষয়ক প্রতিনিধি এন্ড্রু ওয়াকার নতুন এই চুক্তিটিকে ডব্লিওটিএ’র একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন।
 
তবে উন্নত দেশের অর্থনীতিবিদরা এর সমালোচনা করেছেন।
 
বালি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ১৫৯টি দেশের অর্থমন্ত্রীরা দীর্ঘ আলোচনা শেষে চুক্তিতে সম্মত হন।চারদিনের এই সম্মেলন শুক্রবার শেষ হওয়ার কথা থাকলেও খসড়া ঘোষণা নিয়ে কিউবার আপত্তিতে তা ঝুলে ছিল। কমিউনিস্ট দেশটি বলছিল, খসড়া ঘোষণায় তাদের ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়।দীর্ঘ আলোচনার পর কিউবা শেষে রাজি হলে শনিবার সকালে স্বাগতিক দেশ ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী গিতা বির্যবান ঘোষণা দেন, “অবশেষে মতৈক্য হয়েছে।”
 
আর এই সময় সবার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক রবার্তো আসেভেদো বলেন, ‘ইতিহাসে এই প্রথম বিশ্ববাণিজ্য সংস্থায় সত্যিকার অর্থে কাজের কাজ হল।’ ১৯৯৫ সালে সংস্থাটি গঠনের পর এবারই প্রথম সর্বসম্মতভাবে কোনো চুক্তি অনুমোদন হলো।
 
আসেভেদো আরো বলেন,এই প্রথম সব সদস্য একসঙ্গে কাঁধ মিলিয়েছে। আমরা বিশ্বকে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থায় এক করতে পেরেছি।’
এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা কার্যত টিকে গেল বলে অর্থনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
 
বালিতে গৃহীত চুক্তির ফলে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পণ্য রপ্তানিতে বাধা কমেছে। খাদ্যে ভর্তুকি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর সুবিধাও বেড়েছে।
 
বাংলামেইল২৪ডটকম/ মাআ
 

৭২ঘন্টার অবরোধের প্রথম দিন কানাইঘাটে শান্তিপূর্ণ ভাবে পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
 ১৮ দলীয় জোটের দেশব্যাপী টানা ৭২ঘন্টা অবরোধের প্রথম দিনে কানাইঘাটের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে ১৮দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। মনসুরিয়া পয়েন্ট, গাজী বুরহান উদ্দিন বাজার,  সড়কের বাজার, গাছবাড়ী বাজার, রাজাগঞ্জ বাজার, সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের কটালপুর ও ঈদগাহ এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে অবরোধকারীদের কোথাও কোন ধরনের সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে অবরোধ ও আজকের সিলেট বিভাগে স্বেচ্ছাসেবক দলের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে আজ রাত ৭টায় কানাইঘাট পৌরশহরে স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল মিছিল করেছে। মিছিল পরবর্তী সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান সবুজ,  পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ আলী মেম্বার, রাশিদুল হাসান টিটু, বাবলা, থানা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা রুহুল আমিন, কলেজ সভাপতি আমিনুল ইসলাম, আমিন উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, বিজয় দাস, মঞ্জুর হোসেন, আদনান প্রমুখ।  

কানাইঘাটে বিরোধী দলের ৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
 কানাইঘাট পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক জালাল আহমদ জনি ও থানা  ছাত্রদল নেতা আব্দুল বাসিত, কবির আহমদ, বদরুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম, কাদির, শাব্বির ও জামায়াত নেতা কামাল উদ্দিনসহ ৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় ট্রাক পোড়ানের অভিযোগে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিরোধী দলের অবরোধ চলাকালে ৩ ডিসেম্বর ভোর রাতে দরবস্ত-কানাইঘাট সড়কের বিষ্ণুপুর (করচটি) এলাকায় দুর্বৃত্তরা একটি ট্রাক আটকিয়ে অগ্নিসংযোগ করে। এতে গাড়ির চালকসহ ৩ আহত হন। এ ঘটনায় থানার এস আই শেখ মঈনুল ইসলাম বাদী হয়ে উল্লেখিত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে ৪ ডিসেম্বর থানায় মামলা করেন। এদিকে স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সাজানো মামলার অভিযোগ এনে তার  তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কানাইঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ আলী, রাশিদুল হাসান টিটু, থানা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ। 

নিসচার উদ্যোগে কানাইঘাটে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
 দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তোরণের লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)র চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াছ কাঞ্চন কর্তৃক ঘোষিত দেশব্যাপী মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মের উপসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার অংশ হিসাবে নিসচার কানাইঘাট উপজেলা শাখার উদ্যোগে গত শুক্রবার বাদ জুমআ নিসচার অস্থায়ী কার্যালয়ে এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য মহান রাব্বুল আ’লামীনের নিকট অপার করুণা চেয়ে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে আবেগঘন দোয়া পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আব্দুল হক। পবিত্র কুরআনে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ ওলিউর রহমান। এ সময় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন নিসচার কানাইঘাট শাখার আহবায়ক সাংবাদিক মাহবুবুর রশিদ, সদস্য সচিব সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক  জামাল উদ্দিন, আব্দুন নূর, সদস্য বদরুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, রাসেল চৌধুরী, মাহফুজ সিদ্দিকী, আবুল খায়ের, হেলাল আহমদ, মাহবুব, রিয়াজ উদ্দিনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীরা।

রূপগঞ্জে ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিক্ষোভ

রূপগঞ্জ:  রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা ইউনিয়ন ছাত্রদল শনিবার বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় তারা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ভুলতা-মুড়াপাড়া সড়ক অবরোধ করে। যুবদলের কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-অর্থবিষয়ক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু সমর্থিত রূপগঞ্জ থানা ছাত্রদল নেতা সালাউদ্দিন দেওয়ান ও রাকিবের অনুসারি ভুলতা ইউনিয়ন ছাত্রদল এ বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভের নেতৃত্বে দেন ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মোমেন ও নাহিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল নেতা শাহিন, সৌরভ অপু, জাকির, মাহমুদুল্লাহ, ইব্রাহিম, আলমগীর মিজান মাহাবুব, ইস্রাফিল, আজিবর প্রমুখ। নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৭২ ঘন্টা অবরোধের প্রথমদিনে এক কর্মসূচি পালন করে তারা। অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন দাবি করেন। 

৮ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ৮ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের প্রধান জহুর আহমেদ চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুরাতন কাচারী ভবন সংলগ্ন তৎকালীন মহকুমা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে শত্রুমুক্ত করতে ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে জেলার আখাউড়া সীমান্ত এলাকায় মিত্র বাহিনী পাক বাহিনীর উপর বেপরোয়া আক্রমন চালাতে থাকে। ১ ডিসেম্বর আখাউড়া সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধে ২০ হানাদার নিহত হয়। ৩ ডিসেম্বর আখাউড়ার আজমপুরে প্রচন্ড যুদ্ধ হয়। এখানে ১১ হানাদার নিহত হয়। শহীদ হন ৩ মুক্তিযোদ্ধা। এরই মাঝে তৎকালীন তিতাস পূর্বাঞ্চল ও বর্তমান বিজয়নগর উপজেলার মেরাশানী, সিঙ্গারবিল, মুকুন্দপুর, হরষপুর, আখাউড়ার আজমপুর, রাজাপুর এলাকা মুক্তিবাহিনীর দখলে চলে আসে। ৪ ডিসেম্বর পাক হানাদাররা পিছু হটতে থাকলে আখাউড়া অনেকটাই শত্রুমুক্ত হয়ে পড়ে। এখানে রেলওয়ে স্টেশনের যুদ্ধে পাক বাহিনীর দু’শতাধিক সেনা হতাহত হয়। ৬ ডিসেম্বর আখাউড়া সম্পূর্ণভাবে মুক্ত হয়। এরপর থেকে চলতে থাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত করার প্রস্তুতি। মুক্তিবাহিনীর একটি অংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দক্ষিণ দিক থেকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে এবং মিত্র বাহিনীর ৫৭তম মাউন্টের ডিভিশন আখাউড়া-ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেললাইন ও উজানীসার সড়ক দিয়ে অগ্রসর হতে থাকেন। শহরের চতুর্দিকে মুক্তিবাহিনী অবস্থান নিতে থাকায় পাক সেনারা পালিয়ে যাবার সময় ৬ ডিসেম্বর রাজাকারদের সহায়তায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক কে.এম লুৎফুর রহমানসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে আটক থাকা অর্ধশত বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষকে চোখ বেঁধে শহরের  কুরুলিয়া খালের পাড়ে নিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে। ৭ ডিসেম্বর রাতের আধারে পাকিস্তানী বাহিনীর সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ছেড়ে আশুগঞ্জের দিকে পালাতে থাকে। ৮ ডিসেম্বর বিনা বাঁধায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে প্রবেশ করে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা উত্তোলন করে। মুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একই দিন সন্ধ্যায় জেলার সরাইল উপজেলা শত্র“মুক্ত হয়। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করে জেলা প্রশাসন। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে র‌্যালি ও আলোচনা সভা।---ডিনিউজ

অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগে ৫শ’ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা স্থগিত


ফেনী: ফেনীর পরশুরাম সরকারী ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ৫ শ’ শিক্ষার্থী প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা দিতে পারনি। গত শুক্রবার থেকে কলেজে পরীক্ষার শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য সকল শিক্ষার্থী যথাসময়ে কলেজে উপস্থিত হলেও কলেজ নেতারা তাদের পরীক্ষা অংশ নিতে বাধা দেয়। অতিরিক্ত ফিস আদায় করার অভিযোগে পরশুরাম সরকারী ডিগ্রী কলেজের ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাদের বিক্ষোভের মুখে প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা স্থগিত করে দেয়। এই সময় বিক্ষোভকারীর কয়েকজন সাধারন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরশুরাম সরকারী ডিগ্রী কলেজ সূত্রে জানা গেছে, একাদশ শ্রেনীর প্রায় ৫শ শিক্ষার্থী গত শুক্রবার থেকে প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা ছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি শিক্ষার্থীর ভর্তির পর থেকেই কলেজের বেতন ও ফিস বকেয়াসহ জন প্রতি ১৬শ টাকা নির্ধারন করা হয়েছিল।
কিন্তু কলেজের ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতারা শিক্ষার্থীদের বকেয়া পরিশোধে বাধা দেয়। এবং পুর্বে নিধারিত পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়। পরে কলেজ কর্তপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্বান্ত নেয়।
পরশুরাম সরকারী ডিগ্রী কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি মাঈন উদ্দিন মানিক জানান, কলেজ কতৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফিস আদায় করছে তাই শিক্ষার্থীরা ক্ষুদ্ব হয়ে পরীক্ষা অংশ গ্রহন থেকে বিরত থাকে।
পরশুরাম সরকারী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রমোদ কুমার নাথ বলেন, নির্ধারিত ফিস বেশী হলে শিক্ষার্থীরা আলোচনা করতে পারতো কিন্তু কলেজ প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ কওে সাধারন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অংশ গ্রহন করতে বাধা দেওয়া ঠিক হয়নি।

খালেদা-তারানকো বৈঠকে

ঢাকা : বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো। 

শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের বাসভবনে আসেন তারানকো।

সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মুবিন চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন গুলশানের বাসভবনে ঢোকেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে বৈঠক করেন তারানকো।--ডিনিউজ

এরশাদকে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকার আহ্বান বাবুনগরীর

ঢাকা : হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার বিকালে এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান। 

তিনি বলেন, দেশ ও জাতি এক গভীর সংকটময় মুহূর্ত অতিক্রম করছে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে পুরো জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। অথচ সরকার গণমানুষের এই দাবির প্রতি কোনরূপ তোয়াক্কা না করে দেশ ও জাতিকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। 

বাবুনগরী বলেন, গত কিছু দিন আগে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘তিনি দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা চান, প্রধানমন্ত্রীর পদ চান না’। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য যে কতটা অসার, তা বুঝতে এখন কারো বাকী নেই। ক্ষমতার মোহে সরকার এতটা অন্ধ হয়ে পড়েছে যে, জনসাধারণের মতামতের প্রতি কোন ভ্রƒক্ষেপই করছে না, এমনকি তাদের জান-মাল এবং দেশের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতেও তারা কুণ্ঠা করছে না। 

তিনি বলেন, বর্তমান গভীর রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পূর্বের অবস্থান থেকে ফিরে এসে সকল দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা দেশের জনসাধারণের প্রত্যাশাকে পূরণ করেছে এবং এটা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। কারণ, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিরপেক্ষ নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরীর জন্য তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। দেশের লাখ লাখ ওলামা-মাশায়েখ ও কোটি কোটি তৌহিদী জনতা জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান নাস্তিক্যবাদ প্রতিষ্ঠায় সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার হবেন, এটা কখনোই আশা করেন না।

তিনি আরো বলেন, এদেশের ইসলাম প্রিয় তৌহিদী জনতার ঈমানী ভিতকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য আমাদের প্রতিবেশী বৃহৎ রাষ্ট্রটি গভীর চক্রান্তে লিপ্ত। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসীরা ক্ষমতায় আসুক, তারা এটা কোনভাবেই চাচ্ছে না। কারণ, তারা জানে একজন ঈমানদার মুসলমান দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় কতটা দৃঢ় অবিচল থাকে। এবং তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্রে একমাত্র বাধা হচ্ছে এদেশের আলেম সমাজ ও তৌহিদী জনতা। সুতরাং তারা যেকোন ভাবেই চাইবে একটা সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদিদেরকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রেখে মুসলমানদের ঈমানী চেতনাকে ধ্বংস করে দিতে। 

হেফাজত মহাসচিব বলেন, সময় এসেছে ছোটখাটো মতভেদ ভুলে গিয়ে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী গণমানুষকে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াবার। অন্যথায় দেশ ও জাতি গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিতে পারে।----ডিনিউজ

রাজনৈতিক সংকট সমাধানে কাজী জাফরের পাঁচ দফা


ঢাকা : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির আলোচিত নেতা কাজী জাফর আহমদের রাজনৈতিক সংকট সমাধানের জন্য পাঁচ দফা দাবি পেশ করেছেন।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় চলমান রাজনীতি ও জাতীয় পার্টির অবস্থান নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।

প্রথমত, অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্দলীয় সরকার গঠনের জন্য জাতীয় সংলাপ শুরু করার উদ্যোগ নিতে হবে প্রেসিডেন্টকে।

দ্বিতীয়ত, সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, আ স ম হান্নান শাহ, সাদেক হোসেন খোকা, রুহুল কবির রিজভীসহ নেতাদেরকে মুক্তি দিয়ে সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

তৃতীয়ত, জনস্বার্থে সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষে সব রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের সামনে থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহার করতে হবে। সামগ্রিকভাবে মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

চতুর্থত, তথ্য প্রযুক্তি আইন বাতিল করতে হবে। সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দেয়াসহ বন্ধ হওয়া দুটি চ্যানেল অবিলম্বে খুলে দিতে হবে।

পঞ্চমত, বিদেশী শক্তির প্রচেষ্টায় গার্মেন্ট শিল্প ধ্বংসের জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সরকারকে এই ষড়যন্ত্র বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে।

এই পাঁচ দফা দাবি পেশ করার সময় সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কাজী জাফর খবরের কাগজের বরাত দিয়ে বলেন, এরশাদ সাহেব দল থেকে পদত্যাগ করে রওশন এরশাদকে ক্ষমতায় বসিয়েছেন। তিনি তার পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে কয়েকটি দলের সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে আন্দোলন করবেন বলে জানান। তিনি বলেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বিকল্প ধারা ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সঙ্গে তার দল আন্দোলন করবে।---ডিনিউজ

সাহস থাকলে দাবি দাওয়া নিয়ে রাজপথে আসুন : মায়া

ঢাকা : ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন,বিএনপি সহিংসতার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানো ও দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে। 

শনিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরোধবিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি গুহার ভেতর থেকে লাদেনের মতো সহিংস আন্দোলনের ফরমান দিচ্ছে।গোপন স্থান থেকে আন্দোলনের কর্মসূচি না দিয়ে সাহস থাকলে দাবি দাওয়া নিয়ে রাজপথে আসুন। তখনই বোঝা যাবে জনগণ আপনাদের দাবির পক্ষে কতটা সমর্থন দেয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ অবরোধ প্রত্যাহার করেছে, মানুষ তাদের সকল কাজকর্ম স্বাভাবিক নিয়মেই করছে। 

কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ আজিজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দীন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রচার সম্পাদক আব্দুল হক সবুজ প্রমুখ।---ডিনিউজ
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩