:: ২০১২ সালে ঘটে যাওয়া কানাইঘাটের আলোচিত ঘটনা ::

Kanaighat News on Monday, December 31, 2012 | 9:35 PM

নিজাম উদ্দিন/মাহবুবুর রশিদ/কাওছার আহমদ:
নানা ঘটনা-দূর্ঘটনা ও সুখ-দুঃখের মধ্য দিয়ে ২০১২সালকে বিদায় জানিয়েছে কানাইঘাটবাসী। বিদায় বছরে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ঘটনার মধ্যে কানাইঘাট পৌরসভার বিষ্ণুপুর গ্রামের কন্টুরী বেগমের কন্যা সুলতানা বেগম (১৮) সন্তানের স্বীকৃতি না পেয়ে আত্মহত্যা করলে প্রশাসনকে না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে লাশ দাফন করা হয়। সপ্তাহখানেক পর লাশ উত্তোলন করে ২৫ জানুয়ারী কানাইঘাট থানা থেকে সুলতানার আত্মহননের মামলাটি সিলেট ডিবি পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। ১৩ জানুয়ারী উপজেলার ওজানীপাড়া গ্রামের আলোচিত মহিলা জাহানারা বেগমকে প্রতারনা ও কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। এছাড়া জানুয়ারী মাসে উপজেলায় পর পর বেশ কয়েকটি দুধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হলে জানুয়ারীর শেষ সপ্তাহে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১৪ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। ১লা ফেব্রুয়ারী ইউসুফ (২৫) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করে। ৫ফেব্রুয়ারী কানাইঘাট মনসুরিয়া কামিল মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা চলাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক ১৮০টি মোবাইল সেট জব্দ হয়। ১২ফেব্রুয়ারী সড়কের বাজার আহমদিয়া আলিম মাদ্রাসার সুপার আব্দুস সামির অপসারণের দাবীতে এলাকাবাসী ও মাদ্রাসার ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয় ২৫জন। ২২ ফেব্রুয়ারী কানাইঘাট উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল বাছিত সিলেট রেল ষ্টেশনের নিকটে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের দায়ে আবুল কালাম (২২) নামের এক বখাটেকে ২৩ফেব্রুয়ারী ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৪মাসের কারাদন্ড প্রদান হয়। ৮মে লালারচক গ্রামের নুর উদ্দিনের বাড়ী থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আমেরিকান রিভলভার উদ্ধার করে র‌্যাব-৯। ১০মে উপজেলা লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের বড়চাতল পশ্চিম গ্রামের ছয়ফুল হক (৪২) কে নৃশংসভাবে খুন করে একই গ্রামের মখন মিয়ার পুত্র আব্দুল আলিম কংগ্রেস। ১৮মে কানাইঘাট থানা পুলিশের হাতে উপজেলার কুখ্যাত ডাকাত নিজ দলইকান্দি গ্রামের সাহাব উদ্দিন ওরফে ফকির ডাকাত (৩৭) গ্রেফতার হয়। একই দিনে মাদক সেবনের দায়ে নাজিম উদ্দিন নামে ২৮বছরের এক যুবককে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ১০দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়। ২৬ মে উপজেলার ১নং লক্ষিপ্রসাদ ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের হতদরিদ্র ঘরের ১২বছরের এক কিশোরীকে একই গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র মালিক উদ্দিন ধর্ষণ করলে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ৩০জুন এক কলেজ ছাত্রীকে উত্যাক্ত করায় কাওছার আহমদ খছরু (২০) নামে এক বখাটেকে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৪০দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান হয়। ১৪জুন কানাইঘাট থানা পুলিশ কর্তৃক উপজেলার মিকিরপাড়া গ্রামের রোস্তম আলীর মেয়ে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী শারমিন আক্তারের বাল্য বিবাহ পন্ড করে। একই দিনে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক কর্তৃক স্কুল ছাত্র হুমায়ুন রশিদ অপহরনের ঘটনায় ছোটদেশ গ্রামের স্কুল শিক্ষক ছাদ উল্লাহ মাষ্টার, একই গ্রামের ছয়ফুর রহমান নাজিম উদ্দিন এবং জকিগঞ্জ উপজেলার নয়াগ্রামের জয়নাল আবেদীনকে যাবৎ জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়। ২৫জুন উপজেলা সীমান্তবর্তী সোনাতন পুঞ্জি গ্রামে বিরোধপূর্ণ ভূমির দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে সিলেট মদন মোহন কলেজের একাউন্টস বিভাগের মাষ্টার্স ফাইন্যাল বিভাগের ছাত্র এবং সিলেট আইডিয়্যাল স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক বখতিয়ার আহমদ মুমিন (২৭)কে নৃশংসভাবে খুন করে প্রতিপক্ষ। ২৬জুন পারিবারিক কলহের জের ধরে ভাতিজাদের হাতে সোনাপুর গ্রামের বৃদ্ধ ফয়জুল হক হকাই (৭০) খুন হয়। পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে ২০০৮ সালের ১১অক্টোবর দিঘীর পাড় ব্রাহ্মণ গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক আবু তাহেরকে নিজ স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৪০) ও সৎ ভাই আব্দুর রহমান কর্তৃক খুন করার দায়ে গত ১৮জুন সিলেটের নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যালের বিচারক কর্তৃক স্ত্রী মনোয়ারাকে যাবৎ জীবন এবং সৎ ভাই আব্দুর রহমানকে ফাঁসির আদেশ প্রদান করা হয়। ১২সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য শাখা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদের সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় কানাইঘাট গাছবাড়ী বাজারে স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ধারা জারি করে। ২৪সেপ্টেম্বর সীমান্তের ১৩৩৬নং মেইন পিলারের নিকট বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে দুই বাংলাদেশী কাটুরিয়াকে গুলিবিদ্ধ করে বি.এস.এফ। জমি সংক্রান্ত জের ধরে ২৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মীর মোঃ আব্দুল্লাহ কর্তৃক উপজেলা সার্ভেয়ার নুরুল ইসলাম ও চতুল ভূমি অফিসের তহশীলদার মতিউর রহমান লাঞ্চিত হলে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে দুই বহিরাগত মহিলা কানাইঘাটের ভূঁয়া নাগরিকত্ব সনদপত্র দিয়ে প্রাইমারী শিক্ষক নির্বাচিত হলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। ১২অক্টোবর জৈন্তাপুর মডেল থানায় দায়েরকৃত একটি হত্যা মামলার আসামী কানাইঘাটের সীমার বাজারে ধরতে এসে জৈন্তা ও কানাইঘাট থানা পুলিশ স্থানীয় জনতার হামলার শিকার হয়। এতে পুলিশের ২কনস্টেবল আহত হন। এসময় হত্যা মামলার আসামীকে হাতকড়াসহ ছিনতাই করে নিয়ে যায় জনতা। ১৫অক্টোবর কানাইঘাট থানা পুলিশের হাতে উপজেলার বাউরভাগ গ্রামের কুখ্যাত ডাকাত কালা মিয়া (৫০) ও তার পুত্র মিজানুর রহমান (২০) গ্রেফতার হয়। ২২অক্টোবর উজান ভারাপৈত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন একটি ভবনের একাংশের পাঁকা ভাঙার সময় চাপা পড়ে ৩শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। ৩ নভেম্বর কানাইঘাট পৌরসভার শিবনগর হাওরে বাউল গানের আসরকে কেন্দ্র করে জিহাদ আহবানকারীদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হয় নিরীহ আব্দুল মালিক এবং আহত হন ১৫জন। উপজেলার বীরদল ভাড়ারীফৌদ গ্রামের এক পাষন্ড মা তার মেয়ে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী নাজিয়া আক্তারকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বকভাবে বাল্য বিবাহ দিলে ৯নভেম্বর মা পারভীন বেগমকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। ২২নভেম্বর জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কানাইঘাট পৌরসভার নিজ চাউরা দক্ষিণ গ্রামের আপন ভাই ও ভাতিজার লাঠির আঘাতে ৭০বছরের বৃদ্ধ আজিজুল হক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ৩০নভেম্বর কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারীতে সরকারী ভূমি খোড়ে পাথর উত্তোলনের ঘটনায় এবং সরকারের ৩০ল টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে আলোচিত পাথর ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল মালিকসহ ৪০জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে কানাইঘাট থানা পুলিশ। ১লা ডিসেম্বর কানাইঘাট বাজারে একই সময়ে কানাইঘাট পৌর আ’লীগ ও উপজেলা জামায়াতে ইসলাম পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকলে স্থানীয় প্রশাসন পৌর এলাকায় ১৪৪ধারা জারি করে। ১৭ডিসেম্বর উপজেলার ৩নং দিঘীরপাড় ইউপির দোয়ারামাটি গ্রামে হাসের ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে আপন পুত্র সেলিম আহমদের হাতে গুরুতর আহত পিতা আব্দুল হান্নান আখলিছ মিয়া (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ডিসেম্বর সিলেট ওমেক হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।

!! কানাইঘাট নৈশ্যপ্রহরী কর্তৃক নতুন বছরের পাঠ্যবই সরানোর সময় ধরা পড়ার অভিযোগ !!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের নৈশ্যপ্রহরী রফিক আহমদ কর্তৃক নতুন বছরের মাধ্যমিক স্কুলের বিনামূল্যে বিতরণকৃত পাঠ্যবই একটি ভ্যানযুগে পাঠ্যবই বিতরণ কেন্দ্র কানাইঘাট মনসুরিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে গতকাল অন্যত্র সরানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, নতুন বছরের প্রথম দিনে মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণকৃত বই গতকাল মনসুরিয়া কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠানো হয়। এক পর্যায়ে বেলা অনুমান দেড় টায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী হাবিব আহমদ ও ফিরোজ আহমদ এবং মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক মনসুরিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে নাস্তা করতে যান। এরই ফাঁকে নৈশ্যপ্রহরী রফিক আহমদ একটি ভ্যান এনে নতুন বই ভর্তি করে অন্যত্র চুরির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার পথে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী সহ কয়েকজন শিক্ষক মনসুরিয়া মাদ্রাসা পয়েন্টে বই ভর্তি ভ্যানটি আটক করে বইগুলো কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। এ সময় ভ্যানের মালিক তাদেরকে জানায় রফিক আহমদ বইগুলি তার ভ্যানে তুলেন। তবে নৈশ্য প্রহরী রফিক আহমদ বইগুলো চুরির উদ্দেশ্য নয়, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানোর উদ্দেশ্যে ভ্যানে তোলা হয়েছিল। স্থানীয় অফিস পাড়ার লোকজন জানিয়েছেন, রফিক আহমদের চরিত্র ভালো নয়। সে কানাইঘাট মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে নৈশ্য প্রহরী পদে চাকুরী করলেও বিভিন্ন সময় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে থাকে। পূর্বে শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে একটি বিয়ে করলে নারী নির্যাতন মামলায় দীর্ঘদিন হাজত বাস করে। তাকে কানাইঘাট থেকে অন্যত্র বদলীর আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

:: কানাইঘাটে যুবলীগ নেতার পিতার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট উপজেলার ৭নং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপির ব্রাহ্মণগ্রাম নিবাসী এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য জিয়া উদ্দিনের পিতা হাজী সাইফুল্লাহ (৬৫) গত বৃহস্পতিবার নিজ বাড়ীতে বার্ধক্য জনিত রোগে ইন্তেকাল করেছেন। এদিকে যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিনের পিতা হাজী সাইফুল্লাহর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ আহমদ, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সদস্য ওলিউর রহমান, কানাইঘাট পৌর আ’লীগের আহবায়ক জামাল উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কেএইচএম আব্দুল্লাহ, যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সেলিম খান, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মাসুক আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, মীর মোঃ আব্দুল্লাহ, যুক্তরাজ্য শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সারোয়ার কবির, যুক্তরাজ্য লন্ডন শাখা ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ শাহীন, উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল ইসলাম হারুন, যুগ্ম আহবায়ক শাহাব উদ্দিন প্রমুখ।

!! রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ফাটলের সৃষ্টি !!

Kanaighat News on Sunday, December 30, 2012 | 7:43 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে ফাঁটলের সৃষ্টি হয়েছে। এতে কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ কাজের অনিয়ম ও ভবন ফাঁটলের অভিযোগ এনে সিলেট শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। জানা যায়, চলতি ২০১১-১২ অর্থ বছরে কানাইঘাট রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের দু’তলার ৪টি ও নিচ তলার ১টি করে কাজের দরপত্রের আহবান করা হলে কাজটি পায় পিনু এন্ড কানু ট্রেডার্স। এতে বরাদ্দ হয় ৫৭ লক্ষ ৫৯ হাজার ২শত ৪৪ টাকা ৭৫ পয়সা। নির্মাণকাজের শুরু থেকেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় সিমেন্ট ও অন্যান্য মালামাল যথাযথ ভাবে ব্যবহার না করে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়। এতে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিম্নমানের কাজের অভিযোগ এনে ঠিকাদার আব্দুল কাইয়ুম ও কর্তব্যরত উপসহকারী প্রকৌশলী সামাদ মিয়াকে আপত্তি জানালেও তাতে তারা কর্ণপাত করেননি। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ঠিকাদার আব্দুল কাইয়ুম নিজের ইচ্ছামতো কাজ করতে থাকেন। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই সম্পূর্ণ ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাঁটলের সৃষ্টি হলে শিক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতংক দেখা দেয়। বিষয়টি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মামুন আহমদ সিলেট জোনের শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগে লিখিত ভাবে একটি অভিযোগ দায়ের করলে গত শুক্রবার সিলেট জেলা প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি নিম্নমানের কাজের অভিযোগের সত্যতা পান। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মামুন আহমদ বলেন, কাজের সিডিউল অনুযায়ী নির্মাণ কাজ না করায় ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়েছে। কাজের শুরুতেই কর্তব্যরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী সামাদ মিয়া ও ঠিকাদার আব্দুল কাইয়ুমকে বার বার কাজের গুণগত মান নিয়ে আপত্তি জানালে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সামাদ মিয়া নিজের নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে অক্ষমতা প্রকাশ করেন এবং তিনি বলেন, কাজের সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদার আব্দুল কাইয়ুমের সাথে কথা বলার জন্য। ঠিকাদার আব্দুল কাইয়ুমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কাজের সিডিউল অনুযায়ী তিনি নির্মাণ কাজ করেছেন। এমতাবস্থায় অভিভাবক ও এলাকার সচেতন মহল ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে আশংকা প্রকাশ করে বলেন, অনতিবিলম্বে সঠিক তদারকী ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে একাডেমিক ভবনটি ব্যবহারের উপযোগী করা না হলে চট্টগ্রামের মতো বড়ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।



:: খালাফ হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসির আদেশ ::

গত ৫ মার্চ মধ্যরাতে কূটনীতিক পাড়া গুলশানে সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলী (৪৫) নিজ বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন । ৬ মার্চ ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর ৭ মার্চ এসআই মোশারফ হোসেন গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আর সাড়ে চার মাস পর চারজন 'ছিনতাইকারীকে' গ্রেপ্তার করে পুলিশ।





ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. ওবায়দুল হক গত ২০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয়ার পর ৩১ অক্টোবর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। আসামি আল আমীন বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, সাইফুলসহ বাকি চারজন ওই রাতে খালাফকে ঘিরে ধরেন এবং তার কাছে ডলার চান। ডলার না দেয়ায় তাদের মধ্যে ধস্তাধাস্তি হয়। পরে সাইফুল তার হাতে থাকা রিভলবার দিয়ে খালাফকে গুলি করে পালিয়ে যান। তদন্ত কর্মকর্তা এ কথাগুলো অভিযোগপত্রেও উল্লেখ করেন।





মামলায় চার্জ গঠনের পর মাত্র দুই মাসের মধ্যেই এ বিচার কাজ শেষ করে নিহত সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় ৫ আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন এ রায় দেন। সর্বোচ্ছ সাজাপ্রাপ্ত ৫জনের মধ্যে চার আসামি সাইফুল ইসলাম ওরফে মামুন, মো. আল আমীন, আকবর আলী লালু ওরফে রনি ও রফিকুল ইসলাম খোকন আটককৃত অবস্থায় কারাগারে আছেন। রায় ঘোষনার দিন সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।



অপর আসামি সেলিম চৌধুরী ওরফে সেলিম আহম্মেদ মামলার শুরু থেকেই পলাতক।



উল্লেখ্য গত ১০ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার চার আসামি আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করে। রাষ্ট্রপক্ষের এ মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষ্য দেন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ২০ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ দেয়া হয়। আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন হাবিব উল্লাহ ও সাইফুল ইসলাম খন্দকার পলাশ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এস এম রফিকুল ইসলাম।(ফেয়ার নিউজ)



II দেশজুড়ে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত II

Kanaighat News on Saturday, December 29, 2012 | 9:53 PM

দেশজুড়ে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে উত্তরী হাওয়া যোগ হওয়ায় দেশে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে মৃত্যু হয়েছে ৩ জন করে ৬ জন্যের। এছাড়া সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ, গাজীপুরের কালীগঞ্জে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল বিভাগে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহ বইছে ঢাকা বিভাগের কিছু জেলাতেও। তবে ঢাকা মহানগরী রয়েছে শৈত্যপ্রবাহের বাইরে। এ পরিস্থিতি চলবে আরও দু'দিন। শৈত্যপ্রবাহে গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে- ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, উত্তরী হাওয়ায় শীতের সঙ্গে দেখা দিয়েছে কুয়াশা। এতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানচলাচল ব্যাহত করছে।



তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায় ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গতকাল তা দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে ঠাণ্ডা হাওয়ার কারণে নগরীতে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। তিনি বলেন, জানুয়ারিতে দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ (তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে) বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীতে উত্তরাঞ্চলে শিশু ও নবজাতকদের মধ্যে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়েছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাতে তাপমাত্রা হালকা কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। দিনভর শুকনো আবহাওয়া থাকলেও আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা থাকবে। অন্যত্র মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, মাসের শেসার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে (১-২টি) মৃদু বা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঢাকায় তাপমাত্রার তারতম্য কমতে থাকায় মানুষ বেশি মাত্রায় শীত অনুভব করছে।



বাড়তি মাত্রায় শীত অনুভূত হওয়ার বিষয়ে হাফিজুর রহমান বলেন, পৌষের মাঝামাঝি এসে দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যেমন কমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও কম থাকে। এ দু'য়ের পার্থক্য কম থাকায় কুয়াশা বাড়ে। সঙ্গে হিমেল হাওয়া যোগ হলে বাড়ে শীতের অনুভূতি। গত বছরও এ রকম সময়ে এমন আবহাওয়া ছিল। তিনি জানান, এবারও পৌষের প্রথম দু'দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায় রাজশাহী অঞ্চলে। গত শনিবার ঈশ্বরদী ও চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। পরে তা ফরিদপুর ও বরিশালেও বিস্তৃত হয়। এদিকে, চলমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ভাসমান মানুষদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক শীতার্ত মানুষদের শীতবস্ত্র দিতে কয়েক দিন আগেই সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে নির্দেশ পাঠিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে মাওয়া ও পাটুরিয়ায় নদী পারাপার ব্যাহত হচ্ছে। সময় মেনে চলতে পারছে না দূরপাল্লার বাসও।লালমনিরহাট প্রতিনিধি জানান, লালমনিরহাটে কনকনে শীতে গতকাল ২ শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে শিশুরা। সকাল ৬টায় লালমনিরহাট সরকারি হাসপাতালে শীতে ৭ মাসের শিশু আসমা মারা যায়। হাতিবান্ধা উপজেলার চর গড্ডিমারী এলাকায় কায়েস আলী নামের এক বৃদ্ধ মারা যায়। এছাড়া কালীগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।



স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম থেকে জানান: কুড়িগ্রামে শীতজনিত রোগে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ভোরে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে এক দিন বয়সী একজন শিশু নিউ বেবী ও জয় (৯মাস) নামে দু'শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সকালে সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সন্ন্যাসী গ্রামের কেতকেতু (৫২) নামে এক বৃদ্ধ মারা গেছে। এ নিয়ে জেলায় চলতি শীত মওসুমে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮ জনে। এর মধ্যে শিশুর সংখ্যা ১৯ জন। কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে আছে জনজীবন। শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত শহরের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার ভোরে এই হাসপাতালে নিউ বেবি ও জয় (৯ মাস) নামে দু'শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শীতজনিত বিভিন্ন রোগে প্রায় অর্ধশত শিশু এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রচণ্ড শীতে হিমালয় পাদদেশীয় এ অঞ্চলের জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। কুড়িগ্রামের ধরলা, ব্রহ্মপুত্র তিস্তা, দুধকুমোরসহ ১৬টি নদ-নদীর ৪শ' ৫টি চর-দ্বীপচরের ও বাঁধের পারের প্রায় ১০ লাখ দুস্থ গরিব শ্রেণীর বস্ত্রহীন মানুষ দুঃসহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। টানা ১০ দিন থেকে শৈত্যপ্রবাহে মানুষের দুর্গতি আরও চরমে উঠেছে। সরকার কুড়িগ্রাম জেলার শীতার্ত মানুষের সহায়তায় তিন দফায় ১৭ হাজার ৬৮৮টি কম্বল বরাদ্দ দিয়েছে। এসব কম্বল ইতোমধ্যে ৭২টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌর এলাকায় বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসক জরুরিভিত্তিতে আরও ২০ হাজার কম্বল চেয়ে ঢাকায় ফ্যাক্সবার্তা পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক প্রতিপ কুমার মণ্ডল জানান, তীব্র শীতে আগাম জাতের আলু ও ধানের চারায় কোল্ড ইনজুরি রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বীজতলায় সম্প�রক সেচ ও ওষুধ সেপ্র করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।



রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি জানান, ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পালট ও বড়ইয়া গ্রামের পাঁচ শতাধিক প্রতিবন্ধীরা প্রচণ্ড শীতে গরম কাপড় ছাড়াই অত্যন্ত মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। বিষখালি নদীর তীরবর্তী ভাঙন কবলিত সহায় সম্বলহীন এসব প্রতিবন্ধীরা ঝুপড়ি ঘরে শীতের সঙ্গে যুদ্ধ করেই দিনাতিপাত করছেন। গত তিনদিনের একটানা শৈত্যপ্রবাহ ও প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় ১২ প্রতিবন্ধীর অসুস্থতার খবর পাওয়া গেছে। দুই শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তান কাদের ও মনিরের মা কুলসুম বেগম বলেন, প্রচণ্ড শীতে দুই সন্তানকে নিয়ে ঠাণ্ডায় রাত কাটাতে প্রচণ্ড কষ্ট হয় তাদের। সেজন্য মাটির পাত্রে আগুন নিয়ে তারা রাতযাপন করেন। সেও একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। প্রচণ্ড শীতে গরম কাপড় ছাড়াই দিনযাপনে প্রতিবন্ধী গ্রামের ১২ অসহায় প্রতিবন্ধীর অসুস্থতার খবর নিশ্চিত করেছেন পালট বড়ইয়া প্রতিবন্ধী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলমগীর শরীফ। অসুস্থ প্রতিবন্ধীরা হলেন- অহিদ, কুলসুম, সিমা আক্তার, শিরিন, আছিয়া বেগম, ফজলে আলী শরীফ, রহিম মোল্লা, কাদের ও মনির।স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকে জানান, 'টাকাও চাহিয়ে না, খাবার চাহিয়ে না, হামাক একটা শীতের কাপড়া দেন, হামার বড় ছোঁয়ালরা রাইতোত ঠাণ্ডায় মরি যাছে। হামাক এ্যানা বাঁচিরার ব্যাপস্থা করিয়া দ্যান' -এই আকুতি দিনমজুর রমজান আলীর। দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পলাশবাড়ি এলাকার রমজান এসেছেন, কাজের খোঁজে দিনাজপুর শহরের ষষ্ঠিতলা শ্রমবাজারে। সেখানে এ কথাগুলো বলছিল কাজে নিতে আসা লোকের সামনে। বলছিল, আজ কাজের পারিশ্রমিক হিসেবে সে একটা শীতবস্ত্র (কম্বল) নেবে। এ শীতবস্ত্র যে দেবে, তার কাজ করবে সে। শুধু রমজান নয়, এমন অবস্থা অনেকের। ঘন কুয়াশা, গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো শৈত্যপ্রবাহ আর কনকনে শীতে কাবু হয়ে পড়েছে উত্তরের সীমান্ত জেলা দিনাজপুরের মানুষ। প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবি-হতদরিদ্র, ছিন্নমূল মানুষ। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানষের বেড়েছে চরম দুর্দশা। ঠাণ্ডার কারণে বের হতে পারছেন না তারা ঘরের বাইরে।



দিনাজপুরের প্রায় ৩০ লাখ মানুষের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিতরণ করা হচ্ছে ৭ হাজার কম্বল। যা অত্যন্ত অপ্রতুল। শীত ও শৈত্যপ্রবাহে নাকাল হয়ে পড়েছে হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ। উত্তরের জেলা দিনাজপুরে শৈত্যপ্রবাহ আর শীতে জবুথবু অবস্থা। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষের বেড়েছে চরম দুর্দশা। শৈত্যপ্রবাহ, শীত ও ঘন কুয়াশায় নাকাল হয়ে পড়েছে হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে সীমাহীন কষ্টে দিনাতিপাত করছেন তারা। অনেকেই খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও রাস্তায় যানবাহন চালাতে হচ্ছে হেড লাইট জ্বালিয়ে। এরপরও রাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। হঠাৎ করে গতরাত থেকে ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। ঠিকমতো উঠছে না সূর্য।তীব্র শীতের কারণে দেখা দিয়েছে নানা রোগ। হাসপাতালে বেড়ে চলেছে শিশু ও বয়স্ক রোগী সংখ্যা। অন্যদিকে ঘন কুয়াশায় বিনষ্ট হচ্ছে বোরো বীজতলা ও আগাম জাতের আলুসহ বিভিন্ন ফসল। কৃষকরা ফসল নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এ বছরে শীত মওসুমে এ পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানুয়ারির প্রধম দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন, দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।



মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান, মৌলভীবাজারে কনকনে ঠাণ্ডা আর অব্যাহত শৈতপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চলতি মাসে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ভর্তি হয়েছেন প্রায় এক হাজারের মতো শিশু। প্রতিদিন নিমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শতাধিক শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে। ডাক্তাররা শিশু রোগী দেখতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন।হাওর, নদী, পাহাড় ও টিলাবেষ্টিত মৌলভীবাজার জেলায় বরাবরই শীতের প্রকোপ অন্যান্য এলাকার চেয়ে একটু বেশি। এবারে পৌষের শুরুতেই এ জেলায় শীতের তীব্রতা প্রচণ্ডভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস সে সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ ও ঘনকুয়াশা মানুষজনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। সবচেয়ে বেশি কাহিল করেছে বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের। ঠাণ্ডায় নানা রকমের রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে শিশুরা। মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চলতি ডিসেম্বর মাসে ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, প্রায় এক হাজার শিশু। এরা প্রত্যেকেই নিমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিযায় আক্রান্ত। ২৫০ শয্যা মৌলভীবাজার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার দীনেশ সূত্রধর চলতি ডিসেম্বর মাসে ১২ শিশুর মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ঠাণ্ডার কারণেই শিশুদের নানা রোগ দেখা দিয়েছে। তবে তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন যাতে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে। এছাড়া শিশুর পিতামাতাক পরামর্শ দিয়েছেন, সবসময় শিশুকে গরম কাপড়মোড়া দিয়ে রাখতে। এছাড়াও শিশুর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে আসার কথা বলেছেন। এদিকে শিশু ওয়ার্ড সূত্রে জানা গেছে, শ্বাসকষ্ট ও নিমোনিয়ায় এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৫৪ জন শিশু। তাছাড়া ডায়রিয়ায় ভর্তি হয়েছে, ৩৬৫ জন শিশু। অপরদিকে বহির্বিভাগে ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়াতে চিকিৎসা দিতে ডাক্তাররা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার (২৮শে ডিসেম্বর) মৌলভীবাজারের তাপমাত্রা সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গলে রেকর্ড করা হয়েছে সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস (শ্রীমঙ্গল)-এর সিনিয়র অবজারভার গৌতম আচার্য আরও জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহ ও কনকনে ঠাণ্ডা আরও ২ সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।



স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে জানান, গত কয়েকদিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ চলছে, বাড়ছে কনকনে শীত। ঘনকুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে শীতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে গোটা শহর। দুপুর ৩টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। ফলে শীতের তীব্রতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তীব্র শীতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে করে তুলেছে স্থবির। সূর্যের কিরণ থেকে উষ্ণতা না পাওয়ায় কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে শীতার্ত ছিন্নমূল মানুষের এখন জবুথবু অবস্থা। গত কয়েক দিনের চেয়ে গতকাল শুক্রবারের তাপমাত্রাও কমেছে। দিনভর ঘন কুয়াশা এবং ঠাণ্ডা বাতাসের করণে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। শীতবস্ত্রের অভাবে দারুণভাবে কষ্ট করছে অসহায় হতদরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ। অনেককেই খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। এ পরিস্থিতিতে শীতবস্ত্র বিতরণে নেই সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ের কোন উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। ফলে বাড়ছে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ। এদিকে সবচেয়ে দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের। প্রচণ্ড শীতের কারণে ঘর থেকে কাজে বের হতে পারছে না তারা। এছাড়া রেলওয়ে স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড এবং ফুটপাত এবং বাণিজ্য কেন্দ্রের খোলা বারান্দায় আশ্রয় নেয়া ছিন্নমূল মানুষের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।



তীব্র শীতের কারণে শুক্রবার ছুটির দিনেও ফুটপাথসহ শহরের বিভিন্ন দোকানে শীতবস্ত্র বিক্রির হিড়িক পড়েছে। শহরের অলিগলিতে বসা ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। সারা দিনে চলে শীতবস্ত্র বিকিকিনি। লোকের ভিড়ে অনেক রাত পর্যন্ত সরগরম থাকে দোকানগুলো। লেপ-তোষক তৈরির কারিগররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। শীতের কারণে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন ধরনের শীতজনিত রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। খুলনার শিশু হাসপাতালে রোগীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হাসপাতালের বারান্দায় মেঝেতেও রোগীদের ঠাঁই মিলছে না। সবমিলিয়ে শীত ও শৈত্যপ্রবাহের ফলে শিল্প ও বন্দরনগরী খুলনার জনজীবন বিপন্ন। উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি জানান, ঘনকুয়াশা এবং কনকনে ঠাণ্ডায় কাহিল অবস্থা হয়েছে উত্তর জনপদের ৮ জেলার দরিদ্র মানুষ। সরকারিভাবে শীতবস (ফেয়ার নিউজ)

II দিল্লির ধর্ষিত তরুণীর মৃত্যু II

গত ১৬ ডিসেম্বর ধর্ষণ ও মারধরের পর ২৩ বছরের ওই মেডিকেল ছাত্রীকে দিল্লির রাস্তায় চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেয় ছয় পুরুষ সহযাত্রী। দিল্লির হাসপাতালে তিনটি অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বুধবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ওই তরুণীকে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে নেয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২৭ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয় তরুণীটিকে। ভর্তি করা হয় মাউন্টি এলিজাবে- হাসপাতালে। ওই হাসপাতালেই শনিবার ভোর পৌনে ৫টায় (স্থানীয় সময়) চিকিৎসকরা ওই তরুণীকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেলভিন লোহ এক বিবৃতিতে বলেন, �আমরা দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে রোগীটি মারা গেছেন।



ওই তরুণী ধর্ষিত হওয়ার পর ভারতজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ধর্ষণকারীদের মৃত্যুদণ্ড এবং নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মিছিল, সমাবেশ ও বিক্ষোভ চলছে দেশটিতে। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এই পর্যন্ত ছয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। ধর্ষিত তরুণীর পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা না হলেও ভারতের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার নাম আমানত। (ফেয়ার নিউজ)



এটিএম কার্ড দিয়ে যে কোন বুথ থেকে টাকা তোলা যাবে

নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি এড়াতে এখন থেকে বাড়তি সার্ভিস চার্জ ছাড়াই এটিএম কার্ডধারীরা যে কোন ব্যাংক (এক ব্যাংকের কার্ডধারি অন্য ব্যাংকে) থেকে বুথের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। ন্যাশনাল পেমেন্ট স্যুইচের (এনপিএস) আওতায় প্রত্যেক এটিএম কার্ড ব্যবহারকারী এখন থেকে এ সুবিধা পাবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান এ পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, এর মাধ্যমে সব ইলেকট্রনিক হস্তান্তরকে এক প্লাটফরমে আনা সম্ভব হয়েছে। এতে নিরাপদ ও সহজে লেনদেন সম্পন্ন হবে। সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা, বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির প্রেসিডেন্ট ও বেসরকারি এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল আমীন, পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমেদ চৌধুরী, সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আহসানউল্লাহ ও দাশগুপ্ত অসীম কুমার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।



সভায় জানানো হয়, শুরুতেই বেসরকারি খাতে পূবালী, সাউথইস্ট ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এনপিএস কার্যক্রমের আওতায় আসছে। পর্যায়ক্রমে বাকি ব্যাংকগুলোকেও এ প্রকল্পের অধীনে আসবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় এর বাস্তবায়ন হয়েছে। ব্যাংকগুলো পৃথকভাবে এ পদ্ধতি চালু করলেও এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে সার্বিক ব্যাংকিং খাতের প্রধান মনিটরিং সার্ভার হিসেবে কাজ করবে। যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সার্ভারের এক যোগসূত্র থাকবে। এক্ষেত্রে যদি কোন এটিএম কার্ড ব্যবহারকারী অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করে টাকা তুলে তাহলে মনিটরিং সার্ভারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তোলনকারীর ব্যাংক থেকে টাকা ধার করে ওই এটিএম বুথের স্থাপনকারীর ব্যাংকে ধার শোধ করে দেবে। এতে ব্যাংকের ব্যয় কমার পাশাপাশি গ্রাহকরা নিরাপদ লেনদেন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকে সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে, এ পদ্ধতির মাধ্যমে তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রায় তিন হাজার এটিএম বুথ ও আড়াই হাজার পয়েন্ট ওভার সেল (পিওএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবা পাবেন গ্রাহকরা। যার মাধ্যমে সব ব্যাংকিং লেনদেন নিরাপদ ও সহজ হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর অবকাঠামোগত ব্যয় কমবে। সেই সঙ্গে নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি ও কমবে।

:: কানাইঘাটে তীর খেলার নামে ভারতে পাচার হচ্ছে লাখ লাখ টাকা ::

Kanaighat News on Thursday, December 27, 2012 | 8:49 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাটে ভারতীয় তীর খেলার নামে একটি চক্র প্রতিদিন শ্রমজীবি মানুষকে লোভের ফাঁদে ফেলে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। আর এ টাকা পাচার হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তীর খেলার আয়োজককারীদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এই চক্রটি ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। প্রকাশ্যে কানাইঘাট বাজার, চতুল বাজার, চতুল ঈদগাহ, সুরইঘাট বাজার, সড়কের বাজার, গাছবাড়ী বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে এজেন্টের মাধ্যমে কুপন কেটে খেলা চলছে। লটারীর নামে সর্বনিম্ন ১০টাকা থেকে শুরু করে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত কুপন কেটে স্থানীয় লোকজনদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। আর এ প্রলোভনে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছে অনেকে। একটি সূত্রে জানা যায়, ১০ টাকার কুপন কেটে কোটিপতি হওয়ার আশায় প্রতিদিন শত শত শ্রমজীবি মানুষ ও যুবসমাজ তীর খেলার কুপন কেটে থাকে। ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এ খেলার ড্র সপ্তাহে ৬দিন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ভারতীয়দের এজেন্ট হিসাবে এ খেলার কুপন কেটে টাকা গ্রহণ করেন কানাইঘাটের ডালাইচর গ্রামের জামাল উদ্দিন, আলিম উদ্দিন, রহিম উদ্দিন, সুরইঘাটের কবির, চতুল ঈদগাহের তাজ উদ্দিন এবং জৈন্তাপুর উপজেলার রাশেদ সহ আরও অনেকে। এ চক্রটি তীর খেলার লটারীর ড্র’র নামে বিজয়ীদের কিছু টাকা দিলেও সিংহভাগ টাকা ভারতীয় চক্র তাদের স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে ভাগ-বাটোয়ারা করে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ খেলার এক আয়োজককারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, খেলাটির ড্র হয় ভারতের মেঘালয় রাজ্যে। তারা এজেন্ট হিসাবে এ খেলার কুপন কেটে থাকেন। প্রতিদিন যথারীতি ড্র অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মধ্যে ড্র’র প্রাপ্ত টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তারা কুপন বিক্রি করেন বলেও জানান। সম্প্রতি এ তীর খেলার নামে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনার সংবাদ বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হলে সেখানকার প্রশাসন সক্রিয় হয়ে উঠে। বর্তমানে তীর খেলার সাথে জড়িত চক্রটি কানাইঘাটকে তাদের নিরাপদ এলাকা বেছে নিয়ে প্রকাশ্যে দরিদ্র মানুষদের কোটিপতির স্বপ্ন দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থানীয় এলাকাবাসী এ খেলার আয়োজককারী চক্রদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।



:: কানাইঘাটে পুত্রের হাতে আহত পিতার মৃত্যু ::

Kanaighat News on Wednesday, December 26, 2012 | 11:06 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট উপজেলার ৩নং পূর্ব দিঘীরপার ইউপির দুয়ারা মাটি গ্রামের গত ১৭ডিসেম্বর হাস কর্তৃক ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে আপন পুত্রের হাতে গুরুতর আহত পিতা আব্দুল হান্নান আখলিছ মিয়া (৬০), চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার সিলেট ওমেক হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় হাস কর্তৃক ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুয়ারা মাটি গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের পুত্র আব্দুল হান্নান আখলিছ মিয়া (৬০) এর সাথে তার পুত্র সেলিম আহমদ (৩৫)এর ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে পাসন্ড পুত্র সেলিম ধারালো কোদাল দিয়ে পিতা আব্দুল হান্নানের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম করে। আশংখাজনক অবস্থায় আহত আব্দুল হান্নানকে ঐদিন সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিনি মারা যান। এঘটনায় নিহতের স্ত্রী শুকুরা বিবি (৫০) ঘাতক পুত্র সেলিম আহমদকে আসামী করে গতকাল কানাইঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। থানার মামলা নং- (২৯) তাং- ২৬/১২/১২ইং। থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান পিতা হত্যাকারী সেলিম আহমদকে ধরতে ইতিমধ্যে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে। দ্রুত তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে তিনি জানান।



:: উত্তরাধিকার সনদপত্র থেকে বঞ্চিত করায় কানাইঘাটে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ ::

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট ৫নং বড়চতুল ইউপির চেয়ারম্যান মুবশ্বির আলী চাচাই কর্তৃক ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে তাদের ওয়ারিশ সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার ২৬ ডিসেম্বর দুর্গাপুর গ্রামের মৃত সফর আলীর পুত্র স্থানীয় চতুল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আ’লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রশিদ আহমদ বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে ইউপি চেয়ারম্যান মুবশ্বির আলী কর্তৃক উত্তরাধীকার সনদপত্র প্রধান না করায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে দরখাস্ত দাখিল করেছেন। অভিযোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ উল্লেখ করেছেন, তার চাচা মন্তাজ আলী ২বছর পূর্বে স্ত্রী জাবেদা বিবি এবং একমাত্র মেয়ে নুুরুন নেছাকে রেখে মারা যান। চাচার কোন পুত্র সন্তান না থাকায় তাহার রেখে যাওয়া সম্পত্তি শরিয়তে পরায়েজ অনুসারে সম্পত্তির ওয়ারিশ হন। কিন্তু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হইতে চাচার রেখে যাওয়া সম্পত্তির ওয়ারিশগণের তালিকা এনে চেয়ারম্যান মুবশ্বির আলী কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ সত্যায়িত করেন। আব্দুর রশিদ অভিযোগে আরো উল্লেখ করেছেন বিগত ইউপি নির্বাচনে বড়চতুল ইউপি থেকে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করায় প্রতিহিংসা বশবতী হয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে চেয়ারম্যান মুবশ্বির আলী তাদের চাচার রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্য ওয়ারিশগণের উত্তরাধিকার সনদ পত্র তিনি দিচ্ছেন না। কিন্তু চাচা মন্তাজ আলীর মেয়ে নুরুন নেছাকে চেয়ারম্যানের ভাতিজা আবুল হোসেন বিবাহ করায় চেয়ারম্যান উদ্দেশ্যমূলকভাবে চাচার পুরো সম্পত্তির মালিক তাদের উল্লেখ করে তার স্ত্রী জাবেদা বিবি মেয়ে নুরুন নেছার নামে উত্তরাধিকার সনদ পত্র দেওয়ায় আব্দুর রশিদ গংরা ত্যাজ্য সম্পত্তি হতে বঞ্চিত এবং তাদের পাওনা জমিজমার অংশ বর্তমানে চলমান ৩১ধারায় রেকর্ড করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় আব্দুর রশিদ গংরা তদন্ত পূর্বক উত্তরাধীকারী সনদপত্র পাওয়ার জন্য নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তপে কামনা করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দরখাস্ত দাখিল করেছেন। নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.সোহরাব হোসেন বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য উপজেলা হিসাব রণ কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মুবশ্বির আলী চাচাইর সাথে বার বার যোগাযোগ করার পরও তাকে পাওয়া যায় নি।



:: কানাইঘাট পৌরসভার ডালাইচর রাস্তার পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন ::

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আইইউআইডিপির অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে কানাইঘাট পৌরসভায় ৩০লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৪টি রাস্তার পাকাকরনের কাজ চলছে। আজ বুধবার উক্ত প্রকল্পের অধীনে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কানাইঘাট প্রেসক্লাব হইতে ডালাইচর নয়ামাটি পর্যন্ত ১কিলোমিটার রাস্তার ম্যাকাডম ও ভিটুমিন মিশ্রিত পীচ ঢালাই পাকাকরণের কাজের শুভ উদ্বোধন করে পৌরসভার মেয়র লুৎফুর রহমান। ১২লক্ষ ৮০হাজার টাকার ব্যায়ে এ রাস্তার কাজের ভিত্তি প্রস্তরের সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তাজ উদ্দিন, ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার জাহাঙ্গীর আলম, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী হাজী ফয়াজ আলী, ফারুক আহমদ, কানাইঘাট পৌর যুবলীগের আহবায়ক এনামুল হক, কানাইঘাট পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মনির আহমদ ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী হারুন রশিদ, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, সাংবাদিক আব্দুন নুর প্রমুখ।

::কানাইঘাটে বিজিবি জওয়ানদের হাতে আটক যুবককে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ::

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট-সুরাইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের জওয়ানদের হাতে চোরাকারবারী সন্দেহে আটক এক তরুনকে গত সোমবার রাত অনুমান সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় সুরাইঘাট বাজার থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, সুরাইঘাট বিজিপি ক্যাম্পের একদল জওয়ান চোরাকারবারী সন্দেহে স্থানীয় সোনাতন পুঞ্জি গ্রামের আব্দুল মান্নানের পুত্র বাদশা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী আবুল বাশার (১৮) কে সুরাইঘাট বাজারের নিকটবর্তী এলাকা থেকে গত সোমবার রাতে আটক করে। পরে আটককৃত বাশারকে ক্যাম্পে নিয়ে আসার পথে স্থানীয় ফয়েজ আহমদ, তোতা মিয়া, ময়নুল, নুর, মজিদ আলী গংরা সুরাইঘাট বাজার থেকে বিজিপি জওয়ানদের কাছ থেকে বাশারকে জোরপূর্বকভাবে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এঘটনার সাথে জড়িতরা এলাকায় চোরাকারবারী হিসেবে পরিচিত। এ ব্যাপারে ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার রকিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, চোরাকারবারী সন্দেহে আমরা আবুল বাশারকে আটক করি। পরে জওয়ানরা তাকে ক্যাম্পে নিয়ে আসার সময় সুরাইঘাট বাজারে পৌঁছলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঐ ছেলে চোরাকারবারী নয় জানালে আমরা তাকে ছেড়ে দেই। এ নিয়ে কিছু তুচ্ছ ঘটনা ঘটেছে। জোরপূর্বকভাবে বাশারকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। অপরদিকে সুরাইঘাট বিজিপি ক্যাম্পের জওয়ানরা গত রবিবার রাতে সুরাইঘাট বাজারের পাশ থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ২০বোতল ভারতীয় অফিসার্স চয়েস মদ উদ্ধার করে। এসময় মাদকব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়।

:: কানাইঘাটে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত ::

Kanaighat News on Monday, December 24, 2012 | 10:44 PM

এনজিও সংস্থা সীমান্তিকের উদ্যোগে এবং ব্র্যাকের সহযোগিতায় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রন বিষয়ক এক অবহিতকরণ এ্যাভোকেসি সভা আজ সোমবার সকাল ১১টায় কানাইঘাট উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবুল হারিছের সভাপতিত্বে এবং সীমান্তিকের উপজেলা ম্যানেজার আবুল কালামের পরিচালনায় উক্ত অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট পৌরসভার মেয়র লুৎফুর রহমান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রীমতি প্রভাতী রাণী দাস, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মোঃ আব্দুস সুবহান, কানাইঘাট সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্য সিরাজুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার ফয়জুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সীমান্তিকের কানাইঘাট ম্যালেরিয়া বিষয়ক কর্মসূচির প্রজেক্ট ম্যানেজার আবুল হোসেন । সভায় বক্তারা ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সমাজ সচেতন সবাইকে এ রোগের লণ এবং প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহবান জানান। সীমান্তিকের ম্যালেরিয়া বিষয়ক কর্মসূচির প্রজেক্ট ম্যানেজার আবুল হোসেন বলেন, কানাইঘাট উপজেলা হচ্ছে একটি সীমান্তবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। ২০০৮ সাল থেকে ব্র্যাকের সহযোগিতায় সীমান্তিক কানাইঘাটে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে। উক্ত সভায় সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকসহ এনজিও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



:: কানাইঘাটে ‘বার্ড ফ্লু’ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা ৩০ ডিসেম্বর ::

আগামী ৩০ ডিসেম্বর কানাইঘাট উপজেলার সকল পোল্ট্রি খামারী এবং পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের নিয়ে (বার্ড ফু) প্রতিরোধকল্পে এক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা কানাইঘাট উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হিরেশ রঞ্জন ভৌমিক। উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল পোল্ট্রি খামারী ও ব্যবসায়ীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ এম.এ. কাহির সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

:: কানাইঘাটে ১৮ দলীয় জোটের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ::

Kanaighat News on Sunday, December 23, 2012 | 10:38 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুর্নবহালসহ বিভিন্ন দাবীতে ১৮ দলীয় ঐক্যজোটের ডাকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচীর অংশ হিসাবে কানাইঘাট উপজেলা ১৮ দলীয় ঐক্যজোটের উদ্যোগে আজ রবিবার বাদ আসর কানাইঘাট বাজারে এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী দক্ষিণ বাজারে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৮ দলীয় ঐক্যজোটের পৌর শাখার আহবায়ক ইফজালুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং জোটের যুগ্ম আহবায়ক পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদের পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর শরীফুল হক, হাজী জসিম উদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর রহিম উদ্দিন ভরসা, জোটের সদস্য সচিব জমিয়ত নেতা মাওঃ এবাদুর রহমান, মাওঃ ফজলুর রহমান, খেলাফত মজলিস নেতা হাবিবুল্লাহ মিসবাহ, শিব্বির আহমদ, ইসলামী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ খলিলুর রহমান, বিএনপি নেতা আজিজুল হক, আজির উদ্দিন ভেড়া, থানা যুবদলের আহবায়ক আব্দুল মন্নান, যুগ্ম আহবায়ক সাজ উদ্দিন সাজু, মামুন রশিদ, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমদ, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ আলী মেম্বার, জালাল আহমদ জনি, নজরুল ইসলাম, থানা শ্রমিকদলের আহবায়ক মোঃ জাকারিয়া, যুগ্ম আহবায়ক এবাদুর রহমান, শরীফ উদ্দিন, থানা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সহ সভাপতি রাশিদুল হাসান টিটু, খসরুজ্জামান, পৌর যুবদলের আহবায়ক জসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক রুমান সিদ্দিকী, মামুন, ইসলাম উদ্দিন, ডালিম, আজির, হোটেল শ্রমিক দলের সভাপতি বিলাল আহমদ, জাসাসের যুগ্ম আহবায়ক নিজাম উদ্দিন, কিবরিয়া, যুবদল নেতা বশির আহমদ, রহমত, থানা ছাত্রদল নেতা রুহুল আমীন, রুহুল আম্বিয়া, দেলোয়ার, কবির, আমিনুল ইসলাম, কুদ্দুস, আসার, ওলিউর রহমান প্রমুখ।

:: সারা দেশে ভূ-কম্পন অনুভূত ::

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে।
রাত ১০টা ৪৭ মিনিটে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্বের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প অবজারভেটরির তত্ত্বাবধায়ক সৈয়দ হুমায়ূন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ঢাকা থেকে ৪৫০ কিলোমিটার পূর্বদিকে মিয়ানমারে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
“৬ মাত্রার কাছাকাছি ভূমিকম্প হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,” বলেন তিনি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা এখনো পুরো তথ্য পাইনি। আরো কিছুক্ষণ সময় লাগবে।” (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড ২০১৬ সালের মধ্যে বাণিজ্য দ্বিগুণ করবে

Kanaighat News on Saturday, December 22, 2012 | 10:54 PM

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড দু'দেশের মধ্যে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা খাতে বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে ২০১৬ সাল নাগাদ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

বাংলাদেশে থাই প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার সফরকালে শনিবার এখানে সাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ঢাকায় থাই প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের এক সরকারি সফর শনিবার শেষ হয়েছে।

সফরকালে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীগণ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

উভয় নেতা আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং সড়ক ও শিপিং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেন।

এছাড়া থাইল্যান্ড থেকে প্রতি বছর প্রয়োজনে ১০ লাখ টন অর্ধসেদ্ধ চাল কেনা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ আরো তিন বছর বাড়িয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত করার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে ব্যাংকক।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের জন্য থাইল্যান্ডের বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের আহবান জানিয়েছেন।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে দু'দেশের সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতা খুঁজে দেখার বিষয়ে একমত হয়েছে।

এছাড়া দু'দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য বৈষম্য হ্রাসে পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারেও বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড সম্মত হয়েছে।

ইংলাক সিনাওয়াত্রা ২০১৩ সালে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের একক বাণিজ্য মেলা আয়োজনের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানান।

উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে হাসপাতাল ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা পর্যটনে বিনিয়োগসহ স্বাস্থ্য সেবা ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার ও শক্তিশালী করতে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্র“প প্রতিষ্ঠায় একমত হয়েছেন।

বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশে ‘বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে’ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বিনিয়োগে থাই ব্যবসায়ী নেতাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

থাইল্যান্ড তার মৎস্য খাতে বাংলাদেশী শ্রমিক নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ায় এর ভূয়সী প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে পর্যটন সেক্টরের উন্নয়নের জন্য গবেষণা চালাতে কারিগরি সহায়তা প্রদানে থাইল্যান্ড সম্মত হয়েছে।

বাংলাদেশে পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে বিশেষ করে পরিবেশ বান্ধব এবং বৌদ্ধ অধ্যুষিত পর্যটন এলাকায় বিনিয়োগ করার বিষয়টি থাইল্যান্ড সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করে দেখবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-থাই যৌথ বাণিজ্য কমিটি জোরদারে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির কৌশল পর্যালোচনা করে দেখতে তারা সম্মত হয়েছেন।

যৌথ বাণিজ্য কমিটির পরবর্তী বৈঠক ২০১৩ সালের প্রথম কোয়ার্টারে করার বিষয়েও একমত্য হয়েছে।

থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও তার দেশের মধ্যকার বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য থাইল্যান্ডের রানং বন্দরের সুবিধা আরো বাড়াতে হবে।

দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীগণ মানব, মাদক ও অস্ত্র পাচার বন্ধ ও সন্ত্রাস বন্ধে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সম্মত হয়েছেন।

উভয় পক্ষ দু'দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

দুই প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থার অধীনে বর্তমান সহযোগিতাকে স্বাগত জানান এবং বিমস্টেক, এআরএফ ও এসিডি’র আলোকে তাদের অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা আরো জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

বৈঠকে পূর্ব-পশ্চিম অর্থনৈতিক করিডোরে এবং মেকং গঙ্গা সহযোগিতায় বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনা করে দেখার ক্ষেত্রে থাইল্যান্ড আশ্বাস দিয়েছে।

উভয় নেতাই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সহযোগিতা জোরদারে বিমস্টেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্বীকার করেন। এ প্রসঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় বিমস্টেক সচিবালয় করায় ধন্যবাদ জানান।

অভিন্ন আঞ্চলিক স্বার্থ রক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন প্রদানে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলে তারা উভয়ে মনে করেন।

থাই প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সুবিধাজনক সময়ে তার দেশে সফরে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে তার সফর কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে।(ওয়ান নিউজ বিডি )



:: পরিবারের কান্না এখনও থামছে না ::

Kanaighat News on Friday, December 21, 2012 | 9:57 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট পৌরসভার শিবনগর গ্রামের মৃত ফয়জুল হকের বাড়ীতে এখনও শোকের সাগরে ভাসছে। এই বাড়ীর দরিদ্র ও সহজ সরল লোক আব্দুল মালিকের নৃশংস হত্যাকান্ড মেনে নিতে পারছে না তার পরিবার, স্বজন ও গ্রামের মানুষ। তাদের একটাই দাবী হত্যাকারীদের যেন বিচার হয়। আর কাউকে যেন এমন নিষ্ঠুরভাবে জীবন দিতে না হয়। বৃহস্পতিবার নিহত মালিকের বাড়ীতে গেলে গ্রামের শত শত মানুষ ছুঁটে আসেন এবং তারা মালিক হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন। এসময় মালিক হত্যাকান্ডের বর্ণনা দিতে গিয়ে তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। নিহত আব্দুল মালিকের মা আমিরুন নেছা বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন এবং বিলাপ করতে থাকেন আমার মালিককে এনে দাও, কে আমার মুখে অন্ন দিবে, ঔষধ দিবে। এলাকাবাসীর সাথে আলাপ করে জানা যায়, নিহত আব্দুল মালিক নিরীহ ও শান্ত স্বভাবের দিনমজুর ছিল। সে মানুষের বাড়ীতে কাজ কর্ম ও গরু মহিষ চরিয়ে সংসার চালাতো। এখন তার মা, স্ত্রী-সন্তানেরা অনাহারে-অর্ধাহারে জীবন যাপন করছে। নিহত আব্দুল মালিকের ভাই ও মালিক হত্যাকান্ডের বাদী আব্দুন নুর বলেন, ৪ নভেম্বর তাদের বাড়ী থেকে প্রায় দু’মাইল পশ্চিমে হাওরের মধ্যে মহিষের বাতানে মহিষ পাহারায় ছিল তার ছোট ভাই আব্দুল হাসিম ও ভাতিজা মালিকের ছেলে দেলোওয়ার। রাত অনুমান সাড়ে ১২টার দিকে তাদের বাড়ীর পাশে মেধার খালের মুখে বেশ কিছু লোকের সুরগোল ও টর্চ লাইটের আলো দেখে ভাই হাসিম ছুঁটে আসে। মেধার খালের পাড়ে হিজল গাছের কাছে আসামাত্র একই গ্রামের প্রতিবেশি মৃত সামছুল হকের পুত্র হোসেন আহমদ (২২), নুরুল হকের পুত্র আলমাছ (২২), মৃত ছিদ্দেক আলীর পুত্র জয়নাল (৩৫), সফিকুল হকের পুত্র আবুল হোসেন (২৫) গংরা তাকে গালি দিয়ে ডেগার, ছুলফি, দা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটাতে শুরু করলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তার সুরচিৎকার শুনে ভাই আব্দুল মালিক রক্ষার জন্য এগিয়ে গেলে তাকেও প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে দা দিয়ে কুপাতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা মৃত ভেবে আব্দুল হাসিম ও মালিককে খালের পাড়ে ফেলে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর অনুমান রাত ১টায় স্থানীয় পৌর কাউন্সিলার মস্তাক আহমদ আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে বলেন, তোমার ভাই হাসিম ও মালিককে মেধার খালের মুখে হুছেন গংরা মেরে ফেলে চলে গেছে। তাদেরকে উদ্ধারের ব্যবস্থা কর। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা গুরুতর আহত হাসিম বলে, মেধার খালের মুখে তাকে প্রতিবেশি হুছন, আলমাছ ও জয়নাল গংরা প্রাণে মারার উদ্দেশ্যে দা, ডেগার ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপাতে শুরু করে। চিৎকার শুনে ভাই আব্দুল মালিক রক্ষার জন্য এগিয়ে আসলে তাকেও কুপাতে শুরু করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই বলেন, মালিক হত্যাকান্ডের মামলার চার্জশীট পক্রিয়াধীন এবং হত্যাকান্ডের সাথে প্রকৃত জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।




:: কানাইঘাটে ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার ॥ প্রতিবাদে মিছিল ::

Kanaighat News on Thursday, December 20, 2012 | 10:42 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের অন্যতম নেতা আব্দুল কাদির (২২) কে গ্রেফতার করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ।  বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে কানাইঘাট পৌরসভার নন্দিরাই গ্রামের নিজ বাড়ীর পাশ থেকে আব্দুল কাদিরকে গ্রেফতার করা হয়। ঐ দিন বিকেলে ছাত্রদল নেতা কাদিরকে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত একটি মামলার আসামী দেখিয়ে পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে। বর্তমানে এ ছাত্রদল নেতা জেল হাজতে রয়েছে। এ দিকে কোন ধরণের মামলা ছাড়াই আব্দুল কাদিরকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে উপজেলা ও কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব কানাইঘাট বাজারে তার মুক্তির দাবীতে মিছিল করে। পরবর্তীতে দণি বাজারে প্রতিবাদ সভায় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ কানাইঘাটের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সহাবস্থানকে উত্তপ্ত করার জন্য পুলিশ উদ্দেশ্যমূলক ভাবে কাদিরকে গ্রেফতার পরবর্তী তাকে মিথ্যা মামলার আসামী দেখিয়ে জেল হাজতে প্রেরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান।

:: কানাইঘাটে ব্র্যাক ওয়াশের উদ্যোগে ফ্রি ল্যাট্রিন বিতরণ ::

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ব্র্যাক ওয়াশের উদ্যোগে কানাইঘাটে বিনামূল্যে স্যানিটেশন সামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ব্র্যাক ওয়াশের সহায়তায় কানাইঘাট পৌরসভার নন্দিরাই গ্রামের হত দরিদ্র ২৩টি পরিবারের মধ্যে ৬টি রিং, ১টি ঢাকনা, ১টি স্লাব এবং ল্যাট্রিন তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় টিনসহ ২৩টি ল্যাট্রিন তৈরীর সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ব্র্যাক ওয়াশের উপজেলা অফিসের সামনে আয়োজিত স্যানিটেশন সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.এ.হান্নান, সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সাংবাদিক আব্দুন নুর, ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচীর উপজেলা সিনিয়র ম্যানেজার ফারুক আহমদ, নন্দিরাই গ্রাম ওয়াশ কমিটির সভাপতি রাশিদুল হাসান টিটু, কর্মসূচীর জুনিয়র ফিল্ড অর্গানাইজার স্বপন কুমার সিংহ, কর্মসূচীর সহকারী রিমা রানী, ছালমা বেগম প্রমুখ। স্থানীয় ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচীর সিনিয়র উপজেলা ম্যানেজার ফারুক আহমদ বলেন, ইতিমধ্যে কানাইঘাট উপজেলায় ২১৭টি স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানার নির্মাণসামগ্রী এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।



দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সুফল বাংলার ঘরে ঘরে পৌছে দিতে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়াও দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়তে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। খাদ্য সয়ংসর্ম্পনতা ছাড়াও অর্থনীতি অনেক মজবুত ও শক্তিশালী। ক্ষুদা-দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দেশের মানুষকে দক্ষ ও জনশক্তিতে রুপান্তরিত করতে কর্মমুখি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। তাই দারিদ্র বিমোচনে গুরুত্ব দিয়ে মানুষের আয় বাড়ানো হয়েছে। ৬০ থেকে ৮০ ভাগ বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। মানুষের আয় যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনি ভাবে বাজার নিয়ন্ত্র্রন রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৮০ লাখ বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেকার যুবকরা এক লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দিনে এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে, স্বাবলম্বী করতে পারবে নিজেদেরকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরকে প্রথম ডিজিটাল জেলা ঘোষণা করেছেন। শুধু যশোর নয় দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় উন্নয়নে এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ আজ সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।



জনসভায় যোগদানের আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর বিমান ঘাঁটিতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী একাডেমীর শীতকালীন গ্রাজুয়েশন কুজকাওয়াজ অনুষ্ঠানেসহ বিভিন্ন কর্মসুচিতে যোগ দেন । পরে দুপুর আড়াইটায় যশোর শহরের গরীবশাহ রোডের বকুল তলায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ম্যুরাল করে শ্রদ্দাঞ্জলি অর্পন করেন। এরপর বেলা সোয়া তিনটায় সভাস্থলে পৌছে তিনি ন্যাশনাল ই-সার্ভিস সিস্টেমস উদ্বোধন করেন। জনসভায় দীর্ঘ বক্তৃতাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, তারা দেশকে নিরক্ষর করার ব্যাবস্থা করেছিল, দূর্নীতি, সন্ত্রাস, অত্যাচার, নির্যাতন , হামলার পথ বেছে নিয়েছিল। এজন্যে জনগণ তাদেকে প্রত্যাক্ষন করে বর্তমান সরকারকে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে যাতে শিক্ষা, গ্রামীন উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। তিনি যশোরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিল্প কল কারখানা সাস্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নের আশ্বাস দেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি সাবেক এমপি আলী রেজা রাজু। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর এমপি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নজান সুফিয়ান, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও খুলনা জেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি হারুন-অর-রশিদ, যশোর সদর এমপি খালেদুর রহমান টিটো, এমপি খান টিপু সুলতান, যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র এসএম কামরুজ্জামান চুন্নু, পঙ্কজ দেবনাথ, জহিরুল ইসলাম রেন্টু চাকলাদর প্রমুখ। জনসভাটি সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক ও যশোর সদও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার।



আওয়ামী লীগই দেশে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলন করেছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমদানির ওপর ট্যাক্স প্রত্যাহার করে আমরা কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন সহজলভ্য করি। যাতে করে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, দেশে একটি মাত্র মোবাইল ফোন কোম্পানি ছিল। যারা মনোপলি ব্যবসা করতো। আমরা প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসার পরিবেশ সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের হাতে হাতে মোবাইল পৌঁছে দিতে পেরেছি। এক লাখ ৩০ হাজারের স্থলে এখন মানুষ ১৪০০ টাকায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারছে। প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ সরকার স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোর গোড়ায় পৌছে দিয়েছে। শিক্ষা খাতে ব্যাপক প্রসার আনা হয়েছে। শিক্ষার জন্যে আর অর্থ খরচ হবেনা। মাধ্যমিক শ্রেনী পর্যন্ত কাওকে আর বই কিনতে হবেনা। এবার মাধ্যমিক শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিনা মুল্যে হাতে ২৭ কোটি বই সরবরাহ করা হবে। গত বছর শিক্ষার্থীদের হাতে ২৩ কোটি ১২ লাখ বই তুলে দেয়া হয়েছিল। বিদুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। যশোরের উর্বর মাটি ও আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ উলে�খ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যশোরবাসীর উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, যশোরের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও নৌপথগুলোর নাব্য আনতে সরকার ভৈরব নদ খনন করবে। কপোতাক্ষ নদের খননকাজ চলছে। বেনাপোল স্থলবন্দরকে ও ভোমরা স্থলবন্দরকে সম্পসারণ করে বহুমুখীকরণের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ বন্দরে রূপান্তিত করা হয়েছে।
(ফেয়ার নিউজ)






:: বীরমুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল হক চতুলী আর নেই ::

Kanaighat News on Wednesday, December 19, 2012 | 7:08 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা জৈন্তা জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক ছাত্রনেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল হক চতুলী ইন্তেকাল করিয়াছেন। ডায়বেটিকসসহ দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার রাত ১১টায় কানাইঘাটের নিজ বাড়ী রায়পুর গ্রামে তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ---------রাজীউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, ৪ মেয়ে, ১ ছেলে ও মা সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। বীরমুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল হক চতুলীর মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। গতকাল বুধবার বাদ আসর তার জানাযার নামাজ স্থানীয় চুতল ঈদগাহ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ তার সহকর্মীসহ সর্বস্তরের লোকজন শরীক হন। পরে আনোয়ারুল হক চতুলীর লাশ পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। এদিকে বীরমুক্তিযোদ্ধা চতুলীর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার, জেলা আ’লীগের সিনিয়র সদস্য জমির উদ্দিন প্রধান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল হক প্রমুখ।



বিএনপি থেকে আ’লীগে যোগদান করেও মামলা থেকে রক্ষা হয়নি মালিক ট্রেডার্সের

নিজস্ব প্রতিবেদক:
লোভাছড়া পাথর কোয়ারী এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ প্রভাবশালী পাথর খেঁকো চক্র দীর্ঘদিন থেকে পাথর উত্তোলন করে আসছে। ফলে নদীর তীর ভেঙ্গে গিয়ে বিরাট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কানাইঘাট সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা অমল কান্দি দাস অবৈধ ভাবে সরকারী জায়গা থেকে ভূমি খুড়ে পাথর উত্তোলনের ঘটনায় কানাইঘাটের আলোচিত পাথর ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল মালিক কে প্রধান আসামী করে ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে কানাইঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই. আব্দুল্লাহ জাহিদ সরেজমিন তদন্তকালে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগ পত্র (নং- ২৪৫) দাখিল করেছেন। এদিকে মামলার প্রধান আসামী পাথর ব্যবসায়ী এলাকায় মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত আব্দুল মালিক এ মামলা থেকে রেহাই পেতে সম্প্রতি রাজনৈতিক দল বদলের আশ্রয় গ্রহন করেন। তিনি গত ২৯নভেম্বর বিএনপি থেকে দল বদল করে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। কিন্তু এতকিছুর পরেও তার শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশি গ্রেফতারের ভয়ে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং আওয়ামীলীগের নেতাদের কাছে মামলা থেকে বাঁচতে ধর্না দিচ্ছেন। কিন্তু স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীরা বসন্তের কোকিল এই দলবদলকারী আব্দুল মালিক কে মোটেই বিশ্বাস করতে পারছেননা। কাজেই তিনি আ’লীগে যোগদান করার পরও দলের নেতাকর্মীদের কাছে স্থানীয়ভাবে কোন প্রকার আশ্রয় প্রশ্রয় না পেয়ে চরম হতাশায় ভোগছেন। এ ব্যাপারে কানাইঘাট উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সদস্য সামছুদ্দিন মেম্বার বলেন, বহুল আলোচিত মামলাবাজ পাথর ব্যবসায়ী আব্দুল মালিক আ’লীগে যোগদান করায় মুলাগুল এলাকার আ’লীগ ও সঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আগামী জাতীয় নির্বাচনে অত্র এলাকায় তার দলে যোগদানের কারণে কয়েক হাজার ভোট থেকে বঞ্চিত হবে আ’লীগ। এছাড়া কানাইঘাট পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক জামাল উদ্দিন বলেন, আওয়ামীলীগে বিতর্কিত আব্দুল মালিকের যোগদানের খবর ও ছবি দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। তৃণমূল পর্যায়ের কোন নেতাকর্মী আব্দুল মালিকের এই যোগদানের বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। আ’লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর মাসুক আহমদ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, পাথর খেকো মালিক এলাকায় একজন মামলাবাজ লোক হিসেবে পরিচিত। তিনি যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলে ভিড়ে নানা কুকর্ম করে থাকেন। তার আ’লীগে যোগদানের ঘটনায় দলের বিরাট ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। এদিকে হাজী মালিকের আ’লীগে যোগদানের ঘটনায় তোলপাড় চলছে। পূর্বে হাজী আব্দুল মালিকের কর্তৃক মিথ্যা মামলা-হামলার শিকার কয়েকজন নির্যাতিত সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলার প্রস্তুতি নেওয়ায় তিনি মামলা থেকে রক্ষা পেতে মূলত আ’লীগে যোগদান করেছেন বলে নানা সূত্রে জানা গেছে।

:: কানাইঘাটে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত ::

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী ডাঃ শফিকুর রহমানকে গ্রেফতারও রিমান্ডে নেওয়ার প্রতিবাদে জামায়াতের ডাকা সিলেট বিভাগে আধাবেলা হরতাল কানাইঘাটে সর্বাত্মক শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। পুলিশের মারমুখী অবস্থানের কারনে অনেক পয়েন্টে পিকেটিং করতে না পারলেও বিচ্ছিন্ন ভাবে পিকেটিং করতে দেখা গেছে, তবে সকাল থেকেই হরতালের সমর্থনে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা উপজেলার বুরহান উদ্দিন বাজার, গাছবাড়ী বাজার, রাজাগঞ্জ বাজার, সড়কের বাজার, মনসুরিয়া পয়েন্ট, রায়গড়,চতুল বাজার, বায়মপুর বাসস্ট্যান্ড ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পিকেটিং করতে দেখা গেছে। এ অবস্থায় উপজেলা সদর থেকে দূরপাল্লার কোন যানবাহন চলাচল করেনি। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে কিছু সংখ্যক হালকা যানবাহন চলতে দেখা যায়। হরতাল চলাকালে পুলিশের টহল ছিল চোখে পড়ার মত, হরতাল চলাকালে বিভিন্ন পয়েন্টে হরতাল সমর্থন কারীরা পৃথক পৃথক মিছিল ও পথসভা করেছেন। পথসভাগুলোতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওঃ আব্দুল করিম,নায়েবে আমির মাওঃ আব্দুল মালিক, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ কামাল উদ্দিন, মাওঃ শরিফ উদ্দিন, হাফিজ তাজ উদ্দিন, আলিম উদ্দিন,ইউপি সদস্য মাওঃ সুলেমান,লো কমান আহমদ,হাফিজ ফয়েজ আহমদ,মাওঃ দেলওয়ার হোসাইন,সিরাজুলইসলাম,শিবিরের সভাপতি সেলিম উদ্দিন, শিব্বির আহমদ,উমর ফারুক,মামুন আহমদ,মাওঃআব্দুলকুদ্দুছ,মাহমুদুররহমান, শিবির নেতা ইকবাল আহমদ, শাকির আহমদ,মাসুক আহমদ জুবায়ের,জামায়াত নেতা কামাল উদ্দিন হারুন রশিদ,ফরিদ আহমদ,সিরাজুল ইসলাম,শহিদ আহমদ,শরিফ উদ্দীন,ইয়াহইয়াপ্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন অবিলম্বে ডাঃ সফিকুর রহমান সহ সকল নেতা কমীর্দের মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

:: জাতিসংঘে গৃহীত হলো প্রধানমন্ত্রীর শান্তি মডেল ::

সাতশ কোটি মানুষের এই বিশ্বকে ‘পাল্টে দিতে’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ‘শান্তি-কেন্দ্রিক উন্নয়নের’ যে মডেল তুলে ধরেছিলেন তাতে সমর্থন জানিয়েছে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো।



জাতিসংঘের ৬৭তম সাধারণ অধিবেশনের ২৯ নম্বর এজেন্ডা হিসেবে সোমবার ওই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। সংস্থাটির সব সদস্য দেশই বাংলাদেশের এ প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জানায়।



এর মাত্র পাঁচ দিন আগে অটিজম নিয়ে বাংলাদেশ মিশনের উত্থাপিত আরেকটি প্রস্তাব গ্রহণ করে জাতিসংঘ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রচেষ্টায় ওই প্রস্তাব তুলে বিশ্ববাসীর সামনে নিয়ে যায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন।



প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রাষ্ট্রদূত এ কে এ মোমেন বলেন, “বিষয়টি ঐতিহাসিক। কারণ এ রেজ্যুলেশন লিপিবদ্ধ হওয়ার সময় শেখ হাসিনার নামও উল্লেখ করা হয়েছে, যা সচরাচর ঘটে না।”



২০১১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৬তম অধিবেশনে এই মডেল তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, সারাজীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে এই ‘জনগণের ক্ষমতায়ন মডেল’ তৈরি করা হয়েছে।



এটি একটি বহুমাত্রিক ধারণা, যার ভিত্তি হচ্ছে জনগণের ক্ষমতায়ন, যেখানে গণতন্ত্র এবং উন্নয়নকে সর্বাগ্রে স্থান দেয়া হয়েছে। এতে আছে সাতটি পরস্পর ক্রিয়াশীল বিষয় যা শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এগুলো হচ্ছে ক্ষুধা এবং দারিদ্র্য দূরীকরণ বৈষম্য দূরীকরণ, বঞ্চনার লাঘব, সবার জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ঝরেপড়া মানুষদের সমাজের মূলধারায় অন্তর্ভুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন তরান্বিত করা এবং সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন।”



এরপর ওই বছর ২৩ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৬তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রীর ওই প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে রেজ্যুলেশন আকারে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে একই বছর ২২ ডিসেম্বর ‘জনগণের ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়ন’ শিরোনামে ওই প্রস্তাব গৃহীত হয়।



এ কে এ মোমেন বলেন, “এবারের রেজ্যুলেশনকে ঢেলে সাজানো হয়েছে চলমান পরিস্থিতির আলোকে শেখ হাসিনার দর্শনের ওপর ভিত্তি করে।”



গত ৫ ও ৬ অগাস্ট ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং গত ২০-২২ জুন ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত রাইয়ো+২০ সম্মেলনে ‘কী ধরনের বিশ্ব চাই আমরা’ শীর্ষক আলোচনার পর শেখ হাসিনার ওই মডেল আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত অধিবেশনের রেজ্যুলেশনকে আরো যুগোপযোগী করে আবারো পাস করা হলো বলে মোমেন জানান।



প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, “আগামী বছর ‘কমিশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট’এর ৫১তম অধিবেশন বসবে। সেখানে এই রেজ্যুলেশন উত্থাপন করবেন জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন।”



২০১৫ সালে জাতিসংঘের ৬৯তম সাধারণ অধিবেশনে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) এর সমাপনী সংলাপ হবে। সে সময়ও এমডিজি পরবর্তী উন্নয়ন পরিক্রমায় ‘জনগণের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন’ রেজ্যুলেশনের প্রয়োজনীয় অংশ গ্রহণ করা হবে।



ভারত, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, আলজেরিয়া, বেনিন, ভুটান, কঙ্গো, এল সালভেদর, ইথিওপিয়া, গায়ানা, হন্ডুরাস, জর্দান, মাদাগাস্কার, মালদ্বীপ, নেপাল, নিকারাগুয়া, সৌদি আরব, ও উগান্ডাসহ ৩০টি দেশ বাংলাদেশের এই প্রস্তাবকে ঢেলে সাজাতে সার্বিক সহায়তা করে বলে রাষ্ট্রদূত জানান।(বাংলাদেশ নিউজ২৪ )



:: বামপন্থীদের ডাকা হরতাল কানাইঘাটে পালিত হয়নি ::

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আজ মঙ্গলবার কমিনিষ্ট পার্টি বাংলাদেশ (সিপিবি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল(বাসদ) ও বামমোর্চার ডাকা দেশব্যাপী সকাল সন্ধ্যা হরতাল কানাইঘাটে কোথাও পালিত হতে দেখা যায়নি । জনজীবন ছিল স্বাভাবিক। কানাইঘাটে বামদলগুলোর কোন কমিটি নেই। তবে হরতালে দুরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধছিল।

:: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে কানাইঘাট পৌর আ’লীগের সমাবেশ অনুষ্ঠিত ::

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে কানাইঘাট পৌর আ’লীগের উদ্যোগে কানাইঘাট বাজার ত্রিমোহনী পয়েন্টে ৪২তম বিজয়ের দিবসে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পৌর আ’লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম হারুনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা আ’লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মস্তাক আহমদ পলাশ, প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্য সিরাজুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক আহমদ, এডভোকেট মামুন রশিদ, পৌর আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কে.এইচ.এম আব্দুল্লাহ, কানাইঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খোকন, সিলেট ল’কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মস্তাক আহমদ প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মস্তাক আহমদ পলাশ বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত একাত্তরের মতো ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তোলতে মুক্তিযুদ্ধের পরে শক্তির প্রতি আহ্বান জানান। এ ঐক্য থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের ষড়যন্ত্র কোনদিনই সফল হতে পারবে না।

দুর্বৃত্তদের হামলায় যুক্তরাজ্য শাখা ছাত্রলীগ নেতা খালেদ আহমদ শাহীন গুরুতর আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের দিনে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের একটি শহীদ মিনারে ফুল নিয়ে যাবার পথে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সদস্য ও যুক্তরাজ্য শাখা ছাত্রলীগের সম্ভাব্য সাধারন সম্পাদক ছাত্রনেতা খালেদ আহমদ শাহীনের উপর সন্ত্রাসী হামলার খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাজ্যের সময় রাত অনুমান সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রনেতা খালেদ আহমদ শাহীন বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে লন্ডন শহীদ মিনারে যাবার উদ্দেশ্যে নিজ বাসা থেকে ফুল নিয়ে বের হন। পতিমধ্যে ৩জনের একটি দুর্বৃত্ত চক্র তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনাটি লন্ডন বাঙ্গালী কমিউনিটি এবং আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে জানাজানি হলে দ্রুত খালেদ আহমদের বন্ধু বান্ধব যুক্তরাজ্য শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সেখানকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার জানান, ছাত্রনেতা খালেদ আহমদের উপর হামলাকারীদের ধরতে লন্ডন পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে। বর্তমানে তার শারিরীক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া আহত খালেদ আহমদকে হাসপাতালে দেখতে যান যুক্তরাজ্য শাখা আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উল্লেখ্য যে, ছাত্রলীগ নেতা শাহীন আহমদের বাড়ী কানাইঘাট উপজেলার ব্রাহ্মনগ্রামে।

:: বামপন্থীদের শান্তিপূর্ণ হরতাল চলছে ::

Kanaighat News on Tuesday, December 18, 2012 | 11:18 PM

মঙ্গলাবার কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাদেশ (সিপিবি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও বাম মোর্চার ডাকা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হচ্ছে।



মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি আইন করে নিষিদ্ধ করা, গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যার বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে এ হরতাল ডাকে তারা।



ভোর থেকেই নেতাকর্মীরা দলীয় ও জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে হরতালের সমর্থনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে খ- খ- মিছিল বের করেছে।



ভোর পৌনে ৬টার দিকে পুরানা পল্টন সিপিবি কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সিপিবি প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবিব লাভলু ও শ্রমিক নেতা মন্টু ঘোষের নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল বের হয়।



৬টার দিকে তোপখানা রোড বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে হরতালের সমর্থনে আরেকটি মিছিল হয়ে সেটিও প্রেসক্লাব, পল্টন, সেগুনবাগিচা এলাকা প্রদক্ষিণ করে।



সিপিবি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সিপিবি সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, জলি তালুকদারে নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে আরেকটি মিছিল দৈনিক বাংলা মোড় এলাকা দিয়ে প্রেসক্লাবের দিকে এগিয়ে যায়।



বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামের নেতৃত্বে বাসদের একটি মিছিল‍ও পল্টন, দৈনিক বাংলা, প্রেসক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করেছে।



বর্তমানে খ- মিছিলগুলো পল্টন মোড়ে এসে অবস্থান নিয়েছে। তারা সেখানে রাস্তার ওপর গোল হয়ে বসে বক্তৃতা করছে।



রাস্তা অবরোধ বা গাড়ি ভাঙচুরের কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংখ্যাও বাড়ছে।



পুরান ঢাকা, সদরঘাট, গুলিস্তান ও পল্টন এলাকায় কোনো যান চলাচল করছে না। তবে, হাতে গোনা কয়েকটি অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।



এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে ১৫ থেকে ২০ জন হরতাল সমর্থকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে।



এ সময় হরতাল সমর্থকদের সহযোগিতা করে রাস্তায় গাড়ি চলাচল করতে দিচ্ছেনা পুলিশ।



গুলিস্তানের জিপিও এলাকা ও সচিবালয় এলাকার মধ্যে পুলিশ হরতাল সমর্থকদের সহায়াতা করে রাস্তায় যান চলাচল করতে দিচ্ছেনা।



এদিকে সিপিবি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে পল্টন মোড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়নে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে সতর্ক অবস্থানে। তারা খ- খ- মিছিলগুলোকে কোনোরকম বাধা দেয়নি।(বাংলাদেশ নিউজ২৪)



 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩