মনোনয়ন যুদ্ধে বিএনপির তিন নেতা

Kanaighat News on Thursday, August 30, 2012 | 11:17 PM

কাওছার আহমদ:

জাতীয় নির্বাচনের দেড় বছর বাকি থাকলেও এর মধ্যে কানাইঘাটে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে দলীয়ভাবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে বিএনপি দোটানায় থাকলেও সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে বিএনপি’র তিন নেতা ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন প্রচার প্রচারণা। পাশাপাশি মনোনয়ন যুদ্ধে নেমে পড়েছেন। সিলেটের ৬টি আসনের মধ্যে এবার সিলেট-৫ আসনে আলোচনা রয়েছে সম্ভাব্য নতুন মুখ। নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত সভা সমাবেশ, মত বিনিময় করে তারা জনসমর্থন আদায়েরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সিলেট-৫ আসনে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন জামায়াতের প্রার্থী অধ্য মাওঃ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকায় ভরাডুবি ঘটে ফরিদ চৌধুরীর। এখনো যুদ্ধাপরাধের কলংকের বোঝা মাথায় নিয়ে ঘুরছেন। এই আসনটি পুনরুদ্ধার করতে আগেবাগেই মাঠে নেমেছেন কানাইঘাট উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুনুর রশিদ। তিনি এবার মনোনয়ন পত্র মাঠে চষিয়ে বেড়াচ্ছেন। তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করা, ইলিয়াস আলীর সন্ধান ও সরকার বিরোধী আন্দোলন চাঙ্গা করতে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও এ আসনে সক্রিয় রয়েছেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা বিএনপি নেতা আশিক উদ্দিন চৌধুরী ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল কাহির চৌধুরী। তারা উভয়ই মনোনয়ন পেতে এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়ন প্রত্যাশী কানাইঘাট উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মামুনুর রশিদ বলেন জোটের হারানো আসন পুনরুদ্ধার করতে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় শহীদ জিয়ার ১৯দফা কর্মসূচী নিয়ে জনগণের সাথে কাজ করছি। আমার বিশ্বাস দলের হাই কমান্ড নেতাকর্মীদের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে সু-নজর দিবেন। উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, এই এলাকায় বড় বড় যত উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড হয়েছে তা গত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বিএনপি’র সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আবুল হারিছ চৌধুরীর মাধ্যমেই হয়েছে। এই আসনে বিএনপি’র প্রার্থী যে ই হবে তার পে নিরলসভাবে কাজ করব। এলাকায় কিন ম্যান হিসেবে পরিচিত সাবেক এমপি আব্দুল কাহির চৌধুরী বলেন, ১৯৯৬সালে বিএনপি’র প্রার্থী হয়ে এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছি। বিএনপির অসমাপ্ত কাজগুলো পূরণ করার জন্য আবারো জনগণের প্রতিনিধি হতে চাই।

::কানাইঘাটে মোবাইল ফোনে প্রেম অত:পর প্রেমিক শ্রীঘরে::

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কানাইঘাটের এক তরুণীকে গত মঙ্গলবার রাতে অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন এক সন্তানের জনক প্রেমিক আমিনুল ইসলাম (২৮) কে আটক করে পরদিন কানাইঘাট থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। বর্তমানে প্রেমিক বেছাড়া শ্রীঘরে হাজতবাস কাটছে। জানা যায়, জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর ছয়ঘর পাড়া গ্রামের বিবাহিত আমিনুল ইসলাম (২৮) মোবাইল ফোনের মিসকলের সূত্রধরে ৭মাস পূর্বে কানাইঘাট পৌরসভার নিজ চাউরা উত্তর গ্রামের আব্দুল ওয়াহিদের অবিবাহিত মেয়ে পারভীন বেগম (১৯) এর সাথে পরিচয় থেকে সম্পর্ক হয়। পরবর্তীতে উভয়ের মধ্যে ফোনালাপের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। আমিনুল ইসলাম তার বিবাহের বিষয়টি গোপন রেখে প্রেমিকা পারভীন বেগমকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। সে বিভিন্ন সময় পারভীন বেগমকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে সিলেটের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে নিয়ে রাত্রীযাপন করে। গত মঙ্গলবার রাত অনুমান ৯টায় প্রেমিক আমিনুল ইসলাম পারভীন বেগমকে তার বাড়ী থেকে রাতের আধাঁরে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় টের পেয়ে পারভীন বেগমের আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয় লোকজন প্রেমিক আমিনুল ইসলামকে আটক করেন। প্রেমিক জুটি একে অপরকে ভালবাসে বিষয়টি তারা উপস্থিত লোকজনকে অবহিত করলে পরদিন বুধবার বেলা ২টায় বিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রেমিক জুটিকে কানাইঘাট পৌরসভার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। যথারীতি বিয়ে পড়ানোর উদ্দেশ্যে কাজীও উপস্থিত হন। পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান বিষয়টি আমিনুল ইসলামের পরিবারকে অবহিত করলে তার পিতা দুদু মিয়া মেয়র অফিসে উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে আমিনুল ইসলামের শ্বশুড় উপস্থিত হয়ে সে বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক তাকে পুনরায় বিয়ে দেওয়া হলে তার মেয়ে গলায় দাঁ দিয়ে আত্মহত্যা করবে এমন হুমকি দিলে প্রেমিক জুটির বিয়ের অনুষ্ঠান পন্ড হয়ে যায় এবং তাদের থানায় সোপর্দ করা হয়। পরে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইজ্জতহরণের অভিযোগ এনে গত বুধবার পারভীন বেগম বাদী হয়ে থানায় আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে পুলিশ গতকাল প্রেমিক আমিনুল ইসলামকে আদালতে সোপর্দ করে এবং প্রেমিকা পারভীন বেগমকে ডাক্তারী পরীার জন্য পুলিশ হেফাজতে সিলেট ওমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কানাইঘাট থানার বিদায়ী ইন্সপেক্টর রুহুল আমিন সংবর্ধিত

কানাইঘাট থানার বিদায়ী ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রুহুল আমিনকে কানাইঘাটের কর্মরত সাংবাদিকদের প থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গত বুধবার রাত ৮টায় কানাইঘাট প্রেসকাব কার্যালয়ে এ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রেসকাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় সংবর্ধিত অতিথি থানার বিদায়ী ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রুহুল আমিন তার আবেগময় বক্তব্যে কানাইঘাট থানায় ২২ মাস কর্মরত থাকাকালীন সময়ে এখানকার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সর্বস্তরের জনসাধারণ এবং কানাইঘাটে কর্মরত সাংবাদিকদের প থেকে যে সহযোগিতা ও অতিথিপরায়নতা পেয়েছেন তা কখনও ভুলবেন না বলে জানান। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সর্বদা সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে তিনি আচার-আচরণে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করেছেন। তারপরও মনের অজান্তে দায়িত্ব পালনে কোন ভুল-ত্র“টি হলে মা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহবান জানান তিনি। বিশেষ করে দায়িত্ব পালন কালে কানাইঘাটের কর্মরত সাংবাদিকদের সততা, নিরপেতা ও পেশার প্রতি দায়িত্ববোধ তাকে মুগ্ধ করেছে উলেখ করে আরো বলেন, পুলিশ-সাংবাদিক একে অন্যের পরিপূরক তাই পুলিশ প্রশাসনকে সাংবাদিক সমাজ সহযোগিতা করলে একটি এলাকার অপরাধ প্রবণতা, দুর্নীতি অনেকটা কমে যাবে। অনুষ্ঠানে প্রেসকাব নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসকাবের সহসভাপতি বাবুল আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক জামাল উদ্দিন, সমাজসেবা সম্পাদক মিছবাহুল ইসলাম চৌধুরী, সম্মাণিত সদস্য আব্দুন নূর, কাওছার আহমদ, বদরুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, কানাইঘাট বাজারের ইজারাদার হাজী করামত আলী প্রমুখ।

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যামামলা ঝুলে আছে ৭ বছর

Kanaighat News on Wednesday, August 29, 2012 | 7:40 PM

২০০৪ সালের ৭ মে নিজ বাসভবনের সামনে টঙ্গী পৌর ১০ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ওয়ার্ডের কমিটি ঘোষণাকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার। এসময় স্কুল ছাত্র রতন নিহত ও কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মহলসহ আরও ১০-১২ জন আহত হন।
এ মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যাপারে সরকার ও বাদী পক্ষের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাদী পক্ষের অনাস্থা আবেদনের কারণে এ পর্যন্ত হাইকোর্টের ৮টি বেঞ্চ পরিবর্তন হয়েছে। ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এ হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম। এ মামলায় দীর্ঘদিন যাবত কারাগারে আটক আসামিদের আত্মীয়স্বজন দ্রুত মামলাটি নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা কারাগারে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল নিম্ন আদালতে রায়ের পর হত্যা মামলার আপিলটি এভাবে হাইকোর্টে ৭ বছর ঝুলে রয়েছে।
দলীয় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহসান উল্লাহ মাস্টার নিহত হন মর্মে পরদিন সরকার প্রেসনোট জারি করে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এরশাদের ছেলে খ্যাত জাতীয় ছাত্রসমাজের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম দীপুকে প্রধান আসামি করে আহসান উল্লাহ মাস্টারের ছোট ভাই মতিউর রহমান পরদিন টঙ্গী থানায় ১৭ জনকে এজাহারভুক্ত করে একটি হত্যা মামলা নং- ৭(৫)২০০৪ দায়ের করেন। মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের অংশ হিসেবে যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় শিল্পবিষয়ক সম্পাদক নূরুল ইসলাম সরকারসহ বিএনপির স্থানীয় অঙ্গ সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ৫ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়।
২০০৫ সালে প্রধান আসামি নূরুল ইসলাম দীপু ও হুকুমের আসামি নূরুল ইসলাম সরকারসহ মোট ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। স্মরণকালের ইতিহাসে একসঙ্গে এত আসামির ফাঁসির আদেশের নজির নেই। আসামিদের অধিকাংশই ছিল আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও এরশাদের জাতীয় পার্টির অঙ্গ সংগঠন জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতা-কর্মী। এছাড়া মামলায় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত মোট ৫ আসামির মধ্যে ২ জনের ফাঁসি ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ হয়। বর্তমানে নূরুল ইসলাম সরকারসহ ১৬ জন কারাগারে এবং প্রধান আসামি নূরুল ইসলাম দীপুসহ ১০ জন পলাতক রয়েছে।
১২ কার্য দিবসে ১৯ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ১৬ জানুয়ারি বাদী এই বেঞ্চকেও অনাস্থা জানিয়ে বসেন। এ অবস্থায় আপিলটির নথি বর্তমানে প্রধান বিচারপতির দফতরে রয়েছে। মামলা পরিচালনায় বাদী পক্ষের এ ধরনের অসহযোগিতার ফলে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটি নিষ্পত্তি হবে কি-না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। খবর:-ফেয়ার নিউজ

কানাইঘাটে রোড পারমিটবিহীন অটোরিক্সার ছড়াছড়ি

Kanaighat News on Tuesday, August 28, 2012 | 8:27 PM

কানাইঘাটে প্রভাবশালী সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কোম্পানীর নামে রোড পারমিট বিহীন অটোরিক্সা (সি.এন.জি) গাড়ী আমদানি করে জমজমাট সুদী ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সিলেটের কানাইঘাট সহ বিভিন্ন উপজেলায় গত ৩বছর ধরে নতুন করে অটোরিক্সার রোড মারমিট সরকারীভাবে বন্ধ থাকায় শক্তিশালী এ সিন্ডিকেট চক্র অবৈধভাবে রোড পারমিটবীহিন গাড়ি সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন শো-রুম থেকে ৪ল টাকা দিয়ে কিনে এনে পরবর্তীতে ১৫০/- স্ট্যাম্পে চুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন জনের কাছে অগ্রিম এক ল টাকা এবং ২০/২৪ কিস্তির মাধ্যমে ৫-৬ল ধার্য্য করে বিক্রি করে থাকেন। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানাগেছে আল ইখ্ওয়ান ও আন্-নূর প্রপার্টিজ এর নামে সিন্ডিকেট চক্র গড়ে তুলে কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রশাসনকে ম্যানেজ করে কানাইঘাট সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার বিভিন্ন রোডে এ পর্যন্ত প্রায় ২শতাধিক অটোরিক্সা গাড়ি আমদানি করে নাম্বার বিহীন অবস্থায় বিক্রি করেছেন। রোড পারমিট বিহীন এসব গাড়ী প্রকাশ্যে রাস্তায় যাতায়াত করলেও রহস্যজনক কারনে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশ এসব অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে জানা গেছে। একাধিক অটোরিক্সা চালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা মটর যান আইনের সব ধরনের বৈধ কাগজ পত্র থাকা স্বত্ত্বেও ট্রাফিক পুলিশ তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অযুহাতে উৎকোচ নিয়ে থাকেন। কিন্তু প্রকাশ্যে অবৈধ নাম্বার বিহীন দুই শতাধিক অটোরিক্সা রাস্তায় দিব্বি চললেও এসব অটোরিক্সার বিরুদ্ধে কোন ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা না করায় প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্রটি প্রতিদিন রাস্তায় নতুন রোড পারমিট বিহীন অটোরিক্সা আমদানি করে চড়াও দামে কিস্তির মাধ্যমে লোকজনদের কাছে বিক্রি করছেন। তারা আরো জানান, দীর্ঘদিন ধরে অটোরিক্সার রোডপারমিট বন্ধ থাকায় অনেক প্রবাসী ও বিত্তবাণ ব্যক্তিরা গাড়ী কিনার ইচ্ছা থাকলেও রোড পারমিটের কাগজ বন্ধ থাকায় তারা কিনতে পারছে না। এই সুযোগে অটোরিক্সার ব্যাপক চাহিদা থাকায় নামে বেনামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে কানাইঘাটে প্লেইট বিহীন অটোরিক্সা আমদানি করা হচেছ। একাধিক সূত্রে জানা গেছে আল ইখ্ওয়ান ও আন্-নূর প্রপার্টিজ এর নামে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ আব্দুল করিম, পরিচালক- আবু জহর, মামুনুর রশিদ চৌধুরী, আব্দুল মতিন এবং ইসলামী ব্যাংক কানাইঘাট ঋণ শাখার কর্মকর্তা আবুল হারিছসহ আরো কয়েকজন নাম্বার বিহীন অটোরিক্সা আমদানির সাথে জড়িত। এছাড়া উক্ত কোম্পানীর মটর কার, মাজদা ট্রাক, হিউম্যান হোলার গাড়ি ও ভুমি সংক্রান্ত ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে জানাগেছে। জানা যায়, নাম্বার বিহীন অটোরিক্সা গাড়ী যারা কিনেন তাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে ইসলামী ব্যাংক কানাইঘাট শাখায় হিসাব খোলানো হয় এবং তাদের কাছ থেকে মাসিক হারে ২০/২৪ কিস্তির অনুকূলে উল্লেখিত ব্যাক্তিরা তাদের এবং কোম্পানীর নামে অগ্রিম চেক নিয়ে থাকেন। বিভিন্ন সময়ে নামে গাড়ীর চুক্তিপত্র করেন তারা। নির্দিষ্ট তারিখে কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে অনেকের কাছ থেকে গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে চেক ডিজওনারের মামলার ভয় দেখানো হয়। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ট্রাফিক পুলিশ জানান রোড পারমিট বিহীন অটোরিক্সার বিরুদ্ধে তারা কোন একশন নিতে চাইলে বিভিন্ন বাঁধার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। এ ব্যাপারে আল ইখ্ওয়ান প্রর্পাটিজের সাথে জড়িত উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ আব্দুল করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি রোড পারমীট বিহীন অটোরিক্সা গাড়ী আমদানির কথা স্বীকার করে বলেন, তারা গাড়ী কিনে থাকেন পরবর্তীতে এগুলো মুনাফার মাধ্যমে বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করে থাকেন। অটোরিক্সা গাড়ি চালানোর সাথে তারা সম্পৃক্ত নেন বলে জানান।

কানাইঘাট থানা ছাত্রদলের সহসভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ

কানাইঘাট ১নং লীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আজিজুল আম্বিয়ার পিতা এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি কান্দালা গ্রাম নিবাসী মোঃ নুর উদ্দিন (৬০) ইন্তেকাল করিয়াছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক সাংসদ সিলেট জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল কাহির চৌধুরী, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, কানাইঘাট-জকিগঞ্জ বিএনপির সমন্বয়কারী চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন রশিদ, পৌর বিএনপি’র সভাপতি ইফজালুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হুসেন বুলবুল, থানা বিএনপি নেতা পৌর কাউন্সিলার শরিফুল হক, জেলা ছাত্রদলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাজী জসীম উদ্দিন, সাইপ্রাস বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জেলা বিএনপির অন্যতম নেতা ফারুক আহমদ,১নং লীপ্রসাদ ইউপি বিএনপি’র সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শমসের আলম, থানা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মন্নান, যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ উদ্দিন সাজু, কাওছার আহমদ বাঙ্গালী, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমদ, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ জাকারিয়া, থানা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি হুসেন আহমদ, সহসভাপতি রাশিদুল হাসান টিটু সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন শামীম, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কয়সর আলম ও সাংগঠনিক সম্পাদক করিম চৌধুরী প্রমুখ।

জিয়ামঞ্চের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান সেলিম বুলবুলকে অভিনন্দন

কানাইঘাট ৪নং সাঁতবাক ইউপি বিএনপি’র সভাপতি,জেলা ছাত্রদল সাবেক নেতা সাংবাদিক শাহজাহান সেলিম বুলবুল জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কানাইঘাট উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সেই সাথে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ শাহজাহান সেলিম বুলবুলকে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনিত করায় গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও করেন নেতৃবৃন্দ। শাহজান সেলিমের নেতৃত্বে জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রেখে যাওয়া ১৯দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নেতৃবৃন্দ। অভিনন্দন দাতারা হলেন, সাবেক সাংসদ সিলেট জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল কাহির চৌধুরী, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, কানাইঘাট-জকিগঞ্জ বিএনপির সমন্বয়কারী চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন রশিদ,পৌর বিএনপি’র সভাপতি ইফজালুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হুসেন বুলবুল, থানা বিএনপি নেতা পৌর কাউন্সিলার শরিফুল হক, জেলা ছাত্রদলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাজী জসীম উদ্দিন, ১নং লীপ্রসাদ ইউপি বিএনপি’র সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শমসের আলম, সাইপ্রাস বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জেলা বিএনপির অন্যতম নেতা ফারুক আহমদ,থানা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মন্নান, যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ উদ্দিন সাজু, নিজাম উদ্দিন, কাওছার আহমদ বাঙ্গালী, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমদ, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ জাকারিয়া, থানা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি হুসেন আহমদ, সহসভাপতি রাশিদুল হাসান টিটু সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন শামীম, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কয়সর আলম ও সাংগঠনিক সম্পাদক করিম চৌধুরী প্রমুখ।

শেখ রাসেল সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ

Kanaighat News on Monday, August 27, 2012 | 7:36 PM

কলাপাড়া-কুয়াকাটাগামী সড়কের আলীপুর-মহীপুর পয়েন্টের শিববাড়িয়া নদীর উপরে নির্মানাধীন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শহীদ শেখ রাসেল সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। প্রায় একটি বছর ধরে চরম ঢিমেতালে কাজ চলে আসলেও বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। ২০১২ সালের পাঁচ অক্টোবর সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে সওজ সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া আলীপুর অংশের জমি অধিগ্রহণ বাবদ সংশোধিত নয় কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ না পাওয়ায় নতুন করে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। যথাসময় দুরের কথা, কবে নাগাদ সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে তা ঝুলে আছে মহা অনিশ্চয়তার মধ্যে। ফলে পর্যটন এলাকা কুয়াকাটার পর্যটক-দর্শনার্থীসহ সবশ্রেণীর মানুষের মাঝে এ কারণে নতুন করে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, কলাপাড়া-কুয়াকাটাড়গামী ২২ কিলোমিটার মহাসড়কের তিনটি নদীতে তিনটি ব্রিজের নির্মাণ কাজের উদ্যোগ নেয় মহাজোট সরকার। ২০০৯ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। যার কার্যাদেশ দেয়া হয় একই বছরের ৬ অক্টোবর। মহাসড়কের ৬৬তম অংশে শিববাড়িয়া নদীর উপরে শেখ রাসেল সেতুর নির্মাণ কাজ আগে শুরু হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি একই সঙ্গে শেখ রাসেল সেতুসহ একই সড়কের মোট তিনটি সেতুর নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। চার শ� আট দশমিক ৩৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটির দুই পাড়ে সংযোগ সড়ক রয়েছে ৪০০ মিটার। নির্মাণ ব্যয় বরাদ্দ রয়েছে ২৪ কোটি ৮৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। যৌথভাবে টিএসএল-আরইবি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সেতুটির কাজ করে আসছে। নয়টি স্প্যানের উপরে ফুটপাতসহ ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থ সেতুটির নির্মাণ কাজের শুরু থেকেই ছিল খুবই ধীরগতি। সওজের তথ্যমতে, মাত্র ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার সেতু নির্মাণস্থলে গিয়ে দেখা গেছে কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। এব্যাপারে কাজের তদারকিতে নিয়োজিত প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির পান্না জানান, ঠিকাদার শীঘ্রই নদীর মধ্যে গার্ডারের কাজ শুরু করবে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি আনা হয়েছে। আর আলীপুর অংশের অধিগ্রহণ জটিলতা শেষ করার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী কমলেন্দু মজুমদার জানান, ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সমস্যাটি শীঘ্রই সমাধান হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া একটি পিয়ারের কাজ স্থানীয় কিছু সমস্যার কারণে বন্ধ ছিল সেটিও সমাধান হয়ে যাচ্ছে। ঠিকাদার দুই একদিনের মধ্যেই কাজ শুরু করছে। এনিয়ে কোন শঙ্কা নেই। তবে সরকারি দলের সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা মনে করছেন সরকারি কর্মকর্তাদের গাফিলতি ও ঠিকাদারের খামখেয়ালীপনায় সেতুটির নির্মাণকাজে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। নইলে এখন সেতুটির উদ্বোধন করা যেত। আর একারণে সরকারের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করার অভিযোগ করলেন এসব কর্মীসহ সাধারণ মানুষ। তারা সেতুটির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে যোগাযোগ মন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। খবর:-ফেয়ার নিউজ

কানাইঘাটের সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে আসছে ভারতীয় কাঠ

Kanaighat News on Sunday, August 26, 2012 | 11:29 PM

নিজাম উদ্দিন/কাওছার আহমদঃ

সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা কানাইঘাটের একাধিক স্পট দিয়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে চোরাই পথে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার ভারতীয় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের কাঠ বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। কানাইঘাটের একটি শক্তিশালী চোরাকারবারী চক্র কয়েকজন কাঠ ব্যবসায়ীর সাথে আতাঁত করে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এসব কাঠ চোরাই পথে কানাইঘাটে নিয়ে আসছে। কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী সুরাই নদী, কালিজুরী, নূন নদী, লালাখাল, সিঙ্গারীপার, সোনাতনপুঞ্জি ও লোভাছড়া দিয়ে সড়ক ও নদীপথে প্রতিদিন রাতের আঁধারে ভারতীয় কাঠ দেদারসে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। ভারতীয় কাঠের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এর সাথে জড়িত স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীরা চড়া দামে এসব কাঠ রাতের আঁধারে সিলেটের বিভিন্ন উপজেলাসহ অন্যান্য জেলায় বিক্রি করে থাকেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বিট অফিস ও সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানদের সাথে কাঠ ব্যবসায়ীরা আঁতাত করে মাসোহারার মাধ্যমে ভারত থেকে কাঠ এনে থাকেন। আবার কয়েকজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শুধু সীমান্ত ক্যাম্প নয় থানা প্রশাসনকেও ম্যানেজ করে তারা ভারতীয় কাঠের ব্যবসা করছেন। একাধিক দেশীয় কাঠ ব্যবসায়ী জানিয়েছেন তারা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেশীয় কাঠ ক্রয় করে ব্যবসা করলেও কয়েকজন অসাধু কাঠব্যবসায়ী চোরাচালানীর মাধ্যমে ভারত থেকে কাঠ এনে বাজারে সরবরাহ করায় তারা ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ভারতীয় কাঠের কাছে দেশীয় কাঠের চাহিদা দিন দিন কমে যাচ্ছে বলেও জানান তারা। বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় কাঠ ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসলাম উদ্দিন, আনোয়ার মেম্বার, হেলাল আহমদ ও বেলজিয়াম মোল্লাসহ বেশ কয়েকজনের একটি সিন্ডিকেট চক্র। ভারতীয় যে সব কাঠ সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে আসছে তার মধ্যে সুন্দি, গামাইর, শীলকরই, রামডালা, চাকারশি প্রভৃতি মূল্যবান কাঠ রয়েছে। এ ব্যাপারে, উপজেলা বিট কর্মকর্তা আব্দুল খালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কানাইঘাটে আমি সদ্য যোগদান করেছি। সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় কাঠ আসছে বলে আমার জানা নেই। ভারত থেকে অবৈধ পথে কাঠের চোরাচালান ব্যবসার সাথে কেউ জড়িত আছে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকা দিয়ে কাঠ চোরাচালানের বিষয়টি অস্বীকার করেন। স্থানীয় লোকজন সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারতীয় কাঠ চোরাচালানী বন্ধে সীমান্তরী বিজিবি জোয়ান ও টাস্কফোর্সের নজরদারী বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছেন।

সরকার প্রয়োজনে কঠোর হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী



স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছেন, দেশের জনগণ বিএনপির আন্দোলনের হুমকিতে ভয় পায় না। সরকার প্রয়োজনে কঠোর হবে।
রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু একাডেমীর উদ্যোগে আইভী রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, বিএনপির হুমকিতে বাংলার মানুষ ভয় পায় না। প্রয়োজনে তাদের কঠোর হস্তে দমন করে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে যেতে হবে।
এদিকে বিএনপি গত কিছুদিন ধরে বলে আসছে, আগামী নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে করার দাবিতে ঈদের পর কঠোর কর্মসূচি দেবে তারা। আন্দোলনের কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে গতকাল রোববার রাতেই দলের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনগণ গর্জে উঠে যখন বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেবে- তখন কেউ তাদের রেহাই দিতে পারবে না। বিএনপির �কাঁধে চেপে� যুদ্ধাপরাধীরা আর যাতে জাতীয় পতাকা না ওড়াতে পারে- সেজন্য সবাইকে ঐক্যবন্ধ থাকারও আহ্বান জানান তিনি।
শিগগিরই ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার হবে- এমন আশা প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট এবং ২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট হামলার দুই অপশক্তি এক ও অভিন্ন।
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে সেই গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ অন্তত ২৪ জন নিহত হন।
সভায় আইভী রহমানের রাজনৈতিক জীবন এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বঙ্গবন্ধু একাডেমীর উপদেষ্টা মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দীন মিয়া বক্তব্য দেন। খবর:-ফেয়ার নিউজ

আগামী অধিবেশনেই বিল তুলুন : ফারুক

বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনেই নির্দলীয় সরকারের বিল উত্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক অবস্থান কর্মসূচিতে ফারুক বলেন, ১৯৯৬ সালের নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিই নির্দলীয় সরকারের রূপরেখা। নতুন কোনো রূপরেখা নেই। তাই সরকারকে বলব, আর সময়ক্ষেপন না করে অস্থিতিশীল রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করতে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে নির্দলীয় সরকারের বিল নিয়ে আসুন। তা না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা মানতে সরকারকে বাধ্য করা হবে বলে হুশিয়ারি দেন তিনি।
আগামী ৪ সেপ্টেম্বর সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক একাডেমীর উদ্যোগে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে এই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন হয়।
সরকার একের পর এক সংকট সৃষ্টি করছে দাবি করে দলীয় প্রধান হুইপ বলেন, সাড়ে তিন বছরে তারা গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি করে দেশের কপালে সরকার যে কলঙ্ক লেপন করেছে, তা কেবল সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগে মুছবে না। জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, এভাবে পুলিশ ও র‌্যাব দিয়ে বিএনপিকে আন্দোলন থেকে দূরে রাখা যাবে না। মিথ্যা মামলা দায়ের করে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের নির্যাতন করা হচ্ছে বলে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অবিলম্বে দলের নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারির সমালোচনা করে ফারুক বলেন, নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অপমান করতেই সরকার আইন সংশোধন করেছে। সরকারের এই উদ্যোগ বিশ্ববাসীর কাছে কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে।�
সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির ব্যাপারীর সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে জাতীয়তাবাদী বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক ও যুব দল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, লেবার পার্টির সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, হৃদয় বাংলাদেশ-এর সভাপতি মো. হানিফ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।খবর:-ফেয়ার নিউজ

ট্রাইব্যুনালে মুজাহিদের পক্ষে ১৩১৫ জন সাক্ষী

একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাংবাদিক লেখক শাহরিয়ার কবীর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ সাক্ষ্য দিয়েছেন।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরে এর জন্য জামায়াত ও এর সহযোগী সংঠনগুলোকে দায়ী করে তাদের বিচার দাবি করেন তিনি।
রোববার তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেন প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল। পরে তার জেরা শুরু হয়। জামায়াতের আইনজীবী নজরুল ইসলাম তাকে জেরা করেন। একপর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল আগামী ৩০ আগস্ট পরবর্তী জেরার তারিখ নির্ধারণ করেন। এসময় জামায়াতের আইনজীবীরা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পক্ষে সাক্ষীর তালিকা উপস্থাপন করেন। এই তালিকায় ১৩১৫ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরই শাহরিয়ার কবীরের সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আমরা শনিবার রাতে জেনেছি শাহরিয়ার কবীর সাক্ষ্য দেবেন। তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। তাকে জেরা করার জন্য আমরা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে পারিনি।
প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল বলেন, শাহরিয়ার কবীরের সাক্ষ্য দেবেন বলে গত ৫ আগস্ট জামায়াতের আইনজীবীদের জানানো হয়েছে। ১৮ জুলাই ৫জন সাক্ষীর নামে সমন দেওয়ার পর বিষয়টি তাদের জানানো হয়েছে।
পরে ট্রাইব্যুন্যাল সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিলে শাহরিয়ার কবীর সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন ।
গত ১৯ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক মুজাহিদের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওই দিন বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে দুই বিচারপতির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আগামী ২৬ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।
উল্লেখ্য, সাংবাদিক সিরাজউদ্দীন হোসেন অপহরণের ঘটনায় আল বদর প্রধান হিসেবে জামায়াত নেতা মুজাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নাখালপাড়ার পুরোনো এমপি হোস্টেলে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে আটক মুক্তিযোদ্ধা বদি, রুমি, সুরকার আলতাফ মাহমুদ প্রমুখকে হত্যার প্ররোচনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
এ মামলায় মুজাহিদকে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০১১ সালের ৫ ডিসেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। তবে ট্রাইব্যুনাল সেটি সুবিন্যস্ত করে পুনর্দাখিলের নির্দেশ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি অভিযোগ আবার দাখিল করা হয়। ২৪ এপ্রিল মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তর করা হয়। খবর;-ফেয়ার নিউজ

যুক্তরাজ্য কানাইঘাট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

Kanaighat News on Saturday, August 25, 2012 | 8:06 PM

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত কানাইঘাটবাসীর প্রিয় সংগঠন কানাইঘাট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৯আগস্ট বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের বৈশাখী রেস্টুরেন্টে সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সম্মানিত সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে ভোটাধিকারের মাধ্যমে কানাইঘাট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়। সদস্যদের ভোটে সভাপতি পদে কমিউনিটি নেতা নিজাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজ সংগঠক মোঃ ইকবাল হোসেইন সাধারণ সম্পাদক এবং আনিসুল হক ট্রেজারার ও ফয়েজ আহমদ বুলবুল সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন কমিউনিটি নো মোস্তফা জামাল এবং ফয়েজ আহমদ বুলবুল ও বাবরুল হোসেন বাবুল। নির্বাচন পরবর্তী নব নির্বাচিত সভাপতি নিজাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে, এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেনের পরিচালনায় সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ সাবেক ছাত্রনেতা খছরুজ্জামান খছরু, প্রফেসর আব্দুল মালিক, মোস্তফা জামান, আনিসুল হক, নজমুল হোসেইন, মাসুক আহমদ, এনাম উদ্দিন আহমদ চৌঃ, বাবুল হোসেন বাবুল, জালাল উদ্দিন, ফয়ছল রহমান, কামরুল ইসলাম, সারওয়ার কবির, মনসুর আহমদ, আমিনুল ইসলাম, আনাসুর রহমান রুবেল, আশিক সুমন প্রমুখ। সভায় যুক্তারাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসরত সকল কানাইঘাটের নাগরিকদের ঐকবদ্ধ করার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করার ল্েয বিভিন্ন সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই সাথে প্রবাসে সকল জন কল্যাণমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার পাশাপাশি কানাইঘাটের শিক্ষার প্রচার প্রসার সহ সকল আর্ত্মসামাজিক উন্নয়নে সংগঠনের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতার সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে যুক্তরাজ্য বসবাসরত কানাইঘাটবাসীর প্রিয় সংগঠন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি কমিউনিটি নেতা নিজাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক কানাইঘাট মুজম্মিল আলী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেইন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, কানাইঘাট প্রেসকাবের সভাপতি এম.এ.হান্নান,বীরদল এন.এম একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মো: জারউল্লাহ,সহকারী প্রধান শিক্ষক কলামিষ্ট মো: মহিউদ্দিন, সহসভাপতি ফিনেন্স সাংবাদিক দেলোওয়ার হোসেন সেলিম, প্রেসকাবের দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সদস্য সাংবাদিক মাহবুবুর রশিদ, কানাইঘাট প্রজন্ম প্রতিভা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্মাদক আছাদ উদ্দিন প্রমুখ।

কানাইঘাটে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের ৩২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভা আজ শনিবার বিকেল ৩টায় সংগঠনের কানাইঘাট পূর্ব বাজারস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ফারুক আহমদের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, আব্দুর রহমান, এবাদুর রহমান মেম্বার, মোস্তফা কামাল, মিছাবাহুল হক সবুজ, ফজলুর রহমান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানুর রহমান (ডিপজল), রাশিদুল হাসান টিটু, জালাল আহমদ জনী, মোঃ আলী মেম্বার, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফজলুর রহমান, বাহার উদ্দিন, রুবেল আহমদ, শাহজাহান, শাহজামাল, সাঈদ আহমদ, আহসান উল্লাহ করিম, কিবরিয়া, বুলবুল, রাসেল আহমদ, নিজাম উদ্দিন, আমির উদ্দিন, কয়সর আলম প্রমুখ।

::ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ীতে হামলার ঘটনায় সিলেট জেলা চেয়ারম্যান ফোরামের নিন্দা::

জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা চেয়ারম্যান ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম জাকারিয়ার বাড়ীতে হামলা ভাংচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন সিলেট জেলা ইউপি চেয়ারম্যান ফোরামের নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় কাহাইগড় গ্রামের ফরিদ উদ্দিন মেম্বারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী গত ১৩আগস্ট এবিএম জাকারিয়া চেয়ারম্যানের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে লোকজনদের মারপিঠ ও মালামাল লোট-পাট করেছে। উক্ত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে আহ্বান জানান। বিবৃতি দাতারা হলেন, সিলেট জেলা চেয়ারম্যান ফোরামের সভাপতি ও কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্য সিরাজুল ইসলাম, ফোরামের সহসভাপতি আব্দুস সাত্তার, সেক্রেটারী নজরুল ইসলাম বেলাল, আব্দুল মতিন, নিজাম উদ্দিন প্রমুখ।

চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুন রশিদের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

Kanaighat News on Friday, August 24, 2012 | 8:48 PM

সিলেট-৫ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক জকিগঞ্জ-কানাইঘাট বিএনপির সমন্বয়কারী ঢাকা আপডেট গ্র“পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুর রশিদ মামুন পবিত্র ঈদ উপলক্ষ্যে গত গত মঙ্গলবার এবং ঈদের দিন দলের সর্বস্থরের নেতাকর্মী সহ বিশিষ্ট জনদের সাথে কানাইঘাট উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চল ঘুরে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। কানাইঘাটের রাজাগঞ্জ, বুরহান উদ্দিন বাজার, গাছবাড়ী বাজার, সীমার বাজার, বড়দেশ বাজার, কানাইঘাট বাজার, সুরাইঘাট বাজার, সড়কের বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তাঁর সাথে কানাইঘাট উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদল, ছাত্রদল, জাসাস, জিয়ামঞ্চসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মামুন রশিদ মামুন জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন

কানাইঘাটে স্বেচ্ছাসেবকদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি, সিলেট জেলা শাখার আহ্বায়ক এবং সিলেট মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ এডভোকেট শামসুজ্জামান জামান বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপে সরকারের অধীনে বর্তমান সরকারকে বাধ্য করতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আগামী দিনে যে আন্দোলন সংগ্রামের ডাক আসবে রাজপথে জীবন বাজি রেখে স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মীদের ভ্যানগার্ডের দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি আরো বলেন জন দীতি এ সরকারের সকল দমন, নিপীড়ন, নির্যাতন মামলা, হামলা, গুম ও খুন সহ টিঁপাইমুখ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সোচ্চার ভূমিকা পালন করায় সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এম.ইলিয়াস আলীকে ধরে নিয়ে ৪মাস ধরে গুম করে রেখেছে। আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে এম.ইলিয়াস আলীকে উদ্ধার করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেশপ্রেমিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করে এ সরকারের সকল অপকর্মের বিচার করা হবে। শামসুজ্জামান জামান গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবকদল আয়োজিত ইউনিক কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমদ এবং আব্দুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন লস্কর, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ ইকবাল নেহাল, প্রভাষক আব্দুর রায়হান। বক্তব্য রাখেন কানাইঘাট পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, বিএনপি নেতা আ.ক.ম ফয়জুল হক, জৈন্তাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন বিলাল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবাদুর রহমান মেম্বার, কানাইঘাট পৌর স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মিজানুর রহমান (ডিপজল), রাশিদুল হাসান টিটু, জালাল আহমদ জনী, নজরুল ইসলাম রুকন, মোহাম্মদ আলী মেম্বার, থানা ছাত্রদল নেতা সাদিক শিকদার, আবুল বাশার, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কয়েকশত স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে কর্মী সমাবেশে শামসুজ্জামান জামানের হাতে ফুলেল তোড়া দিয়ে বিভিন্ন সংগঠন থেকে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী স্বেচ্ছাসেবকদলে যোগদান করেন। এছাড়া কানাইঘাট উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, যুবদল, শ্রমিকদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ শামসুজ্জামান জামানের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

আইভি রহমানের কবরে রাষ্ট্রপতি, আ.লীগের শ্রদ্ধা

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান তার প্রয়াত সহধর্মিণী আইভি রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে কবরে শ্রদ্ধা জানান। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও নারীনেত্রী আইভি রহমান একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন।আইভি রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানানো শেষে রাষ্ট্রপতি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের কবরেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি সকাল ১০টা ৫০ মিনেটের দিকে বনানী কবরস্থান ত্যাগ করেন।নারীনেত্রী আইভি রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল শুক্রবার। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার দুই পা কেটে ফেলা হয়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। ২৪ আগস্ট তিনি মারা যান।রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার ও বিভিন্ন সংগঠন পৃথক কর্মসূচি নিয়েছে। এছাড়া বঙ্গভবনে বাদ আসর মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আইভি রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানান যোগাযোগ ও রেলপথ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, সংসদ সদস্য একেএম রহমতউল্লাহ, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী প্রমুখ। এছাড়াও আইভি রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানান যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, কৃষকলীগ, মহিলালীগ, মহিলা সমিতিসহ একাধিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বনানী কবরস্থান মসজিদে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা অংশ নেন। খবর:-ফেয়ার নিউজ

কানাইঘাটে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ করায় একঘরে একটি পরিবার

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখায় ও ঈদের নামাজ পড়ায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় একটি পরিবারকে একঘরে করা হয়েছে। ঝিঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের দর্জিমাটি গ্রামের ডা. আব্দুল জব্বার অন্ততঃ ১০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখছেন ও ঈদ করছেন। এবারো এর ব্যতিক্রম হয়নি। তাই তার পরিবারের কেউ রোববার রোজা রাখেননি। সকাল ৮টার দিকে ডা. আব্দুল জব্বার এবং তার স্ত্রী দুজন মিলে ঈদের নামাজও পড়েন। এর পরপরই গ্রামবাসী এক বৈঠক ডেকে ডা. আব্দুল জব্বারের পরিবারকে একঘরে ঘোষণা করে তাদের সঙ্গে সবধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে। এমনকি এই পরিবারের কেউ মারা গেলে জানাজায় যোগ দেবেনা বলেও গ্রামবাসী জানিয়ে দিয়েছে।

নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে: মওদুদ

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, যতদিন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিষয়টি সুরাহা না হবে, ততদিন সব ধরনের কৌশল নেওয়া হবে। সরকারকে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না। কারণ এটা জনগণের আন্দোলন। অন্তর্বতী সরকারের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর ছিল না। আর প্রস্তাব থাকলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে না।তিনি বলেন, অন্তর্বতী সরকারে আপনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন এবং মন্ত্রিপরিষদের সব সদস্য বিরোধী দলের হয় আমরা তাতেও রাজি না। নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচন আপনাদের জন্যও সম্মানজনক হবে।মওদুদ আহমদ বলেন, গ্রামীণব্যাংক সংশোধনী অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে সরকার গরিব-নিগৃহীত নারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এ অধ্যাদেশ বাতিল করে গরিব নারীদের হারানো ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবে।�নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব: জনগণের শঙ্কা� শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দল (জাসাস)। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ, স্বদেশ জাগরণ পরিষদের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান।গত বুধবার রাতে গ্রামীণব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগে �গ্রামীণব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০১২� জারি করে সরকার। সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান এই অধ্যাদেশ জারি করেন। মওদুদ বলেন, সরকারের অন্যান্য ব্যাংকের মতো গ্রামীণব্যাংক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। এ অধ্যাদেশের মধ্য দিয়ে শেয়ারহোল্ডারদের ভোটাধিকার থাকছে না। তিনি বলেন, এ অধ্যাদেশ প্রত্যাহার করুন, তাদের মতো চলতে দিন। খবর ফেয়ার নিউজ

রোববার সাত জেলার ১২৫ গ্রামে ঈদ উদযাপিত

Kanaighat News on Monday, August 20, 2012 | 2:13 AM

রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে সাত জেলার ১২৫ গ্রামে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুর, ফরিদপুর, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম, শেরপুর ও জামালপুরে উদযাপিত হচ্ছে এই ঈদ উৎসব।চাঁদপুর: জেলার হাজীগঞ্জের সাদ্রা, বলাখাল, রামচন্দ্রপুর, অলিপুর; ফরিদগঞ্জের বাশারা, শোল্লা, সাচন মেঘ, মুন্সীরহাট, মূলপাড়া, বদরপুর, প্রতাপপুর, মহেশপুর, তেলিসাইর, উভারামপুর, সুরঙ্গচালসহ ৪০টি গ্রামে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।১৯২৮ সাল থেকে হাজীগঞ্জে সাদ্রার পীর মরহুম মাওলানা ইসহাকের অনুসারীরা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উৎসব পালন করে যাচ্ছেন। পরে আশপাশের অন্যান্য স্থানেও একই নিয়মে ঈদুল ফিতর উদযাপন শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এসব গ্রামের মানুষ সৌদি আরবে যেদিন ঈদ উদযাপিত হয়, সেদিন ঈদ উদযাপন করেন।ফরিদপুর: জেলার বোয়ালমারী উপজেলার চারটি ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার একটি গ্রামে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।আলফাডাঙ্গা কলেজের প্রভাষক মো. মাহিদুল হক বলেন, �নবীজির জন্ম যেহেতু সৌদি আরবে, এ জন্য আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ উদযাপন করি।�পটুয়াখালী: জেলার সদর, গলাচিপা, বাউফল ও কলাপাড়া উপজেলার ২২টি গ্রামের মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করছেন। সকাল ১০টায় পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের বদরপুর দরবার শরিফ প্রাঙ্গণ ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।পিরোজপুর: জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ছয়টি গ্রামে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। সকাল ১০টার দিকে সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খোন্দকারবাড়ি ও কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজী ওয়াহেদ আলী হাওলাদারের বাড়িতে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দুই জামাতে ইমামতি করেন মুন্সী শাহ আলম ও মৌলভি হায়দার আলী।কচুবাড়িয়া গ্রামের ফরহাদ হোসেন বলেন, �আমরা ২০ জুলাই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রেখেছি এবং ১৯ আগস্ট) সৌদি আরবের সঙ্গেই ঈদ উদযাপন করছি।�সাপলেজা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন জমাদ্দার ছয়টি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।চট্টগ্রাম: দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও চন্দনাইশের ৫০টি গ্রামে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। হানাফি মাজহাবের অনুসারীরা দীর্ঘ ২০০ বছর ধরে ঈদসহ সব ধর্মীয় উৎসব সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পালন করে আসছেন।শেরপুর: শেরপুরের সদর উপজেলার চরখারচর গ্রামের শতাধিক পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে। আজ সকালে তারা চরখারচর পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করে।ঘুঘুরাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম রফিকুল ইসলাম বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ওই গ্রামের বাসিন্দারা ৪০ বছর ধরে ঈদ উদযাপন করে আসছেন। তাঁরা সুরেশ্বর পীরের অনুসারী বলে তিনি জানান।জামালপুর: জেলার সরিষাবাড়ীতে আজ সকাল সাড়ে নয়টায় আহলে হাদিস জামায়াতের উদ্যোগে উত্তর বলারদিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পাঁচ বছর ধরে বলারদিয়ার গ্রামের মুসল্লিরা মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করে আসছেন।ফেয়ার নিউজ

চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ সোমবার

Kanaighat News on Saturday, August 18, 2012 | 10:07 PM

আজ শনিবার দেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামি সোমবার উদযাপিত হবে ঈদ উল ফিতর। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এই ঘোষণা দিয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় ঈদ-উল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে বৈঠকে বসে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। একের পর এক জেলা থেকে খবর আসে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সাত বিভাগ এবং ৬৪টি জেলা শহর থেকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে কমিটি ঈদের তারিখ নির্ধারণ করবে বলে কর্মকর্তারা জানান।ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, দেশের যে কোনো জায়গায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা মাত্রই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফোন নম্বরগুলোতে দ্রুত জানাতে। ফোন- ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স- ৯৫৬৩৩৯৭।বাংলাদেশে গত ২১ জুলাই রমজান মাস শুরু হওয়ায় শনিবার হিজরি বছরের এই মাসের ২৯তম দিন। শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আরব দেশগুলো রোববার ঈদ-উল ফিতর উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে। শনিবার বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেলে আরব বিশ্বগুলোর সঙ্গেই এবার ঈদ-উল ফিতর পালিত হবে। চাঁদ না দেখা গেলে ৩০ রমজান পূর্ণ শেষে সোমবারই হবে রমজানের ঈদ। ফেয়ার নিউজ

সম্পাদকের ঈদ শুভেচ্ছা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কানাইঘাটের প্রথম অনলাইন বাংলা সংবাদ কানাইঘাট নিউজ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ সকল পাঠক,শুভানুধ্যায়ী,সাংবাদিক ও দেশবাসীসহ প্রবাসের সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় জমে উঠেছে কানাইঘাটের ঈদ বাজার

মাহবুবুর রশিদ :

শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় জমে উঠেছে কানাইঘাটের ঈদ বাজার। প্রতি বছরের ন্যায় এবারো যেন ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতিতে কারো কোন কমতি নেই। প্রত্যেকেই নিজ নিজ সামর্থ্যরে মধ্যে থেকে সবচেয়ে বড় এ ধর্মীয় উৎসব পালনের ল্েয ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে । ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়ে মার্কেট ও বিপনিবিতানগুলো সরগরম হয়ে উঠছে। ১৫ রোজার পর থেকেই এ ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে সকাল থেকে দুপুর এবং সন্ধার পর দোকানগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় ল্য করা যাচ্ছে। ক্রমেই ভিড়ের মাত্রা বাড়ছে। ক্রেতাদের সামাল দিতে ব্যবসায়ীরা ও এখন রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে কাপড়ের দোকানগুলো সাজানো হয়েছে নবরূপে বাহারি সাজে। তবে গতবারের চেয়ে এবারের ঈদে বাজারে দাম অনেক চড়া, সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকটাই নাগালের বাইরে হওয়ায় এসব ক্রেতা তাদের সবচেয়ে পছন্দের জিনিসটি কিনতে পারছেন না। কানাইঘাটের বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা গেছে নারী-শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে বেশী ভিড়। বিভিন্ন্ মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে পুরুষদের চেয়ে নারীদের উপচে পড়া ভিড় বেশী। দোকানগুলোতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভীড় ল্য করা যাচ্ছে। বাজারের আল-মদিনা কথ ষ্টোর,ঢাকা শাড়ী ঘর,আল-হেরা কথ ষ্টোর,ফ্যাশন বাজার,গ্রামীন বাজার,আবুল সু ষ্টোর,তছির সু ষ্টোর, এন,টি,বস্ত্র বিতান সহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে এসব প্রতিষ্ঠান ঈদ উপলে সাজানো হয়েছে বাহারি পোশাক আর নিত্য নতুন ডিজাইনের জুতোয়। এছাড়া ও কসমেটিক্র,চুড়ি,জুয়েলারি ও জুতার দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লেগেই আছে । থান কাপড়ের দোকান গুলোতে ও ভীড় কম নয় । শুরু থেকেই থান কাপড়ের দোকান গুলোতে ভীড় থাকায় টেইলাররাও এখন মহাব্যাস্ত । ১৬ রোজার পর থেকে তারা ওর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এদিকে ঈদ উপলে অভিজাত মার্কেট গুলোর পাশাপাশি ফুটপাতে ও ক্রেতাদের আনাগোনা বেশ বেড়েছে । হকাররা নিু আয়ের মানুষের জন্য সব ধরনের পোশাকের কালেকশন রেখেছেন । যার জন্য নিু আয়ের লোকেরা কম মূল্যে নিজেদের স্বাচ্ছন্দমত কেনাকাটা করতে পারছেন । উপজেলা সদরের বাজার ছাড়াও গাছবাড়ী বাজার,বীরদল বাজার,সুরইঘাট বাজার,মুলাগুল বাজার,মুকিগজ্ঞ,বড়দেশ বাজারগুলোতেও ঈদ মার্কেটিং জমে উঠেছে । এন,টি,বস্ত্র,বিতানের প্রোপ্রাইটর বিলাল আহমদ জানান,বেচাকেনা ভালই চলছে । গ্রামীণ বাজারের প্রোপ্রাইটর আব জ্বর জানান,আমাদের এখানে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ও কেনাকাটার বিরাট সুযোগ রয়েছে,আমরা অতি স্বল্প মূল্যে পন্য বিক্রি করে থাকি । সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দোকান গুলো খোলা থাকছে ।

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর রোজাদারের জন্য পবিত্র ঈদুল ফিতর এক মহা আনন্দের দিন। তাই তো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রেখে যাওয়া কবিতা আজো আকাশে বাতাসে সুরের ঝংকার তোলে ��ও মন রমযানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ, তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্ আসমানী তাকিদ��। আজ শনিবার পবিত্র রমযান মাসের ২৯ তারিখ। আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশের পশ্চিম আকাশে বাঁকা কাস্তের মতো পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে কাল রোববার উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর চাঁদ দেখা না গেলে সোমবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।পশ্চিম আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সাথে সাথে রোজাদার অরোজাদার সকলের মাঝে বইতে শুরু করবে আনন্দের বন্যা। শুধু রাতটা পোহালেই শুরু হবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশে মুসলমানদের মিলনের বন্ধন। রাজপ্রাসাদ থেকে কুঁড়েঘর পর্যন্ত খুশীর আলোয় আলোকিত হবে। একে অন্যের সাথে কুশলাদি বিনিময় করতে থাকবে। কোলাকুলি আর ফিরনী সেমাই খাওয়ার ধুম থেকে বাদ যাবে না কেউই। ঘুম থেকে ওঠার পরই শুরু হয়ে যাবে এসব ধুমধাম। পুরো বাংলাদেশ আনন্দের আলোয় ঝলমল করতে থাকবে। ইতোমধ্যে সকলেই ঈদের সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছেন। প্রত্যেকেই জামাকাপড়সহ পছন্দের জিনিস-পত্র ক্রয় করেছেন। বন্ধু-বান্ধব ও আ�ীয়-স্বজনদের মাঝে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করছেন। পাশাপাশি ঈদ কার্ডে মনের কথা লিখে প্রিয়জনকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অনেকেই। অপরদিকে ঈদ যতই কাছে আসছে মোবাইল ফোন খরচ ততই বাড়ছে। আর মোবাইল কোম্পানীগুলোও ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা ঘোষণা করছে। এসব সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। মোবাইল থেকে কলের পাশাপাশি এস এম এস ও বিভিন্ন লগো পাঠিয়ে প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে অনেকেই। এসবের পাশাপাশি ই-মেইলের মাধ্যমেও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছে অনেকে।পব্ত্রি ঈদ মুসলমানদের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করে এবং সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে। বিশ্ব মুসলিম একই আ�ার বন্ধনে আবদ্ধ এ কথা স্মরণ করিয়ে দেয় পবিত্র ঈদ। ধনী গরিব ভেদাভেদ ভুলিয়ে দিয়ে রাজা প্রজা এক কাতারে শামিল করিয়ে দেয় পবিত্র ঈদ। হিংসা বিদ্বেষ ও অহংকারসহ সকল অন্যায় ও পাপাচার মুছে দিয়ে নতুন করে সুখী পবিত্র জীবন যাপন শুরু করার তাগিদ এনে দেয় পবিত্র ঈদ।ঈদের দিন আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। একেকজন একেকভাবে আনন্দ উপভোগ করে থাকে। বিশেষ করে ছোট ও তরুণ তরুণীদের আনন্দ উপভোগটা সবারই নজরে পড়ে। তারা ঈদের দিন ভোরে ফিরনী-সেমাই খেয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে ছুটে যায় ঈদের নামাজে। নামাজ শেষে ছোটরা খেলার সামগ্রী নিয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে খেলায় মেতে ওঠে। অনেকে ভিসিডিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান দর্শনের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ উপভোগ করে থাকে।সদ্য বিবাহিত যুগলদের জন্য ঈদের রাতে থাকে বিশেষ আয়োজন। তাদের জন্য ঈদের রাতকে চাঁদ রাত নামে অভিহিত করা হয়। শ্বশুর বাড়ীতে তাদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে নতুন জামাইর আদর বেড়ে যায় চাঁদের রাতে। তাদের জন্য শ্বশুর-শাশুরীর পক্ষ থেকে থাকে নানান উপহার সামগ্রী এবং ভাল উন্নতমানের খাবার। জামাইর সাথে আগতরাও তা থেকে বাদ যান না।চাঁদ দেখে রোজা শুরু ও সমাপ্তির নির্দেশনা ইসলাম দিয়েছে। এ ব্যাপারে হাদীস শরীফে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ রয়েছে। হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, রমযানের চাঁদ দেখা না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা রোজা রেখো না। আর শাওয়ালের চাঁদ না দেখা পর্যন্ত তোমরা ইফতার করো না। আকাশ মেঘলা থাকার দরুন চাঁদ তোমাদের দৃষ্টিগোচর না হলে রমযানের দিনগুলো পূর্ণ করে নেবে। চাঁদ দেখার ব্যাপারে ইমামদের বক্তব্য হচ্ছে, শাওয়ালের চাঁদ দেখা প্রমাণিত হওয়ার জন্য কমপক্ষে দুজন বিশ্বস্ত লোকের সাক্ষ্য অপরিহার্য। আর মেঘ মুক্ত বা পরিষ্কার আকাশ থাকলে অনেক লোকের চাঁদ দেখা শর্ত। উল্লেখ্য, মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়ে গেলে চাঁদ দেখার প্রয়োজন নেই।ঈদ শব্দের সরল অর্থ আনন্দ। আর আল্লাহর পক্ষ থেকে ঈদ হচ্ছে বান্দার জন্য বিরাট আতিথেয়তা। তাই তিনি ঈদের দিন রোজা পালনকে হারাম করে দিয়েছেন। ফিতর মানে রোজা ভাঙ্গা। ইফতার শব্দও ফিতর থেকে এসেছে। ঈদুল ফিতর মানে রোজা ভাঙ্গার ঈদ। অন্য এক মত অনুযায়ী ফিতর ফিতরাত শব্দ থেকে এসেছে। এর অর্থ স্বভাব প্রকৃতি। রমযানের দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনায় কষ্ট ও ক্লান্তির পর স্বাভাবিক ভাবেই সুখ ভোগের বিষয়টি এসে যায়। ঈদুল ফিতর রোজাদারদের সেই স্বভাবসমেত সুখ উপহার দেয়।ঈদের দিন সর্বপ্রথম রোজা ভাঙ্গার সাথে সাথে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় ও রাসূল (সাঃ)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা উচিত। ঈদের রাতে ইবাদাত করতেও উৎসাহিত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে হযরত ওবাদাহ বিন সামেত (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দু� রাত সজাগ থাকে। যেদিন সকল অন্তর মরে যাবে কিন্তু তার অন্তর মরবে না। ঈদের দিন ভোরে ঈদের নামাজের আগে ফিতরা আদায় করতে হবে। তারপর ঈদের নামায় আদায় করতে হবে। ঈদের নামায মাঠে আদায় করাই উত্তম। সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়াও উত্তম। ভিন্ন পথে ঈদগাহে যাতায়াত ও ভোরে উঠে খেজুর বা মিষ্টি কিছু খাওয়া রাসূল (সাঃ)-এর সুন্নাত। ঈদের দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধান করা উত্তম। নতুন পোশাক পরিধান করায় কোন বাধ্যবাধকতা নেই। এটিকে প্রাধান্য দেয়া ভ্রান্ত ও অমুলক ধারণা।ঈদের আনন্দ সর্বব্যাপী সবার জন্য এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই। তবুও ঈদুল ফিতরের আসল উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ ঈদ প্রকৃত সিয়াম পালনকারীদের জন্য। যারা রমযান মাসব্যাপী সুবহে সাদেক থেকে সূযাস্ত পর্যন্ত সকলপ্রকার পানাহার ও স্ত্রী সম্ভোগ থেকে নিবৃত্ত থাকেন তারাই কেবল তাকওয়ার গুণাবলী অর্জনে সক্ষমতা লাভ করেন এবং তাদের জন্যই ঈদ নিয়ে আসে দুনিয়া ও আখেরাতের সওগাত। ঈদের আনন্দ হোক প্রতিদিনের আনন্দ। সবার ঘরে, সবার মুখে ঈদের হাসিটুকু স্থায়িত্ব পাক।পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দ ও দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এফএনএস�র পক্ষ থেকেও সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।ফেয়ার নিউজ

পল্লীকবির আসমানী আর নেই

পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কবিতার বিখ্যাত চরিত্র আসমানী আর নেই।আসমানী আজ প্রথম প্রহরে সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের রসুলপুরের গ্রামের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে...রাজিউন)।তার বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর।আসমানী গত ৩ মাস যাবত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনি গত জুনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে তাকে সদর হাসপাতালে এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। তারপর ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক হেলাল উদ্দিন আহমদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে তাকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত ২ আগস্ট পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক তার চিকিৎসার সকল ব্যয়ভার বহন করেন।১৯৪৬ সালে পল্লীকবি জসীম উদ্দীন আসমানীর বাড়িতে তার বিখ্যাত কবিতা �আসমানী� রচনা করেন এবং এই কবিতার মাধ্যমে আসমানী বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। পরে এই কবিতা স্কুল পাঠ্যবইতে অন্তর্ভুক্ত হয়।জসীম উদ্দীনের কবিতা আসমানীকে বিখ্যাত করে তোলে। জীবিত থাকাকালে বিপুল সংখ্যক জনগণ তাকে দেখতে তার বাড়িতে যান।উল্লেখ্য, কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ি থেকে আসমানীর বাড়ির দূরত্ব ছিল মাত্র ২ কিলোমিটার। এ কারণে কবি ঘন ঘন তার বাড়িতে যেতেন এবং কবির সাথে তার মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠে।মৃত্যুকালে আসমানী ৫ কন্যা, ১ পুত্র, ১৫ জন নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার কনিষ্ঠা নাতনির বয়স ৫৭ বছর।পারিবারিক সূত্র জানায়, জোহর নামাজের পর তাকে তার বাড়ির কাছে দাফন করা হবে।জেলা প্রশাসক হেলাল উদ্দিন আহমেদ তার বাড়িতে যান এবং তার দাফন ও অন্যান্য খরচ দেন বলে পারিবারিক সূত্রে বলা হয়েছে।ফরিদপুর শহরের সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাংবাদিকগণ তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তাকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার বাড়িতে যান।খবর নিউজ

কানাইঘাটে বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে নিখোঁজ বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াছ আলীকে অবিলম্বে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেয়ার দাবীতে আলোচনা সভা ও এক ইফতার মাহফিল আজ শুক্রবার বিকাল ৩টায় স্থানীয় ইউনিক কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। জকিগঞ্জ-কানাইঘাট বিএনপির প্রধান সমন্বয়কারী চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলার শরীফুল হক ও বিএনপি হাজী জসিম উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় উক্ত ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল কাহির চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, কানাইঘাট পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী ইফজালুর রহমান, থানা বিএনপির সহসভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌধুরী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল হক, বিএনপি নেতা হাজী এমএ মতিন, সিনিয়র সহসভাপতি হাজী আব্দুল মালিক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের থানা শাখার সহসভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান, খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আমানুর রহমান চৌধুরী, জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আলিমুদ্দীন। বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা ডাক্তার আবু শহিদ, মাষ্টার হোসেন আহমদ, মোহাম্মদ আলী মেম্বার, আব্দুল খালিক মোস্তফা, আব্দুর রাজ্জাক মেম্বার, আব্দুস শহীদ মেম্বার, আব্দুল মালিক চৌধুরী মেম্বার, ইসলাম উদ্দিন মেম্বার, রফিক আহমদ মেম্বার, আজিজুল হক, আজির উদ্দিন ভেড়া, থানা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মন্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাজ উদ্দিন সাজু, মামুন রশিদ, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক এবাদুর রহমান মেম্বার, মিসবাউল হক সবুজ, থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ জাকারিয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এবাদুর রহমান লালই, থানা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি হোসেন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন শামীম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানুর রহমান ডিপজল, রাশিদুল হাসান টিটু, মোহাম্মদ আলী মেম্বার, জালাল আহমদ জনি, পৌর শ্রমিকদলের আহবায়ক আবিদুর রহমান, পৌর যুবদলের আহবায়ক জসিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রোমান সিদ্দিকী, যুগ্ম আহবায়ক ইসলাম উদ্দিন, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আম্বিয়া, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক করিম চৌধুরী প্রমুখ।

�দুই নেত্রী বাদ দিয়ে রাজনীতি হবে না�

বৃহস্পতিবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে দেশে কোনো রাজনীতি সফল হবে না ।নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের বনানীর বাসায় যান মির্জা ফখরুল। পরে তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের ভারত সফর ও তৃতীয় ধারার রাজনীতি সম্পর্কে ফখরুল বলেন, আমরা এ নিয়ে চিন্তা করছি না। আমরা মনে করি- এদেশে দুই নেত্রীকে বাদ দিয়ে কোনো রাজনীতি সফল হবে না। যারা এটি চিন্তা করছেন, তারা অলীক চিন্তা করছেন। লিভিং ইন ফুলস প্যারাডাইজ।
ক্ষমতাসীন মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টির প্রধান এরশাদ গত ১৩ অগাস্ট ভারত সফরে যান। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে তার বৈঠকে বাংলাদেশের রাজনীতি এবং পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
কলকাতার বাংলা দৈনিক আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নয়াদিল্লি এরশাদকে যথেষ্ট রাজনৈতিক গুরুত্ব দিচ্ছে।খবর নিউজ

সিরিজ বোমা হামলা : মৃত্যুদন্ড ২৯ যাবজ্জীবন ৯২

Kanaighat News on Friday, August 17, 2012 | 2:33 AM

দেশব্যাপী ১৭ আগষ্ট ২০০৫ সালের সিরিজ বোমা হামলা মামলায় এখন পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যুদন্ড, ৯২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৭৭ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। মামলাগুলো র‌্যাব ও ক্রিমিনাল ইনভেষ্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট প্রদান করে।
এ ঘটনায় সারাদেশে দায়েরকৃত ১৪২ টি মামলায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) ৪৪৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। এসব মামলার মধ্যে ৭৮টি বিচার শেষ হয়েছে এবং ৬৪ টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) ও হরকাতুল জিহাদের (হুজির) নেতা ও সদস্য।
র‌্যাব এর মিডিয়া ও লিগ্যাল উইং এর পরিচালক কমোডর এম সোয়াহেল এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, র‌্যাব মার্চ ২০০৬ এ জেএমবির প্রধান শায়খ আব্দুর রহমানকে সিলেট ও সামরিক শাখার প্রধান সিদ্দিকুর রহমান বাংলা ভাইকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে আদালতের রায়ে ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ তাদের মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়।
পুলিশ সদস্যরা ২০১০ সালের ২৫ মে এ রাজধানীর সবুজবাগ ও নারায়নগঞ্জ এলাকা থেকে জেএমবির পরবর্তী প্রধান মাওলানা সাইদুর রহমান, তার স্ত্রী নাইমা আকতার, সামরিক শাখার প্রধান আনোয়ার আলম শিবলু ও মজলিসে সুরা সদস্য সোহেল মাহফুজকে গ্রেফতার করে।
র‌্যাব ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের মূলধারার আমীর মাওলানা আব্দুস সালাম ও মাওলানা শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
জঙ্গী সংক্রান্ত বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলায় পালিয়ে থাকা প্রথম সারির বিভিন্ন জঙ্গী নেতাদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাবের চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসাবে গত বছর ২৫ এপ্রিল হুজি�র নায়েবে আমীর মাওলানা সাবিবরকে অপর এক হুজি সদস্যসহ গ্রেফতার করে।
মাওলানা সাবিবর গ্রেফতারের পর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল টঙ্গী রেলষ্টেশন এলাকা থেকে হুজি�র প্রধান, আফগান ও আরাকান ফেরত র্দুর্ধ্ষ যোদ্ধা এবং জঙ্গী সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর বিভিন্ন মামলার দীর্ঘ প্রায় এক যুগের পলাতক আসামী শেখ ফরিদ আহমেদ (৪৭) কে আটক করে।
র‌্যাব-৬, যশোর ক্যাম্পের একটি দল সিরিজ বোমা হামলার সাথে জড়িত এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী সাইফুজ্জামান প্রবাল (৩১) গ্রেফতার করে। সে নড়াইল জেলায় সিরিজ বোমা হামলার অন্যতম যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী।
র‌্যাবের কয়েকটি দল ঢাকার বিভিন্ন স্থান হতে সিরিজ বোমা হামলা পলাতক আসামী মোঃ মোকলেছুর রহমান সুমনকে (৩৪) গুলশানের বাড্ডা এলাকা হতে এবং আনোয়ার জাহিদ সেতু (৩১) ঢাকা আগাঁরগাঁও এলাকা হতে গ্রেফতার করে। ঝিনাইদহ হতে হুজিবি�র সক্রিয় সদস্য মোঃ আব্দুল আলিম ও পাবনা সদর থানাধীন টেবুনিয়া মোড় এলাকা হতে জঙ্গী সদস্য মোঃ ওবায়দুল্লাহ�কে বিপুল পরিমান অস্ত্রসহ অস্ত্র তৈরীর কারখানা, বোমা এবং বিভিন্ন সাংগঠিনক বইসহ গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব-৪ এর একটি দল সাভার নবীনগর বাসষ্ট্যান্ড হতে হুজিবি�র সিলেট জেলার সেক্রেটারী মোঃ আব্দুস সামাদ (৩৯)কে এবং পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানার সেক্রেটারী মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩০) কে গ্রেফতার করে।
র‌্যাব-১২, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের একটি দল কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানাধীন বাহাদুরপুর গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে জেএমবির সক্রিয় সদস্য আশিকুল ইসলাম সাজ্জাদ কে গ্রেফতার করে।
র‌্যাব-৯, সিলেটের একটি দল গতবছর ২৮ ফেব্রুয়ারী সিলেট জেলার কোতওয়ালী থানাধীন বন্দর পয়েন্ট এলাকা হতে ২টি জিহাদী বই ��দাজ্জাল ইহুদী খৃষ্টান সভ্যতা�� ও ১টি ডকুমেন্টারী ফিল্মসহ হিজবুত তাওহীদ সংগঠনের সদস্য সন্দেহে মোঃ সোহবার হোসেন (২৮) কে গ্রেফতার করে।
র‌্যাব সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন আলোকদিয়া গ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জেএমবি�র আমীর মাওলানা সাইদুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও অর্থ সম্পাদক মোহতাসিম বিল্লাহ এবং তার সহযোগী জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করে।
র‌্যাব-২ এর একটি দল কলাবাগান বাস ষ্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা হতে জেএমবি এর দাওয়াতী শাখার আহবায়ক এসএম আব্দুল গনি (২৫) কে আটক করে। তার দেয়া প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী গতবছর ৩ জানুয়ারি ৫৮, লেক সার্কাস, কলাবাগানে অবস্থিত আইটি ফার্ম থেকে দাওয়াতি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার অন্যান্য সহযোগী রিক্রুটিং ও প্রশিক্ষণের প্রধান সমন্বয়ক আবু হুরাইরা বিন আমান সামছ (২২), দাওয়াতী শাখার সদস্য মোঃ শাহনেওয়াজ আল মারুফ (২২), প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সমন্বয়ক এসএম আশরাফুজ্জামান (৩০) কে গ্রেফতার ও তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সাংগঠনিক বই ও সিডি, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউার, প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার নথিপত্র, সাংগঠনিক কাজে ব্যবহৃত মটর সাইকেল, টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
র‌্যাব সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবি, হুজি এবং হিযবুত তাহরীর পলাতক ও জামিন প্রাপ্ত পলাতক আসামীরা জেলের বাইরে এসে গোপনে গোপনে স্ব স্ব সংগঠনকে পুনরায় সংগঠিত করার প্রয়াস চালাচ্ছে।
সুত্র জানায়, জেএমবির মামলায় গ্রেফতারের পর বা সাজা হবার পর অধিকাংশ আসামী জামিন গ্রহণ করে। জামিনের পর তারা পলাতক হয়ে যায় বা আদালতে হাজিরা দেয় না। উক্ত পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব মাঠ পর্যায়ে তথ্য অনুসন্ধান এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করেছে।
জেএমবি ২০০৫ সালের ১৭ আগষ্ট একই সঙ্গে দেশের ৬৩ জেলায় বোমা বিস্ফোরন ঘটায়। এতে অনেক লোক আহত হয়। জেএমবি এ ঘটনার দায় স্বীকার করে বোমার সাথে লিফলেট বিতরন করে। পরবর্তীতে ঝালকাঠিতে জেএমবির বোমা হামলায় বিচারক নিহত হয়। একই ভাবে চট্রগ্রামের আদালতে বোমা হামলা চালানো হয়। খবর:-ফেয়ার নিউজ

গাছবাড়ী আঞ্চলিক শাখা আ’লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের উদ্যোগে শোক দিবস পালিত

কানাইঘাট গাছবাড়ী আঞ্চলিক শাখা আ’লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপল্েয এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল গত ১৫ই আগস্ট বিকেল ৩টায় গাছবাড়ী বাজারস্থ শারমিন কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। আ’লীগ নেতা মাষ্টার ফয়াজ আহমদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রলীগ নেতা হারুন রশিদের পরিচালনায় উক্ত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতি ওলিউর রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শামিম আহমদ। বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী নেতা মাষ্টার মর্তুজ আলী, মাষ্টার মাহমুদ হোসেন, থানা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন, সিলেট বিভাগীয় ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক হামজা হেলাল, যুবলীগ নেতা আলাউর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা জামিল, আলতাফ, সেলিম, সারওয়ার আহমদ, ফজলে রাব্বি, আব্দুল্লাহ, আব্দুল মাওলা, নাছিম, মাসুদ আহমদ প্রমুখ।

কানাইঘাট সাঁতবাক ইউপি আ’লীগের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

কানাইঘাট সাঁতবাক ইউপি আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস ও মাহে রমজান উপল্েয এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় স্থানীয় ভবানীগঞ্জ বাজারে অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি আ’লীগের সভাপতি হাজী মখদ্দছ আলীর সভাপতিত্বে ও ছাত্রলীগ সভাপতি কামিল আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রদান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি কানাইঘাট পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান। বিশেষ অথিতি ছিলেন, সিলেট জেলা আ’লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মস্তাক আহমদ পলাশ। বক্তব্য রাখেন আ’লীগ নেতা সামছুদ্দিন মেম্বার, সাবেক কাউন্সিলার মাসুক উদ্দিন, আব্দুন নুর মেম্বার, কানাইঘাট পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক এনামুল হক, যুবলীগ নেতা কাওছার আহমদ, আশিকুর রহমান বুলবুল, নুরুল আম্বিয়া, বাবুল আহমদ চৌধুরী, থানা ছাত্রলীগ নেতা কাওছার আহমদ, মুমিন আহমদ, শামীম আহমদ, এবাদুর রহমান, শাহজাহান, মস্তাক আহমদ, নাজির আহমদ, কাওছার আহমদ, ইউপি স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আবুল কালাম প্রমুখ।

মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা আজহার

Kanaighat News on Thursday, August 16, 2012 | 8:01 PM

প্রায় ১১ মাস পর জামায়াতের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজাহারুল ইসলাম জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
এর আগে গত ১৪ আগস্ট তার মুক্তির আদেশ কারাকর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে।
কিন্তু বুধবার পর্যন্ত কারাকর্তৃপক্ষ তাকে মুক্তি না দেয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় দলটি এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে কারা ফটকে একটি সংবাদ সম্মেলন করে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য হামিদুর রহমান আজাদ এমপি বলেন, ‘‘গত ১৪ আগস্ট দলের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজাহারুল ইসলামের মুক্তির আদেশ কারাকর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছে। কিন্তু এখনও তাকে মুক্তি না দিয়ে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়েছে। এটি সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আদালত অবমাননার শামিল।’’
গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সংবাদ সম্মেলন করে বাসায় ফেরার পথে গ্রেফতার হন এই জামায়াত নেতা।এদিকে জানা গেছে, রাজধানীতে তার বাসা ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

পাকিস্তানে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৭

পাকিস্তানের মিনহাস সামরিক বিমান ঘাঁটিতে বৃহস্পতিবার বন্দুকধারীদের হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যসহ ৭ জন নিহত হয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোরে বেশ কয়েকজন অস্ত্রধারী সামরিকবাহিনীর পোশাক পরে বিমান ঘাঁটিতে প্রবেশ করে। এর পরপরই নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুধারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
টানা ৭ ঘন্টা ধরে চলা বন্দুক যুদ্ধের পর বিমান ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিতে সমর্থ হয় পাকিস্তান সেনারা। এদিকে, এ হামলার পর দেশটির সব বিমান ঘাঁটিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর

আজ বুধবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে লাইলাতুল কদর মহিমান্বিত রাত। এ রাতে ইবাদত করলে হাজার মাসের চেয়ে বেশি ইবাদতের সমান সওয়াব পাওয়া যায়। এ কারণে বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সওয়াব হাসিল ও গুনাহ মাফের রাত হিসেবে শবে কদরের ফজিলত অতুলনীয়। এ রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয় এবং এ রাতকে কেন্দ্র করে �আল কদর� নামে একটি সূরাও অবতীর্ণ হয়।
প্রতিবছরের মতো আবার ফিরে এসেছে কদরের সেই মহিমান্বিত রাত। হাদিসে বর্ণিত আছে, ২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাতে কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজান দিবাগত রাতেই লাইলাতুল কদর আসে বলে বিশেষজ্ঞ আলেমদের অভিমত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানেরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং অধিক সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করবেন। শবে কদরের পরদিন কাল বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ রাতকে উপলক্ষ করে রাজধানীসহ দেশের সর্বত্রই মসজিদে মসজিদে ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। পবিত্র এ রাতে অনেকেই কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করবেন। রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে লাইলাতুল কদর উপলক্ষে বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। সবার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান আল্লাহতায়ালা এ রাতে তার অশেষ রহমত, বরকত ও ক্ষমার ভাণ্ডার অবারিত করে দেন। তাই মহিমান্বিত এ রাতের ফজিলত ও তাৎপর্য অপরিসীম। বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তর উত্তর উন্নতি ও কল্যাণ কামনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। অর্জন করা যায় তাঁর অসীম রহমত, বরকত ও মাগফিরাত। পৃথক এক বাণীতে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মুসলমানেরা নিজেদের পূতপবিত্র করে তোলেন। এরপর শবে কদরের রাতে আল্লাহর অসীম রহমতের দ্বারা পূর্ণতা লাভ করেন এবং মোমিনদের আত্মা অনাবিল শান্তিতে ভরে ওঠে। ফেয়ার নিউজ

কানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

জাতীয় শোক দিবস অশ্র“সিক্ত ১৫ই আগষ্ট উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন, আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দুপুর ১২টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইউটিডিসি হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্য সিরাজুল ইসলাম, ফারুক আহমদ চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগ নেতা জালাল আহমদ, রফিক আহমদ, পৌর আ’লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কেএইচএম আব্দুল্লাহ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আব্দুল হাই, যুগ্ম আহ্বায়ক বিলাল আহমদ, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম হারুন, শাহাব উদ্দিন প্রমুখ। এছাড়াও শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৃথক ভাবে আলোচনাসভা, মিলাদ মাহফিল সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট

'দিকে দিকে আজ অশ্রুগঙ্গা, রক্তগঙ্গা বহমাননাহি নাহি ভয় তবু হবে জয়, জয় শেখ মুজিবুর রহমান।'আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে কলঙ্কময়, বেদনার দিন। ১৯৭৫ সালের এ দিনে বাঙালি হারায় স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এদিন কাকডাকা ভোরে বিপথগামী কিছু সেনা সদস্য ধানম-ির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বাঙালি জাতির ললাটে এঁটে দেয় কলঙ্কের তিলক। যে কলঙ্ক থেকে দেশ-জাতি আজো পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি। কারণ বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের রায় আংশিক কার্যকর হয়েছে। এখনো ফাঁসির দ-প্রাপ্ত কয়েকজন খুনি বিদেশে পালিয়ে রয়েছে। দিনটি সরকারি ছুটির দিন। রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালিত হবে। সারাদেশসহ বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা রাখা হবে অর্ধনমিত। রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ আগস্ট ভোর ৬টায় ধানম-ির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা জানাবেন। এ সময় সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করবে। এ কর্মসূচিতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও তিন বাহিনীর প্রধানরাও অংশ নেবেন। তারা বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করবেন। থাকবেন বিদেশি কূটনীতিকসহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বাংলার সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ছিল অটুট বন্ধন, আত্মার আত্মীয়তা। প্রত্যেকটি বাঙালির হৃদয়ে ছিল তার প্রতিচ্ছবি, যা এখনো জ্বলজ্বল করছে সবার মনে। তিনি ছিলেন এমন একজন নেতা যার ব্যক্তিগত সম্পদ বলে কিছুই ছিল না। জনগণের জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন। জনগণের ভালোবাসাই ছিল তার একমাত্র সম্পদ। যে সম্পদ কেউ কোনোদিন কেড়েও নিতে পারে না। আর পারেনি বলেই ১৫ আগস্ট এলেই তা গভীরভাবে উপলব্ধি করা যায়। তাকে কোনো বাঙালি হত্যা করতে পারে এমন বিশ্বাস কারও মনে কোনোদিন ছিল না, যা ছিল না বঙ্গবন্ধুর মনেও। আর তাই বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ঘনিষ্ঠজনদের শত অনুরোধ উপেক্ষা করে রাষ্ট্রপতি হয়েও বঙ্গভবনের মতো সুরক্ষিত স্থানে না থেকে সাধারণ মানুষের মতো থেকেছেন ধানম-িতে অরক্ষিত নিজ বাড়িতে। প্রতিটি মুহূর্ত থেকেছেন গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে। আর এতেই তার কাল হয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী ওই ঘাতকচক্র হত্যা করে বঙ্গবন্ধুকে, যা ছিল পৃথিবীতে বিরল ও মর্মান্তিক ঘটনা। মহাত্মা গান্ধী, লুথার কিং, লিংকন, লুমুম্বা, কেনেডি, ইন্দিরা গান্ধী পর্যন্ত রাজনৈতিক হত্যাকা-ের শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু কাউকেই বঙ্গবন্ধুর মতো সপরিবারে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়নি। এদিন ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, জামালসহ ২২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এমনকি বঙ্গবন্ধুর শিশুপুত্র শেখ রাসেলও এই নির্মম হত্যাকা-ের শিকার হন। যে কাজটি বর্বর হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীও করার সাহস করেনি, সেটিই করল এ দেশের কিছু কুলাঙ্গার। স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার হলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গঠন করতে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন তখনই ঘটানো হয় এ নৃশংস ঘটনা। পরিসমাপ্তি ঘটে একটি ইতিহাসের। সে থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম বাংলার আকাশ-বাতাস ও মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে ষড়যন্ত্রকারী ঘাতকরা, যা কোনোদিন হয়নি, হবেও না। পৃথিবীতে বাঙালি জাতি যতদিন থাকবে ততদিনই থাকবে বঙ্গবন্ধুর নাম, তার কর্ম। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দীর্ঘদিন পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু হয়। এতে ১৫ জন আসামির মৃত্যুদ- দেন জজ আদালত। এর বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করলে ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমের একক বেঞ্চ ১৫ জনের মধ্যে ১২ জনের মৃত্যুদ-াদেশ বহাল রাখেন। অপর ৩ জনকে বেকসুর খালাস দেয়। পরবর্তীতে মৃত্যুদ-াদেশপ্রাপ্তরা ২০০৭ সালের ৭ আগস্ট লিভ টু আপিল করলে ওই বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ তা মঞ্জুর করে। আপিলে খুনিদের ফাঁসির রায় বহাল রাখে আপিলাত ডিভিশন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক ৫ খুনির ফাঁসি কার্যকর হয় ২০১০ সালে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর কলঙ্কমুক্ত হয় বাঙালি জাতি। বুক থেকে নামে শোকের পাথর। বিগত ড. ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী ২০০৮ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত পুনঃসিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে ওইদিন সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর দিবসটি আবারো রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। ওই বছর ১০ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুকে হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করি এবং দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বলেছেন, ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও জনগণের কাছ থেকে তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। পনের কোটি বাঙালির অন্তরে গ্রোথিত রয়েছে তার ত্যাগ ও তিতিক্ষার সংগ্রামী জীবনাদর্শ। ৬টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং নগরীর বিভিন্ন শাখা কমিটির নেতারা। সাড়ে ৭টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল। সকাল সোয়া ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও বাদ জোহর মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল। আওয়ামী লীগ সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক, বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আলতাফ হোসেন, শেখ হারুন অর রশিদ, সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান ও সুজিত রায় নন্দী ও দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা টুঙ্গিপাড়ায় এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া সকাল ১১টায় মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। সকাল ৮টায় মিরপুর গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠান। সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠান। বিকাল ৪টায় মেরুল বাড্ডা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে প্রার্থনা অনুষ্ঠান। বাদ আসর দেশের সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলায় মিলাদ ও ইফতার মাহফিল।আগামীকাল ১৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় সভাপতিত্ব করবেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। খবর:-দৈনিক ডেসটিনি

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ

Kanaighat News on Wednesday, August 15, 2012 | 1:15 AM

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ১২ হাজার ৭০১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এরা শূন্যপদের বিপরীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাবেন। এছাড়া সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্য পদের বিপরীতে প্রার্থী নির্বাচনের পর অবশিষ্ট প্রার্থীদের মধ্য থেকে ১৫ হাজার ১৯ জনকে উপজেলা/থানাওয়ারি প্রাথমিক শিক্ষক পুল গঠনের জন্য নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শূন্য পদের বিপরীতে ১২ হাজার ৭০১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, এদের জেলাওয়ারি তালিকা জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হবে। এবার প্রথমবারের মত শিক্ষক পুল গঠন করে সেখানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় নয় লাখ সাত হাজার ৯২৬ জন প্রার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ৪৪ হাজার ৬০৯ জনকে মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়। খবর:-ফেয়ার নিউজ

আগামীকাল বঙ্গবন্ধুর ৩৭তম শাহাদাতবার্ষিকী

আগামীকাল বুধবার রক্তঝরা ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। বেদনাবিধূর ও কলঙ্কের কালিমায় কলুষিত বিভীষিকাময় ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর দিন। স্বাধীন বাংলার স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৭তম শাহাদাতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিনের কালরাত্রিতে ঘটেছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক ঘটনা। কিছু উচ্ছৃংখল ও বিপথগামী সৈনিকের হাতে সপরিবারে প্রাণ দিয়েছিলেন বাঙ্গালির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সন্তান, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নৃশংস এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন আর যারা প্রাণ হারিয়েছিলেন তারা হলেনঃ বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল। ইতিহাসের এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে সেদিন আরো প্রাণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। বাংলাদেশ ও বাঙালির জন্য গভীর মর্মস্পর্শী এক শোকের দিন আজ। বাঙালি জাতি বুধবার গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় তাঁর শ্রেষ্ঠ সন্তানকে স্মরণ করবে।
বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম পুরুষ, একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র হিসাবে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকেই আগস্ট আর শ্রাবণ যেন মিলেমিশে শোকে একাকার। বাংলার মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র ৫৫ বছরের জীবনে (১৯২০-১৯৭৫) স্বদেশের মাটি আর মানুষকে এমন গভীর ভালোবাসার বন্ধনে বেঁধেছিলেন, যে বন্ধন কোনোদিন ছিন্ন হবার নয়। আজীবন ঔপনিবেশিক শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে, দরিদ্র নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে এমন এক অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন, যার তুলনা বিরল।
এ বছর অন্যরকম পরিবেশে শোক দিবস পালনে প্রস্তুতিও ব্যাপক। হাজার হাজার শোকের তোরণ, কালো ব্যানার, ফেস্টুন, পতাকা, পোস্টারে ছেয়ে গেছে দেশের পথ-প্রান্তর। পঁচাত্তরের পর রাজধানী থেকে শুরু করে সারাদেশেই প্রতিটি মোড়ে মোড়ে, গ্রাম-মহল্লায়, হাটে-বাজারে কৃতজ্ঞ বাঙালির শোক পালনের এত ব্যাপক আয়োজন এবারই প্রথম। শুধু আওয়ামী লীগই নয়, সারাদেশের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী প্রতিটি মানুষ, সংগঠন এবার বিস্তারিত কর্মসূচির মাধ্যমে স্মরণ করছেন স্বাধীনতার এই মহান স্থপতিকে।
একজন প্রকৃত নেতার যেসব গুণাবলী থাকা প্রয়োজন, তার সব গুণ নিয়েই জন্মেছিলেন ক্ষণজন্মা এই মহাপুরুষ। যাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল বহুবর্ণিল, যাঁর কণ্ঠে ছিল জাদু। যিনি রচনা করেছিলেন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিজয় ইতিহাস। এতকিছুর পরও শেষ পর্যন্ত তাঁকে জীবন দিতে হয়েছে ঘাতকের হাতে। ৩৬ বছর আগে ১৯৭৫ সালের এই কালিমাময় দিনে জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, ইতিহাসের মহানায়ক, শেখ মুজিবুর রহমানকে। একাত্তরের পরাজিত শক্তির ঘৃণ্য সর্বনাশা চক্রান্তে একদল ঘাতকের পৈশাচিকতার বলি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার-পরিজন। রচিত হয় ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়। কিন্তু তাতে তো এমন একজন রাষ্ট্রনায়ককে একটি জাতির হৃদয় থেকে চিরতরে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন প্রতিটি উৎসবে, আনন্দ-বেদনায়। তিনি যে মৃত্যুঞ্জয়ী। রাজনীতির সঙ্গে সামান্যতম সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও নারী-শিশুরাও সেদিন রেহাই পায়নি ঘৃণ্য কাপুরুষ এই ঘাতকচক্রের হাত থেকে। বিদেশে থাকার জন্য প্রাণে বেঁচে যান কেবল বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। দিনটি তাই বাঙালীর ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত। আজ সেই শোকের দিন, কান্নার দিন। জাতীয় শোক দিবসে আজ বাঙালী গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ বঙ্গবন্ধুর ৩৭তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হচ্ছে।
এ বছর ১৫ আগস্ট এসেছে একটি ভিন্ন আবহে, ভিন্ন অবয়বে। বাংলাদেশের স্থপতির নির্মম-নৃশংস হত্যাযজ্ঞের বিচার পেতে বাঙালী জাতিকে ৩৪টি বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। প্রতি পদে পদে খুনীদের দোসর ও মদদদানকারী সরকারের ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বেড়াজালে আটকে থেকেছে ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম এই হত্যাযজ্ঞের বিচার। জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশ ছিল তিমিরাচ্ছন্ন। দেশ পরিচালনার নেতৃত্ব গ্রহণ করে অনির্বাচিত সরকার। তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে আশ্রয়-প্রশ্রয় পায় বঙ্গবন্ধুর খুনিরা। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে যত নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটেছে ১৫ আগস্টের ভয়াল ঘটনা সব কিছুকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেদিন দুগ্ধপোষ্য শিশু, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, প্রতিবন্ধী কেউই ঘাতকদের হাত থেকে রেহাই পাননি। অন্তঃপুরবাসিনী যে নারী সাধারণের সামনে নিজেকে কখনই প্রকাশ করেননি তিনিও নৃশংস খুনের শিকার হন। বিশ্ব বিবেক এ খুনের ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে যায়। কিন্তু তারপরও দীর্ঘদিন সাংবিধানিক ইনডেমনিটি দিয়ে অপরাধীদের আড়াল করে রাখা হয়। এমনকি তারা দোর্দন্ড প্রতাপ নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে দাপিয়ে বেড়িয়েছে এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। দীর্ঘদিন জাতিকে বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয়েছে এ খুনের কলংক। সময়ের পালাবদলে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এ হত্যাকান্ডের বিচারের পথ উন্মুক্ত হয়। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে সরকার অপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ নেয়। অনেক জটিলতার মধ্য দিয়ে বিচার সম্পন্ন হলেও রায় কার্যকর করতে আরো ১০ বছর লেগে যায়। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না আসতে পারায় খুনিদের বিচারের রায় কার্যকর আবারো অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক হত্যা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সংঘটিত হয়েছে বিভিন্ন কাল পরিসরে। কিন্তু প্রতিটি হত্যার বিচার হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে? এখানে ইতিহাস যেন উল্টো পথযাত্রী! এখানে বিচার বিঘি�ত। বিশ্বের ইতিহাসে একসঙ্গে এতো নৃশংস রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের নজীর নেই বললেই চলে। তবুও কী আশ্চর্য, এই ভয়ঙ্কর হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত আত্মস্বীকৃত খুনীদের চূড়ান্ত শাস্তি পেতে কেটে যায় একে একে ৩৪ বছর। বিচারের পথে সৃষ্ট দীর্ঘ বাধার প্রাচীর বিতর্কিত করে দেশের সুপ্রীম কোর্ট এবং বিচারপতিদেরও। জাতি দেখেছে এই দীর্ঘ সময়ে নিষ্ঠুর এই ঘাতকদের প্রকাশ্যে পুরস্কৃত করার ঘৃণ্য চিত্র। সেই বাধার প্রাচীর ডিঙিয়ে অবশেষে বিচারের বাণীর নিভৃত কান্নার অবসান ঘটল ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি মধ্যরাতের পর। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির রায় কার্যকর হয় পাঁচ আত্মস্বীকৃত খুনীর। কলঙ্কমুক্তির আনন্দে উদ্বেল হয় গোটাদেশ। তবুও জাতির খুনীদের প্রতি ঘৃণা এতোটুকুও কমেনি। অনেকেরই মত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর হলেও এসব ঘৃণ্য নরপশুদের প্রতি বাঙালির ঘৃণা-ধিক্কার এতোটুকুও কমবে না। বরং দেশ যতদিন থাকবে, ততদিন এসব ঘাতকদের কবরে প্রজন্মের পর প্রজন্মের সন্তানরা তাদের হৃদয়ের ঘৃণা জানাতে এতটুকুও ভুলবে না।
দীর্ঘ ৩৪ বছর পর বাঙালি জাতি পিতৃহত্যার কলঙ্ক থেকে মুক্ত হয়। যারা একসময় নিজেদের বিচারের ঊর্ধ্বে ভেবেছিল এবং তাদের কেউ স্পর্শ করতে পারবে না বলে দম্ভ করেছিল; এই বিচার ও দণ্ডাদেশ কার্যকর করার ভেতর দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে বাংলার মাটিতে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আর বিচারের দীর্ঘতম প্রক্রিয়া শেষে রায় কার্যকরের মধ্যদিয়ে শেষ হয় বাংলাদেশের ইতিহাসের অত্যন্ত মর্মস্পর্শী করুণ এক অধ্যায়ের। কিন্তু এখনো বঙ্গবন্ধুর ছয় খুনী বিদেশে পলাতক। ওই পলাতক খুনীদের ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর এবং যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে কলঙ্কমুক্ত বাঙালি জাতি আজ শোক দিবস পালন করছে। একটি জাতি রাষ্ট্রের স্থপতিকে সপরিবারে খুনের ঘটনার পর অপরাধীদের দাম্ভিকতা প্রদর্শন পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা। দীর্ঘ সময় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে তাদের পরিবারের সকল সদস্য হারানোর মর্মান্তিক বেদনা বয়ে বেড়াতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, জাতির কাছে পিতা, মাতা, ভাই ও স্বজন হারানোর বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে তাদের। কিন্তু রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের এই মর্মযাতনা কেউ অনুভব করেনি।
বঙ্গবন্ধুর পাঁচ আত্মস্বীকৃত ঘৃণ্য খুনীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হলেও এখনো বিদেশের মাটিতে পলাতক রয়েছে আরও ছয় খুনী। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামির মধ্যে এই ছয় খুনী প্রায় একযুগ ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এসব খুনী হলো ঃ লে. কর্নেল (বরখাস্ত) খন্দকার আবদুর রশিদ, মেজর (বরখাস্ত) শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল (অব.) এ এম রাশেদ চৌধুরী, মেজর (অব.) এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মাজেদ ও রিসালদার মোসলেমউদ্দিন খান। পলাতক অবস্থায় মারা গেছেন আরেক আসামি আজিজ পাশা। পলাতক এসব আত্মস্বীকৃত খুনীকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। এ ব্যাপারে সরকার থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের সহায়তাও চাওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও লিবিয়ার কাছে চিঠিও দেয়া হয়েছে। খুনীদের ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, এসব খুনী যুক্তরাষ্ট্র, লিবিয়া ও কানাডায় পলাতক রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে দু�জনের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে। তাদের মধ্যে লে. কর্নেল এ এম রাশেদ চৌধুরী এখন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে অবস্থান করলেও কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছেন। বেশ কিছুদিন জার্মানিতে লুকিয়ে থাকার পর লে. কর্নেল এইচ এম বি নূর চৌধুরী এখন রয়েছেন কানাডায়। সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য না থাকলেও বিভিন্ন সূত্র জানায়, লে. কর্নেল খন্দকার আবদুর রশিদ মূলত অবস্থান করেন লিবিয়ার বেনগাজি শহর ও পাকিস্তানে। লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিমের ব্যবসাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড কেনিয়াকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হলেও তিনি মাঝে-মধ্যে লিবিয়া ও পাকিস্তানে আসা-যাওয়া করেন। আবদুল মাজেদ ও মোসলেম উদ্দিনও বর্তমানে পাকিস্তান ও লিবিয়ায় লুকিয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।
এসব পলাতক খুনীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, কার্যকর করা হবে মৃত্যুদণ্ডাদেশ- এই প্রত্যয় আর অঙ্গীকারের মধ্য দিয়েই এবার পালিত হবে শোকাবহ ১৫ আগস্ট। আজ যখন জাতীয় শোক দিবসে মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করছে জাতি, তখন সঙ্গত কারণেই নবীণ প্রজন্মকেও স্মরণ করিয়ে দিতে হবে- নিজের জীবনের চেয়েও দেশ আর দেশের মানুষকে যিনি ভালোবেসেছিলেন, ফাঁসি নিশ্চিত জেনেও যিনি পাকিস্তানি কারাগারে বসে আপস করেননি স্বাধীনতার প্রশ্নে, যিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতা আর জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক মুক্তি চেয়েছিলেন, এ জাতি তাঁরই উত্তরসূরি। যিনি ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকদের মেশিনগানের মুখেও ছিলেন অকুতোভয়, প্রশ্ন করেছিলেন, �তোরা কী চাস? কোথায় নিয়ে যাবি আমাকে?- সেই অনির্বাণ সূর্যের প্রখর ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধুর দৈহিক বিনাশ ঘটলেও তাঁর আদর্শের মৃত্যু হতে পারে না। মানুষ মরে যায়, আদর্শ মরে না। বঙ্গবন্ধু নিজেও একাধিক বক্তৃতায় এ কথা বলেছিলেন। তাই বঙ্গবন্ধু কোনো ব্যক্তিমাত্র নন, অবিনশ্বর এক আদর্শ ও প্রেরণার নাম। সেই প্রেরণাতেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি নাম, একটি ইতিহাস। তাঁর জীবন ছিল সংগ্রামমুখর। সংগ্রামের মধ্যেই বড় হয়েছিলেন তিনি। তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। ছাত্র অবস্থায় তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ৫২�র ভাষা আন্দোলনে তিনি ছিলেন সংগ্রামী নেতা। বাঙ্গালি জাতির মুক্তি সনদ ৬ দফার প্রণেতাও ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। ৭০�র নির্বাচনে অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগকে এদেশের গণমানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীকে পরিণত করেন। অবিসংবাদিত এই নেতার চলার পথ ছিল কন্টকাকীর্ণ। পাকিস্তানের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলে ষাটের দশক থেকেই তিনি বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদের অগ্রনায়কে পরিণত হন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উত্তাল সমুদ্রে বঙ্গবন্ধু বজ দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন, �এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।� এই ঘোষণায় উদ্দীপ্ত, উজ্জীবিত জাতি স্বাধীনতার মূলমন্ত্র পাঠ করে সেদিন পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। জাতির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ পুরুষ বঙ্গবন্ধুর অমর কীর্তি স্বাধীন বাংলাদেশ।
কর্মসূচিঃ
আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ৩৭তম শাহাদতবার্ষিকী, জাতীয় শোক দিবস। আজ সরকারি ছুটির দিন। আজ সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। দিনের শুরুতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দেশ ও জাতির পক্ষ । খবর:-ফেয়ার নি্উজ

নগরীর উপশহরে ছিনতাইকারীদের হামলায় ব্র্যাক কর্মকর্তা খুন

নগরীর উপশহরে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে ব্র্যাক কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান খুন হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে ই ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আব্দুল হান্নান সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার গ-ামারা গ্রামের আব্দুল হাশিমের ছেলে। জানা যায়, আব্দুল হান্নান ব্রাক সিলেট অফিসের অ্যাকাউন্টস অফিসার হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট উপশহর ব্র্যাকের প্রধান কার্যালয় থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে শহরের উদ্দেশ্যে বের হন।অফিস থেকে বের হয়ে কিছু দূর যাওয়ার পর কয়েকজন ছিনতাইকারী তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ছিনতাইকারীরা ধারালো ছুরি দিয়ে হান্নানের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। একপর্যায়ে এলাকার লোকজন ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। তবে তারা টাকা নিয়ে যেতে পারেনি।গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল হান্নানকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান। হাসপাতাল সূত্র জানায়, অধিক রক্তক্ষরণের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।খবর:-ডেইলি নিউ সিলেট

প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন

Kanaighat News on Tuesday, August 14, 2012 | 7:32 PM

লন্ডনে বিশ্ব পুষ্টি সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটাস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সোমবার লন্ডন সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। পথে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুইঘণ্টা যাত্রা বিরতি করেন তিনি। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. এম সাঈদুর রহমান খান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। শেখ হাসিনা লন্ডন সফরকালে ১২ই আগস্ট বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০- ডাউনিং স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল নিউট্রিশন সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন ইভেন্টের কো-চেয়ারম্যান বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন এবং ব্রাজিলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইকেলও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, অ্যাম্বাসেডর এট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন এবং প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন। খবর:-ফেয়ার নিউজ

ইলিয়াস আলীকে ঈদের আগে ফেরত দিন : ফখরুল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নিখোঁজ ইলিয়াস আলীকে ঈদের আগে ফেরত দিন । ঈদের আগে ইলিয়াস আলীকে ফেরত দেয়া না হলে ঈদের পরে সারাদেশে সরকার পতনের কঠিন আন্দোলন শুরু হবে। এ আন্দোলন সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন হবে। তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে সিলেট এমসি কলেজের পুড়েযাওয়া ছাত্রাবাস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ।
তিনি আরো বলেন, নিদর্লীয় সরকার বিষয়ে বিদেশে নয়, বরং দেশে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হলে তা বিবেচনা করা হবে । এমসি কলেজের ছাত্রাবাস পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় ছাত্রলীগকে দায়ী করেন এ বিএনপি নেতা।
পরে নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও তার গাড়িচালক আনছার উদ্দিনের বিশ্বনাথের বাড়িতে তাদের মা ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। এছাড়াও হরতালে নিহত ৩ যুবদল কর্মীর কবর জিয়ারত করেন তিনি। খবর:-ফেয়ার নিউজ
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩