কানাইঘাটে আবারো এক দুবাই প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধষ ডাকাতি

Kanaighat News on Saturday, December 31, 2011 | 11:11 PM

নিজাম উদ্দিন:

কানাইঘাটে গত শুক্রবার(৩০ ডিসেম্বর) গভীর রাতে আবারো এক দুবাই প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। গত দশ দিনে এনিয়ে কানাইঘাটে ৩ প্রবাসীর বাড়িতে অস্ত্রধারী ডাকাতদল হানা দিয়ে ল ল টাকার মালামাল লোট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকা জুড়ে ডাকাত আতংক বিরাজ করছে। ডাকাতি ঘটনার খবর পেয়ে গতকাল জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য কানাইঘাট থানার নবাগত ওসি রফিকুল হোসাইন কে নির্দেশ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত অনুমানিক ২টায় উপজেলার ৫নং বড়চতুল ইউপি’র চতুল ঈদগাহ বাজার সংলগ্ন মুক্তাপুর গ্রামের মৃত মাওঃ ফজলুর রহমানের দুবাই প্রবাসী পুত্র ইয়াহহিয়া (৪২) ও তার সহোদর ভাই ঈদগাহ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল বাছিতের বাড়িতে ২০/২৫জনের অস্ত্রধারী ডাকাতদল হানা দিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। এসময় সদ্য দেশে ফেরত দুবাই প্রবাসী মোঃ ইয়াহহিয়া ডাকাতদেরকে প্রতিরোধের চেষ্টা করলে ডাকাতরা দেশীয় তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়ে তাকে রক্তাক্ত আহত করে নগদ ৪ল টাকা, ৮ভরি স্বর্ণালংঙ্কার, দু’টি মোবাইল সেট লোট করে নিয়ে যায়। ডাকাতরা চলে যাবার পর বাড়ির লোকজনের আত্মচিৎকারে গ্রামবাসী এগিয়ে এসে গুলিবিদ্ধ প্রবাসী ইয়াহহিয়াকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনার আধ ঘন্টা পর কানাইঘাট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডাকাতদের আটকের চেষ্টা করে ব্যার্থ হয় এবং ডাকাতদের ফেলে দেওয়া দেশীয় একটি এলজি গানের পিছনের অংশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাড়ির গৃহকর্তা ব্যবসায়ী আব্দুল বাছিত বাদী হয়ে থানায় ডাকাতি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ রফিকুল হোসেইনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ডাকাতি ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, ডাকাতির সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। তিনি জনমনে আতংকের সৃষ্টি না হয় ও এ ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে তার জন্য থানা জুড়ে পুলিশী টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি অপরাধ কর্মকান্ড দমনে শীঘ্রই পুলিশের উদ্যোগে জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য লোকজনদের নিয়ে জনসচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান এবং কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম শক্তিশালী করা হবে। উল্লেখ্য যে গত ২১ ডিসেম্বর জুলাই গ্রামের ফ্রান্স প্রবাসী ফারুক আহমদ ও গত ২৭ডিসেম্বর নিজ ঝিংগাবাড়ি ইউনিয়নের মৃত ওলিউল্লাহর ৪ সৌদী প্রবাসী সহোদর পুত্রের বাড়িতে পৃথক দু’টি দুধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়।

কানাইঘাটে ডাকাতির ঘটনায় ১জন আটক

কানাইঘাট ৪নং সাঁতবাক ইউপি’র জুলাই গ্রামের ফ্রান্স প্রবাসী ফারুকের আহমদের বাড়িতে দুধর্ষ ডাকাতি ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে আব্দুর রব (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে কানাইঘাট থানা পুলিশ মঙ্গলবার আটক করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিক জুলাই গ্রামের আরব আলীর পুত্র আত্মগোপনে থাকা আব্দুর রবকে জুলাই এলাকা থেকে আটক করেন। উল্লেখ্য যে, গত বৃহস্পতিবার রাতে অস্ত্রধারী একদল ডাকাত ফ্রান্স প্রবাসী ফারুক আহমদের বাড়িতে হানা দিয়ে ২ জনকে আহত করে ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে। পুলিশ ডাকাতির সাথে জড়িত সন্দেহে দু’জনকে এ পর্যন্ত আটক করলেও কোন মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি।

কানাইঘাটে আবারো প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি

নিজাম উদ্দিন/কাওছার আহমদ:

কানাইঘাট জুড়ে প্রবাসীদের বাড়ি টার্গেট করে অস্ত্রধারী ডাকাতদল কর্তৃক একের পর এক প্রবাসীদের বাড়িতে দূধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যে ডাকাত আতঙ্ক বিরাজ করছে। ফ্রান্স প্রবাসী ফারুক আহমদের বাড়িতে দূধর্ষ ডাকাতির ঘটনার ৭দিন যেতে না যেতেই গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার ৮নং ঝিংগা বাড়ি ইউপি’র নিজ ঝিংগাবাড়ি গ্রামের ৪ সহোদর প্রবাসীর বাড়িতে এক দুধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। স্থানীয় লোকজন ও সংঘটিত ডাকাতির ঘটনার বাড়ির লোকজন জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার রাত অনুমানিক আড়াইটায় গ্রামের মৃত ওলিউলাহর ৪ সৌদি প্রবাসী পুত্রের বাড়িতে ২০/২১ জনের অস্ত্রধারী সশস্ত্র ডাকাতদল হানা দিয়ে ঘরের কাঠের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে গৃহকর্তী কুলছুমা বিবি (৭০) তার মেয়ের জামাই আমান উদ্দিন (৪৫), নাতি ছয়ফুল ইসলাম (৩৫) কে পিঠিয়ে আহত করে ঘরের নারী পুরুষসহ সবাইকে বেঁধে ফেলে ডাকাতরা। পরে ডাকাতরা চার প্রবাসীর বসত ঘরের সকেস, আলমারী ও সিন্দুক ভেঙ্গে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১৬লক্ষ টাকার মালামাল লুটের পর ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়। গতকাল বিকেলে সিলেট উত্তর সার্কেলের এএসপি বীণা রানী দাস, কানাইঘাট থানার সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল ওয়াহীদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় গৃহকর্তী কুলছুমা বিবি থানায় বাদী হয়ে ডাকাতি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

শিশু শ্রম....স্যার ৫টাকা বাড়িয়ে দিন

Kanaighat News on Tuesday, December 27, 2011 | 6:43 PM

কাওছার আহমদ:


‘স্যার ৫টাকা বাড়িয়ে দিন, মায়ের অসুখ ঔষধ নিতে হবে-’ করুণ সুরে এক রিক্সাচালক শিশু পৌর শহরের রায়গড় পয়েন্টে যাত্রীকে বলছিল। এই শিশুটি যে বয়সে বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা সেখানে ক্ষুধার তাড়নায় রিক্সা চালিয়ে পঙ্গু বাবার সংসারের খাদ্যের চাহিদা মেটাচ্ছে। দু'মুঠো অন্ন, বস্ত্রের জন্য সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রিক্সা চালাতে হয় তাকে। সংসারের জীবিকা নির্বাহের জন্য হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে থাকে। শিশুটির নাম আশিক উদ্দিন (১০), সে কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের হকারাই গ্রামের মুশাহিদ আলীর পুত্র। সুদূর অতীতকাল থেকেই দরিদ্র শিশুরা অবহেলা ও অনাদরের শিকার হয়ে আসছে। আজও তাদের সকল অধীকার পায় নি। যদিও বর্তমানে শিশু অধিকার রার জন্য ব্যাপক প্রচার, আইন ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। তার পরও শ্রমের বিনিময়ে জীবন ধারণ করছে শিশুরা। কর্মক্ষেত্রে শিশুরা প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে। যে শিশুকে পরিবারের স্নেহ আদরে লালিত-পালিত হওয়ার কথা, সেই শিশু আজ নিজের খাদ্য,বস্ত্রের যোগান দিতে এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের খাবার যোগাতে বিভিন্ন ধরনের শ্রম দিয়ে যাচ্ছে। কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জন করছে যৎ সামান্য অর্থ যা দিয়ে কোন রকমে তাদের দিন চলে। শিশুশ্রম একটি মানবতা বিরোধী কাজ। তাদের অধিকার ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার ও প্রতিটি সচেতন নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে। শিশুদের অধিকার রায় জাতিসংঘ ১৯৫৯সালে ‘শিশু অধিকার সনদ’ ঘোষণা করেছে। এজন্য সকল পর্যায়ে শিশুদের অধিকার রায় কাজ করতে হবে, বন্ধ করতে হবে শিশু শ্রম। শিশুদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে তাদের জন্য পৃথিবীটা সাজিয়ে রাখতে হবে।

এমআর মজুমদারের মৃত্যুতে কানাইঘাট লেখক ফোরামের শোক

বাঙ্গালী প্রথম ব্রিগেডিয়ার ও জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মাহমুদুর রহমান মজুমদারের(এমআর মজুমদার)মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিলেটের কানাইঘাট লেখক ফোরামের সভাপতি মাহবুবুর রশিদ, সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন,কাওছার আহমদ, সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন,সহ-সাধারন সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রুমান আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলম বাবুল,অর্থ সম্পাদক ফয়সল আহমদ চৌধূরী,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ মাছুম,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম,সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জাহিদ হাসান,ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জাবেদুল ইসলাম,কার্যনির্বাহী সদস্য মাছুমা বেগম,আহসান হাবিব, আব্দুল্লাহ আল নোমান,সাদিক হোসেন,হাবিব উল্লাহ প্রমূখ। তারা এক যুক্ত বিবৃতিতে মরহুমের শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কানাইঘাটে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় পাশের হার ৮৮.২৯

Kanaighat News on Monday, December 26, 2011 | 11:08 PM

কানাইঘাট উপজেলার ১৬১টি সরকারী-বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মোট ৩ হাজার ৫’শ ২৭জন পরার্থী অংশগ্রহন করেছিল। এর মধ্যে ৪৫টি জিপিএ-৫সহ বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ হাজার ১’শ ৫জন। উপজেলা শিা অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ৭টি জিপিএ-৫ পেয়ে ইউনাইটেড কিন্ডার গার্টেন প্রথম এবং ৪টি জিপিএ-৫ পেয়ে কানাইঘাট মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। এছাড়া ১৬টি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা থেকে ৭৮৯জন পরীার্থী অংশগ্রহন করে ২টি জিপিএ-৫ সহ বিভিন্ন গ্রেডে ৫১৭জন শিার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

রূপালী ব্যাংক কানাইঘাট শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

আজ সোমবার কানাইঘাটে রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের ৪৯৯তম শাখার উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে বিকেল ৫টায় উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ৬নং ইউপি চেয়ারম্যান অধক্ষ্য সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও নাজমুল ইসলাম হারুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডঃ আহমদ আল কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্যাংকের পরিচালক কাজী মুর্শেদ কামাল, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম আশরাফ উদ্দিন খান, কানাডা আ’লীগের সভাপতি সারওয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম.এ আহাদ, উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম সোহরাব হোসেন, পৌর মেয়র ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান, জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুস্তাকিম হায়দার, কানাইঘাট প্রেসকাবের সভাপতি এম.এ হান্নান, কানাইঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খোকন, ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌধুরী, ফারুক আহমদ চৌধুরী, পৌর আ’লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল্লাহ, আ’লীগ নেতা রিংকু চক্রবর্তী প্রমুখ।

বিরোধী দলের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কানাইঘাটে ছাত্রলীগের মিছিল

সারাদেশে পরিকল্পিতভাবে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা আন্দোলনের নামে যে নৈরাজ্যের সৃষ্টি করছে তার প্রতিবাদে কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রলীগ মিছিল-সমাবেশ করেছে। উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম হারুনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহাব উদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আব্দুলাহ, আবু সাদেক, মহিতোষ, রোমান আহমদ, আখতার হোসেন, মারুফ আহমদ ও দেলোওয়ার হোসেন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল ও সরকারের সাফল্যে ইর্শ্বাণিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে বোমাবাজি, হত্যা, জ্বালাও-পুড়াও ও ধর্ষণের মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পায়তারা করছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর প্রতিরোধ করতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছেন।

কানাইঘাট জয়ফৌদ গ্রামে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন

নিজাম উদ্দিন/ কাওছার আহমদ:

কানাইঘাট ৩নং দিঘীর পাড় পূর্ব ইউনিয়নের জয়ফৌদ গ্রামে সুরমা নদীর ডাইকে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের সৃষ্ঠি হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে সুরমা নদীর ডাইকের জয়ফৌদ গ্রামের মৃত ইবরাহীম আলী’র বাড়ীর উত্তর অংশ ও আশ পাশ এলাকা প্রায় ৭০ফুট নিচে ধেবে গিয়ে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের সৃষ্ঠি হয়। গতকাল সরেজমিনে জয়ফৌদ গ্রামে গিয়ে দেখা যায় মৃত ইবরাহীম আলীর বাড়ীর উত্তর পার্শ্বে সুরমা ডাইক প্রায় ১হাজার ফুট দৈর্ঘ্য, ২’শত ফুট প্রস্ত বিশাল বসতবাড়ির এলাকা ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ৭০ফুট নিচে ধেবে গেছে। শুকনো মৌসুমে এ ধরনের মারাত্মক নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় নদীর তীরবর্তী বসবাসরত জনসাধারনের মধ্যে আত্মংক দেখা দিয়েছে। যে কোন সময় ভাঙ্গন কবলিত ইব্রাহীম আলী’র বাড়ীসহ আশ পাশ এলাকা ধেবে গিয়ে প্রাণহানির আশংকা রয়েছে। উক্ত ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা দেখার জন্য দূরদুরান্ত থেকে শত শত মানুষ ভীড় জমাচ্ছেন। ভাঙ্গন কবলিত বাড়ীর মালিক মতিউর রহমান জানান, গত মঙ্গলবার রাত অনুমান ৯টায় বিকট শব্দে তার বাড়ীর একাংশ সহ আশপাশ এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে তার বাড়িতে মারাত্মক ফাটল দেখা দেয়ায় বাড়ীর লোকজন আতংকের মধ্যে বসবাস করছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুহিন চৌধুরী ও স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, ভাঙ্গন কবলিত সুরমা ডাইকের রাস্তা দিয়ে এলাকার শত শত মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকেন। ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের ফলে আশ পাশ এলাকা যে কোন সময় সুরমার করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিতে পারে। এলাকাবাসী দ্রুত নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা সরকারী উদ্যোগে বিহিত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা দিয়ে সুরমা নদীর পানি প্রবাহিত হয়ে জয়ফৌদ গ্রামসহ আশ পাশ আরো বেশ কয়েকটি গ্রাম এলাকায় বন্যার পাশাপাশি ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন দেখা দিবে। এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্তৃপকে অবহিত করার পরও সরকারী কোন কর্মকর্তা গতকাল পর্যন্ত ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেননি বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন।

সাবেক এমপি এমআর মজুমদারের দাফন সম্পন্ন

Kanaighat News on Thursday, December 22, 2011 | 7:50 AM

কানাইঘাট-জকিগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) মাহমুদুর রহমান মজুমদারের দ্বিতীয় জানাজার নামায গতকাল সকাল ১১টায় কানাইঘাট খেওয়াঘাট বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, কানাইঘাটের গণ্যমান্য লোকজনসহ সর্বস্তরের মানুষ শরীক হন। জানাজায় অংশগ্রহনকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ব্রিগেডিয়ার মজুমদারের বর্ণাঢ্য জীবনের স্মৃতি চারন করে বলেন, তিনি আজীবন কানাইঘাট-জকিগঞ্জের মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুতে সিলেটবাসী ও কানাইঘাট-জকিগঞ্জের মানুষ নানা গুণের অধিকারী একজন বিজ্ঞ অবিভাবককে হারাল যা কখনো পুরন হওয়ার মতো নয়। এদিকে মরহুম ব্রিগেডিয়ার মজুমদারের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন, অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল কাহির চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জমির উদ্দিন প্রধান, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, কানাইঘাট-জকিগঞ্জ বিএনপি’র প্রধান সমন্বয়কারী মামুনুর রশিদ মামুন, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি এমএ হান্নান, সমাজসেবী ডা. মোফজ্জিল হোসেন, সাবেক উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সিরাজুল হক, সাধারণ সম্পাদক বাবুল আহমদ, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এমএ লতিফ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হাবিব আহমদ, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল করিম, নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মালিক, সেক্রেটারী মাওলানা কামাল উদ্দিন প্রমুখ। জকিগঞ্জ নামাজে জানাজাঃ

নিজ পৈতৃক নিবাস জকিগঞ্জের বলরামের চকের নিজ বাড়ির পাশে বেলা ২টায় সর্বশেষ জানাযা শেষে মরহুমের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। সকাল থেকে জকিগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ তাকে এক নজর দেখতে ভীড় জমান মরহুমের বাড়িতে। জানাজার আগে মরহুমের জীবনের স্মৃতিচারন করে বক্তব্য রাখেন ও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মরহুমের ভাতিজা আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার এমপি, সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, মরহুমের ছেলে তারেক আহমদ মজুমদার, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাবিক্ষর আহমদ, কানাইঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক আহমদ চৌধুরী, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আফতাব হোসেন চৌধুরী কয়েছ, কুয়েত আওয়ামী লীগ সভাপতি এমএ মুমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান আহমদ চৌধুরী, জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ এমরান হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মোস্তাক আহমদ, পৌর মেয়র মো. আনোয়ার হোসেন সুনাউল্লা, কসকনকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলতা লস্কর, জকিগঞ্জ জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবুল হাসান, ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন মর্তুজা টিপু, সমাজসেবক ইশতিয়াক চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন, আব্দুল আহাদ প্রমুখ। জানাজায় ইমামতি করেন মুনসিবাজার মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা মখদ্দস আলী। এম আর মজুমদারের ইন্তেকালে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ অব্যা্হত রয়েছে। শোক জ্ঞাপনকারীরা হলেন- মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন জকিগঞ্জ শাখার সভাপতি একে আজাদ, সাধারন সম্পাদক এনামুল হক মুন্না, অর্থ সম্পাদক আজিজুর রহমান মেম্বার প্রমুখ। এছাড়া জকিগঞ্জ পৌরশহর ব্যবসায়ী কমিটি, নিসচা জকিগঞ্জ শাখা, জকিগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরীর নেতৃবৃন্দ

কানাইঘাট-জকিগঞ্জ আসনের সাবেক এমপি এমআর মজুমদার আর নেই।

Kanaighat News on Wednesday, December 21, 2011 | 11:17 PM

ছামির মাহমুদ :

সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মাহমদুর রহমান মজুমদার আর নেই। সোমবার রাতে ঢাকাস্থ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে বার্ধক্য জনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। (ইন্নাল্লিাহি ---- রাজিউন)। ৮৯ বছর বয়সে তিনি চার ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে সিলেটে নেমে আসে শোকের ছায়া। বাঙালী প্রথম বিগ্রেডিয়ার ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব এম.আর মজুমদার বর্তমান সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদারের চাচা। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার শ্যামলিতে তার প্রথম জানাজা শেষে তার মরদেহ সিলেটে নিয়ে আসা হয়। আজ বুধবার সকাল ১১টায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার খেয়াঘাটের কাছে তার দ্বিতীয় জানাযা এবং বাদ জোহর জকিগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার মাদ্রাসা মাঠে তৃতীয় জানাযা শেষে গ্রামের বাড়ী জকিগঞ্জ উপজেলার বলরামের চক গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে স্বাধীন বাংলাদেশের পরিকল্পনার অভিযোগে পাক বাহিনী তাকে আটক করে পাকিস্থানে নিয়ে যায়। অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করে তিনি ১৯৭৩ সালে দেশে ফিরে আসেন। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের চেয়ারম্যান, বিটিসি, বিএফআইডিসি, পিআইটি ও সচিবালয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এরশাদ সরকারের আমলে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে দুই দফা তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জকিগঞ্জ ও জৈন্তাপুরে তিনি স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, রাস্তাঘাটসহ বহু উন্নয়ন কাজ করেন। ১৯৬৫ সালে পাক ভারত যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য পাকিস্তান সরকার তাকে ‘টিকিইউ’ উপাধি ও পদক লাভ করেন। বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি ছাড়াও তার একাধিক গন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এম আর মজুমদার তদানীন্তন ভারতের কাছাড় জেলার কাঠিহড়া থানার চন্ডিনগর গ্রামে ১৯২২ সালের ২৫ ডিসেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। ওয়াজেদ আলী মজুমদারের ছেলে এম আর মজুমদার ভারত ত্যাগ করে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে এসে ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়ে সেকেন্ড লেফটেন্যানেন্ট পদে কমিশন লাভ করেন।বিভিন্ন মহলের শোক : বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এমআর মজুমদারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের সাংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার, রূপালী ব্যাংক চেয়ারম্যান ও বেসরকারী সংস্থা সীমান্তিকের প্রধান পৃষ্টপোষক ড. আহমদ আল কবির, বিএনপি নেতা ও শিক্ষাবিদ লে. কর্নেল সৈয়দ আলী আহমদ (অব.), সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী কারিগরি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সাংবাদিক মোহাম্মদ রশিদ হেলালী, জকিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাব্বীর আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাকিম হায়দর, সাজনা সুলতানা হক চৌধুরী, পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন, জৈস্তাপুরের ব্রিগেডিয়ার মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ তালুকদার, ব্রিগেডিয়ার মজুমদার বিদ্যানিকেতননের প্রধান শিক্ষক ফাহিমা বেগম, শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী এম আর মজুমদার বিশেষ করে জকিগঞ্জ-কানাইঘাট তথা সিলেট বাসীর অহংকার ছিলেন। জীবদ্দশায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশপ্রেমকে লালন করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে তিনি কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুতে আমরা একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক ব্যক্তিকে হারালাম। তারা মহান আল্লাহর দরবারে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

মাতৃভূমি রক্ষার্থে মুক্তিযুদ্বে ঝাঁপিয়ে পড়েন খায়রুল আলম

Kanaighat News on Monday, December 12, 2011 | 4:56 PM

মাহবুবুর রশিদঃ
ত্রিশ লক্ষ শহীদের বুকের তাজা রক্তে ভেজা এই মাটি। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে আমরা পেয়েছি এই দেশ বাংলাদেশ। বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। কিন্তু বাংলাদেশের এ স্বাধীনতার রয়েছে সুদীর্ঘ রক্তঝরা ইতিহাস। এক সাগর রক্ত ও ল প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এ স্বাধীনতা। গোঠা জাতির সাথে কানাইঘাটের শতাধিক বীর সন্তান মহান মুক্তিযুদ্বে অংশগ্রহণ করে অপরিসীম আত্নত্যাগের গৌরব অর্জন করেন,তাদের মধ্যে একজন সাহসী মুক্তিযোদ্বা হলেন খায়রুল আলম। কানাইঘাটের মূলাগোল কান্দলা গ্রামের মৃত আছদ্দর আলী ও মোছা: নুরুন্নেছা বেগমের সন্তানদের মধ্যে অন্যতম হলেন বীর মুক্তিযোদ্বা খায়রুল আলম। মাত্র ২২ বৎসর বয়সে লেখাপড়ায় অধ্যয়নরত থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর ডাকে পাকিস্থানী শাসকদের বিরুদ্বে ঝাপিয়ে পড়েন তরুন ঢগবগে যুবক খায়রুল আলম। দশম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। যুদ্বে অংশগ্রহণ করায় এস.এস.সি পরীায় অংশগ্রহন করতে পারেননি। বর্তমানে স্ত্রী,চার ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। অর্থের অভাবে ছেলে-মেয়েদের ভাগ্যে লেখাপড়া জুটেনি। বীর সাহসী এই মুক্তিযোদ্বা ৪ নং সেক্টরে মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত ও মেজর রবের নেতৃত্বে কানাইঘাটের ছাপনগর,পাত্রমাটি,ডাকবাংলো,লালারচক মাদ্রাসা,সিলেট সদরের খাদিম,হরিপুর ইত্যাদি স্থানে পাকিস্থানী বাহিনীর সাথে সম্মূখ যুদ্বে তাদেরকে পরাজিত করেন। তিনি ভারতের লোহারবন নামক স্থানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কর্ণেল বাকশীর নেতৃত্বে ট্রেনিং গ্রহণ করেছিলেন। বীর সাহসী এই মুক্তিযোদ্বার চূড়ান্ত গেজেট নং ৪১০৫,বার্তা নং০৫০১০৬০০২৯,বাংলাদেশ এফ এফ নং ২৩৭৩৭,ভারতে ট্রেনিং এর এফ এফ নং৫৮২৫। নির্ভীক এই মুক্তিযোদ্বা বর্তমানে অসুস্থ,টাকার অভাবে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন না। তিনি খুবই বিনয়ী কন্ঠে বলেন,আমরা যে সাহস ও উদ্দেশ্য নিয়ে যুদ্বে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। লেখকঃ- সাংবাদিক ও শিক্ষার্থী, সদস্যঃ কানাইঘাট প্রেস কাব

রাস্তা সংস্কারের দাবীতে কানাইঘাটে মানববন্ধন

Kanaighat News on Saturday, December 10, 2011 | 9:50 PM

সিলেটের কানাইঘাট-দরবস্ত-চতুল রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের দাবীতে রাস্তা উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে গতকাল শনিবার উপজেলা সদরে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। এসময় রাস্তার দৈন্য দশা তুলে ধরে সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উক্ত রাস্তাটির সংস্কার ও বাস্তবমুখী কোন উন্নয়ন পদপে গ্রহন না করায় বর্তমানে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও পিচ উঠে যানবাহন ও সর্বসাধারণের চলাচলে সম্পূর্ণ অনুযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শত শত শিার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তাদিয়ে যাতায়াত করে থাকে। প্রায়ই সড়ক দূর্ঘটনার কবলে পড়ে থাকেন যাত্রীরা। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাস্তা উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক চতুল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ মেম্বার, সদস্য সচিব মাওঃ আবুল হোসাইন চতুলী, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইফজালুর রহমান, সমাজসেবী মাওঃ আব্দুল করিম, ব্যবসায়ী এম.এ.মতিন, কানাইঘাট প্রেসকাবের সভাপতি এম.এ.হান্নান, ছাত্রনেতা জাকির হোসেন জাকারিয়া, মাওঃ খলিলুর রহমান, কামাল উদ্দিন ও কবির আহমদ প্রমুখ।

কানাইঘাট সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১০৭ বস্তা বাংলাদেশী রসুন আটক

Kanaighat News on Friday, December 9, 2011 | 9:45 PM

নিজাম উদ্দিন:

কানাইঘাট-সুরইঘাট বিজিবি ক্যাস্পের জওয়ানরা গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টায় কানাইঘাট সুরইঘাট সীমান্তের সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের দূর্গম খাইবাড়ি এলাকা দিয়ে চোরাইপথে ভারতে পাচারকালে বাংলাদেশী ১০৭ বস্তা রসুন আটক করতে সম হয়েছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আলাউদ্দিন ও হাবিলদার আজাদ জানতে পারেন বাংলাদেশ সীমান্তের ১৩০৭-১৩০৮ নং মেইন পিলারের আটশ গজ ভিতরে একদল চোরাকার-বারীচক্র ভারতে পাচারের জন্য সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের খাইবাড়ি এলাকায় রসুন মজুদ করছে। খবর পেয়ে দ্রুত নায়েক সুবেদার আলা উদ্দিন ও হাবিলদার আজাদ একদল জওয়ান নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিত্যক্ত অবস্থায় খাইবাড়ি এলাকা থেকে ১’শ ৭ বস্তা চীন থেকে আমদানীকৃত বাংলাদেশী রসুন আটক করেন। এসময় বিজিবি জওয়ানদের অভিযান টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। পরে জব্দকৃত রসুন সুরাইঘাট বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে সুরাইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আলাউদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি ১’শ ৭ বস্তা রসুন আটকের কথা স্বীকার করে বলেন, আজ জব্দকৃত রসুন আইনী প্রক্রিয়া শেষে তামাবীল কাষ্টমস্ অফিসে জমা দেওয়া হবে।

কানাইঘাটে নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে আর্ন্তজাতিক দূর্নীতি প্রতিরোধ দিবস পালন












আর্ন্তজাতিক দূর্নীতি প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে কানাইঘাট উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে আজ বিকেল ৪ টায় কানাইঘাট বাজারে দূর্নীতি বিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচী, র‌্যালী পরবর্তী কানাইঘাট ডাক বাংলা প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধন কর্মসূচী ও র‌্যালীতে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন পেশার লোকজন অংশগ্রহন করে সকল প্রকার দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ডাঃ হোসেইন আহমদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি ও ৪নং সাঁতবাক ইউপি’র চেয়ারম্যান মাষ্টার ফয়জুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলিম উদ্দীন, কানাইঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খোকন, বীরদল এ.এম.একাডেমীর সহকারী প্রধান শিক্ষক কলামিষ্ট মো: মহি উদ্দিন, দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আহমদ হোসেন, সদস্য সিলেট বারের বিশিষ্ট আইনজীবি এ্যাডভোকেট মামুন রশিদ, সদস্য সাংবাদিক মাহবুবুর রশিদ, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক বাবুল আহমদ, কাউন্সিলার মোস্তাক আহমদ, যুবনেতা ইসলাম উদ্দিন, সমাজকর্মী রুবেল আহমদ, করিম আহমদ, রফিক আহমদ, ফটোগ্রাফার সুজন চন্দ অনুপ প্রমুখ। আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, সমৃদ্ধ দেশ গঠন করতে হলে সবার আগে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে দূর্নীতি ও অনিয়ম হচ্ছে তার বিরুদ্ধে সবাইকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি দূর্নীতি দমন কমিশনকে দূর্নীতি বিরোধী কার্যক্রম জোরদার পালনের লক্ষে সরকার সকল ক্ষমতা প্রদান করলে বাংলাদেশে দূর্নীতি সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

সরকারী কর্মসূচী বাস্তবায়নে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করতে সরকার যুগান্তকারী পদপে গ্রহণ করেছে

সরকারী কর্মসূচী বাস্তবায়নে জনসাধারণকে
সম্পৃক্ত করতে সরকার যুগান্তকারী পদপে গ্রহণ করেছে
------মিজানুর রহমান
নিজাম উদ্দিনঃ


সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মিজানুর রহমান বলেছেন, সরকারের সকল উন্নয়মূলক কর্মকান্ডে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করার জন্য বর্তমান সরকার নানা যুগান্তকারী পদপে গ্রহন করেছে। তিনি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করার জন্য প্রতিটি এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির সমন্বয়ের উপর গুরুত্বারূপ করে বলেন, এলাকার উন্নয়নে দলমতের উর্ধ্বে উঠে রাজনৈতিক ও মানসিক সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকৃত উন্নয়ন কর্মকান্ড সাধন করা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, জনগণের কল্যাণে নেওয়া সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ও সেবা জবাবদিহিতার মাধ্যমে স্বচ্ছতার সহিত বাস্তবায়ন করা হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হবে। মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার বেলা ১টায় কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইউটিডিসি হলে সরকারী কর্মসূচী বাস্তবায়নে জন সম্পৃক্ততা বিষয়ক উদ্ধুব্দ করণ সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.সোহারাব হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুর রহমান খান, কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্য সিরাজুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ সিদ্দিকী দুদু মিয়া, আ’লীগ নেতা রফিক আহমদ, ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম তাজুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসকাবের সেক্রেটারী এখলাছুর রহমান, মৌলানা আব্দুল মান্নান প্রমুখ। প্রধান অতিথি কানাইঘাটকে একটি প্রাচীনতম ইতিহাস ঐতিহ্য এবং শান্তির জনপদ উল্লেখ করে বলেন, কানাইঘাটের উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যহত হয় এমন আত্মঘাতী কর্মকান্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

হারিছ চৌধুরীর ভাই হাসনাত চৌধুরী আর নেই

Kanaighat News on Wednesday, December 7, 2011 | 11:04 PM

হারিছ চৌধুরীর ভাই হাসনাত চৌধুরী
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন


সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব আবুল হারিছ চৌধুরীর ছোটভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল হাসনাত চৌধুরী (৫২) গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকাস্থ উত্তর শাহজাহানপুর নিজ বাসবভনে ইন্তেকাল করেছেন। পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, ব্যবসায়ী আবুল হাসনাত চৌধুরী নিজ বাসবভনে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে সাথে সাথে পরিবারের লোকজন তাকে বারডেম হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আগামী শুক্রবার হাসনাত চৌধুরীর লাশ কানাডায় অবস্থানরত তার দু’পুত্র দেশে ফিরে আশার পর নিজ গ্রাম কানাইঘাট দর্পনগরে জানাযার নামাযের পর পারিবারিক গুরুস্থানে সমাহিত করা হবে।

কানাইঘাটে জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ পালিত





কানাইঘাটে জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ পালিত জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ-০১১ইং উপল্েয সিলেট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি -২ কানাইঘাট জোনাল অফিসের উদ্যোগে গতকাল বুধবার কানাইঘাট পৌর শহরে এক র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদণি শেষে জোনাল অফিসে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালীতে অংশগ্রহন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.সোহরাব হোসেন, জোনাল অফিসের ডিজিএম তাজুল ইসলাম সহ কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। পরে রচনা প্রতিযোগীতায় ৩জন বিজয়ী শিার্থীদের মধ্যে পুরষ্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।

জমিয়তে উলামারকেন্দ্রীয় সভাপতি শুক্রবার দেশে আসছেন

পবিত্র হজ্জ পালন শেষে জমিয়তে উলামার
কেন্দ্রীয় সভাপতি শুক্রবার দেশে আসছেন


জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি, পূর্ব সিলেট আযাদ দ্বিনী আরবী মাদ্রাসা শিাবোর্ডের মহা-সচিব এবং কানইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসার মুহদ্দিস মাওঃ আলিম উদীন দূর্লভপুরী পবিত্র হজ্জ পালন শেষে আগামী ৯ ডিসেম্বর শুক্রবার দেশের উদ্দেশ্যে সিলেট এমে.জি ওসমানী আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করবেন। দূর্লভপুরীর আগমন উপল্েয বিমান বন্দরে ব্যাপক সংবর্ধনার আয়োজন করেছে জমিয়তে উলামা কেন্দ্রীয় কমিটির। ঐদিন সকালে গাড়ির বহর নিয়ে প্রথমে জমিয়তের নেতাকর্মীরা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মাওঃ সসামছুদ্দিন দূর্লভপুরীর যুগ্ম মহ-সচিব মাওঃ নজরুল ইসলাম সহকারী মহাসচিব মাওঃ নুরুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ ক্বারী হারুন রশীদ চতুলী, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ খালিদ সাইফুল্লাহ, অর্থ সম্পাদক মাওঃ বিলাল আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাওঃ আব্দুল হামিদ মখছুছ এবং মাওঃ আব্দুস শাকুরের নেতৃত্বে বিমান বন্দরে যাবেন। পরে বিমান বন্দরে মাওঃ আলিম উদ্দিন দূর্লভপুরীকে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প গণসংবর্ধনা দেওয়ার পর গাড়ির বহর নিয়ে হরিপুর বাজার মাদ্রাসা গেইট স্ট্যান্ডে দ্বিতীয় সংবর্ধনা এবং বাদ জুমআ দরবস্ত বাজার চৌমুহনীতে স্থানীয় জমিয়তে উলামা কর্তৃক গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে মাওঃ দূর্লভপুরীকে। সর্বশেষ বিকেল ৩টায় কানাইঘাট চতুল বাজার স্ট্যান্ডে বড়চতুল ইউপি শাখা জমিয়তের উদ্যোগে সংবর্ধনা শেষে বিকেল ৪টায় কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসায় আল্লামা মুশাহীদ বাইয়মপুরী (রঃ)র মাজার জিয়ারত শেষে তিনি নিজ গ্রামে অবস্থান করেন। জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের মহাসচিব মাওঃ সামসুদ্দিন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

১৯ মুক্তিযোদ্বাকে জীবন্ত মাটি চাপা দেয়া হয় কানাইঘাটে

Kanaighat News on Sunday, December 4, 2011 | 6:45 PM

১৯ মুক্তিযোদ্বাকে জীবন্ত মাটি
চাপা দেয়া হয় কানাইঘাটে


মাহবুবুর রশিদ: একাত্তরে বাঙালীদের ওপর পাকিস্তানীদের বর্বরতা ও নৃশংসতার কাহিনী শুনলে গা শিউরে উঠে। পাকিহানাদার বাহিনীরা বাংলাদেশে গণহত্যা শুরু করে। সারা দেশের ন্যায় পাকিস্তানী হায়েনা ও তাদের দোসরদের হাতে নির্বিচারে গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কানাইঘাটের সকল শ্রেণীর মানুষ। গোঠা জাতির সাথে কানাইঘাটের শতাধিক বীর সন্তান মহান মুক্তিযুদ্বে অংশগ্রহণ করে অপরিসীম আত্নত্যাগের গৌরব অর্জন করেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪০ বছর পরও চরম অবহেলা আর অযন্তে পড়ে আছে মহান স্বাধীনতা যুদ্বে জীবন উৎসর্গকারী কানাইঘাটের ২২ শহীদ মুক্তিযোদ্বার কবর। অথচ এ সকল শহীদদের আত্নত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন একটি দেশ। কিন্তু তাদের পরিবার পরিজনের খবর আজও কেউ রাখেনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্বাদের সাহায্য করার অপরাধে স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় একই দিনে ২২ মুক্তিযোদ্বাদেরকে তাদের নিজ নিজ বাড়ী থেকে ধরে এনে পাক হানাদাররা নির্মমভাবে জীবন্ত কবর দিয়েছিল। এই ২২ মুক্তিযোদ্বাদের মধ্যে ১৯ জনকে জীবন্ত মাটি চাপা দেওয়া হয়েছিল কানাইঘাট উপজেলা সদরের মাত্র ১ কি:মি: দূরবর্তী কানাইঘাট-দরবস্ত রাস্তা সংলগ্ন বিষুপুর খালের পারে বাকি ৩ জনকে ঐ স্থান থেকে ২০০ গজ দূরে সমাহিত করা হয়। অথচ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর সন্তানদের সমাধিস্থলটি পড়ে আছে অযন্তে অবহেলায়। ১৯ জনের সমাধিস্থলে পাকা দেয়াল তৈরী করলেও সমাধিস্থলটি যে কোন সময় পাশ্ববর্তী খালের ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বাকি ৩ জনের সমাথিস্থল শুধু চারদিকে ৪ টি পিলার আর কাটাতার দিয়ে কোন মতে রাখা হয়েছে। কিছুদিন পর হয়ত তাদের কবর চিহ্নিত করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হয়। জাতী শ্রদ্বাভরে স্মরণ করে সেই সকল শহীদদের। যাদের আতœত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের মানচিত্রে লেখা হয় আরেকটি দেশের নাম। কিন্তু স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪০ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের ভুলতে পারেনি কানাইঘাটের মানুষ। শহীদদের আত্নীয়-স্বজন ও মুক্তিযোদ্বারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা তাদের সমাধিস্থলটির আজ এই অবস্থা,তাদের পরিবার-পরিজন অনাহারে,অর্ধাহারে দিনানিপাত করছে,অথচ যারা রাজাকার তারা কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে দালান,কোঠা নির্মাণ করছে। বীর মুক্তিযোদ্বাদের শেষ স্মৃতিটুকু রা করার জন্য তারা বর্তমান সরকারের প্রতি জোরালো দাবী জানান।

কানাইঘাটে আর্ন্তজাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উদযাপিত

Kanaighat News on Friday, December 2, 2011 | 11:49 PM

কানাইঘাটে আর্ন্তজাতিক নারী নির্যাতন
প্রতিরোধ ও বিশ্ব এইডস্ দিবস উদযাপিত
নিজাম উদ্দিনঃ


আর্ন্তজাতিক নারীনির্যাতন প্রতিরোধ প ও বিশ্ব এইডস্ দিবস উপল্েয গত বৃহস্পতিবার কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসনের প থেকে র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিার্থী, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে উপজেলা প্রশাসন চত্ত্বর থেকে পৃথক দু’টি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালী দু’টি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদণি শেষে উপজেলা চত্ত্বরে এসে শেষ হয়। বেলা সাড়ে ১২টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে ও আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার আবুল হারিসের পরিচালনায় উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান। বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, ৬নং ইউপি চেয়ারম্যান ও মহিলা কলেজের অধ্য সিরাজুল ইসলাম, কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুর রহমান খান, আ’লীগ নেতা জালাল আহমদ প্রমূখ।

প্রভাষক দেলোওয়ার হোসেনের পিতার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক

কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক দেলোওয়ার হোসেনের পিতার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক



কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক দেলোওয়ার হোসেনের পিতা বড়দেশ নয়াগ্রাম নিবাসী সমাজ সেবক (অবসর প্রাপ্ত)শিক্ষক মাষ্টার মতছিন আলীর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গবীর সমবেদনা এবং মরুহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন কানাইঘাটের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন সমাজসেবী মতছিন আলী’র মৃত্যুতে কানাইঘাটবাসী একজন নিবেদিত প্রাণ সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগীকে হারিয়েছে, যাহা সহজে পূরণ হওয়ার মতো নয়। শোক দাতারা হলেন, সিলেট- ৫ আসনের এমপি আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার সাবেক এমপি মাওঃ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, আব্দুল কাহির চৌধুরী, জেলা আ’লীগের সদস্য জমির উদ্দিন প্রধান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ গভর্ণিং বডির সভাপতি ও পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি চাকসুর সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক মামুন রশিদ, পৌর বিএনপি’র সভাপতি ইফজালুর রহমান, কলেজ গভর্ণিং বডির সাবেক সদস্য সমাজসেবী ডাঃ মুফজ্জিল হোসেন, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ স্টাফ কাউন্সিলের সভাপতি ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্য শামসুল আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, কলেজ ডিভেটিং সোসাইটির সভ্পাতি সহকারী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফয়সল উদ্দিন, কানাইঘাট প্রেসকাব সভাপতি এম.এ.হান্নান, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন,বীরদল এন.এম.একাডেমীর প্রধান শিক্ষক জার উল্লাহ,সহকারী প্রধান শিক্ষক কলামিষ্ট মোঃ মহিউদ্দিন,সাংবাদিক মাহবুবুর রশিদ, ৭নং বাণী গ্রাম ইউপির চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ, বড়দেশ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদ মাষ্টার, বড়দেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক নুর উদ্দিন প্রমুখ।

জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও টিপাইমুখেবাঁধ নির্মাণ বন্ধ করতে হবে

Kanaighat News on Thursday, December 1, 2011 | 8:18 AM

জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও টিপাইমুখেবাঁধ নির্মাণ বন্ধ করতে ভারতকে বাধ্য করা


-------------প্রিন্সিপাল মাওঃ হাবিবুর রহমান
কাওছার আহমদ:


বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় আমির প্রিন্সিপাল মাওঃ হাবিবুর রহমান বলেছেন, ভারত সরকার সম্পূর্ণ একতরফাভাবে আর্ন্তজাতিক আইন অমান্য করে বরাক নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে বাংলাদেশকে পরিকল্পিতভাবে মরুভূমিতে রূপান্তরের চেষ্টা করছে। জীবনের শেষ বিন্দু রক্ত দিয়ে হলেও এদেশের সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে। এ বাঁধ নির্মাণের ফলে সমগ্র বাংলাদেশ বিশেষ করে আমার প্রিয় মাতৃভূমি সিলেট অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে। তিনি সরকারের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সাধারণ মানুষের কথা ভেবে অবিলম্বে ভারতকে টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ থেকে বিরত রাখুন। অন্যতায় এদেশের মানুষ অতিতের মতো ভবিষ্যতে তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে। তিনি আরো বলেন, ভু-তাত্ত্বিকদের এক গবেষণায় বলা হয়েছে টিপাইমুখ বাঁধ এলাকায় দু’টি প্লেট রয়েছে সেখানে বাঁধ নির্মাণ হলে যেকোন একটি প্লেট ধসে গিয়ে ভারতসহ সমগ্র বাংলাদেশে চরম বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এছাড়া তিনি আরো বলেন, টিপাইমুখে বাঁধের ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ নদনদী শুকিয়ে গেলে আ’লীগের নৌকাও চলবে না। গতকাল বিকেল ৪টায় স্থানীয় কানাইঘাট ডাক বাংলা প্রাঙ্গনে কানাইঘাট উপজেলা খেলাফত মজলিশের উদ্যোগে আয়োজিত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে জনসভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উপজেলা সভাপতি মাওঃ হিফজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইবাদুর রহমানের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা সভাপতি মাওঃ রেজাউল করিম জালালী, মাওঃ এমরান আলম, মাওঃ জয়নুল আবেদীন, নজরুল ইসলাম, মাওঃ খলিলুর রহমান, মাওঃ মুহিবুর রহমান, মাওঃ বজলু রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা শহিদুর রহমান, কবির আহমদ, মজলিস নেতা মোঃ নুমান আহমদ, হাফিজ মাসুক আহমদ, সাঈদুল ইসলাম, মাওঃ আব্দুল কাইয়ুম সিদ্দিকী প্রমুখ।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩