Kanaighat News on Friday, September 30, 2011 | 9:59 AM

ময়না তদন্তের পর সুলতানার লাশ দাফন সম্পন্ন
কানাইঘাট থানায় মামলা দায়েরের ঘটনায় ৬দিন পর গত বুধবার কবর থেকে উত্তোলনকারী সুলতানার লাশ ময়নাতদন্তের পর গতকাল গ্রামের গুরুস্তানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আত্মহননকারী সুলতানার মা আমেনা বেগম কন্টুরীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে বুধবার সুলতানার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। ময়না তদন্তের পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কানাইঘাট থানার সাব-ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম খানের উপস্থিতে সুলতানার লাশ সমাহিত করা হয়।
কানাইঘাটে এক মাতাল গ্রেফতার
মদ পান করে মাতলামির অভিযোগে কানাইঘাট থানা পুলিশ গত বুধবার রাত ১২টায় কানাইঘাট বাজার থেকে এক মাতালকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানাযায় উপজেলার জয়পুর গ্রামের মছদ্দর আলী'র পুত্র হোটেল কর্মচারী আতিকুর রহমান (৪৫) মদপান করে বাজারের নোয়াম সেন্টারে মাতলামি করেছিল। এসময় প্রেট্রোল ডিউটিরত থানার সাব-ইন্সপেক্টর এনাম তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করেন। ধৃত আতিকের বিরুদ্ধে সাব-ইন্সপেক্টর এনাম নিজে বাদী হয়ে থানায় ১৯৯০ইং সনে মাধক নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।


সুলতানার লাশ ৬ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন





কানাইঘাট পৌরসভার বিষ্ণুপুর গ্রামে গত ২২ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মারা যাওয়া সুলতানার লাশ ৬দিন পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গতকাল বিষ্ণুপুর গ্রামের গোরস্থান থেকে বিকেল ৪টায় সুলতানার লাশ উত্তোলন করা হয়। এসময় বিপুল নর-নারী লাশ দেখতে ভীড় জমান সেখানে। গত ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার কানাইঘাট পৌরসভাস্থ বিষ্ণুপুর গ্রামের আমেনা বেগম কন্টুরীর মেয়ে সুলতানা বেগম (১৮) স্বামীর অধিকার এবং গর্ভজাত সন্তানের পিতৃস্বীকৃতি না পেয়ে রহস্য জনকভাবে মারা যায়। পরবর্তীতে সুলতানার মৃত্যুর সংবাদটি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় অনুসন্ধানি সংবাদ প্রকাশিত হলে কানাইঘাট থানা-পুলিশ সরেজমিনে ২৫শে সেপ্টেম্বর আত্মহননকারী সুলতানার মা আমেনা বেগম কন্টুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তার মেয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে। এ ঘটনায় আমিনা বেগম নিজে বাদী হয়ে গত ২৫ সেম্পেম্বর একই গ্রামের ফরিদ আহমদের ছেলে রুবেল আহমদ (১৮) কে বিবাদী করে কানাইঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- (২৮) ২৫/০৯/১১ইং। এজাহারে আমিনা বেগম কন্টুরী অভিযোগ করেন যে, পার্শ্ববর্তী বাড়ির রুবেল আহমদ তার মেয়ে সুলতানা বেগমের সাথে প্রেম নিবেদন করে আসছিল। একপর্যায়ে সে বিয়ের পূর্বেই সুলাতানাকে ফুঁসলিয়ে তার সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। এতে সে অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়লে বিষয়টি সকলের দৃষ্টিগোচর হয়। এব্যাপারে মেয়ে সুলতানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে প্রতিবেশী রুবেলকেই দায়ী করে। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় মুরব্বিয়ানদের অবহিত করে সুলতানার মা বিচারপ্রার্থী হলে মুরব্বিয়ানগণ বিষয়টি নিয়ে কয়েকদফা সালিশ বৈঠকে বসেন। কিন্তু কোন নিষ্পত্তি হয়নি। এরই মধ্যে সুলতানার সন্তান প্র সবের সময় ঘনিয়ে আসলে তাকে সিলেট ওমেক হাসপাতালে ভর্তী করা হয়। সেখানে তার একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। পরে নিজ বাড়িতে ফিরে এসে সুলতানা রুবেলের কাছে স্বামীর অধিকার এবং সন্তানের পিতৃস্বীকৃতি দাবী করলে রুবেল ও তার আত্মীয় স্বজন তা অগ্রাহ্য করে। এসব অপমানের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে তার মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিয়েছে। অভিযোগের প্রেেিত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই.শফিকুল ইসলাম খান অভিযুক্ত রুবেলকে ঐদিন গ্রেফতার করেন। সুলতানার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেটের বিজ্ঞ চিফ্ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতে আবেদন জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের প্রেেিত বিজ্ঞ আদালত সিলেটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামিম রহমানের উপস্থিতিতে কবর থেকে সুলতানার লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থায় গ্রহনের নির্দেশ দেন। এরই প্রেেিত গতকাল বুধবার বিষ্ণুপুর গ্রামের গুরুস্তানে দাফনকৃত সুলতানার লাশ ম্যাজিস্ট্রেট শামিম রহমানের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়। এসময় কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) রুহুল আমিন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই.শফিকুল ইসলাম খানসহ থানার অন্যান্য পুলিশ অফিসার উপস্থিত ছিলেন। লাশ উত্তোলনের সময় আশপাশের উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভীড় জমান।

Kanaighat News on Thursday, September 29, 2011 | 10:36 PM

সীমান্তিকের উদ্যোগে অবহিতকরন সভা অনুষ্টিত

কানাইঘাটে এনজিও সংস্থার সীমান্তিকে উদ্যোগে এবং ব্রাকের সহযোগীতায় এ্যাডভোকেসী সভা গত ২৭সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন হলে অনুষ্টিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্রে মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবুল হারিছের সভাপতিত্বে এবং ম্যালেরিয়া উপজেলা ম্যানেজার আবুল কালামের পরিচালনায় উক্ত এ্যাডভোকেসী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী প্রভাতী রানী দাস, ডাঃ গোলাম কবির, সাতবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলাম, ঝিংগাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌঃ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সীমান্তিকের ম্যালেরিয়া প্রজেক্ট ম্যানেজার আবুল হোসেন, জামাল আহমদ, আবুল সরকার প্রমুখ। উক্ত অবহিত করন সভায় ম্যালেরিয়ার পাদর্ুভাব থেকে জনগণকে আরো অধিকতর সচেতন করার জন্য সভায় ম্যালেরিয়া রোগের লণ ও এ রোগে আক্রান্তদের দ্রুত যাবতীয় চিকিৎসার জন্য সীমান্তিক কাজ করে যাচ্ছে বলে সভায় সবাইকে অবহিত করা হয়।

Kanaighat News on Thursday, September 22, 2011 | 6:58 PM

কানাইঘাটে হরতালের পক্ষে

বিপক্ষে মিছিল সমাবেশ
বিএনপি ও সমমনা দলের ডাকে জ্বালানী তেল-গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কানাইঘাটে সর্বাত্মক পালিত হয়েছে। হরতাল সফলের ল্যে সকাল থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন ও জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে পুলিশি বাঁধা উপো করে পৌরশহরে পিকেটিংসহ মিছিল - সমাবেশ করেছে। হরতালের সমর্থনে কানাইঘাট দণি বাজারে বিএনপি সমাবেশ করে। এতে বক্তব্য রাখেন, থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ সিদ্দিকী দুদু মিয়া, থানা বিএনপির সহ সভাপতি মখলিছুর রহমান মেম্বার, হাজী আব্দুল হেকিম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলার শরীফুল হক, সদর ইউপির সভাপতি ডাঃ ইয়াকুব আলী, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম রোকন, থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন রশিদ, সায়িক আহমদ, ছাত্রদল সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন শামীম প্রমুখ। অপরদিকে হরতালের প্রতিবাদে বেলা ২টায় বাজারের নোয়াম সেন্টারের সামনে আ'লীগ হরতাল বিরোধী সভা করে। বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র ও থানা আ'লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান, সহ সভাপতি জালাল আহমদ, পৌর আ'লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন, আ'লীগ নেতা নজির উদ্দিন প্রধান্, বিলাল আহমদ, জেলা যুবলীগের সদস্য আব্দুল হেকিম শামীম, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম হারুন প্রমুখ।

Kanaighat News on Wednesday, September 21, 2011 | 4:10 PM

লোডশেডিং এর প্রতিবাদে কানাইঘাটে বিক্ষোভ সমাবেশ

অব্যাহত লোডশেডিং এর প্রতিবাদে কানাইঘাট গাছবাড়ি সমাজ কল্যাণ যুব সমিতির উদ্যোগে গত সোমবার(১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় গাছবাড়ি বাজারে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ খছরুর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান মাওঃ ফজলে হক, আ'লীগ নেতা ওলিউর রহমান, বিএনপি নেতা এখলাছুর রহমান, গাছবাড়ি দণি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল মৌলাহ, উত্তর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নুরুজ্জামান, যুব সমিতির যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম, আ'লীগ নেতা মাষ্টার মাহমুদ হোসেন, যুবনেতা আব্দুল লতিফ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিদিন একটানা ৮/১০ ঘন্টা লোডশেডিংএর কারণে ব্যবসা-বানিজ্য স্থবির অবস্থা ও শিার্থীদের লেখাপড়ায় চরম বিঘ্ন ঘটছে। ফলে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। এমতাবস্থায় পল্লীবিদু্যতের উধর্্বতন কর্তৃপক্ষ অনতি বিলম্বে একটানা এবং ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের উত্তরণ না ঘটালে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচী গ্রহণ করবে।

কানাইঘাটের বাঘ খেওড়ের মজার কাহিনী

Kanaighat News on Friday, September 16, 2011 | 8:13 AM









কানাইঘাটের বাঘ খেওড়ের মজার কাহিনী
মাহবুবুর রশিদ:-
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অসংখ্য ছোট বড় নদী বিধৌত অপূর্ব শোভায় শোভিত প্রাচীন জনপদটির নাম কানাইঘাট। সিলেট বিভাগীয় শহর থেকে প্রায় ৫১.২ কিলোমিটার দূরে উত্তর-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত। সিলেট শহর থেকে কানাইঘাটে আসতে হলে সিলেট-তামাবিল রোড অথবা, জকিগঞ্জ রোডে কানাইঘাট উপজেলা সদরে আসা যায়। কানাইঘাট বাজার ঘেঁষে প্রবাহিত সুরমা নদীর দু'পারেই দু'টি বাস স্টেশন আছে। সীমান্তকে ঘিরে রেখেছে খাসিয়া জৈয়ন্তিয়া পাহাড়। এর পাদদেশে অবস্থিত অসংখ্য টিলা, মণিপুরী টিলা, মিকিরপাড়া, লুহাজুড়িসহ অসংখ্য টিলার অবস্থান এ উপজেলায়। আবার এসব টিলার মধ্য দিয়ে অসংখ্য নদী বা ছড়া পাহাড় থেকে নেমে এসেছে। এর মধ্যে লোভা, নুনগাং, কালিজুড়ি, আপাং, সুরই, সিংগাইর, নাপিতখাল অন্যতম, এগুলো দিয়ে খাসিয়া-জৈয়ন্তিয়া পাহাড় থেকে অতীতে অসংখ্য বানর, শূকর, হাতি, বাঘ ইত্যাদি প্রাণী এখানকার লোকালয়ে নেমে আসত। এখনো শরৎ-হেমন্তকালে বাঘ নামে। প্রতি বছর ২/১টি বাঘ আটক করা হয়। স্থানীয় ভাষায় এ বাঘ আটক করাকে বলা হয় 'বাঘ খেওড়'। নিচে বাঘ খেওড়ের কয়েকটি মজার ঘটনা তুলে ধরা হলো।কানাইঘাটের পাহাড়গুলোতে প্রতিবছর যে বাঘগুলো আসে তা পার্শ্ববর্তী ভারতের উঁচু উঁচু পাহাড় থেকে এসব লোকালয়ে নেমে আসে। সাধারণত খাবারের সন্ধানে, দলছুট হয়ে বাঘগুলো এসব লোকালয়ে আসে। স্থানীয় পাহাড়ি এলাকার লোকদের বক্তব্য প্রায় রাতে এসব বাঘের গর্জনও শোনা যায়। গত বছরের শেষের দিকে এখানে বিরল প্রজাতির দুটি কালো বাঘ নামলে ১টি বাঘকে আটক করতে সক্ষম হয় এলাকাবাসী, যে বাঘটি প্রশাসনের সহযোগিতায় চিটাগাং সাফারি পার্কে নেওয়ার পথে মারা যায়। মূলাগুল, বড়বন্দ, সুরইঘাট, কালিনগর, নিহালপুর, লক্ষ্মীপ্রসাদ ইত্যাদি পাহাড়ি এলাকার গ্রামগুলোতে বাঘ নামলে লোকজন সুকৌশলে বাঘের অবস্থানের বন, টিলা, ঘিরে জাল দিয়ে বাঘকে আটক করে। সীমান্তবর্তী এসব গ্রামে বাঘ নামলে প্রথমে গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়ার ওপর আক্রমণ করে এতে এলাকার লোকজন নিশ্চিত হয়, পাহাড় থেকে লোকালয়ে বাঘ নেমে এসেছে। তখন শুরু হয় বাঘ আটকের প্রস্তুতি। লোকালয়ে বাঘের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর পাহাড়ি এলাকার মসজিদগুলোতে মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সতর্ক করে সব মহল্লা থেকে পাট দিয়ে তৈরি বিশেষ আকৃতির অনেকগুলো জাল সংগ্রহ করা হয়। তারপর বাঘের অবস্থানরত পাহাড়ি টিলার তিনদিক জাল দিয়ে ঘেরাও করে একদিক খোলা রাখা হয়। এবার সব এলাকার লোকজন ঢাক-ঢোল পিটিয়ে, লাঠিসোঁটা ও নানা অস্ত্র নিয়ে বাঘকে জালের ভেতর ঢুকিয়ে ধীরে ধীরে খেওড়ের খোলা মুখটি ছোট করতে থাকে আর এ সময়ে জনতা নানা ধরনের হৈ-হুল্লোড় করে থাকে। এক সময় খেওড়ের পরিধি টিলার পাদদেশে ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকার রূপে। চারদিকে পাটের জাল দিয়ে ঘেরাও করা বৃত্তাকার এ স্থানটিতে জমে উঠে বাঘ খেওড়ের মেলা। দূর-দূরান্ত থেকে ছোট, বড়, আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা আসতে থাকে একনজর বাঘটি দেখার জন্য। এক সময় বাঘ আটকের পর বাঘ খেওড় কমিটির নির্ধারিত নিয়ম-নীতির আওতায় মেলা শেষ হওয়ার পর বাঘ মারার জন্য মঞ্চ তৈরি করা হতো এবং নির্ধারিত ব্যক্তিরা মঞ্চে উঠে পরপর কয়েকটি গুলি করে বাঘকে হত্যা করতেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশ সরকারের বন্য আইনে বন্যপশু হত্যা করা বেআইনি বিধায় আটক বাঘকে সাধারণত এখন আর মারা হয় না।কানাইঘাটে বাঘ আটক হয়েছে এ খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে হাজার-হাজার লোক বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঘ দেখতে এসে ভিড় জমায়। পাহাড়ি গ্রামের লোকজন আনন্দ করে মেলা বসায়। কোনো কোনো সময় ৭/৮ দিন এ মেলা চলে। স্থানীয় লোকজন এ আনন্দ মেলাকে 'বাঘ খেওড়ের মেলা' বলে। মেলায় বিভিন্ন ধরনের দোকান বসে, এতে পাহাড়ি এলাকার নানা জাতের ফলফলারি ছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায়। বাঘকে আটক করার জন্য রয়েছে বিভিন্ন গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিকে নিয়ে গঠিত 'বাঘ খেওড় কমিটি'। বাঘ আটক করা থেকে শুরু করে বাঘ মারা পর্যন্ত বা বাঘকে ধরে সংশ্লিষ্ট সরকারি বনবিভাগের হাতে অথবা স্থানীয় প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া পর্যন্ত সব সিদ্ধান্ত এই বাঘ খেওড় কমিটিই নিয়ে থাকে। যথাসম্ভব বনবিভাগের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রতি ১ বছর পরপর এ কমিটি বাঘ খেওড়ের আরেকটি মজার ব্যাপার হলো খেওড়ের পর কোনো গ্রামের অংশ দিয়ে জাল ছিঁড়ে যদি বাঘ বেরিয়ে যায় তাহলে খেওড় কমিটির নিয়ম অনুযায়ী ওই এলাকার লোকজনকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়।

Kanaighat News on Thursday, September 15, 2011 | 9:17 PM

শিক্ষক সংকট নিরসনের

দাবীতে শিক্ষাথীদের মানবন্ধন
কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন দিন থেকে শিক্ষক সংকটের কারনে স্কুলের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ভেঙ্গে পড়ায় গত বৃহস্পতিবার(১৫ই সেপ্টেম্বর) স্কুলের ৭’শতাধিক শিক্ষার্থীদের মানবন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। সকাল ১০টায় স্কুল থেকে র‌্যালি সহকারে শিক্ষার্থীরা উপজেলা পরিষদের সম্মুখে সিলেট-কানাইঘাট-দরবস্ত রাস্তার দু’পার্শ্বে দাঁড়িয়ে, ঘন্টাব্যাপী মানবন্ধন কর্মসূচী চলাকালে শিক্ষার্থীরা, শিক্ষক চাই? শিক্ষার সুষ্টু পরিবেশ ফিরিয়ে দাও, ১০জন শিক্ষক, ৭০০শিক্ষার্থী’র জন্য যতেষ্ট কি? স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে পাঠ দান কার্যক্রম সচল করে আমাদের মুল্যবান শিক্ষাজীবন ফিরিয়ে দেওয়া ইত্যাদি প্লে-কার্র্ড ও ব্যানার বহন করে অবিলম্বে স্কুলের শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবীতে মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন শেষে মৌন মিছিল সহকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে শিক্ষার্থীরা স্মারক লিপি প্রেরণ করেন। নির্বাহী কর্মকর্তার পে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আফছার উদ্দিন মন্ডল ও কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) রুহুল আমিনের কাছে স্মারক লিপি প্রেরণকালে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আখতারুজ্জামান হিমেল, মিছবাহুল হক চৌধুরী, কাওছার আহমদ, আখতার, মাহফুজ, জাহাঙ্গীর, মহিউদ্দিন, শামিমা আক্তার, সেবিন, শান্তা, রিপা, রাবী প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহ্যবাহী কানাইঘাট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারনে স্কুলের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রমে অচল অবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে চরম ব্যাঘাত ঘটছে। প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্যসহ বর্তমানে ২৭জন শিক্ষকের স্থলে মাত্র ১০জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তার মধ্যে সহকারী শিক্ষক হোসেন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া অফিস সহকারী পদটি শূন্য থাকায় শিক্ষকদের প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।
চতুল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

আব্দুল্লাহ আল নোমান:

কানাইঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাজার চতুল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০১১-২০১২ সেশনের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে বুধবার সম্পন্ন হয়েছে। ভোটারদের স্বতস্ফুর্ত উপস্থিতিতে সকাল ১০.০০ঘটিকা হতে বিকাল ৪.০০ঘটিকা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে শান্তিশৃংখলা বজায় রাখার জন্য ভোট সেন্টারে অতিরিক্ত এক প্লাটুন পুলিশ মোতায়ন করা হয়। মোট ৭০০ ভোটারের মধ্যে ৬৬৫জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নির্বাচন কমিশনার মোঃ শাহাব উদ্দীন ফলাফল ঘোষনা করেন। নির্বাচনে ২০১১-১২ইং সেশনের জন্য সভাপতি নির্বাচীত হন মোঃ আব্দুর রশীদ প্রাপ্ত ভোট ২৭২ তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধী ছিলেন মাওঃ মোশতাক আহমদ প্রাপ্ত ভোট ২১৩, সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচীত হন মোঃ সুলতান করিম প্রাপ্ত ভোট ৩৩৭ তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধী ছিলেন মোঃ আব্দুন নূর প্রাপ্ত ভোট ১৯৪, কোষাদক্ষ পদে নির্বাচীত হন মাহমুদ আলী প্রাপ্ত ভোট ৩০১ তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধী ছিলেন আবুল হাসনাত প্রাপ্ত ভোট ২৫৯, সদস্য পদে নির্বাচীত হন যথাক্রমে মোঃ মোশতাক আহমদ প্রাপ্ত ভোট ৩৯৯, জয়নাল আবেদীন প্রাপ্ত ভোট ২৬৫, হোসাইন আহমদ প্রাপ্ত ভোট ২২৩, আলা উদ্দীন প্রাপ্ত ভোট ২১৭, প্রফুল্ল রঞ্জন দাস প্রাপ্ত ভোট ২১৬, হারুন রশীদ প্রাপ্ত ভোট ১৯০। বড়চতুল ইউ/পি চেয়ারম্যান মুবশ্বীর আলী চাচাই, চারিকাটা ইউ/পি চেয়ারম্যান আব্দুল হক সহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যাক্তিগণ ভোট কেন্দ্র পরিদশূন করেন। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রতিক্ষার পর গত ২৭ শে আগষ্ঠ উক্ত নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি পদে ৩ জন , সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন, কোষাদক্ষ পদে ৩ জন, ও সাধারণ সদস্য পদে ২০জন প্রার্থী প্রতিদ্ধন্ধিতা করেন। নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সকল প্রার্থীরা ফলাফল মেনে নিয়ে নির্বাচীত প্রতিনিধিদের সকল কাজে সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

Kanaighat News on Wednesday, September 14, 2011 | 8:33 PM



কানাইঘাটে রাস্তা সংস্কারের
দাবীতে পরিবহন ধর্মঘট পালিত


সিলেটের কানাইঘাট-দরবস্ত ও গাজি বুরহান উদ্দিন সড়কসহ কানাইঘাট উপজেলার অভ্যন্তরীণ সকল পাকা ভাঙ্গাচুরা রাস্তা দ্রুত সংস্কার ও মেরামতের দাবীতে কানাইঘাটের ১১টি শ্রমিক সংগঠনের ডাকে গতকাল ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট পালিত হয়েছে। পরিবহন ধর্মঘট সফলের ল্যে ভোর ৬টা থেকে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কানাইঘাট-দরবস্ত ও গাজী বুরহান উদ্দিন সড়কে'র অন্তত ২০টি পয়েন্টে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ করে জনগুরুত্বপূর্ণ কানাইঘাট-দরবস্ত সিলেট রাস্তাটির কোন ধরনের সংস্কার বা মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ না করায় বর্তমানে রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় খানা খন্দকের সৃষ্টি হওয়ায় সব ধরনের যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কানাইঘাটে নজির বিহীন এ পরিবহন ধর্মঘট চলাকালে সবধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। ধর্মঘট শেষে দুপুর ১২টায় উপজেলা সদরে সর্বস্থরের শ্রমিকদের উদ্যোগে এক বিােভ মিছিল বের হয়। মিছিল পরবর্তী কানাইঘাট উত্তর বাজারে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক এম.এ.হান্নান, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শ্রমিক নেতা ফিরোজ আহমদ, খলিলুর রহমান, জসিম উদ্দিন, আব্দুল খালিক কালাই, জিয়া উদ্দিন, শরীফ উদ্দিন, কুতুব উদ্দিন, মাসুম আহমদ, আবিদুর রহমান, এবাদুর রহমান লালই, আলমগীর, শামীম আহমদ, মামুন রশিদ, মঈনুল ইসলাম, জামাল আহমদ, ইসলাম উদ্দিন। এছাড়া বিভিন্ন পেশার লোকজন ধর্মঘটের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। সভায় পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে কানাইঘাটের সকল ভাঙ্গাচুরা রাস্তা সংস্কার ও মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন না করা হলে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘটের হুমকি দেন। এদিকে গতকাল সিলেট-৫ আসনের সরকার দলীয় এমপি আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন হলে বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক সমিতি কানাইঘাট শাখার উদ্যোগে আয়োজিত কানাইঘাটের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও পরিবহন ধর্মঘটের কারনে তিনি আসেন নি। উল্লেখ্য যে, গতকালের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের জন্য রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত কয়েক দফা উপজেলা আ'লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান ও পৌর আ'লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিনসহ আ'লীগের অন্যান্য নেতর্ৃবৃন্দ শ্রমিক সংগঠনের নেতর্ৃবৃন্দের সাথে বৈঠকে বসলেও শ্রমিকরা তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেনি।

Kanaighat News on Thursday, September 8, 2011 | 10:56 AM

ডাক্তার ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে হাতাহাতি
কানাইঘাটে দু'গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা
কাওছার আহমদ


কানাইঘাটে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত এক বছরের শিশুকে চিকিৎসা দিতে বিলম্ব হওয়ার ঘটনার জের ধরে ডাক্তারের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পৌরসভার ডালাইচর ও বিষ্ণুপুর গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার বিকেলে পৌরসভার বিষ্ণুপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী আবদুর রাজ্জাকের শিশুপুত্র নাইফ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার ডা. উৎপুলেন্দু বিশ্বাসের প্রাইভেট চেম্বারে নিয়ে যান। সেখানে ঘণ্টাখানেক অবস্থানের পরও চিকিৎসার কোনো সুযোগ না পেয়ে রাজ্জাক অভ্যর্থনার দায়িত্বে থাকা নিখিল চন্দকে অনুরোধ করলে সে রাগান্বিত হয়ে প্রাইভেট ডাক্তারকে বাড়িতে নিয়ে সন্তানের চিকিৎসা করানোর জন্য বলেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে চেম্বার থেকে ডা. উৎপুলেন্দু বেরিয়ে এসে প্রবাসী রাজ্জাককে থাপ্পড় মারেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হলে ডাক্তার বিশ্বাস কপালে আঘাত পান।

Kanaighat News on Sunday, September 4, 2011 | 10:25 PM

সিলেট রেঞ্জের ডি.আই.জি'র

কানাইঘাট থানা পরিদর্শন



সিলেট রেঞ্জের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা আরো উন্নতি, নাশকতামূলক কর্মকান্ড প্রতিহত, চাঁদাবাজি, খুন-খারাবি রোধ এবং ঈদ পরবর্তী কর্মজীবি মানুষরা যাতে করে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরতে পারেন এর জন্য সিলেট রেঞ্জের ডি.আই.জি বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন ভূঁইয়া সিলেটের বিভিন্ন থানা আকস্মিক পরিদর্শনের ধারাবাহিকতায় গত শনিবার(৩সেপ্টেম্বর) কানাইঘাট থানা পরিদর্শন করতে আসেন। থানা পরিদর্শন কালে ডি.আই.জি মকবুল হোসেন ভুঁইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে কানাইঘাটের সার্বিক আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও জনগণের যানমালের নিরাপত্তা বিধানে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারন করে বলেন, পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারনে কোথাও যদি আইন শৃঙ্খলার কোন অবনতি বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তাহলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। একটি সূত্রে জানা যায়, ডি.আই.জি মকবুল হোসেন ভূঁইয়া গত কয়েকদিন যাবৎ দিনে ও রাতে সিলেট রেঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলার উন্নতির ল্যে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানা, জাওয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানা, সিলেটের গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, দণি সুরমা, ওসমানী নগর, জৈন্তাপুর থানা আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। তিনি সার্বিক আইন শৃংঙ্খলা রার্থে সিলেট রেঞ্জের অনর্্তভুক্ত রেল ষ্টেশন, বাস টার্মিনালগুলো এবং বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহজনক যানবাহন তল্লাশিসহ পুলিশি টহল জোরদারের নির্দেশ প্রদান করেন। তাহার এ আকস্মিক থানা পরিদর্শন ও অভিযান গত কয়েকদিন থেকে চলছে বলে জানাগেছে।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩