পৌর সভা নির্বাচন

Kanaighat News on Wednesday, December 29, 2010 | 8:33 PM

জমে উঠেছে কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচন
আগামী ১৮ জানুয়ারী কানাইঘাট পৌরসভার নির্বাচন উপল েনির্বাচনী প্রচারনা বেশ জমে উঠেছে। কারণ এই প্রথমবারের মত কানাইঘাটে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্টিত হবে তাই ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা একটু বেশী। নির্বাচনী উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে গোটা পৌর এলাকায়। প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারনায় সরগরম হয়ে উঠেছে। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী ও স্থানীয় সাংসদ সদস্য ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর একান্ত প্রচেষ্টায় ২০০৫সালের ২৫অক্টোবর ২৩টি গ্রাম নিয়ে কানাইঘাট পৌরসভা গঠিত হয়। পৌরসভার প্রতিষ্ঠার পর পর বেশ কিছুদিন বর্তমান কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারিছ চৌধুরীর চাচাতো ভাই আশিক চৌধূরী পৌরপ্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন। ১/১১ সময় আশিক চৌধুরীকে পৌরপ্রশাসকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে পর্যায়ক্রমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা পদাধিকার বলে অদ্যবদি পর্যন্ত পৌরপ্রশাসকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সিলেট জেলার মধ্যে কানাইঘাট পৌরসভার বহু কাঙ্খিত প্রথম পৌরনির্বাচন উপল্যে দীর্ঘদিন ধরে যারা মেয়র ও কাউন্সিলার পদে প্রতিধ্বন্ধিতা করার জন্য সামাজিক কর্মকান্ডের মধ্যে নিরবে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছিলেন তারা বর্তমানে পৌর নির্বাচনের তপশীল ঘোষনার পর থেকে সমর্থকদের নিয়ে কোমর ভেঁধে নির্বাচনী প্রচারণায় পুরোদমে মাঠে নেমে পড়েছেন। কানাইঘাট পৌরসভা গঠনের পর প্রথম নির্বাচন হওয়ায় পৌর এলাকার জনসাধারণ ছাড়াও গোটা উপজেলাবাসীর মধ্যে এক অন্য রকম আনন্দ ও উৎসাহ উদ্বীপনা বিরাজ করছে। কে হবেন পৌরসভার প্রথম মেয়র? এনিয়ে হোটেল রেস্তোরা সর্বত্রই এখন চলছে নির্বাচনী আড্ডা । পৌরবাসীর সুখ-দুঃখে অংশীদার হতে এবং নির্বাচনী নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেয়র প্রাথর্ীরা দিন-রাত বিরামহীন ভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। জোট-মহাজোট থেকে কে হচ্ছেন মেয়র প্রাথর্ী তানিয়ে পৌরবাসীর মধ্যে নানা কৌতুহল দেখা দিয়েছে। আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জামায়াত এবং জাতীয় পার্টি থেকে একাধীক প্রাথর্ী মেয়র পদে ভোটযুদ্ধে মাঠ চষে ভেড়াচ্ছেন। যার ফলে শেষ পর্যন্ত আ'লীগ ও বিএনপি থেকে একাধিক প্রাথর্ীও নির্বাচন করতে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে ইতিমধ্যে নীতিগত ভাবে উপজেলা আ'লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমানকে আ'লীগ সমথর্ীত প্রাথর্ী জেলা আ'লীগের একটি ঘরোয়া বৈঠকে ঘোষণা করা হলেও আ'লীগ নেতা চিত্রশিল্পী ভানু লাল দাস এবং সোহেল আমীন ও তাজ উদ্দিন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। তবে সোহেল আমীন নাগরিক পরিষদের ব্যানারে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া মহাজোটের শরীক দল জাতীয় পার্টির উপজেলা আহবায়ক সিরাজুল হক মনোনয়ন পত্র কিনলে ও অজ্ঞাত কারণে পরে মনোনয়ন পত্র জমা দেননি তবে শেষপর্যন্ত নাগরিক পরিষদের ব্যানারে মেয়র প্রার্থী যুবলীগ নেতা সোহেল আমিন জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করতে পারেন বলে জানা গেছে। অপর দিকে বিএনপি থেকে দলের উপজেলা শাখার একাংশের সাধারণ সম্পাদক কানাইঘাট বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি ব্যবসায়ী হাজী এম.এ মতিনকে মেয়র পদে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও উলামা দলের নেতাকমর্ী তাদের সমর্থণ দিয়ে তার প েনির্বাচনী কাজ শুরু করেছেন। মেয়র পদে সাবেক ছাত্র নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ওলিউল্লাহকে জামায়াতের প থেকে তাকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বিএনপির অপর একটি অংশ কানাইঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল মালিক (মালিক ট্রেডার্স) কে দলে যোগদান করিয়ে তার প েকাজ করে যাচ্ছেন। ভোটার সংখ্যা ১৩হাজার ৯শত ৪জন ভোটারের এ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড ও সংরতি মহিলা কাউন্সিলার পদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাধিক কাউন্সিলার প্রাথর্ী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করায় শেষ পর্যন্ত জোট-মহাজোটের বাহিরে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে মেয়র ও কাউন্সিলার প্রাথর্ীরা নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্ধিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আওয়ামীলীগ-বিএনপি থেকে একাধীক প্রার্থী মেয়র পদে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ায় দলের নেতাকর্মীরা অনেকটা নির্বাচন বিমুক হয়ে পড়েছেন।

ইভটিজিং প্রতিরোধ

Kanaighat News on Tuesday, December 28, 2010 | 8:32 PM


কানাইঘাটে ইভটিজিং প্রতিরোধ বিষয়ক
আলোচনা সভা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় কানাইঘাট লাইফ কেয়ার স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে স্থানীয় ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে ইভটিজিং প্রতিরোধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্য সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও লাইফ কেয়ার স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রুমান আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়েত জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কুয়েত শাখার সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল মুমিন চৌধুরী, প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিকিা নুর জাহান বেগম নিশা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট মাধ্যমিক বেসরকারী শিক সমিতির সভাপতি ফয়জুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসকাবের সভাপতি এম.এ হান্নান, মাসুদ আহমদ চেয়ারম্যান, এডভোকেট মামুন রশিদ। বক্তব্য রাখেন ফয়সল আহমদ, নজরুল ইসলাম সাজু, দেলওয়ার হোসেন, কাওছার আহমদ সুমন প্রমুখ।

ফলাফল ঘোষণা

কানাইঘাটে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী
পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠনিক ভাবে ঘোষণা
গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় সারা দেশের ন্যায় কানাইঘাটেও আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিা সমাপনী পরীা ২০১০ এর ফলাফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প েউপজেলা প্রাথমিক শিা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহীন মাহবুব ঘোষণা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্য সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাতী রাণী দাস, উপজেলা সহকারী প্রথামিক শিা কর্মকর্তা আব্দুল বাছিত, প্রাথমিক শিক সমিতির সভাপতি আব্দুল লতিফ চৌধুরী, সেক্রেটারী ইকবাল আহমদ প্রমুখ। ২০১০ সমাপনী পরীায় অংশগ্রহণকারী ৩০২৩ জনের মধ্যে ২৬৪৩ জন পাশ করে। প্রথম বিভাগে ৮৫৫, দ্বিতীয় বিভাগে ১৩৪৮ ও তৃতীয় বিভাগে ৪৪০ জন। পাশের হার ৮৭.৪৩। ইবতেদায়ী সমাপনী পরীায় ৫৯৮ জন পরীার্থীর মধ্যে ৪৫১ জন পাশ করে। প্রথম বিভাগে ১১৪, দ্বিতীয় বিভাগে ২০১ ও তৃতীয় বিভাগে ১৩৬ জন। পাশের হার ৭৫.

পাথরকুচি পাতা থেকে বিদ্যুত

Kanaighat News on Sunday, December 26, 2010 | 9:49 PM

পাথরকুচি পাতা থেকে উতপাদিত বিদু্তের আলো
জ্বললো কানাইঘাটের ৫৭ টি পরিবারে

দেলওয়ার হোসেন সেলিম:
দেশব্যাপী বিদু্ত সংকটের এই সময়ে বিদু্ত উতপাদনের বিকল্প জ্বালানী হিসেবে পাথরকুচি পাতা থেকে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারে বিদু্ত উতপাদন করে নতুন সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছেন এদেশেরই কৃতি সন্তান পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড। কামরুল আলম খান। তার উদ্ভাবিত ও আবিষকৃত পাথরকুচি পাতা থেকে বিদু্ত উতপাদন ব্যবহার প্রকল্পের প্রথম বারের মতো শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে কানাইঘাট উপজেলার একটি প্রত্যন্ত জনপথে। গতকাল শনিবার বিকেলে কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামাবাদ গ্রামের মসজিদসহ ৫৭টি পরিবারে পাথরকুচি পাতা থেকে উতপাদিত বিদু্ত প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এই অভিনব বিদু্ত উতপাদনের আবিস্কারক প্রফেসর ড। কামরুল আলম খান ও অতিথিবৃন্দ। এ উপলক্ষে ইসলামাবাদ গ্রামের মসজিদের পাশ্ববর্তী মাঠে এক জমজমাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এলাকার শিক গোলাম কিবরিয়া হেলাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও পাথরকুচি পাতা থেকে বিদু্যৎ উৎপাদন পদ্ধতির আবিস্কারক প্রফেসর ড. কামরুল আলম খান। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন আলম অটোলাইট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আলম অটোলাইট লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান ইকবাল, কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মতিউল ইসলাম চৌধুরী, গাছবাড়ী মাদ্রাসার অধ্য হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহিম, সিলেট প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সিলেট প্রেসকাবের সহ-সভাপতি আবদুল কাদের তাপাদার, কানাইঘাট মহিলা কলেজের অধ্য সিরাজুল ইসলাম, দণি বাণীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ, রাজাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসকাবের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি দেলওয়ার হোসেন সেলিম, গাছবাড়ী মর্ডান একাডেমির শিক আব্দুল মজিদ। এনামুল হক মান্না ও কামাল উদ্দিন এর যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মওদুদ আহমদ শরীফ। কোরআন তেলওয়াত করেন হাফিজ আব্দুল মজিদ। অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথিদের ক্রেস্ট প্রদান করেন আলম অটোলাইট এর বিভাগীয় ডিলার মোঃ আব্দুল্লাহ, কানাইঘাট জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলার ডিলার আব্দুল হান্নান, বিভাগীয় অফিস ইনচার্জ জুনেদ আহমদ, দণি সুরমা উপজেলা ডিলার ইসমাইল হোসেন টিপু, জকিগঞ্জ উপজেলা ডিলার জয়নাল উদ্দিন জুয়েল। প্রধান অতিথি পাথরকুচি পাতা থেকে বিদু্যৎ উৎপাদন সম্পর্কে বলেন, ব্লান্ডার মিশিনে পাথরকুচি পাতাকে জুস বানিয়ে কাচের বা প্লাষ্টিকের পাত্রে ঢেলে ডিসি বিদু্যৎ উৎপাদন করা হয়। ডিসি বিদু্যৎ এসিতে রূপান্তর করে এই বিদু্যৎ দিয়ে সকল যন্ত্রাপাতি চালানো যায়। পাথরকুচি পাতাকে বিশ্ব জুড়ে 'মিরাকল লিফ' হিসাবে অভিহিত করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ থেকে বিদু্যৎ উৎপাদন ও ব্যবহারের মাধ্যমে জাতির সামনে বিদু্যৎ উৎপাদন প্রযুক্তির এক নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সরকার ও বেসরকারী উদ্যোগে এই প্রক্রিয়াকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে পারলে বিদু্যৎ কোন অভাব হবে না। আলম অটোলাইট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমদ বলেন, পাথরকুচি পাতা থেকে খুব কম খরচে বিদু্যৎ উৎপাদন ব্যবহার করা যায়। সাধারন বিদু্যতের েেত্র যেখানে গ্রাহককে প্রতি ইউনিটে খরচ গুনতে হয় ৬ থেকে ১০ টাকা। সেখানে পাথরকুচি পাতা থেকে বিদু্যৎ মাত্র ১ টাকায় ব্যবহার করা যায়। তিনি জানান, খুব কম টাকায় এ বিদু্যৎ সংযোগ নেয়া যায়। তিনি বলেন, মাত্র এক একর জমিতে উৎপাদিত পাথরকুচি পাতা থেকে বছরে ৬০ থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদু্যৎ উৎপাদন সম্ভব। যাতে খরচ হবে মাত্র ১২ কোটি টাকা। পাথরকুচি পাতা থেকে উৎপাদিত বিদু্যৎ গতকাল থেকেই কানাইঘাটের ইসলামাবাদ গ্রামবাসী ব্যবহার শুরু করেছেন। ব্যবহারকারীরা জানান, তার বিদু্যৎ দিয়ে এনার্জি্ব বাল্ব, ফ্যান, টেলিভিশন ও পিকেএল রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করছেন। এদিকে, পাথরকুচি পাতা থেকে উৎপাদিত বিদু্যতের কানাইঘাট, জৈন্তাপুর ও গোয়াইঘাট এলাকার ডিলার আব্দুল হান্নান জানান, অচিরেই এসব উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঘরে ঘরে এ বিদু্যৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে। মাত্র ৫ হাজার টাকা খরচ করে যে কোন পরিবার এ বিদু্যৎ সংযোগ নিতে পারবে।

উদ্বোধন

কানাইঘাটে পাথরকুচি থেকে বিদু্ত
ব্যবহার প্রকল্পের উদ্বোধন শনিবার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট বিজ্ঞানী প্রফেসর ডঃ কামরুল আলম খান কর্তৃক আবিষ্কৃত পাথর কুচি থেকে উৎপাধিত বিদু্যৎ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে কানাইঘাটের রাজাগঞ্জ ইউপির ইসলামাবাদ গ্রামে। দেশব্যাপী তোলপাড় করা পাথর কুচি'র পাতা থেকে উৎপাদিত বিদু্যৎ ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম বারের মতো এই গ্রামে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলতি হচ্ছে। আগামী ২৫ডিসেম্বর শনিবার বেলা ২টায় মুকিগঞ্জ বাজারের উত্তরে ইসলামাবাদ মসজিদ সংলগ্ন মাঠে প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন উপল েআয়োজিত বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পাথর কুচির পাতা থেকে বিদু্যৎ উৎপাদানের আবিষ্কারক প্রফেসর ডঃ কামরুল আলম খান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আলম অটোলাইট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মতিউল ইসলাম চৌধুরী, গাছবাড়ী জামেউল উলুম কামিল মাদ্রাসার অধ্য হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহীম, কানাইঘাট মহিলা কলেজের অধ্য সিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক নিজাম উদ্দিন আল মিজান, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান ইকবাল, দণি বাণীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ মাসুদ, রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে সিলেট ও কানাইঘাটের বিশিষ্ট সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন আলম অটোলাইট লিমিটেড এর সাবডিলার আব্দুল হান্নান। বিজ্ঞপ্তি

পৌরসভা নির্বাচন

Kanaighat News on Wednesday, December 22, 2010 | 7:52 PM

কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৭,কাউন্সিলর পদে ৪৫
আগামী ১৮ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত কানাইঘাট পৌরসভার প্রথম নির্বাচন উপল েব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দানের শেষ দিনে গতকাল মেয়র পদে ৭, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৫ ও সংরতি মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯জন প্রাথর্ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মো: মতিউল ইসলাম চৌধুরীর কার্যালয়ে তাঁদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রাথর্ীদের সমর্থক ও উৎসুক জনতার ভিড়ে প্রশাসন চত্ত্বর সকাল থেকে লোকে লোকারন্য হয়ে ছিল। তবে প্রাথর্ীরা নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে ৫জন সমর্থক নিয়ে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রাথর্ীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। জোট ও মহাজোট থেকে একক প্রাথর্ী কোন জোট একক ভাবে দিতে না পারায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থিত একাধিক প্রাথর্ী মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও জামায়াত থেকে একক প্রাথর্ী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। পৌর মেয়র পদে যারা মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা হলেন উপজেলা আ'লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির একাংশের সাধারণ সম্পাদক এম।এ মতিন, জামায়াত নেতা মো: ওলিউল্লাহ বিএনপি নেতা হাজী আব্দুল মালিক, ও ব্যবসায়ী মো: তাজ উদ্দিন আ'লীগ নেতা চিত্রশিল্পী ভানু লাল দাস ও যুবলীগ নেতা সোহেল আমীন। তবে সোহেল আমীন কানাইঘাট নাগরিক পরিষদের ব্যানারে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন। তাকে জাতীয় পার্টির একটি অংশ সমর্থন দিয়েছে বলেও তিনি জানান। মনোনয়নপত্র জমাদান শেষে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রাথর্ীরা বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করে সাধারণ ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করে মন জয়ের চেষ্টা করেন এবং কানাইঘাট পৌরসভাকে একটি মডেল ও ১ম শ্রেণীর পৌরসভায় পরিণত করতে সততা ও নিষ্টার সাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মেয়র ও সংরতি মহিলা আসনে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২২ডিসেম্বর এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে বাছাই অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ডিসেম্বর। মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২রা জানুয়ারী ২০১১ইং।




বাল্য বিবাহ

Kanaighat News on Saturday, December 18, 2010 | 1:15 PM

কানাইঘাটে বাল্যবিবাহের অপরাধে বর
কনের পিতাকে জেল-জরিমানা



উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে গোপনে বাল্য বিবাহ সম্পাদনের অপরাধে কানাইঘাটে বর ও কনের পিতাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং জনপ্রতি ৫শত টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। গত বুধবার(১৫ডিসেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মতিউল ইসলাম চৌধুরী তার কার্যালয়ে মোবাইল কোর্ট অধ্যাদেশের ২০০৯এর-৭(১) ধারা মতে ১৯২৯ এর- ৫ধারায় এ শাস্তি প্রদান করেন। জানা যায় উপজেলার লীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির কেউটি হাওর পূর্ব গ্রামের সদ্য দেশে ফেরত দুবাই প্রবাসী ফরিদ উদ্দিন (৬০) এর পুত্র দুবাই প্রবাসী সোহেল আহমদ (২৬) এর সাথে একই গ্রামের পাশ্ববতর্ী হারিছ উদ্দিন (৫০)এর শিশুকন্যা স্থানীয় সুরতুননেছা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী রাহেনা বেগম (১৩) এর সাথে গত ২৪ নভেম্বর বিবাহের দিন ধার্য করা হয়। এ বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আফসার আলী মন্ডল সরজমিনে উপস্থিত হয়ে বর ও কনের উভয় পকে এ বাল্য বিবাহ বন্ধ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এরপরও নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ উপাে করে ২৪ নভেম্বর বর ও কনের অভিভাবকগণ দাওয়াত কার্ড ছাপিয়ে বিয়ের আয়োজন করলে ঐ দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই বাল্যবিবাহ পন্ড করার জন্য মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সহ অন্যান্যরা বর ও কনের বাড়িতে অবস্থান নেন। কিন্তু বর ও কনের পিতা-মাতা গোপনে বাড়ি ত্যাগ করে ঐ দিন সিলেট শহরে গিয়ে হলফনামায় মিথ্যা বয়স দেখিয়ে নোটারী পাবলিক সম্পাদন করে ২৫ নভেম্বর শহরের জনৈক কাজী আব্দুল খালিকের কাছে বাল্যবিবাহের নিকাহনামা রেজিষ্টারী করা হয় (কাজী মোবা: ০১৭১১৩২৮৮২৭)। উক্ত বিবাহের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বর ও কনের পিতাকে গতকাল ১৫ ডিসেম্বর আদালতে উপস্থিত হয়ে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশ প্রাপ্ত হয়ে বর ও কনের পিতা যথাক্রমে ফরিদ উদ্দিন ও মেয়ের বাবা হারিছ উদ্দিন আদালতে উপস্থিত হলে শোনানি কার্য অনুষ্ঠিত হয়। শোনানি শেষে মেয়ের বয়স ১৩ বছর প্রমাণীত হওয়ায় বাল্যবিবাহ নিরুধ আইন ১৯২৯/৫ধারা আইনে উভয় পকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত এবং ৫শত টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ দিনের কারাদন্ডের আদেশ প্রদান করেন। রায়ের পর উভয় পকে কানাইঘাট থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। আদেশে আরো বলা হয় মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত তার লেখাপড়া অব্যাহত রাখা এবং বিষয়টি পর্যবেনের জন্য মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। বর্তমানে কনে তার পিত্রালয়ে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।

বিজয় দিবস

Kanaighat News on Friday, December 17, 2010 | 9:29 PM

কানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪০তমমহান বিজয় দিবস পালিত

-------------------------------------------------------------------------------------------------কানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪০তম মহান বিকানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪০তম মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে ১২.০১ মিনিটে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ প্রশাসন, কানাইঘাট প্রেসকাব, উপজেলা আ'লীগ ও সহযোগী সংগঠন, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন, জাপা, কানাইঘাট স:প্রা: শিক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তপক অর্পণ করেন। এরপর দিনব্যাপি কানাইঘাট মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বীরদল এন.এম.একাডেমী: বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কানাইঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বীরদল এন.এম.একাডেমীতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,বেলা ১২টায় স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও ক্রিকেট খেলা, বিকেল ২টায় দেশাত্নবোধক গান ও উপস্থিত বতৃতা বিকেল ৩টায় আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্টানের সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো: জার উল্লাহ,স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক মো: মহিউদ্দিন,অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন সিনিয়র শিক কাজী নজরুল ইসলাম,মো: শফিকুল ইসলাম,কানাইঘাট মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক জামাল উদ্দিন,বীরদল মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো:আলাউর রহমান। ছাত্র-ছাত্রীদের প থেকে বক্তব্য রাখেন মো: ফজলে এলাহী,মো:আব্দুছ সাত্তার মাছুম,মো:রেজওয়ানুল করিম প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্টানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক মো: মাহবুবুল হক। কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ: কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করেছে। সূর্যদোয়ের সাথে সাথে পতাকা উত্তোলন, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শহীদদের স্মরণে কলেজ অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্য শামসুল আলম মামুনের সভাপতিত্বে ও ফয়সল উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক হাবিব আহমদ, লোকমান আহমদ, ইবাদুর রহমান, ফরিদ আহমদ, তাজ উদ্দিন, ওলিউর রহমান প্রমুখ। জয় দিবস পালিত

নারী নির্যাতন

Kanaighat News on Saturday, December 11, 2010 | 7:42 PM

নারী জোটের মতবিনিময় ও আলোচনা সভা
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সমাজ
রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তন জরুরী
একবিংশ শতাব্দির সামগ্রিক উন্নয়নের বিপরীতে নারী নির্যাতন মারাত্মক বাধা। তাই বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতন মহল সোচ্চার হয়ে উঠছে। অথচ বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদ অত্যন্ত সুকৌশলে নারী নির্যাতনসহ নান সামাজিক অপকর্মকে উৎসাহ দিচ্ছে। এর বিপরীতে উন্নয়ণকামী দেশ সমূহের সচেতন নারী পুরুষ জনমত সৃষ্টি করে চলেছে। এসব দেশের জনগণ বিরাজমান সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিবর্তনের পাশাপাশি সাময়িক নিরাপত্তার প্রত্যাশায় নানা আন্দোলন সংগ্রামের সাথে নানা রাজনৈতিক কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধে শুধু আইন প্রণয়ণ নয়, এজন্য মানুষের মৌলিক চাহিদা অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান,শিা, চিকিৎসার পরিপূর্ণ নিশ্চয়তা অনিবার্য। তাই যতদিন পর্যন্ত শোষণহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হবে ততোদিন সত্যিকার অর্থে নারী নির্যাতনসহ সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ সম্ভব নয়।আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ প উপল েজাতীয় নারী জোট সিলেট শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় বক্তারা একথা বলেন। গতকাল রোববার নজরুল একাডেমী মিলনায়তনে 'নারী নির্যাতন প্রতিরোধে করণীয়' শীর্ষক এই মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নারী জোট সিলেট জেলা শাখার আহ্বায়ক, জাসদের কেন্দ্রীয় নেত্রী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতার আহমদের সহধর্মিনী নারী নেত্রী শামীম আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা পরিচালনা করেন নারী সংগঠক শারমীন আক্তার লিসা। আলাচনা ও মতবিনিময়ের আগে মহান স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, সমাজপ্রগতি,গণতন্ত্র ও সকল স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা সিপিবির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান আইনজীবী অ্যাডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য্য, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক লোকমান আহমদ, সাম্যবাদী দলের কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড আফরোজ আলী, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের প্রশাসক ফারুক মাহমুদ চৌধুরী, জামালগঞ্জ উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা শাহরিয়ার, শিাবিদ ও সমাজসেবী আয়েশা চৌধুরী, জেলা জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক লালমোহন দেব, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কিবরিয়া বকুল, জাতীয় মহিলা পার্টির মহানগর সভাপতি শিউলী আক্তার, বিশিষ্ঠ সমাজসেবী, নারীনেত্রী হাসিনা শীরু, বিশিষ্ঠ গবেষক গীতা রাণী শমর্্মা, জেলা বাসদের সদস্য সচিব রনেন সরকার রণি, জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রীণা কর্মকার, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম নেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন। উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাসদ সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ কলন্দর আলী, জাসদ নেতা আব্দুস সাত্তার চৌধুরী, মাহমুদ আলী, আলাউদ্দিন আহমদ মুক্তা, জহির আহমদ শোয়েব, কামাল আহমদ, আব্দুল হাসিব চৌধূরী, হুমায়ুন কবির, ওয়েছুর রহমান, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, কামরুল ইসলাম দীপু, হালিম আহমদ প্রমুখ।

জরিমানা আদায়

গাছবাড়ীতে মোবাইল কোর্টের ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী বাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার এক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে বেলা আড়াইটা হতে সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে হোটেল, ফর্ােমসী ও ফলের দোকান থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

কানাইঘাটে জাতীয় বিদু্ত সপ্তাহের আনুষ্ঠনিক উদ্বোধন

কানাইঘাটে জাতীয় বিদু্ত সপ্তাহের আনুষ্ঠনিক উদ্বোধন
বিদু্ত জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের বিদু্ত বিভাগ কর্তৃক বিদু্ত ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন অন্যকে বিদু্ত ব্যবহারের সুযোগ দিন এই শ্লোগান নিয়ে ঘোষিত জাতীয় বিদু্ত সপ্তাহ ২০১০ উপল্যে সপ্তাহ ব্যাপি কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সিলেট পলী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কানাইঘাট জোনাল অফিসের উদ্যোগে গতকাল সকাল ১১টায় জোনাল অফিস প্রাঙ্গণ থেকে একটি র্যালি বের করে প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদণি শেষে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এসে শেষ হয়। র্যলি পূর্ববতর্ী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান ইকবাল, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী মতি প্রভাতী রাণী দাস,কানাইঘাট জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো: সাইফুল ইসলাম, সমিতি বোর্ডের এলাকা পরিচালক মো: শফিকুল হক ও মো: নজরুল ইসলাম। উক্ত আলোচনা সভা ও র্যলিতে সমিতির সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ অংশগ্রহণ করেন। সপ্তাহ ব্যাপি কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান ইকবাল

অযন্তে অবহেলায় কানাইঘাটের ২২মুক্তিযোদ্বার কবর

Kanaighat News on Wednesday, December 8, 2010 | 8:33 PM


অযন্তে অবহেলায় কানাইঘাটের ২২মুক্তিযোদ্বার কবর
মাহবুবুর রশিদ:
স্বাধীনতার দীর্ঘ ৩৯ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও চরম অবহেলা আর অযন্তে পড়ে আছে মহান স্বাধীনতা যুদ্বে জীবন উৎসর্গকারী কানাইঘাটের ২২ শহীদ মুক্তিযোদ্বার কবর। অথচ এ সকল শহীদদের আত্নত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন একটি দেশ। কিন্তু তাদের পরিবার পরিজনের খবর আজও কেউ রাখেনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্বাদের সাহায্য করার অপরাধে স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় একই দিনে ২২ মুক্তিযোদ্বাদেরকে তাদের নিজ নিজ বাড়ী থেকে ধরে এনে পাক হানাদাররা নির্মমভাবে জীবন্ত কবর দিয়েছিল। এই ২২ মুক্তিযোদ্বাদের মধ্যে ১৯ জনকে জীবন্ত মাটি চাপা দেওয়া হয়েছিল কানাইঘাট উপজেলা সদরের মাত্র ১ কি:মি: দূরবতর্ী কানাইঘাট-দরবস্ত রাস্তা সংলগ্ন বিস্নুপুর খালের পারে বাকি ৩ জনকে ঐ স্থান থেকে ২০০ গজ দূরে সমাহিত করা হয়। অথচ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর সন্তানদের সমাধিস্থলটি পড়ে আছে অযন্তে অবহেলায়। ১৯ জনের সমাধিস্থলে পাকা দেয়াল তৈরী করলেও সমাধিস্থলটি যে কোন সময় পাশ্ববর্তী খালের ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বাকি ৩ জনের সমাথিস্থল শুধু চারদিকে ৪ টি পিলার আর কাটাতার দিয়ে কোন মতে রাখা হয়েছে। কিছুদিন পর হয়ত তাদের কবর চিহ্নিত করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হয়। জাতী শ্রদ্বাভরে স্মরণ করে সেই সকল শহীদদের। যাদের আত্নত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের মানচিত্রে লেখা হয় আরেকটি দেশের নাম। কিন্তু স্বাধীনতার দীর্ঘ ৩৯ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের ভুলতে পারেনি কানাইঘাটের মানুষ। শহীদদের আত্নীয়-স্বজন ও মুক্তিযোদ্বারা ােভ প্রকাশ করে বলেন যাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা তাদের সমাধিস্থলটির আজ এই অবস্থা,তাদের পরিবার-পরিজন অনাহারে,অর্ধাহারে দিনানিপাত করছে,অথচ যারা রাজাকার তারা কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে দালান,কোঠা নির্মাণ করছে। বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্বাদের প্রতি খুবই আন্তরিক বীর মুক্তিযোদ্বাদের শেষ স্মৃতিটুকু রা করার জন্য বর্তমান সরকারের উর্দ্ধতন কতর্ৃপরে কাছে এলাকাবাসী দাবী জানিয়েছেন।
 
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো:মহিউদ্দিন,সম্পাদক : মাহবুবুর রশিদ,নির্বাহী সম্পাদক : নিজাম উদ্দিন। সম্পাদকীয় যোগাযোগ : শাপলা পয়েন্ট,কানাইঘাট পশ্চিম বাজার,কানাইঘাট,সিলেট।+৮৮ ০১৭২৭৬৬৭৭২০,+৮৮ ০১৯১২৭৬৪৭১৬ ই-মেইল :mahbuburrashid68@yahoo.com: সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত কানাইঘাট নিউজ ২০১৩